বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা / ১৮ · ২০১৩০০ / ১,৭৮৪

২০১.
বাংলাদেশে ব্যাংক রেট নির্ধারণ করে কে?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. বাংলাদেশ সংসদ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার/রেট নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে এই হার ব্যাংক হার নামেই পরিচিত।
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০১৯ সালে ব্যাংক রেট ৫% ছিল।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২০২.
উন্নত মানের 'বিটুমিনাস কয়লা' কোথায় থেকে উত্তোলন করা হয়?
  1. মৌলভীবাজার
  2. সিলেট
  3. জামালপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর বাজারের দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি।
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই খনি থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়ে থাকে। 
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয় ।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে ।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। (Link)

২০৩.
নিচের কোন স্থলবন্দর কুড়িগ্রামে অবস্থিত?
  1. বেনাপোল স্থলবন্দর
  2. নাকুগাঁও স্থলবন্দর
  3. সোনাহাট স্থলবন্দর
  4. তামাবিল স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
সোনাহাট স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনাহাট স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম। 

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:

- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।

সূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
২০৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. তুলা
  3. সার
  4. সুতা
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

-বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী      
• বাংলাদেশের আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য:

ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য:

১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

২০৫.
বাংলাদেশের ৪র্থ বৃহত্তম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  2. ঢাকা ইপিজেড
  3. উত্তরা ইপিজেড
  4. কুমিল্লা ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ইপিজেড
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম।

সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩,
• ঢাকা ইপিজেড: ১৯৯৩,
• মংলা, খুলনা ইপিজেড: ১৯৯৮,
• কুমিল্লা ইপিজেড: ২০০০,
• উত্তরা, নীলফামারী ইপিজেড: ২০০১,
• ঈশ্বরদী, পাবনা ইপিজেড: ২০০১,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ ইপিজেড: ২০০৬, 
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম ইপিজেড: ২০০৬।
- এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল। 

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
২০৬.
"বাংলাদেশ চা বোর্ড" কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. গ) কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
২০৭.
পায়রা সমুদ্র বন্দর দেশের কততম সমুদ্র বন্দর?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. চতুর্থ
  4. তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
• পায়রা বন্দর: 
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রা।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে সীমিত পরিসরে পায়রা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে নিয়মিতভাবে কয়লা ও অন্যান্য পণ্যবাহী জাহাজ এই বন্দরে আগমন করছে।
- নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েল হাসকনিংডিএইচভি এর মাধ্যমে বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুত হয়েছে।
- রাবনাবাদ চ্যানেলে মূল খনন (ক্যাপিটাল ড্রেজিং) চলছে।

উল্লেখ্য, 
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন।
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়।
- ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন মোংলা বন্দর নামকরন করা হয়।
- ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২০৮.
টার্ণওভার করে মোট টার্ণওভারের উপর কত শতাংশ হারে কর প্রদান করতে হয়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার
ব্যাখ্যা

টার্নওভার কর আরোপ ও আদায়:
- কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ে করযোগ্য পণ্য বা সেবা সরবরাহ থেকে যে পরিমাণ অর্থ প্রাপ্ত হন সে পরিমাণ অর্থ ঐ সময়ের জন্য তার টার্ণওভার। 
- করযোগ্য কোনো পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহকারী বা সেবা প্রদানকারীর (বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের আওতাভুক্ত পণ্য/সেবা ব্যতীত) বার্ষিক টার্ণওভার ষাট লক্ষ টাকার নিম্নে হলে তাকে টার্ণওভার কর তালিকাভুক্ত হয়ে মোট টার্ণওভারের উপর চার শতাংশ হারে কর প্রদান করতে হয়। এই করকেই টার্ণওভার কর বলা হয়।

• মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর অনুসারে, টার্নওভার কর আরোপ ও আদায় সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ- 
৬৩। (১) তালিকাভুক্ত বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তি তাহার অর্থনৈতিক কার্যক্রমের টার্নওভারের উপর 1[৪ (চার)] শতাংশ হারে টার্নওভার কর প্রদান করিবেন: 
2[***] 
(২) কোন তালিকাভুক্ত ব্যক্তির কোন কর মেয়াদে প্রদেয় টার্নওভার কর, উক্ত কর মেয়াদের দাখিলপত্র পেশ করিবার পূর্বে পরিশোধ করিতে হইবে।
(৩) প্রদেয় টার্নওভার কর নিরূপণ ও আদায় পদ্ধতি, হিসাবরক্ষণ, টার্নওভার কর প্রত্যর্পণ, ন্যায়-নির্ণয়ন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয় বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

3[(৪) তালিকাভুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক ক্রয়কৃত উপকরণের উপর পরিশোধিত মূল্য সংযোজন কর বা টার্নওভার কর রেয়াত গ্রহণ কিংবা হ্রাসকারী সমন্বয় করা যাইবে না।]

উৎস: NBR ওয়েবসাইট ও আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।

২০৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ: 

- বাংলাদেশ চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (২০২৪-২৫ অর্থবছর) ৮৪৬.১২ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক সহায়তা পেয়েছে।
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গত অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে প্রাপ্ত ১.২৮ বিলিয়ন ডলার।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে নেট বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে ১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সর্বাধিক ৪৩৬ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে টেক্সটাইল ও পোশাক খাতে।
- তারপর, ব্যাংকিং খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে।
- অন্যান্য খাতের মধ্যে ওষুধ ও রাসায়নিক, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ দেখা গেছে।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ ৫ দেশ:
১। যুক্তরাজ্য,
২। নেদারল্যান্ডস,
৩। যুক্তরাষ্ট্র,
৪। চীন,
৫। দক্ষিণ কোরিয়া।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) The Business Standard. [link]

২১০.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কুটির শিল্পে সর্বোচ্চ জনবল কত হতে পারে?
  1. ১০ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৫ জন
  4. ২০ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

অন্যদিকে, 
⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries): উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries): ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries): ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

২১১.
গত অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে মোট চিংড়ি রপ্তানি হয়-
  1. ক) ৪০৩.৩৬ মিলিয়ন ডলার
  2. খ) ৩৩২.৬৫ মিলিয়ন ডলার
  3. গ) ৩৭২.৪৮ মিলিয়ন ডলার
  4. ঘ) ২৯৫.৭৫ মিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৩২.৬৫ মিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৩২.৬৫ মিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট চিংড়ি রপ্তানির পরিমাণ ৩৩২.৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগের ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৩৬১.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গত অর্থবছরে চিংড়িসহ হিমায়িত মাছ রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৪৫৬.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
২১২.
শেওলা স্থলবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. বিরল, দিনাজপুর
  2. শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  4. বিয়ানীবাজার, সিলেট
সঠিক উত্তর:
বিয়ানীবাজার, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিয়ানীবাজার, সিলেট
ব্যাখ্যা
• শেওলা স্থলবন্দর: 
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- শেওলা স্থলবন্দর সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের কোনাগ্রাম সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার সুতারকান্দি আইসিপি।
- ৩০ জুন ২০১৫ তারিখ শেওলা শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৭ জুন ২০২৩ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী ঢাকা হতে শেওলা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৯০ কি.মি.।

→ কয়েকটি বিখ্যাত স্থলবন্দর:
- বেনাপোল: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- টেকনাফ: টেকনাফ, কক্সবাজার;
- বুড়িমারী: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট;
- আখাউড়া: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া;
- ভোমরা: ভোমরা, সাতক্ষীরা;
- দর্শনা: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা;
- বাংলাবান্ধা: তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়;
- সোনামসজিদ: শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ;
- হিলি: হাকিমপুর, দিনাজপুর;
- বিরল: বিরল, দিনাজপুর;
- তামাবিল: গোয়াইনঘাট, সিলেট:
- বিলোনিয়া: বিলোনিয়া, ফেনী;
- নাকুগাঁও: নালিতাবাড়ী, শেরপুর;
- শেওলা: বিয়ানীবাজার, সিলেট।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
২১৩.
২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে এসএমই খাতের অবদান কত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ২৯%
  3. গ) ৩২%
  4. ঘ) ২৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২%
ব্যাখ্যা
- ২০১৯ সালে "এসএমই নীতিমালা ২০১৯" প্রণীত হয়। 
- দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ এ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- দেশের ও বৈশ্বিক বিভিন্ন নীতি ও পরিকল্পনা দলিল যেমনঃ জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, রূপকল্প ২০২১, ২০২৪ সাল নাগাদ সফলভাবে এলডিসি উত্তরণ, এসডিজি ২০৩০ এবং রূপকল্প ২০৪১-এ প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জনে এসএমই খাতের উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
 
এসএমই নীতিমালা ২০১৯ 
রূপকল্প (ভিশন)
এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

অভিলক্ষ্য (মিশন)
দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন, সুলভ অর্থায়ন, বাজার সুবিধা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনগত সামর্থ্য বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

লক্ষ্য
সরকারের উন্নয়ন রূপকল্পসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৪ এর মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশে উন্নীতকরণ।
 
উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর ওয়েবসাইট
 
 
২১৪.
When the stock prices are persistently on the rise, it is known as _________ market.
  1. ক) lucrative
  2. খ) prospective
  3. গ) bullish
  4. ঘ) bearish
সঠিক উত্তর:
গ) bullish
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) bullish
ব্যাখ্যা
- যখন শেয়ারের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে, তখন এটিকে তেজি বা bullish বাজার বলা হয়।

- শেয়ার বাজার বলতে কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানির মালিকানার নির্দিষ্ট অংশ ক্রয়-বিক্রয়কে বোঝায়।
যেকোনো প্রতিষ্ঠান শেয়ার বাজারে প্রবেশ করে তাদের মালিকানার কিছু অংশ বিক্রি করে আর এই শেয়ার কিনে নেয় কোনো ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: Progress Bangladesh
২১৫.
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. সার
  2. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  3. মূলধন যন্ত্রসামগ্রী
  4. সূতা
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, 

→ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী এবং
→ তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 

→ শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
২১৬.
পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু করা হয় কবে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি।
- এগুলো হলো:
১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।
- ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে সমুদ্র বন্দরটি চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২১৭.
বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার কোনটি? 
  1. চীন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানী:
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের 10.96% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

২১৮.
বর্তমানে দেশে নদী বন্দর কতটি?
  1. ক) ৩৪টি
  2. খ) ৩৩টি
  3. গ) ৩২টি
  4. ঘ) ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট নদী বন্দর ৩৫টি। সর্বশেষ নদীবন্দর- বালাগঞ্জ, সিলেট।
৩৪তম নদী বন্দর-মীরসরাই-রাসমনি নদী বন্দর, চট্টগ্রাম।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
২১৯.
বাংলাদেশের সর্বাধিক শিল্পজাত আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. তুলা
  3. সার
  4. সুতা
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২২০.
চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য কোন দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. তুরস্ক
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি:
- পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ডেনমার্কের মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সই হয়।
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এ টার্মিনাল নির্মাণের জন্য কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের পরপরই ২৫০ কোটি টাকা ‘সাইনিং মানি’ হিসেবে পেয়েছে বাংলাদেশ।


তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

২২১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়?
  1. সুতা
  2. ভোজ্যতৈল
  3. তৈলবীজ
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে: 
- একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তুলা।

• শিল্পজাত পণ্য হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী (৩২৭১মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সার (২০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- তৃতীয় সর্বোচ্চ সুতা (২০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

• প্রাথমিক পণ্য হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তুলা  (২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গম (১১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- তৃতীয় সর্বোচ্চ তৈলবীজ (৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),

• সর্বমোট আমদানি করা হয় - ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২২২.
বিবিএস-এর শ্রমশক্তি জরিপ-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ নারী?
  1. ৩৩.৪ শতাংশ
  2. ৪৪.২ শতাংশ
  3. ৪৮.৪ শতাংশ
  4. ৫৫.৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪৪.২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

নারী শ্রমশক্তি:
- ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- বিবিএস-এর শ্রমশক্তি জরিপ-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৪.২ শতাংশ নারী।
- তবে এই ৪৪ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত (বিশ্বব্যাংক, ২০২৪)। অর্থাৎ তাঁরা কৃষি, গৃহকর্ম, চা-বাগান, গৃহকেন্দ্রিক কাজ, দোকান বা ছোট উৎপাদন ইউনিটে কাজ করেন, যেগুলো শ্রম আইন বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসেনি।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে, যেখানে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ নারী। 
- গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও কৃষিজমির মালিকানায় তাঁদের অংশ মাত্র ১২ শতাংশ (বিবিএস, ২০২৩)।
- বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ নারী গৃহকর্মীর কাজ করেন (ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস নেটওয়ার্ক, ২০২৩)।
- চা-বাগানশ্রমিকদের মধ্যে ৭০ শতাংশ নারী।
- নির্মাণশিল্পে নারী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নিরাপত্তা ও মর্যাদা কমছে (আইএলও-বিজিএমইএ রিপোর্ট, ২০২৪ অনুযায়ী), নির্মাণ সাইটে নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম পান না। 

⇒ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে,
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৪.৬৭%।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৯৬%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

২২৩.
বাংলাদেশে রপ্তানী আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. জনশক্তি রপ্তানী 
  2. তৈরি পোশাক রপ্তানী
  3. জাতিসংঘ শান্তি মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণ
  4. চামড়া জাতীয় পণ্য রপ্তানী
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানী
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশে রপ্তানী আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক।

♦ রপ্তানি আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৩.৮১% বা ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.৬৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.৫৮%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

♦ উল্লেখ্য:
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৭৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৯২%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.৩১%)।

♦ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

● এশিয়া:
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

২২৪.
BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

• BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা -৭টি

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি  শিল্প কারখানা চালু রয়েছে।

• চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট। 

২২৫.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ সালে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে কত আয় হয়? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৬ বিলিয়ন ডলার
  2. ৪০ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩৬ বিলিয়ন ডলার
  4. ৫০ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩৬ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে,
- বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা তৈরি পোশাক থেকে আসে। 
- ২০২৩-২৪ সালে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৩৬১৫১ মিলিয়ন ডলার বা ৩৬.১৫১ বিলিয়ন ডলার।
- এর মধ্যে নিটওয়্যার ১৯২৮২ মিলিয়ন ডলার বা ১৯.২৮২ বিলিয়ন ডলার।
- ওভেন ওয়্যার ১৬৮৬৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৬.৮৬৯ বিলিয়ন ডলার।

এছাড়া,
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ১০৩৯ মিলিয়ন ডলার বা ১.০৩৯ বিলিয়ন ডলার। 
- কৃষি পণ্যের আয় ৯৬৪ মিলিয়ন ডলার বা ০.৯৬৪ বিলিয়ন ডলার

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট।
২২৬.
নিচের কোন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেশি?
  1. বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিটের উদ্বোধন করা হয়।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা (১২০০×২) ২৪০০ মেগাওয়াট।
 
অন্যদিকে,
• বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।

• রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- উৎপাদন ক্ষমতা: ১,৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট(সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি)।

• মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা: ১২০০ মেগাওয়াট।

উৎস: i) বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
          ii) বিবিসি বাংলা।

২২৭.
'গায়ের বধূ' চিত্রকর্মের শিল্পী হলেন-
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) জয়নুল আবদিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয়নুল আবদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয়নুল আবদিন
ব্যাখ্যা
• বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের উপর ম্যাডোনা-৪৩ ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বিখ্যাত হন।
• তাঁর আঁকা আরো কিছু বিখ্যাত চিত্রকর্ম:
- মনপুরা ৭০, 
- সংগ্রাম, 
- পাইন্যার মা,
- গায়ের বধূ, 
- নবান্ন,
- মইটানা ইত্যাদি।
২২৮.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম একক রেলসেতু কোনটি? 
  1. মধুমতি রেলসেতু
  2. রুপসা রেলসেতু
  3. যমুনা রেলসেতু
  4. হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
সঠিক উত্তর:
যমুনা রেলসেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা রেলসেতু
ব্যাখ্যা

• যমুনা রেলসেতু: 
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম একক রেলসেতু হলো যমুনা রেলসেতু।
- এটি যমুনা নদীর উপর নির্মিত একটি ডুয়েল-গেজ, ডাবল-ট্র্যাক রেলসেতু, যা সিরাজগঞ্জ জেলাকে টাঙ্গাইল জেলার ভূয়াপুর উপজেলার সাথে যুক্ত করেছে।
- সেতুটি যমুনা বহুমুখী সেতুর প্রায় ৩০০ মিটার উত্তরে অবস্থিত।
- দৈর্ঘ্য: ৪.৮ কিলোমিটার (৪,৮০০ মিটার)।
- নির্মাণ: ৫০টি পিলারের ওপর ৪৯টি স্প্যানে নির্মিত।
- উদ্বোধন: ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ। 
- প্রকল্প ব্যয় প্রায়: ১৬,৭৮০ কোটি টাকা (জাইকা-জাপানের সহায়তায়)।
- দৈনিক ৮৮টি ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা রয়েছে। 
- ব্রড-গেজে ১২০ কিমি/ঘণ্টা এবং মিটার-গেজে ১০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

অন্যদিকে, 
- পূর্বে হার্ডিঞ্জ ব্রিজকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু বলা হতো যা ১.৮ কিমি দীর্ঘ।
- কিন্তু ২০২৫ সালে যমুনা রেলসেতু উদ্বোধনের পর এটি আর দীর্ঘতম নয়। 
- যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিমি, যা হার্ডিঞ্জ ব্রিজের প্রায় ২.৭ গুণ লম্বা।

তথ্যসূত্র: 
i) প্রথম আলো। (Link)
ii) বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link) 
iii) ডেইলি স্টার। (Link) 

২২৯.
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান রাসায়নিক সার কোনটি?
  1. ক) ইউরিয়া
  2. খ) টিএসপি
  3. গ) ডিএপি
  4. ঘ) জিপসাম
সঠিক উত্তর:
ক) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান। মোট উৎপাদিত সারের ৮৫ ভাগের অধিক ইউরিয়া সার।
২০১৮-২০১৯ সালে দেশের সার কারখানাগুলোতে ৭.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত। তবে দেশের ইউরিয়া সারের বার্ষিক চাহিদা ২৫ লক্ষ মেট্রিক টনের অধিক।
(সূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
২৩০.
"নাকুগাঁও স্থলবন্দর" বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শেরপুর
  2. যশোর
  3. লালমনিরহাট
  4. চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
ব্যাখ্যা
নাকুগাঁও স্থলবন্দর: 
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত একটি স্থলবন্দর,
- এটা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
- এই স্থলবন্দরটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলার ডালু সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।

বিভিন্ন স্থলবন্দর:

- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
২৩১.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

২৩২.
দেশের সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রটি কোন জেলায় অবস্থিত? [ জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সিলেট
  2. ভোলা 
  3. জামালপুর 
  4. লক্ষিপুর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর 
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের সর্বশেষ  আবিষ্কৃত ৩০তম গ্যাসক্ষেত্র জামালপুরের মাদারগঞ্জে আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এই গ্যাসক্ষেত্রটি তারতাপাড়া গ্রামের কাছে শনাক্ত করা হয়েছে।

- তারতাপাড়া গ্রামে নতুন কূপ খননের পর প্রাথমিক পরীক্ষায় গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। 
- এই কূপ থেকে প্রতিদিন ৭.৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপন্ন হচ্ছে।
- কাজটি পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
-  এটি দেশের গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে বর্তমানে ২৯টি চলমান প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। 
- সর্বশেষ আবিষ্কৃত চলমান গ্যাসক্ষেত্রের নাম হলো ভোলা জেলার ইলিশা-১ (Ilisha-1)।
- ইলিশা-১- ২০২২ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ২০২৩ সালের মে মাসে এর আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। 
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্রের পরে ভোলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার এই ইলিশা-১।
- এর আগে ভোলায় 'ভোলা নর্থ' এবং 'শাহবাজপুর' নামে আরও দুটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

২৩৩.
জুলাই-মে, ২০২১ পর্যন্ত এশিয়ার কোন দেশটিতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. মালয়শিয়া
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - জাপানে।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
২৩৪.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সঞ্চালন ভোল্টেজ কত?
  1. ক) ৩৩ কেভি
  2. খ) ১৩২ কেভি
  3. গ) ২৩০ কেভি
  4. ঘ) ৪০০ কেভি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০০ কেভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০০ কেভি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমীতি কতৃক ৩ ভাবে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হয়।

১। ৪০০ কিলো ভোল্ট লাইন - ১৯৭২ সার্কিট কিলোমিটার।
২। ২৩০ কিলো ভোল্ট লাইন - ৪২৩৬ সার্কিট কিলোমিটার।
৩। ১৩২ কিলো ভোল্ট লাইন - ৮৪৬৪ সার্কিট কিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link]
২৩৫.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ কোথায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. নীলফামারী
  3. দিনাজপুর
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

তথ্যসূত্র: বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

২৩৬.
দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয় কবে?
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
শুল্ক নীতি:
- ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রথমবারের মতো শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১০ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় শুল্ক নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে।

⇒ জাতীয় শুল্ক নীতিমালার লক্ষ্য আমদানি শুল্ক কাঠামোকে যৌক্তিক করা, কারণ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে না।
- এই শুল্ক নীতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বাড়াবে।
- এতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- ফলে, সরকার ধীরে ধীরে আমদানি শুল্কের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.
২৩৭.
ইয়াংওয়ান কোম্পানি বাংলাদেশের কোন খাতে বিনিয়োগ করে থাকে?
  1. পোশাক
  2. সার
  3. ঔষধ
  4. জ্বালানি
সঠিক উত্তর:
পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক
ব্যাখ্যা
ইয়াংওয়ান পোশাক রপ্তানিকারক শিল্পগোষ্ঠী:
- দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান। 
- ২০২২–২৩ অর্থবছরে দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানি ইয়াংওয়ান সর্বোচ্চ ১০০ কোটি ডলারের পোশাকপণ্য রপ্তানির মাইলফলক ছুঁয়ে চমক দেখিয়েছে।
- চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২ হাজার ৪৯২ একর জমির ওপর কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (কেইপিজেড) নির্মাণের কাজ করছিল ইয়াংওয়ান।
- নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ২০১১ সাল থেকে কেইপিজেডে কারখানা চালু হয়। 
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি রপ্তানি করেছে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৯ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকার পোশাক।
- এ শিল্পগোষ্ঠীই বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক।

উল্লেখ্য,
- পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে দ্বিতীয় শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী হচ্ছে স্থানীয় হা-মীম গ্রুপ।
- তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মণ্ডল গ্রুপ ও ডিবিএল গ্রুপ। 
- পঞ্চম স্থানে আছে চট্টগ্রামের প্যাসিফিক জিনস গ্রুপ।

উৎস: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
২৩৮.
বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়-
  1. সুতা
  2. চামড়া
  3. তুলা
  4. কাপড়
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।

- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

২৩৯.
Bangladesh claims to have found the 28th gas field in _____.
  1. ক) Sylhet
  2. খ) Pabna
  3. গ) Rajshahi
  4. ঘ) Rangpur
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ক) Sylhet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Sylhet
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ২০২১ সালের ৯ আগস্ট নতুন গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
২৪০.
বাংলাদেশের সরকারি আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) রেমিট্যান্স
  3. গ) মূল্য সংযোজন কর
  4. ঘ) আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
গ) মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
• মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- সরকারি আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর
- তৃতীয় সম্পূরক শুল্ক এবং চতুর্থ আমদানি শুল্ক।

উৎসঃ এনবিআরের ওয়েবসাইট।
২৪১.
২০৩০ সালের মধ্যে BEZA দেশে কতটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য স্থির করেছে?
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৮০টি
  3. গ) ১০০টি
  4. ঘ) ১২০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০০টি
ব্যাখ্যা
BEZA (Bangladesh Economic Zones Authority) ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য স্থির করেছে।
যার মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বর্তমান পর্যন্ত ৯৩টি (BEZA ওয়েবসাইট মতে ৮৮টি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
(সূত্র: BEZA ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট, ২০ আগস্ট ২০২০)
২৪২.
সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাটোর
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
২৪৩.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) আবগারি শুল্ক
  3. গ) ভ্যাট
  4. ঘ) ভূমি উন্নয়ন কর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভূমি উন্নয়ন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভূমি উন্নয়ন কর
ব্যাখ্যা
- যেসব করের যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
আমাদের দেশের প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর
- ভূমি উন্নয়ন কর
- দানকর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলে।
পরোক্ষ করসমূহ হলো:
- ভ্যাট বা মূসক
- আমদানি শুল্ক
- আবগারি শুল্ক
- সম্পূরক শুল্ক ইত্যাদি৷
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট)
২৪৪.
বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়?
  1. IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
  2.  IDA credit-এর মাধ্যমে
  3. বিশ্ব ব্যাংকের budgetary support-এর মাধ্যমে
  4. প্রবাসীদের পাঠানাে remittance-এর মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ও বাণিজ্য ঘাটতি :
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) অন্যতম কাজ - সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি দূর করণে ব্যবস্থা করা।
- বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার জন্য IMF তার সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের ঋণ প্রদান করে থাকে (Bailout Package - এর মাধ্যমে)।
- বাংলাদেশও IMF এর সদস্য হিসাবে Bailout Package - এর মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- প্রবাসীদের পাঠানো remittance বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়তা করে, কিন্তু পুরোপুরি ভারসাম্য আনতে পারে না।

উৎস: ব্রিটানিকা, OSMBA প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৫.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ঘাটতি নেই?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) ভারত
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
২৪৬.
বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের 'ব্লাক বেঙ্গল' ছাগলের চামড়া কী নামে পরিচিত?
  1. মেহেরপুর গ্রেড
  2. চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
  3. ঝিনাইদহ গ্রেড
  4. কুষ্টিয়া গ্রেড
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া গ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের 'ব্লাক বেঙ্গল' ছাগলের চামড়া 'কুষ্টিয়া গ্রেড' নামে পরিচিত।

• কুষ্টিয়া গ্রেড:
- বাংলাদেশে পালিত ছাগলের প্রায় নব্বই ভাগই হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল।
- এই জাতের ছাগলের চামড়া অত্যন্ত উন্নত মানের এবং মাংস অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ব্যতীত ছাগলের অন্যান্য জাতের মধ্যে যমুনাপারি বা রামছাগল, কাশ্মিরী, বারবারি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- দেশের সর্বত্রই এই জাতের ছাগল দেখা যায়।
- তবে কৃষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলে এই ছাগলের পালন সর্বাধিক হয়।
- যার কারণে বিশ্ববাজারে ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

২৪৭.
দেশের প্রথম নকশিপল্লী নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) জামালপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জামালপুর
ব্যাখ্যা
জামালপুর জেলায় ৩০০ একর জমির উপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে দেশের প্রথম নকশিপল্লী ‘জামালপুর শেখ হাসিনা নকশিপল্লী’ নির্মিত হচ্ছে।
(সূত্র: কালেরকণ্ঠ)
২৪৮.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  2. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  4. আকিজ সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
ব্যাখ্যা
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
২৪৯.
বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে-
  1. ডেনমার্কে
  2. নরওয়েতে
  3. ফিনল্যান্ডে
  4. সুইডেনে
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্কে
ব্যাখ্যা

• জাহাজ রপ্তানি:
-বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে ‘এমভি স্টেলা মরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।

• আনন্দ শিপইয়ার্ড:
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম শিপইয়ার্ড।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটির শিপইয়ার্ডের আয়তন প্রায় ৮০ হাজার বর্গমিটার।
- ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ডেনমার্ক, জার্মান, নরওয়ে ও মোজাম্বিকসহ বিভিন্ন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশে প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: 
i) আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড ওয়েবসাইট। 
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) দৈনিক প্রথম আলো। 

২৫০.
বাংলাদেশে রেলপথ রয়েছে কতটি জেলায়?
  1. ক) ৪৮টি
  2. খ) ৪৫টি
  3. গ) ৪৪টি
  4. ঘ) ৪০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৪টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু আছে - ৪৪ জেলায়।
- ২০ টি জেলায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু নেই।
- বরিশাল বিভাগে কোন রেলওয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই।

এছাড়াও,
- দূরত্বের দিক থেকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলপথ  ঢাকা থেকে পঞ্চগড়।
- ৫০৭ কিলোমিটার পথ মাড়িয়ে ২৩টি স্টেশন ঘুরে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় পৌঁছাবে। 
- চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প শুরু হয় ২০১১ সালে।
- চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু-কক্সবাজার-ধুমধুমিয়া পর্যন্ত মোট দৈর্ঘ্য ১২৮ কিলোমিটার।
- এই পথে মোট ৯ টি রেলস্টেশন হবে।
- ২০২৩ সালের জুনে চালু হতে পারে নতুন এই রেলপথ।
- চালু হলে রেলপথ হবে ৪৫ টি।

উৎস:রেলপথ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
২৫১.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা 'H&M' কোন দেশভিত্তিক প্রতিষ্ঠান?
  1. ডেনমার্ক
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. সুইডেন
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা:

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও ক্রেতাদের তথ্য অনুয়ায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কয়েক হাজার ক্রেতার কাছে ৩ হাজার ৬৩৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে শীর্ষ ১০ ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৫০ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে। অর্থাৎ মোট রপ্তানির ২৯ শতাংশই নিয়েছে এই ১০ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। তারা বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক নিয়ে মূলত বড় বাজারগুলোতে বিক্রি করছে। বাংলাদেশি পোশাকের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের শীর্ষ ১০ ক্রেতার তালিকায় এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স ও প্রাইমার্কের পরে আছে ডেনমার্কের বেস্টসেলার, যুক্তরাজ্যের মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার, নেদারল্যান্ডসের সিঅ্যান্ডএ, জাপানের ইউনিক্লো, পোল্যান্ডের এলপিপি, যুক্তরাজ্যের নেক্সট ও পোল্যান্ডের পেপকো। 

• শীর্ষ ক্রেতা H&M:
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় ক্রেতা সুইডেনের বহুজাতিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান H&M।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিশ্বের ৪৪টি দেশের সহস্রাধিক আউটলেটে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পোশাক তুলেছে এই কোম্পানি।
- বাংলাদেশে তৈরি এইচঅ্যান্ডএমের পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে পোল্যান্ড, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২৫৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক কিনেছে এইচঅ্যান্ডএম।
- বাংলাদেশের দুই শতাধিক কারখানা থেকে এই পোশাক কিনেছে তারা। 

এছাড়াও,
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় শীর্ষ ক্রেতা ইন্ডিটেক্স। স্পেনের বহুজাতিক এই কোম্পানি প্রতিবছরই বাংলাদেশ থেকে পোশাক কেনা বাড়াচ্ছে। গত অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২১৮ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে ইন্ডিটেক্স। এর আগে তারা বাংলাদেশ থেকে এক অর্থবছরে দুই বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক কেনেন।

উৎস: প্রথম আলো।
২৫২.
BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
  1. Bangladesh Salt Testing Institute
  2. Bangladesh Strategic Training Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bangladesh Society for Telecommunication and Information
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
ব্যাখ্যা
• BSTI -এর পূর্ণ অভিব্যক্তি - Bangladesh Standards and Testing Institution.
• ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।
• অতঃপর ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত কৃষিপণ্য বিপনন ও শ্রেণী বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়। উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
• বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র:- Bangladesh Standards and Testing Institution ওয়েবসাইট। 
২৫৩.
বাংলাদেশের শ্রমশক্তি বিদেশে প্রেরণ করা হয় কোন সাল থেকে?
  1. ১৯৭৫ সাল
  2. ১৯৭৬ সাল
  3. ১৯৭৭ সাল
  4. ১৯৭৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সাল
ব্যাখ্যা
জনশক্তি রপ্তানি:
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশসমূহের সাথে সমঝোতা সৃষ্টি হয়। 
- শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার ২০০১ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে ‘প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ নামে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করে। 

⇒ পোশাক খাতের পরপরই দেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান জনশক্তি রপ্তানি খাতের।
- ১৯৭৩ সালে সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সেসব দেশের ফুলেফেঁপে ওঠা অর্থনীতিই বাংলাদেশসহ তৎকালীন স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জনশক্তি রপ্তানির দ্বারোন্মোচন করে।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম জনশক্তি রপ্তানি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানির মূল গন্তব্য উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত (জিসিসি) ছয়টি দেশ।
- অর্থাৎ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন, ও কাতার।
- পরবর্তী সময়ে এই তালিকায় যুক্ত হয় মালয়েশিয়ার নাম।
- এছাড়াও সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশে বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছে।

উৎস: i) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
২৫৪.
দেশে একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. সূতা
  3. মূলধন যন্ত্রসামগ্রী
  4. সার
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, 

→ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী এবং
→ তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 

→ শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
২৫৫.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কর্মরত ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোটের নতুন নাম কী?
  1. অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ
  2. নিউ অ্যালায়েন্স
  3. ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
  4. সেইফ অ্যাকর্ড ফর টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
ব্যাখ্যা
- ২০১২ সালে তাজরীন ফ্যাশনসে আগুন এবং ২০১৩ সালে সাভারের রানা প্লাজা ধসের পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের কর্মপরিবেশ নিয়ে ক্রেতা দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। বিদেশি অনেক সংগঠন বাংলাদেশি পোশাক বর্জনের ডাক দেয়।
- সেই প্রেক্ষাপটে কারখানা পরিদর্শনে ইউরোপীয় ২২৮টি ক্রেতার সমন্বয়ে গঠিত হয় অ্যাকর্ড। এর মেয়াদ শেষ হতে না হতেই আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বাংলাদেশের পোশাক খাতের পরিবেশ নিরাপদ রাখতে নতুন করে উদ্যোগী হলেন।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কর্মরত ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট ‘অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ’ এর আদলে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি’ নামে নতুন একটি জোটের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
- এ বিষয়ে দুই বছর মেয়াদি একটি নতুন চুক্তিতে সই করেছে এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রিটেইল ব্র্যান্ডগুলো। কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলোর মধ্যে এই চুক্তির ফলে কারখানার কর্মপরিবেশ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের মতো চুক্তিতে থাকা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদেরও আইনি বাধ্যবাধকতা থাকবে।
- এই জোট বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের কারখানার কর্মপরিবেশ ও নিরাপত্তায় কাজ করবে; যেখানে বাংলাদেশে ‘অ্যাকর্ড’ এর কাজের সফলতাকে কাজে লাগানো হবে।
- এটি সেপ্টেম্বর মাস থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: বিজনেস টুডে ও মানব জমিন রিপোর্ট।
২৫৬.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক পুঁজি বিনিয়োগ চুক্তি করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
পুঁজি বিনিয়োগ চুক্তি:
- বাংলাদেশ প্রথম যুক্তরাজ্যের সাথে দ্বিপাক্ষিক পুঁজি বিনিয়োগ চুক্তি করে।
- ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের সাথে প্রথম দ্বিপাক্ষিক পুঁজি বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে।

উৎস: শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২৫৭.
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের কয়টি গ্যাস​ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২২টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে, এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ২০টি।
- উত্তোলন শুরু হয়নি ৪টি। সেগুলো হলো: ভোলার ইলিশা ও ভোলা নর্থ, সিলেটের জকিগঞ্জ এবং কুতুবদিয়া।
- উত্তোলনযোগ্য গ্যাস শেষ ৫টি। খনিগুলো হলো: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সিলেটের ছাতক, গাজীপুরের কামতা, ফেনী ও সাংগু (চট্টগ্রাম)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের হিসাবে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাসে অবশিষ্ট মজুত আছে প্রায় ২ টিসিএফ। হবিগঞ্জের বিবিয়ানায় আছে ১ দশমিক ৬৬ টিসিএফ। সিলেটের মৌলভীবাজারে আছে প্রায় ২০ বিসিএফ (বিলিয়ন বা শতকোটি ঘনফুট) গ্যাস। ৭০০ বিসিএফের কম মজুত আছে জালালাবাদে। সিলেটের বাখরাবাদ, কৈলাসটিলা, রশিদপুরসহ বাকি গ্যাসগুলোতেও মোটামুটি পরিমাণে গ্যাসের মজুত আছে।
- বর্তমানে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে দিনে ১৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়।
এছাড়া,
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। সর্বশেষ বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ১৯৯৮ সালে, সেটি সিলেটের বিবিয়ানা। বিবিয়ানা থেকেই এখন সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এরপর আর কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। যদিও সেখানে মজুত মাত্র ৫২ বিসিএফ।

উৎস: প্রথম আলো।

২৫৮.
সর্বশেষ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক আমদানি করেছে? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫]
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক আমদানি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ -

⇒ আমদানি রিপোর্ট: 
- চীন: ২০৫২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩০.০২%)।
- ভারত: ৯৬৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৪.১৮%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ২৫০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৬৭%)। 
- সিঙ্গাপুর: ২২৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩২%)।
- জাপান: ১৯৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২.৮৮%)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

২৫৯.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য -
  1. ৯.৩৯ কি.মি.
  2. ১৯.৭৩ কি.মি.
  3. ১২.৩০ কি.মি.
  4. ১২৯ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
১৯.৭৩ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯.৭৩ কি.মি.
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
- মূল এলিভেটেড অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কি.মি.।
- প্রকল্পে উঠা-নামার জন্য মোট ২৭ কি.মি দীর্ঘ ৩১টি র‍্যাম্প রয়েছে।
- র‍্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কি.মি.।
- সড়কটি হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত।
- ঢাকা শহরের যানজট নিরসনসহ ভ্রমণে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই উড়াল সড়ক তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার। 
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে দ্রুতগতির প্রথম উড়ালসড়ক (ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) উদ্বোধন করেছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ছাড়া থাইল্যান্ড ও চীনভিত্তিক দুটি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ এবং নির্মাণকাজের মাধ্যমে এই উড়ালসড়কের অংশীদার।
- প্রকল্পের মেয়াদ: জুলাই ২০১১- জুন ২০২৪।

উৎস: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
২৬০.
‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন’ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. খাদ্য মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

- ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধিনস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত কৃষিপণ্য বিপনন ও শ্রেণী বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।
- উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন।

২৬১.
নিচের কোনটি উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি
  2. খ) জাহাজ নির্মাণ শিল্প
  3. গ) ঔষধ শিল্প
  4. ঘ) পর্যটন শিল্প
সঠিক উত্তর:
গ) ঔষধ শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঔষধ শিল্প
ব্যাখ্যা

- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে সাতটি শিল্পকে উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- কৃষি/খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিযন্ত্র প্রস্তুত শিল্প
- তৈরি পোশাক শিল্প
- আইসিটি/সফটওয়্যার শিল্প
- ঔষধ শিল্প
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্প
- লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
- পাট ও পাটজাত পণ্য শিল্প।
অন্যদিকে,
- পারমাণবিক শক্তি হলো সংরক্ষিত শিল্প।
- পর্যটন শিল্প ও জাহাজ নির্মাণ শিল্প হলো অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)

২৬২.
Where is kamta gas field located?
  1. Khagrachari
  2. Noakhali
  3. Gazipur
  4. Brahmanbaria
  5. Sylhet
সঠিক উত্তর:
Gazipur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gazipur
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গ্যাস ক্ষেত্র ও তাদের ভৌগোলিক অবস্থান: 
কামতা - গাজীপুর,
বাঙ্গুরা - কুমিল্লা,
বিয়ানীবাজার - সিলেট,
রশিদপুর - মৌলভীবাজার,
বিবিয়ানা - হবিগঞ্জ,
মেঘনা - ব্রাহ্মনবাড়িয়া,
তিতাস - ব্রাহ্মনবাড়িয়া,
সুন্দলপুর - নোয়াখালী,
ছাতক - সুনামগঞ্জ,
সেমুতাং - খাগড়াছরি।

উৎস: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড ওয়েবসাইট।
২৬৩.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৯,২০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৮,৯০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৯,৫০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৯,৯০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ৯,৫০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯,৫০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৯,৫০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দ ২৯,৯৮২ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২৬৪.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে অর্থনীতির কোন খাতে সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে?
  1. কৃষিখাত
  2. শিল্পখাত
  3. সেবাখাত
  4. মৎস্যখাত
সঠিক উত্তর:
শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
- বিবিএসের সাময়িক হিসাবে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৫.৪৭ শতাংশ।
জিডিপির প্রধান খাতসমূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৬.১২ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫.৬১ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.৪৫ শতাংশ।
উপখাত সমূহের মধ্যে:
- সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি : স্বাস্থ্যখাতে (৯.৯৪ শতাংশ)।
- সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি : খনিজ ও খনন খাতে (০.২৯ শতাংশ)
- মৎস্যখাতে প্রবৃদ্ধি : ৫.৭৪ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
২৬৫.
BSEC -এর অধীনে কয়টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে? 
  1. ৭টি 
  2. ৯টি 
  3. ৫টি 
  4. ১১টি 
সঠিক উত্তর:
৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি 
ব্যাখ্যা

 • Bangladesh Steel & Engineering Corporation (BSEC)
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা  হয়।
- বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। 
- বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

• যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ।
- জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুঃ কোম্পানী লিঃ।
- ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিঃ।
- ইস্টার্ন কেবলস লিঃ।
- ইস্টার্ন টিউবস লিঃ।
- গাজী ওয়্যারস লিঃ।
- ন্যাশনাল টিউবস লিঃ।
- এটলাস বাংলাদেশ লিঃ।
- বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

২৬৬.
বলাকা ও দোয়েল কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
বলাকা, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, কাঞ্চন প্রভৃতি হলো গমের কয়েকটি জাত। বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ ইত্যাদি হলো ভুট্টার জাত। ময়না, ইরাটম ইত্যাদি ধানের জাত। ওয়াশিংটন, রাঁচি প্রভৃতি হলো পেঁপে'র জাত।
(সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
২৬৭.
ইপিজেড (EPZ) কী?
  1. কৃষি উন্নয়ন অঞ্চল
  2. আন্তর্জাতিক বানিজ্য কেন্দ্র
  3. রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা
  4. পরিবহন নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড (Export Processing Zone) - রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা নামে পরিচিত। 

বাংলাদেশে ইপিজেডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

প্রতিষ্ঠা: বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
প্রথম ইপিজেড: প্রথম ইপিজেডটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় স্থাপন করা হয়, যার যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৩ সালে।
মোট ইপিজেডের সংখ্যা:র্তমানে বাংলাদেশে মোট ৯টি ইপিজেড রয়েছে, যার মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।

সরকারি ইপিজেডের বিবরণ:
সংখ্যা: বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা ৮টি।
অবস্থান: এগুলোর অবস্থান হলো:
• চট্টগ্রাম, 
• সাভার,
• মংলা (খুলনা), 
• উত্তরা (নীলফামারী), 
• ঈশ্বরদী (পাবনা), 
• কুমিল্লা, 
• কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম), 
• আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।

প্রতিষ্ঠা: এগুলো ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশের ইপিজেড সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ করে BEPZA (বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ)।
কৃষিভিত্তিক ইপিজেড: দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড হলো উত্তরা, যা নীলফামারীতে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:
• BEPZA ওয়েবসাইট, 
• বাংলাপিডিয়া।
২৬৮.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. নীলফামারী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
-  বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দর: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- হিলি স্থলবন্দর: দিনাজপুর।
- ভোমরা স্থলবন্দর: সাতক্ষীরা।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

২৬৯.
বাংলাদেশের সবুজ কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ১৯০টি
  2. ১৯৮টি
  3. ২১৮ টি
  4. ২২১টি
সঠিক উত্তর:
২১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১৮ টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে লিড সনদপ্রাপ্ত মোট সবুজ কারখানার সংখ্যা  ২১৮ টি  (১ জুন, ২০২৪) । 
- যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (USGBC) এই সনদ দেয়।
- শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে এই সনদ দেয় তারা।
- এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেটপ্রাপ্ত ১০০ লিড কারখানার মধ্যে ৫৪টিই রয়েছে বাংলাদেশে। 

- বর্তমানে  তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত।
- ডব্লিউটিও'র বর্তমান বৈশ্বিক হিসেবে মোট পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের দখলে ৬.৪ শতাংশ।
- দেশে বর্তমানে রপ্তানিমুখী ৪,১১৪টি তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে। 

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ ওয়েবসাইট ও ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
২৭০.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পাট কলটি কবে বন্ধ হয়ে যায়?
  1. ৩০ অক্টোবর, ২০০২
  2. ৩০ আগস্ট, ২০০২
  3. ৩০ জুন, ২০০২
  4. ৩০ এপ্রিল, ২০০২
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন, ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন, ২০০২
ব্যাখ্যা
• জুট মিল:
- ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের আদমজীনগরে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম পাটকল ‘আদমজী জুট মিল’।
- এটি ছিল বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ৩০ জুন, ২০০২ এটি বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লি. ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।
- এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল - কর্ণফুলী রেয়ন মিল (চন্দ্রঘোনা, রাঙামাটি)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭১.
সম্প্রতি, কোন দেশ বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাজ্য 
  2. মিয়ানমার
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

আমদানিতে বিধিনিষেধ:
- ১১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে চার ধরনের পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। 
​- সেগুলো হলো পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের কাপড়, পাটের দড়ি বা রশি, পাটজাতীয় পণ্য দিয়ে তৈরি দড়ি বা রশি এবং পাটের বস্তা বা ব্যাগ। 
​- নতুন এই বিধিনিষেধের ফলে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করতে হলে সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ের নভসেবা বন্দর দিয়ে এসব পণ্য পাঠাতে হবে।
​- বাংলাদেশ থেকে উল্লেখিত এসব পণ্য যে পরিমাণ ভারতে রপ্তানি হয়, তার ১ শতাংশের কাছাকাছি যায় সমুদ্রপথে। বাকিটা স্থলপথে রপ্তানি হয়।
​- ভারতীয় ভোগ্যপণ্যের বড় বাজার বাংলাদেশ।
​- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, ভারতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
​- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে। 
​- অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর বড় অংশ শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য।

সূত্র-  প্রথম আলো পত্রিকা। 

২৭২.
"বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর" কয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।
২৭৩.
বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯১ সালে
  2. খ) ১৯৯৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ১৯৯৭-৯৮ সালে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়। শুরুতে ভাতা প্রাপ্তদের সংখ্যা ছিলো ৪.০৩ লক্ষ জন এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ছিলো ১০০ টাকা করে।
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এসে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা।
(সূত্র: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট)
২৭৪.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বিষয় কী?
  1. প্রবাসী শ্রমিক
  2. পাট
  3. রেডিমেড গার্মেন্টস
  4. চামড়া
সঠিক উত্তর:
রেডিমেড গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিমেড গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বিষয় রেডিমেড গার্মেন্টস।

রপ্তানি আয়:

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৭৫.
UNCTAD এর বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) চীন
  4. ঘ) নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন:
৯ জুন ২০২২ জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) “World Investment Report 2022” শিরোনমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২১ সালে -
• বৈশ্বিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ - চীন।
• বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
• বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) হয় - ২,৮৯৬.৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
• বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ ৫টি দেশ (মিলিয়ন মার্কিন ডলার):
   ১. যুক্তরাষ্ট্র (৫৮৫.৮৮); 
   ২. চীন (৪০৭.৮৮); 
   ৩. সিঙ্গাপুর (২৯৮.৬৯); 
   ৪. যুক্তরাজ্য (২৯৬.০১) ও 
   ৫. দক্ষিণ কোরিয়া (১৫৪.৪৭)।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
২৭৬.
রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর -
  1. ০%
  2. ১৫%
  3. ২০%
  4. ৩৩%
সঠিক উত্তর:
০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০%
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২৭৭.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. সুন্দরবনের গেওয়া গাছের পাতা
  2. গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
  3. সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
  4. সুন্দরবনের গোলপাতা
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
ব্যাখ্যা
• চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও -
বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে -
• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৮.
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) রূপগঞ্জ
  2. খ) মিরসরাই
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
খ) মিরসরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিরসরাই
ব্যাখ্যা
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রামে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের শিল্প জোন-১৪তে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (বেপজা) উদ্যোগে নির্মিত একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল।

- এটির অবস্থান চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায়। এটির আয়তন প্রায় ১,১৫০ একর।
- মোট শিল্প প্লটের সংখ্যা ৫৩৯টি। সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে আনুমানিক ৫ লক্ষ মানুষের।

(তথ্যসূত্র: বেজা ও বেপজা ওয়েবসাইট ও দ্য বিজনেস স্ট্যা্ন্ডার্ড রিপোর্ট)
২৭৯.
কোন সংস্থা Bangladesh Development Forum এর সমন্বয় করে থাকে?
  1. ক) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  2. খ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
  3. গ) বিশ্বব্যাংক
  4. ঘ) অর্থনেতিক সম্পর্ক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
Bangladesh Development Forum (BDF) বা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এর সমন্বয় করে থাকে বিশ্বব্যাংক। BDF হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ। ১৯৯৭ সালে এর নামকরণ হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০২০ সালের ২৯-৩০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
২৮০.
বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে নিচের কোন দেশে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সিঙ্গাপুর
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাজ্য
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- কানাডা
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- লিচেনস্টাইন
- নরওয়ে এবং
- সুইজারল্যান্ড।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
২৮১.
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি কোন জেলায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. দিনাজপুর
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায়।
- বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৮২.
মোট শ্রমশক্তির শতকরা কতভাগ শিল্পখাতে নিয়োজিত? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ২০,০০%
  2. ১৫,৭৭%
  3. ১১,১২%
  4. ১৭.৩৭%
সঠিক উত্তর:
১৭.৩৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭.৩৭%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে:

• শ্রমশক্তি ও কর্মসংস্থান (শ্রমশক্তি জরিপ, ২০২৪ মোতাবেক)
মোট শ্রমশক্তি (১৫ বছর+) (মিলিয়ন) = ৭১.৭১%
পুরুষ = ৪৮.০২%
মহিলা = ২৩.৬৯%

মোট শ্রমশক্তির শতকরা হার হিসেবে (২০২৪)
• কৃষি = ৪৪,৬৭%
• শিল্প = ১৭.৩৭%
• সেবা= ৩৭.৯৬%
• বেকারত্বের শতকরা হার = ৩.৬৬%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫।

২৮৩.
নির্মিতব্য 'ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. লালমনিরহাট
  2. নীলফামারি
  3. কুড়িগ্রাম
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- নির্মিতব্য 'ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।
২৮৪.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কে? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
  2. শফিকুল ইসলাম
  3. ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার
  4. আহসান এইচ মনছুর
সঠিক উত্তর:
আহসান এইচ মনছুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান এইচ মনছুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
- ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- এর প্রধান কার্যালয় ব্যতীত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও দশটি শাখা রয়েছে- 
- মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ ও রংপুর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন আ ন ম হামিদুল্লাহ।  
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হচ্ছেন আহসান এইচ মনছুর (১৩তম)। 
- আর অর্থসচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
- গভর্নরের মেয়াদকাল চার বছর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২৮৫.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে ২০২৭ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে শিল্প খাতের অবদান কত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ২৭ শতাংশ
  2. খ) ৩৫ শতাংশ
  3. গ) ৩৮ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২
দেশিয় কাঁচামাল ও সম্পদ ব্যবহার করে শ্রমঘন শিল্পায়নের পাশাপাশি ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তিগত সুবিধাকে ধারন করে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা, খাতভিত্তিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং উৎপাদিত পণ্যের গুণগতমানের উৎকর্ষ সাধনই জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর মূল উদ্দেশ্য।

শিল্পনীতির লক্ষ্য
- টেকসই ও পরিবেশসম্মত শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন।
- সরকারের সামগ্রিক রূপকল্প ২০৪১ অর্জনের লক্ষ্যে জনশক্তির দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে শিল্প খাতের অবদান ৪০ শতাংশে উন্নীতকরণ;
- ৪র্থ শিল্প বিপ্লবসহ দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে দীর্ঘ মেয়াদে শিল্পায়ন প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সরকারি ও ব্যক্তি খাতের সক্ষমতার উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র:- শিল্প মন্ত্রণালয়।
২৮৬.
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোন দেশে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল রপ্তানি করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল:
- প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হলো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল। 

⇒ ২০২৫ সালের ১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ক্লিনগ্রিড ইনকরপোরেশনের কাছে প্রথম চালানটি পাঠানো হয়।
- দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রেডিয়েন্ট অ্যালায়েন্স যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো সোলার (সৌর) পিভি মডিউল রপ্তানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ চেইনে যুক্ত করল।
- ২১৫ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের চার বছর মেয়াদি এ রপ্তানি চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত মোট ৬৪ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট সোলার মডিউল সরবরাহ করবে। এর মধ্যে ২০২৫ সালেই ১২ দশমিক ৪০ মেগাওয়াট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
- আশুলিয়ার সাভারে অবস্থিত রেডিয়েন্ট অ্যালায়েন্সের সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় কারখানায় ১০০ ও ২০০ ওয়াট ক্ষমতার সোলার মডিউল উৎপাদিত হচ্ছে। বছরে ৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার এ কারখানাটি দেশের অন্যতম আধুনিক উৎপাদন প্ল্যান্ট।

উৎস: The Business Standard.
২৮৭.
বঙ্গবন্ধু সেতুতে কয় লেনের সড়ক রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু বহুমূখী সেতু:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- সেতুটির উপর দিয়ে ৪ লেনের সড়ক রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন।

এছাড়াও,
- বঙ্গবন্ধু রেলসেতুটি চালু হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ ও রেলওয়ে পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
- অভ্যন্তরীণ রেল যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি ট্রান্সএশিয়ান রেলপথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।
- একই সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি বেগবান হবে।

অন্যদিকে,
- ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতিসীমা।

উৎস: i) ১০ মে, ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
২৮৮.
২০১৮ সালের শেষে দেশের জিডিপিতে প্রবাসী আয়ের অবদান ছিল কত শতাংশ?
  1. ক) ৩.৪০%
  2. খ) ৪.২০%
  3. গ) ৫.১০%
  4. ঘ) ৫.১৮%
  5. ঙ) ৫.৪০%
সঠিক উত্তর:
ঙ) ৫.৪০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) ৫.৪০%
ব্যাখ্যা
৮ এপ্রিল ২০১৯ বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রবাসী আয়ে বিশ্বে ৯ম স্থানে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় ছিল ১৫.৫ বিলিয়ন ডলার যা দেশের জিডিপির ৫.৪০ শতাংশ। প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দেশ ভারতের আয় ৭৮.৬ বিলিয়ন ডলার। (সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট)
২৮৯.
বাংলাদেশের পণ্য মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BCIC
  2. TCB
  3. TBI
  4. BSTI
সঠিক উত্তর:
BSTI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSTI
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের পণ্য মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান BSTI.

BSTI:
- BSTI এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- BSTI বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৫ সালে।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

তথ্যসূত্র - BSTI ওয়েবসাইট।
২৯০.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সর্বোচ্চ গন্তব্য কোন দেশ? 
  1. কানাডা 
  2. জার্মানি 
  3. যুক্তরাষ্ট্র 
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সর্বোচ্চ গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। 

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:

- দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৯.১০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩.৭৯ শতাংশ এবং কানাডায় ১২.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। 
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

এছাড়াও,
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।

২৯১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ৮২টি
  2. ৭৬টি
  3. ৮৬টি
  4. ৮৭টি
সঠিক উত্তর:
৮২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২টি
ব্যাখ্যা

বিসিক শিল্পনগরীসমুহের অবদান:
- দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৮২টি।
- সারাদেশে অবস্থিত বিসিকের ৮২টি শিল্পনগরীতে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৬,১৩৫টি শিল্প ইউনিটের অনুকূলে ১১,১৭৪টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, এর মধ্যে ৪,৬২৭টি ইউনিট বর্তমানে উৎপাদনরত আছে।
- ৮২টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫,৩৯৪.৯৯ কোটি টাকা।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬৩,৭১৬.৮৭ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩,০৪৬.০৫ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 

২৯২.
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।

উৎসঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট।

২৯৩.
What is the name of the Indian land port adjacent to the Benapole land port?
  1. ক) Dawkey
  2. খ) Krishnanagar
  3. গ) Petrapol
  4. ঘ) Sutarkandi
সঠিক উত্তর:
গ) Petrapol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Petrapol
ব্যাখ্যা

• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- যশোর জেলার শার্শা উপজেলাধীন বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের সর্ববৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এ স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশ পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার বনগাঁ থানার পেট্রাপোলে অবস্থিত।
- শূল্ক আইন ১৯৬৯ এর আওতায় ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশনের অধীনে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- এর ধারা মোতাবেক প্রঞ্জাপন নং-এস আর ও নং-৪৯৩/ডি/কাস/৭৯, তারিখ ০৬-০৭-১৯৭৯ এর  মাধ্যমে ওয়্যারহাউজিং স্টেশন ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের অক্টোবরে ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন বিলুপ্ত হওয়ার পর বেনাপোল শূল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পাট মন্ত্রণালয়ের বিলুপ্ত সেল এর উপর ন্যাস্ত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেনাপোল শূল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর ন্যাস্ত হয়।
- ২০০২ সালে বেনাপোল শূল্ক স্টেশন কে স্থলবন্দর ঘোষণা করে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীন ন্যাস্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
২৯৪.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সবোর্চ্চ রেমিট্যান্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
- দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
•  ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%),
- দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)। 

উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক (ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত)।
২৯৫.
বাংলাদেশে প্রথম রেল লাইন কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৭২ সালে
  3. ১৯৬২ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম রেল লাইন:
- দেশের গণপরিবহন মাধ্যমসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের রেলওয়ে সরকারের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রীয় পরিবহন খাত।
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- রেলওয়ের কার্যক্রম শুরু হয় ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬২ সালে।
- প্রথম দিকে শুধু অর্থনৈতিক কাজের জন্য রেলপথ চালু করা হয়।
- ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রথম এ অঞ্চলে রেলপথ স্থাপন করে।
- ১৮৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কলকাতা থেকে রাণাঘাট পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ওই বছরের ১৫ নভেম্বর রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ চালু করে।

⇒ ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে তৎকালীন রেলওয়ে পরিচালিত হতো।
- ১৯৭৩ সালে বোর্ডের কার্যক্রম বিলুপ্ত করে একে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়।

উৎস: i) রেলপথ মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২৯৬.
বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর কোনটি?
  1. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর
  2. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর
  3. মংলা সমুদ্র বন্দর
  4. পটুয়াখালী সমুদ্র বন্দর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি।
- এগুলো হলো:
১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৯৭.
BCIC-এর অধীনে একমাত্র কাগজ কারখানা কোনটি?
  1. ক) চন্দ্রঘোনা কাগজ কল
  2. খ) কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ
  3. গ) এশিয়া কাগজ কল
  4. ঘ) উত্তরবঙ্গ কাগজ কল
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
২৯৮.
বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাংক রেট কত?
  1. ক) ৪.৭৫%
  2. খ) ৪%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৪.২৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
ব্যাখ্যা
রেপাে ও রিভার্স রেপাে সুদহার এবং ব্যাংক রেট যথাক্রমে ৫০, ৭৫ ও ১০০ বেসিস পয়েন্ট হ্রাস করে ৪.৭৫, ৪.০০ ও ৪.০০ শতাংশে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৯৯.
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষ সংগঠন। 

- এটি ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ (১৯৯৪ সালে সংশোধিত) এবং  কোম্পানি আইন ১৯১৩ (১৯৯৪ সালে সংশোধিত)-এর অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ফেডারেশনের তিন ধরণের সদস্য রয়েছে "চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এ ও বি শ্রেণীর চেম্বার), শিল্প ও বণিক সমিতিসমূহ (এ ও বি শ্রেণির সমিতি) এবং যৌথ চেম্বার (বিদেশি কোম্পানিসমূহের সাথে গঠিত)। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া
৩০০.
২০২১-২২ অর্থবছর অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্সের উংস?
  1. ক) কাতার
  2. খ) ওমান
  3. গ) কুয়েত
  4. ঘ) সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে
- দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
- ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন) ।


উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক।