উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
এর অর্থ:
- গৃহে আগত ব্যক্তি;
মেহমান;
আগন্তুক।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৮ / ৬৯ · ২,৭০১–২,৮০০ / ৬,৯৫৩
• ভাষার বিচারে বাক্যের আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা এই তিনটি গুন থাকা চাই।
• প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারে বাহুল্য দোষ ঘটে।
• যার ফলে শব্দ তার যোগ্যতা গুণ হারিয়ে থাকে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি।
• অশুদ্ধ বানান - প্রনয়িণী।
- শুদ্ধ বানান - প্রণয়িনী।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- অনুরক্ত ব্যক্তি।
অন্যদিকে,
• শুদ্ধ বানান - কূপমণ্ডূক।
• শুদ্ধ বানান - হীনম্মন্যতা।
• শুদ্ধ বানান - ভদ্রোচিত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'নাইবা তুমি এলে।' বাক্যে 'তুমি' কর্তৃকারক।
• কর্তৃকারক:
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তা ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক।
- ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্তৃকারক।
- উদাহরণ:
খোকা বই পড়ে। (কে পড়ে? খোকা – কর্তৃকারক)
মেয়েরা ফুল তোলে। (কারা তোলে? মেয়েরা – কর্তৃকারক)
কর্তৃকারক বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদনের বৈচিত্র্য বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী চার প্রকার:
1. মুখ্য কর্তা: যে নিজে নিজেই ক্রিয়া সম্পাদন করে।
উদাহরণ: ছেলেরা ফুটবল খেলছে। মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে।
2. প্রযোজক কর্তা: মূল কর্তা যখন অন্যকে কোনো কাজে নিয়োজিত করে তা সম্পন্ন করায়।
উদাহরণ: শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন।
3. প্রযোজ্য কর্তা: মূল কর্তার করণীয় কার্য যাকে দিয়ে সম্পাদিত হয়, তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলা হয়।
উদাহরণ: রাখাল (প্রযোজক) গরুকে (প্রযোজ্য কর্তা) ঘাস খাওয়ায়।
4. ব্যতিহার কর্তা: কোনো বাক্যে যে দুটো কর্তা একত্রে একজাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে।
উদাহরণ: বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়। রাজায়-রাজায় লড়াই, উলুখাগড়ার প্রাণান্ত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৯ সালের সংস্করণ)।
- সঠিক উত্তর - অসংগতি।
অসঙ্গতি অলঙ্কার:
- কার্য এবং কারণের ঘটনাস্থান যদি ভিন্ন হয় অর্থাৎ একস্থানে কারণ ঘটেছে এবং অপর স্থানে তার ফল দেখা যাচ্ছে, তখন তাক অসঙ্গতি অলঙ্কার বলে।
যেমন:
- 'হৃদয় মাঝে মেঘ উদয় করি, নয়নের মাঝে ঝড়িল বারি’
( আকাশ মেঘে কালো হয়েছে, জল ঝরছে নয়ন হতে)।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• -কে, -রে বিভক্তি:
⇒ বাক্যে গৌণকর্মের সঙ্গে সাধারণত-কে এবং-রে বিভক্তি বসে।
- ক্রিয়াকে 'কাকে' প্রশ্ন করলে যে শব্দ পাওয়া যায় তার সঙ্গে এই বিভক্তি যুক্ত হয়।
- যেমন : শিশুকে, দরিদ্রকে, আমাকে, আমারে ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• -এ, -তে, -য়, -য়ে বিভক্তি
⇒ সাধারণত ক্রিয়ার স্থান, কাল, ভাব বোঝাতে-এ, -তে,-য়, -য়ে ইত্যাদি বিভক্তির ব্যবহার হয়।
- কখনো কখনো বাক্যের কর্তার সঙ্গেও এসব বিভক্তি বসে।
• -র, -এর,-য়ের বিভক্তি
- বাক্যের মধ্যে পরবর্তীশব্দের সঙ্গে সম্বন্ধ বোঝাতে পূর্ববর্তী শব্দের সঙ্গে-র, -এর এবং-য়ের বিভক্তি যুক্ত হয়।
- সাধারণত আ-কারান্ত, ই/ঈ-কারান্ত ও উ/ঊ-কারান্ত শব্দের শেষে-র বিভক্তি বসে।
- যেমন: রাজার, প্রজার,।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।
• পাগলে কি না বলে। বাক্যে পাগলে কর্তায় ৭মী।
• কর্তা কারক:
ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তা কারক বলে।
বাক্যের উদ্দেশ্যই কর্তা কারক। কর্তা কারকে সাধারণত বিভক্তিযুক্ত হয় না।
যেমন -
- অনেক গুলো বন্য হাতি বাগান নষ্ট করে দিলো।
- আমাকে যেতে হবে
- রাজা প্রজা পালন করে
অন্যদিকে,
- বনে বাঘ থাকে। - অধিকরণ শূন্য বিভক্তির উদাহরণ।
- গুরুজনে কর নতি - সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
- অন্ধজনে দেহ আলো - সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮সংস্করণ)।
শুদ্ধ শব্দটি হলোঃ
- ইতঃপূর্বে - এর আগে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
গুরুচণ্ডালী বলতে বোঝায় তদ্ভব এবং তৎসম শব্দের মিশ্রণ।
এমন হলে বাক্যে অপপ্রয়োগ হয়েছে বলা যায়৷
এদের গুরুচণ্ডালী ভুল গুলো হচ্ছে - গরুর শকট, মড়া দাহ, শব পোড়া, তাপদাহ।
গরুর গাড়ি, মরা পোড়া, শবদাহ, দাবদাহ - এরকম হলে গুরুচণ্ডালী দোষ হবে না।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
• ণ-ত্ব বিধি লঙ্ঘন করেছে বিধায় ‘পরাহ্ন’ শব্দটি অশুদ্ধ।
----------------------
• ণ-ত্ব বিধান:
- ণ-ত্ব বিধান বাংলা ভাষায় মূর্ধন্য ‘ণ’-এর সঠিক প্রয়োগের নিয়মাবলি নির্দেশ করে।
- ণ-ত্ব বিধান বাংলা ব্যাকরণের সেই নিয়ম যা নির্দেশ করে যে কখন তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দে দন্ত্য ‘ন’ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে।
- মূলত এটি তৎসম শব্দের জন্য প্রযোজ্য, কারণ দেশি বা তদ্ভব শব্দে ‘ণ’ ব্যবহার হয় না।
- নিয়ম অনুযায়ী, যদি ঋ, র, ষ বর্ণের পরে দন্ত্য ‘ন’ থাকে, তবে তা ‘ণ’ হয়, যেমন: ঋণ, বর্ণ, ঘৃণা।
- এছাড়া, ঋ, র, ষ এর পরে যদি স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ বা অনুস্বার থাকে, তবুও ‘ণ’ হয়, যেমন: কৃপণ, নির্বাণ, গ্রহণ।
- প্র, পরা, পূর্ব, অপর- এইগুলার পর অহ্ন শব্দ থাকলে দন্ত্য 'ন' মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
- যেমন: প্রাহ্ণ, পরাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ, অপরাহ্ণ ইত্যাদি।
- ‘পরাহ্ন'’ শব্দে — প্র, পরা, পূর্ব, অপর- এইগুলার পর অহ্ন শব্দ থাকলে দন্ত্য 'ন' মূর্ধন্য 'ণ' হয় — নিয়ম অনুযায়ী ‘পরাহ্ণ' হবে।
- ‘ন' ব্যবহার করায় ‘পরাহ্ন’ শব্দটি ভুল।
- এর শুদ্ধ রূপ হলো- পরাহ্ণ।
-------------------
উল্লেখ্য,
- মধ্যাহ্ন ও সায়াহ্ন শব্দে 'ণ' হবেনা কারণ- এখানে ‘অহ্ন’- 'মধ্য' ও 'সায়' শব্দের পরে আছে।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্য:
- যৌগিক বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে; অন্যদিকে সরল বাক্যে থাকে একটি সমাপিকা ক্রিয়া।
- তাই যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময়ে মাঝখানের সমাপিকা ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করে নিতে হয়।
যেমন:
যৌগিক বাক্য: তুমি আসবে এবং আমি যাব।
সরল বাক্য: তুমি এলে আমি যাব।
যৌগিক বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত, কিন্তু অভদ্র নয়।
সরল বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত হলেও অভদ্র নয়।
যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
সঠিক বানানটি হলো - শুশ্রূষা।
এর অর্থ হলো - পরিচর্যা, সেবা।
অন্য অপশনের শুদ্ধ বানান:
• 'আদ্যক্ষর' - আদ্যাক্ষর।
• বিদ্ব্যান - বিদ্বান।
• নিক্কন - নিক্বণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অনুষঙ্গ শব্দে ‘ষ’ ধ্বনির শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে।
অন্যদিকে,
• 'সংষ্কার' এর শুদ্ধরূপ- সংস্কার।
• 'সংষ্ফুট' এর শুদ্ধরূপ- সংস্ফুট।
• 'সংষ্করণ' এর শুদ্ধরূপ- সংস্করণ।
-----------------------
• 'ষ' ব্যবহারের নিয়ম:
- 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।
- ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
- অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের 'স' 'ষ' হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
- ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ" হয়। যেমন-অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা, প্রতিস্থান > প্রতিষ্ঠান, অনুস্থান > অনুষ্ঠান, বিসম > বিষম ইত্যাদি।
- তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
- কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কলুষ, ভূষণ, দ্বেষ, ঔষধ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ষড়যন্ত্র, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
মুমুক্ষু বানানটি সঠিক।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ: মোহানী।
শুদ্ধ: মোহিনী।
অশুদ্ধ:রোহমর্ষক।
শুদ্ধ: রোমহর্ষক।
অশুদ্ধ: রুক্মিনী।
শুদ্ধ: রুক্মিণী।
উৎস: বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অশুদ্ধ বানান - পিপীলীকা।
- শুদ্ধ বানান - পিপীলিকা।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- পিঁপড়া,
- পিঁপড়ে।
অন্যদিকে,
- ভদ্রোচিত, ভ্রাতুষ্পুত্র এবং অভিভূত - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান- চূর্ণ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- কণায় পরিণত পদার্থ, গুঁড়ো,
- চুন,
- সুগন্ধি গুঁড়ো,
- আবির।
• বিশেষণ পদ- গুঁড়ো করা হয়েছে এমন, চূর্ণীকৃত, সম্পূর্ণ ভগ্ন, গুঁড়োয় পরিণত।
---------------
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো-
• শূন্য।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- পরিমাণ বা আয়তনের অভাব।
• রূপক।
- এটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- যে অর্থালংকারে উপমান ও উপমেয়কে অভেদ কল্পনা করা হয়।
- যেসব কাব্য বা নাটকে কোনো তত্ত্বকে রূপ দেওয়া হয়।
• গুণ্য।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
গুণ করতে হবে এমন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• উক্তি:
- বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে।
- উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরোক্ষ উক্তি।
যেমন -
→ প্রত্যক্ষ উক্তি: ছেলেটি বলেছিল, "আজ আমি অনেক পড়েছি।"
→ পরোক্ষ উক্তি: ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে।
- যে উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়, তাকে বলে প্রত্যক্ষ উক্তি।
- আর যে উক্তিতে বক্তার কথা অন্যের দ্বারা বর্ণিত হয়, তাকে বলে পরোক্ষ উক্তি।
- প্রত্যক্ষ উক্তি লেখার সময়ে উদ্ধারচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
→ রফিক হেসে বললো, "আমি আপনাকে লক্ষ করিনি।"
→ কালো চুলের মানুষটি বলল, "দশ পর্যন্ত গুনতে পারি। যোগ কী আমার ধারণা আছে। কিন্তু বিয়োগ করতে পারি না।”
• প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে — কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন -
→ প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, "আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।"
→ পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
ভাববাচ্য:
- যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন:
- আমার খাওায়া হলো না।
- আমাকে এখন যেতে হবে।
- তোমার দ্বারা এই কাজ হবে না।
- কোথায় থাকা হয়।
অন্যদিকে,
কর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- ছাত্ররা অঙ্ক করছে।
- কর্তৃবাচ্যে ক্রিয়াপদ সর্বদাই কর্তার অনুসারী হয়।
- কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।
যেমন:
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে।
কর্মবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- আলেকজান্ডার কর্তৃক পারস্য দেশ বিজিত হয়।
- চোরটা ধরা পড়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'এ সুতায় কাপড় হয় না।' এই বাক্যে 'সুতায়' করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
• করণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
• প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি: ছাত্ররা বল খেলে। (অকর্মক ক্রিয়া) ডাকাতেরা গৃহস্বামীর মাথায় লাঠি মেরেছে। (সকর্মক ক্রিয়া)।
• তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি: লাঙ্গল দ্বারা জমি চাষ করা হয়।
- দিয়া বিভক্তি: মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন।
• সপ্তমী বিভক্তি বা এ বিভক্তি: ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে। শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়।
- তে বিভক্তি: 'এত শঠতা, এত যে ব্যথা, তবু যেন তা মধুতে মাখা।' নজরুল। লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব।
- য় বিভক্তি: চেষ্টায় সব হয়। এ সুতায় কাপড় হয় না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
অপাদান কারক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
উদাহরণসমূহ:
- বিচ্যুত: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
- গৃহীত: সুক্তি থেকে মুক্তো মেলে।
- জাত: জমি থেকে ফসল পাই।
- বিরত: পাপে বিরত হও।
- দূরীভূত: দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে।
- রক্ষিত: বিপদ থেকে বাঁচাও।
- আরম্ভ: সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু।
- ভীত: বাঘকে ভয় পায় না কে?
• "সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু।" - বাক্যে 'সোমবার থেকে' অপাদান কারক। কারণ, 'থেকে' অনুসর্গটি দিয়ে ক্রিয়ার আরম্ভ বা শুরু বোঝানো হয়েছে, যা অপাদান কারকের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
অপাদান কারক: যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ বা রক্ষিত হয়, তা অপাদান কারক।
উদাহরণ: এই বাক্যে 'সোমবার' থেকে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে, অর্থাৎ পরীক্ষার আরম্ভের সময় বা উৎস নির্দেশ করছে।
বিভক্তি: এখানে 'থেকে' অনুসর্গটি অপাদান কারকে 'পঞ্চমী বিভক্তি' নির্দেশ করছে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
কর্তাবাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী হয়।
যেমন:
- আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব।
- শরতে শিউলি ফোটে।
- ঝরণা ছবি আঁকে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• বঁধূয়া বানানটি অশুদ্ধ।
• শুদ্ধ বানান: বঁধুয়া।
'বিমর্শ' বানানটি শুদ্ধ।
• বিমর্শ অর্থ:
১. বিতর্ক।
২. বিশেষ বিবেচনা বা বিচার।
৩. তথ্য নিরূপণ।
৪. সংস্কৃত নাটকের পাঁচটি অঙ্গের প্রথমটি।
• বাহুল্য, বিমা বানানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
⇒ জটিল বাক্য:
যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।
যেমন:
- যে রক্ষক, সে ভক্ষক।
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
- যখন বৃষ্টি নামল, তখন আমরা ছাতা খুঁজতে শুরু করলাম।
=============
⇒ সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন:
- পাখিগুলো নীল আকাশে উড়ছে।
- তিনি ভাত খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন ৷
➤ সরল বাক্যে অনেক সময়ে ক্রিয়া অনুপস্থিত থাকে ৷
যেমন:
- আমরা তিন ভাইবোন।
➤ বাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও সরল বাক্য হয়।
যেমন:
- তিনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পায়চারি করতে করতে বাজারের দিকে গেলেন।
⇒ যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (−) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।
যেমন:
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ৷
- অন্ধকার হয়ে এসেছে – বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি – এতে দোষের কিছু নেই।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
যে বাক্যে একটি প্রধান খন্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে।
এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে।
যেমন-
লোকটি যদিও ধনী, তবুও সে কৃপণ।
যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ।
সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর:
- যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়।
- সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়। সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে হলে সরল বাক্যের কোন অংশকে নিরপেক্ষ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়।
যেমন:
সরল বাক্য: পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত।
যৌগিক বাক্য: এখন থেকেই তোমার পড়া উচিত, তবেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে।
সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।
যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• অপাদান কারক:
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলো অপাদান কারক।
যেমন:
- বিচ্যুত: মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
- গৃহীত: দুধ থেকে দই হয়।
- বিরত: পাপে বিরত হও।
এরূপ-
জাত: খেজুর রসে গুড় হয়।
[ বাক্যকে কি থেকে গুড় হয়? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'রসে'। সুতরাং 'রসে' অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।]
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি:
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
অশুদ্ধ শব্দ - শুদ্ধ শব্দ:
আবশ্যকীয় - আবশ্যক;
একত্রিত - একত্র;
অধীনস্থ - অধীন;
করিতকর্মী - করিতকর্মা;
গণ্যনীয় - গণনীয়;
জ্ঞানমান - জ্ঞানবান;
ঘূর্ণীয়মান - ঘূর্ণায়মান;
পুজ্য - পূজ্য।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• অপাদান কারক:
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলো অপাদান কারক।
যেমন:
- বিচ্যুত: মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
- গৃহীত: দুধ থেকে দই হয়।
- জাত: খেজুর রসে গুড় হয়।
- বিরত: পাপে বিরত হও।
[ বাক্যকে কোথা হতে বা কিসের বিরত হও? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'পাপে' ৷ সুতরাং 'পাপে' অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ]
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ভাবাধিকরণ অধিকরণ কারক:
- যদি কোন ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিরকরণ বলে।
- ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ভাবে সপ্তমী বলা হয়।
যেমন:
- সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়। (ভাবাধিকরণে ৭মী)।
- কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়।
অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ 'এ' 'য়' 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যথা-
- আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। এ বাড়িতে কেউ নেই।
- কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে।
অধিকরণ তিন প্রকার:
১. কালাধিকরণ।
২. আধারাধিকরণ।
৩. ভাবাধিকরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)
অশুদ্ধ বাক্যটির শুদ্ধরূপ -
এখানে খাটি গরুর দুধ পাওয়া যায়। => এখানে গরুর খাঁটি দুধ পাওয়া যায়।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে,
• রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবেনা।
যেমন: অর্জ্জন, কর্ম্ম, কার্য্য, মূর্চ্ছা ইত্যাদির পরিবর্তে যথাক্রমে অর্জন, কর্ম, কার্য, মূর্ছা ইত্যাদি হবে।
• বিদেশি শব্দের বানানে মুর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয়না।
যেমন- পোশাক, মাস্টার।
• ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন - ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
• সংস্কৃত 'সাৎ' প্রতয়যুক্ত পদে ষ হয় না।
যেমন - অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
প্রদত্ত প্রশ্নের অপশনে শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে সংবরণ।
- নিরব শব্দের শুদ্ধ বানান নীরব।
- নূন্যতম শব্দের শুদ্ধ বানান ন্যূনতম।
- প্রাতঃরাশ শব্দের শুদ্ধ বানান প্রাতরাশ।
উৎসঃ;ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুসারে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্ন হলো
• অন্ত্যযতি:
১. দাঁড়ি (।),
২. প্রশ্নচিহ্ন (?),
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!),
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।
• অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,),
৬. সেমিকোলন (;),
৭. হাইফেন (-),
৮. ড্যাশ (_),
৯. কোলন (:),
১০. কোলন-ড্যাশ (:-),
১১. বিন্দু (.)।
• অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা ('),
১৩. ত্রিবিন্দু (...),
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('.../"..."),
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})),
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড)।
• অশুদ্ধ- প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বীতা থাকবেই।
• শুদ্ধ- প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ: আমার টাকার আবশ্যক নাই।
শুদ্ধ: আমার টাকার আবশ্যকতা নাই।
অশুদ্ধ: ছেলেটি বংশের মাথায় চুনকালি দিল।
শুদ্ধ: ছেলেটি বংশের মুখে চুনকালি দিল।
অশুদ্ধ: সব পাখিরা নীড় বাঁধে না।
শুদ্ধ: সব পাখি নীড় বাধে না।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• শুদ্ধ বানান - ধাঁধা।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- কৌতূহলোদ্দীপক জটিল প্রশ্ন,
- দিশেহারা ভাব; সংশয়; দৃষ্টিবিভ্রম।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাক্যের বিশেষণ : কখনো কখনো বিশেষণ পদ একটি সম্পূর্ণ বাক্যকে বিশেষিত করতে পারে, তখন তাকে বাক্যের বিশেষণ বলে। যেমন : দুভাগ্যক্রমে দেশ আবার নানা সমস্যাজালে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
অব্যয়ের বিশেষণ : যে ভাব-বিশেষণ অব্যয় পদ অথবা অব্যয় পদের অর্থকে বিশেষিত করে, তাকে অব্যয়ের বিশেষণ বলে। যেমন: ধিক্ তারে,শত ধিক্ নির্লজ্জ যে জন।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।
• শুদ্ধ বানান - ভ্রাতুষ্পুত্র।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- ভাইয়ের ছেলে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।