বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৬ / ৩৯ · ২,৫০১২,৬০০ / ৩,৮৭৯

২,৫০১.
একটি আদর্শ মৃত্তিকায় কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1.  ৫ ভাগ 
  2.  ৭ ভাগ 
  3.  ৩ ভাগ 
  4.  ৬ ভাগ 
সঠিক উত্তর:
 ৫ ভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৫ ভাগ 
ব্যাখ্যা

- মৃত্তিকা ৪টি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হচ্ছে-খনিজ বা অজৈব পদার্থ, জৈব পদার্থ, পানি ও বায়ু। 
- একটি আদর্শ মৃত্তিকায় সাধারণত শতকরা ৪৫ ভাগ খনিজ পদার্থ, ২৫ ভাগ পানি, ২৫ ভাগ বায়ু এবং ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকে ।
- তবে মৌসুম পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রধানত পানি এবং বায়ুর অনুপাতের পরিবর্তন ঘটে। 
- মৃত্তিকা উপাদানের এই অনুপাত মৃত্তিকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করে থাকে। 

উৎস: মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

২,৫০২.
মানুষের হৃৎস্পন্দন শোনার জন্য সাধারণত কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্ফিগমোম্যানোমিটার
  2. খ) ব্যারোরিসেপ্টর
  3. গ) স্টেথোস্কোপ
  4. ঘ) ক্রেসকোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেথোস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেথোস্কোপ
ব্যাখ্যা
- মানুষের হৃৎস্পন্দন শোনার জন্য সাধারণত স্টেথোস্কোপ ব্যবহৃত হয়। 

- একটি সিস্টোল ও একটি ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন হয় এবং সময় লাগে প্রায় ০.৮ সেকেন্ড।
- একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০-১০০ বার হয়। এটাকে হার্ট-বিট বলা হয়।
- আমাদের হাতের কবজির রেডিয়াল ধমনিতে এই স্পন্দন গোনা যায় আবার বুকের বাম দিকে নির্দিষ্ট স্থানে স্টেথোস্কোপ বসিয়ে শব্দ শোনা যায়।
- হাতের কবজিতে হৃৎস্পন্দন অনুভব করাকে পালস বলে।
- স্টেথোস্কোপের সাহায্যে হৃৎস্পন্দনের যে শব্দ শোনা যায়, তাকে হার্টসাউন্ড বলে। হৃৎস্পন্দন বা হার্ট-বিটকে যখন প্রতি মিনিটে হাতের কবজিতে গণনা করা হয়, তখন তাকে পালস রেট বলে।

------------------------
- স্ফিগমোম্যানোমিটার হলো রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র।
- ক্রেসকোগ্রাফ উদ্ভিদের বৃদ্ধিমাপক যন্ত্র।
- ব্যারোরিসেপ্টর মানুষের রক্তবাহিকার প্রাচীরে বিশেষ সংবেদী স্নায়ু প্রান্ত (sensory nerve ending) থাকে। এগুলো রক্তচাপ পরিবর্তনে বিশেষভাবে সাড়া দেয় এবং দেহে রক্ত চাপের ভারসাম্য রক্ষা করে। এই সংবেদী স্নায়ু প্রান্তকে ব্যারোরিসেপ্টর বলে। 

সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
২,৫০৩.
নিচের কোনটিকে গুরুমস্তিস্ক বলা হয়?
  1. ক) সেরিবেলাম
  2. খ) সেরিব্রাম
  3. গ) পনস
  4. ঘ) মেডুলা অবলংগাটা
সঠিক উত্তর:
খ) সেরিব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেরিব্রাম
ব্যাখ্যা
মস্তিস্কের সেরিব্রামকে গুরুমস্তিস্কও বলা হয়। 

- আমাদের সকল চিন্তা-ভাবনা এবং কার্যক্রম পরিচালিত হয় মস্তিষ্ক থেকে।
- অসংখ্য নিউরন এবং হরমোনের সমন্বয়ের মাধ্যমে এই কাজগুলো সম্পন্ন হয়।
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সামনের অংশ স্ফীত হয়ে করোটিকা বা খুলির মধ্যে মস্তিষ্ক গঠন করে।
- করোটিকার ভেতরে মেনিনজেস নামক পর্দা দ্বারা মস্তিষ্ক আবৃত থাকে।
- এটি তিনটি অংশে বিভক্ত থাকে।  
যথা-
(১) অগ্রমস্তিষ্ক(Forebrain or Prosencephalon)
(২) মধ্যমস্তিষ্ক(Midbrain or Mesencephalon)
(৩) পশ্চাৎমস্তিষ্ক(Hindbrain or Rhombencephalon)    

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৫০৪.
MRI-যন্ত্রে মূলত কোন অণুর প্রোটন ব্যবহৃত হয়?
  1. কার্বন
  2. অক্সিজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

- ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং বা MRI যন্ত্রে মূলত হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রোটন ব্যবহৃত হয়। 

এমআরআই (MRI): 
- মানুষের শরীরের প্রায় সত্তরভাগ পানি, যার অর্থ মানুষের শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পানি থাকে। পানির প্রতিটি অণুতে থাকে হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস হচ্ছে প্রোটন। 
- শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে প্রোটনগুলো চৌম্বকক্ষেত্রের দিক সারিবদ্ধ হয়ে যায়, তখন নির্দিষ্ট একটি কম্পনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ পাঠানো হলে এই প্রোটনগুলো সেই তরঙ্গ থেকে শক্তি গ্রহণ করে তাদের দিক পরিবর্তন করে এবং এই প্রক্রিয়াকে বলে নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স। 
- তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স ইমেজিং বা এমআরআই (MRI: Magnetic Resonance Imaging)। এই যন্ত্রটি দেখতে সিটিস্ক্যান যন্ত্রের মতো কিন্তু এর কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয় কিন্তু এমআরআই যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষত্রের মাধ্যমে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়। 

- শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়। 
- সিটিস্ক্যান দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, এমআরআই দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। তবে এমআরআই দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝা সম্ভব। 
- সিটিস্ক্যান করতে যে সময়ের দরকার হয় তার তুলনায় একটু বেশি সময় লাগে এমআরআই করতে। সিটিস্ক্যানে এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে, যা এমআরআইয়ে সেই ঝুঁকি নেই। 
- শরীরের ভেতর কোনো ধাতব কিছু থাকলে (যেমন: পেস মেকার) এমআরআই করা যায় না, কারণ আরএফ (RF) তরঙ্গ ধাতুকে উত্তপ্ত করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫০৫.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Internal Circuit
  2. খ) Intorvert Circuit
  3. গ) Integrated Circuit
  4. ঘ) Inverted Circuit
সঠিক উত্তর:
গ) Integrated Circuit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Integrated Circuit
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের পূর্ণরূপ- Integrated Circuit.

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ নামেও অভিহিত করা হয়। 

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সুবিধা সমূহ- 
১. এটি আকারে বেশ ছোট্ট। 
২. অনেক জটিল সার্কিট একটি একক চিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাই এটি একটি জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিটের নকশাকে সহজতর করে। এছাড়াও এটি সার্কিটের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. আইসিগুলোর নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
৪. অধিক উৎপাদনের কারণে এগুলো কম খরচে পাওয়া যায়।
৫. আইসিগুলো খুব অল্প শক্তি গ্রহণ করে।
৬. প্যারাসাইটিক ক্যাপাসিট্যান্স প্রভাব না থাকায় এদের অপারেটিং গতি অনেক উচ্চ হয়।
৭. মূল সার্কিট থেকে খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২,৫০৬.
মানবদেহে অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড কোনটি?
  1. ক) মিসটিন
  2. খ) টাইরোসিন
  3. গ) ফিনাইল অ্যালানিন
  4. ঘ) অ্যালানিন
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনাইল অ্যালানিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনাইল অ্যালানিন
ব্যাখ্যা

অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
আমিষ পরিপাক হওয়ার পর তা অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
দেহগঠনে আমিষ সহায়তা করে থাকে।
এ পর্যন্ত আমাদের শরীরে ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড আবিষ্কৃত হয়েছে।
এর মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ৮টি।
এগুলো হল লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইন।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫০৭.
নিচের কোনটি জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব?
  1. মেঘলা আবহাওয়া।
  2. অস্থায়ী বৃষ্টি।
  3. মরুকরণ
  4. নদীতে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি।
সঠিক উত্তর:
মরুকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরুকরণ
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:  জলবায়ু (Climate) হলো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যমান আবহাওয়ার গড় অবস্থা। এর মধ্যে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা, বাতাসের গতি ও দিক ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত ৩০ বছর বা তারও বেশি সময়ের আবহাওয়ার পরিসংখ্যান থেকে একটি অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারিত হয়।

জলবায়ু পরিবর্তন হলো পৃথিবীর জলবায়ুর দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন যা প্রাকৃতিক কারণ অথবা মানুষের কার্যকলাপের কারণে ঘটতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ের জলবায়ু পরিবর্তন মূলত গ্রীনহাউস গ্যাস (যেমন: কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন) বৃদ্ধির কারণে হচ্ছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণতা (Global Warming) সৃষ্টি করছে।

• জলবায় পরিবর্তনের কারনসমুহ- 
-  জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো (কয়লা, গ্যাস, তেল)
-  বনভূমি ধ্বংস (Deforestation)
-  শিল্প ও যানবাহনের নির্গত গ্যাস
-  গবাদিপশু খামারের মিথেন গ্যাস
 
• জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব
- মরুকরণ। 
- গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি । 
- হিমবাহ গলে যাওয়া। 
- জৈববৈচিত্র্যের ক্ষতি। 
- কৃষিজ উৎপাদনে বিঘ্ন। 
• মরুকরণ হলো এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া, যেখানে উর্বর জমি ধীরে ধীরে অনুৎপাদনশীল, শুষ্ক ও অনুর্বর হয়ে পড়ে। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি গুরুতর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব।

অন্যদিকে,
- মেঘলা আবহাওয়া: এটি স্বল্পমেয়াদী জলবায়ুর আচরণ, দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন নয়।

- অস্থায়ী বৃষ্টি: এটি আবহাওয়ার একটি সাময়িক বৈচিত্র্য, জলবায়ুর নয়।

- নদীতে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি: এটি জলবায়ু পরিবর্তনের স্বাভাবিক বা প্রত্যাশিত প্রভাব নয়। বরং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জলজ জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তথ্যসূত্র: 
- মাধ্যমিক শ্রেনীর ভুগোল ও পরিবেশ (NCTB)। 
- বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর (DOE) প্রকাশনা। 
- Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC) Reports
২,৫০৮.
তুল্য আর্দ্রতার সাথে কীসের সম্পর্ক আছে?
  1. ক) শিশিরাঙ্কের
  2. খ) বায়ুর ঘনত্ব
  3. গ) বায়ুর তাপমাত্রা
  4. ঘ) কুয়াশা
সঠিক উত্তর:
ক) শিশিরাঙ্কের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিশিরাঙ্কের
ব্যাখ্যা
তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক আছে।

• তুল্য আর্দ্রতা:
কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।
- তুল্য আর্দ্রতা দুই পদ্ধতিতে পরিমাপ করা যায়। যথা- হাইগ্রোমিটার এবং সাইক্রোমিটার।
-উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২৫০° সে. তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত ১ কিলোগ্রাম বায়ুতে ২০ গ্রাম জলীয়বাষ্প থাকে।
- যদি কোনো সময়ের বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ১০ গ্রাম হয় তবে এ সময়ের তুল্য আর্দ্রতা হবে ১০/২০ অথবা ৫০ শতাংশ।
- তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে।
- যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত। 

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৯.
শহর অঞ্চলে জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী কোনটি?
  1. ক) প্লাস্টিক
  2. খ) কাঁচ
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) কাগজ
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাস্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাস্টিক
ব্যাখ্যা
পানি দূষণ:

- প্লাস্টিকের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও নদীর নাব্যতা কমানোর জন্য বহুলাংশে দায়ী।
- দামে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বাস্তবতা হল প্লাস্টিক সামগ্রী পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।
- পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য অনুজীব দ্বারা আক্রান্ত হয় না বলে অপরিবর্তিত অবস্থায় বছরের পর বছর ধরে মাটিতে থেকে যায়।
- ফলে বর্জ্য প্লাস্টিক মাটির উর্বরতা নষ্ট করে, নদীর নিচে তলানী হিসেবে জমা হয়ে নদীর নাব্যতা কমিয়ে দেয়, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ও পানি দূষণ ঘটায়।
- তাই বলা যায়, ব্যবহার অনুপোযোগী প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

তথ্যসূত্র - রসায়ন-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১০.
বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে কোন বায়ু প্রবাহিত হয়?
  1. ক) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
  2. খ) উত্তর-পূর্ব মহাদেশীয় বায়ু
  3. গ) উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু
  4. ঘ) দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমী বায়ু
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে বেঁকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু হিসেবে প্রবাহিত হয়।
- সমুদ্র থেকে আগত হওয়ায় এই বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকে। ফলে এই মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রক্রিয়ায় বর্ষাকালে দেশের সারা বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বৃষ্টি হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৫১১.
পৃথিবীর মোট জলভাগের মধ্যে হিমবাহের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ক) ০.০৩%
  2. খ) ০.৬৮%
  3. গ) ২.০৫%
  4. ঘ) ৫.৫০%
সঠিক উত্তর:
গ) ২.০৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২.০৫%
ব্যাখ্যা
জলরাশির অবস্থান ভিত্তিক শতকরা পরিমাণ:


উৎস: ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৫১২.
সবচেয়ে বেশি তামাক উৎপাদন হয় কোন জেলায়? ( মার্চ ২০২৫)
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. কুষ্টিয়া
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
তামাক:
- বাংলাদেশে তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা লালমনিরহাট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- তামাক উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তামাকের কয়েকটি উন্নতমানের জাত:
• সুমাত্রা, 
• ম্যানিলা।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য ওয়েবসাইট।
২,৫১৩.
কোন বর্ণের রশ্মিকে মধ্যরশ্মি বলা হয়?
  1. ক) সবুজ
  2. খ) নীল
  3. গ) হলুদ
  4. ঘ) আসমানি
সঠিক উত্তর:
গ) হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হলুদ
ব্যাখ্যা
হলুদ বর্ণের আলােক রশ্মির বিচ্যুতি লাল ও বেগুনি বর্ণের আলােক রশ্মির বিচ্যুতির মাঝামাঝি। এজন্য এর বিচ্যুতিকে গড় বিচ্যুতি (Mean deviation) এবং হলুদ বর্ণের রশ্মিকে মধ্য রশ্মি (Mean ray) বলা হয়। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
২,৫১৪.
পরিবেশ থেকে হঠাৎ কোন প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেলে কি ঘটবে?
  1. ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিবে
  2. খ) বাস্তুতন্ত্র স্থিতিশীল হবে
  3. গ) বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে
  4. ঘ) বাস্তুতন্ত্রের কোন পরিবর্তন হবে না
সঠিক উত্তর:
গ) বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে
ব্যাখ্যা
মানুষের বসতবাড়িতে বসবাসকারী একজোড়া ইঁদুর বিনা বাঁধায় বংশ বিস্তার করলে বছর শেষে ইঁদুরের সংখ্যা দাড়াবে ৮৮০টিতে।
কিন্তু একটি পেঁচা দিনে কমপক্ষে তিনটি ইঁদুর খেয়ে হজম করতে পারে। চিল, কাক ও শকুন ময়লা পরিস্কারক হিসেবে কাজ করে। আর তা না হলে পৃথিবীতে রোগ জীবাণুর বিস্তার অনেকগুণ বেড়ে যেত।
এ সকল কারণে কোনও জীবকেই অপ্রয়োজনীয় বলা যায় না। পরিবেশ থেকে কোনও প্রজাতি বিলুপ্ত হলে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। তাই বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় জীববৈচিত্র্যের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১৫.
শব্দেতর তরঙ্গের কম্পাঙ্ক কত?
  1. ক) ২০০০০ Hz এর চেয়ে কম
  2. খ) ২০০০০ Hz এর চেয়ে বেশি
  3. গ) ২০ Hz - ২০০০০ Hz
  4. ঘ) ২০ Hz এর কম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০ Hz এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০ Hz এর কম
ব্যাখ্যা

উৎসের কম্পাঙ্ক ২০ Hz - ২০০০০ Hz এর মধ্যে থাকলেই কেবল তা শুনতে পায় মানুষ। একে শ্রাব্যতার পাল্লা বলে।
- যে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০০০০ Hz এর চেয়ে বেশি- তাকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলে।
- আর যে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০ Hz এর চেয়ে কম-তাকে শব্দেতর তরঙ্গ বলে।
সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২,৫১৬.
বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে কোন গ্যাস সবচেয়ে পরিমাণে পাওয়া যায়?
  1. হাইড্রোজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হিলিয়াম
  4. আর্গন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো হাইড্রোজেন।
- হাইড্রোজেন গ্যাস মহাবিশ্বের মৌলিক গঠনের প্রায় 75% (ভর) তৈরি করে।
- এটি আমাদের সূর্য সহ নক্ষত্রগুলিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এটি পারমাণবিক ফিউশন প্রতিক্রিয়াগুলির জন্য প্রাথমিক জ্বালানী উৎস।
- হাইড্রোজেন আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশেও প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত থাকে এবং এটি আণবিক মেঘের একটি মূল উপাদান যেখানে নতুন তারকা গঠি হয়।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে নাইট্রোজেন গ্যাস।
- মহাবিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হচ্ছে হিলিয়াম।
- হাইড্রোজেন ও হিলিমায় যৌথভাবে মহাবিশ্বের ৯৯.৯% উপাদান গঠন করেছে।
- এই সারিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অক্সিজেন।

উৎস: The University of Texas; LiveScience and Nature Journal.
২,৫১৭.
কম্পিউটারের মনিটরে কোন তিনটি রং প্রয়োজনীয় তীব্রতা দিয়ে অন্য সব রং তৈরি করে?
  1. ক) লাল, কমলা এবং সবুজ
  2. খ) লাল, আসমানী এবং হলুদ
  3. গ) লাল, নীল এবং সবুজ
  4. ঘ) লাল, বেগুনী এবং কমলা
সঠিক উত্তর:
গ) লাল, নীল এবং সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাল, নীল এবং সবুজ
ব্যাখ্যা
টেলিভিশন বা কম্পিউটারের মনিটরে কিংবা বইপুস্তকের রঙিন ছবির রংগুলো আসে লাল, নীল এবং সবুজ রংয়ের সূক্ষ্ম বিন্দু দিয়ে অর্থাৎ এই তিনটি রং প্রয়োজনীয় তীব্রতা দিয়ে অন্য সব রং তৈরি করে।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
২,৫১৮.
পারমাণবিক চুল্লিতে সাধারণত কোন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়?
  1. নিউক্লিয়ার ফিশন
  2. জারণ বিক্রিয়া
  3. নিউক্লিয়ার ফিউশন
  4. বিস্ফোরণ বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।

• পারমাণবিক চুল্লি:
- নিউক্লিয়ার রিয়‍্যাক্টর (Nuclear Reactor) বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র।
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়।
- মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়।
- পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫১৯.
নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস-
  1. ক) মাটি
  2. খ) উদ্ভিদ
  3. গ) বায়ুমণ্ডল
  4. ঘ) প্রাণীদেহ
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুমণ্ডল
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল:
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
- যথা: নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অক্সিজেনের পরিমাণ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

- বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর শতকরা পরিমাণ,
নাইট্রোজেন ৭৮.০১%,
• অক্সিজেন ২০.৭১%,
• আর্গন ০.৮০%,
• জলীয়বাষ্প ০.৪১%,
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড ০.০৩% ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫২০.
বঙ্গোপসাগরে কত কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে?
  1. ১২০ কিলোমিটার
  2. ১৬০ কিলোমিটার
  3. ১১০ কিলোমিটার
  4. ১৩০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৬০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে  সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। তবে এ সময় বাংলাদেশের কোনো ধরনের ক্ষতি হয়নি। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। তখন কক্সবাজার এবং পার্শ্ববর্তী দ্বীপসমূহে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৫২১.
মহাশূন্য থেকে আগত রশ্মি বা কণাকে বলা হয়-
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. কসমিক রশ্মি
সঠিক উত্তর:
কসমিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমিক রশ্মি
ব্যাখ্যা

- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে, তাদের সমষ্টিকে মহাজগতিক রশ্মি বা কসমিক রশ্মি বলে।
- বিজ্ঞানী ভিক্টর হেস ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৫২২.
মানবদেহে প্রথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে-
  1. ক) ভিটামিন ‘ই’
  2. খ) ভিটামিন ‘ডি’
  3. গ) ভিটামিন ‘কে’
  4. ঘ) ভিটামিন ‘সি’
সঠিক উত্তর:
গ) ভিটামিন ‘কে’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিটামিন ‘কে’
ব্যাখ্যা
সবুজ রঙের শাকসবজি, লেটুসপাতা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডিমের কুসুম, সয়াবিন তেল এবং যকৃতে ভিটামিন ‘কে’ পাওয়া যায়। দেহে ভিটামিন ‘কে’ প্রথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে। প্রথ্রোম্বিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। যকৃত থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয়। পিত্তরস নিঃসরণে অসুবিধা হলে ভিটামিন কে-এর শোষণ কমে যায়। ভিটামিন ‘কে’- এর অভাবে ত্বকের নিচে ও দেহাভ্যন্তরে যে রক্ত ক্ষরণ হয় তা বন্ধ করার ব্যবস্থা না নিলে রোগী মারা যেতে পারে।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি]
২,৫২৩.
Polio রোগের Vaccine-
  1. ক) OPV
  2. খ) BCG
  3. গ) Rubella
  4. ঘ) Mumps
সঠিক উত্তর:
ক) OPV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) OPV
ব্যাখ্যা
OPV- Oral Polio Vaccine.
২,৫২৪.
প্রতিষেধক বিদ্যার জনক বলা হয়-
  1. ক) লুইপাস্তুর
  2. খ) এডওয়ার্ড জেনার
  3. গ) জোনাস হক
  4. ঘ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
সঠিক উত্তর:
খ) এডওয়ার্ড জেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এডওয়ার্ড জেনার
ব্যাখ্যা
১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড জেনার গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন। এজন্য জানার কে প্রতিষেধক বিদ্যার জনক বলা হয়। ১৯৬৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সারাবিশ্বে গুটিবসন্ত নির্মূলের প্রচারণা চালায় এবং সফলভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়িত করে।
২,৫২৫.
পদার্থের এটম নামক অবিভাজ্য একক রয়েছে- উক্তিটি কার?
  1. ক) ডেমোক্রিটাস
  2. খ) পিথাগোরাস
  3. গ) থেলিস
  4. ঘ) লোডস্টোন
সঠিক উত্তর:
ক) ডেমোক্রিটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডেমোক্রিটাস
ব্যাখ্যা

- পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানী ও দার্শনিকগণ নানারকম মতবাদ ব্যক্ত করেছেন।
- গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হিসাবে মতবাদ পোষণ করেন। 
- তিনি সর্বপ্রথম ধারণা দেন যে, পদার্থের অবিভাজ্য একক রয়েছে, যার নাম এটম।

- তার মতে সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য কণা দ্বারা গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্রতম কণার নাম দেন পরমাণু বা এটম। এটম কথাটি তিনি নিয়েছিলেন গ্রিক শব্দ এটোমোস থেকে যার অর্থ হলো অবিভাজ্য। 


সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান; বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি। 

২,৫২৬.
তুল্য আর্দ্রতা পরিমাপ পদ্ধতি হলো-
i. হাইক্রোমিটার
ii. হাইগ্রোমিটার
iii. সাইক্রোমিটার
iv. সাইট্রোমিটার
নিচের কোনটি সঠিক ?
  1. ক) i ও ii
  2. খ) ii ও iii
  3. গ) i ও iii
  4. ঘ) i ও iv
সঠিক উত্তর:
খ) ii ও iii
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ii ও iii
ব্যাখ্যা
• তুল্য আর্দ্রতা পরিমাপ পদ্ধতি হলো- ii. হাইগ্রোমিটার ও iii. সাইক্রোমিটার

• কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।
- তুল্য আর্দ্রতা দুই পদ্ধতিতে পরিমাপ করা যায়। যথা- হাইগ্রোমিটার এবং সাইক্রোমিটার।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২৫০° সে. তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত ১ কিলোগাম বায়ুতে ২০ গ্রাম জলীয়বাষ্প থাকে।
- যদি কোনো সময়ের বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ১০ গ্রাম হয় তবে ঐ সময়ের তুল্য আর্দ্রতা হবে ১০/২০ অথবা ৫০ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫২৭.
ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র কোনটি?
  1. ব্যারোমিটার
  2. অলটিমিটার
  3. ক্রনোমিটার
  4. রিখটার স্কেল
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
ব্যাখ্যা
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিকভাবে সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সুজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তি কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্বির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- সিসমোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্পের ভূ-পৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপ করা হয় এবং উৎস খুঁজে বের করা হয়।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিখটার স্কেল দ্বারা।

• অলটিমিটার - উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র।
• ব্যারোমিটার - বায়ুচাপ পরিমাপক যন্ত্র।
• ক্রনোমিটার - সূক্ষ্ন সময় ও দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
২,৫২৮.
জণ্ডিস রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম -
  1. ক) হেপাটাইসিস বি/সি
  2. খ) রেবিস ভাইরাস
  3. গ) হার্পিস ভাইরাস
  4. ঘ) ভাক্সিনিয়া ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ক) হেপাটাইসিস বি/সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হেপাটাইসিস বি/সি
ব্যাখ্যা

- জণ্ডিস রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম হেপাটাইসিস বি/সি।
- জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম রেবিস ভাইরাস।
- হার্পিস রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম হার্পিস ভাইরাস।
- গো - বসন্ত রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম ভাক্সিনিয়া ভাইরাস।
[তথ্যসূত্র - জীব বিজ্ঞান, প্রথম পত্র - গাজী আজমল , একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২৫।]

২,৫২৯.
1000 Hz কম্পাঙ্কের কোনাে শব্দের শ্রুতির প্রারম্ভ সীমার তীব্রতা কত?
  1. ক) 1012 Wm-2
  2. খ) 1010 Wm-2
  3. গ) 10-12 Wm-2
  4. ঘ) 10-10 Wm-2
সঠিক উত্তর:
গ) 10-12 Wm-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 10-12 Wm-2
ব্যাখ্যা

কোনাে শব্দ শ্রাব্য হতে হলে শব্দের তীব্রতা এবং কম্পাঙ্ক একটা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হয়। শ্রাব্য শব্দের নিম্নতম তীব্রতাকে শ্রাব্যতার প্রারম্ভ (threshold of audibility) বলে। 1000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দের শ্রাব্যতার প্রারম্ভিক সীমা 10-12 Wm-2 তীব্রতার বা, 10-12 W ক্ষমতার সমান।
প্রমাণ তীব্রতা : 1000 Hz কম্পাঙ্কবিশিষ্ট 10-12 Wm-2 তীব্রতাকে প্রমাণ তীব্রতা বলে।
প্রমাণ ক্ষমতা : 1000 Hz কম্পাঙ্কবিশিষ্ট 10-12 W ক্ষমতাকে প্রমাণ ক্ষমতা বলে।

২,৫৩০.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. আয়োডিন-131
  2. ফসফরাস-32
  3. কার্বন-14 
  4. কোবাল্ট-60
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস-32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস-32
ব্যাখ্যা

- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস-32 (P-32) ব্যবহার করে উদ্ভিদের মূল থেকে বিভিন্ন অংশে খাদ্যবস্তু পৌঁছানোর কৌশল এবং উদ্ভিদের পুষ্টি গ্রহণ ও বৃদ্ধির প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা যায়। 

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 

- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৩১.
পেশি সংকোচনে ভূমিকা রাখে কোনটি?
  1. সোডিয়াম
  2. পটাসিয়াম
  3. আয়রন
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
ব্যাখ্যা
- পটাসিয়াম পেশি সংকোচনে ভূমিকা রাখে। 

খনিজ লবণ: 

- দেহ কোষ ও দেহের তরল উপাদানের জন্য (যেমন- রক্ত, এনজাইম, হরমোন ইত্যাদি) খনিজ লবণ খুবই দরকারি। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন, দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ (যেমন- পেশি সংকোচন, স্নায়ু উত্তেজনা) নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। 
- হাড়, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে সরাসরি খনিজ লবণ শোষণ করে। 
- আমাদের দেহের ওজনের ১% পরিমাণ লবণ থাকে। 
- এ উপাদানগুলো হলো ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার, সোডিয়াম, ক্লোরিন ও ম্যাগনেসিয়াম। 
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। গলগণ্ড রোধে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া উচিত। 


উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২,৫৩২.
কক্ষ তাপমাত্রায় পদার্থ নিচের কোন অবস্থায় থাকে না?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) প্লাজমা
  3. গ) গ্যাসীয়
  4. ঘ) তরল
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাজমা
ব্যাখ্যা
যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, কোনো কোনো পদার্থ তরল এবং কোনো কোনো পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
২,৫৩৩.
কোনটি ভাইরাস জনিত রোগ?
  1. ক) সিফিলিস
  2. খ) ইবোলা
  3. গ) টাইফয়েড
  4. ঘ) আমাশয়
সঠিক উত্তর:
খ) ইবোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইবোলা
ব্যাখ্যা

• কয়েকটি ভাইরাস জনিত রোগঃ
- জন্ডিস,
- হার্পিস,
- গুটি বসন্ত,
- জল বসন্ত,
- হাম,
- মাম্পস,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- বার্ড ফ্লু,
- সোয়াইন ফ্লু,
- পোলিও,
- এইডস,
- জলাতঙ্ক,
- নিপাহ,
- ডেঙ্গু জ্বর,
- ইবোলা,
- জিকা জ্বর ইত্যাদি।
• কতিপয় ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগঃ
- যক্ষ্মা,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিংকাশি,
- ধনুষ্টংকার,
- নিউমোনিয়া,
- মেনিনজাইটিস,
- কলেরা,
- গনোরিয়া,
- সিফিলিস,
- টাইফয়েড,
- আমাশয়,
- প্লেগ,
- কুষ্ঠ ইত্যাদি।

২,৫৩৪.
ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং হলো -
  1. ক) আলট্রাসনোগ্রাফি
  2. খ) সিটিস্ক্যান
  3. গ) ইসিজি
  4. ঘ) এক্স-রে
সঠিক উত্তর:
ক) আলট্রাসনোগ্রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলট্রাসনোগ্রাফি
ব্যাখ্যা
আল্ট্রাসনোগ্রাফি
আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো রোগ নির্ণয় সংক্রান্ত একটি বিশেষ ধরণের প্রক্রিয়া যেখানে উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। সাধারণত শরীরের অভ্যন্তরের নরম পেশীজনিত সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ড কাজে লাগিয়ে তা সনাক্ত করা হয়। এছাড়াও হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।

সুত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৩৫.
সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা বড়-
  1. ক) ১৩ মিলিয়ন গুণ
  2. খ) ১০ মিলিয়ন গুণ
  3. গ) ১.৩ মিলিয়ন গুণ
  4. ঘ) ১.০ মিলিয়ন গুণ
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৩ মিলিয়ন গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১.৩ মিলিয়ন গুণ
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত মাঝারি আয়তনের নক্ষত্র সূর্য।
- পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১৩,০০০ কিলোমিটার এবং সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৪,০০০০০ কিলোমিটার।
- সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
- পৃথিরী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার।
- সূর্য তার নিজস্ব গ্যালাক্সির চতুর্দিকে বৃত্তাকার পথে ২০ কোটি বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং নিজ কক্ষপথে প্রায় ২৫ দিনে একবার আবর্তন করে।
- সূর্যের কেন্দ্রভাগে তাপমাত্রা ৮ মিলিয়ন থেকে ৪০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং পৃষ্ঠদেশের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। যার দরুণ ভূ-পৃষ্ঠে উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকে ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩৬.
ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটানোর একমাত্র মাধ্যম-
  1. ক) Aedes
  2. খ) Culex
  3. গ) Anopheles
  4. ঘ) Culiseta
সঠিক উত্তর:
গ) Anopheles
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Anopheles
ব্যাখ্যা
ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটানোর একমাত্র মাধ্যম স্ত্রী Anopheles মশকী। Aedes aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। এছাড়া এডিস এলবোপিকটাস মশার কামরেও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
২,৫৩৭.
জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস কোনটি?
  1. ক) হার্পিস ভাইরাস
  2. খ) ভাক্সিনিয়া ভাইরাস
  3. গ) হেপাটাইসিস সি
  4. ঘ) রেবিস ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেবিস ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেবিস ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম রেবিস ভাইরাস
- জণ্ডিস রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম হেপাটাইসিস বি/সি।
- হার্পিস রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম হার্পিস ভাইরাস।
- গো-বসন্ত রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম ভাক্সিনিয়া ভাইরাস।

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
২,৫৩৮.
বুধ গ্রহে প্রাণির অস্তিত্ব নেই কারণ- 
  1. পর্যাপ্ত বায়ুমণ্ডল ও পানি থাকার ফলে 
  2. সূর্য থেকে দূরত্ব অনেক বেশি
  3. তাপমাত্রা অত্যন্ত কম
  4. মাধ্যাকর্ষণ কম, তাই বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না
সঠিক উত্তর:
মাধ্যাকর্ষণ কম, তাই বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যাকর্ষণ কম, তাই বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না
ব্যাখ্যা

বুধ (Mercury): 
- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। 
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার এবং এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
সুতরাং, বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না। এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি, সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই
- ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।
- ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবং এবড়ো-থেবড়ো। এখানে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি আছে।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৩৯.
What is called 'Bee Farming'?
  1. ক) Aviculture
  2. খ) Sericulture
  3. গ) Apiculture
  4. ঘ) Pisciculture
সঠিক উত্তর:
গ) Apiculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Apiculture
ব্যাখ্যা
- বানিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষকে এপিকালচার বলে

অন্যদিকে,
- বানিজ্যিকভাবে পাখি পালন বিদ্যাকে - এভিকালচার বলে।
- বানিজ্যিকভাবে রেশম চাষকে - সেরিকালচার বলে।
- বানিজ্যিকভাবে মৎস চাষকে - পিসিকালচার বলে।
- বানিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষকে -প্রণকালচার  বলে।

উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২,৫৪০.
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময়-
  1. ক) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে
  2. খ) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
  3. গ) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
  4. ঘ) সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
ব্যাখ্যা
জোয়ার: চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা (Ebb or low Tide) বলে।
প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়। অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।

জোয়ার ভাঁটার কারণ: জোয়ার ভাঁটা সম্পর্কে প্রাচীনকালে মানুষ নানা রকম অবাস্তব কল্পনা করত। কিন্তু বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়। জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব
২) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি

প্রবল জোয়ার: সূর্য, চন্দ্র, পৃথিবী যখন একই সরলরেখায় থাকে তখন পৃথিবীর উপর আকর্ষন বল অনেক বেশি হয়। তাই জোয়ারের পানি অনেক ফুলে উঠে।

উৎস: 
উচ্চ মাধ্যমিকের ভূগোল বই, মাধ্যমিকের বিজ্ঞান বই - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪১.
প্রাচীন জীবাস্মের বয়স নির্ধারণে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) কার্বন - ১২ আইসোটোপ
  2. খ) কার্বন - ১৩ আইসোটোপ
  3. গ) কার্বন - ১৪ আইসোটোপ
  4. ঘ) কার্বন - ১২ স্কেল
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন - ১৪ আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন - ১৪ আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

প্রাচীন জীবাস্মের বয়স নির্ধারণে ব্যবহৃত হয় কার্বন - ১৪ আইসোটোপ।
- আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমানে কার্বন আছে এবং তার ভিতরে নির্দিস্ট পরিমানে কার্বন - ১৪ আছে।
- কোন প্রাণী মারা গেলে নতুন করে কার্বন - ১৪ আইসোটোপ প্রবেশ করতে পারে না। প্রাণী মারা যাওয়ার পর কার্বন - ১৪ আইসোটোপ কমতে থাকে।
[তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৩৬২।]

২,৫৪২.
গ্রীণ হাউজে গাছ লাগানো হয় কেন?
  1. ক) উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য
  2. খ) ঝড় – বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য
  3. গ) আলো থেকে রক্ষার জন্য
  4. ঘ) অত্যধিক ঠান্ডা থেকে রক্ষার জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) অত্যধিক ঠান্ডা থেকে রক্ষার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অত্যধিক ঠান্ডা থেকে রক্ষার জন্য
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউজ:
- শীতপ্রধান অঞ্চলের অত্যধিক ঠান্ডা থেকে রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় তাপ ধরে রাখার জন্য কাঁচ নির্মিত ঘরের মধ্যে গাছ লাগানো হয়।
- এই কাঁচ নির্মিত ঘরকে গ্রীন হাউজ বলা হয়।
- গাছকে উষ্ণতা প্রদান করার জন্য গ্রিন হাউজে গাছ লাগানো হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৪৩.
জগদীশচন্দ্র বসু প্রথম কোন ক্ষেত্রে গবেষণা করেছিলেন এবং সফল হন?
  1. কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ
  2. নিউট্রন আবিষ্কার
  3. দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে সংকেত প্রেরণ
  4. প্ল্যানেটের কক্ষপথ নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে সংকেত প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে সংকেত প্রেরণ
ব্যাখ্যা

জগদীশচন্দ্র বসু: 
- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন। 
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫ মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহি জাংশন ব্যবহার করেন। এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 
- জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 
- উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ। তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন। তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয় বৈদ্যুতিক। 
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'। 
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৪.
এক্স রে টিউবে কিসের ক্যাথোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) টিন
  2. খ) এলুমিনিয়াম
  3. গ) টাংস্টেন
  4. ঘ) কপার
সঠিক উত্তর:
গ) টাংস্টেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টাংস্টেন
ব্যাখ্যা
টাংস্টেনের ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে যায় এবং তা থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৫৪৫.
এক্স-রশ্মি ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. গোয়েন্দা কাজে 
  2. হীরক সনাক্তকরণে 
  3. শরীরের ভিতরের হাড়ে ফাটল শনাক্ত করণে 
  4. উপরোক্ত সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

- এক্স-রশ্মি (X-ray) চিকিৎসাবিজ্ঞান (হাড়ের ফাটল, ফুসফুসের রোগ), শিল্প (যন্ত্রপাতির ত্রুটি পরীক্ষা), এবং ফরেনসিক বা গোয়েন্দা কাজে (যেমন: লুকানো জিনিসপত্র সনাক্তকরণ) ও মূল্যবান পাথর (হীরা) শনাক্তকরণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

এক্স রে (রঞ্জন রশ্মি): 

- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়। এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। 

এক্স রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করণে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়ে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৬.
FCDI কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. বন্যা
  3. বজ্রপাত
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা
ব্যাখ্যা
FCDI প্রকল্প:
• FCDI: Flood Control, Drainage and Irrigation Projects 
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প। 
• উদ্দেশ্য: বন্যাপ্রবণ এলাকার ২০% ভূমিকে রক্ষা করা। 
• ১৯৬৪ সালে দেশজুড়ে ৫৮টি বন্যা প্রতিরোধ এবং নিষ্কাশন প্রকল্প সম্বলিত একটি মাস্টার প্ল্যান গৃহীত হয়েছিল।

• FCDI এর প্রধান প্রধান কয়েকটি সেচ প্রকল্প হলো:
- গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট);
- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রকল্প ;
- কর্ণফুলি বহুমুখী প্রকল্প ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর। 
২,৫৪৭.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে বৃদ্ধি পায়?
  1. মহাশূন্যের তাপমাত্রা
  2. সূর্যের শক্তি 
  3. মহাশূন্যে CO2-এর পরিমাণ
  4. পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা

- গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়

গ্রিন হাউস ইফেক্ট: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রিন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রিন-হাউজ ইফেক্টের ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৪৮.
জগদীশচন্দ্র বসু রেডিও সংকেত শনাক্তকরণের কাজে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলেন? 
  1. ট্রানজিস্টর 
  2. অর্ধপরিবাহী জাংশন 
  3. ভ্যাকুয়াম টিউব 
  4. ক্যাপাসিটার 
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী জাংশন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী জাংশন 
ব্যাখ্যা

জগদীশচন্দ্র বসু: 
- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন। 
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। 
- তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহি জাংশন ব্যবহার করেন। 
- এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 
- জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 

- উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ। 
- তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন। 
- তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয় বৈদ্যুতিক। 
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'। 
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৯.
মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো-
  1. ক) সমুদ্র
  2. খ) মহাসাগর
  3. গ) হ্রদ
  4. ঘ) বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো বৃষ্টির পানি। সাগরের পানিতে লবণ থাকে বলে এটি মৃদু বা মিষ্টি পানির উৎস নয়। নদীর পানি ও বিলের পানি মৃদু হলেও এসব মূলত বৃষ্টিপাতের উপরে নির্ভরশীল। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৫০.
মানুষের হৃদপিণ্ডে অলিন্দ ও নিলয়ের মোট সংখ্যা কতটি?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ১টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
মানুষের হৃদপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।
- এর মধ্যে অলিন্দ আছে ২ টি (ডান অলিন্দ ও বাম অলিন্দ) এবং নিলয় আছে দুইটি (ডান নিলয় ও বাম নিলয়)।
- সুতরাং অলিন্দ ও নিলয় মিলিয়ে মোট প্রকোষ্ঠ সংখ্যা ৪। 
সূত্র: মাধমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
২,৫৫১.
টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য কোন মৌলিক রঙ ব্যবহার করা হয়?
  1. লাল, সবুজ, হলুদ
  2. লাল, নীল, সবুজ
  3. নীল, হলুদ, কালো
  4. সবুজ, হলুদ, সাদা
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল, সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল, সবুজ
ব্যাখ্যা

টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল, সবুজ এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহার করা হয়।

• রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৫২.
কোন প্রাণি পানিতে বসবাস করা সত্ত্বেও বাতাসে নিশ্বাস নেয়?
  1. ক) হাঙর
  2. খ) জেলি ফিস
  3. গ) তিমি
  4. ঘ) চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি
ব্যাখ্যা
ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য এগুলো মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে।
পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই।

Source: uk.whales.org
২,৫৫৩.
পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় কোন বিক্রিয়া ব্যবহার করে?
  1. আয়নিক বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. ফিউশন বিক্রিয়া
  4. ফিশন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ফিশন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
ফিউশন বিক্রিয়া: 
- দুটি নিউক্লিয়াসের সংযোগে একটি নিউক্লিয়াস তৈরি হওয়াকে ফিউশন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া হাইড্রোজেন বোমা তৈরির ভিত্তি। 

ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় একটি নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়াকে বিয়োজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৫৪.
নিচের কোনটি ভাইরাস গঠিত রোগ নয়?
  1. ক) কোভিড-১৯
  2. খ) ডেঙ্গু জ্বর
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) মাম্পস
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ:
- এইডস,
- জন্ডিস,
- কোভিড-১৯
- হার্পিস,
- গুটি বসন্ত,
- জল বসন্ত,
- হাম,
- মাম্পস,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- বার্ড ফ্লু,
- সোয়াইন ফ্লু,
- পোলিও,
- জলাতঙ্ক,
- নিপাহ,
- ডেঙ্গু জ্বর,
- ইবোলা,
- জিকা জ্বর ইত্যাদি।

• ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- যক্ষ্মা,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিংকাশি,
- ধনুষ্টংকার,
- নিউমোনিয়া,
- মেনিনজাইটিস,
- কলেরা,
- গনোরিয়া,
- সিফিলিস,
- টাইফয়েড,
- আমাশয়,
- প্লেগ,
- কুষ্ঠ ইত্যাদি।

উৎস: National Institutes of Health (US)

২,৫৫৫.
ডায়োড সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
  2. খ) AC কারেন্ট কে DC কারেন্টে রূপান্তর করা যায়।
  3. গ) জাংশন ডায়োড তৈরি করা যায়।
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
ব্যাখ্যা
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযােগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছােট ছােট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৫৬.
Which of the following disease is not spread by Mosquito?
  1. Zika virus
  2. Chikungunya virus
  3. Yellow virus
  4. Ebola virus
সঠিক উত্তর:
Ebola virus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ebola virus
ব্যাখ্যা
মশাবাহিত রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো - ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, জিকা ভাইরাস, ইয়োলো ভাইরাস, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ইত্যাদি।
- এবোলা একটি ভাইরাস।
- এতে আক্রান্ত হলে খুব হঠাৎ করে জ্বর দেখা দেয়। খুব দুর্বল লাগে।
- এর পরবর্তী ধাপ হল বমি ও ডাইরিয়া দেখা দেয়। শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্তপাত হতে থাকে।
- সরাসরি আক্রান্ত ব্যক্তির কেটে যাওয়া ত্বক, তার মুখ, নাক, বমি, রক্ত, মল বা শরীরের অন্য ধরনের তরল কোন পদার্থের সংস্পর্শে এলে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হতে পারে।
- মূলত কোনো প্রাণী বা মানুষের রক্ত, বীর্য, যোনিরস বা দেহ নির্গত অন্য কোনো তরলের সংস্পর্শে এ রোগ ছড়ায়৷ বলা বাহুল্য, অনিয়ন্ত্রিত এবং অনিরাপদ যৌন মিলনেও এ রোগের সংক্রমণ হয়ে থাকে ।
- অর্থাৎ কিছু কিছু ক্ষেত্রে এইডস রোগের সঙ্গে এবোলার মিল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে পশ্চিম আফ্রিকায় এবোলা মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণ উড়ন্ত খ্যাঁকশিয়ালা এই প্রাণীটি ভাইরাসটি বহন করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে দেয় এমনকি সংক্রমিত প্রাণীটি যখন ফলমূল ও অন্যান্য প্রাণী খায়, তখন সেসব খাদ্যের অবশিষ্ট অংশ থেকেও ছড়িয়ে পড়ে এবোলা৷

উৎস: The National Institute for Occupational Safety and Health (NIOSH)। [লিঙ্ক]
DW বাংলা। [লিঙ্ক]
২,৫৫৭.
বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ ঘটেছিল প্রায় কত বছর আগে?
  1. ৩৭৫.০ কোটি বছর
  2. ১.৩৭৫ ট্রিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
  4. ১৩.৭৫ মিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্ব: 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

মহাবিশ্বের উৎপত্তি: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৫৫৮.
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পরপর দেখা যায়?
  1. ৭০ বছর
  2. ৭৬ বছর
  3. ৮০ বছর
  4. ৮৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৭৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ বছর
ব্যাখ্যা
হ্যালির ধূমকেতু:
- পরবর্তী হ্যালির ধূমকেতু দেখা যাবে ২০৬২ সালে।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
- ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে। হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬+৭৬ = ২০৬২ সালে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৫৯.
পৃথিবীর সঙ্গে একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তাকে কী হিসেবে অভিহিত করা হয়? 
  1. পীড়ন
  2. অভিকর্ষ বল
  3. স্থিতিস্থাপকতা
  4. তাড়িতচৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। 
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ। 
- কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬০.
আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৬০০ থেকে ৮০০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৫০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০ থেকে ৮০০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
• কোনো তরঙ্গের পরপর দুটি, একই দশা সম্পন্ন কণার মধ্যকার দূরত্বকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য (Wave length) বলা হয়।
• আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
• সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না।
• যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই।
• ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে। তাই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো।

তথ্যসূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৬১.
কোন বৈশিষ্ট্য এক্সরে-কে অন্য রশ্মি থেকে আলাদা করে? 
  1. এটি আলোর সমবেগে যায় না 
  2. এটি দৃশ্যমান 
  3. এটি আলোর মতো প্রতিসরণ করে না 
  4. এটি তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
এটি তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ 
ব্যাখ্যা

এক্সরের ধর্ম (Properties of X-ray): 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪। এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এক্সরে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না, সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৬২.
গ্যাসোলিন কোনটি?
  1. ক) পেট্রোল
  2. খ) ডিজেল
  3. গ) অকটেন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রোল
ব্যাখ্যা

- পেট্রোল হচ্ছে এক ধরনের হাইড্রোকার্বন।
- এর স্ফুটনাঙ্ক ২১ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে ৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- একে গ্যাসোলিনও বলা হয়।
তথ্যসূত্র: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২৬৬।

২,৫৬৩.
পাহাড়ের উপরে কোন গ্যাসের আধিক্য বেশি?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) কার্বনডাই অক্সাইড
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
যথা- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৭৮.০১% ও অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১%।
পাহাড়ের উপরে গ্যাসের অনুপাতের পরিমানে সামান্য তারতম্য হলেও নাইট্রোজেনের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি

২,৫৬৪.
বায়োটেকনোলজি শব্দটি প্রথম ব্যাবহার করেন কে?
  1. ক) রবার্ট হুক
  2. খ) রবার্ট ব্রাউন
  3. গ) কার্ল এরেকি
  4. ঘ) উইলিয়ামসন
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ল এরেকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ল এরেকি
ব্যাখ্যা
- বায়োটেকনোলজি শব্দটি হাঙ্গেরীয় কৃষি প্রকৌশলী কার্ল এরেকি ১৯১৯ সালে প্রথম ব্যবহার করেন।

- Biology এবং  Technology এই দুই শব্দের সমন্নয়ে biotechnology শব্দের সৃষ্টি যার অর্থ জীবপ্রযুক্তি।

উৎস:
একাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
২,৫৬৫.
শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিতে হয় বছরে -
  1. ক) দুইবার
  2. খ) একবার
  3. গ) তিনবার
  4. ঘ) চারবার 
সঠিক উত্তর:
ক) দুইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুইবার
ব্যাখ্যা
- ষাটের দশকে ভিটামিন এ-এর অভাবকে জনস্বাস্থ্য সমস্যা বলে অভিহিত করা হয়।
- কিন্তু সে সময় এই সমস্যার পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব হয়নি।
- স্বাধীনতার পরে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভিটমিন এ–সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন।
- শিশুদের বছরে দুবার ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়ে থাকে।
- এক বছরের কম বয়সী শিশুদের নীল রঙের ও ১ থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুদের লাল ক্যাপসুল দেওয়া হয়।
- তবে ছয় মাসের কম বয়সীদের খাওয়ানো হয় না।
-কেননা মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে তাদের ভিটমিন এ–এর অভাব পূরণ হয়ে যায়।

- পোলিও একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ।
- ব্রিটিশ ডাক্তার মাইকেল আন্ডারউড দ্বারা পোলিওর প্রথম পরিচিত ক্লিনিকাল বিবরণ ১৭৮৯ সাল পর্যন্ত ছিল না এবং এটি ১৮৪০ সালে জার্মান চিকিৎসক জ্যাকব হাইন দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে একটি শর্ত হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিল।

উৎস:- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং প্রথম আলো।
২,৫৬৬.
দুধের ঘনত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. ম্যানোমিটার
  2. গ্র্যাভিমিটার
  3. পাইরোমিটার
  4. ল্যাক্টোমিটার
সঠিক উত্তর:
ল্যাক্টোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাক্টোমিটার
ব্যাখ্যা
- দুধের ঘনত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র হলো ল্যাক্টোমিটার। 

অন্যদিকে, 
- চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো ম্যানোমিটার। 
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র হলো পাইরোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র হলো গ্রাভিমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র টেকোমিটার। 
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২,৫৬৭.
কাকে 'ফাদার অব মর্ডান অ্যাস্ট্রোফিজিক্স' বলা হয়?
  1. Angelo Secchi
  2. Carl Sagan
  3. Edwin Hubble
  4. Satyen Sen
সঠিক উত্তর:
Angelo Secchi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Angelo Secchi
ব্যাখ্যা
• অ্যাঞ্জেলো সেচ্চি(Angelo Secchi):
- তিনি ছিলেন একজন ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
- যিনি প্রথম তারাদের বর্ণালীবৈশিষ্ট্যের (spectral classification) ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধ করার কাজ করেন।
- এটি ছিল আধুনিক জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার (Astrophysics) ভিত্তিপ্রস্তর।
- এজন্য তাকে "Father of Modern Astrophysics" বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও স্প্রিনজার আর্টিকেল।
২,৫৬৮.
কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
  2. খ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) পটাসিয়াম স্টিয়ারেট
  4. ঘ) কপার সালফেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপার সালফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপার সালফেট
ব্যাখ্যা
- কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কপার সালফেট ব্যবহার করা হয়।
- খাবার লবণ হল সোডিয়াম ক্লোরাইড যা সাধারণ লবণ নামেও পরিচিত।
- খাবার লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাদ্যকে খাবার উপযোগী করে তোলে।
- তরি-তরকারি, পাউরুটি, বিস্কুট, আচার ছাড়াও আরও অনেক খাবারে খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়।
- জামা-কাপড় কাঁচার জন্য আমরা যে সাবান ব্যবহার করি তা আসলে সোডিয়াম স্টিয়ারেট নামক লবণ।
- সোডিয়াম কার্বনেট যা কাপড় কাচার সোডা হিসেবে পরিচিত একটি লবণ।
- সেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাসিয়াম স্টিয়ারেট নামক লবণ।
- কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কপার সালফেটকে ব্যাপক ব্যবহার করা হয়।
- মাটির অ্যাসিডিটি নিষ্ক্রিয় করতে যে চুনাপাথর বা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে যে সকল সার যেমন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট , অ্যামোনিয়াম ফসফেট, পটাসিয়াম নাইট্রেট ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
- শিল্প-কারখানায় লবণ ডিটারজেন্ট তৈরিতে, কাপড় কাঁচার সোডা ও খাবার সোডা তৈরিতে, চামড়ার ট্যানিং করতে, মাখন ও পনিরের শিল্পোৎপাদনে খাবার লবণ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:- বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬৯.
মাইক্রোওয়েভ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেডিওতে
  2. খ) টেলিফোনে
  3. গ) রাডারে
  4. ঘ) টেলিস্কোপে
সঠিক উত্তর:
গ) রাডারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাডারে
ব্যাখ্যা
রাডার যন্ত্রে, নৌ ও বিমান চালনায়, রেডিও যােগাযােগ ব্যবস্থায়, শিল্প কারখানায় এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়। এছাড়া খাবার গরম করা ও রান্নার কাজে মাইক্রোওভেন ব্যবহৃত হয়। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
২,৫৭০.
বর্তমানে পরিবেশ-বান্ধব কোন গ্যাসটি রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসরে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) টাইক্লোরোটাইফ্লুরো ইথেন
  2. খ) টেট্রাফ্লুরো ইথেন
  3. গ) ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
খ) টেট্রাফ্লুরো ইথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টেট্রাফ্লুরো ইথেন
ব্যাখ্যা
- ১৯২৭ সালে প্রথম আধুনিক ব্যক্তিগত রেফ্রিজারেটর বাজারে আনে মার্কিন প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক।
- আধুনিক রেফ্রিজারেটরগুলােতে ফ্রেয়ন এর বদলে টেট্রাফ্লুরােইথেন নামে একটি গ্যাস ব্যবহার করা হয়। যেটা পরিবেশ বান্ধব।
- ফ্রেয়ন ওজোন স্তর ধংসের জন্য দায়ী।
২,৫৭১.
নিচের কোন যৌগটি ভিটামিন ‘সি’?
  1. ক) অ্যাসকরবিক এসিড
  2. খ) সাইট্রিক এসিড
  3. গ) অ্যাসিটিক এসিড
  4. ঘ) অক্সালিড এসিড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাসকরবিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাসকরবিক এসিড
ব্যাখ্যা
- অ্যাসকরবিক এসিড হল ভিটামিন- সি এর অপর নাম। 
- কমলা লেবু, বাতাবি লেবু, পাতিলেবু, আনারস, আম, জাম, মাছ ও মাংস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
- ভিটামিন সি এর অভাবে বিভিন্ন রোগ হয়।
যেমন-স্কার্ভি, শিশুদের মাড়ি ফুলে যাওয়া, দেহের ওজন হ্রাস হওয়া, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি রোগ হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
২,৫৭২.
মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?
  1. সিরাস
  2. নিম্বাস
  3. অল্টোকিউম্যুলাস
  4. স্ট্রেটাস
সঠিক উত্তর:
অল্টোকিউম্যুলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্টোকিউম্যুলাস
ব্যাখ্যা

• উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

• মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

• নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। 

২,৫৭৩.
পৃথিবীর বর্তমান বয়স কত?
  1. ৫.৬ বিলিয়ন বছর
  2. ৩.২ বিলিয়ন বছর
  3. ৪.৬ বিলিয়ন বছর
  4. ২.৩ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
৪.৬ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৬ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

- It is widely accepted by both geologists and astronomers that Earth is roughly 4.6 billion years old.
- This age has been obtained from the isotopic analysis of many meteorites as well as of soil and rock samples from the Moon by such dating methods as rubidium–strontium and uranium–lead.
সূত্র: Encyclopedia Britannica

এছাড়া মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বইয়ে পৃথিবীর বয়স ৪.৫৪ বিলিয়িন বছর বলা হয়েছে।

২,৫৭৪.
হৃৎপিণ্ডের সর্বাধিক পেশিবহুল অংশ কোনটি?
  1. ক) ডান অলিন্দ
  2. খ) ডান নিলয়
  3. গ) বাম অলিন্দ
  4. ঘ) বাম নিলয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাম নিলয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাম নিলয়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ডান অলিন্দ হলো হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে কম পেশিবহুল অংশ আর বাম নিলয় হলো সর্বাধিক পেশিবহুল অংশ। ডান অলিন্দ মহাশিরার মাধ্যমে ফুসফুস ছাড়া দেহের অন্য সকল অঙ্গ থেকে অক্সিজেনরিক্ত রক্তগ্রহণ করে। বাম নিলয় মহাধমনির মাধ্যমে ফুসফুস ছাড়া দেহের অন্যান্য অংশে রক্ত পাম্প করে। দেহের প্রায় সমগ্র অংশে রক্ত পাম্প করতে হয় বলে বাম নিলয় হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে পেশিবহুল অংশ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৫৭৫.
ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলকে কি বলে?
  1. ছায়াবৃত্ত
  2. গুরুবৃত্ত
  3. গোধূলি
  4. ঊষা
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা
ছায়াবৃত্ত:
- পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা।
- সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৭৬.
মানুষের রক্তে LDL এর মাত্রা কত থাকে?
  1. ক) 60%
  2. খ) 70%
  3. গ) 80%
  4. ঘ) 90%
সঠিক উত্তর:
খ) 70%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 70%
ব্যাখ্যা
মানুষের রক্তে LDL এর মাত্রা থাকে ৭০%। 

LDL পূর্ণরূপ- Low Density Lipoprotein
লিপোপ্রোটিন হল একটি জৈব রাসায়নিক স্নেহ পদার্থ। এর প্রাথমিক কাজ হলো হাইড্রোফোবিক লিপিডকে (ফ্যাট হিসাবে পরিচিত) প্লাজমার মধ্য দিয়ে পরিবহন করা।
Low Density Lipoprotein কে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়। কারণ, এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
অপরদিকে, High Density Lipoprotein (HDL) কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়। কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

২,৫৭৭.
প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস সর্বপ্রথম কোথায় শনাক্ত করা হয়েছিল?
  1. ক) চীনের উহানে
  2. খ) চীনের সাংহাইতে
  3. গ) চীনের বেইজিংয়ে
  4. ঘ) ইতালির লোম্বার্ডিতে
সঠিক উত্তর:
ক) চীনের উহানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীনের উহানে
ব্যাখ্যা
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার সর্বপ্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ১১ জানুয়ারী ২০২০ চীনের উহানে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যায়।
- ১৩ জানুয়ারি চীনের বাহিরে থাইল্যান্ডে সর্বপ্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত হয়। এই রোগী উহান থেকে থাইল্যান্ডে এসেছিল।
- ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাহিরে ফিলিপাইনে প্রথম করোনা রোগী মারা যায়। এই রোগীও উহান থেকে ফিলিপাইন গিয়েছিলো।
- বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ এবং প্রথম রোগী মারা যায় ১৮ মার্চ।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ COVID-19 কে মহামারি হিসেবে চিহ্নিত করে।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।
২,৫৭৮.
সকল অধাতব পদার্থ মূলত-
  1. ক) পরিবাহী
  2. খ) অপরিবাহী
  3. গ) অর্ধপরিবাহী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অপরিবাহী
ব্যাখ্যা
অপরিবাহী পদার্থ
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে, যেমন-কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি।
- মূলত প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী
- অপরিবাহী পদার্থের আপেক্ষিক রোধ 1012Ωm ক্রমের। 
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না।
- তাই অপরিবাহীর দুই প্রান্তে অনেক বিভব পার্থক্য ঘটালেও তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয় না।
- অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭৯.
নিচের কোনটি উৎপাদক?
  1. সবুজ উদ্ভিদ
  2. মাটি 
  3. শিকারি পোকা 
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
সবুজ উদ্ভিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ উদ্ভিদ
ব্যাখ্যা

- সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্যালোক, জল এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে, এই কারণে বাস্তুতন্ত্রে এদেরকে উৎপাদক বা প্রাথমিক উৎপাদক বলা হয়। খাদ্য শৃঙ্খল সবসময় একটি উৎপাদক দিয়েই শুরু হয়। 

ইকোলজি: 

- ইকোলজি হলো এমনই এক বিজ্ঞান যা জৈব ও অজৈব উপাদানসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক, পারস্পরিক মিথস্ত্রিয়া ব্যাখ্যা করে। 
- জীব ও জড় পরিবেশের এই পারস্পরিক আন্তঃসম্পর্ককেই বলা হয় বাস্তুসংস্থান। 
- পরিবেশ ও জীবের এই সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য এবং মানুষ, জীব ও পরিবেশ একে অন্যের জীবনধারণের প্রতিটি স্তরে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। 

বাস্তুসংস্থানের উপাদান: 
- বাস্তুসংস্থানের উপাদান মূলত দুটি। 
যথা- 
ক. সজীব উপাদান: 
- সজীব সম্প্রদায় হলো বাস্তুসংস্থানের জীব উপাদান। 
- সজীব উপাদান আবার তিন প্রকার। 
যথা- 
১. উৎপাদক: সবুজ উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে পানি, কার্বন ডাই-অক্সাইড, খনিজ লবণ প্রভৃতি জীব উপাদান গ্রহণ করে সৌরশক্তির মাধ্যমে নিজেদের শর্করা জাতীয় খাদ্য নিজেরা তৈরি করে। এ সবুজ উদ্ভিদই উৎপাদক। 
২. খাদক: ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক কর্তৃক তৈরি খাদ্যের উপর নির্ভরশীল জীবগোষ্ঠিকে বলে খাদক। খাদক তিন প্রকার। যথা- প্রথম স্তরের খাদক, দ্বিতীয় স্তরের খাদক এবং তৃতীয় স্তরের খাদক। 
৩. বিয়োজক: ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক ও খাদকের মৃতদেহ মাটিতে মিশে ব্যাকটেরিয়া, ক্ষুদ্র পোকামাকড় ইত্যাদির দ্বারা বিয়োজক স্তর গড়ে উঠে। পরিশেষে উৎপাদক জীবগোষ্ঠি পুনরায় বিয়োজক স্তর হতে খাদ্য গ্রহণ করে দেহে পুষ্টি জোগায়। 

খ. জড় উপাদান: 
- পরিবেশের সকল অজৈব ও জৈব উপাদান হলো বাস্তুসংস্থানের জড় উপাদান। 
- জড় উপাদান আবার তিন প্রকার। 
যথা- 
১. অজৈব উপাদান: মাটি, পানি, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, খনিজ লবণ ইত্যাদি হচ্ছে বাস্তুসংস্থানের অজৈব উপাদান। 
২. জৈব উপাদান: উদ্ভিদ ও প্রাণির মৃতদেহ হতে তৈরি হিউমাস ও ইউরিয়া হলো মাটির জৈব উপাদান। 
৩. ভৌত উপাদান: আবহাওয়া, জলবায়ু, মাটির গুণাগুণ বাস্তুসংস্থানের ভৌত উপাদান। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৮০.
'The Theory of Relativity' এর প্রণেতা-
  1. ক) চার্লস ডারউইন
  2. খ) কেরোলাস লিনিয়াস
  3. গ) আইজ্যাক নিউটন
  4. ঘ) আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন। E=mc^2, একে আইনস্টাইনের পদার্থ ও শক্তির অভিন্নতা বিষয়ক সূত্র বলা হয়। পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়। থিওরি অফ রিলেটিভিটি বা আপেক্ষিকতাবাদের প্রণেতা আলবার্ট আইনস্টাইন। নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় ধ্রুব - গতি নির্ভর নয়। কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় আপেক্ষিক, যা বস্তু বা প্রসঙ্গ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল একে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা বলে। আপেক্ষিকতা অর্থ কোন কিছুর সাপেক্ষে। যেমন- আপেক্ষিক ভর বলতে কোন প্রসঙ্গ কাঠামো থেকে কোন স্থির পর্যবেক্ষক কোন বস্তুর ভর পরিমাপ করেন তা বোঝায়। উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৮১.
নবজাতকের ওজন কত কেজির কম হলে সেটাকে কম ওজন বিশিষ্ট শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ক) ২ কেজি
  2. খ) ২.৫ কেজি
  3. গ) ৩ কেজি
  4. ঘ) ৩.৫ কেজি
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫ কেজি
ব্যাখ্যা
সদ্যভূমিষ্ঠ শিশুর ওজন ২.৫ কেজির কম হলে তাকে কম ওজন বিশিষ্ট শিশু বলা হয়।
মায়ের অপুষ্টি, মা ও গর্ভস্থ শিশুর বিভিন্ন রোগের কারণে শিশু কম ওজন নিয়ে ভূমিষ্ঠ হতে পারে।
উৎসঃ প্রথম আলো স্বাস্থ্য প্রতিবেদন আর্কাইভ।
২,৫৮২.
পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) উত্তর আমেরিকা
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এশিয়া
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশ:

- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- এ মহাদেশের আয়তন ৪ কোটি ৫০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৯২ বর্গকিলোমিটার।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার)।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে ভ, -মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
- এশিয়া মহাদেশে বিভিন্ন আয়তনের ৫০টি দেশ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮৩.
পৃথিবীর বৃহত্তম ও সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'Large Hadron Collider' এর সাথে কোন সংস্থার নাম জড়িয়ে আছে?
  1. ROSCOSMOS
  2. NASA
  3. CERN
  4. ISRO
সঠিক উত্তর:
CERN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CERN
ব্যাখ্যা
The European Organization for Nuclear Research, known as CERN, is a European research organization that operates the largest particle physics laboratory in the world. Established in 1954, the organization is based in a northwest suburb of Geneva, Switzerland.

CERN এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সাফল্যের উল্লেখ করা যেতে পারেঃ

- The Higgs Boson
হিগস-বোসন কণার অস্তিত্বের ঘোষণা এই CERN এর The Large Hadron Collider এ করা ২টি পরীক্ষা থেকেই আসে।
The Nobel Prize in Physics 2013 was awarded jointly to François Englert and Peter W. Higgs "for the theoretical discovery of a mechanism that contributes to our understanding of the origin of mass of subatomic particles, and which recently was confirmed through the discovery of the predicted fundamental particle, by the ATLAS and CMS experiments at CERN's Large Hadron Collider."

- The Large Hadron Collider
The Large Hadron Collider (LHC) is the world’s largest and most powerful particle accelerator. It first started up on 10 September 2008, and remains the latest addition to CERN’s accelerator complex. The LHC consists of a 27-kilometre ring of superconducting magnets with a number of accelerating structures to boost the energy of the particles along the way.

- The Birth of the web (WWW এর সৃষ্টি)
The World Wide Web was invented by British scientist Tim Berners-Lee in 1989 while working at CERN.

- CERN এর অফিশিয়াল সাইটের তথ্যানুসারে।
২,৫৮৪.
নিচের কোনটি থেকে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়? 
  1. ছত্রাক
  2. শৈবাল
  3. ভাইরাস
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যথা - 
১। বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতংক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
২। ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
৩। ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
৪। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। 
যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
৫। কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে। 
৬। জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
৭। লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮৫.
ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ -
  1. ক) ৪৩.৯৮%
  2. খ) ৪২.৭%
  3. গ) ৪৪.৭৬%
  4. ঘ) ৪৯.০৭%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪২.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪২.৭%
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৮৬.
'নিউরন' মানবদেহের কোন তন্ত্রের গঠনগত ও কার্যকরী একক?
  1. ক) রেচনতন্ত্র
  2. খ) পরিপাকতন্ত্র
  3. গ) স্নায়ুতন্ত্র
  4. ঘ) হৃদযন্ত্র
সঠিক উত্তর:
গ) স্নায়ুতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্নায়ুতন্ত্র
ব্যাখ্যা
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে।
- মস্তিস্ক হলো স্নায়ুতন্ত্র অঙ্গ।
- মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন ১৫০০ ঘন সেমি
- মস্তিষ্কে নিউরন থাকে ১০ বিলিয়ন।
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
- মস্তিষ্ক আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস।

----------------
- রেচনতন্ত্রের কার্যকরী একক নেফ্রন।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৮৭.
স্টিফেন হকিং তাঁর কোন বইতে বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন?
  1. ক) The Grand Design
  2. খ) The Universe in a Nutshell
  3. গ) A Brief History of Time
  4. ঘ) The Explosion of Universe
সঠিক উত্তর:
গ) A Brief History of Time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) A Brief History of Time
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
তাঁর রচিত বইসমূহ-
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell
- The Grand Design, ইত্যাদি। 

- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.

সূত্র: ব্রিটানিকা
২,৫৮৮.
কার্বন-ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে-
  1. ক) করোনারি ধমনী
  2. খ) পালমোনারি ধমনী
  3. গ) পালমোনারি শিরা
  4. ঘ) ইনমিনেট ধমনী
সঠিক উত্তর:
খ) পালমোনারি ধমনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পালমোনারি ধমনী
ব্যাখ্যা
করোনারি ধমনি : অ্যাওর্টা অ্যাওর্টিক আর্চ গঠনের পূর্বেই ডান ও বাম করোনারি ধমনি উৎপন্ন করে। এরা অক্সিজেন যুক্ত রক্ত হৃদপেশীতে সরবরাহ করে।
ইনমিনেট ধমনি : এটি একটি খাটো ও মোটা ধমনি। এটি অভিন্ন ক্যারোটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।
পালমোনারী ধমনি: দেহ থেকে গৃহীত CO2 সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।
পালমোনারি শিরা: ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮৯.
ওজোন স্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত?
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. ট্রপোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

◉ ওজোন স্তর (Ozone Layer) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমণ্ডলে (Stratosphere) অবস্থিত। ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে। এর ফলে পৃথিবীতে জীবজগত রক্ষা পায়।

​স্ট্রাটোমণ্ডল(Stratosphere):
- স্ট্রাটোমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল, যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)।
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়।
- এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।
- স্ট্রাটোমণ্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে।
- এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা । বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়।

- স্ট্রাটোমণ্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে।
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন (ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোনমণ্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultra Violet Rays) শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না।
- এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬° সেলসিয়াস) অনেক বেশি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯০.
Nebula এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ-
  1. ক) নক্ষত্র
  2. খ) গ্রহ
  3. গ) নীহারিকা
  4. ঘ) তারা
সঠিক উত্তর:
গ) নীহারিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নীহারিকা
ব্যাখ্যা
Nebula এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ নীহারিকা। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৯১.
বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ নয় কোনটি?
  1. ক) তেজস্ক্রিয় পদার্থ
  2. খ) আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. গ) দাবানল
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
ক) তেজস্ক্রিয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তেজস্ক্রিয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
- বায়ু দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
প্রাকৃতিক কারণ ও
মানব-সৃষ্ট কারণ। 

প্রাকৃতিক কারণ (Natural Causes):
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস প্রভৃতি বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে।
জৈব ও অজৈব পদার্থ: বিভিন্ন প্রকার জৈব ও অজৈব পদার্থের স্বাভাবিক পচনের ফলে যে গ্যাস সৃষ্টি হয় তা বায়ুকে দূষিত করে ।
দাবানল ও ধূলিঝড়: বিস্তৃত বনাঞ্চলে দাবানল হলে তা ব্যাপক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বায়ুকে দূষিত করে। এছাড়া মরু এলাকায় ধূলিঝড়ও বায়ু দূষণ ঘটায়
গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ: গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে যে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে তা বায়ুকে দূষিত করে।

মানব-সৃষ্ট কারণ (Man-Made Causes)
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: যুদ্ধক্ষেত্র অথবা পারমানবিক চুল্লিতে দুর্ঘটনার ফলে তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ হলে বায়ু দূষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণ।
- এছাড়াও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, শিল্প-কারখানার নির্গত ধোঁইয়া, পরিত্যক্ত বর্জ্য পদার্থের দহন, বন উজার, ইটভাটা, কীটনাশক ইত্যাদি মানব-সৃষ্ট কারণসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯২.
ফুল উৎপাদনের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. অর্গানিক ফার্মিং 
  2. মাইকোলজি 
  3. ফ্লোরিকালচার 
  4. হর্টিকালচার 
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিকালচার 
ব্যাখ্যা

ফুল: 
- ফুল বা সুদৃশ্য গাছপালা উৎপাদনের জ্ঞান ফ্লোরিকালচার বা পুষ্পোদ্যান বিদ্যা নামে পরিচিত। 
- ফুল মানসিক আনন্দ দানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- কতগুলো ফুলের সৌন্দর্য মানুষ আকৃষ্ট করে। আবার কতগুলো ফুলের গন্ধ খুবই মনোমুগ্ধকর। 
- ফুল গৃহ, স্কুল কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শোভা বর্ধনের জন্য খুবই প্রয়োজন। 
- ফুল শুধু মানুষের মনতুষ্টির জন্যও নয় এর অর্থনৈতিক অবদান অপরিসীম। 
- বর্তমানে বাংলাদেশে ফুল ও সুদৃশ্য গাছ বাণিজ্যিক উৎপাদন বিশেষ ভাবে গোলাপ চোখে পড়ছে। 
- এছাড়াও বিভিন্ন সুগন্ধি প্রস্তুতি ফুলের নির্যাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 
- গোলাপ ফুলকে ফুলের রাণী বলা হয়ে থাকে। এর কোমলতা, বর্ণ, সুগন্ধ এমন কেউ নেই যাকে আকৃষ্ট করে না। সাজ সজ্জায় কাটা ফুল হিসেবে কদর রয়েছে। এছাড়া সুগন্ধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

২,৫৯৩.
ENIAC একটি -
  1. ক) রোগ
  2. খ) উদ্ভিদ
  3. গ) কম্পিউটার
  4. ঘ) দেশ
সঠিক উত্তর:
গ) কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
1946 সালে 1800 ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করে ENIAC নামে প্রথম কম্পিউটার তৈরী হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৫৯৪.
জাল টাকার নোট শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয় কোন রশ্মি?
  1. IR-Ray
  2. X-Ray
  3. y-Ray
  4. UV-Ray
সঠিক উত্তর:
UV-Ray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UV-Ray
ব্যাখ্যা
অতিবেগুনী রশ্মি: 
- দৃশ্যমান বেগুনি রশ্মির চেয়ে শক্তিশালী বিকিরিত রশ্মিকে অতিবেগুনী রশ্মি (UV রশ্মি) বলে। 
- অতিবেগুনী রশ্মি এক ধরনের তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে ছোটো এবং রঞ্জন রশ্মির চেয়ে বড়। 
- এই রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১০ ন্যানোমিটার থেকে ৪০০ ন্যানোমিটার এবং শক্তি ৩ ইলেকট্রন-ভোল্ট থেকে ১২৪ ইলেকট্রন-ভোল্ট। 
- প্রকৃত ব্যাংক নোট ও পাসপোর্টে প্রতিপ্রভ পদার্থ দিয়ে তৈরি নিরাপত্তা সুতা, জলছাপ, নকশা লুকায়িত থাকে, যা জাল টাকা বা জাল পাসপোর্টে থাকে না। 
 - প্রকৃত নোট বা পাসপোর্টে UV রশ্মি আপতিত করলে প্রতিপ্রভ পদার্থ দ্বারা ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV রশ্মি শোষিত হয় এবং বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্যের দৃশ্যমান আলো বিকিরিত হয়; কিন্তু জাল টাকা বা জাল পাসপোর্টে প্রতিপ্রভ পদার্থ দ্বারা তৈরি কোনো নকশা বা জলছাপ না থাকায় এটি কোনো দৃশ্যমান আলোকরশ্মি বিকিরণ করতে পারে না। এভাবে UV রশ্মি দিয়ে জাল টাকা বা জাল পাসপোর্ট শনাক্ত করা যায়। 
- আসল পাসপোর্ট বা নোটে UV সংবেদনশিল কালির দ্বারা নির্দিষ্ট স্থানে নিরাপত্তা চিহ্ন ছাপা থাকে, যা স্বাভাবিক ভাবে সাধারণ আলোয় দৃশ্যমান নয়, কিন্তু UV আলোর নিচে ওইসব নিরাপত্তা চিহ্ন দৃশ্যমান হয়, ফলে সহজেই UV দ্বারা আমরা জাল পাসপোর্ট এবং আসল পাসপোর্ট ও জাল নোট এবং আসল নোট শনাক্ত করতে পারি। 
 
উৎস: দৈনিক কালেরকণ্ঠ পত্রিকা এবং ব্রিটানিকা।
২,৫৯৫.
সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব কত?
  1. ১.৫ কোটি কিলোমিটার
  2. ১৫ কোটি কিলোমিটার
  3. ২.৩ কোটি কিলোমিটার
  4. ২৩ কোটি কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• পৃথিবী (Earth):
- পৃথিবী আমাদের বাসভূমি।
- এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- তাই এখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী।
- সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি।

২,৫৯৬.
পৃথিবীকে উত্তর দক্ষিণে বিভক্ত করেছে-
  1. অক্ষরেখা
  2. নিরক্ষ রেখা
  3. পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা
  4. পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষ রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষ রেখা
ব্যাখ্যা
দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে। পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার।
নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে।
এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।
এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান।
নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।
উৎসঃ ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯৭.
বিটা কণিকার ভর হচ্ছে:
  1. 9.9 × 1031 kg
  2. 9.1 × 10-19 kg
  3. 9.1 × 10-31 kg
  4. 9.4 × 10-28 kg
সঠিক উত্তর:
9.1 × 10-31 kg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.1 × 10-31 kg
ব্যাখ্যা

• বিটা কণিকা মূলত একটি ইলেকট্রনের সমতুল্য পারমাণবিক কণিকা। ইলেকট্রনের ভর খুবই ছোট, যা প্রায় 9.1 × 10-31 kg কিলোগ্রাম। এটি এটমের ভরের তুলনায় প্রায় অতি ক্ষুদ্র। 

বিটা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি:

- বিটা কণিকা খুব হালকা।
- এর ভর 9.1×10-31 kg।
- এরা ঋণাত্নক চার্জ বহন করে। এই চার্জের মান 1.6×10-19 কুলম্ব ।
- তেজস্ক্রিয় বস্তু থেকে বিটা কণিকা প্রচন্ড বেগে নির্গত হয়।
- এই কণিকা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে, তবে আলফা কণিকা অপেক্ষা কম ।
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- এর ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা বেশী ।
- জিংক সালফাইডে বিটা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- ধাতব প্লেটের মধ্যদিয়ে যাবার সময় বিটা কণিকাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়।
- আলফা কণিকা অপেক্ষা অনেক বেশী বিক্ষিপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯৮.
দূর অনুধাবন পদ্ধতি চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৭০ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা

দূর অনুধাবনের ধারণা: 
- দূর অনুধাবন এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Remote Sensing, যার অর্থ হলো দূর থেকে কোনো কিছু দেখার চেষ্টা করা।
- এটি এক ধরনের বিজ্ঞান যা ভূ-পৃষ্ঠে কোনো দৃশ্যমান বস্তু বা প্রপঞ্চ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। 
- দূর অনুধাবন এমন একটি যান্ত্রিক কৌশল (Device) যার মাধ্যমে কোনো লক্ষ্য বস্তু বা প্রপঞ্চের সাথে দূরত্ব বজায় রেখে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 
অর্থাৎ, দূর অনুধাবন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো একটি বস্তু বা প্রপঞ্চকে স্পর্শ না করে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। 
- ১৯৪৬-১৯৫০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে দূর অনুধাবনের কাজ শুরু হয়। এ সময় V-2 রকেটে (Rocket) মহাশূন্যে যাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ছোট ক্যামেরার সাহায্যে রকেট, ব্যালিস্টিক মিসাইল, উপগ্রহ ও মানব বহনকারী মহাশূন্যযান থেকে প্রচুর আলোকচিত্র গ্রহণ করা হয়। 
- সে সময়কার আলোকচিত্র নিম্নমানের হলেও দূর অনুধাবন পদ্ধতির সম্ভাবনার সূচনা তৈরি করেছিল। 
- ১৯৬০ সালে দূর অনুধাবন পদ্ধতি চালু হয়। সত্তরের দশকে তা উন্নতি লাভ করে এবং পরবর্তীতে তা আরও বিকশিত হতে থাকে। 
- দূর অনুধাবনের কতকগুলো উপাদান রয়েছে। নিম্নে এগুলো উল্লেখ করা হলো- 
১. শক্তির উৎস, 
২. রেডিয়েশন এবং বায়ুমণ্ডল, 
৩. লক্ষ্যবস্তুর সাথে মিথষ্ক্রিয়া, 
৪. সেন্সর দ্বারা শক্তির রেকর্ড, 
৫. ট্রান্সমিশন, রিসিপসন এবং প্রসেসিং, 
৬. ইন্টার প্রিটেশন এবং বিশ্লেষণ এবং 
৭. এপ্লিকেশন। 

দূর অনুধাবনের সুবিধা-অসুবিধা: 
- দূর অনুধাবনের সুবিধা-অসুবিধাগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো- 
সুবিধা: 
১. দূর অনুধাবনের ব্যবহারিক দিক খুব বিস্তৃত। 
২. এর সাহায্যে সংগৃহীত তথ্যাবলী দ্বারা সহজেই মানচিত্র অঙ্কন করা যায়। 
৩. এটি প্রযুক্তিভিত্তিক পদ্ধতি হওয়ায় নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়। 
৪. এটি একটি একক ইমেজ (Image) যা থেকে অনেকগুলো তথ্য সংগ্রহ করা যায়। 
৫. দূরবর্তী বস্তু বা প্রপঞ্চ থেকে সহজেই তথ্য পাওয়া যায়। 
৬. দূর অনুধাবন চিত্র স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সংগঠিত হয় বলে তা দিন-রাত্রি সবসময় সংগ্রহ করা যায়। 
৭. দূর অনুধাবন কৌশলের মাধ্যমে পৃথিবী পৃষ্ঠের পদার্থ যত সূক্ষ্ম হোক না কেন তা স্বতন্ত্রভাবে দেখা যায়। 

অসুবিধা: 
১. দূর অনুধাবনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ খুব ব্যয়বহুল। 
২. তথ্য বিশ্লেষণের জন্য এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া। 
৩. যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পারস্পরিক ক্রিয়ার সঠিক ফলাফল নাও দিতে পারে। 
৪. শুধুমাত্র ভূ-পৃষ্ঠের তথ্যাদি পাওয়া যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯৯.
নিচের কোনটি তাপমাত্রার একক?
  1. ক) সেলসিয়াস
  2. খ) কেলভিন
  3. গ) ডিগ্রী 
  4. ঘ) ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
খ) কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেলভিন
ব্যাখ্যা
SI এককে তাপমাত্রার একক হল কেলভিন। ইহার সংকেত হল K.
তাপমাত্রা হচ্ছে কোনো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তুটিকে অন্য বস্তুর সংস্পর্শে আনলে বস্তুটি তাপ গ্রহণ করবে না বর্জন করবে তা নির্ধারণ করে।
তাপমাত্রাকে তরলের মুক্ত তলের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।
তরল যেমন তার পরিমাণের উপর নির্ভরশীল না হয়ে উঁচু স্থান থেকে নিচু স্থানে প্রবাহিত হয়, তাপও তার পরিমাণের উপর নির্ভরশীল না হয়ে উঁচু তাপমাত্রা থেকে নিচু তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হয়।

সূত্র: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২,৬০০.
ফোটনের সর্বোচ্চ শক্তি বিদ্যমান নিম্নের কোন বর্ণালীতে?
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) বেগুনি
  3. গ) লাল
  4. ঘ) নীল
সঠিক উত্তর:
খ) বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেগুনি
ব্যাখ্যা

সমীকরণ অনুযায়ী: E = hc/λ
শক্তি হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যাস্তানুপাতিক। যেহেতু বেগুনি বর্ণালীতে ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন, সেহেতু তার ফোটনের শক্তি হবে সর্বোচ্চ।