বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

মোট প্রশ্ন৩,৩৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক

PrepBank · পাতা ২১ / ৩৪ · ২,০০১২,১০০ / ৩,৩৩৯

২,০০১.
নিচের কোন সংগঠনটি ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট?
  1. খেমার রুজ
  2. লস্কর-ই-তৈইব্যা
  3. হিজবুল্লাহ
  4. টুপাক আমারু
সঠিক উত্তর:
হিজবুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিজবুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও  সশস্ত্র গোষ্ঠী।
- এর বর্তমান ও তৃতীয় মহাসচিব শেখ হাসান নাসরুল্লাহ।
- ১৯৯২ সাল থেকে হাসান নসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, আল মানার এবং ব্রিটানিকা।
২,০০২.
'গুড ফ্রাইডে চুক্তি' এর সাথে সম্পর্কিত  সংগঠন কোনটি?
  1. FARC
  2. IRA
  3. CIA
  4. FSB
সঠিক উত্তর:
IRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IRA
ব্যাখ্যা

• আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA):
- আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি একটি প্রজাতন্ত্রপন্থী আধাসামরিক সংগঠন যা ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- এর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে আয়ারল্যান্ডকে পুনরায় একত্রিত করে একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
- IRA একই উদ্দেশ্যে কাজ করলেও এটি রাজনৈতিক সংগঠন শিন ফেইন (Sinn Féin) থেকে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হতো।
- ১৯২২ সালে আইরিশ ফ্রি স্টেট প্রতিষ্ঠার পর, যা ব্রিটিশ কমনওয়েলথের অধীনে ছিল, IRA এই রাষ্ট্রের বৈধতাকে অস্বীকার করে এবং সহিংসতা অব্যাহত রাখে।
- ১৯৩১ সালে IRA অবৈধ ঘোষণা করা হয়, এবং এর সদস্যদের বিচার ছাড়াই আটক রাখার আইন প্রণয়ন করা হয়।
- ১৯৪৯ সালে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র ঘোষণার পর, IRA তার কার্যক্রম উত্তর আয়ারল্যান্ডে কেন্দ্রীভূত করে।
- ১৯৯৪ সালে IRA যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে এবং ১৯৯৮ সালে গুড ফ্রাইডে চুক্তি (বেলফাস্ট চুক্তি) স্বাক্ষর করে। 
- ২০০৫ সালের জুলাইয়ে IRA তাদের সশস্ত্র কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাদের লক্ষ্য অর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২,০০৩.
ঐতিহাসিক সিমলা চুক্তিতে পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী কে?
  1. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. বেনজীর ভুট্টো
  3. আইয়ুব খান
  4. জেনারেল পারভেজ মোশারফ
সঠিক উত্তর:
জুলফিকার আলী ভুট্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলফিকার আলী ভুট্টো
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

২,০০৪.
হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযানের নাম কী? [মে, ২০২৫]
  1. অপারেশন সিনাই
  2. অপারেশন প্রোটেক্টিভ এজ
  3. অপারেশন গিডিয়ন’স চ্যারিয়টস
  4. অপারেশন ডিফেন্সিভ শিল্ড
সঠিক উত্তর:
অপারেশন গিডিয়ন’স চ্যারিয়টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন গিডিয়ন’স চ্যারিয়টস
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- মুল অবস্থান: গাজা ভূখণ্ড (২০০৭ সাল থেকে নিয়ন্ত্রণ)।
- সামরিক শাখা: আল-কাসাম ব্রিগেড।

উল্লেখ্য,
- হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযানের নাম হলো অপারেশন গিডিয়ন’স চ্যারিয়টস (Operation Gideon’s Chariots)।
- এই অভিযানটি গাজা উপত্যকায় ২০২৫ সালের মে মাসে শুরু হয়, যার লক্ষ্য ছিল হামাসের সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা এবং গাজায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করা।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.
iii) CIA World Factbook.
২,০০৫.
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দান করে?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে ২৯ নভেম্বর, ২০১২ সালে।

উৎসঃ ফিলিস্তিন সরকারের ওয়েবসাইট।
২,০০৬.
কুর্দি মিলিশিয়া সংগঠন কোনটি?
  1. ক) MILF
  2. খ) YPG
  3. গ) Al Shabab
  4. ঘ) UNITA
সঠিক উত্তর:
খ) YPG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) YPG
ব্যাখ্যা
YPG (Peoples Protection Unit) হলো সিরিয়ান কুর্দিদের স্থানীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী। সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের সময় YPG এর উত্থান ঘটে। ২০১৪ সালে আইএস এর নিকট থেকে সিরিয়ার কোবান অঞ্চল পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে YPG নিজেদের আলোচনায় আনে। YPG সিরিয়ায় কুর্দিস্তান প্রতিষ্ঠায় তৎপর। (সূত্রঃ কুর্দিস্তান প্রজেক্ট ওয়েবসাইট)
২,০০৭.
বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির নাম কি?
  1. FTA
  2. PTA
  3. TCA
  4. BFTA
সঠিক উত্তর:
PTA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PTA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA)।
০৬ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে ভুটানের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয়ার ঐতিহাসিক দিনে (০৬ ডিসেম্বর ১৯৭১) দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বা পিটিএ (Preferential Trade Agreement) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও ভুটান।
এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশ ভুটানের বাজারে ১০০টি পণ্যে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাবে। আর ভুটান বাংলাদেশের বাজারে তাদের ৩৪ পণ্যে একই সুবিধা পাবে।

উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো।
২,০০৮.
আইএস কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
আইএস:

- ২০১৩ সালে আইএস প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার পাশাপাশি ইসলামিক স্টেট (আইএস) বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ জঙ্গি সংগঠন।
- শুরুতে এর নাম ছিল ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড লেভান্ট (আইএসআইএল)।
- আইএসের নেতা আবু বকর আল-বাগদাদি।
- বাগদাদের উত্তরে সামারা এলাকায় ১৯৭১ সালে তাঁর জন্ম।
- ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হামলা শুরু হলে এর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধে যোগ দেন বাগদাদি।
- পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আসা জঙ্গিদের মধ্যে ৮০ শতাংশই আইএসের সিরিয়া শাখায় যোগ দিয়েছে।
- ২০১৩ সালে মার্চে দলটি সিরিয়ার রাকা দখল করে নেয়। রাকাকেই তাদের মূল ঘাঁটি মনে করা হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ জুলাই ২০১৬।
২,০০৯.
তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে সমাধান হয় -
  1. ক) পাকিস্তান -ভারত যুদ্ধ
  2. খ) আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  3. গ) ইরাক-ইরান যুদ্ধ
  4. ঘ) ইরাক-কুয়েত যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ক) পাকিস্তান -ভারত যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাকিস্তান -ভারত যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান -ভারত যুদ্ধ: 
- চার বার সংঘটিত হয়। ১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৭১, ১৯৯৯।
- ১৯৬৫ সালে কাশ্মীরকেন্দ্রিক এই দুই দেশের যুদ্ধের সমাধান হয় তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই দুই দেশের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭২ সালে।

 এছাড়াও,
- আরব-ইসরাইল যুদ্ধের মাধ্যমে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শাত- ইল-আরব জল্ধারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয় ইরাক-ইরান যুদ্ধ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,০১০.
When did the International Campaign to Abolish Nuclear Weapons win the Nobel Prize?
  1. 2013
  2. 2014
  3. 2015
  4. 2016
  5. 2017
সঠিক উত্তর:
2017
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2017
ব্যাখ্যা
ICAN:
- 'ICAN' এর পূর্ণরূপ - International Campaign to Abolish Nuclear Weapons.
- এটি একটি পরিবেশবাদী সংস্থা‌।
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ২০১৭ সালে।
- ICAN হল এক শতাধিক দেশের বেসরকারী সংস্থাগুলির একটি জোট যা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণের জাতিসংঘের চুক্তি মেনে চলা এবং বাস্তবায়নে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - ICAN এর ওয়েবসাইট।
২,০১১.
কসোভো কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আলবেনিয়ায়
  2. খ) সার্বিয়ায়
  3. গ) রুমানিয়ায়
  4. ঘ) গ্রিসে
সঠিক উত্তর:
খ) সার্বিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সার্বিয়ায়
ব্যাখ্যা
- কসোভো ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র;
- যা আগে সার্বিয়ার প্রদেশ ছিল।
- ১৯৯৯ সাল থেকে প্রদেশটি রাষ্ট্রপুঞ্জের তত্ত্বাবধানে ছিল।
- ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ শতাধিক দেশ ইতিমধ্যে কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- রিপাবলিক অব কসোভোকে বিশ্বের ১১৪তম দেশ হিসেবে এবং
- ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স) এর ৩৭তম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশ।
উৎস: আনন্দবাজার পত্রিকা।
২,০১২.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট International Atomic Energy Agency (IAEA)- এর প্রস্তাবক ছিলেন?
  1. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  2. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  4. জন এফ. কেনেডি
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা

IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৮০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।

⇒ IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- IAEA-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- মোহাম্মদ এল বারাদি মিশরের নাগরিক। 
- তিনি ১৯৯৭ - ২০০৯ সাল পর্যন্ত IAEA এর চতুর্থ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার 'International Atomic Energy Agency (IAEA)'- এর প্রস্তাবক ছিলেন
- তিনি ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘে 'Atoms for Peace' নামক একটি উদ্যোগের আওতায় পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে পরমাণু শক্তি শুধুমাত্র অস্ত্র হিসেবে নয়, বরং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে, এমন একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে IAEA প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।

২,০১৩.
UNFCCC এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদরদপ্তর ছিল -
  1. ক) রোম
  2. খ) ভিয়েনা
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) বন
সঠিক উত্তর:
গ) জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনেভা
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত রূপরেখা চুক্তি UNFCCC - এর পূর্ণরূপ - United Nations Framework Convention on Climate Change।
- এটি একটি পরিবেশগত চুক্তি যা ১৯৯২ সালের ৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে ধরিত্রী সম্মেলনে (৩ - ১৪ জুন, ১৯৯২) স্বাক্ষরিত হয় এবং এটি কার্যকর হয় ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল থেকে।

এক নজরে UNFCCC:
- প্রতিষ্ঠাকাল -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৪ জুন, ১৯৯২ সাল ও চুক্তি কার্যকর -- ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ -- ১৯৭টি
- সদরদপ্তর -- বন, জার্মানি
- বাংলাদেশ ও UNFCCC -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৯ জুন, ১৯৯২ সাল এবং  চুক্তি অনুমোদন - ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সাল।

⤇ Conference of the Parties (COP) - হচ্ছে UNFCCC - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ। প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC - এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
⤇ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। এই চুক্তির সেক্রেটারিয়েটের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ১৯৯৭ সালে কিয়েটো প্রটোকল ও ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC - এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর - জার্মানির বনে অবস্থিত। তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২,০১৪.
Biological Weapons Convention (BWC) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

Biological Weapons Convention (BWC):
- জৈবিক অস্ত্র কনভেনশন বা Biological Weapons Convention (BWC) হলো একটি আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা জৈব অস্ত্র নিষিদ্ধ করে।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়: ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
- কার্যকর হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৭৫।
- সদস্য দেশ: ১৯০টি।
- বিষয়বস্তু: সব ধরনের জীবাণু ও বিষাক্ত অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস সাধন।

উৎস: i) The Nuclear Threat Initiative. 
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।

২,০১৫.
ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১ এর ধারা কয়টি?
  1. ৫৩ টি
  2. ৫০ টি
  3. ৩০ টি
  4. ৪৮ টি
সঠিক উত্তর:
৫৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩ টি
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations. 
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

• মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,০১৬.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল কখন প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল?
  1. ক) ১৯২১ সালে
  2. খ) ১৯২২ সালে
  3. গ) ১৯২৩ সালে
  4. ঘ) ১৯২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯২৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল:
- ইন্টারপোল হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত ফ্রান্সের লিঁও শহরে।
- এটি ১৯২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথমে ১৬টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫টি।
- বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে- ১৯৭৬ সালের ১৪ অক্টোবর মাসে।

সূত্র: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
২,০১৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি কোন সংস্থায় অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দেয়?
  1. ক) UNICEF
  2. খ) WHO
  3. গ) UNO
  4. ঘ) WIPO
সঠিক উত্তর:
খ) WHO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) WHO
ব্যাখ্যা
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রাথমিক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১৪ এপ্রিল ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় যুক্তরাষ্ট্র দ্বি-বার্ষিক প্রায় ৮৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ প্রদান করে যা যেকোন দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্ত ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। (সূত্রঃ ওয়াশিংটন পোস্ট)
২,০১৮.
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
  2. স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
  3.  শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+গ
ব্যাখ্যা

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ:
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
- আবু মুসা দ্বীপ ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয়ই দাবি করে।
- পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

২,০১৯.
’শাইনিং পাথ’ কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. কলম্বিয়া
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. পেরু
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
পেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরু
ব্যাখ্যা
শাইনিং পাথ (Shining Path):
- শাইনিং পাথ হলো পেরুর সস্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
- কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- শাইনিং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।
- বর্তমানে এটির কর্মকাণ্ড স্তিমিত রয়েছে।
- টুপাক আমারু পেরুর অপর একটি কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠাতার গ্রেপ্তার: ১৯৯২ সালে লিমায় গ্রেপ্তার হন আবিমায়েল গুজমান।
• কিছু সদস্য এখন মাদক পাচার ও অপরাধচক্রে যুক্ত।
• পেরু সরকার তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,০২০.
জেনেভা কনভেনশনে কতটি চুক্তি রয়েছে? 
  1. ৭টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' বলা হয়।

• প্রথম কনভেনশন:
- আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
• দ্বিতীয় কনভেনশন:
- সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে 'হেগ চুক্তি' সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
• তৃতীয় কনভেনশন:
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
• চতুর্থ কনভেনশন:
- সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস।

২,০২১.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সর্বপ্রথম কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৬৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
২,০২২.
নিচের কোন তিনটি দেশ ডেটন চুক্তির স্বাক্ষর করে?
  1. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
  2. বসনিয়া, স্লোভেনিয়া, হাঙ্গেরি
  3. রাশিয়া, ইউক্রেন, সার্বিয়া
  4. ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, মেসিডোনিয়া
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি:
- ডেটন শান্তি চুক্তি এর পূর্ণনাম General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- এই চুক্তি বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে চুক্তি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাই এটি ডেটন চুক্তি নামে পরিচিত। তবে চুক্তিটি ফ্রান্সের প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ারেন ক্রিস্টোফার। চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক ছিলেন রিচার্ড হলব্রোক।
- এই চুক্তির স্বাক্ষরকারী তিনটি পক্ষ ছিল—বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়া।

চুক্তি স্বাক্ষরকারী প্রতিনিধিরা ছিলেন:
→ বসনিয়ার পক্ষে প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
→ ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
→ সার্বিয়ার পক্ষে স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

উল্লেখ্য,
- ডেটন শান্তি চুক্তি এর খসড়া প্রস্তুত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৯৫ সালে এবং চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে প্যারিস, ফ্রান্স-এ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।

২,০২৩.
নোবেল বিজয়ী ওরেন কেসিন নিম্নের কোন চুক্তি প্রস্তুত করেন?
  1. ক) জাতিসংঘ সনদ
  2. খ) মানবাধিকার চুক্তি
  3. গ) আইএলও চুক্তি
  4. ঘ) সমুদ্রবিরোধ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার চুক্তি
ব্যাখ্যা
মানবাধিকার চুক্তি প্রস্তুত করেন নোবেল বিজয়ী ওরেন কেসিন।
- মানবাধিকার চুক্তি ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার সার্বজনীন এর ঘোষণা প্রদান করা হয়।
- এরপর থেকেই ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। - প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই সনদ ঘোষিত হয়।

সূত্র: হিস্টরি.কম ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,০২৪.
সিয়াটো (SEATO) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৪
  2. খ) ১৯৫৫
  3. গ) ১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৪
ব্যাখ্যা

- Southeast Asia Treaty Organization (SEATO) ম্যানিলাতে ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪ সালে এক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৫ সালে চুক্তিটি কার্যকর হয়। দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন রুখতে এই সামরিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো।
- ১৯৭৭ সালের ৩০ জুন চুক্তিটি বাতিল হয় এবং সিয়াটো বিলুপ্ত হয়।

Source: britannica.com

২,০২৫.
কোনটি গণবিধ্বংসী অস্ত্র?
  1. ক) MAD
  2. খ) WMD
  3. গ) INF
  4. ঘ) ABM
সঠিক উত্তর:
খ) WMD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) WMD
ব্যাখ্যা
- Intermediate-Range Nuclear Force (INF) হচ্ছে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। 
- WMD (Weapons of Mass Destruction) হচ্ছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র। 
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় ইঙ্গ-মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল। 
- Anti-Ballistic Missile (ABM) হচ্ছে বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। 
- MAD (Mutually Assured Destruction) হচ্ছে পারস্পরিক ধ্বংস নিশ্চিতকরণ ক্ষেপণাস্ত্র।
২,০২৬.
নিচের কোন দেশটি QUAD জোটে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. জাপান
  3. কানাডা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা

- কানাডা কোয়াড-এর সদস্য নয়।

• কোয়াড:
- QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
- QUAD হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ‘চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা ফোরাম’।
- গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
- সদস্য দেশ: ৪টি (যথা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান)।

⇒ কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কৌশলগত, সামরিক এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা, বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।

তথ্যসূত্র: Department of the Prime Minister and Cabinet.

২,০২৭.
আটলান্টিক সনদে যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটিশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে কে?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান ও মার্গারেট থেচার
  2. জর্জ ডব্লিউ বুশ ও টনি ব্লেয়ার
  3. জিমি কার্টার ও রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও উইনস্টোন চার্চিল
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও উইনস্টোন চার্চিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও উইনস্টোন চার্চিল
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।

উৎস: Britannica.
২,০২৮.
'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় কোথায়?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিবিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিবিয়া
ব্যাখ্যা
• 'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় লিবিয়ায়। 

Operation Odyssey Dawn: 
- অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn) লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত (১৯৭৩) বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।
- এই অপারেশন পরিচালিত হয় ১৯ থেকে ৩১ মার্চ ২০১১ পর্যন্ত।
- এর মধ্য দিয়ে লিবিয়ায় বিমান হামলা চালানো হয় এবং লিবিয়ার উপর ‘নোফ্লাই জোন' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরো অংশ নিয়েছিল বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ইতালি, হল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, রোম, আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের বিমান বাহিনী।
- এই বিমান হামলায় গাদ্দাফী উৎখাত হন এবং তার সরকারের পতন ঘটে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২,০২৯.
বিরোধপূর্ণ ‘প্যারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জ কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. আন্দামান সাগর
  2. পারস্য উপসাগর
  3. পীতসাগর
  4. দক্ষিণ চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চীন সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা

প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- বিরোধপূর্ণ ‘প্যারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন। এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।

উৎস: i) Britannica. 
ii) BBC.

২,০৩০.
আব্রাহাম চুক্তি কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৩
  2. ২০০০
  3. ২০২০
  4. ১৯৬২
সঠিক উত্তর:
২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম চুক্তি (Abraham Accords):
- ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের চুক্তি।
- আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ (হোয়াইট হাউস, ওয়াশিংটন ডিসি)।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্র (প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প)।

• প্রধান দেশগুলো:

- ইসরায়েল
- সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)।
- বাহরাইন।
- পরে যোগ দেয়: সুদান ও মরক্কো।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,০৩১.
'পার্পল লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. জর্ডান-ইসরাইল
  2. লেবানন-ইসরাইল
  3. ইসরাইল-ফিলিস্তিন
  4. সিরিয়া-ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া-ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া-ইসরাইল
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি:
- গোলান মালভূমি সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি। 
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

⇒ গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

⇒ ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত গোলান মালভূমি সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় গোলান মালভূমিজুড়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায় সিরিয়া। কিন্তু ইসরায়েল পাল্টা প্রতিরোধ নেয় এবং গোলানের ১২০০ বর্গকিলোমিটার (৪৬০ বর্গমাইল) এলাকা দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কিপুর যুদ্ধ নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে। চুক্তির শর্ত মেনে দুই পক্ষকেই মালভূমির ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি লম্বালম্বি এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হয়। এই এলাকাটি পরিচিত 'এরিয়া অব সেপারেশন' নামে। এরপর সেখানে জাতিসংঘ নিয়োজিত 'ডিজএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স' মোতায়েন করা হয় অস্ত্রবিরতির বিষয়টিতে নজর রাখার জন্য।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে  গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

উৎস: Britannica.

২,০৩২.
NATO সনদে মোট কতটি ধারার উল্লেখ আছে?
  1. ১০টি
  2. ১৪টি 
  3. ১৮টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি 
ব্যাখ্যা

• NATO:
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো। 
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- সদস্য দেশ: ৩২টি।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।

ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
»
ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

২,০৩৩.
CEDAW সনদের ধারা কতটি?
  1. ১৮টি
  2. ২০টি
  3. ২৮টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা
CEDAW:
– পূর্ণরূপ Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women বা নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ সনদ।
– স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৯ সালে।
– কার্যকর হয়: ১৯৮১ সালে।
– সনদের ধারা ৩০টি।

উৎস: UN Women
২,০৩৪.
When was the Geneva Convention signed?
  1. ক) On August 12, 1948
  2. খ) On August 12, 1953
  3. গ) On August 12, 1949
  4. ঘ) On August 12, 1955
সঠিক উত্তর:
গ) On August 12, 1949
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) On August 12, 1949
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন-১৯৪৯ (Geneva Convention):
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে
- স্বাক্ষরের স্থান- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে :
১. যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের জীবনের নিরাপত্তা এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে এই চক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
২. সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত অসুস্থ সৈন্যদের জীবনের নিরাপত্তা এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের অবস্থার সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা এবং চিকিৎসা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
৪. যুদ্ধকালীন বেসামরিক জনগণকে রক্ষার জন্য এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট
২,০৩৫.
'আনসারুল্লাহ' কোন গোষ্ঠীর অফিসিয়াল নাম?
  1. তালেবান
  2. আইএসআইএস
  3. হুথি বিদ্রোহী
  4. আল-শাবাব
সঠিক উত্তর:
হুথি বিদ্রোহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুথি বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা
• 'আনসারুল্লাহ' হুথি বিদ্রোহীদের সশস্ত্র গোষ্ঠীর অফিসিয়াল নাম।

• হুতি গোষ্ঠী:
- হুতি হলো ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত একটি গোষ্ঠী।
- হুতিরা আনসারুল্লাহ (আল্লাহর সমর্থক) নামে পরিচিত।
- তাদের গোষ্ঠীটি সশস্ত্র, যেটি রাজধানী সানা এবং সৌদি আরবের কাছাকাছি পশ্চিম ও উত্তর অংশসহ ইয়েমেনের বেশিরভাগ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
সম্প্রতি (২০২৪) হুতিদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট।

সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪, ব্রিটানিকা, ডেই্লি স্টার বাংলা।
২,০৩৬.
ন্যাটোতে যোগদানকারী সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. ক্রোয়েশিয়া
  4. বুলগেরিয়া
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া। (জুলাই, ২০২৫)
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন। (জুলাই, ২০২৫)
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,০৩৭.
নিচের কোন সংগঠনটি ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট?
  1. ক) টুপাক আমারু
  2. খ) হিজবুল্লাহ
  3. গ) খেমারুজ
  4. ঘ) লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা
সঠিক উত্তর:
খ) হিজবুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হিজবুল্লাহ
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ লেবাননের মুসলিম শিয়া সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও  সশ্বস্ত্র গোষ্ঠী।
- এর বর্তমান ও তৃতীয় মহাসচিব শেখ হাসান নাসরুল্লাহ।
- ১৯৯২ সাল থেকে হাসান নসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- আল মানার হিজবুল্লাহ পরিচালিত একটি টিভি চ্যানেল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, আল মানার এবং ব্রিটানিকা।
২,০৩৮.
“Framework for Peace in the Middle East” নামে পরিচিত কোন চুক্তি?
  1. ক) পি.এল.ও - ইসরায়েল শান্তি চুক্তি
  2. খ) ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  3. গ) ইরান - যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি
  4. ঘ) আরব - ইসরায়েল ঐক্য চুক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
ব্যাখ্যা
Camp David Accords, agreements between Israel and Egypt signed on September 17, 1978, that led in the following year to a peace treaty between those two countries, the first such treaty between Israel and any of its Arab neighbours. Brokered by U.S. Pres. Jimmy Carter between Israeli Prime Minister Menachem Begin and Egyptian Pres. Anwar Sadat and officially titled the “Framework for Peace in the Middle East,” the agreements became known as the Camp David Accords because the negotiations took place at the U.S. presidential retreat at Camp David, Maryland.
Source: britannica.com
২,০৩৯.
Federal Bureau of Investigation কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1.  চার্লস রোসেফ বোনাপার্ট
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  3.  চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট
  4. রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
 চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট
ব্যাখ্যা

FBI:
- FBI এর পূর্ণরূপ- Federal Bureau of Investigation।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ- ২৬ জুলাই, ১৯০৮, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- সদর দপ্তর- ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা: চার্লস জোসেফ বোনাপার্ট।
- মূল সংস্থা: United States Department of Justice।
- ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

উৎস: FBI ওয়েবসাইট

২,০৪০.
FIA কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইসরায়েল
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- পাকিস্তান: ISI, FIA.
- ভারত: RAW, CBI.
- রাশিয়া: FSB.
- ব্রিটেন: SIS, MI6.
- ইসরায়েল: MOSSAD, Aman.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
২,০৪১.
'ডেটন চুক্তি' চূড়ান্ত ভাবে স্বাক্ষরিত হয় কোন শহরে?
  1. ক্রিমিয়া
  2. আলাস্কা
  3. প্যারিস
  4. জেনেভা
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
ব্যাখ্যা

 ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান (চূড়ান্ত ভাবে): প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: Britannica.

২,০৪২.
জৈব অস্ত্র কনভেনশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭১ সালে
  3. গ) ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জৈব অস্ত্র কনভেনশন:
- সাম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত একটি বিষয় হচ্ছে জৈব অস্ত্র।
- বিশেষ করে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) ঘটনাটি যখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তুলেছিল, তখন জৈব অস্ত্রের বিষয়টি সামনে চলে আসে। অর্থাৎ একটা অভিযোগে ছিল করোনা ভাইরাস একটি জৈব মারণাস্ত্র! জৈব অস্ত্রের মাধ্যমে মানব শরীরে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফাংগাস ইত্যাদি প্রবেশ করিয়ে তাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়।
- এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করেই ১৯৭২ সালে Biological Weapons Convention (BWC) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২,০৪৩.
নিকারাগুয়ার কন্ট্রা বিদ্রোহীরা কোন দেশের সমর্থনপুষ্ট ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. তুরস্ক 
  3. ভেনেজুয়েলা
  4. আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

কন্ট্রা:
- কন্ট্রা নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ।
- নিকারাগুয়াতে ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত সক্রিয় কন্ট্রা গেরিলাদের উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করা।
- নিকারাগুয়ার এই গেরিলা গোষ্ঠিটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ানে পরিচালিত হতো।
- কন্ট্রা বিদ্রোহীদের দাবির মুখে তৎকালীন সরকার ১৯৯০ সালে নির্বাচনের আয়োজন করে।
- কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ডেনিয়েল ওর্তেগার সরকার নির্বাচনে পরাজিত হয়।
- ১৯৯০ সালের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত হয় কন্ট্রার লড়াকু ইতিহাস।

উল্লেখ্য,
- নিকারাগুয়া মধ্য আমেরিকার রাষ্ট্র। নিকারাগুয়াও স্পেনের উপনিবেশ ছিল। ১৮২১ সালে নিকারাগুয়া জাতীয় স্বাধীনতা লাভ করে।
- স্বাধীনতা লাভ করলেও নিকারাগুয়ার অর্থনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কতৃত্ব স্থাপিত হয়। দেশটির রেলওয়ে, ব্যাংক, খনিজসম্পদ সব কিছুই মার্কিন পুঁজির অধীনে পরিচালিত হতে থাকে। নিকারাগুয়ার সরকার ও সেনাবাহিনী যেমন মার্কিন প্রশাসনের প্রভাবাধীন ছিল। অনেক মার্কিন সৈন্যও নিকারাগুয়াতে অবস্থান করত। এর বিরুদ্ধে ১৯২৬ সালে নিকারাগুয়াতে বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মার্কিন সৈন্যরা নিকারাগুয়া ত্যাগ করে।
- ১৯৮২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিগানের প্রশাসন কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সহায়তার জন্য প্রায় ১৯ মিলিয়ন এবং ১৯৮৪ সালে এসে প্রায় ২৪ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন করে।

উৎস: Britannica.

২,০৪৪.
কত সালে 'INF' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর। 
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।

উল্লেখ্য,
⇒ চুক্তিবলে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- ১ জুন, ১৯৯১ তারিখ চুক্তির বাস্তবায়নের সময়সীমার মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- কিন্তু এই চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায় যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন।
- ২ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association. [link]
২,০৪৫.
অটোয়া চুক্তির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা
  2. স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ
  3. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ
  4. সমুদ্রসীমা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
• অটোয়া চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তি স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নরওয়ের অসলোতে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়,
- এটি ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে ১৬৪টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ এই চুক্তিতে ৭ মে ১৯৯৮ সালে স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে এটি কার্যকর করে।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,০৪৬.
নিচের কোনটি ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. FSB
  2. MSS
  3. ISI
  4. RAW
সঠিক উত্তর:
RAW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAW
ব্যাখ্যা
RAW:
- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা- RAW
- এর পূর্ণরূপ- Research and Analysis Wing (RAW)
- এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।

অন্যদিকে,
- FSB (Federal Security Service) রাশিয়ার সাবেক গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি এর উত্তরসূরী।
- ISI (Inter-Services Intelligence) পাকিস্তানের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- MSS (Ministry of State Security) চীন সিভিল গোয়েন্দা সংস্থা।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Council on Foreign Relations।
২,০৪৭.
'মিরেজ-২০০০' কী?
  1. ক্ষেপণাস্ত্র
  2. যুদ্ধবিমান
  3. যুদ্ধজাহাজ
  4. গ্রহ
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবিমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবিমান
ব্যাখ্যা
মিরেজ ২০০০-৫ যুদ্ধবিমান
- মিরেজ-২০০০ যুদ্ধবিমান হচ্ছে ফ্রান্সের তৈরি মাল্টিরোল সিঙ্গেল ইঞ্জিন চতুর্থ প্রজন্মের ফাইটার জেট।
- ১৯৭০ দশকের শেষের দিকে লাইটওয়েট ফাইটার হিসেবে মিরেজ তৈরি করা হয়।
- পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি 'স্ট্রাইক ভ্যারিয়েন্ট' তৈরি করা হয়।
- এছাড়া মিরেজ 'এয়ার টু এয়ার' এবং 'এয়ার টু গ্রাউন্ড' দুই ধরনের হামলার ক্ষেত্রেই সফল।
- এই যুদ্ধবিমান রাতেও হামলা চালাতে পারে।
- মিরেজ জেটটি ফ্রান্স সফলভাবে বেশ কয়েকটি দেশে রফতানি করেছে।
- এটি আমেরিকার তৈরি এফ-১৬ জেটের অনুরূপ ক্ষমতা সরবরাহ করে।
- গ্রিস ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান বাহিনীতে মিরাজ ২০০০-৫ জেট বিমান রয়েছে।
- মিরেজ বিমান ব্যবহার করে খুবই হাল্কা ‘সিঙ্গল শ্যাফ্ট ইঞ্জিন’। এই ইঞ্জিনের নাম SNECMA M 53।
- সাধারণত একজন ফাইটার পাইলটই বসতে পারেন মিরেজে, তবে প্রয়োজনমতো দু’জনের বসার ব্যবস্থাও আছে।
- মিরেজে  দৈর্ঘ্য মাত্র ১৪.৩৬ মিটার, ওজন ৭,০০০ কেজি। টেকঅফ-এর সময় বহনক্ষমতা ১৭,০০০ কেজি। মিরেজে সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ২,৩৩৬ কিমি। উড়ানের সর্বোচ্চ উচ্চতা ভূমিপৃষ্ঠ থেকে ৫৯,০০০ ফুট। আকাশপথে মিরেজে সওয়ার হতে পারে লেসার-নির্দেশিত বম্ব এবং বিবিধ অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র। 

সূত্র- বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
২,০৪৮.
সামরিক পরিভাষায় 'WMD' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. War Military Defense
  2. Weapons of Mass Destruction
  3. World Missile Division
  4. Warfare Machine Deployment
সঠিক উত্তর:
Weapons of Mass Destruction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Weapons of Mass Destruction
ব্যাখ্যা
• WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ হলো Weapons of Mass Destruction,
- এর বাংলা অর্থ গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার আশঙ্কায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে সামরিক হামলা চালায়।  

উল্লেখ্য, 
- গণবিধ্বংসী অস্ত্র তিন ধরনের হতে পারে— পারমাণবিক (Nuclear Weapon), রাসায়নিক (Chemical Weapon), এবং জীবাণু (Biological Weapon). ১৯৩৭ সালে স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসক্ষমতা বোঝাতে প্রথমবারের মতো "Weapons of Mass Destruction" শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট ও ব্রিটানিকা।
২,০৪৯.
শেনজেনভুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২৩টি
  2. ২৫টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি (Schengen):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: শেনজেন, লুক্সেমবার্গ।
- শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি।

উল্লেখ্য,
- শেনজেনভুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ ২৫টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশ রয়েছে ৪টি। দেশগুলো হলো সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
২,০৫০.
ন্যাটোভুক্ত কোন দেশটি অতীতে ওয়ারশ প্যাক্টের সদস্য ছিলো?
  1. নরওয়ে
  2. তুরস্ক
  3. ইতালি
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।

ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়।
এই জোটের অংশীদার দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্যতীত ওয়ারশ প্যাক্টের অন্য সদস্যদেশগুলোর প্রতিটি দেশই (আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, পূর্ব জার্মানি (জার্মানি), চেকোশ্লোভাকিয়া (চেক প্রজাতন্ত্র ও শ্লোভাকিয়া) বর্তমানে ন্যাটো জোটের সদস্য।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত তিনটি দেশ (লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়া) বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য।

(তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা)
২,০৫১.
তাসখন্দ চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) আফগানিস্তানে
  2. খ) কাজাকিস্তানে
  3. গ) উজবেকিস্তানে
  4. ঘ) তুর্কমেনিস্তানে
সঠিক উত্তর:
গ) উজবেকিস্তানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উজবেকিস্তানে
ব্যাখ্যা
১০ই জানুয়ারি ১৯৬৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় তাসখন্দ চুক্তি। উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কেসিগানের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২,০৫২.
PTA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Preferable Trade Agreement
  2. Potential Trade Agreement
  3. Potential Traditional Agreement
  4. Preferential Trade Agreement
সঠিক উত্তর:
Preferential Trade Agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preferential Trade Agreement
ব্যাখ্যা
• Preferential Trade Agreement (PTA):
 - বাংলাদেশের প্রথম 'অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি'।
- বাংলাদেশের সাথে PTA (Preferential Trade Agreement) সম্পাদনকারী দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ ভুটান।
-৬ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে ভুটানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি অবশ্য পুরোপুরি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নয়, বরং বলা যায় এফটিএর আগের ধাপ বা আংশিক এফটিএ।
- এ চুক্তির আওতায় এখন বাংলাদেশ ভুটানে ১০০টি পণ্যে ও ভুটান বাংলাদেশে ৩৪টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।
২,০৫৩.
পিংপং কূটনীতির উদ্ভাবক দেশ কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

পিংপং কূটনীতির উদ্ভাবক দেশ- চীন।

• পিং পং ডিপ্লোমেসি:

-যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।

- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়। কোনাে কিছুতেই অবস্থার উন্নতি হচ্ছিলাে না। ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।

উৎসঃ history.com এবং ব্রিটানিকা।

২,০৫৪.
বিশ্বের কোন নগরটি দু'টি মহাদেশে অবস্থিত?
  1. Cairo
  2. Casablanca
  3. Istanbul
  4. Paris
সঠিক উত্তর:
Istanbul
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Istanbul
ব্যাখ্যা

 ইস্তানবুল
- ইস্তানবুল তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমভাগে অবস্থিত।
- নগরীটি দেশটির বৃহত্তম শহর, প্রধান সমুদ্রবন্দর, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক কেন্দ্র।
- দুই মহাদেশে অবস্থিত নগরী হচ্ছে তুরস্কের ইস্তানবুল।
- নগরীটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশকে পৃথককারী।
- কৃষ্ণ সাগর ও মার্মারা সাগরকে সংযুক্তকারী সরু বসফরাস প্রণালীটির পূর্ব ও পশ্চিম অংশ জুড়ে অবস্থিত।
- ইস্তানবুল হচ্ছে সবচেয়ে জনবহুল ইউরোপীয় শহর এবং বিশ্বের ১৫তম বৃহত্তম শহর।
- এর পুরোনো নাম কন্সটান্টিনোপল।
 -এছাড়া এটি বাইজান্টিয়াম নামেও পরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.

২,০৫৫.
Quad এর সদস্য নয় কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• কোয়াড (Quad):
- Quadrilateral Security Dialogue যা সংক্ষেপে কোয়াড।
- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত এই চারটি দেশের জোট হচ্ছে কোয়াড।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২০২৫ সালে কোয়াডের পররাষ্ট্র পর্যায়ের সামিট ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। 
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।

উৎস: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট
২,০৫৬.
আব্রাহাম অ্যাকর্ড কোন দেশ উত্থাপন করেন-
  1. রাশিয়া
  2. ইসরাইল
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি:
⇒ আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তি হল ইসরায়েল এবং বেশ কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত একাধিক চুক্তির সিরিজ। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত , বাহরাইন এবং মরক্কোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি । কাজাখস্তানও আব্রাহিম চুক্তিতে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের সাথে আবর দেশগুলো শান্তি স্থাপনের অংশ হিসেবে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ইসরাইলকে স্বীকৃতি ও দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট এবং ব্রিটানিকা।
২,০৫৭.
নিম্নের কোনটিকে কেন্দ্র করে ইরাক-ইরান যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. শিয়া-সুন্নি ধর্মীয় বিরোধ
  2. শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকার
  3. সাদ্দাম হোসেনের শাসনপ্রতিষ্ঠা
  4. লোহিত সাগরে শাসনপ্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকার
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।

উল্লেখ্য,
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয়।

উৎস: Britannica.
২,০৫৮.
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?(আগস্ট, ২০২৫)
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ৩০টি
  4. ৩২টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

২,০৫৯.
কোন দেশ দুটির মধ্যকার সংঘাত ইতিহাসে 'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' নামে পরিচিত?
  1. ক) ইসরায়েল ও মিসর
  2. খ) মিসর ও ফিলিস্তিন
  3. গ) ফিলিস্তিন ও জর্ডান
  4. ঘ) ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
গ) ফিলিস্তিন ও জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিলিস্তিন ও জর্ডান
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন ও জর্ডানের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ হয় ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে, যা ইতিহাসে আইলুল আল-আসওয়াদ বা  ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামে পরিচিত।
১০ দিনের এই যুদ্ধে পিএলও এর বহু নেতাকর্মী নিহত হয় এবং জর্ডান থেকে বহু ফিলিস্তিনিদেকে উচ্ছেদ করা হয়।
এর প্রতিবাদস্বরূপ ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামক গেরিলা সংগঠনটির উদ্ভব হয়।
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর কোন স্বাধীনতাকামী সংগঠন নয়, মূলত একটি গেরিলা সংগঠন।
 
উৎস: ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট। 
২,০৬০.
‘বুবি ট্র্যাপ’ কী?
  1. গোপন তথ্য
  2. বিস্ফোরক ফাঁদ
  3. সাইবার আক্রমণ
  4. গ্যাস লিংক
সঠিক উত্তর:
বিস্ফোরক ফাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিস্ফোরক ফাঁদ
ব্যাখ্যা
• ‘বুবি ট্র্যাপ’ হলো- বিস্ফোরক ফাঁদ। 

• ‘বুবি ট্র্যাপ’:
- ‘বুবি ট্র্যাপ’ হলো একটি ডিভাইস বা তৈরি করা ফাঁদ, মানুষ বা অন্য প্রাণীকে হত্যা বা ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা হয়।
- সম্প্রতি, লেবাননের সীমান্ত এলাকাজুড়ে ছোট কৌশলগত ইউনিট দিয়ে প্রায় এক বছর ধরে ইসরায়েলের বিশেষ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে।
- হিজবুল্লাহর অবকাঠামো খুঁজে পেতে ও ধ্বংস করতে তারা ৭০টির বেশি তল্লাশি চালিয়েছে।

সূত্র:
- ব্রিটানিকা, প্রথম আলো।
২,০৬১.
‘নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নির্মূলের সনদ (CEDAW)’ এর ধারার সংখ্যা-
  1. ক) ২৩
  2. খ) ২৬
  3. গ) ২৮
  4. ঘ) ৩০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০
ব্যাখ্যা
CEDAW সনদঃ
১৯৭৯ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নারীদের প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নিরসের উদ্দেশ্যে CEDAW সনদ গৃহিত হয়।
- ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রয়ােজনীয় ২০ টি দেশ অনুমােদন করায় সনদটি কার্যকর হয়।
- এই সনদে ৩০ টি ধারা রয়েছে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর CEDAW সনদ অনুমােদন করে।
উৎসঃ জাতিসংঘ এর ওয়েবসাইট।
২,০৬২.
’অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ কোন দুটি দেশের যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইরান-ইরাক
  2. চীন-জাপান
  3. রাশিয়া-ইউক্রেন
  4. ইসরায়েল-ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
• হামাস কর্তৃক ইসরায়েল অভিযান:
- হামাস ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন।
- ৭ অক্টোবর, ২০২৩ ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়।
- গাজা উপত্যকা থেকে হামাস কর্তৃক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযানের নাম 'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড'।
- ইসরায়েলের বন্দর শহর তেল আবিবের উত্তরে পর্যন্ত রকেট হামলা করা হয়েছে।
- সেই সাথে হামাসের সশস্ত্র বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের দক্ষিণে।

উৎস: আল জাজিরা।
২,০৬৩.
বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২৪:
- বর্তামান সর্বাধিক জনবহুল দেশ ভারত। [মে, ২০২৫]
- মোট জনসংখ্যা: ১,৪৬৩.৯ মিলিয়ন।
- ২য় জনবহুল দেশ: চীন।
- জনসংখ্যা: ১,৪১৬.১ মিলিয়ন।
- তৃতীয় জনবহুল দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- জনসংখ্যা: ৩৪৭.৩ মিলিয়ন।
- চতুর্থ জনবহুল দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- জনসংখ্যা: ২৮৫.৭ মিলিয়ন।
- পঞ্চম জনবহুল দেশ পাকিস্তান।
- জনসংখ্যা: ২৫৫.২ মিলিয়ন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।

উৎস: World Population review. [Link]
২,০৬৪.
ইন্টারপোল এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Crime Policing Office
  2. International Common Police Organization
  3. International Criminal Police Organization
  4. International Cooperative Police Operation
সঠিক উত্তর:
International Criminal Police Organization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Criminal Police Organization
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (INTERPOL):
- ইন্টারপোল এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization. 
- ইন্টারপোল হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা অপরাধ তদন্ত ও অপরাধী ধরতে বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।
- ইন্টারপোল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয় বরং এটি অপরাধ তদন্তে সহায়ক একটি মাধ্যম, যা বৈশ্বিক পুলিশ বাহিনীগুলোকে সংযুক্ত করে।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯২৩ সালে, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৯৬টি।
- মূল লক্ষ্য: আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রমকারী অপরাধ (যেমন মানব পাচার, সাইবার ক্রাইম, মাদক চোরাচালান, ওয়ার্ল্ড ক্রাইম) প্রতিরোধ এবং দমন।
- রেড নোটিশ: ইন্টারপোলের গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

উৎস: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
২,০৬৫.
নিচের কোনটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা নয়?
  1. Federal Bureau of Investigation
  2. Defense Intelligence Agency
  3. Secret Intelligence Service
  4. Fairfax
সঠিক উত্তর:
Secret Intelligence Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Secret Intelligence Service
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা:
• যুক্তরাষ্ট্র:
- Central Intelligence Agency (CIA),
- Defense Intelligence Agency (DIA),
- Fairfax,
- Federal Bureau of Investigation (FBI).

• বাংলাদেশ:
- National Security Intelligence (NSI),
- Criminal Investigation Department (CID),
- Detective Branch (DB).

• ভারত:
- Research and Analysis Wing (RAW),
- Central Bureau of Investigation (CBI).

• পাকিস্তান:
- Inter-Services Intelligence (ISI),
- Federal Investigation Agency (FIA).

• রাশিয়া:
- Federal Security Service (FSB).

• শ্রীলংকা:
- National Intelligence Bureau (NIB).

• যুক্তরাজ্য:
- M16/ Secret Intelligence Service (SIS).
- Military Intelligence, Section 6 (MI6).

• ইসরায়েল:
- MOSSAD.

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
২,০৬৬.
'নাইচো' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. জাপান
  2. চীন 
  3. দক্ষিন কোরিয়া
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

• “নাইচো”:
- “নাইচো” বা পাবলিক সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (PSIA) হলো জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা।
- এই সংস্থা বিচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- সংস্থাটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, রাজনৈতিক চরমপন্থা পর্যবেক্ষণ এবং জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সরকারকে সহায়তা করে।
- এটিকে জাপানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কাঠামোর একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

অন্যদিকে, 
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (CIA) বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে পরিচিত। 
- এটি জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত গোপন তথ্য সংগ্রহ এবং অধ্যয়ন করে মার্কিন সরকারকে বিদেশী দেশ এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।
• দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা হলো- NIS (National Intelligence Service).
• চীনের গোয়েন্দা সংস্থা হলো- MSS (Ministry of State Security).

উৎস: Britannica.

২,০৬৭.
কোন বছরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়?
  1. ১৯১৬ সাল
  2. ১৯১৫ সাল
  3. ১৯১৭ সাল
  4. ১৯১৪ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯১৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৭ সাল
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪–১৯১৮) 
- এটি ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ আন্তর্জাতিক সংঘাত, যেখানে ইউরোপের প্রায় সব দেশ ছাড়াও এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ অংশ নেয়। - একদিকে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি ও তুরস্কের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় শক্তি,
- আরেকদিকে ছিল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান ও পরে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্রশক্তি।

- যুদ্ধের সূচনা হয় ১৯১৪ সালের ২৮ জুন, যখন সারায়েভোতে বসনিয়ান সার্ব গ্যাভ্রিলো প্রিন্সিপ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ডকে হত্যা করে।
- অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে পরপর জোট বাঁধা দেশগুলো এতে জড়িয়ে পড়ে। ইংল্যান্ড বেলজিয়াম আক্রমণের পর যুদ্ধে যোগ দেয়, এবং বছরের শেষ নাগাদ পশ্চিম ফ্রন্টে পরিখা যুদ্ধ শুরু হয়।

- ১৯১৫ সালের ২৬শে এপ্রিল লন্ডন চুক্তি স্বাক্ষরের পর, ইতালি মিত্রবাহিনীতে যোগ দিতে সম্মত হয়। ২৩শে মে তারা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। 
-১৯১৭ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারী জার্মানির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর, অব্যাহত সাবমেরিন আক্রমণ অবশেষে ৬ই এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য করে।

- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে মোট ৪ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি সৈন্য ও বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারায়, যা একে ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

উৎস: worldatlas.com.
২,০৬৮.
'জোট নিরপেক্ষতা' বলতে প্রকৃত অর্থে কী বুঝায়?
  1. কঠোর নিরপেক্ষতা
  2. ‘ন্যাটো জোট’ বিরোধিতা
  3. গতিশীল নিরপেক্ষতা
  4. কম্যুনিস্ট বিরোধী অবস্থান
সঠিক উত্তর:
গতিশীল নিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতিশীল নিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা
‘জোট নিরপেক্ষতা’ বলতে কি বুঝায়, তা নিয়ে অনেক সময় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
অনেকে জোট নিরপেক্ষতাকে ‘নিরপেক্ষতা’ ও ‘নিরপেক্ষতা নীতিবাদের’ (Neutralism) সমার্থক ধারণারূপে ব্যাখ্যা
করেন।
অধ্যাপক বার্টনের মতে, জোট নিরপেক্ষতা হল এমন এক নীতি যার মাধ্যমে কোন রাষ্ট্র সমাজতান্ত্রিক বা ধনতান্ত্রিক কোন জোটেই যোগদান করে না। অর্থাৎ তৎকালীন সোভিয়েত বা মার্কিন কোন জোটে যোগদান না করে উভয় জোটের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে নিরপেক্ষ এবং স্বাধীনভাবে
কোন আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাই হচ্ছে জোট নিরপেক্ষতা।
জোট নিরপেক্ষতা বলতে কঠোর নিরপেক্ষতা বুঝায় না বরং গতিশীল নিরপেক্ষতা (Dynamic neutrality) বুঝায়।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উদ্ভুত বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোর নিজস্ব মতামত
থাকে এবং কোন সামরিক জোটে যোগ না দিয়ে নিজেদের উদ্যোগে ঐসব বিরোধ মীমাংসা চেষ্টা করে।

উৎস: বিএ ও বিএসএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০৬৯.
পিএলও ও ইসরাইলের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি-
  1. ক) বেলফাস্ট চুক্তি
  2. খ) ডেটন চুক্তি
  3. গ) অসলো চুক্তি
  4. ঘ) ফ্রাইডে চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
- অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় পিএলও ও ইসরাইলের মধ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সালে।
- এই চুক্তির মধ্যস্থতাকারী বিল ক্লিনটন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে পিএলও ও ইসরাইল পরস্পরকে স্বীকৃতি দেয়। 
- উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে।
- এই চুক্তির পক্ষদ্বয়ও ছিল পিএলও ও ইসরাইল। 
- ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বসনিয়া সংকট নিরসনে ১৯৯৫ সালে বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায়।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২,০৭০.
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কোন দেশ ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্য ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অ্যামনেস্টির সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বর্তমান মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।
- অ্যামনেস্টির প্রথম নারী ও এশীয় মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আইরিন জুবাইদা খান (২০০১-২০০৯)।
 - অ্যামনেস্টির বর্তমান (২০২৪) মহাসচিব ডাঃ অ্যাগনেস ক্যালামার্ড (Dr Agnès Callamard)।
 
উৎস: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।
২,০৭১.
'হিজবুল্লাহ' কোন দেশভিত্তিক সামরিক সংগঠন?
  1. সিরিয়া
  2. লেবানন
  3. জর্ডান
  4. লিবিয়া 
সঠিক উত্তর:
লেবানন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেবানন
ব্যাখ্যা

• হিজবুল্লাহ:
- লেবাননের শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত সামরিক সংগঠন হচ্ছে হিজবুল্লাহ।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- সংগঠনটি মূলত ইসলামিক জাতীয়তাবাদ, ইহুদিবাদ বিরোধী ও পশ্চিমা সংস্কৃতি বিরোধী।
- হিজবুল্লাহ লেবাননে একটি শক্তিশালী গ্যারিলা গ্রুপের জন্ম দিয়েছে।
- এজন্য হিজবুল্লাহকে বলা হয় 'রাষ্ট্রের ভেতরে আলাদা রাষ্ট্র'।
- হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারে প্রতিনিধিত্ব করছে।
- ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের সাথে বড় ধরনের যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও আল জাজিরা পত্রিকা। 

২,০৭২.
‘International Atomic Energy Agency (IAEA)’ এর প্রস্তাবক ছিলেন কে?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. হ্যান্স ব্লিক্স 
  3. জন এফ. কেনেডি
  4. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা

IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৮০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।

⇒ IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- IAEA-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- মোহাম্মদ এল বারাদি মিশরের নাগরিক। 
- তিনি ১৯৯৭ - ২০০৯ সাল পর্যন্ত IAEA এর চতুর্থ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার 'International Atomic Energy Agency (IAEA)'- এর প্রস্তাবক ছিলেন।
- তিনি ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘে 'Atoms for Peace' নামক একটি উদ্যোগের আওতায় পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে পরমাণু শক্তি শুধুমাত্র অস্ত্র হিসেবে নয়, বরং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে, এমন একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে IAEA প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।

২,০৭৩.
CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কোথায়?
  1. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. অটোয়া,কানাডা
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ,
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

২,০৭৪.
গ্যাট চুক্তি কবে সাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৬ সালে
  2. খ) ১৯৪৭ সালে
  3. গ) ১৯৪৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩০ অক্টোবর গ্যাট বা জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ এন্ড ট্রেড সাক্ষরিত হয়। এটি কার্যকর হয় ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারী। এতে প্রাথমিক ভাবে ২৩ টি দেশ স্বাক্ষর করে। এর লক্ষ্য ছিলো বিশ্ব বাণিজ্যে শুল্কহার কমিয়ে আনা। ১৯৯৫ সালের ১ জানুায়ারী গ্যাট এর স্থলে ডব্লিউটিও বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গঠিত হয়। এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য জোট। (সূত্রঃ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)
২,০৭৫.
নিচের কোনটি গেরিলা সংগঠন নয়?
  1. ক) ফার্ক
  2. খ) গডস আর্মি
  3. গ) বোকো হারাম
  4. ঘ) আমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমান
ব্যাখ্যা
- ফার্ক: কলম্বিয়ার গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি: মিয়ানমারের গেরিলা সংগঠন।
- বোকো হারাম: নাইজেরিয়ার গেরিলা সংগঠন।
- আমান: ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা।


তথ্যসূত্র:  সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২,০৭৬.
নিচের কোন চুক্তিটি বর্তমানে বিলুপ্ত?
  1. ক) এপেক
  2. খ) নাফটা
  3. গ) ওয়ারশ প্যাক্ট
  4. ঘ) NPT
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়ারশ প্যাক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়ারশ প্যাক্ট
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত হয়েছে ।
- পূর্ব ইউরোপের ৮ টি কমিউনিস্ট দেশের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি ।
- ১৯৫৫ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের উদ্যোগে পোল্যান্ডে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার সাথে সাথে চুক্তিটি বিলুপ্ত হয় ।

সূত্র: Britannica.com

২,০৭৭.
সাভাক (SAVAK) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ছিল?
  1. ইরান
  2. ইসরায়েল
  3. পাকিস্তান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
সাভাক (SAVAK):
- সাভাক (SAVAK) ইরানের একটি গোয়েন্দা সংস্থা ছিল।
- এটি ইরানের মোহাম্মদ রেজা শাহ'র শাসনামলে গঠিত হয় এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- যুক্তরাষ্ট্র: Central Intelligence Agency (CIA), Defense Intelligence Agency (DIA), Fairfax, Federal Bureau of Investigation (FBI)।
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- যুক্তরাজ্য: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.

উৎস: Britannica.
২,০৭৮.
গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. মেনাখেম বেগিন
  2. ডেভিড বেনগুরিয়ন
  3. মোশে দায়ান
  4. শিমন পেরেস
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেনগুরিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড বেনগুরিয়ন
ব্যাখ্যা

• মোসাদ:
- মোসাদ ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- হিব্রু ভাষায় ‘মোসাদ’ শব্দের অর্থ ‘ইনস্টিটিউট’ বা প্রতিষ্ঠান।

- মোসাদ কাজ করে তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে।
- এর পরিচালক সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
- মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, মোসাদের ওয়েবসাইড ও বাংলাদশ প্রতিদিন। 

২,০৭৯.
কোন দেশটি কোয়াড এর অন্তর্ভুক্ত নয়? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. ভারত
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• কোয়াড (Quad):
- QUAD-এর পূর্ণরূপ হলো Quadrilateral Security Dialogue.
-কোয়াডের সদস্যদেশ: যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত ।(জানুয়ারি, ২০২৫)।
- ২০০৭ সালে কোয়াড গঠনের পর দীর্ঘদিন এর কোন তৎপরতা না থাকলেও ১২ নভেম্বর ২০১৭ এক বৈঠকের মাধ্যমে কোয়াড আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত ‘ভারত মহাসাগর’ ও ‘প্রশান্ত মহাসাগরে’ নৌপথে অবাধ চলাচল বা স্বাধীন চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই জোট গঠিত হয়।
- কোয়াড এর মূল উদ্দেশ্য চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক অগ্ৰযাত্রা প্রতিহত করা।

উৎস: অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
২,০৮০.
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. জওহরলাল নেহেরু
  2. কোয়ামে নক্রমা
  3. মার্শাল টিটো
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM):
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement.
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৫টি।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যাম-এর সদস্য পদ লাভ করে।

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) প্রতিষ্ঠাতা-
- যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি মার্শাল টিটো, ঘানার রাষ্ট্রপতি কোয়ামে নক্রমা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি ড. সুকর্ণ।
- একে বলা হতো পঞ্চ-উদ্যোগ।

উল্লেখ্য,
- প্রথম সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে তৎকালীন যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
২,০৮১.
ওসামা বিন লাদেন কোন শহরে নিহত হন?
  1. শাহীয়াল
  2. লন্ডি কোটাল
  3. আলিজাই
  4. অ্যাবোটাবাদ
সঠিক উত্তর:
অ্যাবোটাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাবোটাবাদ
ব্যাখ্যা
• ওসামা বিন লাদেন
- জন্ম ১৯৫৭ সালে, রিয়াদ , সৌদি আরব
- জঙ্গি ইসলামি সংগঠন আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা।
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র ও টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা, যাতে স্তম্ভিত হয়ে যায় পুরো বিশ্ব।
হামলায় প্রাণ হারায় তিন হাজারের বেশি মানুষ।
- নজিরবিহীন ওই হামলার পর আল–কায়েদার নেতা ওসামা বিন লাদেন আমেরিকানদের চোখে বিশ্বের শীর্ষ সন্ত্রাসী হয়ে ওঠেন। 
- তাঁকে ধরতে পরের মাসেই আফগানিস্তানে অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।
- এর এক দশক পর পাকিস্তানের একটি বাড়িতে মার্কিন কমান্ডোদের অভিযানে নিহত হন ওসামা বিন লাদেন।
-২ মে, ২০১১ সালে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামবাদের ১২০ কি.মি. উত্তরে অবস্থিত অ্যাবোটাবাদ শহরে মার্কিন কমান্ডো হামলায় ওসামা বিন লাদেন নিহত হন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,০৮২.
Which war was ended by the Treaty of Westphalia?
  1. Korean War
  2. Vietnam war
  3. Yom Kippur War
  4. Bosnian War
  5. Thirty Years' War
সঠিক উত্তর:
Thirty Years' War
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thirty Years' War
ব্যাখ্যা
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মাধ্যমে ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের অবসান ঘটে।

Thirty years war:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: Britannica.
২,০৮৩.
নাগর্নো-কারাবাখ কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. জর্জিয়া ও আর্মেনিয়া
  2. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  3. রাশিয়া ও তুরস্ক
  4. আর্মেনিয়া ও জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

২,০৮৪.
ULFA -এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Union Liberation Front of Asansol
  2. খ) United Liberation Front of Afghanistan
  3. গ) Union Liberation Front of Austria
  4. ঘ) United Liberation Front of Assam
সঠিক উত্তর:
ঘ) United Liberation Front of Assam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) United Liberation Front of Assam
ব্যাখ্যা
United Liberation Front of Assam (ULFA)

- আসামের একটি বিদ্রোহী সংগঠন।
- ভারত ফেডারেশন থেকে আসামের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- প্রতিষ্ঠা: ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯।
- প্রতিষ্ঠাতা: পরেশ বড়ুয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া, অনুপ চেটিয়া প্রমুখ।
- মহাসচিব: অনুপ চেটিয়া।
- ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- ২০১১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর উলফার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা না করার জন্য ভারত সরকার, আসাম সরকার ও উলফার মধ্যে একটি ত্রিমুখী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২,০৮৫.
“জাপানের প্রাক-শিল্পাঞ্চল যুগের ঐতিহ্যবাহী যোদ্ধা” বলতে কাকে বোঝানো হয়?
  1. নিনজা
  2. সামুরাই
  3. শোগুন
  4. রোনিন
সঠিক উত্তর:
সামুরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামুরাই
ব্যাখ্যা

• সামুরাই:
- সামুরাইরা ছিলেন জাপানের প্রাক-শিল্প যুগের সামরিক অভিজাত যোদ্ধা শ্রেণি।
- তাদেরকে ‘বুশি’ নামেও ডাকা হতো। 
- তারা স্থানীয় অভিজাতদের অধীনে যুদ্ধ পরিচালনা, সুরক্ষা প্রদান এবং শাসনব্যবস্থাকে কার্যকর রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
 - জাপানের ইতিহাসে এমন এক সময় ছিল যখন বাস্তব ক্ষমতা শোগুনের হাতে ছিল এবং
- সম্রাট কেবল আনুষ্ঠানিক শাসক হিসেবে বিদ্যমান ছিলেন।
- সেই সময় সামুরাইদের সামাজিক অবস্থান ছিল অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ।
-  তাদের প্রধান অস্ত্র ছিল কাতানা তরবারি, যা শুধু যুদ্ধের উপকরণ নয়—বরং সম্মান, গৌরব ও পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো।
- পাশাপাশি তারা ইউরিকাবুতো নামে বিশেষ বর্ম ও কাবুতো হেলমেট ব্যবহার করত, যা প্রতিরক্ষা ছাড়াও তাদের সামাজিক মর্যাদাকে প্রতিফলিত করত।

উল্লেখ্য, 
- যুদ্ধের সময় তারা দক্ষ ও প্রশিক্ষিত যোদ্ধা হিসেবে কাজ করলেও এডো যুগে (১৬০৩–১৮৬৭) দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ফলে তাদের ভূমিকা ধীরে ধীরে আমলাতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে পরিবর্তিত হয়।
- যদিও পরবর্তীকালে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের কারণে তাদের ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র ব্যবহার অপ্রচলিত হয়ে পড়ে। 
- আজ জাপানে তরবারি বহন আইনত নিষিদ্ধ - তবুও সামুরাইদের শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, কর্তব্যবোধ ও সংস্কৃতি এখনও জাপানের সমাজ, শিল্প, নীতি ও জীবনধারায় গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।

উৎস: Britannica.

২,০৮৬.
চৌদ্দ দফা কোন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ঘোষনা করেন?
  1. থিওডোর রুজভেল্ট
  2. উড্রো উইলসন
  3. হার্বার্ট হুভার
  4. ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
 • চৌদ্দ দফা:
- চৌদ্দ দফা ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের ৮ জানুয়ারি, ১৯১৮ সালে কংগ্রেসে প্রদত্ত একটি ভাষণ।
- যেখানে তিনি বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৪টি মূলনীতি উপস্থাপন করেন।
- এর মধ্যে ছিল সমুদ্রের স্বাধীন নৌগমন, জাতিস্বাধীনতার স্বীকৃতি, সামরিক নির্মূলকরণ, এবং জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,০৮৭.
CIA এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভার্জিনিয়া
  2. ওয়াশিংটন ডিসি
  3. ক্যালিফোর্নিয়া
  4. নিউ ইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
ভার্জিনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্জিনিয়া
ব্যাখ্যা
CIA:
- পূর্ণরূপ- Central Intelligence Agency.
- CIA হল একটি মার্কিন সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা, যা বিদেশি দেশ এবং বৈশ্বিক বিষয়গুলির ওপর নিরপেক্ষ গোয়েন্দা তথ্য প্রদান করে।
- এই তথ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এবং অন্যান্য নীতিনির্ধারকদের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- CIA মূলত বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - CIA ওয়েবসাইট।
২,০৮৮.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
• তাসখন্দ চুক্তি (Tashkent Agreement): 
- তাসখন্দ চুক্তি ছিল একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• স্বাক্ষরের তারিখ ও স্থান:
- তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
- স্থান: তাসখন্দ, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান উজবেকিস্তান)।

• প্রধান অংশগ্রহণকারীরা:
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত নেতা আলেক্সি কোসিগিন।
- ১৯৬৫ সালের আগস্ট মাসে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হয়।

• চুক্তির মূল ধারা:
- উভয় পক্ষ পূর্ব অবস্থানে ফিরে যাবে এবং সামরিক কার্যকলাপ বন্ধ রাখবে।
- দূতাবাস পুনরায় খুলে উভয় দেশের মধ্যে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করা হবে।
- ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলি সমাধান করা হবে।
- যে কোনো দ্বন্দ্ব কেবলমাত্র দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করা হবে, তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই।

উল্লেখ্য,
- চুক্তি সই হওয়ার  পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন,
- যা নিয়ে এখনও বিতর্ক ও তত্ত্ব চালু আছে।
- যদিও যুদ্ধ শেষ হয়, তবে উভয় দেশের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যু অমীমাংসিত থেকেই যায়।
- এই চুক্তি ভবিষ্যতের শিমলা চুক্তির (১৯৭২) ভিত্তি তৈরি করে।

 উৎস:  Britannica.com ও WorldAtlas.com.
২,০৮৯.
কোন জেনেভা কনভেনশনটি সমুদ্রের যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের সুরক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত?
  1. ১ম জেনেভা কনভেনশন (১৮৬৪)
  2. ২য় জেনেভা কনভেনশন (১৯০৬)
  3. ৩য় জেনেভা কনভেনশন (১৯২৯)
  4. ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন (১৯৪৯) 
সঠিক উত্তর:
২য় জেনেভা কনভেনশন (১৯০৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় জেনেভা কনভেনশন (১৯০৬)
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

২,০৯০.
অটোয়া চুক্তির বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপসাধন
  2. খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. গ) প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ
  4. ঘ) বণ্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি: 
- এর অন্য নাম অটোয়া চুক্তি। 
- কানাডার অটোয়া তে ১৯৯৭ সালের ৩রা জুন চুক্তি টি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ১ লা মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়। 
- চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, উত্তর কোরিয়া, ইরান, ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ দেশ চুক্তি টি স্বাক্ষর করেনি। 
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হল এই চুক্তির উদ্দেশ্য। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২,০৯১.
নারী অধিকার বিষয়ক ইউরোপীয় সনদটি কি নামে পরিচিত?
  1. ক) Paris Convention
  2. খ) Istanbul Convention
  3. গ) CEDAW Convention
  4. ঘ) London Convention
সঠিক উত্তর:
খ) Istanbul Convention
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Istanbul Convention
ব্যাখ্যা
ইস্তাম্বুল সনদ (Istanbul Convention) এর আনুষ্ঠানিক নাম - Council of Europe Convention on Preventing and Combating Violence against Women and Domestic Violence.
- এটি আঞ্চলিক বৈষম্য বিলোপকারী সনদ/চুক্তি।
- জাতিসংঘের নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ সংক্রান্ত কমিটি CEDAW এর উদ্যোগে ২০১১ সালে চুক্তিটি ইউরোপের দেশগুলোর স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- ২০২১ সাল পর্যন্ত ৩৫টি ইউরোপীয় দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করে।
- ২০২১ সালের মার্চে নারী অধিকার নিয়ে ইউরোপের ঐতিহাসিক সনদ 'ইস্তাম্বুল সনদ' থেকে তুরস্ক নিজেদের প্রত্যাহার করে নিলে এটি আবার আলোচনায় আসে।

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
২,০৯২.
'হিযবুত তাহরীর' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. আতা আবু রাশতা
  2. তাকিউদ্দীন আন-নাবহানী
  3. খমিনি
  4. শায়েখ আব্দুর রহমান
সঠিক উত্তর:
তাকিউদ্দীন আন-নাবহানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকিউদ্দীন আন-নাবহানী
ব্যাখ্যা
হিযবুত তাহরীর:
- হিযবুত তাহরীর একটি ইসলামি মতাদর্শ ভিত্তিক রাজনৈতিক দল।
- নেতা: শায়েখ আতা আবু রাশতা।
- প্রতিষ্ঠাতা: শায়েখ তাকিউদ্দীন আন-নাবহানী।
- প্রতিষ্ঠা: ১৪ মার্চ,১৯৫৩।
- সদর দপ্তর: জেরুজালেম, ফিলিস্তিন।
- ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ ৩২টি দেশে কাজ করে।
- হিযবুত তাহরীর পাকিস্তানসহ বিশ্বের ১৮টি দেশে নিষিদ্ধ। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ২০০১ সাল হতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ দলটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে। 
- ২০০৯ সালের ২২শে অক্টোবর বাংলাদেশের স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক জননিরাপত্তার স্বার্থে কারণ দেখিয়ে এ দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়। 

উৎস: i) The Guardian.
         ii) ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬, বিবিসি বাংলা।
২,০৯৩.
ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহীগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) তানজিম আল জিহাদ
  2. খ) হরকাতুল মুজাহিদিন
  3. গ) হুথি আনসারুল্লাহ
  4. ঘ) হিজবুত তাহরীর
সঠিক উত্তর:
গ) হুথি আনসারুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হুথি আনসারুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহীগোষ্ঠী হলো জনপ্রিয় হুথি আনসারুল্লাহ। হুথিদের বাস মূলত উত্তর ইয়েমেনে। এরা মুসলিম শিয়া মতাবলম্বী জনগোষ্ঠী। এদের প্রথম উথান ঘটে ১৯৮০ সালের দিকে।
২০১১ সালে আরব বসন্তের পর সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের সাথে এদের বনিবনা না হওয়ায় এরা রাজধানী সানাসহ দেশের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেয়। এতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে সামরিক হামলা শুরু করে। এর মাধ্যমে শুরু হয় ইয়েমেনের চলমান গৃহযুদ্ধ। এই যুদ্ধে হুথি বিদ্রোহীরা ইরান সরকারের নিকট হতে সামরিক, আর্থিক ও রাজনৈতিক সাপোর্ট পেয়ে আসছে।
(সূত্রঃ ডয়েচেভেলে)
২,০৯৪.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে 'modus vivendi' বলতে বোঝায় -
  1. অস্থায়ী চুক্তি
  2. শরণার্থী শিবির
  3. যুদ্ধের দেশ
  4. বাফার দেশ
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুক্তি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে, "Modus vivendi" শব্দটি একটি অস্থায়ী চুক্তি বোঝায়।

Modus vivendi:
- Modus vivendi' একটি লাতিন শব্দ, যার মানে 'যেভাবে জীবন যাপন করা যায়'।
- আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে "Modus vivendi" শব্দটি একটি অস্থায়ী বা সাময়িক চুক্তি বা সমঝোতা বোঝায়, যা দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে সাময়িক শান্তি বা সহযোগিতা স্থাপন করার জন্য করা হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যা দীর্ঘমেয়াদী সমাধান না হলেও, পক্ষগুলির মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সহনশীল সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়তা করে।

⇒ "Modus vivendi" সাধারণত কোনো পক্ষের মধ্যে বিরোধ বা সংঘাতকে সাময়িকভাবে শান্ত করার জন্য তৈরি করা হয় এবং এটি কোনো স্থায়ী সমাধান বা আইনগত বাধ্যবাধকতার পরিবর্তে এক ধরণের কৌশলগত সমঝোতা হতে পারে।
- যখন দুই দেশ তাদের মধ্যকার কিছু বৈষম্য বা বিরোধ মেটাতে কোনো স্থায়ী চুক্তি না করে, তবে তারা একে অপরের সাথে একটি 'modus vivendi' গড়ে তুলতে পারে, যা তাদের সম্পর্ক সাময়িকভাবে স্থিতিশীল রাখে।

উৎস: i) Educalingo.
ii) Cambridge Dictionary.
২,০৯৫.
সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. জাপান-রাশিয়া
  2. চীন-জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া- উত্তর কোরিয়া
  4. রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন-জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন-জাপান
ব্যাখ্যা

 সেনকাকু  দ্বীপ:
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু। 
- দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের।
- বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে 'সেনকাকু' ও চীনের কাছে 'দিয়াওয়ু' নামে পরিচিত।
সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর, জাপানি নাগরিকরা দ্বীপগুলিতে বসতি স্থাপন করে।

• কয়েকটি বিরোধপূর্ণ দ্বীপ:
- স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত। চীন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ফিলিপাইনস, মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত। চীন-ভিয়েতনাম  মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। রাশিয়া-জাপান মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- হ্যান্স দ্বীপ আর্কটিক মহাসাগরে অবস্থিত। কানাডা-ডেনমার্ক (গ্রিনল্যান্ড) মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

২,০৯৬.
'ভেলভেট ডিভোর্স' কোন দুটি দেশের সাথে জড়িত?
  1. সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রো
  2. চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া
  3. স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  4. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া
ব্যাখ্যা

• ভেলভেট ডিভোর্স:
- “Velvet Divorce” বলতে বোঝায় ১৯৯২ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার শান্তিপূর্ণ বিভাজন।
- এই বিচ্ছেদে চেকোস্লোভাকিয়া দুইটি স্বাধীন দেশে ভাগ হয় — চেক প্রজাতন্ত্র এবং স্লোভাকিয়া। 
- এই ঘটনা “Velvet Revolution” এর পর আসে, যেখানে ১৯৮৯ সালে এক দ্রুত ও অহিংস রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছিল।

•ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution):
- সংঘটন কাল: ১৭ নভেম্বর - ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সাল।
- সংঘটন স্থান – চেকোস্লোভাকিয়া (বর্তমানে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া)।
- বিপ্লবের কারন - কমিউনিস্ট শাসন থেকে মুক্তি ও সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার জন্য ছাত্র-জনতার শান্তিপুর্ণ আন্দোলন। এই বিপ্লবকে Gentle Revolution-ও বলা হয়ে থাকে।    

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,০৯৭.
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় পিএলও ও ইসরায়েলের মধ্যে কোন চুক্তি সম্পাদিত হয়?
  1. অসলো চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  4. মোলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
২,০৯৮.
OSCE-এর পূর্ণরূপ -
  1. Organisation for Systematic Co-Operation in Europe
  2. Organisation for Security and Co-Operation in Europe
  3. Office for Security and Cultural Exchange
  4. Organisation for Standardised Co-Operation in Europe
সঠিক উত্তর:
Organisation for Security and Co-Operation in Europe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Organisation for Security and Co-Operation in Europe
ব্যাখ্যা
OSCE:
- OSCE-এর পূর্ণরূপ: The Organisation for Security and Co-Operation in Europe.
- এটি হলো ইউরোপের বৃহত্তম আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংগঠন।
- সদস্য: ৫৭টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালে (হেলসিঙ্কি চুক্তির মাধ্যমে)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাসচিব: ফেরিদুন এইচ. সিনিরলিওগলু (তুর্কিয়ে)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০-এর দশকের ডিটেনটে পর্বে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংলাপের জন্য Conference on Security and Cooperation in Europe (CSCE) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের হেলসিঙ্কি চুক্তি CSCE-কে একটি বহুপাক্ষিক ফোরাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যা রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল।
- ১৯৯০ সালের প্যারিস শীর্ষ সম্মেলনে CSCE নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- এরপর, ১৯৯৪ সালে বুদাপেস্ট শীর্ষ সম্মেলনে CSCE এর নাম পরিবর্তন করে OSCE রাখা হয়।

উৎস: OSCE ওয়েবসাইট।
২,০৯৯.
'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম কী?
  1. সানিংডেল চুক্তি
  2. ডাউনিং স্ট্রিট ঘোষণা
  3. স্টর্মন্ট চুক্তি
  4. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গুড ফ্রাইডে চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুড ফ্রাইডে চুক্তি
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,১০০.
নিচের কোনটি জি-৭ ভুক্ত দেশ নয়?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) নেদারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেদারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• Group of Seven(G - 7) এর সদস্য নয় নেদারল্যান্ড।
জি৭ (গ্রুপ অব সেভেন) হচ্ছে জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি সংঘ।
• ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জি৭ এ প্রতিনিধিত্ব করে। এই সাতটি দেশ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল স্বীকৃত বিশ্বের সাতটি মূল উন্নত অর্থনীতির দেশ।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।