উত্তর
ব্যাখ্যা
- 'নির্ভুল' শব্দের অর্থ হচ্ছে 'Accurate'।
- 'লোকাচার' শব্দের অর্থ হচ্ছে 'Popular Usage'।
- 'সদ্যপ্রাপ্ত' শব্দের অর্থ হচ্ছে 'Fresh Receipt'।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১ / ৮১ · ১–১০০ / ৮,১৭১
'কুল' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বংশ,
- গোত্র,
- গোষ্ঠী,
- জাত,
- বৰ্ণ।
'কূল' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তীর,
- তট,
- বেলাভূমি,
- সৈকত,
- ধার,
- বালুকাবেলা,
- কিনারা,
- পুলিন,
- পাড়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
- ‘চুনোপুঁটি’ অর্থ সামান্য ব্যাক্তি
- সকলকে চুনোপুঁটি ভেবে অবজ্ঞা করা উচিত না।
- ‘তীর্থের কাক’ এর অর্থ সুযোগ সন্ধানী
- ‘টাকার কুমির’ এর অর্থ অনেক টাকার মালিক
- ‘লেফাফা দুরস্ত ’ এর অর্থ পরিপাটি
[বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত , নবম -দশম শ্রেণি ,সংস্করণ ২০২১]
- 'বিভব' শব্দের সমার্থক শব্দ অর্থ, বিত্ত, সম্পদ, ধন ইত্যাদি।
- দিন শব্দের সমার্থক শব্দ দিবস।
- তনু শব্দের সমার্থক শব্দ শরীর।
- বিদ্যুৎ শব্দের সমার্থক শব্দ ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'শ্যামল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ- গৌরাঙ্গ।
অন্যদিকে,
--------------
মলিন - উজ্জ্বল।
সুশ্রী - কুশ্রী/বিশ্রী।
সরস - নীরস।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'অসি' শব্দের অর্থ - তলোয়ার, তরবারি, কৃপাণ, অস্ত্রবল।
অন্যদিকে,
'ঢেউ' শব্দের অর্থ - ঊর্মি, তরঙ্গ, লহর, লহরী।
'যুদ্ধ' শব্দের অর্থ - আহব, রণ, সমর।
'ঝড়' শব্দের অর্থ - ঝটিকা, প্রভঞ্জন, ঝঞ্ঝা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'জয়ের জন্য যে উৎসব' এক কথায় প্রকাশ - জয়ন্তী।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- একাদিক্রমে পঁচিশ বছর পূর্তিতে যে উৎসব - রজত জয়ন্তী।
- পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে যে উৎসব - সুবর্ণ জয়ন্তী।
- ষাট বছর পূর্তিতে যে উৎসব - হীরক জয়ন্তী।
- পঁচাত্তর বছর পূর্তিতে যে উৎসব হয় - প্লাটিনাম জয়ন্তী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ভুজঙ্গ (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সাপ, সর্প।
স্ত্রীবাচক শব্দ- ভুজঙ্গী।
উল্লেখ্য,
• 'টুপ ভুজঙ্গ' বাগধারার অর্থ- (নেশাগ্রস্ত)
• বাক্য-বেটা টুপ ভুজঙ্গ, এ পাড়ায় মাতলামি করতে এসো না।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'মৌমাছি' শব্দের অর্থ - মধুকর, মৌমাছি, মধুপ, শিলীমুখ, ভূঙ্গ, দ্বিরেফ, ভ্রমর, মধুলেহ, অলি প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
'বানর' শব্দের অর্থ - শাখামৃগ, বাঁদর, বান্দর।
'ময়ূর' শব্দের অর্থ - কলাপী, কেকা, কেকী, শিখী
'সাপ' শব্দের অর্থ - সর্প, অহি, আশীবিষ, নাগ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'কলুষ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - অমলিন।
• 'কলুষ' শব্দের অর্থ - পাপ; দোষ, মলিনতা, মলিন, আবিল; অধর্ম।
• ‘অমলিন’ শব্দের অর্থ - মলিন নয় এমন; উজ্জ্বল, নির্দোষ; নিষ্কলঙ্ক।
• 'পঙ্কিল' শব্দের অর্থ - কর্দমাক্ত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'তপ্ত' এর বিপরীতার্থক শব্দ - হিম।
উল্লেখ্য,
'তুহিন' শব্দের অর্থ - বরফ, তুষার, হিম।
'উষ্ণ' শব্দের অর্থ - তপ্ত, গরম, ক্রুদ্ধ, প্রখর।
অন্যদিকে,
তৃপ্ত - অতৃপ্ত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• কোকিল শব্দের প্রতিশব্দ:
- পরভৃত, পিক, অন্যপুষ্ট, কলকন্ঠ, বসন্তদূত, মধুসখা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
'পরভৃৎ' অর্থ- কাক। এটা কোকিল এর প্রতিশব্দ নয়।
• কাকের সমার্থক শব্দ- বায়স, কঙ্খ, বৃক, বলিভূক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'ঢেউ' এর সমার্থক শব্দ:
- তরঙ্গ, কল্লোল, ঊর্মি, হিল্লোল, লহরী, বীচি, জোয়ার, মহাতরঙ্গ, মহোর্মি, বীচিমালা, লহর, তরঙ্গহিল্লোল, দোলা, তরঙ্গভঙ্গ, ঊর্মিলহরী, তরঙ্গমালা, তরঙ্গলহরী ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
‘ঠাট্টা’ এর সমার্থক শব্দ:
- বিদ্রুপ, শ্লেষ, মশকরা, উপহাস, রসিকতা।
'সমুদ্র' এর সমার্থক শব্দ:
- সাগর, সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, জলধি, অকূল, পাথার, বারিধি, রত্নাকর, নীলাম্বু, পয়োধি ইত্যাদি।
'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জলদ, জলধর, নীরদ, বারিদ, ঘন, জীমূত, অভ্র, অম্বুবাহ।
"বাগান" শব্দের সমার্থক শব্দ - উদ্যান; উপবন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার' এক কথায় বলে- নশ্বর।
অন্যদিকে,
- 'যা স্থায়ী নয়' এক কথায় বলে- অস্থায়ী।
- 'ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী' এক কথায় বলে- ক্ষণস্থায়ী।
- 'নষ্ট হয় না' এক কথায় বলে- অবিনশ্বর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
’যা নিবারণ করা কষ্টকর’ এক কথায় বলা হয়- দুর্নিবার।
অন্যদিকে,
- ’যা দমন করা কষ্টকর’ এক কথায় বলা হয়- দুর্দমনীয়।
- 'যা নিবারণ করা যায় না' এক কথায় বলা হয়- অনিবার্য
- ’যা দমন করা যায় না’ এক কথায় বলা হয়- অদম্য।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই (২০১৮ সালের সংস্করণ)।
• ‘বিরক্ত‘ - এর বিপরীতার্থক শব্দ = অনুরক্ত।
উল্লেখ্য,
• 'অনুরক্ত' - অর্থ- আসক্ত।
• 'আরক্ত' - ঈষৎ রক্তবর্ণ।
• কিছু বিপরীতার্থক শব্দযুগল সমূহ-
- 'হলাহল' -'সুধা/ অমৃত'।
- 'হর্ষ/হরিষ' - 'বিষাদ'।
- 'প্রসন্ন' - 'বিষণ্ণ'।
- 'সন্নিকৃষ্ট' - 'বিপ্রকৃষ্ট'।
- 'সন্ধি' - 'বিগ্রহ/বিবাদ'।
• ‘অনুমোদিত‘ - অননুমোদিত।
• 'আবশ্যক‘ - অনাবশ্যক
• 'অনুমেয়‘ - অননুমেয়
• 'মতৈক্য‘- মতানৈক্য
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'উড়নপেকে' বাগ্ধারার অর্থ- অপব্যয়ী।
অন্যদিকে,
• 'ইস্কুপের প্যাচ' অর্থ - কুটিল বুদ্ধি।
• 'ইঁচড়ে পাকা' অর্থ - অকালপক্ব।
• 'উর্জস্থল' অর্থ - বলবান।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ছক্কা পাঞ্জা করা' বাগ্ধারাটির অর্থ বড় বড় কথা বলা।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
‘বকধার্মিক’ বাগ্ধারাটির অর্থ- অসাধু যখন সাধুর ভান করে।
• ‘বিড়াল তপস্বী’ বাগ্ধারাটির অর্থ- ভণ্ড লোক।
• ‘মণিকাঞ্চন যোগ’ বাগ্ধারাটির অর্থ- উপযুক্ত মিলন।
• ‘সোনায় সোহাগা’ বাগ্ধারাটির অর্থ- সুন্দর মিল।
• ‘অন্ধের যষ্টি’ বাগ্ধারাটির অর্থ-অপরিহার্য অবলম্বন।
• ‘অন্ধের নড়ি’দ বাগ্ধারাটির অর্থ- একমাত্র অবলম্বন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'Acceptability' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- গ্রহণযোগ্যতা।
অন্যদিকে,
• Accept - গ্রহণ করা।
• Accessibility - প্রবেশযোগ্যতা।
• Acceptance - গ্রহণ, সম্মতি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
• 'পয়োদ' - হলো 'মেঘ' এর প্রতিশব্দ।
• 'মেঘ' এর অন্যান্য প্রতিশব্দ:
- জলধর, নীরদ, পয়োদ, ঘন, অম্বুদ, তোয়দ, পয়োধর, তোয়ধর ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'হাত ধুয়ে বসা' বাগধারাটির অর্থ - সাধু সাজা।
• ভাষা-শিক্ষা, - ড. হায়াৎ মামুদের বই অনুসারে, 'হাত ধুয়ে বসা'- i) বাগ্ধারাটির অর্থ- 'নিশ্চিন্ত বোধ করা'।
• অভিগম্য অভিধান অনুসারে, 'হাত ধুয়ে বসা'- i) বাগ্ধারাটির অর্থ- আশা ত্যাগ করা।
• সংসদ বাংলা অভিধান অনুসারে, 'হাত ধুয়ে বসা'- i) বাগ্ধারাটির অর্থ- আশা বা সম্পর্ক ত্যাগ করা, দায়িত্ব না নেয়া।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বান্ধারা হলো:
'চুলোয় যাওয়া' বাগধারাটির অর্থ নষ্ট হওয়া।
'উড়োকথা' বাগধারাটির অর্থ - গুজব।
'উড়োচিঠি' বাগধারাটির অর্থ বেনামি চিঠি।
'গা ঢাকা দেওয়া' বাগধারাটির অর্থ পলায়ন করা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• "ময়ূরের ডাক" — কে এক কথায় বলে — কেকা।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• সিংহের নাদ (ডাক) - হুঙ্কার।
• ময়ূরের ডাক - কেকা।
• কোকিলের ডাক - কুহু।
• ‘পেঁচার ডাক’ - ঘূৎকার।
• অশ্বের ডাক - হ্রেষা।
• হাতির ডাক - বৃংহিত বা বৃংহণ।
• রাজহাঁসের কর্কশ ডাক - ক্রেঙ্কার।
• মোরগের ডাক - শকুনিবাদ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক উত্তর - গ) অক্ষম লোকের হাঁকডাক বেশি
'অসারের তর্জনগর্জন' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ হচ্ছে - অক্ষম লোকের হাঁকডাক বেশি।
অন্যদিকে,
- কাঁচা বাঁশে ঘুণ ধরা (অল্প বয়সেই স্বভাব নষ্ট হওয়া),
- আঙুল ফুলে কলা গাছ (হঠাৎ বড়োলোক হওয়া),
- এক হাতে তালি বাজে না (দুই পক্ষ ছাড়া ঝগড়া হয় না)।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।