বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ৩৩ / ৩৪ · ৩,২০১৩,৩০০ / ৩,৩৩৯

৩,২০১.
’ভারতের সেভেন সিস্টার্স’ রাজ্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. মনিপুর
  2. ত্রিপুরা
  3. কেরালা
  4. মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
কেরালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেরালা
ব্যাখ্যা
’ভারতের সেভেন সিস্টার্স’:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সম্মিলিতভাবে "সেভেন সিস্টার্স" বলা হয়।
- এই নামটি ১৯৭২ সালে ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া একটি রেডিও টক শোতে ব্যবহার করেন,
- যা পরবর্তীতে তাঁর লেখা "The Land of Seven Sisters" বইয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করে ।
- অরুণাচল প্রদেশ: এর রাজধানী ইটানগর।
- আসাম: এর রাজধানী দিসপুর, চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত; ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিভক্ত।
- মেঘালয়: এর রাজধানী শিলং, চেরাপুঞ্জি ও মাওসিনরাম, বিশ্বের সর্বাধিক বৃষ্টিপ্রাপ্ত স্থানসমূহ এখানে অবস্থিত।
- ত্রিপুরা এর রাজধানী আগরতলা।
- নাগাল্যান্ড এর রাজধানী কোহিমা।
- মিজোরাম এর রাজধানী আইজল, পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং মিজো সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত।
- নাগাল্যান্ড এর রাজধানী কোহিমা।
- বিভিন্ন উপজাতীয় সংস্কৃতি এবং হর্নবিল উৎসবের জন্য পরিচিত।
- কেরালা ভারতের সেভেন সিস্টার্স অংশ নয়।

উৎস: Britannica.
৩,২০২.
কোন দেশের নিকট সবচেয়ে বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বর্তমান বিশ্বে মোট নয়টি দেশের নিকট পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। দেশগুলো হলো:
রাশিয়া – ৫,৯৭৭টি
যুক্তরাষ্ট্র – ৫,৪২৮টি
চীন – ৩৫০টি
ফ্রান্স – ২৯০টি
যুক্তরাজ্য – ২২৫টি
পাকিস্তান – ১৬৫টি
ভারত – ১৬০টি
ইসরাইল – ৯০টি
উত্তর কোরিয়া – ৪০/৫০টি।

- ১৯৪৫ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র সর্বপ্রথম পরমাণু বোমার পরিক্ষা চালায়। ইসরাইল ঘোষিত পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র নয়

(তথ্যসূত্র: SIPRI ওয়েবসাইট)
৩,২০৩.
'লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা' কোন দেশের জঙ্গি সংগঠন?
  1. ইসরায়েল
  2. সিরিয়া
  3. লিবিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের একটি জঙ্গি সংগঠন।

লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:

- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা পাকিস্তান ও ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত ।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।

উৎস: Britannica.
৩,২০৪.
নিচের কোন দেশটি সম্প্রতি স্বাক্ষরিত RCEP চুক্তির অংশীদার নয়?
  1. ক) চিলি
  2. খ) নিউজিল্যান্ড
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) চিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চিলি
ব্যাখ্যা
গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৫টি দেশের মধ্যে RCEP (The Regional Comprehensive Economic Partnership) নামে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো:
- চীন
- জাপান
- দক্ষিণ কোরিয়া
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- কম্বোডিয়া
- লাওস ও
- মিয়ানমার।
এটি বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক বাণিজ্যিক ব্লক বা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
এই জোটের অধীন দেশসমূহের সম্মিলিত জিডিপি বিশ্ব জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান)
৩,২০৫.
'টুপাক আমারু' কোন ধরনের সংস্থা?
  1. একটি সংবাদ সংস্থা
  2. একটি পুলিশ বাহিনী
  3. গেরিলা সংগঠন
  4. একটি গোয়েন্দা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা

• টুপাক আমারু:
- টুপাক আমারু রেভ্যুলেশনারী মুভমেন্ট (MRTA) হলাে পেরুর কমিউনিস্ট সশস্ত্র সংগঠন।
- এটি একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি পেরুতে শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৮৪ সাল থেকে সশস্ত্র লড়াই শুরু করে।
- ২০০০ সালের দিকে এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
- শাইনিং পাথ পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন এর ওয়েবসাইট।

৩,২০৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল নয় কোনটি?
  1. ক) জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা
  2. খ) জার্মানির বিভক্তি
  3. গ) স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা
  4. ঘ) লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
ঘ) লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠিত হয়।

• বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে আলোচিত ও দুঃখজনক ঘটনা হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। 
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল: 
- পরস্পর বিরোধী দুই মতাদর্শের বিকাশ।
- জার্মানির বিভক্তি।
- বিশ্বরাজনীতিতে বৃহৎ শক্তির হিসাবে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পতন।
- বৃহৎ শক্তি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের আবির্ভাব।
- স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
 
৩,২০৭.
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের কোন অংশে ভারত সম্প্রতি (ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ) সামরিক বিমান হামলা পরিচালনা করে?
  1. ক) এবোটাবাদ
  2. খ) কোয়েটা
  3. গ) বালাকোট
  4. ঘ) গিলগিট
সঠিক উত্তর:
গ) বালাকোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বালাকোট
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের বালাকোট অংশে ভারত সম্প্রতি (ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ) সামরিক বিমান হামলা পরিচালনা করে।
সূত্রঃ বিবিসি নিউজ।
৩,২০৮.
NATO-এর বর্তমান সদস্যরাষ্ট্র কয়টি? (জুলাই-২০২৫)
  1. ৩১টি
  2. ২৯টি
  3. ৩২টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা
• the North Atlantic Treaty Organization ( NATO) :
- ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সামরিক জোট যা একটি পাল্টা ওজন তৈরি করতে চেয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
- শীতল যুদ্ধের সমাপ্তির পর , ন্যাটোকে একটি "সহযোগী-নিরাপত্তা" সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।
- এর ৩২টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- শুরুতে ন্যাটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো লন্ডনে।
- সেখান থেকে ১৯৫২ সালে প্যারিসে এবং ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তর করা হয়।
- ১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার ১৪তম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মার্ক রুট।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার ১২টি দেশ নিয়ে ন্যাটো তৈরি হয়েছিল।
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪)।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৩,২০৯.
NATO এর কোন অনুচ্ছেদের অধীনে কোন রাষ্ট্র ন্যাটোতে যোগ দিতে পারে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১৫ 
  2. অনুচ্ছেদ - ১১ 
  3. অনুচ্ছেদ - ১০
  4. অনুচ্ছেদ - ৯ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০
ব্যাখ্যা

◉ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-১০ অনুযায়ী Open Door Policy বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিচালিত হয়। এই অনুচ্ছেদের অধীনে নতুন সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটোতে যোগ দিতে পারে। 

ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [আগস্ট - ২০২৫]

উল্লেখ্য, 
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- পরবর্তীতে আরও দেশ যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[আগস্ট - ২০২৫]
- ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-১০ অনুযায়ী Open Door Policy বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিচালিত হয়। 

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।

৩,২১০.
অ্যান্টার্কটিক চুক্তির মূল স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিক চুক্তি (Antarctic Treaty): 
- অ্যান্টার্কটিক চুক্তি হলো অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এটি ১ ডিসেম্বর, ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (মূল স্বাক্ষরকারী) স্বাক্ষর করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশকে একটি সামরিক-বর্জিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যেখানে শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্দেশ্যে কাজ করা যাবে।
- চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল অ্যান্টার্কটিকাকে সামরিকীকরণ থেকে মুক্ত রাখা এবং সেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়া।
- এই চুক্তি গঠিত হয় ওয়াশিংটন ডিসি-তে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনের মাধ্যমে, যেখানে অংশগ্রহণ করে নিম্নলিখিত ১২টি দেশের প্রতিনিধিরা:
১. আর্জেন্টিনা
২. অস্ট্রেলিয়া
৩. বেলজিয়াম
৪. ব্রিটেন
৫. চিলি
৬. ফ্রান্স
৭. জাপান
৮. নিউজিল্যান্ড
৯. নরওয়ে
১০. দক্ষিণ আফ্রিকা
১১. যুক্তরাষ্ট্র
১২. সোভিয়েত ইউনিয়ন

উৎস: Britannica.
৩,২১১.
'তাসখন্দ চুক্তি' মধ্যস্থতাকারী ছিলেন -
  1. এ্যালেক্সি কোসিগিন
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জিমি কার্টার
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
এ্যালেক্সি কোসিগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যালেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
৩,২১২.
সাভাক (SAVAK) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. ইসরায়েল
  2. ইরান
  3. মিশর
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
সাভাক (SAVAK):
- সাভাক (SAVAK) ইরানের একটি গোয়েন্দা সংস্থা ছিল।
- এটি ইরানের মোহাম্মদ রেজা শাহ'র শাসনামলে গঠিত হয় এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর বিলুপ্ত হয়ে যায়।

কয়েকটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা:
- যুক্তরাষ্ট্র: Central Intelligence Agency (CIA), Defense Intelligence Agency (DIA), Fairfax, Federal Bureau of Investigation (FBI)।
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.

উৎস: Britannica.
৩,২১৩.
ভারতের কোন রাজ্য থেকে নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. বিহার
  3. অন্ধপ্রদেশ
  4. পাঞ্জাব
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা
নকশাল আন্দোলন:
- নকশাল আন্দোলন একটি কমিউনিস্ট আন্দোলন।
- নকশাল বা নকশালবাদী বলতে উগ্র বামপন্থী দলগুলোকে নির্দেশ করা হয়।
- ১৯৬৭ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে পুলিশের সাথে কৃষক ও আদিবাসীদের সংঘর্ষের মাধ্যমে নকশালবাড়ি বা নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এ আন্দোলন বিহার, উড়িষ্যা, ছত্তিসগড়, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ।

⇒ নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী।
- এরা ছিলো উগ্র বামপন্থী যারা সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে সচেষ্ট।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।

উৎস: Britannica.
৩,২১৪.
'Fairfax' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ফেয়ার ফ্যাক্স (Fairfax):
- ফেয়ার ফ্যাক্স যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা:
• Central Intelligence Agency (CIA),
• Defense Intelligence Agency (DIA),
• Fairfax,
• Federal Bureau of Investigation (FBI)।

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.

৩,২১৫.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Geneva Round
  2. Torquay Round
  3. Uruguay Round
  4. Dillon Round
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
• Geneva Round,
• Annecy Round,
• Torquay Round,
• Geneva II Round,
• Dillon Round,
• Kennedy Round,
• Tokyo Round,
• Uruguay Round.

⇒ GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড 'Uruguay Round'.

⇒ উরুগুয়ে রাউন্ড:

- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- উরুগুয়ে রাউন্ড শুরু হয়: ১৯৮৬ সালে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- উরুগুয়ে রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

৩,২১৬.
'Black Lives Matter' কি?
  1. একটি গ্রন্থের নাম
  2. একটি চলচ্চিত্র নাম
  3. একটি সংস্থা
  4. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন 
সঠিক উত্তর:
বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন 
ব্যাখ্যা

'Black Lives Matter' একটি বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন।

Black Lives Matter:
- 'Black Lives Matter' একটি বর্ণবাদ বিরোধী অনলাইনভিত্তিক আন্দোলন।
- সামাজিক মাধ্যমে ২০১৩ সালে এর যাত্রা শুরু হয়।
- আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি শ্বেতাঙ্গদের সহিংস আচরণের প্রতিবাদ থেকেই আফ্রো-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মাঝে এর উৎপত্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ২০১২ সালে ফ্লোরিডায় ট্রেভন মার্টিনের মৃত্যুর পরে এই স্লোগানটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- ১৭ বছর বয়সী নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গকে প্রতিবেশী ওয়াচ ভলান্টিয়ার জর্জ জিমারম্যান গুলি করে হত্যা করেছিল।
- আন্দোলনটি ২০১৩ সালে তিন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা দ্বারা শুরু হয়েছিল।
- তারা হলেন: অ্যালিসিয়া গারজা, প্যাট্রিস কুলারস এবং ওপাল টোমেটি।
- এই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্যগুলির মধ্যে ছিল পুলিশি বর্বরতা বন্ধ করা এবং কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে সমান আচরণ করা।
- এর সমতার দাবির মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য, এলজিবিটি সম্প্রদায় এবং ভোটাধিকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সময় এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৩ জুব, ২০২১, BBC.

৩,২১৭.
'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' এর সাথে সর্ম্পকিত ঘটনা কোনটি?
  1. ক) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. গ) জার্মানির বিভক্তি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' এর সাথে সর্ম্পকিত ঘটনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

• নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাজি বাহিনী ইউরোপে ‘অপরাধ' করেছিল।
- তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধ সংঘটিত করা ও বিঘ্নিত করা।
- ১৯৪৫ সালে গঠিত International Military Tribunal (Nurenburg)-এ তাদের বিচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
- তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হয়েছিল । বিচার তাদেরও হয়েছিল, যারা দূরপ্রাচ্যে (Far East) অপরাধ সংঘটিত করেছিল।
- ১৯৪৬ সালে গঠিত হয়েছিল International Military Tribunal for Far East (Japan)।
- জাপানি যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার হয়েছিল।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
 
৩,২১৮.
'পিংপং কূটনীতি' দ্বারা নিচের কোন দুটি দেশের সর্ম্পক উন্নয়ন হয়েছিল?
  1. ক) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন ও যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• পিংপং কূটনীতি (Ping Pong Diplomacy): 
- বিংশ শতাব্দীর সত্তর-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র টেবিল টেনিস দলের চীন সফরকে চিহ্নিত করা হয়েছে পিংপং কূটনীতি হিসেবে।
- ১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেবিল টেনিস দল জাপারে নাগোয়াতে ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল।
- তখন তাদের চীন সফরে আমন্ত্রণ জানান হয়।
- তারা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল টানে যান।
- ১৯৪৯ সালের পর প্রথম একটি যুক্তরাষ্ট্রের টিম চীন সফর করেছিল।
- এর মধ্যে দিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয় এবং প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের ক্ষেত্র তৈরি হয়।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৩,২১৯.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান কোন দেশের?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. বাংলাদেশ
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
• ভারতের সংবিধান্য: 
- ভারতের সংবিধান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান।
- এটি ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে বিবেচিত।
- বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম লিখিত ও তুলনামূলকভাবে দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
- সংবিধানে মোট রয়েছে:
- ২৫টি অংশ (Parts)।
- ৪৭০টি ধারা (Articles),
- ১২টি তফসিল (Schedules),
- এবং এ পর্যন্ত প্রণীত হয়েছে ১০৫টি সংশোধনী (Amendments)।

• অন্যান্য তথ্য:
- অলিখিত সংবিধান রয়েছে এমন দেশগুলোর মধ্যে আছে:
- ব্রিটেন (UK),
- স্পেন,
- নিউজিল্যান্ড,
- সৌদি আরব,
- ইসরায়েল।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩,২২০.
কোন চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়?
  1. শেনজেন চুক্তি
  2. রোম চুক্তি
  3. লিসবন চুক্তি
  4. ম্যাসট্রিচট চুক্তি
সঠিক উত্তর:
লিসবন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)।
- এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
- এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৭ সালে পর্তুগালের লিসবনে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে লিসবন চুক্তি বলে।
- এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়।
- এই চুক্তির অনুচ্ছেদ-৫০ এ বলা আছে গণভোটের মাধ্যমে কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে পারবে।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৩,২২১.
নিচের কোনটি বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি?
  1. ক) RCEP
  2. খ) AFTA
  3. গ) COMESA
  4. ঘ) USMCA
সঠিক উত্তর:
ক) RCEP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) RCEP
ব্যাখ্যা
- গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশদেগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত হওয়া RCEP (The Regional Comprehensive Economic Partnership) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য।
- মোট ১৫টি দেশ চুক্তিটির অংশীদার।
- চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মোট জিডিপি বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট)
৩,২২২.
MI6 কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

MI6:
- MI6 (সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস) যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে প্রচারের জন্য দায়িত্বশীল।
- এটি ১৯০৯ সালে সিক্রেট সার্ভিস ব্যুরোর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাষ্ট্র।
- সামরিক গোয়েন্দা (Military Intelligence) বিভাগের ছয় নম্বর সেকশন হিসেবে MI6 নামে পরিচিত।
- জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের পর, MI6 ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বেশিরভাগ অংশে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এটি অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের সময় ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ভূমিকা, শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য বিখ্যাত।

উৎস: SIS (Secret Intelligence Service) ওয়েবসাইট।

৩,২২৩.
নিচের কোন দেশ পারমাণবিক অস্ত্রধারী নয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ:
- একটি দেশের সামরিক শক্তি পরিমাপের অন্যতম মানদণ্ড এখন সে দেশের অস্ত্রাগারে থাকা পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা।
- পারমাণবিক অস্ত্র মজুদের শীর্ষে আছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
- বর্তমান বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের প্রায় ৯০ শতাংশ আছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে।
- এছাড়াও চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, ভারত, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়াসহ ৯ দেশের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে।

উল্লেখ্য,
- স্নায়ুযুদ্ধের সময় শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার কাছে মজুদ পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যাই ছিল বর্তমান বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
- জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয়।

উৎস: নভেম্বর ২৫, ২০২২, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। [link]
৩,২২৪.
ভিয়েতনাম এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধ নিরসনের জন্য কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে "Agreement on Ending the War and Restoring Peace in Vietnam" নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি ডাক থো ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: Britannica.
৩,২২৫.
নিম্নের কোন চুক্তিটি 'অটোয়া চুক্তি' নামে পরিচিত?
  1. Anti Ballistic Missile Treaty
  2. Anti-Personnel Landmines Convention
  3. Non-Proliferation of nuclear weapons
  4. Biological Weapons Convention
সঠিক উত্তর:
Anti-Personnel Landmines Convention
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anti-Personnel Landmines Convention
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

অন্যদিকে,
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty. এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- BWC: Biological Weapons Convention. জৈবিক অস্ত্র কনভেনশন বা Biological Weapons Convention (BWC) হলো একটি আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা জৈব অস্ত্র নিষিদ্ধ করে। 
- NPT: Non-Proliferation of nuclear weapons. এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৩,২২৬.
কোন দেশ চেকবুক ডিপ্লোমেসি’ প্রবর্তন করে?
  1. জাপান
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
চেকবুক কূটনীতি:
- অর্থনৈতিক সাহায্য ও বিনিয়োগ করে সমর্থন পাওয়ার জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহ যে কূটনীতি প্রয়োগ করে তাকেই চেকবই কূটনীতি বলা হয়।
- বর্তমানে চেকবই কূটনীতির মাধ্যমে চীন কৌশলগত ও সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করছে।
- অবকাঠামো খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে চীন বাংলাদেশকে কাছে টানতে চায়, বিশেষজ্ঞরা একে 'চেকবুক কূটনীতি' আখ্যা দিয়েছেন।

অন্যদিকে,
- বর্তমানে আলোচিত ‘ঋণ-ফাঁদ কূটনীতি (Debt-trap diplomacy)’– চীনের সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: বিবিসি নিউজ।
৩,২২৭.
কাতারের সাথে কোন দেশ সম্পর্ক ছিন্ন করেছে?
  1. ক) লিবিয়া
  2. খ) জর্ডান
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) বাহরাইন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাহরাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাহরাইন
ব্যাখ্যা

২০১৭ সালের ৫ জুন তিন নিকটতম প্রতিবেশীসহ পাঁচটি আরব দেশ কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে৷ দেশগুলো হচ্ছে - সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা ও DW আর্কাইভ।

অন্যদিকে CNN এবং রয়টার্সের মতে, লিবিয়া কূটনীতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বলা হলেও আদতে লিবিয়ার সাথে কাতারের কোন কূটনীতিক সম্পর্ক ছিলই না। সব দিক থেকে বিবেচনা করলে বাহরাইনকে সঠিক উত্তর ধরা যায়।

৩,২২৮.
’আইএসআই (ISI)’ কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরান
  2. ভারত
  3. ইসরায়েল
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB)।
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI)।
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA)।
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB)।
- ব্রিটেন: SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6)।
- ইসরায়েল: MOSSAD |
- ইরান: সাভাক।

উৎস: Britannica.com. 

৩,২২৯.
শাত-ইল-আরব সংক্রান্ত বিরোধের কারণে কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. গালফ যুদ্ধ
  2. ইরান-ইরাক যুদ্ধ
  3. আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
  4. ছয় দিনের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ইরান-ইরাক যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান-ইরাক যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- শাত-ইল-আরব সংক্রান্ত বিরোধের কারণে ইরান-ইরাক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

শাত-ইল-আরব:

- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক-ইরান যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

সূত্র: Britannica.
৩,২৩০.
অকাস চুক্তি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. পূর্ব ইউরোপ
  3. ভূমধ্যসাগরীয়
  4. ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অকাস চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

⇒ এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের সাথে অস্ট্রেলিয়ার করা ১২টি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি অকার্যকর হয়ে যাওয়ায় ফ্রান্স অকাস চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
- অকাস চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াডের গুরুত্বও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).
৩,২৩১.
Which country has signed the Chemical Weapons Convention (CWC) but has not ratified it?
  1. Russia
  2. China
  3. United States
  4. Israel
  5. United Kingdom
সঠিক উত্তর:
Israel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Israel
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তির নাম - Chemical Weapons Convention (CWC)।
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি অনুসারে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ও স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয় - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
৩,২৩২.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অসলো-১ শান্তি চুক্তি মধ্যস্থতা করেন?
  1. জিমি কার্টার
  2. রোনাল্ড রেগান
  3. জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
৩,২৩৩.
সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেস নিম্নের কোন দুটি দেশকে ন্যাটোতে যুক্ত করার অনুমোদন দেয়?
  1. ক) নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড
  2. খ) ফিনল্যান্ড এবং ইউক্রেন
  3. গ) সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড
  4. ঘ) ইউক্রেন এবং নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
গ) সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডকে ন্যাটোতে যুক্ত করার অনুমোদন দেয় মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট। 
৯ আগস্ট অনুমোদনে স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
 
উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর। 
৩,২৩৪.
ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ কোনগুলো?
  1. ক) ক্রোয়েশিয়া ও তুরস্ক
  2. খ) তুরস্ক ও আলবেনিয়া
  3. গ) তুরস্ক ও কসোভো
  4. ঘ) এস্তোনিয়া ও মিসর
সঠিক উত্তর:
খ) তুরস্ক ও আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তুরস্ক ও আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি। এর মধ্যে আলবেনিয়া ও তুরস্ক ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ। ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য উত্তর মেসিডোনিয়া (২৭ মার্চ ২০২০)। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ন্যাটো গঠিত হয়। ন্যাটো সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ।
(সূত্রঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট)
৩,২৩৫.
'অপারেশন জাস্ট কজ' কোন দেশে পরিচালিত হয়েছে?
  1. সোমালিয়া
  2. পানামা
  3. নিকারাগুয়া
  4. ভেনেজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
পানামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা
ব্যাখ্যা

অপারেশন জাস্ট কজ:
- 'অপারেশন জাস্ট কজ' পরিচালিত হয়েছে পানামায়।

⇒ লাতিন আমেরিকার দেশ পানামার স্বৈরশাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে ‘অপারেশন জাস্ট কজ’ পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ পানামা অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে ৮০টি সি-১৪১, ২২ থেকে ২৫টি সি-১৩০, ১১টি সি-৫১ স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড ছিল। এ ছাড়া ১৬টি এফ-১৫ ও ৪টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কি ইস্ট থেকে ক্যারিবীয় উপকূলে ইউকাটান উপদ্বীপ ও কিউবার মধ্যে যুদ্ধকালীন টহল দিয়েছিল।
- রাতের আকাশ ভেদ করে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী। পিডিএফের দুটি রাইফেল কোম্পানি ব্যারাকে দুটি ২০০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলা হয়। অ্যাপাচি হেলিকপ্টার থেকে নিখুঁত নিশানায় ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল মার্কিনদের জীবন রক্ষা করা, পানামায় গণতন্ত্র রক্ষা করা, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং পানামা খাল চুক্তির অখণ্ডতা রক্ষা করা।
- বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পানামায় মার্কিন সামরিক অভিযানে দেশটির ৫১৪ জন সেনা ও বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫০ থেকে ২০০ জন পিডিএফের সেনা, অন্যরা বেসামরিক নাগরিক।
- দুই সপ্তাহে সফলভাবে পানামায় জাস্ট কজ অভিযান শেষ করে যুক্তরাষ্ট্র। গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কর্মকর্তারা নরিয়েগাকে মায়ামিতে উড়িয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
- ১৯৯২ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.

৩,২৩৬.
কত সালে 'Central Treaty Organization' চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

Central Treaty Organization:
- CENTO এর পূর্ণরূপ: Central Treaty Organization.
- CENTO একটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা চুক্তি, যা বাগদাদ চুক্তি (Baghdad Pact) নামেও পরিচিত।
- এই চুক্তি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং কমিউনিস্ট প্রভাব থেকে মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়াকে সুরক্ষা প্রদান করা।
- CENTO-এর সদস্য দেশগুলো ছিল: ইরান, ইরাক, তুরস্ক, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য।
- সদরদপ্তর: আঙ্কারা, তুরস্ক।

এছাড়াও,
- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থার সদরদপ্তর ছিল ইরাকের বাগদাদে।
- ইরাক ১৯৫৯ সাল সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়, ফলে সদরদপ্তর বাগদাদ থেকে তুরস্কের আঙ্কারায় স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং শাহ-এর পতনের পর দেশটি এই সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।
- CENTO আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৯ সালে বিলুপ্ত হয়।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট এবং U.S. Department of State (.gov).

৩,২৩৭.
CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত দেশের সংখ্যা কত? (এপ্রিল, ২০২৫)
  1. ১৮২টি
  2. ১৮৫টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১৯১টি
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি। (এপ্রিল, ২০২৫)
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৩,২৩৮.
'এক দেশ দুই নীতি'র প্রণেতা-
  1. ক) শিন জিং
  2. খ) দেং শিয়াও পিং
  3. গ) ইয়াং পিং
  4. ঘ) চুচুয়াং
সঠিক উত্তর:
খ) দেং শিয়াও পিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দেং শিয়াও পিং
ব্যাখ্যা
- হংকং চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও নিজস্ব বিচার বিভাগ, আইনসভা ও নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।
- ১৯৯৭ সাল থেকে হংকং 'এক দেশ, দুই নীতি’র আওতায় স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা ভোগ করে আসছে। 
- ১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে ৫০ বছরের জন্য হংকং চীনের শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই নীতি ২০৪৭ সাল পর্যন্ত চালু থাকবে।
- এই 'এক দেশ দুই নীতি'র প্রণেতা দেং শিয়াও পিং।  
উল্লেখ্য,
- নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বৃটিশরা চীন থেকে হংকং দ্বীপ লাভ করেছিলো।

উৎস:- ব্রিটানিকা ও  দৈনিক প্রথম আলো।
৩,২৩৯.
মার্কিন-তালেবান ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ২ মার্চ, ২০২০
  2. ২৫ জানুয়ারি, ২০২০
  3. ৩০ এপ্রিল, ২০২০
  4. ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
সঠিক উত্তর:
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
ব্যাখ্যা
তালেবান গোষ্ঠী:
- ১৯৯৪ সালে আফগান প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল তালেবান গোষ্ঠী।
- পশতু ভাষায় তালেবান মানে হচ্ছে 'ছাত্র'।
- আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত রাশিয়ার সেনারা ফিরে যাওয়ার পর ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে উত্তর পাকিস্তানে এই তালেবান আন্দোলনের জন্ম।
- এই আন্দোলনে মূলত পশতুন অর্থাৎ পশতুভাষীদের প্রাধান্য।
- এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হতো সৌদি অর্থে - এবং সেখানে খুবই কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করা হতো।
- তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামি আইনে দেশ পরিচালনা এবং যে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব দূর করা।
- ১৯৯৮ সাল নাগাদ তালেবান আফগানিস্তানের প্রায় ৯০ শতাংশ অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ কাণ্ড ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে বিখ্যাত বামিয়ান বুদ্ধের মূর্তি ধ্বংস করা।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার পর সারা বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে আফগানিস্তানের তালেবান।

⇒ যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই:
- আফগানিস্তানে তালেবানদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে দুপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- কাতারের রাজধানী দোহায় ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সৈন্যবাহিনী তুলে নেয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের আগে এ দু’পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) ৫ অগাস্ট ২০২১, BBC
৩,২৪০.
হামাস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

হামাস: 
- হামাস একটি ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন এটি ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শেখ ইয়াসিন।
- হামাস ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)-এর ধর্মনিরপেক্ষ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিল এবং ফিলিস্তিনের যে কোনো অংশ হস্তান্তর করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।
- হামাস ইসরায়েল এবং পিএলও- এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির নিন্দা করেছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৩,২৪১.
AUKUS চুক্তি "Pillar I" নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. অর্থনৈতিক বিনিয়োগ
  2. পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়ন
  4. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
-
চুক্তির নাম: AUKUS (অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র)
- প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
- মূল উদ্দেশ্য: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করা।
- প্রধান স্তম্ভ (Pillars): 
• Pillar I: পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি:
- অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক চালিত, প্রচলিত অস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন সরবরাহ করা।
- ২০৩০-এর দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনটি ভার্জিনিয়া-শ্রেণীর সাবমেরিন ক্রয়।
- যুক্তরাজ্যের সাথে যৌথভাবে SSN-AUKUS শ্রেণীর সাবমেরিন উন্নয়ন ও নির্মাণ।
- ২০৪০-এর দশকের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় SSN-AUKUS সাবমেরিনের নির্মাণ শুরু।

• Pillar II: উন্নত প্রযুক্তি:
- সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, হাইপারসনিক ও প্রতিহাইপারসনিক প্রযুক্তি, এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- ২০২৪ সালে হাইপারসনিক ফ্লাইট টেস্ট ও এক্সপেরিমেন্টেশন (HyFliTE) প্রকল্পের মাধ্যমে হাইপারসনিক প্রযুক্তির পরীক্ষণ ও উন্নয়ন।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
৩,২৪২.
প্রথম কয়টি দেশ Antarctic Treaty স্বাক্ষর করে?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিক ট্রিটি (Antarctic Treaty): 
- চুক্তিটি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের শান্তিপূর্ণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি বিশেষ অঞ্চল হিসেবে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ ডিসেম্বর ১৯৫৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৬১ সালে। 
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি প্রথমে স্বাক্ষর করেছিল: ১২টি দেশ।
- বর্তমানে সদস্য: ৫৮টি দেশ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭-৫৮ সালের আন্তর্জাতিক ভূ-পদার্থিক বছর (IGY) চলাকালীন অ্যান্টার্কটিকায় এবং তার আশেপাশে অবস্থিত দেশের বিজ্ঞানীরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
- চুক্তিটি প্রথমে ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (যারা অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল) দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অ্যান্টার্কটিক চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিধান:
- শান্তিপূর্ণ ব্যবহার: অ্যান্টার্কটিকা শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে (আর্টিকেল I)।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা: অ্যান্টার্কটিকায় বৈজ্ঞানিক তদন্তের স্বাধীনতা থাকবে এবং গবেষণা ফলাফল বিনিময় করা হবে (আর্টিকেল II ও III)।
- আঞ্চলিক দাবি নিষিদ্ধ: চুক্তির অধীনে নতুন আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের দাবি বা পুরনো দাবির প্রসারণ নিষিদ্ধ (আর্টিকেল IV)।
- কোনো সামরিক কার্যকলাপ নয়: অ্যান্টার্কটিকায় কোনো সামরিক কার্যকলাপ বা পারমাণবিক পরীক্ষা করা যাবে না।

উৎস: Antarctic Treaty ওয়েবসাইট।
৩,২৪৩.
ইন্টারপোল (Interpol) এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? [জানুয়ারি - ২০২৫]
  1. দক্ষিণ সুদান
  2. পালাউ
  3. সুইডেন
  4. সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
পালাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালাউ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইন্টারপোল (Interpol):

- ইন্টারপোলের পূর্ণরূপ হলো The International Criminal Police Organization।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা এটি বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারে সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ইন্টারপোল ১৯২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ভিয়েনা, অস্ট্রিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
- বর্তমানে ১৯৬টি দেশের সদস্য নিয়ে গঠিত। [জানুয়ারি - ২০২৫]
- ইন্টারপোলের অফিসিয়াল ভাষা হল ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত।
- ইন্টারপোলের সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পালাউ এই সংস্থায় যোগ দিয়েছে। [জানুয়ারি - ২০২৫]  

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
৩,২৪৪.
'আবু সায়াফ’ কোন দেশে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী?
  1. কলম্বিয়া
  2. ফিলিপাইন
  3. নাইজেরিয়া
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা

- 'আবু সায়াফ’ ফিলিপাইনের সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।

Abu Sayyaf Group (ASG): 

- অর্থ: "তলোয়ারধারী পিতা" বা “Father of the Sword”.
- দেশ:  ফিলিপাইন (মূলত: দক্ষিণাঞ্চল – Mindanao ও Sulu দ্বীপপুঞ্জ)।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৯১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: আব্দুররাজাক আবুবাকর জানজালানি।
- ইসলামপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। 
• মূল উদ্দেশ্য: 
- দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
- মার্কিন ও ফিলিপাইন সরকারের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’।
- ধর্মীয় আইনের বাস্তবায়ন।

• জড়িত ঘটনা: 
- ২০০০ সালে মালয়েশিয়ার পর্যটকদের অপহরণ।
- ২০০৪ সালে ফেরি বিস্ফোরণে ১১৬ জন নিহত (ফিলিপাইনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা)।
- ২০১৬ সালেও কানাডিয়ান জিম্মিদের হত্যা।
• যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন সরকার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

৩,২৪৫.
লস্কর-ই-তাইয়্যেবা কোন দেশের জঙ্গি সংগঠন? 
  1. পাকিস্তান
  2. আফগানিস্তান 
  3. জর্ডান 
  4. লেবানন 
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

 • লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত ।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা

৩,২৪৬.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি নিচের কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):

- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল। 

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট। 
৩,২৪৭.
Europol-এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? [মে, ২০২৫]
  1. ২১টি
  2. ২৩টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭টি
ব্যাখ্যা
Europol:
- Europol-এর পূর্ণরূপ: The European Union Agency for Law Enforcement Cooperation.
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পুলিশ সংস্থার নাম Europol।
- সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৯৯ ।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ।
- প্রথম পরিচালক: জার্গেন স্টরবেক।
- নির্বাহী পরিচালক: ক্যাথরিন ডি বোলে।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল সদস্যই ইউরোপোলের সদস্য।

এছাড়াও,
- ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ সালে ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপোল-এর সৃষ্টি হয়।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে, সদস্য রাষ্ট্রগুলি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে একত্রিত হওয়ার জন্য সম্মত হয়, যার মধ্যে সন্ত্রাসবাদ, অবৈধ মাদক পাচার, এবং অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ ও মোকাবেলা ছিল।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে Europol (ইউরোপীয় পুলিশ অফিস) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মাধ্যমে পুলিশী সহযোগিতা ও তথ্য বিনিময়ের একটি সংগঠিত ব্যবস্থা তৈরি হয়।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির ধারা K.3 অনুযায়ী ইউরোপোল প্রতিষ্ঠার কনভেনশনের চুক্তি ১৯৯৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: Europol ওয়েবসাইট।
৩,২৪৮.
ন্যাটো(NATO)এর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র কোনটি?
  1. মন্টিনিগ্রো
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. আলবেনিয়া
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা

♦ ৭ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সামরিক জোট ন্যাটোয় আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে সুইডেন।
- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া।
- এর পরেই ন্যাটোতে যোগ দিতে আবেদন করে সুইডেন।

 • NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট

৩,২৪৯.
'নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি' প্রধানত কোন দেশের পররাষ্ট্রনীতির অংশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি:
- 'নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি' প্রধানত চীনের পররাষ্ট্রনীতির অংশ।
- মূলত র‍্যাম্বো স্টাইলের চীনা চলচ্চিত্র 'উলফ ওরিয়র-২' থেকে 'নেকড়ে যোদ্ধা' পরিভাষাটি ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- চীনের 'নেকড়ে যোদ্ধা' কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
- শি জিনপিংয়ের মহান কূটনৈতিক দর্শন থেকে এই পরিভাষাটি বেছে নেয়া হয়েছে।
- নিজের মর্যাদা বাড়াতে ও ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্তে কৌশলের অংশ হিসেবে চীনাদের জাতীয়তাবাদী অনুভূতি শক্তিশালী করতে শি জিনপিং এমন কৌশল নিয়েছিলেন।

⇒ মার্কিন চাপে জি৭ দেশগুলো যাতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই নতুন পথ বেছে নিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতি।

উৎস: The National Bureau of Asian Research (NBR). 

৩,২৫০.
কোন চুক্তি অনুযায়ী European Economic Community (EEC) গঠিত হয়?
  1. মাস্ট্রিন্ট চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
EEC:
- EEC এর পূর্ণরূপ European Economic Community.
- আঞ্চলিক সংস্থা যার লক্ষ্য ছিল তার সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক একীকরণ আনা।
- এটি ১৯৫৭ সালে রোম চুক্তি অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছিল। 
- ১৯৯৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) গঠনের পর, ইইসিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - EEC ওয়েবসাইট।
৩,২৫১.
ভূমি মাইন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. রোম
  4. অটোয়া
সঠিক উত্তর:
অটোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোয়া
ব্যাখ্যা
• অটোয়া চুক্তি
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৯৯৭ সালে স্থান- কানাডার অটোয়ায়।
- অপর নাম- অটোয়া চুক্তি।
- স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ- কানাডা।
- উদ্দেশ্য- স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
- স্বাক্ষর করেনি- চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইসরাইল।
- ১৯৯২ সালে, ছয়টি বেসরকারি সংস্থা বিশ্বব্যাপী ল্যান্ডমাইন নিষিদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে একটি সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের অক্টোবর, প্রথম অটোয়া সম্মেলনে, কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রী লয়েড অ্যাক্সওয়ার্দি অটোয়া প্রক্রিয়া চালু করেন।
- পরবর্তীতে,
১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে, দ্বিতীয় অটোয়া সম্মেলনে ১২২টি দেশ স্থল মাইন নিষিদ্ধ চুক্তি অনুমোদন করে। ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয়।
- ২০২৩ সাল পর্যন্ত, ১৬৪টি দেশ (ফিলিস্তিন সহ) চুক্তিটি অনুমোদন করেছে এবং মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এটি অনুমোদন করেনি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।  
৩,২৫২.
কোনটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়?
  1. ক) আইরন ডোম
  2. খ) এস-৪০০
  3. গ) থাড
  4. ঘ) অ্যাভনগার্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যাভনগার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যাভনগার্ড
ব্যাখ্যা
অ্যাভনগার্ড হলো রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল যা শব্দের চেয়ে ২০ গুণ অধিক দ্রুত গতিতে ছুটতে সক্ষম। এটি ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ প্রথমবারের মতো রাশিয়ার ইউরাল অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়। আইরন ডোম, থাড এবং এস-৪০০ হলো যথাক্রমে ইসরাইল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। (সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং SIPRI ওয়েবসাইট)
৩,২৫৩.
Criminal Investigation Department কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. বাংলাদেশ
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা:
• যুক্তরাষ্ট্র:
- Central Intelligence Agency (CIA),
- Defense Intelligence Agency (DIA),
- Fairfax,
- Federal Bureau of Investigation (FBI).

• বাংলাদেশ:
- National Security Intelligence (NSI),
- Criminal Investigation Department (CID),
- Detective Branch (DB).

• ভারত:
- Research and Analysis Wing (RAW),
- Central Bureau of Investigation (CBI).

• পাকিস্তান:
- Inter-Services Intelligence (ISI),
- Federal Investigation Agency (FIA).

• রাশিয়া:
- Federal Security Service (FSB).

• শ্রীলংকা:
- National Intelligence Bureau (NIB).

• যুক্তরাজ্য:
- M16/ Secret Intelligence Service (SIS).
- Military Intelligence, Section 6 (MI6).

• ইসরায়েল:
- MOSSAD.

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
৩,২৫৪.
কোন ক্ষেত্রে সাধারণত "Persona non grata" শব্দটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
  2. কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট
  3. ব্যবসায়িক চুক্তি
  4. শিক্ষা কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট
ব্যাখ্যা

Persona non grata: 
- শব্দের আক্ষরিক অর্থ অবাঞ্ছিত বা অগ্রহণযােগ্য ব্যক্তি। 
- এটি একটি ল্যাটিন শব্দ।
- এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দেশে প্রবেশ বা অবস্থানের জন্য অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা হয়। 

​⇒ কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে "Persona non grata" সাধারণত কোনো বিদেশী কূটনীতিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। যদি কোনো দেশের সরকার কোনো কূটনীতিককে তাদের দেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে, তবে তাকে "Persona non grata" হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তাকে অবশ্যই সেই দেশ ত্যাগ করতে হয়।

উৎস: The National Museum of American Diplomacy (.gov).

৩,২৫৫.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. অস্ট্রিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।

⇒ ২০২৫ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।

৩,২৫৬.
জিবুতি’র পর আফ্রিকা মহাদেশে কোন রাষ্ট্রে চীন সেনা ঘাঁটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
  1. ক) নিরক্ষীয় গিনি
  2. খ) রুয়ান্ডা
  3. গ) কেনিয়া
  4. ঘ) বেনিন
সঠিক উত্তর:
ক) নিরক্ষীয় গিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিরক্ষীয় গিনি
ব্যাখ্যা
- প্রথমবারের মতো চীন সামরিক ঘাঁটি গড়তে যাচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগরে। 
- মধ্য আফ্রিকার দেশ ইকোয়েটোরিয়াল গিনিতে এই সামরিক ঘাঁটির প্রতিষ্ঠা করা হবে।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে জিবুতির পর দ্বিতীয় সামরিক ঘাটি।
- এদিকে চীন যদি ইকোয়েটোরিয়াল গিনিতে এই সামরিক ঘাঁটির প্রতিষ্ঠা করে তাহলে চীনা যুদ্ধজাহাজ পুনঃঅস্ত্র গ্রহণ করতে সক্ষম হবে এবং সে সমস্ত অস্ত্র মার্কিন পূর্ব উপকূলের ঠিক বিপরীতে মোতায়েন হবে।

 উৎস: সময় নিউজ
৩,২৫৭.
কোন দিনটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়?
  1. ১৭ জানুয়ারি
  2. ৫ জুন
  3. ২৪ অক্টোবর
  4. ১০ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- এদিন ঘোষিত মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, 'অধিকারের প্রশ্নে মানুষ স্বাধীন ও সমান হয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং সবসময় সেভাবেই থাকতে চায় (Men are born and always continue free and equal in respect to their rights).
- জাতিসংঘের ঘোষণায় বলা হয়েছে যে, মানবাধিকার ভোগের বেলায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব যে ধরনের নাগরিকই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক মতামত ও পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, সে যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে কোনো তারতম্য বা পার্থক্য করা হবে না।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

৩,২৫৮.
Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty) চুক্তিটি বাতিল হয় কত সালে?
  1. ২০০০
  2. ২০০১
  3. ২০০২
  4. ২০০৩
সঠিক উত্তর:
২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM -এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয়বস্তু: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ২০০২ সালে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।

৩,২৫৯.
‘ইয়েলো লাইন’ সীমারেখা কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ইসরায়েল ও গাজা
  2. লেবানন ও ইসরায়েল
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও গাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও গাজা
ব্যাখ্যা

ইয়েলো লাইন (Yellow Line)
- ইয়েলো লাইন হলো গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দ্বারা চিহ্নিত একটি সীমারেখা।

• হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। 
- যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে উপত্যকাটিতে নির্দিষ্ট সীমারেখা বরাবর সেনা সদস্যের সরিয়ে নেয় ইসরায়েল। ওই সীমারেখাকে বলা হয় ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’।
- একটি খসড়া মানচিত্রে দেখা গেছে, হলুদ রেখা টেনে দেওয়ার মধ্য দিয়ে গাজার প্রায় ৫৮ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
- এই লাইন অতিক্রম করলে বা কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে ফিলিস্তিনিদের গুলি করে ও ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। 
- এই হলুদ রেখাই গাজা ও ইসরায়েলের ‘নতুন সীমান্ত’ হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর প্রধান ইয়াল জামির।

অন্যদিকে,
- লেবানন ও ইসরায়েলের সীমারেখা: ব্লু লাইন।
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমারেখা: Line of Control (LoC)। 
- আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমারেখা: ডুরান্ড লাইন।

উৎস: i) The Guardian.
ii) প্রথম আলো।

৩,২৬০.
OPCW কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

• OPCW:

- এর পূর্ণরূপ: Organization for the Prohibition of Chemical Weapons:
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সমর্থনকারী দেশ – ১৯৩ টি। -
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া। -
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
লক্ষ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ।
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

৩,২৬১.
’ফাতেহ’ কোন দেশের মিসাইল ক্ষেপনাস্ত্র? 
  1. উত্তর কোরিয়া 
  2. পাকিস্তান 
  3. ইরান 
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
ইরান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান 
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের মিসাইল
- রাশিয়া: এস ৪০০
- ইসরাইল: জেরিকো, বরাক, 
- ইরান: ফাতেহ, ফজর, কাওসার।
- উত্তর কোরিয়া: তাইপেডং, কে এন -০৬।
- ভারত: অগ্নি, ত্রিশুল, ব্রাহ্ম, পৃথ্বি।
- পাকিস্তান: ঘোরি, বাবর, শাহিন, গজনভি।

অপরদিকে, 
যুক্তরাষ্ট্র: 
- পেট্রিয়ট - আক্রমণকারী ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংকারী মিসাইল।
- টমাহক – সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল । 
- ট্রাইডেন্ট – ব্যালাস্টিক মিসাইল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,২৬২.
অটোয়া চুক্তি অনুমোদন করেছে কতটি দেশ?
  1. ১৬২টি
  2. ১৬৩টি
  3. ১৬৪টি
  4. ১৬৫টি
সঠিক উত্তর:
১৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪টি
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:

- অটোয়া চুক্তি হচ্ছে স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- এটি ০৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে কানাডার অটোয়ায় স্বাক্ষরিত হয় এবং ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তিটি অনুমোদন করেছে ১৬৪টি দেশ।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,২৬৩.
এফ- ১৬ কী?
  1. যুদ্ধ বিমান
  2. স্যাটেলাইট
  3. সাবমেরিন
  4. প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ বিমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ বিমান
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র:
- এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান।
- বি- ৫২ (বোমারু বিমান),
- স্টেলথ (রাডারের নজর এড়াতে সক্ষম জঙ্গি বিমান),
- সি-১৩০ (সামরিক পরিবহন বিমান)।

• রাশিয়া
- ইয়াক-১৩০ (অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ বিমান),
- মিগ - ২১ / মালালাইকা (যুদ্ধ বিমান),
- মিগ - ২১ এর চীনা সংস্করণ জে-৭ / এফ-৭ এয়ারগার্ড,
- মিগ ২১ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম ফাইটার বিমান।

• যুক্তরাজ্য: 
- চ্যালেঞ্জার -১ (ট্যাংক)।

• জার্মানি:
- U Boat (Under sea Boat - সাবমেরিন)।

উৎস: Britannica.
৩,২৬৪.
'আবু সায়েফ' গেরিলা যে দেশের তৎপরতা চালাচ্ছে-
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) ফিলিফাইন
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
গ) ফিলিফাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিলিফাইন
ব্যাখ্যা

- 'আবু সায়েফ' গেরিলা গোষ্ঠী ফিলিপাইনে তাদের তৎপরতা চালাচ্ছে।
 - ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীনতাকামী আবু সায়েফ গ্রুপ ফিলিপাইনের মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশে তৎপরতা চালাচ্ছে।
- তারা দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম অধ্যুষিত মিন্দানাও প্রদেশে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,২৬৫.
UNCLOS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Convention on the Law of the Sea
  2. United Nations Commission on the Law of the Sea
  3. United Nations Committee on the Law of the Sea
  4. United Nations Cooperation on the Law of the Sea
সঠিক উত্তর:
United Nations Convention on the Law of the Sea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations Convention on the Law of the Sea
ব্যাখ্যা
সমুদ্র আইন:
- জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন UNCLOS নামে পরিচিত। UNCLOS বা United Nations Convention on the Law of the Sea আবার Law of the Sea বা সমুদ্র আইন নামেও পরিচিত।
- জ্যামাইকাতে ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।
- সমুদ্র আইনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে কী করে সমুদ্র সম্পদকে মানব জাতির কল্যাণে ব্যবহার করা জায়, সমুদ্র উপকূলীয় দেশগুলোর কতদুর পরযন্ত নিজস্ব সীমানা থাকবে, এবং পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে কোন জটিলতা ও বিবাদ তৈরি হলে তা কোন আইন বলে সমাধান হবে।
- ১৯৮২ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলেও তা কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালের ১৬ নভেম্বের।
- সমুদ্র আইনে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আঞ্চলিক সমুদ্র বা Territorial Sea ধরা হয়।
- ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল ধরা হয়।
 
উৎস: তারেক শামসুর রেহমান, আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ।
৩,২৬৬.
ইউরোপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. হেলসিঙ্কি চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ওয়াশিংটন চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
হেলসিঙ্কি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেলসিঙ্কি চুক্তি
ব্যাখ্যা

• হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত সম্মেলনের (Conference on Security and Cooperation in Europe - CSCE) অংশ ছিল।

চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

অন্যান্য চুক্তি:
প্যারিস চুক্তি: এটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য।
ওয়াশিংটন চুক্তি: এটি ন্যাটো (NATO) প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ভিয়েনা চুক্তি: কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

তথ্যসূত্র: i) OSCE Official Site
ii) Helsinki Final Act

৩,২৬৭.
Federal Bureau of Investigation কত সালে গঠিত হয়?
  1. ৪ জুলাই, ১৯০৭ সালে
  2. ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে
  3. ২৯ জুলাই, ১৯০৯ সালে
  4. ০২ আগস্ট, ১৯১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে
ব্যাখ্যা
Federal Bureau of Investigation:

- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে গঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটনের পেনসিলভানিয়া এভিনিউতে অবস্থিত।
- FBI এর বর্তমান পরিচালক ক্রিস্টোফার রে।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,২৬৮.
'ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি' ফলে কোন দেশকে আরবলীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) মিশর
  3. গ) ফিলিস্তিন
  4. ঘ) কাতার
সঠিক উত্তর:
খ) মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিশর
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ‍যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট - আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী - মিনাচেম বেগিন
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। বিনিময়ে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে এবং সেখানে মিশরের অধিকার পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে ওআইসি ও আরবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়।

ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির আওতায় স্বাক্ষরিত পৃথক চুক্তি দুটি হচ্ছে -
1. A Framework for Peace in the Middle East ও
2. A Framework for the Conclusion of a Peace Treaty between Egypt and Israel

- এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে মিশর ছাড়াও আরেকটি আরব দেশ—জর্ডানের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় আরবদেশ হিসেবে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৩,২৬৯.
কত সালে The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৩টি।

⇒ বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
৩,২৭০.
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কোন দেশের সামরিক সংস্থা?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. সিরিয়া
  4. কাতার
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
• ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)
- এটি হল ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী শাখা, যা ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী থেকে স্বাধীন এবং শুধুমাত্র সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের কাছে দায়বদ্ধ ।
- এটি ইরানের প্রথম নেতা (১৯৭৯-৮৯) রুহুল্লাহ খোমেনি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল
- এটি ইরান-ইরাক যুদ্ধের (১৯৮০-৮৮) সময় আলী খামেনির সভাপতিত্বে (১৯৮১-৮৯) ​​শক্তিশালী হয়েছিল 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,২৭১.
নিচের কোন ব্যক্তি মোসাদ (MOSSAD) প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. দাভিদ বেন পাবরিয়ন
  2. আনাসুই বেন প্রিয়ালা
  3. দাভিদ বেন গুরিয়ন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দাভিদ বেন গুরিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাভিদ বেন গুরিয়ন
ব্যাখ্যা

মোসাদ (MOSSAD):
- বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে তৎপর গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ (MOSSAD)।
- এটি ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা, যা দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সরাসরি পরিচালিত হয়ে থাকে।
- মোসাদ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর।
- প্রতিষ্ঠাতা- দাভিদ বেন গুরিয়ন।
- সদর দপ্তর- তেল আবিব, ইসরাইল।
- পরিচালক - David Barnea.
- মোসাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এমএসএস, এফএসবি, হিজবুল্লাহ এবং হামাস।

উৎস: মোসাদ ওয়েবসাইট।

৩,২৭২.
কার মধ্যস্থতায় 'তাসখন্দ চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ক) এ্যালেক্সি কোসিজিন
  2. খ) জিমি কার্টার
  3. গ) বিল ক্লিনটন
  4. ঘ) নিকোলাই পদগর্নি
সঠিক উত্তর:
ক) এ্যালেক্সি কোসিজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এ্যালেক্সি কোসিজিন
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি 
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

অন্যদিকে,
- 'ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি' স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- 'ডেটন চুক্তি' স্বাক্ষরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৩,২৭৩.
ওয়াটারলু যুদ্ধ হয় কোন কোন দেশের মধ্যে?
  1. ক) স্পেন-ফ্রান্স
  2. খ) ফ্রান্স-ব্রিটেন
  3. গ) ফ্রান্স-পর্তুগাল
  4. ঘ) বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রান্স-ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রান্স-ব্রিটেন
ব্যাখ্যা

- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটার লু নামক স্থানে সংঘটিত যুদ্ধের নাম 'ওয়াটারলু' যুদ্ধ।
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই যুদ্ধে দুটি সম্মিলিত শক্তি- ডিউক অব ওয়েলিংটনের অধীন ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এবং গাবার্ড ভন বুচারের অধীন পার্শিয়ান সেনাবাহিনীর নিকট পরাজিত হন।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৩,২৭৪.
'MSS' কোন দেশের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
এমএসএস (MSS):
- 'MSS' কোন চীনের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- MSS-এর পূর্ণনাম: Ministry of State Security। 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৮৩ সাল।

ইতিহাস ও ভূমিকা:
- চীনের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা MSS, দেশের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- এটি বিশেষত বিদেশি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।

কার্যক্রম:
- MSS চীনের অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি, কৌশলগত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অত্যন্ত সক্রিয়।
- এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চীনা স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উৎস: Britannica.
৩,২৭৫.
AUKUS জোটের সদস্য কারা?
  1. রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য
  2. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ভারত 
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
-  সদস্য দেশ: ৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান উদ্দেশ্য: ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- অকাস হলো ২০৩০-এর শেষে বা ২০৪০-এর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার নতুন উচ্চপ্রযুক্তির সাবমেরিন তৈরি ও মোতায়েনের পরিকল্পনা।
- এই উন্নত প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশ ও অ্যামেরিকার সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে।
- অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৩,২৭৬.
‘কারগিল’ কোন দুটি দেশের বিরোধপূর্ণ সীমান্ত?
  1. ভারত - পাকিস্তান
  2. আফগানিস্তান - পাকিস্তান
  3. নেপাল - ভারত
  4. চীন - ভারত
সঠিক উত্তর:
ভারত - পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত - পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকা কারগিল।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত। 
- সিয়াচেন (ভারতের দখলে) কাশ্মীর অবস্থিত বিশ্বের উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র। 
- আকসাই চীন (চীনের দখলে) ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমানা।
- ভারত-নেপালের মধ্যে অমিমাংসিত ভু-খন্ড।

সূত্র:- ব্রিটানিকা।
৩,২৭৭.
'জৈশ-ই-মোহাম্মদ' কী?
  1. ক) পাকিস্তানভিত্তিক কাশ্মীরী গেরিলা সংগঠন
  2. খ) ইরাকভিত্তিক গেরিলা সংগঠন
  3. গ) লিবিয়াভিত্তিক গেরিলা সংগঠন
  4. ঘ) ইরানভিত্তিক গেরিলা সংগঠন
সঠিক উত্তর:
ক) পাকিস্তানভিত্তিক কাশ্মীরী গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাকিস্তানভিত্তিক কাশ্মীরী গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা
▪ জয়শ-ই-মুহাম্মদ হলো পাকিস্তানভিত্তিক কাশ্মীরী গেরিলা সংগঠনের নাম। মাওলানা মাসুদ আজহার ১৯৯৯ সালে জয়শ-ই-মুহাম্মদ প্রতিষ্ঠা করেন।
▪ ২০০২ সালে পাকিস্তান সরকার জয়শ-ই-মুহাম্মদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও সংগঠনটি এখনও তৎপর রয়েছে।
▪ ২০০১ সালে ভারতের সংসদ ভবনে হামলা, ২০১৬ সালে পাঠানকোট বিমানঘাটিতে হামলা এবং ২০১৯ সালে পুলওয়ামায় ভারতীয় সেনাবহরে হামলার জন্যে ভারত সরকার জয়শ-ই-মুহাম্মদ কে দায়ী করে আসছে।
▪ জাতিসংঘ ২০১৯ সালের ১ মে মাওলানা মাসুদ আজহারকে গ্লোবাল টেরোরিস্ট হিসেবে ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
৩,২৭৮.
'টাওয়ার ২২' কোন দেশের সামরিক ঘাটি?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
টাওয়ার ২২:
- টাওয়ার ২২ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাটি।
- সিরিয়া সীমান্তের কাছে জর্ডানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় 'টাওয়ার ২২' নামের মার্কিন এই সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত।
- সম্প্রতি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি 'টাওয়ার ২২' এ ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত ও অন্তত ৩৪ জন আহত হয়েছে।
- ইসলামিক স্টেট গ্রুপ বা আইএসের পুনরুত্থান ঠেকাতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের অংশ হিসেবে ও ইরাক সরকারের আমন্ত্রণে দেশটিতে আড়াই হাজার মার্কিন সৈন্য অবস্থান করছে।
- সেই সঙ্গে জর্ডানে প্রায় তিন হাজার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসকে সমর্থন দিতে সিরিয়ায় প্রায় ৯০০ মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।
- মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েকটি ঘাঁটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
- যার মধ্যে উপসাগরে তিনটি প্রধান বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে একটি বন্দর রয়েছে, যা ইউএস নেভাল ফোর্সেস সেন্ট্রাল কমান্ড এবং মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর হিসেবে কাজ করে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৩,২৭৯.
NATO এর পার্টনারশিপ ফর পিস (PfP) প্রোগ্রাম শুরু হয়—
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে 
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে 
ব্যাখ্যা

• Partnership for Peace (PfP) হলো ন্যাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা কর্মসূচি, যা ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে চালু করা হয়।

উদ্দেশ্য:
- ন্যাটো সদস্য নয় এমন ইউরোপ ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- ইউরোপে স্থিতিশীলতা, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
-  ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ন্যাটো সদস্যদের জন্য একটি সেতুবন্ধন বা প্রস্তুতি কর্মসূচি হিসেবে কাজ করা।

এই PfP প্রোগ্রামে বর্তমানে অনেক দেশ যুক্ত আছে, যেমন — সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, ইউক্রেন, জর্জিয়া প্রভৃতি।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

৩,২৮০.
চীনের এক দেশ দুই নীতির সময়সীমা কত সাল পর্যন্ত?
  1. ক) ২০৩০ সাল
  2. খ) ২০৪১ সাল
  3. গ) ২০৪৭ সাল
  4. ঘ) ২০৬১ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৪৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৪৭ সাল
ব্যাখ্যা
পুঁজিবাদী হংকংয়ের অর্থনীতিকে সচল রাখতে কমিউনিস্ট চীনা সরকার ১৯৯৭ সালে ৫০ বছর মেয়াদী এক দেশ দুই নীতি গ্রহণ করে। এই নীতি ২০৪৭ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এই নীতির অধীনে হংকংয়ে পুঁজিবাদী ধারা অব্যাহত রাখা হয়।
(সূত্র: দ্য ডিপ্লোম্যাট)
৩,২৮১.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা কত সালের মধ্যে অর্জনের লক্ষ্য স্থির করা হয়?
  1. ক) ২০২০ সাল
  2. খ) ২০২৫ সাল
  3. গ) ২০৩০ সাল
  4. ঘ) ২০৩৫ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৩০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৩০ সাল
ব্যাখ্যা
২০১২ সালের ২০-২২ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩ টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন বা রিও+২০ সম্মেলন। এই সম্মেলনে পৃথিবীবাসীর জন্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় যা ২০১৫ সালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এসডিজি সম্মেলনে চূড়ান্ত করা হয়। এতে ২০১৫ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে মোট ১৭টি লক্ষ্য স্থির করা হয়। (সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৩,২৮২.
নিচের কোনটি সামরিক জোট নয়?
  1. NATO
  2. MERCOSUR
  3. Warshaw Pact
  4. SEATO
সঠিক উত্তর:
MERCOSUR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MERCOSUR
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে উল্লিখিত ন্যাটো, সিয়াটো ও ওয়ারসো সামরিক জোট। অন্যদিকে, MERCOSUR ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর বাণিজ্যিক জোট।
৩,২৮৩.
ইয়েমেনের হুতি আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক নাম কী?
  1. হিজবুল্লাহ
  2. বারিক আল্লাহ
  3. আনসারুল্লাহ
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আনসারুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনসারুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ইয়েমেনের হুতি আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।

হুতি বিদ্রোহী:

- হুতি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- উত্তর ইয়েমেনের শাদা শহরে হুতি বিদ্রোহের জন্ম।
- জাইদি শিয়া বাহিনী থেকে এর উৎপত্তি।
- তাদের নেতা নির্বাচন করা হতো হুতি উপজাতি থেকে।
- হুতিরা আনসারুল্লাহ নামে পরিচিত।
- হুতি একটি শিয়া ইসলামপন্থী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
- ১৯৯০ এর দশকে এই গোষ্ঠীটির উত্থান।
- তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি।
- হুথিরা ২০১৪ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

উল্লেখ্য,
⇒ হুতি আন্দোলন:
- হুতি আন্দোলন, উত্তর ইয়েমেনের ইসলামী মৌলবাদী আন্দোলন এবং ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান অভিনেতা।
- ইয়েমেনের হুতি আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি শিয়া ইসলামের জাইদি ধারার অনুসরণে ধর্মীয় পুনর্জাগরণমূলক আন্দোলন শুরু করেন।
- জাইদিরা কয়েক শতাব্দী ধরে ইয়েমেন শাসন করলেও ১৯৬২ সালে গৃহযুদ্ধের পর সুন্নিরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
- এরপর তারা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
- সুন্নি মৌলবাদ মোকাবিলা বিশেষ করে সৌদি আরবের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া ওয়াহাবি মতবাদ মোকাবিলায় আল-হুতি আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- সেই আন্দোলনই ক্রমে সশস্ত্র রূপ নেয়।

উৎস: Britannica.
৩,২৮৪.
ইতিহাসে দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন অবস্থাকে বলা হয় -
  1. ক) শ্বেতপত্র (White Paper)
  2. খ) দাঁতাত (Detente)
  3. গ) স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War)
  4. ঘ) শান্তি চুক্তি (Peace Pact)
সঠিক উত্তর:
খ) দাঁতাত (Detente)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দাঁতাত (Detente)
ব্যাখ্যা
দাঁতাত (Detente) বা উত্তেজনা প্রশমন: 
ষাটের দশকের শুরুতে দুই পরাশক্তির মধ্যে সামরিক উত্তেজনা অত্যন্ত বেশি মাত্রায় প্রসারিত হয়েছিল। বিশেষ করে ১৯৬১ সালের এপ্রিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কিউবার সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রবিরোধী অভিযানে সহায়তা প্রদান, একই বছর পূর্ব জার্মানিতে সোভিয়েত সমর্থনে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনকে বিভক্তকারী প্রাচীর (Berlin Wall) নির্মাণ, ১৯৬২ সালে সংঘটিত কিউবান মিসাইল সংকট (Cuban Missile Crisis)—এই উত্তেজনা বৃদ্ধির পশ্চাতে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। কিউবান মিসাইল সংকট ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ ও উত্তেজনাপূর্ণ অধ্যায়। এ সংকটকে কেন্দ্র করে উভয় পরাশক্তির মধ্যে নতুন সম্পর্কের উদ্ভব হয়। তারা বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে যুক্ত করতে ও উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন করতে সম্মত হয়। মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি টেলিফোন যোগাযোগ (Hotline) প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাসে উভয় পরাশক্তির মধ্যে এ উত্তেজনা প্রশমন অবস্থাকে দাঁতাত (Detente) বলা হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৩,২৮৫.
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ পরিচিত -
  1. 'তিনটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  2. 'দুটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  3. 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
ব্যাখ্যা

যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

প্রটোকলসমূহ:
প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৩,২৮৬.
শেনজেন ভুক্ত দেশের সংখ্যা কতটি?
  1. ২৯ টি
  2. ২৫ টি
  3. ২৭ টি
  4. ২৬ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• শেনজেন চুক্তি :
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা প্রাথমিকভাবে বেলজিয়াম , ফ্রান্স , পশ্চিম জার্মানি (পরে জার্মানি ), লুক্সেমবার্গ এবং নেদারল্যান্ডস দ্বারা ১৪ জুন, ১৯৮৫ তারিখে লুক্সেমবার্গের শেনজেনে অনুমোদিত হয়েছিল।
-  চুক্তিটির লক্ষ্য ছিল শেনজেন অঞ্চলের মধ্যে দেশগুলির মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি দেওয়া।
- শেনজেন এলাকার ২৯ টি দেশ।
- বুলগেরিয়া এবং রোমানিয়া ছিল যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ। ( ১ জানুয়ারী ২০২৫ )

উৎস : ব্রিটানিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
৩,২৮৭.
কোন চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে হস্তান্তর করে?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি 
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. আব্রাহাম অ্যাকর্ডস 
  4. ডেটন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তি পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- এই চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে হস্তান্তর করে। 
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- এই চুক্তির কারণে সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৩,২৮৮.
AGM-114 Hellfire কোন দেশের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• AGM-114 Hellfire: 
- হেলফায়ার হল একটি আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য, লেজার নির্দেশিত, সাবসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যার উল্লেখযোগ্য অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি হেলিকপ্টার বা ধীর গতির স্থির-উইং বিমানের বিরুদ্ধে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
- হেলফায়ারকে আকাশ থেকে আকাশে অথবা আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- এয়ার-টু-গ্রাউন্ড (AGM)-114 ট্যাঙ্ক, কাঠামো, বাঙ্কার এবং হেলিকপ্টারগুলির বিরুদ্ধে নির্ভুলভাবে আঘাত করার ক্ষমতা প্রদান করে। হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি আজ বিশ্বের যেকোনো পরিচিত ট্যাঙ্ককে পরাজিত করতে সক্ষম। এটি বিমানের ভেতর থেকে অথবা বিমানের বাইরে লেজারের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুতে পরিচালিত হতে পারে।
- ১৯৭২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র AGM-114 Hellfire তৈরি শুরু করে, যাতে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপযোগ্য, ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা যায় যাতে সোভিয়েত বর্ম গঠনগুলিকে স্ট্যান্ডঅফ রেঞ্জে মোকাবেলা করা যায়।
- এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নামকরণ করা হয়েছিল মূলত HELFIRE, অথবা "HELiborne, Laser, FIRE and Forget Missile"। মার্কিন সেনাবাহিনী পরবর্তীতে "Hellfire" নামটি আনুষ্ঠানিক নাম হিসেবে গ্রহণ করে।

উৎস: the defence matrix website [ লিংক]
৩,২৮৯.
Sunshine Policy-র মেয়াদ ছিলো?
  1. ক) ১৯৯৮-২০০৮ সাল
  2. খ) ২০০০-২০১০ সাল
  3. গ) ১৯৯৭-২০০৭ সাল
  4. ঘ) ১৯৯৫-২০০৫ সাল
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৮-২০০৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৮-২০০৮ সাল
ব্যাখ্যা
• Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- এই পলিসির মেয়াদ ছিলো ১৯৯৮-২০০৮ সাল পর্যন্ত
- Sunshine Policy- তিনটি নীতির উপর ভিত্তি করে ছিল। যথা:
উত্তরের কোনো সশস্ত্র উস্কানি বরদাস্ত করা হবে না।
দক্ষিণ কোনোভাবেই উত্তরকে শুষে নেওয়ার চেষ্টা করবে না।
দক্ষিণ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা চায়
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম
৩,২৯০.
'Loss and Damage Fund' গঠিত হয় কোন কপ সম্মেলনে?
  1. COP-15
  2. COP-21
  3. COP-27
  4. COP-29
সঠিক উত্তর:
COP-27
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COP-27
ব্যাখ্যা

Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালু প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতি হয়, তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- আর এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৩,২৯১.
জীবাণুঘটিত অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত বৈশ্বিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬২ সালে
  2. খ) ১৯৬৮ সালে
  3. গ) ১৯৬৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল জীবাণুঘটিত অস্ত্রের উৎপাদন, উন্নয়ন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ বিষয়ে বায়োলজিক্যাল উইপেনস কনভেনশন সাক্ষরিত হয়। ২৬ মার্চ ১৯৭৫ এটি কার্যকর হয়। ইসরাইল, ক্যামেরুন, ইরিত্রিয়া সহ বেশ কিছু দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি। (সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
৩,২৯২.
ন্যাটো (NATO) চার্টারের কোন ধারায় সম্মিলিত প্রতিরক্ষার কথা উল্লেখ আছে?
  1. আর্টিকেল-২
  2. আর্টিকেল-৩
  3. আর্টিকেল-৫
  4. আর্টিকেল-৬
সঠিক উত্তর:
আর্টিকেল-৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্টিকেল-৫
ব্যাখ্যা

◉ ন্যাটো (NATO) চার্টারের আর্টিকেল-৫-এ সম্মিলিত প্রতিরক্ষার কথা উল্লেখ আছে।

• অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা
- NATO র অনুচ্ছেদ ৫- “যদি একটি ন্যাটো মিত্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্য এই সহিংসতার কাজটিকে সমস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং মিত্রদের আক্রমণে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
- অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে। নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ: ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ছোট। মাত্র ১৪টি ধারার। এগুলো হলো:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

⇒ NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে গঠন করা হয় সামরিক জোট NATO।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল)।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৩,২৯৩.
'ডেল্টা ফোর্স' কোন দেশের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট হিসেবে কাজ করে?
  1. রাশিয়া 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

ডেল্টা ফোর্স:
- ডেল্টা ফোর্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট।
- এটি মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অভিজাত বাহিনী।
- এটিকে কমব্যাট অ্যাপ্লিকেশন গ্রুপ (CAG), আর্মি কম্পার্টমেন্টেড এলিমেন্টস (ACE), টাস্ক ফোর্স গ্রিন এবং সহজভাবে 'ইউনিট' নামেও উল্লেখ করা হয়েছে। 
- প্রতিস্থিত হয়: ১৯৭৭ সালে। 
- ঘাঁটি: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা। 
- এ ইউনিট সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে অপারেশনে অংশ নেয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের Joint Special Operations Command (JSOC)-এর সরাসরি অধীনে কাজ করে।

 ⇒ এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, চড়া মূল্যের লক্ষ্যবস্তু আটক, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে  বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 
 - ১৯৯৩ সালে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুর লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উড়োজাহাজ গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। কয়েকজন মার্কিন সেনা আটকা পড়েন। তাঁদের উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে ডেল্টা ফোর্স অংশ নিয়েছিল। 
- লাতিন আমেরিকার দেশ পানামার স্বৈরশাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে ‘অপারেশন জাস্ট কজ’ পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এতেও অংশ নিয়েছিল ডেল্টা ফোর্স।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

৩,২৯৪.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. জন এফ কেনেডী
  2. জিমি কার্টার
  3. হেনরী কিসিঞ্জার
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইসরাইল ও মিশর নিজেদের মধ্যে শান্তি স্থাপনে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার মধ্যস্থতা করেন।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে ওআইসি ও আরবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়েছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৩,২৯৫.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের কারণে ১৯৭৯ সালে OIC-এর কোন সদস্য রাষ্ট্রকে স্থগিত করা হয়েছিল?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. মিশর
  4. জর্ডান
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒  চুক্তির পর ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত OIC-এর মিশরের সদস্যপদ স্থগিত রাখা হয়। ১৯৮৪ সালে এটি পুনরায় ওআইসিতে যুক্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা। এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- ওআইসি মূলত সাতটি বিষয় নিয়ে কাজ করে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ইসলামি সংহতি বৃদ্ধি করা, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো, বর্ণবৈষম্যের মূলোচ্ছেদ এবং উপনিবেশবাদ বিলোপের চেষ্টা অব্যাহত রাখা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন দেওয়া, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা বিধানের সংগ্রামকে সমন্বিত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন করা।
- ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে ইসরায়েল। আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।

উৎস: Britannica. [link]
৩,২৯৬.
নিচের কোনটি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে পরিচিত?
  1. আরব গোষ্ঠী
  2. আইএস
  3. পিএলকো
  4. ওয়ারশ
সঠিক উত্তর:
আইএস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইএস
ব্যাখ্যা

আইএস:
- ইসলামিক স্টেট (আইএস) বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ জঙ্গি সংগঠন।
- শুরুতে এর নাম ছিল ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড লেভান্ট (আইএসআইএল)।
- আইএস প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে। পরে এর নাম পরিবর্তন করে আইএস রাখা হয়।
- ২০১৪ সালের ২৯ জুন আইসিল খিলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং আবু বকর আল-বাগদাদীকে খলিফা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

অন্যদিকের
- আরব গোষ্ঠী, পিএলকো নামে কিছুই নেই।

সূত্র:- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৩,২৯৭.
RAW কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
RAW:
- এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- RAW হলো ভারতের একটি প্রধান জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- RAW প্রতিষ্ঠার আগে ভারতের গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে ছিল Intelligence Bureau (IB)।
- কিন্তু ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধ এবং ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ভারতের একটি স্বাধীন বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রয়োজন।
- সেই প্রেক্ষিতে RAW গঠিত হয় এবং এর প্রথম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রামেশ্বর নাথ কাও।  

সূত্র - Britannica.com
৩,২৯৮.
মার্কিন-তালেবান ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) নিউইয়র্কে
  2. খ) জেদ্দা
  3. গ) হেলসিঙ্কি
  4. ঘ) দোহা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোহা
ব্যাখ্যা

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে আফগানিস্তানে শান্তি ফেরাতে কাতারের রাজধানী দোহায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎসঃ বিবিসি নিউজ।

৩,২৯৯.
গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি রেখা কী নামে পরিচিত?
  1. ব্লু লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ইয়েলো লাইন
  4. পার্পল লাইন
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি:
- গোলান মালভূমি সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি। 
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

⇒ ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত গোলান মালভূমি সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় গোলান মালভূমিজুড়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায় সিরিয়া। কিন্তু ইসরায়েল পাল্টা প্রতিরোধ নেয় এবং গোলানের ১২০০ বর্গকিলোমিটার (৪৬০ বর্গমাইল) এলাকা দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কিপুর যুদ্ধ নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে। চুক্তির শর্ত মেনে দুই পক্ষকেই মালভূমির ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি লম্বালম্বি এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হয়। এই এলাকাটি পরিচিত 'এরিয়া অব সেপারেশন' নামে। এরপর সেখানে জাতিসংঘ নিয়োজিত 'ডিজএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স' মোতায়েন করা হয় অস্ত্রবিরতির বিষয়টিতে নজর রাখার জন্য।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে  গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

এছাড়াও,
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা।

উৎস: Britannica.

৩,৩০০.
কোন পরিষদের সুপারিশে জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হন?
  1. ক) অছি পরিষদ
  2. খ) সাধারণ পরিষদ
  3. গ) নিরাপত্তা পরিষদ
  4. ঘ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
সঠিক উত্তর:
গ) নিরাপত্তা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিরাপত্তা পরিষদ
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে। নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়ােগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।

জাতিসংঘ সনদের ৯৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিয়ােগ দিবেন। মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভােটে।

জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১৫টি।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।