উত্তর
ব্যাখ্যা
শব্দের অর্থ:
- কর্মনৈপুণ্য; কার্যনৈপুণ্য; কৃষিকাজের যত্ন ও তত্ত্বাবধান।
তবে, কৃষিকর্ম বোঝাতে কারকিত শব্দটি ব্যবহৃত ।
যেমন: ধানের জমিতে যে কারকিত করিতে হয়, তার চারগুণ কারকিত নীলের জমিতে দরকার ।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১২ / ৮১ · ১,১০১–১,২০০ / ৮,১৭১
• 'সৌম্য' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - উগ্র।
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ:
- 'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ- বিনীত,
- 'হরদম' শব্দের বিপরীত শব্দ- কদাচিৎ,
- সুকৃতি' শব্দের বিপরীত শব্দ- দুষ্কৃতি,
- 'নিষিদ্ধ' শব্দের বিপরীত শব্দ- আদিষ্ট।
- 'ভীরু' এর বিপরীত শব্দ- 'নির্ভীক',
- 'মহাজান' এর বিপরীত শব্দ- 'খাতক',
- 'ভাটি' এর বিপরীত শব্দ- 'উজান,
- 'বিষ' এর বিপরীত শব্দ- 'অমৃত',
- 'সিক্ত' এর বিপরীত শব্দ- 'শুষ্ক'।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও মোহাম্মদ আমীন।
• 'উলুখাগড়া' বাগ্ধারার অর্থ - গুরুত্বহীন লোক।
অন্যদিকে,
গোঁয়ার গোবিন্দ - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
কুমড়ো কাটা বটঠাকুর - অকর্মণ্য লোক।
ঘণ্টাগরুড় - অকর্মণ্য লোক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ‘Apprentice’ - শিক্ষানবিশ।
• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
• 'Mass Education’ - গণশিক্ষা।
• ‘Phonetics’ - ধ্বনিবিজ্ঞান।
• ‘Plebiscite’ - গণভোট।
• ‘Pledge’ - বন্দক।
• ‘Orion’ - কালপুরুষ।
• ‘Hostage’ - জিম্মি।
• ‘Honorary’ - অবৈতনিক।
• ‘Distorted’ - বিকৃত।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, বারিধি, জলধি, অকূল, নীলাম্বু, পয়োধি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- নদ, নদনদী, গাঙ, স্রোতস্বিনী, তটিনী, স্রোতস্বতী, শৈবলিনী, সরিৎ, প্রবাহিণী, নির্ঝরণী, তরঙ্গিণী, মন্দাকিনী, কল্লোলিনী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• 'Tribunal' এর বাংলা পরিভাষা:
- বিচারালয়;
- সামরিক বিচারপরিষদ;
- ন্যায়পীঠ।
আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা:
'Circular' অর্থ- পরিপত্র।
'Manifesto' অর্থ- ইশতেহার।
'Manuscript' অর্থ- পাণ্ডুলিপি।
'Manager' অর্থ- ব্যবস্থাপক।
উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা; অভিগম্য অভিধান।
বিদ্যুৎ - এর সমার্থক শব্দ- তড়িৎ, চপলা, অশনি, অচির, অনুপ্রভা, দামিনী, বিজলী, শম্পা ইত্যাদি।
অন্যদিকে, অনিল এর সমার্থক শব্দ - হাওয়া, বায়ু, পবন, সমীর, সমীরণ, মরুৎ ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা-হায়াৎ মামুদ।
• 'যা অপনয়ন করা কষ্টকর' এর এক কথায় প্রকাশ - দূরপনেয়।
অন্যদিকে,
যা অপনয়ন করা যায় না - অনপনেয়।
যা অনুভব করা হচ্ছে - অনুভূয়মান।
যা বহন করা যাচ্ছে - নীয়মান।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'শিষ্ট' এর বিপরীতার্থক শব্দ - অশিষ্ট।
অন্যদিকে,
• 'শাক্ত' এর বিপরীতার্থক শব্দ- অশাক্ত।
• 'শক্ত' এর বিপরীতার্থক শব্দ- নরম।
• 'শিথিল' এর বিপরীতার্থক শব্দ- সুদৃত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• “সব শেয়ালের এক রা” বাগ্ধারাটির অর্থ হলো- ঐকমত্য।
- অর্থাৎ, কোনো বিষয়ে সকলের একমত জ্ঞাপন করা।
-----------------------------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ, অকেজো,
- অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া,
- অগস্ত্য যাত্রা: চিরকালের জন্য প্রস্থান,
- অগাধ জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি,
- অর্ধচন্দ্র: গলা ধাক্কা,
- অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন,
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব কল্পনা,
- আকাশ পাতাল: অনেক পার্থক্য,
- অতি লোভে তাঁতি নষ্ট: লোভে ক্ষতি,
- অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন,
- আঙুল ফুলে কলাগাছ: অপ্রত্যাশিত ধনলাভ,
- আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি কথা,
- উভয় সংকট: দুই দিকেই বিপদ,
- উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা,
- এক চোখা: পক্ষপাতদুষ্ট,
- কচুকাটা করা: নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
- কূপমণ্ডুক: সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন,
- করায় গণ্ডায়: পুরোপুরি,
- গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: আগেই আয়োজন,
- গোবর গণেশ: মূর্খ,
- গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য,
- চোখে ধুলো দেওয়া: প্রতারণা করা,
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ বুঝে আঘাত,
- টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া,
- তিলকে তাল করা: বাড়িয়ে বলা,
- সাপের পাঁচ পা দেখা : অহঙ্কারী হওয়া,
- সোনায় সোহাগা : উপযুক্ত মিলন,
- সাক্ষী গোপাল : নিষ্ক্রিয় দর্শক,
- সখাত সলিলে : ঘোর বিপদে পড়া,
- হাটে হাঁড়ি ভাঙা : গোপন কথা প্রকাশ করা,
- হাতটান : চুরির অভ্যাস,
- হ য ব র ল : বিশৃঙ্খলা,
- হরি ঘোষের গোয়াল : বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ,
- হরিলুট : অপচয়,
- হাড়ে দুর্বা গজানো : অত্যন্ত অলস হওয়া,
- হাতের পাঁচ : শেষ সম্বল,
- হীরার ধার : অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
- হোমরা চোমরা : গণ্যমান্য ব্যক্তি,
- হিতে বিপরীত : উল্টো ফল,
- হাড় হদ্দ : নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য,
- হাড় হাভাতে : হতভাগ্য।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
• ‘ঈষৎ পাংশু বর্ণ’ এর এক কথায় প্রকাশ হচ্ছে কয়রা।
অন্যদিকে:
- অনীল – ঈষৎ নীলাভবিশিষ্ট।
- কবোষ্ণ – ঈষৎ উষ্ণ।
- আনীল – নীলাভ রঙ বা নীলবর্ণ।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- আজীবন সধবা যে নারী = চিরায়ুষ্মতী;
- উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ধন = রিকথ;
- উটের/হস্তীর শাবক = করভ;
- ঋষির দ্বারা উক্ত(কথিত) = আর্য;
- ঋজুর ভাব = আর্জব;
- ঋতুর সম্বন্ধে = আর্তব;
- কোন বিষয়ে যে শ্রদ্ধা হারিয়েছে = বীতশ্রদ্ধ;
- কনুই থেকে বদ্ধ মুষ্টি পর্যন্ত পরিমাণ = রত্নি;
- কপালে আঁকা তিলক = রসকলি;
- গৃহের প্রধান প্রবেশ পথ = দেহলি, দেউড়ি;
- গর্দভের বাসস্থান = খরশাল;
- গুরুগৃহে বাস = অন্তেবাসী;
- গুরুর পত্নী = গুর্বী;
- গাধার ডাক = রাসভ;
- জানা উচিত = জ্ঞেয়;
- ত্বরায় গমন করে যে = তুরগ;
- তার মত = তাদৃশ;
- তনুর ভাব = তনিমা;
- দৈনন্দিন জীবনের লিখিত বিবরণ = রোজনামচা;
- নিবেদন করা হয় যা = নৈবদ্য।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা – হায়াৎ মামুদ;
বাংলা একাডেমি অভিধান।
• এমন কাঁচা লোক দিয়ে সব কাজ চলে না। - এখানে ‘কাঁচা’ শব্দটি 'আনাড়ি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যদিকে,
• মেয়েটির একেবারেই কাঁচা বয়স। - এখানে ‘কাঁচা’ শব্দটি অপরিণত বয়স বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
• কাঁচা আমগুলো গাছে ঝুলছে।- এখানে ‘কাঁচা’ শব্দটি অপরিপক্ক আম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
• গহনাটি একেবারেই কাঁচা সোনা দিয়ে তৈরি।- এখানে ‘কাঁচা’ শব্দটি খাঁটি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও মোহাম্মদ আমীন (২য় খণ্ড)।
• 'বিতংস' শব্দের অর্থ - পশুপাখি ধরার জাল বা ফাঁদ।
অন্যদিকে,
'সাদি' শব্দের অর্থ - অশ্বারোহী, গজারোহী, রথারোহী, আরোহী।
'নির্মোক' শব্দের অর্থ - সাপের খোলস।
'মকমক' শব্দের অর্থ - ব্যাঙের ডাক।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
• ‘কানু ছাড়া গীত নাই’ বাগধারার অর্থ - একমাত্র অবলম্বন।
উদাহরণ: এই শর্মাকে সব কাজে ডাকতেই হবে। জানই তো, কানু ছাড়া গীত নাই।
অন্যদিকে,
‘কাঁজি ভক্ষণ নামে গোয়ালা’ বাগধারার অর্থ - হতভাগ্য।
‘কাট-গোঁয়ার’ বাগধারার অর্থ - অত্যন্ত একগুঁয়ে।
‘কেবলা হাকিম’ বাগধারার অর্থ - অনভিজ্ঞ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
'পৃথিবী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- ধরা, ধরণি, ধরিত্রী, বসুন্ধরা, বসুধা, ভূ, ভূমণ্ডল, অবনি, ক্ষিতি, মহী, বসুমতী, মেদিনী, জগৎ, মর্ত্যলোক, ব্রহ্মাণ্ড, বিশ্ব, অখিল, ভুবন, ভূমি, পৃথ্বী, দুনিয়া, ভুবন, ভূলোক, উর্বী।
অন্যদিকে,
'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গিরি, শৈল, পাহাড়, ভূধর, নগ, অচল, শৃঙ্গধর, অগ, ক্ষিতিধর, পৃথ্বীধর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ছক্কাপাঞ্জা করা' বাগ্ধারার অর্থ - বড়ো বড়ো কথা বলা।
অন্যদিকে,
জগদ্দল পাথর - গুরুভার।
জবরজং - জমকালো কিন্তু বেমানান।
চুনোপুটি - সামান্য ব্যক্তি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
জীবিত থেকে যে মৃত - জীবন্মৃত
বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে,
জীবন্মৃত (বিশেষণ):
১. জীবিত থেকেও মৃতের ন্যায় অচল-অক্ষম; জীয়ন্তে মরা।
২. নির্জীব; মনমরা।
(তৎসম বা সংস্কৃত) জীবৎ + মৃত; (কর্মধারয় সমাস)
• 'দহরম মহরম' বাগ্ধারাটির অর্থ - ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
অন্যদিকে,
• 'দুধের মাছি' বাগ্ধারাটির অর্থ - সুসময়ের বন্ধু।
• 'বসন্তের কোকিল' বাগ্ধারাটির অর্থ- সুসময়ের বন্ধু।
• 'কংস মামা' বাগ্ধারাটির অর্থ- নির্মম আত্মীয়
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'সৌম্য' এর বিপরীত শব্দ - করাল।
অন্যদিকে,
ভীরু - নির্ভীক।
উদ্ধত - বিনীত।
মহাজান - খাতক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
অগ্নি - অনল, আগুন, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, বায়ুসখা, সর্বভুক।
আকাশ - গগন, নভোমন্ডল, দ্যুলোক, অন্তরিক্ষ, ব্যোম।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
• 'ঝড়' শব্দের অর্থ - ঝটিকা, প্রভঞ্জন, ঝঞ্ঝা।
অন্যদিকে,
'ঢেউ' শব্দের অর্থ - ঊর্মি, তরঙ্গ, লহর, লহরী।
'যুদ্ধ' শব্দের অর্থ - আহব, রণ, সমর।
'অসি' শব্দের অর্থ - তলোয়ার, তরবারি, কৃপাণ, অস্ত্রবল।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'বিবর' শব্দের অর্থ - গহ্বর, গর্ত, ছিদ্র।
অন্যদিকে,
'চূড়া' শব্দের অর্থ - শীর্ষদেশ, শিখর।
'পর্ণ শব্দের অর্থ - গাছের পাতা; তাম্বুল; পান; ডানা।
আরো কিছু শব্দার্থ:
'অঙ্গনা' শব্দের অর্থ - অঙ্গসৌষ্ঠববিশিষ্ট নারী, সুন্দর নারী।
'ললনা' শব্দের অর্থ - নারী, কান্তা, পত্নী।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।
• 'দম্ভোলি' শব্দের অর্থ - বাজ, বজ্র, অশনি, কুলিশ।
অন্যদিকে,
'যুদ্ধ' শব্দের অর্থ - রণ, সমর, সংগ্রাম, বিগ্রহ।
'ভয়ানক' শব্দের অর্থ - ভীষণ, ভীম, খুব, ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ।
'ক্রোধ' শব্দের অর্থ - রাগ, রোষ, গোসা, কোপ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘রাত্রি’ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
নিশি, নিশা, নিশীথ, রাত্তির, রাত, রাতি, রজনী, যমিনী, ক্ষণদা, যামবতী, যামী, যামিকা, নিশীতিনী, নিশুতি, ত্রিযামা, নক্ত, ক্ষপা, তামসী, তারকিণী, অন্ধিকা, শর্বরী, বিভবরী।
অন্যদিকে,
• ‘লগ্ন’ শব্দের সমার্থক শব্দ: তিথি, ক্ষণ, দণ্ড, সময়, কাল।
• ‘দিন’ এর সমার্থক শব্দ: দিবা, দিবস, অযামিনী, তমসতাড়িনী, অহন, অহ্ন, ইত্যদি।
• ‘চাঁদ’ শব্দের প্রতিশব্দ:-চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য' এক কথায় বলে - অকথ্য/অবাচ্য।
অন্যদিকে,
---------------
• 'যা বাক্যে প্রকাশযোগ্য নয়/অবর্ণনা করা যায় না এমন' এক কথায় বলে- অনির্বচনীয়/অবর্ণনীয়।
• 'যা উচ্চারণ করা কঠিন' এক কথায় বলে - দুরুচ্চার্য।
• 'যা উচ্চারণ করা যায় না' এক কথায় বলে - অনুচ্চার্য।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'পুঁটি মাছের প্রাণ' বাগ্ধারার অর্থ - ক্ষীণজীবী লোক।
অন্যদিকে,
• 'উজানের কৈ' অর্থ - সহজলভ্য।
• 'কৈ মাছের প্রাণ' অর্থ - যা সহজে মরে না।
• 'ঝাঁকের কৈ' অর্থ - এক দলভুক্ত বা একই স্বভাবের লোক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
'শর্বরী' শব্দের অর্থ:
১। রাত্রি, রজনি।
২। বধূ।
৩। নারী।
• 'রাত্রি শব্দের আরো কিছু সমার্থক শব্দ:
- ক্ষণদা, নিশি, নিশা, রাত, রাত্রি, রজনী, নিশিথিনী, ত্রিযামা, বিভাবরী।
অন্যদিকে,
- ‘দামিনী’ শব্দের সমার্থক শব্দ: বিজলি, চঞ্চলা, সৌদামিনী, তড়িৎ, চপলা, বিদ্যুৎ, ক্ষণপ্রভা, শম্পা, চিকুর, অচিরপ্রভা।
- 'নদী' শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ: তরঙ্গিণী, শৈবালীনী, তটিনী, স্রোতস্বিনী, স্রোতস্বতী, প্রবাহিনী, গাঙ, ফল্গু।
- 'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ: গজ, হস্তী, করী, দ্বিপ, বারণ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দন্তী ইত্যাদি।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক:
- সাগর, সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, জলধি, অকূল, পাথার, বারিধি, রত্নাকর, নীলাম্বু, পয়োধি ইত্যাদি
অন্যদিকে,
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- নদ, নদনদী, গাঙ, স্রোতস্বিনী, তটিনী, স্রোতস্বতী, শৈবলিনী, সরিৎ, প্রবাহিণী, নির্ঝরণী, তরঙ্গিণী, মন্দাকিনী, কল্লোলিনী ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মাহমুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• Cry in the wilderness:
English Meaning: someone who is pointing out the dangers in a situation or the truth about it, but nobody is paying any attention.
বাংলা অর্থ: অরণ্যে রোদন করা।
• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ:
- রবি, সবিতা, দিবাকর, আদিত্য, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
শশাঙ্ক - 'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'Memorandum'-এর বাংলা পরিভাষা স্মারকলিপি।
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
- Agenda - আলোচ্যসূচি।
- Constitution - সংবিধান।
- Manifesto - ইশতেহার।
- Manuscript - পাণ্ডুলিপি।
- Edition - সংস্করণ।
- Manual - সারগ্রন্থ।
- Gazette - ঘোষণাপত্র।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'Manual’ শব্দের বাংলা পারিভাষা - সারগ্রন্থ।
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
- Agenda শব্দের বাংলা পারিভাষা- আলোচ্যসূচি।
- Constitution শব্দের বাংলা পারিভাষা - সংবিধান।
- Constituency শব্দের বাংলা পারিভাষা - নির্বাচনী এলাকা/ নির্বাচকমণ্ডলী।
- Manifesto শব্দের বাংলা পারিভাষা - ইশতেহার।
- Manuscript শব্দের বাংলা পারিভাষা - পাণ্ডুলিপি।
- ‘Edition’ শব্দের বাংলা পারিভাষা - সংস্করণ।
- Gazette শব্দের বাংলা পারিভাষা - ঘোষণাপত্র।
- Invoice শব্দের বাংলা পারিভাষা - চালান, প্রেরিতক-সূচি।
- Constipation- শব্দের বাংলা পরিভাষা - কোষ্ঠকাঠিন্য।
উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
• 'ইতর বিশেষ' বাগ্ধারার অর্থ - পার্থক্য।
অন্যদিকে:
- 'গোবর গণেশ' বাগ্ধারার অর্থ - মূর্খ।
- 'চিনে জোঁক' বাগ্ধারার অর্থ - নাছোড়বান্দা।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• পাকা কাজ।- এখানে 'পাকা' শব্দটি ‘দক্ষ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যদিকে,
• পাকা রং- এখানে 'পাকা' শব্দটি ‘স্থায়ী' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• পাকা আম- এখানে 'পাকা' শব্দটি 'পরিপক্ব' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• পাকা বাড়ি- এখানে 'পাকা' শব্দটি 'ইটের তৈরি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
নিচে "গুণ" শব্দটির বিভিন্ন অর্থে প্রয়োগ এর উদাহরণ দেওয়া হলো:
- 'তুমি তো নিজের গুণকীর্তন করছো' এখানে "গুণ" শব্দটি উৎকর্ষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'দ্রব্যের গুণ জানতে হয়' এখানে "গুণ" শব্দটি ধর্ম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'ওষুধে গুণ করেছে' এখানে "গুণ" শব্দটি ক্রিয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'মাঝিরা নৌকার গুণ টেনে এসেছে' এখানে "গুণ" শব্দটি দড়ি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'হক' এর বিপরীতার্থক শব্দ - নাহক।
উল্লেখ্য,
'হক' শব্দের অর্থ - অধিকার; দাবি, পদবিবিশেষ।
'নাহক' শব্দের অর্থ - অন্যায্য, অনুচিত, অনর্থক।
অন্যদিকে,
রত - বিরত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।