উত্তর
ব্যাখ্যা
অন্যদিকে,
দমন করা যায় না যাকে = অদম্য;
নিবারণ করা যায় না যা = অনিবার্য।
কেউ যা জানে না = অজ্ঞাত/অজানা।
উৎস: ভাষাশিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৬১ / ৮১ · ৬,০০১–৬,১০০ / ৮,১৭১
যা সারাদিন ব্যবহার করা হয় - আটপৌরে
যা পূর্বে ছিল এখন নেই - ভূতপূর্ব
যা উড়ছে - উড্ডীয়মান
যা বর্ণনা করা যায় না - অবর্ণ্নীয়
উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা দ্বিতীয় পত্র (দ্বাদশ শ্রেণি)।
• 'হাড়হদ্দ' বাগ্ধারার অর্থ- সবকিছু।
বাক্য- তোমার হাড়হদ্দ সবই আমার জানা আছে।
অন্যদিকে,
• 'হাড়ে হাড়ে' অর্থ - গভীরভাবে।
• 'পথে বসা' অর্থ - সর্বস্বান্ত হওয়া।
• 'টইটম্বুর' অর্থ - ভরপুর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'সুকৃত' এর বিপরীতার্থক শব্দ - দুষ্কৃত।
উল্লেখ্য,
'সুকৃত' শব্দের অর্থ: ভালো কাজ; পুণ্যকর্ম।
'দুষ্কৃত' শব্দের অর্থ: খারাপ কাজ; পাপকর্ম।
অন্যদিকে,
নিয়ত - বিরত।
'গ্রহণ' - বর্জন।
'প্রত্যয়' - সংশয়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'তরঙ্গ উঠেছে যাতে' এর এক কথায় প্রকাশ - তরঙ্গায়িত।
কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- তোপের ধ্বনি - গুডুম।
- তাল জ্ঞান নেই যার - তালকানা।
- তির নিক্ষেপ করে যে - তিরন্দাজ।
- তরঙ্গ উঠেছে যাতে - তরঙ্গায়িত।
- তালু থেকে উচ্চারিত - তালব্য।
- ত্বরায় গমন করে যে - তুরঙ্গম।
- তার মতো - তাদৃশ।
- তোমার মতো - ত্বাদৃশ।
- তন্তু থেকে জাত - তন্তুজ।
- তিন ভাগের এক ভাগ - তেহাই।
- তনুর ভাব - তনিমা।
- তবলায় নিপুণ - তবলচি।
- তেজ আছে যার - তেজস্বী।
- নির্মিত প্রতিমা - তিলোত্তমা।
- তিন ফলের সমাহার - ত্রিফলা।
- ত্রিকাল দর্শন করেন যিনি - ত্রিকালদর্শী।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'অষ্টমঙ্গলা' বাগ্ধারার অর্থ - আনন্দের রেশ থাকাবস্থা।
অন্যদিকে,
আক্কেল গুড়ুম - হতবুদ্ধি হওয়া।
আকাশ-পাতাল - বিশাল ব্যবধান।
অকালকুসুম - অসম্ভব জিনিস।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
Editorial- শব্দের পারিভাষিক শব্দ- সম্পাদকীয়।
অন্যদিকে,
Editor. - শব্দের পারিভাষিক শব্দ- সম্পাদক।
Editing.- শব্দের পারিভাষিক শব্দ- সম্পাদনা।
Edition.- শব্দের পারিভাষিক শব্দ- সংস্করণ।
উৎস:- প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
• ‘বচনে কুশল’ এর এক কথায় প্রকাশ - বাগ্মী।
অন্যদিকে:
- 'বেশি কথা বলে যে' এর এক কথায় প্রকাশ - বাচাল।
- 'বাক্যের দ্বারা কৃতকলহ' এর এক কথায় প্রকাশ - বচসা।
- ‘বলা হতে যাচ্ছে বা হবে’ এক কথায় প্রকাশ - বক্ষ্যমাণ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• সঠিক উত্তর - কোনটিই নয়।
• 'তুবড়ি' শব্দের অর্থ - মাটির খোলে বারুদ পুরে তৈরি বাজিবিশেষ, আতশবাজি।
অন্যদিকে,
'বজ্র' শব্দের অর্থ - বাজ, অশনি, কুলিশ।
'চোখ' শব্দের অর্থ - অক্ষি, চক্ষু, নয়ন।
'আলো' শব্দের অর্থ - উদ্ভাস, আভা, জ্যোতি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'নিন্দা করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জুগুপ্সা।
অন্যদিকে,
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - দিদৃক্ষা।
- 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, দিনমণি, মার্তণ্ড, অংশুমালী, অরুণ।
অন্যদিকে,
‘বিদ্যুৎ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।
'চাঁদ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ব্যর্থ শব্দের বিপরীত শব্দ সার্থক।
স্বার্থ শব্দের বীপরিত শব্দ পরার্থ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক উত্তর: খ) শূন্য ভাণ্ডার।
--------------------------
ভাঁড়: (বিশেষ্য) ক্ষুদ্র মাটির ভাণ্ড (ভাঁড়ে যদি জল খায়-দাশরথি রায়)।
ভাঁড়: ভাঁড়ে মা ভবানী- শূন্য ভাণ্ডার।
ভাঁড়ানো : ভাঁড়ের আচরণ; স্থূল রসিকতা।
সেলাম: সেলাম-গাহ (বিশেষ্য) যেখানে দাঁড়িয়ে আগত ব্যক্তি রাজাকে সালাম করে (ভাঁড়ে করে ভাঁড়াই নর্তকে নাচে গায়।
ব্যাখ্যা:
বাগ্ধারা “ভাঁড়ে মা ভবানী” এর অর্থ হলো — শূন্য ভাণ্ডার / অর্থশূন্যতা / কিছুই না থাকা / খালি হাত।
- এই বাগধারা ব্যবহার করা হয় যখন কারো কাছে কোনো সম্পদ, অর্থ, সামর্থ্য বা সাহায্য একেবারেই থাকে না।
অর্থাৎ, ভাঁড়ে (পাত্রে) কোনো কিছু নেই, তাই দেবী ভবানীও (মা লক্ষ্মী) সেখানে বসবাস করেন না।
লোকমুখে এর অর্থ: “ভাঁড় খালি থাকলে মা ভবানীও থাকেন না” — অর্থাৎ টাকা-পয়সা/সম্পদ না থাকলে লক্ষ্মী থাকেন না।
উদাহরণ:
“তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এখন ভাঁড়ে মা ভবানী।” (অর্থ: একদম খালি, কিছুই নেই)।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯); বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- 'অলঙ্কারের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ- শিঞ্জন।
এছাড়াও
- 'বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ- 'ঝংকার'
- 'ধনুকের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ- 'টঙ্কার'
- 'নূপুরের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ- 'নিক্বণ'
• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন
- 'গম্ভীর ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ-- মন্দ্র।
- হরিণের চামড়া এর এক কথায় প্রকাশ-- অজিন।
- ময়ূরের ডাক এর এক কথায় প্রকাশ-- কেকা।
- ঘোড়ার ডাক এর এক কথায় প্রকাশ-- হ্রেষা।
- পাখির ডাক এর এক কথায় প্রকাশ-- কূজন।
- হাতির গর্জন এর এক কথায় প্রকাশ-- বৃংহিত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
শৈবলিনী, তরঙ্গিণী, সরিৎ - হলো 'নদী’ শব্দের সমার্থক শব্দ।
তাই সঠিক সঠিক উত্তর - অপশন (খ)।
নদী' শব্দের কিছু সমার্থক শব্দ:
- নদ, নদনদী, গাঙ, স্রোতস্বিনী, তটিনী, স্রোতস্বতী, শৈবলিনী, সরিৎ, প্রবাহিণী, নির্ঝরণী, তরঙ্গিণী, মন্দাকিনী, কল্লোলিনী ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
অপশন (ক):
“দিঘি” শব্দের অর্থ - খনন করা হয়েছে এমন গভীর ও বৃহদাকার স্থির জলাশয়, সরোবর।
“প্রণালি” শব্দের অর্থ - নর্দমা, জলনালি, দুটি সাগর বা মহাসাগরকে সংযোগকারী সংকীর্ণ জলভাগ।
অপশন (গ):
“নদী” শব্দের অর্থ - গাঙ, তটিনী।
“অর্ণব” শব্দের অর্থ - সাগর, জলধি, বারিধি, সমুদ্র।
অপশন (ঘ):
“নদী” শব্দের অর্থ - স্রোতশ্বিনী, নির্ঝরিণী।
“সিন্ধু” শব্দের অর্থ - সমুদ্র, সাগর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মাহমুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
উর্বি শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ - পৃথিবী।
এর আরো কয়েকটি প্রতিশব্দ -
ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, বসুন্ধরা, বসুধা, অবনি, ক্ষিতি, মহী, অখিল ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা একাডেমি অভিধান।
• জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র।
- সুতরাং ‘মেঘ’ এর সমার্থক শব্দ নয়- জলধি।
'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
জলধর, জীমূত, বারিদ, নীরদ, বলাহক, পয়োদ, ঘন, তোয়দ, পয়োধর, বলাহক, তোয়ধর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ:
সাগর, রত্নাকর, জলধি, সিন্ধুই, বারিধি, বারীশ, উদধি, অর্ণব, অম্বুধি, তোয়নিধি, বারীশ, পয়োধি, পারাবার, জলনিধি, নীলাম্বু, পাথার, পয়োনিধি, জলধর, অম্বুনিধি, বারীন্দ্র ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'রুদ্ধ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - উন্মুক্ত।
উল্লেখ্য,
'রুদ্ধ' শব্দের অর্থ - বন্ধ, প্রতিহত, বাধাপ্রাপ্ত, অবরুদ্ধ, আটক, চাপা।
'মুক্ত' শব্দের অর্থ - অব্যাহতিপ্রাপ্ত (দায়মুক্ত); নিষ্কৃতিপ্রাপ্ত, মোক্ষপ্রাপ্ত, আরোগ্যপ্রাপ্ত, উন্মুক্ত।
অন্যদিকে,
সুস্থ - অসুস্থ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ধুম' শব্দের অর্থ - প্রাচুর্য।
• 'ধূম' শব্দের অর্থ - ধোঁয়া
এরূপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দজোড় হলো
দৃপ্ত - বলিষ্ঠ।
দীপ্ত – উজ্জ্বল।
দেশ - রাজ্য।
দ্বেষ - হিংসা।
ধরণ - ধরা।
ধরন - প্রকার।
ধাতৃ - বিধাতা।
ধাত্রী - দাই।
ধাপ - সিঁড়ির সোপান।
দাপ - দাপট।
ধোয়া - ধৌত।
ধোঁয়া - ধূম।
নভ - আকাশ।
নব - নতুন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
•“বিজয় লাভের ইচ্ছা" -এর এক কথায় প্রকাশিত রূপ হলো বিজিগীষা।
- 'যুদ্ধ' বা 'বিজয়' সম্পর্কিত ইচ্ছা বাংলা ব্যাকরণে এক কথায় বিজিগীষা দ্বারা প্রকাশিত হয়।
অন্যদিকে,
∗ জিজ্ঞাসা – জানবার ইচ্ছা বোঝায়;
∗ জিজীবিষা – বেঁচে থাকার ইচ্ছা বোঝায়;
∗ জিগীষা – জয় করার ইচ্ছা বোঝায়।
• কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- নিন্দা করার ইচ্ছা = জুগুপ্সা;
- করার ইচ্ছা = চিকীর্ষা;
- মুক্তি পেতে ইচ্ছা=মুমুক্ষা;
- প্রবেশ করার ইচ্ছা=বিবক্ষা;
- বাস করার ইচ্ছা=বিবৎসা;
- বমন করিবার ইচ্ছা=বিবমিষা;
- রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা=রিরংসা;
- দান করার ইচ্ছা = দিৎসা;
- জিষ্ণু = জয়লাভ করতে অভ্যস্ত;
- জিগমিষা = গমন করার ইচ্ছা;
- তিতীর্ষা = ত্রাণ লাভের ইচ্ছা;
- ঈপ্সা = পেতে ইচ্ছা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
‘কোকিল’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- কাকপুষ্ট, পরপুষ্ট, কলকণ্ঠ, পিক, বসন্তদূত, অন্যপুষ্ট, মধুস্বর, মধুসখা।
অন্যদিকে,
‘কবুতর’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- কপোত, পায়রা, পারাবত, নোটন।
‘কাক’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- বায়স, পরভৃৎ, পরপোষক।
‘কলাপী’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- ময়ূর, কেকা, কেকী, শিখি, শিখণ্ডী, বর্হী।
উৎস:
১। বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ‘ত্বরা’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিলম্ব।
অন্যদিকে,
তেজ - নিস্তেজ।
পদস্থ - নিম্নস্থ।
তীব্র - লঘু।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
মনীষা (বিশেষ্য) - প্রজ্ঞা; তীক্ষ্ণবুদ্ধি; প্রতিভা; বিচক্ষণ; জ্ঞানী; বিদ্বান; পণ্ডিত।
অপরদিকে,
এষণা - অন্বেষন; অনুসন্ধান।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।
অন্যদিকে,
'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।
'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, তরু, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• 'নীরস' এর বিপরীতার্থক শব্দ - কোমল।
উল্লেখ্য,
'নীরস' শব্দের অর্থ - রসহীন, বৈচিত্র্যহীন, অপ্রসন্ন, স্নান, রসবোধশূন্য, বেরসিক, রুক্ষ; কর্কশ।
'কোমল' শব্দের অর্থ - নরম, ললিত, মধুর, মৃদু।
অন্যদিকে,
ঠাণ্ডা - গরম।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ইচ্ছা শব্দের প্রতিশব্দ:
- আকাঙ্ক্ষা, আশা, অভিলাষ, প্রার্থনা, চাওয়া, স্পৃহা, অভিপ্রায়, সাধ, অভিরুচি, প্রবৃত্তি, বাসনা, কামনা, বাঞ্ছা।
অন্যদিকে,
• আনন্দ শব্দের প্রতিশব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, পুলক, হর্ষ, আহ্লাদ, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• 'খপোত' শব্দের অর্থ - বিমান, উড়োজাহাজ, আকাশযান।
আরো কয়েকটি শব্দের অর্থ:
- 'খরগোশ' শব্দের অর্থ - শশক।
- 'গাড়ি' শব্দের অর্থ - পণ্য বহনের জন্য ব্যবহৃত শকট।
- 'হরিণ' শব্দের অর্থ - কুরঙ্গ, মৃগ, সুনয়ন।
- ‘পাখি’ শব্দের অর্থ - পক্ষী, বিহগ, বিহঙ্গ, খেচর, বিহঙ্গম, শকুন্ত, অণ্ডজ, পতত্রী৷
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ ও ২০২১ সংস্করণ)।
- 'বিড়াল তপস্বী', এবং 'বক ধার্মিক' বাগ্ধারার অর্থ - ভণ্ড সাধু।
অন্যদিকে,
'অমাবস্যার চাঁদ' বাগ্ধারার অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
'আকাশ কুসুম' বাগ্ধারার অর্থ - অসম্ভব কল্পনা।
‘রুই কাতলা’ বাগ্ধারার অর্থ - ক্ষমতাশালী ব্যক্তি।
'কেউকেটা' বাগ্ধারার অর্থ - তুচ্ছ ব্যক্তি।
'ভিজে বিড়াল' বাগ্ধারার অর্থ - কপটাচারী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।