বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৭ / ৩৯ · ২,৬০১২,৭০০ / ৩,৮৭৯

২,৬০১.
নিউমােনিয়া রােগ সৃষ্টি করে কোন ব্যাকটেরিয়া?
  1. ক) স্পাইরিলাম
  2. খ) ব্যাসিলাস
  3. গ) কক্কাস
  4. ঘ) কমা
সঠিক উত্তর:
গ) কক্কাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্কাস
ব্যাখ্যা
কোনাে কোনাে ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি গােলাকার। এরা কক্কাস ব্যাকটেরিয়া। এরা এককভাবে অথবা দলবেঁধে থাকতে পারে।
যেমন - নিউমােনিয়া রােগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া।
সূত্র: সপ্তম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান
২,৬০২.
রেশম তন্তু কোন প্রোটিন দিয়ে গঠিত? 
  1. এলাস্টিন 
  2. ফাইব্রেয়ন 
  3. কলাজেন 
  4. কেরাটিন 
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রেয়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রেয়ন 
ব্যাখ্যা

রেশম: 
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়। 

- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে। 
- রেশম তন্তু 'ফাইব্রেয়ন' নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬০৩.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত সমস্ত প্রক্রিয়া ঘটে? 
  1. তাপমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল 
  3. ট্রপোমণ্ডল 
  4. স্ট্রাটোমণ্ডল 
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল 
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। 
যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল। 

ট্রপোমণ্ডল: 
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে ট্রপোমণ্ডল বলে। 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৬০৪.
ঠোঁটের কোণ ও মুখের চারদিকে ফেটে যায় -
  1. ভিটামিন সি-এর অভাবে
  2. ভিটামিন বি -এর অভাবে
  3. ভিটামিন বি-এর অভাবে
  4. ভিটামিন বি১২-এর অভাবে
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি-এর অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি-এর অভাবে
ব্যাখ্যা
রিবোফ্লাভিন বা ভিটামিন বি উৎস: 
- কমলা ও হলুদ বর্ণের শাকসবজি যেমন- মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে, কুমড়োর ফুল, ডিমের কুসুম, দুধ, বাদাম, যকৃত রিবোফ্লাভিনের ভালো উৎস। 

অভাবজনিত অবস্থা: 
- রিবোফ্লাভিন বা ভিটামিন বি এর অভাবে জিহ্বায়, ঠোঁটের কোণায় ও মুখের ভিতরে ঘা দেখা দেয়। 
- ত্বক খসখসে হয়ে যায়। 
- ভিটামিন বি অভাবে মুখে ঘা হতে পারে। 

দৈনিক চাহিদা: 
- প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের দৈনিক ১.৭ মিলিগ্রাম ও নারীর ১.৩ মিলিগ্রাম প্রয়োজন। 
- শিশুদের দৈনিক ০.৮ মিলিগ্রাম এবং কিশোর কিশোরীদের যথাক্রমে ২.০ মিলিগ্রাম ও ১.৩ মিলিগ্রাম প্রয়োজন। 

অন্যদিকে, 
- ভিটামিন-সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। 
- ভিটামিন বি এর অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। 
- ভিটামিন বি এর অভাবে পেলেগ্রা হয়। 
- ভিটামিন বি১২ এর অভাবে রক্তশূন্যতা ও স্নায়ুতন্ত্রের অবক্ষয় দেখা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ন এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬০৫.
এইডস রোগের ক্ষতিকারক দিক হচ্ছে AIDS রোগে-
  1. ক) দেহের যকৃত নষ্ট হয়
  2. খ) মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়
  3. গ) দেহের কিডনী নষ্ট হয়
  4. ঘ) দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়
ব্যাখ্যা
• এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।
- এইডস এক ধরনের ভাইরাস জনিত রোগ। এই রোগের ভাইরাসটির নাম এইচআইভি। 
- এই ভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। 
- বাংলাদেশে এইডস রোগীর সংখ্যা এখনও খুব বেশি নয়, মোট জনসংখ্যার ০.১ শতাংশ। তবে নতুন রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হার বাড়ছে।

উৎস: unicef.org
২,৬০৬.
টেলিভিশনে ব্যবহৃত মৌলিক রং নয় কোনটি?
  1. লাল
  2. হলুদ
  3. নীল
  4. সবুজ
সঠিক উত্তর:
হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ
ব্যাখ্যা
টেলিভিশন: 
- টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র, যেখানে দূরবর্তী কোনো টেলিভিশন সম্প্রচার স্টেশন থেকে শব্দের সাথে সাথে ভিডিও বা চলমান ছবিও দেখা যায়। 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রং এ ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 
- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। এই ধরনের সম্প্রচার ক্যাবল টিভি নামে পরিচিত। 
- এ ছাড়াও স্যাটেলাইট টিভি নামে এক ধরনের টিভি অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করা হয়, এটি মহাকাশে পাঠানো উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি পৃথিবীতে পাঠানো হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬০৭.
মৌমাছি পালন বিষয়ক বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. এপিকালচার 
  2. সেরিকালচার 
  3. এভিকালচার
  4. অ্যাকোয়া কালচার 
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
ব্যাখ্যা

মৌমাছি: 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- মৌমাছির কলোনি তিন প্রকার মৌমাছি নিয়ে গঠিত। 
যেমন- একটি রাণী, কিছু হাজার কর্মী এবং কিছু শত পুরুষ। 
- মৌমাছিদের মধ্যে শ্রমবণ্টন দেখা যায়, যেখানে প্রতিটি মৌমাছি নির্দিষ্ট কাজ করে থাকে। 
- বহুরূপতা দেখা যায় তাদের দৈহিক গঠনেও, যেখানে রাণী, কর্মী এবং পুরুষ মৌমাছির শারীরিক গঠন ভিন্ন। 

- একটি মৌচাকে মাত্র একটি রাণী মৌমাছি থাকে। 
- রাণী মৌমাছি আকারে বড় এবং তার উদর প্রশস্ত হয়। 
- রাণী মৌমাছির ডানাগুলো ছোট এবং উদরের শেষ প্রান্তে সরু, যেখানে বাঁকানো হুল থাকে যা একটি রূপান্তরিত ওভিপজিটর। 
- রাণী মৌমাছির প্রোবোসিস ও রেণুখলি নেই, এবং তাদের ম্যান্ডিবল বা চোয়াল তীক্ষ্ণ হয়। 
- রাণী মৌমাছি মোম ও মধু তৈরি করতে পারে না, তার লালাগ্রন্থি নেই। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

২,৬০৮.
গামা রশ্মির ক্ষেত্রে কোনটি সত্য -
  1. ক) ধনাত্মক চার্জযুক্ত
  2. খ) ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
  3. গ) এর ভর ইলেক্ট্রনের ভরের সমান
  4. ঘ) এর বেগ আলোর বেগের সমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) এর বেগ আলোর বেগের সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এর বেগ আলোর বেগের সমান
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি:

১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
২। এই রশ্মি আলোর ন্যায় বেগে গতিশীল
৩। এর কোনো চার্জ ও ভর নাই।
৪। এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
৫। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে।
৮। গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৬০৯.
মঙ্গলের উপগ্রহ কোনটি?
  1. ইউরোপা
  2. ক্যালিস্টো
  3. হাইপেরিয়ন
  4. ফোবোস
সঠিক উত্তর:
ফোবোস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোবোস
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):
- সূর্য থেকে মঙ্গলের গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার।
- সূর্যের চতুদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে মঙ্গলের সময় লাগে প্রায় ৬৮৭ দিন।
- ডিমোস এবং ফোবোস নামক মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
- বৃত্তাকার কক্ষপথে ডিমোস প্রতি ৩০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড এবং ফোবস ৭ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে মঙ্গলকে একবার আবর্তন করে।
- মঙ্গলে রয়েছে সৌরজগতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি নিকস অলিম্পিকা।
- মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্গন প্রভৃতি গ্যাস রয়েছে। মঙ্গলের আকাশ নীল, মাটি লাল ও শুষ্ক । মঙ্গলের তাপমাত্রা ২০" সেলসিয়াস এর অধিক হয় না। তাপমাত্রা রাতে হিমাছের বহু নিচে নেমে যায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬১০.
GIS এর ব্যবহার সর্বপ্রথম কোথায় শুরু হয়?
  1. জাপানে
  2. কানাডায়
  3. যুক্তরাষ্ট্রে
  4. যুক্তরাজ্যে
সঠিক উত্তর:
কানাডায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডায়
ব্যাখ্যা

জিআইএস (Geographical Information System):
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে।
- এটি একটি কম্পিউটার হিসাবে সফ্টওয়ারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারস্পরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে।
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়।
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।
- বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন, পানি গবেষণা, আঞ্চলিক গবেষণা, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা, জনসংখ্যা বিশ্লেষণ, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশ্লেষণ প্রভৃতি বহুবিধ কাজে জিআইএস ব্যবহার হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৬১১.
ট্রানজিস্টরে কয়টি টার্মিনাল থাকে? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে। 
যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর। 
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)। 
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়। 
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে। 
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক। 
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে। 
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬১২.
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট ঋণাত্মক ইলেকট্রনের স্রোত কোনটি?
  1. আলফা রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
বিটা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটা রশ্মি
ব্যাখ্যা
- তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের ফলে যে বিটা রশ্মি নির্গত হয়, তা আসলে ঋণাত্মক ইলেকট্রনের স্রোত। 
অন্যদিকে,
- তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের ফলে যে আলফা রশ্মি নির্গত হয়, তা আসলে দ্বি-ধনাত্মক আধানবিশিষ্ট হিলিয়াম নিউক্লিয়াস এবং নির্গত গামা রশ্মি হলো তড়িৎ নিরপেক্ষ তরঙ্গ। 
- এক্স-রে একটি তড়িৎ নিরপেক্ষ তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ। 

সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি 
২,৬১৩.
পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?
  1. প্রক্সিমা সেন্টারাই
  2. সূর্য 
  3. চাঁদ
  4. আলফা সেন্টারাই
সঠিক উত্তর:
সূর্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য 
ব্যাখ্যা

সূর্য:
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)।
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।

এছাড়া,
- প্রক্সিমা সেন্টারাই: এটি সূর্যের পর পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি নক্ষত্র, যা ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- চাঁদ: এটি নক্ষত্র নয়। এটি পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ। 
- আলফা সেন্টারাই, ট্রিপল স্টার সিস্টেম, যার সবচেয়ে ক্ষীণ উপাদান।
- সবচেয়ে উজ্জ্বল উপাদান নক্ষত্র, আলফা সেন্টারাই A,
- দ্বিতীয় উজ্জ্বল উপাদান, আলফা সেন্টারাই B, 
- তৃতীয় উপাদান প্রক্সিমা সেন্টারাই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২,৬১৪.
কখন চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করে?
  1. অমাবস্যা তিথি
  2. পূর্ণিমা তিথি
  3. অষ্টমী তিথি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অষ্টমী তিথি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টমী তিথি
ব্যাখ্যা

অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবল হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।

২,৬১৫.
জাতিসংঘের কোন সংস্থাটি করােনা ভাইরাসকে 'pandemic' ঘােষণা করেছে?
  1. ECOSOC
  2. FAO
  3. WHO
  4. HRC
সঠিক উত্তর:
WHO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WHO
ব্যাখ্যা
WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে International Health Conference।
- বিশ্বব্যাপী উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই এই সংস্থার প্রধান কাজ।
- এটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহের জনস্বাস্থের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।

⤇ ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত International Health Conference -তে ৬১টি দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে।
- এর ২ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে WHO এর যাত্রা শুরু হয়।

⤇ বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য সংস্থাটি সদস্য দেশ সমূহের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিষয়ক সরকারি অন্যান্য সংস্থা ও বিভাগ, এনজিও এবং জনসাধারনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
- যে কোন রোগ-বালাই, নতুন রোগের সংক্রমণ বা জরুরি স্বাস্থ্যগত যেকোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভাবিত যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই সংস্থা সর্বদা নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে

উল্লেখ্য,
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ COVID-19 কে মহামারি (Pandemic) হিসেবে চিহ্নিত করে।
- বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ এবং প্রথম রোগী মারা যায় ১৮ মার্চ।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
২,৬১৬.
বন্যার জন্য দায়ী মানব সৃষ্ট কারণ কোনটি?
  1. মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব
  2. অপরিকল্পিত নগরায়ন
  3. মূল নদীসমূহের গভীরতা হ্রাস পাওয়া
  4. হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
অপরিকল্পিত নগরায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিকল্পিত নগরায়ন
ব্যাখ্যা
• বন্যার জন্য দায়ী মানব সৃষ্ট কারণ - অপরিকল্পিত নগরায়ন।

• বন্যা:
- নদীমাতৃক ও বৃষ্টিবহুল বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বর্ষা মৌসুমে সংঘটিত বন্যা অন্যতম।
- ব্যাপকতার ভিত্তিতে বাংলাদেশে সাধারণ ও ভয়াবহ-এই দুই ধরনের বন্যা হয়ে থাকে।
- বন্যায় প্লাবিত এলাকার জন-জীবন ও সম্পদের বিপুল ক্ষতি সাধিত হয়।

• বন্যার কারণসমূহ:
• প্রাকৃতিক কারণ:
- বর্ষাকালে উত্তরাঞ্চলে নদীর উজানে প্রচুর বৃষ্টি।
- মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব।
- মূল নদীসমূহের গভীরতা হ্রাস পাওয়া।
- শাখা নদীগুলো পলি দ্বারা ভরাট হয়ে যাওয়া।
- হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ।
- বঙ্গোপসাগরে ভরা জোয়ার।

• মানব সৃষ্ট কারণ:
- গঙ্গা নদীর উপর ফারাক্কা ও তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বাঁধের প্রভাব।
- বালু ভরাট করে নদীসমূহের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা দান।
- অপরিকল্পিত নগরায়ন ও জলাধার ভরাট করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্ন করা।
- অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬১৭.
সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ কোনটি?
  1. ক) পৃথিবী
  2. খ) বুধ
  3. গ) মঙ্গল
  4. ঘ) শুক্র
সঠিক উত্তর:
ক) পৃথিবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পৃথিবী
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাই অক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে।
- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
- সৌরজগতে পৃথিবীর পরেই মঙ্গল গ্রহের অবস্থান।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ।
২,৬১৮.
‘টিওআই ১৮৪৬ বি (TOI-1846 b)’ কী? [জুলাই, ২০২৫]
  1. যুদ্ধ জাহাজ
  2. ব্যালিস্টিক মিসাইল
  3. আবিষ্কৃত নতুন গ্রহ
  4. আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
আবিষ্কৃত নতুন গ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবিষ্কৃত নতুন গ্রহ
ব্যাখ্যা
টিওআই ১৮৪৬ বি:
- ‘টিওআই ১৮৪৬ বি’ নামে পৃথিবীর মতো বড় আকারে গ্রহ (সুপার আর্থ) আবিষ্কার করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।
- পৃথিবী থেকে ১৫৪ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত গ্রহটি থেকে রহস্যময় আলোর সংকেতও শনাক্ত করেছেন তাঁরা।
- বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, নাসার টেস স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে গ্রহটি শনাক্ত করা হয়েছে।
- আকার ও গ্রহের বৈশিষ্ট্যের কারণে গ্রহটিকে পৃথিবী ও নেপচুনের মতো বৃহত্তর গ্যাসসমৃদ্ধ গ্রহের মধ্যবর্তী স্থানে রাখা হয়েছে।
- বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ‘টিওআই ১৮৪৬ বি’ গ্রহের হোস্ট নক্ষত্র একটি লাল বামনকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে ইনফ্রারেড আলো ব্যবহার করে গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন তথ্য জানা যাবে।
- ফলে গ্রহটিতে থাকা জলীয় বাষ্প, মিথেন, কার্বন ডাই–অক্সাইড বা অন্যান্য গ্যাসের লক্ষণ বা পরিমাণ শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
২,৬১৯.
নিচের কোনটি মস্তিস্কজনিত রোগ?
  1. ক) হাঁপানি
  2. খ) এপিলেপসি
  3. গ) করোনা
  4. ঘ) জলাতঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) এপিলেপসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এপিলেপসি
ব্যাখ্যা
এপিলেপসি একটি মস্তিষ্কজনিত রোগ। 

- এক ধরণের স্নায়বিক ব্যাধি যা একজন ব্যক্তির বারবার খিঁচুনি ঘটায়।
- মস্তিষ্কে হঠাৎ অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক ক্রিয়াকলাপের কারণে এই খিঁচুনি ঘটে যা মস্তিষ্কের কোষগুলির মধ্যে মেসেজিং সিস্টেমে একটি অস্থায়ী ব্যাঘাত ঘটায়।
- এ রোগটি যেকোন বয়সেই হতে পারে। 
- আগুন, পানির সাথে এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। 

সূত্র- ২২৫ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬২০.
বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা কত?
  1. ৮০%
  2. ৭৫.৫%
  3. ৭৮.১%
  4. ৭১%
সঠিক উত্তর:
৭৮.১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮.১%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের শতকরা পরিমাণ: 
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন ⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬২১.
'কসমিক রে' আবিষ্কার করে হেস কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) ১৯৩০ সালে
  2. খ) ১৯৩৬ সালে
  3. গ) ১৯৪২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৬ সালে
ব্যাখ্যা

- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমুহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মি বলে।
- বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস 'কসমিক রে' আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

২,৬২২.
বাংলাদেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়-
  1. ক) ১৯৮৭ সালে
  2. খ) ১৯৮৫ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯ সালে কিন্তু সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ১৯৮৫ সালে। উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৬২৩.
ইনসুলিন কোথায় উৎপন্ন হয়?
  1. ক) পিত্তাশয়ে
  2. খ) পাকস্থলীতে
  3. গ) ইন্টারফেরনে
  4. ঘ) অগ্ন্যাশয়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্ন্যাশয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্ন্যাশয়ে
ব্যাখ্যা
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- অগ্ন্যাশয়ের ইংরেজি হচ্ছে প্যানক্রিয়াস।
- প্যানক্রিয়াস(pancrea) হল মানুষের একটি অংগ যা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। পাকস্থলী যেখানে শেষ হয়, ডিওডেনাম সেখানে শুরু হয়। আর ডিওডেনামের পিছনেই এটির অবস্থান।
 
এটা মূলত দুই ধরনের কাজ করে: 
১) খাদ্য হজমের জন্য পাচক রস বা ডাইজেস্টিভ জুস তৈরি করে পাকস্থলীতে সরবরাহ করে।
২) ইন্সুলিন ও গ্লুকাগন নিঃসরণ করে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
 


উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৬২৪.
মধুতে খুব বেশি পরিমানে থাকে -
  1. ক) কপার
  2. খ) ম্যাঙ্গানিজ
  3. গ) লৌহ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- মধু ভালো শক্তি প্রদানকারী খাদ্য। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
- মধুতে যে শর্করা থাকে তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে।
- মধু ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। 
- ১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
- রক্তশূন্যতা কমাতে মধু সহায়ক। মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে। কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
- হাঁপানি রোধে এবং ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে সহায়তাকারী।
- মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুমে কাজ করে।
 
উৎস : কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট
২,৬২৫.
বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা কত ভাগ?
  1. ০.০১ ভাগ
  2. ০.০৮ ভাগ
  3. ০.৪১ ভাগ
  4. ০.০৩ ভাগ
সঠিক উত্তর:
০.৪১ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৪১ ভাগ
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere। বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ: 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২,
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১,
• আর্গন (Ar )⇒ o.৮০,
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)⇒ ০.০৩,
• ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১,
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯,
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬২৬.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে 'বজ্রপাত' সৃষ্টি হয়?
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল
  2. খ) ট্রপোমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) তাপমন্ডল
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। যথা- ট্রপোমন্ডল, স্টার স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল। ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমন্ডল। আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬২৭.
কোভিড-১৯ কোন ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে?
  1. SARS-CoV-1
  2. SARS-CoV-2
  3. MERS-CoV
  4. Influenza A
সঠিক উত্তর:
SARS-CoV-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SARS-CoV-2
ব্যাখ্যা
কোভিড-১৯ রোগটি নভেল করোনা ভাইরাস বা SARS-CoV-2 (Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus 2) এর সংক্রমনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। 

• এটি ২০১৯ সালের শেষের দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয়।
- এটি SARS-CoV-1 (২০০৩ সালের SARS ভাইরাস) এর সাথে জেনেটিকভাবে সম্পর্কিত, তাই এর নামকরণ করা হয় SARS-CoV-2।
- ICTV (International Committee on Taxonomy of Viruses) কর্তৃক ২০২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নামকরণ করা হয় ।

• রোগের লক্ষণসমূহ:
(i)  জ্বর। 
(ii) শুকনো কাশি । 
(iii) শ্বাসকষ্ট। 
(iv) এ ছাড়া সর্দি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, দুর্বলবোধ, পাতলা পায়খানা, এমন কি মাংশপেশিতে ব্যথা।
(iv) শেষ পর্যন্ত নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

• করোনা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে (ক্ষেত্র বিশেষে ২৭ দিনের মধ্যে) রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এজন্য সন্দেহভাজন (যার লক্ষণ প্রকাশিত হয় নাই কিন্তু আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে) ব্যক্তিকে ১৪ দিন কোয়ারেনটাইনে রাখতে হয়।
- কোয়ারেনটাইন হলো নিজেকে একটি ঘরে সম্পূর্ণভাবে আবদ্ধ করে রাখা। এ সময় কারো সাথে দেখা সাক্ষাৎ, মেলামেশা না করা। এ অবস্থায় বাড়িতে থাকলে বলা হয় হোম কোয়ারেনটাইন।
- হাসপাতাল বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে থাকলে তাকে বলা হয় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইন।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২,৬২৮.
মানবদেহের প্রধান হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থির নাম কী?
  1. ক) থাইরয়েড
  2. খ) পিটুইটারি
  3. গ) প্যারাথাইরয়েড
  4. ঘ) থাইমাস
সঠিক উত্তর:
খ) পিটুইটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পিটুইটারি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রধান হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থির নাম হচ্ছে পিটুইটারি গ্রন্থি।  

- পিটুইটারি গ্রন্থি হলো একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।
- এই গ্রন্থিটি মস্তিষ্কের পাদদেশে অবস্থিত মটর দানার মতো দেখতে।
- মানব শরীরে পিটুইটারি গ্রন্থির ওজন ০.৫ গ্রাম।
- পিটুইটারি গ্রন্থির ৩টি অংশ আছে। 
যথাঃ– (১) সম্মুখ অংশ (Anterior Lobe) (২) মধ্য অংশ (Intermediate lobe) (৩) পশ্চাৎ অংশ ( Posterior lobe)।

পিটুইটারি গ্রন্থির কাজসমূহ- 
১. বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ।
২. জনন গ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ ও কার্য নিয়ন্ত্রণ।
৩. মাতৃদেহে দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬২৯.
নিচের কোনটির মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন সংঘটিত হয়?
  1. ভূমিকম্প
  2. হিমবাহ
  3. অগ্ন্যূৎপাত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ
ব্যাখ্যা
- যে সমস্ত কার্যাবলীর দ্বরা প্রাকৃতিকভাবে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয় তা ভূপ্রক্রিয়া নামে পরিচিত।
- ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন আকস্মিক ও ধীর দুভাবে সংঘটিত হয়।
আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
- ভূমিকম্প
- আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যূৎপাত
- সুনামি প্রভৃতি।
ধীর পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
- হিমবাহ
- বৃষ্টিপাত
- বায়ুপ্রবাহ
- সূর্যতাপ
- নদী প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি)
২,৬৩০.
নাসার চাঁদে প্রেরণকৃত প্রথম বাণিজ্যিক নভোযানের নাম কী? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. ব্লু ঘোস্ট
  2. চন্দ্রযান-৩
  3. স্পেসশিপ ২
  4. অ্যাপোলো ১১
সঠিক উত্তর:
ব্লু ঘোস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লু ঘোস্ট
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
নাসার বাণিজ্যিক নভোযান: 
- নাসার চাঁদে প্রেরণকৃত প্রথম বাণিজ্যিক নভোযানের নাম "ল্যান্ডার ব্লু ঘোস্ট"।
- এটি ফায়ারফ্লাই অ্যারোস্পেস দ্বারা তৈরি এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি নাসার CLPS প্রকল্পের অংশ হিসেবে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হবে।
- উৎক্ষেপণ স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে হবে এবং কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে শুরু হবে।
- মিশনটি ৪৫ দিন পর চাঁদে অবতরণ করবে এবং ১০টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা করবে।
- গবেষণাগুলি চাঁদের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবে।
- মিশনটি চন্দ্র ভূপৃষ্ঠে ড্রিলিং, স্যাম্পল কালেকশন এবং চন্দ্র ধুলা নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করবে।

তথ্যসূত্র: নাসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৬৩১.
এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তুলনায়- 
  1. সমান 
  2. অনেক ছোট 
  3. অনেক বড় 
  4. আলোর চেয়ে দ্বিগুণ 
সঠিক উত্তর:
অনেক ছোট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনেক ছোট 
ব্যাখ্যা

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরের ধর্মগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো- 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এক্সরে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 m/s বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৬৩২.
আমাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন-
  1. ২৫০০ ক্যালরি
  2. ২০০০ ক্যালরি
  3. ১৫০০ ক্যালরি
  4. ১০০০ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
২৫০০ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
কিলোক্যালরি: 
- খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তিকে খাদ্য ক্যালরি বা কিলোক্যালরি হিসেবে মাপা হয়। 
- ক্যালরি হচ্ছে শক্তির একক। 
- এক গ্রাম খাদ্য জারণের ফলে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে খাদ্যের ক্যালরি বলে। 
- এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° (ডিগ্রি) সেলসিয়াস বৃদ্ধি করার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সে পরিমাণ তাপশক্তি হচ্ছে এক ক্যালরি। 
- এক হাজার ক্যালরি সমান এক কিলোক্যালরি বা এক খাদ্য ক্যালরি (One Food Calorie)। 
- একটা খাদ্যের খাদ্য ক্যালরি বলতে বোঝায় খাদ্যটি সম্পূর্ণভাবে জারণ হলে কতখানি শক্তি বের হবে। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দৈনিক ২৫০০ kcal এবং একজন নারীর ২০০০ kcal এর সমপরিমাণ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা। 
২,৬৩৩.
স্ফিগমোম্যানোমিটার কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) রাসায়নিক বিক্রিয়া
  2. খ) নবায়নযোগ্য শক্তি
  3. গ) রক্তচাপ
  4. ঘ) স্নায়ুচাপ
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তচাপ
ব্যাখ্যা
স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ মাপা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৬৩৪.
নিচের কোনটি Non-communicable disease নয়?
  1. ডায়াবেটিস
  2. হার্ট ডিজিস
  3. Covid-19
  4. উচ্চ রক্তচাপ
সঠিক উত্তর:
Covid-19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Covid-19
ব্যাখ্যা
- অসংক্রামক রোগ (NCDs), যা দীর্ঘস্থায়ী রোগ হিসাবেও পরিচিত, এমন চিকিৎসা অবস্থা যা সংক্রামক নয় বা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সংক্রমণযোগ্য নয়।
- এই রোগগুলি একটি বর্ধিত সময়ের মধ্যে ধীরে ধীরে বিকাশের প্রবণতা থাকে এবং প্রায়শই এটি দীর্ঘায়িত হয়।
- এনসিডিগুলি তাদের ব্যাপকতা, স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উপর তাদের চাপের কারণে একটি উল্লেখযোগ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে অসংক্রামক রোগের কিছু সাধারণ উদাহরণ তুলে ধরা হল:
• Cardiovascular Diseases (CVDs):
- কার্ডিওভাসকুলার রোগগুলি হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালীগুলিকে প্রভাবিত করে।
- সাধারণ প্রকারের মধ্যে রয়েছে করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ), স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিউর এবং পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ।

• Cancer
• Chronic Respiratory Diseases
Diabetes
• Chronic Kidney Disease (CKD) ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, Covid-19 একটি সংক্রামক রোগ।  

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৬৩৫.
পৃথিবী কোন দিক থেকে কোন দিকে আবর্তন করে?
  1. পশ্চিম থেকে পূর্ব
  2. পূর্ব থেকে পশ্চিম
  3. উত্তর থেকে দক্ষিণ
  4. দক্ষিণ থেকে উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আবর্তন:
- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে। 
​- পৃথিবীর এই আবর্তন গতিই দৈনিক গতি বা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। 
​- নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ এক দিন। এটিকে সৌর দিন বলে।

⇒ পৃথিবীর আহ্নিক গতি একেক জায়গায় একেক রকম হয়।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সব স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এ জন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগও সবচেয়ে বেশি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৩৬.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৫৪ সালে
  2. ১৮৫৫ সালে
  3. ১৮৫৬ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

মালনীছড়া চা-বাগান:
- সিলেট শহরতলির বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত মালনীছড়া চা-বাগান।
- ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ইংরেজ ভদ্রলোক লর্ড হার্ডসন বাগানটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- চা-বাগানটির মোট আয়তন ২ হাজার ৫০০ একর। 

উল্লেখ্য,
- ১৯০৫ সালে প্রকাশিত আসাম ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারস, সিলেট-এ বলা হয়, সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। 
- চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে।

উৎস: i) ১৯ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো। [link]
         ii) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

২,৬৩৭.
সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ কত?
  1. ক) ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  2. খ) ৮০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  3. গ) ১০০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  4. ঘ) ১২০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
- Although there are no fires on the surface of the Sun, the photosphere seethes and roils, displaying the effects of the underlying convection.
- Photons flowing from below, trapped by the underlying layers, finally escape.
- This produces a dramatic drop in temperature and density.
- The temperature at the visible surface is about 5,800 K but drops to a minimum about 4,000 K at approximately 500 kilometres above the photosphere.
- The density, about 10−7 gram per cubic centimetre (g/cm3), drops a factor of 2.7 every 150 kilometres.
- The solar atmosphere is actually a vacuum by most standards; the total density above any square centimetre is about 1 gram, about 1,000 times less than the comparable mass in the atmosphere of Earth.
- One can see through the atmosphere of Earth but not through that of the Sun because the former is shallow, and the molecules absorb only radiation that lies outside of the visible spectrum.

Source: Britannica

এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড সথিক উত্তর।
২,৬৩৮.
‘এনডব্লিউএ ১৫৯১৫ (NWA 15915)’ কী?
  1. অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
  2. বিরল উল্কাপিণ্ড
  3. সামরিক গোয়েন্দা ড্রোন
  4. দুর্লভ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী
সঠিক উত্তর:
বিরল উল্কাপিণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরল উল্কাপিণ্ড
ব্যাখ্যা
‘এনডব্লিউএ ১৫৯১৫':
- বিরল উল্কাপিণ্ডটির পুরো নাম নর্থওয়েস্ট আফ্রিকা ১৫৯১৫।
- উল্কাপিণ্ডটি পাথুরে অ্যাকনড্রাইট দিয়ে তৈরি, যা অন্য কোনো উল্কাপিণ্ড বা গ্রহের মধ্যে দেখা যায়নি।
- ২০২৩ সালে আলজেরিয়ায় আবিষ্কৃত উল্কাপিণ্ডটির বিভিন্ন উপাদান বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২.৮৪ কিলোগ্রাম ওজনের এই শিলা সম্ভবত অন্য কোনো গ্রহের অংশ ছিল। 
- বিজ্ঞানীদের ধারণা, এনডব্লিউএ ১৫৯১৫ নামের উল্কাপিণ্ডটি সম্ভবত বুধ গ্রহের মতো অন্য কোনো গ্রহ থেকে এসেছে।
- এই বিরল উল্কাপিণ্ডটি সৌরজগতের প্রাথমিক সময়কার বিশৃঙ্খল অবস্থা সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২,৬৩৯.
সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা -
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ এবং গ্রহসমূহ:
- মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে জগতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে বিশ্বজগৎ বা বিশ্বভ্রহ্মান্ড বলে।
- সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র।
- সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে।
- মহাকাশে সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট গতিতে, নির্দিষ্ট দূরত্বে, একই সমতলে একইদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘূনর্ণরত সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধুমকেতু ও উল্কাপিন্ডের সমন্বয়ে সৌরজগত গঠিত হয়েছে।
- সৌরজগতে মোট ৮টি গ্রহ।
- যথা: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।

উল্লেখ্য,
- প্লুটো গ্রহকে বর্তমানে গ্রহ হিসেবে গণ্য করা হয় না, কারণ প্লুটো গ্রহের সাথে গ্রহের বৈশিষ্ট্যের মিল নেই।

উৎস: i) NASA (.gov).
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৪০.
নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করে-
  1. পূর্বে - দক্ষিণে
  2. উত্তর - দক্ষিণে
  3. পূর্ব-পশ্চিমে
  4. পশ্চিম-দক্ষিণে
সঠিক উত্তর:
উত্তর - দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর - দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
• অক্ষরেখা (Latitude)
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে।
- এই অক্ষের উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে।
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে।
- একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে
- উত্তর নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে।
- এই নিরক্ষরেখাকে ০° ধরে উত্তর দিকে ও দক্ষিণ দিকে দুই মেরু পর্যন্ত ৯০° বা এক সমকোণ ধরা মেকরেখা হয়।
- পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলে।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরাল যে রেখাগুলো নিক্ষ পশ্চিম পূর্ব রয়েছে সেগুলো হলো অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখাগুলো আসলে কল্পনা রেখ করা হয়েছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,৬৪১.
ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা?
  1. অ্যানোফিলিস মশা
  2. কিউলেক্স মশা
  3. এডিস মশা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এডিস মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডিস মশা
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু:
• এডিস মশা ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহন করে।
• ডেঙ্গু জ্বরের বাহক মশার নাম Aedes aegypti.
• এছাড়াও এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
• এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।

ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ:
- জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি।
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়। এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান-২য় পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং WHO ওয়েবসাইট। 
২,৬৪২.
খনিজ পদার্থ কত প্রকার?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাচঁ
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
ব্যাখ্যা
মৌল ও যৌগ বিবেচনায় খনিন পদার্থ দুই প্রকার। মৌলিক ও যৌগিক খনিজ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,৬৪৩.
মানবদেহের দেহকোষে অটোজোম সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ০২টি
  2. খ) ২২টি
  3. গ) ৪৪টি
  4. ঘ) ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৪টি
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম
- মানবদেহের দেহকোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪টি ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম। 
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে অটোজোমের কোনো ভূমিকা নেই। 
- অন্য এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৪৪.
অত্যধিক ঠাণ্ডায় অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত টিস্যুর ওপর নিচের কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়?
  1. বায়োসার্জারি
  2. ক্রায়োসার্জারি
  3. ক্রোমোসার্জারি
  4. হোমোসার্জারি
সঠিক উত্তর:
ক্রায়োসার্জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রায়োসার্জারি
ব্যাখ্যা
ক্রায়োসার্জারি: 
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠাণ্ডায় তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়। 
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়। 
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- ক্রয়োসার্জারিকে একটি কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে। 

ক্রায়োসার্জারির সুবিধাসমূহ: 
• ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি থেকে কম ক্ষতিকর। 
• সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, ক্রয়োসার্জারিতে তা হয় না। 
• ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ কম। 
• অন্য পদ্ধতির তুলনায় হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়। 

ক্রায়োসার্জারির অসুবিধাসমূহ: 
• দীর্ঘমেয়াদী ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা। 
• মাইক্রোকপিক ক্যান্সার বিস্তার রোধে ব্যর্থ। 
• কার্যকর কৌশলের বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৪৫.
দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল তৈরি করা হয় তাকে বলা হয় -
  1. ক) রেক্টিফায়ার
  2. খ) ট্রান্সফরমার
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) এলইডি
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।

সুতরাং একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে।
গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকারঃ
(১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং
(২) n-p-n ট্রানজিস্টর।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৪৬.
লঘু এসিড কোন স্বাদযুক্ত?
  1. ক) মিষ্টি
  2. খ) ঝাল
  3. গ) নোনতা
  4. ঘ) টক
সঠিক উত্তর:
ঘ) টক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টক
ব্যাখ্যা
প্রায় সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,৬৪৭.
উল্কা ও কসমিক কনার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে-
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল এর ঊর্ধ্বস্তরে
  2. খ) আয়নমন্ডল এর ঊর্ধ্বস্তরে
  3. গ) ট্রপোমন্ডলের ঊর্ধ্বস্তরে
  4. ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) আয়নমন্ডল এর ঊর্ধ্বস্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আয়নমন্ডল এর ঊর্ধ্বস্তরে
ব্যাখ্যা
ওজোন স্তরের উপরে প্রায় ২২ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত যে স্তর সেটিই আয়ন স্তর নামে পরিচিত। এই স্তর কতগুলো আধানযুক্ত কণা সমষ্টি। বেতারতরঙ্গ আয়ন স্তর থেকে প্রতিফলিত হয়। এ স্তরের মাধ্যমেই বেতার সংবাদ আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে। এ স্তরে উল্কা, কসমিক রে পাওয়া যায়।
২,৬৪৮.
নিচের কোন এমপ্লিফায়ারের কার্যক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ক্লাস-বি এমপ্লিফায়ার
  2. খ) ক্লাস-সি এমপ্লিফায়ার
  3. গ) ক্লাস-এ এমপ্লিফায়ার
  4. ঘ) ক্লাস-ডি এমপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লাস-এ এমপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লাস-এ এমপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা
যে যন্ত্র এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেতকে বহির্গামীতে বিবর্ধিত করে তাকে এমপ্লিফায়ার বলে। কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে তিন শ্রেণীর অ্যামপ্লিফায়ার আছে। যথা- এ-শ্রেণী, বি-শ্রেণী এবং সি-শ্রেণী এমপ্লিফায়ার। এ-ক্লাস বা শ্রেণি এমপ্লিফায়ারের কার্যক্ষমতা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৯০%। উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৪৯.
শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডল প্রধানত কোন গ্যাস দ্বারা গঠিত? 
  1. নাইট্রোজেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
  3. অক্সিজেন 
  4. হিলিয়াম 
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড 
ব্যাখ্যা

শুক্র (Venus): 
- বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়। 
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়। কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই একে ভুল করে তারা বলা হয়। 
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা, তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না। 
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডের তৈরি
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ। 
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার। 
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না, এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি। 
- শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার। 
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর। 
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই। 
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও একমাত্র শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৬৫০.
ব্যাকটেরিওলজির জনক কে?
  1. লুই পাস্তুর
  2. এহরেনবার্গ
  3. রবার্ট কচ
  4. লিউয়েন হুক
সঠিক উত্তর:
রবার্ট কচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট কচ
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড।
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়।
- ব্যাক্টেরিওলজির জনক হলেন রবার্ট কচ (Robert Koch)।
- রবার্ট কচ (১৮৪৩–১৯১০) ছিলেন একজন জার্মান চিকিৎসক এবং ব্যাক্টেরিওলজির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেন যে নির্দিষ্ট রোগের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দায়ী।
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব।
- ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়।

উৎস:
১। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

২,৬৫১.
ধ্রুবতারা সাধারণত দেখা যায়-
  1. পূর্ব গোলার্ধ
  2. পশ্চিম গোলার্ধ
  3. উত্তর গোলার্ধ
  4. দক্ষিণ গোলার্ধ
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধ
ব্যাখ্যা
• ধ্রুবতারা (Polaris):
- Ursa Minor (Little Bear) নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত।
- এটি উত্তর গোলার্ধে দেখা যায়।
- এটি পৃথিবীর উত্তর মেরুর ঠিক উপরে অবস্থান করার কারণে স্থির মনে হয় এবং এটি উত্তর দিক নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- ধ্রুবতারা প্রাচীনকাল থেকে নাবিক এবং অভিযাত্রীদের দিক নির্ধারণে সাহায্য করে আসছে।
- এর দিকে তাকিয়ে থাকা মানে আপনার ডানে পূর্ব, বাঁয়ে পশ্চিম আর পেছনে দক্ষিণ।
- এটি সারা বছর উত্তর গোলার্ধে দেখা যায় এবং বিশেষভাবে গ্রীষ্মকালে এটি সবচেয়ে ভালোভাবে দৃশ্যমান হয়​।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৬৫২.
মঙ্গল গ্রহের কতটি উপগ্রহ রয়েছে? 
  1. ৫টি
  2. ১১টি
  3. ২টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

মঙ্গল গ্রহ (Mars):

- মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহেঅক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস:  NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

২,৬৫৩.
জোয়ার-ভাটা তৈরিতে মূখ্য ভূমিকা রাখে কোনটি?
  1. চাঁদ
  2. সূর্য
  3. কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাব
  4. গ্রহ-নক্ষত্রের আকর্ষণ
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর সকল পদার্থ একটি অপরটিকে আকর্ষণ করছে। এ আকর্ষণকে মহাকর্ষ (gravitation) বলে। মহাকর্ষের প্রভাবে পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারদিকে এবং চন্দ্র সর্বদা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।
- আর এই কারণেই পৃথিবীর জলরাশি কখনো বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। মহাকাশে অবস্থিত সব নক্ষত্র, গ্রহ ও উপগ্রহের এ আকর্ষণের পরিমাণ সমান না। বড় পদার্থের আকর্ষণ ক্ষমতা ছোট পদার্থ অপেক্ষা বেশি।
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার ভাঁটায় চন্দ্রের প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা যায়।
- জোয়ার-ভাঁটার ক্ষেত্রে চন্দ্র ও সূর্য উভয়ই পৃথিবীর ওপর নিজ নিজ শক্তি প্রয়োগ করলেও চন্দ্রের শক্তির অধিকতর প্রয়োগ হয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল প্রথম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
২,৬৫৪.
নিচের কোনগুলো গ্রীনহাউস গ্যাস হিসেবে পরিচিত? 
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
  2. অক্সিজেন ও ধূলিকণা
  3. নাইট্রোজেন ও সালফার
  4. পানি ও ইথেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
ব্যাখ্যা

গ্রীনহাউস গ্যাস:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- আমরা জানি, যে বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে।
- মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৫৫.
ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ কোনটি? 
  1. মিথেন 
  2. কার্বন ডাই–অক্সাইড 
  3. সিএফসি 
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
সিএফসি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিএফসি 
ব্যাখ্যা

ওজোন স্তর সংরক্ষণ: 
- বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ স্তরটি হলো ওজোন স্তর।
- ওজোন স্তর ক্ষয় হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সিএফসি (ক্লোরোফ্লোরো কার্বন)। 
- বৈশ্বিক সেক্টর থেকে সিএফসি এর ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে। 
- ২০১২ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী ঔষধ শিল্প ব্যতীত সকল সেক্টরে সিএফসি ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হয়েছে। 
- মন্ট্রিল প্রোট্রোকলের শর্তানুযায়ী বাংলাদেশ একটি 'ওজোন সেল' গঠন করেছে যা ওজোন স্তর রক্ষায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। 
- বাংলাদেশ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ সংক্রান্ড বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবস গুরুত্বের সাথে পালন করছে।
যেমন-৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, ১৪ অক্টোবর বিশ্ব মরুময়তা দিবস, ১৬ সেপ্টেম্বর ওজোন দিবস ইত্যাদি। 
- টেকসই উন্নয়নের জন্য আমাদেরকে মৃত্তিকা, পানি, বায়ু, বনভূমি, জীববৈচিত্র্য প্রভৃতির স্থায়িত্ব এবং পারিবেশিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। 
- যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের পূর্বে পারিবেশিক প্রভাব মূল্যায়ন (Environmental Impact Assesment) করতে হবে এবং বিভিন্ন আইন ও নীতিমালার সুষ্ঠু প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৫৬.
তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মি কোনটি?
  1. গামা
  2. আলফা
  3. বিটা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় বিকিরণের বৈশিষ্ট্য: 
-  বিখ্যাত বিজ্ঞানী মাদাম কুরী একটি সহজ পরীক্ষা দ্বারা তেজস্ক্রিয় বিকিরণে তিন ধরণের রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরণের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রস্থ। 
- যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রস্থ। 
- আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- ধনাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে আলফা রশ্মি, ঋণাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে বিটা রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা রশ্মি বলে। 
- আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চেখে দেখা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৫৭.
সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে তৃতীয় গ্রহ কোনটি?
  1. বুধ
  2. শুক্র
  3. পৃথিবী
  4. মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী
ব্যাখ্যা

• বুধ–শুক্র–পৃথিবী এই ক্রমে গ্রহগুলো অবস্থিত।

• প্রাকৃতিক গ্রহ ও উপগ্রহ:

- আমরা যে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে বাস করি, তার নাম আকাশগঙ্গা (Milky Way)।
- এই ছায়াপথে আমাদের সূর্য ও তার পরিবার অবস্থিত, যাকে সৌরজগৎ বলা হয়।

• সৌরজগৎ:

- সৌরজগতের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সূর্য।
- সূর্যের চারদিকে আবর্তনশীল মোট ৮টি গ্রহ রয়েছে।
- গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে।

- সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে গ্রহগুলো হলো—

- বুধ,
- শুক্র,
- পৃথিবী,
- মঙ্গল,
- বৃহস্পতি,
- শনি,
- ইউরেনাস,
- নেপচুন।
 
• গ্রহ (Planet):

- যেসব বৃহৎ বস্তু সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে, সেগুলোকে গ্রহ বলা হয়।
- গ্রহগুলো নিজস্ব আলো উৎপন্ন করতে পারে না; তারা সূর্যের আলো প্রতিফলন করে।

 
• উপগ্রহ (Satellite):

- যে বস্তু কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে, তাকে সেই গ্রহের উপগ্রহ বলা হয়।

উদাহরণ—

- চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
- সুতরাং, পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
 
• গ্রহ ও উপগ্রহের গতি:

- গ্রহ সূর্যের চারদিকে এবং উপগ্রহ গ্রহের চারদিকে ঘোরে।
- এই গতির ফলেই দিন-রাত, মাস ও বছর নির্ধারিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

২,৬৫৮.
আমরা দৈনন্দিন জীবনে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করি?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) অক্টাল
  3. গ) ডেসিমাল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমাল
সঠিক উত্তর:
গ) ডেসিমাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডেসিমাল
ব্যাখ্যা
আমরা দৈনন্দিন জীবনে ডেসিমাল বা দশমিক পদ্ধতি ব্যবহার করি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৬৫৯.
সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় কত খ্রিস্টপূর্বে?
  1. খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে
  2. খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০ অব্দে
  3. খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে
  4. খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ অব্দে
সঠিক উত্তর:
খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে
ব্যাখ্যা
সুনামি:
- সুনামির (Tsunami) কারন হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। 
- এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- এখানে 'tsu' অর্থ বন্দর বা harbour এবং 'nami' অর্থ সামুদ্রিক ঢেউ।
- সুনামির উৎপত্তি সমুদ্রতলে।
- সমুদ্র তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদরপৃষ্ঠে বিশাল যে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।
- সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৬০.
খাদ্যবাহিত রোগ–
  1. ক) ফ্লু
  2. খ) হাম
  3. গ) টাইফয়েড
  4. ঘ) কোভিড-১৯
সঠিক উত্তর:
গ) টাইফয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টাইফয়েড
ব্যাখ্যা
• খাদ্যবাহিত রোগ:
- পানি ও খাদ্যের সাথে আমাদের দেহে রোগ জীবাণু প্রবেশ করে। অনেক সময় সংক্রমণ হয়ে মহামারী আকার ধারণ করে।
- খাদ্যের মাধ্যমে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে যে রোগ সৃষ্টি হয় তাকে খাদ্যবাহিত রোগ বলে।
- কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড, ডায়রিয়া ইত্যাদি রোগের জীবাণু কৃত্রিম খাদ্য ও পানি, দুধ প্রভৃতি খাদ্যদ্রব্যের সাথে মিশে সংক্রমিত হয়।

• বায়ুবাহিত রোগ:
- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হপিং কফ, নিউমোনিয়া, সাধারণ ঠান্ডা জ্বর, বসন্ত, হাম, কোভিড-১৯ ইত্যাদি।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান- ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৬৬১.
২০১৩ সালে হিগস বোসন তত্ত্বের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে লাভ করেন-
  1. পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার
  2. পিটার হিগস ও স্টিফেন হকিং
  3. মারে গেল-ম্যান ও রিচার্ড ফাইনম্যান
  4. স্টিফেন হকিং ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার
সঠিক উত্তর:
পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার
ব্যাখ্যা

• ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে প্রদান করা হয় পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ারকে, মৌলিক কণার ভর উৎপত্তি ব্যাখ্যাকারী হিগস বোসন তত্ত্বের জন্য, যা ২০১২ সালে CERN–এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে পরীক্ষামূলকভাবে নিশ্চিত হয়।

• হিগস বোসন তত্ত্ব:

- হিগস বোসন তত্ত্ব স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি ব্যাখ্যা করে কীভাবে মৌলিক কণাসমূহ ভর অর্জন করে।
- তত্ত্বটি হিগস ক্ষেত্রের ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- কণাসমূহ হিগস ক্ষেত্রের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ভর লাভ করে।
- হিগস বোসন হলো সেই ক্ষেত্রের কোয়ান্টাম কণা।

• ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ১৯৬৪ সালে পিটার হিগসসহ একাধিক বিজ্ঞানী ভর উৎপত্তি সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।
- ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন (CERN) গবেষণাগারে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের মাধ্যমে হিগস বোসনের অস্তিত্ব পরীক্ষামূলকভাবে নিশ্চিত হয়।
- ২০১৩ সালে পিটার হিগস এবং ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব:
- হিগস বোসনের আবিষ্কার স্ট্যান্ডার্ড মডেলকে পূর্ণতা প্রদান করে।
- এটি মৌলিক কণাতত্ত্বের দীর্ঘদিনের একটি তাত্ত্বিক সমস্যার সমাধান করে।
- একে কখনও কখনও জনপ্রিয়ভাবে “গড পার্টিকল” বলা হয়, যদিও এটি বৈজ্ঞানিক নাম নয়।

• অন্যান্য অপশন:
- স্টিফেন হকিং → ব্ল্যাক হোল বিকিরণ ও মহাকাশতত্ত্বে অবদানের জন্য পরিচিত।
- মারে গেল-ম্যান → কোয়ার্ক তত্ত্ব প্রবর্তনের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- রিচার্ড ফাইনম্যান → কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডাইনামিক্সে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize in Physics 2013 – Official Summary.

২,৬৬২.
কেমোথেরাপির ভিত্তি কী?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. কোষ বিভাজন
  3. চৌম্বকক্ষেত্র
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ বিভাজন
ব্যাখ্যা
কোমোথেরাপি (Camotherapy):
- কেমোথেরাপি হলো এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি।
- ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। জীবদেহের কোষ বিভাজনের উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত।
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার উপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে।
- যেমন প্রতিদিনে একবার, সপ্তাহে একবার বা মাসে একবার প্রভৃতি। সাধারণত এভাবে প্রায় ছয়বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়।

রেডিওথেরাপি (Radio Therapy) :
- রেডিওথেরাপি হলো ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল যার মাধ্যমে শরীরের ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়।
- রেডিও থেরাপি একটি চিকিৎসা প্রক্রিয়া যা ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হয়।
- রেডিও থেরাপি শব্দটি ইংরেজি Radiation Therapy এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি ব্যবহার করে ক্যান্সার, থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক প্রকৃতি, রক্তের কিছু ব্যধির চিকিৎসা করা হয়।
- সাধারণত রেডিওথেরাপি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। শরীরের যে অঙ্গে ক্যানসার হয়েছে সে অঙ্গের আক্রান্ত স্থানে রশ্মি প্রয়োগ করা হয় এর ফলে কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়।
- এ প্রক্রিয়ায় কিছু সংখ্যক সুস্থ কোষও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবুও আমাদের উদ্দেশ্য হলো যত কম সংখ্যক সুস্থ কোষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বহু সংখ্যক ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা। ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ সুস্থ কোষ নিজ থেকেই এই ক্ষয়পূরণ করতে পারে।
- দুই ধরনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের DNA ধ্বংস করা হয় একটি হলে ফোটন কণাকে কাজে লাগিয়ে অন্যটি তেজস্ক্রিয় কণার মাধ্যমে।

উৎস: মাধ্যমিক বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদায়লয়।
২,৬৬৩.
মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত প্রধান তত্ত্বটি কী?
  1. বিগব্যাং তত্ত্ব
  2. ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব
  3. আপেক্ষিক তত্ত্ব
  4. নিউটনের গতি সূত্রীয় তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
বিগব্যাং তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিগব্যাং তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি বোঝানোর প্রধান তত্ত্ব হলো বিগব্যাং তত্ত্ব। এই তত্ত্ব অনুসারে, প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত অবস্থায় সংকুচিত ছিল। এক মুহূর্তে এটি একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে সম্প্রসারিত হতে শুরু করে, যা থেকে সময়, স্থান ও পদার্থের সৃষ্টি হয়। বিগব্যাং তত্ত্বের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন এবং গ্যালাক্সি গঠনের প্রমাণগুলি ব্যাখ্যা করা যায়। তাই মহাবিশ্বের উৎপত্তি বোঝার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব।

- সঠিক উত্তর: ক) বিগব্যাং তত্ত্ব।

মহাবিশ্ব: 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

মহাবিশ্বের উৎপত্তি: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

২,৬৬৪.
নিচের কোন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই?
  1. অ্যালকোহল
  2. কেরোসিন
  3. পারদ
  4. অ্যামোনিয়া
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও  নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৬৫.
In 2020, astronomers observed the first direct image of a black hole, Which black hole was the subject of this historic image?
  1. Sagittarius A*
  2. Cygnus X-1
  3. Messier 87 (M87)
  4. V404 Cygni
সঠিক উত্তর:
Sagittarius A*
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sagittarius A*
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ের কেন্দ্রে ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি:

- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা Sagittarius A* ব্ল্যাক হোলের প্রথম প্রত্যক্ষ চিত্রটি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
- এটি ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ (EHT) দ্বারা সংগ্রহ করা হয়েছিল।
- ‘স্যাজিটেরিয়াস এ’ আদতে একটি দানবাকৃতি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর।
- ২০১৯ সালের মে মাসে কয়েক দিন ধরে অদ্ভুত একটা আলোর ঝলসানি দেখে তার সক্রিয়তাকে চিহ্নিত করেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। - পৃথিবী থেকে ২৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত, সূর্যের চেয়ে ৪০ লক্ষ গুণ বেশি ভরের ওই ব্ল্যাক হোলটি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র - Event Horizon Telescope.
২,৬৬৬.
এম আর আই (MRI) যন্ত্রে ব্যবহৃত হয় নিচের কোনটি?
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) রেডিও তরঙ্গ
  3. গ) মাইক্রোওয়েব
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
এম আর আই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং ((Magnetic Resonance Imaging)। 
এম আর আই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।
নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র কাজ করে থাকে।
 
 এম আর আই হলো একটি কৌশল যা শরীরের যে কোনো অঙ্গের (নরম ও সংবেদনশীল) পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে। 
এটি শরীরের যে কোনো অঙ্গের জন্য ব্যবহার করা হলেও মস্তিষ্ক, পেশি এবং টিউমার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৬৭.
নিচের কোনটি অণুজীব?
  1. ক) Bacillus
  2. খ) Spirillum
  3. গ) Streptococcus
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল, অ্যামিবা ইত্যাদিকে নিম্নশ্রেণির জীব বলা হয়।
- এদের মধ্যে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অ্যামিবা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া দেখা যায় না। এরা অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত।
- কিছু কিছু ছত্রাক ও শৈবাল খালি চোখে দেখা গেলেও অধিকাংশ ছত্রাক ও শৈবাল দেখতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য লাগে। এসব অণুজীব বা আদিজীব মানুষ, গৃহপালিত পশুপাখি ও উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টি করে। আবার পরিবেশে এদের অনেক উপকারী ভূমিকাও রয়েছে। 

- Bacillus, Spirillum, Streptococcus এক ধরণের ব্যাকেটেরিয়া, যা অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র-  ৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই ও জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৬৬৮.
পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. সূর্য
  2. সিরিয়াস
  3. প্রক্সিমা সেন্টরা
  4. আলফা সেন্টরা
সঠিক উত্তর:
সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য
ব্যাখ্যা

◉ পৃথিবীর একেবারে নিকটতম নক্ষত্র হলো সূর্য। এর গড় দূরত্ব পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার (1 Astronomical Unit, AU)।

নক্ষত্র (Star): 
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। 
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। 
- খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়। 
- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। 
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। 

- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে, কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। 
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। 
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। 
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। 
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। 
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৬৬৯.
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী, ১৯৯০।
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয় ১৯৯৩ সালে।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
২,৬৭০.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপ-কূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের ( Continental shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ক) ৩৫০ নটিক্যাল
  2. খ) ৪০০ নটিক্যার মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ৩০০ নটিকেল মাইল
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৫০ নটিক্যাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৫০ নটিক্যাল
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
Source: britannica.com
২,৬৭১.
সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
  1. ইউরেনাস
  2. বুধ
  3. মঙ্গল
  4. শুক্র
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহ রয়েছে।
এগুলো হলো:
- বুধ
- শুক্র
- পৃথিবী
- মঙ্গল
- শনি
- বৃহস্পতি
- ইউরেনাস এবং
- নেপচুন।
- সবচেয়ে বড় গ্রহ হলো বৃহস্পতি।
- সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ।
- বুধ ও শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।
- সর্বাধিক ৮২টি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের।
- শুক্র গ্রহের কোন বায়ুমণ্ডল নেই।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং নাসা)
২,৬৭২.
সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা কত (প্রায়)? 
  1. ১০০০° সেলসিয়াস
  2. ৬০০০° সেলসিয়াস
  3. ৩৬০০০° সেলসিয়াস
  4. ৬০০০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৭৩.
নিচের কোন কণার অস্তিত্ব লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার যন্ত্রের মাধ্যমে ধরা পরে? 
  1. লেপটন কণা
  2. পজিট্রন কণা
  3. হ্যাড্রন কণা
  4. হিগস কণা
সঠিক উত্তর:
হিগস কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিগস কণা
ব্যাখ্যা
হিগস কণা: 
- ‘হিগস কণা’ পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি মৌলিক কণা। 
- সুইজারল্যান্ডের সার্ন এর লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার যন্ত্রে ২০১২ সালে এই হিগস কণার অস্তিত্ব ধরা পড়ে। 
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওন লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে 'ঈশ্বর কণা' নামে চিহ্নিত করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও CERN ওয়েবসাইট।
২,৬৭৪.
মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা -
  1. ক) ৫০ মিটার
  2. খ) ১৫০ মিটার
  3. গ) ৩২০ মিটার
  4. ঘ) ৪২০ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫০ মিটার
ব্যাখ্যা
মহীসোপানঃ পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ ঢালু হয়ে সমুদ্রে নেমে গেছে। এরূপে সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে। মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার। এটি ১° কোণে সমুদ্রের তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
২,৬৭৫.
রক্তে কোনটির মাত্রা বৃদ্ধি পেলে জন্ডিসের লক্ষণ প্রকাশ পায়?
  1. ক) বিলিরুবিন
  2. খ) ইনসুলিন
  3. গ) কোলেস্টেরল
  4. ঘ) হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
ক) বিলিরুবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিলিরুবিন
ব্যাখ্যা
• জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া। বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যেটা রক্তে উপস্থিত লাল রক্ত কনিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়।

অপরদিকে ----

• কোলেস্টেরল এক ধরনের চর্বি। এটি কয়েক ধরনের হয়ে থাকে ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল, এইচডিএল এবং টোটাল কোলেস্টরল। এর মধ্যে একটা হলো উপকারী। আর তিনটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 

• ইনসুলিন হলো অগ্ন্যাশয়ের প্রধান হরমোন,এক ধরনের পলিপ্যাপটাইড, যা গ্লুকোজকে রক্ত থেকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণকারী কোষগুলো (আইল্যেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স-এর বিটা কোষ) থেকে নিঃসৃত হয়। 

• হিমোগ্লোবিন একটি অক্সিজেন বাহী লৌহসমৃদ্ধ মেটালোপ্রোটিন ।

SOURCE: জীব বিজ্ঞান ,  ২য় পত্র  ,এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
২,৬৭৬.
সৌরজগতের প্রাচীনতম গ্রহ কোনটি?
  1. শনি
  2. বুধ
  3. বৃহস্পতি 
  4. মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি 
ব্যাখ্যা

• বৃহস্পতি :
- রোমান পুরাণে দেবতাদের রাজা বৃহস্পতির নামে গ্রহের রাজার নামকরণ করা হয়েছিল।
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীনতম গ্রহ।
- এটি সবচেয়ে প্রাচীন গ্রহ, যা ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সূর্যের সৃষ্টির সময় অবশিষ্ট ধুলো এবং গ্যাস থেকে তৈরি হয়েছিল।
- বৃহস্পতির গঠন সূর্যের মতোই - বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম। 
- এটি তার অক্ষের উপর একবার ঘুরতে প্রায় ৯.৯ ঘন্টা সময় নেয়।
- ৪৮৪ মিলিয়ন মাইল (৭৭৮ মিলিয়ন কিলোমিটার) গড় দূরত্ব থেকে, বৃহস্পতি গ্রহ সূর্য থেকে ৫.২ জ্যোতির্বিদ্যাগত একক দূরে।
- বৃহস্পতির ৯৫টি উপগ্রহ রয়েছে যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। 
- বৃহস্পতি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ (জোভিয়ান সময়ের এক বছর) প্রায় ১২ পৃথিবী বছরে (৪,৩৩৩ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।

উৎস: NASA.

২,৬৭৭.
সেমিকন্ডাক্টর চিপের সর্ববৃহৎ উৎপাদনকারি দেশ কোনটি?
  1. দ. কোরিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. তাইওয়ান
  5. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
• বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর চিপের সর্ববৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হলো তাইওয়ান।
- তাইওয়ানের TSMC (Taiwan Semiconductor Manufacturing Company) বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর ফাউন্ড্রি, যা বিশ্বের প্রায় 60% উন্নত চিপ উৎপাদন করে।
- Apple, AMD, NVIDIA সহ বড় টেক কোম্পানিগুলোর জন্য চিপ তৈরি করে থাকে TSMC.
- 3nm থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাইজের চিপ উৎপাদনে সক্ষম TSMC।

অন্যদিকে,
- দ. কোরিয়া, Samsung এর মাধ্যমে একটি বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান Intel প্রধানত নিজেদের চিপ উৎপাদন করে।
- জার্মানি ও ফিনল্যান্ড তুলনামূলকভাবে ছোট স্কেলে উৎপাদন করে।

উৎস: 
১. TSMC-এর বার্ষিক রিপোর্ট।
২. Semiconductor Industry Association-এর রিপোর্ট।
৩. INDEPENDENT নিউজ রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
২,৬৭৮.
কোন গ্যাস গ্রীনহাউস প্রভাবের জন্য প্রধানত দায়ী?
  1. নাইট্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

• গ্রীনহাউস প্রভাব হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের তাপ আটকে রাখে। কার্বন ডাই-অক্সাইড হলো সর্বাধিক প্রভাবশালী মানবসৃষ্ট গ্রীনহাউস গ্যাস।

• গ্রীনহাউস প্রভাব কী?
- গ্রীনহাউস প্রভাব হলো বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট কিছু গ্যাসের এমন ক্ষমতা, যা সূর্যের বিকিরিত তাপ পৃথিবীর পৃষ্ঠে ধরে রাখে।
- এই গ্যাসগুলো পৃথিবীকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে, ফলে জীবনধারণ সম্ভব হয়।
- কিন্তু যখন এসব গ্যাসের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যায়, তখন পৃথিবীর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে, যা ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ নামে পরিচিত।

• গ্রীনহাউস গ্যাসে CO2 প্রভাব:
- শিল্পায়ন, যানবাহনের জ্বালানি পোড়ানো, বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন উজাড়, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে CO2 এর পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- CO2 বায়ুমণ্ডলের এমন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপ শোষণ করে যা পৃথিবী থেকে মহাশূন্যে ফিরে যাওয়ার কথা।
- ফলে তাপ আটকে যায় এবং পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ে।
- বর্তমানে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রায় ৭৫% মানুষের তৈরি গ্রীনহাউস প্রভাবের জন্য CO2 একাই দায়ী।

- যদিও মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ও জলীয় বাষ্পও গ্রীনহাউস গ্যাস, তবু প্রধান অবদানকারী গ্যাস হলো CO2

তথ্যসূত্র:
- NCTB সাধারণ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।

২,৬৭৯.
'আলোর কণা' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. ক) আইজ্যাক নিউটন
  2. খ) অ্যালো হ্যাজেন
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) রামফোর্ড
সঠিক উত্তর:
ক) আইজ্যাক নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইজ্যাক নিউটন
ব্যাখ্যা
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৮০.
জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে?
  1. Ultra-violet
  2. Infrared
  3. Visible
  4. X-ray
সঠিক উত্তর:
Infrared
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Infrared
ব্যাখ্যা
• জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ Infrared রেডিয়েশন ব্যবহার করে। 
 
জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ: 
- বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচাইতে শক্তিশালী টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের একটি হচ্ছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। 
- নাসার দূরবীক্ষণ যন্ত্র জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি বা জুপিটারের কিছু বিস্ময়কর ছবি তুলেছে। 
- এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতি গ্রহের অরোরা বা বর্ণচ্ছটা, দানবীয় ঝড়, বৃহস্পতির চাঁদ এবং গ্রহটিকে ঘিরে থাকা বলয়। 
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ একটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ অভিযান প্রকল্প।
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার নেতৃত্বে এটির অন্যান্য অংশীদার হচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি। 
- এটা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি এখন পৃথিবী থেকে ১৬ লাখ (ষোল লাখ) কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে। 
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের প্রথম পূর্ণাঙ্গ রঙিন ছবি প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালের ১২ই জুলাই। 
- বলা হয় এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তারিত "অবলোহিত (ইনফ্রারেড)" চিত্র এটি যাতে এমন সব ছায়াপথ দেখা যাচ্ছে, যেখান থেকে পৃথিবী পর্যন্ত আলো পৌঁছাতে বিলিয়ন বিলিয়ন বছর সময় লাগে। 
- তখন থেকেই মহাবিশ্বের নিত্যনতুন দৃশ্য দেখে আসছে হাবল টেলিস্কোপের এই উত্তরসূরী। 
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে তোলা এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ক্যারিনা নেবুলা নিহারীকার নক্ষত্রপুঞ্জ এবং কিছু তারকা। 
- ক্যারিনা নেবুলা মহাকাশের বৃহত্তম এবং উজ্জ্বলতম নিহারীকাগুলোর একটি। 
- এটির অবস্থান পৃথিবী থেকে কম বেশি ৭ হাজার ৬শ আলোকবর্ষ দূরে। 

উৎস: NASA [লিঙ্ক], BBC NEWS বাংলা, ২৪ আগস্ট, ২০২২ [লিঙ্ক] এবং ব্রিটানিকা। 
২,৬৮১.
জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার ভূগোলকে কী বলেছেন? 
  1. পৃথিবীর বিবরণ
  2. পৃথিবীর বিজ্ঞান
  3. পৃথিবীর চিত্র
  4. পৃথিবীর ইতিহাস
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

• ভূগোলের ধারণা (Concept of Geography):
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
 কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২,৬৮২.
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও শাকসবজি চাষকে কী বলা হয়?
  1. Apiculture
  2. Sericulture
  3. Pisciculture
  4. Horticulture
সঠিক উত্তর:
Horticulture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Horticulture
ব্যাখ্যা
Horticulture শব্দটি ল্যাটিন hortus (garden/উদ্যান) এবং cultura (চাষাবাদ) থেকে এসেছে। এটি ফুল, ফল, শাকসবজি ও অলঙ্কারিক উদ্ভিদ চাষের বিদ্যা।

আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি: 
- মৌমাছির চাষ - এপিকালচার
- রেশমের (পোকার) চাষ – সেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ - পিসিকালচার
- পাখীপালন বিদ্যা - এভিকালচার।
- উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।
- মুক্তাচাষ- পার্লকালচার।
- রেশম কীট পালন, রেশম উৎপাদনের জন্য - সেরিকালচার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৬৮৩.
বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম বড় সাফল্য কোনটি?
  1. ডিএনএ ক্লোনিং
  2. ক্যান্সার নিরাময়
  3. প্রোটিন সংশ্লেষণ 
  4. মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
সঠিক উত্তর:
মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
ব্যাখ্যা

- মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্ট (HGP) ছিল একটি বিশাল আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা, যা জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা তৈরি করেছিল, এবং এই ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, এবং সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করার জন্যই বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তির প্রয়োজন বিশেষভাবে অনুভূত হয় এবং এর ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় 

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics): 

- বায়োইনফরমেটিক্স একটি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শাখা, যা জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত এবং পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত। এটির উদ্দেশ্য হলো বিশাল পরিমাণ জীববৈজ্ঞানিক ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা।
- বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম বড় সাফল্য ছিলো মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং, যা ১৩ বছর পর অনলাইনে প্রকাশিত হয় এবং বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের জন্য সহজলভ্য হয়। এই শাখাটি ক্যান্সার গবেষণা এবং প্রোটিন গঠন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কাজেও অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে, বায়োইনফরমেটিক্স ব্যক্তিগত চিকিৎসা ও ওষুধের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- সাধারণত নিচের চারটি ভিন্ন ভিন্ন শাখার উপাদান ও কৌশলের সমন্বয়ে বায়োইনফরমেটিক্স পদ্ধতি কাজ করে থাকে। 
যেমন- 
১. আণবিক জীববিদ্যা ও মেডিসিন: ডেটা উৎস বিশ্লেষণের কাজ করে। 
২. ডেটাবেজ: নিরাপদ ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা রিট্রিভ (Retrive) করা। 
৩. প্রোগ্রাম: উপাত্ত বিশ্লেষণ অ্যালগরিদম যার মাধ্যমে বায়োইনফরমেটিক্স কঠোরভাবে সুনির্দিষ্ট করা হয়। 
৪. গণিত ও পরিসংখ্যান: এর সাহায্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। 

বায়োইনফরমেটিক্সের ব্যবহার: 
- মূলত জৈবিক পদ্ধতি বিশ্লেষণ সম্পর্কে সম্যক এবং সঠিক ধারণা অর্জন করার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। আর এই জৈবিক তথ্য হিসাব-নিকাশ এবং এ সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যার সমাধানে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহারও অপরিহার্য। 
- তবে জিনোম সিকোয়েন্স, প্রোটিন সিকোয়েন্স ইত্যাদি গঠন উপাদানের ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ গঠনে কম্পিউটার প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।এছাড়াও মলিকুলার মেডিসিন, জিনথেরাপি, ওষুধ তৈরিতে, বর্জ্য পরিষ্কারকরণে, জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণায়, বিকল্প শক্তির উৎস সন্ধানে, জীবাণু অস্ত্র তৈরিতে, ডিএনএ ম্যাপিং ও অ্যানালাইসিস, জিন ফাইন্ডিং, প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

২,৬৮৪.
‘সিএফসি’ কী ক্ষতি করে?
  1. ওজোন স্তর ধ্বংস করে
  2. বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  3. এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  4. রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
CFC গ্যাস: 
-  CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর। 
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে। 
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৮৫.
রেকটিফায়ার নিচের কোন কাজটি করে?
  1. ক) Direct current কে Alternating current এ রূপান্তর।
  2. খ) Alternating current কে Direct current এ রূপান্তর।
  3. গ) Input এর প্রদত্ত সংকেতকে Output এ বিবর্ধন।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
খ) Alternating current কে Direct current এ রূপান্তর।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Alternating current কে Direct current এ রূপান্তর।
ব্যাখ্যা
- ব্যাটারি বা শুষ্ক কোষ হলো ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস। কিন্তু এদের ভোল্টেজ বেশ কম এবং এগুলো প্রায়ই পরিবর্তন করতে হয় বলে বেশ ব্যয়বহুল। 

- অর্থাৎ ব্যাটারি দ্বারা আমাদের সব প্রয়োজন মিটানো সম্বব নয়। তাই আমাদের প্রয়োজন বৈদ্যুতিক সরবরাহ লাইনের দিক পরিবর্তী তথা এসি ভোল্টেজকে একমুখী তথা ডিসি ভোল্টেজ রূপান্তরিত করা।
 
- যে প্রক্রিয়ায় এই রূপান্তরের কাজটি সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ।
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ ((Direct current-) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেফটিফায়ার বলে।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৬৮৬.
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর অবস্থান কোথায়?
  1. সেগিতারিয়াস বাহু
  2. ওরিয়ন-সিগনাস বাহু
  3. পারসেউস বাহু
  4. কারিনা বাহু
সঠিক উত্তর:
ওরিয়ন-সিগনাস বাহু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরিয়ন-সিগনাস বাহু
ব্যাখ্যা

• পৃথিবী (Earth):
- পৃথিবী আমাদের বাসভূমি।
- এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- তাই এখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- পৃথিবী মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি এর ওরিয়ন-সিগনাস বাহুতে অবস্থিত, যা মিল্কিওয়ের চারটি সর্পিল বাহুর মধ্যে একটি , যা গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দূরে অবস্থিত।
- পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী।
- সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে।

উৎস: NASA, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২,৬৮৭.
পোলিও ভ্যাকসিনের আবিষ্কারক কে?
  1. এডওয়ার্ড জেনার
  2. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  3. লুই পাস্তুর
  4. জোনাস সাল্ক
সঠিক উত্তর:
জোনাস সাল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোনাস সাল্ক
ব্যাখ্যা
◉ জোনাস সাল্ক ১৯৫৫ সালে প্রথম কার্যকর নিষ্ক্রিয় পোলিও ভ্যাকসিন (Inactivated Polio Vaccine – IPV) উদ্ভাবন করেন।

পোলিও ভ্যাকসিন: 
- পোলিও ভাইরাসজনিত স্নায়ুতন্ত্রের সংক্রামক রোগ পোলিও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
- আবিষ্কারক: জোনাস সাল্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- সময়কাল: ১৯৫০-এর দশকের প্রথম দিকে।
- বৈশিষ্ট্য: Killed virus (নিষ্ক্রিয় ভাইরাস) দ্বারা তৈরি, ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রদান।
- ব্যাপক ব্যবহার শুরু: ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪, মার্কিন স্কুলশিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে।
- ফলাফল: যুক্তরাষ্ট্রে পোলিও আক্রান্তের হার প্রতি ১ লক্ষে ১৮ জন থেকে কমে ২ জনের নিচে নেমে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
এডওয়ার্ড জেনার: গুটিবসন্তের ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেন (প্রথম ভ্যাকসিন)।
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং: পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।
লুই পাস্তুর: জলাতঙ্ক ও অ্যানথ্রাক্সসহ একাধিক ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেন এবং জীবাণু তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৬৮৮.
এক্স-রে এর একক হলো-
  1. ক) ব্যাকেরেল
  2. খ) নিউটন
  3. গ) রনজেন
  4. ঘ) ভােল্ট
সঠিক উত্তর:
গ) রনজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রনজেন
ব্যাখ্যা

এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রনজেন বলা হয়। এক রনজেন বলতে আমরা সেই পরিমাণ এক্স-রে বিকিরণ বুঝি যা সাধারণ চাপ এবং তাপমাত্রায় 1x 10-3 m বায়ুতে 3.33 x 10-10C চার্জের সমান চার্জ উৎপন্ন করতে পারে।
জানার বিষয় :
১) কোমল এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি, ভেদনক্ষমতা অত্যন্ত কম।
২) কঠিন এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম, ভেদনক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
(উৎসঃ  ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

২,৬৮৯.
রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত নিম্নের কোন যন্ত্রটির তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি নেই?
  1. সিটিস্ক্যান
  2. এমআরআই
  3. এক্স-রে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
এমআরআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমআরআই
ব্যাখ্যা
- এমআরআই যন্ত্রটি দেখতে সিটিস্ক্যান যন্ত্রের মতো কিন্তু এর কার্যপ্রণালি সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছৰি নেওয়া হয়, এমআরআই যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রেখে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়। 
- শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়।
- এম আর আই করার যন্ত্র সিটিস্ক্যান দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, এমআরআই দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। 
- তবে এমআরআই দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বোঝা সম্ভব। 
- সিটিস্ক্যান করতে পাঁচ থেকে দশ মিনিটের বেশি সময়ের দরকার হয় না, সেই তুলনায় এমআরআই করতে একটু বেশি সময় নেয়। 
- সিটিস্ক্যানে এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে এমআরআইয়ে সেই ঝুঁকি নেই।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান বোর্ড বই। 
২,৬৯০.
কোনটি ভাইরাস জনিত রোগ?
  1. টাইফয়েড
  2. কলেরা
  3. আমাশয়
  4. নিপাহ
সঠিক উত্তর:
নিপাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিপাহ
ব্যাখ্যা

• কয়েকটি ভাইরাস জনিত রোগঃ
- জন্ডিস,
- হার্পিস,
- গুটি বসন্ত,
- জল বসন্ত,
- হাম,
- মাম্পস,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- বার্ড ফ্লু,
- সোয়াইন ফ্লু,
- পোলিও,
- এইডস,
- জলাতঙ্ক,
- নিপাহ,
- ডেঙ্গু জ্বর,
- ইবোলা,
- জিকা জ্বর ইত্যাদি।
• কতিপয় ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগঃ
- যক্ষ্মা,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিংকাশি,
- ধনুষ্টংকার,
- নিউমোনিয়া,
- মেনিনজাইটিস,
- কলেরা,
- গনোরিয়া,
- সিফিলিস,
- টাইফয়েড,
- আমাশয়,
- প্লেগ,
- কুষ্ঠ ইত্যাদি।

২,৬৯১.
পূর্ণ বয়স্ক পুরুষের মোট রক্তের গড় পরিমাণ -
  1. ক) ৫ লিটার
  2. খ) ৭ লিটার
  3. গ) ৮ লিটার
  4. ঘ) ১০ লিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ লিটার
ব্যাখ্যা

রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা।
রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়।
এর PH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪।
সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস।
অজৈব লবণের উপস্থিতির জন্য রক্ত লবণাক্ত হয়।
একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

২,৬৯২.
পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘থ্রি আর’ (3R) কী বোঝায়?
  1. Reduce, Reuse, Recycle
  2. Restore, Remove, Rotate
  3. Raise, Return, Replant
  4. Repair, Renew, Reconnect
সঠিক উত্তর:
Reduce, Reuse, Recycle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reduce, Reuse, Recycle
ব্যাখ্যা
থ্রি আর (3R) বলতে বোঝায় —
-  Reduce (হ্রাস করো)
-  Reuse (পুনঃব্যবহার করো)
- Recycle (পুনঃচক্রায়ন করো)

• এগুলো পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি টেকসই পরিবেশনীতি বা sustainable environmental strategy, যা মানুষের উৎপাদন ও ব্যবহার-সংক্রান্ত অভ্যাসকে সচেতন ও পরিবেশবান্ধব করতে সাহায্য করে।

3R এর উদ্দেশ্য- 
- Reduce
→ অপচয় হ্রাস করো।
→ অপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবহার কমাও।
 উদাহরণ: প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার।

- Reuse
→ কোনো বস্তু বারবার ব্যবহার করো।
 উদাহরণ: কাচের বোতল বা কৌটা আবার ব্যবহার করা।

- Recycle
→ পুরাতন বস্তু পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে নতুনভাবে ব্যবহার করো।
 উদাহরণ: পুরাতন কাগজ দিয়ে নতুন কাগজ তৈরি। 

তথ্যসূত্র:
- United Nations Environment Programme (UNEP).
২,৬৯৩.
কোন সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস এই দুইটি খাদ্য উপাদান পায়?
  1. টিএসপি
  2. অ্যামোনিয়াম সালফেট 
  3. ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট
  4. হাইপার ফসফেট
সঠিক উত্তর:
ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক সার:
- উদ্ভিদ তার বৃদ্ধি ও টিকে থাকার জন্য মাটি থেকে কমপক্ষে ১৬টি খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে।
- মাটিতে এসব উপাদানের ঘাটতি থাকলে বা উদ্ভিদে অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দিলে বাইরের উৎস থেকে সারদ্রব্যের আকারে জমিতে প্রয়োগ করা হয়।
- এ সারদ্রব্য কল-কারখানায় রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রস্তুত করে বাজারজাত করা হয়।
- জমির উর্বরতা বৃদ্ধি ও অধিক ফসল ফলানোর জন্য কল-কারখানায় প্রস্তুত বাজারে প্রাপ্ত সার দ্রব্য জমিতে ব্যবহৃত হয়।

⇒ কতকগুলো সার আছে যেগুলো থেকে উদ্ভিদ একাধিক খাদ্যোপাদান পায়। যেমন: 
- অ্যামোনিয়াম সালফেট: নাইট্রোজেন ও সালফার,
- ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট: নাইট্রোজেন ও ফসফরাস,
- ক্যালসিয়াম নাইট্রেট: ক্যালসিয়াম ও নাইট্রোজেন,
- ট্রিপল সুপার ফসফেট: ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম,
- হাইপার ফসফেট: ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম,
- পটাশিয়াম সালফেট: পটাশিয়াম ও সালফার,
- পটাশিয়াম নাইট্রেট: পটাশিয়াম ও নাইট্রোজেন,
- জিপসাম: ক্যালসিয়াম ও সালফার,
- জিঙ্ক সালফেট: জিঙ্ক ও সালফার।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৯৪.
'সোয়াইন ফ্লু' রোগের বাহক
  1. ক) শূকর
  2. খ) বাদুড়
  3. গ) এডিস মশা
  4. ঘ) মুরগি
সঠিক উত্তর:
ক) শূকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শূকর
ব্যাখ্যা
সোয়াইন (Swine) অর্থ শূয়াের।
২০০৯ সালে আবিষ্কৃত এ ভাইরাসটির সাথে শূয়াের ছানায় প্রাপ্ত ভাইরাসের সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায় বলে এর নাম হয় সােয়াইন ফ্লু।

সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের নাম H1N1.
হেমাগুটিনিন (Heritagglutini) টাইপ-১ ও নিউরামিনিডেস (Neuraminidase) টাইপ-১ মিলে H1N1 নামটি নেয়া হয়েছে।
২,৬৯৫.
সবচেয়ে স্পষ্ট ও দর্শনীয় বলয় রয়েছে কোন গ্রহের?
  1. ক) বুধ
  2. খ) বৃহস্পতি
  3. গ) শনি
  4. ঘ) পৃথিবী
সঠিক উত্তর:
গ) শনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শনি
ব্যাখ্যা
শনি গ্রহ:

- সবচেয়ে স্পষ্ট ও দর্শনীয় বলয় রয়েছে শনি গ্রহের।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে শনি গ্রহের দূরত্ব প্রায় ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- এটি গ্যাসের তৈরি একটি বিশাল গোলক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
২,৬৯৬.
কোনো স্থানে সময় যখন শনিবার সকাল ৯টা তখন এর ১৮০ ডিগ্রী পূর্বদিকে অবস্থিত স্থানের সময় হবে-
  1. ক) শনিবার রাত্রি ৯টা
  2. খ) শনিবার দুপুর ৩টা
  3. গ) শুক্রবার রাত্রি ৯টা
  4. ঘ) শনিবার ভোর ৩টা
সঠিক উত্তর:
ক) শনিবার রাত্রি ৯টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শনিবার রাত্রি ৯টা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
∴ ১৮০ ডিগ্রি = ১৮০ X ৪ = ৭২০ মিনিট = ১২ ঘন্টা।
কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।
কোন স্থানে সময় যখন শনিবার সকাল ৯ টা তখন-
১) ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিমে সময় হবে শুক্রবার রাত্রি ৯ টা।
এবং ২) ১৮০ ডিগ্রি পূর্বে সময় হবে শনিবার রাত্রি ৯ টা।

২,৬৯৭.
কতটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে ইনসুলিন গঠিত ?
  1. ক) ৫১টি
  2. খ) ৪৫টি
  3. গ) ২৭টি
  4. ঘ) ২১ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫১টি
ব্যাখ্যা
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রাকে হ্রাস করে ফলে রক্ত স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস : উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৯৮.
সামুদ্রিক মাছে কোনটি বেশি পাওয়া যায়?
  1. আয়োডিন
  2. ফসফরাস
  3. ক্যালসিয়াম
  4. পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন
ব্যাখ্যা
- খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়াম, লৌহ ও আয়োডিন উল্লেখযোগ্য।
- দুধ, পনির, ছোট মাছের কাঁটা, কলমী শাক ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
- কলিজা, ডিম, মাংস ইত্যাদিতে লৌহ এবং লবণ, সামুদ্রিক শৈবাল ও সামুদ্রিক মাছে আয়োডিন পাওয়া যায়।
- এ সমস্ত উপাদান দেহের বৃদ্ধির কাজে সাহাজ্য করে।
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়।
- লৌহের অভাবে রক্তশূণ্যতা দেখা দেয়।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
২,৬৯৯.
বিজ্ঞানীরা ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত করেন কবে?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
• বিজ্ঞানীরা ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত করেন ১৯৭৬ সালে। 

• ইবোলা রোগের ভাইরাস প্রথম চিহ্নিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।
- কিন্তু ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় যে ইবোলার প্রাদুর্ভাব হয় সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় আকারের।
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী এতে মারা যায় ১১ হাজারের বেশি লোক, আর সংক্রমিত হয়েছিল ২৮ হাজার।
- দু বছর ধরে চলা এ সংক্রমণে আক্রান্ত লোক পাওয়া গিয়েছিল ১০টি দেশে।
- এর মধ্যে আফ্রিকান দেশ ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, যুক্তরাজ্য এবং ইটালিও আছে।
- বিজ্ঞানীরা নানা পরীক্ষা ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন যে এর উৎস ছিল গিনির মেলিয়ান্দো গ্রামের দু'বছর বয়সের একটি শিশু।

সূত্র: বিবিসি নিউজ। 
২,৭০০.
নিচের কোনটি RNA ভাইরাস নয়?
  1. TMV
  2. TIV
  3. HIV
  4. র‍্যাবিস
সঠিক উত্তর:
TIV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TIV
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।
- Parvoviridae গোত্রের ভাইরাসের DNA একসূত্রক।

২. RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।
- Reoviridae গোত্রের (রিও ভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।