বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ৩৯ · ২০১৩০০ / ৩,৮৭৯

২০১.
এডিস মশার মাধ্যমে কোন রোগ বিস্তার লাভ করে?
  1. ক) ডায়রিয়া
  2. খ) যক্ষা
  3. গ) ম্যালেরিয়া
  4. ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
ব্যাখ্যা
এডিস মশা দ্বারা ডেঙ্গু জ্বর, জিকা জ্বর, পীত জ্বর এবং চিকনগুনিয়া রোগ ছড়ায়। সূত্রঃ ৩৮তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
২০২.
মহাকাশে মানুষ নিয়ে যাওয়া প্রথম মহাকাশযান কোনটি?
  1. ক) ভস্টক-১
  2. খ) ভস্টক-৬
  3. গ) স্পুটনিক-১
  4. ঘ) স্পুটনিক-২
সঠিক উত্তর:
ক) ভস্টক-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভস্টক-১
ব্যাখ্যা
Vostok, any of a series of manned Soviet spacecraft, the initial flight of which carried the first human being into space. Launched on April 12, 1961, Vostok 1, carrying cosmonaut Yury A. Gagarin, made a single orbit of Earth before reentry. সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২০৩.
চন্দ্রপৃষ্ঠে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই বিষ্ফোরণের আলো পৃথিবীতে আমাদের কাছে পৌছাতে কত সময় লাগে?
  1. কখনোই পৌছাবে না
  2. প্রায় ৯ সেকেন্ড
  3. ১.২৫৫ সেকেন্ড
  4. ৩.৫৮ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
১.২৫৫ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.২৫৫ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

- On average, there is about 238,855 miles (384,400 kilometers) of distance between our planet and its large natural satellite.
- This means all moonlight we see is 1.255 seconds old, and a round-trip between the Earth and moon at light speed takes about 2.51 seconds.
- This timing is growing every day, however, as the moon is drifting farther from Earth at a rate of about 1.5 inches (3.8 centimeters) per year. (The moon is constantly sapping Earth's rotational energy via ocean tides, boosting its orbit to a greater and greater distance.)

Source: NASA demonstration and Business Insider.

২০৪.
পৃথিবী আপন কক্ষপথে কত ডিগ্রি কোণে হেলে আছে?
  1. ৫৩.৫°
  2. ৫৫.৫°
  3. ৪৬.৫°
  4. ৬৬.৫°
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫°
ব্যাখ্যা
• পৃথিবী আপন কক্ষপথে ৬৬.৫°কোণে হেলে আছে।

- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে।
- আহ্নিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির সংঘটন, বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি এবং তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে।
- বার্ষিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির হ্রাস ও ঋতু পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
- ২১শে মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৫.
তেজস্ক্রিয়তার আন্তর্জাতিক একক কী?
  1. ক) রন্টজেন
  2. খ) কুরি
  3. গ) জুল
  4. ঘ) বেকেরেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেকেরেল
ব্যাখ্যা

Radioactivity refers to the amount of ionizing radiation released by a material. Whether it emits alpha or beta particles, gamma rays, x-rays, or neutrons, a quantity of radioactive material is expressed in terms of its radioactivity (or simply its activity).
This represents how many atoms in the material decay in a given time period. The units of measurement for radioactivity are the becquerel (Bq, international unit) and the curie (Ci, U.S. unit).
সূত্র: Encyclopedia Britannica

২০৬.
'প্রতিপাদ স্থান' বলতে কী বোঝায়?
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল
  2. মহাকাশ কেন্দ্র
  3. সমুদ্র তলদেশের কেন্দ্র
  4. বিপরীত দিকে অবস্থিত দুই স্থান
সঠিক উত্তর:
বিপরীত দিকে অবস্থিত দুই স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত দিকে অবস্থিত দুই স্থান
ব্যাখ্যা
প্রতিপাদ স্থান (Antipodes):
- পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করে একটি কল্পিত রেখা যা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানা হয়, ওই কল্পিত রেখার উভয় বিন্দুই একটি অপরটির প্রতিপাদ স্থান।
- অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত কোন স্থানের ঠিক বিপরীত স্থানকে ঐ স্থানের প্রতিপাদ স্থান বা Antipodes বলে।
- প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের বিপরীত দিকে থাকে।
- কোনো বিন্দুর অক্ষাংশ যত ডিগ্রি হবে, তার প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশও তত ডিগ্রি হবে।
- তবে স্থান দুটি নিরক্ষরেখার দুই পাশে অবস্থান করে বিধায় একটি উত্তর অক্ষাংশ হলে অন্যটি দক্ষিণ অক্ষাংশ হবে।
- যেমন: ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২০৭.
'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন কে?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. টলেমি
  4. জি ল্যামেটার
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
• 'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।

- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল, হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটি বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

• স্টিফেন হকিং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।
- তাই বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design.

উৎস: ব্রিটানিকা
২০৮.
সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র -
  1. ফ্যাদোমিটার
  2. সেক্সট্যান্ট
  3. ক্রনোমিটার
  4. ট্যাকোমিটার
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা
- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র হলো সেক্সট্যান্ট। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র হচ্ছে ক্রনােমিটার। 
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ট্যাকোমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২০৯.
বাংলাদেশের পাহাড় শ্রেণী ভূতাত্ত্বিক যুগের ভূমিরূপ হচ্ছে-
  1. ক) মায়োসিন যুগের
  2. খ) প্লাইস্টোসিন যুগের
  3. গ) টারশিয়ারী যুগের
  4. ঘ) ডেবোনিয়াস যুগের
সঠিক উত্তর:
গ) টারশিয়ারী যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টারশিয়ারী যুগের
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বেশিরভাগ অংশ পলি মাটি দ্বারা গঠিত। তবে এর পূর্ব দিক (কুমিল্লা, সিলেট, চট্রগ্রাম) বৃহত্তর বেঙ্গল বেসিনে অবস্থিত। বৃহত্তর বেঙ্গল বেসিন টারশিয়ারি যুগের পাহাড় দিয়ে গঠিত।
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানের অন্তর্ভুক্ত মধুপুর ভাওয়ালের গড় এবং বরেন্দ্রভূমি।
উৎসঃ ভূ-প্রকৃতি - বাংলাপিডিয়া এবং ৯ - ১০ম শ্রেণি (ভূগোল ও পরিবেশ)
২১০.
Apiculture হলো -
  1. ক) রেশম চাষ বিদ্যা
  2. খ) মৌমাছি চাষ বিদ্যা
  3. গ) মৎস্য চাষ বিদ্যা
  4. ঘ) পাখি পালন বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
খ) মৌমাছি চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌমাছি চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• এপিকালচার (Apiculture):
বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে। বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

• সেরিকালচার (Sericulture):
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার। তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

• পিসিকালচার (Pisciculture):
বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে। মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

• এভিকালচার (Aviculture):
পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে। যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১১.
মানুষের হৃদপিণ্ডের স্পন্দনের স্বভাবিক হার কত?
  1. ক) ৫৫-৬৫
  2. খ) ৬০-৭০
  3. গ) ৭৫-৮৫
  4. ঘ) ৭০-৮০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭০-৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭০-৮০
ব্যাখ্যা

হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে। হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে। এক বারের সিস্টোল ও ডায়াস্টোলকে একত্রে হৃদস্পন্দন বা হার্টবিট (Heart Beat) বলে।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের হৃদপিন্ডের স্বাভাবিক স্পন্দনের হার প্রতি মিনিটে ৭০-৮০ বার, গড়ে ৭৫ বার। হৃদপিন্ডের প্রতি স্পন্দনে হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের যে চক্রাকার প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটে তাকে হৃদচক্র বা কার্ডিয়াক চক্র বলে।

২১২.
সূর্যের পৃষ্ঠের আনুমানিক তাপমাত্রা কত?
  1. ৪৫০০° সেলসিয়াস
  2. ৪৮০০° সেলসিয়াস
  3. ৬০০০° সেলসিয়াস
  4. ৭৫০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮.৩২ মিনিট বা ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

২১৩.
ওজোন স্তরটি বায়ুমণ্ডলের কোন অংশে অবস্থিত?
  1. মেসোমণ্ডল
  2. তাপমণ্ডল
  3. ট্রপোমণ্ডল
  4. স্ট্রাটোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

• ওজোন স্তর মূলত স্ট্রাটোমণ্ডল-এ অবস্থিত। এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার উচ্চতায় থাকে। ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে, যা পৃথিবীর জীবজগতে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এই স্তর না থাকলে মানুষের ত্বকে ক্ষত, চোখে সমস্যা এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীর ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ত। স্ট্রাটোমণ্ডলে থাকা ওজোন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি প্রতিরোধ করে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখে। তাই এটি পরিবেশ ও জীবন রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: ঘ) স্ট্রাটোমণ্ডল।

স্ট্রাটোমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল। 
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোনমণ্ডল নামে পরিচিত। 
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করে। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৪.
জগদীশচন্দ্র বসু কোন বৈদ্যুতিক ডিভাইস ব্যবহার করে রেডিও সংকেত শনাক্ত করেন?
  1. অর্ধপরিবাহি জাংশন
  2. রেজিস্টর
  3. ট্রানজিস্টর 
  4. ক্রেস্কোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহি জাংশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহি জাংশন
ব্যাখ্যা

জগদীশচন্দ্র বসু: 
- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন। 
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫ মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহি জাংশন ব্যবহার করেন। এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 
- জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 
- উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ। তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন। তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয় বৈদ্যুতিক। 
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'। 
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৫.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. গ্রানাইট
  3. ব্যাসল্ট
  4. বেলেপাথর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর
ব্যাখ্যা
ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
যথা:
- আগ্নেয় শিলা
- পাললিক শিলা ও
- রূপান্তরিত শিলা।

পলি সঞ্চিত হয়ে গঠিত শিলা পাললিক শিলা নামে পরিচিত।
পাললিক শিলার মধ্যে রয়েছে:
- বেলেপাথর
- চুনাপাথর
- কাঁদাপাথর
- কয়লা
- কেওলিন
- শেল প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- ব্যাসল্ট : বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
- কোয়ার্টজাইট : রূপান্তরিত শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২১৬.
বাতাসের কোন উপাদান মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে-
  1. নাইট্রোজেন
  2. জলীয় বাষ্প
  3. অক্সিজেন
  4. কার্বন ডাই অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) নাইট্রোজেন। 

• বাতাসের উপাদানগুলোর মধ্যে নাইট্রোজেন মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন সরাসরি উদ্ভিদ গ্রহণ করতে পারে না। তবে বজ্রপাত বা রাইজোবিয়ামের মতো ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে এটি নাইট্রেট হিসেবে মাটিতে মিশে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

- বাংলাদেশের কৃষিতে বহুল ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার হচ্ছে ইউরিয়া। 
- সার ছাড়া বায়ু থেকে নাইট্রোজেন পাওয়া যায়। 
- বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ - ৭৮.০২%। 
- বায়ু থেকে নাইট্রোজেন মাটিতে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন চক্র বলে। 
- নাইট্রোজেন চক্র এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নাইট্রোজেন বিভিন্নভাবে রূপান্তরিত হয়। 
- নাইট্রোজেন উদ্ভিদের প্রোটিন এবং ক্লোরোফিল তৈরির জন্য একটি অপরিহার্য উপাদান।
- এটি গাছের দ্রুত বৃদ্ধি এবং পাতা সজীব রাখতে সাহায্য করে।
- নাইট্রোজেনের অভাবে গাছের পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

 উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৭.
মানচিত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণত কোন স্কেলটি অনুসরণ করা হয়?
  1. ব্রিটিশ স্কেল
  2. আমেরিকান স্কেল
  3. জাপানি স্কেল
  4. ফরাসি স্কেল
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ স্কেল
ব্যাখ্যা

মানচিত্র:
- কোনো স্থানের অবস্থান থেকে শুরু করে ঐ স্থানের খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে অবহিত হওয়ার জন্য মানচিত্রের কোনো বিকল্প নেই। খুব কম সময়ে সহজ উপায়ে ঘরে বসে সারা বিশ্বকে জানার জন্যই মানচিত্রের উৎপত্তি। একটি মানচিত্রের মধ্যে কী ধরনের তথ্য থাকবে তা নির্ভর করবে- (ক) স্কেল, (খ) অভিক্ষেপ, (গ) কনভেনশনাল সাইন, (ঘ) মানচিত্র অঙ্কনকারীর দক্ষতা এবং (ঙ) মানচিত্র অঙ্কনের ধরনের উপর। একটি বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রের মধ্যে একটি স্থানকে বেশি তথ্য দিয়ে দেখানো যায়।
- বাংলাদেশে সাধারণত ব্রিটিশ স্কেল অনুসরণ করা হয়, যা সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পুরাতন মানচিত্রকে কমনওয়েলথের ১:৫০,০০০ স্কেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

⇒ ভূসংস্থানিক মানচিত্র (Topographic map):
- ভূসংস্থানিক- এর আরেক নাম হচ্ছে স্থানীয় বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্র।
- এই মানচিত্রগুলো প্রকৃত জরিপকার্যের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়।
- সাধারণত এর মধ্যে প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক দুই ধরনের উপাদান দেখতে পাওয়া যায়।
- ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে পাহাড়, মালভূমি, সমভূমি, নদী, উপত্যকা, হ্রদ প্রভৃতি দেখানো হয়।
- অন্যদিকে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য হিসেবে রেলপথ, হাটবাজার, পোস্ট অফিস, সরকারি অফিস, খেলার মাঠ, মসজিদ, মন্দির প্রভৃতি নিখুঁতভাবে দেখানো হয়।
- এই মানচিত্রের স্কেল ১:২০,০০০ হলে ভালোভাবে বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ পায়।
- বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন স্কেলে এই মানচিত্র তৈরি করে।
- সবচেয়ে আদর্শ ও জনপ্রিয় হচ্ছে ব্রিটিশদের তৈরি করা মানচিত্র যার স্কেল ছিল ১:২৫,০০০ থেকে ১:১০০,০০০ এবং আমেরিকাতে এই মানচিত্রের স্কেল থাকে সাধারণত ১:৬২,৫০০ এবং ১:১২৫,০০০।
- সাধারণত ব্রিটিশ স্কেলটি অনুসরণ করে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
​ii) বাংলাপিডিয়া।

২১৮.
এপিকালচার কী?
  1. রেশমচাষ বিদ্যা
  2. মৌমাছিপালন বিদ্যা
  3. পাখিপালন বিদ্যা
  4. মৎস্যচাষ বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মৌমাছিপালন বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছিপালন বিদ্যা
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ পদ্ধতি:
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার।
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার।
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার।
মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার
• উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২১৯.
জলাতঙ্ক রোগের টিকা কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) জোনাস সালক
  2. খ) লুই পাস্তুর
  3. গ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  4. ঘ) জেমস ওয়াট
সঠিক উত্তর:
খ) লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা
জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন লুই পাস্তুর।

১৮৮৫ সালের ৬ই জুলাই এই রোগের প্রতিষেধক হিসেবে মানবদেহে টিকা প্রয়োগ করা হয়। 
জলাতঙ্ক, যা হাইড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত, একটি তীব্র ভাইরাল সংক্রমণ যা প্রায় সবসময়ই মারাত্মক। এটি সংক্রামক রোগের বিভাগের অধীনে আসে এবং খামার বা বন্য প্রাণীদের দ্বারা সংক্রামিত হয়; সাধারণত মাংসাশী যেমন কুকুর, বিড়াল, শেয়াল, রেকুন। এটি বেশিরভাগ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে দেখা যায়। 

জলাতঙ্কের লক্ষণ: সন্দেহজনক প্রাণি কামড়ানোর ৯ থেকে ৯০ দিনের মাঝে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দেয়। কারো শরীরে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে উন্মত্ত বা পাগলামো আচরণ এবং মৌন আচরণ—এ দুই ধরনের আচরণ দেখা দিতে পারে।অস্বাভাবিক আচরণে আক্রান্ত ব্যক্তির কথাবার্তা ও ভাবভঙ্গি হবে অস্বাভাবিক। সে উদ্দেশ্য ছাড়াই ছুটে বেড়াবে, ক্ষুধামন্দা হবে, বিকৃত আওয়াজ করবে, বিনা প্ররোচনায় অন্যকে কামড়াতে আসবে ইত্যাদি।

সূত্র: National Library of Medicine Website. 
২২০.
HIV-এর পূর্ণ অর্থ কী?
  1. Human Inactive Virus
  2. Human Immune Virus
  3. Human Immunodeficiency Virus
  4. Human Immunization Virus
সঠিক উত্তর:
Human Immunodeficiency Virus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Human Immunodeficiency Virus
ব্যাখ্যা
• HIV-এর পূর্ণ অর্থ Human Immunodeficiency Virus.

• HIV ও AIDS:
- HIV এক ধরনের ভাইরাস।
- HIV, AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে।
- AIDS এর পূর্ণরূপ হলো Acquired Immunodeficiency Syndrome.
- একটি সংক্রামক রোগ।
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় AIDS চিহ্নিত হয় এবং তখন থেকে সারা বিশ্বে AIDS মরণব্যাধি হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
- HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
- HIV ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত মানুষের দেহে কোনো রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না।
- এসব মানুষ তখন এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং তখন তারা অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।
- আফ্রিকার দেশগুলোতে AIDS এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. WHO ওয়েবসাইট।
২২১.
অ্যান্থ্রাক্স কোন প্রাণীদেহে রোগ সৃষ্টি করে?
  1. ক) ইঁদুর
  2. খ) বানর 
  3. গ) গরু
  4. ঘ) বিড়াল 
সঠিক উত্তর:
গ) গরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গরু
ব্যাখ্যা
অ্যান্থ্রাক্স রোগ দ্বারা মানুষসহ গবাদিপশু আক্রান্ত হয়। 

অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ একটি তীব্র ও গুরুতর সংক্রামক রোগ, যা ব্যাসিলাস অ্যান্থ্রাসিস (Bacillus anthrasis) নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে।
ব্যাসিলাস গণের অন্যান্য সদস্যের মতো অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু Bacillus anthracis-ও প্রতিকূল পরিবেশে রেণু (স্পোর) হিসাবে সুপ্ত অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে।
মানুষসহ গবাদিপশু এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। উপযুক্ত চিকিৎসায় মানুষ এ রোগ থেকে রেহাই পেলেও গবাদিপশুর জন্য মৃত্যু অবধারিত।
মানুষের অ্যানথ্রাক্স মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে - একধরণের অ্যানথ্রাক্স হয় পরিপাকতন্ত্রে, আরেক ধরণের অ্যানথ্রাক্স শরীরের বাইরের অংশে সংক্রমণ ঘটায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

২২২.
দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য কোন মিনারেল অত্যন্ত জরুরী?
  1. জিংক
  2. আয়োডিন
  3. ক্যালিসিয়াম
  4. আয়রন
সঠিক উত্তর:
ক্যালিসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালিসিয়াম
ব্যাখ্যা
- দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য সবচেয়ে জরুরি মিনারেল হলো ক্যালিসিয়াম। 
- দুগ্ধদানকারী মায়েরা দুধ উৎপাদনের জন্য বেশি পরিমাণে ক্যালিসিয়াম লাগে। 
- ক্যালিসিয়াম শিশু ও দুগ্ধদানকারী মায়ের হাড়, দাঁত ও মাংসপেশির জন্য জরুরি। 
- জিংক, আয়োডিন ও আয়রনও গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল কিন্তু ক্যালিসিয়ামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। 

ক্যালসিয়াম: 

- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
২২৩.
গ্রিন হাউস ইফেক্ট এর পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কি হবে?
  1. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  2. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  3. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  4. ঝড়ের  প্রবণতা বেড়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউজ প্রভাব: 
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়। 
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্ছে, ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে। 
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে। 

গ্রিন হাউস গ্যাস: 
- গ্রিন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রিন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রিন হাউজ গ্যাস হচ্ছে- 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২২৪.
অ্যালটিমিটার (Altimeter) কী?
  1. উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
  2. উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র
  3. তাপ পরিমাপক যন্ত্র
  4. গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
ব্যাখ্যা
অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
ক্যালরিমিটার- তাপ পরিমাপক যন্ত্র।
ম্যানোমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।

এছাড়াও
উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার।
মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২২৫.
যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয় -
  1. ক) ফুসসুস
  2. খ) অন্ত্র
  3. গ) হাড়
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

যক্ষ্মা সাধারণত Mycobacterium Tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয় যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়। যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই

২২৬.
১ অ্যাটোসেকেন্ড = কত সেকেন্ড?
  1. ১০-৮০ সেকেন্ড
  2. ১০-৮ সেকেন্ড
  3. ১০-২৮ সেকেন্ড
  4. ১০-১৮ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
১০-১৮ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০-১৮ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• ১ অ্যাটোসেকেন্ড = ১০-১৮  সেকেন্ড।
- পদার্থবিদ্যায় ২০২৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি (যুক্তরাষ্ট্র), ফেরেন্স ক্রাউজ (হাঙ্গেরি) ও অ্যান হুইলেয়ার (ফ্রান্স)।
- ইলেকট্রন ডাইনামিকস নিয়ে গবেষণা করে নোবেল পেয়েছেন তারা।
...................
...................
“এবার নোবেল দেওয়া হয়েছে এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিক্সের উপরে কাজের জন্য। তারা গবেষণা করেছেন লেজার ফিজিক্স নিয়ে সেখানে তারা অ্যাটোসেকেন্ডের লেজার পালস পদ্ধতি বের করেছেন। এটি একটি যুগান্তকারী কাজ কারণ এই পালস বস্তুর মধ্যে ইলেক্ট্রনের গতি প্রকৃতি জানতে সাহায্য করবে।
তাদের কাজের গুরুত্ব বুঝতে হলে ১ অ্যাটোসেকেন্ড কী, সেটা আগে বুঝতে হবে। ১ এর পরে ১৮ টা শূন্য দিলে যে নম্বর সেটা দিয়ে ১ সেকেন্ডকে ভাগ দিলে যে সময় হয় সেটা ১ অ্যাটোসেকেন্ড। ইলেকট্রনের পালস বুঝতে তারা খুবই ক্ষুদ্র সময়ের জন্য ইলেকট্রনের উপর আলোকসম্পাতের পদ্ধতি বের করেছেন।
ইলেকট্রনের আচরণ বুঝতে পারার জন্য ওই অল্প সময়ের পালস গণনা দরকার। তারা দুর্দান্ত একটি গবেষণা করেছেন। পদার্থের আণবিক কণার মধ্যে ইলেকট্রনের গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ।”

- জটিল এই গবেষণার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন।

উৎস:
১) ৩ অক্টোবর, ২০২৩, ডেইলি স্টার।
২) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন।
২২৭.
নাসার সবচেয়ে বৃহৎ এবং শক্তিশালী টেলিস্কোপের নাম কি?
  1. ক) Fermi Gamma-ray Space Telescope
  2. খ) James Webb Telescope
  3. গ) SpitzerSpace Telescope
  4. ঘ) HerschelSpace Observatory
সঠিক উত্তর:
খ) James Webb Telescope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) James Webb Telescope
ব্যাখ্যা

- জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (ইংরেজি: James Webb Space Telescope বা JWST) মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- উৎক্ষেপণের তারিখ: ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১।
- ১০ বিলিয়ন ডলারের জেমস ওয়েব নামধারী স্পেস টেলিস্কোপটি ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।
- হাবল টেলিস্কোপ ছিল মহাকাশে ভাসমান প্রথম কোনো টেলিস্কোপ।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট

২২৮.
ত্বকের কোন স্তর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে?
  1. হাইপোডার্মিস
  2. সাবকিউটেনিয়াস টিস্যু
  3. ডার্মিস
  4. এপিডার্মিস
সঠিক উত্তর:
এপিডার্মিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিডার্মিস
ব্যাখ্যা

- ত্বকের বাইরের স্তর এপিডার্মিস শরীরকে অতিবেগুনি (UV) বিকিরণ থেকে রক্ষা করে, এই স্তরে থাকা মেলানিন (Melanin) নামক রঞ্জক UV রশ্মি শোষণ করে এবং ত্বকের গভীর স্তরগুলিকে ক্ষতি থেকে বাঁচায়। 

দেহের প্রতিরক্ষায় ত্বকের ভূমিকা: 
- ত্বক প্রথম স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। 
- ত্বক দেহকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এবং প্রভাবে সৃষ্ট রোগ (ক্যান্সার) হতে দেহকে রক্ষা করে। ত্বকের এপিডার্মিসের কোষে মেলালিন (melanine) জাতীয় পদার্থ সৃষ্টি হয় যা অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। 
- ত্বক দেহের বাইরের স্তরে দৃঢ় ও কেরাটিনাইজড (keratinized) আবরণী তৈরি করে, যা দেহের সকল বাহ্যিক অংশকে আচ্ছাদিত করে এবং ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে একটি ফলপ্রসূ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। 
- দেহত্বক ছিঁড়ে গেলে বা কেটে গেলে ত্বকে অবস্থিত হিস্টিওসাইট (ম্যাক্রোফেজ) জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে প্রতিরক্ষা দান করে। 
- ঘাম ও তৈল গ্রন্থির নিঃসরণ ত্বকের উপরিভাগের pH-কে অম্লীয় (pH = 3-5) করে তোলে, ফলে অণুজীবসমূহ বেশি সময় ত্বকে বেঁচে থাকতে পারে না। - কিছু সংখ্যক উপকারী ব্যাকটেরিয়া ত্বকে অবস্থানকালে এসিড ও বিপাকীয় বর্জ্য নিঃসরণ করে, যা অণুজীবের সংখ্যাবৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। 
- ঘাম নিঃসৃত লবণ ও ফ্যাটি এসিডে অবস্থিত লাইসোজাইম (lysozyme) ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরকে ধ্বংস করে। 
- অশ্রুগ্রন্থি নিঃসৃতেও লাইসোজাইম থাকে যারা চোখে জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিহত করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৯.
দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. নিরক্ষরেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. আন্তর্জাতিক তারিখরেখা
  4. কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
মকরক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
• মকরক্রান্তি রেখা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

• কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

• আন্তর্জাতিক তারিখরেখা:
- ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত যা প্রশান্ত মহসাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা হিসেবে স্থির করা হয়।

• নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩০.
'সেরিকালচার' শব্দটি দ্বারা কী বুঝায়?
  1. সামুদ্রিক মৎস্য চাষ
  2. মৎস্য চাষ
  3. রেশম চাষ
  4. চিংড়ি চাষ
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
ব্যাখ্যা
আধুনিক কৃষি ও চাষ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি: 
• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
• উদ্যান পালন (ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ) বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
• সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা
২৩১.
RADAR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Radio Detector and Ranging
  2. Radio Detection and Routing
  3. Radio Detector and Routing
  4. Radio Detection And Ranging
সঠিক উত্তর:
Radio Detection And Ranging
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radio Detection And Ranging
ব্যাখ্যা
- 'RADAR' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Detection And Ranging.
- এটি এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে দূরবর্তী কোনো বস্তুর উপস্থিতি, দূরত্ব ও দিক নির্ণয় করা যায়।
- রাডার হলো এমন একটি কৌশল বা ব্যবস্থা যার সাহায্যে রেডিও প্রতিধ্বনির মাধ্যমে কোন বস্তুর উপস্থিতি জানা যায়।
- যুদ্ধে শত্রু বিমানের উপস্থিতি ও গতিবিধি, বিমানের পথ নির্দেশ, ঝড়ের পূর্বাভাস ইত্যাদি কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ১৯২২ সালে এ.এইচ. টেলর এবং লিও সি ইয়ং রাডার উদ্ভাবন করেন।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩২.
জোয়ার-ভাটা তৈরিতে সূর্যের ক্ষমতা চন্দ্রের ক্ষমতার তুলনায়-
  1. ক) দ্বিগুণ
  2. খ) সমান
  3. গ) এক-তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) অর্ধেক
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্ধেক
ব্যাখ্যা
চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষীয় শক্তির (প্রধানত চাঁদের কেননা,জোয়ার উৎপাদনে সূর্যের ক্ষমতা চন্দ্রের ৪/৯ ভাগ / প্রায় অর্ধেক। অর্থাৎচন্দ্রের ক্ষমতা সূর্যের ক্ষমতার দ্বিগুণ ) প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার ও নেমে যাওয়ার ঘটনাকে ভাঁটা (একত্রে জোয়ার-ভাটা) বলা হয়।
২৩৩.
নিম্নলিখিত কোনটি মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকার উদাহরণ?
  1. ধনুষ্টংকার ভ্যাকসিন
  2. কলেরা ভ্যাকসিন 
  3. ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন
  4. হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন
সঠিক উত্তর:
কলেরা ভ্যাকসিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলেরা ভ্যাকসিন 
ব্যাখ্যা

টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে। 

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ-ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩৪.
পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. আর্লিবার্ড হল
  2. এস্ট্রোলার হল
  3. ওবেরী হল
  4. কসমস
সঠিক উত্তর:
আর্লিবার্ড হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্লিবার্ড হল
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ হলো ইনটেলসেট-1 যার আরেক নাম আর্লি বার্ড ( Early Bird)। 
- এই কৃত্রিম উপগ্রহটি ৬ এপ্রিল ১৯৬৫ সালে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়। 

- On April 6, 1965, NASA launched the world’s first commercial communications satellite Intelsat I (a.k.a. Early Bird) into a geosynchronous orbit above earth. 

উৎস: নাসার ওয়েবসাইট।
২৩৫.
কোন কণাটি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার সময় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয় এবং চেইন রিয়‍্যাকশন সৃষ্টি করে?
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন
  3. ইলেকট্রন
  4. ফোটন
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission):
-  নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission) প্রক্রিয়ায় একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস (যেমন ইউরেনিয়াম-২৩৫ বা প্লুটোনিয়াম-২৩৯) নিউট্রনের আঘাতে বিভক্ত হয়।
-  বিভাজনের ফলে নতুন নিউট্রন নির্গত হয়, যা অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সাথে সংঘর্ষ করে আরও নিউক্লিয়ার ফিশন ঘটায়।
- এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে এবং একে বলে চেইন রিয়্যাকশন (Chain Reaction)।
- নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক বোমা এই চেইন রিয়্যাকশনের উপর নির্ভর করে কাজ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা
২৩৬.
কোন রোগটি এন্ডোসকপি বা বেরিয়াম এক্স-রে র মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়?
  1. ক) গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার
  2. খ) অজীর্ণতা
  3. গ) কোষ্ঠকাঠিন্য
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার
ব্যাখ্যা
গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার (Gastric and Peptic ulcer) :
আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়।
•পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়। 
•চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন (1951-বর্তমান) ও ব্যারি মার্শালের (1937-বর্তমান) গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া •খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা 2005 সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়।

 উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
২৩৭.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোন শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে?
  1. ডার্মাটোলজি
  2. নিউরোলজি
  3. কার্ডিওলজি
  4. ক্রনোলজি
সঠিক উত্তর:
নিউরোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরোলজি
ব্যাখ্যা
সিটি স্ক্যান (CT scan):
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan).
 - যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে ৷
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক ।
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনি, ফুসফুস, ব্রেন ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায়।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিউরোলজি বা স্নায়ুবিজ্ঞান শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে যায়
- যকৃৎ, ফুসফুস এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়।
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে।
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়।
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কিনা তাও জানা যায়৷
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না৷

অন্যদিকে,
- ডার্মাটোলজি (Dermatology) - ত্বক; ত্বকের রোগ ইত্যাদি বিষয়ক চিকিৎসাশাস্ত্রীয় গবেষণা ও আলোচনা; ত্বকবিজ্ঞান।
- কার্ডিওলজি (Cardiology) - হৃদ্‌বিজ্ঞান।
- ক্রনোলজি (Chronology) -  কালনিরূপণ বিজ্ঞান।

উৎস:
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) accessibledictionary.gov.bd
২৩৮.
পৃথিবীর বারিমণ্ডলের জলরাশির শতকরা কতভাগ জল বায়ুমন্ডল ধারণ করে?
  1. ০.০০০০১%
  2. ০.০১%
  3. ০.০০১%
  4. ০.০০০১%
সঠিক উত্তর:
০.০০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০১%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩৯.
সুষুম্নাকাণ্ড কোন তন্ত্রের অংশ?
  1. স্নায়ুতন্ত্রের
  2. কঙ্কালতন্ত্রের
  3. পরিপাকতন্ত্রের
  4. শ্বসনতন্ত্রের
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুতন্ত্রের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুতন্ত্রের
ব্যাখ্যা

- স্নায়ুতন্ত্রের দুইটি প্রধান অংশ, কেন্দ্রীয় এবং প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র।
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ভিতরে আছে মস্তিষ্ক এবং সুষুম্নাকান্ড।
- প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্রের ভিতরে আছে করোটিক স্নায়ু এবং সুষুম্না স্নায়ু।
- সুষুম্নাকাণ্ড মেরুদণ্ডের অস্থি ও তরুণাস্থি নির্মিত কঙ্কাল আবরণে বেষ্টিত হয়ে অবস্থান করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২৪০.
বেগ পরিমাপের যন্ত্র -
  1. ক) স্পিডোমিটার
  2. খ) ফ্যাদোমিটার
  3. গ) ক্রনোমিটার
  4. ঘ) ভেলাটোমিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভেলাটোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভেলাটোমিটার
ব্যাখ্যা
- বেগ পরিমাপের যন্ত্র - ভেলাটোমিটার।
- দ্রুতি পরিমাপের যন্ত্র - স্পিডোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপের যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র - সিসমোগ্রাফ।
- সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
 -হৃদপিন্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - কার্ডিওগ্রাফ।
- তাপ পরিমাপের যন্ত্র - ক্যালোরিমিটার।
- তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্র - থার্মোমিটার।

উৎস: টিচার্স.গভ.বিডি।
২৪১.
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য দায়ী -
  1. ক) উচ্চচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা
  2. খ) উচ্চচাপ এবং নিম্ন তাপমাত্রা
  3. গ) নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা
  4. ঘ) নিম্নচাপ এবং নিম্ন তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে। ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।

উচ্চ তাপমাত্রার (সাধারণত ২৭ ডিগ্রির অধিক) ফলে সমুদ্রের বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে গেলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এতে করে পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে ভারীবায়ু দ্রুত বেগে সৃষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে এবং ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি করে।
বায়ুর গতিবেগ ৬৩ কিলোমিটারের অধিক হলে তা ঘূর্নিঝড় হিসেবে অভিহিত হয়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণি।
২৪২.
সূর্যের শক্তির উৎস কী?
  1. দহন
  2. নিউক্লিয়ার ফিশন
  3. নিউক্লিয়ার ফিউশন
  4. রেডিওঅ্যাকটিভিটি
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিউশন
ব্যাখ্যা
ফিউশন বিক্রিয়া (Fusion Reaction):
- ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্য শক্তি উৎপন্ন করে।
- ফিউশন বিক্রিয়া হলো নক্ষত্রগুলোর প্রধান শক্তি উৎস এবং হালকা মৌলগুলোর নিউক্লোসিনথেসিসের (নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণ) প্রধান প্রক্রিয়া।
- ১৯৩০-এর দশকে হান্স বেতে প্রথম হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসের ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ডিউটেরিয়াম গঠনের ফলে বিশাল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় বলে চিন্তাধারা উপস্থাপন করেন।
- এই বিক্রিয়ার ক্রমাগত সংঘটনের ফলে হিলিয়াম তৈরি হয়, যা সাধারণ নক্ষত্রগুলোর (যেমন সূর্য) মূল শক্তির উৎস।
- ফিউশন বিক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে নক্ষত্রের কেন্দ্রীয় প্লাজমার তাপমাত্রা ১৫,০০০,০০০ কে (কেলভিন) বা তার কম হতে হয়।
- হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো একত্রে মিশে হিলিয়ামে রূপান্তরিত হয়, যা শক্তি উৎপন্ন করে।
- ফিউশন বিক্রিয়া বিশ্বের শক্তি উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

উৎস: Britannica.
২৪৩.
কোনটি জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. ভরা কটাল
  2. বসন্ত কটাল
  3. মুখ্য জোয়ার
  4. গৌণ জোয়ার
সঠিক উত্তর:
বসন্ত কটাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসন্ত কটাল
ব্যাখ্যা
- জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়- বসন্ত কটাল। 

জোয়ার-ভাটা: 

- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। 
- ফুলে ওঠে আবার নেমে যাওয়ার কারণ মূলত দুটি। 
যথা- চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি। 
- সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার (Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or Low Tide) বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 

জোয়ার-ভাটার কারণ: 
- জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- 
(ক) মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব (The Force of Gravitational Attraction) এবং 
(খ) কেন্দ্রাতিগ/বহির্মুখী শক্তি (Centrifugal force) । 

জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগ: 
- জোয়ার-ভাটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার (Primary Tide), 
২. গৌণ জোয়ার (Secondary Tide), 
৩. ভরা কটাল (Spring Tide) এবং 
৪. মরা কটাল (Neap Tide) । 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৪.
দেশে সবচেয়ে বেশি রাসায়নিক সার উৎপাদিত কোনটি?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) ডিএপি
  4. ঘ) এমওপি
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান।
- এছাড়া অন্যান্য সারের মধ্যে টিএসপি ও ডিএপি উল্লেখযোগ্য।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ 
- কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,৪৫০ হাজার/২৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৩০০.০০ হাজার/১৩.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
২৪৫.
বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৭৫.৮%
  2. ৭৮.১%
  3. ৭৯.২%
  4. প্রায় ৮০%
সঠিক উত্তর:
৭৮.১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮.১%
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডল :
- বায়ুমণ্ডল ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere।
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল।
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রনে গঠিত।

• বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
যথা:
- নাইট্রোজেন ও
- অক্সিজেন।

উল্লেখ্য, 
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অক্সিজেনের পরিমাণ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। 

বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদানগুলোর শতকরা পরিমাণ: 
• নাইট্রোজেন ৭৮.০১%,
• অক্সিজেন ২০.৭১%,
• আর্গন ০.৮০%,
• জলীয়বাষ্প ০.৪১%,
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড ০.০৩% ইত্যাদি।

উক্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে অপশনে হয়তো টাইপিং ভুলের কারণে ৭৮.০১% না হয়ে ৭৮.১% এসেছে। তবে, কাছাকাছি উত্তর বিবেচনায় আমরা ৭৮.১% কে সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করেছি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।
২৪৬.
গোয়েন্দা বিভাগে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 
  1. গামা রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়। 
- এক্সরের একক রন্টজেন। 
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- রঞ্জনরশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের, মূলত ০.১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিসরে এবং ৩x১০১৬ থেকে ৩x১০২০ হার্জের কম্পাংক পরিসরে অবস্থিত ও উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়। 

এক্স রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণ, 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা, 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়, 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৭.
পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌরপর্দা হিসেবে অভিহিত করা হয় কোন স্তরকে?
  1. ট্রপােস্ফিয়ার
  2. ওজোনস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটেস্ফিয়ার
  4. আয়ােনােস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere): 
বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল। 
যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 
এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)। 
এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
 স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।

স্ট্রাটোমন্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়। 
স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। 
 
স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন (Ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
 
ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultral Violet Rays) শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬° সেলসিয়াস) অনেক বেশি।
 
উপরের ব্যাখ্যা থেকে বলা যায় যে, পৃথিবীর প্রাকৃতিক সৌরপর্দা হিসেবে কাজ করে ওজোনস্ফিয়ার। 
 
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
 
২৪৮.
মহাবিশ্ব গবেষণায় অবদান রাখা জামাল নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ইংরেজি বইটির নাম কী? 
  1. দ্য অরিজিন অফ ইউনিভার্স
  2. ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
  3. ব্ল্যাক হোলস অ্যান্ড বেবি ইউনিভার্স
  4.  ফার ফিউচার অফ দ্য ইউনিভার্স
সঠিক উত্তর:
 ফার ফিউচার অফ দ্য ইউনিভার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ফার ফিউচার অফ দ্য ইউনিভার্স
ব্যাখ্যা

• বাঙালি বিশ্ববিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম: 
- বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে মৌলিক বিজ্ঞানে জামাল নজরুল ইসলামের মতো অবদান আর কারও নেই। এই বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীর জন্ম তাঁর বাবার কর্মক্ষেত্র ঝিনাইদহে ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯ সালে। 
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে মৌলিক গবেষণা করেছেন।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- ছাত্রজীবনে তাঁর সমসাময়িক ও আজীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বিস্ময়কর বিজ্ঞান-প্রতিভা স্টিফেন হকিং। কেমব্রিজ এবং পশ্চিমে শিক্ষার গবেষণা ও অধ্যাপনায় থাকাকালে তাঁর বন্ধু ও সুহৃদমহল গড়ে ওঠে বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের নিয়ে। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তাঁর শিক্ষক ফ্রিম্যান ডাইসন, পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান, ভারতের সুব্রহ্মনিয়াম চন্দ্রশেখর, পাকিস্তানের আবদুস সালাম, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অমিয় বাগচী, তাঁর সহপাঠী জয়ন্ত নারলিকার, ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জিম মার্লিস প্রমুখ।  

- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে। তিনি এই ধারায় গবেষণা অব্যাহত রেখে পরবর্তীকালে লেখেন ফার ফিউচার অব দ্য ইউনিভার্স বা মহাবিশ্বের দূরবর্তী ভবিষ্যৎ
- জামাল নজরুল ইসলাম দেশে গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস), যেটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে দেশের প্রবীণ পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর এ এম হারুন-অর রশিদ ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে এখানে আগত খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানী, আপেক্ষিকতত্ত্ববিদ এবং বিশ্ব সৃষ্টি তাত্ত্বিকদের অবদান’ স্মরণ করে এ প্রতিষ্ঠানকে প্রফেসর ইসলামের শ্রেষ্ঠ কীর্তি আখ্যা দিয়েছিলেন।
- ২০১৩ সালের ১৬ মার্চ মধ্যরাতে এ মহান বিজ্ঞানী আমাদের ছেড়ে গেছেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।

২৪৯.
পৃথিবীর বারিমণ্ডলের জলরাশির শতকরা কতভাগ জল হৃদ ধারণ করে?
  1. ক) ০.০০১%
  2. খ) ০.০০০১%
  3. গ) ০.০১%
  4. ঘ) ০.০০০০১%
সঠিক উত্তর:
গ) ০.০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০.০১%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫০.
কোন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নিউমোনিয়া রোগ হয়?
  1. ক) Streptococcus
  2. খ) Pneumococcus
  3. গ) Yersinia
  4. ঘ) Tuberculosis
সঠিক উত্তর:
খ) Pneumococcus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Pneumococcus
ব্যাখ্যা
Pneumococcus নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নিউমোনিয়া রোগ হয়। 

নিউমোনিয়া ফুসফুসের প্রদাহ জনিত একটি রোগ যা ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস,ছত্রাক কিংবা অন্য যেকোন পরজীবীর সংক্রমণের কারণে হতে পারে। কারও রোগটি হলে তাঁর শরীরে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের স্বাভাবিক আদান প্রদান প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। রোগটি হলে ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দেহে বাতাসের আদান প্রদান প্রক্রিয়া অনেক বাধাগ্রস্ত হয়।

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ-
১. জ্বর, কাশি অথবা শ্বাসকষ্ট হওয়া।
২. বয়স অনুযায়ী শ্বাস দ্রুত মনে হওয়া।
৩. অস্থিরতা ভাব হওয়া।
৪. খাবারে অরুচি হওয়া।
৫. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৬. পেটে ব্যথা হওয়া।
৭. শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৮. মারাত্মক নিউমোনিয়ার হলে শ্বাস নেয়ার সময় বুকের নিচের অংশ ভিতরে ঢুকে যাওয়া।
৯. শ্বাসকষ্টের কারণে রোগীর খিঁচুনি হতে পারে।

সূত্র: Johns Hopkins University Website. 
২৫১.
কোন পদার্থের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির পেছনে দায়ী?
  1. ক) স্টীল
  2. খ) কাঁচ
  3. গ) প্লাস্টিক
  4. ঘ) কাগজ
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাস্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাস্টিক
ব্যাখ্যা
- প্লাস্টিক সামগ্রী পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।
- পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য অনুজীব দ্বারা আক্রান্ত হয় না বলে অপরিবর্তিত অবস্থায় বছরের পর বছর ধরে মাটিতে থেকে যায়।
- বর্জ্য প্লাস্টিক মাটির উর্বরতা নষ্ট করে, নদীর নিচে তলানী হিসেবে জমা হয়ে নদীর নাব্যতা কমিয়ে দেয়, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ও পানি দূষণ ঘটায়।
- ব্যবহার অনুপোযোগী প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
- প্লাস্টিক রিসাইকেল করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ করা সম্ভব।

সূত্র: Plastics NZ Website
২৫২.
কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় কোনটির মাধ্যমে?
  1. ক) এমআরআই
  2. খ) সিটিস্ক্যান
  3. গ) এক্স-রে
  4. ঘ) এনজিওগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স-রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স-রে
ব্যাখ্যা
- ১৮৯৫ সালে উইলহেম রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- এক্স-রে এর একক হলো রন্টজেন যা আবিষ্কারকের নামাণুসারে করা হয়। 
- এক্স-রে -এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m এর কাছাকাছি। 
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে। 
এক্স-রের ব্যবহার
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়।
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। 
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৩.
তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে কোন রশ্মি নির্গত হয়?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড এবং ভিলার্ড পরীক্ষার মাধ্যমে দেখান যে, তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন প্রকার রশ্মি নির্গত হয়। যথা-
১. আলফা রশ্মি,
২. বিটা রশ্মি এবং
৩. গামা রশ্মি।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- যে সকল মৌলের পারমাণবিক ওজন ২০৬ এর অধিক, সে সকল পদার্থ তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অবিরাম প্রক্রিয়া।
- তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা কণা ধনাত্মক চার্জ যুক্ত, ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত এবং চার্জ নিরপেক্ষ হতে পারে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি নিউক্লিয়ার ঘটনা ।
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে নতুন মৌলের সৃষ্টি হয় যেমন- রেডিয়াম হতে হিলিয়াম ও র‍্যাডন সৃষ্টি হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৪.
ইপিআই (EPI) কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিরোধ যোগ্য রোগের সংখ্যা -
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
Expanded Programme on Immunization (EPI)
- ইপিআই বিশ্বব্যাপী কর্মসূচি, যার মূল লক্ষ্য সংক্রামক রোগ থেকে শিশু, মাতৃমৃত্যু ও পঙ্গুত্ব রোধ করা।
- এ কর্মসূচির উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠী হচ্ছে ০ থেকে ১৮ মাস বয়সী সব শিশু এবং ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী সন্তান ধারণক্ষম সব নারী।

যক্ষ্মা, ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি, মা ও নবজাতকের ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, পোলিও মাইলাইটিস, হাম ও রুবেলা—এই ১০ রোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

- সরকারের এ কার্যক্রমে সার্বিকভাবে সহায়তা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)।
- ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশে বিনা মূল্যে এ টিকাগুলো দেওয়া হয়।

• স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) একটি গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। এই কর্মসূচির সাফল্যের পাল্লাটা বেশ ভারী, যার জন্য মিলছে নানান স্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ কর্মসূচি বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে। সব থেকে বড় কথা হলো, এ কর্মসূচির ফলেই দেশে মা ও শিশুমৃত্যুর হার কমানোর পাশাপাশি পঙ্গুত্ব রোধ করা সম্ভব হচ্ছে।

- কর্মসূচি অনুযায়ী (প্রাপ্যতা অনুযায়ী)০ - ১১ মাস বয়সি শিশুদের যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, হিমো-ইনফ্লুয়েঞ্জা বি, হাম ও রুরেলা এই ৯টি  রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রয়োগ করা হয় এবং ১৫ - ৪৯ বছরের মহিলাদের সিডিউল অনুযায়ী ৫ ডোজ টিটি টিকা প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: www.prothomalo.com, services.portal.gov.bd.
২৫৫.
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হল -
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন-ডাইঅক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো - হাইড্রোজেন। 
• পক্ষান্তরে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে নাইট্রোজেন গ্যাস। 
-----------------------

- হাইড্রোজেন গ্যাস মহাবিশ্বের মৌলিক গঠনের প্রায় 75% (ভর) তৈরি করে। 
- এটি আমাদের সূর্য সহ নক্ষত্রগুলিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এটি পারমাণবিক ফিউশন প্রতিক্রিয়াগুলির জন্য প্রাথমিক জ্বালানী উৎস। 
- হাইড্রোজেন আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশেও প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত থাকে এবং এটি আণবিক মেঘের একটি মূল উপাদান যেখানে নতুন তারকা গঠিত হয়। 

- মহাবিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হচ্ছে হিলিয়াম। হাইড্রোজেন ও হিলিমায় যৌথভাবে মহাবিশ্বের ৯৯.৯% উপাদান গঠন করেছে। 
• এই সারিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অক্সিজেন। 
Source: The University of Texas; LiveScience and Nature Journal.

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের শতকরা হার: 
• নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%, 
• অক্সিজেন - ২০.৭১%, 
• আরগন - ০.৮০%, 
• কার্বন ডাই অক্সাইড - ০.০৩%, 
• জলীয় বাষ্প - ০.৪১%, 
• অন্যান্য গ্যাসসমূহ - ০.০২% এবং 
• ধূলিকণা ও কণিকা - ০.০১% । 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫৬.
কোন ধমনি মানবদেহের অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে?
  1. সিলিয়াক
  2. ইলিয়াক
  3. ফ্রেনিক
  4. মেসেন্টেরিক ধমনি
সঠিক উত্তর:
মেসেন্টেরিক ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসেন্টেরিক ধমনি
ব্যাখ্যা
সাবক্লেভিয়াল ধমনি: 
- দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে। 
যেমন- 
আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে। 
থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে। 
ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৭.
জ্যোতিষ্ক কত প্রকার?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
জ্যোতিষ্ক:

- মহাশূন্যে অবস্থিত বস্তুসমূহকে জ্যোতিষ্ক বলা হয়ে থাকে।
- জ্যোতিষ্ক ৭ প্রকার।
• নক্ষত্র।
• নীহারিকা।
• গ্রহ।
• উপগ্রহ।
• ছায়াপথ।
• ধূমকেতু।
• উল্কা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫৮.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং রিয়াদের দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা হলে সেই সময় রিয়াদের স্থানীয় সময় কত? 
  1. সকাল ১১ টা
  2. রাত ১২ টা
  3. রাত ১১ টা
  4. সকাল ১০ টা
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১ টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং রিয়াদের দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা হলে সেই সময় রিয়াদের স্থানীয় সময় কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি,
প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য = ৪ মিনিট
ঢাকা ও রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য = (৯০ - ৪৫)° = ৪৫°
সুতরাং, সময়ের পার্থক্য হবে = (৪৫ × ৪) মিনিট = ১৮০ মিনিট = ৩ ঘণ্টা 

প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে বুঝা যায়, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।
সুতরাং, রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে, 
= দুপুর ২ টা - ৩ ঘণ্টা। এখানে দুপুর ২টা বলতে ১৪টা হবে।
= ১৪ টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১ টা 
∴ রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১ টা ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫৯.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে ওজোনের বিপুল পরিমাণ উপস্থিতি রয়েছে?
  1. ক) ট্রপোমণ্ডল
  2. খ) মেসোমন্ডল
  3. গ) স্ট্রাটোমন্ডল
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
গ) স্ট্রাটোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্ট্রাটোমন্ডল
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমণ্ডল পৃথিবী থেকে ১২/১৫ কিলোমিটার উপরে ট্রপোবিরতি হতে শুরু হয়ে স্ট্র্যাটোবিরতি পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এই স্তরেই ওজোন অবস্থিত। ওজোন স্তর দ্বারা অতিবেগুনি রশ্মির বিকিরণ শোষণ বৃদ্ধির কারণে এই স্তরের তাপমাত্রা বাড়ে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
২৬০.
কাজ করার ক্ষমতাকে কী বলে?
  1. ক) ক্ষমতা 
  2. খ) শক্তি
  3. গ) দক্ষতা
  4. ঘ) বিভব শক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তি হচ্ছে কাজ করার ক্ষমতা। 

- যখন কোনো বস্তুর ওপর কোনো বল প্রয়োগ করে ধনাত্মক কাজ করা হয় তখন সেই বলটি বস্তুটির মাঝে একটা শক্তি সৃষ্টি করে এবং যে বল প্রয়োগ করেছে তাকে ঠিক সেই পরিমাণ শক্তি দিতে হয়।
- কোনো বল যদি কোনো বস্তুর উপর নেগেটিভ কাজ করে তাহলে বস্তুর যেটুকু শক্তি ছিল সেখান থেকে কিছুটা শক্তি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

- ধনাত্মক কাজ: কোনো বস্তুতে শক্তি দেওয়া।
- ঋনাত্মক কাজ: কোনো বস্তু থেকে শক্তি সরিয়ে নেওয়া।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২৬১.
অশ্মমন্ডল বা ভূ-ত্বকের সকল বিষয় প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. মৃত্তিকা ভূগোল
  2. গাণিতিক ভূগোল
  3. ভূমিরূপবিদ্যা
  4. জলবায়ুবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
ভূমিরূপবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিরূপবিদ্যা
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক ভূগোল: 
- ভূগোল বিষয়ের যে অংশ পাঠ করলে পৃথিবীর জন্ম, ভূ-প্রকৃতি অর্থাৎ পাহাড়, পর্বত, বারিমন্ডল, বায়ুমন্ডল প্রভৃতি বিষয় ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা যায় তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
- প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রধান প্রকৃতি হলো- প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়কে প্রাকৃতিক ভূগোল এককভাবে প্রকাশ করে।
- তাই প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিধিও ব্যাপক এবং ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিধি আরো অধিক বিস্তৃত হবে।
 
১. ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology): প্রাকৃতিক ভূগোলের এই শাখায় পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, পৃথিবীর উৎপত্তি, ভূ-আলোড়ন বা ভূ-আন্দোলন, বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ, ভূ-তাত্ত্বিক সময় মাপনি, ভূ-ত্বকের পরিবর্তন, পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদ, খনিজ, শিলা প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করা হয়।
- মূলত অশ্মমন্ডল বা ভূ-ত্বকের সকল বিষয় ভূমিরূপবিদ্যার অন্তর্গত।
২. জলবায়ুবিদ্যা (Climatology): এই শাখা বায়ু, বায়ুস্তর, বায়ুর গঠন, বায়ুর ধর্ম, বায়ুর তাপ ও তাপমাত্ৰা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুপুঞ্জ, বায়ুপ্রাচীর, ঘূর্ণিবাত, প্রতীপ ঘূর্ণিবাত, বায়ুমন্ডলের জলীয়বাষ্প, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে আলোচনা করে। সংক্ষেপে বায়ুমন্ডল ও বায়ুমন্ডলের সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ প্রদান করে ।
৩. সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography): বারিমন্ডলের প্রধান উপাদান সাগর, মহাসাগরসমূহের উৎপত্তি, বিন্যাস, বিস্তরণ, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ, জোয়ার-ভাঁটা, মানব জীবনের উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ও বিভিন্ন মহাদেশের মধ্যে সমুদ্রপথে যোগাযোগ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ।
8. মৃত্তিকা ভূগোল (Soil Geography): মৃত্তিকা ভূগোল ভূ-ত্বকের বা অশ্মমন্ডলের উপরিভাগের অংশ অর্থাৎ মৃত্তিকার গঠন, উপাদান, বণ্টন ও বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করে ।
৫. জীব ভূগোল (Biogeography): উদ্ভিদ বাস্তব্যবিদ্যা, উদ্ভিদের ক্রমবিকাশ, পরিবেশের উপর উদ্ভিদের প্রভাব প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ।
৬. প্রাণি ভূগোল (Zoogeography): এ শাখা পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রাণিজগৎ ও প্রাণিজগতের বণ্টন নিয়ে আলোচনা করে।
৭. গাণিতিক ভূগোল (Mathematical Geography): গাণিতিক ভূগোলে জ্যোতিষ্কমন্ডলী, সৌরজগৎ, পৃথিবী ও এর আকৃতি, গতি, আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ও সময়, আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতির ফলাফল প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬২.
প্রথম টেস্টটিউব বেবীত্রয় কবে ভূমিষ্ঠ হয়?
  1. ২৭ মে
  2. ২৪ মে
  3. ৩০ মে
  4. ৩১ মে
সঠিক উত্তর:
৩০ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ মে
ব্যাখ্যা
- টেস্ট টিউব বেবি নেয়া হয় মূলত আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে। 
- ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে আইভিএফ। 
- এ পদ্ধতিতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু ল্যাপারেস্কোপিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত সন্তর্পণে বের করে আনা হয়, পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। 
- এছাড়া একই পদ্ধতিতে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়, পরে ল্যাবে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো জাতের একঝাঁক শুক্রাণু। 
- ইনকিউবেটরের মধ্যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পরই বোঝা যায় নিষিক্তকরণের পর ভ্রূণ সৃষ্টির সফলতা সম্পর্কে। 
- ভ্রূণ সৃষ্টির পর সেটিকে একটি বিশেষ নলের মাধ্যমে জরায়ুতে সংস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়। 

- বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ৩০ মে, ২০০১ সালে ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে। 
- দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।
উল্লেখ্য, 
- পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও এনটিভি নিউজ রিপোর্ট।
২৬৩.
ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে সহায়তা করে কোনটি? 
  1. পিলি
  2. মেসোসোম
  3. ক্যাপসিউল
  4. প্লাজমিড
সঠিক উত্তর:
পিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিলি
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষের গঠন: 
- ব্যাকটেরিয়ার গঠন বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। 
- একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলো থাকে তা হলো- 
(ক) ফ্ল্যাজেলা, 
(খ) ক্যাপসিউল, 
(গ) কোষ প্রাচীর, 
(ঘ) প্লাজমামেমব্রেন, 
(ঙ) মেসোসোম, 
(চ) সাইটোপ্লাজম, 
(ছ) ক্রোমোসোম এবং 
(জ) প্লাজমিড। 

 ফ্ল্যাজেলা: 
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। 
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত। 
- ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। 
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে। 
- পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে। 

ক্যাপসিউল: 
- ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে। 
- এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। 
- একে স্লাইম স্তরও বলা হয়। 
- এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে। 

মেসোসোম: 
- ব্যাকটেরিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক সময় ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়। একে মেসোসোম বলা হয়। 
- এটি কোষ বিভাজনে সহায়তা করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৪.
গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় টিকা-
  1. ক) বিসিজি
  2. খ) টিটি
  3. গ) পোলিও
  4. ঘ) টিবি
সঠিক উত্তর:
খ) টিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টিটি
ব্যাখ্যা

• গর্ভাবস্থায় মায়েদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় টিকা- টিটি।
• ৫ ডোজে টিটি টিকা নিতে হয়।
• মায়েরা টিটি টিকা না নিলে নবজাতকের ধনুষ্টংকার রোগ হবার আশঙ্কা থাকে।

২৬৫.
চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে কত দিন সময় লাগে?
  1. ক) ২৫
  2. খ) ২৬
  3. গ) ২৭
  4. ঘ) ২৯ 
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭
ব্যাখ্যা

চাঁদ ২৭ দিন ৮ ঘণ্টায় একবার পৃথিবীকে ঘুরে আসে।

চাঁদকে পৃথিবীর উপগ্রহ বলা হয়।
চাঁদ নিজে তাপ অথবা, আলো উৎপন্ন করতে পারে না।
চাঁদ পৃথিবীর আয়তনের পঞ্চাশ ভাগের এক ভাগ।
সূর্য পৃথিবীর চেয়ে ১৩ লক্ষ গুণ বড়।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি 

২৬৬.
নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানি কীরূপ?
  1. উষ্ণ ও হালকা
  2. উষ্ণ ও ভারী
  3. শীতল ও হালকা
  4. শীতল ও ভারী
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও হালকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও হালকা
ব্যাখ্যা
• নিরক্ষীয় অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানি উষ্ণ ও হালকা।
-  সূর্য সারা বছর লম্বভাবে কিরণ দেয়ার ফলে দিনরাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান।
- তাই ঋতু পরিবর্তন এ অঞ্চলে দেখা যায় না।
- সারা বছর অধিক তাপ ও বৃষ্টিপাত এ জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- নিরক্ষীয় অঞ্চল সূর্যের সরাসরি তাপমাত্রা বেশি পায়, যার ফলে এখানকার সমুদ্রের পানি উষ্ণ থাকে।
- উষ্ণ পানি সাধারণত কম ঘনত্বের হয়, তাই এটি হালকা থাকে।
- এছাড়াও বেশি বৃষ্টিপাতের কারণে লবণাক্ততা তুলনামূলকভাবে কম থাকে, যা পানিকে কম ঘনত্বের করে।

 উৎস: ব্রিটানিকা।
২৬৭.
সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় কত ডিগ্রি সেলসিয়াস? 
  1. ৭৫০০° সেলসিয়াস
  2. ৬০০০° সেলসিয়াস
  3. ৩০০০° সেলসিয়াস
  4. ৪৫০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৬৮.
ওজোন স্তর ক্ষয়কারী প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
  3. মিথেন
  4. নাইট্রোজেন অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
ব্যাখ্যা
• ওজোন স্তর ক্ষয়কারী প্রধান উপাদান হলো CFC বা ক্লোরোফ্লুরোকার্বন। 

• ওজোন স্তর:

- ওজোন স্তর হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামুলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে ।

• ওজোন স্তরের ভূমিকা- 
-  সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত অতিবেগুনি রশ্মিকে (Ultra-Violet Ray) শোষণ করে ভূপৃষ্ঠে আসতে দেয় না, যার ফলে জীবজগৎ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায় ।
 - বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখে ।
 - জীববৈচিত্র রক্ষা করে ।
 - ওজোন গ্যাস সূর্যের তাপ ও অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে, ফলে এই স্তরের তাপমাত্রা খুব বেশি হলেও তা বায়ুমন্ডলীয় তাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ।

• CFC (Chlorofluorocarbons) হলো এমন রাসায়নিক যৌগ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, স্প্রে ক্যান এবং ফোম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- এই যৌগগুলো বায়ুমণ্ডলে উঠে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে (stratosphere) পৌঁছে ওজোন (O3) গ্যাসকে ধ্বংস করে।

• ক্ষয় প্রক্রিয়া:
- CFC গ্যাস UV রশ্মিতে ভেঙে যায় → ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত হয়।
- একটি ক্লোরিন পরমাণু → হাজার হাজার ওজোন অণু ধ্বংস করতে সক্ষম।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা।
২৬৯.
ভূগর্ভস্থ পানি পৃথিবীর মোট পানির কত ভাগ? 
  1. ২.০৫ ভাগ 
  2. ০.৬৮ ভাগ 
  3. ০.০০১ ভাগ 
  4. ৯৭.২৫ ভাগ 
সঠিক উত্তর:
০.৬৮ ভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৬৮ ভাগ 
ব্যাখ্যা

- ভূগর্ভস্থ পানি পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ০.৬১% থেকে ০.৬৮%। এই পরিমাণটি পৃথিবীর সমস্ত মিঠা পানির একটি বিশাল অংশ, তবে মোট বৈশ্বিক পানির (লবণাক্ত এবং মিঠা পানি উভয়ই) একটি ছোট শতাংশ। 

বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 
- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫%, 
• হিমবাহ = ২.০৫%, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮%, 
• হ্রদ = ০.০১%, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫%, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১%, 
• নদী = ০.০০০১% এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪% ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৭০.
বাংলাদেশে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি EPI পরিচালনা করে কোন সংস্থা?
  1. FAO
  2. WHO
  3. UNESCO
  4. World Bank 
সঠিক উত্তর:
WHO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WHO
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে EPI কর্মসূচি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর অধীনে পরিচালিত।

• বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization – WHO):
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর অধীনে পরিচালিত Expanded Program on Immunization (EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশে EPI-তে মোট টিকার সংখ্যা ১২ টি।
- যক্ষ্মা
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- ধনুষ্টংকার
- পোলিওমাইলাইটিস
- হাম
- হেপাটাইটিস–বি জনিত রোগ
- হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ–বি জনিত রোগ
- রুবেলা
- নিউমোনিয়া
- জরায়ুমুখ ক্যান্সার
- টাইফয়েড

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, WHO website, প্রথম আলো এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।

২৭১.
বৃহস্পতি কোন ধরনের গ্রহ হিসেবে পরিচিত? 
  1. লাল গ্রহ 
  2. গ্রহরাজ 
  3. সূর্যের নিকটতম গ্রহ 
  4. ক্ষুদ্রতম গ্রহ 
সঠিক উত্তর:
গ্রহরাজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহরাজ 
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতি: 
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। 
- বৃহস্পতি গ্রহকে গ্রহরাজ বলা হয়। 
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই। 
- সৌরজগতে বৃহস্পতির দ্বিতীয় সর্বাধিক উপগ্রহ রয়েছে। 
- বৃহস্পতি গ্রহে বৃহৎ লাল বিন্দু (Great Red Spot) দেখা যায়। 

অন্যদিকে,
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। 
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৭২.
কোন রোগটি একবার হলে বার বার হওয়ার আশঙ্কা থাকে?
  1. ক) হাঁপানি
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) ব্রংকাইটিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রংকাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রংকাইটিস
ব্যাখ্যা
- শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে।
- ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে।
- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, স্যাঁতসেঁতে ধূলিকণা মিশ্রিত আবহাওয়া, ঠাণ্ডা লাগা এবং ধূমপান থেকেও এ রােগ হওয়ার আশংকা থাকে। 
- একবার ব্রংকাইটিস হলে বারবার এ রােগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- সাধারণত শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা এ রােগে বেশি আক্রান্ত হয়।
- ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দূষণ (যেমন কলকারখানার ধুলাবালি এবং ধোঁয়াময় পরিবেশ) এ রােগের কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
২৭৩.
চিকনগুনিয়া রোগ বহনকারী মশার নাম কী?
  1. ক) অ্যানোফিলিস
  2. খ) কিউলেক্স
  3. গ) এডিস
  4. ঘ) ম্যানসোনাইড
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
ব্যাখ্যা
- অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার লাভ করে।
- ফাইলেরিয়া রোগ ছড়ায় কিউলেক্স মশার মাধ্যমে।
- এডিস মশা দ্বারা ডেঙ্গু জ্বর, পীত জ্বর এবং চিকনগুনিয়া রোগ ছড়ায়।

 সূত্র : সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও WHO ওয়েবসাইট।
২৭৪.
পয়েন্ট মিউটেশনের ফলে কোন রোগ সৃষ্টি হয়?
  1. ক) টার্নার্স সিনড্রোম
  2. খ) গিলবার্ট সিনড্রোম
  3. গ) হান্টিংটনস রোগ
  4. ঘ) হিমোফিলিয়া রোগ
সঠিক উত্তর:
গ) হান্টিংটনস রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হান্টিংটনস রোগ
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট মিউটশনের ফলে হান্টিংটনস রোগ (Huntington’s Disease) হয়। এই রোগ হলে মস্তিষ্ক ঠিকমত কাজ করে না। শরীরের পেশীগুলোর মধ্যে সমন্বয় করার ক্ষমতা লোপ পায় এবং পরে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে মৃত্যও ঘটে। সাধারণত চল্লিশ বছরের আগে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। পয়েন্ট মিউটশনের ফলে সিকেল সেল নামে রক্তকণিকার আরেকটি রোগ হয়। এই রোগে শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
২৭৫.
"আবহাওয়া" বলতে কী বোঝায়?
  1. পৃথিবীর আবর্তন প্রক্রিয়া
  2. দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ুর গড় অবস্থা
  3. নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পমেয়াদী বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা
  4. কোনো দেশের বার্ষিক তাপমাত্রার হিসাব
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পমেয়াদী বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পমেয়াদী বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া: 
- বায়ুমণ্ডল ও তার গঠনকারী উপাদানভেদে বায়ুমন্ডলের বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে বৈচিত্র্যময় হয়। 
- বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে চাপ, তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুপ্রবাহের পার্থক্য তৈরি হলেই প্রতিদিনের বায়ুপ্রবাহ, বায়ুতাপ ও চাপের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। 
- কোনো স্থানের দৈনন্দিন বায়ুর গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি উপাদানের অবস্থা। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের অবস্থাকে বলা হয় আবহাওয়া। 
- আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল এবং এটি একটি ক্ষুদ্র এলাকার বায়ুমণ্ডলের স্বল্পমেয়াদী অবস্থাকে তুলে ধরে। 
- আবহাওয়া সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যায় “আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র” থেকে। 
- সাধারণত আবহাওয়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বলেই প্রতিঘন্টা বা প্রতি দিনের আবহাওয়া পর্যালোচনা করে আবহাওয়ার গড় বের করা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৬.
ফোটনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) ফোটন ভরহীন
  2. খ) ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ
  3. গ) ফোটন কণা ও তরঙ্গ ধর্ম প্রদর্শন করে
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আলোক শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। প্রত্যেক রং এর আলোর জন্য এই শক্তি প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ। এটি কণা এবং তরঙ্গ উভয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭৭.
মানবদেহের 'আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস' গ্রন্থির অবস্থান কোথায়?
  1. অগ্নাশয়ে
  2. গলার উপরের অংশে উভয় পাশে
  3. গ্রীবা অঞ্চলে
  4. মস্তিষ্কের নিচের অংশে
সঠিক উত্তর:
অগ্নাশয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নাশয়ে
ব্যাখ্যা
আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস- এ গ্রন্থির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে। এ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গুকাগণ প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয় যা শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
 
পিটুইটারী গ্রন্থি- এটি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। এ গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা প্রভুগ্রন্থি বলে। কারণ এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যা যেমন বেশি তেমন বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোন এর প্রভাবও বেশি। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, শক্তিশালী ও সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি। এ গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিন, এডরেনোকর্টিকোট্রপিন, থাইরোট্রপিন, প্রোল্যাকটিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়।

থাইরয়েড গ্রন্থি- গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত। প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়। আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে। বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি- দু’জোড়া প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থাইরয়েড গ্রন্থির পেছনে এবং আংশিক থাইরয়েড গ্রন্থির মধ্যে অবস্থিত। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম প্যারাথাইরক্সিন হরমোন। মূলতঃ শরীরের ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

থাইমাস গ্রন্থি- এ গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত। শিশুকালে এ গ্রন্থি বিকশিত হতে থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোট হয়।
এ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৮.
এডিস মশা নিচের কোন রোগটির বাহন?
  1. ক) গোদ রোগ
  2. খ) ম্যালেরিয়া
  3. গ) চিকুনগুনিয়া
  4. ঘ) ফাইলেরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) চিকুনগুনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিকুনগুনিয়া
ব্যাখ্যা
এডিস মশার কারণে চিকুনগুনিয়া রোগ হয়। 

- চিকুনগুনিয়া এক ধরণের ভাইরাল সংক্রমণ যেটা এডিস নামের একটি মশার কামড়ানোর ফলে হয়। 
- এই মশাটি সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। 
- চিকুনগুনিয়া সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

চিকুনগুনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ- 
১. প্লাটিলেট কমে যায়। শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও চোখ ব্যথা, চোখ থেকে পানি পড়া, অরুচি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।
২. বিভিন্ন স্থানে হামের মতো র‌্যাশ হতে পারে।
৩. গায়ে রক্ত জমে ছিটা ছিটা দাগ থাকতে পারে।

সূত্র- Centers for Disease Control and Prevention [লিঙ্ক]
২৭৯.
হেপাটাইটিস B নির্ণয়ের জন্য কোন পরীক্ষা করা হয়?
  1. কফ পরীক্ষা
  2. রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
  3. রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিবডি পরীক্ষা
  4. সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
ব্যাখ্যা
• হেপাটাইটিস বি:
- সাধারণত লিভার প্রদাহকে হেপাটাইটিস বলা হয়। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে লিভার প্রদাহ হলে তাকে ভাইরাল হেপাটাইটিস বলা হয়। 
- এটি জন্ডিসের প্রধান কারণ। 
- হেপাটাইটিস রোগের কারণ হলো হেপাটাইটিস বি ভাইরাস । 

• হেপাটাইটিস বি এর লক্ষণ:
- ক্রমশ জ্বর, মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, খাবারে অরুচি, বমি বমি ভাব, দুর্বল বোধ, পাতলা পায়খানা, হাড়ের গিঁটে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- পরবর্তীতে প্রস্রাব হলুদ হয়, চোখের সাদা অংশ এবং সমস্ত শরীর হলুদ বর্ণ দেখায়, পেটে ও পায়ে পানি জমা হতে পারে।
- আক্রান্ত ব্যক্তি সবসময় অস্বস্তি অনুভব করে। শেষ পর্যন্ত লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার হেপাটাইটিস B ও C ভাইরাসের সংক্রমণে হয়ে থাকে।

• রোগ নির্ণয়:
-  হেপাটাইটিস B নির্ণয়ের জন্য রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন (HBsAg) পরীক্ষা করতে হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২৮০.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. আর্গন
  3. নাইট্রোজেন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো নাইট্রোজেন (গ)। এটি প্রায় ৭৮% বায়ুর মধ্যে থাকে।
 
বায়ুমণ্ডল: 
- জীবন ধারণের জন্য পৃথিবীর জীবকুলের কাছে যেসব জিনিস অপরিহার্য বায়ুমণ্ডল তাদের মধ্যে অন্যতম। 
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বলে বায়ুমণ্ডল। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে বায়ুমণ্ডলও ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জড়িয়ে থেকে অনবরত আবর্তন করছে। 
- বায়ুমণ্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই, তাই একে খালি চোখে দেখা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। 
- বায়ুমণ্ডলের বিশালতা এবং এর ক্রিয়াদি সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের গবেষণা নিরন্তর চলছে। 
- বিভিন্ন উপগ্রহ ও গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের ব্যাপ্তি যত বিশাল হোক না কেন, এর প্রায় ৯৭ ভাগ উপাদানই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই মানুষ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর উপর এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি। 
- বায়ুমণ্ডল প্রধানত তিন প্রকার উপাদান দ্বারা গঠিত। যেমন- বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা ও কণিকা। 

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদান: 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন (Ar) ⇒ ০.৮০, 
• কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ⇒ ০.০৩, 
• অন্য গ্যাসসমূহ (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, ওজোন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড) ⇒ ০.০২, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কণিকা ⇒ ০.০১ । 
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুটি- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। 
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে। 
- জীবজগৎ পরস্পর অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের গ্রহণ ও ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে আছে। 
- ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৮১.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কোন অংশ বেতার তরঙ্গ প্রতিফলনের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগ সম্ভব করে?
  1. আয়নোস্ফিয়ার
  2. মেসোস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  4. ট্রপোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
আয়নোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের যে অংশ বেতার তরঙ্গ প্রতিফলনের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগ সম্ভব করে, তা হলো আয়নোস্ফিয়ার। আয়নোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের উপরের একটি স্তর, যেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে গ্যাসগুলো আয়নিত হয়ে বিদ্যুত্‌ চার্জযুক্ত কণায় পরিণত হয়। এই আয়নিত কণাগুলো রেডিও বা বেতার তরঙ্গকে প্রতিফলিত বা বাঁকিয়ে আবার পৃথিবীর দিকে ফিরিয়ে দিতে পারে। ফলে বেতার তরঙ্গ সরাসরি দৃষ্টিসীমার বাইরে গিয়েও বহু দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। এ কারণেই রেডিও সম্প্রচার, দূরপাল্লার যোগাযোগ এবং নৌ ও বিমান যোগাযোগে আয়নোস্ফিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
তাপমণ্ডল (Thermosphere): 
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার বলে।
- তাপমন্ডলের বৈশিষ্ট্য নিম্নে তুলে ধরা হলো- 
ক) তাপ বায়ুমণ্ডলের খুব হালকা এবং এখানে তাপের পরিবহনও নগণ্য। 
খ) তীব্র সৌর বিকিরনে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনী রশ্মির সংঘাতে এই অংশে বায়ু আয়নযুক্ত হয়। এই জন্য একে আয়নমণ্ডল বা আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়। 
গ) পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যে বেতার তরঙ্গ পাঠানো হয় তা এই স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে। 
ঘ) এই স্তরে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০০ সেলসিয়াসে এসে পোঁছায়। 

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- ট্রপোস্ফিয়ার: আবহাওয়া ও জলবায়ুর ঘটনাবলী ঘটে।
- স্ট্রাটোস্ফিয়ার: এখানে ওজোন স্তর থাকে, যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি শোষণ করে।
- মেসোস্ফিয়ার: উল্কাপিণ্ড পুড়ে যায় এই স্তরে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৮২.
স্টিফেন হকিং নিম্নের কোন সংস্থার পরিচালক ছিলেন?
  1. The Royal Institution of Great Britain
  2. Royal Institute for Theory and Space
  3. Centre for Theoretical Cosmology
  4. Nasa Space Research Institute
সঠিক উত্তর:
Centre for Theoretical Cosmology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Centre for Theoretical Cosmology
ব্যাখ্যা
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত Centre for Theoretical Cosmology এর পরিচালক ছিলেন। 

- He was director of research at the Centre for Theoretical Cosmology at the University of Cambridge, where he was a Lucasian professor of mathematics.

Source: britannica, www.theguardian.com
২৮৩.
General relativity বইতে মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন কে?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. নিউটন
  3. জন হুইলার
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black hole):
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অবস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না।
- তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না।
- নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)।
- ১৯৬৭ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।

উল্লেখ্য,
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন আলবার্ট আইনস্টাইন।
- ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর General relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

⇒ Black hole এর বৈশিষ্ট্য:
- এতে মহাকর্ষ এতো বেশি থাকে যে আলোও এর থেকে বের হতে পারে না।
- Black Hole ছোট বা বড় যেকোনো আকারের হতে পারে
- Black Hole দেখা যায় না।

উৎস: i) Space.com
ii) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৪.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি?
  1. ট্যাকোমিটার
  2. ওডোমিটার
  3. অডিওমিটার
  4. অ্যালটিমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

অন্যদিকে, 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২৮৫.
টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে নিচের কোনটি ব্যবহার  করা হয়?
  1. 32P
  2. 36P
  3. 39P
  4. 60CO
সঠিক উত্তর:
60CO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60CO
ব্যাখ্যা

রোগ নিরাময়ে:
- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যানসার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 131I সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়।
- এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায়।
- এ আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যানসার কোষকে ধ্বংস করে।
- এছাড়া ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্রেইন ক্যানসার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60CO ব্যবহার করা হয়।
60CO থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যানসারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় 32P এর ফসফেট ব্যবহার  করা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

২৮৬.
ফুল উৎপাদনের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. হর্টিকালচার
  2. অর্গানিক ফার্মিং
  3. সেরিকালচার
  4. ফ্লোরিকালচার
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিকালচার
ব্যাখ্যা
ফুল: 
- ফুল বা সুদৃশ্য গাছপালা উৎপাদনের জ্ঞান ফ্লোরিকালচার বা পুষ্পোদ্যান বিদ্যা নামে পরিচিত। 
- ফুল মানসিক আনন্দ দানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- কতগুলো ফুলের সৌন্দর্য মানুষ আকৃষ্ট করে। আবার কতগুলো ফুলের গন্ধ খুবই মনোমুগ্ধকর। 
- ফুল গৃহ, স্কুল কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শোভা বর্ধনের জন্য খুবই প্রয়োজন। 
- ফুল শুধু মানুষের মনতুষ্টির জন্যও নয় এর অর্থনৈতিক অবদান অপরিসীম। 
- বর্তমানে বাংলাদেশে ফুল ও সুদৃশ্য গাছ বাণিজ্যিক উৎপাদন বিশেষ ভাবে গোলাপ চোখে পড়ছে। 
- এছাড়াও বিভিন্ন সুগন্ধি প্রস্তুতি ফুলের নির্যাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 
- গোলাপ ফুলকে ফুলের রাণী বলা হয়ে থাকে। এর কোমলতা, বর্ণ, সুগন্ধ এমন কেউ নেই যাকে আকৃষ্ট করে না। সাজ সজ্জায় কাটা ফুল হিসেবে কদর রয়েছে। এছাড়া সুগন্ধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। 

গুরুত্বপূর্ণ আরো কিছু আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংডি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২৮৭.
উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন ব্যক্তিদের ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ -
  1. < 80 mmHg
  2. > 95 mmHg
  3. > 120 mmHg
  4. > 160 mmHg
সঠিক উত্তর:
> 95 mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
> 95 mmHg
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন (Hypertension) বলে। 
শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে।
 
রক্তের চাপ যদি কম থাকে তা হলে তাকে নিম্নরক্তচাপ বলে।
কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি হয় সব সময় ১৬০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি এবং 
ডায়াস্টোলিক সব সময় ৯৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলা যায়।

উত্তেজনা, চিন্তা, বিষন্নতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না এবং এ অবস্থায় কোনো ওষুধরেও প্রয়োজন হয় না।
উচ্চ রক্তচাপ বংশগত (Genetic High blood pressure) হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ ভীতির কোনো কারণ নয় তবে নিয়মিত ঔষধ সেবনে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

সুত্রঃ হৃদযন্ত্রের যত কথা, বিজ্ঞান, এসএসসি। 
২৮৮.
 কৃষ্ণগহবর হতে এমনকি আলোও বের হতে পারে না, কারণ -
  1. মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
  2. মহাকর্ষ শক্তি খুবই কম
  3. ভাসমান ধূলিকণা খুবই বেশি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black hole):
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অবস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না, তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না।
- নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)।
- ১৯৬৭ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন।

উল্লেখ্য,
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর General relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

⇒ কৃষ্ণবিবর (Black hole)- এর বৈশিষ্ট্য:
- এতে মহাকর্ষ  শক্তি এত বেশি থাকে যে আলোও এর থেকে বের হতে পারে না।
- Black Hole ছোট বা বড় যেকোনো আকারের হতে পারে।
- Black Hole দেখা যায় না।

উৎস: i) Space.com
ii) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
গ্রহাণুসমূহ কোন দুইটি গ্রহের কক্ষপথের মাঝ দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে?
  1. মঙ্গল ও শনি
  2. বুধ ও শুক্র
  3. বৃহস্পতি ও শনি
  4. মঙ্গল ও বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা
- মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মাঝ দিয়ে অতিক্ষুদ্র গ্রহের মতো কিছু বস্তু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে; তাদের গ্রহাণু বলা হয়।
- গ্রহাণু আবিষ্কারের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২০০০ গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়েছে। এদের সর্ববৃহৎটির নাম সেরেস। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২৯০.
গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার কোথায় সৃষ্টি হয়? 
  1. সূর্যের সমান্তরাল রেখায়
  2. পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে 
  3. চন্দ্রের নিকটবর্তী অংশে 
  4. চাঁদের বিপরীত পাশে 
সঠিক উত্তর:
চাঁদের বিপরীত পাশে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের বিপরীত পাশে 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। 
- ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১। মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২। গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩। ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪। মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯১.
মানব দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
  2. খ) ৩৬.৯° ফারেনহাইট
  3. গ) ৩৯.৯° ফারেনহাইট
  4. ঘ) ৯৪.৯° ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৩৬.৯° সেলসিয়াস অর্থাৎ ৯৮.৪° ফারেনহাইট।
মানবদেহের তাপমাত্রা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২৯২.
নিচের কোনটি সুনামি সৃষ্টির কারণ নয়? 
  1. হিমবাহ গলন 
  2. সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প 
  3. পানির নিচে বিস্ফোরণ 
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত 
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ গলন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ গলন 
ব্যাখ্যা

- হিমবাহ গলন সুনামির কারণ নয়। এটি মূলত ধীরগতির একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং এটি সরাসরি সুনামির মতো আকস্মিক ও বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি করে না। 

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ, জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'। 
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়, এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। 
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। 
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে। 
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। 
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৯৩.
পানির অভাবে দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে কোন রোগের সৃষ্টি করে?
  1. এসিডোসিস
  2. পারকিনসন
  3. থ্রম্বোসিন
  4. থ্যালাসেমিয়া
সঠিক উত্তর:
এসিডোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিডোসিস
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। 
- আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি। 
- আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন। 
- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। 
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেকদিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- মাছ, মাংস কিংবা শাক-সবজিতে শতকরা ৬০-৯০ ভাগ পানি থাকে। 

- গরম আবহাওয়া ও কঠোর পরিশ্রমে দেহে পানির অভাব দেখা দেয়। 
- শরীরে পানির অভাব হলে তীব্র পিপাসা হয়, রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে, ত্বক কুঁচকে যায়। 
- পানির অভাবে স্নায়ু ও পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। 
- দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়। 
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। 
- শরীরে পানির অভাব নিরসনের জন্য যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হয়। 
- শরীর থেকে যে পরমাণ পানি ও লবণ বের হয়ে যায়, খবার স্যালাইন তা পূরণ করে শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯৪.
কোন ভেরিয়েন্টে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে?
  1. ক) B.1.351
  2. খ) B.1.617.2
  3. গ) B.1.1.529
  4. ঘ) B.1.1.7
সঠিক উত্তর:
খ) B.1.617.2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) B.1.617.2
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এর অপর নাম B.1.617.2 .
- এই ভেরিয়েন্ট ভারতে প্রথম সনাক্ত হয় এবং আরো প্রায় ৬০টি দেশে এই ভেরিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 
- অন্য যে কোন ভেরিয়েন্ট এর তুলনায় এটি ছিল সবচেয়ে বেশি সংক্রামক । 
 
Alpha, B.1.1.7, first seen in the United Kingdom. Designated on Dec. 18, 2020.
Beta,  B.1.351, first seen in South Africa. Designated on Dec. 18, 2020.
Gamma, P.1, first seen in Brazil. Designated on Jan. 11, 2021.
Delta, B.1.617.2, first seen in India. Designated on May 11, 2021.
Omicron, B.1.1.529, seen in multiple countries. Designated on Nov. 26, 2021.

উৎস : cdc.gov, www.aarp.org, পত্রিকা রিপোর্ট।
২৯৫.
২১ জুন সূর্য কোন রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. মকরক্রান্তি
  2. বিষুবরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি
ব্যাখ্যা
২১ জুন:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।
- ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ঠিক উপরে লম্বভাবে ৯০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে।

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বা অক্ষাংশ বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- সূর্য উত্তরায়নের শেষ সীমাও এই দিনে সংঘটিত হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই দিনটি কর্কটক্রান্তি দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯৬.
কোনটির প্রভাবে কোনো বস্তু পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয়? 
  1. ত্বরণ
  2. বেগ
  3. অভিকর্ষ বল
  4. মহাকর্ষ বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই অভিকর্ষ বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। 
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার আকর্ষণ মূলত হচ্ছে মহাকর্ষ। 
- পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৭.
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে?
  1. ৬ মিনিট
  2. ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
  3. ৭ মিনিট ১৭ সেকেন্ড
  4. ৯ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• সূর্য:
- সূর্য একটি নক্ষত্র।
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯৮.
Covid-19 রোগের ভাইরাসের নাম কী?
  1. ক) SARS-Cov-1
  2. খ) SARS-Cov-2
  3. গ) Corona Virus
  4. ঘ) Covid-19 Virus
সঠিক উত্তর:
খ) SARS-Cov-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) SARS-Cov-2
ব্যাখ্যা
Covid-19 ভাইরাস:
- Severe Acute Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো SARS করোনা ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের কারণে ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত চীন, তাইওয়ান, কানাডা প্রভৃতি দেশে বহু লোকের মৃত্যু হয়েছিলো।
- Middle East Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো MERS করোনা ভাইরাস।
- ২০১২ সালে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকায় এই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছিলো।
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV-2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস।
- ২০১৯ সালে চীনের উহান প্রদেশে কোভিড-১৯ প্রথম সনাক্ত করা হয়েছিল।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে আসে।
- এটি অদ্যবধি বাংলাদেশসহ সমস্ত পৃথিবীতে মহামারীর তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
২৯৯.
পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একসাথে জুড়ে যে বিশাল একটি মহাদেশ ছিল তার নাম কি ছিল?
  1. ক) প্যান থালাস
  2. খ) প্যানজিয়া
  3. গ) ইউরেশিয়া
  4. ঘ) ইউরো-আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
খ) প্যানজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যানজিয়া
ব্যাখ্যা
প্লেট টেকটোনিক হচ্ছে একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বে পৃথিবীর অশ্বমণ্ডল—অর্থাৎ একে অপরের দিকে চলাচল করতে সক্ষম এমন অনমনীয় খণ্ডের সমন্বয়ে তৈরি ভূত্বক বা পৃথিবীর উপরিতলের বর্ণনা করা হয়েছে। সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগনার ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে একটি তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর এই তত্ত্বে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে ‘বহুকাল আগে সবগুলো মহাদেশ পরস্পর সংযুক্ত ছিল। একত্রে এদের প্যানজিয়া বা সুপারকন্টিনেন্ট বলা হতো। পরে কালের আবর্তে ভূত্বকীয় পাতের নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে যায়।’ 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম.
৩০০.
পলল কোণ ভূমিরূপ কোথায় গঠিত হয়?
  1. ক) নদীর অববাহিকায়
  2. খ) পাহাড়ের পাদদেশে
  3. গ) নদীর মোহনায়
  4. ঘ) দোয়াব অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
খ) পাহাড়ের পাদদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা
পার্বত্য অঞ্চল থেকে কোন নদী হঠাৎ করে সমভূমিতে পতিত হলে সেই নদীবাহিত শিলাচূর্ণ, পলিমাটি পাহাড়ের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাত পাখা আকৃতির ভূমিরূপ সৃষ্টি করে যা যথাক্রমে পলর কোণ ও পলর পাখা নামে পরিচিত।

যেসব অঞ্চলের মাটি অধিক পানি শোষণ করতে পারে সেখানে শিলাচূর্ণ বেশিদূর যেতে না পেরে পাহাড়ের পাদদেশে পলল কোণ সৃষ্টি করে। মাটির পানি শোষণ ক্ষমতা কম হলে সেক্ষেত্রে পলল পাখা ভূমিরূপ গঠিত হয়।
হিমালয়ের পাদদেশে গঙ্গার বিভিন্ন উপনদীর গতিপথে পলল কোণ ও পলল পাখা জাতীয় ভূমিরূপ দেখা যায়।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)