বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা / ৩৪ · ১০১২০০ / ৩,৩৩৯

১০১.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2. জওহরলাল নেহরু
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. পি ভি নারসিমহা রাও
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়,
- এই চুক্তি কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটায়।
- এই চুক্তি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সম্পন্ন হয়, তাই এটি ইতিহাসে তাসখন্দ চুক্তি নামে পরিচিত।

উলেখ্য, 
- তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায়।
- ভারতীয় পক্ষের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং
- পাকিস্তানি পক্ষের পক্ষে প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

১০২.
মিয়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমানা মিলে গঠিত অঞ্চলের নাম?
  1. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  2. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল
  3. গোল্ডেন ভিলেজ
  4. গোল্ডেন লাইন
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:
- মিয়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমানা মিলে গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল। 
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে।
অন্যদিকে,
- মাদক উৎপাদন ও চোরাচালানের পথ হিসেবে ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানকে একত্রে বলা হয় গোল্ডেন ক্রিসেন্ট।
- এই অঞ্চল বাংলাদেশের পশ্চিমে।
- আর গোল্ডেন ওয়েজ হচ্ছে ভারতের হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, নেপাল ও ভুটানের কিছু অংশ।
- এই অংশ বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: প্রথম আলো অনলাইন নিউজ।

১০৩.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক জোট ছিলো -
  1. ক) বেনেলাক্স
  2. খ) ন্যাটো
  3. গ) ওয়ারশ চুক্তি
  4. ঘ) কমেকন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়ারশ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়ারশ চুক্তি
ব্যাখ্যা
• ওয়ারশ চুক্তি:
- ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট বা চুক্তি  নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।
- North Atlantic Treaty Organization- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
- এটিও একটি সামরিক জোট।
- বেনেলাক্স, ওইসিডি ও কমেকন  হচ্ছে অর্থনৈতিক জোট।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
১০৪.
নিচের কোনটি একটি বেসরকারি দাতব্য চিকিৎসা সংস্থা?
  1. ক) অরবিস ইন্টারন্যাশনাল
  2. খ) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
  3. গ) হেরেজ ইন্টারন্যাশনাল
  4. ঘ) জোন্টা ইন্টারন্যাশনাল
সঠিক উত্তর:
ক) অরবিস ইন্টারন্যাশনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অরবিস ইন্টারন্যাশনাল
ব্যাখ্যা
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল একটি বেসরকারি দাতব্য চিকিৎসা সংস্থা। এটি একটি উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল যা ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়। অরবিস ১৯৮৫ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে। বর্তমানে অরবিস বিশ্বের ৯০টির অধিক দেশে কাজ করছে।
(সূত্রঃ অরবিস ইন্টারন্যাশনাল)
১০৫.
ক্যাম্প ডেভিড চক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) সিরিয়া-ইসরাইল
  2. খ) মিসর-ইসরাইল
  3. গ) মিসর-তুরস্ক
  4. ঘ) আফগানিস্তান-ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
খ) মিসর-ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিসর-ইসরাইল
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ১৯৭৮:
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৭ সেপ্টেম্ব, ১৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- পক্ষসমূহ-মিসর-ইসরাইল
- স্বাক্ষরকারী- মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের ততকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- মধ্যস্থতাকারী- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরূপণ এবং শান্তি স্থাপন।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
১০৬.
'Strategic Arms Limitations Talk-1' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
২৬ মে ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি 'Strategic Arms Limitations Talk-1' স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitations Talk-2 চুক্তি। আর Strategic Arms Reduction Treaty-1 এবং 2 চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১০৭.
রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (FSB) কখন প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৯৩ সালে
  2. খ) ১৯৯৪ সালে
  3. গ) ১৯৯৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
FSB:
- রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (FSB)
- FSB এর পূর্ণরুপ- Federal Security Service
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৯৪ সালে
- সদর দপ্তর- মস্কো, রাশিয়া।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
 
১০৮.
রাশিয়া সম্প্রতি কোন চুক্তিটি স্থগিতের ঘোষণা দেয়?
  1. ক) সিটিবিটি
  2. খ) নিউ স্টার্ট
  3. গ) স্টার্ট-২
  4. ঘ) এনপিটি
সঠিক উত্তর:
খ) নিউ স্টার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউ স্টার্ট
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ স্ট্রাটেজিক অফেনসিভ আর্মস ট্রিটি বা নিউ স্টার্ট চুক্তি স্থাগিত ঘোষণা দেয়।
- ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে স্ট্রাটেজিক অফেনসিভ আর্মস বা নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলো।
- ১০ বছর মেয়াদি চুক্তিটি ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি দেশ দুটি চুক্তিটির মেয়াদ পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বর্ধিত করে।

(মার্কিন পররাষ্ট্র্র্র দপ্তর ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স)
১০৯.
শেনজেন চুক্তির বিষয়বস্তু কী?
  1. সামরিক জোট গঠন
  2. পরিবেশ সংরক্ষণ
  3. ভিসামুক্ত চলাচল
  4. বাণিজ্যিক জোট গঠন
সঠিক উত্তর:
ভিসামুক্ত চলাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিসামুক্ত চলাচল
ব্যাখ্যা

শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement):
- শেনজেন চুক্তি হলো ইউরোপীয় অঞ্চলে ভিসামুক্ত চলাচলের একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
​- এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
​- প্রথমে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- শেনজেন চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে, তখন ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল ও গ্রিস এতে যুক্ত হয়। 
​- পরবর্তী সময়ে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন যুক্ত হয়। 
​- প্রথমে এটি EU-এর বাইরে শুরু হলেও, ১৯৯৯ সালের আমস্টারডাম চুক্তি শেনজেন চুক্তিকে EU আইনের অংশ করে নেয়।
​- পরবর্তীতে আরও দেশ যুক্ত হয়—সুইজারল্যান্ড (২০০৮), লিচেনস্টাইন (২০১১) এবং সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া (২০২৩)।
​- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ সংখ্যা ২৯টি।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

১১০.
'খোমার রুজ' কোন দেশের গেরিলা বাহিনী?
  1. ক) কম্বোডিয়া
  2. খ) নিকারাগুয়া
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
ক) কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা
• খোমার রুজ: 
- খোমার রুজ হচ্ছে কম্বোডিয়ার একটি গেরিলা বাহিনী।
- তাদের অতি বাম রাজনীতি, লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা, কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন দখল করার পর রাজধানী জনশূন্য করা, জোর করে শিক্ষিত তথা বুদ্ধিজীবীদের গ্রামে পাঠিয়ে কৃষকদের সাথে কাজ করতে বাধ্য করা ইত্যাদির কারণে খোমার রুজরা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে বিতর্কিত হয়ে আছে।

- তারা চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের আলোকে কম্বোডিয়ায় একটি নতুন ধরণের সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চেয়েছিলেন।
- খেমার রুজের নেতৃত্বে ছিলেন পলপট, ইয়ান সেনরী প্রমুখ।
- ওরা গ্যারিলা যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল নমপেনের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছিলেন।
- ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তারা ক্ষমতায় ছিল।
- ১৯৭৮ সালে ভিয়েতনাম বাহিনী তাদের ক্ষমতাচ্যুত করে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
১১১.
গ্লাসনস্ত নীতি কার সময়ে প্রণীত হয়?
  1. নিকিতা ক্রুশ্চেভের
  2. মিখাইল গর্বাচেভ
  3. নিকোলাই পদগোর্নি
  4. ইয়েলেৎসেন
সঠিক উত্তর:
মিখাইল গর্বাচেভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিখাইল গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা
গ্লাসনস্ত নীতি (Glasnost Policy): 
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ "উন্মুক্ততা" বা "স্বচ্ছতা"।
- ১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা মিখাইল গর্বাচেভ এই নীতিটি প্রবর্তন করেন।
- গ্লাসনস্ত ছিল তাঁর সংস্কারমূলক উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ,
- যা সোভিয়েত সমাজ ও রাজনীতিতে উন্মুক্ত আলোচনা এবং স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়।
- প্রবর্তনকাল: ১৯৮৬ সালে মিখাইল গর্বাচেভ গ্লাসনস্ত নীতি চালু করেন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সোভিয়েত সমাজে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়াবলির উন্মুক্ত আলোচনা নিশ্চিত করাG
- এবং সরকার ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা।
- গ্লাসনস্ত নীতির পাশাপাশি গর্বাচেভ পেরেস্ত্রইকা (পুনর্গঠন) নামক আরেকটি নীতি চালু করেন,
- যা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর সংস্কারের উপর গুরুত্বারোপ করে।

উৎস: Britannica.
১১২.
NATO প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৯ সালের ১ জানুয়ারি
  2. ১৯৪৯ সালের ৮ মে
  3. ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
  4. ১৯৪৯ সালের ২০ জুলাই
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল। 

NATO:
- NATO এর পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- এর ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- ন্যাটোর ISAF মিশন আফগানিস্তান নিয়োজিত ছিলো।

উল্লেখ্য, 
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- NATO এর বর্তমান সদস্য ৩২টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১১৩.
‘পলিসারিও ফ্রন্ট’ কোন অঞ্চলের মিলিশিয়া গোষ্ঠী?
  1. ক) তাঞ্জানিয়া
  2. খ) পশ্চিম সাহারা
  3. গ) লিবিয়া
  4. ঘ) মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
খ) পশ্চিম সাহারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পশ্চিম সাহারা
ব্যাখ্যা
‘পলিসারিও ফ্রন্ট’ হলো মরক্কো অধিকৃত পশ্চিম সাহারা বা পশ্চিম আফ্রিকা অঞ্চলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
পলিসারিও ফ্রন্ট দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম সাহারায় ‘সাহারাওয়ি আরব ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক’ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে আসছে। আলজেরিয়া পলিসারিও ফ্রন্টকে সমর্থন দিয়ে আসছে।
সম্প্রতি ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের উপর মরক্কোর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
১১৪.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনামকে ১৭° অক্ষরেখা বরাবর বিভক্ত করা হয়েছিলো?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. উই রিভার চুক্তি
  3. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
জেনেভা চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা

জেনেভা চুক্তি (১৯৫৪) ও ভিয়েতনামের বিভাজন: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধ ছিল বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ভিয়েতনামের মুক্তি সংগ্রাম দুটি পর্বে বিভক্ত: প্রথমটি ছিল ফরাসি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম এবং দ্বিতীয়টি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম।
- হো-চি-মিন এর নেতৃত্বে বামপন্থী ভিয়েতনামি বাহিনী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রবল সংগ্রাম গড়ে তোলে।
- এর ফলে, ফরাসি বাহিনী দিয়েন-বিয়েন-ফু যুদ্ধে হো-চি-মিনের বাহিনীর কাছে পরাজিত হয়।
- ১৯৫৪ সালে ফরাসি বাহিনীর প্রধান জেনারেল গিয়াপ চূড়ান্ত পরাজয়ের মুখে পড়েন এবং আত্মসমর্পণ করেন, এটা ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, 
- এই পরিস্থিতিতে ২১ জুলাই, ১৯৫৪ তারিখে জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, ভিয়েতনামকে ১৭⁰ অক্ষরেখা বরাবর উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগে ভাগ করা হয়। উত্তর ভিয়েতনামে থাকবে হো-চি-মিনের নেতৃত্বাধীন ভিয়েতমিন বাহিনী এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামে আপাতত ফরাসি বাহিনী থাকবে।

অন্যদিকে, 
- উই রিভার চুক্তি: উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- গুড ফ্রাইডে চুক্তি: গুড ফ্রাইডে চুক্তি বেলফাস্ট চুক্তি নামেও পরিচিত, উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘদিনের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- ভিয়েনা চুক্তি: অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় হফবুর্গ প্যালেসে ১৯৬১ সালে ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সূত্র: হিস্টোরি ডট কম, ব্রিটানিকা। 

১১৫.
কোন চুক্তির মাধ্যমে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. CWC
  2. BWC
  3. NPT
  4. SALT 
সঠিক উত্তর:
CWC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CWC
ব্যাখ্যা

CWC:
- CWC-এর পূর্ণরূপ: Chemical Weapons Convention.
- এই চুক্তির মাধ্যমে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩।
- কার্যকর হয়েছিল: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- চুক্তিটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল Organization for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW).
- জাতিসংঘের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল।
- এই চুক্তির আওতাধীন থাকলেও মিশর, ইসরাইল, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ সুদান এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।

অন্যদিকে,
- SALT: Strategic Arms Limitation Talks.
- BWC: Biological Weapons Convention.
- NPT: Non-Proliferation of nuclear weapons.

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট। 

১১৬.
হিমার্স কী?
  1. ক) সামরিক ড্রোন
  2. খ) ট্যাংক
  3. গ) আর্টিলারি সিস্টেম
  4. ঘ) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
গ) আর্টিলারি সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আর্টিলারি সিস্টেম
ব্যাখ্যা
হিমার্স (HIMARS-High Mobility Artillery Rocket System) হলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি সর্বাধুনিক আর্টিলারি সিস্টেম বা ক্ষেপনাস্ত্র/রকেট নিক্ষেপণ ব্যবস্থা। এটির নির্মাতা মার্কিন সমরাস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন।
- এই সিস্টেমের রেঞ্জ ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য ও নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- চলমান ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে মোকাবেলা করতে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন সেনাোহিনীকে হিমার্স সিস্টেম ও ট্যাংক বিধ্বংসী জ্যাভেলিন ম্যানপ্যাড সরবরাহ করেছে।

(তথ্যসূত্র: লকহিড মার্টিনস ওয়েবসাইট এবং আল জাজিরা)
১১৭.
'AUKUS' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
AUKUS:
- অকাস হল একটি ত্রিমুখী প্রতিরক্ষার কৌশলগত জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- সদস্য দেশ: ৩টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
• যুক্তরাজ্য।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
• অস্ট্রেলিয়া।

- অকাস চুক্তির আওতায় রয়েছে রয়‍্যাল অস্ট্রেলিয়ান নেভির জন্য পারমাণবিক চালিত সাবমেরিনগুলির যৌথ বিকাশ। পারমাণবিক প্রযুক্তি ছাড়াও, জোটটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সাইবার অপারেশন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রযুক্তির গবেষণা এবং প্রয়োগের সমন্বয় করা।
- প্রধান উদ্দেশ্য ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র - britannica.com
১১৮.
‘বাংকার-বাস্টার’ কী
  1. বাঙ্কার
  2. বোমা
  3. মিসাইল
  4. উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
বোমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোমা
ব্যাখ্যা
• বাঙ্কার-বাস্টার বোমা :
- "বাঙ্কার বাস্টার" শব্দটি এমন একটি বিস্তৃত শব্দ যা বোমাগুলিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা বিস্ফোরণের আগে ভূপৃষ্ঠের গভীরে প্রবেশ করার জন্য ডিজাইন করা হয়।
- এই ক্ষেত্রে, এটি আমেরিকান অস্ত্রাগারে সর্বশেষ GBU-57 A/B ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর বোমাকে বোঝায়।
- মার্কিন বিমান বাহিনীর মতে, প্রায় 30,000 পাউন্ড (13,600 কিলোগ্রাম) নির্ভুল-নির্দেশিত বোমাটি গভীরভাবে চাপা এবং শক্ত বাঙ্কার এবং টানেলগুলিতে আক্রমণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- ধারণা করা হচ্ছে এটি বিস্ফোরণের আগে ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২০০ ফুট (৬১ মিটার) নীচে ভেদ করতে সক্ষম এবং বোমাগুলি একের পর এক নিক্ষেপ করা যেতে পারে, প্রতিটি ধারাবাহিক বিস্ফোরণের সাথে কার্যকরভাবে আরও গভীরে খনন করা যেতে পারে। 

উল্লেখ্য, 
 - ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধে নিজেকে যুক্ত করে , ওয়াশিংটন ইরানের ফোর্ডো জ্বালানি সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে তার বিশাল "বাঙ্কার-বাস্টার" বোমা ছুঁড়েছে ।
- ইরানের দ্বিতীয় পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা ফোর্ডো। 

উৎস: এপি লিংক
১১৯.
CIA এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিয়াটল
  2. খ) ভার্জিনিয়া
  3. গ) মেনিয়াপলিস
  4. ঘ) হার্ট আইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ভার্জিনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভার্জিনিয়া
ব্যাখ্যা
CIA (Central Intelligence Agency) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত। এটি ১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বর্তমান পরিচালক জিনা হাসপেল। তিনি সংস্থাটির প্রথম নারী পরিচালক। CIA মূলত বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত। (সূত্রঃ CIA ওয়েবসাইট)
১২০.
ব্রাসেলস চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. বেলজিয়াম
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
• ব্রাসেলস চুক্তি:
- ব্রাসেলস চুক্তি (১৯৪৮) ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো—ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ—দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- এই চুক্তির মাধ্যমে তারা একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছিল যা পরবর্তীতে পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর (NATO) জন্মের ভিত্তি তৈরি করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।

উৎস: Britannica.
১২১.
প্যারিস চুক্তি বা প্রথম ভার্সাই চুক্তির আওতায় মোট কতটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ (Treaty of Paris - 1783)
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা/বিপ্লবী যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে ব্রিটিশদের সাথে বিবাদমান পক্ষ সমূহের যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাকে প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ বলে।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্‌) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের Continental Congress - এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে। এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন - জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
উল্লেখ্য, 
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় - ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।
- প্যারিস চুক্তি বা প্রথম ভার্সাই চুক্তির আওতায় মোট ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এগুলোর মধ্যে ২টি প্যারিসে ও ২টি ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১২২.
'মংডু' কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল?
  1. ভারত-চীন
  2. বাংলাদেশ-ভারত
  3. ভারত-মিয়ানমার
  4. বাংলাদেশ-মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ-মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ-মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
মংডু: 
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- মংডু হলো বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তে মিয়ানমারের একটি জেলা শহর।
- মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডু শহর অবস্থিত।
- নাফ নদের মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।

সম্প্রতি,
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ শহর মংডু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে দেশটির জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। মিয়ানমারের গণমাধ্যম ইরাবতী জানায়, আরাকান আর্মি এখন দক্ষিণ রাখাইনের গাওয়া, তাউনগুপ ও আন শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই করছে। ইতিমধ্যে আন শহরে ৩০টি জান্তা ঘাঁটি দখল করেছে তারা।
 
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, পত্রিকা রিপোর্ট।
১২৩.
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত-
  1. 'দুটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  2. 'তিনটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  3. 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  4. 'পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
১২৪.
ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা RAW-এর মূল দায়িত্ব কোনটি?
  1. অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা গোয়েন্দা তৎপরতা
  2. অর্থনৈতিক জালিয়াতি তদন্ত
  3. অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদ দমন
  4. বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা
সঠিক উত্তর:
বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা
ব্যাখ্যা

RAW:
- ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: রবি সিংহ (Ravi Sinha)।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।
- RAW সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিকট রিপোর্ট করে। 
- RAW-এর সাথে সম্পর্কিত গোপন সংকেত Cabinet Secretariat ও Aviation Research Centre।
- RAW-এর মূল দায়িত্ব হলো ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ। 

⇒ কাজ:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- ১৯৬২ সালের যুদ্ধে চীনের নিকট ভারতের পরাজয়ের দুর্বলতার অনুসন্ধানে ভারত সরকার একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

⇒ চীন ও পাকিস্তানকে মোকাবেলার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ, দক্ষিণ আফ্রিকায় ANC ক্ষমতা লাভ, আফগানিস্তানে ভারতের উপস্থিতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে RAW গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: Council on Foreign Relations.

১২৫.
কোন দেশের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ANZUS চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে?
  1. কানাডা
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সদরদপ্তর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য,
- ANZUS চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৯৮০ এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।
- এর ফলে ANZUS চুক্তি বাস্তবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, কিন্তু নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

⇒ ১৯৮৪ সালে নিউজিল্যান্ড নিজেকে পারমাণবিক মুক্ত অঞ্চল ঘোষণা করে।
- ফলে মার্কিন পরমাণু চালিত সাবমেরিনগুলিকে তার বন্দরগুলি দেখার অনুমতি দিতে অস্বীকার করে।
- দুই বছর পর, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ পি. শল্টজ এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিল হেডেন একটি সিরিজ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সমাপ্তি ঘটিয়েছিলেন।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের প্রতি চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।

উৎস: i) Office of the Historian (.gov).
ii) Britannica.
১২৬.
'OSCE' কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা সংগঠন?
  1. দক্ষিণ এশিয়া 
  2. ইউরোপ 
  3. পূর্ব আফ্রিকা 
  4. ল্যাটিন আমেরিকা 
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ 
ব্যাখ্যা

OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন। 
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু  (তুর্কিয়ে)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।

১২৭.
কোন দেশ প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করে না?
  1. চীন
  2. তাইওয়ান
  3. ভিয়েতনাম
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত প্রায় ১৩০টি ছোট প্রবাল দ্বীপ এবং প্রাচীরের একটি গোষ্ঠী।
- এগুলি ভিয়েতনামের কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৫০ মাইল (৪০০ কিমি) পূর্বে এবং চীনের হাইনান দ্বীপ থেকে প্রায় ২২০ মাইল (৩৫০ কিমি) দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- দ্বীপগুলি নিচু এবং অনুর্বর, প্রতিটির আয়তন ১ বর্গ মাইল (২.৫ বর্গ কিমি) এর কম। 
- দ্বীপে সামুদ্রিক কচ্ছপ, পাখির বাসা এবং গুণো (পাখির বিষ্ঠার) স্তূপ পাওয়া যায়, তবে কোনও স্থায়ী মানব বসতি নেই।
- চীন, তাইওয়ান এবং ভিয়েতনাম প্রত্যেকে এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৩৯–৪৫) জাপান কিছু দ্বীপ দখল করেছিল তবে যুদ্ধের পর সেগুলি থেকে সরে দাঁড়ায় এবং ১৯৫১ সালে এই দ্বীপগুলির প্রতি তাদের দাবিও ত্যাগ করে।

উৎস: Britannica.
১২৮.
অক্সফাম এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) স্টকহোম
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) নাইরোবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাইরোবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাইরোবি
ব্যাখ্যা
অক্সফাম এর সদরদপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি শহরে অবস্থিত। এটি ১৯৪২ সালে যুক্তরাজ্যে গঠিত হয় এবং ১৯৯৫ সালে বিভিন্ন দেশের ১৯টি এনজিও’র সমন্বয়ে অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল নামধারণ কর। অক্সফাম বিশ্বের ৯০টির অধিক দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করছে। (সূত্রঃ অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট)
১২৯.
বিতর্কিত নাগার্নো-কারাবাখে সামরিক সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে কোন দেশের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
আজারবাইজান-আর্মেনিয়া শান্তি চুক্তিঃ
স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
স্বাক্ষরকারী: রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকল পাশিনিয়েন।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।
নার্গানাে কারাবাখে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এ পর্যন্ত চুক্তি হয়: ৩টি (২ বার রাশিয়া ও ১ বার আমেরিকার মধ্যস্থতায়)।
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার এবং আল-জাজিরা রিপোর্ট।
১৩০.
হুথিদের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা কে?(নভেম্বর, ২০২৫)
  1. আবদুল মালিক আল-হুথি
  2. হুসেইন আল-হুথি
  3. আবদুল হুসেইন আল-হুথি
  4. মোহাম্মদ হারিস আল-হুথি
সঠিক উত্তর:
আবদুল মালিক আল-হুথি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মালিক আল-হুথি
ব্যাখ্যা

হুথি:
- ইয়েমেনের সংখ্যালঘু শিয়া মুসলিম জায়েদিদের পক্ষে কথা বলা সশস্ত্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী হুথি।
- তাদের দাবি, ইরান-নেতৃত্বাধীন "প্রতিরোধ অক্ষ"-এর অংশ তারা। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও বৃহত্তর পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এই অক্ষে হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো মধ্যপ্রাচ্যের আরও সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে তারা আনসারুল্লাহ (আল্লাহর পক্ষে) নামে পরিচিত।
- নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া গোষ্ঠীটির নাম এসেছে তাদের প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন আল-হুথির নাম থেকে।
- তার ভাই আবদুল মালিক আল-হুথি তাদের বর্তমান নেতা।

উৎস: বিবিসি নিউজ ও প্রথম আলো নিউজ।

১৩১.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন?
  1. বারাক ওবামা
  2. টমাস জেফারসন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. জন অ্যাডাম্‌স
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট:
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- চুক্তি কার্যকর: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তির মেয়াদ: প্রাথমিক মেয়াদ - ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- চুক্তি অনুসারে দুই পক্ষ পারমাণবিক টর্পেডো ৫০০ - ১০০০ এবং ডেলিভারী বাহন ৮০০ এর মধ্যে সীমিত রাখার পক্ষে একমত হয়। ৮০০ বাহনের মধ্যে এক সাথে ৭০০ এর বেশি মোতায়ন করা যাবে না।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
১৩২.
NATO'র অনুচ্ছেদ-৫ প্রথম কবে কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে
  2. ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর
  3. ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণে
  4. ২০১৪ সালের ইউক্রেন সংকটে
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে। এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।

⇒ ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
- আর্টিকেল-৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে বাকি সবার সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বলা হয়েছে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
• NATO র অনুচ্ছেদ ৫- “যদি একটি ন্যাটো মিত্র সশস্ত্র আক্রমণের শিকার হয়, তবে জোটের প্রতিটি সদস্য এই সহিংসতার কাজটিকে সমস্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করবে এবং মিত্রদের আক্রমণে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

• নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১৩৩.
রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention) অনুযায়ী কবে সব ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংস করা হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention:
- Chemical Weapons Convention হলো আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ (প্যারিসে)।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি দেশ।
- নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা: Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW)।
- সদর দপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।

⇒ মূল উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নির্মাণ ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ। 
- বিদ্যমান রাসায়নিক অস্ত্রের ধ্বংস নিশ্চিত করা। 
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ। 
- শিল্পখাতে রাসায়নিকের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
- CWC-এর আওতায় রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের হার ৯৮%।
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention - CWC) অনুযায়ী, সব ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংসের কাজ ৭ জুলাই ২০২৩-এ সম্পন্ন হয়।
- এই দিনে যুক্তরাষ্ট্র, শেষ ঘোষক রাষ্ট্র হিসেবে তার ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে, যা OPCW দ্বারা যাচাই করা হয়।
- এটি CWC-এর অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল যা বিশ্বের সমস্ত ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ অপসারণের সূচনা করে।
- তবে অঘোষিত মজুদ এবং অ-সদস্য রাষ্ট্রের (যেমন, মিশর, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ সুদান) সম্ভাব্য মজুদ নিয়ে উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে।

উৎস: i) OPCW ওয়েবসাইট। [link] 
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১৩৪.
নিচের কোন জোটটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্র বিস্তার রোধের জন্য গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) আনজুস
  2. খ) ওয়ারশ প্যাক্ট
  3. গ) সিয়াটো
  4. ঘ) ন্যাটো
সঠিক উত্তর:
গ) সিয়াটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিয়াটো
ব্যাখ্যা

SEATO - এর পূর্ণরূপ Southeast Asia Treaty Organization।
চীনের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভিয়েতনাম ও লাওসে সমাজতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে।
তারা সমাজতন্ত্র যাতে এই অঞ্চলে শক্ত ভিতের উপর দাঁড়াতে না পারে সেই জন্য এশীয় ও পশ্চিমা কয়েকটি দেশ মিলে একটি নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করে (১৯৫৪ সাল) এবং এর মাধ্যমে এই জোটের জন্ম হয়।
এটি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত জোট।
বর্তমানে এটি বিলুপ্ত।

ন্যাটো জোটটিও সমাজতন্ত্রের অগ্রযাত্রা রোধ করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল; তবে এর কার্যক্ষেত্র ভিন্ন।
আনজুস - যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে গঠিত একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত জোট।

অন্যদিকে, ওয়ারশ প্যাক্ট - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর একটি জোট।

উৎসঃ হিস্টরি ও ব্রিটানিকা.কম

১৩৫.
নিচের কোনটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) ব্লাক ক্যাট
  2. খ) স্টেলথ
  3. গ) এনজিএ
  4. ঘ) ফার্ক
সঠিক উত্তর:
গ) এনজিএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এনজিএ
ব্যাখ্যা
এনজিএ হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থার নাম।

• যুক্তরাষ্ট্রের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নামঃ
- সিআইএ,
- এফবিআই,
- এনজিএ,
- এনএসএ,
- ফেয়ার ফ্যাক্স ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) সাধারণত ব্ল্যাক ক্যাটস  নামে পরিচিত।
- ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভারতের একটি অভিজাত কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ই অক্টোবর, ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর: নয়াদিল্লী, ভারত।

• যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান -  স্টেলথ।

উৎস: Indian National Security Guard Website এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।.
১৩৬.
উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ক) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) রামাল্লা, ফিলিস্তিন
  4. ঘ) গাজা, ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum)
• ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা ভেঙ্গে গিয়ে অচলাবস্থা সৃষ্ঠি হলে ১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল - ২৩ অক্টোবর, ১৯৯৮ সাল।
চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
• পক্ষসমূহ - PLO ও ইসরায়েল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৩৭.
সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্ত রেখার নাম কী? 
  1. পার্পল লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ব্লু লাইন
  4. সিগফ্রিড লাইন 
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা

• গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কাপুর নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (মিশর, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৩৮.
CPTPP চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) সামরিক
  2. খ) বাণিজ্যিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়
সঠিক উত্তর:
খ) বাণিজ্যিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাণিজ্যিক
ব্যাখ্যা
- The Comprehensive and Progressive Agreement for Trans-Pacific Partnership (CPTPP) হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ২০১৮ সালের ৮ মার্চ এটি চিলির সান্টিয়াগো শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো:
- কানাডা
- পেরু
- মেক্সিকো
- চিলি
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- মালয়েশিয়া
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- এবং
- ভিয়েতনাম।
- ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ছয়টি দেশ কর্তৃক অনুমোদনের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়।
- ‍যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে এটিতে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
(সূত্র: কানাডিয়ান সরকারি ওয়েবসাইট)
১৩৯.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. রোম চুক্তি
  3. ম্যাসট্রিচট চুক্তি
  4. শেনজেন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ম্যাসট্রিচট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাসট্রিচট চুক্তি
ব্যাখ্যা

- ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সালে।
- এটি কার্যকর হয় ১ লা নভেম্বর ১৯৯৩ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৯ টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু আছে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১৪০.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১৪১.
চীন সর্বাধিক কতটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত?
  1. ১৪
  2. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা

চীন:
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- বিশ্বের ২য় সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন। 
- রাজধানী: বেইজিং।
- মুদ্রা: ইউয়ান।
- ভাষা: মান্দারিন।
- আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
- চীনের সাথে ১৪টি দেশের স্থল সীমান্ত আছে।
- দেশগুলি হলো: আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম।

উল্লেখ্য,
- সর্বাধিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত দেশ:
1. চীন ও রাশিয়া উভয়ই- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
2. ব্রাজিল- সীমান্তবর্তী দেশ ১০টি।
3. জার্মানি ও কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র- সীমান্তবর্তী দেশ ৯টি।

উৎস: Worldatlas.

১৪২.
নিচের কোন দেশটি 'অকাস' চুক্তি অংশীদার নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
- অকাস চুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা প্রদান করা হয়।

- অকাস চুক্তি স্বাক্ষরের মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা।
- এই চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন নির্মাণে প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে।
- ফ্রান্স এই চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
১৪৩.
'শিন বেত' গোয়েন্দা সংস্থাটি কোন দেশের?
  1. ইসরায়েল
  2. ফিলিপাইন
  3. রাশিয়া
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

- 'শিন বেত' ইসরায়েলের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। 

• শাবাক বা শিন বেত:

- শাবাক বা শিন বেত গঠিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- এই গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব হলো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- শিন বেত দাবি করে, তারা পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আসা হুমকির বিরুদ্ধে 'অদৃশ্য ঢাল' হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
ইসরায়েলের আরো গোয়েন্দা ইউনিট গুলো হল:
• মোসাদ:
- মোসাদ গঠিত হয় ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় বছর পর, ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বরে।
- তাদের কাজ ছিল ইসরায়েলকে বাইরের হুমকি থেকে রক্ষা করা।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যই ছিল ইসরায়েলের অস্তিত্ব নিরাপদ রাখা।

• ইউনিট ৮২০০ :
- ইউনিট ৮২০০-কে ইসরায়েলি গোয়েন্দা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয় এবং এই ইউনিটের মাধ্যমেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইলেকট্রনিক মাধ্যমে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা পরিচালনা করে।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মতে, এটি তাদের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোয়েন্দা ইউনিট।
- ইউনিট ৮২০০-তে ১০ হাজারের বেশি লোক কাজ করে এবং এখানে যারা কাজ করে তারা এলিট এবং শিক্ষিত বাহিনী থেকে বাছাই করা।
- এই ইউনিটে কাজ করা সদস্যদের সংখ্যা মোসাদ ও শিন বেটের সদস্যদের থেকেও বেশি।
-  গোয়েন্দাগিরির জন্য ডিজিটাল ও ইলেকট্রনিক যন্ত্র বানানোর দায়িত্বও ইউনিট ৮২০০-এর।
-  ২০১০ সালে ইরানে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর সাইবার হামলায় ইউনিট ৮২০০ জড়িত ছিল।

• আমান: 
- আমান হলো ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, যা প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাধারণ সদর দপ্তরের অধীনে কাজ করে।
- এই সংস্থার মূল কাজ হলো তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে সামরিক কমান্ডকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা।
- ইসরায়েলে গোয়েন্দা সংস্থার ইতিহাস ইসরায়েলের অস্তিত্বের চেয়েও পুরনো।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।

১৪৪.
নিচের কোন দেশের পারমাণবিক শক্তিধর দেশের তালিকায় স্থান নেই?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক শক্তির অধিকারী দেশ:
- একটি দেশের সামরিক শক্তি পরিমাপের অন্যতম মানদণ্ড এখন সে দেশের অস্ত্রাগারে থাকা পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা।
- পারমাণবিক অস্ত্র মজুদের শীর্ষে আছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
- এ ছাড়াও চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, ভারত, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়াসহ ৯ দেশের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে।

উল্লেখ্য,
- জার্মানি পারমাণবিক শক্তির অধিকারী নয়।

উৎস: i) ২৫ নভেম্বর, ২০২২, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
         ii) Statistica.
১৪৫.
আটলান্টিক চার্টার (Atlantic Charter) স্বাক্ষরিত হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
  2. খ) ১৯৪১ সালের ২৪ আগস্ট
  3. গ) ১৯৪২সালের ১৪ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৪২ সালের ২৪ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক চার্টার:
- আটলান্টিক চার্টার (Atlantic Charter) স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের পরিকল্পনা কি তা ওই চার্টারে লিপিবদ্ধ ছিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল নিউফাউন্ডল্যান্ডের Placentia Bay তে ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট মিলিত হয়েছিলেন। তাদের যৌথ বিবৃতিই হচ্ছে আটলান্টিক চার্টার।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি Declaration by United Nations (যার ভিত্তিতে জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল) আটলান্টিক চার্টারের অনুপ্রেরণাতেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- অনেক গবেষকের মতে ন্যাটো গঠন, গ্যাট (General Agreement on Tariffs and Trade - GATT) এর জন্ম, সবকিছুর পেছনে ওই আটলান্টিক চার্টার কাজ করেছে।

• এখানে বলা ভালো, ‘যৌথ বিবৃতি' নামেই এই ঘোষণাটি প্রথমে প্রচারিত হয়েছিল। কিন্তু ব্রিটেনের লেবার পার্টির মুখপাত্র ডেউলি হেরাল্ড প্রথমে Atlantic Charter শব্দটি ব্যবহার করেন এবং চার্চিল ১৯৪১ সালের ২৪ আগস্ট পার্লামেন্টে আটলান্টিক চার্টার শব্দটি ব্যবহার করেন। সেই থেকে এটা আটলান্টিক চার্টার হিসেবেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১৪৬.
সৌদি জোট কবে কাতারের উপর অবরোধ আরোপ করেছিলো?
  1. ক) ২০১৫ সালে
  2. খ) ২০১৬ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
২০১৭ সালের ৫ জুন সৌদি আরবের নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর প্রতিবেশি কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ ছিন্ন করে।
পরবর্তীতে মালদ্বীপ, ইয়েমেন ও লিবিয়ার হাফতার সরকারও এই অবরোধে যোগ দেয়।
দেশগুলো কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের অভিযোগ আনে। তখন কাতারের পাশে দাড়ায় তুরস্ক ও ইরান।
সম্প্রতি সাড়ে তিন বছরের অধিক সময় পর গত ৫ জানুয়ারি ২০২১ কুয়েতের মধ্যস্থতায় সৌদি জোট পুনরায় কাতারের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
(সূত্র: সিএনএন আর্কাইভ/রিপোর্ট)
১৪৭.
ANZUS একটি -
  1. সামরিক জোট
  2. অর্থনৈতিক জোট
  3. আঞ্চলিক জোট
  4. বাণিজ্যিক জোট
সঠিক উত্তর:
সামরিক জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক জোট
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এখানে, A =Australia; NZ: New Zealand; US = United States of America.
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- সদরদপ্তর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: ANZUS ওয়েবসাইট।
১৪৮.
Wolf Warrior Diplomacy কোন দেশের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. কোরিয়া
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
• নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি (Wolf Warrior Diplomacy):
- এটি একটি আধুনিক কূটনৈতিক কৌশল বা পদ্ধতি, যা চীনের সম্প্রতিক কূটনৈতিক মনোভাব ও আচরণকে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত চীনের কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের (বিশেষত রাষ্ট্রদূতদের) আক্রমণাত্মক, কঠোর, এবং প্ররোচনামূলক মনোভাব এবং শাব্দিক আক্রমণকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ২০২০ সাল থেকেই নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি চালিয়ে আসছে চীন।
- চীনের নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৪৯.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র কতটি ছিল? 
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ৬টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

নর্থ আটলান্টিক চুক্তি:
-নর্থ অ্যাটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো)-এর ভিত্তিগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল নর্থ অ্যাটলান্টিক ট্রিটির স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা জনপ্রিয়ভাবে ওয়াশিংটন ট্রিটি নামে পরিচিত।
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে ১২ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র স্বাক্ষর করে।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র ১২টি। 
- চুক্তিটি মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত।
- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এই চুক্তি জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করে, যেখানে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর স্ব-রক্ষা বা
সম্মিলিত প্রতিরক্ষার অধিকার পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে।
- চুক্তির মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা, যা অনুচ্ছেদ ৫-এ উল্লেখিত।
- বর্তমানে NATO-তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন)।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১৫০.
বর্তমানে আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১৩টি
  2. ১১টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে ৫টি রাষ্ট্র আণবিক অস্ত্র উৎপাদক থাকলেও বর্তমানে দেশের সংখ্যা ৯টি।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট। [link]
        ii) UNODA ওয়েবসাইট।
১৫১.
ANZUS চুক্তির সদস্য দেশ কোনগুলো?
  1. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য
  2. নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা 
  3. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র 
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

ANZUS চুক্তি (ANZUS Pact):
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি নিরাপত্তা চুক্তি।
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা প্রদান করা এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
চুক্তিটি ১৯৫২ সালে কার্যকর হয়।
- তিন দেশের নামের আদ্যক্ষর (Australia, New Zealand, United -States) মিলিয়ে চুক্তির নামকরণ করা হয় ANZUS।
- তিনটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির অংশীদার থাকলেও, ১৯৮৬ সাল থেকে কার্যত ANZUS নিষ্ক্রিয়।
- অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও, নিউজিল্যান্ড এই জোটে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করে না।

উৎস: Britannica.

১৫২.
ন্যাটোর প্রথম অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. পরামর্শ
  2. প্রতিরক্ষা সক্ষমতা
  3. বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক
  4. শান্তিপূর্ণ সমাধান
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ সমাধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ সমাধান
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (এপ্রিল, ২০২৫)
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (এপ্রিল, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (এপ্রিল, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (এপ্রিল, ২০২৫)

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫৩.
ABM চুক্তির পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Atomic Ballistic Missile Treaty
  2. Advanced Ballistic Missile Treaty
  3. Arms Ballistic Missile Treaty
  4. Anti-Ballistic Missile Treaty
সঠিক উত্তর:
Anti-Ballistic Missile Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anti-Ballistic Missile Treaty
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।

১৫৪.
পিংপং ডিপ্লোমেসির পিং পং এর অর্থ হচ্ছে -
  1. ক) বাস্কেট বল
  2. খ) লন টেনিস
  3. গ) টেবিল টেনিস
  4. ঘ) সাতার
সঠিক উত্তর:
গ) টেবিল টেনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেবিল টেনিস
ব্যাখ্যা
পিংপং ডিপ্লোমেসি
▪ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
▪ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং - এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
▪ কোনো কিছুতেই অবস্থার উন্নতি হচ্ছিলো না। ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
▪ এর আগে গোপনে দুই দেশের সরকারের যোগাযোগ হলেও এই ঘটনা প্রকাশ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার দুয়ার খুলে দেয়।
▪ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস টীমের ১৫ সদস্য চীন ভ্রমণে যায় এবং ৭ দিন অবস্থান করে ১৭ তারিখে হংকং ফিরে আসে।
▪ এই সময়ে তারা সেখানে প্রেসিডেন্ট জু এনলাই, সর্বোচ্চ নেতা মাও সেতুংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন। বিশ্ব মিডিয়ায় যা আলোড়ন সৃষ্টি করে।
▪ এই ঘটনার সূত্র ধরেই, ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গোপন সফরে চীন যান।
▪ ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
▪ ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১৫৫.
কুখ্যাত বাস্তিল কারাদুর্গের পতন ঘটেছিল?
  1. ক) ৫ অক্টোবর, ১৭৮৮ সাল
  2. খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
  3. গ) ২৫আগস্ট, ১৭৮৮ সাল
  4. ঘ) ১০ জুন, ১৭৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
বাস্তিল কারাদুর্গ আক্রমণ ও এর পতনঃ ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল।
বাস্তিল কারাদুর্গ আক্রমণ ও এর পতনের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় বিশ্ব ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় যা বিখ্যাত হয়েছে ফরাসি বিপ্লব নামে। দুর্গটি ছিল স্বেচ্ছাচারী রাজতন্ত্রের প্রতীক।
উৎসঃ ইতিহাস ২য় পত্র একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(উন্মুক্ত)।
১৫৬.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

১৫৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন 'অ্যাকাস' (AUKUS) চুক্তির প্রাথমিক লক্ষ্য কী? 
  1. অর্থনৈতিক সহযোগিতা 
  2. সামরিক সহযোগিতা
  3. পরিবেশ সুরক্ষা 
  4. মহাকাশ গবেষণা সহযোগিতা
সঠিক উত্তর:
সামরিক সহযোগিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক সহযোগিতা
ব্যাখ্যা

● মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন 'অ্যাকাস' (AUKUS) চুক্তির প্রাথমিক লক্ষ্য সামরিক সহযোগিতা।

AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটি ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা জোট।
- এই চুক্তির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে, বিশেষ করে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রতিহত করা।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন অকাস গঠনের কথা ঘোষণা করেন।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১।

• উদ্দেশ্য: আনুষ্ঠানিকভাবে Aukus গঠনের উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা ও উন্নতি নিশ্চিতের পাশাপাশি মূল্যবোধের সুরক্ষা। অকাস চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে।

• লক্ষ্য: মূলত বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্যই এই জোট গঠন করা হয়েছে। এই অঞ্চলে বহু বছর ধরেই সংকট বিরাজ করছে এবং এর জের ধরেই বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানোই প্রধান লক্ষ্য। এছাড়াও জোটটি পারমাণবিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সাইবার অপারেশন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রযুক্তির গবেষণা এবং প্রয়োগের সমন্বয় সাধন করে।

⇒ AUKUS চুক্তির দুটি প্রধান স্তম্ভ বা পিলার রয়েছে। এগুলো হলো:
- পিলার -১: পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণাত্মক সাবমেরিন সরবরাহ এবং সরবরাহ সম্পর্কে।
- পিলার -২: পিলার ২ মিত্রদের তাদের “উন্নত ক্ষমতা” নিয়ে সহযোগিতা করার কথা বলে। এর মধ্যে রয়েছে দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, সমুদ্রের নীচে রোবোটিক্স এবং এআই-এর মতো ক্ষেত্রে সামরিক দক্ষতা ভাগাভাগি করা।

উল্লেখ্য,
- তিন পক্ষের নির্ধারিত সময়সীমা অনুসারে, ২০২৭ সাল থেকে যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিনগুলি অস্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ায় স্থাপিত হবে। 

উৎস: i) U.S. Department of Defense (.gov).
ii) Britannica.

১৫৮.
ডেটন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. হাভানা
  3. প্যারিস
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
 
 উৎস: i) OSCE.org.
          ii) Britannica.
১৫৯.
কার মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. রোনাল্ড রিগান
  3. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  4. রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি, যা পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
১৬০.
১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদ কোথায় স্বাক্ষরিত হয় ?
  1. ক) সানফ্রান্সিসকো
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) জেনেভা
সঠিক উত্তর:
ক) সানফ্রান্সিসকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সানফ্রান্সিসকো
ব্যাখ্যা

১৯৪৫ সালের ২৬ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষর দান করেন৷
- তবে এটি কার্যে পরিণত হয় ঐ বছরেরই ২৪ অক্টোবর।
- ১৯৪৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁরা জাতিসংঘের সনদ রচনা করেন৷ এর প্রায় এক বছর পর সানফ্রান্সিসকো শহরে তা স্বাক্ষরিত হয়৷
- জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য (যাদের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা আছে) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স,যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ও চীন ।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৬১.
শেনজেন কী বিষয়ক চুক্তি?
  1. মুক্তবাজার অর্থনীতি
  2. ইউরো মুদ্রার প্রচলন
  3. অবাধ চলাচল
  4. শুল্কমুক্ত বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
অবাধ চলাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবাধ চলাচল
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১৪ জুন, ১৯৮৫ সাল।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহর।
- এটি অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি।
- মোট সদস্য: ২৭ টি দেশ।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৩টি দেশ এবং আইসল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড।

উৎস: EUR-Lex Website.
১৬২.
বাংলাদেশ সিটিবিটি চুক্তি অনুমোদন করে -
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৮ সালে
  3. গ) ২০০০ সালে
  4. ঘ) ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক সংস্থা Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization (CTBTO) জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত একটি সংস্থা।
- সংস্থাটি ভূপৃষ্ঠ, বায়ুমন্ডল বা সমুদ্রের নিচে যে কোন ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো বন্ধের জন্য গৃহীত চুক্তি Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT) নিয়ে কাজ করে এবং বিশ্বকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্তকরণের নিমিত্তে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। যদিও পারমাণবিক বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের অসহযোগীতার কারনে চুক্তিটি এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয় নি।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১২৯তম দেশ হিসেবে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬ সালে ও অনুমোদন করে ২০০০ সালের ৮ মার্চ ৫৪তম দেশ হিসেবে।

তথ্যসূত্র: CTBT ওয়েবসাইট।
১৬৩.
ইরানের তৈরি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের নাম কী?
  1. মেটিস এম-১
  2. রেড এ্যারো-৮
  3. ফাত্তাহ-১
  4. HGV-202F
সঠিক উত্তর:
ফাত্তাহ-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাত্তাহ-১
ব্যাখ্যা

- ফাত্তাহ-১ হল একটি হাইপারসনিক মাঝারি-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র
​ - এটি ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস অ্যারোস্পেস ফোর্স (IRGC AF) দ্বারা তৈরি । 
​- ৬ জুন, ২০২৩ তারিখে তেহরানে একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে উন্মোচিত।
​- এটি হাইপারসনিক অস্ত্র বিভাগে ইরানের প্রথম প্রবেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
- ​যা তার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে।

​অন্যদিকে,
​মেটিস এম-১, রেড এ্যারো-৮, বাংলাদেশের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
​HGV-202F, ভাতরের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

​উৎস: গ্লোবাল ডিফেন্স নিউজ।

১৬৪.
নিচের কোনটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
→ জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়।

• পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র:

- চীন: ১৯৬৪ সালে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে।
- বর্তমানে একটি স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র।
- ভারত: ১৯৭৪ সালে "Smiling Buddha" নামে প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষণ করে।
- পাকিস্তান : ১৯৯৮ সালে সফলভাবে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষণ করে।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর দেশ।

অপরদিকে,
- জার্মানির পারমাণবিক অবস্থান:
- জার্মানি NPT (Non-Proliferation Treaty)-এর সদস্য।
- তাদের নিরাপত্তা নির্ভর করে NATO ও মার্কিন পরমাণু নিরাপত্তার উপর।
‍- জার্মান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র কিছু পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করলেও সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।

উৎস: Britannica এবং ডেইলি স্টার।
১৬৫.
PKK হলো -
  1. ক) ফিলিস্তিনিদের সংগঠন
  2. খ) পাকিস্তানিদের সংগঠন
  3. গ) তুরস্কের কুর্দিদের সংগঠন
  4. ঘ) ফিলিপাইনের মুসলিম বিদ্রোহীদের সংগঠন
সঠিক উত্তর:
গ) তুরস্কের কুর্দিদের সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তুরস্কের কুর্দিদের সংগঠন
ব্যাখ্যা
PKK (তুরস্ক)

- পূর্ণরূপ: Partiya Karkeren Kurdistan (কুর্দি ভাষা) বা কুর্দিস্তান ওয়াকার্স পার্টি।
- দাবি: তুরস্ক থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন কুর্দিস্তান রাষ্ট্র গঠন।
- আদর্শ: বিপ্লবী মার্কসবাদ ও লেনিনবাদ।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ ওকালান।
- বর্তমান প্রধান কমান্ডার: মুরাত কারাইলান।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৬৬.
হাইপারসনিক মিসাইল 'টাইফুন ব্লক-৪' কোন দেশের তৈরি?
  1. জাপান
  2. চীন 
  3. তুরস্ক
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

টাইফুন ব্লক-৪:
- তুরস্কের তৈরি দীর্ঘ পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র 'টাইফুন' এর হাইপারসনিক সংস্করণটি 'টাইফুন ব্লক-৪' নামে পরিচিত। 

⇒ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হলো এমন ক্ষেপণাস্ত্র যা শব্দের গতি থেকে পাঁচ গুণ বা তার বেশি গতিতে ছুটে চলে।
- ২২ জুলাই, ২০২৫ তারিখে প্রথমবারের মতো তুরস্ক তাদের নিজস্ব হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করলো।
- ইস্তানবুলে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মেলায় দেশের প্রথম হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ‘টাইফুন ব্লক-৪’ আত্মপ্রকাশ করেছে।
- ৭ টনেরও বেশি ওজনের টাইফুনের এই নতুন সংস্করণের বহুমুখী ওয়ারহেডসহ দূর থেকে অসংখ্য কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু, যেমন- বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, সামরিক হ্যাঙ্গার এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করতে সক্ষম। 

উৎস: i) NDTV.
ii) The Economic Times.

১৬৭.
ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড 'ব্লাক ক্যাট' এর সদর দপ্তর অবস্থিত-
  1. ক) নয়াদিল্লী
  2. খ) কেরালা
  3. গ) পাঞ্জাব
  4. ঘ) কলকাতা
সঠিক উত্তর:
ক) নয়াদিল্লী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নয়াদিল্লী
ব্যাখ্যা
 'ব্লাক ক্যাট':
- ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) সাধারণত ব্ল্যাক ক্যাটস  নামে পরিচিত।
- ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভারতের একটি অভিজাত কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ই অক্টোবর, ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর: নয়াদিল্লী, ভারত।

উৎস:- Indian National Security Guard Website.
১৬৮.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Uruguay Round
  2. Tokyo Round
  3. Kennedy Round
  4. Dillon Round
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

১৬৯.
উলফা ভারতের কোন রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন?
  1. মনিপুর
  2. মিজোরাম
  3. আসাম
  4. মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
আসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাম
ব্যাখ্যা
উলফা:
- ULFA এর পূর্ণরূপ United Liberation Front of Assam.
- ULFA ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উলফার নেতাদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত ছিলো।

তথ্যসূত্র - South Asia Terrorism Portal.
১৭০.
যুদ্ধকালীন সৈন্য ও সাধারণ বেসামরিক লোকদের জন্য ৪ টি রক্ষাকবচ সংক্রান্ত চুক্তি-
  1. ক) জেনেভা কনভেনশন - ১৮৬৪
  2. খ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯
  3. গ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৬৬
  4. ঘ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৭৭
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
Geneva Conventions, a series of international treaties concluded in Geneva between 1864 and 1949 for the purpose of ameliorating the effects of war on soldiers and civilians. Two additional protocols to the 1949 agreement were approved in 1977.
The conference developed four conventions, which were approved in Geneva on August 12, 1949: (1) the Convention for the Amelioration of the Condition of the Wounded and Sick in Armed Forces in the Field, (2) the Convention for the Amelioration of the Condition of the Wounded, Sick, and Shipwrecked Members of Armed Forces at Sea, (3) the Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War, and (4) the Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War.
Source: britannica.com
১৭১.
'নাগার্নো কারাবাখ' কীসের নাম?
  1. বিরোধপূর্ণ অঞ্চল
  2. অবসর কেন্দ্র
  3. জঙ্গী গোষ্ঠী
  4. গোয়েন্দা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বিরোধপূর্ণ অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধপূর্ণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা
নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১৭২.
'শাত-ইল-আরব' জলপথকে কেন্দ্র করে কোন দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল?
  1. সৌদি আরব ও ইয়েমেন
  2. ইরান ও ইরাক
  3. কুয়েত ও ইরাক
  4. ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ইরান ও ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান ও ইরাক
ব্যাখ্যা

শাত-ইল-আরব:
- 'শাত-ইল-আরব' দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।

১৭৩.
'যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত' বিষয়ক জেনেভা কনভেনশনটি হলো -
  1. ১ম জেনেভা কনভেনশন
  2. ২য় জেনেভা কনভেনশন
  3. ৩য় জেনেভা কনভেনশন
  4. ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
৩য় জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• ৪টি জেনেভা কনভেনশন:
প্রথম কনভেনশন:
- আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।

দ্বিতীয় কনভেনশন:
সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

তৃতীয় কনভেনশন:
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।

চতুর্থ কনভেনশন:
- সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস ।
১৭৪.
ম্যাসট্রিচট চুক্তি কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. আমেরিকা
  2. ফ্রান্স
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. নেদারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডের ম্যাসট্রিচটে ইউরোপীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ম্যাসট্রিচট (Maastricht Treaty) চুক্তি নামে পরিচিত।
- ১ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে এই চুক্তি কার্যকর হয় যার ফলে 'ইউরোপীয় ইউনিয়ন' এবং ইউরোপের একক মুদ্রা হিসেবে 'ইউরো' চালু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ২৭।
- এবং ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী দেশ ১৯ টি।

উৎস: https://european-union.europa.eu/

১৭৫.
'FSB' কোন দেশের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
FSB:
- FSB এর পূর্ণরূপ The Federal Security Service যা রাশিয়ান ভাষায় Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti.
- এটি রাশিয়ান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন - এর সময় এই গোয়েন্দা সংস্থার নাম ছিলো - KGB (Committee for State Security)।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৯৪-৯৫ সময়ে এর নাম হয় - Federal Counterintelligence Service (FSK) |
- ১৯৯৫ সাল থেকে এই সংস্থাটির বর্তমান নাম করেন তৎকালীন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Boris Yeltsin.
- রাশিয়ার অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা, সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, ফেডারেল কোন আইন ভঙ্গ করলে তার তদন্ত ও অপরাধী সনাক্তকরণ ইত্যাদি বিষয়ে FSB কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - FSB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭৬.
কোন দেশের নেতৃত্বে ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. পোল্যান্ড
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ব্রিটেন
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট: 
- ওয়ারশ প্যাক্ট এর পুরো নাম Warsaw Pact Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত হয়। 
- ওয়ারশ চুক্তি সংক্ষেপে ওয়ারশ প্যাক্ট হিসেবে পরিচিত।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পাশাপাশি জোটে পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড, চেকোস্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া এবং আলবেনিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- মূল লক্ষ্য ছিল পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে সঙ্গে এই জোট ভেঙে যায়।

সূত্র - Britannica.com ও প্রথম আলো। 
১৭৭.
ন্যাটো'র প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. রোম চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. ওয়াশিংটন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

⇒ NATO প্রতিষ্ঠার চুক্তি:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিকে ‘ওয়াশিংটন চুক্তি’ নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো।
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- চুক্তির পঞ্চম ধারায় বলা আছে জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১৭৮.
SALT চুক্তি হয়েছিলো কোন দেশগুলোর মধ্যে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. যুক্তরাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  5. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।
- SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা 'ফ্রিজ' করা হয়।
- এতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে পারে না।
- এর মাধ্যমে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১৭৯.
AUKUS এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) Australia
  2. খ) New Zealand
  3. গ) United states
  4. ঘ) United Kingdom
সঠিক উত্তর:
খ) New Zealand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) New Zealand
ব্যাখ্যা
AUKUS:
অকাস হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিরক্ষার কৌশলগত জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে।
- সদস্য দেশ ৩ টি ।
- উদ্দেশ্য ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- অকাস চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে।

অন্যদিকে,
- ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত The Australia, New Zealand and United States Security Treaty (ANZUS or ANZUS Treaty) একটি সমন্বিত নিরাপত্তার নন-বাইন্ডিং চুক্তি, যাতে ইন্দো-প্যাসিফিক বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতার কথা বলা আছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।
১৮০.
যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত "অপারেশন মিডনাইট হ্যামার" ইরানে কবে হামলা করে?
  1. ২০ জুন ২০২৫
  2. ২১ জুন ২০২৫
  3. ২২ জুন ২০২৫
  4. ২৩ জুন ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২২ জুন ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ জুন ২০২৫
ব্যাখ্যা

২২ জুন ২০২৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' ইরানে হামলা করে।

অপারেশন মিডনাইট হ্যামার (Operation Midnight Hammer):
- ২২ জুন, ২০২৫ তারিখে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' নামে অভিযান পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' নামে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, শনিবার (রবিবার তেহরানের সময় ০২:৪০-০৩:০৫) ২২:৪০ GMT থেকে ২৩:০৫ GMT এর মধ্যে তাদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল।
- অর্থাৎ ইরানের স্থানীয় সময় রবিবার ২২ জুন, ২০২৫ রাত ০২:৪০ থেকে ০৩:০৫ সময়ে এই হামলা চালানো হয়েছিল।

⇒ প্রায় ২৫ মিনিট দীর্ঘ এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ১২৫টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি থেকে উড্ডয়নের প্রায় ৩৭ ঘণ্টা উড়ে অপারেশন মিডনাইট হ্যামারে অংশ সাতটি বি-২ বোমারু বিমান।
- এই বিমানগুলো ইরানের ৩টি পরমাণু স্থাপনা ফর্দো, ইস্ফাহান এবং নাতাঞ্জ লক্ষ্য করে ১৪টি বাংকার বাস্টার বোমা ছোড়ে।
- প্রতিটি বি-২ বোমারু বিমান দুটি করে বাংকার বিধ্বংসী বোমা বহনে সক্ষম। প্রতিটি বোমার ওজন ৩০ হাজার পাউন্ড।
- এ ছাড়া এই অভিযানে অংশ নেয় জ্বালানি ভরার ট্যাংকার ও নজরদারি বিমান।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার হেগসেথ বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি নির্মূল করাই ছিল এই মিশনের লক্ষ্য।
 
উৎস: i) CSIS.
ii) CNN পত্রিকা।

১৮১.
ANZUS কোন ধরনের জোট?
  1. ক) রাজনৈতিক
  2. খ) অর্থনৈতিক
  3. গ) সামরিক
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সামরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সামরিক
ব্যাখ্যা
- ANZUS হলো একটি সামরিক চুক্তি বা জোট। তিনটি দেশের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত। দেশুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কমিউনিজম আগ্রাসন রোধে ১৯৫১ সালে ANZUS গঠিত হয়।

সূত্র:- ANZUS ওয়েবসাইট। 
১৮২.
উই রিভার চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন?
  1. টমাস জেফারসন
  2. জন অ্যাডাম্‌স
  3. জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ
  4. বিল ক্লিন্টন
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ইসরাইল ও পিএলও।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি মধ্যস্থতাকারী: বিল ক্লিন্টন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৮৩.
পঞ্চম এলডিসি (Least developed country) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ইয়েমেন
  2. খ) চীন
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) ইরান
সঠিক উত্তর:
গ) কাতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাতার
ব্যাখ্যা
- পঞ্চম এলডিসি (Least developed country) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়  ৫-৯ মার্চ, ২০২৩ কাতারের রাজধানী দোহায়।
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়। 
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। 
- বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে ২৪ নভেম্বর, ২০২৬ সালে।
- বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে  ২০২৯ সাল পর্যন্ত 
- বর্তমানে ৪৬ টি স্বল্পোন্নত দেশ আছে। 
- এ পর্যন্ত মালদ্বীপ, বতসোয়ানা, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, সামোয়া ও কেইপ ভার্দে এই পাঁচ দেশ এলডিসি থেকে বের।
- বাংলাদেশের সাথে নেপাল ও লাওস এলডিসি মুক্ত হবে। 
- সর্বশেষ এলডিসি যুক্ত দেশ দক্ষিণ সুদান।

উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
১৮৪.
Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুসারে, আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা -
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুযায়ী আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি:
- চীন 
- ফ্রান্স 
- রাশিয়া 
- যুক্তরাজ্য 
- যুক্তরাষ্ট্র 
 
চুক্তিটি এই রাষ্ট্রগুলোর আণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দিলেও NPT এর 6 অনুচ্ছেদের অধীনে চিরস্থায়ীভাবে এই জাতীয় অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখতে রাষ্ট্রগুলো অনুমতিপ্রাপ্ত নয়।

উৎস: www.armscontrol.org
১৮৫.
কোনটি পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. PTA
  2. CTBT
  3. PTB
  4. NPT
সঠিক উত্তর:
NPT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NPT
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

উৎস: Arms Control Association.

১৮৬.
২০২২ সালে জাতিসংঘ কোন দেশকে "Commission on the Status of Women (CSW)" থেকে বাদ দিয়েছে?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. ইরান
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
Commission on the Status of Women (CSW):

- জাতিসংঘের ৫৪ টি সদস্যদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর অধিবেশনে ২০২২ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত (CSW) থেকে ইরানকে অপসারণের একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল ।
- নারী ও মেয়েদের মানবাধিকার ক্রমাগত হ্রাস এবং ক্রমবর্ধমানভাবে দমন করার জন্য মুলত এই অপসারন করা হয়। 
- CSW হল একটি  বিশ্বব্যাপী আন্তঃসরকারি সংস্থা যা ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- এর সদস্য ৪৫ যারা ECOSOC দ্বারা নির্বাচিত হয় যারা চার বছর মেয়াদে কাজ করে।
- CSW নারীর অধিকারের প্রচার, লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে থাকে। 
- প্রতি বছর এদের দুই সপ্তাহের জন্য অধিবেশন চলে। 
- জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র, সুশীল সমাজ সংস্থা এবং জাতিসংঘের সংস্থার প্রতিনিধিরা অধিবেশনে অংশগ্রহন করে এবং আলোচনা করে।  
- অধিবেশনের ফলাফল ফলো-আপের জন্য কমিশনের মূল সংস্থা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর কাছে পাঠানো হয়।

তথ্যসূত্র:UN Women website & UN News.
১৮৭.
৪র্থ জেনেভা কনভেনশন কোন শ্রেণির মানুষের সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়?
  1. যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ
  2. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত
  3. যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
  4. সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

♦ কনভেনশনসমূহ:
⇒ ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

⇒ ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

⇒ ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১৮৮.
Interpol-এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? [জুলাই - ২০২৫]
  1. নাউরু
  2. তুভালু
  3. পালাউ
  4. বতসোয়ানা
সঠিক উত্তর:
পালাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালাউ
ব্যাখ্যা
- পালাউ Interpol-এর সর্বশেষ সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।

ইন্টারপোল:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- এটি ১৯২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ভিয়েনা, অস্ট্রিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বর্তমানে ১৯৬টি দেশের সদস্য নিয়ে গঠিত।[জুলাই - ২০২৫]
- এর অফিসিয়াল ভাষা হল ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁও শহরে অবস্থিত।
- সর্বশেষ সদস্য হিসেবে পালাউ এই সংস্থায় যোগ দিয়েছে। [জুলাই - ২০২৫]

সূত্র: Interpol ওয়েবসাইট।
১৮৯.
MI6 কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইরাক
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• MI6 (Secret Intelligence Service):
- MI6 বা Military Intelligence, Section 6, হলো ব্রিটেনের বিদেশী গুপ্তচরবৃত্তির প্রধান সংস্থা।
- এটি দেশের বাইরে থেকে গোপন তথ্য সংগ্রহ করে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটি Secret Intelligence Service (SIS) নামে পরিচিত।
- এর সদর দপ্তর লন্ডনের ভক্সহল ক্রস-এ অবস্থিত।
-  MI6-এর কার্যক্রম Intelligence Services Act 1994 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- এটি Foreign, Commonwealth & Development Office-এর অধীনে কাজ করে।
- মূল কার্যাবলী:
• সংস্থাটি বিদেশী নাগরিক ও সংস্থার উপর গোপন তথ্য সংগ্রহ করে সরকারের কাছে সরবরাহ করে এবং 
• আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুপ্তচরবৃত্তি পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- MI6-১৯০৯ সালে Secret Service Bureau-এর একটি বিদেশী শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- MI6-এর কার্যক্রম গোপনীয়তার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে অজানা, তবে James Bond-এর মতো কাল্পনিক চরিত্রগুলোর মাধ্যমে এটি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে।

উৎস: Britannica.

১৯০.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের ত্রিশ বছর ব্যাপি যুদ্ধের অবসান ঘটে?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ওয়েস্টফালিয়া শান্তি চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফালিয়া শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফালিয়া শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• Thirty years' war:
- ত্রিশ বছরের যুদ্ধ ছিল ধর্মীয়, রাজবংশীয়, আঞ্চলিক এবং বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সহ বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন জাতির দ্বারা সংঘটিত যুদ্ধের একটি সিরিজ।
- এর ধ্বংসাত্মক অভিযান এবং যুদ্ধগুলি ইউরোপের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে সংঘটিত হয়েছিল এবং, যখন এটি 1648 সালে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল।
- তখন ইউরোপের মানচিত্র অপরিবর্তনীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল।

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
-১৬৪৮ সালে সম্পন্ন ওয়েস্টফালিয়ার শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের ত্রিশ বছরের যুদ্ধ এবং স্পেন ও ডাচ প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আশি বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
• চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬৪৮ সালে।
• স্থান- ওয়েস্টফেলিয়া, জার্মানি ।
• স্বাক্ষরিত হয়- প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিকদের মধ্যে।
•ইউরোপের আর্থ-সামাজিক, ধর্ম এবং রাজনীতি নিয়ে ১৬১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৯১.
ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১০ জুন ২০২০
  2. খ) ২৫ জুলাই ২০২০
  3. গ) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
  4. ঘ) ১০ অক্টোবর ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সাথে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এই লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ‘আব্রাহাম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- একইদিন চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে বাহরাইনও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
১৯২.
Europol-এর সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২২টি
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭টি
ব্যাখ্যা

Europol:
- Europol-এর পূর্ণরূপ: The European Union Agency for Law Enforcement Cooperation.
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর পুলিশ সংস্থার নাম Europol।
- সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৯৯ ।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- প্রথম পরিচালক: জার্গেন স্টরবেক।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ।
- নির্বাহী পরিচালক: ক্যাথরিন ডি বোলে।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল সদস্যই ইউরোপোলের সদস্য।

এছাড়াও,
- ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ সালে ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপোল-এর সৃষ্টি হয়।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে, সদস্য রাষ্ট্রগুলি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে একত্রিত হওয়ার জন্য সম্মত হয়, যার মধ্যে সন্ত্রাসবাদ, অবৈধ মাদক পাচার, এবং অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ ও মোকাবেলা ছিল।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে Europol (ইউরোপীয় পুলিশ অফিস) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মাধ্যমে পুলিশী সহযোগিতা ও তথ্য বিনিময়ের একটি সংগঠিত ব্যবস্থা তৈরি হয়।
- মাস্ট্রিক্ট চুক্তির ধারা K.3 অনুযায়ী ইউরোপোল প্রতিষ্ঠার কনভেনশনের চুক্তি ১৯৯৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: Europol ওয়েবসাইট।

১৯৩.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় কোথায়?
  1. মাদ্রিদ, স্পেন
  2. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  3. রোম, ইতালি
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
INTERPOL
- পূর্ণরূপ: The International Criminal Police Organization।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: International Criminal Police Commission (ICPC) 
- এটি পুলিশের একটি আন্তর্তজাতিক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩ সাল। 
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৫টি দেশ।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।

সূত্র: INTERPOL ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
১৯৪.
নিচের কোন চুক্তিটি 'Wadi Araba Treaty' নামে পরিচিত?
  1. ক) সিমলা চুক্তি
  2. খ) ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  3. গ) অসলো চুক্তি
  4. ঘ) ইসরায়েল - জর্ডান শান্তিচুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইসরায়েল - জর্ডান শান্তিচুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইসরায়েল - জর্ডান শান্তিচুক্তি
ব্যাখ্যা
ইসরায়েল - জর্ডান শান্তিচুক্তি (Israel–Jordan Peace Treaty)
• মধ্যপ্রাচ্য ও আরব বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হিসাবে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।
• চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৪ সাল।
• চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
• চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ইসরায়েল - আইজ্যাক রবিন এবং জর্ডান - কিং হোসাইন।
• চুক্তির বিকল্প নাম - Wadi Araba Treaty.

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
১৯৫.
'Sakoku' পররাষ্ট্রনীতি কোন দেশের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) চীন
  2. খ) জাপান
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
ব্যাখ্যা
• সতেরশ শতকে জাপান এক বিশেষ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহন করে যা 'Sakoku' নামে পরিচিত।
• এর অর্থ - ''Country in chains'' or ''Lock up of country''।
• অর্থ্যাৎ, অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জাপানে প্রবেশ ও জাপানের নাগরিকদের অন্যান্য দেশে গমন নিষিদ্ধ।
• ১৮৬৮ সাল পর্যন্ত এই নীতি বলবৎ ছিলো। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৯৬.
'তৈমুর' ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশের তৈরি? 
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. আফগানিস্তান 
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

তৈমুর ক্ষেপণাস্ত্র: 
- আরব সাগরের উত্তরাংশে নিজেদের তৈরি সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র, স্থল ও আকাশপথে ব্যবহারের উপযোগী সুইসাইডাল ড্রোন এবং ও জলপথে ব্যবহার ও আঘাত হানার উপযোগী ইউএসভি ড্রোনের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে পাকিস্তান।
- সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘তৈমুর’ নামক আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। 
- ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী পরীক্ষামূলকভাবে নিজের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র তৈমুর উৎক্ষেপণ করেছিল।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

তথ্যসূত্র:  ঢাকা পোস্ট।

১৯৭.
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে কত সালে প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৭৮৩ সালে
  2. ১৭৮৭ সালে
  3. ১৮৮৩ সালে
  4. ১৮৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস চুক্তি (Peace of Paris):
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এদেরকে একত্রে প্যারিস শান্তি চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলে।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস-এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে।
- এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা: ৪টি।
- যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন এডামস ও জন জে এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
- ৪টি চুক্তির ২টি প্যারিসে এবং দুইটি ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ চুক্তির পক্ষসমূহ:
- প্রথম পক্ষ: যুক্তরাজ্য,
- দ্বিতীয় পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ড।

⇒ ফলাফল:
- এই চুক্তির ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com
১৯৮.
আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য শক্তি সংস্থার সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) আবুধাবী
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) মাদ্রিদ
সঠিক উত্তর:
খ) আবুধাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুধাবী
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য শক্তি সংস্থার (IRENA) সদরদপ্তর সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবী শহরে অবস্থিত।
এটি ২০০৯ সালের ২৬ জানুয়ারি অফিশিয়ালভাবে গঠিত হয়।
এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৬৩টি। বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল ফ্রান্সেসকো লা কামেরা।
(সূত্র: IRENA ওয়েবসাইট)
১৯৯.
'TPNW' চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  2. পরিবেশ সুরক্ষা
  3. মুক্ত বাণিজ্য
  4. পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৩টি।

⇒ বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
২০০.
NATO-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. ব্রাসেলস
  3. লন্ডন
  4. ওয়াশিংটন ডিসি
সঠিক উত্তর:
ব্রাসেলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাসেলস
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।