বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৪ / ৩৯ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ৩,৮৭৯

৩,৩০১.
আলোর কণা তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
  1. ক) হাইগেন
  2. খ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
গ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউটন
ব্যাখ্যা

- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩০২.
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় -
  1. ক) ৫ মে, ১৯৯৪
  2. খ) ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
  3. গ) ৫ মে, ১৯৯৫
  4. ঘ) ৭ মে, ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ মে, ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ মে, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
৩,৩০৩.
যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে-
  1. ক) ৭৫ ডিবি
  2. খ) ৯০ ডিবি
  3. গ) ১০৫ ডিবি
  4. ঘ) ১২০ ডিবি
সঠিক উত্তর:
গ) ১০৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
When listening to a personal music system with stock earphones at a maximum volume, the sound generated can reach a level of over 100 dBA, loud enough to begin causing permanent damage after just 15 minutes per day!A clap of thunder from a nearby storm (120 dB) or a gunshot (140-190 dB, depending on weapon), can both cause immediate damage. http://dangerousdecibels.org


শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (ডিবি)।
শব্দের মাত্রা ৪৫ ডিবি হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতানুসারে, সাধারণত ৬০ ডিবি শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে বধির করে ফেলতে পারে এবং ১০০ ডিবি শব্দ সম্পূর্ণ বধিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, যেকোন ব্যক্তি যেকোন স্থানে আধঘণ্টা বা তার অধিক সময় ধরে ঘটা ১০০ ডিবি বা তার অধিক শব্দ দূষণের ফলে বধির হয়ে যেতে পারে

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৩,৩০৪.
চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে কী বলে? 
  1. ভরা জোয়ার 
  2. প্রত্যক্ষ জোয়ার 
  3. গৌণ জোয়ার 
  4. মুখ্য জোয়ার 
সঠিক উত্তর:
গৌণ জোয়ার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌণ জোয়ার 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার-ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
​যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩০৫.
আলফা কণার আয়নিত করার ক্ষমতা বিটা কণার চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. প্রায় 10 গুণ
  2. প্রায় 100 গুণ
  3. প্রায় 1000 গুণ
  4. প্রায় 10000 গুণ
সঠিক উত্তর:
প্রায় 100 গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় 100 গুণ
ব্যাখ্যা
আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। এর শক্তি 1 MeV বা 1.6 x 10-13 J হতে 9 MeV বা 1.44 x 10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। আলফা কণার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশী। β -কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ -কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশী। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩০৬.
কোনটি বায়ুমন্ডলে উত্তম তাপ শোষক হিসাবে কাজ করে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. জলীয় বাষ্প
  3. অক্সিজেন
  4. ধূলিকণা
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্প
ব্যাখ্যা

সূর্য তাপ বিকিরণ করে, তাই একে আমরা বিকিরক বলতে পারি। পৃথিবী সূর্যের তাপ শোষণ করে উত্তপ্ত হয়।
পৃথিবীকে আমরা শোষক বলতে পারি। কিন্তু পৃথিবী একইসাথে বিকিরক। রাতের বেলায় উত্তপ্ত পৃথিবী তাপ বিকিরণ করে শীতল হয়। বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, মিথেন- এসব গ্যাস বিকিরিত তাপের শোষক হিসাবে কাজ করে আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করছে৷
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, সপ্তম শ্রেণী

৩,৩০৭.
সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত স্থলভাগের আংশিক ঢালু অংশকে কী বলা হয়?
  1. মহীসোপান
  2. মহীঢাল
  3. মালভূমি
  4. নিমজ্জিত শৈলশিরা
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
ব্যাখ্যা
• স্থলভাগের যে অংশ আংশিক ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হয় তাকে মহীসোপান বলা হয়। 

• ভূপৃষ্ঠের উপরের ভূমিরূপ যেমন উঁচুনিচু তেমনি সমুদ্র তলদেশও অসমান।
- কারণ সমুদ্রতলে আগ্নেয়গিরি, শৈলশিরা, উচ্চভূমি ও গভীর খাত প্রভৃতি বিদ্যমান আছে।

• সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা-
- মহীসোপান (Continental shelf), 
- মহীঢাল (Continental slope), 
- গভীর সমুদ্রের সমভূমি (Deep sea plains), 
- নিমজ্জিত শৈলশিরা (Oceanic ridges), 
- গভীর সমুদ্রখাত (Oceanic trench)। 

• মহীসোপান:
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে। এরূপে সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার।
- এটি ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৩,৩০৮.
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল কোনটি?
  1. ক) মহাকর্ষ
  2. খ) তড়িৎ চৌম্বকীয়
  3. গ) সবল নিউক্লিয়
  4. ঘ) দুর্বল নিউক্লিয়
সঠিক উত্তর:
গ) সবল নিউক্লিয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবল নিউক্লিয়
ব্যাখ্যা
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল সবল নিউক্লিয় বল যা তড়িৎ চুম্বকীয় বলের তুলনায়ও একশো গুণ বেশি শক্তিশালী।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,৩০৯.
সিএফসির ফলে কোন ধরনের ক্ষতি হয়?
  1. বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  2. এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  3. ওজোন স্তর ধ্বংস করে
  4. রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
- সিএফসি ওজোন স্তর ধ্বংস করে। 

সিএফসি: 
- CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন। 
- মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়। 
- গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন। 

সিএফসি'র ক্ষতিকর দিকসমূহ: 
১. প্রাণীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। 
২. ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি এবং বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি। 
৩. খাদ্যশস্যের ক্ষতি করে এবং উৎপাদন কমিয়ে দেয়। 
৪. কৃষিক্ষেত্রে পোকামাকড়ের আক্রমণ বৃদ্ধি করে। 
৫. খাদ্য উৎপাদনকারী শৈবাল ও প্লাঙ্ককটন ধ্বংস করে। 

CFC এর ব্যবহারের দিকসমূহ: 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়। 
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়। 
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: American Chemical Society [লিঙ্ক]
৩,৩১০.
সুনামির শক্তি কিভাবে কমে যায়?
  1. সমুদ্রের কেন্দ্রে পৌঁছালে
  2. বাতাসের সঙ্গে সংযোগে
  3. গভীর পানিতে যাওয়ার সময়
  4. অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় 
সঠিক উত্তর:
অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় 
ব্যাখ্যা

- সুনামি যখন গভীর সমুদ্র থেকে উপকূলের কাছাকাছি অগভীর পানিতে প্রবেশ করে, তখন এর গতিবেগ কমে যায়, কিন্তু মোট শক্তি প্রায় স্থির থাকে। শক্তির এই রূপান্তরের কারণে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে যায় এবং তরঙ্গের উচ্চতা বহুগুণ বেড়ে যায়, যা উপকূলে বিধ্বংসী রূপ নেয়। 

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায় অর্থাৎ কমে। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩১১.
কোনটির অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়?
  1. ভিটামিন B1
  2. ভিটামিন B12
  3. ভিটামিন B2
  4. ভিটামিন B3
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন B3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন B3
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন B কমপ্লেক্স: 

• থায়ামিন (B1)- দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
• রাইবোফ্ল্যাভিন (B2)- এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
• নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়।
• এই রোগের উপসর্গগুলি হল স্মৃতিভ্রংশ (ডিমেনশিয়া), উদরাময় এবং চর্মরোগ বা ডার্মাটাইটিস। 
• পিরিডক্সিন (B6) এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।।
• ফলিক এসিড (B9) এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দিতে পারে। এছাড়া এর অভাবে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত হয়।
• কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (B12) এর অভাবে রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) রোগ দেখা দেয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
৩,৩১২.
CFC কি ক্ষতি করে?
  1. রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে।
  2. ওজন স্তর ধ্বংস করে।
  3. এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়।
  4. বায়ুর তাপ কমিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর:
ওজন স্তর ধ্বংস করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজন স্তর ধ্বংস করে।
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন গ্রীন হাউজ গ্যাসগুলির মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড অন্যতম। এ ছাড়া আছে মিথেন, সিএফসি(CFC), নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি।
মানুষ তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশন, এ্যারোসল ব্যবহার করে থাকে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এ সমস্ত যন্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।
এ সমস্ত যন্ত্র থেকে CFC (ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন) গ্যাস নির্গত হয়, যা বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংসের সহায়ক।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৩.
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে বলে -
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) অবলোহিত রশ্মি
  3. গ) মহাজাগতিক রশ্মি
  4. ঘ) অতি বেগুনী রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে মহাজগতিক রশ্মি বলে। বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৩১৪.
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাস্তর কোনটি?
  1. ক) সিলিয়া
  2. খ) নিউট্রোফিল
  3. গ) লালারস
  4. ঘ) লিম্ফোসাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা

মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাস্তর লিম্ফোসাইট। ত্বক, মিউকাস মেমব্রেন, সিলিয়া, লালারস, পাকস্থলী রস, অশ্রু, মূত্র প্রবাহ, নিউট্রোফিল ইত্যাদি প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তর।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,৩১৫.
রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো-
  1. ক) Uranium-235
  2. খ) Uranium-238
  3. গ) Uranium-233
  4. ঘ) Plutonium-239
সঠিক উত্তর:
ক) Uranium-235
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Uranium-235
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম - ২৩৫।

সূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৩,৩১৬.
রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক কে?
  1. ক) এডিসন
  2. খ) স্টিফেনসন
  3. গ) জেমস ওয়াট
  4. ঘ) মোর্স
সঠিক উত্তর:
খ) স্টিফেনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্টিফেনসন
ব্যাখ্যা

রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- স্টিফেনসন।
বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- জেমস ওয়াট।
ফনোগ্রাফ ও বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক- টমাস আলভা এডিসন।
টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক- স্যামুয়েল মোর্স।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।

৩,৩১৭.
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কোনটি?
  1. ক) ব্যারোমিটার
  2. খ) সেক্সট্যান্ট
  3. গ) সিসমোমিটার
  4. ঘ) ম্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) সিসমোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিসমোমিটার
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময় অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
- সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ-এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার
- ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৮.
সূর্যমূখীর ভাল ফলনের জন্য প্রতি হেক্টর জমিতে সার প্রয়োগ করতে হবে -
  1. ১৮০-২০০ কেজি ইউরিয়া
  2. ১২০-১৫০ কেজি জিপসাম
  3. ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট
  4. ক, খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
সূর্যমূখী চাষ:
- সূর্যমুখী ইংরেজি নাম Sunflower এবং আলো নিরপেক্ষ ফসল হওয়ায় এটা সারা বছর ধরে চাষ করা যায়।
- গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে হালকা বৃষ্টিপাত হলে ভালো ফলন হয়।
- চাষের জন্য দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি অত্যন্ত উপযোগী।
- কিসো ও বারি সূর্যমুখী ২ জাত উল্লেখযোগ্য।
- প্রতি হেক্টর জমিতে চাষ ৮-১০ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়।
- ফলন ১.৫-১.৮ টন/হেক্টর।
- এটা তেল ও ফুল উৎপাদনকারী ফসল হিসেবে চাষ হয়ে থাকে।
- এর বীজে ৪৫-৫০% ভোজ্য তেল থাকে।
- এর তেল সরিষার তেলের চেয়ে অনেক ভালো।

⇒ সার প্রয়োগ:
- সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করলে সূর্যমূখীর ফলন ভালো হয়।
- প্রতি হেক্টর জমিতে ১৮০-২০০ কেজি ইউরিয়া, ১৬০-১৮কেজি টিএসপি, ১২০-১৫০ কেজি এমওপি, ১২০-১৫০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট, ১০-১২ কেজি বরিক এসিড ও ৮০-১০০ কেজি ম্যানেসিয়াম সালফেট প্রয়োগ করতে হয়।
- ইউরিয়া সারের অর্ধেকসহ বাকী সব সার জমি তৈরির শেষ চাষের সময় ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
- বাকী অর্ধেক ইউরিয়া দু'ভাগ করে ১ম ভাগ চারা গাজনোর ২০-২৫ দিন পর এবং ২য় ভাগ ৪০-৪৫ দিন পর বা ফুল আসার আগে প্রয়োগ করতে হয়।
- প্রতিবার সেচের পর ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারলে সারের সঠিক ব্যবহার হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৯.
কসমিক রে প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. ইলেক্ট্রন
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রন
  4. ফোটন
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
ব্যাখ্যা

◉ মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic Rays) মূলত মহাকাশ থেকে আসা উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন কণার ধারা। এদের মধ্যে প্রায় ৮৯% প্রোটন থাকে। 

​মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- মহাজাগতিক রশ্মি হচ্ছে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার স্রোত। বহির্বিশ্ব থেকে এসব কণা এসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে।
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- মহাজাগতিক রশ্মিতে থাকে ৮৯ ভাগ প্রোটন, ৯ ভাগ নিউট্রন এবং ২ ভাগ কার্বন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও লোহার ভারী নিউক্লিয়াস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।

৩,৩২০.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে? 
  1. তাপমণ্ডল
  2. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. এক্সোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
মেসোমণ্ডল (Mesosphere): 
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে মেসোমণ্ডল বলে।
- এই স্তরের উপরে তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়া থেমে যায়, এই স্তরকে মেসোবিরতি (Mesopause) বলে। 

মেসোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- এই স্তরে ট্রপোমণ্ডলের মতোই উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে, যা - ৮৩° সেলসিয়াস পর্যন্ত নিচে নেমে যায়। 
মেসোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে। 
- মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এই স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়। 

তাপমণ্ডল (Thermosphere): 
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমণ্ডল বলে। 
- এই মণ্ডলে বায়ুস্তর অত্যন্ত হালকা ও চাপ ক্ষীণ। তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল (Ionosphere) বলে। 

তাপমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- এই স্তরে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০° সেলসিয়াসে পৌঁছায়। 
- তাপমণ্ডলের উপরের স্তরে তাপমাত্রার পরিমাণ প্রায় স্থির থাকে। 
- তীব্র সৌর বিকিরণে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনি রশ্মির সংঘাতে এই অংশের বায়ু আয়নযুক্ত হয়। 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বিভিন্ন বেতার তরঙ্গ আয়নমণ্ডলের বিভিন্ন আয়নে বাধা পেয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩২১.
ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরীকৃত বোমার নাম কী?
  1. হাইড্রোজেন বোমা
  2. পারমানবিক বোমা
  3. এটম বোমা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন বোমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন বোমা
ব্যাখ্যা
• ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরীকৃত বোমার নাম হলো হাইড্রোজেন বোমা বা থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা ।

• ফিউশন:

- ফিউশন হলো এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া, যেখানে দুইটি হালকা পরমাণু (যেমন ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম) একত্রিত হয়ে একটি ভারী পরমাণু (যেমন হেলিয়াম) তৈরি করে।
- এই একত্রিত হওয়ার সময় প্রচুর শক্তি মুক্তি পায়।
- এই নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয় যা পারমাণবিক (fission) বোমার থেকেও অনেক গুণ বেশি।

অন্যদিকে,
- 'পারমানবিক বোমা' তৈরী হয় নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৩২২.
জীববিজ্ঞানের কোন বিষয়ে রেশম পোকা পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. অরনিথোলজি
  2. এপিকালচার
  3. সেরিকালচার
  4. সিল্ক ওয়ার্ম স্টাডি
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
ব্যাখ্যা

- রেশম পোকা পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয় জীববিজ্ঞানের সেরিকালচার শাখায়।
- - রেশম পোকার ইংরেজি হলো সিল্ক ওয়ার্ম। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয় জীববিজ্ঞানের এপিকালচার শাখায়।
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় পাখি বিষয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে অরনিথোলজি বলা হয়।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি 

৩,৩২৩.
একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস যা ডিসিকে বাধা দেয় কিন্তু এসিকে অনুমতি দেয় তাকে বলা হয় -
  1. ক) রেক্টিফায়ার
  2. খ) ইন্ডাক্টর
  3. গ) ক্যাপাসিটর
  4. ঘ) ট্রান্সডিউসার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপাসিটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপাসিটর
ব্যাখ্যা
ক্যাপাসিটর একটি ইলাস্টিক পর্দার মত কাজ করে, যেখানে DC current বাধাপ্রাপ্ত হয় কিন্তুAC current চলাচল করতে পারে।
DC বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণ এটার কোনো ফ্রিকোয়েন্সি নেই কিন্তু AC current-এর ফ্রিকোয়েন্সি আছে।
Source: researchgate
৩,৩২৪.
পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান কত?
  1. ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  2. ৮ ঘন্টা ৪৮ মিনিট
  3. ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট
  4. ৭ ঘন্টা ৩৪ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাটার চক্র মূলত চাঁদ ও সূর্যের গৃহীত আকর্ষণ শক্তির কারণে ঘটে। সাধারণত, একদিনে দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা ঘটে। পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায় ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট। এই সময়ের মধ্যে সমুদ্রের পানি একবার বৃদ্ধি পায় এবং পরে আবার কমে যায়। এই ব্যবধান পৃথিবীর ঘূর্ণনের সঙ্গে সম্পর্কিত, কারণ চাঁদের অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে এই সময়ের পরিমাণ কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।
- তাই, পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হল গ) ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট।


জোয়ার ভাঁটা:

- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না।

জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- জোয়ার ভাঁটা সম্পর্কে প্রাচীনকালে মানুষ নানা রকম অবাস্তুব কল্পনা করত।
- কিন্তু বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে, চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়।
- জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২৫.
জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের জন্য কোন গ্যাস দায়ী?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা

গ্রীনহাউজ গ্যাস (CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) বৃদ্ধি পাবার ফলে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যায় যাকে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলা হয়। গ্রীন হাউজ ইফেক্টের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল। এছাড়া সমুদ্রের উচ্চতা বেড়ে যাবে, ঝড় ও জ্বলোচ্ছ্বাস এর তীব্রতা বেড়ে যাবে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে। সামগ্রিকভাবে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 
৩,৩২৬.
হিগস্‌ বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

 • হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
কণাটি ২০১২ সালের ৪ জুলাই আবিষ্কৃত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

• হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Space.com website.

৩,৩২৭.
তেজ কটাল কখন সংঘটিত হয়?
  1. ক) সপ্তমী তিথিতে
  2. খ) অমাবস্যায়
  3. গ) পূর্ণিমায়
  4. ঘ) খ + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ + গ
ব্যাখ্যা
- অমাবস্যা তিথিতে সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর দুইপাশে একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- যার কারণে অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণে প্রবল জোয়ার সংঘটিত হয় যা ভরা কটাল বা তেজ কটাল নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল)
৩,৩২৮.
আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম কী?
  1. শুক্র গ্রহ
  2. সপ্তর্ষি
  3. লুব্ধক
  4. ধ্রুবতারা
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
ব্যাখ্যা

নক্ষত্র বা তারা (Stars):  
- যেসব জ্যোতিষ্ক জ্বালানির মাধ্যমে নিজস্ব আলো তৈরি করে এবং নিজস্ব উত্তাপ আছে তাদের নক্ষত্র বা তারা (Stars) বলে।
- মহাবিশ্বের সৃষ্টিলগ্নে কোনো নক্ষত্র ছিল না, ছিল বিশাল ধূলিকণা ও গ্যাসের পিন্ড।
- এর মধ্যে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম থেকে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ায় তাপ ও আলো নির্গতকারী নক্ষত্রের জন্ম হয়।
- আলোর তীব্রতা অনুসারে মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোকে তিন বর্ণে ভাগ করা হয়েছে- লাল (এরা বৃহৎ), হলুদ (মাঝারি) ও নীল (ছোট)।
- নক্ষত্রের দূরত্ব মাপার একক- আলোক বর্ষ এবং জ্যামিতিক ভিত্তিতে মহাবিশ্বের দূরত্ব মাপার একক- পারসেক।
- আলো ৩ লক্ষ কিলোমিটার/সেকেন্ড বেগে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে আলোক বর্ষ (Light year) বলে। ১ পারসেক = ৩.২৬ আলোক বর্ষ।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র; অন্যদিকে সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা বা আলফা সেন্টোরাই।
- আলফা সেন্টোরাই পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকটতম নক্ষত্র পৃথিবী থেকে যার দূরত্ব ৪.২ আলোক বর্ষ।
- আকাশের উজ্জলতম নক্ষত্রের নাম লুব্ধক বা সিরিয়াস (Sirius) যা একটি যুগলতারা। 
- মেঘমুক্ত রাতের আকাশে তাকালে কিছু নক্ষত্র একত্রে জোটবদ্ধ হয়ে আছে বলে মনে হয় যাদেরকে নক্ষত্র মণ্ডলী (Constellation) বলে।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং NASA Science - Universe Glossary.

৩,৩২৯.
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে?
  1. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  2. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  3. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  4. সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।

- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়।
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।

• কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে:
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া।
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩. অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
৩,৩৩০.
'সেরিকালচার' বলতে কী বুঝায়? 
  1. রেশম চাষ 
  2. পাখি পালন 
  3. মৎস্য চাষ 
  4. মৌমাছি চাষ 
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ 
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৩৩১.
'Mercury' কোন গ্রহের নাম?
  1. ক) বুধ
  2. খ) মঙ্গল
  3. গ) শুক্র
  4. ঘ) বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
ক) বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বুধ
ব্যাখ্যা
Mercury হলো বুধ গ্রহ। 
Venus হলো শুক্র গ্রহ। 
Jupiter হলো বৃহস্পতি গ্রহ।
Mars হলো মঙ্গল গ্রহ।
 
৩,৩৩২.
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
  1. ২৮.০৫ ডিগ্রি
  2. ২৬.০১ ডিগ্রি
  3. ২৭.৫ ডিগ্রি
  4. ২৫.০২ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
২৬.০১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬.০১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সবচেয়ে উষ্ণতম মাস এপ্রিলের গড় তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সবচেয়ে শীতল তম মাস জানুয়ারির গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০৩ সে.মি.।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩৩৩.
ইনসুলিন হচ্ছে একটি -
  1. ক) নিউক্লিক এসিড
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) অ্যামাইনো এসিড
  4. ঘ) গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন হচ্ছে এক ধরনের হরমোন যা অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত হয়।
- ইনসুলিন মূলত অ্যামিনাে অ্যাসিড নিয়ে গঠিত একটি সরল প্রােটিন।
- রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে, অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন নির্গমন বৃদ্ধি করে দেয়।
- ইনসুলিন অনুতে ৪৮/৫১টি এমাইনো এসিড থাকে।

"A peptide is a short chain of amino acids. The amino acids in a peptide are connected to one another in a sequence by bonds called peptide bonds. Typically, peptides are distinguished from proteins by their shorter length, although the cut-off number of amino acids for defining a peptide and protein can be arbitrary."
Source: Nature.com

তাই প্রশ্নের ধরন অনুসারে,
সঠিক উত্তর - খ) প্রোটিন।
তবে, যদি অপশনে প্রোটিন না থাকে তাহলে "অ্যামাইনো এসিড" উত্তর হবে।

৩,৩৩৪.
আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম কী?
  1. লুব্ধক
  2. ধ্রুবতারা
  3. শুক্র গ্রহ
  4. সপ্তর্ষি
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
ব্যাখ্যা

লুব্ধক:
- আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র লুব্ধক ।
- লুব্ধক পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা।
- লুব্ধক এত উজ্জ্বল দুটি কারণে- এর স্বকীয় উজ্জ্বলতা এবং এর অবস্থান পৃথিবীর খুবই নিকটে।
- এটি একটি জোড়া বা যুগ্মতারা।
- লুব্ধক বলতে মূলত 'সিরিয়াস' (Sirius) তারাটিকে বোঝায়।

তথ্যসূত্র - Britannic.com

৩,৩৩৫.
কোন ধরনের রক্ত কণিকার ‍নির্দিষ্ট কোন আকার নেই?
  1. ক) লোহিত কণিকা
  2. খ) শ্বেতকণিকা
  3. গ) অণুচক্রিকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেতরক্তকণিকার  ‍নির্দিষ্ট কোন আকার নেই। 

- রক্তরসে উপস্থিত বর্ণহীন, বিভিন্ন আকৃতির নিউক্লিয়াসযুক্ত বৃহদাকৃতির রক্তকোশগুলিকে শ্বেতরক্তকণিকা বলে।

শ্বেত রক্ত কণিকা-
- শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস আছে।
- শ্বেত রক্তকণিকার আকার অনিয়মিত ও বড়।
- শ্বেত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নেই।
- শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা লোহিত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক কম।
- শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৩৩৬.
উৎপত্তি স্থান থেকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) নদী উপত্যকা
  2. খ) দোয়াব
  3. গ) নদীসংগম
  4. ঘ) অববাহিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) অববাহিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অববাহিকা
ব্যাখ্যা
- উৎপত্তি স্থান থেকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে নদী সমুদ্র বা হ্রদে পতিত হয় সেই সমগ্র অঞ্চলকে নদী অববাহিকা বলে।
- প্রবাহমান দুটো নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলা হয়।
- যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় তাকে নদীর উপত্যকা বলা হয়।
- দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩৩৭.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা -
  1. ৩৭০ কিলোমিটার
  2. ৩৪৫ কিলোমিটার
  3. ৩২০ কিলোমিটার
  4. ২০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৭০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০ কিলোমিটার।

১ নটিক্যাল মাইল =১.৮৫৩ কিলোমিটার ।

সেই হিসাবে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা দৈর্ঘ্য ৩৭০.৪ কিলোমিটার ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি

৩,৩৩৮.
মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে যে গ্যাসীয় পদার্থসমূহের বলয় রয়েছে তা কী নামে পরিচিত?
  1. উল্কা
  2. গ্রহাণুপুঞ্জ
  3. নক্ষত্র
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
গ্রহাণুপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহাণুপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids):
- মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে গ্রহাণুপুঞ্জ রয়েছে।
- সৌরজগতে মঙ্গল ও বৃহস্পতি এই দুইটি গ্রহের মধ্যবর্তী অংশে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রহ একত্রে পূঞ্জীভূত হয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
- এগুলোকে একত্রে গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।
- গ্রহাণুপুঞ্জসমূহ একটি বলয়ের মতো ঘিরে থাকে, যা গ্রহাণুপুঞ্জ বলয় নামে অভিহিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৩৯.
বিশাল খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে দিগন্তরেখার আকৃতি কীরূপ দেখা যায়?
  1. ক) বৃত্তাকার
  2. খ) সরলরেখার ন্যায়
  3. গ) উপবৃত্তাকার
  4. ঘ) চ্যাপ্টাকৃতির
সঠিক উত্তর:
ক) বৃত্তাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বৃত্তাকার
ব্যাখ্যা
- বিশাল খোলা মাঠে বা সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে মনে হয় আকাশ ও ভূ-পৃষ্ঠ (পৃথিবীর উপরিভাগ) একটি বৃত্তাকার রেখায় মিশে গেছে। 
- এ বৃত্ত রেখার নাম দিগন্তরেখা। 
- পর্বতের উপরে বা প্লেনে যত উপরে উঠা যায়, ততই দিগন্ত রেখার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর আকার বৃত্তাকার থাকে। 
- পৃথিবী গোলাকৃতির না হলে এরূপ হতো না।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৩৪০.
করোনা ভাইরাস ভেরিয়েন্ট 'B.1.617.2' কী নামে পরিচিত?
  1. ক) গামা
  2. খ) ডেল্টা
  3. গ) আলফা
  4. ঘ) ওমিক্রন
সঠিক উত্তর:
খ) ডেল্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডেল্টা
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এর অপর নাম B.1.617.2 .
- এই ভেরিয়েন্ট ভারতে প্রথম সনাক্ত হয় এবং আরো প্রায় ৬০টি দেশে এই ভেরিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 
- অন্য যে কোন ভেরিয়েন্ট এর তুলনায় এটি ছিল সবচেয়ে বেশি সংক্রামক । 
 
Alpha, B.1.1.7, first seen in the United Kingdom. Designated on Dec. 18, 2020.
Beta,  B.1.351, first seen in South Africa. Designated on Dec. 18, 2020.
Gamma, P.1, first seen in Brazil. Designated on Jan. 11, 2021.
Delta, B.1.617.2, first seen in India. Designated on May 11, 2021.
Omicron, B.1.1.529, seen in multiple countries. Designated on Nov. 26, 2021.

উৎস : cdc.gov, www.aarp.org, পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৩৪১.
ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো—
  1. ক) পিল্লি
  2. খ) ফ্লাজেলা
  3. গ) শীথ
  4. ঘ) ক্যাপসুলস
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লাজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লাজেলা
ব্যাখ্যা
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
-  ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। 
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে। পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত। ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে। 
ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে। এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। একে স্লাইম স্তরও বলা হয়।এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৩৪২.
পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল কোনটি?
  1. Gaia BH1
  2. Gaia-BH3
  3. Sagittarius A
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
Gaia BH1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gaia BH1
ব্যাখ্যা
- Gaia BH1 হলো পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল।
- Gaia-BH3 হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকটতম ব্ল্যাক হোল।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হলো মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না।
- এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না
- আইনস্টাইনের বিখ্যাত সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব ভবিষ্যদ্বাণী করে যে, মহাশূন্যে ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব থাকতে পারে।
- ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে।

উৎস:
১. NASA website.
২. [scientificamerican.com]
৩. [space.com]
৩,৩৪৩.
পৃথিবীর অন্তঃস্থলের তাপমাত্রা কত?
  1. ৩০০০–৪০০০° সেলসিয়াস
  2. ৪০০০–৫০০০° সেলসিয়াস
  3. ৫০০০–৬০০০° সেলসিয়াস
  4. ৬০০০–৭০০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৫০০০–৬০০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০–৬০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর অন্তঃস্থল বা Inner Core প্রধানত লোহা ও নিকেল দিয়ে গঠিত। এর তাপমাত্রা প্রায় সূর্যের পৃষ্ঠের সমান (৫০০০–৬০০০° সেলসিয়াস)।

পৃথিবীর কেন্দ্র (Earth’s Core):

- পৃথিবীর কেন্দ্রক হলো অত্যন্ত উত্তপ্ত ও ঘন বল-আকৃতির অংশ।
- এটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৯০০ কিমি গভীরে অবস্থিত।
- মোট ব্যাসার্ধ: প্রায় ৩,৪৮৫ কিমি।

বহিঃকেন্দ্র (Outer Core):
- পুরুত্ব: প্রায় ২,২০০ কিমি।
- উপাদান: তরল লোহা (Fe) ও নিকেল (Ni) এর মিশ্রণ (NiFe alloy)।
- তাপমাত্রা: ৪,৫০০°–৫,৫০০° সেলসিয়াস।

অন্তঃকেন্দ্র (Inner Core):
- ব্যাসার্ধ: প্রায় ১,২২০ কিমি।
- উপাদান: কঠিন স্ফটিক আকারের লোহা (প্রধানত Fe)।
- তাপমাত্রা: প্রায় ৫,২০০° সেলসিয়াস (সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রায় ৬,০০০° সেলসিয়াস — সূর্যের পৃষ্ঠের সমান)।
- চাপ: প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন বায়ুমণ্ডল (atm)।

উৎস: 
১। National Geographic ওয়েবসাইট। 
২। বিবিসি পত্রিকার রিপোর্ট। [লিংক] 
৩,৩৪৪.
একটি ইটের গুণাগুণ প্রভাবিত হয়-
  1. ক) ব্যবহৃত ক্লে এর উপর
  2. খ) শুকানোর উপর
  3. গ) পোড়ানোর
  4. ঘ) সব কয়টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সব কয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সব কয়টি
ব্যাখ্যা
একটি ভালো ইটের গুণাগুন: 
- এই ইটের সাইজ দেখতে খুবই ভাল এবং গাড় লাল থাকে। 
- সর্বত্র সমান ভাবে পোরানো থাকে। 
- দুটো ইট পরস্পর আঘাত করলে পরিষ্কার টন টন শব্দ হবে। 
- কোন চির বা ফাঁক থাকবে না।
- ধার গুলো বা কোন গুলো সমান থাকে।
- ৪(চার) ফুট উপর থেকে আরেকটি ইটের উপর ফেলে দিলে সহজে ভাঙ্গে না।
- পানি শোষণ ক্ষমতা ১৫% এর বেশী হবে না। (Lab Test).
- লোড নেওয়ার ক্ষমতা ১০৫ কেজি/সেমি ২ (Lab Test).

অর্থাৎ একটি ভালো ইট এর গুণাগুণ প্রভাবিত করতে ভালো ক্লে, সঠিক ভাবে শুকানো ও পোড়ানো প্রয়োজন।

উৎস:
bspi.edu.bd.
৩,৩৪৫.
সর্বপ্রথমে যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো-
  1. ইরি - ৮
  2. ইরি - ১
  3. ইরি - ২০
  4. ইরি - ৩
সঠিক উত্তর:
ইরি - ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরি - ৮
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ধান চাষের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো হলেও এদেশে সর্বপ্রথম উফশী ধানের প্রচলন হয় ১৯৬৭ সালে ‘ইরি-৮’ ধানের মাধ্যমে। 
- ইরি-৮ হলো আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি উফশী ধান। 
- পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ইরি ধানের স্থলে ব্রি ধান প্রচলিত হয়। 
- বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতে ব্রি ধানের চাষ হচ্ছে। 

উৎস: IRRI ও BRRI ওয়েবসাইট।
৩,৩৪৬.
“সূর্যই হচ্ছে সৌরজগতের কেন্দ্র এবং পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহগুলো এর চারিদিকে ঘূর্ণায়মান” - এই মতবাদের প্রবক্তা কে?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) রজার বেকন
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
ক) কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে।
বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে।
কোপারনিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন। তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। তার মডেলের মূল কথা ছিল পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে।
পরবর্তীতে বিজ্ঞানী কেপলার ও গ্যলিলিও, কোপারনিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি

৩,৩৪৭.
গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ থেকে বিভিন্ন প্রাণীর নমুনা সংগ্রহ করেন কে?
  1. আল বিরুনী
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. চার্লস রবার্ট ডারউইন
  4. লিউয়েন হুক
সঠিক উত্তর:
চার্লস রবার্ট ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্লস রবার্ট ডারউইন
ব্যাখ্যা
বিবর্তন: 
- বিবর্তন একটি জৈবিক পদ্ধতি। এর প্রকৃত অর্থ হলো ক্রমবিকাশ। 
- পৃথিবীতে বর্তমানে যত জীব রয়েছে তারা বিভিন্ন সময়ে এ ভূমণ্ডলে আবির্ভূত হয়েছে। আবার অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী সময়ের আবর্তে বিলুপ্ত হয়েছে। 
যেমন- ডাইনোসর আজ থেকে কয়েক মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়েছে। 
- কয়েক লক্ষ বা হাজার বছর সময়ের ব্যাপকতায় জীব প্রজাতির পৃথিবীতে আবির্ভাব ও টিকে থাকার জন্য যে পরিবর্তন ও অভিযোজন প্রক্রিয়া তাকে জৈব বিবর্তন বলা হয়। 
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টেফেন জে. গোল্ড (১৯৯১) এর মতে 'Evolution' পরিপদটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান জীববিদ Albrecht von Haller (১৭৭৪ সালে)। 
- তিনি বলেন ধীর অথচ ক্রমাগত ও পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কোন সত্ত্বা সরল থেকে জটিল হওয়ার ধারাবাহিক পরিবর্তনই বিবর্তন। 
- কোন প্রাণী বা উদ্ভিদ ধীরে ধীরে ধারাবাহিক রূপান্তরের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রাণী বা উদ্ভিদ এ পরিণত হওয়াকে অভিব্যক্তি বলা হয়। 
- অভিব্যক্তির মূল কথা হলো প্রজাতিগুলো পরিবর্তনযোগ্য অর্থাৎ দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে জীবের চেহারায় পরিবর্তন ঘটে। 

- ইংরেজ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির কলাকৌশল সম্পর্কিত তাঁর মতামত ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ২৮ নভেম্বর 'The Origin of Species by means of Natural Selection' নামক বইটিতে প্রকাশ করেন। 
- তাঁর মতামত প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত নামে পরিচিত। 
- তিনি (১৮৩১) H.M. B. S. Beagle নামক জাহাজে প্রকৃতিবিদ হিসেবে চাকরি পেয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বাহির হন। 
- চার্লস রবার্ট ডারউইন আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দ্বীপ, তাহিতি, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, মরিশাস, মালদ্বীপ, ব্রাজিল ও গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জে প্রায় পাঁচ বছর ধরে পরিভ্রমণ করেন এবং বিভিন্ন প্রাণীর নমুনা সংগ্রহ করেন। 
- ডারউইনের দায়িত্ব ছিল বিভিন্ন স্থানের উদ্ভিদ ও প্রাণী পর্যবেক্ষণ করা এবং এদের নমুনা সংরক্ষণ করা। 
- গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জে ভ্রমণকালে ডারউইন প্রত্যেক দ্বীপের পাখি ও কচ্ছপকে কিছুটা ভিন্ন চেহারায় দেখতে পান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪৮.
নিচের কোনটি সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র?
  1. Proxima Centauri
  2. Vega
  3. Sirius
  4. Mars
সঠিক উত্তর:
Proxima Centauri
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Proxima Centauri
ব্যাখ্যা

• সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম নক্ষত্র হলো Proxima Centauri (প্রক্সিমা সেন্টারাই)।

• প্রক্সিমা সেন্টারাই:
- ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে স্কটিশ জ্যোতির্বিদ ও দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের ইউনিয়ন অবজারভেটরির পরিচালক রবার্ট আইনেস এই নক্ষত্রটি পর্যবেক্ষণ করেন।
- তিনি নক্ষত্রটি "প্রক্সিমা সেন্টারাই" নামকরণের প্রস্তাব দেন (মূলত প্রক্সিমা সেন্টারাস)।
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ।
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়। সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- অর্থাৎ সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই।

• নক্ষত্র:
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে।
- সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না ।
- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে।
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

অন্যান্য অপশন:
- Vega বা অভিজিৎ নক্ষত্রটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- Sirius বা লুব্ধক আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হলেও এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে যা প্রক্সিমা সেন্টারাইয়ের দ্বিগুণ।
- Mars বা মঙ্গল কোনো নক্ষত্র নয় বরং এটি সৌরজগতের একটি গ্রহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৪৯.
এসিড বৃষ্টিতে কোনটির পরিমাণ বেশি থাকে?
  1. ক) সালফিউরিক এসিড
  2. খ) কার্বনিক এসিড
  3. গ) ইথানয়িক এসিড
  4. ঘ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ক) সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা

- এসিড বৃষ্টি বা অম্ল বৃষ্টি হলো একধরণের বৃষ্টিপাত যেক্ষেত্রে পানি অম্লীয় প্রকৃতির হয়। এক্ষেত্রে পানির pH 7 এর চেয়ে কম হয়ে থাকে। এটি এমন এক ধরনের বৃষ্টি যাতে এসিড উপস্থিত থাকে।
- এসিড বৃষ্টিতে সালফিউরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে।
- অপরদিকে, হাইড্রোক্লোরিক এসিড অল্প পরিমাণে থাকে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

৩,৩৫০.
মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কি হওয়া উচিত?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে
  2. ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে
  3. জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
  4. জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা হচ্ছে - জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে।

• হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

• ভাইরাসের নাম- ধরণ- সংক্রমণের মাধ্যম:
- Hepatitis A- RNA - পানি, দূষিত খাবার;
- Hepatitis B- DNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatitis C- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatitis D- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম, লালা;
- Hepatitis E- RNA- পানি, দূষিত খাবার।

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৩৫১.
শরীরের কোন অংশের মাংশপেশীর কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে কী বলে?
  1. ক) পারকিনসন
  2. খ) প্যারালাইসিস
  3. গ) স্ট্রোক
  4. ঘ) থাইরয়েড
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারালাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারালাইসিস
ব্যাখ্যা
শরীরের কোন অংশের মাংসপেশীর কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে প্যারালাইসিস বলে। প্যারালাইসিস সাধারণত স্ট্রোকের কারণে হয়। এছাড়া মেরুদন্ডের বা ঘাড়ের সুষুম্নাকাণ্ড আঘাত বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে প্যারালাইসিস হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
৩,৩৫২.
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কর্তৃক শনাক্তকৃত সর্বাধিক পুরোনো সুপারনোভা কোনটি? 
  1. জিআরপি ৯৯৯
  2. জিআরপি ১৮০ 
  3. জিআরপি ২৫০৩১৪এ
  4. জিআরপি ১০০১
সঠিক উত্তর:
জিআরপি ২৫০৩১৪এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিআরপি ২৫০৩১৪এ
ব্যাখ্যা

সুপারনোভা: 
- সুপারনোভা হলো শক্তিশালী ও আলোকিত নাক্ষত্রিক বিস্ফোরণ, যা সাধারণত বিশাল নক্ষত্রের জীবনের শেষে ঘটতে দেখা যায়। বিশাল এ বিস্ফোরণের মাধ্যমে মূলত নক্ষত্র ধ্বংস হওয়ার পর তারা বা কৃষ্ণবিবরে পরিণত হয়। 
- মহাবিশ্বের শুরুর দিকে বিশাল এক নক্ষত্র বিস্ফোরিত হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণের আলো শত শত কোটি বছর মহাকাশে পাড়ি দিয়ে অবশেষে নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে সুপারনোভা জিআরপি ২৫০৩১৪এ। 
- নাসার তথ্যমতে, এই সুপারনোভার সময় মহাবিশ্বের বয়স ছিল ৭৩০ মিলিয়ন বা ৭৩ কোটি বছর, জিআরপি ২৫০৩১৪এ এখন পর্যন্ত সরাসরি শনাক্ত করা সবচেয়ে পুরোনো সুপারনোভা। 
- এর মাধ্যমে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ তার নিজের আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এর আগে ওয়েব টেলিস্কোপ ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ১৮০ কোটি বছর পুরোনো একটি সুপারনোভা শনাক্ত করেছিল। 

- নেদারল্যান্ডসের র‍্যাডবাউড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু লেভান বলেন, ‘একমাত্র ওয়েব টেলিস্কোপের পক্ষেই এটি সরাসরি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এই আলো আসলে একটি সুপারনোভা বা বিশালাকার নক্ষত্রের মৃত্যু থেকে এসেছে। এই পর্যবেক্ষণ এটিও প্রমাণ করে, মহাবিশ্বের বয়স যখন বর্তমানের তুলনায় মাত্র ৫ শতাংশ ছিল, সেই সময়েরও একক কোনো নক্ষত্রকে আমরা এখন খুঁজে পেতে পারি।’ 
- ২০২৪ সালে ফ্রান্স ও চীনের উৎক্ষেপণ করা এসভিওএম টেলিস্কোপ মহাকাশে একটি শক্তিশালী গামা–রে বার্স্ট বা তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঝলক দেখতে পায়। সাধারণত বিশালাকার নক্ষত্রের মৃত্যুর সময় এমন দীর্ঘস্থায়ী ঝলক দেখা যায়। 
- নাসার সুইফট অবজারভেটরি দ্রুত এর অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের নর্ডিক অপটিক্যাল টেলিস্কোপে শনাক্ত করা হয় ইনফ্রারেড আভা। পরে চিলিতে অবস্থিত ভেরি লার্জ টেলিস্কোপ নিশ্চিত করে যে নক্ষত্র বিস্ফোরণের এ ঘটনা বিগ ব্যাংয়ের মাত্র ৭৩ কোটি বছর পর হয়েছে। 

উৎস: আর্থ ডটকম এবং প্রথম আলো পত্রিকা (২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫) [লিঙ্ক]।

৩,৩৫৩.
সাল্ক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় কোন রোগ প্রতিরোধের জন্য?
  1. ক) পোলিও
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) ডিপথেরিয়া
  4. ঘ) যক্ষা
সঠিক উত্তর:
ক) পোলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পোলিও
ব্যাখ্যা
আমেরিকান চিকিৎসক জোনাস সাল্ক ১৯৫০ এর দশকের গোড়ার দিকে প্রথম পোলিও ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছিলেন যা inactivated poliovirus vaccine (IPV) বা সাল্ক ভ্যাকসিন নামে পরিচিত।

এই টিকাতে তিনি মৃত পোলিও ভাইরাস ব্যবহার করেন। তিনি এই টিকায় বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যবহৃত এক ধরনের বিশেষ কোষ (হেলা কোষ) ব্যবহার করেন, এবং ১৯৫২ সালে সর্বপ্রথম এর পরীক্ষা চালান। ডাঃ টমাস ফ্রান্সিস জুনিয়র ১৯৫৫ সালের ১২ এপ্রিল গোটা বিশ্বে এই টিকার কথা ঘোষণা করেন।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Encyclopedia Britannica
৩,৩৫৪.
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়-
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৭ সালে
  3. গ) ১৯৭৮ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯ সালে কিন্তু সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ১৯৮৫ সালে। ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৩৫৫.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কাজকে পর্যায়ক্রম অনুযায়ী সাজাতে হলে কোন কাজটি সর্বপ্রথমে হবে?
  1. পুনর্বাসন
  2. ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
  3. দুর্যোগ প্রস্তুতি
  4. দুর্যোগ প্রশমন কর্মকাণ্ড
সঠিক উত্তর:
ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 
- ঝুঁকি অর্থ আপদ, বিপদাপন্নতার উপাদান এবং পরিবেশের আন্তঃক্রিয়া বা সম্মিলন ও সক্ষমতার ফলে উদ্ভূত সম্ভাব্য ক্ষতিকর অবস্থা। 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ কাজটি সর্বপ্রথমে করতে হবে। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য হলো: 
• দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করা, 
• সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা, 
• প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং 
• দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালভাবে সম্পন্ন করা। 
--------------------- 
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত আইন ও নীতিমালা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২, 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫,
- জাতিয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (NPDM) ২০২১-২০২৫,
- বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, একাদশ শ্রেণির ভূগোল- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫৬.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে দ্রাঘিমারেখার ভূমিকা রয়েছে?
  1. সময় নির্ধারণ
  2. জলবায়ু নির্ধারণ
  3. ঋতু পরিবর্তন
  4. বায়ু প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
সময় নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময় নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমারেখার উপর সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে সময় নির্ধারণ করা হয়

পুরো পৃথিবীকে মোট ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখায় বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। মূল মধ্যরেখা বা ০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখায় অবস্থিত লন্ডনের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়কে পৃথিবীর প্রমাণ সময় ধরা হয়।

মূল মধ্যরেখার পূর্বদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে যোগ করে সেই স্থানের সময় নির্ণয় করতে হয়।
মূল মধ্যরেখার পশ্চিমদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে সময় বিয়োগ করে সেই স্থানের সময় নির্ণয় করতে হয়।

১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত যা প্রশান্ত মহসাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।

অন্যদিকে,
দ্রাঘিমারেখা আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান বা নিয়ামক নয়। যার কারণে জলবায়ু নির্ধারণ, ঋতু পরিবর্তন কিংবা বায়ু প্রবাহের ক্ষেত্রে দ্রাঘিমোরেখান কোন ভূমিকা নেই।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩৫৭.
কোন ঘটনা সাধারণত সুনামি সৃষ্টি করে? 
  1. বৃষ্টি 
  2. সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প 
  3. পাহাড় ধস 
  4. নদীর বন্যা 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প 
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 

- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

৩,৩৫৮.
নিচের কোনটি বারিমন্ডলের অংশ নয়?
  1. পাহাড়
  2. নদী
  3. সাগর
  4. হ্রদ
সঠিক উত্তর:
পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়
ব্যাখ্যা
• 'পাহাড়' বারিমন্ডলের অংশ নয়।  

• বারিমন্ডল:

- পৃথিবীর জলভাগই হলো বারিমন্ডল। বারিমন্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere।
- Hydro অর্থ পানি এবং Sphere অর্থ ক্ষেত্র। অর্থাৎ আভিধানিক অর্থে Hydrosphere এর অর্থ পানির ক্ষেত্র বা আধার।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়।

• বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫৯.
হ্যালির ধূমকেতু শেষবার কবে দেখা গিয়েছিল?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ধূমকেতু (Comet):
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে যাদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে, এসব জ্যোতিকে ধূমকেছূ বলে।
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিক।
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উপয় হরে পাবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
- সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে।
- সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়।

- এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে।
- এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়।
- মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৬০.
ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে কোনটি?
  1. করোনারি ধমনি
  2. ইনমিনেট ধমনি
  3. পালমোনারী ধমনি
  4. পালমোনারি শিরা
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি শিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি শিরা
ব্যাখ্যা
করোনারি ধমনি : অ্যাওর্টা অ্যাওর্টিক আর্চ গঠনের পূর্বেই ডান ও বাম করোনারি ধমনি উৎপন্ন করে। এরা অক্সিজেন যুক্ত রক্ত হৃদপেশীতে সরবরাহ করে।

ইনমিনেট ধমনি : এটি একটি খাটো ও মোটা ধমনি। এটি অভিন্ন ক্যারোটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।

পালমোনারী ধমনি : দেহ থেকে গৃহীত CO2 সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।

পালমোনারি শিরা : ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬১.
যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ অবস্থান করে তখন কোনটি ঘটে? 
  1. পূর্ণিমা
  2. অমাবস্যা
  3. চন্দ্রগ্রহণ
  4. সূর্যগ্রহণ
সঠিক উত্তর:
সূর্যগ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা
সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

পূর্ণিমা: 
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৩৬২.
দুইটি স্থানের দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য কত হলে, সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট হয়?
  1. ১ ডিগ্রি
  2. ২ ডিগ্রি
  3. ৪ ডিগ্রি
  4. ১০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমাংশ:
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব কিংবা পশ্চিমে অবস্থিত কোন স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমাংশ বলে।
- এটি বিষুবরেখা থেকে পৃথিবীর উত্তর বা দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের পরিমাপ।
- দ্রাঘিমাংশের পরিমাপ মোট ৩৬০ ডিগ্রি, যেখানে ০° থেকে ১৮০° পূর্ব এবং ০° থেকে ১৮০° পশ্চিমে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারিত।
- স্থান এবং সময় নির্ণয়ের জন্য দ্রাঘিমাংশ ব্যবহার করা হয়।
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘুরে, অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় পৃথিবী ১৫° দ্রাঘিমাংশ পার করে।
তাই, পৃথিবীর দুটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১° হলে ঐ দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।(কারণ ৬০ মিনিট ÷ ১৫° = ৪ মিনিট)

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬৩.
জোয়ার ও ভাটাকে মোট কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা
• সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়।
এর কারণ মূলত দুটি; যথা:-
১. চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং
২. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।

• সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়।

• জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগ:-
জোয়ার-ভাটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ; যথা:-
১. মুখ্য জোয়ার
২. গৌণ জোয়ার
৩. ভরা কটাল
৪. মরা কটাল


তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬৪.
শস্যজাত ফসলের বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজের আর্দ্রতা কত ভাগ প্রয়োজন হয়?
  1. ১০%
  2. ১৩%
  3. ১৭%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
বীজ সংরক্ষণ:
- বীজ যদি অধিক আর্দ্রতায় রাখা হয় তাহলে বীজ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কারণ এর ফলে বীজের শ্বসন বৃদ্ধি পায়, রোগ বালাই ও পোকামাকড় এর আক্রমণ বাড়ে। - অনেক সময় মোল্ড দেখা দেয়।
- যেহেতু বীজের জীবনকাল আর্দ্রতার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, তাই বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজ শুকানো প্রয়োজন।
- শস্যজাত ফসলের বীজ সংরক্ষণের জন্য ১০% আর্দ্রতা খুবই উপকারী।
- তবে ৪% বা এর নিচের আর্দ্রতা বীজের অঙ্কুরোদ্গমের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

অন্যদিকে,
- বীজের আর্দ্রতা প্রতি ১% কমাতে বীজের জীবনকাল দ্বিগুণ হয়।

উৎস - Seed Science and Technology, TNAU AGRITECH website।
৩,৩৬৫.
জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কোন ধরনের শক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গতি শক্তি
  2. খ) বিভব শক্তি
  3. গ) যান্ত্রিক শক্তি
  4. ঘ) ঘর্ষণ শক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা
জলবিদ্যুৎ:
- পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়।
- একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।
- জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিভব শক্তি বা স্থিতি শক্তি ব্যবহার করা হয়। 
- পানির স্রোতের সাহায্যে একটি টার্বাইন ঘোরানো হয়।
- এই ট্রার্বাইনের ঘূর্ণন থেকেই এখানে যান্ত্রিক শক্তি ও চৌম্বকশক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়।
- প্রবাহিত পানির স্রোত থেকে যান্ত্রিক শক্তি সংগ্রহ করে চৌম্বক শক্তির সমন্বয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৩,৩৬৬.
Lunar eclipse occurs on-
  1. A new moon day
  2. A full moon day
  3. A half moon day
  4. A moonless day
সঠিক উত্তর:
A full moon day
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A full moon day
ব্যাখ্যা
- Solar eclipses occur at the new moon, and lunar eclipses occur at full moon.
- But a solar eclipse does not occur at every new moon, nor does a lunar eclipse occur at every full moon, because the Moon's orbital plane is inclined to the ecliptic, the plane of the orbit of Earth around the Sun.

উৎস: britannica.com
৩,৩৬৭.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ট্রান্সেন্ডিং
  2. খ) মিক্সিং
  3. গ) ডোপিং
  4. ঘ) লুপিং
সঠিক উত্তর:
গ) ডোপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডোপিং
ব্যাখ্যা
ডোপিং
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়।
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৩৬৮.
আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম কী?
  1. আরসা মাইনর ড্রফ
  2. আরসা মেজর ২ ড্রফ
  3. আকাশগঙ্গা
  4. বুটেস ১
সঠিক উত্তর:
আকাশগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাশগঙ্গা
ব্যাখ্যা
 মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি:
- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আটটি গ্রহ তাদের নিজস্ব কক্ষপথে অবিরত আবর্তন করে।
- পৃথিবী, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালক্সি সবকিছু নিয়েই গঠিত হয় মহাবিশ্ব।
- গ্যালাক্সি মহাবিশ্বের অংশ।
- এখানে রয়েছে হাজার হাজার কোটি নক্ষত্র ও গ্রহ, উপগ্রহ।
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ।
- এটি মাত্র এক লাখ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ২৭ জুন, ২০২১, কালের কন্ঠ।
৩,৩৬৯.
ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-
  1. সিলভার ব্রোমাইডের
  2. সিলভার ক্লোরাইডের
  3. সিলভার সালফেটের
  4. সিলভার নাইট্রেটের
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
ব্যাখ্যা
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে সিলভার ব্রোমাইডের। 
- সিলভার ব্রোমাইডের রাসায়নিক সংকেত হলো AgBr. 
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ সাধারণত সিলভার  হ্যালাইডের (ব্রোমাইড বা আয়োডাইড) আবরণ থাকে। 
- ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে। 
- এটি −১ (Br) আধান সহ আয়নিত একটি ব্রোমাইড পরমাণু। 
যেমন- সিজিয়াম ব্রোমাইড এর সিজিয়াম ধনাত্মক আয়ন(CS+)বৈদ্যুতিক ভাবে আকর্ষিত হতে পারে ব্রোমাইড অ্যানায়ন(Br) এর প্রতি। 
- ফলে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ আয়নিক যৌগ CsBr গঠিত হয়। 
Dry plate, in photography, glass plate coated with a gelatin emulsion of silver bromide. It can be stored until exposure, and after exposure it can be brought back to a darkroom for development at leisure. 
 
উৎস: ব্রিটানিকা এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩,৩৭০.
মহাকাশে তারকার বিস্ফোরণকে কী বলে?
  1. ব্ল্যাকহোল
  2. শ্বেতবামন
  3. সুপারনোভা
  4. আলফা সেন্টুরি
সঠিক উত্তর:
সুপারনোভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপারনোভা
ব্যাখ্যা
সুপারনোভা:
- সুপারনোভা শব্দটির বাংলা করলে দাড়ায় ‘অতিনবতারা’।
- সুপারনোভা হল এক ধরনের নাক্ষত্রিক বিস্ফোরণ প্রক্রিয়া, যার কারণে একটি নক্ষত্র ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যায় এবং অবশেষরূপে থাকে শীতল নীহারিকা এবং কৃষ্ণবিবর।
- কোটি কোটি বছর ধরে জ্বলতে থাকা তারকার যখন জ্বালানি সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে যায়, তখন নক্ষত্রটি তার পরিণতিতে পৌঁছে যাওয়ার আগে স্ফিত এবং উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং বিস্ফোরিত হয়। - - দূর হতে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় তারকাটি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
- উজ্জ্বল হয়ে ওঠা এই ঘটনাটাই সুপারনোভা হিসেবে পরিচিত।
- এই ধরনের বিস্ফোরণে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় এবং সে সময়ে সংশ্লিষ্ট নক্ষত্রটি সাময়িকভাবে কখনো কখনো পুরো ছায়াপথের চেয়েও বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
- আর এই সুপারনোভা ঘটনার মাধ্যমেই একটি নক্ষত্রের মৃত্যু ঘটে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭১.
গামা রশ্মি নিচের কোনটি ভেদ করতে পারে না?
  1. ক) কাগজের পৃষ্ঠা
  2. খ) পুরু সিসার পাত
  3. গ) পুরু অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) সবগুলো ভেদ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
খ) পুরু সিসার পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পুরু সিসার পাত
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মি খুব বেশি আয়নিত করে শক্তি ক্ষয় করতে পারে বলে একটা কাগজের পৃষ্ঠা দিয়েই এটাকে থামানো সম্ভব। 
বিটা রশ্মি বা ইলেকট্রনকে থামাতে কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়াম দরকার হয়। 
গামা রশ্মির চার্জ নেই বলে এটিকে থামাতে পুরু সিসার পাতের দরকার হয়।
 
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি; পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই। 
৩,৩৭২.
'Tidal Bore' শব্দের অর্থ-
  1. ক) ঘূর্ণিঝড়
  2. খ) উপকূলীয় অঞ্চল
  3. গ) সুনামি
  4. ঘ) জলোচ্ছ্বাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
'Tidal Bore' শব্দের অর্থ জলোচ্ছ্বাস। Cyclone শব্দের অর্থ ঘূর্ণিঝড় এবং Coastal area মানে উপকূলীয় অঞ্চল।
৩,৩৭৩.
Antenatal checkup (প্রসব পূর্ববর্তী) কয়টি (According to WHO)?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- একজন মহিলার তার প্রসবপূর্ব যত্ন প্রদানকারীর সাথে 'যোগাযোগ' একটি সাধারণ 'ভিজিট' এর চেয়ে বেশি হওয়া উচিত, বরং গর্ভাবস্থা জুড়ে যত্ন এবং সহায়তার ব্যবস্থা করা উচিত।
- নির্দেশিকাটি 'যোগাযোগ' শব্দটি ব্যবহার করে কারণ এটি গর্ভবতী মহিলা এবং একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর মধ্যে একটি সক্রিয় সংযোগ বোঝায় যা 'ভিজিট' শব্দের সাথে নিহিত নয়।
- নতুন মডেল জটিলতা সনাক্ত করতে মা ও ভ্রূণের মূল্যায়ন বাড়ায়, স্বাস্থ্য প্রদানকারী এবং গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করে এবং ইতিবাচক গর্ভাবস্থার ফলাফলের সম্ভাবনা বাড়ায়।
- এটি গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম 12 সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় তাদের প্রথম যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়, পরবর্তী যোগাযোগগুলি 20, 26, 30, 34, 36, 38 এবং 40 সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় ঘটে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট
৩,৩৭৪.
ফোটন বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) শব্দের তরঙ্গ ধর্মের একক
  2. খ) আলোর কণা ধর্মের একক
  3. গ) কোনো ফুটন্ত বস্তুর তাপ প্রবাহের পরিমাপ
  4. ঘ) কৃষ্ণবিবরের ভরের পরিমাপ
সঠিক উত্তর:
খ) আলোর কণা ধর্মের একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলোর কণা ধর্মের একক
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩,৩৭৫.
পৃথিবীর কোন গতির কারণে দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি হয়ে থাকে?
  1. আহ্নিক গতি
  2. বার্ষিক গতি
  3. মহাকর্ষীয় গতি
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
ব্যাখ্যা

বার্ষিক গতির কারণে দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি হয়ে থাকে। 

আহ্নিক গতি:
পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে, যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।

পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে সংঘটিত উদাহরণসমূহ:
- দিন-রাত্রি সংঘটন,
- জোয়ার-ভাঁটা সৃষ্টি,
- বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি,
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি,
- জীবজগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি।

বার্ষিক গতি:
সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে, যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।

পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলে সংঘটিত উদাহরণসমূহ:
- ঋতু পরিবর্তন,
- দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৭৬.
বিদ্যুচ্চমক সৃষ্টি হয় - 
  1. দুটি আহিত মেঘের ঘর্ষণের ফলে
  2. দুটি মেঘের ঘর্ষণের ফলে
  3. পৃথিবীর সাথে আহিত মেঘের আধান বিনিময়ের ফলে
  4. বিপরীত আধানে আহিত দুটি মেঘের মধ্যে তড়িৎক্ষরণের ফলে
সঠিক উত্তর:
বিপরীত আধানে আহিত দুটি মেঘের মধ্যে তড়িৎক্ষরণের ফলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত আধানে আহিত দুটি মেঘের মধ্যে তড়িৎক্ষরণের ফলে
ব্যাখ্যা
বজ্রপাত: 
- সাধারণত গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে বায়ুতে প্রচুর জলীয় বাষ্প থাকে। 
- এই জলীয় বাষ্পগুলো বাতাসের আহিত আয়নগুলোর উপর ঘনীভূত হয়ে জলকণা সৃষ্টি করে এবং আহিত আয়নগুলোর আধানে আহিত হয়। 
- বাতাসে ভাসমান এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণাগুলো তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ুপ্রবাহের সাথে সাথে উপরে উঠে যায় এবং শীতল হয়। 
- তাছাড়া উপরে বায়ুর চাপ কম থাকায় বাতাস প্রসারিত হয় এবং আরো শীতল হয়। 
- শীতল ভাসমান এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণাগুলো একত্রিত হয়ে মেঘের সৃষ্টি করে। 
- বাতাসের আহিত আয়নগুলোর জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জলকণা সৃষ্টি করে, সেহেতু মেঘ ধনাত্মক বা ঋণাত্মক যেকোনো আধানে আহিত হতে পারে। 
- মেঘের আকারের উপর তাদের আধানের পরিমান নির্ভর করে। 
- দুই ধরণের আহিত মেঘ কাছাকাছি আসলে তাদের মধ্যে তড়িৎক্ষরণ ঘটে এবং বিরাট অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি হয়, যার ফলে বিদ্যুচ্চমক সৃষ্টি হয়। 
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অগ্নিস্ফুলিঙ্গের তাপমাত্রা সূর্য পৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়েও বেশী হয়। 
- সৃষ্ট অগ্নিস্ফুলিঙ্গের পথে বাতাসগুলো তাপ পেয়ে হঠাৎ প্রসারিত হয় এবং পার্শ্ববর্তী বাতাসকে প্রচন্ড জোরে ধাক্কা বা চাপ দেয়। এর ফলে প্রচন্ড শব্দ হয়। 
- এই চাপ বাতাস বাহিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে আসে। 
- চাপের কিছু অংশ দুই মেঘের মধ্যে বার বার প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে আসে। 
- এই জন্য আমরা গড় গড় শব্দ শুনি। একেই মেঘের গর্জন বলে। 
- প্রচুর আধানযুক্ত কোনো মেঘ যদি ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি চলে আসে তাহলে আবেশ প্রক্রিয়ায় ভূ-পৃষ্ঠের সেই অংশ বিপরীতধর্মী আধানে আহিত হয়। 
- সেই স্থাানের গাছপালা বা বাড়ীঘর তুলনামুলক মেঘের কাছে থাকায় এবং এর ক্ষেত্রফল কম হওয়ায় এদের শীর্ষ বিন্দুগুলোর আধানের তলমাত্রিক ঘনত্ব অনেক বেশী হয়। 
- এদের আকর্ষণে তড়িৎক্ষরণের মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠে চলে আসে। একে আমরা বজ্রপাত বলি। 
- এই বজ্রপাতের ফলে প্রচন্ড উত্তাপের সৃষ্টি হয় এবং আগুন ধরে যায়। 
- এই বজ্রপাতের ফলে যে শব্দের সৃষ্টি হয় তাকে আমরা বজ্রনাদ বলি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭৭.
‘ডিম্বাণু থেকেই সকল জীবের সূত্রপাত হয়’- এই মতবাদের প্রবক্তা?
  1. ক) লুই পাস্তুর
  2. খ) উইলিয়াম হার্ভে
  3. গ) অগাস্ট ভাইসম্যান
  4. ঘ) চার্লস রবার্ট ডারউইন
সঠিক উত্তর:
খ) উইলিয়াম হার্ভে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা
- ‘ডিম্বাণু থেকেই সকল জীবের সূত্রপাত হয়’ এই মতবাদের প্রবক্তা উইলিয়াম হার্ভে।
- ‘জীব থেকে জীবের উৎপত্তি হয়’ বা ‘বায়োজেনেসিস তত্ত্ব’ এই মতবাদের প্রবক্তা লুই পাস্তুর;
- ‘জার্মপ্লাজম মতবাদ’ এর প্রবক্তা অগাস্ট ভাইসম্যান; এবং
- ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ’এর প্রবক্তা চার্লস রবার্ট ডারউইন।
সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৩৭৮.
করোনা একটি-
  1. ডিএনএ ভাইরাস
  2. আরএনএ ভাইরাস
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আরএনএ ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরএনএ ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• এটি এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস। কারণ ভাইরাসটির জিনোম হলো RNA।

- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস।
- ২০১৯ সালের শেষদিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি SARS CoV2 নামটি নির্ধারণ করে।
- ভাইরাসটির পূর্ব নাম ছিল - 2019 novel coronavirus।

• করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তির লক্ষণসমূহ:
- সর্দি,
- গলা ব্যথা,
- কাশি,
- মাথা ব্যাথা,
- জ্বর,
- হাঁচি,
- অবসাদ,
- শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

উৎস:
১. ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন।
২. WHO Website.
৩. UK Research and Innovation. [Link]
৩,৩৭৯.
অ্যানোফিলিস মশা কিসের জীবাণু বহন করে?
  1. ক) কলেরা
  2. খ) ডায়রিয়া
  3. গ) ম্যালেরিয়া
  4. ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যালেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যালেরিয়া
ব্যাখ্যা
- অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া
- কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া এবং
- এডিস মশা ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহন করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৮০.
এক্স-রের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. কম ভেদন ক্ষমতা
  2. অদৃশ্য রশ্মি 
  3. চার্জযুক্ত কণা 
  4. দৃশ্যমান রশ্মি 
সঠিক উত্তর:
অদৃশ্য রশ্মি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদৃশ্য রশ্মি 
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (x-rays): 
- জার্মান বিজ্ঞানী প্রফেসর উইলিয়াম রঞ্জন ১৮৯৫ সালে ক্যাথোড রশ্মি থেকে এক্স-রে (x-rays) আবিষ্কার করেন।
- প্রফেসর রঞ্জন একে 'x-rays' নামে অভিহিত করেন, পরবর্তীতে একে "রঞ্জন রশ্মি" নামেও ডাকা হয়। 
- উচ্চগতির ইলেকট্রন কোনো ধাতব প্রতিবন্ধকের সাথে সংঘর্ষে বাধাপ্রাপ্ত হলে তার গতিশক্তি এক্স-রেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না, সুতরাং এক্স-রের কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৮১.
‘গ্রীণ হাউজ ইফেক্ট’ বলতে বুঝায়- 
  1. তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
  2. সূর্যালোকের অভাবে সালোকসংশ্লেষণে ঘাটতি।
  3. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূ-মণ্ডলের অবলোকন।
  4. প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃত্রিম চাষের প্রয়োজনীয়তা।
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউস ইফেক্ট: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউস ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাঁধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট এর ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৮২.
হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্তর কোনটি?
  1. মায়োকার্ডিয়াম
  2. পেরিকার্ডিয়াম
  3. এন্ডোকার্ডিয়াম
  4. এপিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
মায়োকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়োকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের আবরণ: 
- হৃৎপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত। 
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে। 
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
- পেরিকার্ডিয়াল হৃৎপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। 
- হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে। 

হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর: 
- অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি বলে। 
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট। 
যেমন - 

ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। 
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে। 

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium): 
- মায়োকার্ডিয়াম হৃৎপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। 
- স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। 

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃৎকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃৎপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮৩.
MRI যন্ত্রে কোন ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয়?
  1. আলোক বিকিরণ
  2. এক্স-রে
  3. গামা বিকিরণ
  4. রেডিও তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

এমআরআই (MRI): 
- এমআরআই এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)। 
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। 
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্রটি কাজ করে। 
- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। 
- এই এমআরআই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে। এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়। 
- ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৮৪.
আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য আইনস্টাইন কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) ১৯০১
  2. খ) ১৯০৫
  3. গ) ১৯২১
  4. ঘ) ১৯২৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯২১
ব্যাখ্যা
কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয়, একে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া বলে। আলোর তরঙ্গ ধর্মের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা করা যায় না। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন। সেজন্য তাকে ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৮৫.
ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে বলে-
  1. ঊষা
  2. গোধূলি
  3. গুরুবৃত্ত
  4. ছায়াবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে ছায়াবৃত্ত বলে। 
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়। 
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৩,৩৮৬.
নক্ষত্রের গঠন মূলত কীরূপ?
  1. শীতল প্রস্তরখণ্ডের ন্যায়
  2. তাপবিহীন
  3. জলন্ত গ্যাসপিণ্ডের ন্যায়
  4. শীতল গ্যাস পিণ্ডর ন্যায়
সঠিক উত্তর:
জলন্ত গ্যাসপিণ্ডের ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলন্ত গ্যাসপিণ্ডের ন্যায়
ব্যাখ্যা
• নক্ষত্র-
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।

• মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই।
- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়।

• নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।

• পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে।
- কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে।
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৩,৩৮৭.
ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশ লাইটে প্রধানত কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) হিলিয়াম
  2. খ) নিয়ন
  3. গ) আরগন
  4. ঘ) জেনন
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেনন
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণির শূন্য গ্রুপের মৌলসমূহ রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয় এবং কক্ষ তাপমাত্রায় গ্যাসীয়। এগুলোকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস মোট ৭টি।
- এগুলো হলো- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন, রেডন ও ওগানেসন।
- ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশ লাইটে প্রধানত জেনন গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
৩,৩৮৮.
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নিচে কোনটি?
  1. যক্ষ্মা
  2. পোলিওমায়েলেটিস
  3. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  4. রুবেলা
সঠিক উত্তর:
যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮৯.
পৃথিবীর একপাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে কখন?
  1. অমাবস্যা তিথি
  2. পূর্নিমা তিথি
  3. সপ্তমী তিথি
  4. অষ্টমী তিথি
সঠিক উত্তর:
পূর্নিমা তিথি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্নিমা তিথি
ব্যাখ্যা
অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবল হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।
৩,৩৯০.
সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে কী ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে পারে? 
  1. ধুলিঝড়
  2. ভূমিকম্প
  3. জলোচ্ছ্বাস
  4. আগ্নেয়গিরি
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ফসল উৎপাদনে প্রভাব: 
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এশিয়ার দেশগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা ও পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়। 
- প্রায়শই বন্যা, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততা সৃষ্টি হয়। 
- অধিকন্তু ঋতু পরিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে বৈচিত্র্য দেখা দিচ্ছে। 
- বিশ্বব্যাংক বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিয়ে টার্ন ডাউন দ্য হিট: ক্লাইমেট রিজিওনাল ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড কেস ফর রেজিলিয়ান্স শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে উল্লেখ করেছে- প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পরপর বাংলাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা বন্যায় ডুবে যাবে। 
- তাপমাত্রা আড়াই ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে বন্যায় প্লাবিত এলাকার পরিমাণ ২৯ শতাংশ বাড়বে। 
- ২০৮০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উপকূলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ৬৫ সেন্টিমিটার বাড়লে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪০ শতাংশ ফসলি জমি হারিয়ে যাবে। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯১.
মহাশূন্যে অজস্র জড়পিন্ড কোন বলের আকর্ষণে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে?
  1. চৌম্বক বল
  2. অভিকর্ষ 
  3. বৈদ্যুতিক বল
  4. কেন্দ্রাতিগ বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ 
ব্যাখ্যা

উল্কা (Meteor):
- রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় যেন নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা কোনো নক্ষত্র যেন এই মাত্র খসে পড়ল। এই ঘটনাকে নক্ষত্রপতন বা তারা খসা বলে।
- এরা কিন্তু আসলে কোনো নক্ষত্র নয়, এদের নাম উল্কা ।
- মহাশূন্যে অজস্র জড়পিন্ড ভেসে বেড়ায়। এই জড়পিন্ডগুলো অভিকর্ষ বলের আকর্ষণে প্রচন্ড গতিতে (সেকেন্ডে প্রায় ৩ কিলোমিটার) পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে।
- বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে এরা জ্বলে ওঠে। ফলে এদের ছুটন্ত তারা বলে মনে হয়।
- বেশিরভাগ উল্কাপিন্ডই আকারে বেশ ক্ষুদ্র।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

৩,৩৯২.
ফোটন কণার নিশ্চল ভর কত?
  1. ক) 1
  2. খ) -1
  3. গ) 0
  4. ঘ) 2
সঠিক উত্তর:
গ) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 0
ব্যাখ্যা
ফোটন:
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (0)। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৩.
কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের অবস্থাকে কী বলা হয়? 
  1. বায়ুপ্রবাহ
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. আবহাওয়া
  4. জলবায়ু
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া: 
- বায়ুমণ্ডল ও তার গঠনকারী উপাদানভেদে বায়ুমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে বৈচিত্র্যময় হয়। 
- বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে চাপ, তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুপ্রবাহের পার্থক্য তৈরি হলেই প্রতিদিনের বায়ুপ্রবাহ, বায়ুতাপ ও চাপের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। 
- কোনো স্থানের দৈনন্দিন বায়ুর গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি উপাদানের অবস্থা। 
অর্থাৎ, কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের অবস্থাকে বলা হয় আবহাওয়া। 
- আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল এবং এটি একটি ক্ষুদ্র এলাকার বায়ুমণ্ডলের স্বল্পমেয়াদী অবস্থাকে তুলে ধরে। 
- আবহাওয়া সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যায় “আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র” থেকে। 
- সাধারণত আবহাওয়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বলেই প্রতিঘন্টা বা প্রতি দিনের আবহাওয়া পর্যালোচনা করে আবহাওয়ার গড় বের করা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৪.
বিবর্তন কোন ধরনের প্রক্রিয়া?
  1. ক) স্থির ও গতিশীল
  2. খ) গতিশীল
  3. গ) মন্থর ও গতিশীল
  4. ঘ) স্থির
সঠিক উত্তর:
গ) মন্থর ও গতিশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মন্থর ও গতিশীল
ব্যাখ্যা
যে ধীর, অবিরাম ও গতিশীল পরিবর্তন দ্বারা কোনো সরলতর উচ্চবংশীয় জীবের পরিবর্তন দ্বারা জটিল ও উন্নততর নতুন প্রজাতির বা জীবের উদ্ভব ঘটে তাকে বিবর্তন বা অভিব্যক্তি বা Evolution বলে। তাই বিবর্তন একটি মন্থর ও গতিশীল প্রক্রিয়া।
৩,৩৯৫.
সাইক্লোন শব্দটির অর্থ কী?
  1. ঝড়
  2. গরম হাওয়া
  3. চোখ
  4. সাপের কুণ্ডলী
সঠিক উত্তর:
সাপের কুণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপের কুণ্ডলী
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন শব্দটির অর্থ সাপের কুণ্ডলী।

• সাইক্লোন:
- সাইক্লোন শব্দটি এসেছে গ্রিক 'Kyklos' থেকে, যার অর্থ হল Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী।
- নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে।
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
- সাইক্লোন তৈরির জন্য সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়।
- বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চাইতে বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিল ১৯৯১ সালে। তখন বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, এনসিটিবি।
৩,৩৯৬.
যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ করোনা ভাইরাসের কোন টিকাটিকে প্রথম স্থায়ী অনুমোদন প্রদান করে?
  1. mRNA-1273
  2. Comirnaty
  3. Janssen
  4. Covishield
সঠিক উত্তর:
Comirnaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Comirnaty
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) বিভাগ গত ২৩ আগস্ট ২০২১ করোনা ভাইরাসের প্রথম কোন টিকা হিসেবে ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভিাবিত Comirnaty ভ্যাকসিনটিকে স্থায়ী বা পূর্ণ অনুমোদন প্রদান করে।
- এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর ২০২০ যুক্তরাষ্ট্র টিকাটির জরুরি ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করেছিলো।
- স্থায়ী অনুমোদনের ফলে Comirnaty টিকাটি কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় ১৫ বছরের উর্ধ্বে সকলের জন্যে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি এটির জরুরি ব্যবহার চালু থাকবে।
- যুক্তরাজ্য প্রথম দেশ হিসেবে গত ৮ ডিসেম্বর ২০২০ Comirnaty/BNT162b2/Tozinameran টিকার অনুমোদন প্রদান ও প্রয়োগ শুরু করে।
(তথ্যসূত্র: FDA ওয়েবসাইট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৩,৩৯৭.
প্রথম স্পেস টেলিস্কোপ কোনটি?
  1. হাবল টেলিস্কোপ
  2. স্পিটজার টেলিস্কোপ
  3. জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ
  4. গ্যালিলিও টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
হাবল টেলিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাবল টেলিস্কোপ
ব্যাখ্যা
হাবল স্পেস টেলিস্কোপ:
- মহাকাশে ভাসমান প্রথম টেলিস্কোপ হলো হাবল টেলিস্কোপ।
- আমেরিকান জ্যোতির্বিদ এডউইন পি. হাবল এর নামানুসারে NASA বিশ্বের প্রথম স্পেস-ভিত্তিক অপটিক্যাল টেলিস্কোপের নামকরণ করেছে। 
- ২৪ এপ্রিল ১৯৯০ হাবলের টেলিস্কোপ স্পেস শাটল ডিসকভারি (STS-31) থেকে প্রথম উৎক্ষেপণ করা হয়।
- ২৫ এপ্রিল ১৯৯০ থেকে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
- হাবল টেলিস্কোপ মিশন শুরু হওয়ার পর থেকে ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি পর্যবেক্ষণ সম্পন্ন করেছে।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ:
- জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (ইংরেজি: James Webb Space Telescope বা JWST) মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- উৎক্ষেপণের তারিখ: ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১।
- ১০ বিলিয়ন ডলারের জেমস ওয়েব নামধারী স্পেস টেলিস্কোপটি ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ:
- স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ, ২০০৩ সালে চালু হয়েছিল, যা ছিল নাসার ইনফ্রারেড গ্রেট অবজারভেটরি।
- ১৬ বছরের অপারেশনে অন্যান্য অনেক অর্জনের মধ্যে, স্পিটজার শনির একটি বিশাল বলয় আবিষ্কার করেছে, ৪০ আলোকবর্ষ দূরে একটি নক্ষত্রের চারপাশে সাতটি পৃথিবীর আকারের গ্রহের একটি সিস্টেম প্রকাশ করেছে এবং সবচেয়ে দূরবর্তী পরিচিত ছায়াপথগুলি পর্যবেক্ষণ করেছে৷
- ২০০৯ সালে, স্পিটজারের তরল কুল্যান্ট ফুরিয়ে যায় এবং তার "ওয়ার্ম মিশন" শুরু করে।
- ৩০ জানুয়ারী, ২০২০ মহাকাশযানটি পরিত্যাক্ত করে, স্পিটজার মিশনকে বন্ধ করে দেয়। 

গ্যালিলিও টেলিস্কোপ:
- ১৬১০ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও প্রথম জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেন।
- এটি কোন স্পেস টেলিস্কোপ নয়।
- এর সাহায্যে বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ এবং চাঁদের পিঠে পাহাড় আবিষ্কার করেন।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট [Link]
৩,৩৯৮.
ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৩০°। ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে-
  1. সকাল ০৯:০০ টা
  2. বিকাল ০২:০০ টা
  3. সন্ধ্যা ০৬:০০ টা
  4. রাত ০৯:০০ টা
সঠিক উত্তর:
বিকাল ০২:০০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকাল ০২:০০ টা
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
→ ৩০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের প্রার্থক্য হবে, ৩০×৪ = ১২০ মিনিট বা ২ ঘণ্টা।
→ যেহেতু পূর্বে গেলে সময় বাড়ে সেহেতু ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে বিকেল ২টা।
 
আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৯৯.
নিচের কোনটি জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে?
  1. ক) লাইসোজোম
  2. খ) কোষগহ্বর
  3. গ) রাইবোজোম
  4. ঘ) গলজি বস্তু
সঠিক উত্তর:
ক) লাইসোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লাইসোজোম
ব্যাখ্যা
লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। এর উৎসেচক আগত জীবাণুগুলো হজম করে ফেলে। রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪০০.
কংক্রিট দ্রুত বহন করতে নীচের কোনটি ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) টিপার
  2. খ) ক্রেন
  3. গ) ট্রাক
  4. ঘ) বেল্ট কনভেয়ার
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেল্ট কনভেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেল্ট কনভেয়ার
ব্যাখ্যা
বেল্ট কনভেয়ার:
- একটি ওয়ার্কসাইটের মাধ্যমে ক্রমাগত কংক্রিট পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বেল্ট পরিবাহক বহুমুখী এবং অনুভূমিকভাবে এবং একটি বাঁক উভয় স্থানে প্রচুর পরিমাণে কংক্রিট পরিবহন করতে সক্ষম।
- যেখানে স্থান সীমিত সেসব জায়গায় দ্রুত কংক্রিটের একটি বড় পরিমাণ পরিবহন করার সময় বেল্ট কনভেয়ার উপযোগী।

উৎস: theconcretenetwork.