বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা / ১৮ · ৭০১৮০০ / ১,৭৮৪

৭০১.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. চাপালিশ
  2. কেওয়া
  3. গেওয়া
  4. সুন্দরী
সঠিক উত্তর:
সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরী
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ:
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি'র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর অধিনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

[উল্লেখ্য, বর্তমানে মিলটি বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ]

উৎস: খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ ও প্রথম আলো।
৭০২.
কোনটি স্বাধীন বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) মাতারবাড়ী
  2. খ) মোংলা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) পায়রা
সঠিক উত্তর:
ঘ) পায়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পায়রা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
৭০৩.
বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক প্রথম রপ্তানি হয় -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইংল্যান্ড
  3. ফ্রান্স
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.
৭০৪.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সার কারখানা কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. পলাশ সার কারখানা
  2. ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
  3. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
ব্যাখ্যা

∗ ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
• ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় অবস্থিত।
• এটি পূর্বের ঘোড়াশাল এবং পলাশ কারখানাকে একত্রিত করে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• কারখানাটি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদন কেন্দ্র।
• কারখানার মূল লক্ষ্য হলো:
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণ করা এবং
- আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করা।  

উল্লেখ্য,
- ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা হিসেবে পরিচিত।
- মূলত এর মুলনাম ছিল ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (NGFFL)।
- এটি ১৯৬১ সালে স্থাপিত হয় এবং ২০১২ সালে বন্ধ হয়ে যায়।
- বর্তমানে এটি শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (SFCL) নামে পরিচিত।
- নতুন কারখানাটি আধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে পরিচালিত। 
- শাহজালাল সার কারখানা বিসিআইসি-এর অধীনে পরিচালিত হয় এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদন কেন্দ্র।     

উৎস:
১. জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট ওয়েবসাইট;
২. SFCL Official Website.

৭০৫.
কতজনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত থাকলে তা বৃহৎ শিল্প হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ২২০ জন
  2. ২৫০ জন
  3. ২৮০ জন
  4. ৩০০ জন
সঠিক উত্তর:
৩০০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

• বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।


• মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।


• ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

• মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

• কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

• ভারী শিল্প:
- ‘ভারী শিল্প’ বলতে এমন শিল্পপণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে বৃহৎ আকারের উদ্যোগ, বড় যন্ত্রপাতি, ভূমির বৃহৎ এলাকা, উচ্চ খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো জড়িত থাকবে এবং যা হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ইত্যাদি ভারী শিল্প হিসেবে গণ্য হবে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৭০৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ৯৮ শতাংশ
  2. ৭৮ শতাংশ
  3. ৮২ শতাংশ
  4. ৫৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭০৭.
বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে কোন জেলায়?
  1. কক্সবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭০৮.
বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [মে,২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এবং প্রথম আলো।
৭০৯.
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত-
  1. তৈরি পোশাক শিল্প
  2. চা শিল্প
  3. কৃষি
  4. মৎস্য
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক শিল্প
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ’তৈরি পোশাক’ থেকে সর্বাধিক রপ্তানি আয় করে থাকে।

- প্রধান প্রধান পণ্যের রপ্তানি অবস্থাঃ
→ নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

→ ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

→ হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

→ চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

→ হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ০.৯১%।

→ কৃষিজাত পণ্য খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০০৬.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.০৯%।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি পরিসংখ্যান।

৭১০.
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় দ্বিতীয় প্রধান পণ্য কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. কফি ও চা
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. খাদ্যশস্য
  4. পাট ও পাটবস্ত্র
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
- দেশে নিজস্ব কাঁচামালনির্ভর রপ্তানিপণ্যের মধ্যে চামড়া অন্যতম। 
- এটি দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানিপণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্যোবিদায়ি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে চার হাজার ৮২৮ কোটি মার্কিন ডলারের, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তিন হাজার ৯৩৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। 

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। (Link1) (Link2)

৭১১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ১.২১ শতাংশ
  2. খ) ১.৩৭ শতাংশ
  3. গ) ১.২৭ শতাংশ
  4. ঘ) ১.৫৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, 
⇨ মোট জনসংখ্যা : ১৭ কোটি ৮ লাখ 
⇨ জনসংখ্যার ঘনত্ব : ১,১৪০ জন (বর্গ কিমি)
⇨ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৩৭ শতাংশ
⇨ পুরুষ ও নারীর অনুপাত  : ১০০.২ : ১০০

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৭১২.
হিলি স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. বিরামপুর, দিনাজপুর
  2. ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
  3. হাকিমপুর, দিনাজপুর
  4. পাঁচ বিবি, জয়পুর হাট
সঠিক উত্তর:
হাকিমপুর, দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাকিমপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
হিলি স্থলবন্দর:
- হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
- দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরটি ২৬ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল। এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়াও,
⇒ কয়েকটি স্থলবন্দর ও অবস্থান দেওয়া হলো:
- ভোমরা স্থল বন্দর- সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা।
- সোনামসজিদ স্থল বন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বিবির বাজার স্থল বন্দর- কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা।
- আখাউড়া স্থল বন্দর- আখাউড়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর- পাট গ্রাম, লালমনিহাট।
- দর্শনা স্থল বন্দর- দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- তামাবিল স্থল বন্দর- গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর- ভুরুঙ্গামারী, কুুুড়িগ্রাম।

উৎস: i) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৭১৩.
শিল্প কারখানাকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান করার কাজে নিয়োজিত কোন অধিদপ্তর?
  1. ক) BIM
  2. খ) BITAC
  3. গ) NPO
  4. ঘ) DPDT
সঠিক উত্তর:
গ) NPO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) NPO
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও (National Productivity Organization-NPO): এনপিও জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকারি কৃষি খাতসহ জাতীয় অর্থনীতির সকল কর্মকান্ডে অব্যাহতভাবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্প কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর এবং বেসরকারি উদ্যোগে শিল্পায়নকে উৎসাহিত করার মানসে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ০২ অক্টোবর, ২০২০ তারিখে দেশব্যাপী ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস’ পালন করা হয়। উক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনিমার্ণে উৎপাদনশীলতা’। জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ২০২০-২১ অর্থবছরে (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) এনপিও বিভিন্ন কারখানা ও এনপিও’র সেমিনার কক্ষে মোট ৩৬টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও), জাপান -এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উৎপাদনশীলতা, গুণগতমান, প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘Bangladesh National Productivity Master Plan 2021-2030’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
৭১৪.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) বাংলাদেশ ব্যাংক লিঃ
  3. গ) স্টেট ব্যাংক অব বাংলাদেশ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত। প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ফজলে কবীর।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৭১৫.
'Bangladesh Security Exchange Commission' প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শিবলী রুবায়েত উল ইসলাম।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জের সংখ্যা দুটো। এগুলো হলো:
- DSE (Dhaka Stock Exchange)
- CSE (Chittagong Stock Exchange)

(তথ্যসূত্রঃ BSEC ওয়েবসাইট)
৭১৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ কত?
  1. ৬০ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৬৪ বিলিয়ন
  4. ৬৯ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
৬১ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। 
- আগের অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টন পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৩ কোটি ৭৬ লাখ টনের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৭১৭.
নিচের কোনটি শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ বস্ত্র শিল্প কর্পোরেশন
  2. খ) বাংলাদেশ বন শিল্প কর্পোরেশন
  3. গ) বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন,
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন (অ-আর্থিক) সংস্থা/রাষ্ট্রায়াত্ত সংস্থা রয়েছে মোট ৪৯টি।
এগুলোর মধ্যে শিল্পখাতের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান - ৬টি।
যথা -
- বাংলাদেশ বস্ত্র শিল্প কর্পোরেশন,
- বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন,
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন,
- বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প কর্পোরেশন,
- বাংলাদেশ বন শিল্প কর্পোরেশন ও
- বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন।

উল্লেখ্য, সেবাখাতের অন্তর্ভূক্ত রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি; মোট - ১৯টি।
৭১৮.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ -
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ দেশে আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬ শতাংশ।

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২ শতাংশ।

⇒ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭১৯.
বোরো ধান রোপনের সময়-
  1. ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  2. খ) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
  3. গ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
  4. ঘ) জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
সঠিক উত্তর:
খ) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট

আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু

বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০
৭২০.
‘অ্যালায়েন্স’ কী?
  1. ক) বাংলাদেশের দাতা দেশগুলোর জোট
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গার্মেন্টস পণ্য আমদানিকারকদের জোট
  3. গ) গ্রামীণফোনের স্বত্বাধিকারী
  4. ঘ) চীনা সিকিউরিটিজ কোম্পানি
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গার্মেন্টস পণ্য আমদানিকারকদের জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গার্মেন্টস পণ্য আমদানিকারকদের জোট
ব্যাখ্যা
‘অ্যালায়েন্স’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গার্মেন্টস পণ্য আমদানিকারকদের একটি জোট। এটি ২০১৩ সালে রানাপ্লাজা ধ্বসের পর বাংলাদেশে গার্মেন্টসগুলোর কর্মপরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন মিশন শুরু করে। ২০১৯ সালে অ্যালায়েন্স কার্যক্রম শেষ করে।
(সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
৭২১.
২০২২ সালের বর্ষপণ্য কোনটি?
  1. ক) আইসিটি পণ্য
  2. খ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং  
  3. গ) চামড়া
  4. ঘ) ওষুধ
সঠিক উত্তর:
ক) আইসিটি পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসিটি পণ্য
ব্যাখ্যা
• পণ্যভিত্তিক রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর একটি পণকে বর্ষপণ্য অর্থাৎ ‘প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়। 
আইসিটি পণ্য সেবাকে ২০২২ সালের বর্ষপণ্য বা প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
• রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২২ উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৭২২.
চট্টগ্রাম ইপিজেড কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
- চট্টগ্রাম ইপিজেড (১৯৮৩),
- ঢাকা ইপিজেড (১৯৯৩),
- মংলা ইপিজেড (১৯৯৮),
- ঈশ্বরদী ইপিজেড (১৯৯৮),
- কুমিল্লা ইপিজেড (২০০০),
- উত্তরা ইপিজেড (২০০১),
- আদমজী ইপিজেড (২০০৬),
- কর্ণফুলী ইপিজেড (২০০৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭২৩.
SEZ-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Special Exercise Zone
  2. Special Exclusive Zone
  3. Special Economic Zone
  4. Special Export Zone
সঠিক উত্তর:
Special Economic Zone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Special Economic Zone
ব্যাখ্যা
SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.

উল্লেখ্য,
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম স্পেশাল ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।
৭২৪.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়?
  1. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  2. ঢাকা ইপিজেড
  3. ঈশ্বরদী ইপিজেড
  4. কর্ণফুলী ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে। যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- বর্তমানে বেপজার অধীনস্থ অঞ্চলগুলোয় ৫৬৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ৪৫০টি প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। বাকি ১১৩টি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

⇒ সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড। দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড ) ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোর রপ্তানি বেড়েছে ১৬ শতাংশ, যা দেশের মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশ।
- বর্তমানে ইপিজেডে উৎপাদিত পণ্য ১২০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- চালু শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ৩৩% তৈরি পোশাক, ১৮% গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ এবং ৯% টেক্সটাইল উৎপাদন ও রপ্তানি করে, বাকি ৪০% প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রনিক্স এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম থেকে শুরু করে আসবাবপত্র এবং ফ্যাশন এক্সেসরিজসহ বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৭২৫.
কোন সালে বাংলাদেশে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসের খোঁজ পাওয়া যায়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। 
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
 
এছাড়াও,
- বাংলাদেশে প্রথম ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়।
- ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং
- ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৭২৬.
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ১৯৭৭ রহিত করে কবে বিদ্যুতায়ন বোর্ড আইন জারি করা হয়েছিল?
  1. ক) ২০১৭ সালে
  2. খ) ২০১০ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড অধ্যাদেশ, ১৯৭৭ (১৯৭৭ এর অধ্যাদেশ নং ৫১) জারি করেন ও অধ্যাদেশ অনুসারে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৮ সালে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- ২০১৩ সালে অধ্যাদেশটি রহিত করা হয় ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড আইন, ২০১৩ জারি করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭২৭.
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?  (আগস্ট-২০২৫)
  1. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  2. হস্তশিল্প
  3. নীট পোষাক
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
নীট পোষাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীট পোষাক
ব্যাখ্যা

• নীট পোষাক :
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য নীট পোষাক (আগস্ট-২০২৫)
- এখাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

• ওভেন পোষাক:
ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

• হোম টেক্সটাইল : 
হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.১৮%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৭২৮.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী দেশে আমদানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে -
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (১৩.৪২%)।
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭২৯.
COMESA হচ্ছে একটি -
  1. ক) শান্তি ফোরাম
  2. খ) সামরিক জোট
  3. গ) বাণিজ্যিক জোট
  4. ঘ) পরিবেশবাদী সংগঠন
সঠিক উত্তর:
গ) বাণিজ্যিক জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাণিজ্যিক জোট
ব্যাখ্যা
COMESA
• COMESA - এর পূর্ণরূপ ‘Common Market for Eastern and Southern Africa.
• এটি পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশের বাণিজ্য জোট। 
• প্রতিষ্ঠা:- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৪ সাল।
• সদস্য সংখ্যা:- ২১টি।
• সদরদপ্তর:- লুসাকা, জাম্বিয়া।   

তথ্যসূত্র: COMESA ওয়েবসাইট
৭৩০.
দেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে প্রধান কোনটি?
  1. ক) এমওপি
  2. খ) টিএসপি
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ডিএপি
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান।
- দেশে মোট উৎপাদিত মোট সারের ৮৫ ভাগের অধিক ইউরিয়া সার।
- এছাড়া অন্যান্য সারের মধ্যে টিএসপি ও ডিএপি উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮-২০১৯ সালে দেশের সার কারখানাগুলোতে ৭.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত। তবে দেশে ইউরিয়া সারের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৭ লক্ষ মেট্রিক টন অধিক।
(তথ্যসূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৭৩১.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৪০ সালে
  2. ১৮৪৮ সালে
  3. ১৮৫৪ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:

- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে মোট ১৬৮টি চা বাগানে চা চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭৩২.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প কোনটি?
  1. পাট
  2. চা
  3. তৈরি পোশাক
  4. চামড়া
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
⇒ সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭৩৩.
বাংলাদেশে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শুল্কহার কত?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ২৯%
  3. গ) ২৫%
  4. ঘ) ২০%
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫%
ব্যাখ্যা
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - চীন থেকে। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ - এর সংখ্যা/ধাপ - ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।  
 
উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)
৭৩৪.
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  2. রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  3. এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
  4. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)।
- এটি ১৯৬২ সালে গভর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরি (GPL) নামে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ফার্মাসিউটিক্যালস প্রোডাকশন ইউনিট (PPU) রাখা হয়।
- ১৯৮৩ সালে জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ওষুধ উৎপাদনের লক্ষ্যে এটি আধুনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি হাসপাতাল, সিভিল সার্জন অফিস, ইউনিসেফ, WHO, আইসিডিডিআরবি প্রভৃতি সংস্থায় মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহ করছে।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড ওয়েবসাইট।

৭৩৫.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়ক-
  1. ক) ECOSOC
  2. খ) UNDP
  3. গ) WB
  4. ঘ) IMF
সঠিক উত্তর:
গ) WB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WB
ব্যাখ্যা
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৭৩৬.
দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) ফেনী
  3. গ) পটুয়াখালী
  4. ঘ) নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলে দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণাধীন। ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পায়রা সমমুদ্রবন্দর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয়। ২০২৩ সালে পায়রা সমুদ্রবন্দর পুরোপুরি চালু করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
(সূত্র: পায়রা সমুদ্রবন্দর ওয়েবসাইট)
৭৩৭.
নিচের কোনটি প্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
  2. খ) চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) বাইসাইকেল
  4. ঘ) হোম টেক্সটাইল
সঠিক উত্তর:
খ) চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস থেকে অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।
অন্যদিকে, যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৭৩৮.
পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) চীন
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভিয়েতনাম
  4. ঘ) শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
ক) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীন
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভিয়েতনাম।

- তৈরি পোশাক আমদানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ জাপান।
- তৈরি পোশাক আমদানিতে তৃতীয় শীর্ষ দেশ যুক্তরাজ্য।
৭৩৯.
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঘোড়াশাল
  2. কাপ্তাই
  3. আশুগঞ্জ
  4. বাখরাবাদ
সঠিক উত্তর:
কাপ্তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাপ্তাই
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত চট্টগ্রামের কাপ্তাইয়ে ৷
- ১৯৬২ সালে কর্ণফুলী নদীর তীরে ৪৬ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট নিয়ে কেন্দ্রটির যাত্রা শুরু হয়৷
- বর্তমানে এই কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট৷
- কর্ণফুলি নদীর নির্ধারিত স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলাধার সৃষ্টি এবং পানির এই শক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এজন্য ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হয়। এই বাধেঁর পাশে ১৬ টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট একটি জল নির্গমনপথ বা স্পীলওয়ে রয়েছ।

উৎস: রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ওয়েবসাইট।
৭৪০.
BEPZA নিম্নের কোন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছে?
  1. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA)
  2. World intellectual Property Organization (WIPO)
  3. International Center for the Settlement (ICSID)
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
BEPZA:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority অথবা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ।
- BEPZA হলো ইপিজেডগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ বৃদ্ধিও জন্য সরকার কর্তৃক ঘোষিত প্রতিষ্ঠান।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনের উদ্দেশ্যে শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) আইন ১৯৮০ (আইন নং-৩৬) এর মাধ্যমে "বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ" (বেপজা) গঠন করে।
- বেপজা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইপিজেড স্থাপনর্পবুক দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনয়ন, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তি আহরণের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পুরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৮৩ সালে BEPZA (Bangladesh Export processing Zone Authority) কর্তৃক সর্বপ্রথম ইপিজেড (EPZ) প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।

⇒ BEPZA বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছে। যথা:
- Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA) 
- World intellectual Property Organization (WIPO)
- International Center for the Settlement (ICSID)
- Overseas Private Investment Corporation (OPIC)। 

উৎস: i) আন্তর্জাতিক ব্যবসায়, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BEPZA ওয়েবসাইট।
৭৪১.
বাংলাদেশ নিম্নের কোন দেশ থেকে ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাওয়ার নিশ্চয়তা পায়?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) চীন
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেবে চীন। 
- এতে এখন থেকে চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৮,৯৩০টি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। 
- ২০২০ সালে বাংলাদেশের ৯৭% পণ্যকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয় চীন, যা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ৮৫৪৭টি পণ্য শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেয়েছে। অর্থাৎ, চীন বাংলাদেশের আরও ৩৮৩টি পণ্যকে নতুন করে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের মোট আমদানি ব্যয়ের এক-চতুর্থাংশ।
- একই সময়ে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৬৮১ মিলিয়ন ডলার। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৩.৪২% বেশি।  

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ওয়েবসাইট
৭৪২.
দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ -
  1. উত্তরা, নীলফামারী
  2. মেঘনা, মুন্সিগঞ্জ
  3. আদমজী, নারায়ণগঞ্জ
  4. ঈশ্বরদী, পাবনা
সঠিক উত্তর:
উত্তরা, নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরা, নীলফামারী
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:

- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেজা ওয়েবসাইট।
৭৪৩.
নিচের কোনটি সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল?
  1. ক) মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. খ) আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. গ) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. ঘ) গার্মেন্টস শিল্প পার্ক
সঠিক উত্তর:
গ) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। যার মধ্যে সরকারি ৬৮টি এবং বেসরকারি ২৯টি।
• সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর (Bangabandhu Sheikh Mujib Shilpa Nagar)
- আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Anowara Economic Zone)
- আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল (Araihajazar Economic Zone)
- নারায়ণগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Narayanganj Economic Zone)
- আলুটিলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Alutila Special Tourism Zone)

• বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Meghna Industrial Economic Zone)
- আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (Abdul Monem Economic Zone)
- গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (Garments Industries Park)

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট
৭৪৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সর্বাধিক আমদানি করা শিল্পজাত পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. তুলা
  3. সার
  4. সুতা
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

-বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী      

• বাংলাদেশের আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য:

ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৭৪৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ কোন দেশে রপ্তানি হয়েছে?
  1. জার্মানি
  2. ডেনমার্ক
  3. ফ্রান্স
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
এমভি আনসু:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ জার্মানিতে রপ্তানি হয়েছে। 
- জাহাজটি কিনেছে জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কোং কেজিএমএস।

উল্লেখ্য,
- আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪ দশমিক ২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইল।
- ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শিপওয়েজ লিমিটেড। 
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।
৭৪৬.
বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ কোনটি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।
- জাপান: ১,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.০৫%)।
- দক্ষিণ কোরিয়া: ৭৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৭০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭৪৭.
Blue Chips শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. বাজি খেলায়
  2. খুচরা বাজার 
  3. স্থানীয় বাজার
  4. শেয়ার বাজার
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বাজার
ব্যাখ্যা

Blue Chips:
- 'Blue Chips' শব্দটি শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায় যারা আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক, বাজারে সুনামধন্য এবং স্থিতিশীল।
- Blue Chip হলো শেয়ার বাজারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির শেয়ার।
- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
- অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের সময়ও এদের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে কম ওঠানামা করে। উদাহরণ: Apple, Microsoft, Amazon, Coca-Cola, Google, Johnson & Johnson। বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিলিভারকে Blue Chip বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিটানিকা।

৭৪৮.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রধান কাজ হচ্ছে -
  1. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
  2. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
  3. শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
  4. মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
• স্টক এক্সচেঞ্জ:
• সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
-  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে - ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
৭৪৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সম্প্রতি (২০২২) প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) শরীয়তপুর
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) শরীয়তপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
- শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চামটা ইউনিয়নের দিনারা গ্রামে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। 
- এ গ্যাসের অনুসন্ধানে কূপ খননের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
- বর্তমানে দেশে ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
- সবমিলিয়ে গ্যাসের প্রমাণিত ও সম্ভাব্য মজুতের পরিমাণ ১০ টিসিএফ বা ১০ লাখ কোটি ঘনফুট গ্যাস।
- দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৬৬ কোটি ঘনফুট।
- বার্ষিক গ্যাসের চাহিদা ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি ঘনফুট বা ১.৩৩ টিসিএফ।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৭৫০.
ইউরোপের কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. বেলজিয়াম
  2. বেলারুশ
  3. জার্মানি
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭৫১.
কোনটি স্থলবন্দর নয়?
  1. ভোমরা
  2. পায়রা
  3. আখাউড়া
  4. বুড়িমারী
সঠিক উত্তর:
পায়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা
ব্যাখ্যা

- স্থলবন্দর নয়- পায়রা।
- এটি একটি সমুদ্র বন্দর।

• পায়রা সমুদ্র বন্দর:

- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগনা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এটি ১২ জানুয়ারি ২০০২ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয় এবং ১৯ মে, ২০১৩ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

• আখাউড়া স্থলবন্দর:
- অপারেশন কার্যক্রম শুরু -১৩/০৮/২০১০ খ্রি:
- ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ
- বন্দর ঘোষণা :১২/০১/২০০২ খ্রি:

• বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপেজলার বুড়িমারী সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেখলিগঞ্জ মহাকুমার চেংড়াবান্ধা এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ সালে বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৯ এপ্রিল ২০১০ সালে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- স্থলবন্দরটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা হয়।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৭৫২.
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ কোনটি?
  1. এনজিয়ান
  2. রায়ান
  3. বাংলার দূত
  4. স্টেলা মারিস
সঠিক উত্তর:
স্টেলা মারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেলা মারিস
ব্যাখ্যা
⇒ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ 'স্টেলা মারিস'।

জাহাজ রপ্তানি:

- বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে 'স্টেলা মেরিস' নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে ও বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির প্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়।

তথ্যসূত্র - আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৫৩.
‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. শ্রম বাজার
  2. চাকুরি বাজার
  3. স্টক মার্কেট
  4. কৃষি বাজার
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
ব্যাখ্যা
• পুঁজি বাজার:
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে।

এগুলো হলো -
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪),
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তরিত হয়। 
• বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
• গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
৭৫৪.
‘নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস লিমিটেড’ কোথায় অবস্থিত?
  1. আক্কেলপুর, জয়পুরহাট
  2. তানোর, রাজশাহী
  3. ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী, পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী, পাবনা
ব্যাখ্যা
নর্থবেঙ্গল পেপার মিল:
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়ার বাঘইল মৌজায় অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে।
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।
- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ এবং
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়।
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৭৫৫.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ১,১৩,৪৫৩ কোটি টাকা
  2. খ) ৭৬,৪৫২ কোটি টাকা
  3. গ) ৯৭,৭৩৮ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৫১,৬০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৬,৪৫২ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৬,৪৫২ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে:
- অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট ঋণ : ১,১৩,৪৫৩ কোটি টাকা
- অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ : ৭৬,৪৫২ কোটি টাকা
- অভ্যন্তরীণ নন-ব্যাংকিং উৎস থেকে ঋণ : ৩৭,০০১ কোটি টাকা
- বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ : ৯৭,৭৩৮ কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান : ৩,৪৯০ কোটি টাকা
- মোট রাজস্ব আহরণ : ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৭৫৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, কোন পণ্যটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রপ্তানি হয়?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. পাটজাত পণ্য
  3. নিটওয়্যার
  4. হিমায়িত খাদ্য
সঠিক উত্তর:
নিটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিটওয়্যার
ব্যাখ্যা

রপ্তানি পরিস্থিতি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ৪৮,৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জিত হয় যা পূর্ববর্তী অর্থবছর ২০২৩-২৪ এর তুলনায় ৮.৬০ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে নিটওয়্যার, হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

⇒ প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১। কৃষিজাত পণ্য: ৮৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
২। হিমায়িত খাদ্য: ৪৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩। কাঁচাপাট: ১৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪। চা: ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ প্রধান শিল্পজাত পণ্য:
১। নিটওয়্যার: ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২। তৈরি পোশাক (ওভেন): ১৮,১৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
৩। পাটজাত পণ্য: ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
৪। প্রকৌশল দ্রব্য: ৫৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫। জুতা: ৬২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬। রাসায়নিক দ্রব্য: ২২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭। চামড়া: ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮। হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য: ৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৩.২৭% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৬.৭৩%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে  ‘কৃষিজাত পণ্য’। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫। 

৭৫৭.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) দি সিটি ব্যাংক
  2. খ) আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. গ) আইএফআইসি ব্যাংক
  4. ঘ) ন্যাশনাল ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
খ) আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর।
- সেবা ও আর্থিক খাতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে শাখা উদ্বোধনের মাধ্যমে এবি ব্যাংকের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রতিষ্ঠার পঁচিশ বছর পর ব্যাংকটির পুনরায় নামকরণ হয় এবি ব্যাংক লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৭৫৮.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন কতটি শাখায় বিভক্ত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ট্যারিফ কমিশন:

- ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুনর্গ©র্ঠত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৫৯.
২০২৪ সালে দেশে কোন খাতে সর্বাধিক বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে?
  1. ব্যাংকিং খাত
  2. কৃষি ও মৎস্য খাত
  3. পোশাক খাত
  4. টেলিকমিউনিকেশন খাত
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকিং খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকিং খাত
ব্যাখ্যা

বৈদেশিক বিনিয়োগ:
- মূলত বিদেশ থেকে যত বিনিয়োগ আসে এবং সেই সময়ে আগের বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধ করার পর বিয়োজন করলে যা অবশিষ্ট থাকে সেটাই নিট বিনিয়োগ।
- ২০২৪ সালে দেশে মোট নেট এফডিআই এসেছে ১.২৭ বিলিয়ন ডলার বা ১২৭ কোটি ডলার।
- এটি ২০২৩ সালের তুলনায় ১৩.২৫ শতাংশ কম।

⇒ ২০২৪ সালে আসা মোট এফডিআইয়ের মধ্যে ৬২২ মিলিয়ন ডলার ছিল রিইনভেস্টেড আর্নিংস।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে ব্যাংকিং খাতে—৪১৬ মিলিয়ন ডলার। 
- এরপর পোশাক খাতে এসেছে ৪০৭ মিলিয়ন ডলার।
- এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ, কৃষি ও মৎস্য খাতে ৭ কোটি ৫ লাখ এবং ট্রেডিং খাতে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ডলার এফডিআই এসেছে। 
- এর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে চামড়া, কৃষি, মৎস্য ও ট্রেডিং খাতে; কমেছে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ, ফার্মাসিউটিক্যালস ও টেলিকমিউনিকেশন খাতেও গত বছর এফডিআই কমেছে।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link] 
ii) The Business Standard. [link]

৭৬০.
CNG-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Compressed Nitrogen Gas
  2. Compressed Normal Gas
  3. Compressed Natural Gas
  4. Compressed Neon Gas
সঠিক উত্তর:
Compressed Natural Gas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compressed Natural Gas
ব্যাখ্যা

• CNG:
- CNG-এর পূর্ণরূপ হলো: Compressed Natural Gas.
- এটি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি যা পেট্রোল, এলপিজি বা ডিজেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- মূলত এটি উচ্চ চাপে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস, যা প্রধানত মিথেন দিয়ে তৈরি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- CNG পেট্রোল ইঞ্জিনের মতোই স্পার্ক-প্রজ্বলিত অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনে শক্তি জোগায়।
- CNG পোড়ালে পেট্রোল বা ডিজেলের তুলনায় কম বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়, যা পরিবেশের জন্য ভালো।
- গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে বিশেষ সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়, সাধারণত গাড়ির পেছনে রাখা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) ওয়েবসাইট।

৭৬১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৪৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  2. ৫৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  3. ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  4. ৭৩.৫ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। 
- এর মধ্যে পণ্যের রপ্তানি থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। 
- গত অর্থবছরে ২০২৪-২৫ এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
- চলতি অর্থবছরের এই লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ১৬.৫ শতাংশ বেশি। 

উল্লেখ্য,
- সমাপ্ত অর্থবছর ২০২৪-২৫-এ বাংলাদেশ পণ্য খাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৭ শতাংশ এবং পূর্ববর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৮.৫৮ শতাংশ বেশি। 
- সেবা খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়নের বিপরীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৭৬২.
নিচের কোনটি দেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল?
  1. ক) চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  2. খ) ঢাকা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  3. গ) কুমিল্লা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  4. ঘ) আদমজী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অধীনে দেশে বর্তমানে ৮টি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে।
• এগুলো হলো:-
- চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (প্রথম ও বৃহত্তম)
- ঢাকা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (দ্বিতীয়)
- মংলা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, 
- কুমিল্লা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, 
- ঈশ্বরদী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, 
- উত্তরা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (কৃষিভিত্তিক)
- আদমজী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, 
- কর্ণফুলী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (সর্বশেষ)।

তথ্যসূত্র:- BEPZA ওয়েবসাইট।
৭৬৩.
ভোমরা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. সাতক্ষীরা
  3. শেরপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা

ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৭৬৪.
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার কোনটি?
  1. কর্ণফুলী রিফাইনারি লিমিটেড
  2. মেঘনা রিফাইনারি লিমিটেড
  3. যমুনা রিফাইনারি লিমিটেড
  4. ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৬৫.
‘Blue Chips’ শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টক মার্কেট
  2. বন্ড মার্কেট
  3. কমোডিটি মার্কেট
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
ব্যাখ্যা

Blue Chips:
- 'Blue Chips' শব্দটি শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায় যারা আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক, বাজারে সুনামধন্য এবং স্থিতিশীল।
- Blue Chip হলো শেয়ার বাজারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির শেয়ার।
- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
- অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের সময়ও এদের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে কম ওঠানামা করে। উদাহরণ: Apple, Microsoft, Amazon, Coca-Cola, Google, Johnson & Johnson। বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিলিভারকে Blue Chip বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিটানিকা।

৭৬৬.
কোন সংস্থা থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক ঋণ সহায়তা পায়?
  1. ক) ADB
  2. খ) IDA
  3. গ) IDB
  4. ঘ) IMF
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ International Development Association (IDA) থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ সহায়তা পায়।
- গত বছরে বাংলাদেশ IDA থেকে ২২৩.৭ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা পায় যা IDA এর দ্বিতীয় শীর্ষ ঋণ গ্রহীতা।

উৎসঃ IDA ওয়েবসাইট।

৭৬৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, কোন ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা ইপিজেডে
  2. কর্ণফুলী ইপিজেডে
  3. আদমজী ইপিজেডে
  4. চট্টগ্রাম ইপিজেডে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেডে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, চট্টগ্রাম ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। চট্টগ্রাম ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

⇒ দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭৬৮.
'বিবিয়ানা' গ্যাসক্ষেত্রটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
খ) হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।
   - এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। 
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।

- উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।
   - এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।

উৎস : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
৭৬৯.
"জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর"- কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তরঃ মোট ১৩টি।

১. বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন;
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো;
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ;
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর;
৫. যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মস্ নিবন্ধক;
৬. আমদানি - রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অফিস;
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড;
৮. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইসস্টিটিউট;
৯. বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল;
১০. দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস্ অব বাংলাদেশ;
১১. দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ডস্ অব বাংলাদেশ;
১২. ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ;
১৩. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।

উৎসঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৭৭০.
বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি আবিস্কৃত হয় কোথায়?
  1. সিলেট
  2. নেত্রকোনা
  3. দিনাজপুর
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৭১.
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. হরিপুর
  3. দিনাজপুর
  4. মেহেরপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৬ সালে চীনা কারিগরি সহায়তায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির পাশে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়।

বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত।
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়। 
- কিন্তু গত ১৩-১৪ অর্থ বছরে এই খনি থেকে ৯৩৩০০০ মেট্রিন টন বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলিত হয়  এবং সেগুলো বিক্রয় করে ৮৯৮ কোটি টাকা আয় হয়।
- উত্তোলিত কয়লা দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী করার পর স্থানীয় বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রয় করা হয়।
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে প্রায় দুইশত'র অধিক কর্মকর্তা/কর্মচারী রয়েছে। 
- বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার  একটি প্রসিদ্ধ স্থান।

উৎস: দিনাজপুর জেলার ওয়েবসাইট।  
৭৭২.
রাবনাবাদ চ্যানেলে কোন সমুদ্রবন্দর অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. মংলা
  3. পায়রা
  4. মাতারবাড়ী
সঠিক উত্তর:
পায়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর: 
- পায়রা বন্দর বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬, সমুদ্র বন্দরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ৷
- এটি আমদানী ও রপ্তানীর জন্য একটি সরকারী রুট।
- ৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৩ পাস হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৭৩.
বর্তমানে BSFIC-এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনি কলের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১৩ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ টি
ব্যাখ্যা
• চিনিকল:
- ১৯৭২ সনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশবলে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন গঠিত হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৭৬ সনে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন গঠন করা হয়।
- কর্পোরেশনটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান এবং ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা করপোরেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম চিনিকল - নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চিনিকল - কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- BSFIC-এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনি কলের সংখ্যা - ১৫ টি

• কর্পোরেশনের আওত্তাধীন চিনি কলসমূহের ঠিকানা

- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি-
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি-
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি-
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি-
- রংপুর সুগার মিলস লি-
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি-
- নাটোর সুগার মিলস লি-
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:
  
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন।
৭৭৪.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. পঞ্চগড়
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

চা নিলাম কেন্দ্র:
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- এই নিলাম কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড় ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৭৭৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, টাকার অঙ্কে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে চীন থেকে। 

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭৭৬.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

৭৭৭.
বিসিআইসি’র তত্ত্বাবধানে বর্তমানে কতটি শিল্প কারখানা সচল আছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

• চালু কারখানাসমূহের মধ্যে:
- ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে। 

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

তথ্যসূত্র: BCIC ওয়েবসাইট।

৭৭৮.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক পাম অয়েল আমদানি করে?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) কম্বোডিয়া
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সর্বাধিক পাম অয়েল আমদানি করে ইন্দোনেশিয়া থেকে।
- গত বছর সয়াবিন তেলের তুলনায় পাম অয়েলের আমদানি ছিল প্রায় দ্বিগুণ।
- পাম অয়েল বর্তমানে দেশের সর্বাধিক ব্যবহৃত ভোজ্যতেল এবং বিশ্বে এই তেলের অন্যতম বৃহৎ আমদানিকারক।
- পাম তেলের মূল সরবরাহকারী হলো ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৭৯.
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক কে?
  1. এম নাসির উদ্দিন
  2. নুরুল কাদের
  3. আনিসুর রহমান সিনহা
  4. গুল আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
নুরুল কাদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল কাদের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের গোড়াপত্তন:
- বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক নুরুল কাদের।
- ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় প্রায় ৯ একর জমির ওপর ‘দেশ গার্মেন্টস’ গড়ে তুলেছিলেন নুরুল কাদের। 
- এটিই দেশের প্রথম তৈরি পোশাকের কারখানা।
- ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা পথ ঘুরে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার দাইয়ু করপোরেশনের সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন দেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানির কারখানা দেশ গার্মেন্টস। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পদযাত্রার সূচনা করেন দুই উদ্যোক্তা—রিয়াজ উদ্দিন ও এম নুরুল কাদের। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জিনস রপ্তানির নেপথ্য কারিগর ছিলেন চট্টগ্রামের উদ্যোক্তা এম নাসির উদ্দিন।
- শিল্প হিসেবে তৈরি পোশাকের বিকাশের অন্যতম বড় চালক ধরা হয় আনিসুর রহমান সিনহাকে। ১৯৮৪ সালে যাত্রা করে তার প্রতিষ্ঠিত কারখানা ওপেক্স।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বণিক বার্তা।

৭৮০.
পাকিস্তানের কোন ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে?
  1. ক) ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
  2. খ) স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান
  3. গ) সেন্ট্রাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
  4. ঘ) রিজার্ভ ব্যাংক অব পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো:

- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- সিটি ব্যাংক এনএ
- উরি ব্যাংক
- হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড এবং
-ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।

[এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।]

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭৮১.
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড নিম্নের কোনটি উৎপাদন করে?
  1. ক) এলপিজি
  2. খ) বিদ্যুৎ
  3. গ) ফার্নেস তেল
  4. ঘ) এলএনজি
সঠিক উত্তর:
গ) ফার্নেস তেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফার্নেস তেল
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সেল ইস্টার্ন পেট্রোলিয়াম লিঃ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ চট্টগ্রামস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড-এ অপরিশোধিত খনিজ তেল ও পেট্রোলিয়াম শোধন করে। 
- এখানে উপজাত হিসেবে ন্যাপথা ও ফার্নেস তেল উৎপাদিত হয় যা দেশের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানি করা হয়।

উৎসঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট; অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮২.
বাংলাদেশে মাঝারি শিল্পের উদাহরণ কোনটি?
  1. তাত শিল্প
  2. দিয়াশলাই শিল্প
  3. পাট ও বস্ত্র শিল্প
  4. বাঁশ ও বেত শিল্প
সঠিক উত্তর:
দিয়াশলাই শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিয়াশলাই শিল্প
ব্যাখ্যা

আকার অনুযায়ী শিল্পের শ্রেণীবিভাগ:
- বাংলাদেশের শিল্পসমূহ আকার অনুযায়ী তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত:

১. বৃহৎ শিল্প:
সংজ্ঞা: যে শিল্পে অধিক মূলধন, অনেক শ্রমিক এবং প্রচুর কাঁচামাল ব্যবহার করে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বিপুল পরিমাণ দ্রব্য উৎপাদন করা হয়।
শ্রমিক সংখ্যা: ২৩০ জনের বেশি শ্রমিক নিযুক্ত।
উদাহরণ: পাট শিল্প, বস্ত্র শিল্প, সিমেন্ট, কাগজ, সার ইত্যাদি।

২. মাঝারি শিল্প:
সংজ্ঞা: বৃহৎ ও ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যবর্তী অবস্থান; উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তবে মূলধন তুলনামূলকভাবে কম।
শ্রমিক সংখ্যা: ২০-২৩০ জনের মধ্যে শ্রমিক নিযুক্ত।
উদাহরণ: চামড়া শিল্প, সিগারেট শিল্প, সাবন শিল্প, দিয়াশলাই শিল্প ইত্যাদি।

৩. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প:
সংজ্ঞা: ক্ষুদ্র শিল্পে ভাড়া শ্রমিক ও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়, কুটির শিল্প মূলত পারিবারিক শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত এবং বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় না।
শ্রমিক সংখ্যা: সর্বোচ্চ ২০ জন।
বৈশিষ্ট্য: স্থানীয় কাঁচামাল, কম মূলধন, পরিবারের সদস্য দ্বারা উৎপাদন।
উদাহরণ: তাত শিল্প, বাঁশ ও বেত শিল্প, বিড়ি শিল্প, লবন শিল্প ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮৩.
শাহজালাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. কম্পোস্ট
  2. ডিএপি
  3. টিএসপি
  4. ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।

⇒ শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড:
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত দেশের অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠান।
- এই সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৭৬০ মে.টন।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
৭৮৪.
BRRI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ১৯৭০ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ BRRI ওয়েবসাইট)
৭৮৫.
বর্তমানে দেশে সরকারিভাবে মোট কয়টি স্থলবন্দর রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ১৬টি
  2. ২০টি
  3. ২২টি
  4. ২৪টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে দেশে সরকারিভাবে মোট ২৪টি স্থলবন্দর রয়েছে।
- উল্লেখ্য, এর মধ্যে চলমান স্থলবন্দরের সংখ্যা ১৬টি।

⇒ ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বিএসবিকে) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ সালে।
- স্বায়ত্তশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৭৮৬.
পদ্মা সেতু নির্মাণকারী কোম্পানির নাম কী?
  1. এসমেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড
  2. ক্লিভল্যান্ড ব্রিজ অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
  3. চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
  4. এইসিওম
সঠিক উত্তর:
চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- দ্বিতল পদ্মা সেতুর এক অংশ মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায়, আরেক অংশ শরীয়তপুরের জাজিরায়।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

⇒ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়। 
- পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের  ২১টি জেলার সংযোগ স্থাপন করেছে।
উল্লেখ্য,
- পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক : মোঃ শফিকুল ইসলাম।
- পদ্মা সেতুর নকশার দায়িত্ব ছিল নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এইসিওম (AECOM)।
- পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের তদারকি দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের নাগরিক রবার্ট জন এভস।
- পদ্মা সেতুর পুরো নির্মাণ কাজ তদারকির কাজ পেয়েছিল কোরিয়ান কোম্পানি কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন (কেইসি)।
- পদ্মা সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম : চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কো. লি.।
- পদ্মা সেতু নির্মাণে একমাত্র বাংলাদেশীর নারী প্রকৌশলী – ইশরাত জাহান। =
- পদ্মা নদীর দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক আর সার্ভিস এরিয়া তৈরির দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলাদেশি কোম্পানি আব্দুল মোনেম লিমিটেড।
- পদ্মা সেতু নির্মাণের সঙ্গে অন্তত ২০টি দেশের নাগরিকরা জড়িত ছিলেন। 
- পদ্মা সেতুর সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম JICA (জাপান)।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৭৮৭.
BSTI এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Science and Technology Institute
  2. Bangladesh Standardization and Testing Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bureau of Standards and Testing Institute
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
ব্যাখ্যা
BSTI:
- BSTI-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
- শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণসহ মান নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
 
সূত্র - BSTI ওয়েবসাইট।
৭৮৮.
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে: ২৮ জুলাই ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- ট্যারিফ কমিশন এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।

⇒ কমিশন ৩টি শাখায় বিভক্ত। যথা:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।

- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত।
- এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৮৯.
Which one is the mobile banking service of postal department?
  1. ক) Bkash
  2. খ) Nagad
  3. গ) Rocket
  4. ঘ) Upay
সঠিক উত্তর:
খ) Nagad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Nagad
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:

- ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হচ্ছে নগদ
- বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় মার্চ ২০১১ সালে
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম সেবাটি চালু করে, যার নাম এখন রকেট
- ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ।
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো,২৯ মার্চ ২০২১।
৭৯০.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইইউ। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির অর্ধেকের গন্তব্য হচ্ছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। এই বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দুই অবস্থানে রয়েছে চীন ও বাংলাদেশ।
- ১ম স্থানে রয়েছে চীন এবং ২য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
- ইইউর বাজারে তৃতীয় শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ তুরস্ক।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) BIDA ওয়েবসাইট।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো। [link]

৭৯১.
পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বৃহত্তম অপ্রচলিত বাজার কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি ২০২৪-২৫:
- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) অপ্রচলিত বা নতুন বাজারে ৫১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার জাপান।
- জাপানে রপ্তানি হয়েছে ৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এ রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।
- দ্বিতীয় বড় বাজার অস্ট্রেলিয়ায় চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ৬৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- ভারত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের তৃতীয় শীর্ষ নতুন বাজার।
- নতুন বাজারের মধ্যে রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে।

উল্লেখ্য,
- অপ্রচলিত বা নতুন বাজার বলতে এমন দেশ বা অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেগুলো প্রচলিতভাবে কোনো দেশের পণ্য বা সেবার প্রধান ক্রেতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে যেসব দেশে রপ্তানি বাড়ছে বা রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- প্রচলিত বাজার হিসেবে ২৭ জাতির জোট ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গণ্য করা হয়।
- এর বাইরে সব দেশকে অপ্রচলিত বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্ক অপ্রচলিত শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্য নাম।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৭৯২.
জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিসমূহের সংগঠন কোনটি?
  1. ক) REHAB
  2. খ) BAIRA
  3. গ) BKMEA
  4. ঘ) ATCO
সঠিক উত্তর:
খ) BAIRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) BAIRA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোর জাতীয় পর্যায়ের সংগঠন হলো BAIRA (Bangladesh Association of International Recruiting Agencies)। এটি ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করে। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৩০০। অন্যদিকে, REHAB হলো রিয়েল এস্টেট কোম্পানিসমূহ, BKMEA হলো নিটওয়্যার রপ্তানিকারক এবং ATCO হলো টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন। (সূত্রঃ BAIRA ওয়েবসাইট)
৭৯৩.
বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ক) বিসিআইসি
  2. খ) বিএসটিআই
  3. গ) এনপিও
  4. ঘ) বিটাক
সঠিক উত্তর:
ক) বিসিআইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিসিআইসি
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে।

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন: ২টি 
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমই ফাউন্ডেশন (Small and Medium Enterprise Foundation-SME Foundation)
- ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমসিআইএফ (Small, Micro and Cottage Industries Foundation-SMCIF)


উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
৭৯৪.
প্রধান আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. ক) খাদ্যশস্য
  2. খ) টেক্সটাইল পণ্য
  3. গ) মূলধনী দ্রব্যাদি
  4. ঘ) পরিশোধিত তেল
সঠিক উত্তর:
গ) মূলধনী দ্রব্যাদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মূলধনী দ্রব্যাদি
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের মোট আমদানির পরিমাণ ছিলো ৫০.৬৯ বিলিয়ন মা. ডলার। এর মধ্যে সর্বাধিক আমদানি হয় মূলধনী দ্রব্যাদি প্রায় ১১১০.৮৯ কোটি ডলার।
টেক্সটাইল পণ্য ৬৩৮.০২ কোটি ডলার। পরিশোধিত তেল আমদানি হয় ৪৬২.৬৬ কোটি ডলার। খাদ্যশস্য ১৬৭.২ কোটি ডলার।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
৭৯৫.
জাতীয় পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (DPDT) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
ডিপিডিটি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর। 
- সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জুর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি বিভাগ।

সূত্র: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
৭৯৬.
এলডিসি উত্তরণের পর জাপান বাংলাদেশকে কত বছর শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিবে? 
  1. ৪ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

- এলডিসি উত্তরণের পর জাপান বাংলাদেশকে ৩ বছর শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিবে।
- বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বাণিজ্য ও উন্নয়ন-বিষয়ক কমিটি ৭ নভেম্বর এক নোটিশে জাপানের পক্ষ থেকে তিন বছরের জন্য এলডিসি ও এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া দেশগুলোকে জিএসপি দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশও এ সুবিধা পাবে। এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ হওয়ার কথা ২০২৬ সালে।
- অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারমূলক শুল্কসুবিধা বা জিএসপি পাবে বাংলাদেশ

উৎস: প্রথম আলো[লিঙ্ক]

৭৯৭.
সেকেন্ডারী মার্কেট কীসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. শ্রমবাজার
  2. চাকরি বাজার
  3. স্টক মার্কেট
  4. কৃষি বাজার
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
ব্যাখ্যা

• BSEC: 
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

তথ্যসূত্র: BSEC ওয়েবসাইট।  

৭৯৮.
বাংলাদেশে প্রথম প্রাকৃতিক তেলক্ষেত্র কোথায় পাওয়া যায়?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. মৌলভীবাজার
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

খনিজ তেলক্ষেত্র (Petroleum):
- বাংলাদেশের সিলেট জেলার হরিপুরে ১৯৮৬ সালে প্রাকৃতিক গ্যাসের সপ্তম কূপে তেল পাওয়া গেছে
- এ কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৬০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করা হয়।
- অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রামের তেল শোধনাগারে পরিশোধন করা হয়। পরিশোধিত তেল থেকে কোরোসিন, বিটুমিন, পেট্রোল ও অন্যান্য দ্রব্য পাওয়া যায়। 
- মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
- দৈনিক প্রায় ১,২০০ ব্যারেল তেল উত্তোলিত হয় এই তেলক্ষেত্রটি থেকে।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সমগ্র বাংলাদেশের জ্বালানি তেল মজুদ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, বিপনন ও জ্বালানি তেল আমদানি ও মজুদ করে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৯.
ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান- [মার্চ, ২০২৬]
  1. ১ম 
  2. ২য় 
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ 
সঠিক উত্তর:
১ম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম 
ব্যাখ্যা

ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে।
- মোট ইলিশের প্রায় ৮৬ শতাংশই দেশে উৎপাদিত হয়। 
- দেশের বিভিন্ন নদী ও অভয়াশ্রমে মা ও জাটকা ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা, অভয়াশ্রম সম্প্রসারণ এবং সঠিক জাল ব্যবহারের কারণে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বিশেষ করে প্রতি বছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ধরা নিষিদ্ধ থাকায় ইলিশের বৃদ্ধি হয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ১২৫-১৩০টি উপজেলায় ইলিশ পাওয়া যায়।
- এবং প্রায় ৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা আইনত নিষিদ্ধ।
- এই সাফল্যের কারণে বাংলাদেশকে ইলিশ উৎপাদনের রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
------------------- 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যে বিশ্বে উৎপাদন ও অবস্থান –
- বাংলাদেশ মৎস্য ও কৃষিক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।

• জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) তথ্য অনুযায়ী, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ (Aquaculture) উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
• এছাড়া অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ আহরণে বাংলাদেশ তৃতীয়।

• বাংলাদেশ আলু উৎপাদনে বিশ্বের মধ্যে সপ্তম অবস্থানে আছে।
- এশিয়ায় আলু উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশটি তৃতীয় স্থানে রয়েছে। 

• বাংলাদেশ তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। 

• বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে।

উৎস:
১) বনিক বার্তা,
২) দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা, 
৩) প্রথম আলো পত্রিকা [ লিঙ্ক], 
৪) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৮০০.
Which is the main export product of Bangladesh?
  1. ক) Fish, Shrimps, and Prawns
  2. খ) Readymade Garments
  3. গ) Jute and Jute Manufacture
  4. ঘ) Leather and Leather Manufactures
সঠিক উত্তর:
খ) Readymade Garments
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Readymade Garments
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।