উত্তর
ব্যাখ্যা
এপিকালচার-মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা;
এভিকালচার-পাখিপালন বিদ্যা এবং
পিসিকালচার-মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রোণকালচার।
সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৫ / ৩৯ · ৩,৪০১–৩,৫০০ / ৩,৮৭৯
- কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো তড়িৎ বলে।
- ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
- এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে এক ধরণের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus এবং একে সংক্ষেপে HIV বলা হয়।
HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
• মঙ্গল (Mars):
- মঙ্গল গ্রহ সৌরজগতের সবচেয়ে অন্বেষণযোগ্য বস্তুগুলির মধ্যে একটি।
- প্রাচীন রোমানরা তাদের যুদ্ধের দেবতার নামানুসারে মঙ্গল গ্রহের নামকরণ করেছিল
- এটিকে প্রায়শই "লাল গ্রহ" বলা হয় কারণ মঙ্গল গ্রহের মাটিতে থাকা লোহার খনিজগুলি জারিত হয় বা মরিচা পড়ে, যার ফলে পৃষ্ঠটি লাল দেখায়।
- মঙ্গল গ্রহ সূর্যের চারদিকে প্রদক্ষিণ করার সময়, প্রতি ২৪.৬ ঘন্টা অন্তর একটি আবর্তন সম্পন্ন করে
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং আকার পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
উৎস: NASA.
প্রক্সিমা সেন্টারাই:
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র
- প্রক্সিমা সেন্টারাই সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে আলফা সেন্টারাই সিস্টেমে অবস্থিত।
- এটি একটি লাল বামন, যা নক্ষত্রের সবচেয়ে সাধারণ ধরন।
- এটি সূর্যের চেয়ে সাত গুণ ছোট।
- এর তাপমাত্রা প্রায় ৩,১০০ কেলভিন, যা সূর্যের তাপমাত্রার অর্ধেকের একটু বেশি।
- আকারে এটি বৃহস্পতি গ্রহের চেয়ে মাত্র ৫০% বড়।
- লাল বামন নক্ষত্র তাদের হাইড্রোজেন জ্বালানি খুব কার্যকরভাবে ব্যবহার করে, ফলে এদের আয়ুষ্কাল অত্যন্ত দীর্ঘ।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, প্রক্সিমা সেন্টারাই চার ট্রিলিয়নেরও বেশি বছর একই অবস্থায় থাকবে (তুলনামূলকভাবে, মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর)।
- আলফা সেন্টারাই সিস্টেমটি সেন্টরাস নক্ষত্রপুঞ্জে দেখা যায়।
- তবে প্রক্সিমা সেন্টারাই সাধারণত খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৯১৫ সালে এটি স্কটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী রবার্ট ইনেস আবিষ্কার করেন।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
- বায়ুমণ্ডলের যে অংশে গ্যাসীয় সংযুক্তি সমসত্ত্বীয়ভাবে মোটামুটি স্থির থাকে, তাকে বলা হয় হোমোস্ফিয়ার।
- ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার ও মেসোস্ফিয়ার- এ তিনটি হোমোস্ফিয়ারের অন্তর্ভুক্ত।
- হোমোস্ফিয়ারের ওপরে অর্থাৎ ৮৫ কি.মি. এর ওপরে বায়ুমণ্ডলের উপাদান গ্যাস-অণু ও আয়নের অসমসত্ত্ব মিশ্রণ দ্বারা হেটারোস্ফিয়ার গঠিত।
- হেটারোস্ফিয়ারে রয়েছে থার্মোস্ফিয়ার এবং এক্সোস্ফিয়ার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
কৃষ্ণগহব্বর থেকে আলো উদ্গীরণ হয় না।
কৃষ্ণগহব্বর বা ব্ল্যাক হোল হল মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না। ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে। যেহেতু এখান থেকে কোন আলো বেরোতে পারে না, আমরা খালি চোখে এদের দেখতে পাই না। তারা সম্পূর্ন অদৃশ্য হয়। তবে বিশেষ সরঞ্জাম সহ স্পেস টেলিস্কোপগুলি ব্ল্যাক হোলের সন্ধান করতে সহায়তা করে।
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).
সূত্র- ব্রিটানিকা ও Nasa Website [লিঙ্ক]
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার।
অন্যদিকে,
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
আরোও কিছু গূরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক যন্ত্র:
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার।
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
ধানের রোগঃ
১. বাদামি দাগ রোগ
কারণ - বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক
২. ব্লাস্ট রোগ (Blast)
কারণ - পাইরিকুলারিয়াগ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক
৩. খোল পচা রোগ (Sheath rot)
কারণ - স্যারোক্লেডিয়াম ওরাইজি (Sarocladium oryzae) নামক ছত্রাক
৪. ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ (Bacterial Blight)
জ্যানথোমোনাস অরাইজি পিভি অরাইজি (Xanthomonas oryzae pv.oryzae) এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া
৫. টুংরো (Tungro)
কারণ - রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস
৬. উফরা রোগ (ডাক পোড়া) (Ufra)
কারণ - ডাইটিলেংকাস এ্যাংগাসটাস (Ditylenchus angustus) নামক এক ধরনের কৃমি
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
- অ্যামোনিয়াম (NH4+) পদার্থটি সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে না এসে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়।
দূষক (Pollutant):
- কোনো পদার্থ পরিবেশে তার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রাচুর্য অপেক্ষা অধিক পরিমাণে উপস্থিত থেকে মনুষ্যজাতি অথবা অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে ঐ পদার্থটিকে দূষক বলা হয়।
- বায়ুতে সল্পমাত্রায় (0.1 ppm) কার্বন মনোক্সাইড (CO) থাকে, কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে 40 ppm বা তার বেশি হলে এটি দূষক হিসেবে বিবেচিত হয়।
- দূষক প্রধানত দুই প্রকার।
১। প্রাইমারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে।
যেমন-
• নাইট্রিক অক্সাইড (NO),
• নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2),
• কার্বন মনোক্সাইড (CO),
• কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2),
• সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2),
• অ্যামোনিয়া (NH3) ইত্যাদি।
২। সেকেন্ডারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে।
যেমন-
• সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3),
• নাইট্রিক এসিড (HNO3),
• নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2),
• সালফিউরিক এসিড (H2SO4),
• হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H2O2),
• অ্যামোনিয়াম (NH4+),
• ওজোন (O3) ইত্যাদি।
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং University of California এবং Energy Education.
কোয়াসার (Quasar):
- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়সার।
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু।
- একটি কোয়সারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি।
- অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি আমাদের সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো।
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান বণ্ঢ্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে।
- সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস বণ্ঢ্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে।
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু।
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি।
উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব (Big Bang Theory):
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার (George Lemaitre) প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়।
- ১৯৩১ সালে তিনি আরো প্রস্তাব করেন যে, প্রসারণশীল বিশ্বকে যদি সময়ের সাথে পিছিয়ে নেয়া হয়, তাহলে একটা বিন্দুতে উপনীত হওয়া যাবে, যেখানে মহাবিশ্বের সমস্ত ভর পুঞ্জীভূত ছিল, যাকে আদিম পরমাণু বলা যেতে পারে এবং এখান থেকেই স্থান-কালের উদ্ভব।
- তাই জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে।
- জর্জ গ্যামো মহাবিশ্বের প্রসারণ সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন যে, যেহেতু গ্যালাক্সিসমূহ পরষ্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তাই সুদুর অতীতে নিশ্চয়ই তারা পরষ্পরের খুব কাছাকাছি ছিল।
অর্থাৎ, কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব।
- বিগ ব্যাংগ বা মহাবিস্ফোরণ আমাদের পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা। সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুরু করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বিগ ব্যাংগের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে ঘটেছিল।
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাংগ বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির 'শুরু বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়, অর্থাৎ বিগ ব্যাংগের পূর্বে কিছুই ছিল না।
- মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিল একটি অপরিমেয় ক্ষুদ্র, অসীম তাপ ও অসীম ঘনত্ববিশিষ্ট শক্তির উৎস থেকে, একে বলা হয় অনন্যতা বা অদ্বৈত বিন্দু (Singularity)।
- বিগ ব্যাংগ এর ৩০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন বছরের মধ্যে মহাকর্ষের প্রভাবে হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম গ্যাসের পরমাণু সমূহ মহাবিশ্বের বিভিন্ন স্থানে আলাদাভাবে একত্রিত হতে শুর করে এবং নিজস্ব মহাকর্ষের প্রভাবে জমাট বাঁধতে থাকে এবং সংকোচিত হয়।
- ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে নিউক্লিয় বিক্রিয়া শুর হয় এবং কালক্রমে নক্ষত্র ও গ্যালাক্সিগুলোর সৃষ্টি হয়।
- স্টিফেন হকিং তত্ত্বটির আধুনিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা:
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের। অর্থাৎ রক্ত হৃদপিণ্ড, ধমনি, শিরা ও কৈশিক নালির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়ে অভ্যন্তরীণ পরিবহন সম্পন্ন করে।
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বি-চক্রীয় সংবহন অর্থাৎ সিস্টেমিক ও পালমোনারি চক্র দেখা যায়। মানবদেহে চার প্রক্রিয়ায় রক্তসংবহন সংঘটিত হয়, যথা- সিস্টেমিক, পালমোনারি, পোর্টাল এবং করোনারি।
- যে সংবহনে রক্ত হৃদপিণ্ডের ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে পৌছায় এবং ফুসফুস থেকে বাম অলিন্দে ফিরে আসে, তাকে পালমোনারি বা ফুসফুসীয় সংবহন বলে। পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় ফুসফুসীয় ধমনি থেকে আর শেষ হয় পালমোনারি শিরার মাধ্যমে বাম অলিন্দে ফেরত আসার মাধ্যমে।
- মেরুদণ্ডী প্রাণীতে সাধারণত যকৃত এবং বৃক্কীয়- এ দুধরনের পোর্টাল সংবহন দেখা যায়। তবে রেনাল পোর্টাল সংবহন মানুষসহ বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীতে অনুপস্থিত।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ১৮১৫ সালে বিজ্ঞানী বার্জেলিয়াস প্রস্তাব করেন যে, জৈব যৌগসমূহ কেবল সজীব উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে এক রহস্যময় প্রাণশক্তির প্রভাবে উৎপন্ন হয়ে থাকে। তাই একে পরীক্ষাগারে উৎপন্ন করা সম্ভব নয়। একে প্রাণশক্তি মতবাদ বলা হয়। তখন সব বিজ্ঞানী এ মতবাদ গ্রহণ করেন।
- ১৮২৮ সালে বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলার পরীক্ষাগারে অজৈব অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড লেড সায়ানেট দ্রবণের বিক্রিয়া ঘটিয়ে আকস্মিকভাবে পরীক্ষাগারে ইউরিয়া প্রস্তুত করেন।
- ইউরিয়া হলো প্রথম জৈব যৌগ যা পরীক্ষাগারে উৎপাদন করা সম্ভব হয়। এজন্য বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
AIDS রোগের সংক্রমণ করে থাকে এক ধরণের ভাইরাস, যার নাম Human Immunodeficiency Virus এবং একে সংক্ষেপে HIV বলা হয়।
সমাজভুক্ত যেকোন ব্যক্তিই HIV সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
তবে যুবসমাজ, অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমণের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
উৎসঃ ইউনাইটেড নেশনস অফিস অন ড্রাগস এন্ড ক্রাইম এবং বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ:
- শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার শনাক্ত করতে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- রক্তের লিউকেমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট যৌগ ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড়ের বৃদ্ধি সংক্রান্ত সমস্যা নির্ণয় এবং ব্যথার কারণ চিহ্নিত করতে টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- মস্তিষ্কের ক্যান্সার চিকিৎসায় ইরিডিয়াম আইসোটোপ প্রয়োগ করা হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
টরিসেলির পরীক্ষা:
- বিজ্ঞানী টরিসেলি ১৬৪৩ সালে পারদ ব্যবহার করে বাতাসের চাপের পরীক্ষাটি করেছিলেন।
- তিনি অবশ্য মুখ দিয়ে পারদকে একটি নল বেয়ে টেনে তোলার চেষ্টা করেননি, তিনি এক মুখ বন্ধ একটা নলের ভেতর পারদ ভরে, নলটি পারদ ভরা একটা পাত্রে উল্টো করে রেখেছিলেন।
- পারদের উচ্চতা নামতে নামতে ঠিক 76 cm এসে থেমে গেল।
- চুমুক দিয়ে খাওয়ার সময় মুখের ভেতরে যে শূন্যতা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়, কাচের নলের উপরে ঠিক সেই শূন্যতা তৈরি হয়।
- বাতাস পারদের উপরে চাপ দেয় এবং সেই চাপ তরলের সব জায়গায় সঞ্চালিত হয়ে নলের নিচেও আসে। নলের উপরে কোনো ফুটো নেই, তাই সেদিক দিয়ে বাতাস চাপ দিতে পারছে না। কাজেই সমতা আনার জন্য নলের নিচে এক মাত্র চাপ হচ্ছে 76 cm উচু পারদ স্তম্ভের ওজনের কারণে তৈরি হওয়া চাপ।
- বাতাসের চাপ মাপার যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার এবং টরিসেলির এই পদ্ধতি দিয়ে তৈরি ব্যারোমিটারে এখনো বাতাসের চাপ মাপা হয়।
- বাতাসের চাপ বাড়লে পারদের উচ্চতা 76 cm থেকে বেশি হয়, চাপ কমলে উচ্চতা 76 cm থেকে কমে যায়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ।
- বৃক্কে প্রদাহ হলো গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস।
- ফুসফুসের সংক্রমণ হলো নিউমোনিয়া।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ওজোন গ্যাসের পরিমাণ বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে কম (খুব সামান্য পরিমাণে থাকে) এবং এর পরিমাণ প্রায় ০.০০০১% ।
বায়ুমণ্ডল:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল।
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত।
- বায়ুমণ্ডলের উপাদানের নাম ও শতকরা পরিমাণ নিম্নে দেওয়া হলো-
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২,
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১,
• আর্গন ⇒ o.৮০,
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩,
• ওজোন ⇒ ০.০০০১,
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯,
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- আলফা রশ্মিকে একটা কাগজের পৃষ্ঠা দিয়ে থামানো যায়।
- বিটা রশ্মিকে ৩ - ৫ মিমি আলুমিনিয়াম দিয়ে থামানো যায়।
- গামা রশ্মিকে ৩ - ৫ সেমি সিসা দিয়ে থামানো যায়।
তথ্যসূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৩৫৯
◉ থার্মোস্ফিয়ারের একটি বিশেষ অংশ হলো আয়নমণ্ডল (Ionosphere), যেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি এবং মহাজাগতিক রশ্মির প্রভাবে বাতাসের গ্যাসগুলো আয়নিত হয়। এই আয়নিত স্তর বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত করে, ফলে বেতার যোগাযোগ (যেমন AM রেডিও, শর্টওয়েভ যোগাযোগ) সম্ভব হয়।
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে সাধারণত কয়েকটি স্তরে ভাগ করা হয়: ট্রপোস্ফিয়ার, স্ট্রাটোস্ফিয়ার, মেসোস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার এবং এক্সোস্ফিয়ার।
তাপমণ্ডল (Thermosphere):
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার বলে।
- তাপমন্ডলের বৈশিষ্ট্য নিম্নে তুলে ধরা হলো-
ক) তাপ বায়ুমণ্ডলের খুব হালকা এবং এখানে তাপের পরিবহনও নগণ্য।
খ) তীব্র সৌর বিকিরনে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনী রশ্মির সংঘাতে এই অংশে বায়ু আয়নযুক্ত হয়। এই জন্য একে আয়নমণ্ডল বা আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়।
গ) পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যে বেতার তরঙ্গ পাঠানো হয় তা এই স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে।
ঘ) এই স্তরে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০০ সেলসিয়াসে এসে পোঁছায়।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ট্রপোস্ফিয়ার: আবহাওয়া ও জলবায়ুর ঘটনাবলী ঘটে।
স্ট্রাটোস্ফিয়ার: এখানে ওজোন স্তর থাকে, যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি শোষণ করে।
মেসোস্ফিয়ার: উল্কাপিণ্ড পুড়ে যায় এই স্তরে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
• দক্ষিণ গোলার্ধে ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্য দিয়ে পশ্চিমা বায়ু কোনো বাধা ছাড়াই উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড বেগে প্রবাহিত হয়। এই বায়ুর তীব্র আওয়াজের কারণেই একে 'গর্জনশীল চল্লিশ' বলা হয়।
• পশ্চিমা বায়ু:
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়।
- ৩০° অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেঁষে মেরুর দিকে ৬০° অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়।
- এসময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল।
- আবার দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয় এবং এ কারণেই এই বায়ুপ্রবাহের ধরণকে তখন বলা হয় প্রবল পশ্চিমা বায়ু।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সব থেকে বেশি বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)।
- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের মত ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০° থেকে ৫০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে দুটি ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থান রয়েছে।
- বায়ু নিম্নদিকে প্রবাহিত হয় বলেই এই অঞ্চলে আনুভূমিক বায়ু অনুভব করা যায় না।
- প্রাচীনকালে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজ প্রবাহিত হবার সময় ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করে নিয়ে যেত।
- কিন্তু এই অঞ্চলের বায়ু প্রবাহের জন্য বাতাসের গতি যখন মন্থর হয়ে যেতো নাবিকরা তখন খাদ্য ও পানীয় জলের অনেক অভাবে তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিতো। এ জন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলে।
- উত্তর গোলার্ধে ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলটিতে শীতকালেও পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এক্স-রে (X-ray):
- ১৮৯৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী উইলিয়াম রঞ্জন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আকস্মিকভাবে এক্সরে আবিষ্কার করেন।
- পরীক্ষার সময় তিনি দেখেন, ক্ষরণ নলে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হলে এক ধরনের অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হয়, যা বেরিয়াম প্ল্যাটিনোসায়ানাইড প্রলেপযুক্ত পাতে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। এই রশ্মির প্রকৃতি অজানা থাকায় তিনি একে "এক্সরে" নামে অভিহিত করেন, যা পরবর্তীতে রঞ্জন রশ্মি নামে পরিচিত হয়।
- গবেষণার মাধ্যমে তিনি দেখান যে, উচ্চগতিসম্পন্ন ইলেকট্রন ধাতুর প্রতিবন্ধকে আঘাত করলে তার গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়।
এক্সরের প্রকারভেদ:
- এক্সরে দুই প্রকার।
যথা-
১। কোমল এক্সরে:
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক কম বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্সরে বলে।
- কোমল এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বড়, ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক কম।
২। কঠিন এক্সরে:
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক বেশি বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কঠিন এক্সরে বলে।
- কঠিন এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ছোট ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক বেশি।
এক্সরের ধর্ম:
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে।
৬ । আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
- এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসন কণাকে ঈশ্বর কণা (God's Particle) বলা হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- অয়ন বায়ু (বাণিজ্য বায়ু নামেও পরিচিত) পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলে পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়। উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়, তবে মূল গতিপথ পূর্ব থেকে পশ্চিমমুখী।
বায়ুপ্রবাহ:
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব।
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান শ্রোতগুলো প্রবাহিত হয়।
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল।
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়।
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ।
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়-
• নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়।
• পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Saturn has 82 moons.
Fifty-three moons are confirmed and named and another 29 moons are awaiting confirmation of discovery and official naming.
Saturn's moonsrange in size from larger than the planet Mercury — the giant moon Titan — to as small as a sports arena.
- নাসার (NASA) পাঠানো মেরিনার-১০ (Mariner-10) মহাকাশযানটিই প্রথম বুধ গ্রহের কাছ থেকে ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল। ১৯৭৪ সালের ২৯শে মার্চ এটি বুধের প্রথম ঘনিষ্ঠ ছবি তোলে।
বুধ (Mercury):
- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার এবং এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
সুতরাং, বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি, সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।
- ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবং এবড়ো-থেবড়ো। এখানে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি আছে।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।
উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি এবং নাসা ওয়েবসাইট।
MRI এর পূর্ণরূপ - Magnetic resonance imaging.
- এম আর আই দেখতে সিটি স্ক্যান যন্ত্রের মত।
- এম আর আই এ তেজস্ক্রিয় ঝুঁকি থাকে না।
- এম আর আই এ সিটি স্ক্যান এর তুলনায় সময় বেশি লাগে।
[তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৩০২।]
• Bacillus subtilis ব্যাকটেরিয়া থেকে সাবটিলিন প্রস্তুত করা হয়।
• চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া:
- অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুতকরণ:
-ব্যাকটেরিয়া থেকে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করা হয়।
- যেমন— Bacillus subtilis থেকে সাবটিলিন এবং Bacillus polymyxa থেকে পলিমিক্সিন প্রস্তুত করা হয়।
-টিকা (Vaccine) প্রস্তুতকরণ:
- ব্যাকটেরিয়া থেকে কলেরা, টাইফয়েড ও যক্ষ্মা রোগের টিকা প্রস্তুত করা হয়।
- ডি.পি.টি. (DPT) টিকা:
- ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কার রোগের প্রতিরোধে ব্যাকটেরিয়া থেকে টিকা প্রস্তুত করা হয়।
- যেমন— Corynebacterium diphtheriae (D), Bordetella pertussis (P) এবং Clostridium tetani (T)।
- এই তিনটি রোগের সম্মিলিত টিকাকে DPT টিকা বলা হয়।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ব্ল্যাক হোলের অভ্যন্তরকে সিঙ্গুলারিটি বলা হয়, যেখানে পদার্থ একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র আয়তনে সংকুচিত হয়ে যায় এবং ঘনত্ব অসীমের দিকে ধাবিত হয়। এখানে প্রচলিত পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম কাজ করা বন্ধ করে দেয়, কারণ মহাকর্ষ এতই শক্তিশালী যে আলোও পালাতে পারে না।
- তাই বৈজ্ঞানিকভাবে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর হলো- খ) আয়তন প্রায় শূন্য, ঘনত্ব প্রায় অসীম।
কৃষ্ণবিবর (Black hole):
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। এই সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না, নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)।
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।