বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৮ · ১,২০১১,৩০০ / ১,৭৮৪

১,২০১.
বর্তমান মেট্রোরেলের চলমান লাইনের নাম কী?
  1. লাইন-১
  2. লাইন-২
  3. লাইন-৪
  4. লাইন-৬
সঠিক উত্তর:
লাইন-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইন-৬
ব্যাখ্যা

 - উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- বর্তমান মেট্রোরেলের চলমান লাইন এটি।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- অর্থায়ন : Japan International Cooperation Agency (JICA) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

অন্যদিকে,
চলমান প্রকল্প-
- দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্পের নাম- MRT Line-1. এর দৈর্ঘ্য- ৩১.২৪১ কিলোমিটার। ( এয়ারপোর্ট টু কমলাপুর)
- এমআরটি লাইন-২।
- এমআরটি লাইন-২।

উৎস: DMTCL এবং প্রথম আলো।

১,২০২.
ছাতক সিমেন্ট কারখানা কোথায় অবস্থিত? 
  1. সুনামগঞ্জ
  2. সিলেট 
  3. মৌলভীবাজার 
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• ছাতক সিমেন্ট কারখানা:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

১,২০৩.
''কাটারিভোগ' ধান মূলত বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আবাদ হয়?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- 'কাটারিভোগ' ধান মূলত বাংলাদেশের দিনাজপুরে আবাদ হয়।
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।
১,২০৪.
বাংলাদেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
  1. বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- এটি ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।

অন্যদিকে -
- রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০২২ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রতে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০২০ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,২০৫.
'স্টেলা মেরিস' নির্মাণ করে কোন শিপইয়ার্ড?
  1. ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড
  2. ঢাকা ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস
  3. আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড
  4. খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড
ব্যাখ্যা
আনন্দ শিপইয়ার্ড:
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম শিপইয়ার্ড।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটির শিপইয়ার্ডের আয়তন প্রায় ৮০ হাজার বর্গমিটার।
- ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত ৩১৫টি জলযান নির্মাণ করেছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ডেনমার্ক, জার্মান, নরওয়ে ও মোজাম্বিকসহ বিভিন্ন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশে প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।

উৎস: i) আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,২০৬.
দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা কত ভাগ শিল্পখাতে নিয়োজিত?
  1. ক) ২০.৪ ভাগ
  2. খ) ২৪.২ ভাগ
  3. গ) ৩৯.১ ভাগ
  4. ঘ) ৪০.৬ ভাগ
সঠিক উত্তর:
ক) ২০.৪ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০.৪ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের শ্রমশক্তি:
- মোট শ্রমশক্তি : ৬.৩৫ কোটি
- পুরুষ শ্রমশক্তি : ৪.৩৫ কোটি
- নারী শ্রমশক্তি : ২.০০ কোটি
বিভিন্ন খাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
- শিল্পখাতে : ২০.৪ ভাগ
- কৃষিখাতে : ৪০.৬ ভাগ
- সেবাখাতে : ৩৯ ভাগ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১,২০৭.
নিচের কোনটিকে বাংলাদেশের 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়?
  1. চিংড়ি
  2. চা
  3. তামাক
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১,২০৮.
Where was the first tannery village of Bangladesh established?
  1. Gazipur
  2. Savar
  3. Narayanganj
  4. Keraniganj
সঠিক উত্তর:
Narayanganj
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Narayanganj
ব্যাখ্যা
ট্যানারি শিল্প:

- ট্যানারি চামড়া প্রক্রিয়াজাত করার প্রক্রিয়া বা প্রতিষ্ঠান।
- ট্যানারি বলতে চামড়া পাকা করার কার্যক্রম পরিচালিত হয় এমন কোন স্থান বা ইমারতকেও বোঝায়। -
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়াকে পাকা করার পর জুতার উপরিভাগ, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট প্রভৃতি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।
- অতীতে কতিপয় দেশীয় রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে খালি হাতে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা হতো।
- ১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন রণদাপ্রসাদ সাহা।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারিবাগে স্থানান্তর করা হয়। এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারিবাগ এলাকায় অনেকগুলি ট্যানারি গড়ে উঠে।
- দেশ বিভাগের পূর্বপর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সকল কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত, কলকাতায় রপ্তানি হতো।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২০৯.
 বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভ্যাটের হার কত?
  1.  ১২%
  2. ৭.৫%
  3. ১৩%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা

Value Added Tax (VAT):
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভ্যাটের হার - ১৫%।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।

১,২১০.
বাংলাদেশের 'হোয়াইট গোল্ড' হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. চিংড়ি
  2. কৃত্রিম মুক্তা
  3. রাবার
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১,২১১.
দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড-
  1. কোরিয়ান ইপিজেড
  2. উত্তরা ইপিজেড
  3. কর্ণফুলী  ইপিজেড
  4. ঈশ্বরদী ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
কোরিয়ান ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোরিয়ান ইপিজেড
ব্যাখ্যা

• কোরিয়ান ইপিজেড:
- দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড কোরিয়ান ইপিজেড।
- এটি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত।
- কোরিয়ান ইপিজেড-এর প্রতিষ্ঠাতা কিয়াক সুং।
- চট্টগ্রামে কোরিয়ান ইপিজেড এর কার্যক্রম ১৯৯৫ সালে শুরু হয়।
- প্রথমে দুই দেশের সরকার উদ্যোগ নিলেও কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ শিল্পাঞ্চলটি গড়ে তোলে বেসরকারিভাবে।
- ইয়াংওয়ান করপোরেশন পরিচালিত কেইপিজেডে বর্তমানে ৪৮টি শিল্পে ৩৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
- এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশের জন্য নির্ধারিত।
- ফলে এটিকে বড় পরিবেশবান্ধব ইপিজেড বলা হয়।

উৎস: বণিক বার্তা এবং বেজা ওয়েবসাইট।

১,২১২.
বাংলাদেশের পোশাক সর্বাধিক কোন দেশে রপ্তানী করা হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
❐ বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য হলো যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের। 

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৯.১০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩.৭৯ শতাংশ এবং কানাডায় ১২.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যে রপ্তানিতে ৩.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

এছাড়াও,
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
১,২১৩.
চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
গ) বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং ব্যবহারের মাধ্যমে বাগেরহাটসহ খুলনা অঞ্চলের চিংড়ি উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয় ও প্রতিকার এবং চিংড়িজাত পণ্যের গুণগত মানোনয়নের লক্ষ্যে গবেষণার মাধ্যমে উপযুক্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য বাগেরহাটে একটি চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে-
১. স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ‍্
২. নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর
৩. লোনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা
৪. সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার
৪. চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট।
[সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট]
১,২১৪.
'Alliance' সংগঠনটি কোন দেশের পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর একটি জোট?
  1. যুক্তরাজ্যের 
  2. যুক্তরাষ্ট্রের 
  3. কানাডার 
  4. ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের 
ব্যাখ্যা

• Alliance:
- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন 'Alliance'।
- 'অ্যালায়েন্স অ্যাপারেল হলো একটি পূর্ণ-পরিষেবা পোশাক সোর্সিং সলিউশন কোম্পানি।
- তারা সারা বিশ্ব জুড়ে সক্রিয় পোশাক, বিস্তৃত ফ্যাশন এবং স্পোর্টসওয়্যারের সুবিধা প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- অ্যালায়েন্স বিশ্বের ২৮টি বিখ্যাত ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি সংস্থা।
- এরা বাংলাদেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের শ্রম নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে।
- সম্মিলিতভাবে, অ্যালায়েন্স সদস্যরা বিশেষত উত্তর আমেরিকার আমদানিকারক, যারা বাংলাদেশের ৭০০+ কারখানা থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করে থাকে।

তথ্যসূত্র: Alliance Apparel ওয়েবসাইট।

১,২১৫.
বে অর্থনৈতিক অঞ্চল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নরসিংদী
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- বে অর্থনৈতিক অঞ্চল গাজীপুরে অবস্থিত। 
- প্রস্তাবিত ভূমি: ৬৫ একর। 
- মোট বিনিয়োগ: ৮৮.৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
উৎস: বেজা ওয়েবসাইট
১,২১৬.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. প্রিমিয়ার সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  2. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  4. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

১,২১৭.
জাতীয় ঔষধনীতির লক্ষ্য কী?
  1. দেশের উৎপাদিত ঔষধের রপ্তানি বৃদ্ধি করা
  2. ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা
  3. ঔষধের কার্যকর নজরদারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঔষধনীতি:
- ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল ।
- এরপর ২০০৫ সালে এই নীতি নবায়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে আবার এই জাতীয় ঔষধ নীতি নবায়ন করা হয়েছে।

• "জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬”:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

⇒ জাতীয় ঔষধনীতির লক্ষ্যসমূহ:
১। জনগণ যাতে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন ঔষধ সহজে ক্রয়সাধ্য মূল্যে পেতে পারে তা নিশ্চিত করা।
২। ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার এবং সুষ্ঠু পরিবেশন ব্যবস্থা (Dispensing) নিশ্চিত করা।
৩। স্থানীয় সকল পদ্ধতির ঔষধ প্রস্তুতকারী শিল্পসমূহকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সেবা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা, যাতে মানসম্পন্ন ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়।
৪। দেশের উৎপাদিত ঔষধের রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
৫। ঔষধের কার্যকর নজরদারী (Surveillance) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

উৎসঃ dgda.gov.bd, জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।
১,২১৮.
দিনাজপুর জেলায় বড়পুকুরিয়ায় কিসের খনি প্রকল্প কাজ চলছে?
  1. কঠিন শিলা
  2. কয়লা
  3. চুনাপাথর
  4. সাদামাটি
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------
তৎকালীন সময়ের প্রশ্ন হিসেবে উত্তর (খ) - কয়লা। 

• আবিষ্কৃত পাঁচটি কয়লাখনির মধ্যে অন্যতম দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি উন্নয়নের কাজ শুরু হয় ১৯৯৬ সালে।

• দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি: 
- বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ। 
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি। 
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত। 
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে। 
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২১৯.
বাংলাদেশ নিচের কোন দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. ক) চীন
  2. খ) সিঙ্গাপুর
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, কানাডা, তুরস্ক, রাশিয়া, বেলারুশ, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
১,২২০.
১০০ টাকার নোটে কিসের ছবি রয়েছে?
  1. ক) ষাটগম্বুজ মসজিদ
  2. খ) তারা মসজিদ
  3. গ) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ ভবন
সঠিক উত্তর:
খ) তারা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তারা মসজিদ
ব্যাখ্যা
১০০ টাকার নোটে তারা মসজিদ এর ছবি রয়েছে।



এছাড়া,
বিশ টাকার নোটে রয়েছে - ষাটগম্বুজ মসজিদ এর ছবি।
দশ টাকার নোটে রয়েছে - বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এর ছবি।
এক হাজার টাকার নোটে রয়েছে - জাতীয় সংসদ ভবন এর ছবি।
১,২২১.
বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর কয়টি? [মে, ২০২৫]
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি। এগুলো হলো:
১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর। এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে। এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২২২.
নিচের কোন স্থলবন্দরটি সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত?
  1. দর্শনা স্থলবন্দর
  2. বেনাপোল স্থলবন্দর
  3. বুড়িমারী স্থলবন্দর
  4. ভোমরা স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
ভোমরা স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোমরা স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- ১২/০১/২০০২ সালে তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা হয়।
- ১৯/০৫/২০১৩ সালে তারিখে স্থলবন্দর অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিলোমিটার এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
- তামাবিল স্থলবন্দর - সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর - কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর - চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর - ফেনী।
- হিলি স্থলবন্দর - দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর - যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর - লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর - বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর - শেরপুর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,২২৩.
২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্য থেকে অর্জিত?
  1. ক) ৮১.২৫%
  2. খ) ৪৪.৫৩%
  3. গ) ৩৬.৭২%
  4. ঘ) ৭০.৮৪%
সঠিক উত্তর:
ক) ৮১.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮১.২৫%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।

- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫%
- নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পোশাক - ৩৬.৭২%।
- অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১,২২৪.
বাংলাদেশে মাছ উৎপাদনের সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি?
  1. ক) সমুদ্র
  2. খ) নদী ও নদীর মোহনা
  3. গ) পুকুর
  4. ঘ) প্লাবিত জলাশয়
সঠিক উত্তর:
গ) পুকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পুকুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
উৎস অনুসারে মৎস্য উৎপাদন:
- পুকুর : ৪৫.০৪ শতাংশ
- প্লাবিত জলাশয় : ১৭.৮২ শতাংশ
- সমুদ্র : ১৫.০৫ শতাংশ
- নদী ও নদীর মোহনা : ৭.৪২ শতাংশ
- চিংড়ি ঘের : ৫.৮৯ শতাংশ
- মৌসুমী জলাশয় : ৪.৯৬ শতাংশ
- বিল : ২.২৮ শতাংশ।
(উৎসঃ বাংলাদেশ মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ : ২০১৮-২০১৯)
১,২২৫.
কোন শিপইয়ার্ডে বাংলাদেশের প্রথম যুদ্ধজাহাজ নির্মিত হয়?
  1. খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড
  2. আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড
  3. ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড 
  4. ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড
ব্যাখ্যা

জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- দেশে আনুমানিক ১০,০০০ টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১১টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএনএস পদ্মা’।
- বিএনএস পদ্মার গতিবেগ হবে ঘন্টায় ২৩ নটিকাল মাইল (প্রায় ৩৭ মাইল)।
- ২০১১ সালের ৫ মার্চ খুলনা শিপইয়ার্ডে জাহাজটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।
- ২০১২ সালের ৮ অক্টোবর জাহাজটি লাঞ্চিং করানো হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- এটি রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনায় অবস্থিত।
- ইয়ার্ডটিতে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭০০ টন লাইটওয়েট পর্যন্ত স্টিল/অ্যালুমিনিয়াম জাহাজ নির্মাণের ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র গর্বিত যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা।
- এটি পশ্চিম জার্মান সহায়তায় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,২২৬.
একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান-  [নভেম্বর,২০২৫]
  1. চতুর্থ
  2. প্রথম 
  3. তৃতীয়
  4. দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

পোশাক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।
- বাজার হিস্যা দশমিক ৪৮ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।
- বাংলাদেশের পর তৃতীয় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।
- আর শীর্ষ অবস্থানে আছে বরাবরের মতো চীন।
- তাদের বাজার হিস্যা ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।

উৎস: আমদানি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং প্রথম আলো।

১,২২৭.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন বীমা প্রতিষ্ঠান দুইটি। এগুলো হলো:  
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন
• জীবন বীমা কর্পোরেশন।
• দুটি প্রতিষ্ঠানই ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• দেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৩৩টি জীবন বীমা ও ৪৬টি সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,২২৮.
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে বাংলাদেশ কোন পণ্য রপ্তানি করে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে?
  1. হোম টেক্সটাইল 
  2. নীট পোষাক
  3. ওভেন পোষাক
  4. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা
সঠিক উত্তর:
নীট পোষাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীট পোষাক
ব্যাখ্যা

(ক) নীট পোশাক:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে নীট পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের ১৯,২৮২.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৯.৭৩ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ৪৩.৮২ শতাংশ।

(খ) ওভেন পোশাক:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে ওভেন পোশাক খাতে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ১৬,৮৬৯.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৭.৮২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ছিল ৩৭.৬৭ শতাংশ।

(গ) হোম টেক্সটাইল:
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে হোম টেক্সটাইল খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের ৮৫১.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ২.৪২ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ১.৮১ শতাংশ।

(ঘ) চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা :
- ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের জুলাই–জুন সময়ে চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের ১,০৩৯.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ১০.১৯ শতাংশ বেশি। উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান ছিল ২.৩৭ শতাংশ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,২২৯.
বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত হয়: আগস্ট, ২০২৪।
- বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন,
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম,
৪. তুরস্ক,
৫. ভারত।

উৎস: i) WTO ওয়েবসাইট।
ii) Textile Today.
১,২৩০.
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
বিমান যোগাযোগ:
- বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) (Civil Aviation Authority of Bangladesh-CAAB):
- বাংলাদেশের আকাশসীমায় ও বিমানবন্দরসমূহে চলাচলকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল উড়োজাহাজ এর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পালন করে থাকে। 
- CAAB এর অধীনে বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৫টি চালু অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে।
- তবে মোট ১২টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে যাদের মধ্যে ৫টি চালু, ৩টি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদনের অপেক্ষায়, ৩টি বন্ধ এবং ১টি নির্মাণ কাজ চলছে।
- তাছাড়া এদের মধ্যে ২টি STOL বিমানবন্দর।

• তবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩,  বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের সংখ্যা ৭টি।

তথ্যসূত্র: Civil Aviation Authority of Bangladesh (CAAB) [Link]
১,২৩১.
FID-এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Financial Inductrial Division
  2. Financial Institutions Division
  3. Financial Investigation Division
  4. Foreign Institutions Department
সঠিক উত্তর:
Financial Institutions Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Financial Institutions Division
ব্যাখ্যা
FID:
- FID-এর পূর্ণরূপ: Financial Institutions Division.
- FID বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ হলো একটি বাংলাদেশ সরকারী বিভাগ যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID) ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্যাপিটাল মার্কেট, বীমা খাত এবং মাইক্রোক্রেডিট খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত আইন ও নীতি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA)-এর সাথে সমন্বয়মূলক কার্যাবলী সম্পাদন করে।

তথ্যসূত্র - আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,২৩২.
শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে -
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. চিংড়ি
  4. হিমায়িত খাদ্য
সঠিক উত্তর:
পাট ও পাটজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

উল্লেখ্য,
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ২.৮৯%।
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,২৩৩.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. চামড়াবিহীন জুতা ও প্রকৌশল পণ্য
  4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ২০,০২৮.৫৯ মিলিয়ন ডলার।
- নিটওয়্যার ও ওভেন পোশাকের পাশাপাশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, ওষুধ, জাহাজ, চিংড়ি এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। 

১,২৩৪.
Which one of the following is the state- owned oil refinery of Bangladesh?
  1. Bashundhara Refinery Limited
  2. Jamuna Refinery Limited
  3. Padma Refinery Limited
  4. Eastern Refinery Limited
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Eastern Refinery Limited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Eastern Refinery Limited
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:

- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং  চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে। 
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৩৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ নেপাল থেকে কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করেছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ২০ মেগাওয়াট
  2. ৪০ মেগাওয়াট
  3. ৬০ মেগাওয়াট
  4. ৮০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
৪০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ আমদানি:
- ১৫ জুন, ২০২৫ থেকে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে নেপাল।
- ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে হওয়া ত্রিপক্ষীক চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে নেপাল।
- চুক্তি অনুসারে, ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসের জন্য ভারতের ৪০০-কেভি ট্রান্সমিশন গ্রিড ব্যবহার করে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে নেপাল।
- ভারতের মুজাফফরপুর-বাহারামপুর লাইন হয়ে বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
- ভারতীয় ট্রান্সমিশন চার্জসহ নেপাল থেকে দেশে আসা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়বে প্রায় ৭ টাকা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
১,২৩৬.
বাংলাদেশ প্রথম লোহার খনি আবিস্কৃত হয় কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. কক্সবাজার
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৩৭.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৪.২ কিলোমিটার
  2. ৪.৮ কিলোমিটার
  3. ৫.২ কিলোমিটার
  4. ৬.১৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৪.৮ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।

⇒ সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,২৩৮.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী? 
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়াম সালফেট
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
• ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম — ইউরিয়া।

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
→ বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানার নাম - ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি।
→ দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ নরসিংদীর ‘ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা’
→ এটি ১২ নভেম্বর, ২০২৩ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 
→ এই সার কারখানা থেকে বছরে উৎপাদন হবে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার।
→ ২০২০ সালের ১০ মার্চ ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। যার দায়িত্ব পায় সিসি সেভেন নামে একটি চীনা এবং জাপানের মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। 
→ নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ১১০ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
→  প্রতিদিন এখান থেকে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনে সক্ষম দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সার কারখানাটি।

তথ্যসূত্র:
i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) ইত্তেফাক (১২ নভেম্বর, ২০২৩)।
১,২৩৯.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক রেমিট্যান্স আহরণ করে?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ক) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ২৪.৭৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।

দেশ অনুযায়ী রেমিট্যান্স প্রবাহের শীর্ষ উৎস:
- প্রথম : সৌদি আরব (৫৭২.১৪ কোটি মা. ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩৪৬.১৬ কোটি মা. ডলার)
- তৃতীয় : সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৪৩.৯৯ কোটি মা. ডলার)
- চতুর্থ : যুক্তরাজ্য (২০২.৩৬ কোটি মা. ডলার)
- পঞ্চম : মালয়েশিয়া (২০০.২৩ কোটি মা. ডলার)

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,২৪০.
দেশের উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থা -
  1. ক) নেসকো ও ওজোপাডিকো
  2. খ) নেসকো ও বিপিডিবি
  3. গ) নেসকো ও বিআরইবি
  4. ঘ) বিআরইবি ও বিপিডিবি
সঠিক উত্তর:
গ) নেসকো ও বিআরইবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নেসকো ও বিআরইবি
ব্যাখ্যা
দেশের উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থা - নেসকো ও বিআরইবি।

• নেসকো:
- নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানী (নেসকো) লিমিটেড বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর একটি প্রতিষ্ঠান।
- নেসকো পিএলসি উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ টি জেলার আওতাধীন ৩৯ টি উপজেলা শহর ও শহরাঞ্চলের গ্রাহকগণকে ৫৫ টি বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ/ বিদ্যুৎ সরবরাহ ইউনিট এর মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ, অধিকতর ভাল গ্রাহক সেবা প্রদান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

• বিআরইবি:
-
বাপবিবো এর মাধ্যমে বিআরইবি দেশের উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত।

• বাপবিবোর: 
- পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৮ সালে সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমানে ২০১৩ সালের ৫৭ নং আইন “পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড আইন, ২০১৩” অনুসারে বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
- সংস্থাটি ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে সমগ্র পল্লী অঞ্চলে ঘরে ঘরে নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ইতোমধ্যেই পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমে যথাযথ ব্যবস্থাপনা, গুণগত সেবা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% গ্রামাঞ্চলে এ প্রতিষ্ঠান সফলভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত আছে।

- পল্লী বিদ্যুতের ২০০৮ সালের গ্রাহক সংখ্যা ৭৪ লক্ষ থেকে বর্তমানে ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ (জুলাই,২২ অনুযায়ী) এবং বিদ্যুতায়নের হার ২৮% থেকে ১০০% এ উন্নীত হয়েছে। দেশ এখন শতভাগ বিদ্যুতায়িত। ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভৌগোলিক এলাকায় টেকসই, গুণগতমান সম্পন্ন, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাপবিবো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০% গ্রামাঞ্চলে এ প্রতিষ্ঠান সফলভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত আছে।

তথ্যসূত্র: নেসকো ও বাপবিবোর ওয়েবসাইট।
১,২৪১.
বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া প্রথম সমুদ্র জাহাজ কোনটি?
  1. সোনার বাংলা
  2. বিএনএস পদ্মা
  3. স্টেলা মেরিস
  4. বাংলার দূত
সঠিক উত্তর:
স্টেলা মেরিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেলা মেরিস
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি: 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল। 
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে।
- জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল ১২৩ কোটি টাকা। 

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট ,২৪ জুন, ২০২৪।
১,২৪২.
নিচের কোন জেলা রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. যশোর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রেশম গুটি:
- রেশম উৎপাদন বা রেশমচাষ প্রথম চীন দেশে উদ্ভাবিত হয়
- পৃথিবীর বস্ত্রজগতে ‘রেশম’ বলতে তুঁতগাছের রেশমকেই বোঝায়।
- কারণ, পৃথিবীর সর্বমোট উৎপন্ন রেশমের শতকরা ৯৫ ভাগই আসলে তুঁত রেশম।
- রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত রাজশাহী জেলা।
-  ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতির ৬২নং অধ্যাদেশ দ্বারা রাজশাহীতে প্রধান কার্যালয়সহ বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১,২৪৩.
চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের মোট বাজেটের পরিমাণ জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ক) ১৫.১ শতাংশ
  2. খ) ১৬.৩ শতাংশ
  3. গ) ১৭.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ১৯.৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭.৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট বাজেটের পরিমাণ ৫,৬৮,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১৭.৯ শতাংশ। বাজেটে জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৩১ লক্ষ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। বাজেটে এডিপির পরিামাণ ২ লক্ষ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮.২ শতাংশ। মোট ঘাটতির পরিমাণ ১,৯০,০০০ কোটি টাকা।
[সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট এবং বাংলা ট্রিবিউন]
১,২৪৪.
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা কয়টি?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
ব্যাখ্যা
• শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি দপ্তর/অধিদপ্তর এবং একটি বোর্ড কাজ করছে।
• সংস্থাঃ
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প  করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
• দপ্তরঃ
১.বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২.বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

সোর্স : শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,২৪৫.
বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. গোয়াইনঘাট 
  2. আশুগঞ্জ
  3. পলাশ 
  4. ফেঞ্চুগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা কোথা স্থাপিত হয়- সিলেট জেলার ফঞ্চুগঞ্জে।
- এটি ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা নামে পরিচিত।

ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা:

- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- দেশের প্রথম সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- বিলুপ্ত হয় ৩০ জুন ২০১২ সালে।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

অন্যদিকে -
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি যমুনা নদী হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরত্বে ১৯৯২ সালে তারাকান্দি, জামালপুর জেলায় স্থাপিত হয়। 
- আশুগঞ্জ ফার্টিরাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ ঢাকা শহর হতে ১১০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে এবং আশুগঞ্জ রেলষ্টেশন থেকে ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে,  আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১৯৮১ সালে কারখানাটি স্থাপিত হয়।
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ কারখানাটি চিটাগাং শহর থেকে ২৪ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং কর্ণফূলী নদীর দক্ষিণ তীরে ১৯৮৭ সালে রাঙ্গাদিয়া, থানা- আনোয়ারা, চট্টগ্রাম  জেলায় স্থাপিত হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৪৬.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী কয় বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে?
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ২ বছর
  3. গ) ৩ বছর
  4. ঘ) ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ বছর
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,২৪৭.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানাটি কোন দেশের কারিগরী সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. জাপান
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

তথ্যসূত্র: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,২৪৮.
বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস:
- বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে অবস্থিত।

⇒ নিরাপত্তা মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে যে কোন স্বাধীন জাতির সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রতীক। দেশের ব্যাংক নোট ও কারেন্সী নোট এবং মূল্যবান নিরাপত্তা দলিলাদি দেশে মুদ্রণের উদ্দেশ্যে ১৯৮১ সনে গাজীপুরে সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস স্থাপনের কাজ শুরু হয়। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এর ২৭.১১.৮৩ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। ১৯৮৮ সনের জুন মাস থেকে ১ টাকার কারেন্সী নোট এবং একই বছরের নভেম্বর মাস থেকে ১০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোট পরীক্ষামূলক উৎপাদনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের পদযাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৮-১৯৮৯ সনে ২৮৮ মিলিয়ন পিস নোট উৎপাদিত হয়।

⇒ ব্যাংক ও কারেন্সী নোট ছাড়াও চেক, স্ট্যাম্প সরকারী বিল, বন্ড, শেয়ার, স্টক, ঋণপত্র, নিরাপত্তা প্রত্যায়নপত্র, জমাদানের প্রত্যায়নপত্র, লগ্নিকারী বিশেষ প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের ইউনিট এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের জন্য পূর্বোক্ত ধরনের দলিলাদি ছাপানো হচ্ছে।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে 'বাংলাদেশ ব্যাংক' ১৯৭২ সালে ৪ মার্চ ১ টাকা ও ১০ টাকার কাগজের নোট প্রচলন করেন।
- স্বাধীনতার পর বিদেশ থেকে কাগজের নোট মুদ্রণ করা হতো।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে গাজীপুরে 'দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ' প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হয় আন্তর্জাতিক মানের কাগজের নোট মুদ্রণ।
- বর্তমানে বাংলাদেশের কাগজের নোট স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে।

উৎস: দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ।
১,২৪৯.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি?
  1. জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. আড়াইহাজার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত। এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,২৫০.
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড-এর প্রধান কাঁচামাল কী? 
  1. পাট
  2. কাঠের টুকরা
  3. বাঁশ
  4. আখ
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (KPM) চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশের বৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কারখানা হিসেবে পরিচিত।
- মিলটির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে বাঁশ। 
- ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (PIDC) এ মিলটি প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে এটি বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প কর্পোরেশন (BCIC) কর্তৃক পরিচালিত হয়। 

উৎস: কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড, চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি।

১,২৫১.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর
  3. গ) সোনাদিয়া ট্যুরিজম পার্ক
  4. ঘ) বে ইকোনমিক জোন
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর।
এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে নির্মিত হচ্ছে যার আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।
(সূত্রঃ বেজা ওয়েবসাইট এবং বনিকবার্তা)
১,২৫২.
দেশের প্রথম কাগজ কল স্থাপিত হয়েছিল কোন জেলায়? 
  1. পাবনা
  2. রাঙামাটি
  3. খুলনা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড। 
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এদেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যসূত্র: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।

১,২৫৩.
Bangladesh Rice Research Institute কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফার্মগেট
  2. খ) আগারগাঁও
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) সাভার
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
BRRI এ পর্যন্ত ধানের মোট ১০৫টি আধুনিক জাত উদ্ভাবন করেছে।
(সূত্রঃ Bangladesh Rice Research Institute ওয়েবসাইট)
১,২৫৪.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

১,২৫৫.
জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ-এর সভাপতি কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বিনিয়োগ মন্ত্রী
  3. শিল্পমন্ত্রী
  4. বাণিজ্যমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ:
- জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) হল শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পরিষদ।
- দেশব্যাপী ব্যাপক ভিত্তিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) গ্রহণ করে থাকে।
- এর সভাপতি: প্রধানমন্ত্রী।
- সহ-সভাপতি: মন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রণালয়। 

⇒ প্রতি ছয় মাসে পরিষদ একবার সভায় মিলিত হবে। শিল্প মন্ত্রণালয় এ পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
- পরিষদের সদস্য হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর উল্লেখ থাকলেও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রীও এর অন্তর্ভুক্ত হবেন।
- পরিষদ আবেদনকারী কোন উদীয়মান যোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাতে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা দিতে পারবে। বিদ্যমান অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাতের পর্যালোচনা ও তালিকা হালনাগাদ করাসহ প্রদেয় প্রণোদনাসমূহের ধরন ও শর্ত নির্ধারণ করবে এবং শিল্পনীতি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করবে।
- বিশেষ প্রয়োজন বিবেচনায় পরিষদে আরো সদস্য কো-অপ্ট করা যাবে। যখন কোন সুনির্দিষ্ট উপ-খাত বিষয়ক আলোচনা হবে তখন উপ-খাতের প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

উৎস:জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ ওয়েবসাইট।
১,২৫৬.
চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট কতটি চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ১৬৪টি
  2. খ) ১৬৫টি
  3. গ) ১৬৭টি
  4. ঘ) ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,২৫৭.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোন জেলায় স্থাপিত হয়?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১,২৫৮.
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন কোনটি?
  1. BGMA
  2. BGM
  3. FBCCI
  4. BGMEA
সঠিক উত্তর:
BGMEA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BGMEA
ব্যাখ্যা

বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।

১,২৫৯.
In which district the Burimari land port is situated?
  1. Kurigram
  2. Rangpur
  3. Lalmonirhat
  4. Nawabganj
সঠিক উত্তর:
Lalmonirhat
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lalmonirhat
ব্যাখ্যা
বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপেজলার বুড়িমারী সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেখলিগঞ্জ মহাকুমার চেংড়াবান্ধা এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ সালে বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৯ এপ্রিল ২০১০ সালে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- স্থলবন্দরটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা হয়।

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ও বুড়িমারী স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।
১,২৬০.
ডিএসই এর প্রধান সূচক কোনটি?
  1. DSEX Index
  2. DSES Index
  3. DS30 Index
  4. বর্নিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্নিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্নিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে সূচক পদ্ধতি অবলম্বন করে।
- সাধারণ শেয়ার বাজারের গতি বা সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সূচক ব্যবহার করা হয়।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর ইনডেক্স:
- DSEX Index,
- DSES Index,
- DS30 Index.

উল্লেখ্য,
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- এটি শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উৎস: DSE ওয়েবসাইট।
১,২৬১.
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্যে দেশে মোট কয়টি ব্লক রয়েছে?
  1. ক) ২২ টি
  2. খ) ২৪ টি
  3. গ) ২৬ টি
  4. ঘ) ২৮ টি
  5. ঙ) ৪৮ টি
সঠিক উত্তর:
ঙ) ৪৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) ৪৮ টি
ব্যাখ্যা
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্যে সমগ্র দেশকে ৪৮ টি ব্লকে ভাগ করা হয়। এর মধ্য স্থলভাগে ব্লক রয়েছে ২২ টি এবং সমুদ্রে ব্লক রয়েছে ২৬ টি যার মধ্যে ১১টি অগভীর অংশে ও ১৫টি গভীর সাগরে।। (সূত্রঃ পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট ও দৈনিক সমকাল)
১,২৬২.
বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কি নামে পরিচিতি?
  1. ক) কুষ্টিয়া গ্রেড
  2. খ) চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
  3. গ) ঝিনাইদহ গ্রেড
  4. ঘ) মেহেরপুর গ্রেড
সঠিক উত্তর:
ক) কুষ্টিয়া গ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বেঙ্গল:
- বাংলাদেশে ছাগলের প্রধান জাতের নাম হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল।
- দেশের মোট পালিত ছাগলের প্রায় ৯০ ভাগের অধিক হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল।
- এই ছাগলের চামড়া ও মাংস অত্যন্ত উন্নত মানের। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, যশোর ও ঝিনাইদহ অঞ্চলে এই ছাগলের পালন অধিক হয়।
- এ কারণে বিশ্ববাজারে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই)
১,২৬৩.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি: 
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড হলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- বিএমটিএফ-এ রয়েছে ১৯টি কার্যকরী কারখানা।
- সেনাবাহিনী প্রধান এর বোর্ড চেয়ারম্যান ।
- সেনাবাহিনী প্রধান বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

১,২৬৪.
IDRA এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. International Development Regulation Authority
  2. Insurance Development and Regulatory Authority
  3. Insurance Dealing Research Authority
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Insurance Development and Regulatory Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insurance Development and Regulatory Authority
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRA এর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,২৬৫.
নিচের কোনটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল?
  1. ক) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. খ) গার্মেন্টস শিল্প পার্ক
  3. গ) আলুটিলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. ঘ) আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
খ) গার্মেন্টস শিল্প পার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গার্মেন্টস শিল্প পার্ক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। যার মধ্যে সরকারি ৬৮টি এবং বেসরকারি ২৯টি। 
সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর (Bangabandhu Sheikh Mujib Shilpa Nagar)
- আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Anowara Economic Zone)
- আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল (Araihajazar Economic Zone)
- নারায়ণগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Narayanganj Economic Zone)
- আলুটিলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Alutila Special Tourism Zone)
 
বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Meghna Industrial Economic Zone)
- আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (Abdul Monem Economic Zone)  
- গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (Garments Industries Park)
 
উৎস: বেজা ওয়েবসাইট 
১,২৬৬.
বুড়িমারি স্থল বন্দর নিচের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) রংপুর
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
• বুড়িমারী স্থলবন্দর :
- লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বুড়িমারী সীমান্তেএ স্থল বন্দর অবস্থিত।
- ভারত, ভূটান এবং নেপালের সঙ্গে স্থলপথে মালামাল আমদানী ও রপ্তানির সুবিধার্থে বুড়িমারী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ বন্দরটি চালু করা হয় ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, ভূটান ও নেপাল হতে কয়লা, কাঠ, টিম্বার, পাথর, সিমেন্ট, চায়না ক্লে, বল ক্লে, কোয়ার্টজ, রাসায়নিক সার, কসমেটিক সামগ্রী, পশু খাদ্য, বিভিন্ন ধরণের ফলমূল, পিঁয়াজ, রসুন, আদা, চাল, ডাল, গম, বিভিন্ন ধরণের বীজ, তামাক ডাটা প্রভৃতি মালামাল আমদানী করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা হয় ইলিশ মাছ, মেলামাইনের তৈরী বাসনপত্র এবং ঔষধ সহ কতিপয় মালামাল। 

সূত্র: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। 
১,২৬৭.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট-এর তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

চা:

- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে।
- চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে।
- কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট। [link]
ii) উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,২৬৮.
‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’ এর চেয়ারপারসন হলেন-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’ নিম্নরূপে গঠন করেছে-
প্রধানমন্ত্রী: চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়: বিকল্প চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: ভাইস চেয়ারপারসন
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যগণ: সদস্য
সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ: সদস্য-সচিব
[সূত্র- বাংলাদেশ গেজেট, ১৫ এপ্রিল ২০১৯]
১,২৬৯.
কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. খাগড়াছড়ি
  3. হবিগঞ্জ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৭০.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করে -
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. চীনে
  3. কানাডায়
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি পরিস্থিতি (২০২৪-২৫ অর্থবছর, জুলাই-জুন):
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করে - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার হিসেবে বরাবরের মতো ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-জুন সময়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
- উক্ত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে মোট ৮,৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য, যা মোট রপ্তানির ১৮.০০%।
• বাংলাদেশের মোট রপ্তানি পণ্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গেছে:
- ওভেন পোশাকের : ২৭.২১%।
- নিটওয়্যার : ১২.২৭%।
- হোম টেক্সটাইল : ১৪.৯৯%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,২৭১.
বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা বাগান গড়ে উঠে কোথায়?
  1. ক) কুমিরায়
  2. খ) রামুতে
  3. গ) মালিনীছড়ায়
  4. ঘ) বড়লেখা
সঠিক উত্তর:
গ) মালিনীছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মালিনীছড়ায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালিনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু হয়। বর্তমানে দেশে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও রাঙামাটি জেলায় মোট ১৬৭টি চা বাগান ও টি এস্টেট রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং দৈনিক প্রথম আলো)
১,২৭২.
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন কোনটি?
  1. বিজিএমইএ (BGMEA)
  2. বিকেএমইএ (BKMEA)
  3. এফবিসিসিআই (FBCCI)
  4. ডিসিসিআই (DCCI)
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই (FBCCI)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই (FBCCI)
ব্যাখ্যা

এফবিসিসিআই:
- FBCCI-এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
- এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এফবিসিসিআই দেশব্যাপী চেম্বার ও সমিতিসমূহ গঠনে সহায়তা প্রদান করে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ, শিল্প-বাণিজ্য, কৃষি, পর্যটন, মানবসম্পদ এবং যোগাযোগসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
- ফেডারেশন অভিন্ন স্বার্থের প্রশ্নে দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও বণিক সমিতিসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে।
- এফবিসিসিআই শিল্প ও বাণিজ্য মেলা আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বণিক সমিতির সঙ্গে কাজ করে।
- এফবিসিসিআই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ফোরামের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে বহির্বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।
- বিদেশী বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ সহযোগী নির্বাচনে কাজ করে এফবিসিসিআই।
- দেশের শিল্প ও বাণিজ্য স্বার্থ সংরক্ষণে এফবিসিসিআই সদস্য হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এফবিসিসিআই বিভিন্ন দেশের জাতীয় বাণিজ্য সংস্থাসমূহের সঙ্গে যৌথ চেম্বার/সহযোগিতা চুক্তি করেছে।

উৎস: এফবিসিসিআই ওয়েবসাইট।

১,২৭৩.
Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS)-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও
  2. মিরপুর
  3. ফার্মগেট
  4. সেগুনবাগিচা
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও
ব্যাখ্যা

BIDS:
- BIDS-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Institute of Development Studies বা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি সংস্থা যা বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির মুখোমুখি উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: জুন, ১৯৪৭ সাল (পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে)।
- প্রধান কার্যালয়: আগারগাঁও , ঢাকা।

উলেখ্য,
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালে একটি সংসদীয় সনদ প্রদান করা হয় এবং উন্নয়ন গবেষণার বহুমুখী কেন্দ্রবিন্দু প্রতিফলিত করার জন্য ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট (BIDS)। 

⇒ লক্ষ্য: নির্ভরযোগ্য গবেষণা পরিচালনা, নীতি সংলাপ প্রচার, নীতিগত বিকল্পগুলি প্রচার এবং তথ্যবহুল নীতি নির্ধারণের জন্য জোট তৈরির মাধ্যমে উন্নয়ন সমাধানগুলিতে শেখার সুবিধা প্রদান করা।
- ইনস্টিটিউট গবেষণা পদ্ধতির উপর প্রশিক্ষণও পরিচালনা করে এবং উন্নয়নমূলক হস্তক্ষেপের মূল্যায়নও করে।
- এই লক্ষ্যে, বিআইডিএস বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলির উপর বিশ্লেষণাত্মক এবং নীতিনির্ধারিত গবেষণা পরিচালনার জন্য আর্থ-সামাজিক তথ্য সংগ্রহ এবং তৈরিতে জড়িত এবং নীতি নির্ধারণে সহায়তা করার জন্য উন্নয়নমূলক উদ্বেগের উপর গবেষণার ফলাফল এবং জ্ঞান প্রচার করে।

উৎস: BIDS ওয়েবসাইট।

১,২৭৪.
বাংলাদেশ থেকে প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানি করে কোন গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান?
  1. দেশ গার্মেন্টস
  2. রিয়াজ গার্মেন্টস
  3. আজিম গ্রুপ
  4. বেক্সিমকো টেক্সটাইলস
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

• রিয়াজ গার্মেন্টস:
- রিয়াজ গার্মেন্টস স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে ‘মেসার্স রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল দেশের প্রথম রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা।
- প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়।
- ১৯৭৮ সালে তারা প্যারিসভিত্তিক এক ফার্মের কাছে ১০ হাজার পিস ছেলেদের শার্ট রপ্তানি করে।
 
উল্লেখ্য,
- এই রপ্তানির মোট মূল্য ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাংক, যা তখনকার বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকার সমান।
- এই রপ্তানিটিই স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকের প্রথম বাণিজ্যিক রপ্তানি হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেয়।

উৎস: The Business Standard. 

১,২৭৫.
BEPZA কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
 ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু- ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড- ঢাকার সাভারে।
- বাংলাদেশে একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড - উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
১,২৭৬.
বাংলাদেশে সরকারী ইপিজেড রয়েছে কয়টি?[মে,২০২৫]
  1. ৮ টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে। [মে,২০২৫]
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- উত্তরা ইপিজেড একমাত্র কৃষি ভিত্তিক ইপিজেড।
- উত্তরা ইপিজেড নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা জুলাই, ১৯৯৯ এবং উদ্বোধন জুলাই, ২০০১।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হলো চট্টগ্রাম ইপিজেড,
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- দ্বিতীয় ইপিজেড হলো ঢাকা ইপিজেড, এটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১,২৭৭.
বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র-
  1. ক) বিআইএম
  2. খ) বিএবি
  3. গ) বিএসটিআই
  4. ঘ) বিটাক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিটাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিটাক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র-বিটাক (Bangladesh Industrial and Technical Assistance Center-BITAC):ষ।
- দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে আসছে বিটাক। 
- এর ফলে শিল্প ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরিসহ গবেষণার মাধ্যমে আমদানি বিকল্প যন্ত্রাংশ তৈরি করার মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে আসছে বিটাক। 

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,২৭৮.
নিচের কোনটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
  2. খ) বাংলাদেশ চা বোর্ড
  3. গ) বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
  4. ঘ) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ চা বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ চা বোর্ড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়
- 'বাংলাদেশ চা বোর্ড' - বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ সংস্থা।
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১,২৭৯.
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন পরিচালিত বর্তমানে দেশে কয়টি চিনিকল রয়েছে? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৩টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।

⇒ করপোরেশনের আওত্তাধীন চিনিকলসমূহ:
- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি-
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি-
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি-
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি-
- রংপুর সুগার মিলস লি-
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি-
- নাটোর সুগার মিলস লি-
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,২৮০.
জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি কে?
  1. শিল্পমন্ত্রী
  2. বাণিজ্যমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ:
- জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) হল শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পরিষদ।
- দেশব্যাপী ব্যাপক ভিত্তিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) গ্রহণ করে থাকে।
- এর সভাপতি: প্রধানমন্ত্রী।
- সহ-সভাপতি: মন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রণালয়।
- প্রতি ছয় মাসে পরিষদ একবার সভায় মিলিত হবে। শিল্প মন্ত্রণালয় এ পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
- পরিষদের সদস্য হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর উল্লেখ থাকলেও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রীও এর অন্তর্ভুক্ত হবেন।
- পরিষদ আবেদনকারী কোন উদীয়মান যোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাতে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা দিতে পারবে। 

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১,২৮১.
বাংলাদেশে তাঁত গবেষণা বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রামে
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নরসিংদী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে তাঁত গবেষণা বোর্ড অবস্থিত নরসিংদী।
• রেশম গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত রাজশাহী।
• চা বোর্ড অবস্থিত চট্টগ্রামে।
• বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী অবস্থিত কুমিল্লা।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
১,২৮২.
’বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি’ দিনাজপুরের কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. বিরামপুর
  2. পার্বতীপুর
  3. ফুলবাড়ী
  4. হাকিমপুর
সঠিক উত্তর:
পার্বতীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বতীপুর
ব্যাখ্যা

• বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর বাজারের দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি।
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই খনি থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়ে থাকে। 
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয় ।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে ।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৮৩.
প্রথমবারের মতো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল কোন দেশে রপ্তানি হয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স 
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল:
- প্রথমবারের মতো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে। 

⇒ ২০২৫ সালের ১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ক্লিনগ্রিড ইনকরপোরেশনের কাছে প্রথম চালানটি পাঠানো হয়।
- দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রেডিয়েন্ট অ্যালায়েন্স যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো সোলার (সৌর) পিভি মডিউল রপ্তানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ চেইনে যুক্ত করল।
- ২১৫ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের চার বছর মেয়াদি এ রপ্তানি চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত মোট ৬৪ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট সোলার মডিউল সরবরাহ করবে। এর মধ্যে ২০২৫ সালেই ১২ দশমিক ৪০ মেগাওয়াট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
- আশুলিয়ার সাভারে অবস্থিত রেডিয়েন্ট অ্যালায়েন্সের সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় কারখানায় ১০০ ও ২০০ ওয়াট ক্ষমতার সোলার মডিউল উৎপাদিত হচ্ছে। বছরে ৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার এ কারখানাটি দেশের অন্যতম আধুনিক উৎপাদন প্ল্যান্ট।

উৎস: The Business Standard.
১,২৮৪.
নিচের কোনটি 'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত?
  1. চিংড়ি
  2. পাট
  3. রূপচাঁদা
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা

হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।

১,২৮৫.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান কত? (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪)
  1. ৩৭.৮৯ শতাংশ
  2. ৩৭.৯৫ শতাংশ
  3. ৩৮.৩২ শতাংশ
  4. ৩৮.৬৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিতে:
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে –
- শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ।
- পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,২৮৬.
বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা-
  1. ক) ICB
  2. খ) DSE
  3. গ) BB
  4. ঘ) BSEC
সঠিক উত্তর:
ঘ) BSEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) BSEC
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।
- বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ দুটো। এগুলো হলোঃ
১) DSE (Dhaka Stock Exchange) এবং
২) CSE (Chittagong Stock Exchange)।

উৎসঃ BSEC এর ওয়েবসাইট।
১,২৮৭.
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) সাভার
  2. খ) সীতাকুণ্ড
  3. গ) রূপপুর
  4. ঘ) পার্বতীপুর
সঠিক উত্তর:
গ) রূপপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রূপপুর
ব্যাখ্যা
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে।
অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
এটির উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
(সূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)
১,২৮৮.
দেশে প্রয়োজনীয় ঔষধের কত শতাংশ দেশে উৎপাদন হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৭৫ শতাংশ
  2. ৮১ শতাংশ
  3. ৮৭ শতাংশ
  4. ৯৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ওষুধশিল্প:
- দেশে প্রয়োজনীয় ঔষধের ৯৮ শতাংশ দেশে উৎপাদন হয়।

⇒ স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। 
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলঙ্কায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
         ii) প্রথম আলো।

১,২৮৯.
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক
  2. চা
  3. পাট
  4. সার
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- তৈরি পোশাক বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

এছাড়াও,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) বাংলাদেশ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো -ইপিবি’র বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশের তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ।
- ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অর্থমূল্য বিবেচনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া শীর্ষ পণ্যগুলো হলো পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হোম টেক্সটাইল এবং পাট ও পাটজাত পণ্য।
- মোট রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা পণ্য পোশাকের অংশ ছিল ৮১ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,২৯০.
কালনা সেতু কোন নদীর উপর অবস্থিত? 
  1. যমুনা নদী 
  2. আত্রাই নদী 
  3. করতোয়া নদী 
  4. মধুমতী নদী
সঠিক উত্তর:
মধুমতী নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুমতী নদী
ব্যাখ্যা

কালনা সেতু:
- কালনা সেতু যা মধুমতী সেতু নামেও পরিচিত।
- এটি দেশের প্রথম ৬ লেনবিশিষ্ট সেতু। 
- সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১০ মিটার।
- উভয় পাশে সংযোগ সড়ক ৪ দশমিক ২৭৩ কিলোমিটার, যার প্রস্থ ৩০ দশমিক ৫০ মিটার।
- সেতুর মধ্যখানে বসানো হয়েছে ১৫০ মিটার স্টিলের দীর্ঘ স্প্যান।
- সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
- সওজের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় জাইকার অর্থায়নে এ সেতু নির্মিত হয়েছে।

⇒ নড়াইল, খুলনা, মাগুরা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাকে সরাসরি সংযুক্ত করছে এই সেতু।
- নিয়েলসন-লোহসে আর্চ ডিজাইন পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্মিত হয়েছে। জাপানে এই নকশা অত্যন্ত কার্যকর এবং সুপরিচিত। এই নকশার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ইস্পাতনির্মিত খিলান সুপারস্ট্রাকচার, যা সেতুকে একটি স্বতন্ত্র এবং দৃষ্টিনন্দন রূপ দেয়।

উৎস: প্রথম আলো।

১,২৯১.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে কতজনের অধিক শ্রমিক কাজ করে?
  1. ২০০
  2. ২৩০
  3. ২৫০
  4. ৩০০
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১,২৯২.
’সোনাহাট স্থলবন্দর’ স্থলবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. খাগড়াছড়ি
  3. পঞ্চগড়
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
• সোনাহাট স্থলবন্দর:
- সোনাহাট স্থলবন্দরটি কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সীমান্তে অবস্থিত।
- সোনাহাট স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ী জেলার গোলকগঞ্জ সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ২৫ অক্টোবর, ২০১২ খ্রিঃ তারিখের এসআর ও নং ৩৬৪ আইন/২০১২ মোতাবেক সোনাহা টস্থলশুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।
- পরবর্তীতে ০৯ জুন ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে সোনাহাট স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
-  ০১ জুলাই ২০১৮ খ্রিঃ তারিখ হতে সোনাহাট স্থলবন্দরের সামগ্রিক অপারেশনাল কার্যক্রম চালু হয় ।

অন্যদিকে,
• রামগড় স্থলবন্দর - রামগড়, খাগড়াছড়ি।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,২৯৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো কোন দেশে আম রপ্তানি শুরু হয়েছে? [জুন, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
আম রপ্তানি:
- বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো চীনে আম রপ্তানি শুরু হয়েছে।
- প্রথম দফায় ২৮ মে, ২০২৫ তারিখে ১০ টনের  আমের চালান চীনে যায়।
- প্রথম চালানে সাতক্ষীরা, যশোর অঞ্চলের আম রপ্তানি করা হয়।
- এ মৌসুমে সব মিলিয়ে ১০০ টন আম রপ্তানি হবে।

উল্লেখ্য,
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আম উৎপাদিত হয়েছে ২৪ লাখ টন।
- এর মধ্যে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৩২১ টন।
- বাংলাদেশ থেকে গত বছর ২১টি দেশে আম রপ্তানি করা হয়েছে।
- এর মধ্যে যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ইতালি ও সিঙ্গাপুরের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,২৯৪.
Which is the first non-government EPZ in Bangladesh?
  1. ক) Adamjee EPZ
  2. খ) Karnaphuli EPZ
  3. গ) Comilla EPZ
  4. ঘ) Mongla EPZ
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ঙ) None
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) None
ব্যাখ্যা
- সরকারি ইপিজেড ৮টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড। ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- সর্বশেষ ইপিজেড হলো কর্ণফুলী ইপিজেড যা বেসরকারি।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড এর নাম - Korean Export Processing Zone (KEPZ), চট্টগ্রাম।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১,২৯৫.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রের ইতিহাস:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।

এছাড়া,
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৯৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):

- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,২৯৭.
বর্তমানে BSFIC -এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের সংখ্যা কতটি?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা

 BSFIC :
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (BSFIC) হলো দেশের চিনি ও খাদ্য শিল্প খাতের সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- BSFIC-এর পূর্ণরূপ : Bangladesh Sugar and Food Industry Corporation.
- এটি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- এর সদর দপ্তর ঢাকায় (চিনিশিল্প ভবন) অবস্থিত।
- বর্তমানে BSFIC -এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের সংখ্যা- ১৫টি , একটি ডিস্টিলারি প্ল্যান্ট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে।

   উল্লেখ্য,
- এর কাজ হলো চিনি উৎপাদন, গুড়, মোলাসেস এবং অন্যান্য খাদ্য ও শিল্পজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা।
- প্রতিষ্ঠানটি আখ চাষ ও সরবরাহে কৃষকদের সহায়তা প্রদান করে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- এছাড়াও, চিনি শিল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।
- কিন্তু, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আখের ফলন কমে যায়।
- অনিয়মিত বৃষ্টি, খরা, বন্যা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে চিনির উৎপাদন ও সরবরাহে প্রভাব পড়ে।

  উৎস : বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট।

১,২৯৮.
বর্তমানে বাংলাদেশে শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. ব্রাজিল
  3. ক্যামেরুন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- এই দেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,২৯৯.
যমুনা সার কারখানা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. জামালপুর
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানা:
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।

- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

সূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৩০০.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের প্রধান কাঁচামাল-
  1. ক) আখের ছোবড়া
  2. খ) বাঁশ
  3. গ) সুন্দরী কাঠ
  4. ঘ) নলখাগড়া
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরী কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরী কাঠ
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা। খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে। কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়। কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)]