PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস
কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস
PrepBank · পাতা ৫ / ২১ · ৪০১–৫০০ / ২,০১৭
উত্তর
ব্যাখ্যা
তার মধ্যে রয়েছে,
আলফানিউমেরিক কী - ৫৪টি,
ফাংশন কী - ১২টি
কন্ট্রোল কী - ১১টি
নেভিগেশন কী - ১০টি
নিউমেরিক কী - ১৭টি
উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
F1 - Brings up a Help window in many applications, including browsers, Microsoft Office and others
F2 - Renames a selected object
F3 - Opens search box in browsers
F4 - Displays the Address bar list in My Computer or Windows Explorer (Windows XP)
F5 - Updates the active Window. Useful to refresh a displayed page in a browser
F6 - Cycles through the screen elements in a window
F7 - Turn on/off Caret Mode (Firefox). Performs Spell and Grammar check (MS Word)
F8 - Extend selection (MS Office)
F9 - Updates fields (MS Office)
F10 - Activates menu bar options
F11 - Toggles between full screen and normal display in browsers
F12 - Opens 'Save as' dialog (MS Office)
উত্তর
ব্যাখ্যা
হার্ড ডিস্ক হলো কম্পিউটারের জন্য একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম।
হার্ড ডিস্ক:
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ক হলো কম্পিউটারের জন্য একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- আবার কম্পিউটারের বইরেও হার্ড ডিস্ক রেখে কাজ করা যায়।
- হার্ডডিস্ক স্থানান্তরযোগ্য।
- ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে হার্ডডিস্ক ঢুকিয়ে কাজ করে তা অন্য একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে ঢুকিয়ে অবশিষ্ট কাজ সম্পাদন করে।
সূত্র: ১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- OCR-এর পূর্ণরূপ হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে, তারপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অপরিবর্তনীয় উপপাদ্য (Idempotent):
x + x = x ;
x . x = x
পরিচিতি উপপাদ্য (Identity):
x + 0 = x;
x . 1 = x
কর্তৃত্ব উপপাদ্য (Domination):
x + 1 = 1;
x . 0 = 0
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
উত্তর
ব্যাখ্যা
১) ALU (Arithmetic Logic Unit):-
- এটি গাণিতিক (যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) ও যৌক্তিক (AND, OR, NOT) কাজ করে।
- কম্পিউটারের সকল ধরণের গণনা এখানেই সম্পন্ন হয়।
২) CU (Control Unit):-
- এটি কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোন কাজ কখন হবে, কোন তথ্য কোথা থেকে আসবে, কোথায় যাবে — এসব CU ঠিক করে দেয়।
• এ দুটির সম্মিলিত কার্যকলাপের মাধ্যমেই CPU কাজ করে এবং প্রোগ্রাম প্রসেস করে যার দুইটি প্রধান অংশ হলো ALU & CU.
তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
উত্তর
ব্যাখ্যা
→ OCR- এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
→ এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
→ সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
→ কোনো ছবি থেকে টেক্সটকে আলাদা করার কাজও OCR করে থাকে।
→ এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধু ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
→ বিভিন্ন ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে OCR ব্যবহৃত হয়।
→ তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
→ OCR এর কার্যপ্রণালি মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
→ এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
→ অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
→ ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: definitions.net
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং রেজিস্টার স্মৃতি।
- ALU (Arithmetic Logic Unit) হচ্ছে কম্পিউটারের ক্যালকুলেটর স্বরূপ। ইহা সকল গাণিতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে থাকে।
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিটই মূলত কম্পিউটারের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অপশন বিবেচনায় সঠিক উত্তর:
খ) Disk error:
এটি একটি general term যা bad sectors সহ ডিস্কের যেকোনো ধরনের ত্রুটি বা অসঙ্গতিকে বুঝাতে পারে।
তাই a bad spot on a disk can be described as a disk error because it's an area of the disk that's not functioning as it should.
--------------------------
ক) Disk crash:
The failure of a disk storage system, usually resulting from the read-write head touching the moving disk surface and causing mechanical damage.
এই term টি সাধারণত একটি ডিস্কের একটি severe failure বোঝায়, শুধুমাত্র একটি একক bad spot নয়। Disk crash বলতে mechanical failure বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হতে পারে যেখানে পুরো ডিস্কটি বিবেচনা করা হতে পারে।
গ) Disk scanner:
This is a tool or software used to scan the disk for errors or bad sectors. It doesn't refer to the bad spot itself but rather the tool you'd use to find and sometimes fix those errors.
ঘ) Disk sector:
A sector is a subdivision of a track on a storage device, and it's the smallest unit that can be read or written on a disk. When a sector goes bad, it's often called a "bad sector," not just a "disk sector." So while the bad spot could be a bad sector, the term "disk sector" by itself doesn't denote any malfunction or error.
Among the given options, "Disk error" (খ) is the most suitable term to describe a bad spot on the disk's surface because it indicates a malfunction or anomaly.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - ২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• জন নেপিয়ার:
- জন নেপিয়ার (১৫৫০-১৬১৭) ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ, যিনি মূলত লগারিদম (Logarithms) আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- নেপিয়ারের হাড় (Napier's Bones) এটি একটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত গণনা যন্ত্র বা ক্যালকুলেটর, যা গুণ ও ভাগ করার কাজে ব্যবহৃত হতো।
• ব্লেইজ প্যাসকেল:
- ব্লেইজ প্যাসকেল (১৬২৩-১৬৬২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং দার্শনিক।
- তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন, যা প্যাসকেলাইন (Pascaline) নামে পরিচিত
• লেডি অ্যাডা লাভলেস:
- লেডি অ্যাডা লাভলেস (১৮১৫-১৮৫২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও লেখিকা, যাকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম লেখেন।
- সর্বপ্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন।
• জন ভন নিউম্যান:
- জন ভন নিউম্যান (১৯০৩-১৯৫৭) ছিলেন হাঙ্গেরীয়-বংশোদ্ভূত এক অসাধারণ মার্কিন গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং পলিম্যাথ, যাঁকে আধুনিক কম্পিউটিং এবং গেম থিওরির অন্যতম জনক বলা হয়।
- তিনি 'ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার' প্রবর্তন করেন, যা আজও বিশ্বের প্রায় সকল কম্পিউটারের মৌলিক কাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটা এবং প্রোগ্রামকে একই মেমরিতে সংরক্ষণের ধারণা (Stored-program concept) প্রবর্তন করে।
উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Britannica [Link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে BIOS-এর পরিবর্তে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে তা হলো UEFI (Unified Extensible Firmware Interface)। UEFI হল একটি আধুনিক ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস যা BIOS-এর সীমাবদ্ধতা দূর করেছে। এটি দ্রুত বুটিং, বড় স্টোরেজ ডিভাইস সমর্থন এবং উন্নত নিরাপত্তা প্রদান করে। UEFI গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস সমর্থন করে এবং মাউস ব্যবহার করা সম্ভব, যেখানে BIOS সাধারণত কেবল কীবোর্ডে কাজ করতো। এছাড়া, UEFI সিস্টেমে Secure Boot ফিচারের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার বা অবাঞ্ছিত সফটওয়্যারকে বুটিং-এর সময় থেকে প্রতিরোধ করা যায়। তাই আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহৃত হচ্ছে।
BIOS:
- BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার চালু হলে CPU এটি ব্যবহার করে।
- স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর BIOS, OS এবং peripheral devices-এর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে OS বা অন্য application program-কে ডিভাইসের বিস্তারিত তথ্য (যেমন hardware address) জানতে হয় না।
UEFI:
- একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে BIOS-এর জায়গায় UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
- UEFI বড় স্টোরেজ ড্রাইভ সমর্থন করতে পারে এবং BIOS-এর তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
BIOS:
- BIOS এর পূর্ণ রূপ Basic Input Output System।
- কম্পিউটারের একটি মৌলিক সফটওয়্যার যা কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় প্রথমে কার্যকর হয়।
- এটি একধরনের চিপ, যেখানে কিছু বিশেষ নির্দেশ বা প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলো পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রস্তুত করে।
-কম্পিউটার চালুর সময় RAM, কীবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভ, ডিসপ্লে ইত্যাদি হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করা একে POST (Power On Self Test) বলে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে।
হাতের লেখা অস্পষ্ট হলে ওসিআর তাও পড়তে পারে। ওসিআর-এর মাধ্যমে লেখা পাঠ করাতে হলে তা বিশেষ ধরনের টাইপফেস বা ফন্ট ব্যবহার করে মুদ্রণ করতে হয়। পূর্ব থেকে বিভিন্ন বর্ণের বৈদ্যুতিক সংকেত ওসিআর–এ রাখা হয়। ফন্টের গঠন অনুযায়ী ওসিআর বৈদ্যুতিক সংকেত সৃষ্টি করে ঐ ধরনের ফন্টসমূহ পড়তে পারে।
ব্যাংক, ইনসুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওসিআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২ , ভোকেশনাল
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র্যাম। র্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তথ্য সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের নিমিত্তে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. RAM (Random Access Memory) ও
২. ROM (Read Only Memory)।
• র্যাম (RAM):
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে রিড (পঠন) এবং রাইট (লিখন) দুইটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে র্যাম বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারে যতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিত থাকে ততক্ষণ র্যাম-এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে র্যাম তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- তাই তাকে অস্থায়ী (Volatile) মেমোরি হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণত তথ্যসমূহ পঠন ও পরিবর্তনে র্যাম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- অপারেটিং মোড অনুসারে র্যামকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ডাইনামিক র্যাম (Dynamic RAM) ও
২. স্ট্যাটিক র্যাম (Static RAM)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
OCR:
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।
উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার (Register) :
-মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
-রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
-মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
ক্যাশ মেমরি (Cache Memory) :
-এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরি ব্যবস্থা।
-মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
-কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
-এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
-এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
-এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory )।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৩. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- VESA এর পূর্ণরূপ Video Electronic Standard Association.
- VESA বাস 32 বিট সিপিইউ গতিতে তথ্য বহন করতে পারে।
- এটি গ্রাফিক্সের কাজের জন্য বিশেষ প্রয়োজন।
- মনিটরের পর্দায় তাৎক্ষণিকভাবে এবং উন্নতমানের গ্রাফিক্স আউটপুট প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের সিপিইউ, স্মৃতি এবং ভিডিও টার্মিনালের মধ্যে দ্রুতগতিতে তথ্য বিনিময়ের প্রয়োজন হয়।
- ভেসা বাস সিপিইউ-এর নিয়ন্ত্রণে সিপিইউ-এর সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে কাজ করে।
- IDE (Integrated Drive Electronic), SCSI (Small Computer System Interface), LAN (Local Area Network) ইত্যাদির ক্ষেত্রে VESA Bus ব্যবহার করা হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
এছাড়াও ROM প্রধান মেমোরি হিসেবে কাজ করে। মাদারবোর্ডে মাইক্রোপ্রসেসরের পাশাপাশি এ মেমোরি অবস্থান করে।
যে সকল মেমোরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, সেগুলোকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়। এ ধরণের মেমোরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়। ইউজারকারীরা তাদের ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে উপাত্ত বা, প্রোগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমোরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, ইত্যাদি সহায়ক মেমোরির উদাহরণ।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
- MICR হলো চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর পড়ার প্রযুক্তি, MICR রিডার এই চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর বা সংখ্যা পড়তে ব্যবহৃত হয়।
• অন্য যন্ত্রগুলির ব্যবহার:
- স্ক্যানার: কাগজের ডকুমেন্ট ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য।
- ওয়েবক্যাম: ভিডিও ক্যাপচার করার জন্য।
- প্রিন্টার: ডিজিটাল ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করার জন্য RAM (Random Access Memory) ব্যবহার করা হয়।
• RAM:
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- RAM কে কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যা কেবল তখনই তথ্য ধরে রাখে যখন কম্পিউটার চালু থাকে।
- RAM যতো বাড়বে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা ততো বাড়বে, অর্থাৎ ততো বেশি ফাইলকে একসাথে স্মৃতি কেন্দ্রে উঠিয়ে কাজ করতে পারবে।
- কম্পিউটার যখন কোনো প্রোগ্রাম চালায় বা ডেটা প্রসেস করে, তখন সেই তথ্য RAM-এ লোড হয়, যাতে CPU দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে।
- RAM এ লেখাপড়া উভয়ই করা যায়।
- কিন্তু বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM থেকে সমস্ত তথ্য মুছে যায়. তাই RAM কে ভোলাটাইল বলে।
- RAM দুই ধরনের। DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের জন্য RAM অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (হার্ড ডিস্কের চেয়ে ১০-১০০ গুণ দ্রুত)।
উল্লেখ্য,
- Hard Disk স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে,
তথ্যসূত্র: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
বারকোড হল তথ্য সংগ্রহের একটি ভিজুয়াল পদ্ধতি যা মেশিনযোগে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এটি সাধারণত এর ধারণকারী জিনিস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে ।
- নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার বারকোড আবিষ্কার করেন। এটি ১৯৫১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করা হয়।
- বারকোড রিডার এক ধরনের আলো নির্গমন করে যা বস্তুর পৃষ্ঠের বিশেষ সংকেত পড়তে পারে ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
আলফানিউমেরিক কোড: বর্ণমালা (A–Z, a–z), সংখ্যা (0–9) এবং বিশেষ চিহ্ন (+, -, *, /, &, @, %, ইত্যাদি) জন্য ব্যবহৃত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলে
সাধারণত নিচের কোডিং পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয়
- ASCII (American Standard Code for Information Interchange)
- EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code)
- Unicode
• ASCII (American Standard Code for Information Interchange) কোড ৭ বিট নিয়ে গঠিত।
• EBCDIC কোড ৮ বিট নিয়ে গঠিত।
• Unicode কোড ২ বাইট বা ১৬ বিটের নিয়ে গঠিত।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• MICR (Magnetic Ink Character Recognition)-এর প্রধান সুবিধা হলো এর উচ্চ ত্রুটি শনাক্তকরণ হার, যা অপশন ঘ-এর সঙ্গে সঠিকভাবে মিলে যায়। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় চেক প্রক্রিয়াকরণের সময় MICR প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি খুব নির্ভুলভাবে তথ্য পড়তে সক্ষম। বিশেষ চৌম্বকীয় কালি ব্যবহারের ফলে যন্ত্র সহজেই অক্ষর শনাক্ত করতে পারে এবং ভুলের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এর ফলে দ্রুত ও নিরাপদ লেনদেন সম্ভব হয়। অন্য বিকল্পগুলো MICR-এর প্রকৃত সুবিধা নয়, কারণ এটি শুধু ডিজিটাল ডকুমেন্টের জন্য নয়, প্রক্রিয়াকরণ ধীরও নয় এবং বিশেষ কালি অবশ্যই প্রয়োজন।
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাজারে সাধারনত যে সব কিবোর্ড থাকে এটি QWERTY এভাবে সজ্জিত থাকে।
ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলস ছিলেন আমেরিকান উদ্ভাবক যিনি QWERTY কীবোর্ড আবিষ্কার করেছিলেন।
স্ট্যান্ডার্ড (101/102-key) পিসি কীবোর্ড লেআউটটি 1982 সালে কী ট্রোনিক কর্পোরেশনের (Key Tronic Corporation) মার্ক টিডেন্স (Mark Tiddens) আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে 1987 সালে আইবিএম পিএস/2 (PS/2)- তে এই লেআউটটি গ্রহণ করেছিল। (পূর্বে একটি 84-key বিশিষ্ট কীবোর্ডে আলাদা কোনো পৃথক কার্সর প্যাড এবং নিউম্যারিক কী প্যাড ছিল না। আধুনিক কীবোর্ডের ল্যাটিন স্ক্রিপ্ট, কেন্দ্র, আলফানিউম্যারিক অংশ ইত্যাদির নকশা তৈরি করেন Christopher Sholes। স্ট্যান্ডার্ড কি-বোর্ডে সাধারণত অক্ষর, সংখ্যা, প্রতীক, বা ফাংশন ইনপুট দেওয়ার জন্য ১০১, ১০৪, কিংবা ১০৫ টি key থাকে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- হার্ডডিস্ক ব্যবহারের জন্যে আলাদা ড্রাইভের প্রয়োজন হয় না।
- ডিস্ক এবং ড্রাইভ একসাথেই সংযোজিত থাকে।
- এক্ষেত্রে একাধিক ডিস্ক একসঙ্গে পর পর রেখে লিখন ও পঠনের কার্যাবলি সম্পাদন করা হয়।
- কেসিং-এর মধ্যে কয়েকটি ক্রু দ্বারা এটি স্থাপন করা হয় বিধায় ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় এটিকে সহজে এক স্থান থেকে অন্যত্র স্থানান্তর করা যায় না।
- অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।
হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
- এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
- ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।
বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।
• বাকি অপশনগুলো:
HDMI (High-Definition Multimedia Interface)- এটি একটি ভিজ্যুয়াল ও অডিও সংযোগ মাধ্যম।
USB (Universal Serial Bus) - এটি ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত একটি পোর্ট ও সংযোগ পদ্ধতি।
CMOS (Complementary Metal Oxide Semiconductor)- এটি হলো একটি ছোট ধরনের মেমোরি চিপ যা BIOS এর সেটিংস সংরক্ষণ করে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাইজার হচ্ছে এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস। অনেক ক্ষেত্রে একে গ্রাফিক্স ট্যাবলেটও বলা হয়।
- ডিজিটাইজার বোর্ডের সাথে একটি বিশেষ ধরনের কলম বা স্টাইলাস ব্যবহার করা হয়।
- স্টাইলাস দিয়ে যদি ডিজিটাইজার বোর্ডে কোনো কিছু লেখা বা আঁকা হয়, তবে তা মনিটরে দেখা যায়।
- ডিজিটাইজারের সাহায্যে বিভিন্ন গ্রাফ, ম্যাপ, বাড়ি ইত্যাদির প্ল্যান সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- বাংলাদেশের ভূমি জরিপ অধিদপ্তর ডিজিটাইজার ব্যবহার করে তাদের মৌজা ম্যাপ সংরক্ষণ ও সম্পাদনা করেছে।
• বার কোড রিডার:
- বার কোড রিডার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস।
- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা প্রোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে।
• স্ক্যানার:
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়।
- এইসব কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- অফিসের কাজে পেজ স্ক্যানার বা হেন্ডহ্যান্ড স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ইমেজ স্ক্যানারের সাহায্যে অপটিক্যালি ছবি, মুদ্রিত পাঠ্য, হস্তাক্ষর বা একটি বস্তু স্ক্যান করে এবং এটিকে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর করে।
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
• র্যাম (RAM) হলো প্রাইমারি স্টোরেজের প্রধান উদাহরণ।
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়।
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ও
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র্যাম।
প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
১। এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
২। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
৩। অ্যাকসেস সময় কম।
৪। ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
৫। ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
৬। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।
• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি বা সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ হলো হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, পেনড্রাইভ, সিডি, ডিভিডি, ব্লু রে ডিভিডি, মেমোরি কার্ড, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
হার্ড ডিস্ক:
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- আবার কম্পিউটারের বইরেও হার্ড ডিস্ক রেখে কাজ করা যায়।
- হার্ডডিস্ক স্থানান্তরযোগ্য।
- ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে হার্ডডিস্ক ঢুকিয়ে কাজ করে তা অন্য একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে ঢুকিয়ে অবশিষ্ট কাজ সম্পাদন করে।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• EEPROM-এর সাথে সবচেয়ে উপযুক্ত বিবরণ হলো খ) নন-ভোলাটাইল মেমরি, যা বৈদ্যুতিকভাবে মুছে ফেলা ও পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়। EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) একটি বিশেষ ধরনের মেমরি, যা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ডেটা মুছে ফেলা এবং পুনরায় প্রোগ্রাম করার সুবিধা দেয়, যা ফ্ল্যাশ মেমরির মতো প্রয়োজনীয়। EEPROM সাধারণত ছোট আকারের ডেটা সংরক্ষণ, কনফিগারেশন সেটিংস, বা ফার্মওয়্যার আপডেটের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একবার প্রোগ্রাম করা রোম বা সিপিইউ ক্যাশ মেমরির সাথে মিলিত নয়, কারণ সেগুলি ভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করে।
EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
- EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি হিসেবে RAM (Random Access Memory) স্বীকৃত।
• RAM:
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি যেখানে কম্পিউটার চলাকালীন প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রসেসর খুব দ্রুত RAM থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, তাই এটি কাজের গতি বাড়ায়।
- তবে কম্পিউটার বন্ধ হলে RAM-এর সব ডেটা মুছে যায়।
- অন্যদিকে CD-ROM, Pen Drive বা Hard Disk হলো সহায়ক বা গৌণ মেমোরি, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- তাই কার্যক্ষমতার জন্য এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি যোগাযোগের কারণে RAM-ই প্রধান স্মৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।
» কম্পিউটারের স্মৃতি:
- কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।
• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন।
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.
• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
- ম্যাগনেটিক টেপ
তথ্যসূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Secondary device
USB Drive
- USB Drive হলো একটি ছোট, বহনযোগ্য ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস, যা ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে এবং ইউনিভার্সাল সিরিয়াল বাস (USB) ইন্টারফেস যুক্ত থাকে।
- বেশিরভাগ ফ্ল্যাশ ড্রাইভের মেমোরি ২–৬৪ গিগাবাইট (GB), তবে কিছু ড্রাইভে ২ টেরাবাইট (TB) পর্যন্ত তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- এগুলোকে সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে ধরা হয়, কারণ এগুলো মূলত সেই ডেটা ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে।
- USB Drive ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা সলিড-স্টেট প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত, তাই এতে কোনো মুভিং পার্টস নেই।
- USB Drive নন-ভলাটাইল, অর্থাৎ ব্যাটারি ব্যাকআপের প্রয়োজন হয় না, কারণ বিদ্যুৎ না থাকলেও ডেটা অক্ষুণ্ণ থাকে।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।
• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।
• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।
• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ইন্টেল কর্পোরেশন:
- ইন্টেল কর্পোরেশন (Intel Corporation) হলো ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যার সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে মূল্যবান সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারক কোম্পানি, যা প্রধানত মাইক্রোপ্রসেসর, চিপসেট, মাদারবোর্ড এবং এআই (AI) প্রযুক্তির উপাদান তৈরি করে।
- ইন্টেল তাদের উদ্ভাবনী ডিজাইন দিয়ে কম্পিউটার এবং বিভিন্ন শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
• ইন্টেল কোম্পানির মূল তথ্য:
প্রতিষ্ঠা: ১৮ জুলাই, ১৯৬৮।
প্রতিষ্ঠাতা: গর্ডন মুর এবং রবার্ট নয়েস।
সদর দপ্তর: সান্তা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
প্রধান পণ্য: মাইক্রোপ্রসেসর (Core, Xeon, Pentium, Celeron, Atom), চিপসেট, মাদারবোর্ড এবং নেটওয়ার্কিং উপাদান।
উৎস:
১। Britannica [Link]
২। Intel [Link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ক্যামেরা:
- সনাতনী ফিল্মের পরিবর্তে মেমোরি চিপে ছবি সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিজিটাল ক্যামেরার মান মেগাপিক্সেল দিয়ে পরিমাপ করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টস ইনকর্পোরেটেড প্রথমবারের মতো ফিল্মবিহীন ইলেকট্রনিক ক্যামেরা উন্মোচন করে।
- ১৯৮১ সালে সনি কর্পোরেশন একটি বাণিজ্যিক ইলেকট্রনিক মডেল বাজারে আনে, যা একটি ভিডিও ক্যামেরা থেকে সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণের জন্য "মিনি" কম্পিউটার ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করত।
- ১৯৯১ সালে ইস্টম্যান কোডাক কোম্পানি পেশাদার ডিজিটাল ক্যামেরার বিক্রি শুরু করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রধান মেমোরি (Main Memory):
Read Only Memory (ROM)
- যে স্মৃতিতে তথ্য শুধু পাঠ করা যায় কিন্তু কোনো নতুন তথ্য সংযোজন করা যায় না তাকে Read Only Memory (ROM) বলে।
- ROM এ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
- যখন বিদ্যুৎ চলে যায় অথবা কম্পিউটার বন্ধ করা হয় তখন যে সমস্ত তথ্য ROM এর মধ্যে থাকে তা মুছে যায় না, এটা ROM এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- ROM এর একটি ধরন PROM।
- যে সমস্ত ROM চিপে ব্যবহারকারী নিজেদের ইচ্ছামতো প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করতে পারে তাকে PROM চিপ বলে।
- PROM এ একবার প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করার পর সংরক্ষিত তথ্য আর পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM এর আরেকটি ধরন হচ্ছে EPROM যা PROM এর উপর্যুক্ত সমস্যা সমাধান করতে পারে।
- এখানে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং চিপকে পুনরায় প্রোগ্রাম করে নতুন তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এস এস সি ও দাখিল ভোকেশনাল।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্টোরেজ মিডিয়া প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
ক। প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া এবং
খ। সেকেন্ডারি স্টোরেজ মিডিয়া।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।
• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফ্ল্যাগ রেজিস্টারকে কন্ডিশন কোড বা স্ট্যাটাস রেজিস্টারও বলা হয়। মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের সময় বিভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারকে ফ্ল্যাগ রেজিস্টার বলা হয়।
- এ ধরনের রেজিস্টারে অনেক কয়টি Flag রেজিস্টার থাকে। যেমন- শূন্য Flag ।
- গাণিতিক বা যুক্তিমূলক অংশের কোনো অপারেশনের ফলাফল শূন্য হলে শূন্য Flag-এ ‘এক’ হয়। আর তা না হলে '০' হয়।
- অন্যান্য Flag bit গুলো হলো Carry Flag, Parity Flag, Sign Flag, Overflow Flag ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Optical Character Recognition (OCR) ডিভাইস বা সফটওয়্যার বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক (অক্ষরমালা এবং সংখ্যা) ক্যারেক্টার শনাক্ত করতে পারে।
• OCR:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• বারকোড রিডার: কেবল বারকোড (প্যাটার্ন) পড়ে, অক্ষর বা সংখ্যা চিনতে পারে না।
• OMR: কেবল নির্দিষ্ট দাগ বা চিহ্ন (যেমন বৃত্ত ভরাট) পড়তে পারে, অক্ষর বা সংখ্যা নয়।
• ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ রিডার: ক্রেডিট, ডেবিট, আইডি কার্ডের চৌম্বকীয় স্ট্রাইপের ডেটা পড়তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মুদ্রিত বা হাতে লেখা অক্ষর পড়তে পারে না।
উৎস:
১।মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মেমোরির ধারণক্ষমতা বা ক্যাপাসিটি (Capacity):
- কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।
- মেমোরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ:
৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
- 210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
- 220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
- 230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
- 240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
- 250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুলেশন ও গতি বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন:
১. লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২. ইঙ্কজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩. থার্মাল প্রিন্টার (Thirmal Printer),
৪. স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।
• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- যদিও নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে সবচেয়ে দামি প্রিন্টার।
- কিন্তু এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুতগতিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।
• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার (Impact Printer):
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুলেশন ও গতি কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লাইন প্রিন্টার (Line Printer) ও
২. অক্ষর প্রিন্টার বা সিরিয়াল প্রিন্টার(Serial Printer).
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: britannica.com/technology
উত্তর
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেমে সীমিত মেমরি ও নির্দিষ্ট কাজের জন্য মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করা হয়।
• এম্বেডেড সিস্টেম:
- এম্বেডেড সিস্টেম হলো একটি কম্পিউটেশনাল সিস্টেম যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমগুলো হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কাজ করে, যা নির্দিষ্ট কাজগুলোর উপর কেন্দ্রীভূত থাকে।
- একটি এম্বেডেড সিস্টেমের মূল অংশে থাকে মাইক্রোকন্ট্রোলার বা মাইক্রোপ্রসেসর হার্ডওয়্যার, যার উপর ব্যবহারকারী সফটওয়্যারের আকারে কোড লিখে সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটিকে বলা যায় একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি ডেডিকেটেড কম্পিউটার সিস্টেম।
- এটি আমাদের প্রচলিত কম্পিউটার বা সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটার নয়।
- এম্বেডেড সিস্টেম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে বা বড় কোনো সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত হয়ে কিছু নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে পারে। - এই সিস্টেমগুলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বা খুব সামান্য হস্তক্ষেপে কাজ করতে পারে।
• এম্বেডেড সিস্টেমের উদাহরণ:
ডিজিটাল ঘড়ি
ওয়াশিং মেশিন
খেলনা
টেলিভিশন
ডিজিটাল ফোন
লেজার প্রিন্টার
ক্যামেরা
শিল্পযন্ত্র
ইলেকট্রনিক ক্যালকুলেটর
অটোমোবাইল
চিকিৎসা সরঞ্জাম ইত্যাদি।
• এম্বেডেড সিস্টেমের ব্যবহার:
গৃহস্থালির যন্ত্রপাতি
পরিবহন
স্বাস্থ্যসেবা
ব্যবসা ও অফিস
প্রতিরক্ষা খাত
মহাকাশশিল্প
কৃষি খাত
উৎস: geeksforgeeks.
উত্তর
ব্যাখ্যা
→ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- অপটিকাল রিডার,
- জয়স্টিক,
- মাইক্রোফোন,
- স্ক্যানার,
- গ্রাফিক্স প্যাড,
- লাইট পেন,
- ওয়েবক্যাম,
- ওসিআর ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
→ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন
• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে-
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন,
- মডেম।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রিন্টার (Printer) হল একটি পেরিফেরাল ডিভাইস যা গ্রাফিক্স, ইমেজ এবং টেক্সট ডকুমেন্ট কাগজে প্রিন্ট করে।
- প্রিন্টারকে আউটপুট ডিভাইসও বলা হয়।
- অন্যান্য আউটপুট ডিভাইসের তুলনায় প্রিন্টার একটি ধীরগতি আউটপুট ব্যবস্থা।
- প্রিন্টারের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজ্যুলেশন পরিমাপক একক ডিপিআই (DPI)।
প্রিন্টারের ব্যবহার-
১. ব্যক্তিগত বা অফিসিয়াল চিঠিপত্র, বড়সড় ডকুমেন্টের স্বল্পসংখ্যক কপি তৈরি করার জন্য প্রিন্টার অত্যন্ত উপযোগী।
২. কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত প্রিন্টারের সাহায্যে অতি ক্ষুদ্র মাপের কাগজ থেকে বিশাল আকারের ম্যাপ ছাপানোর মতো কাজ করা যায়।
৩. দ্রুতগতিতে অল্প সময়ে একই ডকুমেন্টের বহু কপি তৈরি করা যায়।
৪. ট্রেসিং পেপারে ডকুমেন্টকে মুদ্রিত করে তা ব্যাপক মুদ্রণের জন্য প্রিন্টিং প্রেসের উপযোগী করা যায়।
৫. কম্পোজ করার পর সহজেই ডকুমেন্টের প্রুফ দেখার উপযোগী প্রুফশিট বের করা যায়।
সূত্র- ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট মূলত কম্পিউটারের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ড অনুযায়ী তথ্য গ্রহণ করে এবং তা প্রক্রিয়াকরণ করে ফলাফল তৈরি করে। অন্য কথায়, CPU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পাদন করে, যেমন গণনা করা, ডেটা তুলনা করা এবং নির্দেশনা কার্যকর করা। এটি কম্পিউটারের অন্যান্য অংশ যেমন মেমোরি এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে। তাই, CPU-এর প্রধান কাজ হলো তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
- সঠিক উত্তর: গ) তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ।
- এটি সাধারণত প্রধান মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত।
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ফিজিক্যাল হার্ট বা মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- এর সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল সরঞ্জাম যেমন ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিট যুক্ত থাকে।
- আধুনিক কম্পিউটারে, CPU একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপের মধ্যে থাকে, যাকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং একত্রিত করে।
- এটি প্রধান মেমরি থেকে সঠিক ক্রমে নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে এবং সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে সিস্টেমের অন্যান্য কার্যকরী উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে, যাতে তারা তাদের নিজ নিজ কাজগুলো সঠিক সময়ে করতে পারে।
- সমস্ত ইনপুট ডেটা প্রধান মেমরির মাধ্যমে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিটে স্থানান্তরিত হয়।
- অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট চারটি মৌলিক গাণিতিক ফাংশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ) এবং ডেটা তুলনা ও সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্বাচন করার মতো কিছু লজিক অপারেশন করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ DPI হল মাউসের সংবেদনশীলতার একটি পরিমাপ, যা নির্দেশ করে মাউস প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বা পিক্সেল) সনাক্ত করতে পারে। উচ্চ DPI মানে মাউসের কার্সর স্ক্রিনে দ্রুত চলাচল করতে পারে, যা গেমিং বা উচ্চ-নির্ভুলতার কাজের জন্য উপযোগী।
DPI:
- DPI এর পূর্ণরূপ dots per inch.
- ডিপিআই (প্রতি ইঞ্চি বিন্দু) একটি প্রিন্টার বা ইমেজসেটারের আউটপুট রেজোলিউশনকে বোঝায় এবং পিপিআই (পিক্সেল প্রতি ইঞ্চি) একটি ফটোগ্রাফ বা ছবির ইনপুট রেজোলিউশনকে বোঝায়।
- DPI একটি চিত্রের ভৌত ডট ঘনত্বকে বোঝায় যখন এটি একটি বাস্তব ভৌত সত্তা হিসাবে পুনরুত্থান করা হয়, উদাহরণস্বরূপ কাগজে মুদ্রিত।
- DPI সাধারণত প্রিন্টার, স্ক্যানার বা মাউসের মতো ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত, যেখানে এটি প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বা পিক্সেল) প্রিন্ট, স্ক্যান বা সনাক্ত করা যায় তা নির্দেশ করে।
উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Logitech Official Blog.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্টোরেজ ডিভাইস মানে হচ্ছে কোন কিছু স্টোর কোরে রাখা।
- স্টোরেজ ডিভাইস হলো এক ধরনের হার্ডওয়ার কম্পনেন্টস যেখানে সমস্ত ডেটা গুলো আমরা সেভ করতে পারি temporary অথবা permanently.
- স্টোরেজ ডিভাইস কম্পিউটারের হার্ডওয়ার এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- স্টোরেজ ডিভাইস মূলত দুই প্রকার।
১. primary storage device
২. Secondary storage device
# মনিটর, প্লটার, প্রিন্টার হচ্ছে আউটপুট ডিভাইস।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• OCR বা Optical Character Recognition হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মূলত মুদ্রিত বা হাতে লেখা লেখা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ভিডিও স্ট্রিমিং - হলো সেই ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না।
ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• স্ক্যানার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস, কারণ এটি কোনো ছবি বা ডকুমেন্টের ডিজিটাল তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।
• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- অপটিকাল রিডার,
- জয়স্টিক,
- মাইক্রোফোন,
- স্ক্যানার,
- গ্রাফিক্স প্যাড,
- লাইট পেন,
- ওয়েবক্যাম,
- ওসিআর ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন
• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন,
- মডেম,
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- চিত্রে, পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি। আবার পিড়ামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
- CD, RAM এর চেয়ে Cach Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• System Restore সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা বা ম্যালওয়্যারের প্রভাবে সিস্টেম অস্থিতিশীল হলে ব্যবহৃত হয়; এটি ব্যাকআপ বা ডিস্ক অপটিমাইজেশনের কাজ করে না।
• সিস্টেম রিস্টোর:
- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্ত হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।
উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার স্মৃতি ২ প্রকার। যথা-
১. প্রধান স্মৃতি (Primary Memory) :
- RAM ও ROM নিয়ে এই মেমরি গঠিত।
• কম্পিউটারের প্রধান মেমরি হিসাবে ব্যবহৃত হয় -
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory):
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা কম।
- তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতি ব্যবহৃত হয়।
• কয়েকটি সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে -
- ফ্লপি ডিস্ক,
- হার্ড ডিস্ক,
- কম্প্যাক্ট ডিস্ক,
- চৌম্বক ফিতা,
- চৌম্বক ড্রাম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্র্যাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।
- ডিস্কের অপর পৃষ্ঠায় ডেটা রিড/রাইট করা সম্ভব।
===================
- হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, কম্পাক্ট ডিস্ক, চৌম্বক ফিতা, চৌম্বক ড্রাম ইত্যাদি সহায়ক স্মৃতির উদাহরণ।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- LOAD বলতে একটি সিস্টেম বা ডিভাইস যে কোনো সময়ে যে পরিমাণ কাজ পরিচালনা করছে তা বোঝায়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন ইত্যাদি।
• কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস:
- স্ক্যানার,
- পাঞ্চকার্ড,
- বারকোড রিডার,
- ওয়েবক্যাম,
- মাউস,
- ওএমআর,
- ওসিআর,
- স্ক্যানার,
- জয়স্টিক,
- ট্র্যাকবল,
- লাইটপেন,
- ডিজিটাইজার ইত্যাদি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
The keys on your keyboard can be divided into several groups based on function:
• Typing (alphanumeric) keys. These keys include the same letter, number, punctuation, and symbol keys found on a traditional typewriter.
• Control keys. These keys are used alone or in combination with other keys to perform certain actions. The most frequently used control keys are Ctrl, Alt, the Windows logo key , and Esc.
• Function keys. The function keys are used to perform specific tasks. They are labeled as F1, F2, F3, and so on, up to F12. The functionality of these keys differs from program to program.
• Navigation keys. These keys are used for moving around in documents or webpages and editing text. They include the arrow keys, Home, End, Page Up, Page Down, Delete, and Insert.
• Numeric keypad. The numeric keypad is handy for entering numbers quickly. The keys are grouped together in a block like a conventional calculator or adding machine.
Source: support.microsoft.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
১ পেটাবাইট = ১০৩ টেরাবাইট
১ টেরাবাইট = ১০৩ গিগাবাইট
১ গিগাবাইট = ১০৩ কিলোবাইট
১ কিলোবাইট = ১০৩ বাইট
উত্তর
ব্যাখ্যা
1) CISC Processor : Complex Instruction Set Computing. তুলনামূলক কঠিন ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়। এসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম করার জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Intel Pentium, AMD ইত্যাদি।
2) RISC Processor : Reduced Instruction Set Computing. সরল ও ছোট প্রোগ্রাম এর জন্য ব্যবহৃত হয়। উচ্চতর ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Motorola Power PC - 601, DEC Alpha- 21064 ইত্যাদি।
3) Special Purpose Processor: বিশেষ কোনো কাজের উদ্ধেশ্যে বা মূল কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোকেই Special Purpose Processor.
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) ASCII টেক্সট-এ
• OCR (Optical Character Reader):
- OCR হলো Optical Character Reader এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস।
- OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে সক্ষম।
- এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, শুধু মুদ্রিত লেখা নয়, হাতের লেখাও পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- প্রথমে OCR যন্ত্রটি ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। এরপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সট-এ রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড শনাক্তকরণ,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল প্রক্রিয়াকরণ, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কী বোর্ডের যে সকল বোতাম চেপে কোন অক্ষর বা বর্ণ টাইপ করা হয় না কিন্তু অক্ষর বা বর্ণ বিন্যাসের কাজ এবং অন্যান্য ধরনের কাজ করা হয় সে সব বোতামকে বলা হয় মডিফাইয়ার কী। যেমন:
- Shift,
- Ctrl,
- Alt,
- Option,
- Command ইত্যাদি।
====================
- ফাংশন কী: (F1 - F12) ১২টি ফাংশন কী রয়েছে। যেগুলো দিয়ে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- আলফানিউমেরিক কী: (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।
- নিউমেরিক কী: (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী রয়েছে।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।
• মাদারবোর্ডের স্লট:
১. AGP slot,
২. RAM slot,
২. PCI slot ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- DOS কোনোভাবেই NTFS পার্টিশনকে সমর্থন করে না।
- NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারে কাজের গতি হ্রাস পায়।
- সফ্টওয়্যারের সাহায্যে ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করা যায়।
উৎস: বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
পেরিফেরালস:
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়।
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।
ইনপুট ডিভাইস (Input Device):
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
যেমন- কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR ও OCR ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস (Output Device):
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
যেমন- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার ও প্লটার ইত্যাদি।
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device):
- কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
যেমন- হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম ও টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়েছিল।
- টিউবের তুলনায় ট্রানজিস্টর আকারে ছোট, বিদ্যুৎ খরচ কম, দামে সস্তা এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন হওয়ায় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আকৃতিতে ছোট, দ্রুতগতি ও অধিক নির্ভরযোগ্য ছিল।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করলেও স্থায়িত্ব ছিল অনেক বেশি।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে সর্বপ্রথম হাইলেভেল ভাষার ব্যবহার শুরু হয়।
- আবার চুম্বকীয় কোর মেমরি এবং উচ্চগতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থাও এ প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।
• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২। ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩। আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪। উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫। অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬। উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭। টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা; ইত্যাদি।
• ম্যাগনেটিক কোর মেমরি:
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরি হলো কম্পিউটারের ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন, যা মূলত ১৯৫৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত কম্পিউটারের প্রধান মেমরি বা RAM হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- এটি দেখতে অনেকটা ক্ষুদ্রাকার ডোনাট বা রিংয়ের মতো, যেগুলোকে 'ফেরাইট কোর' (Ferrite Cores) বলা হয়। এই রিংগুলো অত্যন্ত ছোট (প্রায় ১ মিমি ব্যাস) এবং এগুলো সিরামিক ও আয়রন অক্সাইডের মিশ্রণে তৈরি।এই কোরগুলোকে জালের মতো সাজানো তারের গ্রিডে গেঁথে রাখা হতো।
- প্রতিটি কোর ১-বিট ডেটা ধারণ করতে পারে। তারের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে এই কোরগুলোকে চুম্বকীয় করা হয়। কোরটি ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) চুম্বকীয় হলে তাকে '১' এবং বিপরীত দিকে হলে '০' ধরা হয়।
- এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বিদ্যুৎ চলে গেলেও এতে থাকা তথ্য মুছে যায় না। কারণ চুম্বকত্ব একবার সেট হয়ে গেলে তা স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- তথ্য পড়ার সময় মেমরি থেকে তা মুছে যেত (Destructive Read), তাই পড়ার পরপরই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্যটি আবার সেখানে লিখতে হতো।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Benchmark-software [Link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• OCR (Optical Character Recognition):
- OCR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা টেক্সট, চিহ্ন, এবং আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টারকে পড়তে এবং ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
OCR এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে সক্ষম।
- এটি ছবি থেকে টেক্সট আলাদা করতে এবং সেই টেক্সটকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করতে পারে।
- OCR প্রযুক্তি এমনভাবে তৈরি যে, ছাপার লেখা ছাড়াও পরিষ্কার ও সুনির্দিষ্ট হাতের লেখা পড়তে পারে।
- হাতের লেখা সঠিকভাবে চিনতে হলে তা পরিষ্কার এবং নির্দিষ্ট গঠনে লেখা থাকা প্রয়োজন।
- OCR ডিভাইসটি প্রথমে একটি ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- এরপর, OCR সফটওয়্যার সেই বিটম্যাপ ইমেজকে ASCII টেক্সটে রূপান্তর করে।
- ফলে, কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ চিহ্ন চিনতে এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
• OCR এর ব্যবহার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।যেমন:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড চিনতে,
- ক্যাশ রেজিস্টারের তথ্য,
- ইলেকট্রিক বিলের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্লটার এক ধরনের প্রিন্টার। এর প্রিন্ট করার পদ্ধতি ডট ম্যাট্রিক্সের মত। এখানে প্রিন্ট হয় পেনের সাহায্যে। চিকন, মোটা বিভিন্ন ধরনের পেন ব্যবহার করা যায়।
প্লটারের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের নকশা, মানচিত্র ইত্যাদি রেখার মাধ্যমে সুক্ষ্ম ও সঠিকভাবে অঙ্কন করা যায়। প্লটারে অনেক চওড়া কাগজে প্রিন্ট নেয়া যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্টোরেজ মিডিয়া প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
ক। প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া এবং
খ। সেকেন্ডারি স্টোরেজ মিডিয়া।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রথম Mercury Delay Lines মেমোরি ব্যবহৃত হয় ।
- EDSAC প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
উৎস: ব্রিটানিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Multiplexer (MUX) হলো একটি ডিজিটাল সুইচিং ডিভাইস, যা একাধিক ইনপুটের মধ্যে থেকে শুধুমাত্র একটি ইনপুট নির্বাচন করে আউটপুটে প্রেরণ করে।
কর্মপ্রক্রিয়া:
- Multiplexer এ থাকে n সংখ্যক ইনপুট, একটি আউটপুট, এবং k সংখ্যক সিলেকশন লাইনের মাধ্যমে ইনপুট নির্ধারণ করা হয়।
- যেমন 4 to 1 MUX এ 4টি ইনপুট থাকে, কিন্তু কেবল একটি ইনপুট সিলেকশন বিটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয় এবং আউটপুটে প্রেরণ করা হয়।
প্রয়োগ:
- ডেটা রাউটিং: একাধিক সেন্সর বা ডিভাইসের ডেটা শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সময়ে নির্বাচিত করে প্রেরণ করা।
- ডিজিটাল কমিউনিকেশন: একাধিক ডেটা লাইনকে একটি চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণ করা।
- ডেটা সিলেকশন সার্কিট: CPU এবং মেমোরি ইন্টারফেসে তথ্য নির্বাচন করতে ব্যবহৃত।
গুরুত্ব:
- Multiplexer ডিজিটাল সার্কিটে ডেটা ব্যবস্থাপনা এবং রাউটিং সহজ করার জন্য অপরিহার্য।
- এটি কমপ্লেক্স লজিক সার্কিট এবং ডিজিটাল সিস্টেমে সিগন্যাল লাইন এবং হার্ডওয়্যার সংরক্ষণে সাহায্য করে।
তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
• বাইট (Byte):
- ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।
• ৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রোগ্রামড কন্ট্রোল ইউনিট কন্ট্রোল সিগন্যালের মান মেমরিতে সংরক্ষণ করে থাকে।
• কন্ট্রোল ইউনিট (CU)
- কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অংশ হল কন্ট্রোল ইউনিট (CU)।
- এটি সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের (CPU) একটি সাবকম্পোনেন্ট, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
• কাজের ধরণ:
- কন্ট্রোল ইউনিট CPU-এর মেমরি থেকে নির্দেশাবলী গ্রহণ করে, যেগুলোকে বাইনারি (বিটস) আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এরপর সেই নির্দেশাবলীকে কন্ট্রোল সিগনালে অনুবাদ করা হয়, যা কম্পিউটারের অন্যান্য অংশ অনুসরণ করে।
- এটি নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে সঠিক ক্রমে ব্যাখ্যা করে, যাতে সিস্টেমের অন্যান্য উপাদান সঠিক সময়ে তাদের কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে।
- ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের বিভিন্ন অপারেটিং স্পিডকে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট (ALU) এর সাথে সিঙ্ক্রোনাইজ করে, যাতে ডেটা সঠিকভাবে পুরো সিস্টেমে প্রবাহিত হয়।
• কন্ট্রোল ইউনিটের ধরন:
১। হার্ডওয়্যার্ড কন্ট্রোল ইউনিট:
- মেমরি থেকে প্রাপ্ত নির্দেশাবলীকে লজিক সার্কিট ব্যবহার করে কন্ট্রোল সিগনালে রূপান্তর করে।
২। মাইক্রোপ্রোগ্রামড কন্ট্রোল ইউনিট:
- কন্ট্রোল সিগন্যালের মান মেমরিতে সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
F1 – F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইঙ্গরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার তথ্যের মৌলিক একক হলো Page। ভার্চুয়াল মেমরি একটি প্রক্রিয়াকে তার প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিক্যাল মেমরিতে লোড করতে সাহায্য করে, যাতে পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমরিতে না থাকলেও এটি চলতে পারে। প্রক্রিয়ার ভেতরের মেমরিকে ছোট ছোট সমান আকারের অংশে ভাগ করা হয়, যাকে Page বলা হয়। আর ফিজিক্যাল মেমরিতেও সমান আকারের অংশ থাকে, যাকে Frame বলা হয়। ভার্চুয়াল মেমরির পেজগুলো ফিজিক্যাল ফ্রেমে লোড হয় প্রয়োজন অনুযায়ী। Page ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রামের স্থানীয়তা বজায় রাখে এবং মেমরির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, ফলে বড় প্রোগ্রামও সীমিত মেমরিতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে।
- এই কারণে, ভার্চুয়াল মেমরির মৌলিক একক হলো Page.
• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।
সূত্র:
- geeksforgeeks [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার বারকোড আবিষ্কার করেন।
- বারকোড রিডার এক ধরনের আলো নির্গমন করে যা বস্তুর পৃষ্ঠের বিশেষ সংকেত পড়তে পারে ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।
- আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে।
- এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে রিবন কার্টিজ ব্যবহৃত হয়।
- এর গতি পরিমাপক একক CPS (Character per second).
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ ভার্চুয়াল মেমরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি মেমরি ম্যানেজমেন্ট টেকনিক, যা সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন: হার্ড ডিস্ক বা SSD) এর একটি অংশকে প্রাইমারি মেমরি (RAM) এর সম্প্রসারণ হিসেবে ব্যবহার করে।
এটি প্রোগ্রামগুলিকে মনে করতে দেয় যে তাদের কাছে পর্যাপ্ত RAM আছে, এমনকি যখন ফিজিক্যাল RAM এর পরিমাণ সীমিত থাকে। ভার্চুয়াল মেমরি পেজিং (Paging) বা সোয়াপিং (Swapping) পদ্ধতির মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়।
ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট।