বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

উদ্ভিদ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন১,৩৫৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উদ্ভিদ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা / ১৪ · ১০১২০০ / ১,৩৫৫

১০১.
ভাইরাস কোন ধরনের গঠনবিশিষ্ট? 
  1. এককোষী
  2. অকোষীয়
  3. বহু কোষী
  4. জনন কোষী
সঠিক উত্তর:
অকোষীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অকোষীয়
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
ভাইরাস হচ্ছে অকোষীয়। 
• এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
• এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
• এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
• ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
• জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

ভাইরাসের জীব বৈশিষ্ট্য: 
• ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
• পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
• এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
• ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
• নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 
• ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
শ্বসনে উৎপন্ন রাসায়নিক শক্তি কোন রূপে সংরক্ষিত হয়? 
  1. গ্লুকোজ
  2. প্রোটিন
  3. এটিপি
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
এটিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটিপি
ব্যাখ্যা
শ্বসন: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং শক্তি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন (respiration) বলে। 
- শ্বসনের সময় খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়। 
- শ্বসন প্রতিটি সজীব কোষে দিন ও রাতের সবসময় ঘটে। 
- কোষের সাইটোপ্লাজম বা সাইটোসল (cytosol) এবং কোষস্থ মাইটোকন্ড্রিয়া নামক অঙ্গানুতে সবাত শ্বসন হয়। 
- অবাত শ্বসন হয় সাইটোপ্লাজমে। 
- সবাত ও অবাত শ্বসনে খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে যে রাসায়নিক শক্তি উৎপাদন করে তা কোষের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করার জন্যে প্রধানত এটিপি (ATP) হিসাবে তৈরি ও পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয়। সেজন্য এটিপি (ATP) কে জৈবনিক মুদ্রা বা biological coin বলা হয়। 
- সবাত শ্বসনের এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারনের সর্বশেষ ধাপ কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াতে হয় এবং অন্যান্য উচ্চশক্তিসম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থ এটিপি (ATP) তে রূপান্তরিত হয় এবং সেজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বা powerhouse of a cell বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৩.
গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া কোষের কোথায় ঘটে?
  1. সাইটোপ্লাজম
  2. মাইটোকন্ডিয়া
  3. নিউক্লিয়াস
  4. ক্রোমোজোম
সঠিক উত্তর:
সাইটোপ্লাজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইটোপ্লাজম
ব্যাখ্যা

• গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া (Glycolysis Process):
- গ্লাইকোলাইসিস হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্লুকোজ অণু ভেঙে দুইটি পাইরুভেট (Pyruvate) অণুতে রূপান্তরিত হয়।
- এটি কোষে শক্তি উৎপাদনের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে কাজ করে।
- গ্লাইকোলাইসিসে ATP এবং NADH উৎপাদিত হয়, যা পরে মাইটোকন্ড্রিয়ায় আরও শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন নেই, তাই এটি অ্যানারোবিক প্রক্রিয়া হিসেবেও পরিচিত।
- গ্লাইকোলাইসিস ঘটে সাইটোপ্লাজমে, মাইটোকন্ড্রিয়ায় নয়, নিউক্লিয়াস বা ক্রোমোজোমে নয়।  

- সুতরাং, গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া কোষের কোথায় ঘটে তা হলো - সাইটোপ্লাজম।  
- সঠিক উত্তর: ক) সাইটোপ্লাজম। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

১০৪.
নিষেকের পর ডিম্বক কীসে রূপান্তরিত হয়?
  1. ফল
  2. বীজ
  3. টেস্টা
  4. সস্য
সঠিক উত্তর:
বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ
ব্যাখ্যা
নিষেকের পর ডিম্বক বীজে রূপান্তরিত হয়।

• নিষেকক্রিয়ার পর গর্ভাশয় ও ডিম্বকের বিভিন্ন পরিবর্তন
নিষেকক্রিয়ার পূর্বে --- নিষেকক্রিয়ার পরে
গর্ভাশয় ----------------- ফল
গর্ভাশয় ত্বক ------------ ফলত্বক
ডিম্বক ------------------ বীজ
এক্সাইন ---------------- টেস্টা
ইন্টাইন ---------------- টেগমেন
ভ্রূণপোষক টিস্যু ------- নিঃশেষ হয়ে যায়
ডিম্বাণু (নিষিক্ত) -------- ভ্রূণ
সস্য মাতৃকোষ -------- সস্য
সাহায্যকারী কোষ ----- নষ্ট হয়ে যায়
প্রতিপাদ কোষ -------- নষ্ট হয়ে যায়
মাইক্রোপাইল -------- মাইক্রোপাইল
হাইলাম -------------- হাইলাম
ডিম্বকনাড়ী ---------- বীজবৃন্ত

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোন খনিজ উপাদানটি সাহায্য করে? 
  1. পটাসিয়াম
  2. ফসফরাস
  3. নাইট্রোজেন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
যেমন- 
ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
- ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- এটি উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 

নাইট্রোজেন (N): 
- নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষকলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 

ফসফরাস (P): 
- নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। 
- উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

পটাসিয়াম (K): 
- উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৬.
পেনিসিলিনের আবিষ্কারক কে?
  1. ক) আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং
  2. খ) লুই পান্তর
  3. গ) লিয়েন হুক
  4. ঘ) রবার্ট হুক
সঠিক উত্তর:
ক) আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিনের আবিষ্কার করেন।

- Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করা হয়।
- বর্তমানে Penicillium chrysogenum থেকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
- পেনিসিলিনটি কান, নাক এবং গলার ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া এটি সাইনাস, ত্বক, নিম্ন শ্বাস নালীর, পেট, অন্ত্র, কিডনি এবং মূত্রাশয়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
নিচের কোনটির অভাবে গাছের পাতা বেগুনি হয়ে যায়?
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) পটাসিয়াম
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
- ফসফরাসের অভাবে গছের পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়।

- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হাল্কা হতে হতে একসময় হ্লুদ হয়ে যায়। 

- পটাসিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- বিশেষ করে পাতার শিরার মধ্যবর্তী স্থানে ক্লোরোসিস হয়ে হলুদবর্ণ ধারণ করে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হাল্কা হয়ে যায়।
- সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৮.
সালোকসংশ্লেষণ সংঘটিত হয় কোথায়? 
  1. রাইবোজোম
  2. ক্রোমোসোম
  3. প্লাস্টিড
  4. মাইটোকন্ড্রিয়া 
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
ব্যাখ্যা
• সালোকসংশ্লেষণ:
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য।
- যে জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের সবুজ অংশ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে কাজে লাগিয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদন করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড বা ক্লোরোফিল সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়।
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে।
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে কেন গণ্য করা হয়।
কারণ-
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-
অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়।
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি।
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১০৯.
সালোকসংশ্লেষণের জন্য উদ্ভিদ কোন দুটি উপাদান গ্রহণ করে?
  1. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. পানি ও মাটি
  3. কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি
  4. আলো ও বায়ু
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি

- সালোকসংশ্লেষণের জন্য উদ্ভিদ প্রধানত যে দুটি উপাদান (কাঁচামাল) পরিবেশ থেকে সরাসরি গ্রহণ করে, তা হলো 
পানি (H2O) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)।
⋅ পানি (H2O): মূলের সাহায্যে মাটি থেকে শোষণ করে নেয়। 
⋅ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2): পত্ররন্ধ্রের (stomata) মাধ্যমে বাতাস থেকে গ্রহণ করে। 
এছাড়াও, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সূর্যালোক এবং ক্লোরোফিলের উপস্থিতি অপরিহার্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১১০.
ছোলা কোন শ্রেণির উদ্ভিদ?
  1. গুল্ম
  2. একবর্ষজীবি
  3. উপগুল্ম
  4. বীরুৎ
সঠিক উত্তর:
একবর্ষজীবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবর্ষজীবি
ব্যাখ্যা

• একবর্ষজীবী উদ্ভিদ:
- ধান, মটর, ছোলা, কলা এসব আপনাদের অতি পরিচিতি উদ্ভিদ।
- এদের জীবনকাল এক বছর।
- এ জন্য এদেরকে একবর্ষজীবী উদ্ভিদ বলা হয়।

• দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ:
যেসকল উদ্ভিদের জীবনকাল দুই বছর তাদের দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ বলে।
- মূলা, গাজর, ফুলকপি ইত্যাদি দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ।

• বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ:
আম, কাঁঠাল, বট, তাল ইত্যাদি অনেক উদ্ভিদ রয়েছে যারা বহু বছর বেঁচে থাকে। এসব উদ্ভিদকে বহু বর্ষীজীবী উদ্ভিদ বলে।

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১১.
উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ এক ধরনের -
  1. ক) জারণ বিক্রিয়া
  2. খ) বিজারণ বিক্রিয়া
  3. গ) জারণ বিজারণ বিক্রিয়া
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) জারণ বিজারণ বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জারণ বিজারণ বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। 
- সজীব উদ্ভিদ কোষস্থ ক্লোরোফিল সূর্যের আলোকশক্তিকে ATP এবং NADPH+H' নামক রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে CO2 বিজারণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে ও উপজাত হিসেবে O2 নির্গত করে।
- এ প্রক্রিয়ায় দরকার হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি, সূর্যালোক এবং ক্লোরোফিল। উৎপন্ন হয় শর্করা (গ্লুকোজ)। এ বিক্রিয়ায় উপজাত দ্রব্য হিসেবে অক্সিজেন ও পানি উৎপন্ন হয়।
- সূর্যালোকের দরকার হয় মূল শক্তির জন্য এবং ক্লোরোফিল দরকার হয় সূর্য শক্তিকে শোষণ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরের জন্য। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদে তৈরিকৃত খাদ্য উদ্ভিদ নিজে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিপাকীয় প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে ব্যবহার করে এবং অবশিষ্ট খাদ্য ফল, মূল, কান্ড অথবা পাতায় সঞ্চিত হয়।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ বিক্রিয়া বলা হয়। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১২.
সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় মোট কত অনু ATP সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ৩৬ অনু
  2. খ) ৩৮ অনু
  3. গ) ৪০অনু
  4. ঘ) ৪২ অনু
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৮ অনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৮ অনু
ব্যাখ্যা
সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারিত হয়ে সর্বমোট ছয় অণু কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ছয় অণু পানিএবং ৩৮ অনু ATP উৎপন্ন করে।
উৎস: নবম শ্রেণির জীববিজ্ঞান।
১১৩.
উদ্ভিদের খাদ্যের কাঁচামাল পানি সরবরাহ করে-
  1. ক) জাইলেম
  2. খ) ফ্লোয়েম
  3. গ) স্ক্লেরাইড
  4. ঘ) সিভনল
সঠিক উত্তর:
ক) জাইলেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাইলেম
ব্যাখ্যা

জাইলেম উদ্ভিদের খাদ্যের কাঁচামাল পানি সরবরাহ করে উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে এবং ফ্লোয়েম পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করে।‌
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৪.
নিচের কোনটি উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান?
  1. ম্যাংগানিজ
  2. জিংক
  3. বোরন
  4. লৌহ
সঠিক উত্তর:
লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ
ব্যাখ্যা
ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান ( macro - nutrient বা macro-element):
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান 10টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান (micro-nutrient বা micro-element):
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে।
- মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট 6টি।
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৫.
প্রাণী কোন প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে?
  1. ক) ব্যাপন
  2. খ) রেচন
  3. গ) শ্বসন
  4. ঘ) অভিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
গ) শ্বসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্বসন
ব্যাখ্যা

যে বিশেষ জৈবনিক প্রক্রিয়ায় জারণের ফলে সজীব কোষস্থ খাদ্য স্থিতিশক্তি তাপ ও গতিশক্তিতে রূপান্তরিত ও মুক্ত হয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প নির্গত হয় তাকে শ্বসন বলে।
তাই মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো শ্বসন।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১৬.
শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয় কাকে? 
  1. ক) অ্যাারিস্টটল
  2. খ) জন রে
  3. গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
  4. ঘ) থিওফ্রাস্টাস
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। এদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্তর বা ধাপে সাজানো হয়।

- জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা

- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়।

- তিনিই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন। একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম - Homo Sapiens.

- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
১১৭.
নিচের কোন খনিজের অভাবে উদ্ভিদের 'ডাইব্যাক' নামক রোগটি হয়? 
  1. সালফার
  2. আয়রন
  3. নাইট্রোজেন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার
ব্যাখ্যা
সালফার: 
- সালফার (S) শউদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের (N) অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। 
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ক্লোরোসিস’ (Chlorosis) বলে। 

আয়রন: 
- লৌহ বা আয়রনের (Fe) অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৮.
প্যারেনকাইমা কোষে যখন ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে তখন তাকে বলা হয় -
  1. ক) অ্যারেনকাইমা
  2. খ) ক্লোরেনকাইমা
  3. গ) এ্র্যারেনকাইমা
  4. ঘ) স্ক্লেরেনকাইমা
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লোরেনকাইমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লোরেনকাইমা
ব্যাখ্যা
প্যারেনকাইমা (Parenchyma):
- উদ্ভিদদেহের সব অংশে এদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
- এ টিস্যুর কোষগুলাে জীবিত, সমব্যাসীয়, পাতলা প্রাচীরযুক্ত এবং প্রােটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ।
- এই টিস্যুতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক দেখা যায়। কোষপ্রাচীর পাতলা এবং সেলুলােজ দিয়ে তৈরি হয়।
- এসব কোষে যখন ক্লোরােপ্লাস্ট থাকে, তখন তাকে ক্লোরেনকাইমা (Chlorenchyma) বলে।
- জলজ উদ্ভিদের বড় বড় বায়ুকুঠুরিযুক্ত প্যারেনকাইমাকে অ্যারেনকাইমা (Aerenchyma) বলে।
- প্যারেনকাইমা টিস্যুর প্রধান কাজ দেহ গঠন করা, খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং খাদ্যদ্রব্য পরিবহন করা।


[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
১১৯.
উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার কোন প্রক্রিয়াকে 'Necessary evil' বলা হয়?
  1. শ্বাসক্রিয়া
  2. প্রস্বেদন
  3. নিঃসরণ
  4. সালোকসংশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন: 
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়। এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। 
- তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। 
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। 
- কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে। 
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। 
- কোন অঙ্গের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে তার উপর ভিত্তি করে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, 
২. কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং 
৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: 
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২. জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
১২০.
নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. গর্ভাশয় থাকে
  2. ফল উৎপন্ন হয় না
  3. ফল উৎপন্ন হয়
  4. সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
ফল উৎপন্ন হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফল উৎপন্ন হয় না
ব্যাখ্যা
• নগ্নবীজী উদ্ভিদ:
- যে সব উদ্ভিদের বীজ সরাসরি উদ্ভিদের অক্ষে জন্মে এবং কোন ফল উৎপন্ন হয় না, এদেরকে জিমনোস্পার্মিবা নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলা হয়।
- এদের গর্ভাশয় থাকে না তাই ফল হয় না। বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ (Sequoia gigantea ) এ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- যেমন- Cycas, Pimus, Gnetum ইত্যাদি হলো উল্লেখযোগ্য নগ্নবীজী উদ্ভিদ।

• আবৃতবীজী উদ্ভিদ:
- যে সকল উদ্ভিদের ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় এবং ফলের বীজ নির্দিষ্ট আবরণ দিয়ে আবৃত অবস্থায় থাকে তাকে আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলে।
- বর্তমানে আবৃতবীজী উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ ধারণা করা হয়।
- এরা পানিতে, সিক্ত মাটিতে, মরুভূমিতে, পাথুরে পাহাড়ি অঞ্চলে এমনকি পরাশ্রয়ী ও পরভোজী হিসেবে অন্য উদ্ভিদের উপর জন্মায়।

• নগ্নবীজী উদ্ভিদ এর বৈশিষ্ট্য:
- গর্ভাশয় থাকে না;
- ফল উৎপন্ন হয় না;
- বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে।

• আবৃতবীজী উদ্ভিদ এর বৈশিষ্ট্য:
- গর্ভাশয় থাকে;
- ফল উৎপন্ন হয়;
- বীজ ফলের ভেতরে থাকে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
জলজ উদ্ভিদ নয় কোনটি?
  1. গজারি
  2. সাইকাস
  3. হিজল
  4. সেগুন
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
জলজ উদ্ভিদ: 
 - জলজ উদ্ভিদ পানিতে বসবাস ও বেড়ে ওঠা এবং প্রায়শ সুচিহ্নিত উদ্ভিদকুল। 
- এগুলো খাদ্যবস্ত্ত ও শক্তির উৎস এবং সৌরশক্তির দক্ষ পরিবর্তক। 
- কৃষি, মৎস্যচাষ ও জলাশয়ের আবাদে জলজ উদ্ভিদকুলের গুরুত্ব সম্প্রতি বেড়েছে। 
- বাংলাদেশে প্রায় ১৩০ সপুষ্পক, ৬ ফার্নজাতীয় (pteridophyte), ৩ মসজাতীয় (bryophyte) ও কয়েকশ  শৈবাল প্রজাতি জলজ উদ্ভিদ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। 
- জলজ উদ্ভিদকুল সম্পূর্ণ ডুবন্ত, উপরিতলে ডুবন্ত, বিক্ষিপ্ত ও ভাসমান আগাছা হিসেবে বিভক্ত। 
- শৈবাল ছাড়া জলজদের মধ্যে আছে সম্পূর্ণ ডুবন্ত ৩৫, উপরিতলে ডুবন্ত ২০, ভাসমান ১৭ প্রজাতি। 
- জলজ উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে জলকণা, পদ্ম, ডাকউইডস, মশার ফার্ন, ভাসমান হৃদয়, জলকণা, ঘোড়ার লেজ, জলকণা, জলকণা, হিজল, সেগুন, সাইকাস এবং শৈবাল ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- গজারির অপর নাম শাল। 
- ভাওয়াল ও মধুপুরের গাজারি বনই দেশের বৃহত্ পত্রঝরা বনাঞ্চল। 
- লাল মাটির পাহাড়, ছোট ছোট টিলা জমিতে গজারি ভালো জন্মে। তবে পানিতে এ গাছ বেশিদিন বাঁচে না। 
- এ গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Shorea robusta। 
- সরল কাণ্ডের গজারিগাছ মূলত বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ। 
- গজারির বড় পাতা ঠোঙা, চালের পিঠা তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়। 
- গজারি পাতায় রস কৃমিনাশক, এ গাছের ফলের গুঁড়া আমাশয় ভালো করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া [লিঙ্ক] ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা।
১২২.
নিচের কোনটি পটাশিয়ামের অভাবজনিত সমস্যা নয়? 
  1. পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া।
  2. উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যাওয়া।
  3. পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হওয়া।
  4. পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয়ে যাওয়া।
সঠিক উত্তর:
পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া।
ব্যাখ্যা
পটাশিয়াম: 
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়। 
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে। 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়। 

ফসফরাস: 

- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়। 
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে। 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৩.
নগ্নবীজী উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
  1. নারিকেল
  2. আম
  3. সুপারি
  4. পাইনাস
সঠিক উত্তর:
পাইনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইনাস
ব্যাখ্যা
সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- উদ্ভিদে ফুলের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে উদ্ভিদকে সপুষ্পক ও অপুষ্পক এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: আম, কাঁঠাল, ধান, নারিকেল ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতা বিভক্ত। 
- ফুলের মাধ্যমে পরাগায়ন প্রক্রিয়ায় এদের বংশবিস্তার ঘটে। 
- বীজের আবরণের উপর নির্ভর করে সপুষ্পক উদ্ভিদকে আবার নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
- নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল উৎপন্ন হয় না, তাই বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। 
উদাহরণ: সাইকাস, পাইনাস ইত্যাদি। 
- আর আবৃতবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকায় ফল উৎপাদন হয় এবং বীজ আবৃত থাকে। 
উদাহরণ: আম, জাম, সুপারি ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১২৪.
নিচের কোনটি বোরনের অভাবজনিত লক্ষণ নয়?
  1. ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
  2. খ) কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যাওয়া
  3. গ) ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হওয়া
  4. ঘ) কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাণ্ড দুর্বল ও ছোট হওয়া
ব্যাখ্যা
বোরন (B):
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে।
- প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়।
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে।
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়।
- কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়।
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।
লৌহ (Fe):
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়। 
- তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৫.
নিচের কোনটি ফ্লোয়েম টিস্যু নয়?
  1. ক) ভেসেল
  2. খ) সীভ নল
  3. গ) সঙ্গী কোষ
  4. ঘ) বাস্ট তন্তু
সঠিক উত্তর:
ক) ভেসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভেসেল
ব্যাখ্যা
ফ্লোয়েম টিস্যু:
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করাই এদের কাজ।
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। যথা-
(A) সীভ নল,
(B) সঙ্গী কোষ,
(C) ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং
(D) ফ্লোয়েম ফ্লাইবার বা বাস্ট তন্তু।
- এই ফ্লোয়েম টিস্যুর কাজ হলো- উদ্ভিদ দেহকে দৃঢ়তা প্রদান করে এবং কখনো কখনো খাদ্য পরিবহনে সহায়তা করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১২৬.
নিচের কোনটি উদ্ভিদের একটি ম্যাক্রো পুষ্টি উপাদান? 
  1. ফসফরাস
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. দস্তা
  4. মোলিবডেনাম
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন - 
১। ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ৯ টি। 
যথা -
• নাইট্রোজেন (N), 
• পটাশিয়াম (K), 
ফসফরাস (P)
• ক্যালসিয়াম (Ca), 
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg), 
• কার্বন (C), 
• হাইড্রোজেন (H), 
• অক্সিজেন (O) এবং 
• সালফার (S)। 

২। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে।
- মাইক্রো উপাদান ৭টি।
যথা - 
• দস্তা বা জিংক (Zn), 
• ম্যাঙ্গানিজ (Mn), 
• মোলিবডেনাম (Mo), 
• বোরন (B), 
• লৌহ (Fe), 
• তামা বা কপার (Cu) এবং 
• ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৭.
উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য কী?
  1. ক) স্টার্চ
  2. খ) গ্লাইকোজেন
  3. গ) প্রোটিন
  4. ঘ) ক্লোরোফিল
সঠিক উত্তর:
ক) স্টার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্টার্চ
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য স্টার্চ বা শ্বেতসার।
- উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে।
- উদ্ভিদ কোষের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
- এদের এক বা একাধিক কোন গহ্বর থাকে।
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১২৮.
কোনটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ?
  1. আম
  2. মটর
  3. শিম
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• একবীজপত্রী উদ্ভিদ: যেসব উদ্ভিদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে, তাদের একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
- যেমন: ধান, গম, যব, খেজুর, বরই ইত্যাদি।
• দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ: যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে।
- যেমন: আম, ছোলা, মটর, শিম ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২৯.
ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত সঠিক নয় কোনটি?
  1. বংশবৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া দ্বি-ভাজন পদ্ধতি
  2. ফ্লাজেলা চলনে অংশগ্রহণ করে
  3.  পিলি দ্বারা পোষক কোষের সাথে সংযুক্ত হয়
  4. প্লাসমিড কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে
সঠিক উত্তর:
প্লাসমিড কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাসমিড কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে
ব্যাখ্যা

• ক্যাপসুল বা স্লাইম স্তর, ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে।
- প্লাসমিড হলো ক্ষুদ্র বৃত্তাকার DNA অণু যা ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে, স্ববিভাজন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ট্রান্সজেনিক ব্যাকটেরিয়া বা জীব সৃষ্টিতে ভেক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য:
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব।
ব্যাকটেরিয়ার সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে-
১. ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২. এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
৩. এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।
৪. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া
অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।
৫. এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর।
- এরা সাধারণত দ্বি-ভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে।
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে।
৬. এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান। এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে।
৭. ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল।
৮. এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।
৯. এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ।
১০. এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার DNA অণু থাকে। এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না।
১১. কিছুকিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩০.
নিচের কোন মৌলটি মাইক্রোমৌল?
  1. কার্বন
  2. আয়রন
  3. সালফার
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়রন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন মৌলটি মাইক্রোমৌল?

• উদ্ভিদের অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদান:
- যে মৌল ছাড়া উদ্ভিদ তার স্বাভাবিক জীবনচক্র সম্পন্ন করতে পারে না এবং উদ্ভিদ গঠন বা মেটাবলিজম সম্ভব নয় তাকে উদ্ভিদের অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদান বলা হয়। 
- উদ্ভিদের জন্য দুই ধরনের অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। যথা:

• ম্যাক্রোমৌল:
- যে মৌলগুলো অধিক পরিমাণে লাগে সেগুলো ম্যাক্রোমৌল।
- হাইড্রোজেন, কার্বন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও সালফার।

• মাইক্রোমৌল:
- যে মৌলগুলো অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণে লাগে সেগুলো মাইক্রোমৌল।
- ক্লোরিন, বোরন, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, কপার, নিকেল, মলিবডেনাম।

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

১৩১.
কচুরীপানা পানিতে ভাসে?
  1. ক) শিকড় লম্বা বলে
  2. খ) কাণ্ড ফাঁপা বলে
  3. গ) পাতাগুলো ছড়ানো বলে
  4. ঘ) সবগুলোই ঠিক
সঠিক উত্তর:
খ) কাণ্ড ফাঁপা বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাণ্ড ফাঁপা বলে
ব্যাখ্যা
• কচুরিপানা পানিতে সহজে ভাসতে পারে, কারণ এদের কাণ্ড ফাঁপা বলে
- কচুরিপানা সহ অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদের কান্ড ফাঁপা।
- এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে। তাই এরা পানিতে ভাসতে পারে।
- এই বায়ু কুঠুরী জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩২.
একটি পুকুরের বাস্তুসংস্থানের তৃতীয় শ্রেণির খাদক কোনটি?
  1. ব্যাঙ
  2. মশার শুককীট
  3. বক
  4. ভাসমান ক্ষুদ্র পোকা
সঠিক উত্তর:
বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বক
ব্যাখ্যা
বাস্তুসংস্থান (Ecology): 
- পরিবেশের সাথে জীবের যে পারস্পরিক ক্রিয়া তার একটি শৃঙ্খলা রয়েছে যাকে বাস্তুসংস্থান বলা হয়। 
- বাস্তুসংস্থানকে ইংরেজিতে Ecology বলা হয়। এর উৎপত্তি গ্রিক শব্দ Oikos যার অর্থ ঘর বা বসতি স্থান এবং Logos হচ্ছে বিজ্ঞান বা অধ্যয়ন। 
সুতরাং বাস্তুসংস্থান শব্দটির আভিধানিক অর্থ পৃথিবী বাসগৃহের তত্ত্বাবধায়ক বিজ্ঞান। তবে বাস্তুসংস্থান শব্দটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। 
- বৃহৎ অর্থে বাস্তুসংস্থান হলো পৃথিবীতে বসবাসকারী জীবগোষ্ঠির সাথে পরিবেশের সম্পর্ক অর্থাৎ জীবের সাথে পরিবেশের পারস্পরিক ক্রিয়া সম্পর্কিত বিজ্ঞানই হলো বাস্তুসংস্থান। 
যেমন- জলজ বাস্তুসংস্থান, স্থলজ বাস্তুসংস্থান, বনজ বাস্তুসংস্থান ইত্যাদি। 
- প্রত্যেকটি বাস্তুসংস্থান আলাদা এবং পরিপূর্ণভাবে শৃঙ্খলের মধ্যে টিকে আছে। আর প্রত্যেকটি শৃঙ্খলের উপর মানুষ নির্ভরশীল। 
- পরিবেশের এই শৃঙ্খলা যখন স্বাভাবিক নিয়মে বিরাজমান এবং চলমান থাকে তখন তাকে পরিবেশের ভারসাম্য অবস্থা বলে। 
- একটি পুকুরে বসবাসকারী জীব সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রধান হচ্ছে ভাসমান ও সঞ্চারমান ক্ষুদ্র জীব অর্থাৎ প্লাঙ্কটন। এছাড়া রয়েছে সবুজ শেওলা ও ক্ষুদ্র জলজ প্রাণি। - আর জড় উপাদানের মধ্যে রয়েছে পানি, মাটি ও সৌরশক্তি ইত্যাদি। 
- পুকুরের বাস্তুসংস্থানের উৎপাদক হচ্ছে সাধারণ ভাসমান ও অগভীর পানির বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ। 
যেমন- কচুরিপানা, শাপলা, হাইড্রিলা ইত্যাদি। 
- একটি পুকুরের প্রথম শ্রেণির খাদক হলো বিভিন্ন প্রকার ভাসমান ক্ষুদ্র পোকা, মশার শুককীট প্রভৃতি। 
- দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক হলো খামারি আকৃতির মাছ, ব্যাঙ, কচ্ছপ ইত্যাদি। 
- আর তৃতীয় শ্রেণির খাদকের মধ্যে রয়েছে বড় মাছ, বক, গাংচিল প্রভৃতি। 
- মৃত্যুর পর একই নিয়মে জীবাণু, মৃতজীবি ছত্রাক, কাঁদায় বসবাসকারী পোকা বিয়োজকের কাজ করে। 
- বিয়োজিত অজৈব লবণ পুকুরের উৎপাদক সম্প্রদায় খাদ্য উপাদান হিসেবে গ্রহণ করে। এভাবে পুকুরের প্রত্যেকটি উপাদান স্বাভাবিক নিয়মে নিজ নিজ কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে। 
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, একটি পুকুরের বাস্তুসংস্থান তার সুশৃঙ্খল ধারা বজায় রেখে ভারসাম্য বজায় রাখছে। 
- কোনো কারণে এই শৃঙ্খলার ব্যত্যয় ঘটলে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। পুকুরের বাস্তুসংস্থানের অন্তর্গত কোনো একটি শ্রেণি নষ্ট বা ধ্বংস হলে শৃঙ্খলা ভেঙ্গে যাবে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৩.
ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়? 
  1. ফলধারণ
  2. নিষেক
  3. পরাগায়ন
  4. অঙ্কুরোদগম
সঠিক উত্তর:
পরাগায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরাগায়ন
ব্যাখ্যা
পরাগায়ন: 
- পরাগায়নকে পরাগসংযোগও বলা হয়। 
- পরাগায়ন ফল ও বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। 
- একটি ফুলের পুংস্তবকের পরাগধানীতে আঙুলের ডগা ঘষে দেখা যায় হাতে হলুদ বা কমলা রঙের গুঁড়ো লেগেছে, এই গুঁড়ো বস্তুই পরাগরেণু। 
- ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। 
- পরাগায়ন দুই প্রকার। 
যথা- স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়ন। 

১। স্ব-পরাগায়ন: 
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। 
- সরিষা, কুমড়া, ধুতুরা ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে। 

২। পর-পরাগায়ন: 
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে। 
- শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৩৪.
ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিডের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য? 
  1. সকল ভাইরাসে কেবল RNA থাকে
  2. সকল ভাইরাসে কেবল DNA থাকে
  3. সব ভাইরাসে DNA ও RNA দুটোই একসাথে থাকে
  4. ভাইরাসে কখনও DNA বা কখনও RNA থাকে, দুটো একসাথে থাকে না
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসে কখনও DNA বা কখনও RNA থাকে, দুটো একসাথে থাকে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাসে কখনও DNA বা কখনও RNA থাকে, দুটো একসাথে থাকে না
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: 
- রাসায়নিকভাবে ভাইরাসে দুটি উপাদান থাকে। 
যথা- নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন। 
- ভাইরাসের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক অ্যাসিড, এটি একটি বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। 
- নিউক্লিক অ্যাসিড দুই ধরনের। 
যথা- DNA ও RNA। 
- অন্যান্য জীবদেহে একইসাথে DNA ও RNA অবস্থান করলেও ভাইরাস দেহে একই সাথে DNA ও RNA অবস্থান করে না। 
- ক্যাপসিড আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত, ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার বলা হয়। 
- ক্যাপসিড সাধারণত জৈবিক দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয়, এরা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে, ভাইরাসকে পোষক দেহে সংক্রমণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। 
- কোন কোন ভাইরাসে (যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস এবং HIV ইত্যাদি) ক্যাপসিডের বাইরে জৈব পদার্থের একটি আবরণ থাকে। 
- এটি লিপিড, লিপোপ্রোটিন, শর্করা বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
- লিপিড বা লিপোপ্রোটিনের এক একটি স্তরকে পেপলোমিয়ার বলা হয়। 
- লিপোপ্রোটিনের আবরণ দিয়ে গঠিত ভাইরাসকে লিপোভাইরাস বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
কোনটির কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে তৈরি? 
  1. ছত্রাক 
  2. শৈবাল 
  3. ভাইরাস 
  4. ব্যাকটেরিয়া 
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক 
ব্যাখ্যা

ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে তৈরি।  

কোষ প্রাচীর: 
- প্রতিটি উদ্ভিদ কোষে শক্ত জড় পদার্থ দ্বারা পরিবেষ্টিত আবরণকে বলা হয় কোষ প্রাচীর। 
- এটি উদ্ভিদ কোষের অনন্য একটি বৈশিষ্ট্য যা প্রাণী কোষে থাকে না। 
- কোষ প্রাচীরের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো- সেলুলোজ। তবে এতে হেমিসেলুলোজ, লিগনিন, পেকটিন, সুবেরিন ইত্যাদি রাসায়নিক পদার্থও থাকে। 
- কোষ প্রাচীরকে তিনটি স্তরে ভাগ করা যায়। 
যথা- মধ্য পর্দা, প্রাথমিক প্রাচীর এবং গৌণ প্রাচীর। 

অন্যদিকে, 
- ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর প্রোটিন, লিপিড ও পলিস্যাকারাইড দিয়ে তৈরি। 
- শৈবাল এদের কোষ প্রাচীর সাধারণত সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত। 
- ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৬.
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য নিচের কোন উপাদানটি বেশি পরিমাণে দরকার হয়?
  1. ক) জিংক
  2. খ) সালফার
  3. গ) বোরন
  4. ঘ) কপার
সঠিক উত্তর:
খ) সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সালফার
ব্যাখ্যা
- অত্যাবশ্যকীয় 16 টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে, আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং
২। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান।

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান 10 টি। যথা-
• নাইট্রোজেন (N)
• পটাশিয়াম (K)
• ফসফরাস (P)
• ক্যালসিয়াম (Ca)
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg)
• কার্বন (C)
• হাইড্রোজেন (H)
• অক্সিজেন (O)
সালফার (S) এবং 
• লৌহ (Fe)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৩৭.
পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় ফল হয় কোন উদ্ভিদের?
  1. আম
  2. কাঁঠাল
  3. লেবু
  4. আনারস
সঠিক উত্তর:
আনারস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনারস
ব্যাখ্যা
কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেক ছাড়াই গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়। এ প্রক্রিয়াকে পার্থেনোজেনেসিস বলা হয়।
যেমন- পেঁপে, আনারস, আঙ্গুর ইত্যাদি।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৩৮.
নাইট্রোজেন থেকে কোন সার তৈরি করা হয়?
  1. ক) পটাশ
  2. খ) টিএসপি
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
• ইউরিয়া সার:
- নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়।
- নাইট্রোজেন গ্যাসকে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় অ্যামোনিয়ায় রূপান্তরিত করা হয়।
- অ্যামোনিয়া থেকে ইউরিয়া সার উৎপন্ন হয়।
- এতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%। 
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 

উৎস: কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
১৩৯.
লেন্টিকুলার প্রস্বেদন কীভাবে ঘটে?
  1. পাতার রন্ধ্র দিয়ে
  2. মূলের কোষ দিয়ে
  3. কাণ্ডের ছিদ্র বা লেন্টিসেল দিয়ে
  4. ফুলের পাপড়ি দিয়ে
সঠিক উত্তর:
কাণ্ডের ছিদ্র বা লেন্টিসেল দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাণ্ডের ছিদ্র বা লেন্টিসেল দিয়ে
ব্যাখ্যা

প্রস্বেদন (Transpiration): 
- উদ্ভিদ প্রধানত মূল দিয়ে তার প্রয়োজনীয় পানি শোষণ করে। শোষিত পানির অতি সামান্য অংশ উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলির জন্য ব্যয় হয়, অবশিষ্ট পানি উদ্ভিদের বায়বীয় অংশ দিয়ে বাষ্পাকারে বাইরে বের হয়ে যায়। 
- সাধারণত স্থলজ উদ্ভিদ যে শারীরতত্ত্বীয় প্রক্রিয়ায় তার বায়বীয় অঙ্গের মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি বের করে দেয়, সেটাই প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন প্রক্রিয়া। - এই কাজটি তার বায়বীয় অঙ্গের কোন অংশের মাধ্যমে ঘটে, তার ভিত্তিতে এদের তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration): 
- পাতায়, কচিকাণ্ডে, ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে দুটি রক্ষীকোষ (Guard cell) বেষ্টিত এক ধরনের রন্ধ্র থাকে, এদেরকে পত্ররন্ধ্র (একবচন stoma, বহুবচন stomata) বলে। কোনো উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের 90-95% হয় পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে। 

২। কিউটিকুলার প্রস্বেদন (Cuticular transpiration): 
- উদ্ভিদের বহিঃত্বকে বিশেষ করে পাতার উপরে এবং নিচে কিউটিনের আবরণ থাকে, এ আবরণকে কিউটিকল বলে। কিউটিকল ভেদ করে কিছু পানি বাষ্পাকারে বাইরে বের হয়, এ প্রক্রিয়াকে কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে। 

৩। লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration): 
- উদ্ভিদে গৌণ বৃদ্ধি হলে কাণ্ডের বাকল ফেটে লেন্টিসেল নামক ছিদ্র সৃষ্টি হয়। লেন্টিসেলের ভিতরের কোষগুলো আলাদাভাবে সজ্জিত থাকে এবং এর মাধ্যমে কিছু পানি বাইরে বেরিয়ে যায়, একে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪০.
হাড় যেমন মানবদেহের কাঠামো তৈরি করে _____ তেমনি উদ্ভিদের কাঠামো তৈরি করে।
  1. ক) সেলুলোজ
  2. খ) খনিজ
  3. গ) রাফেজ
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
হাড় যেমন মানবদেহের কাঠামো তৈরি করে সেলুলোজ ও রাফেজ তেমনি উদ্ভিদের কাঠামো তৈরি করে। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪১.
উদ্ভিদ দেহে কোন টিস্যু খাদ্যের কাঁচামাল পরিবহন করে?
  1. ক) এপিডার্মাল টিস্যু
  2. খ) গ্রাউন্ড টিস্যু
  3. গ) ভাস্কুলার টিস্যু
  4. ঘ) গ্রন্থি টিস্যু
সঠিক উত্তর:
গ) ভাস্কুলার টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাস্কুলার টিস্যু
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদ দেহে ভাস্কুলার টিস্যু খাদ্যের কাঁচামাল পরিবহন করে।
• ভাস্কুলার টিস্যু: উদ্ভিদদেহে যে টিস্যু খাদ্যের কাঁচামাল (পানি, খনিজ লবণ ইত্যাদি) ও তৈরিকৃত খাদ্য পরিবহন করে থাকে তাকে ভাস্কুলার টিস্যু বলে। 
- ভাস্কুলার টিস্যুকে পরিবহন টিস্যু বলে।
- জটিল টিস্যু হিসেবে পরিচিত জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের মাটি হতে মূল দ্বারা পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে পাতা পর্যন্ত পৌঁছায় এবং পাতায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে খাদ্য মূল পর্যন্ত পরিবহন করে তাই জাইলেম ও ফ্লোয়েম কে পরিবহন টিস্যু বলে এবং যাবতীয় প্রক্রিয়া কে ভাস্কুলার টিস্যু বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৪২.
সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি বিয়োজিত হয়ে অক্সিজেন তৈরির প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ফটোরেসপিরেশন
  2. ফটোলাইসিস
  3. ফটোফসফোরাইলেশন
  4. ডি-ফসফোরাইলেশন
সঠিক উত্তর:
ফটোলাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটোলাইসিস
ব্যাখ্যা
• ফটোলাইসিস:
- সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি বিয়োজিত হয়ে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন এবং ইলেকট্রন তৈরির প্রক্রিয়াকে ফটোলাইসিস বলা হয়।
- ফটোলাইসিস হল সালোকসংশ্লেষণের (Photosynthesis) একটি ধাপ। 

• বিক্রিয়া:
2H2​O → ​4H++ 4e+ O2​
 
• ফটোলাইসিস (Photolysis) শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে: "ফটো" যার অর্থ আলো এবং "লাইসিস" যার অর্থ বিয়োজন বা ভাঙন।
- সুতরাং, ফটোলাইসিস মানে হলো আলোর মাধ্যমে কোনো কিছু ভেঙে যাওয়া বা বিয়োজিত হওয়া।  
- এই প্রক্রিয়াটি সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায়ে ঘটে থাকে।
- যখন সূর্যের আলো ক্লোরোফিলের উপর পড়ে, তখন পানির অণু ভেঙে গিয়ে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এবং ইলেকট্রন তৈরি করে।
- এই অক্সিজেন বায়ুমণ্ডলে মুক্ত হয়, যা আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস এবং অন্যান্য জৈব প্রক্রিয়ার জন্য অত্যাবশ্যক।  
 
তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১৪৩.
মাইক্রোবায়োলজি শাখায় কোন ধরনের জীব নিয়ে গবেষণা করা হয়?
  1. হরমোন
  2. কীটপতঙ্গ
  3. অণুজীব
  4. খনিজ
সঠিক উত্তর:
অণুজীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অণুজীব
ব্যাখ্যা

মাইক্রোবায়োলজি (Microbiology) মূলত অণুজীব নিয়ে গবেষণা করে, যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও প্রোটোজোয়া।

মাইক্রোবায়োলজি:
- মাইক্রোবায়োলজি (Microbiology) হল জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যা অণুজীব বা মাইক্রোঅর্গানিজম নিয়ে গবেষণা করে। অণুজীব বলতে বোঝায় ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া এবং শৈবাল, যা খালি চোখে দেখা যায় না এবং সাধারণত অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

মাইক্রোবায়োলজি বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত, যেমন:
i) ব্যাকটেরিয়ালজি (Bacteriology) – ব্যাকটেরিয়ার গঠন, বৃদ্ধি, জিনতত্ত্ব ও রোগতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করে।
ii) ভাইরোলজি (Virology) – ভাইরাসের গঠন, প্রজনন এবং এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করে।
iii) মাইকোলজি (Mycology) – ছত্রাক বা ফাঙ্গাস নিয়ে গবেষণা করে, যা খাদ্য উৎপাদন ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
iv) ইমিউনোলজি (Immunology) – শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর গবেষণা করে।
v) অ্যান্টিবায়োটিক ও জৈবপ্রযুক্তি (Biotechnology & Antibiotics Research) – জীবাণুর সাহায্যে ওষুধ ও টিকা তৈরি করা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা করা হয় এন্ডোক্রাইনোলজি শাখায়।
খ) কীটপতঙ্গ নিয়ে গবেষণা করা হয় এনটোমোলজি (Entomology)-তে। 
ঘ) খনিজ নিয়ে গবেষণা করা হয় ভূতত্ত্ব (Geology) ও খনিজবিদ্যা (Mineralogy)-তে, যা জীববিজ্ঞানের শাখা নয়।

উৎস: 
১। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

১৪৪.
'Biology' শব্দের প্রবর্তক হলেন-
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) কার্ল অগাস্ট
  3. গ) জাঁ ল্যামার্ক
  4. ঘ) লিউয়েনহুক
সঠিক উত্তর:
গ) জাঁ ল্যামার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাঁ ল্যামার্ক
ব্যাখ্যা
ফরাসি প্রকৃতিবিদ জ্যা বাতিস্ত ল্যামার্ক জীবিত বস্তু সংক্রান্ত অনেকগুলো শাস্ত্রের ধারক না হিসেবে 'Biology' শব্দের প্রচলন করেন।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৪৫.
জটিল টিস্যু কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার। যথা-
১. সরল টিস্যু,
২. জটিল টিস্যু ও
৩. ক্ষরণকারী টিস্যু।
সরল টিস্যু আবার তিন প্রকার।
যথা- প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা ও স্ক্লেরেনকাইমা।
জটিল টিস্যু দুই প্রকার।
যথা- জাইলেম ও ফ্লোয়েম।
ক্ষরণকারী টিস্যু ২ প্রকার।
যথা- তরুক্ষীর টিস্যু ও গ্রন্থির টিস্যু।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৪৬.
কোন রাসায়নিকের প্রভাবে ফলের রং হলুদ হয়?
  1. লাইকোপেন
  2. ক্যারোটিন
  3. জ্যান্থোফিল
  4. ক্লোরোফিল
সঠিক উত্তর:
জ্যান্থোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যান্থোফিল
ব্যাখ্যা
- ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন (কমলা বর্ণ কণিকা) ও জ্যান্থোফিল (হলুদ বর্ণ কণিকা) বেশি পরিমাণে থাকে এবং ক্লোরোফিল (সবুজ বর্ণ কণিক) অল্প পরিমাণে থাকে। - ফুলের পাপড়িতেও ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে। এজন্য ফুল ও ফল বিভিন্ন বর্ণের দেখায়। 
- ফুলের বিভিন্ন বর্ণের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে প্রজাপতি ও পাখি পরাগায়নে ও বংশবিস্তারে সাহায্য করে। 
- টমেটোর পাকলে যে লাল টকটকে রং হয় তা ক্রোমোপ্লাস্টের লাইকোপেন নামক রঞ্জক পদার্থের জন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১৪৭.
জৈবিক মুদ্রা (Biological Coin) হিসেবে পরিচিত যৌগটি কোনটি?
  1. ATP
  2. FTP
  3. NADH
  4. NADPH
সঠিক উত্তর:
ATP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ATP
ব্যাখ্যা
শ্বসন: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং শক্তি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন (respiration) বলে। 
- শ্বসনের সময় খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়। 
- শ্বসন প্রতিটি সজীব কোষে দিন ও রাতের সবসময় ঘটে। 
- কোষের সাইটোপ্লাজম বা সাইটোসল (cytosol) এবং কোষস্থ মাইটোকন্ড্রিয়া নামক অঙ্গানুতে সবাত শ্বসন হয়। 
- অবাত শ্বসন হয় সাইটোপ্লাজমে। 
- সবাত ও অবাত শ্বসনে খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে যে রাসায়নিক শক্তি উৎপাদন করে তা কোষের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করার জন্যে প্রধানত ATP হিসাবে তৈরি ও পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয়। সেজন্য ATP কে জৈবনিক মুদ্রা বা biological coin বলা হয়। 
- সবাত শ্বসনের এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারনের সর্বশেষ ধাপ কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াতে হয় এবং অন্যান্য উচ্চশক্তিসম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থ ATP তে রূপান্তরিত হয় এবং সেজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বা powerhouse of a cell বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৮.
কৃত্রিম উপায়ে ফল পাকাতে ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) ফ্লোরিজেন
  2. খ) অক্সিন
  3. গ) ভার্নালিন
  4. ঘ) ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইথিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইথিলিন
ব্যাখ্যা

• কৃত্রিম উপায়ে ফল পাকাতে ব্যবহার করা হয় ইথিলিন।
• পসটুলেটেড হরমোনের উদাহরণ- ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন।
• ফ্লোরিজেন উদ্ভিদের ফুল ফোটাতে সাহায্য করে।
• শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণ ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে ভার্নালাইজেশন বলে।
• অকালে ফলের ঝরা পড়া বন্ধ করে অক্সিন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান।

১৪৯.
বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
  1. ফসফরাস
  2. নাইট্রোজেন
  3. পটাশিয়াম
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন উপাদানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে নাইট্রোজেন নামক খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়।
মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ।
- বায়ুমণ্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না।
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে।
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার।
- বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট।
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে।
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়।
- গাছপালা তখন মাটি থেকে 'নাইট্রোজেন' শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে।
যেহেতু এটি ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫০.
যে সকল উদ্ভিদের কখনো ফুল হয়না তাদের বলা হয়?
  1. ক) অপুষ্পক উদ্ভিদ
  2. খ) সপুষ্পক উদ্ভিদ
  3. গ) মিথোজীবী উদ্ভিদ
  4. ঘ) স্বভোজী উদ্ভিদ
সঠিক উত্তর:
ক) অপুষ্পক উদ্ভিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অপুষ্পক উদ্ভিদ
ব্যাখ্যা
- যে সকল উদ্ভিদে কখনো ফুল ও ফল হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলা হয়।
- যেমন- ক্লোরেলা, নস্টক, মস, ফার্ন ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫১.
শ্বসনের ফলে কী উৎপন্ন হয়?
  1. ক) কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. খ) শক্তি
  3. গ) জলীয় বাষ্প
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

যে বিশেষ জৈবনিক প্রক্রিয়ায় জারণের ফলে সজীব কোষস্থ খাদ্য স্থিতিশক্তি তাপ ও গতিশক্তিতে রূপান্তরিত ও মুক্ত হয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প নির্গত হয় তাকে শ্বসন বলে। তাই মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো শ্বসন।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫২.
সাধারণত মুকুল জন্মে -
  1. পত্রকক্ষে
  2. কান্ডে
  3. পর্বে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পত্রকক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রকক্ষে
ব্যাখ্যা
কাণ্ড: 
- উদ্ভিদের যে অংশ থেকে শাখা-প্রশাখা পাতা উৎপন্ন হয়, তাই কাণ্ড। 
- এতে পর্ব, পর্বমধ্য ও মুকুল থাকে। 

পর্ব: 
- কাণ্ডের যে স্থান থেকে পাতা বের হয় তাকে পর্ব বা সন্ধি বলে। 

পর্বমধ্য: 
- পাশাপাশি দুটি পর্বের মধ্যবর্তী অংশটি পর্বমধ্য। 
- পর্বমধ্য গাছকে খাড়া রাখতে ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 
- পর্বমধ্য থেকে কোনো ধরনের মূল, পাতা বা শাখা সৃষ্টি হয় না। 

মুকুল: 
- কাণ্ডের সাথে পাতা যে কোণ সৃষ্টি করে তাকে পত্রকক্ষ বলে। 
- সাধারণত মুকুল এ পত্রকক্ষে জন্মে। 
- তবে শাখার অগ্রভাগেও মুকুল সৃষ্টি হয়। 
- কাক্ষিক মুকুল পত্রকক্ষে এবং শীর্ষ মুকুল কাণ্ড বা শাখার অগ্রভাগে জন্মে। 

কাণ্ডের কাজ: 
১। কাণ্ড পাতা, ফুল ও ফল এবং শাখা-প্রশাখার ভারবহন করে। 
২। কাণ্ড শাখা-প্রশাখা ও পাতাকে আলোর দিকে তুলে ধরে যাতে সূর্যের আলো যথাযথভাবে পায়। 
৩। কাণ্ড শোষিত পানি ও খনিজ লবণ শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুলে এবং ফলে পরিবহন করে। 
৪ । পাতায় প্রস্তুত খাদ্য কাণ্ডের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। 
৫। কচি অবস্থায় সবুজ কাণ্ড সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে কিছু পরিমাণ খাদ্য প্রস্তুত করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৫৩.
সরল টিস্যু কয় প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ প্রকার
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদ টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার।
যথা:
- ভাজক টিস্যু ও
- স্থায়ী টিস্যু।

স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার।
যথা:
১. সরল টিস্যু,
২. জটিল টিস্যু ও
৩. ক্ষরণকারী টিস্যু।

সরল টিস্যু আবার তিন প্রকার।
যথা:
- প্যারেনকাইমা,
- কোলেনকাইমা ও
- স্ক্লেরেনকাইমা।

জটিল টিস্যু দুই প্রকার।
যথা:
- জাইলেম ও
- ফ্লোয়েম।

ক্ষরণকারী টিস্যু ২ প্রকার।
যথা:
- তরুক্ষীর টিস্যু ও
- গ্রন্থির টিস্যু।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৫৪.
জীবাণু বিজ্ঞান কোন বিদ্যার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) রসায়ন বিজ্ঞান
  2. খ) পদার্থ বিজ্ঞান
  3. গ) উদ্ভিদবিজ্ঞান
  4. ঘ) জড় বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
গ) উদ্ভিদবিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উদ্ভিদবিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
জীবাণু বিজ্ঞান হচ্ছে উদ্ভিদবিজ্ঞান  এর অন্তর্ভুক্ত। 



সূত্র: ৬ পৃষ্ঠা, সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৫.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ কোনটি তৈরি করে? 
  1. কার্বোহাইড্রেট
  2. ভিটামিন
  3. লিপিড
  4. অ্যামাইনো অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
কার্বোহাইড্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বোহাইড্রেট
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে, তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ। 
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে। 
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে। 
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল হলো তার প্রধান উপকরণ। 
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়। 
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৬.
কলার চারা লাগানোর সময় পাতা কেটে ফেলা হয়-
  1. ক) সালোকসংশ্লেষণের হার বৃদ্ধির জন্য
  2. খ) অভিস্রবণ ত্বরান্বিত করার জন্য
  3. গ) শ্বসন বন্ধ করার জন্য
  4. ঘ) অতিরিক্ত প্রস্বেদন রোধ করার জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) অতিরিক্ত প্রস্বেদন রোধ করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অতিরিক্ত প্রস্বেদন রোধ করার জন্য
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন প্রক্রিয়া উদ্ভিদের অনেক উপকার করলেও কিছু অপকারও করে। প্রস্বেদনের ফলে জাইলেম বাহিকায় টান পড়ে। এই টানের ফলে উদ্ভিদের মূলরোম কর্তৃক শোষিত পানি ও খনিজ লবণ পাতায় পরিবাহিত হয়। শোষণের চেয়ে প্রস্বেদনে পানি হারানোর হার বেশি হলে উদ্ভিদের জন্য পানি ও খনিজ লবণের ঘাটতি দেখা দেবে। এর ফলে উদ্ভিদটির মৃত্যু হতে পারে। এ জন্য একে একটি অতি প্রয়োজনীয় অমঙ্গল(Necessary evil) বলা হয়। তাই কলার চারা লাগানোর সময় পাতা কেটে ফেলা হয়। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১৫৭.
নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস কি?
  1. ক) বায়ু
  2. খ) গাছপালা
  3. গ) মাটি
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
যথা- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৭৮.০১% ও অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১%।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫৮.
কোনটি পৃথিবীর বিশাল আকৃতির শোধনাগার?
  1. বায়ু
  2. মাটি
  3. পানি
  4. গাছপালা
সঠিক উত্তর:
মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি।
- সাধারণত আদর্শ মাটিতে ৫% জৈব পদার্থ থাকে।
- মাটির গঠন, বর্ণ, পানি ধারণক্ষমতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
(ক) বালু মাটি,
(খ) পলি মাটি,
(গ) কাদামাটি এবং
(ঘ) দো-আঁশ মাটি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৫৯.
একটি সম্পূর্ণ ফুলের কয়টি অংশ থাকে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
• ফুল:
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে। যথা-
১. পুষ্পাক্ষ:
- ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে পুষ্পাক্ষ বলে।

২. বৃতি:
- একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি।
- এর প্রতিটি খন্ডকে বৃত্যংশ বলা এটি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য হয়।
- বৃতি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য স্তবকগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, কীটপতঙ্গের আক্রমণ এবং বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে। - সবুজ বৃতি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে।
- বৃতি যখন রঙ বেরঙের হয় তখন তারা পরাগায়নের মাধ্যম হিসেবে কীটপতঙ্গ, পশু-পাখি ইত্যাদিকে আকর্ষণ করে ।

৩. দলমন্ডল:
- বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল। এর প্রতিটি খন্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়।

৪. পুংস্তবক:
- দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়। 

৫. স্ত্রীস্তবক:
- পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়। 
- এর প্রতিটি অংশকে গর্ভপত্র বলা হয়। একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ । যথা- গর্ভাশয়, গর্ভদন্ড ও গর্ভমুন্ড। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬০.
ইউরিয়া সারে সবচেয়ে বেশি কোন উপাদান থাকে? 
  1. কার্বন 
  2. ফসফরাস 
  3. নাইট্রোজেন 
  4. পটাসিয়াম 
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন 
ব্যাখ্যা

ইউরিয়া সার: 
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যেও ইউরিয়া প্রধান। 
​- নাইট্রোজেন জাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে। 
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ প্রধানত নাইট্রোজেন লাভ করে। 
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে। 
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র - রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে। 
- ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়। 

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬১.
ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান নয় কোনটি? 
  1. ফসফরাস
  2. কপার
  3. কার্বন
  4. সালফার
সঠিক উত্তর:
কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপার
ব্যাখ্যা

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান অত্যন্ত কম পরিমাণে দরকার তাকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলে। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল ৭টি।
i)জিংক
ii)ম্যাংগানিস
iii)মলিবডেনাম
iv)বোরন
v)কপার
vi)ক্লোরিন
vii)লৌহ

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান জরুরী বা বেশি পরিমাণে দরকার তাকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলে। ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল ৯ টি।
i) নাইট্রোজেন
ii)ফসফরাস
iii)পটাশিয়াম
iv)ক্যালসিয়াম
v)ম্যাগনেসিয়াম
vi)কার্বন
vii)হাইড্রোজেন
viii)অক্সিজেন
ix)সালফার

তথ্যসূত্র: NCTB জীববিজ্ঞাব বই, Britannica: [লিংক]

১৬২.
সর্বপ্রথম ভাইরাস আবিষ্কার করেন কে?
  1. আইভানোভস্কি
  2. লুই পাস্তুর
  3. লিউয়েন হুক
  4. রবার্ট হুক
সঠিক উত্তর:
আইভানোভস্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইভানোভস্কি
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস:
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হলো বিষ।
- ভাইরাস অকোষীয়।
- ভাইরাসের দেহ বাইরের প্রোটিন আবরণ এবং অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA অথবা RNA) এই দুটি অংশ নিয়ে গঠিত।
- ভাইরাস জীবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে সংখ্যাবৃদ্ধির মাধ্যমে রোগ সৃষ্টি করে থাকে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে।
- ১৮৯২ সালে দিমিত্রি আইভানোভস্কি ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
- F. C. Bawden এবং N. W. Pirie ভাইরাসের রাসায়নিক প্রকৃতি বর্ণনা করেন।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬৩.
উদ্ভিদের পুষ্টির মাইক্রো উপাদান কোনটি?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) কপার
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কপার
ব্যাখ্যা
মাইক্রোউপাদান : উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোউপাদান বলা হয়।
এদের সংখ্যা ৭টি।
যথা- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (Cl)।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৪.
উদ্ভিদের কোন অংশে শ্বসন ক্রিয়ার হার অনেক বেশি?
  1. অঙ্কুরিত বীজে
  2. মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
  3.  ফুল ও পাতার কুঁড়িতে
  4. সবগুলোতেই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোতেই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোতেই 
ব্যাখ্যা

শ্বসন: 
- জীবের জীবন ধারণ অর্থাৎ চলন, ক্ষয়পুরণ, বৃদ্ধি, জনন প্রভৃতি জৈবিক কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়, এ শক্তির প্রধান উৎস হলো সূর্যালোক। 
- সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ সৌরশক্তিকে শর্করা জাতীয় খাদ্যবস্তুর মধ্যে স্থিতি শক্তিরূপে (Potential energy) সঞ্চয় করে রাখে। 
- খাদ্যের মধ্যে সঞ্চিত এই ধরনের শক্তি জীব তার জীবন ধারণের জন্য সরাসরি ব্যবহার করতে পারে না। 
- শ্বসনের সময় জীবদেহে এই স্থিতি শক্তি রাসায়নিক শক্তি (ATP) হিসেবে তাপরূপে মুক্ত হয় এবং জীবের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। 
- শর্করাজাতীয় খাদ্যবস্তু ছাড়াও প্রোটিন, ফ্যাট এবং বিভিন্ন জৈব এসিড শ্বসনিক বস্তুরূপে ব্যবহৃত হয়। 
- জীবদেহে এই জটিল যৌগগুলো প্রথমে ভেঙে সরল যৌগে পরিণত হয় এবং পরে জারিত হয়ে রাসায়নিক শক্তিতে (ATP) রূপান্তরিত হয়। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় জীবদেহের প্রতিটি কোষে দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টাই শ্বসন চলতে থাকে। 
- তবে উদ্ভিদের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে (ফুল ও পাতার কুঁড়ি, অঙ্কুরিত বীজ, মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগ) শ্বসন ক্রিয়ার হার অনেক বেশি। 
- সজীব কোষের সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়াতে শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
- এ জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহ যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত করে সরল দ্রব্যে পরিণত করে এবং শক্তি উৎপন্ন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬৫.
উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ কোনটি?
  1. মূল
  2. ফুল
  3. পাতা
  4. কাণ্ড
সঠিক উত্তর:
ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ হলো ফুল। 

• আবৃতবীজী উদ্ভিদে ডিম্বাণু সৃষ্টি হয় ডিম্বকে, ডিম্বক সৃষ্টি হয় ফুলের স্ত্রীকেশরের গর্ভাশয়ে।
- শুক্রাণু সৃষ্টি হয় পরাগরেণুতে, পরাগরেণু সৃষ্টি হয় ফুলের পুংকেশরের পরাগধানীতে।
- কাজেই ফুলই আবৃতবীজী উদ্ভিদে জননাঙ্গ ধারণ করে।
• ফুল হলো উদ্ভিদের বংশবিস্তারের (প্রজননের) জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপ (shoot)।
- অর্থাৎ উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ হলো ফুল। 

• ফুল প্রধানত চারটি মূল অংশে বিভক্ত। যথা-
- বৃতি (Calyx) – ফুলকে রক্ষা করে। 
- পত্রমন্ডল (Corolla) – পোকামাকড় আকৃষ্ট করে। 
- পুংকেশর (Androecium) – পুরুষ প্রজনন অঙ্গ (পরাগ উৎপন্ন করে)। 
- স্ত্রীকেশর (Gynoecium) – স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ (ডিম্বাণু বহন করে)। 

• পরাগায়ন ও নিষেকের মাধ্যমে ফুলে ফল ও বীজ তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১৬৬.
নিচের কোন উদ্ভিদের কাণ্ড রূপান্তরিত হয়ে পাতা হিসেবে কাজ করে?
  1. গোলাপ
  2. শিমুল
  3. ফণিমনসা
  4. ফার্ন
সঠিক উত্তর:
ফণিমনসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফণিমনসা
ব্যাখ্যা

ফণিমনসা হলো একটি বিশেষ উদ্ভিদ যেখানে কাণ্ড রূপান্তরিত হয়ে পাতার কাজ করে। এতে ক্লোরোফিল থাকে যা ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
- ফণিমনসায় পাতার পরিবর্তে কাণ্ডই মূলত সবুজ, সূর্যালোক থেকে শক্তি গ্রহণের প্রধান উৎস।
- মরুভূমি ও শুষ্ক এলাকায় টিকে থাকার জন্য এই অভিযোজন হয়ে থাকে।
- ক্যাকটাসের মতো এটিও পানি সংরক্ষণকারী উদ্ভিদ যা কাণ্ডের ভিতরে পানি ও খাদ্য সঞ্চয় করে রাখে।
- পাতাগুলো কাঁটায় পরিণত হয়ে উদ্ভিদের আত্মরক্ষার কাজ করে।

অন্যদিকে,
- গোলাপ: এটি একটি সাধারণ উদ্ভিদ যেখানে কাণ্ড, পাতা ও ফুল আলাদা আলাদা অংশ হিসেবে থাকে।
- শিমুল: এটি একটি বড় গাছ যার মোটা কাণ্ড ও বিস্তৃত পাতা রয়েছে। 
- ফার্ন: এটি অপুষ্পক উদ্ভিদ, যার কাণ্ড সাধারণ এবং পাতা হিসেবে রূপান্তরিত হয় না।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

১৬৭.
কোন পর্বের প্রাণী চলাফেরা করতে পারে না?
  1. ক) পরিফেরা
  2. খ) নিডারিয়া
  3. গ) মোলাস্কা
  4. ঘ) নেমাটোডা
সঠিক উত্তর:
ক) পরিফেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিফেরা
ব্যাখ্যা
পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য :
- এদের দেহ কোষ দুই স্তরে বিন্যস্ত।
- এদের দেহপ্রাচীর অস্টিয়া নামক অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত।
- এদের দেহে বিশেষ ধরনের নালীতন্ত্র বিদ্যমান, এর সাহায্যে অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঘটে।
- এই পর্বের প্রাণীদের কোন অঙ্গ নেই ফলে এরা চলতে পারে না।
- এদের পরিপাক অন্তঃকোষীয়।
- এদের অন্তঃকঙ্কাল স্পিকিউল বা ফাইব্রাস নামক প্রোটিনে তৈরি।

সূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৮.
নিচের কোন উদ্ভিদে কাণ্ডের মাধ্যমে স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন ঘটে?
  1. আদা
  2. পটল 
  3. ডালিয়া
  4. পাথরকুচি
সঠিক উত্তর:
আদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদা
ব্যাখ্যা

দেহ অঙ্গের মাধ্যমে: 
- দেহ অঙ্গের মাধ্যমেও অযৌন জনন ঘটে। 
- এই ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও (Vegetative reproduction) বলা হয়। 
- এটা আবার দু'ভাবে হয়। 
যথা- (ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং (খ) কৃত্রিম উপায়ে অঙ্গজ জনন। 

স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল ইত্যাদি। 

- কতিপয় উদ্ভিদের কাণ্ড থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- আদা, হলুদ, সটি, আলু, ওলকচু ইত্যাদি। 

- কিছু উদ্ভিদের পাতার কিনারায় পত্রাশ্রয়ী মুকুল হতে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যথা- পাথরকুচি। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৯.
কোন শ্রেণীর উদ্ভিদের ক্লোরোফিল নেই?
  1. ক) শৈবাল
  2. খ) মস
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) ফার্ন
সঠিক উত্তর:
গ) ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা

- ছত্রাকে ক্লোরোফিল বা অন্য কোনো ফটোসিন্থেটিক পিগমেন্ট না থাকায় এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে না।
- তাই ছত্রাক মৃতজীবী বা পরজীবী।
- এরা অভাস্কুলার, অসবুজ ও অপুষ্পক উদ্ভিদ।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৭০.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম উদ্ভিদ?
  1. সাইকাস
  2. গর্জন
  3. গরান
  4. বৈলাম
সঠিক উত্তর:
সাইকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইকাস
ব্যাখ্যা

*** সাইকাস হচ্ছে জীবন্ত জীবাশ্ম উদ্ভিদ।

• জীবন্ত জীবাশ্ম:
- বর্তমানকালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীতকালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলসম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বা লিভিং ফসিল বলা হয়।
- জীবন্ত জীবাশ্ম উদ্ভিদের উদাহরণ হচ্ছে জিঙ্কগো বিলোবা, সাইকাস, নিটাম, ইকুইজিটাম, ওল্লেমি পাইন।

• সাইকাসকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ: 
- সাইকাস উদ্ভিদ Cycadales বর্গের অন্তর্গত। সাইকাসের উৎপত্তি মেসোজোয়িক যুগে (বিশেষ করে জুরাসিক যুগে)। সে সময়কার জীবাশ্ম সাইকাসের সাথে বর্তমান সাইকাসের গঠনে প্রায় কোনো পার্থক্য নেই।
- সাইকাসের অনেক বৈশিষ্ট্য সেই আদিকালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাডস-এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ।
-কোটি কোটি বছর ধরে সাইকাসের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠন প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। 

- অন্যদিকে বৈলাম, গরান, গর্জন হলো আবৃতবীজী উদ্ভিদ। 

উৎস: ১) জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি) 
২) জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

১৭১.
কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
ব্যাখ্যা

কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- দেহকোষ এবং জননকোষ।
যে সব কোষে সুনির্দিষ্ট বা সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে সেগুলোকে প্রকৃত কোষ বলে। প্রকৃত কোষে শুধু নিউক্লিয়াসই নয় অন্যান্য অঙ্গাণু যেমন, প্লাস্টিড (উদ্ভিদ কোষে), মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডপ্লাজমিক রেটিকুলাম, রাইবােজোম, লাইসোজোম, গলজি বস্তু, সেন্ট্রিওল ইত্যাদিও সুসংগঠিত।

প্রকৃত কোষ দুই প্রকার। যেমন– ১. দেহ কোষ ও ২. জনন কোষ।
দেহ কোষ : এরা বহুকোষী জীবের দেহ গঠন করে।
জনন কোষ : এ কোষের মাধ্যমে যৌন জনন সম্পন্ন হয়ে থাকে।
প্রকৃত কোষ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১। এসব কোষ এর কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত।
২। এতে সুনির্দিষ্ট ও সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে অর্থাৎ নিউক্লিয়াসটি নিউক্লিয়ার রেটিকুলাম দিয়ে গঠিত।
৩। ক্রোমোজমে এ (DNA, RNA) এবং প্রোটিন থাকে।
৪। সালোকসংশ্লেষণের এর জন্য সুগঠিত প্লাস্টিড থাকে।
৫। সাইটোপ্লাজমে সব ধরনের অঙ্গাণু যেমন- মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডপ্লাজমিক রেটিকুলাম, রাইবােজোম,লাইসোজম, গলজি বস্তু ইত্যাদি থাকে।
৬। মাইটোসিস পদ্ধতিতে দেহ কোষ বিভাজিত হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১৭২.
বায়োলজি শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) ল্যামার্ক
  3. গ) থিওফ্রাস্টাস
  4. ঘ) কার্ল বেন্ডা
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যামার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ল্যামার্ক
ব্যাখ্যা

ল্যামার্ক বায়োলজি শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন অপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে তার লেখা 'Philosophic Zoologique' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

১৭৩.
উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য মাইক্রো উপাদান কয়টি?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
ব্যাখ্যা

ম্যাক্রো উপাদানঃ
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
এরূপ উপাদানের সংখ্যা ১০টি
যথা - নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)।
মাইক্রো উপাদানঃ
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়।
এদের সংখ্যা ৬টি।
যথা- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (Cl)।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১৭৪.
কোন উদ্ভিদে ফুল বা ফল হয় না এবং প্রজনন স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে ঘটে? 
  1. সপুষ্পক উদ্ভিদ 
  2. অপুষ্পক উদ্ভিদ 
  3. আবৃতবীজী উদ্ভিদ 
  4. নগ্নবীজী উদ্ভিদ 
সঠিক উত্তর:
অপুষ্পক উদ্ভিদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপুষ্পক উদ্ভিদ 
ব্যাখ্যা

সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- সপুষ্পক উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয়। 
যেমন- আম, কাঁঠাল, শাপলা, জবা ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- কোনো উদ্ভিদ ফল উৎপন্ন করে আবার কোনটি ফল উৎপন্ন করে না, তাই বীজগুলো অনাবৃত থাকে। 
- এরা প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা: নগ্নবীজী উদ্ভিদ ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ। 
- এদের দেহে অত্যন্ত উন্নত ধরনের পরিবহন কলা উপস্থিত থাকে। 

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- উদ্ভিদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না। এরা স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে। এদের অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
- এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
যেমন- অ্যাগারিকাস ও স্পাইরোগাইরা, মস, ফার্ণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১৭৫.
সালোকসংশ্লেষণ কী? 
  1. পানি পরিশোধনের প্রক্রিয়া 
  2. প্রাণীর খাদ্য হজমের প্রক্রিয়া 
  3. সবুজ উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করার প্রক্রিয়া 
  4. সূর্যের আলো থেকে তাপ উৎপাদনের প্রক্রিয়া 
সঠিক উত্তর:
সবুজ উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করার প্রক্রিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করার প্রক্রিয়া 
ব্যাখ্যা

সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এই কাজটি করতে পারে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এই প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 

- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। 
কারণ- 
• পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
• পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
• পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 
- জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গৃহীত হয় এবং গ্কোলুজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১৭৬.
ক্লোরেফিলে কোন মৌলটির উপস্থিতি বিদ্যমান?
  1. ক) K
  2. খ) Ca
  3. গ) Mg
  4. ঘ) Na
সঠিক উত্তর:
গ) Mg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Mg
ব্যাখ্যা
- ক্লোরোফিল হচ্ছে একধরণের সবুজ রঞ্জক পদার্থ যা সায়ানোব্যাকটেরিয়ায় এবং উদ্ভিদ ও শৈবালের ক্লোরোপ্লাস্টে পাওয়া যায়।
- ক্লোরোফিল শব্দটি গ্রীক শব্দ থেকে নেয়া হয়েছে,তাই ক্লোরোফিলের শব্দগত অর্থ সবুজ পাতা।
- ক্লোরোফিল একটি অতীব প্রয়োজনীয় জৈব অণু যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং উদ্ভিদকে সূর্যালোক থেকে শক্তি সংগ্রহে সাহায্য করে।
- ক্লোরেফিলে ম্যাগনেসিয়াম (Mg) এর উপস্থিতি রয়েছে।
১৭৭.
গাছের খাদ্য তালিকায় নেই-
  1. ক) Na, Al, P
  2. খ) Ca, C, H
  3. গ) N, O, Zn
  4. ঘ) K, S, Fe
সঠিক উত্তর:
ক) Na, Al, P
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Na, Al, P
ব্যাখ্যা
গাছের খাদ্য তালিকায় সোডিয়াম (Na) এবং অ্যালমুনিয়াম (Al) নেই।
সূত্রঃ ২৭তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
১৭৮.
ভাইরাসের কেন্দ্রে কোন পদার্থ থাকে যা বংশগতি নির্ধারণ করে? 
  1. প্রোটিন
  2. কার্বোহাইড্রেট
  3. নিউক্লিক অ্যাসিড
  4. অ্যামাইনো এসিড
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: 
- রাসায়নিকভাবে ভাইরাসে দুটি উপাদান থাকে। 
যথা- নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন। 
- ভাইরাসের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক অ্যাসিড, এটি একটি বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। 
- নিউক্লিক অ্যাসিড দুই ধরনের। 
যথা- DNA ও RNA। 
- অন্যান্য জীবদেহে একইসাথে DNA ও RNA অবস্থান করলেও ভাইরাস দেহে একই সাথে DNA ও RNA অবস্থান করে না। 
- ক্যাপসিড আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত, ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার বলা হয়। 
- ক্যাপসিড সাধারণত জৈবিক দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয়, এরা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে, ভাইরাসকে পোষক দেহে সংক্রমণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। 
- কোন কোন ভাইরাসে (যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস এবং HIV ইত্যাদি) ক্যাপসিডের বাইরে জৈব পদার্থের একটি আবরণ থাকে। 
- এটি লিপিড, লিপোপ্রোটিন, শর্করা বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- লিপিড বা লিপোপ্রোটিনের এক একটি স্তরকে পেপলোমিয়ার বলা হয়। 
- লিপোপ্রোটিনের আবরণ দিয়ে গঠিত ভাইরাসকে লিপোভাইরাস বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৯.
কোন অঙ্গটি সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলো শোষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে? 
  1. কাণ্ড 
  2. পাতা 
  3. মূল 
  4. শিকড় 
সঠিক উত্তর:
পাতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা 
ব্যাখ্যা

- সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলো শোষণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো পাতা, কারণ পাতায় প্রচুর ক্লোরোফিল থাকে যা আলো শোষণ করে, এবং পাতার বৃহৎ পৃষ্ঠতল আলো গ্রহণ ও গ্যাস বিনিময়ে সাহায্য করে, যা সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থান। 

সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। কারণ- 
• পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
• পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
• পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে।
- জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গৃহীত হয় এবং গ্কোলুজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১৮০.
সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোকশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. ক) তাপ শক্তি
  2. খ) বিদ্যুৎ শক্তি
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি
  4. ঘ) চুম্বক শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা
• সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

 • সালোক সংশ্লেষণ:
- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- যেহেতু সালোক সংশ্লেষনের সময় কার্বন-ডাই-অক্সাইড শর্করা জাতীয় খাদ্যে রূপান্তরিত হয় সুতরাং ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ার এই অংশকে কার্বন আত্তীকরণ পদ্ধতি বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮১.
বাংলাদেশের জাতীয় গাছের নাম কী?
  1. ক) কাঁঠাল গাছ
  2. খ) আম গাছ
  3. গ) বট গাছ
  4. ঘ) জাম গাছ
সঠিক উত্তর:
খ) আম গাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আম গাছ
ব্যাখ্যা

- জাতীয় গাছ : আম গাছ
- জাতীয় পাখি : দোয়েল
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল
- জাতীয় মাছ : ইলিশ
- জাতীয় ফুল : শাপলা
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া)

১৮২.
তিন গ্রাম কার্বোহাইড্রেট হতে কত কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়? 
  1. প্রায় ৪ কিলোক্যালরি 
  2. প্রায় ৮ কিলোক্যালরি 
  3. প্রায় ১২ কিলোক্যালরি 
  4. প্রায় ৭ কিলোক্যালরি 
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২ কিলোক্যালরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২ কিলোক্যালরি 
ব্যাখ্যা
ক্যালরি: 
- কর্মশক্তি পরিমাপের একক হলো ক্যালরি। 
- পুষ্টিবিজ্ঞানে খাদ্য হতে উৎপন্ন তাপ বা শক্তি ক্যালরি দিয়ে পরিমাপ করা হয়। 
- আমরা জানি যে ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি। 
- এ হিসাবে আমাদের দেহের শক্তি চাহিদাও কিলোক্যালরি দিয়ে নির্ণয় করা হয়। 
- খাদ্য উপাদানগুলোর মধ্যে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট হতে উল্লেখযোগ্য ও যথেষ্ট পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- ১ গ্রাম প্রোটিন হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 
- ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 
∴ ৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট হতে ৩ × ৪ = ১২ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 
- ১ গ্রাম তেল বা চর্বি হতে ৯ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৩.
স্থায়ী টিস্যু কয় প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ প্রকার
ব্যাখ্যা

- টিস্যু দুই ধরনের। যথা- ভাজক টিস্যু এবং স্থায়ী টিস্যু।
- স্থায়ী টিস্যু আবার তিন ধরনের। যথা- সরল টিস্যু, জটিল টিস্যু এবং নিঃস্রাবী টিস্যু।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮৪.
ভাইরাস সম্পর্কে সত্য হলো-
  1. এককোষী
  2. অকোষীয়
  3. দ্বিকোষী
  4. বহুকোষী
সঠিক উত্তর:
অকোষীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অকোষীয়
ব্যাখ্যা

- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ হলো বিষ।
- ভাইরাস অতিআণুবীক্ষণিক এবং অকোষীয় রাসায়নিক বস্তু যা প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিডের সমন্বয়ে গঠিত।
- ভাইরাসের দেহে কোনো নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই। তাই এদের অকোষীয় বলা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৮৫.
একটি আদর্শ ফুলের কতটি অংশ থাকে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে।
যথা-
(ক) পুষ্পাক্ষ,
(খ) বৃতি,
(গ) দলমন্ডল,
(ঘ) পুংস্তবক এবং
(ঙ) স্ত্রীস্তবক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৮৬.
উদ্ভিদের মাইক্রো উপাদান নয় কোনটি?
  1. বোরন
  2. আয়রন
  3. তামা
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি: 
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি। 
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়। 
- ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।এ ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়।

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ: 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৭টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B)কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (Cl) । 

২। ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৯টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S) । 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৭.
অভিস্রবণ প্রক্রিয়া মূলত কত ধরনের হয়ে থাকে?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ধরনের
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ: 
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে। 
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে। 
- অভিস্রবণ দু'ধরনের। 
যথা- 
(১) অন্তঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে। 
উদাহরণ - কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে। 

(২) বহিঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৮.
সালফারের অভাবে উদ্ভিদের নিচের কোন রোগটি দেখা যায়?
  1. ফ্লোরোসিস
  2. ডাইব্যাক
  3. ক্লোরোসিস
  4. লিগুলেটিভ ডিফলিয়েন্সি
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
ব্যাখ্যা
সালফার: 
- সালফার (S) শউদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) রোগ বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

আয়রন: 
- লৌহ বা আয়রনের (Fe) অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের (N) অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। 
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ক্লোরোসিস’ (Chlorosis) বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮৯.
ধানের পরাগায়ন কিভাবে হয়?
  1. ক) কীটপতঙ্গের সাহায্যে
  2. খ) বৃষ্টির সাহায্যে
  3. গ) মৌমাছির সাহায্যে
  4. ঘ) বাতাসের সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসের সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসের সাহায্যে
ব্যাখ্যা
- যেসব ফুলের পরাগায়ন বায়ুর মাধ্যমে হয় তাদের বায়ুপরাগী ফুল বলে।
- বায়ুপরাগী ফুল হালকা এবং মধুগ্রন্থিহীন।
- এদের ফুলে সুগন্ধ নেই। 
- যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, ইক্ষু ইত্যাদি। 
১৯০.
ভাইরাস সৃষ্টির সর্বশেষ ধাপ কোনটি?
  1. ক) প্রোটিন
  2. খ) নিউক্লিক এসিড
  3. গ) নিউক্লিওপ্রোটিন
  4. ঘ) প্রোটোভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রোটোভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রোটোভাইরাস
ব্যাখ্যা
প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিড সমন্বয়ে নিউক্লিওপ্রোটিন তৈরি হয়।
নিউক্লিওপ্রোটিন থেকে প্রোটোভাইরাস তৈরি হয় এবং
সবশেষে প্রোটোভাইরাস থেকে ভাইরাস সৃষ্টি হয়। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
১৯১.
নিচের কোনটি সম্পূর্ণ ফুল?
  1. ধুতুরা
  2. লাউ
  3. কুমড়া
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা
ব্যাখ্যা

একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে।
যথা- পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমন্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক।
- যে ফুলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে।
যেমন- জবা, ধুতুরা ইত্যাদি।
- যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে।
যেমন- লাউ, কুমড়া ইত্যাদি।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

১৯২.
জাইলেম কয় ধরনের?
  1. ক) এক
  2. খ) দুই
  3. গ) তিন
  4. ঘ) চার
  5. ঙ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
খ) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুই
ব্যাখ্যা
জাইলেম দুই ধরণের- মুখ্য ও গৌণ জাইলেম।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
১৯৩.
আধুনিক শ্রেণিকরণ পদ্ধতিতে নিচের কোনটি ফানজাই বা ছত্রাক রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) ইস্ট
  2. খ) পেনিসিলিয়াম
  3. গ) মাশরুম
  4. ঘ) ফার্ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফার্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফার্ন
ব্যাখ্যা
রাজ্যঃ ফানজাই বা ছত্রাক- এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে। এরা সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী হয়। দেহে ক্লোরোফিল নেই তাই এরা পরভোজী। উদাহরণঃ ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, মাশরুম ইত্যাদি। ফার্ন প্লান্টি রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। এরা স্বভোজী এবং এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে। এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান ষষ্ঠ শ্রেণি]
১৯৪.
নিচের কোন উপাদানটি গাছ মাটি থেকে সংগ্রহ করে?
  1. কার্বন
  2. ক্লোরিন
  3. অক্সিজেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

• উদ্ভিদ মাটি থেকে খনিজ লবণ হিসেবে ক্লোরিন (Cl) সংগ্রহ করে। অন্যদিকে কার্বন (C) এবং অক্সিজেন (O) মূলত বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ও অক্সিজেন গ্যাস হিসেবে গ্রহণ করে।
- ক্লোরিন উদ্ভিদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।

• উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদের সাধারণত ১৬টি উপাদানকে গাছের অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান বলা হয়।
- এই ১৬টি উপাদান হলো: কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটাশিয়াম (K), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), সালফার (S), লৌহ (Fe), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), জিংক (Zn), কপার (Cu), ক্লোরিন (CI), বোরন (B), ও মলিবডেনাম (Mo)।

• উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানের উৎস:
- বায়ু হতে উদ্ভিদ C, O এবং N সংগ্রহ করে।
- C ও O বায়ু CO2 হিসেবে প্রধানত: পাতার স্টোমাটার সাহায্যে গ্রহণ করে।
- মাটি হতে উদ্ভিদ খনিজ পদার্থ (Mineral matter) ও জৈব পদার্থ (Organic matter) সংগ্রহ করে।
- C, H, O ব্যতিত অন্যান্য উপাদান অর্থাৎ ১৩টি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদ মাটি হতে পরিশোষণ করে।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৯৫.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের কোন অংশে ঘটে?
  1. ক) কান্ডে
  2. খ) মূলে
  3. গ) পাতায়
  4. ঘ) সবুজ অংশে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবুজ অংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবুজ অংশে
ব্যাখ্যা
যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে। 
- সবুজ উদ্ভিদ সালোক সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য যে কোন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে আলো ব্যবহার করতে পারে না, কেবলমাত্র ৩০০nm থেকে ৮১০nm পর্যন্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে আলো উদ্ভিদ ব্যবহার করতে পারে। 
- সালোকসংশ্লেষণে অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো আলো, ক্লোরোফিল, পানি, কার্বন ডাই - অক্সাইড।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের সবুজ আংশে ঘটে। 

সূত্র: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৬.
মাশরুম এক ধরনের-
  1. ক) অপুষ্পক উদ্ভিদ
  2. খ) পরজীবী উদ্ভিদ
  3. গ) ফাঙ্গাস
  4. ঘ) অর্কিড
সঠিক উত্তর:
গ) ফাঙ্গাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফাঙ্গাস
ব্যাখ্যা
- ফাংগাস বহুবচনে ফানজাই, একটি ল্যাটিন শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ ‘মাশরুম' বা ব্যাঙের ছাতা সদৃশ বস্তু।
- ফানজাই বা ছত্রাক এমন একটি উদ্ভিদ গোষ্ঠী যারা বিভিন্ন পরিবেশে মৃতজীবী অথবা পরজীবী হিসেবে বসবাস করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। 
- এদের সকলেই আমাদের আর্থিক ক্ষতি সাধন করে না, অনেক ছত্রাক আমাদের প্রভূত উপকার করে থাকে।
- এরা এককোষী সরলতম গঠন থেকে শুরু করে বহু-কোষী জটিল দেহের অধিকারী।
-  উদ্ভিদ বিজ্ঞানের যে শাখায় ছত্রাক সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে ছত্রাক বিজ্ঞান বা মাইকোলজি (Mycology গ্রীক শব্দ, mykes অর্থ ছত্রাক এবং logos অর্থ জ্ঞান) বলে।
 
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত  বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৭.
কোন প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোক ব্যবহার করে নিজের খাদ্য তৈরি করে?
  1. শ্বসন
  2. সালোকসংশ্লেষণ
  3. বাষ্পীভবন
  4. ট্রান্সলোকেশন
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা

- সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্যালোক ব্যবহার করে নিজের খাদ্য (শর্করা বা গ্লুকোজ) তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ পাতার ক্লোরোফিলের সাহায্যে সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে খাদ্য প্রস্তুত করে। 

সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে। উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। 
কারণ- 
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 
- জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গৃহীত হয় এবং গ্কোলুজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১৯৮.
নিচের কোনটি থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়?
  1. ক) আম ও কাঁঠাল
  2. খ) টমেটো ও গাজর
  3. গ) লালশাক ও কচুশাক
  4. ঘ) কলিজা, মাশরুম
সঠিক উত্তর:
ঘ) কলিজা, মাশরুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কলিজা, মাশরুম
ব্যাখ্যা
দুধ, ডিম, কলিজা, মাশরুম থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
Source:ods.od.nih.gov
১৯৯.
শৈবাল কয়টি প্রক্রিয়ায় জনন কার্য সম্পন্ন করে?
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
শৈবাল: 
- শৈবাল সমাঙ্গদেহী বিভাগের অন্তর্গত ক্লোরোফিল সমন্বিত এক প্রকার প্রাচীনতম নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ। 
- শৈবালের দেহ থ্যালাসের ন্যায় কিন্তু দেহকোষে ক্লোরোফিল থাকাতে এরা স্বভোজী। 
অর্থাৎ, আলোকের উপস্থিতিতে এবং পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সহায়তায় এরা নিজেরা নিজেদের দেহকোষে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করতে সক্ষম। 
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকলেও অনেক সময় নানা রকম ভিন্ন রঞ্জক পদার্থ দিয়ে এরা আবৃত থাকে। ঐ সব রঞ্জক পদার্থের উপর ভিত্তি করে শৈবালের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- শৈবালের দেহকোষে সুগঠিত ও স্বতন্ত্র নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
- প্রোক্যারিয়োটিক হওয়ায় নীলাভ-সবুজ শৈবাল বর্তমানে সায়ানো ব্যাকটেরিয়া হিসেবে বিবেচিত। 
- শৈবাল তিনটি প্রক্রিয়ায় জনন কার্য সম্পন্ন করে। 
যেমন- (ক) অঙ্গজ জনন, (খ) অযৌন জনন এবং (গ) যৌন জনন। 

শৈবালের বৈশিষ্ট্য: 
- শৈবালে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায়- 
১। এরা সবাই অপুষ্পক। 
২। এরা স্বভোজী অর্থাৎ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজেরা নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
৩। এরা প্রকৃতকোষী, এককোষী অথবা বহুকোষী হয়। এরা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ অর্থাৎ এদেরকে মূল, কান্ড এবং পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
৪। এদের দেহে ভাস্কুলার টিস্যু (পরিবহন টিস্যু) থাকে না। 
৫। অধিকাংশ শৈবালের জননাঙ্গ এককোষী। কোন কোন শৈবালের জননাঙ্গ বহুকোষী হয়। জননাঙ্গ বহুকোষী হলে তা বন্ধ্যা কোষের স্তর দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকে না। 
৬। এদের রেণুথলী (স্পোরাঞ্জিয়া) সব সময় এককোষী। 
৭। এদের জাইগোট স্ত্রীজননাঙ্গে থাকা অবস্থায় কখনও বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না। 
৮। এদের কোষ প্রাচীর সাধারণত সেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত। 
৯। গ্যামিটের মিলনের পরেও এদের বহুকোষী ভ্রূণ গঠিত হয় না। 
১০। সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া এদের সঞ্চিত খাদ্য শর্করা। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০০.
উদ্ভিদের জন্য সালফার অপর্যাপ্ত হলে মূলত কোন রোগ দেখা দেয়?
  1. ব্লাইট
  2. ফ্লোরোসিস
  3. ডাইব্যাক
  4. লিগুলেটিভ ডিফলিয়েন্সি
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
ব্যাখ্যা

• উদ্ভিদের জন্য সালফার একটি অপরিহার্য খাদ্য উপাদান। সালফার প্রোটিন ও এনজাইম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যখন উদ্ভিদের সালফারের অভাব হয়, তখন এটি প্রোটিন সংশ্লেষণ প্রভাবিত করে এবং নতুন কচি পাতার বৃদ্ধিতে সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে উদ্ভিদের কোষ দূর্বল হয়ে পড়ে, এবং বিশেষ করে কচি পাতা হলুদ বর্ণ ধারণ করতে শুরু করে। সালফারের ঘাটতির কারণে উদ্ভিতে দেখা দেয় প্রধানত ডাইব্যাক (Dieback) রোগ, যেখানে শীর্ষাংশ থেকে পাতার মৃত্যু শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে পুরো শাখা বা গাছ প্রভাবিত হয়। এটি উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

- সঠিক উত্তর: গ) ডাইব্যাক।

সালফার: 
- সালফার (S) শউদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) রোগ বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

আয়রন: 
- লৌহ বা আয়রনের (Fe) অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের (N) অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। 
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ক্লোরোসিস’ (Chlorosis) বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।