বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ৩৯ · ৩০১৪০০ / ৩,৮৭৯

৩০১.
Photoelectric Effect ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য কোন তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়?
  1. তরঙ্গ তত্ত্ব 
  2.  কণা তত্ত্ব 
  3. তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব 
  4. কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়। 
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার (Photoelectric Effect) ব্যাখ্যা দেন। 
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

কণা তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্বানুসারে আলো বস্তু কণা দ্বারা গঠিত, উৎস থেকে যা সব দিকে নিঃসৃত হয় এবং সরলরেখায় চলে। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি বৈশিষ্টের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

তরঙ্গ তত্ত্ব: 
- আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিভিন্নতার জন্য আলোর বর্ণ বিভিন্ন হয়। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হলেও মাইকেলসন-মর্লির পরীক্ষায় ইথারের অস্তিত্ব নাই প্রমাণিত হওয়ায় এই তত্ত্ব বিতর্কিত হয়। 

তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্ব অনুসারে গতিশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্রুত পর্যাবৃত্ত পরিবর্তনের ফলে দৃশ্য অদৃশ্য শক্তির বিকিরণ হয় এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- এর দৃশ্য তরঙ্গই আলো। 
- এর জন্য কোন মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। 
- এই তত্ত্ব ফটো তড়িৎ প্রতিক্রিয়া, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ বা ব্ল্যাক বডি রেডিয়েশনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০২.
সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি।
এগুলো হলো -
- শর্করা,
- আমিষ,
- ভিটামিন,
- খনিজ লবণ,
- চর্বি ও
- পানি।
সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩০৩.
মানুষের চোখের রঙ নিয়ন্ত্রণ করে কোন রাসায়নিক উপাদান?
  1. RNA
  2. DNA
  3. ক্রোমোজোম
  4. নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
DNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA
ব্যাখ্যা

DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ। যেসব জীবে DNA থাকে না কেবল RNA থাকে সে ক্ষেত্রে RNA জিন হিসেবে কাজ করে। যেমন - তামাক গাছে মোজাইক ভাইরাস (TMV)
জীবের একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিন কাজ করে, আবার কখনো একটি জিন বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি সবই জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

৩০৪.
শ্বেত রক্তকণিকার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) এতে নিউক্লিয়াস থাকে না
  2. খ) হিমোগ্লোবিন থাকে
  3. গ) এতে ডিএনএ থাকে
  4. ঘ) এটি রক্ত জমাট বাধায় অংশগ্রহণ করে
সঠিক উত্তর:
গ) এতে ডিএনএ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এতে ডিএনএ থাকে
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্টকোন আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। এর গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এতে DNA থাকে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি।
৩০৫.
পৃথিবী কোন গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) আকাশগঙ্গা
  2. খ) এন্ড্রোমিডা
  3. গ) স্যাজিটারিয়াস ড্রাফ
  4. ঘ) অ্যালকিয়োনেস
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশগঙ্গা
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি:
- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আটটি গ্রহ তাদের নিজস্ব কক্ষপথে অবিরত আবর্তন করে।
- পৃথিবী, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালক্সি সবকিছু নিয়েই গঠিত হয় মহাবিশ্ব।
- গ্যালাক্সি মহাবিশ্বের অংশ। এখানে রয়েছে হাজার হাজার কোটি নক্ষত্র ও গ্রহ, উপগ্রহ।
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
৩০৬.
কোন দিনকে 'শারদ বিষুব' বলা হয়?
  1. ২১শে মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব: 
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়। একে বিষুব বলা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে, বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব উভয় গোলার্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- একটি গোলার্ধে বিষুব অবস্থা চলাকালীন যে ঋতু বিরাজ করে, উক্ত ঋতু অনুসারে ঐ গোলার্ধে বাসন্ত বা শারদ বিষুব হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব' নামে অভিহিত।
- অপরদিকে, ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব 'শারদ বিষুব' নামে অভিহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৭.
নিচের কোনটি ওজোন স্তরের ক্ষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. কিটো প্রটোকল
  3. কারটেজেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি:
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) এর মধ্যে প্যারিস চুক্তি ২০১৫ সালে সম্পাদিত একটি ভলান্টারি চুক্তি।
- এই চুক্তিতে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ প্রশমনে, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন এর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্বের ১৯২ টি সদস্য রাষ্ট্র এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

কিটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ইউনাইটেড নেশনস্ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (United Nations Framework Convention) কিটো প্রটোকল নামে পরিচিত।

কারটেজেনা প্রটোকল:
বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি সম্পর্কিত জীববৈচিত্র্য কনভেনশন (Bio-diversity Convention) কারটেজেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol) নামে পরিচিত।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোন স্তরের ক্ষয় (Montreal Protocol: Ozone layer Depletion) নিয়ে আলোচনা ছিল মূখ্য আলোচ্য বিষয়।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৮.
রিকেটস রোগে প্রধানত কারা আক্রান্ত হয়?
  1. ক) বৃদ্ধ
  2. খ) শিশু
  3. গ) যুবক-যুবতী
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিশু
ব্যাখ্যা
রিকেটস রোগে প্রধানত শিশুরা আক্রান্ত হয়ে থাকে। 

ভিটামিন-ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়ে থাকে। 

রিকেটসের মূল কারণগুলো হলো-
১. অপর্যাপ্ত সূর্যালোক।
২. অপর্যাপ্ত ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার।
৩. ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস- এ দুটো খনিজ লবণের অভাব।
৪. দেহে স্নেহ পদার্থের অভাব- কেননা স্নেহ পদার্থেই ভিটামিন-ডি দ্রবীভূত হয়। স্নেহ পদার্থের অভাবে ভিটামিন-ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে শোষিত হতে পারে না এবং দেহের কাজে লাগে না।
এ ছাড়া যকৃত ও কিডনির রোগ এবং খিঁচুনি নিরোধক ওষুধের কারণেও দেহে ভিটামিন-ডি’র অভাব দেখা দিতে পারে।

সূত্র: National Institutes of Health Website. 
৩০৯.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন মহিলা টেস্টটিউব শিশুর মা হন?
  1. ক) পারভীন ফাতেমা
  2. খ) ফিরোজা বেগম
  3. গ) রওশন জাহান
  4. ঘ) কানিজ ফাতেমা
সঠিক উত্তর:
খ) ফিরোজা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিরোজা বেগম
ব্যাখ্যা
- টেস্ট টিউব বেবি নেয়া হয় মূলত আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে। ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে আইভিএফ।
- এ পদ্ধতিতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু ল্যাপারেস্কোপিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত সন্তর্পণে বের করে আনা হয়। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। 
- এছাড়া একই পদ্ধতিতে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। পরে ল্যাবে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো জাতের একঝাঁক শুক্রাণু।
- ইনকিউবেটরের মধ্যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পরই বোঝা যায় নিষিক্তকরণের পর ভ্রূণ সৃষ্টির সফলতা সম্পর্কে। ভ্রূণ সৃষ্টির পর সেটিকে একটি বিশেষ নলের মাধ্যমে জরায়ুতে সংস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়।

- বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে ঢাকার একটি ক্লিনিকে।
- দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম (৩৩) ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।
উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে।

সূত্র: প্রথম আলো ও এনটিভি রিপোর্ট।
৩১০.
'The Grand Design' বইটির লেখক কে?
  1. জামাল নজরুল ইসলাম
  2. জি. লেমেটার
  3. টমাস মুর
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং:
- যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ স্টিফেন হকিং।
- তিনি মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত কয়েকটি গ্রন্থ:
A brief history of time,
The Universe in a Nutshell,
The grand design.

উৎস: Physics today &  Encyclopaedia Britannica.
৩১১.
সমুদ্র তলদেশের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়? 
  1. ব্যারোমিটার 
  2. ফ্যাদোমিটার 
  3. টেলিস্কোপ 
  4. সিসমোমিটার
সঠিক উত্তর:
ফ্যাদোমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাদোমিটার 
ব্যাখ্যা

সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ: 
- সাগর, মহাসাগরের পানিরাশির উপরিভাগ সমতল দেখা গেলেও সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ সমতল নয়। 
- স্থলভাগ যেমন বন্ধুর প্রকৃতির অর্থাৎ কোথাও সমভূমি, কোথাও মালভূমি, কোথাও সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ, আবার কোথাও গভীর খাত, সমুদ্র তলদেশের ভূমির প্রকৃতিও তেমন বন্ধুর। বরং স্থলভাগের তুলনায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমুদ্রের তলদেশ অধিক বন্ধুর প্রকৃতির। 
- সমুদ্র তলদেশে অসংখ্য পাহাড়, পর্বত, আগ্নেয়গিরি, মালভূমি, পর্বতচূড়া এবং সুগভীর খাত বর্তমান। 
- অতীতে জাহাজ হতে শিকল বা শক্ত তারের মাথায় ভারী জিনিস বেঁধে সমুদ্রের মধ্যে নিক্ষেপ করে সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করা হতো। 
- বর্তমানে অন্যান্য পদ্ধতিসহ শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়। 
- শব্দ তরঙ্গ প্রতি সেকেন্ডে পানির মধ্য দিয়ে প্রায় ১,৪৭৫ মিটার গিয়ে আবার ফিরে আসে, আর এভাবেই সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করা হয়। 
- সমুদ্রের গভীরতা সাধারণত ফ্যাদমে (এক ফ্যাদম সমান ছয় ফুট) পরিমাপ করা হয়। 
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার। 

অন্যদিকে, 
- টেলিস্কোপ (Telescope) মূলত দূরের বস্তু পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- সিসমোমিটার (Seismometer) ভূমিকম্প বা কম্পনের মাত্রা পরিমাপ করার যন্ত্র। 
- ব্যারোমিটার (Barometer) বায়ুর চাপ পরিমাপের যন্ত্র। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৩১২.
১ নটিক্যাল মাইল = কত কিলোমিটার?
  1. ক) ০.৬২১ কিলোমিটার
  2. খ) ১.৮৫২ কিলোমিটার
  3. গ) ১.৪৭২ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২.২৫৪ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৮৫২ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৮৫২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ভূ-খন্ডগত বিস্তৃতি বা আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে বাংলাদেশের বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিলোমিটার।
-  এদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১২ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩,৭১৫ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে ২৮১ কিলোমিটার এবং দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার। - ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩১৩.
সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?
  1. ক) মঙ্গল
  2. খ) সিরিয়াস
  3. গ) উলফ ৩৫৯
  4. ঘ) প্রক্সিমা সেন্টারাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রক্সিমা সেন্টারাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রক্সিমা সেন্টারাই
ব্যাখ্যা

- প্রক্সিমা সেন্টারাই হলো সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র।
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব ৪.২ কোটি আলোকবর্ষ।
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়। সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- অর্থাৎ সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)

৩১৪.
রাশিয়ার তৈরী করোনা টিকা নিচের কোনটি?
  1. স্পুটনিক টু
  2. স্পুটনিক থ্রী
  3. স্পুটনিক ফোর
  4. স্পুটনিক ফাইভ
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক ফাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক ফাইভ
ব্যাখ্যা
স্পুটনিক-ফাইভ টিকা:

- রাশিয়া 'স্পুটনিক ফাইভ বা স্পুটনিক ভি' করোনা টিকা আবিষ্কার করে।
- ২০২০ সালের ১১ই আগস্ট রাশিয়া টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়।
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে এবং কোনরকম তথ্য প্রকাশ না করেই অগাস্ট মাসে স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের জন্য টিকার লাইসেন্স দেয় রাশিয়া।
- এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস (সবচেয়ে ভালো ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় রাখা যায়। ফলে এটি পরিবহন ও সংরক্ষণ করা সহজ।
- ফাইজার, অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মর্ডানার মতো টিকাগুলোর মতো এটিও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষমতার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ২৭ এপ্রিল ২০২১।
৩১৫.
পৃথিবীতে আগত সৌর শক্তির কত শতাংশ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত হয়?
  1. ক) ৭১ শতাংশ
  2. খ) ২৩ শতাংশ
  3. গ) ৪৮ শতাংশ
  4. ঘ) ২৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
আগত সৌর শক্তির প্রায় ২৩ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে থাকা জলীয় বাষ্প, ধূলিকণা এবং ওজোন শোষণ করে নেয়  এবং 
৪৮ শতাংশ বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যায় এবং ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে। 
অর্থাৎ, মোট আগত সৌর শক্তির প্রায় ৭১ শতাংশ পৃথিবী সিস্টেম দ্বারা শোষিত হয়। 
বাকি ২৯ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে ফিরে যায়। 



উৎস: নাসা ওয়েবসাইট
৩১৬.
মানুষের মধ্যে মঙ্গোলয়েড ও নিগ্রয়েড জাতির মধ্যে যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় সেটির কারণ -
  1. ক) প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
  2. খ) জিনগত বৈচিত্র্য
  3. গ) বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
  4. ঘ) স্বভাবগত বৈচিত্র
সঠিক উত্তর:
খ) জিনগত বৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিনগত বৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
জীব-বৈচিত্র্য
- পৃথিবীতে জীবের বৈচিত্র্যতা রয়েছে। এর জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সর্বত্রই প্রাণীর অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়।
- প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনোটি এতোই ছোট যে এদের খালি চোখে দেখা যায় না, আবার কোনোটি আকারে বড় তাই খালি চোখে দেখা যায়।
- এদের মধ্যে কোনোটি মানুষের জন্য উপকারি, কোনোটি ক্ষতিকর।
- এদের স্বভাব, বৈচিত্র্য, আবাস স্থলের ভিন্নতা ও দলগতভাবে এদের বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য দেখা যায়।
- তাই প্রাণিদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সুসংবদ্ধ জ্ঞান থাকা অতীব প্রয়োজনীয়।

প্রাণিজগতের বিভিন্নতা বা প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity):
- বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে।
- প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়। যথা-

১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity)- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য। আবার মানুষ (Homo sapiens) একই প্রজাতিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মঙ্গোলয়েড, ককেশয়েত, নিগ্রয়েড ইত্যাদি রেস দেখা যায় এবং এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়।

২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity)- ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে ।

৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity)- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি । বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৭.
কোন পোকা সরিষা ফসলের প্রধান শত্রু?
  1. ড্যামসেল ফ্লাই
  2. কাটুই পোকা
  3. লেডিবার্ড বিটল
  4. জাব পোকা
সঠিক উত্তর:
জাব পোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাব পোকা
ব্যাখ্যা
সরিষা:
- সরিষা এদেশের বিভিন্ন তৈল জাতীয় ফসলের মধ্যে অন্যতম।
- সরিষার বীজ থেকে তৈল ও খৈল পাওয়া যায়।
- তৈলে ক্ষতিকর ইরোসিক এসিড বিদ্যমান।
- আর খৈল ভালো জৈব সার ও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- সুনিষ্কাশিত বেলে দো-আঁশ মাটি সরিষা চাষের জন্য উপযুক্ত।
- সরিষা বীজ প্রধানত মধ্য অক্টোবর থেকে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত বোনা যায়।
- সরিষা ফসলের ক্ষতিকর পোকা হলো জাব পোকা, পরগাছা হলো অরোবাংকি এবং ও রোগ হলো পাতায় দাগ পড়া রোগ।

⇒ রোগ ও পরগাছা দমন:
- সরিষা গাছে পাতায় দাগ পড়া বা অলটারনেরিয়া ব্লাইট রোগ হয়।
- এ রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে পাতায় বাদামী বা গাঢ় বাদামী দাগ পড়ে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে পাতা, কা-, শুঁটি ও বীজেও এই দাগ পড়ে।
- এ রোগ দমনের জন্য ২ গ্রাম ডাইথেন এম-৪৫ বা রোভরাল ডব্লিউপি ১ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ১২ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করতে হবে।
- এছাড়া সরিষা ক্ষেতে অরোবাংকি নামক এক প্রকার পরগাছা জন্মে যা সরিষার মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে।
- অরোবাংকি দেখা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা নিড়ানি দিয়ে জমি থেকে উঠিয়ে ধ্বংস করে ফেলতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৮.
বাংলাদেশে রঙ্গিন টেলিভিশন চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে।
বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮০ সালে।
বাংলাদেশ বেতার প্রথম উদ্বোধন করা হয় ১৯৩৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

৩১৯.
অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহণ করে কোনটি?
  1. ক) কৈশিকনালী
  2. খ) শিরা
  3. গ) ধমনি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধমনি
ব্যাখ্যা
- যে সকল রক্তবাহী নালি হৃৎপিন্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে, তাকে ধমনি বলে। 
- ধমনির প্রাচীর পুরু গহ্বর ছোট এবং এর গহ্বরে কপাটিকা থাকে না।
- ধমনি অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
৩২০.
বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট তার কক্ষ পথে ঘুরার দ্রুতি হলো—
  1. ক) 4k ms-1
  2. খ) 3.07k m sec-1
  3. গ) 4.07k m sec-1
  4. ঘ) 5.07k m sec-1
সঠিক উত্তর:
খ) 3.07k m sec-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 3.07k m sec-1
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট তার কক্ষ পথে ঘুরার দ্রুতি হলো 3.07k m sec-1
- মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। 
- মহাকাশে কার্যকর হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে স্যাটেলাইটটি নিয়ন্ত্রণের জন্য দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন (ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা) তৈরি করা হয়েছে। 
- বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটে মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে।
- রকেটের নাম: ফ্যালকন-৯।
- উৎক্ষেপণকারী: স্পেসএক্স।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ: ১৩ মে, ২০১৮। 
৩২১.
Mpemba প্রভাব বলতে কী বোঝায়?
  1. বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
  2. বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডার চেয়ে ধীরে জমে
  3. ঠান্ডা পানি গরমের চেয়ে দ্রুত ফুটে
  4. গরম পানিতে বরফ ধীরে গলে
সঠিক উত্তর:
বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
ব্যাখ্যা

• Mpemba প্রভাব বলতে এমন একটি বিস্ময়কর ভৌত ঘটনা বোঝায়, যেখানে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত জমে যায়। এটি প্রথম লক্ষ্য করেন তানজানিয়ার এক ছাত্র এরাস্টো মপেম্বা। সাধারণ ধারণা অনুযায়ী ঠান্ডা পানি আগে জমার কথা, কিন্তু বাস্তবে কখনো কখনো গরম পানিতে বাষ্পীভবন বেশি হওয়া, দ্রবীভূত গ্যাস কম থাকা, তাপ পরিবহণের পার্থক্য এবং পরিবেশের সাথে তাপ বিনিময়ের কারণে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হয়। এই ঘটনাই Mpemba প্রভাব নামে পরিচিত। সঠিক উত্তর হলো ক) বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে।

• Mpemba প্রভাব (Mpemba Effect):
- Mpemba প্রভাব হলো একটি বিস্ময়কর ভৌত ঘটনা যেখানে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত জমে যায়।
- এই প্রভাবটি প্রথম লক্ষ্য করেন তানজানিয়ার এক ছাত্র এরাস্টো ম্পেম্বা, যার নাম অনুসারেই এর নামকরণ করা হয়েছে।
- সাধারণ ধারণা অনুযায়ী ঠান্ডা পানি আগে জমার কথা, কিন্তু বাস্তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হতে পারে।
- এর সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত বাষ্পীভবন, সংবহন প্রবাহ (convection), দ্রবীভূত গ্যাসের পরিমাণ এবং পাত্রের তাপ পরিবাহিতা।
- তবে এই প্রভাব সব সময় ঘটে না, এটি নির্ভর করে পরিবেশ, পানির পরিমাণ ও তাপমাত্রার উপর।

- সুতরাং, Mpemba প্রভাব বলতে বোঝায় - বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে।
- সঠিক উত্তর: ক) বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে। 

Image Source - Theweather.com

সূত্র:
- phys.org [link]

৩২২.
একটি আদর্শ মৃত্তিকায় শতকরা কত ভাগ খনিজ পদার্থ থাকে?
  1. ৫০ ভাগ
  2. ২৫ ভাগ
  3. ৩৫ ভাগ
  4. ৪৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৪৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ভাগ
ব্যাখ্যা

- মৃত্তিকা ৪টি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হচ্ছে-খনিজ বা অজৈব পদার্থ, জৈব পদার্থ, পানি ও বায়ু। 
- একটি আদর্শ মৃত্তিকায় সাধারণত শতকরা ৪৫ ভাগ খনিজ পদার্থ, ২৫ ভাগ পানি, ২৫ ভাগ বায়ু এবং ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকে ।
- তবে মৌসুম পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রধানত পানি এবং বায়ুর অনুপাতের পরিবর্তন ঘটে। 
- মৃত্তিকা উপাদানের এই অনুপাত মৃত্তিকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করে থাকে। 

উৎস: মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

৩২৩.
নিচের কোনটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়? 
  1. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  2. কলেরা
  3. টাইফয়েড
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
• যক্ষ্মা, 
টাইফয়েড
• আমাশয়, 
কলেরা
• গনোরিয়া, 
নিউমোনিয়া
• ডিপথেরিয়া, 
• হুপিংকাশি এবং 
• ধনুষ্টংকার ইত্যাদি। 

- ভাইরাসজনিত রোগ: 
• জলাতঙ্ক, 
ইনফ্লুয়েঞ্জা
• হার্পিস, 
• গুটি বসন্ত, 
• জল বসন্ত এবং 
• এইডস ইত্যাদি। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২৪.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ?
  1. যক্ষ্মা
  2. টাইফয়েড
  3. কলেরা
  4. জলাতঙ্ক
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
ব্যাখ্যা

• জলাতঙ্ক হলো র‍্যাবিস ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট রোগ।

• ভাইরাসজনিত রোগসমূহ:

• ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৫.
কেমােথেরাপির জনক হলেন-
  1. ক) গােল্ড সেইন
  2. খ) পল এহর্লিক
  3. গ) উইলিয়াম রনজেন
  4. ঘ) মাদাম কুরি
সঠিক উত্তর:
খ) পল এহর্লিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পল এহর্লিক
ব্যাখ্যা
- কেমােথেরাপি হলাে এমন একধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ (উচ্চতর এন্টিবায়ােটিকও হতে পারে) ব্যবহার করে দেহের ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত কোষ ধ্বংস করা হয়।
- পল এহর্লিককে কেমােথেরাপির জনক বলা হয়। উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩২৬.
মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিলিটার রক্তে কতগুলো শ্বেত রক্তকণিকা থাকে?
  1. ক) ৪-১০ হাজার
  2. খ) ১৫-৩০ হাজার
  3. গ) ১ লাখ থেকে ১.১০ লাখ
  4. ঘ) ১ মিলিয়ন+
সঠিক উত্তর:
ক) ৪-১০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪-১০ হাজার
ব্যাখ্যা
রক্তের তিনটি কনিকার মধ্যে শ্বেত কনিকা অন্যতম। এদের গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এতে হিমোগ্লোবিন থাকে না। নিউক্লিয়াস এবং ডিএনএ থাকে। এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিলিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকনিকা থাকে। কিন্তু এই সংখ্যা বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হলে লিউকোমিয়া বা ব্লাডক্যান্সার দেখা দেয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
৩২৭.
রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে—
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকায়
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকায়
  3. গ) অনুচক্রিকায়
  4. ঘ) প্লাজমায়
সঠিক উত্তর:
ক) লোহিত রক্তকণিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লোহিত রক্তকণিকায়
ব্যাখ্যা
রক্তরস (Plasma):
রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। সাধারণত রক্তের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ রক্তরস। 
এর মধ্যে যে পদার্থগুলো থাকে তা হলো:
- প্রোটিন, যথা অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন ও ফাইব্রিনোজেন
-গ্লুকোজ
- ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চর্বিকণা
- খনিজ লবণ
- ভিটামিন
- হরমোন
- এন্টিবডি
- বর্জ্য পদার্থ যেমন: কার্বন ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড ইত্যাদি।

মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে৷
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।

• লোহিত রক্তকণিকা
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস নেই।
- এ কণিকা দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
- লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

• শ্বেত রক্তকণিকা
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকারনেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১ থেকে ১৫ দিন।
- শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়।

• অণুচক্রিকা
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০দিন।




উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২৮.
বাংলাদেশের উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব নয় কোনটি?
  1. বাজার ব্যবস্থার অবনতি
  2. শ্রমের গতিশীলতা
  3. অর্থনৈতিক উন্নতি
  4. সম্পদের সুসম বণ্টন
সঠিক উত্তর:
বাজার ব্যবস্থার অবনতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজার ব্যবস্থার অবনতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব নয়- বাজার ব্যবস্থার অবনতি । 

যোগাযোগ ব্যবস্থা: 

- দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। 
- যে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যত উন্নত সে দেশ তত বেশি উন্নত। 
- বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। 
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের যোগাযোগ রয়েছে। 
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জলপথ ও বিমানপথ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। 
- এছাড়া সড়ক ও রেলপথে প্রতিবেশী দেশের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। 

উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব: 
- উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমান সভ্যতার অঙ্গ। 
- বাংলাদেশের উন্নয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা তথা পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব অপরিসীম। 
যেমন- 
১। অর্থনৈতিক উন্নতি
২। বাজার ব্যবস্থার উন্নতি, 
৩। সম্পদের সুসম বণ্টন
৪। শ্রমের গতিশীলতা
৫। রাজনৈতিক গুরুত্ব, 
৬। সামাজিক গুরুত্ব, 
৭। জরুরি অবস্থার মোকাবেলা, 
৮। জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং 
৯। কর্মসংস্থান। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)। 
৩২৯.
কোন টিকা মেনিনজাইটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করেছিলো?
  1. টিটেনাস টক্সয়েড (TT)
  2. হিব (Hib)
  3. এম এম আর (MMR)
  4. এইচআইভি (HIV)
সঠিক উত্তর:
হিব (Hib)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিব (Hib)
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিস অন্যান্য বয়সের তুলনায় শিশুদের প্রায়শই আঘাত করে।
হিব (Hib) ভ্যাকসিন হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি সংক্রমণ জাতীয় রোগ যেমন মেনিনজাইটিস, নিউমোনিয়া এবং এপিগ্লোটাইটিস প্রতিরোধ করে থাকে।
হিব টিকা চালু হওয়ার পর থেকে মেনিনজাইটিস রোগীর সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।
উল্লেখ্য,
এইডস রোগের ভাইরাসকে সংক্ষেপে এইচআইভি (HIV) বলা হয়।

সোর্স: www.urmc.rochester.edu
৩৩০.
ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের 'Big One' বলতে বোঝায়-
  1. চূড়ান্ত ভূমিকম্প
  2. শেয়ার বাজারের পতন
  3. বাৎসরিক মোটর চালনা উৎসব
  4. আণবিক যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ক্যালিফোর্নিয়ার 'Big One': 
- ক্যালিফোর্নিয়ার 'Big One' মূলত সম্ভাব্য একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্পের ধারণা, যা স্যান আন্দ্রেয়াস ফল্ট লাইনে সংঘটিত হতে পারে। 
- স্যান আন্দ্রেয়াস ফল্ট হলো উত্তর আমেরিকান প্লেট এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের মধ্যবর্তী একটি টেকটনিক ফল্ট লাইন, যা ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সক্রিয়। 
- এই ফল্ট লাইনটি প্রায় ১৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্য দিয়ে চলে। 
- এটি দুটি টেকটোনিক প্লেটের মিথস্ক্রিয়ার একটি প্রধান স্থান, যেখানে প্রতিনিয়ত চাপ জমা হয়। 
- ১৯০৬ সালের সান ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্প (7.9 মাত্রা) এবং ১৯৮৯ সালের লোমা প্রিয়েতা ভূমিকম্পের মতো ঘটনা দেখিয়েছে যে স্যান আন্দ্রেয়াস ফল্ট লাইন কতটা বিপজ্জনক।
- ভূতাত্ত্বিকরা মনে করেন, স্যান আন্দ্রেয়াস ফল্টে জমা হওয়া চাপ অবশেষে একটি বিশাল ভূমিকম্প ঘটাতে পারে। 
- তবে স্যান আন্দ্রেয়াসের দক্ষিণ অংশে ১৭০০ সালের পর থেকে বড় কোনো ভূমিকম্প ঘটেনি, যা ভবিষ্যৎ 'Big One'-এর আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।
৩৩১.
চন্দ্র, সূর্য এবং পৃথিবী সমকোণে অবস্থান করে কখন?
  1. মরা কটালের সময়
  2. তেজ কটালের সময়
  3. গৌণ জোয়ারের সময়
  4. মুখ্য জোয়ারের সময়
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
ব্যাখ্যা

• যখন চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে পরস্পর সমকোণে বা ৯০° অবস্থানে থাকে, তখন চাঁদের আকর্ষণ বল এবং সূর্যের আকর্ষণ বল একে অপরের ওপর লম্বভাবে কাজ করে। এর ফলে জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে না, যাকে মরা কটাল বলা হয়।

• জোয়ার-ভাটা:
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- এর কারণ মূলত দুটি যা চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা -

১. মুখ্য জোয়ার:
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়।
- এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে।

২. গৌণ জোয়ার:
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়।
- এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে।

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল:
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল:
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না, এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল বলে।
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাঁটা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩২.
ফোটনের চার্জ কত?
  1. ক) 1.67×10-19
  2. খ) 1.67×1019
  3. গ) 1.67×10-27
  4. ঘ) 0
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।

ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হল:-
• পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি কোন বিকিরণের ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
• ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
• ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
• প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
• ফোটন এর কণা তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে ।
• E = ফোটনের শক্তি, h = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক, ν = ফোটনের কম্পাঙ্ক ও হলে তার শক্তি E=hν.
৩৩৩.
সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সংঘটিত হয়- 
  1. পুকুরে
  2. সাগরে
  3. নদীতে
  4. খালে-বিলে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ।
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ।
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ।
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প।
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়।
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৩৪.
মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?
  1. ক) সিরাস
  2. খ) নিম্বাস
  3. গ) কিউম্যুলাস
  4. ঘ) স্ট্রেটাস
সঠিক উত্তর:
গ) কিউম্যুলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কিউম্যুলাস
ব্যাখ্যা

মেঘকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, আকৃতি, রঙ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর অনেকভাবেই ভাগ করা হয়। প্রশ্ন অনুসারে ব্যাখ্যায় দেয়া হল।

World Meteorological Organization অনুসারেঃ

উঁচু আকাশের মেঘঃ
যারা সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ৬০০০ মিটারের উপরে থাকে । যেমন-সিরাস (Cirrus), সিরোকিউমুলাস (Cirro-Cumulus) সিরোস্ট্রাটাস (Cirro-Stratus).

মাঝারি আকাশের মেঘঃ
২০০০ মিটার থেকে ৬০০০ মিটারের মধ্যে থাকে। অল্টোকিউমুলাস (Alto-cumulus), অল্টো স্ট্রাটাস (Alto-stratus), এই মাঝারি আকাশের মেঘ।

নীচু আকাশে মেঘঃ
যারা ২০০০ মিটারের নিচে অবস্থান করে। যেমন, স্ট্রাটাস (Stratus), নিম্বো স্ট্রাটাস (Nimbo- status), কিউমুলো-নিম্বাস (Cumulonimbus, কিউমুলাস (Cumulus) এবং স্ট্রাটো-কিউমুলাস (Strato-cumulus)

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Cumulus নিচু থেকে মাঝারি উচ্চতায় থাকে। আরেকটা ব্যাপার উল্লেখযোগ্য যে, WMO এবং অন্যান্য সংস্থার শ্রেণিবিভাগে নির্দিষ্টভাবে নিম্বাস নামে বর্তমানে কোন মেঘ নেই, Cumulonimbus, Nimbo- status আছে।

৩৩৫.
পূর্ণ বয়স্ক মানবদেহে রক্ত উৎপাদন হয় কোথায়?
  1. যকৃতে
  2. প্লীহায়
  3. অস্থিমজ্জায়
  4. হৃদপিণ্ডে
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা

পূর্ণ বয়স্ক মানবদেহে রক্ত উৎপাদন হয়ে থাকে অস্থিমজ্জায়। আর ভ্রূনাবস্থায় যকৃত, প্লীহা প্রভৃতি অঙ্গে রক্ত উৎপাদিত হয়।
হৃদপিণ্ড রক্তকে সারা শরীরে সঞ্চালিত করে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩৩৬.
কোন বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে বলে -
  1. মহাকর্ষ বল
  2. অভিকর্ষ বল
  3. তাড়িৎচৌম্বক বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর আকর্ষণকে মহাকর্ষ বল বলে। 
- পৃথিবীর সাথে কোন বস্তুর আকর্ষণকে বলকে অভিকর্ষ বল বলে
- অভিকর্ষ এক ধরনের মহাকর্ষ। 
- কোন বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে তাকে বস্তুর ওজন বলে। 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎচৌম্বক বল বলে।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে দুটি নিউক্লীয়নের মধ্যে যে শক্তিশালী বল কাজ করে তাকে সবল নিউক্লীয় বল বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ, পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৭.
মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি?
  1. ক) চারটি
  2. খ) পাঁচটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) দুইটি
সঠিক উত্তর:
ক) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চারটি
ব্যাখ্যা
- মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- O, A, B এবং AB।

রক্তের গ্রুপ
:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে। 
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে।

O রক্তের গ্রুপ:
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই।
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে।

AB রক্তের গ্রুপ
:
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে।
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

A রক্তের গ্রুপ
:
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে।
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

B রক্তের গ্রুপ
:
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে।
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

উৎস
: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৮.
কোনাে তরঙ্গের উপর সমদশা সম্পন্ন কণাগুলাের গতিপথকে কী বলে?
  1. ক) তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  2. খ) বিস্তার
  3. গ) কম্পাঙ্ক
  4. ঘ) তরঙ্গমুখ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরঙ্গমুখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরঙ্গমুখ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ মুখ (Wave front) : পানির মধ্যে আন্দোলন সৃষ্টি করে তরঙ্গ উৎপন্ন হলে তরঙ্গ বৃত্তের আকারে পানির উপর বিস্তৃত হয়। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বৃত্তের উপরস্থ পানি কণাগুলাে একবার উপরে উঠছে ও একবার নিচে নামছে বা তরঙ্গচূড়া (crest) ও তরঙ্গখাজ (trough) উৎপন্ন হচ্ছে। তরঙ্গচূড়ায় অবস্থিত সকল কণার দশা একই আবার তেমনি তরঙ্গখাজে অবস্থিত সকল কণার দশা সমান। কোনাে তরঙ্গের উপর অবস্থিত সম দশাসম্পন্ন কণাগুলাের গতিপথ(locus)-কে তরঙ্গ মুখ বলে।
(উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৩৩৯.
মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস জীবাণু দ্বারা কোন রোগে আক্রান্ত হয়?
  1. ক) কলেরা
  2. খ) যক্ষ্মা
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) ডেঙ্গু
সঠিক উত্তর:
খ) যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা
- কলেরা রোগের জন্য দায়ী জীবাণু ভিব্রিও কলেরা।
- যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী জীবাণু  মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস। 
- এইডস এর জীবাণুর নাম এইচ আই ভি।
- ডেঙ্গু এর জীবাণুর নাম এডিস ইজিপ্টি।

উৎস: একাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
৩৪০.
কৃষ্ণ বিবরের নাম 'কৃষ্ণ বিবর' হওয়ার কারণ কী?
  1. এটা মহাশূন্যের সে অংশ যেখানে কোনো পদার্থ নেই
  2. এটা সম্পূর্ণভাবে কার্বন দিয়ে তৈরি
  3. এর মহাকর্ষ এত বেশি যে এটা থেকে মহাশূন্যে আলো বিকিরিত হতে পারে না
  4. এটি এমন একটি নক্ষত্র যা শুধু কালো বর্ণের আলো প্রতিফলিত করে
সঠিক উত্তর:
এর মহাকর্ষ এত বেশি যে এটা থেকে মহাশূন্যে আলো বিকিরিত হতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর মহাকর্ষ এত বেশি যে এটা থেকে মহাশূন্যে আলো বিকিরিত হতে পারে না
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালে আমেরিকান বিজ্ঞানী জন হুইলার কৃষ্ণ বিবর শব্দটি সৃষ্টি করেন। একটি তারকায় যদি যথেষ্ট ভর ও ঘনত্ব থাকে, তাহলে তার মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এত শক্তিশালী হবে যে, আলোক সেখান থেকে নির্গত হতে পারবে না। এসব তারকা থেকে আলো আসতে পারে না বলে আমরা এদের দেখতে পাই না।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩৪১.
স্ট্রাটোমণ্ডলের কোন গ্যাস সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. ওজোন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন
ব্যাখ্যা

স্ট্রাটোমণ্ডল: 
- ট্রপোমণ্ডলের ঠিক উপরেই শুরু হয়েছে স্ট্রাটোমণ্ডল।
- স্ট্রাটোমণ্ডলের এই স্তর ট্রপোমণ্ডল থেকে শুরু করে প্রায় ৫০ কিলোমিটার বিস্তৃত। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলের এই স্তরে রয়েছে ওজোন নামের একটি গ্যাস যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। 
- এই স্তর এবং এর উপরের দিকে বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য গ্যাস খুব কম পরিমাণে আছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৩৪২.
আপেক্ষিক তত্ত্বটি কে উপস্থাপন করেন?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. হাইজেনবার্গ
  3. মার্কস প্ল্যাঙ্ক
  4. আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ঘ) আলবার্ট আইনস্টাইন। 
আপেক্ষিক তত্ত্ব (Theory of Relativity) প্রস্তাব করেন আলবার্ট আইনস্টাইন, যা সময়, স্থান ও গতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে।

আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন। 
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করেন। যথা- 
• বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব। 
• সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন। যথা - 
• প্রথম স্বীকার্য- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে । 
• দ্বিতীয় স্বীকার্য- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৩.
কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে তত্ত্ব প্রদান করা হয় কত সালে? 
  1. ক) ১৯১২
  2. খ) ১৯০৫
  3. গ) ১৯২০
  4. ঘ) ১৯৬৩ 
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯১২
ব্যাখ্যা
১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগনার ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে একটি তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর এই তত্ত্বে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে ‘বহুকাল আগে সবগুলো মহাদেশ পরস্পর সংযুক্ত ছিল। একত্রে এদের প্যানজিয়া বা সুপারকন্টিনেন্ট বলা হতো। পরে কালের আবর্তে ভূত্বকীয় পাতের নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে যায়।’ 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
৩৪৪.
বাংলাদেশে সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন কোন সালে ঘটেছিল? 
  1. ১৯৬০ সালে 
  2. ১৯৮৫ সালে 
  3. ১৯৭০ সালে 
  4. ২০০৭ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে 
ব্যাখ্যা

সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- সাইক্লোন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "Kyklos" থেকে, যার অর্থ হলো Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী। 
অর্থাৎ, নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে। 
- দক্ষিণ এশিয়াতে যা সাইক্লোন, আমেরিকাতে সেটা হ্যারিকেন (Hurricane) এবং দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টাইফুন (Typhoon) নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং মাঝখানে ফানেল আকৃতির উপকূলীয় এলাকা বিদ্যমান। 
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 
- ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য সাইক্লোন বাংলাদেশে আঘাত এনেছে যার মধ্যে ১৯৬০, ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের সাইক্লোন ছিল প্রলয়ংকরী। 
- তবে ১৯৭০ সালের সাইক্লোনটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে চিহ্নিত হয়েছে। 

- মূলত সাইক্লোন সৃষ্টিতে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকে। 
- সমুদ্রের উত্তপ্ত পানি বাষ্পীভবনের ফলে উপরে উঠে যখন জল কণায় পরিণত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ত তাপটি বাতাসে ছেড়ে দেয়। সে কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয় এবং বাষ্পীভবন আরো বেড়ে যায়, ফলে বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে আশপাশের বাতাস সেখানে ছুটে আসে, যা বাড়তি তাপমাত্রার কারণে ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠতে থাকে এবং সাইক্লোন সৃষ্টি করে। 
- এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের বেগ অনেক বেশি হয়। তবে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চাইতে বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিল ১৯৯১ সালে, তখন বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার। 
- সাইক্লোন অত্যন্ত শক্তিশালী, একটি দুর্বল সাইক্লোনও শক্তিতে মেগাটন শক্তির কয়েক হাজার পারমাণবিক বোমার সমান। 
- তাছাড়া যেহেতু সাইক্লোন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই এটি প্রতিরোধ করা প্রায় অসাধ্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৪৫.
কোন রোগ প্রতিরোধের জন্য নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা দেওয়া হয়? 
  1. কলেরা 
  2. প্লেগ 
  3. টাইফয়েড 
  4. ধনুষ্টংকার 
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
ব্যাখ্যা

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৬.
‘সিএফসি’ কী ক্ষতি করে?
  1. ওজোন স্তর ধ্বংস করে
  2. এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  3. বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  4. রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা

• CFC গ্যাস: 
-  CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর। 
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে। 
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৭.
শব্দের তীক্ষ্ণতা মাপা হয় কী দিয়ে?
  1. ক) ডেসিবল
  2. খ) অ্যাম্পিয়ার
  3. গ) ক্যালরি
  4. ঘ) জুল
সঠিক উত্তর:
ক) ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডেসিবল
ব্যাখ্যা
• ডেসিবেল  এককে শব্দের তীক্ষ্ণতা মাপা হয়।
• এক বেলের দশ ভাগের এক ভাগকে বলা হয় এক ডেসিবেল।
• লগারিদমীয় স্কেলে শক্তি বা ক্ষেত্র মানের আনুপাতিক হার নির্ণয়ে ডেসিবেল এককটি ব্যবহৃত হয়।
• শক্তির একক জুল।

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪৮.
ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কী বলা হয়?
  1. কসমিক ইয়ার
  2. সৌর বছর
  3. আলোক বর্ষ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কসমিক ইয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমিক ইয়ার
ব্যাখ্যা
ছায়াপথ:
- সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আর সূর্য মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- এই মধ্যবিন্দুর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় লাগে।
- এই সময়টাকেই কসমিক ইয়ার বা গ্যালাকটিক ইয়ার বলে।
- ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কসমিক ইয়ার বলে।

তথ্যসুত্র - Britannica.com
৩৪৯.
জলবায়ুর উপাদান নয় কোনটি?
  1. ক) মেঘ
  2. খ) সমুদ্রস্রোত
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) অদ্ৰতা
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্রস্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
- কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- কাজেই জলবায়ু কোন একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক অবস্থা।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো- বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুর আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ ও বারিপাত।

- প্রদত্ত অপশন গুলোতে সমুদ্রস্রোত জলবায়ুর উপাদান নয় এটি জলবায়ুর নিয়ামক।
- জলবায়ুর নিয়ামক সমূহ- অক্ষাংশ, উচ্চতা, বায়ুপ্রবাহ, ভূমির ঢাল, সমুদ্রস্রোত, মৃত্তিকার গঠন, পর্বতের অবস্থান, সমুদ্র থেকে দূরত্ব ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫০.
হ্যালির ধূমকেতু আবির্ভূত হয়-
  1. ক) প্রতি একশত বছর পর পর
  2. খ) আশি বছর পর পর
  3. গ) দুইশত বছর পর পর
  4. ঘ) ছিয়াত্তর বছর পর পর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছিয়াত্তর বছর পর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছিয়াত্তর বছর পর পর
ব্যাখ্যা
ধূমকেতু:

- হ্যালির ধূমকেতু আবির্ভূত হয় ছিয়াত্তর বছর পর পর
- ধূমকেতু হলো ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু।
- এই বস্তু মূলত সৌরজগতের একটি ছোট্ট অংশ, যেটি সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘোরে।
- মহাকাশে ধূমকেতুর সংখ্যা ৩ হাজার ৭৪৩টি
- ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতুর প্রতি ঘূর্ণনকাল ২০০ বছরের নিচে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধূমকেতুর ক্ষেত্রে সেটা ২০০ বছরেরও অধিক।
- হ্যালির ধূমকেতু হলো বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ধূমকেতু
- ২০৬১ সালের ২৮  জুলাই আবার হ্যালির ধূমকেতুটি দেখা যাবে।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ,১৫ জানুয়ারী ২০২২।
৩৫১.
নিচের কোনটি ব্ল্যাক হোলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ভর অসীম
  2. খ) আয়তন অসীম
  3. গ) ঘনত্ব অসীম
  4. ঘ) মুক্তিবেগ অসীম
সঠিক উত্তর:
খ) আয়তন অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আয়তন অসীম
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
৩৫২.
সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে দায়ী কোনটি? 
  1. নিম্নচাপ
  2. উচ্চচাপ
  3. সমুদ্রস্রোত
  4. নিম্ন তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা

• সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে প্রধানত নিম্নচাপ দায়ী, অর্থাৎ সঠিক উত্তর ক) নিম্নচাপ। উষ্ণ সমুদ্রের উপর যখন বায়ু দ্রুত গরম হয়ে হালকা হয়ে উপরে উঠতে থাকে, তখন সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। আশপাশের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু দ্রুত ওই নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে। পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে এই প্রবাহিত বায়ু ঘূর্ণায়মান রূপ নেয় এবং ধীরে ধীরে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়, যাকে সাইক্লোন বলা হয়। উচ্চচাপ, সমুদ্রস্রোত বা নিম্ন তাপমাত্রা সরাসরি সাইক্লোন সৃষ্টির মূল কারণ নয়, বরং নিম্নচাপই এর কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।
 
সাইক্লোন: 
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৫৩.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ -
  1. কম হয়
  2. খুব কম হয়
  3. একই হয়
  4. বেশি হয়
সঠিক উত্তর:
একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই হয়
ব্যাখ্যা
[রেগুলেটরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যা একটি পরিবর্তনশীল রোধ ব্যবহার করে। এর ফলে, পাখার গতি ধীরে হলেও বিদ্যুৎ খরচ অপরিবর্তিত থাকে, কারণ এই অবস্থায় রোধে সৃষ্ট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে অপচয় হয়। তাছাড়া পাখার গতি কমলেও, মোটরের কার্যকারিতা একই থাকে, তাই বিদ্যুৎ খরচ পরিবর্তন হয় না।]

• বৈদ্যুতিক পাখা:

- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়।
- ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরান পাওয়ার একই খরচ হয়। কারন ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি।
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাক্টর উত্তপ্ত হয়। এই উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়।
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের বেলায় ভিন্ন। এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর। এটি তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে।
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারনে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়। ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে।
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৪.
কণা ও তরঙ্গ দ্বৈত ধর্মের অধিকারী -
  1. ক) ইলেক্ট্রন
  2. খ) পজিট্রন
  3. গ) ফোটন
  4. ঘ) বোসন
সঠিক উত্তর:
গ) ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফোটন
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩৫৫.
ভিটামিন বি এর অভাবে মানবদেহে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. ক) রাতকানা রোগ হয়
  2. খ) জরায়ু এর মধ্যে ভ্রূণের মৃত্যু ঘটে
  3. গ) স্কার্ভিতে আক্রান্ত হয়
  4. ঘ) দেহকোষে বিপাকীয় কাজ বাধাগ্রস্থ হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেহকোষে বিপাকীয় কাজ বাধাগ্রস্থ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেহকোষে বিপাকীয় কাজ বাধাগ্রস্থ হয়
ব্যাখ্যা

- রাতকানা, জরায়ু এর মধ্যে ভ্রূণের মৃত্যু এবং স্কার্ভি হয় যথাক্রমে ভিটামিন এ, ই এবং সি এর অভাবে।
- ভিটামিন বি এর অভাবে দেহকোষে বিপাকীয় কাজ বাধাগ্রস্থ হয়।
তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৭,৮ ও ১০।

৩৫৬.
'স্ট্রোক' আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে - এটি কি?
  1. ক) হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
  2. খ) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
  3. গ) হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা
  4. ঘ) ফুসফুসে হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
খ) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা ফলে স্ট্রোক হয়। যাতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। যা একটি রক্ত সঞ্চালনের জনিত একটি রোগ।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫৭.
জুম চাষকে আর কী নামে ডাকা হয়?
  1. সেচনির্ভর কৃষি
  2. সুইডেন চাষাবাদ
  3. বনায়ন চাষাবাদ
  4. প্রাচীন চাষ পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
সুইডেন চাষাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন চাষাবাদ
ব্যাখ্যা

• জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
- এমন একটা সময় ছিল যখন এখানকার জনগোষ্ঠীদের মধ্যে এই জুম চাষই ছিল জীবিকা অর্জনের একমাত্র উপায়। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এখানকার মানুষ সমতলের মত চাষাবাদ করার পদ্ধতি আয়ত্ব করেছে জুমচাষের অনেক পরে।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৩৫৮.
নিচের কোনটি অসংক্রামক ব্যাধি?
  1. স্থূলতা
  2. কুষ্ঠ
  3. রুবেলা
  4. কলেরা
সঠিক উত্তর:
স্থূলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থূলতা
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, পরজীবী ইত্যাদির কারণে সৃষ্ট রোগগুলো সংক্রামক রোগ। ধনুষ্টংকার, জলবসন্ত, এইডস, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, রুবেলা, কলেরা ইত্যাদি হলো সংক্রামক রোগ।
- যে রোগগুলো সাধারণভাবে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে না তাকে অসংক্রামক রোগ বলে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ক্রোনিক কিডনি ডিজিজ ইত্যাদি হলো অসংক্রামক ব্যাধি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩৫৯.
হিগস বোসন কণা কী নামে পরিচিত?
  1. লিনিয়ার কণা
  2. অন্ধকার কণা
  3. আলোক কণা
  4. ঈশ্বর কণা
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বর কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বর কণা
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন কণা ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত। 

• হিগস কণা:
- ১৯৬৪ সালে পিটার হিগস এবং তাঁর পাঁচ সহযোগী মিলে সর্বপ্রথম এই কণা সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রদান করেন।
- এই কণা পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেলে উল্লিখিত ১৭ টি মৌলিক কণার একটি।
- সুইজারল্যান্ডের  সার্ন (European Organization for Nuclear Research, CERN) এর লার্জ হ্যাডরন কোলাইডার (Large Hadron Collider) বা LHC যন্ত্রে ২০১৩ সালে এ কণার অস্তিত্ব ধরা পড়ে।
- এ বছরই পিটার হিগস (Peter Higgs) ও ফ্রানকোসিস এঙ্গলার্ট (Francosis Englert) এ কাজের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওন লেডারম্যান (Leon Lederman) ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা বা God particle নামে অভিহিত করেন। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি; ড. শাহজাহান তপন।
৩৬০.
কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির‒
  1. ১৬ শতাংশ
  2. ২০ শতাংশ
  3. ২৫ শতাংশ
  4. ৩০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির ২৫ শতাংশ।

• বনভূমি:
- যে সকল স্থানে বিভিন্ন প্রকারের প্রচুর পরিমানে গাছপালা দেখা যায় তাকে বন ভূমি বলা হয়ে থাকে।
- এক সময় পৃথিবীর স্থল ভাগের প্রায় ৪০ ভাগ বনভূমি দ্বারা আবৃত ছিল।
- কিন্তু মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বনভূমি থেকে গাছপালা কেটে ফেলে বর্তমানে তা প্রায় ২৪ ভাগে এসে দাড়িয়েছে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের তাপ, মাটি, আলো, জলবায়ু প্রভৃতির কারণে বনভূমির তারতম্য হয়ে থাকে।
- দেশের অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমি অপরিহার্য।
- একটি দেশের জন্য অন্তত ২৫% বনভূমির প্রয়োজন।
 
উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬১.
হেপাটাইটিস (জন্ডিস) রোগের প্রধান কারণ কি ?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) প্রটোজোয়া
  3. গ) হেলমিনথিস
  4. ঘ) ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাইরাস
ব্যাখ্যা


উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৬২.
জীবমণ্ডলে বসবাসকৃত জীবকূলের সাথে পরিবেশের মিথস্ক্রিয়ার সম্পর্ক সংক্রান্ত বিজ্ঞাকে কী বলে?
  1. Horticulture
  2. Meteorology
  3. Ecology
  4. Toxicology
সঠিক উত্তর:
Ecology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ecology
ব্যাখ্যা
Ecology: 

• জীবমণ্ডলে বসবাসকৃত জীবকূলের সাথে পরিবেশের মিথস্ক্রিয়ার সম্পর্ক সংক্রান্ত বিজ্ঞাকে Ecology বলে। 
• প্রকৃতপক্ষে Ecology বা বাস্তুসংস্থান হচ্ছে পৃথিবী নামক বসবাসকৃত গ্রহে জীবগোষ্ঠীর (উদ্ভিদ, প্রাণী, অনুজীব) সাথে পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক সম্বলিত বিজ্ঞান।
• ইকোলজি হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা।
• আর্নেস্ট হেকেলের মতে, "ইকোলজি হচ্ছে জৈবিক বিশ্ব ব্যবস্থাপনার নিয়ম ও নীতির বিজ্ঞান"।

- অন্যদিকে,
• আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে বলা হয় Meteorology.
• বিষ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Toxicology.
• উদ্যান বিষয়ক বিজ্ঞানকে বলা হয় Horticulture.

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩৬৩.
কসমিক-রে নামক রশ্মির আবিষ্কারক কে?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন 
  2. ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস 
  3. কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসন 
  4. আইজ্যাক নিউটন
সঠিক উত্তর:
ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস 
ব্যাখ্যা

মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays): 
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়। 
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়। 
- কসমিক-রে বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস। 
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। 
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।

৩৬৪.
নিম্নের কোন রোগের টিকা EPI কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. ম্যালেরিয়া
  2. যক্ষা
  3. এইডস
  4. ডেঙ্গু
সঠিক উত্তর:
যক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যক্ষা
ব্যাখ্যা

• যক্ষা রোগের টিকা EPI কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত।

• বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization – WHO):
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর অধীনে পরিচালিত Expanded Program on Immunization (EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হয়।

• বর্তমানে বাংলাদেশে EPI-তে মোট টিকার সংখ্যা ১২ টি।
- যক্ষ্মা
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- ধনুষ্টংকার
- পোলিওমাইলাইটিস
- হাম
- হেপাটাইটিস–বি জনিত রোগ
- হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ–বি জনিত রোগ
- রুবেলা
- নিউমোনিয়া
- জরায়ুমুখ ক্যান্সার
- টাইফয়েড

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, WHO website, প্রথম আলো এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।

৩৬৫.
ওজোন লেয়ার বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত?
  1. হেমিস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. আয়নোস্ফিয়ার
  4. ট্রপোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরে ওজোন স্তর অবস্থিত।

স্ট্রাটোমণ্ডল:
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল।
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি।
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়।
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল নামে পরিচিত।
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
- জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর।
- তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬৬.
কোনটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ নয়?
  1. ক) অয়ন বায়ু
  2. খ) আরব মালভূমির সাইমুম
  3. গ) মিসরের খামসিন
  4. ঘ) রকি পর্বতের চিনুক
সঠিক উত্তর:
ক) অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। যথা: নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু এবং অনিয়মিত বায়ু।
স্থানীয় বায়ু: 
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ। 
- রকি পর্বতের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৭.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুসারে গর্ভাবস্থায় কমপক্ষে কয়টি ডাক্তারি ভিজিট জরুরি?
  1. ৮টি
  2. ৪টি
  3. ১০টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুসারে গর্ভাবস্থায় কমপক্ষে ৪টি ডাক্তারি ভিজিট জরুরি।
সেগুলো হলোঃ ০-১৬ সপ্তাহে ১ টি, ২৪-২৮ সপ্তাহে ১টি, ৩২ সপ্তাহে ১টি এবং ৩৬ সপ্তাহের পর অর্থাৎ ৩৭ সপ্তাহ থেকে প্রসব না হওয়া পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে একবার ডাক্তারি পরীক্ষা করানো উচিত।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩৬৮.
সৌরজগতের দূরতম গ্রহ কোনটি?
  1. ইউরেনাস 
  2. নেপচুন
  3. শনি 
  4. বুধ 
সঠিক উত্তর:
নেপচুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপচুন
ব্যাখ্যা
নেপচুন: 
- নেপচুন হলো সূর্য থেকে অষ্টম এবং সবচেয়ে দূরের গ্রহ।
- এটি আকারে চতুর্থ বৃহৎ এবং এটি ছিল প্রথম গ্রহ যা গণিতের সাহায্যে আবিষ্কৃত হয়।
- অন্ধকার, ঠান্ডা এবং অতিরিক্ত গতির বাতাসে ঘেরা নেপচুনে প্রাণধারণ সম্ভব নয়।
- নেপচুন সূর্য থেকে গড়ে ২.৮ বিলিয়ন মাইল (৪.৫ বিলিয়ন কিমি) দূরে, অর্থাৎ পৃথিবী থেকে প্রায় ৩০ গুণ দূরে।
- সূর্য থেকে নেপচুনে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।
- নেপচুনে একটি দিন (নিজ অক্ষে ঘোরার সময়) হয় ১৬ ঘণ্টায়।
- নেপচুনে একটি বছর (সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যত সময় লাগে) হয় ১৬৫ পৃথিবী বছর, অর্থাৎ ৬০,১৯০ দিন।
- নেপচুনের এখন পর্যন্ত ১৬টি উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে (ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই অনুসারে, ১৪টি) ।
- সবচেয়ে বড় চাঁদ ট্রাইটন—আবিষ্কার হয় ১৮৪৬ সালের ১০ অক্টোবর, নেপচুন গ্রহ আবিষ্কারের মাত্র ১৭ দিন পরেই।
- নেপচুন এবং ইউরেনাসকে বলা হয় "বরফের দৈত্য" (Ice Giants)।
- নেপচুনের বায়ুমণ্ডলে প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম, আর সামান্য পরিমাণে মিথেন রয়েছে।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট। 
৩৬৯.
বজ্রপাতের সময় থাকা উচিত?
  1. ক) উঁচু গাছের নিচে
  2. খ) গুহার ভেতর বা মাটিতে শুয়ে
  3. গ) খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে
  4. ঘ) উঁচু দেয়ালের নিকট
সঠিক উত্তর:
খ) গুহার ভেতর বা মাটিতে শুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গুহার ভেতর বা মাটিতে শুয়ে
ব্যাখ্যা
• বজ্রপাতের সময় গুহার ভেতর বা মাটিতে শুয়ে থাকা উচিত।

বজ্রপাত থেকে সুরক্ষার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশানবলী: 
- বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গাঁ, খোলা মাঠ অথবা উঁচু স্থানে থাকা যাবেনা।
- বজ্রপাতের সময় ধানক্ষেত বা খোলা মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি পায়ের আঙ্গুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙ্গুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে থাকতে হবে।
- যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রীটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিতে হবে।
- উঁচু গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার বা ধাতব খুঁটি, মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকতে হবে।
- নদী, পুকুর, ডোবা বা জলাশয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
- বজ্রপাতের সময় গাড়ীর ভেতর অবস্থান করলে, গাড়ির ধাতব অংশের সাথে শরীরের সংযোগ না ঘটানো; সম্ভব হলে গাড়ীটি নিয়ে কোনো কংক্রীটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। 
- বজ্রপাতের সময় মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ল্যান্ডফোন, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
- বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য উত্তর অপশন (খ)।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৩৭০.
পর্বতারোহীদের পর্বতের উপর রান্না করতে সময় বেশি লাগে কেন?
  1. ক) চাপ কম
  2. খ) তাপ কম
  3. গ) জ্বালানি কম
  4. ঘ) উপরে ঠান্ডা বেশি
সঠিক উত্তর:
ক) চাপ কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চাপ কম
ব্যাখ্যা
চাপের কারণে স্ফুটনাংকের পরিবর্তন ঘটে বলে পর্বতের উপর কম চাপ থাকার দরুন রান্না করতে সময় বেশি লাগে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩৭১.
গ্রহাণুপুঞ্জের অবস্থান -
  1. পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহের মাঝখানে
  2. মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝখানে
  3. বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের মাঝখানে
  4. বুধ ও শুক্র গ্রহের মাঝখানে
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝখানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝখানে
ব্যাখ্যা
গ্রহাণুপুঞ্জ : সৌরজগতে মঙ্গল ও বৃহস্পতি এই দুইটি গ্রহের মধ্যবর্তী অংশে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রহ (১.৬-৮০৫ বর্গ কি. মি. আয়তন বিশিষ্ট) একত্রে পূঞ্জীভূত হয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
এগুলোকে একত্রে গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।
গ্রহাণুপুঞ্জসমূহ একটি বলয়ের মতো ঘিরে থাকে, যা গ্রহাণুপুঞ্জ বলয় নামে অভিহিত।
সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭২.
বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা কত সময় অগ্রবর্তী?
  1. ৪ মিনিট
  2. ৬ মিনিট
  3. ৬ ঘণ্টা
  4. ১২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ও গ্রিনিচ মান:
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- যার ফলে, বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা অর্থাৎ, ৬ ঘণ্টা আগে।

উল্লেখ্য,
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা গেছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহীত হয়।
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহীত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৩.
T2 ভাইরাসের দেহকে কয়টি অংশে ভাগ করা হয়?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
T2 ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসের গঠন: 
- প্রাচীন কাল থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত যে সকল ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে T2 ব্যাকটেরিওফায সবচেয়ে পরিচিত ভাইরাস। 
- এটি ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়। 
- তাই এর নাম ব্যাকটেরিওফায ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া ভক্ষণকারী। 
- এটি সর্বাধিক পরিচিত ব্যাঙাচি আকৃতির একটি DNA ভাইরাস। 
- বিজ্ঞানী দ্য হেরেলি ১৯১৭ সালে ভাইরাসকে ব্যাকটেরিওফায বা ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস বা ফায ভাইরাস নাম দেন। 
- T2 ভাইরাসের দেহকে দুটি প্রধান অংশে ভাগ করা হয়। যথা- 
১। মাথা ও ২। লেজ। 

মাথা: 
- মাথাটি স্ফীত ও ষড়ভূজাকৃতির এবং প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত। 
- এর দৈর্ঘ্য ৯৩-১০০ nm (ন্যানোমিটার) এবং প্রস্থ ৬৫ nm। 
- মাথার স্ফীত অংশের ভেতরে রিং আকৃতির দ্বিসূত্রক একটি DNA অণু প্যাঁচানো অবস্থায় থাকে। 
- ৬০,০০০ জোড়া নিউক্লিয়োটাইড দিয়ে DNA গঠিত। 
- এতে প্রায় ১৫০টি জিন থাকে। 
- মাথার অধিকাংশ স্থানই ফাঁপা বলে মনে হয়। 

লেজ: 
- মাথার পরবর্তী লম্বা সরু অংশটিকে বলা হয় লেজ। 
- লেজটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৫-১১০ nm এবং ব্যাস প্রায় ১৫-২৫ nm। 
- লেজের উপরিভাগে সুস্পষ্ট চাকতির ন্যায় একটি কলার আছে এবং লেজের প্রধান অংশটি একটি ফাঁপা নলের ন্যায়। 
- এর অভ্যন্তরে কোন DNA থাকে না। 
- লেজের নিচের দিকে ১টি বেসপ্লেট, কাঁটার মত স্পাইক এবং ছয়টি স্পর্শক তন্ত্র থাকে। 
- লেজ, কলার, বেসপ্লেট, স্পাইক এবং স্পর্শক তন্ত্র সবই প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
- এতে লাইসোজাইম নামক এনজাইম থাকে যা পোষক কোষের আবরণ বিনষ্ট করতে পারে। 
- স্পর্শক তন্ত্রর সাহায্যে ভাইরাস পোষকের দেহে অবস্থান করে এবং কাঁটা দিয়ে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৪.
কোন তত্ত্বের বিকাশের ফলে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়?
  1. ক) আপেক্ষিকতা
  2. খ) নিউটনীয় বলবিদ্যা
  3. গ) স্ট্রিং থিওরি
  4. ঘ) ক্যাওস থিওরি
সঠিক উত্তর:
ক) আপেক্ষিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আপেক্ষিকতা
ব্যাখ্যা

আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করে। এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান,কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর,এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।

৩৭৫.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌ কে? 
  1. স্টিফেন হকিং
  2. জন হুইলার
  3. জি. লেমেটার
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং: 
- স্টিফেন হকিং একজন পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ। 
- স্টিফেন হকিং মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌। 
- তাঁর রচিত বইসমূহ- 
• A Brief History of Time, 
• The Universe in a Nutshell এবং 
• The Grand Design ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জি. লেমেটার। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭৬.
বিশুদ্ধ ও শুষ্ক বায়ুর প্রধান দুইটি গ্যাসের নাম কী?
  1. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  2. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. আর্গন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. ওজোন ও জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- পৃথিবীপৃষ্ঠ ও তার চারদিক জুড়ে বায়ুমণ্ডল বেষ্টিত, এই মণ্ডল নানা রকমের গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত হয়েছে। এই গ্যাসীয় মিশ্রণ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত প্রায় সমান। 
- বায়ুমণ্ডলে আরও রয়েছে অসংখ্য ধূলিকণার সংমিশ্রণ, এই সব কঠিন ও তরল কণিকাকে একত্রে বলা হয় রঞ্জক পদার্থ (Aerosols)। 
- বায়ুমণ্ডলের সব উপাদান স্বাভাবিক অবস্থায় অনুভব করা যায় না, বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়। 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকারের গ্যাসীয় উপাদান দ্বারা গঠিত। 
- বিশুদ্ধ ও শুষ্ক বায়ুর প্রধান দুইটি উপাদানের নাম নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। এই দুটি গ্যাস একত্রে মিলে বায়ুমণ্ডলের ৯৮.৭৩ শতাংশ জায়গা জুড়ে আছে এবং বাকি ১.২৭ শতাংশ জায়গা জুড়ে আছে অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদান। এই ১.২৭ শতাংশ জায়গা জুড়ে থাকা গ্যাসীয় উপাদানগুলো হলো নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন- ওজোন, জেনন, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্রিপটন, হিলিয়াম, নিয়ন ইত্যাদি। 
- আয়তন হিসেবে বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহের একটি তালিকা দেয়া হলো- 
• নাইট্রোজেন (N2) → ৭৮.০২%, 
• অক্সিজেন (O2) → ২০.৭১%, 
• আর্গন (Ar) → ০.৮০%, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) → ০.০৩%, 
• অন্যান্য গ্যাসমূহ (ওজোন, মিথেন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড, নিয়ন, হিলিয়াম ও ক্রিপটন → ০.০২%, 
• জলীয়বাষ্প → ০.৪১% এবং 
• ধূলিকণা ও কণিকা → ০.০১% । 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৭.
মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা যাচাই করার জন্য কোন রশ্মি প্রয়োগ করা হয়?
  1. বিটা রশ্মি
  2. গামা রশ্মি 
  3. আলফা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

• মূল্যবান ধাতুর (যেমন: সোনা, রূপা, প্ল্যাটিনাম) বিশুদ্ধতা এবং ভেতরের উপাদানের অনুপাত নির্ণয় করার জন্য রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে (X-ray) ব্যবহার করা হয়।
- বিশেষ করে XRF (X-ray Fluorescence) নামক পদ্ধতিতে ধাতুর কোনো ক্ষতি না করেই তার রাসায়নিক গঠন বিশ্লেষণ করা সম্ভব।
- আলফা, বিটা বা গামা রশ্মি এই কাজে ব্যবহৃত হয় না কারণ এদের ভেদন ক্ষমতা এবং আয়নন ক্ষমতা হয় খুব বেশি নতুবা খুব কম, যা নিখুঁত ও নিরাপদ বিশ্লেষণের জন্য উপযোগী নয়।

 
• এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মির ব্যবহার: 
- বর্তমান সভ্যতায় এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- নীচে কিছু প্রচলিত ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হলো- 

১। চিকিৎসা ক্ষেত্রে: 
- রোগ নির্ণয় এবং নিরাময়ের ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বাধিক ব্যবহারের কারণেই এক্সরে জনসাধারণের কাছে বহুল পরিচিত। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়। 
- কোমল এক্সরে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করে যেতে পারে না। 
- কোমল এক্সরে ব্যবহার করে দেহের হাড় ভাঙলে, কোনো অবাঞ্ছিত বস্তু যেমন বন্দুকের গুলি, দুর্ঘটনায় কোনো ধাতব বস্তু দেহে প্রবেশ করলে, পাকস্থলি বা মুত্রথলিতে পাথর সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা সনাক্ত ও অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। 
- এছাড়াও ফুসফুসের কোনো ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের গোড়ায় আলসার ইত্যাদি নির্ণয়ে এক্সরে সর্বদাই ব্যবহার হচ্ছে। 
- বর্তমানে ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং কোনো কোনো চর্মরোগ নিরাময়ে এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

২। শিল্প ক্ষেত্রে: 
- শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, ঢালাই করা ধাতুর ভিতরের ত্রুটি নির্ণয়, আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয়, ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান করা, ঝালাই-এর ত্রুটি নির্ণয়, মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি কাজে রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে ব্যবহৃত হয়। 
- টফি, লজেন্সে কোনো ক্ষতিকর বস্তু আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য এবং টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্যও এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

৩। গোয়েন্দা বিভাগে: 
- চোরাচালান ধরার জন্য কাঠের, ধাতব বাক্সে বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক, নিষিদ্ধ বস্তু লুকানো থাকলে কিংবা কেউ গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ করলে তা সন্ধানের জন্য এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 
- এমনকি হত্যাকান্ড অনুসন্ধানেও এক্সরে প্রয়োগ করা হয়। 

৪। বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে: 
- কেলাসের গঠণ সংক্রান্ত পরীক্ষায়, অণু-পরমাণুর গঠন বিষয়ক গবেষণায় এক্সরের ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৮.
সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত বায়ুকে কী বলা হয়? 
  1. নিয়ত বায়ু
  2. স্থানীয় বায়ু
  3. সাময়িক বায়ু
  4. অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু ও 
• অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু (Planatary Winds): 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৯.
বায়ুপ্রভাবের ফলে কোন যন্ত্র ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়? 
  1. সৌরযন্ত্র
  2. ঘূর্ণনযন্ত্র
  3. তড়িৎযন্ত্র
  4. চাকাযন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণনযন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণনযন্ত্র
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
(১) নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
(২) পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। 

বায়ু প্রবাহের প্রভাবসমূহ: 
• বায়ু এক প্রকার গতিশীল শক্তি যা পৃথিবীপৃষ্ঠ, তার আশেপাশে ও উর্ধ্বে সর্বদা প্রবাহমান। 
• বায়ুমন্ডলে নানা রকম গ্যাসীয় উপাদান ও অন্যান্য উপাদনসমূহের ঘনত্বের সমন্বয়ে বায়ু একটি অনন্য প্রাকৃতিক শক্তি। 
• বায়ুপ্রবাহের নানা গতি ও প্রকৃতির জন্য প্রবল বাতাস, ঝড়, হারিকেন, টাইফুন, হাওয়া, বজ্রঝড় ইত্যাদি আবহাওয়ার অবস্থা দৃশ্যমান হয়। 
• বায়ুপ্রবাহের কারণে নানারকম নৌযান, আকাশযান, যুদ্ধবিমান, মহাকাশযান পরিবহনের গতি নির্ধারিত হয়। 
- বায়ুপ্রভাবের ফলে ঘূর্ণনযন্ত্র ব্যবহার করে পৃথিবীব্যাপী বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হচ্ছে। 
- এছাড়াও বায়ুপ্রবাহের শক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্যবহনকারী বিশাল জাহাজের পাওয়ার বা চলার শক্তি প্রদান করা হয়। 
- বায়ুপ্রবাহের কারণেই বেশ কিছু জনপ্রিয় খেলা যেমন-ঘুড়ি ওড়ানো, স্পোকাইটিং, ঘুড়ি সাফিং ইত্যাদি সারা পৃথিবীতে প্রচলিত রয়েছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮০.
ডিজিট্যাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি?
  1. এলইডি
  2. সিলিকন চিপ
  3. এলসিডি
  4. আইসি
সঠিক উত্তর:
এলসিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলসিডি
ব্যাখ্যা
- আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলো সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে।
- বর্তমানে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে যেমন- কম্পিউটার, টেলিফোন, গাড়ি, রুটি সেঁকার যন্ত্র বা টোস্টার, বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ও বিপুল সংখ্যায় সমন্বিত বর্তনী ব্যবহৃত হয়।
- সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয় এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই।  যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।
৩৮১.
মেটেরিওলজির আলোচ্য বিষয় কী?
  1. আবহাওয়া
  2. মহাকাশ
  3. অস্ত্র
  4. জলানুসন্ধান
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া
ব্যাখ্যা

◉ মেটেরিওলজি (Meteorology) হলো আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
- এটি বায়ুমণ্ডলের অবস্থা, আবহাওয়ার পরিবর্তন, তাপমাত্রা, বাতাসের গতি, বৃষ্টিপাত, ঝড় এবং জলবায়ুর দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করে।

মেটেরিওলজির আলোচ্য বিষয়:
- আবহাওয়া পূর্বাভাস (Weather Forecasting), 
- ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, বৃষ্টিপাত বিশ্লেষণ, 
- বায়ুর চাপ, আর্দ্রতা, তাপমাত্রা ও জলবায়ুর পরিবর্তন, 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming) এবং জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণা। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) মহাকাশ: এটি অ্যাস্ট্রোনমি (Astronomy) বা অ্যাস্ট্রোফিজিক্স (Astrophysics) এর অন্তর্ভুক্ত।
গ) অস্ত্র: অস্ত্র গবেষণা বলিস্টিক্স (Ballistics) বা মিলিটারি টেকনোলজি এর অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) জলানুসন্ধান: জল অনুসন্ধান সংক্রান্ত গবেষণা হাইড্রোলজি (Hydrology) এর অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩৮২.
ভূত্বকের গড় গভীরতা কত কিলোমিটার?
  1. ক) ৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ২০ কি.মি.
  4. ঘ) ৩৫ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ভূত্বক নামে পরিচিত।
- ভূত্বের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
- মহাসাগরীয় ভূত্বকের গড় গভীরতা ০৫ কিলোমিটার এবং মহাদেশীয় পৃষ্ঠে ভূত্বকের গড় গভীরতা ৩৫ কিমি।

মহাদেশীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দ্বারা গঠিত যা সিয়াল (SiAl) স্তর নামে পরিচিত।
মহাসাগরীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত যা সিমা (SiMg) স্তর নামে পরিচিত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৩৮৩.
ভয় পেলে গায়ের লোম খাঁড়া হয় নিম্নের কোন হরমোনের প্রভাবে?
  1. অ্যাডরেনালিন
  2. থাইরক্সিন
  3. ইনসুলিন
  4. ক্যালসিটোনিন
সঠিক উত্তর:
অ্যাডরেনালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডরেনালিন
ব্যাখ্যা
- ভয় পেলে গায়ের লোম খাড়া হয় অ্যাড্রেনালিন হরমোনের প্রভাবে।|
- থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোন মানুষের বৃদ্ধি এবং বিকাশে ভূমিকা রাখে। 
- প্যানক্রিয়াস একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র গ্রন্থি। এটি গুরুত্বপুর্ন দুইটি হরমোন ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন নিঃসরণ করে। গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।
- ক্যালসিটোনিন হরমোন রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।


উৎসঃ অক্সফোর্ড এবং নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই। 
৩৮৪.
নিচের কোনটির বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনাে পরিবর্তন হয় না?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

গামা রশ্মি আসলে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। কাজেই এর কোনাে চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলাের বেগের সমান।
যখন কোনাে নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণার বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়। গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনাে পরিবর্তন হয় না। (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৩৮৫.
ট্রানজিস্টরে কয় ধরণের জাংশন বিদ্যমান?
  1. ক) দুই ধরণের
  2. খ) তিন ধরণের
  3. গ) চার ধরণের
  4. ঘ) পাঁচ ধরণের
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ধরণের
ব্যাখ্যা
- ট্রানজিস্টরে দুটি জাংশন থাকে।
যথা: এমিটার-বেস জাংশন এবং বেস-কালেক্টর জাংশন।

- এমিটার-বেস জাংশনে সম্মুখ ঝোঁক প্রদান করা হয় এবং কালেক্টর বেস জাংশনে বিপরীত ঝোঁক প্রদান করা হয়। ফলে ইলেকট্রন বা হোল এমিটার থেকে কালেক্টর-এর দিকে প্রবাহিত হয়।
- সম্মুখ বায়াস যুক্ত জাংশনের রোধ বিপরীত বায়াসযুক্ত জাংশনের তুলনায় খুবই নগণ্য।
- দুর্বল সিগন্যাল (Signal) বা সংকেতকে কম রোধ বিশিষ্ট জাংশনে প্রয়োগ করা হয় এবং উচ্চ রোধ বিশিষ্ট জাংশন থেকে আউটপুট নেয়া হয়। 

সূত্র: ৩৫৫ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৬.
একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর কী ঘটার সম্ভাবনা থাকে? 
  1. জলোচ্ছাস
  2. বন্যা
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. সুনামি
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা

• একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর সুনামি ঘটার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। যখন সমুদ্রের তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প ঘটে, তখন সাগরের তলদেশের স্তর হঠাৎ উপরে বা নিচে সরে যায়। এতে বিশাল পরিমাণ পানি স্থানচ্যুত হয়ে শক্তিশালী তরঙ্গ সৃষ্টি করে, যা দ্রুত গতিতে তীরের দিকে অগ্রসর হয়। এই তরঙ্গ তীরে পৌঁছালে তা ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাতে পারে, উপকূলীয় এলাকার ঘরবাড়ি, গাছপালা ও প্রাণহানি ঘটায়। তাই বড় ভূমিকম্পের পর বিশেষ করে যদি তা সমুদ্রের নিচে ঘটে, তবে সুনামির আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি থাকে।

সুনামি (Tsunami):

- সমুদ্র তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদরপৃষ্ঠে বিশাল যে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।
- সুনামির (কারন হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সুনামির উৎপত্তি সমুদ্রতলে।
- সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।

⇒ সুনামি সৃষ্টির কারণ:
- সুনামির সৃষ্টির প্রধান কারণ সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্প। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেও সুনামি সৃষ্টি হয়ে থাকে। এছাড়া পারমানবিক বিস্ফোরণ, ভূমিধ্বস, উল্কাপিন্ডের পতন ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে যে ঢেউয়ের সৃষ্টি করে তা প্রবলবেগে উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়।
- গভীর সমুদ্রে সুনামির উৎপত্তিস্থলে সুনামির উচ্চতা মাত্র কয়েক সে.মি. উঁচু কিন্তু উপকূলে সুনামির ঢেউয়ের উচ্চতা ৩০-৫০ মিটার উঁচু আকার ধারণ করে।
- এ ছাড়া ভূ-অভ্যন্তরে টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া হতে থাকে। এভাবে কখনো কোনো একটি প্লেট অপর প্লেটের দিকে অনবরত ধাক্কা দিতে থাকলে সমুদ্রের তলদেশে সুনামির সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৮৭.
বাংলাদেশে প্রথম নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চিহ্নিত হয় -
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
নিপাহ ভাইরাস:
- নিপাহ একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ।
- কাঁচা খেজুরের রসে বাদুড়ের বিষ্ঠা ও লালা মিশ্রিত হয় এবং ওই বিষ্ঠা ও লালাতে নিপাহ ভাইরাসের জীবাণু থাকে।
- ফলে খেজুরের কাঁচা রস পান করলে মানুষ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। 
- এই রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুহার প্রায় ৭০ শতাংশ।
- মানুষের মধ্যে এ সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় মালয়েশিয়ায় ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০১ সালে মেহেরপুর জেলায় নিপাহ ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব চিহ্নিত হয়।
- লক্ষণগুলো হলো : জ্বর, মাথা ব্যথা, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বমি।

উৎস: i) ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো। 
         ii) ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৩৮৮.
চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণে সৃষ্ট প্রবল জোয়ারকে কী বলা হয়? 
  1. ভরা কটাল
  2. গৌণ জোয়ার
  3. মুখ্য জোয়ার 
  4. মরা কটাল
সঠিক উত্তর:
ভরা কটাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভরা কটাল
ব্যাখ্যা

- চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণে সৃষ্ট প্রবল জোয়ারকে ভরা কটাল বলা হয়। 

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৯.
গর্ভাবস্থায় মায়ের পরিচর্যায় পালনীয় বিষয়-
  1. ক) পুষ্টিকর খাদ্যের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা
  2. খ) পরিমিত বিশ্রামের ব্যবস্থা
  3. গ) ভারী কাজকর্ম থেকে বিরত থাকা
  4. ঘ) উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে উল্লিখিত সবগুলো অপশনই গর্ভাবস্থায় মায়ের পরিচর্যায় পালনীয় বিষয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৩৯০.
মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত কত ধরনের অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১৫
  3. গ) ২০
  4. ঘ) ২৮
সঠিক উত্তর:
গ) ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০
ব্যাখ্যা

- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে।
- ২০টি অ্যামাইনাে এসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনাে এসিডকে (লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন, লিউসিন, আইসােলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইনকে) অপরিহার্য অ্যামাইনাে এসিড বলা হয়।
- এই আটটি অ্যামাইনাে এসিড ছাড়া অন্য সবগুলাে অ্যামাইনাে এসিড আমাদের শরীর সংশ্লেষ করতে পারে। প্রাণিজ প্রােটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনাে এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৫।

৩৯১.
থাইরয়েড ক্যান্সারের জন্য অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপিতে কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহৃত হয়? 
  1. আয়োডিন 
  2. কার্বন 
  3. ফসফরাস 
  4. স্ট্রনশিয়াম 
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন 
ব্যাখ্যা

রেডিওথেরাপি: 
- রেডিওথেরাপি শব্দটি ইংরেজী 'Radiation Therapy' শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। 
- এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগ যেমন- ক্যান্সার, থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক প্রকৃতি, রক্তের কিছু ব্যাধির চিকিৎসা করা হয়। 
- সাধারণত রেডিওথেরাপি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। 
- এটি টিউমার কোষের অভ্যন্তরস্থ ডিএনএ (DNA)-কে ধ্বংসের মাধ্যমে কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি করার ক্ষমতা বিনষ্ট করে ফেলে। 

- রেডিওথেরাপি দুই ধরনের। 
যথা- 
(১) বাহ্যিক রেডিওথেরাপি: 
- বাহ্যিক রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে শরীরের বাহির থেকে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে, কোবাল্ট বিকিরণ, ইলেকট্রন বা প্রোটন বীম ব্যবহার করা হয়। 
- শরীরের যে স্থানে টিউমারটি অবস্থিত, সেই দিকে তাক করে বীমটি প্রয়োগ করা হয়। এর ফলে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় অল্প সংখ্যক সুস্থ কোষও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। 
- তবুও এর মূল উদ্দেশ্য হলো যত কম সংখ্যক সুস্থ কোষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে যত বেশি সংখ্যক ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা। ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ সুস্থ কোষ নিজে থেকে এই ক্ষতি মেরামত করে ফেলে। 

(২) অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপি: 
- অভ্যন্তরীণ রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে রোগীকে শরীরের ভেতর থেকে রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। 
- এ প্রক্রিয়ায় রোগী তেজস্ক্রিয় তরল পদার্থ পানীয় হিসেবে গ্রহণ করে অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর দেহে তেজস্ক্রিয় তরল পদার্থ প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হয়। 
- রক্তের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এ তরল পদার্থে তেজস্ক্রিয় ফসফরাস, হাড়ের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় স্ট্রনশিয়াম এবং থাইরয়েড ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আয়োডিন ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯২.
ইকোলজি কী ব্যাখ্যা করে? 
  1. প্রাণির রোগবালাই
  2. জীবের আকার ও গঠন
  3. জিনগত পরিবর্তন
  4. জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক
সঠিক উত্তর:
জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক
ব্যাখ্যা
ইকোলজি: 
- ইকোলজি হলো এমনই এক বিজ্ঞান যা জৈব ও অজৈব উপাদানসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক, পারস্পরিক মিথস্ত্রিয়া ব্যাখ্যা করে। 
- জীব ও জড় পরিবেশের এই পারস্পরিক আন্তঃসম্পর্ককেই বলা হয় বাস্তুসংস্থান। 
- পরিবেশ ও জীবের এই সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য এবং মানুষ, জীব ও পরিবেশ একে অন্যের জীবনধারণের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। 

বাস্তুসংস্থানের উপাদান: 
- বাস্তুসংস্থানের উপাদান মূলত দুটি। 
যথা- 
ক. সজীব উপাদান: 
- সজীব সম্প্রদায় হলো বাস্তুসংস্থানের জীব উপাদান। 
- সজীব উপাদান আবার তিন প্রকার। 
যথা- 
১. উৎপাদক: সবুজ উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে পানি, কার্বন ডাই-অক্সাইড, খনিজ লবণ প্রভৃতি জীব উপাদান গ্রহণ করে সৌরশক্তির মাধ্যমে নিজেদের শর্করা জাতীয় খাদ্য নিজেরা তৈরি করে। এ সবুজ উদ্ভিদই উৎপাদক। 
২. খাদক: ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক কর্তৃক তৈরি খাদ্যের উপর নির্ভরশীল জীবগোষ্ঠিকে বলে খাদক। খাদক তিন প্রকার। যথা- প্রথম স্তরের খাদক, দ্বিতীয় স্তরের খাদক এবং তৃতীয় স্তরের খাদক। 
৩. বিয়োজক: ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক ও খাদকের মৃতদেহ মাটিতে মিশে ব্যাকটেরিয়া, ক্ষুদ্র পোকামাকড় ইত্যাদির দ্বারা বিয়োজক স্তর গড়ে উঠে। পরিশেষে উৎপাদক জীবগোষ্ঠি পুনরায় বিয়োজক স্তর হতে খাদ্য গ্রহণ করে দেহে পুষ্টি জোগায়। 

খ. জড় উপাদান: 
- পরিবেশের সকল অজৈব ও জৈব উপাদান হলো বাস্তুসংস্থানের জড় উপাদান। 
- জড় উপাদান আবার তিন প্রকার। 
যথা- 
১. অজৈব উপাদান: মাটি, পানি, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, খনিজ লবণ ইত্যাদি হচ্ছে বাস্তুসংস্থানের অজৈব উপাদান। 
২. জৈব উপাদান: উদ্ভিদ ও প্রাণির মৃতদেহ হতে তৈরি হিউমাস ও ইউরিয়া হলো মাটির জৈব উপাদান। 
৩. ভৌত উপাদান: আবহাওয়া, জলবায়ু, মাটির গুণাগুণ বাস্তুসংস্থানের ভৌত উপাদান। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৩.
জলবায়ুর নিয়ামক নয় কোনটি?
  1. ক) বনভূমির অবস্থান
  2. খ) মৃত্তিকার গঠন
  3. গ) বারিপাত
  4. ঘ) সমুদ্র থেকে দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
গ) বারিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বারিপাত
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর নিয়ামক গুলো হচ্ছে - অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল, মৃত্তিকার গঠন, বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুর আদ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
৩৯৪.
আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে কোনটির ব্যাখ্যা প্রদান করেন?
  1. ক) ভর-শক্তি সমতা
  2. খ) ফটো তড়িৎ ক্রিয়া
  3. গ) আপেক্ষিকতা
  4. ঘ) আলোর বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
খ) ফটো তড়িৎ ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফটো তড়িৎ ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
কোয়ান্টাম তত্ত্বঃ ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়।
প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।
- এই তত্ত্ব আলোক তড়িৎ ক্রিয়া, ব্লাক বডি রেডিয়েশনের ব্যাখ্যা দিতে পারলেও আলোর বিচ্ছুরণ, অপবর্তন, ব্যতিচার, সমাবর্তনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৫.
সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউকে কী বলে? 
  1. সুনামি
  2. জোয়ার
  3. সাইক্লোন
  4. জলোচ্ছ্বাস
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউয়ের ফলে সুনামি তৈরি হয়। 

- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। 
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। তখন কক্সবাজার এবং পার্শ্ববর্তী দ্বীপসমূহে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৯৬.
ভূগোলকে 'পৃথিবীর বিজ্ঞান' হিসেবে আখ্যায়িত করেন কে?
  1. অধ্যাপক ম্যাকনি
  2. কার্ল রিটার
  3. ইরাটোসথেনিস
  4. রিচার্ড হার্টশোন
সঠিক উত্তর:
কার্ল রিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ল রিটার
ব্যাখ্যা

ভূগোলের ধারণা (Concept of Geography):
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।

⇒ বৃটিশ ভূগোলবিদ অধ্যাপক ম্যাকনি (Professor E. A. Macnee) মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর আলোচনা বা বর্ণনাকে বলেছেন ভূগোল।
তাঁর মতে, ভৌত ও সামাজিক পরিবেশে মানুষের কর্মকান্ড ও জীবনধারা নিয়ে যে বিষয় আলোচনা করে তাই ভূগোল।
 ⇒ বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp) মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
 ⇒ জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
 ⇒ বিখ্যাত মার্কিন ভূগোলবিদ অধ্যাপক রিচার্ড হার্টশোর্ন (Professor Richard Hartshorne) বলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যের যুক্তিসংগত ও সুবিন্যস্ত বিবরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় হলো ভূগোল।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৯৭.
কোন দুটি বস্তু একই সরলরেখায় এলে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়? 
  1. সূর্য ও শুক্র
  2. চাঁদ ও সূর্য
  3. চাঁদ ও পৃথিবী
  4. পৃথিবী ও মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
চাঁদ ও সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ ও সূর্য
ব্যাখ্যা
জোয়ার ও ভাটা (High Tide and Low Tide): 
- সমুদ্র এবং উপকূলবর্তী নদীর জলরাশি প্রতিদিনই কোনো একটি সময়ে ঐ জলরাশি ধীরে ধীরে ফুলে উঠছে এবং কিছুক্ষণ পরে আবার তা ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে। জলরাশির এরকম নিয়মিত স্ফীতি এবং ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 

জোয়ার-ভাটার কারণ: 
- প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। 
যেমন- 
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব: 
- মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র প্রভৃতি প্রতিটি জ্যোতিষ্ক পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এর প্রভাবে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। কিন্তু পৃথিবীর উপর সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ বল বেশি হয়। কারণ সূর্যের ভর অপেক্ষা চাঁদের ভর অনেক কম হলেও চাঁদ সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর অনেক নিকটে অবস্থিত। তাই সমুদ্রের জল তরল বলে চাঁদের আকর্ষণেই প্রধানত সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে ও জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালো হয় না। চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থিত হলে চাঁদ ও সূর্য উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়। 

(২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি: 
- পৃথিবী নিজ মেরুরেখার চারদিকে অনবরত আবর্তন করে বলে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তির সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি অণুই মহাকর্ষ শক্তির বিপরীত দিকে বিকর্ষিত হয় বা ছিটকে যায়। তাই পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে যেখানে মহাশক্তির প্রভাবে জল বিক্ষিপ্ত হয়েও জোয়ারের সৃষ্টি করে। 

জোয়ার-ভাটার প্রভাব: 
- মানব-জীবনের উপর জোয়ার-ভাটার যথেষ্ট প্রভাব আছে। 
- বিশ্বের সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশসমূহে জোয়ার-ভাটার নিম্নের প্রভাবসমূহ লক্ষ করা যায়- 
১। জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে ভূখণ্ড থেকে আবর্জনাসমূহ নদীর মধ্য দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয়। 
২। দৈনিক দু'বার জোয়ার-ভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না। 
৩। জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়। 
৪। বহু নদীতে ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ (Hydroelectricity) উৎপাদন করা হয়। 
৫। জোয়ারের পানি নদীর মাধ্যমে সেচে সহায়তা করে এবং অনেক সময় খাল খনন করে জোয়ারের পানি আটকিয়ে সেচকার্যে ব্যবহার করা হয়। 
৬। শীতপ্রধান দেশে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি জোয়ারের সাহায্যে নদীতে প্রবেশ করে এবং এর ফলে নদীর পানি সহজে জমে না ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯৮.
নিচের কোনটি ভাইরাসের নাম -
  1. ক) এইডস
  2. খ) জিকা
  3. গ) জলাতঙ্ক
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) জিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিকা
ব্যাখ্যা

জিকা ভাইরাস ( ইংরেজি Zika virus) হচ্ছে ফ্ল্যাভিভাইরিডি পরিবারের ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত। এই পরিবারের অন্যান্য ভাইরাসের মত এটি আবরণযুক্ত ও আইকসাহেড্রাল আকৃতির একসূত্রক RNA ভাইরাস।

এইডস ভাইরাসের নাম নয়। এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।

জলাতঙ্ক ভাইরাসঘটিত একটি রোগ যা লিসা ভাইরাসের কারণে ঘটে থাকে।

unicef.org

৩৯৯.
মানুষের কোন অঙ্গটি হেপাটাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়?
  1. যকৃত
  2. কিডনি
  3. ফুসফুস
  4. প্লীহা
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা
হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। 
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে। 
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। 

উৎস: NIH ওয়েবসাইট।
৪০০.
প্রথম দুই ইলেকট্রোডের ভ্যাকুয়াম টিউব আবিষ্কৃত হয়-
  1. ক) ১৮৮৩ সালে
  2. খ) ১৯০৪ সালে
  3. গ) ১৯০৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯০৪ সালে
ব্যাখ্যা
জন ফ্লেমিং ১৯০৪ সালে এডিসন ক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে প্রথম দুই ইলেকট্রোডের একটি ভ্যাকুয়াম টিউব তৈরি করেন যেটি রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করত অর্থাৎ পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎপ্রবাহকে একদিকে প্রবাহিত করত। এই ভ্যাকুয়াম টিউবটিকে ইলেকট্রনিকসের শুরু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯০৬ সালে লি দ্য ফরেস্ট তৃতীয় একটি ইলেকট্রোড সংযােজন করে নতুন আরেকটি ভ্যাকুয়াম টিউব তৈরি করেন এবং সেটি ট্রায়ােড নামে পরিচিতি লাভ করে। ট্রায়ােড দিয়ে বৈদ্যুতিক প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করা যেত এবং সেটি অ্যামপ্লিফায়ার হিসেবে কাজ করতে পারত।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]