বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা / ৩৪ · ২০১৩০০ / ৩,৩৩৯

২০১.
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জের নাম কী?
  1. কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
  2. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  3. সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ
  4. স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ: 
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জের নাম কুরিল দ্বীপপুঞ্জ। 

- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার সাখালিন ওবলাস্তে (প্রদেশ) অবস্থিত।
- এটি রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের উত্তর-পূর্ব কোণে বিস্তৃত।
- দ্বীপপুঞ্জটি ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৫৬টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি প্যাসিফিক মহাসাগরীয় আগ্নেয় চক্রের (Pacific Ring of Fire) অংশ।
- এখানে ১০০টিরও বেশি আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৫টি সক্রিয়।
- দ্বীপপুঞ্জে বহু উষ্ণ প্রস্রবণ (Hot Springs) বিদ্যমান, এবং ভূমিকম্প ও সুনামি সাধারণ ঘটনা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে জাপান দক্ষিণ কুরিল দ্বীপগুলির ওপর দাবি করে আসছে।
- জাপান এই দ্বীপগুলোকে "উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড" (Northern Territories) হিসেবে উল্লেখ করে।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সামুদ্রিক বাণিজ্য ও সামরিক অবস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এখানে মাছ ধরার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, যা উভয় দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- দ্বীপপুঞ্জের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনা দ্বীপগুলির কৌশলগত মূল্য আরও বৃদ্ধি করেছে।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি অন্যতম প্রধান ইস্যু এবং এখনো এ বিষয়ে স্থায়ী সমাধান হয়নি।

উৎস: Britannica.
২০২.
আলজিয়ার্স চুক্তির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. গোলান মালভূমি সংকট সমাধান
  2. আলজেরিয়া কর্তৃক ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান
  3. শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ই জুন, ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন করে ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান- আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- চুক্তির বিষয় হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

সুত্র: Britannica.com
২০৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে আরব-ইসরাইল শান্তি প্রক্রিয়ার সূচনা হয়?
  1. আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. আব্রাহাম চুক্তি
  4. ডেটন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) মধ্যে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির মাধ্যমে আরব-ইসরাইল শান্তি প্রক্রিয়ার সূচনা হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে। ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা পায়। পিএলও সশ্বস্ত্র লড়াই পরিত্যাগ করে এবং ইসরাইল পিএলওকে ফিলিস্তিনের বৈধ অথরিটি হিসেবে মেনে নেয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এই চুক্তি সম্পাদনে ভূমিকা পালন করেন।
অন্যদিকে,
- আলজিয়ার্স চুক্তি (১৩ জুন, ১৯৭৫) : শাত ইল আরব জলপথ নিয়ে ইরাক-ইরান সীমান্ত সমস্যা নিরসন
- ডেটন চুক্তি (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) : বসনিয়া সংকট নিরসন
- আব্রাহাম চুক্তি হলো ট্রাম্প প্রশাসন গৃহিত ইসরাইল-ফিলিস্তিন বিষয়ে একটি নতুন রোডম্য্যাপ। এই চুক্তির অধীনে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কো ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
(তথ্যসূত্রঃ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা)
২০৪.
INF-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Nuclear Force
  2. Intermediate Nuclear Framework
  3. International Range of Nuclear Forces
  4. Intermediate-Range Nuclear Forces
সঠিক উত্তর:
Intermediate-Range Nuclear Forces
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intermediate-Range Nuclear Forces
ব্যাখ্যা

INF:
- INF-এর পূর্ণরূপ হলো Intermediate-Range Nuclear Forces।
- এটি মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী নেতা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।
- চুক্তির মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ অক্টোবর ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২ আগস্ট ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association।

২০৫.
Marine Dumping নামে পরিচিত কনভেনশন কোনটি?
  1. লন্ডন কনভেনশন
  2. বন কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. মাদ্রিদ কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
লন্ডন কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• লন্ডন কনভেনশন
- লন্ডন কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়-১৯৭২ সালে।
- এটি কার্যকর- ১৯৭৫ সালে।
- এর বিষয়বস্তু বর্জ্য নির্গমন জনিত সাগর দূষণ নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থাৎ, সাগরে নির্বিচারে বর্জ্য নির্গমন প্রতিরোধ করা।
- এটি Marine Dumping নামেও পরিচিত। 

উৎস- ব্রিটানিকা।  
২০৬.
কোন চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ কলোনিতে পরিণত হয়?
  1. নানকিং চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. হেবরন চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
সঠিক উত্তর:
নানকিং চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নানকিং চুক্তি
ব্যাখ্যা
আফিম যুদ্ধ:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তাই আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।
- ১ম যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।

⇒ নানকিং চুক্তি:
- প্রথম আফিম যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সাথে একটি অপমানজনক 'অসম চুক্তি' স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- চিনা কমিশনার চিইং (Chiying) এবং নব নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার হেনরি পট্টিনগার (Sir Henry Pottinger) -এর উদ্যোগে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির নাম নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ আগস্ট, ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের 'ক্রাউন কলোনি'তে পরিণত হয়।

অন্যদিকে,
- শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম আলজিয়ার্স চুক্তি।
- হেবরন চুক্তি: ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তিতে ফিলিস্তিনি চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের অধিকাংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একমত হন।
- উই রিভার চুক্তির বিষয়বস্তু: প্যালেস্টাইন সংকট।

উৎস: Britannica.
২০৭.
BRICS এর সদস্য-
  1. ক) ব্রাজিল, রাশিয়া, ইরান, চীন, সুইডেন
  2. খ) বাংলাদেশ, রাশিয়া, ভারত, চীন, শ্রীলংকা
  3. গ) ব্রাজিল, রাশিয়া, ইসরাইল, চীন, সাউথ আফ্রিকা
  4. ঘ) ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, সাউথ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, সাউথ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, সাউথ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
BRICS is the acronym coined for an association of five major emerging national economies: Brazil, Russia, India, China and South Africa. [source: Britannica]
২০৮.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২০২৪ এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয়টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন-২০২৪ এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৬টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
তারা হলেন- 
• জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎস
•  ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি
• নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে
•  আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ
• কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি
• এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

সূত্র- সমকাল। 
২০৯.
সম্প্রতি নারী অধিকার বিষয়ক ইউরোপীয় সনদ থেকে কোন দেশ নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে?
  1. ক) সার্বিয়া
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- ২০২১ সালের মার্চে নারী অধিকার নিয়ে ইউরোপের ঐতিহাসিক সনদ 'ইস্তাম্বুল সনদ' থেকে তুরস্ক নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
- নারী অধিকার নিয়ে ইউরোপের ঐতিহাসিক এক সনদ থেকে তুরস্ক নিজেকে প্রত্যহার করে নেবার পর এর নিন্দা করেছে ইউরোপের শীর্ষ মানবাধিকার সংস্থা।
- কাউন্সিল অব ইউরোপের সেক্রেটারি জেনারেল মারিয়া বুরিচ বলেছেন - আঙ্কারার এই সিদ্ধান্ত তুরস্কের ভেতর এবং বাইরে নারীদের সুরক্ষার পরিপন্থী।
- ইস্তাম্বুল সনদ নামে পরিচিত ইউরোপীয় এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী প্রতিটি দেশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে যে - তাদেরকে 'বৈবাহিক সম্পর্কের ভেতরে ধর্ষণ' এবং 'মেয়েদের খৎনা রোধ' সহ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে আইন তৈরি করতে হবে।
- এতে পারিবারিক সহিংসতা রোধ ও তার বিচারের কথাও আছে।

তথ্যসূত্র: আলজাজিরা ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।

২১০.
বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় কোন দেশে?
  1. জাপানে
  2. সিরিয়ায়
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরানে
সঠিক উত্তর:
জাপানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানে
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ:
- তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৪৫,
- স্থান: হিরোশিমা, জাপান,
- বোমার নাম: লিটল বয়।
- বিমান: Enola Gay (যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর বি-২৯ বোমারু বিমান),
- ধ্বংসযজ্ঞ: আনুমানিক ৭০,০০০–৮০,০০০ মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে নিহত হন।
- অস্ত্রের ধরণ: ইউরেনিয়াম-২৩৫ ভিত্তিক পারমাণবিক বোমা,
- দ্বিতীয় হামলা: ৯ আগস্ট, ১৯৪৫- নাগাসাকি শহরে।
- বোমার নাম: ফ্যাটম্যান।

উল্লেখ্য, 
- জাপান ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে আত্মসমর্পণ করে।
- হিরোশিমা ও নাগাসাকি হামলা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও যুদ্ধনীতি পুনর্বিবেচনার পথ খুলে দেয়।

উৎস: Britannica.

২১১.
ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো -
  1. তুরস্ক ও কানাডা
  2. আলবেনিয়া ও ইরাক
  3. তুরস্ক ও আলবেনিয়া
  4. তুরস্ক ও ইরান
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক ও আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক ও আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫] 
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি। [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া। 

এছাড়াও, 
- কানাডা মুসলিম দেশ নয়। এইজন্য অপশন 'ক' উত্তর হবে না। 


সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২১২.
পৃথিবীর কোন অঞ্চলটি বলকান অঞ্চল নামে পরিচিত?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
  2. উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপ
  4. উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যা
বলকান অঞ্চল:
- বলকান পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ ‘বলকান রাষ্ট্র’ নামে পরিচিত।
- এটি  বলকান রাজ্য নামেও পরিচিত।
- বলকান উপদ্বীপ অঞ্চলে বারোটি রাষ্ট্র রয়েছে-আলবেনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগেভিনা, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, কসোভো, মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো, রুমানিয়া এবং স্লোভেনিয়া।
- গ্রিস এবং তুরস্কের কিছু অংশ বলকান অঞ্চলে থাকলেও এগুলো বলকান রাষ্ট্র হিসাবে বিবেচিত হয় না। মাল্টা বলকান রাষ্ট্র নয়।

উৎস:- worldatlas ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
২১৩.
M23 কোন দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. ইথোপিয়া
  2. ডি আর কঙ্গো
  3. সুদান
  4. ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
ডি আর কঙ্গো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডি আর কঙ্গো
ব্যাখ্যা

March 23 Movement (M23):
- March 23 Movement (M23) হলো ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (DRC)-এর একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- M23 বিদ্রোহের উৎপত্তি হয় ২৩ মার্চ ২০০৯ সালে স্বাক্ষরিত এক শান্তিচুক্তির ব্যর্থতা থেকে।
- পরবর্তীতে ২০১২ সালে সংগঠনটি দেশটির পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- M23 বর্তমানে DRC-র পূর্বাঞ্চলে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
- তারা বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত।
- কঙ্গোর সরকার ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী তাদের দমনের চেষ্টা করছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১৪.
ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ক) কাতার
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. গ) কুয়েত
  4. ঘ) বাহরাইন
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
- সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ মে ২০২২।
- এর মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় কোনো দেশের সঙ্গে প্রথম এ ধরনের চুক্তিতে গেল ইসরায়েল।
- নতুন এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ৯৬ শতাংশ শুল্কছাড় পাওয়া যাবে।
 
উৎস: প্রথম আলো
২১৫.
ন্যাটো এর বর্তমানে এর মহাপরিচালক হলেন - [এপ্রিল - ২০২৫]  
  1. Jens Stoltenberg
  2. Kristalina Georgieva
  3. Mark Rutte
  4. Antony Blinken
সঠিক উত্তর:
Mark Rutte
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mark Rutte
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- ১৯৪৯ সালে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [এপ্রিল - ২০২৫]
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[এপ্রিল - ২০২৫]   

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২১৬.
CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. মন্ট্রিল
  2. নিউইয়র্ক
  3. বেইজিং
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
২১৭.
জাতিসংঘ গঠনের চুক্তি/সম্মেলন কোনটি?
  1. ক) আটলান্টিক সনদ
  2. খ) ডাম্বারটন ওকস্‌ সম্মেলন
  3. গ) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন
  4. ঘ) ওয়াশিংটন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
গ) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন
ব্যাখ্যা
২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের সনদ রচনার উদ্দেশ্যে মিলিত হন। ২ মাসের প্রচেষ্টায় ১১১টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ (The United Nations Charter) রচনা করেন। ১৯৪৫ সালের ২৫ জুন এটি ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সনদটি অনুমোদন করেন। ২৬ জুন তা ৫০ দেশের প্রতিনিধিরা তাতে স্বাক্ষর করেন। সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনটি San Francisco Conference বা The United Nations Conference on International Organization নামে পরিচিত।
Live MCQ content (Upcoming)
২১৮.
ABM চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে
  2. যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য এবং জাপান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল চুক্তি (ABM চুক্তি):
- অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল চুক্তি (ABM Treaty) ছিল একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি, যা ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) প্রতিহত করার জন্য তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত করা।
- যুক্তরাষ্ট্র প্রথম এই ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দেয় ১৯৬৬ সালে।
- আলোচনা শুরু হয় ১৯৬৯ সালের শেষ দিকে, যা SALT (Strategic Arms Limitation Talks)-এর অংশ ছিল।
- চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং সোভিয়েত নেতা লিওনিড ব্রেজনেভ, মে ১৯৭২-তে মস্কো সম্মেলনে।
- পরে উভয় দেশের আইনসভা চুক্তিটি অনুমোদন করে।
- এই চুক্তি দুই পরাশক্তির মধ্যে পারমাণবিক ভারসাম্য রক্ষা করেছিল, কারণ উভয় পক্ষই জানত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত থাকলে আক্রমণের ঝুঁকি দুই পক্ষের জন্যই সমান থাকবে।
- ফলে এটি একটি স্থিতিশীলতা ও পারমাণবিক প্রতিরোধের যুগ সূচিত করেছিল।

উৎস: Britanniaca.
২১৯.
আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৪ আগস্ট, ১৯৪১
  2. ১২ আগস্ট, ১৯৪১
  3. ১৪ আগস্ট, ১৯৪৩
  4. ১২ আগস্ট, ১৯৪৩
সঠিক উত্তর:
১৪ আগস্ট, ১৯৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ আগস্ট, ১৯৪১
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।

উৎস: Britannica.
২২০.
FBI-এর বর্তমান প্রধান কে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. Kash Patel
  2. Gerhard Schinider
  3. Roberd S Mueller
  4. Tamir Pardo
সঠিক উত্তর:
Kash Patel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kash Patel
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI-এর পুর্ণরূপ: Federal Bureau of Investigation.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- প্রতিষ্ঠা লাভ: ২৬ জুলাই, ১৯০৮।
- প্রতিষ্ঠাতা: অ্যাটর্নি জেনারেল চার্লস জে. বোনাপার্ট।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল (Kash Patel)।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংগঠিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশী যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

উৎস: FBI ওয়েবসাইট।
২২১.
NATO'র কত নং অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৫ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১০ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান।
- NATO চুক্তির ১নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ একে অপরের সাথে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে।

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২২২.
আফ্রিকান ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?
  1. ক) দক্ষিণ সুদান
  2. খ) মরক্কো
  3. গ) জিম্বাবুয়ে
  4. ঘ) সিচিলিস
সঠিক উত্তর:
খ) মরক্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মরক্কো
ব্যাখ্যা
AU এর পূর্ণরূপ African Union যা আফ্রিকা মহাদেশ সমূহের একটি সংগঠন। পূর্বে এর নাম ছিল আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা।
আফ্রিকান ইউনিয়ন নামকরণ করা হয় ৯ জুলাই, ২০০২ সালে। আফ্রিকান ইউনিয়নের সদরদপ্তর আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া এবং সদস্য সংখ্যা ৫৫ টি। আফ্রিকান ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য দেশ মরক্কো ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে সদস্য পদ লাভ করে। আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি।
উৎসঃ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২২৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে Thirty years' war শেষ হয়েছিল?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. লুজান চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা

• Thirty years' war:
- ত্রিশ বছরের যুদ্ধ ছিল ধর্মীয়, রাজবংশীয়, আঞ্চলিক এবং বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সহ বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন জাতির দ্বারা সংঘটিত যুদ্ধের একটি সিরিজ।
- এর ধ্বংসাত্মক অভিযান এবং যুদ্ধগুলি ইউরোপের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে সংঘটিত হয়েছিল এবং, যখন এটি ১৬৪৮সালে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল।
- তখন ইউরোপের মানচিত্র অপরিবর্তনীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল।

• ​ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
-১৬৪৮ সালে সম্পন্ন ওয়েস্টফালিয়ার শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের ত্রিশ বছরের যুদ্ধ এবং স্পেন ও ডাচ প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আশি বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬৪৮ সালে।
স্থান- ওয়েস্টফেলিয়া, জার্মানি ।
স্বাক্ষরিত হয়- প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিকদের মধ্যে।
ইউরোপের আর্থ-সামাজিক, ধর্ম এবং রাজনীতি নিয়ে ১৬১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২২৪.
FSB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. The Federal Security Service
  2. The Federal Intelligence Bureau
  3. The National Security Agency
  4. The Federal Intelligence Directorate
সঠিক উত্তর:
The Federal Security Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Federal Security Service
ব্যাখ্যা

• FSB:
- FSB এর পূর্ণরূপ: The Federal Security Service. 
- যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 

তথ্যসূত্র: FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২২৫.
CEDAW সনদ কবে গৃহিত হয়?
  1. ক) ১৯৬৮ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৯ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নারীদের প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নিরসের উদ্দেশ্যে CEDAW সনদ গৃহিত হয়। ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রয়োজনীয় ২০ টি দেশ অনুমোদন করায় সনদটি কার্যকর হয়। এই সনদে ৩০ টি ধারা রয়েছে। বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর CEDAW সনদ অনুমোদন করে। (সূত্রঃ UN ওয়েবসাইট)
২২৬.
The Moro National Liberation Front (MNLF) কোন দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. ফিলিপাইন
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. লেবানন
  4. মিয়ানমার 
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা

The Moro National Liberation Front (MNLF):
- The Moro National Liberation Front (MNLF) ফিলিপাইনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- এটি ফিলিপাইনের সুলু, পালাওয়ান এবং মিন্দানাও অংশ নিয়ে স্বাধীন মুসলিম দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রামরত একটি গ্রুপ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- এই দলটি মুসলিম স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি অংশ হিসেবে কাজ করে এবং ফিলিপাইন সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিল, যা পরবর্তীতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে কিছুটা স্থিতিশীল হয়। 

অন্যদিকে -
- লেবাননের গেরিলা সংগঠন হিজবুল্লাহ।

উৎস: Britannica.

২২৭.
ইন্টারপোলের সদর দপ্তর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
Interpol:
- International Criminal Police Organization হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে অবস্থিত।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য ১৯৬টি দেশ। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে।
- এর বর্তমান মহাসচিব হলেন ব্রাজিলের ভালডেসি উরকুইজা। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- ২০২৫ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২২৮.
তাসখন্দ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন -
  1. ক) জওহরলাল নেহেরু এবং জিন্নাহ
  2. খ) বল্লভভাই প্যাটেল এবং আইয়ুব খান
  3. গ) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং আইয়ুব খান
  4. ঘ) ইন্দিরা গান্ধী এবং ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
গ) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সেই কোসিগিন মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান  দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
২২৯.
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কোন তত্ত্বটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী ভূমিকার বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা প্রদান করে?
  1. উদারবাদ
  2. বাস্তববাদ
  3. মার্ক্সবাদ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উদারবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদারবাদ
ব্যাখ্যা
 আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উদারবাদ বা Liberalism তত্ত্বটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী ভূমিকার বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা প্রদান করে।
উল্লেখ্য, নব্য-উদারতাবাদ বা Neoliberalism-ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী ভূমিকার বিষয়ে ধারণা প্রদান করে থাকে। তবে এটি অপশনে না থাকায় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

উদারতাবাদ/উদারবাদ/উদারনীতিবাদ (Liberalism):
- উদারতাবাদ হলো এমন একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মতবাদ, যা মূলত একজন ব্যক্তির স্বকীয়তা, স্বাতন্ত্র্য, বৈষম্যহীনতা, সমান অধিকার এবং ব্যক্তি বিশেষের অধিকার, সর্বোপরি জীবন, স্বাধীনতা, সম্পত্তির ইত্যাদি রক্ষা করার উপর গুরুত্ব আরোপ করে।
- অবস্থার প্রেক্ষিতে এটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও প্রয়োগ করা হয়।

⇒ উদারবাদের নীতি ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৩০ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্কে প্রভাব বিস্তারকারী ছিল এবং ভয়াবহ যুদ্ধ রোধ করতে সাহায্য করেছিল।
- এই তত্ত্বে আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া লীগ অব নেশন্স বা জাতিপুঞ্জ এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছিল বলা চলে।
- আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই উদারবাদ নীতির প্রাথমিক প্রবক্তাদের মধ্যে আছেন ⎯ জন লক, অ্যাডাম স্মিথ, প্রমুখ চিন্তাবিদগণ।
- তারা বোঝাতে চেয়েছিলেন একটি সমাজ এবং রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মুক্তি তরান্বিত করা সম্ভব মুক্ত অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রের পরিশীলিত বা স্বল্প মাত্রার হস্তক্ষেপের মাধ্যমে। কিংবা অন্যভাবে বলা যায়, বাজার ব্যবস্থা হবে প্রতিযোগীতামূলক এবং এখানে রাষ্ট্র বা অন্য কোন পক্ষের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রন অনুপস্থিত থাকতে হবে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক ইত্যাদি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো একই ধারণার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।

অন্যদিকে,
• বাস্তববাদ (Realism):
- আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই তত্ত্বটি রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলে।

• মার্ক্সবাদ (Marxism):
- মার্ক্সবাদ মূলত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন। ঐতিহাসিক বস্তুবাদ , দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, উদ্বৃত্ত্ব মুল্যতত্ত্ব ও শ্রেণিসংগ্রাম এই চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে মার্কসবাদ বিকশিত হয়েছে।

উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে সহজেই বলা যায়, উদারবাদে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক কার্যকরী ভূমিকার কথা সুস্পষ্টভাবেই দৃশ্যমান। অতএব এটিই সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য উত্তর।

উৎস: i) Britannica.
ii) আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ; লেখক: তারেক শামসুর রহমান।
iii) Liberalism & International theory; A Moravcsik.
২৩০.
ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১ কী সংক্রান্ত বিধি?
  1. মানবাধিকার বিধি
  2. কূটনৈতিক আচরণ বিধি
  3. শিশু অধিকার বিধি
  4. বাণিজ্য বিধি
সঠিক উত্তর:
কূটনৈতিক আচরণ বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনৈতিক আচরণ বিধি
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন, (১৯৬১):  
- ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস (Vienna Convention on Diplomatic Relations, 1961) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- গৃহীত হয়:  ১৯৬১ সালের ১৮ এপ্রিল।
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- কার্যকর হয়: ১৯৬৪ সালের ২৪ এপ্রিল।
- ভিয়েনা কনভেনশন আধুনিক কূটনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছে।
- চুক্তিটিতে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে, সাক্ষরকারী রাষ্ট্রসমূহ যেগুলো সব সময় মেনে চলার চেষ্টা করে।
- এটি বর্তমানে প্রায় ১৯০টি দেশের মধ্যে সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- এর মাধ্যমে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে বিশ্বাস ও সহযোগিতা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।
- স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে। (বিবিসি) 
- বাংলাদেশ ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৮ সালে স্বাধীনতার পর ভিয়েনা কনভেনশনে স্বাক্ষর করে এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মান রক্ষা করার অঙ্গীকার করে।
- ভিয়েনা কনভেনশন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি পরিচালনার একটি মৌলিক কাঠামো। 
- এটি রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সহযোগিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
কূটনীতিকদের বিশেষ সুবিধা (Privileges):
কূটনীতিকদের দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়।
করমুক্ত সুবিধা এবং ভ্রমণে বিশেষ অধিকার থাকে।

কূটনীতিকদের দায়মুক্তি (Immunity):
স্বাগতিক দেশের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করা যায় না।
কূটনীতিকের ব্যক্তিগত আবাসস্থলও সুরক্ষিত।

দূতাবাসের নিরাপত্তা:
দূতাবাস ও এর প্রাঙ্গণকে স্বাগতিক দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রবেশ করতে পারে না।
রাষ্ট্রের সম্মান অনুযায়ী দূতাবাস পরিচালনা নিশ্চিত করা হয়।

কূটনৈতিক ব্যাগ (Diplomatic Pouch):
কূটনৈতিক পণ্য ও চিঠিপত্র "ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগ"-এর মাধ্যমে সুরক্ষিতভাবে পরিবহন করা হয়।
এটি তল্লাশি থেকে মুক্ত।

সদস্য দেশসমূহের দায়িত্ব:
কূটনীতিকদের সুরক্ষা এবং সুবিধা নিশ্চিত করা।
অন্যান্য দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়ম মেনে চলা।

উল্লেখযোগ্য ধারা:
- ভিয়েনা কনভেনশনের ২৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিদেশি কূটনীতিক মিশনের সকল সদস্য স্বাগতিক দেশে স্বাধীন ও অবাধে চলাচল করতে পারবেন। তবে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত বিশেষ সংরক্ষিত এলাকায় তারা বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
- চুক্তির ২৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, বিদেশি মিশন যেন সব ধরনের দাপ্তরিক কাজ অবাধে সম্পন্ন করতে পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
- ভিয়েনা কনভেনশনের ২৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিদেশি কূটনীতিকদের আটক বা গ্রেফতার করা যাবে না। অর্থাৎ তারা স্বাগতিক দেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার বাইরে থাকবে।
- চুক্তিটির ৩০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, মিশন প্রাঙ্গণের মতোই কূটনীতিকদের বাসভবন, নথিপত্রসহ অন্যান্য যাবতীয় সম্পত্তির সুরক্ষায় গ্রহীতা দেশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

উৎস: 
i) United Nations Treaty Collection.

ii) বিবিসি বাংলা।

২৩১.
'হুতি' কোন দেশের সশস্ত্র সংগঠন?
  1. বাহরাইন
  2. সিরিয়া
  3. ইয়েমেন
  4. লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
হুতি বিদ্রোহী:
- এটি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়।
- তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ধারণা ও অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়, হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেয় শিয়াপ্রধান দেশ ইরান।
- ২০১৪ সালের শুরুর দিকে ইয়েমেনের সাআদা রাজ্যের দখল নিয়ে সবার নজরে আসে হুতিরা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
২৩২.
ন্যাটোর 'ISAF মিশন' কোন দেশে নিয়োজিত ছিলো?
  1. লিবিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. সিরিয়া
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
NATO:
- পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩২ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।
- ২০০১ সালে আফগান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর নেতৃত্বে গঠিত হয় - International Security Assistance Force (ISAF)।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২৩৩.
হিজবুল্লাহ কোন দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ইয়েমেন
  2. সিরিয়া
  3. ইরান
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
লেবানন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেবানন
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ (Hezbollah):
- হিজবুল্লাহ বা "আল্লাহর দল", একটি শিয়া মুসলিম মিলিট্যান্ট গোষ্ঠী যা ১৯৮২ সালে লেবাননে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত ইরানের সমর্থন পেয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গঠিত হয়।
- হিজবুল্লাহ লেবাননের শিয়া জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পক্ষে কাজ করে।
- তবে এটি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে লেবাননের সীমানার বাইরে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- একাধিক দেশ হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তবে লেবাননে এটি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করছে এবং দেশটির পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখে এবং তাদের সক্রিয়তা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে বিরোধ সৃষ্টি করে।

উৎস:
Encyclopedia Britannica
BBC News
২৩৪.
THAAD (থাড) কী?
  1. গোয়েন্দা সংস্থা
  2. সন্ত্রাসী সংস্থা
  3. পরিবেশ সংস্থা
  4. মিসাইল প্রতিরক্ষা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
মিসাইল প্রতিরক্ষা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিসাইল প্রতিরক্ষা সংস্থা
ব্যাখ্যা
• THAAD (থাড) :
- থাড বা Terminal High Altitude Area Defense (THAAD) হচ্ছে এক ধরনের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী সংস্থা লকহিড মার্টিন থাড মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে।
- শত্রু কোনো দেশ থেকে যদি কোনো মিসাইল নিক্ষেপিত হয়, থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এটি ব্যবহার করে এবং ইতোমধ্যে আরব আমিরাত, তুরষ্ক ও দক্ষিণ কোরিয়াতে তা মোতায়েন করা হয়েছে।
- থাড মিসাইল-এর ব্যাপ্তি ১২৫ মাইল।
- থাড মিসাইল ব্যাটারী এক সাথে ৬টি মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে এবং শত্রু মিসাইল টার্গেটে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
- প্রতিটি থাড মিসাইল ব্যাটারীর মূল্য ৮০০ মিলিয়ন ডলার।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
২৩৫.
নিচের কোনটি 'বিশ্ব পর্যটন সংস্থা'?
  1. ক) UNIDO
  2. খ) UNWTO
  3. গ) UNCTAD
  4. ঘ) UNESCO
সঠিক উত্তর:
খ) UNWTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UNWTO
ব্যাখ্যা
UNWTO - এর পূর্ণরূপ The World Tourism Organization বা বিশ্ব পর্যটন সংস্থা। 
এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা দ্বায়িত্বশীল, টেকসই ও বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে থাকে।

এই সংস্থাটি ১৯৩৪ সালে  International Union of Official Tourist Propaganda Organizations (IUOTPO) নামে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৪৬ সালে লন্ডনে ‘The First International Congress of National Tourism Bodies’ এর সভায় এর নাম পরিবর্তন করে The World Tourism Organization (UNWTO) রাখা হয়। 
সদরদপ্তর : মাদ্রিদ, স্পেন

⤇ বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে বিশ্ব পর্যটন সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে।
⤇ The General Assembly - হচ্ছে এই সংস্থার প্রধান ও সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহনকারী অঙ্গ।
⤇ বর্তমান প্রধান (মহাসচিব): Zurab Pololikashvili (১ জানুয়ারি, ২০১৮ - বর্তমান); তিনি জর্জিয়ার নাগরিক।
⤇ ২৭ সেপ্টেম্বর - কে বিশ্ব পর্যটন দিবস হিসাবে পালন করা হয়।
 
(তথ্যসূত্র: UNWTO ওয়েবসাইট)
২৩৬.
আজভ ব্যাটালিয়ন কোন দেশের আধা-সামরিক গোষ্ঠী?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. জার্মানি
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
আজভ ব্যাটালিয়ন ইউক্রেনের আধা-সামরিক গোষ্ঠী।

আজভ ব্যাটালিয়ন:
- আজভ ব্যাটালিয়ন হলো একটি সশস্ত্র আধা-সামরিক গোষ্ঠী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- এই গোষ্ঠীটি অতি-জাতীয়তাবাদী।
- এরা নব্য-নাৎসিবাদ ও শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
- এরা নিজেদের নব্য-নাৎসি পরিচয় দিয়ে থাকে।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- পরে একে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'ইনটারভেনশন ইউনিট' হিসেবে যুক্ত করা হয়।
- আজভ ব্যাটালিয়নের প্রতিষ্ঠাতা আন্দ্রেই বিলেতস্কি। 

উল্লেখ্য,
- আজভ ব্যাটালিয়নের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৯০০।
- তাদের অধিকাংশই প্যারামিলিটারি।
- এই ব্যাটালিয়নের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয় ইসরায়েলি আর্মির কর্মকর্তারা।
- বর্তমানে আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি (ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক)।

⇒ ২০১৪ সালে ২ মে এই প্যারামিলিটারি বাহিনী ওডেসায় হাউস অভ ট্রেড ইউনিয়নসে হামলা চালিয়ে গণহত্যা চালায়।
- এছাড়া দনবাস (ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল) অঞ্চলে রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে এই আজভ গোষ্ঠী।
- ২০১৫ সালে এক ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার পর কুখ্যাত হয়ে ওঠে আজভ ব্যাটালিয়ন।
- ২০১৮ সালে আজভ ইউনিট রোমা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সুসংগঠিত লুণ্ঠন ও হত্যাকাণ্ড চালায়।

উৎস: i) ১ মার্চ, ২০২২, Al Jazeera।
         ii) ১৭ মার্চ, ২০২২, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২৩৭.
১৯৪৮ সালে স্বাক্ষরিত ব্রাসেলস চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ব্রাসেলস চুক্তি:
- এটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত আত্মরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৫টি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ।
- এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।
- 'ব্রাসেলস ট্রিটি অর্গানাইজেশন' বা 'ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন' নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- অকার্যকর হয়: ২০১৭ সালে।

উৎস: I) CVCE eu ওয়েবসাইট।
         ii) Britannica.
২৩৮.
ন্যাটো গঠনের ভিত্তি কোনটি?
  1. অকাস চুক্তি
  2. হেগ চুক্তি
  3. নর্থ আটলান্টিক চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
সঠিক উত্তর:
নর্থ আটলান্টিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নর্থ আটলান্টিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

​• নর্থ আটলান্টিক চুক্তি:
​- নর্থ আটলান্টিক চুক্তি ন্যাটোর (NATO) ভিত্তি।
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে ১২ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র স্বাক্ষর করে।
​​- চুক্তিটি মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত।
​- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
​- এই চুক্তি জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করে, যেখানে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর স্ব-রক্ষা বা সম্মিলিত প্রতিরক্ষার অধিকার পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে।
​- চুক্তির মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা, যা অনুচ্ছেদ ৫-এ উল্লেখিত।
​- বর্তমানে NATO-তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন)।
​- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

২৩৯.
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষার জন্য বর্তমানে কয়টি মিশন চলমান রয়েছে?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১১
  3. গ) ১৩
  4. ঘ) ১৪
  5. ঙ) ১৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩
ব্যাখ্যা
The first UN peacekeeping mission was established in May 1948, when the UN Security Council authorized the deployment of a small number of UN military observers to the Middle East to form the United Nations Truce Supervision Organization (UNTSO) to monitor the Armistice Agreement between Israel and its Arab neighbours.
Over the past 70 years, more than 1 million men and women have served under the UN flag in more than 70 UN peacekeeping operations. More than 100,000 military, police and civilian personnel from 125 countries currently serve in 13 peacekeeping operations.
Source: UNpeacekeeping.org
২৪০.
পিকেকে (PKK) কোন দেশের মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন?
  1. তুরস্ক
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. জর্ডান
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
তুরস্কে:
- PKK (Partiya Karkeren Kurdistan) হলো তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুর্দিদের একটি মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিকেকে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে। তুরস্ক সরকার পিকেকে গোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে সিরিয়া ও উত্তর ইরাকে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে আসছে।

এছাড়াও, 
- আধুনিক তুরস্কের জনক খ্যাত মোস্তফা কামাল পাশা বা কামাল আতাতুর্ক।
- ১৯২৩ সালে তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ‍তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন- কামাল পাশা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২৪১.
'পিস আর্ক' কী?
  1. যুদ্ধ বিমান
  2. চিকিৎসা জাহাজ
  3. সংবাদ সংস্থা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসা জাহাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসা জাহাজ
ব্যাখ্যা
পিস আর্ক:
- 'পিস আর্ক' হলো একটি চিকিৎসা জাহাজ।
- পিস আর্ক হসপিটাল জাহাজ, যা চীনা ভাষায় হেপিং ফাংঝু নামে পরিচিত।
- এটি দেশের প্রথম স্ট্যান্ডার্ড সমুদ্রগামী হাসপাতালের জাহাজ।
- এটি পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভিতে দাইশান দাও হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- এটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিতে সজ্জিত।
- ২০০৮ সালে চীনা নৌবাহিনীতে কমিশন করা 'পিস আর্ক' সহায়ক জাহাজগুলির মধ্যে একটি।
- একটি হাসপাতালের জাহাজ হিসাবে চিহ্নিত করার জন্য লাল ক্রস দিয়ে সাদা আঁকা।
- ক্রুতে চীনের কিছু নেতৃস্থানীয় চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ এবং নিউরোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, ফিজিওথেরাপি, ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ, সংক্রামক রোগ, পুনর্গঠনমূলক সার্জারি এবং পোড়া বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তথ্যসূত্র - China Military ওয়েবসাইট।
২৪২.
নরিতা কোন দেশের বিমানবন্দর?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) জাপান
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
ব্যাখ্যা
নারিতা বিমানবন্দরটি জাপানে অবস্থিত৷
Source: World Atlas
২৪৩.
নিম্নলিখিত কোন দেশ NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি? [আগস্ট,২০২৫]
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- ভারত NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি।

• NPT চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty):

- চুক্তির পূর্ণ নাম: Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT).
- বাংলায়: পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।

• চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা।
- পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ (nuclear disarmament) নিশ্চিত করা।
- খসড়া গৃহীত: ১ জুলাই ১৯৬৮।
- কার্যকর: ৫ মার্চ ১৯৭০।
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA (International Atomic Energy Agency).
- বর্তমানে প্রায় ১৯১টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল – চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি।
- উত্তর কোরিয়া – ২০০৩ সালে NPT থেকে বেরিয়ে যায়।

• চুক্তির মেয়াদ:
- প্রথমে এটি ২৫ বছরের জন্য কার্যকর ছিল।
- পরে, ১৯৯৫ সালে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ [Link]
২৪৪.
মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে অমিমাংসিত সীমানা নিষ্পত্তিতে স্থল সীমান্ত চুক্তি সাক্ষরিত হয় যা মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত। বাংলাদেশ এই চুক্তি ১৯৭৪ সালে অনুমোদন করে ভারতকে বেড়ুবাড়ী হস্তান্তর করলেও ভারতীয় পার্লামেন্টের দুইকক্ষে এই চুক্তি ২০১৫ সালের ৬ মে ও ৭ মে পাশ হয়। ফলশ্রুতিতে এই চুক্তি ২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়। এই চুক্তির ফলে উভয় দেশের মধ্যে অবস্থিত ছিটমহলগুলো সংশ্লিষ্ট দেশে অন্তর্ভুক্ত হয়। উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার
২৪৫.
CIA কোন দেশের গোয়েন্দা বাহিনী?
  1. ক) ইসরাইল
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- CIA (Central Intelligence Agency) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- CIA ১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।
- CIA বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় বহুমাত্রিক তৎপরতায় নিয়োজিত।
(তথ্যসূত্রঃ CIA ওয়েবসাইট)
২৪৬.
কোনো সমস্যা সমাধানে সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কী ধরনের কূটনীতি বলা হয়?
  1. ট্র্যাক থ্রি কূটনীতি
  2. পাবলিক কূটনীতি
  3. ট্র্যাক টু কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
সঠিক উত্তর:
ট্র্যাক টু কূটনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্র্যাক টু কূটনীতি
ব্যাখ্যা
ট্র্যাক টু কূটনীতি:

• কূটনীতি শব্দটি ফরাসি ভাষার।
• ট্র্যাক টু কূটনীতি বলতে বোঝায় একদেশের সুশীল সমাজ বা মিডিয়া তথা কোনো সমস্যা সমাধানে প্রভাব ফেলে তাকে। 
• ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভূত হয়েছিল। 
• ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক উইলিয়াম ডি. ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি. মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ট্র্যাক II কূটনীতিকে "ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়ে থাকে।
বিশ্বের যে কোনো বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়।
• যেমন- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি গ্রহন।
• কোন সরকারের পক্ষে বা সরকারের জন্য অন্যদেশের নীতি নির্ধারণের উপর দাতা গোষ্ঠির প্রভাবকে ট্র্যাক থ্রি কূটনীতি বলে।
• পাবলিক কূটনীতি , বিদেশি জনসাধারণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকার-স্পন্সরকৃত প্রচেষ্টা।
• একইসাথে বিভিন্নমুখী কূটনৈতিক উদ্যোগকে বিভিন্ন ট্র্যাকে একই সঙ্গে চালিয়ে যাওয়া হয়, তাকে মাল্টিট্যাক কূটনীতি বলে

উৎস: ব্রিটানিকা, mecouncil.org & ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
২৪৭.
পশ্চিম আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোর জোট ‘ECOWAS’ কোন চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়?
  1. আবুজা চুক্তি
  2. লাগোস চুক্তি
  3. কোটোনু চুক্তি
  4. রোম চুক্তি
সঠিক উত্তর:
লাগোস চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাগোস চুক্তি
ব্যাখ্যা

ECOWAS:
- ECOWAS-এর পূর্ণরূপ: Economic Community of West African States.
- এটি পশ্চিম আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোর জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮ মে, ১৯৭৫ (লাগোস চুক্তির মাধ্যমে)।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লাগোস, নাইজেরিয়া।
- সদরদপ্তর: আবুজা, নাইজেরিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি (বেনিন প্রজাতন্ত্র, বুরকিনা ফাসো, কেপ ভার্দে, আইভরি কোস্ট, গাম্বিয়া, ঘানা, গিনি, গিনি-বিসাউ, লাইবেরিয়া, মালি, নাইজার, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন এবং টোগো)। 
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১২টি।

⇒ ECOWAS-এর মূল লক্ষ্য হল জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
-  ECOWAS এই অঞ্চলে সংঘাতের জন্য একটি শান্তিরক্ষী বাহিনী তৈরি করে কিছু নিরাপত্তা সমস্যা সমাধানের জন্যও কাজ করেছে।
- ECOWAS ১৯৯০ সালে তার মুক্ত বাণিজ্য এলাকা প্রতিষ্ঠা করে এবং ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একটি সাধারণ বহিরাগত শুল্ক গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার আনুষ্ঠানিকভাবে ECOWAS থেকে বেরিয়ে আসে।

উৎস: i) African Union ওয়েবসাইট। 
ii) Britannica.

২৪৮.
বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে -
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান: রবার্ট ফ্লয়েড।

⇒ CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।

⇒ বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২৪৯.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?   
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এই চুক্তি পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- চুক্তিটি “মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য কাঠামো” নামে পরিচিত ছিল।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- এই চুক্তির কারণে সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

২৫০.
নিচের কোনটি RAW-এর মূল দায়িত্ব?
  1. বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
  2. সীমান্ত রক্ষা
  3. রাজ্য পুলিশকে সহায়তা
  4. সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ
সঠিক উত্তর:
বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
ব্যাখ্যা
RAW:
- RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: রবি সিংহ (Ravi Sinha)।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।
- RAW সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিকট রিপোর্ট করে। 
- RAW-এর সাথে সম্পর্কিত গোপন সংকেত Cabinet Secretariat ও Aviation Research Centre।

⇒ মূল দায়িত্ব:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উৎস: Council on Foreign Relations.
২৫১.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম কী?
  1. রেঞ্জার্স
  2. ইউরোপোল
  3. ইউরোটেক্স
  4. ফ্রনটেক্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রনটেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রনটেক্স
ব্যাখ্যা
• ইউরোপীয় ইউনিয়ন:
- রোম চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি তথা বর্তমানের ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ইইউর প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত মোট দেশের সংখ্যা ২৭ টি।
- এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০ টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- সর্বশেষ ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে - ক্রোয়েশিয়া (১ জানুয়ারী, ২০২৩)।
- সদর দপ্তর- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভিসামুক্ত প্রবেশের চুক্তি শেনজেন চুক্তি।
- ম্যাসট্রিচট চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নামকরণ করা হয়।
- ২০০৭ সালে পর্তুগালের লিসবনে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে লিসবন চুক্তি বলে। এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়।
- এই চুক্তির অনুচ্ছেদ-৫০ এ বলা আছে গণভোটের মাধ্যমে কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে পারবে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম ফ্রনটেক্স।

সূত্র: ইউ ওয়েবসাইট।
২৫২.
ডোকলাম উপত্যকা নিয়ে কোন কোন দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে?
  1. ক) ভারত-চীন-নেপাল
  2. খ) ভারত-চীন-রাশিয়া
  3. গ) ভারত-চীন-ভুটান
  4. ঘ) ভারত-চীন-পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত-চীন-ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত-চীন-ভুটান
ব্যাখ্যা
ডোকলাম উপত্যকা:
- ডোকলাম উপত্যকা চীন-ভারত-ভুটান সীমান্তে অবস্থিত।
- প্রতিটি দেশই ডোকলাম উপত্যকাকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে।
- ১৬ জুন, ২০১৭ সালে চীন এ উপত্যকায় সড়ক নির্মাণ করা শুরু করলে চীন-ভারত-ভুটান সীমান্তে উত্তেজনা শুরু হয়।
- ভারত ও ভুটানের প্রচণ্ড আপত্তির মুখে চীন সড়ক নির্মাণ স্থগিত করে।

উৎস: Britannica.com
২৫৩.
Typhoon Block-4 হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশের তৈরি?
  1. তুরস্ক
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

• তাইফুন ব্লক-৪:
- তুরস্কের প্রথম হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘তাইফুন ব্লক-৪’।
- এটি তুরস্কের  প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন মাইলফলক।
- মঙ্গলবার (২২ জুলাই- ২০২৫) ইস্তাম্বুলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা শিল্প মেলা (আইডিইএফ) ২০২৫-এ দেশটি এই ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করে।
- এটি তুরস্কের নিজেদের সক্ষমতায় তৈরি প্রথম হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘তাইফুন ব্লক-৪’।
- তাইফুন ব্লক-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি ৬ দশমিক ৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ২ হাজার ৩০০ কেজি ওজন।  
- এই ক্ষেপণাস্ত্রের দূরপাল্লা ৮০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- এটি বহন করতে পারে সাত টনের বেশি ওজনের বহুমুখী ওয়ারহেড, যা শত্রুর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কন্ট্রোল সেন্টার, সামরিক হ্যাঙ্গারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংসে সক্ষম।

উৎস: ডেইলি সান।

২৫৪.
আলজিয়ার্স চুক্তিটি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি: 
- আলজিয়ার্স চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জুন ১৯৭৫ সালে।
- এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি,
- এটি ইরাক ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত বিরোধ, বিশেষ করে শাত-ইল-আরব নদী নিয়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে।
- ইরানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী, আর ইরাকের পক্ষে ছিলেন তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।
- ১৯৮০ সালে ইরাক ইরানে হামলা চালালে চুক্তিটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে।  

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।
২৫৫.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান কোন মহাসাগরে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।

উল্লেখ্য, 
- এটি রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।

তথ্যসূত্র: Britannica.

২৫৬.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ফলে কোন জোটটি গঠিত হয়?
  1. ওয়ারশ প্যাক্ট
  2. ন্যাটো
  3. ইউএসএমসিএ
  4. মার্কোসুর
সঠিক উত্তর:
ন্যাটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যাটো
ব্যাখ্যা
ন্যাটো (North Atlantic Treaty Organization): 
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ফলে ন্যাটো জোটটি গঠিত হয়। 
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২৫৭.
যুদ্ধ সম্পর্কিত আচরণ বিষয়ে মোট কতটি জেনেভা কনভেনশন গৃহীত হয়েছে?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) সাতটি
সঠিক উত্তর:
খ) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চারটি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
২৫৮.
মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে কোন জোট গঠিত হয়?
  1. European Union
  2. ASEAN
  3. NAFTA
  4. MERCOSUR
সঠিক উত্তর:
European Union
উত্তর
সঠিক উত্তর:
European Union
ব্যাখ্যা
মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে European Union গঠিত হয়।

European Union (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU)।
- এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
- এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

অন্যদিকে -
- দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতি সংস্থা (ASEAN) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, যা ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর আমেরিকান মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (NAFTA) হল ইউরোপীয় সম্প্রদায় (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) এর মডেলের উপর ভিত্তি করে কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকোর মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- MERCOSUR (Mercado Comun Del Sur) বা The Southern Common Market হলো দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
২৫৯.
ওয়ারশ প্যাক্ট কী ধরনের জোট ছিল?
  1. অর্থনৈতিক জোট
  2. কূটনৈতিক জোট
  3. সামরিক জোট
  4. মানবিক সাহায্য জোট
সঠিক উত্তর:
সামরিক জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক জোট
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট ছিল একটি সামরিক জোট, এটি ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত হয়।
- এটির উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর মোকাবিলায় পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর প্রতিরক্ষা জোরদার করা।

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ প্যাক্ট বা Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- এটি পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, সোভিয়েত প্রভাব বজায় রাখা এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তি, বিশেষ করে ন্যাটোর (NATO) বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫৫ সালের ১৪ মে, পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ শহরে।
- প্রাথমিকভাবে এই জোটে আটটি দেশ সদস্য ছিল: সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া।
- জোটটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল এবং পূর্ব ইউরোপে সমাজতান্ত্রিক শাসন টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- তবে স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ইউরোপজুড়ে সমাজতান্ত্রিক শাসনের পতন ও গণতন্ত্রের উত্থানের ফলে ওয়ারশ প্যাক্ট ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- অবশেষে, আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই এই সামরিক জোটটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
২৬০.
অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (PLO): 
- সম্পূর্ণ নাম: Palestine Liberation Organization (PLO).
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৪ সাল। 
- প্রধান উদ্দেশ্য: ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। 
- প্রাথমিক কার্যক্রম: বিভিন্ন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে একত্রিত করা। 
- ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধের পর PLO বিশ্বমঞ্চে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৬০ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত সংগঠনটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘকালীন গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করে।
- ১৯৯৩ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে অসলো চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচিত।
- জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: Britannica.
২৬১.
ANZUS চুক্তির আওতায় নেই-
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
ANZUS চুক্তি: 
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি নিরাপত্তা চুক্তি।
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
- চুক্তিটি ১৯৫২ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ড একটি অ্যান্টি-নিউক্লিয়ার নীতি গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- এর প্রতিক্রিয়ায় ১৯৮৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তির বাধ্যবাধকতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করে।
- তিনটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির অংশীদার থাকলেও, ১৯৮৬ সাল থেকে কার্যত ANZUS নিষ্ক্রিয়।
- অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও, নিউজিল্যান্ড এই জোটে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করে না।

উৎস: Britannica.
২৬২.
সাভাক কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার নাম?
  1. মিশর
  2. ইরান
  3. জার্মানি
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB)।
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI)।
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA)।
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB)।
- ব্রিটেন: SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6)।
- ইসরায়েল: MOSSAD।
- ইরান: সাভাক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
২৬৩.
নিচের কোন তিনটি দেশ ডেটন শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল?
  1. বসনিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া
  2. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
  3. ক্রোয়েশিয়া, মন্টেনেগ্রো, সার্বিয়া
  4. বসনিয়া, হাঙ্গেরি, আলবেনিয়া
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তি এর পূর্ণনাম General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- এই চুক্তি বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে চুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাই এটি ডেটন চুক্তি নামে পরিচিত। তবে চুক্তিটি ফ্রান্সের প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ারেন ক্রিস্টোফার। চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক ছিলেন রিচার্ড হলব্রোক।
- ডেটন শান্তি চুক্তি এর খসড়া প্রস্তুত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৯৫ সালে এবং চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে প্যারিস, ফ্রান্স-এ।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির স্বাক্ষরকারী তিনটি পক্ষ ছিল—বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়া।

চুক্তি স্বাক্ষরকারী প্রতিনিধিরা ছিলেন:
→ বসনিয়ার পক্ষে প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
→ ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
→ সার্বিয়ার পক্ষে স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
২৬৪.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর কোন অঞ্চলটি ফেরত পায়?
  1. গোলান মালভূমি
  2. পশ্চিম তীর
  3. গাজা উপত্যকা
  4. সিনাই উপদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সিনাই উপদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনাই উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords):
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.

২৬৫.
'আজভ ব্রিগেড' কোন দেশের সশস্ত্র বাহিনী?
  1. জর্ডান
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. ইউক্রেন
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

আজভ ব্রিগেড:
- 'আজভ ব্রিগেড' ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র বাহিনী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্রিগেড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- অ্যান্ড্রি বিলেটস্কি সশস্ত্র বাহিনীটি প্রতিষ্ঠাতা নেতা ছিলেন।
- আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি। তিনি ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা, ০১ মে, ২০২২।

২৬৬.
কোন যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে 'আটলান্টিক সনদ' স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ফ্রান্স-ব্রিটেন শতবর্ষ যুদ্ধ
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. আমেরিকা-ভিয়েতনাম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ: 
- এটি একটি ঐতিহাসিক দলিল যা আটলান্টিক মহাসাগরে, দুটি প্রধান মিত্র শক্তি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ড কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- এই সনদের মূল উদ্দেশ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা।
- এই সনদের ফলে পরবর্তীতে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে শুরু করে।
- সনদটি স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।

তথ্যসূত্র: Britannica.
২৬৭.
কোন দেশটি ন্যাটোর সদস্য নয়?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) ফিনল্যান্ড
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
- অস্ট্রিয়া ন্যাটোর সদস্য নয়।

NATO:
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- North Atlantic Treaty Organization (NATO) প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সাল।
- সামরিক জোট ন্যাটো এর সদস্য ৩১টি দেশ।
- ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- ন্যাটো এর সর্বশেষ সদস্য ফিনল্যান্ড (যোগদান করে ০৪ এপ্রিল, ২০২৩)।

তথ্যসূত্র: NATO এর ওয়েবসাইট।
২৬৮.
কোন সংস্থার উদ্যোগে কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) UNCTAD
  2. খ) ASEAN
  3. গ) ESCAP
  4. ঘ) RCEP
সঠিক উত্তর:
গ) ESCAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ESCAP
ব্যাখ্যা
কাগজবিহীন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর:
জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয় কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালের ১৯ মে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।
- ২৯ আগস্ট, ২০১৭ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- ১৩ অক্টোবর, ২০২০ বাংলাদেশ চতুর্থ দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুসমর্থন করে।
- ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ চুক্তিটি কার্যকর হয়।
 
উল্লেখ্য,
The Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP) হলো জাতিসংঘের বৃহত্তম আঞ্চলিক কমিশন।

উৎস: ESCAP ওয়েবসাইট।
২৬৯.
পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তির ইংরেজি নাম কী?
  1. Nuclear Weapons Agreement
  2. Nuclear Arms Reduction Treaty
  3. Nuclear Weapon Ban Treaty 
  4. Global Nuclear Disarmament Treaty
সঠিক উত্তর:
Nuclear Weapon Ban Treaty 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nuclear Weapon Ban Treaty 
ব্যাখ্যা

পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
- চুক্তির নাম: পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি / Nuclear Weapon Ban Treaty.
- স্বাক্ষরের তারিখ: ০৭ জুলাই, ২০১৭।
- প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রথম পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অনুমোদন: ২০১৭ সালে, ১২২টি দেশ।
- আইন হিসাবে কার্যকর করতে প্রয়োজন: কমপক্ষে ৫০টি দেশের চূড়ান্ত অনুমোদন।
- পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থা: ICAN।
- ICAN শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে: ২০১৭।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।

২৭০.
ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP) কোন অঞ্চলের বাণিজ্য চুক্তি?
  1. ইউরোপ
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
ব্যাখ্যা
ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP): 
- ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP) একটি বাণিজ্য চুক্তি যা এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আমেরিকান চাকরির উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রশাসন ঘোষণা করে।
- TPP-এ অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ:`অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই দারুসসালাম, কানাডা, চিলি, জাপান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পেরু, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম। 
- ২০১৩ সালে, TPP দেশগুলোতে মার্কিন পণ্য রপ্তানি ছিল $৬৯৮ বিলিয়ন, যা মোট মার্কিন পণ্য রপ্তানির ৪৪%।
- TPP এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অন্যতম প্রধান মাধ্যম, যা আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও গভীর করতে সহায়তা করবে।

উৎস: UNITED STATES TRADE REPRESENTATIVE.
২৭১.
নর্থ আন্টলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সামরিক জোট কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৩৯
  2. ১৯৪৩
  3. ১৯৪৯
  4. ১৯৬০
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯
ব্যাখ্যা

 ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ তারিখে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):

- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
- ন্যাটোর ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
- বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- Article 5: একটি দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরোধ।
- ৯/১১ এর সন্ত্রাসী হামলায় প্রথমবার Article 5 প্রয়োগ করা হয়।
- ন্যাটোর প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হয়।
- কসোভো, ভূমধ্যসাগর এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের মতো অঞ্চলে ন্যাটো মিশন পরিচালনা করে।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

২৭২.
কোন চুক্তিতে সকল ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে? 
  1. NPT
  2. CTBT
  3. NATO
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
CTBT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CTBT
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- উদ্দেশ্য: সামরিক ও বেসামরিক সকল ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা।
- জাতিসংঘে গৃহীত: ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬।
- মোট স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬।
- বাংলাদেশ অনুমোদন (Ratification) করে: ৮ মার্চ ২০০০।
- বাংলাদেশের অবস্থান: ৫৪তম অনুমোদনকারী দেশ।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

২৭৩.
In which year did the Vienna Convention came into force?
  1. 1985
  2. 1986
  3. 1987
  4. 1988
  5. 1989
সঠিক উত্তর:
1988
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1988
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৮৮ সালে।

ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention-এর পূর্ণরূপ: The Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer.
- এটি জাতিসংঘের 'ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ' বিষয়ক চুক্তি।
- জাতিসংঘ কর্তৃক চুক্তি গৃহীত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৮৫।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২৮টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।
- বৈশ্বিক অনুমোদন লাভ: ২০০৯ সাল।
- চুক্তি সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহ ৩ বছর পর পর চুক্তির অগ্রগতি ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে বৈঠকে বসে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অনুমোদন: ২ আগস্ট, ১৯৯০ সাল।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৭৪.
২০২৬ সালে NATO'র শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ব্রাসেলস
  2. প্যারিস
  3. আঙ্কারা
  4. নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
আঙ্কারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙ্কারা
ব্যাখ্যা

২০২৬ সালে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন।
- তিনি বলেন, তুরস্ক, ন্যাটো জোটের কাঠামোর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প পণ্যের বাণিজ্য বিধিনিষেধ অপসারণের আহ্বান জানিয়েছে।
- এই সম্মেলনে জোটের নেতারা প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করবেন।

এছাড়াও,
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২৭৫.
১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর মিখাইল গর্বাচেভ ও জর্জ বুশ কোন সম্মেলনে Cold War এর ইতি টানার ঘোষণা দেন?
  1. ক) ভিয়েনা সম্মেলন
  2. খ) মালটা সম্মেলন
  3. গ) জেনেভা সম্মেলন
  4. ঘ) বেলগ্রেড সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
খ) মালটা সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মালটা সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- মালটা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর। 
- দুই বিশ্ব পরাশক্তি  যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার এই দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- রাশিয়া প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ হারবার্ট ওয়ার্কার বুশ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। 
- এই সম্মেলনে দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধান Cold War এর ইতি টানার ঘোষণা দেন। 
 
উৎস: বিবিসি 
২৭৬.
International Criminal Court (ICC) এর অবস্থান কোথায়?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) হেগ
  3. গ) ওয়াশিংটন
  4. ঘ) বার্লিন
সঠিক উত্তর:
খ) হেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হেগ
ব্যাখ্যা
International Criminal Court (ICC) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। ১ জুলাই ২০০২ সালে রোম চুক্তি বা নীতিমালা (১৯৯৮ সালে সাক্ষরিত) কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বর্তমান সদস্য ১২৩ টি৷ এই আদালত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রভৃতি বিষয়ে অনুসন্ধান ও বিচারের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারে। তবে দণ্ড কার্যকর করতে পারে না। (সূত্রঃ আইসিসি ওয়েবসাইট)
২৭৭.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত চুক্তি কবে সাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৬ মে, ১৯৭৪
  2. খ) ১৬ মার্চ, ১৯৭৪
  3. গ) ১৬ জুন, ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৬ জুলাই, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ মে, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ মে, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

২৭৮.
সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. ভারত–পাকিস্তান
  2. ভারত–চীন
  3. চীন–পাকিস্তান
  4. ভারত–নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত–পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত–পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে।

সিয়াচেন হিমবাহ:
- সিয়াচেন হিমবাহ উত্তর কাশ্মীরে অবস্থিত এবং এটি পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
- এই হিমবাহ পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, এটা দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার কারণ হয়ে আছে।
- কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখল নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়ায়।
- তবে এই দ্বন্দ্বের মূল শেকড় লুকিয়ে আছে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত করাচি ও সিমলা চুক্তির ফাঁকে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।

২৭৯.
১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত হেলসিঙ্কি চুক্তিতে কয়টি দেশ স্বাক্ষর করেছিল?
  1. ৮টি
  2. ১২টি
  3. ২৩টি
  4. ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords) ১৯৭৫ সালে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নসহ মোট ৩৫টি দেশ দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ আগস্ট, ১৯৭৫।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৩৫টি।
- এটি Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE)-এর আওতায়, ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল শীতল যুদ্ধের উত্তেজনা কমানো, ইউরোপের নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা বাড়ানো এবং মানবাধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি প্রদান।

⇒ চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

উৎস: Britannica.
২৮০.
‘March 23 Movement (M23)’ কী?
  1. মানবাধিকার সংস্থা
  2. বিদ্রোহী গোষ্ঠী
  3. পরিবেশ রক্ষা কর্মসূচী
  4. নারী অধিকার আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
বিদ্রোহী গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্রোহী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা

March 23 Movement (M23):
- March 23 Movement (M23) হলো ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (DRC)-এর একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- M23 বিদ্রোহের উৎপত্তি হয় ২৩ মার্চ ২০০৯ সালে স্বাক্ষরিত এক শান্তিচুক্তির ব্যর্থতা থেকে।
- পরবর্তীতে ২০১২ সালে সংগঠনটি দেশটির পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- M23 বর্তমানে DRC-র পূর্বাঞ্চলে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
- তারা বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত।
- কঙ্গোর সরকার ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী তাদের দমনের চেষ্টা করছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২৮১.
কমনওয়েলথভুক্ত কোন দেশটি ব্রিটেনের রাজা বা রানীকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকার করে?
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) অস্ট্রিয়া
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) সাইপ্রাস
সঠিক উত্তর:
ক) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
- কমনওয়েলথভুক্ত দেশ অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
- ব্রিটেনের দ্বিতীয় এলিজাবেথ হচ্ছেন বিশ্বের ১৬টি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বর্তমান রানী ও রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রসমূহ হচ্ছে : যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউগিনি, নিউজিল্যান্ড, জ্যামাইকা, বার্বাডোস, বাহামাস, গ্রানাডা, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টুভালু, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন, বেলিজ, অ্যান্টিগুয়া ও বারমুডা এবং সেন্ট কিটস ও নেভিস।  

তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা।
২৮২.
নিচের কোনটি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) CIA
  2. খ) RAW
  3. গ) M16
  4. ঘ) গডস আর্মি
সঠিক উত্তর:
খ) RAW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) RAW
ব্যাখ্যা
RAW:
- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা- RAW
- এর পূর্ণরুপ- Research and Analysis Wing (RAW)
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও

 
২৮৩.
রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য OPCW কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে রাসায়নিক অস্ত্র পৌঁছানো রোধে বিশেষ গুরুত্বারোপ।
- রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
২৮৪.
নিচের কোন দেশের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক নাই?
  1. ক) বাহরাইন
  2. খ) জর্ডান
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
গ) ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
ইসরাইলের সাথে প্রথম আরব দেশ হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে মিশর, দ্বিতীয় আরব দেশ জর্ডান, তৃতীয় আরব দেশ আরব আমিরাত এবং চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে বাহরাইন।
ইয়েমেনের সাথে ইসরাইলের কোন কূটনৈতিক সম্পর্ক নাই।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং বিবিসি নিউজ।
২৮৫.
গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা কী নামে পরিচিত?
  1. পার্পল লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ব্লু লাইন
  4. সিগফ্রিড লাইন
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কাপুর নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা।

উৎস: Britannica.
২৮৬.
IAEA এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. International Atomic Energy Agency
  2. International Atomic Eternal Agency
  3. Internal Astronomical Energy Agency
  4. International Atomic Energy Association
সঠিক উত্তর:
International Atomic Energy Agency
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Atomic Energy Agency
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA এর পূর্ণরূপ International Atomic Energy Agency বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা।
- IAEA ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IAEA এর সদর দপ্তর ভিয়েনায় অবস্থিত।
- এর মোট সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ১৭৮ টি। (জুলাই, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আর্জেন্টিনার রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IAEA ওয়েবসাইট।
২৮৭.
'ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস' কোন দেশের সামরিক বাহিনী?
  1. ইসরায়েল
  2. লেবানন
  3. সিরিয়া
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস:
- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (The Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) ইরানের প্রধান সামরিক বাহিনী।

⇒  ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি শক্তিশালী শাখা, যার রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব দেশটির ভেতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- গার্ডস বাহিনী বিশেষত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য,
- ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল হোসেইন সালামি ইসরাইলের চালানো বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।
- হোসেইন সালামি ২০১৯ সাল থেকে বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইরানের পরমাণু ও সামরিক কৌশল নির্ধারণে ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
- তার নেতৃত্বেই ইরান আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে একাধিক সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে এসেছে, বিশেষত ইরাক, সিরিয়া ও লেবাননে।

উৎস: i) Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
২৮৮.
অসলো চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যকার অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ইসরায়েল ও ইরান
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল
  3. ইসরায়েল ও লেবানন
  4. ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

• অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৮৯.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি -
  1. INF Treaty
  2. CTBT Treaty
  3. ABM Treaty
  4. Ottawa Treaty
সঠিক উত্তর:
Ottawa Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ottawa Treaty
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি বা Anti-Personnel Landmines Convention।
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি বা Ottawa Treaty।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ চুক্তির উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

অন্যদিকে,
'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।

ABM Treaty:
- ABM- এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty.
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২৯০.
‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ কোন দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ র‍য়েছে?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

স্যার ক্রিক অঞ্চল:
- ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ র‍য়েছে।

উল্লেখ্য,
- সার ক্রিক হলো গুজরাটের কচ্ছ এবং পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক খাঁড়ি। জোয়ারের সময়ে এই খাঁড়িতে জল থাকে, তা ছাড়া জল থাকে না বললেই চলে।
- এই অঞ্চলের সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের।
- এই সংকীর্ণ খাঁড়ি আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত। আগে এর নাম ছিল বনগঙ্গা। পরে ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে এর নাম বদলে 'স্যার ক্রিক' রাখা হয়।

⇒ কৌশলগত ভাবে এই অঞ্চল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ভারতের সামরিক উপস্থিতি থাকলে, করাচি বন্দরে সরাসরি সমুদ্রপথে প্রবেশা করতে পারবে না কোনও নৌযান। রাচি পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য কেন্দ্র। যুদ্ধের ক্ষেত্রেও করাচি বন্দর ভারতের অন্যতম সামরিক লক্ষ্য।
- অন্য দিকে সার ক্রিকে পাকিস্তানের সামরিক উপস্থিতি তাদের যুদ্ধের সময়ে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর, রাজস্থান, পাঞ্জাব সীমান্তের পাশাপাশি সার ক্রিক দিয়েও একযোগে আক্রমণ চালানোর সুযোগ করে দেবে। এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ পেলে পাক নৌবাহিনীকে উপকূলরেখা বরাবর রণতরী মোতায়েন করতে পারবে।

উৎস: BBC.

২৯১.
Extradition Treaty চুক্তি সাধারণত কোন বিষয়ে সাহায্য করে?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ
  2. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা
  3. এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশে ফেরত পাঠানো
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশে ফেরত পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশে ফেরত পাঠানো
ব্যাখ্যা
Extradition Treaty:
- Extradition Treaty বা প্রত্যর্পণ চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার মাধ্যমে একটি দেশ অপরাধে অভিযুক্ত বা দোষী ব্যক্তিকে অন্য একটি দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে।
- এই চুক্তি সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়, যাতে এক দেশ অপরাধীকে অন্য দেশ থেকে প্রত্যর্পণ করতে পারে, যদি সেই ব্যক্তি ওই দেশের আইনের অধীনে অপরাধ করেছে এবং সে দেশে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ফেরত পাঠানো প্রয়োজন।

⇒ এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশ তাদের নাগরিকদের অপরাধের জন্য একে অপরকে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ শর্তসমূহ:
- প্রত্যর্পণের জন্য অপরাধটি উভয় দেশে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে।
- রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে করা অপরাধ বা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- যদি অনুরোধকারী দেশে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকে, তবে সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে।

উৎস: Britannica.
২৯২.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ৪
  3. অনুচ্ছেদ ৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

এছাড়াও ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২৯৩.
সম্প্রতি রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোন চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. NPT 
  2. INF 
  3. SALT 
  4.  START 
সঠিক উত্তর:
INF 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
INF 
ব্যাখ্যা

• INF Treaty:
- পূর্ণরূপ Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty
- চুক্তির পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- বিষয়স্তু: ৫০০–৫,৫০০ কিলোমিটার পাল্লার স্থলভিত্তিক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট সহায়ক কাঠামো ধ্বংস।
- সময়সীমা: চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে ধ্বংস সম্পন্ন করতে হবে।
- প্রাথমিক সমঝোতা: সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ (বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত)।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৭।
- স্বাক্ষরকারী নেতা:  রোনাল্ড রিগ্যান (যুক্তরাষ্ট্র) ও মিখাইল গর্বাচেভ (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
- স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ২০১৯ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে রাশিয়ার বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস (আইএনএফ) চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
 - মস্কো তখন বলেছিল, ওয়াশিংটন এমন অস্ত্র মোতায়েন না করলে তারাও মোতায়েন করবে না।
- ইউক্রেইনে যুদ্ধ বন্ধের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ বৃদ্ধির মধ্যেই গত ৪ আগস্ট, ২০২৫ রাশিয়া আইএনএফ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

তথ্যসূত্র: US States Department ও দৈনিক পত্রিকা।

২৯৪.
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগকারী সর্বশেষ দেশ- [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ক্রোয়েশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সুইডেন
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
ব্রেক্সিট: 
- ব্রেক্সিট (Brexit) হলো “Britain” এবং “Exit” শব্দ দুটি মিলিয়ে তৈরি একটি শব্দ।
- যা যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) থেকে বেরিয়ে যাওয়াকে বোঝায়।
- জনমত জরিপ (Referendum):অনুষ্ঠিত হয়: ২৩ জুন ২০১৬।
- যুক্তরাজ্য EU ত্যাগ করে: ৩১ জানুয়ারি ২০২০। 

• European Union (EU):
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ক্রোয়েশিয়া। [আগস্ট, ২০২৫]
- সর্বশেষ ত্যাগকারী দেশ: যুক্তরাজ্য (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়নের ইউরোপিয় মুদ্রা প্রচলন শুরু হয় -১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
২৯৫.
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ ৫২ বছর ধরে চলা লড়াই বন্ধে ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে।
- শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৪ সালে কলম্বিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা হিসেবে ফার্ক গঠিত হয়।
- ম্যানুয়েল মারুলেন্দা ফার্কের প্রতিষ্ঠাতা।
- কলম্বিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভূমি সমস্যা সহ বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথম এ লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে। এক্ষেত্রে কিউবার বিপ্লব ফার্ক গেরিলাদের অনুপ্রেরণা যোগায়।
- এ শান্তি চুক্তিতে ফার্কের পক্ষে টিমোশেনকো বা রদ্রিগো লনোডানো স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড।

২৯৬.
কোন দেশের নেতৃত্বাধীন জোট হুথি বিদ্রোহীদের দমন করতে যুদ্ধ করে যাচ্ছে?
  1. ক) ইরান
  2. খ) ইরাক
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) লেবানন
সঠিক উত্তর:
গ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
• হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত।
• হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
• এরা মুসলিম শিয়া মতাবলম্বী জনগোষ্ঠী।
• হুথিরা ইরানের সমর্থনপুষ্ট।
• এরা উত্তর ইয়েমেনে বাস করে।
• এদের প্রথম উথান ঘটে ১৯৮০ সালের দিকে।
• ২০১১ সালে আরব বসন্তের পর হুথিরা পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠে এবং রাজধানী সানা সহ দেশের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেয়। এর ফলে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় যা এখনো চলমান। 

তথ্যসূত্র:- ডয়েচেভেলে এবং ডেইলি স্টার।
২৯৭.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সম্পর্কে নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে
  2. প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়
  3. সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট
  4. সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।

⇒ ২০২৫ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
২৯৮.
স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে কোন সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল?
  1. SEATO
  2. NATO
  3. CENTO
  4. ANZUS
সঠিক উত্তর:
NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NATO
ব্যাখ্যা
স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে NATO সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল।

স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War):

- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি প্রথাগত যুদ্ধে অবতীর্ণ না হয়ে একে অপরকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক কিংবা ভিন্ন আঙ্গিকে পরাজিত করার কৌশলকে ইঙ্গিত করা হয়।
- ১৯৪৭ - ১৯৯১ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ওয়াল্টার লিপম্যান সংবাদপত্রে প্রথম cold war শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়। এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে। পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট। একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।

⇒ NATO:
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি বা ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

অন্যদিকে।
- সিটো (SEATO): দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (১৯৫৪) এশিয়ায় কমিউনিজমের বিস্তার রোধের জন্য গঠিত, কিন্তু এটি ন্যাটো বা ওয়ারশ প্যাক্টের মতো প্রভাবশালী ছিল না।
- সেন্টো (CENTO): কেন্দ্রীয় চুক্তি সংস্থা (১৯৫৫) মধ্যপ্রাচ্যে গঠিত, কিন্তু এটিও সীমিত প্রভাব ফেলে।
- আনজুস (ANZUS): যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ১৯৫১ সালে গঠিত একটি সীমিত জোট।

উৎস: i) Britannica.
ii) NATO ওয়েবসাইট।
২৯৯.
'আবু মুসা দ্বীপ' নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. ইরাক - ইরান
  2. ইরান - ওমান
  3. ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ইরান ও কাতার
সঠিক উত্তর:
ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

• 'আবু মুসা দ্বীপ':
- 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে।
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।
- এই দ্বীপে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কূপ রয়েছে 
- এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে। 
- বর্তমানে দ্বীপটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ডট কম।

৩০০.
কোন চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভুটানের ৩৪ টি পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা দিবে?
  1. ক) Free Trade and Free Agreement
  2. খ) South Asian Free Trade Agreement
  3. গ) Economic Cooperation Agreements
  4. ঘ) Preferential Trade Agreement
সঠিক উত্তর:
ঘ) Preferential Trade Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Preferential Trade Agreement
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে 'Preferential Trade Agreement' আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে।

অন্যদিকে,
- সাংবিধানিক রাজতন্ত্র বিদ্যমান হচ্ছে- ভুটানে।
- ভুটানের রাষ্ট্রীয় নাম- কিংডম অব ভুটান।
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে ল্যান্ড লকড কান্ট্রি বলে।
- কিছু ল্যান্ড লকড কান্ট্রিঃ নেপাল, আফগানিস্তান, ভুটান, রুয়ান্ডা, জিম্বাবুয়ে ইত্যাদি।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, এবং জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।