উত্তর
ব্যাখ্যা
- পরীক্ষা ঘনিয়ে আসছে, আর তার মাথায় ঊনপঞ্চাশ বায়ু দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, বাগধারাটির সঠিক অর্থ 'পাগলামি'। অপশনে না থাকায় অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে 'বদমেজাজ' উত্তর নেয়া হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৮ / ৮১ · ২,৭০১–২,৮০০ / ৮,১৭১
• 'সমভিব্যাহারে' (ক্রিয়াবিশেষণ পদ),
শব্দটির অর্থ:
- সঙ্গে,
- সংঘবদ্ধ হয়ে।
উল্লেখ্য,
• ‘একযোগে’ শব্দের অর্থ;
- একত্রে,
- একসঙ্গে,
- সম্মিলিতভাবে,
- যুগপৎ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'সন্ধি' এর বিপরীত শব্দ - বিবাদ, বিগ্রহ।
অন্যদিকে,
- 'হৃদ্যতা' এর বিপরীত শব্দ- 'কপটতা',
আরো কিছু বিপরীত শব্দ:
- 'হাজির' এর বিপরীত শব্দ- 'গরহাজির',
- 'সরস' এর বিপরীত শব্দ- 'নীরস',
- 'মুক্ত' এর বিপরীত শব্দ- 'আবদ্ধ',
- 'মুখ্য' এর বিপরীত শব্দ- 'গৌণ'।
উৎস: ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'হাতের তৃতীয় আঙুল' এর এক কথায় প্রকাশ - মধ্যমা।
অন্যদিকে,
• 'হাতের পঞ্চম আঙুল' এর এক কথায় প্রকাশ - কনিষ্ঠা।
• 'হাতের দ্বিতীয় আঙুল' এর এক কথায় প্রকাশ - তর্জনী।
• 'হাতের চতুর্থ আঙুল' এর এক কথায় প্রকাশ - অনামিকা।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত - পাণি।
• হাতের কনুই থেকে কজি পর্যন্ত অংশ - প্রকোষ্ঠ।
• হাতের তালু - করতল।
• হাতের প্রথম আঙুল - অঙ্গুষ্ঠ।
• হাতের কব্জি - মণিবন্ধ।
• হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত - পাণি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ:
চন্দ্র, শশী, শশাঙ্ক, সুধাকর, ইন্দু, সোম, শশধর, বিধু, নিশাকর, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- ’পোঁ-ধরা’ বাগ্ধারাটির অর্থ- মোসাহেবী করা।
অন্যদিকে,
- ’মাথা খাওয়া’ বাগ্ধারাটির অর্থ- নষ্ট করা।
- ’সর্বস্বান্ত হওয়া’ বাগ্ধারাটির অর্থ- পথে বসা।
- ’ফোড়ন কাটা’ বাগ্ধারাটির অর্থ- কথার মাঝে বিদ্রুপ করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
‘উর্মি’ শব্দের সমার্থক শব্দ - লহরী, ঢেউ, বীচি, তরঙ্গ, কল্লোল ইত্যাদি।
প্রভা শব্দের সমার্থক শব্দ - আভা, দীপ্তি, কিরণ, আলোক ইত্যাদি।
তরঙ্গিনী শব্দের সমার্থক শব্দ - নদী, স্রোতস্বিনী, তটিনী, প্রবাহিনী, শৈবালিনী ইত্যাদি।
সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• 'যা বাক্যে প্রকাশযোগ্য নয়' এক কথায় বলে- অনির্বচনীয়/অবর্ণনীয়।
অন্যদিকে,
---------------
• 'ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য' এক কথায় বলে - অকথ্য/অবাচ্য।
• 'যা উচ্চারণ করা কঠিন' এক কথায় বলে - দুরুচ্চার্য।
• 'যা উচ্চারণ করা যায় না' এক কথায় বলে - অনুচ্চার্য।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'Barter' এর বাংলা পরিভাষা - বিনিময়।
অন্যদিকে,
'Barrage' - বাঁধ।
'Bearer' - বাহক।
'Barricade' - নিরোধক।
উৎস: ভাষাশিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
‘আরশির মুখে পড়শিকে দেখা’ প্রবাদটি নিজের মতো করে অন্যকে দেখা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
প্রবাদ প্রবচন একটি নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই প্র্যাকটিসের মাধ্যমে এগুলোকে ব্যবহার করে রপ্ত করে নিতে হবে।
তথ্যসূত্র: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি-ড. হায়াৎ মাহমুদ
• ‘ত্রিশঙ্কু অবস্থা’ বাগ্ধারার অর্থ - মধ্যাবস্থা/উভয়সংকট/ দোটানা অবস্থা হওয়া।
বাক্য: দুই অফিস কর্তার দুই বিপরীত আদেশের ফলে আমার ত্রিশঙ্কু অবস্থা।
এরকম সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো হলো:
• ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ বাগধারার অর্থ - উভয়সংকট।
• ‘শাঁখের করাত’ বাগধারার অর্থ - উভয়সংকট।
• ‘দুই নৌকায় পা’ বাগধারার অর্থ - উভয়সংকট।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'হরণ' এর বিপরীতার্থক শব্দ- পূরণ।
অন্যদিকে,
• হ্রাস - বৃদ্ধি।
• অর্জন - বর্জন।
আরো কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
- 'আকাশ' শব্দের বিপরীতর্থক শব্দ - পাতাল।
- 'উদ্ধত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - বিনীত।
- 'উঠতি' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - পড়তি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• "মাথা দেওয়া" - এখানে "দায়িত্ব গ্রহণ" অর্থে 'মাথা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
• ‘মাথা’ সম্পর্কিত কিছু বাগ্ধারার অর্থ:
- মাথা ধরা = রোগ বিশেষ।
- মাথা ব্যথা = আগ্রহ।
- মাথা দেওয়া = দায়িত্ব গ্রহণ।
- মাথাপিছু = জনপ্রতি।
- গাঁয়ের মাথা = মোড়ল।
- মাথা খাওয়া = শপথ করা।
- মাথা ঘামানো = ভাবনা করা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'গা লাগা' বাগ্ধারাটির অর্থ - মনোযোগ দেয়া।
অন্যদিকে,
গা সওয়া - অভ্যস্ত হওয়া।
গায়ে লাগা - অনুভূত হওয়া।
হাত আসা - অভ্যস্থ হওয়া।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'পদ্ম' এর সমার্থক শব্দ:
কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।
অন্যদিকে,
• 'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।
• 'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
গাছ, পাদপ, দ্রুম, তরু, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• পাথার (বিশেষ্য):
অর্থ : সাগর; সমুদ্র; বিস্তীর্ণ জলরাশি (তুমি শান্তি তুমি হে অমৃত পাথার-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।
'পাথার' এর সমার্থক শব্দ : জলধি, বরুণ, অর্ণব, সমুদ্র, দরিয়া, পারাবার, পয়োধি, সিন্ধু, সাগর ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান; ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'পাবক' এর প্রতিশব্দ- 'অনল'।
অন্যদিকে,
• 'চক্ষু' শব্দের প্রতিশব্দ - লোচন।
• 'বিধু' - 'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ।
• 'ঢেউ' শব্দের প্রতিশব্দ- লহরী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি ( ২০২২ সংস্করণ)।
'শুভ ক্ষণে জন্ম যার' বাগ্ধারার অর্থ = ক্ষণজন্মা।
অন্যদিকে,
'শাসন করা যায় যাকে' বাগ্ধারার অর্থ = শিষ্য।
'ঘোল বছর বয়স্ক' বাগ্ধারার অর্থ = ঘোড়শী।
'শুনা হচ্ছে যা' বাগ্ধারার অর্থ = শ্রুয়মান।
উৎস: ভাষা শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।
”প্রফুল্ল” শব্দের অর্থ = আনন্দিত।
- "প্রফুল্ল" শব্দের বিপরীত শব্দ = বিমর্ষ।
অন্যদিকে,
- ”পাপী” শব্দের বিপরীত শব্দ = নিষ্পাপ।
- ”প্রখরতা” শব্দের বিপরীত শব্দ = স্নিগ্ধতা।
- ”উৎফুল্ল” শব্দের অর্থ- বিকাশিত, উল্লাসিত, এর বিপরীত শব্দ = সুপ্ত।
উৎস:
১. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২৫)।
২. বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'রাজা' শব্দের অর্থ - নরপতি, ভূপতি, ভূপাল।
অন্যদিকে,
'রানি' শব্দের অর্থ - বেগম, রাজ্ঞী, রাজপত্নী।
'গোপাল' শব্দের অর্থ - গোরক্ষক, রাখাল; গোয়ালা।
'কেশব' শব্দের অর্থ - বিষ্ণু, কৃষ্ণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'দীপ্তি' শব্দের সমার্থক- কিরণ, প্রভা, অংশু, শিখা।
'বাটি' শব্দের সমার্থক- আগার, নিলয়, কুটির, সদন, বাড়ি, ভবন, নিকেতন, নিলয়, ঘর ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি,নবম-দশম শ্রেণি।
• 'বকেয়া' এর বিপরীতার্থক শব্দ— অগ্রিম।
অন্য অপশন,
- 'নির্মীলিত' এর বিপরীত শব্দ- 'উন্মীলিত'।
- 'হৃদ্যতা' এর বিপরীত শব্দ- 'কপটতা'।
- 'সুলভ' এর বিপরীত শব্দ- 'দুর্লভ'।
আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
- 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।
• 'আকুঞ্চন' এর বিপরীত শব্দ - প্রসারণ।
- 'সিক্ত' এর বিপরীত শব্দ- 'শুষ্ক'।
- 'সন্ধি' এর বিপরীত শব্দ- বিবাদ, বিগ্রহ।
- 'হরদম' এর বিপরীত শব্দ- 'কদাচিৎ'।
- 'হাজির' এর বিপরীত শব্দ- 'গরহাজির'।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'পা দিয়ে যে চলেনা' এক কথায় প্রকাশ- পন্নগ।
অন্যদিকে,
• 'লাফিয়ে চলে যে' এক কথায় প্রকাশ - প্লবগ।
• 'বিহায়সে (আকাশে) বিচরণ করে যে' এর এক কথায় প্রকাশ - বিহগ।
• 'উরস (বক্ষ) দিয়ে হাটে যে' এক কথায় প্রকাশ উরগ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'গঞ্জনা' এর বিপরীতার্থক শব্দ - প্রশংসা।
উল্লেখ্য,
'গঞ্জনা' শব্দের অর্থ - তিরস্কার, খোঁটা, ভর্ৎসনা; কটূক্তি; লাঞ্ছনা।
'প্রশংসা' শব্দের অর্থ - স্তুতি, গুণকীর্তন, সাধুবাদ; সুখ্যাতি।
অন্যদিকে,
গৌণ - মুখ্য।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'Higgling' এর বাংলা পরিভাষা - দরকষাকষি।
অন্যদিকে,
Deletion - অবলোপ।
Delusion - ভ্রান্তি।
Influential - প্রভাবশালী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
বল বীর - চির উন্নত মম শির!
আমি ঝঞ্ঝা, আমি ঘূর্ণী, আমি পথ-সম্মুখে যাহা পাই যাই চূর্ণী!- পঙ্ক্তিদ্বয় কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার অন্তর্ভুক্ত।
বাক্যে ঝঞ্ঝা শব্দের অর্থ- প্রচণ্ড ঝড়, ঝড়বৃষ্টি।
পঙ্ক্তিদ্বয়ের সহজ চলিত রূপটি হবে-
“বল বীর—চিরউন্নত আমার শির!
আমি ঝড়, আমি ঘূর্ণি, পথের সামনে যাকে পাই সব চূর্ণ করি!”
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'কাক' শব্দের সমার্থক শব্দ - পরভৃৎ, পরপোষক, বায়স।
এছাড়াও,
• কোকিল’ শব্দের সমার্থক শব্দ- অন্যভৃত, পিক, পরপুষ্ট, কাকপুষ্ট, কলঘোষ, বসন্তসখ, বসন্তী, ।
• কবুতর এর সমার্থক শব্দ - পারাবত, কপোত, পায়রা, নোটন।
উৎস : ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
ভিন্ন অর্থবিশিষ্ট প্রায় সম-উচ্চারিত কয়েকটি শব্দ-
• নারী = স্ত্রীলোক; রমণী; মহিলা।
• নাড়ি/নাড়ী = শিরা; ধমনি।
• নারি = পারি না [যারে সইতে নারি, তার চলন বাঁকা]
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'Gratuity' শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা- পারিতোষিক।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ হলো:
- Etiquette - শিষ্টাচার।
- Modesty - শালীনতা।
- Ethics - নীতিবিদ্যা।
- Edition - সংস্করণ।
- Manual - সারগ্রন্থ।
- Gazette - ঘোষণাপত্র।
- Invoice - চালান, প্রেরিতক-সূচি।
- Constipation - কোষ্ঠকাঠিন্য।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।