বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

মোট প্রশ্ন১,৭৮৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য

PrepBank · পাতা ১২ / ১৮ · ১,১০১১,২০০ / ১,৭৮৪

১,১০১.
BIDA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. বাংলাদেশ বিনিয়োগ ও ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি
  2. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন
  4. বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল অথরিটি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা

বিনিয়োগ বোর্ড:
- BIDA এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- BIDA এর পূর্বতন প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল বিনিয়োগ বোর্ড।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- বিনিয়োগ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৯ সালে।
- ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড, যা ২০০০ সালে প্রাইভেটাইজেশন কমিশন নামে রুপান্তরিত হয় সেটিকে একত্রিত করে সরকার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) প্রতিষ্ঠা করে।
- বিনিয়োগ বোর্ডের লক্ষ্য ছিল দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, অর্থনীতিতে বিশেষ করে বেসরকারি খাত এবং বিদেশি বেসরকারি পুঁজির অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপযোগী সরকারি নীতির বাস্তবায়ন ঘটানো।
- এর পরিচালনায় ছিল নির্বাহী সদস্যবৃন্দ এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাহী পরিষদ।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। (অক্টোবর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - বিনিয়োগ বোর্ড ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,১০২.
সমগ্র দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে নিয়োজিত আছে -
  1. ক) পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)।
  2. খ) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
  3. গ) বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড
  4. ঘ) ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ
সঠিক উত্তর:
ক) পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)।
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা:
- সমগ্র দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে নিয়োজিত আছে - পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)।

বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা:
- বর্তমানে বিদ্যুৎ বিতরণ খাতে ৬টি বিতরণ সংস্থা/কোম্পানি দায়িত্ব পালন করছে।
যথা:
(১) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো)।
(২) বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো)।
(৩) ঢাকা পাওয়ার ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ (ডিপিডিসি)।
(৪) ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিঃ (ডেসকো)।
(৫) ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ (ওজোপাডিকো)।
(৬) নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিঃ (নেসকো)।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
১,১০৩.
বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. হবিগঞ্জ
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,১০৪.
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ কত মিলিয়ন মার্কিন ডলার?
  1. ক) ৩৩২.৬৩ মি. ডলার
  2. খ) ৬৪২.৭৬ মি. ডলার
  3. গ) ৮৮২.৩৫ মি. ডলার
  4. ঘ) ৯৯২.৪৮ মি. ডলার
সঠিক উত্তর:
গ) ৮৮২.৩৫ মি. ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮৮২.৩৫ মি. ডলার
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৮৮২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আয়ের দিক থেকে রপ্তানি তালিকায় পাট ও পাটজাত পণ্যের অবস্থান ছিলো দ্বিতীয়।
তবে গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার (৮২.৪ কোটি মা. ডলার) চেয়ে ৭.০৮ ভাগ বেশি পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১,১০৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার কোথায় অবস্থিত?
  1. শিবপুর উপজেলায় 
  2. বেলাব উপজেলায় 
  3. পলাশ উপজেলায় 
  4. মনোহরদী উপজেলায় 
সঠিক উত্তর:
পলাশ উপজেলায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাশ উপজেলায় 
ব্যাখ্যা

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
→ দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
→ এটি নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত।
→ দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।
→ ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
→ সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
→ এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
→ এটি দেশে 'অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ' সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস:- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।

১,১০৬.
চীনের বাজারে বাংলাদেশের মোট শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত রপ্তানি পণ্যের সংখ্যা-
  1. ক) ৮ হাজার ২৫৬টি
  2. খ) ৫ হাজার ১৬১টি
  3. গ) ৩ হাজার ৯৫টি
  4. ঘ) ৭ হাজার ৪৫৬টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ হাজার ২৫৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ হাজার ২৫৬টি
ব্যাখ্যা
চীনের বাজারে মোট শুল্কমুক্ত পণ্যের সংখ্যা ৮ হাজার ২৫৬টি। ফলে চীনে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশই শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় এসেছে। ১ জুলাই, ২০২০ থেকে এ সুবিধা কার্যকর হয়েছে।
[সূত্রঃ প্রথম আলো পত্রিকা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়]
১,১০৭.
উৎপাদন খাতে নিয়োজিত বৃহৎ শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য কত হতে হয়?
  1. ক) ১৫ কোটি
  2. খ) ৩০  কোটি
  3. গ) ২০ কোটি
  4. ঘ) ২৫ কোটি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০  কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০  কোটি
ব্যাখ্যা
 বৃহৎ শিল্প
- বৃহৎ শিল্প বলতে বোঝায় বড় শিল্প।
- যে সকল শিল্পে অধিক মূলধন, অনেক শ্রমিক বা লোকবল ও প্রচুর পরিমানে কাঁচামাল ব্যবহার করে আধুনিক তথা উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে বিপুল পরিমাণ দ্রব্য বা পণ্য সামগ্রী উৎপাদন করা হয় তাকে বৃহৎ বা বৃহদায়তন শিল্প বলে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় ) ৫০  কোটির অধিক বা ৩০০ জনেরও বেশি শ্রমিক থাকলে বৃহৎ শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- সেবা খাতে  জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয়) ৩০ কোটি বা ১২০ জনেরও বেশি শ্রমিক থাকলে বৃহৎ শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- পাট, বস্ত্র, সিমেন্ট, কাগজ, সার ইত্যাদি বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্পের উদাহরণ।

অন্যদিকে -
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয়) সর্বনিম্ন ১৫ কোটি থেকে সর্বোচ্চ ৫০  কোটি বা ১২১ থেকে ৩০০ জন শ্রমিক থাকলে মাঝারি শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে,  জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় ) ৭৫ লক্ষ থেকে ১৫ কোটি বা ৩১ থেকে ১২০ জন শ্রমিক থাকলে ক্ষুদ্র শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় )  ১০ লক্ষ থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা বা ১৬ থেকে ৩০ জন শ্রমিক থাকলে মাইক্রো শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, শিল্পের শ্রেণীবিভাগ, khulna.gov.bd.
১,১০৮.
কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নেই?
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) ইসরাইল
  3. গ) তাইওয়ান
  4. ঘ) ইরান
সঠিক উত্তর:
খ) ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ইসরাইলের বাণিজ্যিক কিংবা কূটনৈতিক কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।
অন্যদিকে,
- তাইওয়ানের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- ইরান ও আফগানিস্তানের সাথে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
১,১০৯.
ট্যারিফ কমিশন এর বর্তমান নাম কী?
  1. ক) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন
  2. খ) বাংলাদেশ ট্রেড কমিশন
  3. গ) ট্যারিফ ট্রেডিং কমিশন অব বাংলাদেশ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড টেক্স কমিশন
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
• ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
•  বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
•  ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে  পূর্ণগঠিত  হয়।
• ১৭ই জুন ,২০১৯ সালে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন এর নাম সংশোধন করে ‘বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন‘ করা হয়।
• বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।

সূত্র: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট।
১,১১০.
'গ্রীন এক্সপ্রেস' কোন ফসলের জাত?
  1. ক) মিষ্টিকুমড়া
  2. খ) পেঁয়াজ
  3. গ) বাঁধাকপি
  4. ঘ) তামাক
সঠিক উত্তর:
গ) বাঁধাকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাতঃ
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

১,১১১.
বাংলাদেশ প্রথম পোশাক রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ প্রথম পোশাক রপ্তানি করে ফ্রান্সে।

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:

- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১,১১২.
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাজ্য
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
রেমিট্যান্স:

- সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে সৌদি আরবের প্রবাসীরা দেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।
- দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৬ কোটি ৫২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।
- এ ছাড়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, কুয়েত, কাতার, ইতালি, মালয়েশিয়া, ওমান ও বাহরাইন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫২ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- আর ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশটি থেকে এসেছিল ৩৪৩ কোটি ৮৪ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, কুয়েত, কাতার, ইতালি, মালয়েশিয়া, ওমান ও বাহরাইন থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে যথাক্রমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০৩ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার, ২০৮ কোটি ০৪ লাখ ১০ হাজার, ১৫৫ কোটি ৫২ লাখ ৪০ হাজার, ১৪৫ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার, ১১৮ কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার, ১১২ কোটি ৫৮ লাখ ৬০ হাজার, ৭৯ কোটি ০৬ লাখ ৫০ হাজার ও ৫২ কোটি ৮২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ৪ জুলাই ২০২৩।
১,১১৩.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
১,১১৪.
বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায়?
  1. লাকসাম
  2. সৈয়দপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. আখাউড়া
সঠিক উত্তর:
সৈয়দপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি মালিকানা ও সরকার কর্তৃক পরিচালিত দেশের একটি মুখ্য পরিবহন সংস্থা।
- দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- এ কারণে সৈয়দপুরকে রেলওয়ে শহর বলা হয়।
- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করেই মূলত সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- নাট-বল্টু থেকে শুরু করে রেলওয়ের ব্রডগেজ ও মিটারগেজ লাইনের বগি মেরামতসহ সব কাজ করা হয়। 
- ১১০ দশমিক ২৯ একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কারখানাটিতে রয়েছে ২৮টি শপ (উপকারখানা)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ইত্তেফাক পত্রিকা নিউজ।
১,১১৫.
নিচের কোন দেশে বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. ক) সিঙ্গাপুর
  2. খ) ইউক্রেন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাজ্য
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- কানাডা
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- লিচেনস্টাইন
- নরওয়ে এবং
- সুইজারল্যান্ড।

(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১,১১৬.
Trading Corporation of Bangladesh কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.

⇒ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

উৎস: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট। 
১,১১৭.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. নীলফামারী
  3. রাজশাহী
  4. গাইবান্ধা
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা

• উত্তরা ইপিজেড:
- উত্তরা ইপিজেড দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড।
- এটি নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠিত হয়: জুলাই, ১৯৯৯।
- উদ্বোধন হয়: জুলাই, ২০০১।
- মোট আয়তন ২১৩.৬৬ একর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,১১৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে, দেশের মোট জিডিপির কত শতাংশ মৎস্য খাতের অবদান?
  1. ক) ৭.৫০ শতাংশ
  2. খ) ৫.৭৪ শতাংশ
  3. গ) ৩.৫৭ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.৫০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.৫৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.৫৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- মৎস্য খাতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৫.৭৪ শতাংশ।
- দেশের মোট জিডিপির ৩.৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র ২৬.৫০ শতাংশ মৎস্য খাতের অবদান।
- ২০১৯-২০ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ৪৫.০৩ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
১,১১৯.
বিজিএমইএ হলো _____ সমিতি।
  1. পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারক
  2. পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
  3. চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক
  4. ঔষধ রপ্তানিকারক
সঠিক উত্তর:
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ ফ্যাক্টরি।
- এর বর্তমান সভাপতি ফারুক হাসান।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
১,১২০.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. বাহরাইন 
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।

⇒  রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র, 
২. সৌদি আরব, 
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৪. যুক্তরাজ্য, 
৫. মালয়েশিয়া। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]

১,১২১.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৫.৭৩%
  2. ৩.৩৪%
  3. ৬.৭৩%
  4. ৪.৩৪%
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:
- শিল্প (Industry) খাত - সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে, জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১.৭৯ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৪.৫১% শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।

১,১২২.
জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ
  2. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
  3. সাভার, ঢাকা
  4. আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
Special Economic Zone (SEZ):
- একটি দেশের নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত সেই সকল অঞ্চল যেগুলি দেশের আন্যান্য অঞ্চলের তুলজ অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারী নীতি নিয়মের ব্যাপারে অধিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করে তাদের SEZ বলে। উদ্দেশ্য:
(i) দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা,
(ii) রপ্তানী বৃদ্ধি করা,
(iii) সরকারী নিয়মনীতির জটিলত নেই বলে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ বোধ করা।
(iv) উৎপাদনমূলক ও পরিষেবামূলক শিল্পে সুলঙ্গে আন্তর্জাতিক গুণমানের পণ্য উৎপাদন করা।
(v) সহজে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা ও দেশের অর্থনৈতি উন্নতি তরান্বিত করা।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম স্পেশাল ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।
১,১২৩.
Adamjee EPZ is located in -
  1. Chittagong
  2. Bagerhat
  3. Khulna
  4. Dhaka
  5. Narayanganj
সঠিক উত্তর:
Narayanganj
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Narayanganj
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।
১,১২৪.
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। (এপ্রিল, ২০২৫)
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

⇒ বেপজার উদ্দেশ্য:
• বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
• রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
• চাকরির সুযোগ তৈরি করা।
• দারিদ্র্য বিমোচন।
• প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।
১,১২৫.
আদমজী ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. মানিকগঞ্জ
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।
১,১২৬.
নিচের কোনটি অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. হোম টেক্সটাইল
  3. শাকসবজি
  4. তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
হোম টেক্সটাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোম টেক্সটাইল
ব্যাখ্যা
- যেসব রপ্তানি পণ্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে উৎপন্ন কিংবা কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস অথবা মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি তাদের প্রচলিত রপ্তানি পণ্য বিবেচনা করা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- কাঁচা পাট
- পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- তামাক (আংশিক)
- ফল
- চিংড়ি
- মসলা (স্থানীয়) প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম তাদের অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- বাইসাইকেল
পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস
- ফুটওয়্যার
- পিভিসি ব্যাগস প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১,১২৭.
’বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি’ বাংলাদেশের কোন উপজেলা অবস্থিত?
  1. বীরগঞ্জ
  2. পার্বতীপুর
  3. ফুলবাড়ী
  4. হাকিমপুর
সঠিক উত্তর:
পার্বতীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বতীপুর
ব্যাখ্যা

• বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর বাজারের দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই খনি থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়ে থাকে। 
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয় ।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে ।

উৎস: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।

১,১২৮.
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (BSEC) এর ব্যবস্থাপনায় কয়টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে-
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (BSEC) এর ব্যবস্থাপনায় ৯ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। এই শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে এটলাস বাংলাদেশ লিঃ, ন্যাশনাল টিউবস লিঃ এবং ইস্টার্ন কেবলস লিঃ এর ৪৯% শেয়ার অফলোডকৃত। বাকী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ইস্টার্ন টিউবস লি., গাজী ওয়্যারস লি., জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুফেকচারিং কোং. লি., প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লি., বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরি লি., এবং ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লি. এর ১০০% শেয়ার বিএসইসি’র তথা সরকারের।এছাড়া ২০১৩ সালে জাপানের হোন্ডা (৭০% শেয়ার) ও বিএসইসি (৩০%শেয়ার)-এর সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চারে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লি. স্থাপন করা হয়েছে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (BSEC)]
১,১২৯.
প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) বাখরাবাদ
  2. খ) শ্রীকাইল
  3. গ) তিতাস
  4. ঘ) বিবিয়ানা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু)।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (পরিমাণ – ৫৭৫৫ বি.ঘ.ফু), এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বি.ঘ.ফু)
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু) এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত। 

- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা - ১০৭টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে - বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের – ২২টি। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩
১,১৩০.
দেশের ২০২৫ সালের ‘বর্ষপণ্য’ ছিল-
  1. ইস্পাত শিল্প
  2. কুটির শিল্প
  3. আসবাব পত্র
  4. বস্ত্র শিল্প
সঠিক উত্তর:
আসবাব পত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসবাব পত্র
ব্যাখ্যা
‘ফার্নিচার পণ্য’কে ২০২৫ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এ ঘোষণা দেন।
- ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করছে বাংলাদেশ।

উৎস; প্রথম আলো।
১,১৩১.
টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে কোন দেশ থেকে?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
• আমদানি:
- টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে।
- পণ্যের হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে ভারত থেকে।
-  দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
-অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।

তথ্যসূত্র:  রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১,১৩২.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম কাগজকল কোনটি?
  1. চন্দ্রঘোনা কাগজ কল
  2. কর্ণফুলী কাগজ কল
  3. নিউজপ্রিন্ট কাগজ কল
  4. মেঘনা কাগজ কল
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী কাগজ কল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী কাগজ কল
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- অবস্থান- চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে -১৯৫৩ সালে।
- ’বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।

- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এ দেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১,১৩৩.
বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্পোরেশন কোনটি?
  1. বিটাক
  2. এনপিও
  3. বিসিক
  4. বিএসটিআই
সঠিক উত্তর:
বিসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসিক
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে।
বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন: ২টি 
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমই ফাউন্ডেশন (Small and Medium Enterprise Foundation-SME Foundation)
- ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমসিআইএফ (Small, Micro and Cottage Industries Foundation-SMCIF)


উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
১,১৩৪.
বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কোনটি?
  1. ক) খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস
  2. খ) খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল
  3. গ) কর্ণফুলি পেপার মিলস্
  4. ঘ) ফেঞ্চুগঞ্জ পেপার মিলস
সঠিক উত্তর:
গ) কর্ণফুলি পেপার মিলস্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কর্ণফুলি পেপার মিলস্
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড
- অবস্থান- চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে -১৯৫৩ সালে।
- ’বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এ দেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১,১৩৫.
বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? মার্চ, ২০২৬]
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
ব্যাখ্যা

বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
- Food and Agriculture Organization–এর The State of World Fisheries and Aquaculture 2024 (২০২২ সালের তথ্যের ভিত্তিতে) প্রতিবেদন অনুযায়ী, বদ্ধ জলাশয়ে (যেমন পুকুর) চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
- আগে এ ক্ষেত্রে তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে তা পঞ্চমে নেমে এসেছে।
- তবে সামগ্রিক স্বাদুপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখনো বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

- বাংলাদেশের মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানসমূহ:
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষ (Aquaculture): ৫ম। 
- স্বাদুপানির মাছ উৎপাদন (মোট): ২য়। 
- অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে আহরণ: ৩য়। 
- ইলিশ উৎপাদন: বিশ্বে ১ম। 
- সামুদ্রিক মাছ উৎপাদন: ১৪তম। 
- তেলাপিয়া উৎপাদন: বিশ্বে ৪র্থ, এশিয়ায় ৩য়। 

উৎস: The Daily Star [লিঙ্ক]। 

১,১৩৬.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক
  2. খ) বেসিক ব্যাংক
  3. গ) রূপালি ব্যাংক
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলো:
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,১৩৭.
বাংলাদেশের কোন পণ্যকে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়?
  1. সোনা
  2. রেশম
  3. পাট
  4. চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড: 
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমাণ ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়, যা প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো।
১,১৩৮.
"ট্যানারি শিল্প নগরী" কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কেরানীগঞ্জ
  2. খ) হাজারীবাগ
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) সাভার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
- সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত।
- পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারি সমূহকে সাভারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে সরকার এই শিল্পনগরী প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। 
- মোট ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫ টি প্লট রয়েছে।

উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,১৩৯.
'জাতীয় রাজস্ব বোর্ড' অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোন বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়?
  1. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  2. অর্থ বিভাগ
  3. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  4. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
 
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।
 
তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১৪০.
যমুনা সার কারখানায় উৎপাদিত সার কোনটি?
  1. ডিএপি সার
  2. ইউরিয়া সার
  3. টিএসপি সার
  4. এমপি সার
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানা:
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,১৪১.
পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার নৌ-টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল:
- দেশের প্রথম অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার নৌ-টার্মিনাল: পানগাঁও, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।
- ২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে টার্মিনালটি চালু করা হয়।
- এটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে নির্মাণ ও চালু করে।
- টার্মিনালে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

• নির্মাণের প্রেক্ষাপট:
- দেশের ৯০ শতাংশের বেশি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে পরিচালিত হয়।
- এর মধ্যে ৭০ শতাংশ কন্টেইনারজাত পণ্য ঢাকায় আসে।
- অধিকাংশ কন্টেইনার পরিবহন সড়ক ও রেলপথে সম্পন্ন হয়।
- নৌপথে কন্টেইনারজাত পণ্য পরিবহনের কোন ব্যবস্থা এতদিন ছিল না, ফলে এ টার্মিনাল নির্মাণের প্রয়োজন হয়।

• সুবিধাসমূহ:
- ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ হ্রাস পাবে।
- সড়কপথের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় হ্রাস পাবে।
- পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাওয়ায় ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যমূল্যও কমবে।
- নৌপথে পণ্য পরিবহন সাশ্রয়ী, হরতাল, অবরোধ ও যানজটমুক্ত হবে।
- বিশেষভাবে পোশাকশিল্প মালিকগণ এই টার্মিনালের মাধ্যমে সর্বাধিক লাভবান হবেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

১,১৪২.
শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসইসি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৯ জুন, ১৯৮৯
  2. ৬ জুন, ১৯৯১
  3. ৮ জুন, ১৯৯৩
  4. ১১ জুন, ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
৮ জুন, ১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জুন, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসইসি।
- ৮ জুন, ১৯৯৩ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ -এর অধীনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ সংস্থা সরকারের সহযোগিতায় তার কর্মপরিধির আওতায় পুঁজিবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন তথা একটি স্বয়ংক্রিয়, টেকসই ও উন্নত পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।
- কমিশনের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
- কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত এবং চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন এবং সে মোতাবেক বাজার তদারকি করা কমিশনের সার্বিক দায়িত্ব।
- কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

উল্লেখ্য,
- পুঁজিবাজারের সংস্কার কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করায় ২২ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে আন্তর্জাতিক সংস্থা International Organization of Securities Commissions (IOSCO) কমিশনকে 'A' ক্যাটাগরিতে উন্নীত করে।

⇒ বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১,১৪৩.
বাংলাদেশের ‘মসলা গবেষণা কেন্দ্র’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঈশ্বরদী
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি অন্যতম গবেষণা কেন্দ্র।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট]
১,১৪৪.
বাংলাদেশের প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র -
  1. মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।
- কেন্দ্রটিতে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার করা হয়।
- এটি পরিচলনা করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

অন্যদিকে -
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রতে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।
- রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০২২ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০২০ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,১৪৫.
ডেনমার্কে সাথে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনা সংক্রান্ত মূল কনসেশন চুক্তিটি কত বছর মেয়াদী? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৩ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৩৮ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ বছর
ব্যাখ্যা

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি:
- কনসেশন চুক্তি হয় সরকারি–বেসরকারি অংশীদারির প্রকল্পের আওতায় সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।
- সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো টার্মিনাল উন্নয়ন বা টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করে টার্মিনাল নির্মাণ বা উন্নয়ন করে।
- এর বিনিময়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সেবার বিনিময়ে মাশুল আদায় করে।
- মাশুলের নির্ধারিত অংশ দর–কষাকষির মাধ্যমে পায় সরকারি সংস্থা।

উল্লেখ্য,
- পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ডেনমার্কের মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সই হয়।
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
- শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১,১৪৬.
উৎপাদন ক্ষমতায় দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
  2. খ) ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা লি.
  3. গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
  4. ঘ) কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়াধীন বিসিআইসি (বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা) এর নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে।
এর মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতায় সবচেয়ে বড় সার কারখানা হলো সিলেটের ‘শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
অন্যদিকে, জামালপুরে অবস্থিত ‘যমুনা সার কারখানা’র বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫.৬১ লক্ষ মোট্রক টন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা ওয়েবসাইট)
১,১৪৭.
বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য সর্বাধিক কোন দেশে রপ্তানি করা হয়? (মার্চ-২০২৬)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য 
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। 

• কৃষিপণ্য রপ্তানি বাজার: 
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের স্থানীয় বাজারের আকার প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- সর্বশেষ ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশ থেকে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোাটি মার্কিন ডলারের কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
 - বর্তমানে ১৪৫টি দেশে সুগন্ধি চাল, ফল, সবজি, মাছ, মাংসের পাশাপাশি বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস, জুস, মসলাসহ প্রায় ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে।
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে। 
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়। 
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো: 
১. সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)
২. সৌদি আরব
৩. ভারত
৪. যুক্তরাজ্য
৫. যুক্তরাষ্ট্র

- এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়। সর্বোচ্চ প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইউএইতে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও ফিনানশিয়াল এক্সপ্রেস।

১,১৪৮.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি চীনের সাথে।

⇒ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ (২০২৪-২৫ অর্থবছর) ২
- চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬৬৪ কোটি মার্কিন ডলার এবং রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৭১ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। 

• চীন থেকে আমদানি ও রপ্তানির ভিত্তিতে বাণিজ্য ঘাটতি = (আমদানি – রপ্তানি)

আমদানি: ১,৬৬৪ কোটি মার্কিন ডলার।
রপ্তানি: ৭১ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার (অর্থাৎ ৭১.৫৩৮ কোটি ডলার)
গণনা:
১,৬৬৪ − ৭১.৫৩৮ = ১,৫৯২.৪৬২ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায়)

• বাংলাদেশের চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি = ১,৫৯২.৪৬ কোটি মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ১০.৬ বিলিয়ন ডলার বা ১০৬০ কোটি মার্কিন ডলার।

- এই বাণিজ্যের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ২.২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য — যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১.৫ শতাংশ  কম, অর্থাৎ প্রায় ৩৪ মিলিয়ন ডলার হ্রাস পেয়েছে। বিপরীতে, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা  বছরের তুলনায় ১.১ শতাংশ বা প্রায় ৮৯.৩ মিলিয়ন ডলার বেড়েছে। 

উৎস: The Business Standard[লিংক]। এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন [লিংক]

১,১৪৯.
লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে ডেনমার্ক দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে মূল কনসেশন চুক্তি কত বছরের জন্য সই হয়েছে?
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৩ বছর
  3. ৩৬ বছর
  4. ৩১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ বছর
ব্যাখ্যা

- লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে ডেনমার্ক দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে মূল কনসেশন চুক্তি ৩৩ বছরের জন্য সই হয়েছে।

• লালদিয়ার চুক্তির এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে-
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার। শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।
-আট লাখ একক কনটেইনার ওঠানো নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২১ ডলার করে মাশুল পাবে।
- আর আট লাখের বেশি ৯ লাখ একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারের জন্য ২৩ ডলার করে পাবে বন্দর। - এই দুটি স্তর ছাড়া আরও একটি স্তর রয়েছে। যেমন ৯ লাখের বেশি কনটেইনার ওঠানো-নামানো হলে বন্দরকে আরেকটি স্তরে মাশুল দেবে এপিএম টার্মিনালস। তবে সেই হার কত, তা প্রকাশ করা হয়নি।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় একসঙ্গে তিনটি জাহাজ ভেড়ানোর তিন জেটির এই টার্মিনাল নির্মাণের জন্য - কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পর ২৫০ কোটি টাকা 'আপফ্রন্ট ফি' (এককালীন ফি) পাবে বন্দর।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। [লিঙ্ক]

১,১৫০.
ভোমরা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সাতক্ষীরা
  2. শেরপুর
  3. লালমনিরহাট
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১,১৫১.
পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) প্রথম
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
খ) প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রথম
ব্যাখ্যা
একসময়ের ‘সোনালি আঁশ’ খ্যাত পাট উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়।
উৎপাদনের পরিমাণ ১৩ লাখ ৩৫ হাজার টন, যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ৪২ শতাংশ।
প্রায় ২০ লাখ টন উৎপাদন করে প্রথম ভারত।
ভারতে হয় বিশ্বের ৫৫ শতাংশ উৎপাদন। ৪৫ হাজার টন নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে চীন।
তবে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ। পাট দিয়ে ২৮৫ ধরনের পণ্য তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো 
১,১৫২.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে কোন দেশ থেকে?
  1. ক) সৌদি আরব থেকে
  2. খ) চীন থেকে
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র থেকে
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য থেকে
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র থেকে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
জুলাই-ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে রপ্তানি আয় এসেছে ৬,৬৬৫.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এছাড়া একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে - ৩১০৮.৮ মার্কিন ডলার।

নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির চিত্র তুলে ধরা হলো -


২০২১-২২ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত শীর্ষ ৬টি দেশভিত্তিক প্রবাসী আয়ের চিত্র নিম্নরূপ:



সূত্র: পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; ও লাইভ এমসিকিউ ডায়নামিক প্যানেল।
১,১৫৩.
'PRSP' এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Poverty Reduce Strategy Papers
  2. খ) Poverty Reduction Strategy Papers
  3. গ) Poverty Reduction Strategy Plan
  4. ঘ) Poverty Reduce Strategy Plan
সঠিক উত্তর:
খ) Poverty Reduction Strategy Papers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Poverty Reduction Strategy Papers
ব্যাখ্যা
• 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।

উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের গত উদ্যোগ গ্রহণ করে। 

তথ্যসূত্র:- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,১৫৪.
পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পানি নয় কোনটি?
  1. তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড
  2. জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড
  3. মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পানি:
- বর্তমানে পেট্রোবাংলার অধীনস্ত ১৩টি পৃথক কোম্পনির মাধ্যমে পেট্রোবাংলা তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে।
- কোম্পানিগুলির নাম:
• বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স),
• বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল),
• সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিএফসিএল),
• গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল),
• তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল),
• জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল),
• বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড (বিজিএসএল),
• পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিএল),
• কর্নফুলি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল),
• সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিসিএল),
• রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল),
• বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) এবং
• মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)।

তথ্যসূত্র - পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট।
১,১৫৫.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।

⇒ কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত। যথা:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,১৫৬.
বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার- [আগস্ট,২০২৫]
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য:
​- দেশের প্রধান রপ্তানি খাত পোশাক শিল্প।
​- দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য খাত।
​- গত জুলাই মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার রপ্তানি আয় এসেছে।
​- গত বছরের একই মাসে যা ছিল ৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের।
​- এ খাতের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ২৯ শতাংশ।
​- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

​উৎস: প্রথম আলো।

১,১৫৭.
কর্মক্ষম জনসংখ্যার কত শতাংশ শিল্পখাতে নিয়োজিত?
  1. ক) ৪০.৬%
  2. খ) ৩৯.০%
  3. গ) ২০.৪%
  4. ঘ) ২৪.০%
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.৪%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মোট জনশক্তি - ৬.৩৫কোটি যার মধ্যে-
খাত অনুযায়ী শ্রমশক্তিতে নিয়োজিতঃ
কৃষি- ৪০.৬%
শিল্প- ২০.৪%
সেবা- ৩৯%।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

১,১৫৮.
'E-TIN' চালু করা হয়- 
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

E-TIN: 
- E-TIN এর পূর্ণরূপ - Electronic Taxpayer's Identification Number.
-'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- ই-টিআইএন মানে ইলেকট্রনকি ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার, এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর। একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

১,১৫৯.
বুড়িমারী স্থল বন্দর কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. আদিতমারি
  2. পাটগ্রাম
  3. কালীগঞ্জ
  4. ভূরুঙ্গামারী
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম
ব্যাখ্যা
বুড়িমারী স্থলবন্দর: 
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপেজলার বুড়িমারী সীমান্তে অবস্থিত।
- বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৬০.
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান -
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. অপরিবর্তিত
  3. ক্রমবর্ধমান
  4. হ্রাস পাচ্ছে
সঠিক উত্তর:
ক্রমবর্ধমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবর্ধমান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------------
অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২২ অনুসারে,
কৃষি খাতের অবদান - ১১.৫০%।
- সেবা খাতের অবদান - ৫১.৪৪%।  
- শিল্প খাতের অবদান - ৩৭.০৭%।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ।
 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:খাতভিত্তিক GDP:
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

সুতরাং দেখা যায়,
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪, ২০২৩, ২০২২।
১,১৬১.
২০২১-২২ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে। 
২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে। 
দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। 
ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।

২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়। সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদিআরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১,১৬২.
বাংলাদেশের জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত কোনটি?
  1. সেবাখাত
  2. শিল্পখাত
  3. কৃষিখাত
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
• অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত;
- প্রবৃদ্ধির হার – ৮.১৮%।

• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং
- ছোট খাত – কৃষিখাত।

• কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং
- ছোট খাত – শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।  

• অন্যদিকে,
কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম;
- প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।      

সূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,১৬৩.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (JFCL) কোথায় অবস্থিত?
  1.  তারাকান্দি, জামালপুর
  2. আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. চর পলাশ, নরসিংদী
  4. পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
 তারাকান্দি, জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 তারাকান্দি, জামালপুর
ব্যাখ্যা

যমুনা সার কারখানার: 
- জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্হিত।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বিসিআইসি’র এ সংস্থার অধীনে ১১ টি চালু কারখানা আছে।
- চালু কারখানাসমূহের মধ্যে ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত  পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার। তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন।

১,১৬৪.
বস্ত্র আমদানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৪র্থ
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ৮ম
সঠিক উত্তর:
খ) ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালে বিশ্বে টেক্সটাইল সামগ্রী বা বস্ত্র আমদানিতে একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ। বাংলাদেশ ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের টেক্সটাইল সামগ্রী আমদানি করে।
বস্ত্র আমদানিতে ১ম, ২য় ও ৩য় অবস্থানে যথাক্রমে মার্কিন ‍যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম ও চীন। তবে অঞ্চল হিসেবে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন শীর্ষে।
(সূত্র: স্ট্যাটিস্টা)
১,১৬৫.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

তথ্যসূত্র - প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,১৬৬.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. শ্রীলংকায়
  2. যুক্তরাজ্যে
  3. জাপানে
  4. মিয়ানমারে
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমারে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঔষধ রপ্তানি করে মিয়ানমারে।
 
ঔষধ রপ্তানি:
- বাংলাদেশ থেকে গত অর্থবছরে ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ডলার বা এক হাজার ৯৮২ কোটি টাকার (প্রতি ডলার ১০৫ টাকা) ওষুধ রপ্তানি হয়েছে।
- বিশ্বের ১৪০টি দেশে এ ওষুধ রপ্তানি হলেও সবচেয়ে বড় চালানটি গেছে পাশের দেশ মিয়ানমারে।
- দেশটিতে গত অর্থবছরে দুই কোটি ৭৬ লাখ ডলার বা ২৮৯ কোটি টাকার ওষুধ রপ্তানি হয়েছে, যা মোট ওষুধ রপ্তানির প্রায় ১৫ শতাংশ।
- যদিও ওষুধ খাতে প্রায় পুরোপুরি আমদানি নির্ভর মিয়ানমারের মোট চাহিদার মাত্র ৫ শতাংশের দখল বাংলাদেশের

অন্যদিকে,
- ২য় অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা।
- ৩য় অবস্থানে আছে  ফিলিপাইন।
- ৪র্থ অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১৬৭.
বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে মূলত উৎপাদন করা হয় -
  1. সুতা
  2. রেশম
  3. কাগজ
  4. চিনি
সঠিক উত্তর:
সুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুতা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি):
- বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে সুতা উৎপাদন করা হয়।
- বর্তমানেও বিটিএমসির ভাড়াপদ্ধতিতে চালু মিলসমূহে উৎপাদিত সুতা স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণে স্বল্প পরিসরে হলেও ভূমিকা রাখছে।
- একসময় কাপড়ও উৎপাদন হতো।
- তবে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে কম্পোজিট মিলসমূহের বুনন বিভাগ বন্ধ করার পর থেকে বিটিএমসিতে কাপড় উৎপাদন হয় না।
- বর্তমানে বিটিএমসি’র ২৫ টি মিলের মধ্যে ২টি মিল বিদ্যমান পুরাতন মেশিনারিজ দ্বারা ভাড়া পদ্ধতিতে চালু আছে। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,১৬৮.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. জামালপুর
  2. পিরোজপুর
  3. মানিকগঞ্জ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানায়:
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,১৬৯.
নিচের কোনটি সংরক্ষিত শিল্প?
  1. ক) লবণ শিল্প
  2. খ) সমরাস্ত্র শিল্প
  3. গ) জনশক্তি রপ্তানি
  4. ঘ) ঔষধ শিল্প
সঠিক উত্তর:
খ) সমরাস্ত্র শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমরাস্ত্র শিল্প
ব্যাখ্যা
শিল্পনীতি- ২০১৬ অনুসারে বাংলাদেশের সংরক্ষিত শিল্পসমূহের মধ্যে রয়েছে সমরাস্ত্র শিল্প, পারমাণবিক শক্তি এবং সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল।
এগুলো সরাসরি রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। অর্থাৎ এসব শিল্পে বেসরকারি উদ্যোগের অনুমতি নেই।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ শিল্পনীতি - ২০১৬)
১,১৭০.
‘অ্যাকর্ড’ কী?
  1. ক) কানাডার তেল কোম্পানি
  2. খ) আরএমজি বায়ারদের জোট
  3. গ) রাশিয়ান কনস্ট্রাকশন সংস্থা
  4. ঘ) জাপানি বিনিয়োগ ফার্ম
সঠিক উত্তর:
খ) আরএমজি বায়ারদের জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরএমজি বায়ারদের জোট
ব্যাখ্যা
‘অ্যাকর্ড’ হলো ইউরোপভিত্তিক গার্মেন্টস পণ্য আমদানিকারক বা বায়ারদের একটি জোট। এটি ২০১৩ সালে রানাপ্লাজা ধ্বসের পর বাংলাদেশে গার্মেন্টসগুলোর কর্মপরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন মিশন শুরু করে। ২০২০ সালের জুলাই মাসের মধ্যে ‘অ্যাকর্ড’ কার্যক্রম শেষ করার কথা।
(সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
১,১৭১.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
₻ বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ  ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

তথ্যসূত্র: নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
১,১৭২.
বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,১৭৩.
নিচের কোনটি বৃহৎ শিল্পখাতের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি
  2. ম্যানুফ্যাকচারিং
  3. খনিজ ও খনন
  4. রিয়েল এস্টেট
সঠিক উত্তর:
রিয়েল এস্টেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়েল এস্টেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি, শিল্প ও সেবা তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত। এসব প্রধান খাতসমূহ ১৫টি উপখাতের সমন্বয়ে গঠিত।
শিল্পখাতের অন্তর্গত উপখাত সমূহ:
- ম্যানুফ্যাকচারিং
- খনিজ ও খনন
- নির্মাণ
- বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি সম্পদ
কৃষিখাতের উপখাত সমূহ হলো:
- কৃষি ও বনজ
- মৎস্য
সেবাখাতের উপখাত সমূহ হলো:
- পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য
- হোটেল ও রেস্তোরাঁ
- পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ
- আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা
- রিয়েল এস্টেট
- লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা
- শিক্ষা
- স্বাস্থ্য
- কমিউনিটি ও ব্যক্তিগত সেবা৷
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিবিএস)

 
১,১৭৪.
নিচের কোনটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল?
  1. ক) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. খ) আলুটিলা বিশেষ পর্যটন অঞ্চল
  3. গ) মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. ঘ) আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। যার মধ্যে সরকারি ৬৮টি এবং বেসরকারি ২৯টি। 
সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর (Bangabandhu Sheikh Mujib Shilpa Nagar)
- আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Anowara Economic Zone)
- আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল (Araihajazar Economic Zone)
- নারায়ণগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Narayanganj Economic Zone)
- আলুটিলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Alutila Special Tourism Zone)
 
বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Meghna Industrial Economic Zone)
- আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (Abdul Monem Economic Zone)  
- গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (Garments Industries Park)
 
উৎস: বেজা ওয়েবসাইট 

১,১৭৫.
দেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. মৌলভীবাজার
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭০ টি। [মে,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- হাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত ২৫টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় চা বোর্ড। [লিঙ্ক]
১,১৭৬.
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. গজারিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. নারায়ণগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. কক্সবাজার পর্যটন অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী এলাকায় অবস্থিত।
- দেশের বৃহত্তম এই পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলটি ২৫ কিলোমিটারজুড়ে সাগরতীরে গড়ে তোলা হচ্ছে।
- বেজা সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এ শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়। 
- ইতোমধ্যে প্রায় ১৪টি শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে গেছে এবং আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজ চলছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,১৭৭.
ভ্যাট (VAT) প্রথম কোন দেশে চালু হয়েছিল? 
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. আর্জেন্টিনা
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax) সংক্ষেপে ভ্যাট (VAT) নামে পরিচিত।
- এতে ব্যবসায়ীরা নিট অংশটুকু কর কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করে।
- বর্তমানে ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় রাজস্ব উৎস।
- ভ্যাট (Value Added Tax বা VAT) প্রথম চালু হয়েছিল ফ্রান্সে। এটি ১৯৫৪ সালে ফ্রান্সে প্রবর্তিত হয়।আধুনিক ভ্যাট সিস্টেমের উদ্ভাবক ফরাসি কর কর্মকর্তা মরিস লরে (Maurice Lauré)।
উল্লেখ্য, VAT ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন জার্মান শিল্পপতি উইলহেল্ম ফন সিমেন্স ১৯১৮ সালে।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। 

উৎস: National Board of Revenue (NBR) Official Website.

১,১৭৮.
বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিসমূহের নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত কোনটি?
  1. IDRIA
  2. BIDRA
  3. IDRA
  4. IDBRA
সঠিক উত্তর:
IDRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDRA
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRA এর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিসমূহের নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA)।
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বীমা ব্যবসার বিকাশ এবং নিয়ন্ত্রণ করা, পাশাপাশি পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা করা।
- IDRA বীমা শিল্পের উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রণ, এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানের জন্য কাজ করছে এবং
- এটি 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।
- IDRA-এর প্রধান দায়িত্বগুলো অন্তর্ভুক্ত করে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন, তদারকি, নীতিমালা প্রণয়ন, এবং দাবির নিষ্পত্তি।
 
সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,১৭৯.
দেশের একমাত্র ‘ফসফেটিক‘ সার কারখানা হচ্ছে -
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. টিএসপি সার কারখানা
  3. আশুগঞ্জ সার কার‌খানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
টিএসপি সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিএসপি সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান - পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকাতলীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০  মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,১৮০.
রাবার চাষের জন্য বিখ্যাত-
  1. ক) সিলেট
  2. খ) ভোলা
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) রামু
সঠিক উত্তর:
ঘ) রামু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রামু
ব্যাখ্যা

- ১৯৬১ সালে বাংলাদেশে প্রথম রাবার উৎপাদন হয়- রামু, কক্সবাজার।
- রাবার উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে সরকারি রাবার বাগান আছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার বাগান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।

১,১৮১.
দেশে কতটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি। এগুলো হলোঃ
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
জনতা ব্যাংক লিমিটেড
অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড এবং
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক ৬০টি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,১৮২.
'সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,১৮৩.
FBCCI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. The Federation of Business Chambers of Commerce and Industry
  2. The Federation of Business Commerce of Chambers and Industry
  3. The Federation of Bangladesh Commerce of Chambers and Industry
  4. The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry
সঠিক উত্তর:
The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry
ব্যাখ্যা
এফবিসিসিআই:
- FBCCI-এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এফবিসিসিআই দেশব্যাপী চেম্বার ও সমিতিসমূহ গঠনে সহায়তা প্রদান করে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ, শিল্প-বাণিজ্য, কৃষি, পর্যটন, মানবসম্পদ এবং যোগাযোগসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
- ফেডারেশন অভিন্ন স্বার্থের প্রশ্নে দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও বণিক সমিতিসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে।
- এফবিসিসিআই শিল্প ও বাণিজ্য মেলা আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বণিক সমিতির সঙ্গে কাজ করে।
- এফবিসিসিআই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ফোরামের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে বহির্বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।
- বিদেশী বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ সহযোগী নির্বাচনে কাজ করে এফবিসিসিআই।
- দেশের শিল্প ও বাণিজ্য স্বার্থ সংরক্ষণে এফবিসিসিআই সদস্য হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এফবিসিসিআই বিভিন্ন দেশের জাতীয় বাণিজ্য সংস্থাসমূহের সঙ্গে যৌথ চেম্বার/সহযোগিতা চুক্তি করেছে। 

উৎস: এফবিসিসিআই ওয়েবসাইট।
১,১৮৪.
সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে বিদেশ থেকে প্রধানত কোনটি আমদানি করা হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. ক্লিংকার
  3. কঠিন শিলা
  4. ফার্নেস
সঠিক উত্তর:
ক্লিংকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লিংকার
ব্যাখ্যা
- দুটি কারখানা ব্যতীত দেশের সকল সিমেন্ট কারখানা বিদেশ থেকে সিমেন্ট তৈরির সেকেন্ডারি কাঁচামাল হিসেবে ক্লিংকার আমদানি করে সিমেন্ট উৎপাদন করে থাকে।।
- ক্লিংকার হলো এক প্রকার ছোট দানাদার জাতীয় বস্তু যা চুনাপাথর ও মাটিকে অত্যধিক তাপ দিয়ে তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ক্লিংকারের সাথে জিপসাম মিশিয়ে সিমেন্ট তৈরি করা হয়।
- বাংলাদেশে ছাতক সিমেন্ট কারখানা ও লাফার্জ সুরমা কারখানা নিজেরা ক্লিংকার তৈরি করে। অন্যসব সিমেন্ট কারখানা বিদেশ থেকে ক্লিংকার আমদানি করে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,১৮৫.
কোন সংস্থা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. ΒΕΡΖΑ
  2. BEZA
  3. BSEC
  4. Bangladesh Bank
সঠিক উত্তর:
BEZA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BEZA
ব্যাখ্যা
BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- BEZA বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উত্‍পাদন এবং রপ্তানী বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণে উত্‍সাহ প্রদানের লক্ষ্যে পশ্চাত্‍পদ ও অনগ্রসর এলাকাসহ সম্ভাবনাময় সকল এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করাই হলো বেজার মূল লক্ষ্য।
- দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য একজন নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তিন জন নির্বাহী সদস্য সমন্বয়ে বেজার নির্বাহী বোর্ড গঠিত।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।
১,১৮৬.
ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) টিকা প্রদানে
  2. খ) আমদানি-রপ্তানি
  3. গ) জৈব সার উৎপাদন
  4. ঘ) পশু পালন
সঠিক উত্তর:
খ) আমদানি-রপ্তানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমদানি-রপ্তানি
ব্যাখ্যা

- ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট ব্যবহৃত হয় আমদানি-রপ্তানি ক্ষেত্রে।
- উদ্ভিদ, উদ্ভিদ পণ্য বা অন্যান্য নিয়ন্ত্রিত নিবন্ধের চালান নির্দিষ্ট ফাইটোস্যানিটারি আমদানি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে।
- উপযুক্ত মডেল প্রশংসাপত্রের প্রত্যয়িত বিবৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তা নির্দেশ করার জন্য ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট জারি করা হয়।
- এই পণ্যগুলির রপ্তানিকারক হিসাবে, অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে রপ্তানি পরামিতিগুলি যেন পূরণ করে।
- আমদানিকারক দেশগুলির উদ্ভিদ পণ্যগুলির জন্য ফাইটোস্যানিটারি প্রশংসাপত্রের প্রয়োজন হবে না যেগুলি এমনভাবে প্রক্রিয়া করা হয়েছে যাতে তাদের নিয়ন্ত্রিত কীটপতঙ্গ প্রবর্তনের কোনও সম্ভাবনা নেই, বা ফাইটোস্যানিটারি ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই এমন অন্যান্য নিবন্ধগুলির জন্য।
- ফাইটোস্যানিটারি প্রশংসাপত্রের প্রয়োজনের ন্যায্যতা সম্পর্কে আমদানিকারক দেশ এবং রপ্তানিকারক দেশের মতামতের মধ্যে পার্থক্য থাকলে এনপিপিওগুলির দ্বিপাক্ষিকভাবে সম্মত হওয়া উচিত।

উৎস: REQUIREMENTS FOR PHYTOSANITARY CERTIFICATES, fao.org.
১,১৮৭.
বাংলাদেশ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. ক) কৃষিজাত পণ্য
  2. খ) কাঁচাপাট
  3. গ) হিমায়িত খাদ্য
  4. ঘ) চা পণ্য
সঠিক উত্তর:
গ) হিমায়িত খাদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’। 
- এছাড়াও তৃতীয় ও চতুর্থ হয়েছে যথাক্রমে কাঁচাপাট ও চা।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,১৮৮.
২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানী
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
➝ ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে ⎯ যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
➝ যুক্তরাষ্ট্র থেকে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিলো ⎯ ৬৪৩৯.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

◉ বাংলাদেশের রপ্তানি পরিস্থিতি [২০২২-২৩ অর্থবছর]:
➝ মোট পণ্য রপ্তানির পরিমাণ (FOB) ⎯ ৩৭,০৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। [প্রবৃদ্ধি ⎯ ৯.৫৬%]
➝ তৈরি পোশাক [নীট ওয়্যার ও তৈরি পোশাক (ওভেন)] থেকে আয় ⎯ ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
➝ ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মোট ⎯ ৮৪.৫৮% এসেছে 'তৈরি পোশাক খাত' থেকে।
➝ একক পণ্য হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় ⎯ নীট ওয়্যার; পরিমাণ ⎯ ১৭,০৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার; রপ্তানি আয়ের ⎯ ৪৬.০১%।

◉ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
➝ অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
➝ একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ যুক্তরাষ্ট্রে এবং এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ জাপানে।

নিম্নে দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দেওয়া হলো ⎯
১. শীর্ষ দেশ ⎯ যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ ⎯ ৬৪৩৯.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার ⎯ ১৭.৩৭%।
২. দ্বিতীয় দেশ ⎯ জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ ⎯ ৪৯০৬.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার ⎯ ১৩.২৩%।
৩. তৃতীয় দেশ ⎯ যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ ⎯ ৩৫৪৭.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার ⎯ ৯.৫৭%।
৪. বিশ্বে সপ্তম ও এশিয়ার মধ্যে শীর্ষ দেশ ⎯ জাপান,
- রপ্তানির পরিমাণ ⎯ ১২৮৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার ⎯ ৩.৪৭%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ⎯ ২০২৩ ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১,১৮৯.
তৈরি পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ : কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদন:
- বরাবরের মতোই শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। বর্তমানে তাদের বাজার হিস্যা ৩১.৬৪ শতাংশ।
- একক দেশ হিসেবে গত বছরও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
- গত বছর বাংলাদেশ তিন হাজার ৮০০ কোটি বা ৩৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে।
- বিশ্বের তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৭.৩৮ শতাংশ।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৫ বিলিয়ন বা সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার।
- ভিয়েতনাম বাংলাদেশের চেয়ে ৭০০ কোটি ডলার কম মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
১,১৯০.
ভূটান বাংলাদেশের ১০০ টি পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা দিবে কোন চুক্তির মাধ্যমে ?
  1. ক) Bilateral Economic Cooperation Agreements
  2. খ) Preferential Trade Agreement  
  3. গ) Free Trade Agreement  
  4. ঘ) South Asian Free Trade Agreement ( SAFTA )
সঠিক উত্তর:
খ) Preferential Trade Agreement  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Preferential Trade Agreement  
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১,১৯১.
মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান-
  1. ক) ক্রমহ্রাসমান
  2. খ) অপরিবর্তিত
  3. গ) ক্রমবর্ধমান
  4. ঘ) দ্রুতবর্ধনশীল
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান। ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ছিলো যথাক্রমে ১৪.২৩ শতাংশ, ১৩.৬৫ শতাংশ এবং ১৩.৩৫ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধি ছিলো যথাক্রমে ৪.১৯ শতাংশ, ৩.৯২ শতাংশ এবং ৩.১১ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
১,১৯২.
২০২১-২০২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির-
  1. ক) ৫%
  2. খ) ১০%
  3. গ) ১১%
  4. ঘ) ৬%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬%
ব্যাখ্যা
• ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির - ৬.০৩%
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়। সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন) ।


(উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,১৯৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা -
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
         ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,১৯৪.
কোন সংস্থাটি দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. BEZA
  2. BIDA
  3. BIDF
  4. BEPZA
সঠিক উত্তর:
BEZA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BEZA
ব্যাখ্যা
- দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) কাজ করে থাকে। এটি ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর গঠিত হয়। BEZA প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিবন্ধন প্রদান করা।
- বেজার অধীনে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলা জুড়ে বিস্তৃত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরী।
অন্যদিকে,
- BEPZA এর দায়িত্ব রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা
- BIDA বিনিয়োগ আকৃষ্ট ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।
- BIDF হলো অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল।
(তথ্যসূত্রঃ বেজা ওয়েবসাইট)
১,১৯৫.
উত্তরা ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা

• উত্তরা ইপিজেড: 
- উত্তরা ইপিজেড নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি একমাত্র কৃষি ভিত্তিক ইপিজেড।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় জুলাই, ১৯৯৯ এবং উদ্বোধন হয় জুলাই, ২০০১ সালে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হলো চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড হচ্ছে চট্রগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান ইপিজেড।
- বর্তমানে সরকারি ৮টি সহ দেশের মোট ইপিজেড সংখ্যা ৯টি।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

১,১৯৬.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কোনটি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্প?
  1. হস্ত ও কারু শিল্প তাঁতজাত শিল্প
  2. ইলেকট্রিক ও ইলেক্টনিক শিল্প
  3. মৎস্য শিল্প
  4. চা শিল্প
সঠিক উত্তর:
চা শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চা শিল্প
ব্যাখ্যা

অগ্রাধিকার শিল্প:
- 'অগ্রাধিকার শিল্প (Priority Sector)' বলতে সে সমস্ত শিল্প গণ্য হবে যে শিল্পখাতগুলো বিকাশমান এবং ক্রমবর্ধমানভাবে দেশের সামগ্রিক রপ্তানিতে অবদান রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
- কোন কোন শিল্পখাত/শিল্প উপ-খাত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত/উপ-খাত হিসেবে চিহ্নিত হবে তা সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত হবে।

⇒ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাতসমূহ:
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান, পরিবেশসম্মত জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, পর্যটন শিল্প, হোম টেক্সটাইল শিল্প, উইন্ড মিল, ভেষজ ঔষধ শিল্প, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, এলইডি, সিএফএল বাল্ব উৎপাদন, চা শিল্প, বীজ শিল্প, প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ, সিমেন্ট শিল্প, লজিস্টিকস শিল্প খাত।

অন্যদিকে,
⇒ বিশেষ উন্নয়নমূলক শিল্পখাত:
- ইলেকট্রিক ও ইলেক্টনিক শিল্প; সিরামিক শিল্প; মৎস্য শিল্প; প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং শিল্প; জুয়েলারি শিল্প; পেপার ও পেপার প্রোডাক্টস; রাবার শিল্প; রেশম শিল্প; হস্ত ও কারু শিল্প তাঁতজাত শিল্প; সোলার এনার্জি; কাজুবাদাম (কাঁচা এবং প্রক্রিয়াকৃত); জীবন্ত ও প্রক্রিয়াজাত কাঁকড়া; খেলনা শিল্প; আগর শিল্প। হালাল মাংস ও মাংসজাত পণ্য এবং অন্যান্য হালাল পণ্য, রিসাইকেল্ডড পণ্য।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২।

১,১৯৭.
বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার উৎস কোন খাতে সর্বোচ্চ?
  1. ক) পাট
  2. খ) চামড়া
  3. গ) পোশাক
  4. ঘ) হিমায়িত খাদ্য (চিংড়ি)
সঠিক উত্তর:
গ) পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পোশাক
ব্যাখ্যা

- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রপ্তানি পণ্যের মধ্যে,
প্রথম : তৈরি পোশাক (২৭.৯৫ বিলিয়ন ডলার)
দ্বিতীয় : পাট ও পাটজাত পণ্য (৮৮২.৩৫ মিলিয়ন ডলার)
তৃতীয় : কৃষিপণ্য (৮৬২.০৬ মিলিয়ন ডলার)
চতুর্থ : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৭৯৭.৬ মিলিয়ন ডলার)।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)

১,১৯৮.
Bangladesh will get duty-free export facility to European Union countries till -
  1. ক) 2025
  2. খ) 2027
  3. গ) 2026
  4. ঘ) 2029
সঠিক উত্তর:
ঘ) 2029
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 2029
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে ২০২৬ সালে। 
- উন্নয়নশীল দেশ হিসেব উন্নীত হলে, বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। 
- বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে। 
- ২০২৯ সালের পর নতুন করে জিএসপি সুবিধা বাড়ানোর চিন্তা করছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
১,১৯৯.
বর্তমানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় (মার্কিন ডলার)-
  1. ক) ৫০ বিলিয়ন
  2. খ) ৫১ বিলিয়ন
  3. গ) ৫২ বিলিয়ন
  4. ঘ) ৫৩ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) ৫২ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫২ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা
করোনা মহামারী ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ।
- প্রথমবারের মতো  ২০২১-২২ অর্থ বছরে ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। 
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ৫০ রপ্তানিকারক দেশের একটি। এশিয়ার মধ্যে অবস্থান শীর্ষ ২০তম।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১,২০০.
বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশে কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ১৩৩টি
  2. ১৪৫টি
  3. ১৪৯টি
  4. ১৫২টি
সঠিক উত্তর:
১৪৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫টি
ব্যাখ্যা

কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি:
- প্রবাসী আয় ও তৈরি পোশাকের পর কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। 
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অকৃষি খাতে রপ্তানি কমেছে ১০.৩০ শতাংশ।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিপণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৫৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কৃষি খাতে রফতানি আয় কমেছে ৬ কোটি ডলারের বেশি। এ সময়ে দেশের সার্বিক রফতানি আয় ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমলেও কৃষিতে এর হার ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ।

• বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রফতানি করে। এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য পাঠানো হয়।
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রফতানি পণ্যের গন্তব্য হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়।
- বর্তমানে ১৪৫টি দেশে সুগন্ধি চাল, ফল, সবজি, মাছ, মাংসের পাশাপাশি বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস, জুস, মসলাসহ প্রায় ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) বণিক বার্তা।