বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা / ১৮ · ৬০১৭০০ / ১,৭৮৪

৬০১.
‘কাটারীভোগ’ সুগন্ধি চাল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত জায়গা-
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বিশেষ জাতের ধান থেকে সুগন্ধি চাল তৈরি হয়। সুগন্ধি ধান/চাল উৎপাদনে দিনাজপুর জেলা অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এ জেলার ‘কাটারিভোগ’ সুগন্ধি চাল দেশি-বিদেশি অতিথি আপ্যায়নে সুনাম বজায় রেখেছে। এছাড়া ব্রিধান-৩৪, কাটারী, জিরা কাটারী (চিনি গুড়া), ফিলিপিন কাটারী, চল্লিশাজিরা, বাদশা ভোগ, কালোজিরা, জটা কাটারী, চিনি কাটারী, বেগুন বিচি ও ব্রিধান-৫০ এই জেলার উল্লেখযোগ্য সুগন্ধি চাল।
[সুত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং dinajpur.gov.bd]
৬০২.
বাংলাদেশে বর্তমানে জি টু জি অর্থনৈতিক অঞ্চল কয়টি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

উৎস: BEZA Website
৬০৩.
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সর্বাধিক তুলা আমদানি করে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. চীন
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• বর্তমান বাংলাদেশ ব্রাজিল থেকে সর্বাধিক তুলা আমদানি করে।

• শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।

৬০৪.
দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলে -
  1. রংপুরে
  2. পঞ্চগড়ে
  3. দিনাজপুরে
  4. চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬০৫.
বাংলাদেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর কোনটি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. মোংলা
  2. সন্ধীপ
  3. হাতিয়া
  4. ভোলাগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া। নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ২য় উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

⇒ ৩ জুন ২০২৫ তারিখে বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।
৬০৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব কারখানার সংখ্যা কয়টি? [৩০ জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২৩০টি
  2. ২৩২টি
  3. ২৩৫টি
  4. ২৩৭টি
সঠিক উত্তর:
২৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) 'লিড' সনদ দেয়।
- লিডের পূর্ণরূপ: লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- ২০১২ সালে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে স্থাপনের মাধ্যমে প্রথম পরিবেশবান্ধব কারখানার যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশে।
- বর্তমানে দেশে তৈরি পোশাক খাতে লিড সবুজ কারখানা ২৩৫টি।

সম্প্রতি,
- বাংলাদেশে দুটি নতুন কারখানা ‘লিড’ (লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভারমেন্টাল ডিজাইন) সনদ পেয়েছে।
- কারখানা দুটি হল: গাজীপুরের টিএম জিন্স লিমিটেড এবং ঢাকার দক্ষিণ খানের আজমেরি কম্পোজিট নিট লিমিটেড।
- ২০২৫ সালের প্রথম ২৫ দিনে বাংলাদেশের মোট তিনটি পোশাক কারখানা গুরুত্বপূর্ণ এই সনদ পেল।
- এর আগে গত ৭ জানুয়ারি, ২০২৫ স্বীকৃতি পায় গাজীপুরের কনসিস্ট অ্যাপারেলস লিমিটেড।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৬০৭.
নিচের কোনটির অধীনে পরিচালিত হয় 'বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ'?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
- এছাড়া মংলা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা, কর্ণফুলী ও আদমজী আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬০৮.
বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) ঠাকুরগাঁও
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত।
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়। 
- কিন্তু গত ১৩-১৪ অর্থ বছরে এই খনি থেকে ৯৩৩০০০ মেট্রিন টন বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলিত হয়  এবং সেগুলো বিক্রয় করে ৮৯৮ কোটি টাকা আয় হয়।
- উত্তোলিত কয়লা দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী করার পর স্থানীয় বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রয় করা হয়।
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে প্রায় দুইশত'র অধিক কর্মকর্তা/কর্মচারী রয়েছে। 
- বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার  একটি প্রসিদ্ধ স্থান।

উৎস: বড়পুকুরিয়া-কয়লা-খনি, dinajpur.gov.bd
৬০৯.
‘লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড’ সিমেন্ট কারখানাটির অবস্থান-
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) ছাতক
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ছাতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছাতক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অবস্থিত সিমেন্ট শিল্পের বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত এই সিমেন্ট কারখানাটি। সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকার উৎপাদন করে সেখান থেকে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের বেসরকারি সিমেন্ট কারখানাগুলোর মধ্যে লাফার্জই হচ্ছে একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কারখানা।
[সূত্রঃ lafargeholcim.com.bd এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৬১০.
প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের শীর্ষ বাজার কোন দেশ? [জুলাই, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি:
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৮ কোটি ডলারের প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি করেছে।
- এর মধ্যে প্রচ্ছন্ন রপ্তানির পরিমাণ ১৩ কোটি ডলার।
- প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষ বাজার হচ্ছে ভারত।
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভারতে ৫ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি হয়।
- আর দ্বিতীয় শীর্ষ বাজার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের প্লাস্টিক পণ্য।
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
৬১১.
কোরিয়ান ইপিজেড কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. গাজীপুর
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
কোরিয়ান ইপিজেড:
- দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড কোরিয়ান ইপিজেড।
- এটি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত।
- কোরিয়ান ইপিজেড-এর প্রতিষ্ঠাতা কিয়াক সুং।
- চট্টগ্রামে কোরিয়ান ইপিজেড এর কার্যক্রম ১৯৯৫ সালে শুরু হয়।
- প্রথমে দুই দেশের সরকার উদ্যোগ নিলেও কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ শিল্পাঞ্চলটি গড়ে তোলে বেসরকারিভাবে।
- ইয়াংওয়ান করপোরেশন পরিচালিত কেইপিজেডে বর্তমানে ৪৮টি শিল্পে ৩৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
- এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশের জন্য নির্ধারিত।
- ফলে এটিকে বড় পরিবেশবান্ধব ইপিজেড বলা হয়।

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) বেজা ওয়েবসাইট।
৬১২.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল ‘আকিজ জুট মিল’ কোথায় অবস্থিত?
  1. গোপালগঞ্জ
  2. পাবনা
  3. ফরিদপুর
  4. শরীয়তপুর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আকিজ জুট মিল:
- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে। 
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে। 

উৎস: ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
৬১৩.
বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার' কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. ঢাকা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র 'ওয়ার্ল্ড' ট্রেড সেন্টার:
- দ্যা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার চট্টগ্রাম বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- এটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত। [এখানে উত্তর "কোনটি নয়"]
- চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩২৭টি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয় বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।

উৎস: World Trade Center Chittagong ওয়েবসাইট।
৬১৪.
পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম কি?
  1. ক) রিয়ার এডমিরাল এম সোহাইল
  2. খ) রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক
  3. গ) রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান
  4. ঘ) রিয়ার এডমিরাল শহীদ আজাদ
সঠিক উত্তর:
খ) রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক
ব্যাখ্যা
• পায়রা সমুদ্র বন্দর বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত।
- পায়রা সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ আগস্ট ২০১৬।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক। 
- ২০১৩ সালে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দরের যাত্রা শুরু হয়েছে।

সূত্র: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৬১৫.
বাংলাদেশের অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

তথ্যসূত্র - প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬১৬.
উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট কোনটি?
  1. FBCCI
  2. FICCI
  3. BDF
  4. Alliance
সঠিক উত্তর:
Alliance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alliance
ব্যাখ্যা
Alliance:
- এলায়েন্স (Alliance) হলো উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট।

FBCCI:
- এটি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।

BDF:
- বিডিএফ (BDF) হলো বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়োজিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট।

FICCI:
- এফআইসিসিআই (FICCI) হলো বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট। 

উৎস: ৩১ আগস্ট ২০২৩, ইত্তেফাক।
৬১৭.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য:
- টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে (১৬,১৩৯ মিলিয়ন ডলার)। যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ২৭.৪৬ শতাংশ।
- চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (১০,০২৬ মিলিয়ন ডলার), যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ১৭.৬ শতাংশ।
- বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি চীনের এবং দ্বিতীয় ভারত।
- বাংলাদেশ জাপান থেকে ২,৩৮৬ মিলিয়ন ডলার আমদানি করে যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ৪.০৬% শতাংশ। ।

অন্যদিকে,
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
৬১৮.
কর্ণফুলী পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. পাটকাঠি
  2. বাঁশ
  3. আখের ছোবড়া
  4. ধানের খড়
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন  কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৬১৯.
বাংলাদেশের দ্রুততম ইউনিকর্ন স্টার্ট আপ কোম্পানি ২০২৩ -
  1. নগদ
  2. বিকাশ
  3. উপায়
  4. রকেট
সঠিক উত্তর:
নগদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগদ
ব্যাখ্যা
'ইউনিকর্ন' স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩:

- একটি স্টার্টআপের সামগ্রিক মূল্যমান ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের সমান হলে তাকে ইউনিকর্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া কোম্পানির মূল্যমান ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার পার হলে তাকে ডেকাকর্ন কোম্পানির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ বা ১০ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ।
- ২৯ জুলাই ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’ অনুষ্ঠানে নগদকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ–বিষয়ক সরকারি স্বীকৃতি ‘ফাস্টেস্ট টু ইউনিকর্ন অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
- সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২৩।
৬২০.
বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ-
  1. ক) ১০ শতাংশ
  2. খ) ১২ শতাংশ
  3. গ) ১৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ইলিশ উৎপাদনে,
- বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম,
- ভারত বিশ্বে দ্বিতীয়,
- মিয়ানমার বিশ্বে তৃতীয়।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ- ১২%।
- মোট দেশজ উৎপাদনে ইলিশের অবদান- ১%।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬% (World Fish- এর তথ্যানুসারে)
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৫% (FAO এর The State of World Fisheries and Aquaculture 2020 এর তথ্যানুসারে)।

৬২১.
বাংলাদেশের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল বিশ্বের কয়টি দেশে রপ্তানি করা হয়? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১৫৫টি
  2. ১৫৭টি
  3. ১৫৮টি
  4. ১৫৯টি
সঠিক উত্তর:
১৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- দেশের উৎপাদিত ওষুধের গুণ-মান আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তুলনীয় এবং তা বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- স্বাধীনতার পর আমদানিনির্ভর ওষুধ খাত আজ দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ মেটাচ্ছে
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

⇒ ওষুধশিল্প দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য এক অবিচ্ছেদ্য খাত।
- ১৯৮২ সালের জাতীয় ঔষধ নীতি ছিল বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির জন্য বিপ্লবের সূচনা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
ii) বণিক বার্তা।
৬২২.
নিচের কোনটি অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) কাঁচা পাট
  2. খ) শাকসবজি
  3. গ) তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
  4. ঘ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে উৎপন্ন কিংবা কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস অথবা মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি তাদের প্রচলিত রপ্তানি পণ্য বিবেচনা করা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- কাঁচা পাট
- পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- তামাক (আংশিক)
- ফল
- চিংড়ি
- মসলা (স্থানীয়) প্রভৃতি।
অন্যদিকে, যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম তাদের অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- বাইসাইকেল
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস
- ফুটওয়্যার
- পিভিসি ব্যাগস প্রভৃতি।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৬২৩.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

জাহাজ শিল্প:
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামী জাহাজ ‘এমভি আনসু’ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি হয়েছে।
- জাহাজটি কিনেছেন জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কোং কেজিএমএস।নারায়নগঞ্জের মেঘনাঘাটে আনন্দ শিপইয়ার্ডে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনসুর ক্যাপ্টেন পিয়োট বুজনাস্কিকে জাহাজটি বুঝিয়ে দেন আনন্দ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা বারী।
- আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪ দশমিক ২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইল।
- গত ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শিপওয়েজ লিমিটেড।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ৩৬৫টি জলযান নির্মাণ করেছে।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।

৬২৪.
টাকার অঙ্কে কোন পণ্যটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আমদানি করা হয়? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫]
  1. সার
  2. তুলা
  3. সুতা
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ৩,৪৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,৬২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ১,০৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ৬৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৪,৫১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
২. সার: ২,৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ৩,৬১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,৭১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,৫৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৮৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৬২৫.
কোন জেলায় জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. ময়মনসিংহ
  3. যশোর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জাপানিজ ইকোনমিক জোন:
- জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে ১,০০০ একর জমিতে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ করা হচ্ছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হলে সেখানে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ হবে।
- কর্মসংস্থান হবে এক লাখ মানুষের।
- বেজা এবং জাপানের সুমিতোমো কর্পোরেশন যৌথভাবে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে কাজ করছে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৬২৬.
দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।

৬২৭.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Security & testing Institute
  2. Bangladesh Scientific Testing Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bangladesh ‍Society for Telecommunication & Information
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
ব্যাখ্যা
⇒ BSTI:
- বাংলাদেশের পণ্যের মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানকারী প্রতিষ্ঠান - BSTI
- এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI)
এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তার আগে ১৯৫৬ সালে Colombo Plan এর অধীনে ঢাকায় Central Testing Laboratory (CTL) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে CTL এবং BDSI, এই দুটি সংস্থা পৃথক সত্তা হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্বে কার্যরত ছিল।

- বিগত ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধীন সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

- অতঃপর ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষিপণ্য বিপণন ও শ্রেণি বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।
- উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

উৎস: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।
৬২৮.
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের কোন দেশে প্রথমবারের মতো পন্যবাহী জাহাজ যায়?
  1. ক) পর্তুগাল
  2. খ) ইতালি
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
খ) ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইতালি
ব্যাখ্যা
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের দেশ ইতালিতে পন্যবাহী জাহাজ চলাচল। এর আগে ইউরোপে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশের বন্দর হয়ে পাঠানো হত।
- ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বরে ‘ক্যাপ ফ্লোরেস' নামের খালি কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজের পরীক্ষামূলক যাত্রা সফল হওয়ায় এবার নিয়মিত যাত্রার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো কন্টেইনার ভর্তি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি সোঙ্গা চিতা' ইতালির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়। 
- চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি জাহাজ চলাচলের এ সেবা চালু করে ইতালির ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান আরআইএফ লাইন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান ক্যালিপসো কোম্পানিয়া ডি নেভিগেশন।

উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।
৬২৯.
বাংলাদেশর বর্তমানে চায়ের উৎপাদন কত?
  1. ক) ৮৫.০৫ মিলিয়ন কেজি
  2. খ) ৭৮.৯৫ মিলিয়ন কেজি
  3. গ) ৮২.১৩ মিলিয়ন কেজি
  4. ঘ) ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
ব্যাখ্যা

২০১৯ সাল -এর হিসাব
চা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে নবম স্থানে রয়েছে।
চায়ের মোট উৎপাদন - ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
এবং চা রপ্তানি - ০.৬০ মিলিয়ন কেজি
রপ্তানি মূল্য - ১৯৪.২৬ মিলিয়ন টাকা
সূত্রঃ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৬৩০.
গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা রয়েছে কত শতাংশ? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ১০% 
  2. ১৫%
  3. ২০% 
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
১০% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০% 
ব্যাখ্যা

- গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা ১০ শতাংশ রয়েছে।
- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ সংশোধনের একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
- এ সংশোধনের লক্ষ্য নোবেল বিজয়ী ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারের মালিকানা ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা। 
- সংশোধনী প্রস্তাবে ব্যাংকের বোর্ডে সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমানোর কথাও বলা হয়েছে।
- এ সংশোধনীর ফলে সরকারের হাতে চেয়ারম্যানসহ  তিনজন পরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা কমিয়ে মাত্র একজনে নেমে আসবে।
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের খসড়া করা অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রস্তাবিত পরিবর্তনের ফলে গ্রামীণ ব্যাংকের সুবিধাভোগীদের শেয়ার মালিকানা বর্তমানের ৭৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯০ শতাংশে উন্নীত হবে।


গ্রামীণ ব্যাংক:

- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনুস
২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ¡)গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
 ¡¡)বিবিসি বাংলা।[লিংক]। 

৬৩১.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ক) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  2. খ) বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা
  3. গ) গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছরে বৃদ্ধি করা
  4. ঘ) দারিদ্র্য হার শূন্যে নামিয়ে আনা
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে ২০২১-২০৪১ মেয়াদে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার মূল বিষয় হলো ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১২,৫০০ ডলারে উন্নীত করে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা। এছাড়া বৈষম্য হ্রাস, দারিদ্র্য নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ প্রভৃতি এই পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য।
(সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন)
৬৩২.
বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ কোনটি? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ব্রাজিল 
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ ব্রাজিল।
- ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে বাংলাদেশ মোট ৮.২৮ মিলিয়ন বেল তুলা আমদানি করেছে
- যা আগের বছরের তুলনায় ৫.২% বেশি।
- এর মধ্যে ব্রাজিল সরবরাহ করেছে ১.৯ মিলিয়ন বেল বা প্রায় ২৫% বাজার অংশীদারিত্ব।

অন্যদিকে,
- ভারত সরবরাহ করেছে ১.৪ মিলিয়ন বেল (১৫%)।
- ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে বাংলাদেশের কাঁচা তুলা আমদানি আরও ১.৪% বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

৬৩৩.
'সোনা মসজিদ স্থলবন্দর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. দিনাজপুর
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• সোনা মসজিদ স্থলবন্দর:
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দরটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপেজলার সোনা মসজিদ সীমান্তে অবস্থিত।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলার ইংলিংশ থানার মহাদীপুর ইউনিয়ন অবস্থিত।
 -স্থলপথে আমদানি- রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ১২/০১/২০০২ খ্রি: তারিখে সোনা মসজিদ শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৬৩৪.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগারের নাম কী?
  1. Petrobangla Oil & Co.
  2. Meghna Oil & Co.
  3. Eastern Refinery
  4. Jamuna Refinery
সঠিক উত্তর:
Eastern Refinery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Eastern Refinery
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৩৫.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত -
  1. ক) পরিবহন খাত
  2. খ) সেবাখাত
  3. গ) শিল্পখাত
  4. ঘ) কৃষিখাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিখাত
ব্যাখ্যা
• জিডিপিতে প্রধান ৩টি খাত।

• জিডিপিতে অবদান: 
সেবাখাত - ৫১.৪৪%
শিল্পখাত - ৩৭.০৭%
কৃষিখাত - ১১.৫০%

• প্রবৃদ্ধির হার:
সেবাখাত - ৬.৩১%
শিল্পখাত - ১০.৪৪%
কৃষিখাত - ২.২০%

• নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
সেবাখাত - ৩৯.০%
শিল্পখাত - ২০.৪%
কৃষিখাত - ৪০.৬%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৬৩৬.
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্পপার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বাউশিয়া
  2. খ) সোনারগাঁও
  3. গ) হেমায়েতপুর
  4. ঘ) জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
ক) বাউশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাউশিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্পপার্ক নির্মিত হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়ায়। এর আয়তন প্রায় ২০০ একর। ২০০৮ সালে সরকার ঔষধ শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০২৩ সালে এটি পুরোদমে উৎপাদনে যাবে।
(সূত্রঃ বিসিক ও বাংলাদেশ প্রতিদিন)
৬৩৭.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. আকিজ সিমেন্ট কারখানা
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  3. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  4. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
-  এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

অপরদিকে,
- লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা:
- ছাতক লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বাংলাদেশে তথা এশিয়া মহাদেশের অন্যতম মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানি।
- শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- আকিজ সিমেন্ট কারখানা।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
৬৩৮.
Which of the following is a land port of Bangladesh?
  1. Chattogram
  2. Mongla
  3. Hili
  4. Barisal
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Hili
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hili
ব্যাখ্যা
হিলি স্থলবন্দর:

- পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপেজলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ তারিখ হিলি শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৯ অক্টোবর ২০০৫ তারিখ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনার  জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে  পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড মধ্যে Concession Agreement (CA) স্বাক্ষরিত হয়।
- CA অনুযায়ী পোর্ট অপারেটর ০১ জানুয়ারি ২০১০ তারিখ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে;
- রাজধানী ঢাকা হতে হিলি স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কি.মি.

তথ্যসূত্র - হিলি স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।
৬৩৯.
বাংলাদেশে পণ্যের জিআই স্বীকৃতি দেয় -
  1. বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর
  2. বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর
  3. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর
  4. নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশে পণ্যের জিআই স্বীকৃতি দেয় - পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)।
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর:

- পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি অধিদপ্তর, যা পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কসের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি বিভাগ।
- সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জুর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।

উৎস: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
৬৪০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি শিল্প সংস্থা কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন
  2. খ) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন
  3. গ) বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন
  4. ঘ) বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা হলো বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)।
বিসিআইসি’র অধীনে বর্তমানে দেশে চালু শিল্প কারখানার সংখ্যা ১০টি। এগুলোর মধ্যে ৬টি সার কারখানা, ১টি কাগজকল, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা এবং ১টি স্যানিটারি ও ইন্স্যুলেটর কারখানা।
এছাড়া, যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানির সংখ্যা ৯টি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১০৬)
৬৪১.
বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প পার্ক কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. সিরাজদিখান 
  2. মিরসরাই 
  3. গজারিয়া
  4. শ্রীনগর 
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া
ব্যাখ্যা

ওষুধ পার্ক:
- বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প পার্ক (API Industrial Park) মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
-
এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে স্থাপিত।
- ২০০৮ সালে সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়, ওষুধশিল্পের পার্ক স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদিত হয়।
-পার্কটির মূল উদ্দেশ্য হলো-
• দেশীয় ওষুধ কোম্পানির ব্যবসা প্রসার, 
• পণ্য বৈচিত্র্য সৃষ্টি,
• এবং মান উন্নয়নের জন্য গবেষণা।
-পার্কটি দেশের ওষুধের কাঁচামাল আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- এছাড়া, এর উদ্দেশ্য হলো ওষুধের রপ্তানি বাড়ানো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথমবার ওষুধ রপ্তানি শুরু করে ১৯৯২ সালে।
- তখন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পেনিসিলিনের কাঁচামাল ইরান, হংকং, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠাত।
- পরের বছর তারা প্যারাসিটামল ও অন্যান্য ১৮ ধরনের ওষুধ রাশিয়ায় রপ্তানি করে;
- এটি দেশের ওষুধ শিল্পের জন্য একটি বড় মাইলফলক ছিল।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ১৪৭টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।
- বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বেশি ওষুধ রপ্তানি করে- মিয়ানমারে।
- শ্রীলংকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চপরিমানে রপ্তানি করে।

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া;
২. The Daily Star Bangla;
৩. প্রথম আলো। 

৬৪২.
বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬৪৩.
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানী বাজার: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
- মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- উল্লেখ্য, এই বাজারে রপ্তানি হওয়া বাংলাদেশি পণ্যের ৮৭শতাংশই তৈরি পোশাক।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৬৪৪.
প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু হয় কোথায়?
  1. চট্টগ্রামের জোবরা
  2. চট্টগ্রামের হালিশহর
  3. চট্টগ্রামের রাউজান
  4. চট্টগ্রামের আনোয়ারা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৬৪৫.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের প্রধান কার্যক্রম কোনটি?
  1. দেশীয় শিল্প রক্ষা করা এবং উন্নয়ন
  2. শুল্কহার যৌক্তিকীকরণ এবং নীতি প্রণয়ন
  3. ডাম্পিং পণ্য আমদানি প্রতিরোধ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন: 
- স্বাধীনতার পর পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
- পুনর্গঠন: ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন অনুযায়ী।
- অধিভুক্ত: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
- প্রধান: সচিব পর্যায়ের চেয়ারম্যান।

প্রধান কার্যক্রম:
- দেশীয় শিল্প রক্ষা এবং উন্নয়ন।
- শিল্পসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি।
- ডাম্পিং ও অসাধু আমদানি প্রতিরোধ।
- শুল্কহার যৌক্তিকীকরণ এবং নীতি প্রণয়ন।
- আমদানি নিষেধাজ্ঞা ও সীমাবদ্ধতা মূল্যায়ন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬৪৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশে কয়টি চিনিকল রয়েছে?
  1. ১৪টি
  2. ১৫টি
  3. ১৬টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৬৪৭.
FBCCI কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
FBCCI:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry.
- বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন FBCCI (এফবিসিসিআই)।
- ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং কোম্পানি আইন, ১৯১৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।
- এফবিসিসিআই'র বর্তমান প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান। (নভেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - FBCCI ওয়েবসাইট।
৬৪৮.
ΒΕΡΖΑ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প
  2. বাণিজ্য
  3. অর্থ
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
BEPZA:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority অথবা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ।
- BEPZA হলো ইপিজেডগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ বৃদ্ধিও জন্য সরকার কর্তৃক ঘোষিত প্রতিষ্ঠান। 

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনের উদ্দেশ্যে শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) আইন ১৯৮০ (আইন নং-৩৬) এর মাধ্যমে "বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ" (বেপজা) গঠন করে।
- বেপজা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইপিজেড স্থাপনর্পবুক দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনয়ন, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তি আহরণের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পুরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৮৩ সালে BEPZA (Bangladesh Export processing Zone Authority) কর্তৃক সর্বপ্রথম ইপিজেড (EPZ) প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
৬৪৯.
বাংলাদেশের 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয় কোনটিকে?
  1. চা
  2. চিংড়ি
  3. তামাক
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৬৫০.
বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনায় শীর্ষ প্রতিষ্ঠান-  [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. সিঅ্যান্ডএ
  2. প্রাইমার্ক
  3. ইন্ডিটেক্স
  4. এইচঅ্যান্ডএম
সঠিক উত্তর:
এইচঅ্যান্ডএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইচঅ্যান্ডএম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি তৈরি পোশাক:
- বিদায়ী (২০২৩-২৪) অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩,৬৩৭ কোটি ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি করেছে।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানই নেয় রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের প্রায় ২৯ শতাংশ।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনায় শীর্ষে সুইডেনের বহুজাতিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ ক্রেতার তালিকায় আছে যথাক্রমে স্পেনের ইন্ডিটেক্স ও আয়ারল্যান্ডের প্রাইমার্ক।

বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের শীর্ষ ১০ ক্রেতার তালিকা:
- এইচঅ্যান্ডএম,
- ইন্ডিটেক্স,
- প্রাইমার্ক,
- ডেনমার্কের বেস্টসেলার,
- যুক্তরাজ্যের মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার,
- নেদারল্যান্ডসের সিঅ্যান্ডএ,
- জাপানের ইউনিক্লো,
- পোল্যান্ডের এলপিপি,
- যুক্তরাজ্যের নেক্সট ও
- পোল্যান্ডের পেপকো।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪)।
৬৫১.
আনন্দ শিপইর্য়াড কর্তৃক রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ কোনটি? 
  1. এম ভি প্রিন্স অব ওয়েলস
  2. এম ভি সুন্দরবন
  3. এমভি স্টেলা ম্যারিস
  4. এম ভি মেঘনা
সঠিক উত্তর:
এমভি স্টেলা ম্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমভি স্টেলা ম্যারিস
ব্যাখ্যা

আনন্দ শিপইয়ার্ড:
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম শিপইয়ার্ড।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি ১৯৯৯ সালে এটি বেসরকারি লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০৯ সালে সরকারিভাবে যাত্রা শুরু করে।
- উৎপাদন সুবিধা এবং ক্ষমতা: এর উৎপাদন এলাকা ৮০,০০০ বর্গমিটার। 
- এই শিপইয়ার্ডটি বছরে ৩০,০০০ টন ইস্পাত ব্যবহার করে জাহাজ উৎপাদনের ক্ষমতা রাখে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল।

উৎস: i) আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৬৫২.
বাঙালির সর্বজনীন লোকউৎসব কোনটি?
  1. ঈদ উৎসব
  2. দূর্গাপূজা
  3. বিজয় দিবস
  4. বাংলা নববর্ষ
সঠিক উত্তর:
বাংলা নববর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা নববর্ষ
ব্যাখ্যা
• বাংলা নববর্ষ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন  লোকউৎসব। 
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- নতুন সনটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৫৩.
চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত-
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) হেমায়েতপুর
  3. গ) মিরসরাই
  4. ঘ) হাজারীবাগ
সঠিক উত্তর:
খ) হেমায়েতপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হেমায়েতপুর
ব্যাখ্যা

- সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত।
- পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারি সমূহকে সাভারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে সরকার এই শিল্পনগরী প্রকল্পের অনুমোদন দেয় যা ২০০৫ সালে সমাপ্ত হওয়ার কথা।
- তবে এর মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।
- মোট ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫ টি প্লট রয়েছে।

উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৬৫৪.
বাংলাদেশ প্রথম এলডিসি তালিকায় যুক্ত হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

Least Developed Countries (LDC):
- Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ বলতে সেসব দেশ বুঝায় যেগুলোর অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং মানবিক উন্নয়ন অপর্যাপ্ত।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।
- সর্বশেষ সাও টোমে ও প্রিন্সিপ ২০২৪ সালে LDC থেকে উর্ত্তীণ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এ পর্যন্ত মোট ৮টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুন্ন থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
- ২০২৬ সালে LDC-ভুক্ত দেশের তালিকা থেকে উর্ত্তীণ হবে বাংলাদেশ, নেপাল, লাওস।

উৎস: UNCTAD ওয়েবসাইট। 

৬৫৫.
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল কয়টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল

⇒ 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত। এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৬৫৬.
On which date the Ministry of Railways was established in Bangladesh?
  1. December 4, 2011
  2. January 31, 2011
  3. January 14, 2012
  4. Februry 01, 2012
  5. Februry 14, 2012
সঠিক উত্তর:
December 4, 2011
উত্তর
সঠিক উত্তর:
December 4, 2011
ব্যাখ্যা
রেলপথ মন্ত্রণালয়:
- দেশের গণপরিবহন মাধ্যমসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের রেলওয়ে সরকারের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রীয় পরিবহন খাত।
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে তৎকালীন রেলওয়ে পরিচালিত হতো।
- ১৯৭৩ সালে বোর্ডের কার্যক্রম বিলুপ্ত করে একে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়।
- রেলপথ বিভাগের সচিব ডিজি কাম সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

⇒ ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে অথরিটি (বিআরএ)গঠন করা হয়।
- ১৯৯৬-২০০৩ সময়কালে এডিবি এর অর্থায়নে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়।
- এরপর যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও রেলপথ বিভাগ হতে বাংলাদেশ রেলওয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হতো।
- গণমানুষের চাহিদা ও সময়ের দাবিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২৮-০৪-২০১১ তারিখের ০৪.৪২৩.০২২.০২.০১.০০৩.২০১১.৪০ নং প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকার যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতায় রেলপথ বিভাগ নামে নতুন বিভাগ সৃষ্টি করে।
- পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০৪-১২-২০১১ তারিখের এস আরও নং ৩৬১ আইন/২০১১ অনুযায়ী রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।

উৎস: রেলপথ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬৫৭.
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায় নির্মিত হয়?
  1. বরগুনা, বরগুনা জেলা
  2. রামপাল, বাগেরহাট
  3. বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
  4. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র,
- এটি ২০০৬ সালে স্থাপিত হয়।
- কেন্দ্রটি কয়লা ভিত্তিক এবং বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে সংগৃহীত কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

উল্লেখ্য, 
- এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। 
- কেন্দ্রটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB)।

সূত্র: বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬৫৮.
ভারতের কোন বাণিজ্যিক ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে?
  1. ক) সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  2. খ) রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  3. গ) স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  4. ঘ) ন্যাশনাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো:
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- সিটি ব্যাংক এনএ
- উরি ব্যাংক
- হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড এবং
- ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।
এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৬৫৯.
বাংলাদেশ থেকে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী প্রেরণ করা হয়?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ থেকে ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৭,৪৭০ জন)।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৬৬০.
পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্পনগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

• চামড়া শিল্পনগরী:
- পরিবেশবান্ধব পরিকল্পিত চামড়া শিল্পনগরী সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত।
- ঢাকার চামড়া শিল্পনগরীকে পরিবেশবান্ধব করার উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হলেও, বাস্তবে এটি এখনও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।
- সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) সম্পূর্ণ কার্যকর না হওয়ায়, বর্জ্য পরিশোধন না করে সরাসরি ধলেশ্বরী নদীতে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশ দূষণের একটি বড় কারণ।

উল্লেখ্য,
- উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে বিসিকের গড়িমসি ও অদক্ষতার অভিযোগ করে আসছেন। 
- এসব কারণে সরকার শিল্পনগরীটি বিসিকের কাছ থেকে নিয়ে বেপজার হাতে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা করেছে—যাতে সমন্বয়হীনতা কমে, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা উন্নত হয় এবং রপ্তানিযোগ্য প্রতিযোগিতা বাড়ে।

উৎস: প্রথম আলো।

৬৬১.
বর্তমানে বাংলাদেশে কোন খাতে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি নিয়োজিত আছে? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. সেবা 
  2. কৃষি
  3. শিল্প
  4. পরিবহন 
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা

খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
• বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%। (সেপ্টেম্বর-২০২৫)

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

• কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৬৬২.
বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ নিচের কোনটি ?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন  
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
খ) চীন  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন  
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে— চীনের।
বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ— চীন।
♦ বাংলাদেশের জন্য সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক দাতা দেশ— জাপান।
♦ বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ঋণ প্রদানকারী সংস্থা— আইডিএ (IDA)।
♦ বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ— চীন।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৬৬৩.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার- 
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

♦ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%

♦ রপ্তানি আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৩.৮১% বা ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.৬৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.৫৮%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

♦ উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৭৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৯২%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.৩১%)।

● এশিয়া:
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৬৬৪.
দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান পাওয়া যায় কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৬৫.
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. জুয়েল গার্মেন্টস
  2. ইয়াংওয়ান গার্মেন্টস
  3. স্টাইলক্রাফট লিমিটেড
  4. রিয়াজ গার্মেন্টস
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান 'রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড'।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৬৬৬.
টিসিবি কোন মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত হয়?
  1. খাদ্য মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. কৃষি মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) 'বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের' অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

⇒  ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

তথ্যসূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।

৬৬৭.
সার্বিকভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় -
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন ময়মনসিংহ জেলা (১৭,৭৬,৪০৬ মে.টন)।
• দ্বিতীয় – দিনাজপুর জেলা (১৪,৩২,৪২৬ মে.টন)।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
৬৬৮.
বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়টি সংস্থা/কর্পোরেশন রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৬৬৯.
জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. সীতাকুণ্ড
  2. মীরসরাই
  3. আনােয়ারা
  4. আড়াইহাজার
সঠিক উত্তর:
আড়াইহাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়াইহাজার
ব্যাখ্যা
SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, যা জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ১,০০০ একর জমিতে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: i) BSEZ ওয়েবসাইট।
ii) The Business Standard.
৬৭০.
কোনটিকে সোনালি আঁশ বলা হয়?
  1. ক) রেশম
  2. খ) পাট
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ইলিশ
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
ব্যাখ্যা
পাট কে সোনালি আঁশ বলা হয়। এটি দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এক সময় দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী পণ্য ছিলো। এজন্যে পাট কে সোনালি আঁশ নামে ডাকা হয়। পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম এবং উৎপাদনে দ্বিতীয়।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৬৭১.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৬ (ছয়) টি
  2. খ) ৭ (সাত) টি
  3. গ) ৮ (আট) টি
  4. ঘ) ৯ (নয়) টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ (আট) টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ (আট) টি
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
-  পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৬৭২.
বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. রূপগঞ্জ
  2. হরিপুর
  3. মাধবগঞ্জ
  4. বিজয়পুর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা

হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৭৩.
গত অর্থবছরে দেশে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির শতকরা কত ভাগ?
  1. ক) ৩৫.৬০ ভাগ
  2. খ) ৩১.৭৫ ভাগ
  3. গ) ২৫.১১ ভাগ
  4. ঘ) ১৯.২০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১.৭৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১.৭৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির ৩১.৭৫ ভাগ। এর মধ্যে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৩.৬৩ ভাগ এবং সরকারি বিনিয়োগ ৮.১২ ভাগ।
একই সময়ে মোট দেশজ সঞ্চয় ছিলো জিডিপির ২৫.৩১ ভাগ এবং জাতীয় সঞ্চয় ছিলো জিডিপির ৩০.১১ ভাগ।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
৬৭৪.
জিএসপি GSP কী?
  1. Generalized System of Preference
  2. Generalized System of Preferences
  3. Generalized System of Progress-in-Garments
  4. Generalized System of Preference-in-Garments
সঠিক উত্তর:
Generalized System of Preferences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Generalized System of Preferences
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) এর উদ্যোগে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে বিশ্ব অর্থনীতিতে একীভূত করার প্রস্তাবের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন GSP সুবিধা প্রদান করে আসছে। 

Generalized System of Preferences (GSP) হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)।
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।

অপরদিকে,
Generalised Scheme of Preferences হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রদত্ত GSP সুবিধা মূলত নিম্নোক্ত তিনটির সমন্বয়ে গঠিত। যথা:
• Standard GSP
• GSP 
• EBA
- বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে ২০২৬ সালে।
- উন্নয়নশীল দেশ হিসেব উন্নীত হলে, বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
- বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
- ২০২৯ সালের পর নতুন করে জিএসপি সুবিধা বাড়ানোর চিন্তা করছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৭৫.
‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট- ২০২৫’ এর আয়োজক কোন প্রতিষ্ঠান? 
  1. বেজা 
  2. বেপজা
  3. বিইইডা
  4. বিডা
সঠিক উত্তর:
বিডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিডা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা।
- বিইডা নামে কোন প্রতিষ্ঠান নেই। সুতরাং সঠিক উত্তর কোনটিই নয়।

• ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট–২০২৫’:
- আয়োজক- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)
- অনুষ্ঠানের তারিখ: ৭ থেকে ১০ এপ্রিল ২০২৫।
- উদ্বোধন করেন- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- অংশগ্রহণকারী দেশ-৫০টি
- অংশগ্রহণকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান-২০০০+
- সম্মেলনে পুরস্কার পাওয়া ৪টি প্রতিষ্ঠান- বিকাশ, ফেব্রিক লাগবে, ওয়ালটন ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- সম্মেলনে 'সম্মানসূচক নাগরিকত্ব' প্রদান করা হয়- কিহাক সাং-কে। 
- কিহাক সাং চেয়ারম্যান- কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান কর্পোরেশন। 

উল্লেখ্য, 
- স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেট পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু- ৯ এপ্রিল ২০২৫। 
- এ সম্মেলনে প্রথম ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে- স্টারলিঙ্ক।
- স্টারলিঙ্ককে বাংলাদেশে অনুমোদন দেয়া হয়- ২৯ মার্চ ২০২৫
- বিনিয়োগ সম্মেলনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ চুক্তি করে-হানডা কোম্পানি, চীন (১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

৬৭৬.
কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) ঢাকা বিভাগ
  2. খ) সিলেট বিভাগ
  3. গ) ময়মনসিংহ বিভাগ
  4. ঘ) রংপুর বিভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট বিভাগ
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬ অনুসারে দেশের মধ্যে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে (১৬.২ শতাংশ)। দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে (৪৭.৩ শতাংশ)। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য হার কুড়িগ্রাম জেলায় (৭০.৮ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম নারায়ণগঞ্জ জেলায় (২.৬ শতাংশ)।(সূত্রঃ বিবিএস খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬)
৬৭৭.
বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট রুটের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২৫০০.৬৭ কিমি
  2. ৩৫০০.৮১ কিমি
  3. ২০০৫.৪৪ কিমি
  4. ২৯৫৫.৫৩ কিমি
সঠিক উত্তর:
২৯৫৫.৫৩ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯৫৫.৫৩ কিমি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের একটি প্রধান রাষ্ট্রীয় পরিবহন খাত।
- এটি ১৮৬২ সালে দর্শনা-জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে শুরু হয়।
- এটি ব্রডগেজ ও মিটারগেজ ট্র্যাক পরিচালনার মধ্য দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সংযোগ স্থাপন করেছে।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি মালিকানায় পরিচালিত হয়। 
- বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট রুটের দৈর্ঘ্য ২৯৫৫.৫৩ কিমি।
- ১৯৮২ সালে রেলওয়ে বোর্ড বিলুপ্ত হয়ে প্রশাসনিক দায়িত্ব রেলওয়ে ডিভিশনের অধীনে ন্যস্ত হয়।
- দেশের কিছু জেলায় এখনও রেলপথ নেই, যেমন কক্সবাজার, বরিশাল, সাতক্ষীরা, বান্দরবান ইত্যাদি।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে তাদের অবকাঠামো উন্নয়ন, যেমন পদ্মা রেল সেতু নির্মাণ এবং ডাবল লাইন তৈরি করার মাধ্যমে রেলযাত্রাকে দ্রুত ও বেশি সক্ষম করে তুলেছে।
- এছাড়াও, রেলসেবা অ্যাপের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যাত্রীদের জন্য টিকেট ক্রয় এবং অন্যান্য পরিষেবা আরও সহজ ও সুবিধাজনক করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন [ লিঙ্ক]। 

৬৭৮.
বাংলদেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এর নির্ধারিত হার কত?
  1. ক) ১০ শতাংশ
  2. খ) ১২ শতাংশ
  3. গ) ১৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।
• মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর।
• সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়। 
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
৬৭৯.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে।
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে।
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানি শুরু করে।
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৬৮০.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর
  2. মোংলা সমুদ্রবন্দর
  3. পায়রা সমুদ্রবন্দর
  4. মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর
সঠিক উত্তর:
পায়রা সমুদ্রবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা সমুদ্রবন্দর
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বর্তমানে বাংলাদেশের চালু সমুদ্র বন্দর ৩টি।
- এগুলো হলোঃ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর, পায়রা সমুদ্রবন্দর।
- অপরদিকে মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দর নির্মানাধীন রয়েছে।

- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
৬৮১.
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজারস অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড কোন সংস্থার অধীনে পরিচালিত হয়? 
  1. Bangladesh Power Development Board 
  2. Bangladesh Textile Mills Corporation
  3. Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation 
  4. Bangladesh Chemical Industries Corporation
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Chemical Industries Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Chemical Industries Corporation
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Fertilizers & Agro Chemicals Ltd.:
- বাংলাদেশ ফার্টিলাইজারস অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড হলো বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড (BFACL) প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জুলাই ১৯৭৬ সালে।
- এটি গঠিত হয় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC) তৈরির সময়, যখন দেশের বিভিন্ন সার কারখানাকে একত্র করা হয়।

- এর প্রধান কাজ হলো:
• ইউরিয়া সারসহ বিভিন্ন রাসায়নিক সার ও কৃষি-রাসায়নিক পণ্য উৎপাদন ও বিতরণ করা;
• যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এটি বিসিআইসির অধীনে একাধিক কারখানার দায়িত্ব পালন করে, যেমন :
• ঘোড়াশাল ও পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
• চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৬৮২.
দেশের গার্মেন্টস মালিক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন কোনটি?
  1. এফবিসিসিআই
  2. জাইকা
  3. বিজিএমইএ
  4. বিএমইএজি
সঠিক উত্তর:
বিজিএমইএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজিএমইএ
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ:

- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৮৩.
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. ক) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. খ) জনপ্রশাসন
  3. গ) পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. ঘ) সুদ পরিশোধ
সঠিক উত্তর:
ক) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত হলো জনপ্রশাসন খাত।
শীর্ষ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত সমূহ:
- প্রথম : জনপ্রশাসন (১৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : শিক্ষা ও প্রযুক্তি (১৫.৭ শতাংশ)
- তৃতীয় : যোগাযোগ ও পরিবহন (১১.৯ শতাংশ)
- চতুর্থ : সুদ (১১.৪ শতাংশ)
- পঞ্চম : স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন (৭ শতাংশ)
- ষষ্ঠ : প্রতিরক্ষা (৬.২ শতাংশ)
- সপ্তম : সামাজিক নিরাপত্তা (৫.৭ শতাংশ)
- অষ্টম : স্বাস্থ্য (৫.৪ শতাংশ)
- নবম : কৃষি (৫.৩ শতাংশ)
- দশম : জননিরাপত্তা (৪.৮ শতাংশ)
- একাদশ : জ্বালানি ও শক্তি (৪.৫ শতাংশ)
- দ্বাদশ : গৃহায়ণ (১.১ শতাংশ)
- ত্রয়োদশ : বিনোদন ও সংস্কৃতি (০.৮ শতাংশ)
- চতুর্দশ : অন্যান্য (০.৮ শতাংশ)
- পঞ্চদশ : শিল্প ও আর্থিক সেবা (০.৭ শতাংশ)।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৬৮৪.
বর্তমানে দেশে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে কয়টি? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

৬৮৫.
প্রথমবারের মতো জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল -
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঔষধনীতি:
- ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- এরপর ২০০৫ সালে এই নীতি নবায়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে আবার এই জাতীয় ঔষধ নীতি নবায়ন করা হয়েছে।
প্রথম ঔষধ নীতি অনুসারে ,
[ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো- অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা] উত্তর গ্রহণ করা হয়েছে।

• "জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬”:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

জাতীয় ঔষধনীতির লক্ষ্যসমূহ:
১। জনগণ যাতে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন ঔষধ সহজে ক্রয়সাধ্য মূল্যে পেতে পারে তা নিশ্চিত করা।
২। ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার এবং সুষ্ঠু পরিবেশন ব্যবস্থা (Dispensing) নিশ্চিত করা।
৩। স্থানীয় সকল পদ্ধতির ঔষধ প্রস্তুতকারী শিল্পসমূহকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সেবা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা, যাতে মানসম্পন্ন ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়।
৪। দেশের উৎপাদিত ঔষধের রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
৫। ঔষধের কার্যকর নজরদারী (Surveillance) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: dgda.gov.bd, জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।
৬৮৬.
বাংলাদশের পণ্য মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
  1. TCB
  2. TIB
  3. BSTI
  4. BCIC
সঠিক উত্তর:
BSTI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSTI
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা হলো BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution)।
এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

[উৎস: BSTI ওয়েবসাইট]
৬৮৭.
Begumganj gas field is located in which district?
  1. Noakhali
  2. Brahmanbaria
  3. Sylhet
  4. Moulvibazar
  5. Chattogram
সঠিক উত্তর:
Noakhali
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noakhali
ব্যাখ্যা
• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৮৮.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় কোন সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়া সালফেট 
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৬৮৯.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. জনপ্রশাসন
  2. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  3. পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. চিকিৎসা
সঠিক উত্তর:
জনপ্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনপ্রশাসন
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২২.০%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৩.৭%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ১১.৫%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত পরিবহন ও যোগাযোগ ২৭.৩%।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত ভর্তুকি ও প্রণোদনা ২০.৫%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অর্থবছর।
৬৯০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. খুলনা
  2. সিলেট
  3. রাঙ্গামাটি
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮%।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০.৭৪%।
- বাংলাদেশে মোট ৩৫টি জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমি রয়েছে।
- এর মধ্যে রাঙ্গামাটিতে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে। 
- আর লালমনিরহাটে সবচেয়ে কম।
- অন্য জেলায় বনভূমির পরিমাণ মধ্যম বা তুলনামূলকভাবে কম বেশি।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- এসব গাছের পাতা একসঙ্গে  ঝরে যায়না।
- ফলে বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল সমৃদ্ধ।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি;
৩. জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬৯১.
বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার কোনটি?
  1. পদ্মা রিফাইনারী লিমিটেড
  2. ইস্টার্ন রিফাইনারী লিমিটেড
  3. যমুনা রিফাইনারী লিমিটেড
  4. বাংলাদেশ রিফাইনারী লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন রিফাইনারী লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন রিফাইনারী লিমিটেড
ব্যাখ্যা

জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার:
- বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারী লিমিটেড (ইআরএল)।
-  চট্টগ্রাম শহরের প্রান্তে  কর্ণফুলি নদীর তীরে অবস্থিত ইস্টার্ন রিফাইনারী ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই পরিশোধনাগারে জ্বালানি তেল শোধনের সক্ষমতা বছরে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টন।
- তবে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সক্ষমতার চেয়ে ৩৫ হাজার টন বেশি তেল শোধন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
- সম্প্রতি, ইআরএলের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ নামে একটি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া, পত্রিকা প্রতিবেদন।

৬৯২.
জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুসারে দেশে শিল্পোন্নত জেলা-
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১৪টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ২২টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪টি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুসারে বাংলাদেশে শিল্পোন্নত জেলা ১৪টি।
• এগুলো হলোঃ
- ঢাকা,
- গাজীপুর,
- নারায়ণগঞ্জ,
- নরসিংদী,
- টাঙ্গাইল,
- বগুড়া,
- চট্টগ্রাম,
- কক্সবাজার,
- নোয়াখালী,
- চাঁদপুর,
- কুমিল্লা,
- ফেনী,
- লক্ষীপুর ও
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
উৎসঃ জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬।

৬৯৩.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে -
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে এবং আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর ইনডেক্স:
i) DSE Broad Index,
ii) DSEX Shariah Index,
iii) DS30 Index,
iv) DSE CDSET Index.

উৎস: DSE ওয়েবসাইট।
৬৯৪.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল প্রধানত বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে। পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়। তবে পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম। বাংলাদেশের অন্যান্য অর্থকরী ফসলের মধ্যে রয়েছে চা, আখ, তামাক, তুলা, রাবার ইত্যাদি৷
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, গ্লোবাল ট্রেড ও বাংলাদেশ পাট গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট]
৬৯৫.
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. ক) অনুকূল বাণিজ্য শর্ত
  2. খ) আমদানি ব্যয় কম
  3. গ) শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি
  4. ঘ) জনশক্তি রপ্তানি
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য হলো শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি। 
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মোট রপ্তানি দ্রব্যের শতকরা ৮০ ভাগই ছিল কাঁচামাল ও কৃষিজাত দ্রব্য। 
- বর্তমানে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ শিল্পজাত দ্রব্য থেকে অর্জিত হয়।
 
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্বল্প মূল্যের কৃষিজাত পণ্যদ্রব্য রপ্তানি করে কিন্তু উচ্চ মূল্যের মূলধনজাত দ্রব্যসামগ্রী আমদানি করে। এজন্য বাণিজ্য শর্ত সবসময়ই বাংলাদেশের প্রতিকূলে থাকে।
 
 
বাংলাদেশের অর্থনীতি অতিমাত্রায় আমদানিনির্ভর। জনসাধারণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ভোগ্যপণ্য এবং দ্রুত শিল্পোন্নয়নের লক্ষ্যে শিল্পজাত পণ্য ও মূলধনী যন্ত্রপাতি বাবদ আমদানি ব্যয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, চা, চামড়া, হিমায়িত খাদ্য প্রভৃতি রপ্তানি করে দ্রুত আয় বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে এসব অধিকাংশ পণ্য-দ্রব্যের চাহিদা স্থিতিস্থাপক কিন্তু যোগানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিযোগী অনেক শক্তিশালী দেশ রয়েছে। যেমন— ভারত, চীন, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিযোগী।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি ২য় পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৬.
BGMEA কী?
  1. বাংলাদেশ আমদানি ও রপ্তানি অধিদপ্তর
  2. বাংলাদেশ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
  3. বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি
  4. বাংলাদেশ পেশাজীবী হিসাববিজ্ঞানীদের জাতীয় সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- এর বর্তমান সভাপতি: রফিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
৬৯৭.
অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে বাংলাদেশ কত তারিখে নতুন মুদ্রানীতি চালু করে?
  1. ২০ জুন, ২০২৩
  2. ১৯ জুন, ২০২৩
  3. ১৮ জুন, ২০২৩
  4. ১৭ জুন, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১৮ জুন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
নতুন মুদ্রানীতি:
- বাংলাদেশের মুদ্রানীতিতে বড় পরিবর্তন এনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের জন্য সংকোচনমূলক নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ১৮ জুন, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগামী ছয় মাসের জন্য এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর 'আব্দুর রউফ তালুকদার'।
- আব্দুর রউফ তালুকদার মুদ্রানীতিতে চারটা বিষয়ে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে।
- মে মাসে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৯৪%।
- এতদিন ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত ৯ অথবা ১০ শতাংশের বেশি ব্যাংকগুলো সুদ নিতে পারতো না।
- এর সাথে মিল রেখে তাদের আমানত সংগ্রহ করতে হতো।
- কিন্তু এখন থেকে ঋণে সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা আর থাকছে না।
- এখন থেকে ঋণের সুদের হার হবে বাজার ভিত্তিক।
- তবে এজন্য একটি রেফারেন্স রেট থাকবে।
- বর্তমানে ট্রেজারি বিলের ছয় মাসের গড় সাত দশমিক ১০ শতাংশ।

উৎস: বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৯৮.
বর্তমানে দেশের কোন রপ্তানি পণ্যের উপর সর্বোচ্চ মার্কিন শুল্ক দিতে হয়? [আগস্ট,২০২৫]
  1. তামাকজাত  পণ্য
  2. চামড়াবিহীন বিশেষ জুতা
  3. রাবারের জুতা
  4. শিশুদের কৃত্রিম তন্তুর সোয়েটার
  5. পাটজাত পণ্য 
সঠিক উত্তর:
তামাকজাত  পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাকজাত  পণ্য
ব্যাখ্যা
মার্কিন বাণিজ্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী,
- বর্তমানে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে সবচেয়ে বেশি শুল্ক দিতে হয় প্রক্রিয়াজাত তামাক পণ্যে।
- যুক্তরাষ্ট্র এই পণ্য থেকে ৩৫০ শতাংশ শুল্ক আদায় করে।
- এখন নতুন করে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক যুক্ত হলে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৩৭০ শতাংশে;
- অর্থাৎ প্রতি ১০০ মার্কিন ডলার মূল্যের তামাক পণ্যে শুল্ক দিতে হবে ৩৭০ ডলার।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৭৪ হাজার ডলারের তামাকজাত পণ্য রপ্তানি করেছে।

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৬৯৯.
BEZA কী?
  1. ক) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ
  2. খ) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  3. গ) বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা ।
• Bangladesh Economic Zones Authority) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত ও পরিচালিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
• বেজা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন একটি প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, লাইসেন্স প্রদান, পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা এবং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
• বেজা তিন পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা কাঠামো দ্বারা পরিচালিত:
- গভর্নিং বোর্ড,
- নির্বাহী বোর্ড,
- বেজা দপ্তর/সচিবালয়

• সার্বিক নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলো গভর্নিং বোর্ড।
•  গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
• শিল্প, বাণিজ্য, অর্থ, পরিকল্পনা, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ, যোগাযোগ, শ্রম ও কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও বন, কৃষি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়/ বিভাগের শীর্ষ স্থানীয়  প্রতিনিধিবৃন্দ এই বোর্ডের সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ দেশের শীর্ষ স্থানীয় চেম্বার নেতৃবৃন্দ ও বেসরকারী খাতের প্রতিনিধিবৃন্দ এই বোর্ডের সদস্য।


সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা ওয়েবসাইট।
৭০০.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কোন জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- পূর্ণরূপ Export Processing Zone. 
- EPZ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- দেশের প্রথম ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে দেশে মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি, যার মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড সাভারে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- উত্তরা ইপিজেড বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড, যা নীলফামারীতে অবস্থিত। 

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।