সুনামি (Tsunami): - সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সুনামি সংঘটিত হয়। - সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ। - এখানে 'tsu' অর্থ বন্দর বা harbour এবং 'nami' অর্থ সামুদ্রিক ঢেউ। - বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুনামি সংঘটনের সম্ভাবনা কম। - তবে, ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব দেখা যায়। - ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটিত হয়। - তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। যার পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়। - ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলেয়ু দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু ঘটে।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০২.
রক্তে pH এর মাত্রা কত?
ক
ক) ৪.৬
খ
খ) ৫.৮
গ
গ) ৭.৪
ঘ
ঘ) ১০.২
সঠিক উত্তর: গ
গ) ৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ৭.৪
গ
ব্যাখ্যা
রক্ত : • রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। • রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। • এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। • সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস। • অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
রক্তের উপাদান মানব দেহের রক্ত প্রধানত:রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত। স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,২০৩.
কোন বলের প্রভাবে মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে?
ক
তাড়িতচৌম্বক বল
খ
দুর্বল নিউক্লিয় বল
গ
মহাকর্ষ বল
ঘ
সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর: গ
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
মহাকর্ষ বল
গ
ব্যাখ্যা
• মহাকর্ষ বল: - মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে মহাকর্ষ বলের প্রভাবে। - বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে। -মহাকর্ষ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি। - দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে মহাকর্ষ বল কার্যকর হয়। - অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। - মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম।
উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
⇒ লক্ষণ: ১) চারা অবস্থায় এ রোগ হলে আক্রান্ত গাছের গোড়া পত্রফলক, বাইরের পাতা হলদে হয়ে আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়। ২) বয়স্ক গাছে থোড় অবস্থা থেকে পাতা পোড়া রোগের লক্ষণ দেখা যায়।
⇒ দমন ব্যবস্থা: ১) রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহার করা। যেমন- বিআর-২, বিআর-৪, ব্রিধান-২৭, ব্রিধান- ২৮, ব্রিধান-২৯, ব্রিধান-৩১ ইত্যাদি। ২) আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলা। ৩) সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করা। ৪) আক্রান্ত জমির পানি শুকিয়ে আবার সেচ দেয়া। ৫) ফসল কাটার পর নাড়া পুড়িয়ে ফেলা।
উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০৫.
নিচের কোনটি 'ট্রপিক অব ক্যান্সার' নামে পরিচিত?
ক
মকরক্রান্তি রেখা
খ
কর্কটক্রান্তি রেখা
গ
মূল মধ্যরেখা
ঘ
আন্তর্জাতিক তারিখরেখা
সঠিক উত্তর: খ
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
কর্কটক্রান্তি রেখা
খ
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা: - বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। - সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত। - এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। - কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। - এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১,২০৬.
‘BMI’ এর পূর্ণরূপ-
ক
ক) Ballistic Missile Initiative
খ
খ) Body Mass Index
গ
গ) Bill Measurement Index
ঘ
ঘ) Best Medicine of Integration
সঠিক উত্তর: খ
খ) Body Mass Index
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) Body Mass Index
খ
ব্যাখ্যা
‘BMI’ এর পূর্ণরূপ হলো- Body Mass Index শিশু জন্মগ্রহণের পর তার দেহের বৃদ্ধি ঘটতে থাকে এবং পরবর্তীকালে শৈশব, কৈশোর পার হয়ে যৌবন ও প্রাপ্তবয়স্কে উপনীত হয়। মানবদেহের বৃদ্ধি ২০-২৪ বছর পর্যন্ত ঘটে এবং তারপর আর উচ্চতার বৃদ্ধি হয় না। তখন খাদ্যের কাজ হয় শুধু দেহের ক্ষয়পূরণ এবং দেহকে সুস্থ, সবল এবং নীরোগ রাখা। প্রাপ্তবয়সে সুস্বাস্থ্যের জন্য দেহের উচ্চতার সাথে দেহের ওজনের একটা সামঞ্জস্যের প্রয়োজন হয়। দেহের উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য রক্ষা করার সূচককে বিএমআই (BMI: Body Mass Index) বা ভরসূচি বলা হয়। উচ্চতার সাথে যদি দেহের ওজনের সামঞ্জস্য থাকে, তবেই পুষ্টিগত দিক থেকে শরীর সুস্থ বলা হয়। বিএমআইয়ের সূত্র হচ্ছে: দেহের ওজন (কেজি)/[দেহের উচ্চতা (মিটার)]২
[উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি]
১,২০৭.
মানব ভূগোলের শাখা নয় কোনটি?
ক
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
খ
অর্থনৈতিক ভূগোল
গ
জনসংখ্যা ভূগোল
ঘ
গাণিতিক ভূগোল
সঠিক উত্তর: ঘ
গাণিতিক ভূগোল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
গাণিতিক ভূগোল
ঘ
ব্যাখ্যা
মানব ভূগোল (Human Geography): - স্থান এবং কালের ভিত্তিতে মানুষ কীভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে, বিভিন্ন পরিবেশের সাথে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে তার কার্যকারণ অনুসন্ধান মানবিক ভূগোলের প্রধান আলোচ্য বিষয়।
• অর্থনৈতিক ভূগোল (Economic Geography): - কৃষিকাজ, পশুপালন, বনজ সম্পদ, খনিজ সম্পদ, ব্যবসা- বাণিজ্য ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ভূগোলের যে শাখায় অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে অর্থনৈতিক ভূগোল বলে।
• জনসংখ্যা ভূগোল (Population Geography): - জনসংখ্যার বিভিন্ন বিষয় যেমন লিঙ্গ, জন্মহার, মৃত্যুহার, বয়স কাঠামো, বৈবাহিক অবস্থা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের উপর জনসংখ্যার প্রভাব প্রভৃতি জনসংখ্যা বিষয়ক বিষয়াদি ভূগোলের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে জনসংখ্যা ভূগোল বলে।
• আঞ্চলিক ভূগোল (Regional Geography): - আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য অনুসারে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক বিষয়বস্তু অনুশীলন করা আঞ্চলিক ভূগোলের প্রধান বিষয়।
• রাজনৈতিক ভূগোল (Political Geography): - রাজনৈতিক বিভাগ, পরিসীমা, বিবর্তন প্রভৃতি ভৌগোলিক বিষয় রাজনৈতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
• পরিবহন ভূগোল (Transport Geography): - পরিবহন ভূগোলে মানুষ ও পণ্যের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর এবং সরকারি-বেসরকারি সকল ধরনের পরিবহন ব্যবস্থা, সমস্যা ও এর সমাধান সম্পর্কে আলোচনা করে।
• নগর ভূগোল (Urban Geography): - ভূগোলের যে শাখায় নগরের উৎপত্তি, বিকাশ, নগর ও শহরের শ্রেণিবিভাগ, নগর পরিবেশ, নগরের কেন্দ্রীয় এলাকা, নগর বস্তি, প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে তাকে নগর ভূগোল বলে।
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management): - বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ ও দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস, দুর্যোগ থেকে পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষার কৌশল প্রভৃতি বিষয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আলোচ্য বিষয়।
• ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা (Geographic Information System): - ভৌগোলিক তথ্য ও উপাত্ত ব্যবহার করে যে প্রক্রিয়ায় ডাটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং মানচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় তাকে বলা হয় ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা বা Geographic Information System (GIS)। এটি মূলত ভৌগোলিক তথ্য বিশ্লেষণের জন্য নির্মিত সফ্টওয়্যার।
অন্যদিকে, - গাণিতিক ভূগোল প্রাকৃতিক ভূগোলের শাখা।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২০৮.
যক্ষ্মা রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কে?
ক
ক) ল্যাাভয়সিয়ে
খ
খ) রবার্ট কক
গ
গ) রোনাল্ড রস
ঘ
ঘ) লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর: খ
খ) রবার্ট কক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) রবার্ট কক
খ
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দ্বারা যক্ষা রোগ হয়। • যক্ষ্মার রোগের টিকা হলো- বিসিজি। • এই রোগের জীবাণু প্রথম আবিষ্কার করেন জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কক ১৮৮২ সালে। • যক্ষ্মা রোগের ব্যাকটেরিয়া মানুষের দেহে প্রবেশ করে শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে।
১,২০৯.
একটি আদর্শ OP- Amp এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রযোজ্য?
ক
It has infinite A,
খ
It has infinite Ri
গ
It has Zero Ro
ঘ
উপরের সব কয়টি
সঠিক উত্তর: ঘ
উপরের সব কয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
উপরের সব কয়টি
ঘ
ব্যাখ্যা
আদর্শ অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার এর বৈশিষ্ট্য ১. ওপেন লুপ গেইন অসীম ২. ইনপুট ইম্পিডেন্স অসীম, ইনপুট কারেন্ট ০ ৩. কোন প্রকার অফসেট ভল্টেজ এর প্রয়োজন পড়ে না ৪. আউটপুট ভোল্টেজ রেঞ্জ অসীম ৫. ব্যান্ডউইথ অসীম ৬. আউটপুট ইম্পিডেন্স ০ ৭. কমন মোড রিজেকশন রেশিও অসীম ৮. পাওয়ার সাপ্লাই রিজেকশন রেশিও অসীম
১,২১০.
১ ইঞ্চিতে কত সেন্টিমিটার হয়?
ক
ক) 1.54 cm
খ
খ) 2.54 cm
গ
গ) 2.12 cm
ঘ
ঘ) 3.54 cm
সঠিক উত্তর: খ
খ) 2.54 cm
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) 2.54 cm
খ
ব্যাখ্যা
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার
সেন্টিমিটার (প্রতীক cm বা সেমি) মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের এক ধরনের একক, যা ১ মিটারের ১ শত ভাগের ১ ভাগ (১ সেমি = ১০০ / ১ মিটার)। এই পরিমাপ বর্তমানে এসআই একক পদ্ধতিতে চালু আছে। বাংলা ভাষায় এর প্রতীক সেমি হিসাবেও লেখা হয়ে থাকে। ইঞ্চি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একটি ব্রিটিশ একক। ৩৬ ইঞ্চিতে এক গজ এবং ১২ ইঞ্চিতে ১ ফুট হয়। ক্ষেত্রফল মাপার জন্য রয়েছে বর্গ ইঞ্চি এবং আয়তন মাপার জন্য ঘন ইঞ্চি।
সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।
১,২১১.
প্লুটোনিয়াম-২৩৮ কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়?
ক
খাদ্য সংরক্ষণে
খ
রক্তাল্পতার চিকিৎসায়
গ
থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায়
ঘ
হার্টে পেইসমেকার বসাতে
সঠিক উত্তর: ঘ
হার্টে পেইসমেকার বসাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
হার্টে পেইসমেকার বসাতে
ঘ
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। যেমন- খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণে: - বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করা হচ্ছে। - খাদ্যদ্রব্য বেশি দিন ঘরে বা গুদামে রাখলে তা বিভিন্ন পোকামাকড় বা জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হতে পারে। - তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করলে এ সকল আক্রমণ থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা যায়। - 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।
চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: - শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। - থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। - শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। - দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। - প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।
অন্যদিকে, - উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। - তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। - শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১২.
পরমাণু চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য মূলত কোনটি ঘটে?
ক
ক) প্রোটনের ভাঙ্গন
খ
খ) ইলেক্ট্রনের ভাঙ্গন
গ
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
ঘ
ঘ) অণুর ভাঙ্গন
সঠিক উত্তর: গ
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
গ
ব্যাখ্যা
যে বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। এটা স্বতঃস্ফূর্ত ভাঙ্গন অথবা কৃত্রিম ভাঙ্গন হতে পারে যাতে খুব শক্তিশালি কণা নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে এর ভাঙ্গন ত্বরান্বিত করে, যেমনটি পারমাণবিক চুল্লিতে ঘটে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (১ম পত্র বোর্ড বই)।
১,২১৩.
'পৃথিবীর উৎপত্তি' সম্পর্কে ভূগোলের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
ক
ভূমিরূপবিদ্যা
খ
জলবায়ুবিদ্যা
গ
মৃত্তিকা ভূগোল
ঘ
জীব ভূগোল
সঠিক উত্তর: ক
ভূমিরূপবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ভূমিরূপবিদ্যা
ক
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical Geography): - ভূগোলের যে শাখা পৃথিবীর জন্ম, ভূ-প্রকৃতি অর্থাৎ পাহাড়, পর্বত, বায়ুমন্ডল ও বারিমন্ডল প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে এবং ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
⇒ প্রাকৃতিক ভুগোলের অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ নিম্নরূপ:
• ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology): - ভূমিরূপবিদ্যা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, পৃথিবীর উৎপত্তি, ভূ-আলোড়ন, বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ, নদ-নদীর উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ, ভূ-ত্বকের পরিবর্তন, খনিজ ও শিলা এবং পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করে।
• জলবায়ুবিদ্যা (Climatology): - এ শাখায় বায়ুর গঠন, উপাদান, বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুপুঞ্জ, বায়ুপ্রাচীর, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে আলোচনা করে।
• সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography): - পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সমুদ্র। - এ শাখায় সাগর মহাসাগরের তলদেশের ভূমিরূপ, সমুদ্রস্রোত, মানব জীবনের উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব, বিভিন্ন মহাদেশের মধ্যে সমুদ্র পথে যোগাযোগ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
• মৃত্তিকা ভূগোল (Soil Geography): - মৃত্তিকা ভূগোল অশ্মমন্ডলের উপরিভাগের মৃত্তিকার গঠন, উপাদান, বন্টন ও বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করে।
• জীব ভূগোল (Bio-Geography): - এ শাখা পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রাণিজগৎ ও উদ্ভিদের বন্টন নিয়ে আলোচনা করে।
• গাণিতিক ভূগোল (Mathematical Geography): - নীরজগৎ, পৃথিবী ও এর আকৃতি, গতি, আন্তর্জাতিক তারিখ গাণিতিক ভূগোলে জ্যোতিষ্কমন্ডলী, সৌরজগৎ, রেখা ও সময়, আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতির ফলাফল প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তথ্যসূত্র -' ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২১৪.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
ক
ফসফরাস-৩২
খ
কার্বন-১৪
গ
কোবাল্ট-৬০
ঘ
আয়োডিন-১৩১
সঠিক উত্তর: ক
ফসফরাস-৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ফসফরাস-৩২
ক
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। যেমন- - উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। - তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। - শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণে: - বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করা হচ্ছে। - খাদ্যদ্রব্য বেশি দিন ঘরে বা গুদামে রাখলে তা বিভিন্ন পোকামাকড় বা জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হতে পারে। - তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করলে এ সকল আক্রমণ থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা যায়। - 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।
চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: - শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। - থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। - শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। - দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। - প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৫.
pH স্কেল সর্বপ্রথম কোন বিজ্ঞানী চালু করেন?
ক
নিউটন
খ
মোসলে
গ
থমসন
ঘ
সোরেনসেন
সঠিক উত্তর: ঘ
সোরেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সোরেনসেন
ঘ
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: - কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। - pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। - pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। - কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। অর্থাৎ, pH = - log[H+] - pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। - pH মিটারে pH স্কেল থাকে। - দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। - দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। - দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং - দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৬.
এই শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু কোনটি?
ক
ক) হেলির ধূমকেতু
খ
খ) হেলবপ ধূমকেতু
গ
গ) শুমেকার-লেভী ধূমকেতু
ঘ
ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ
খ) হেলবপ ধূমকেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) হেলবপ ধূমকেতু
খ
ব্যাখ্যা
Comet Ikeya-Seki, 1965 — This was the brightest comet of the 20th century, and was found just over a month before it made perihelion passage in the morning sky, moving rapidly toward the sun. Source: space.com
১,২১৭.
পাটের মোজাইক রোগের প্রতিকার কোনটি?
ক
সাদা মাছি দমন করতে হবে
খ
রোগমুক্ত সুস্থ বীজ বপন করতে হবে
গ
আক্রান্ত গাছ জমি থেকে উঠিয়ে নষ্ট করে ফেলতে হবে
ঘ
বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বর্ণিত সবগুলো
ঘ
ব্যাখ্যা
পাট: - পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। - পাট ও পাট জাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। - পাট সাধারণত: দেশি পাট ও তোষা পাট প্রজাতির হয়ে থাকে। - পাটের ক্ষতিকর পোকার মধ্যে বিছাপোকা উল্লেখযোগ্য। - এছাড়াও উড়চুঙ্গা, পাটের ঘোড়া পোকা, চলে পোকা, মাকড় ইত্যাদি। - রোগের মধ্যে গোড়াপঁচা রোগ, কান্ড পঁচা রোগ, কালো পট্টি রোগ, ঢলে পড়া রোগ, মোজাইক রোগ প্রধান। - রিবন রেটিং পদ্ধতি পাটের ছাল পৃথক করা হয় পরে পাত্রের পানির মধ্যে পঁচানো হয়।
• প্রতিকার: ক) আক্রান্ত গাছ জমি থেকে উঠিয়ে নষ্ট করে ফেলতে হবে। খ) সাদা মাছি এ রোগ ছড়ায়, তাই এই মাছি দমন করতে হবে। গ) রোগমুক্ত সুস্থ বীজ বপন করতে হবে।
উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৮.
LASER এর পূর্ণরূপ-
ক
Light Analysis by Spontaneous Emission of Radiation
খ
Light Amplification by Synchronized Emission of Radiation
গ
Light Analysis by Stimulated Emission of Radiation
ঘ
Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
সঠিক উত্তর: ঘ
Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
ঘ
ব্যাখ্যা
• LASER: - LASER এর পূর্ণরূপ- Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation. - লেজার এমন একটি প্রযুক্তি, যা নির্দিষ্ট তরঙ্গের আলোকে এমনভাবে তৈরি করে যে সেই আলো খুবই শক্তিশালী ও একটি নির্দিষ্ট দিকে ছুটে চলে। - থিওডোর মাইম্যান ১৯৬০ সালে হিউজ রিসার্চ ল্যাবে প্রথম কার্যকরী লেজার আবিষ্কার করেন।
• লেজার রশ্মির ব্যবহার: - নিখুঁত জরিপ কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়। - অতি সূক্ষ্ম ঝালাইয়ের কাজে এবং কঠিন বস্তুতে সুক্ষ্ম ছিদ্র করার কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়। - টেলিভিশনে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়। - বর্ণালী মাপন যন্ত্রে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়। - শল্য চিকিত্সকরা চক্ষু ও চিকিৎসার কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২১৯.
বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ কত?
ক
ক) ৫০-৬০%
খ
খ) ৭০-৮০%
গ
গ) ৭৫-৮৫%
ঘ
ঘ) ৯৫-৯৯%
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৯৫-৯৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৯৫-৯৯%
ঘ
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলাে হলাে: মিথেন - ৮০% - ৯০%, ইথেন - ১৩%, প্রােপেন - ৩% এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে কিছু পরিমাণে বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেন থাকে।
- বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫% - ৯৯%।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
১,২২০.
রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ কত?
ক
৫০-১০০ mg/dl
খ
৮০-১২০ mg/dl
গ
১০০-২০০ mg/dl
ঘ
২০০-৩০০ mg/dl
সঠিক উত্তর: গ
১০০-২০০ mg/dl
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১০০-২০০ mg/dl
গ
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল: - কোলেস্টেরল এক বিশেষ ধরনের জটিল স্নেহ পদার্থ বা লিপিড এবং স্টেরয়েড -এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। - মানুষের প্রায় প্রত্যেক কোষ এবং টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে। - যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। - কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে। - স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে। - স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম। যথা- ১। উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein-HDL) এবং ২। নিম্ন ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein-LDL) ।
- রক্তের LDL-এর পরিমাণের বৃদ্ধির সাথে কোলেস্টেরলের আধিক্যের সম্পর্ক আছে। - রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। - রক্তে HDL -এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য উপকারী। - রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ ১০০-২০০ mg/dl। - রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ায়। - স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালী অন্তঃপ্রাচীরের গায়ে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্তনালী গহ্বর ছোট হয়ে যায়। - এই কারণে ধমনির প্রাচীরের স্থিথিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়। এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে। এর প্রভাবে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। - ধমনির গায়ে ফাটল দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়ে জমাট বেঁধে রক্তপ্রবাহ বাধপ্রাপ্ত হয়। - হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। - রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে LDL-এর পরিমাণ বেড়ে যায় আর HDL-এর পরিমাণ কমে যায়। - LDL-এর পরিমাণ ১৫০ mg/dl থেকে বেশি হলে তাকে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২২১.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি হয়?
ক
ক) ট্রপোমন্ডল
খ
খ) স্ট্রাটোমন্ডল
গ
গ) মেসোমন্ডল
ঘ
ঘ) তাপমন্ডল
সঠিক উত্তর: ক
ক) ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ট্রপোমন্ডল
ক
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। যথা- ট্রপোমন্ডল, স্টার স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল। ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমন্ডল। আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২২২.
বিষাক্ত নিকোটিন কোন রোগ সৃষ্টি করে?
ক
ক) জ্বর
খ
খ) ক্যান্সার
গ
গ) ওটিটিস
ঘ
ঘ) সাইনুসাইটিস
সঠিক উত্তর: খ
খ) ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ক্যান্সার
খ
ব্যাখ্যা
ধুমপান: - ধুমপান হচ্ছে তামাক জাতীয় দ্রব্যাদি বিশেষ উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শ্বাসের সাথে তার ধোঁয়া শরীরে গ্রহণ প্রক্রিয়া। - ধুমপায়ী যে অবস্থায় জলন্ত সিগারেট বা বিড়ি থেকে উদ্ভূত ধোঁয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখে টেনে সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করায় তাকে সক্রিয় ধুমপান বলে। - অপরদিকে ধুমপানের সময় ধোঁয়ার যে অংশ চারপাশের পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনৈচ্ছিকভাবে মানুষের দেহে নিশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করে তাকে নিষ্ক্রিয় ধুমপান বলে। - ধুমপানে সৃষ্ট ধোয়াতে প্রায় ৫০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে। - তাদের মধ্যে ক্ষতিকর উপাদানগুলো হলো— নিকোটিন, টার ও কার্বন মনোঅক্সাইড।
ধুমপানের প্রভাব: ১। সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়ায় বিদ্যমান বিষাক্ত নিকোটিন ও টার ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে; কার্বন মনোক্সাইড শ্বাসনালীতে ব্রঙ্কাইটিস সৃষ্টি করে। ২। ধুমপানের ধোঁয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আয়তন বেড়ে যায় । ৩। ধোয়ার প্রভাবে অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ফেটে গিয়ে ফুসফুসে ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি করে ফলে শ্বসনতল কমে গিয়ে গ্যাস বিনিময়ে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করে এ অবস্থাকে এমফাইসিমা বলে । ৪। কার্বন মনোক্সাইড এর বৃদ্ধি ঘটে এবং রক্তের O2 পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে। ধমনি গাত্রে কোলেস্টেরল জমতে সাহায্য করে। এতে উচ্চ রক্তচাপ হয়। ৫। ধুমপান এর ফলে গলবিল ও অন্ননালীতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে। মুখ, গলা ও খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ধুমপায়ীদের অধুমপায়ীর চেয়ে ৫-১০ গুণ বেশী । ৬। ধুমপায়ী মহিলাদের বন্ধ্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ৭। ধুমপান পরিবেশ দূষণ ঘটায় এবং অধুমপায়ীদের শ্বাস গ্রহণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৩.
ফাইজার ও বায়োএনটেক উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ রোগের টিকা কোনটি?
ক
কোভিশিল্ড
খ
ভেরোসেল
গ
কমিরনাটি
ঘ
ওমক্রিন
সঠিক উত্তর: গ
কমিরনাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কমিরনাটি
গ
ব্যাখ্যা
- ফাইজার-বায়োএনটেক উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের টিকা হলো Comirnaty (কমিরনাটি) বা Tozinameran. এটির কোডনেম BNT162b2. - যুক্তরাজ্য প্রথম দেশ হিসেবে এই টিকার অনুমোদন প্রদান ও প্রয়োগ শুরু করে। অন্যদিকে, - ভেরোসেল : সিনোফার্মের টিকা - মডার্নার টিকার নাম : mRNA-1273 - জনসন অ্যান্ড জনসন এর টিকা : Janssen - গামালিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের টিকা : Sputnik-V - সিনোভ্যকের টিকা : করোনাভ্যাক - ভারত বায়োটেকের টিকা : কোভ্যাক্সিন - অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার টিকা : কোভিশিল্ড। - ওমিক্রন হলো করোনা ভাইরাসের একটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট। (তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)
১,২২৪.
ফলগাছ চাষাবাদ সংক্রান্ত বিদ্যাকে বলা হয় -
ক
ক) Horticulture
খ
খ) Pomology
গ
গ) Phycology
ঘ
ঘ) Olericulture
সঠিক উত্তর: খ
খ) Pomology
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) Pomology
খ
ব্যাখ্যা
Horticulture - উদ্যান পালন বিদ্যা। Pomology - ফলগাছ চাষাবাদ সম্বন্ধীয় বিদ্যা। Phycology - শৈবাল সম্পর্কিত বিদ্যা। Olericulture - সবজি পালন বিষয়ক বিদ্যা। সূত্রঃ ব্রিটানিকা
গর্ভকালীন সময়ে মায়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং নিরাপদ প্রসব ও নবজাতকের জন্য যে নিয়মিত সেবা প্রদান করা হয় তাকে গর্ভকালীন সেবা বলা হয়। গর্ভবতী মায়ের কমপক্ষে ৪ বার গর্ভকালীন সেবা নেয়া প্রয়ােজন।
সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট
১,২২৬.
ডিমের সাদা অংশে স্নেহ জাতীয় পদার্থের পরিমাণ -
ক
ক) ১১-১৩%
খ
খ) ৭-৯%
গ
গ) ২-৩%
ঘ
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কোনটিই নয়
ঘ
ব্যাখ্যা
- ডিমের সাদা অংশে ফ্যাট বা স্নেহ জাতীয় পদার্থের পরিমাণ প্রায় ০% - ডিমের সাদা অংশে 'অ্যালবুমিন' নামক প্রোটিন থাকে। - ডিমের প্রোটিনের পঞ্চাশ শতাংশই অ্যালবুমিন। - এছাড়াও ডিমের কুসুমে আয়রন, ভিটামিন বি-২, বি-১২ এবং ডি রয়েছে।
Source: Britannica & healthline.com
১,২২৭.
সেরিকালচার কী?
ক
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
খ
মাছ চাষ বিদ্যা
গ
পাখি পালন বিদ্যা
ঘ
চিংড়ি চাষ বিদ্যা
সঠিক উত্তর: ক
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
ক
ব্যাখ্যা
• সেরিকালচার: - বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার। - রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm. - বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori. - তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।
অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা (Latitudes): - ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে। - পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত, এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা। - নিরক্ষরেখার (০°) উত্তর ও দক্ষিণে এই অক্ষরেখা সমূহের আকার ক্রমশ ছোট হতে হতে দুই মেরুতে একেবারে বিন্দুতে পরিণত হয়। অর্থাৎ, অক্ষরেখাগুলো নিরক্ষরেখার (Equator) সাথে কৌণিক দুরত্বে কল্পিত কতিপয় সমাক্ষরেখা (সমদূরত্বে অবস্থিত রেখা)। - ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়। - ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৯.
বাংলাদেশে নিচের কোন ধরনের ভূমিরূপের উপস্থিতি নেই?
ক
ক) চত্বরভূমি
খ
খ) বদ্বীপ
গ
গ) সমভূমি
ঘ
ঘ) মালভূমি
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) মালভূমি
ঘ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মালভূমি বা মরুভূমির ন্যায় ভূমিরূপ নেই। - এদেশের ভূমিরূপের মধ্যে পাহাড়-পর্বত, চত্বরভূমি, প্লাবন সমভূমি, দ্বীপ, চরাঞ্চল, হাওর-বাওর, ব-দ্বীপ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। - ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়। এগুলো হলোঃ - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী - প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং - সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। (তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৩০.
কোনটি রক্তের প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ?
ক
ক্রিয়েটিনিন
খ
ইউরিয়া
গ
ফাইব্রিনোজেন
ঘ
অ্যামোনিয়া
সঠিক উত্তর: গ
ফাইব্রিনোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ফাইব্রিনোজেন
গ
ব্যাখ্যা
- ফাইব্রিনোজেন হচ্ছে রক্তের প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ এবং বাকি সবগুলোই প্রোটিনবিহীন জৈব পদার্থ।
রক্ত: - রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। - রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। - রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। - এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। - সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস। - অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। - একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩১.
ঢাকা শহরে প্রথম বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় কত সালে?
ক
১৯০১
খ
১৯০৫
গ
১৯৪৫
ঘ
১৯৫২
সঠিক উত্তর: ক
১৯০১
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১৯০১
ক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ব্যবহারের আদি কথা:
আজ থেকে প্রায় সোয়া’শ বছর আগের কথা। ব্রিটিশ শাসিত ভারতের তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বর্তমান বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার ভাওয়াল পরগনার রাজা পূর্ববঙ্গের প্রথম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী হিসেবে পরিচিত। ঊনবিংশ শতাব্দীতেই তিনি সর্বপ্রথম বিলাত থেকে আমদানী করা জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে রাজবাড়ী আলোকিত করেন। আধুনিকতার ছোঁয়া থেকে যোজন যোজন দূরত্বে থাকা ভাওয়ালবাসীর কাছে রাজকীয় ও সৌখিন এ প্রয়াস শুধুমাত্র বিস্ময়বোধের উদ্রেকই করেনি, এর সার্বজনীন ব্যবহারের গুরুত্ব বোধকেও জাগ্রত করে তোলে।
এরপর ১৯০১ সালে ঢাকার নবাব আহসানউল্লাহর বাসভবনে একটি জেনারেটর স্থাপন করা হয়। ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর মি. বোল্টন নামে জনৈক ব্রিটিশ নাগরিক আহসান মঞ্জিলে সুইচ টিপে প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহের সূচনা করেন। নবাব আহসানউল্লাহর অর্থানুকূল্যে অক্টাভিয়াস স্টিল নামক কোম্পানি তৎকালীন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক ও আহসান মঞ্জিলসহ পর্যায়ক্রমে ঢাকার কয়েকটি অভিজাত ভবনকে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় এনেছিল। এই কোম্পানির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অনেক কম থাকায় তাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ শুধু অভিজাত এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল।
১৯১৯ সালে ‘ডেভকো’ নামক ব্রিটিশ কোম্পানির মাধ্যমে ঢাকায় সীমিত আকারে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার প্রথম বাণিজ্যিক বিকাশ শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৩৩ সালে ওই কোম্পানি ঢাকার পরীবাগে প্রায় ৬ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ধানমণ্ডি পাওয়ার হাউজ’ নির্মাণ করে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ বিতরণ শুরু করে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার অভিজাত বাসিন্দারা ছিল এই বিদ্যুতের গ্রাহক, যা তাদের আভিজাত্যের মুকুটে সংযুক্ত করেছিল আরেকটি নতুন পালক।
উৎস: bd.bpdb.gov.bd.
১,২৩২.
কোন ডালের সংগে ল্যাথারাইজম রোগের সম্পর্ক আছে?
ক
অড়হর
খ
ছোলা
গ
খেসারী
ঘ
মটর
সঠিক উত্তর: গ
খেসারী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
খেসারী
গ
ব্যাখ্যা
- অধিক পরিমাণে খেসারির ডাল খাওয়ার ফলে ল্যাথাইরিজম রোগ দেখা দিতে পারে। - বাংলাদেশ, ভারত ও আলজেরিয়ার বহু লোক এবং ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশের কিছু লোক এসব ডাল খেয়ে থাকে। - এই ব্যাধির প্রকোপ মানুষ ছাড়াও ঘোড়া ও গবাদি পশুর মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। - পুরুষের মধ্যেই ল্যাথিরিজমের প্রকোপ বেশি। - ঘোড়া ও গবাদি পশুর ক্ষেত্রে পা ও স্বরযন্ত্রের পেশীগুলি অবশ হয়ে পড়ে এবং পশুটির দম বন্ধ হয়ে আসে। - মানুষের ক্ষেত্রে স্নায়ুরজ্জুতে ক্ষত দেখা দেয়, যা ঐ অঙ্গের স্থায়ী বিনষ্টির কারণ হতে পারে। - Fabaceae পরিবারের Papillionaceae উপ-পরিবারের অন্তর্ভুক্ত Lathyrus প্রজাতির কয়েকটি উদ্ভিদের বীজ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার ফলে পঙ্গু হবার ঝুঁকি রয়েছে, এর মধ্যে একটি হলো খেসারি, যা ডাল হিসেবে গ্রহণ করা হয়। - ১৮৭৩ সালে ইতালির কান্তানি নামের এক ব্যক্তি এ রোগকে ‘ল্যাথাইরিজম’ নাম দেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১,২৩৩.
ভূমিকম্পের মাত্রা কোন স্কেলে পরিমাপ করা হয়?
ক
ফারেনহাইট স্কেল
খ
কেলভিন স্কেল
গ
রিখটার স্কেল
ঘ
সেলসিয়াস স্কেল
সঠিক উত্তর: গ
রিখটার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রিখটার স্কেল
গ
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: - পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। - ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। - ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। - বড় ধরনের ভূমিকম্প নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে পারে। যেমন- ভূমিকম্পের ফলে আমাদের অন্যতম প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে গিয়েছিল।
- পৃথিবীর মাঝে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। - ২০১০ সালে হাইতিতে, ২০১১ সালে জাপানে এবং ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। - জাপানের ভূমিকম্পের পর সেখানে সৃষ্ট সুনামি নিউক্লিয়ার শক্তি কেন্দ্রে আঘাত করে একটি নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিল। - ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে, রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প অনুভব করা যায়। এই স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া। - ১৯৮৪ সালে মানিকগঞ্জ এলাকায় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার বড় একটি ভূমিকম্প হয়েছিল।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৩৪.
টমেটো, সূর্যমুখী জাতীয় উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কোন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন?
ক
ক) ক্লোরিন
খ
খ) মোলিবডেনাম
গ
গ) ম্যাংগানিজ
ঘ
ঘ) কপার
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কপার
ঘ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা: - সুগারবিট এর মূল এবং কাণ্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিনের প্রয়োজন। - অণুজীব দিয়ে বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য মোলিবডেনাম আবশ্যক। - ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাংগানিজ প্রয়োজন। - টমেটো, সূর্যমুখী জাতীয় উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কপার বা তামার প্রয়োজন। সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
১,২৩৫.
চুনাপাথর কোন ধরণের শিলা?
ক
ক) আগ্নেয়
খ
খ) পাললিক
গ
গ) রূপান্তরিত
ঘ
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ
খ) পাললিক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) পাললিক
খ
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা: - পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি। - পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে। - এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয়। - পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ। - তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত। - পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি। - মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। - পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। যথা: ১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর ২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং ৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা। উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩৬.
প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে মোট সময়ের পার্থক্য কত?
ক
২ সেকেন্ড
খ
৪ সেকেন্ড
গ
২ মিনিট
ঘ
৪ মিনিট
সঠিক উত্তর: ঘ
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৪ মিনিট
ঘ
ব্যাখ্যা
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে মোট সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। - পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত। - এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় - বাংলাদেশের প্রমাণ সময় হিসেবে গণনা করা হয় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩৭.
২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামি কতটি দেশে আঘাত হানে?
ক
ক) ১২
খ
খ) ১৩
গ
গ) ১৪
ঘ
ঘ) ১৫
সঠিক উত্তর: গ
গ) ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ১৪
গ
ব্যাখ্যা
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয়, তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ
১,২৩৮.
পৃথিবীর পরিধি প্রায় -
ক
২৫,০০০ কি.মি.
খ
৪০,০০০ কি.মি.
গ
৪৮,০০০ কি.মি.
ঘ
৫১,০০০ কি.মি.
সঠিক উত্তর: খ
৪০,০০০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৪০,০০০ কি.মি.
খ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আকৃতি: - পৃথিবী একটি অভিগত গোলক। - অর্থাৎ এর উত্তর ও দক্ষিণ অংশ কিছুটা চাপা ও মধ্যভাগ, অর্থাৎ নিরক্ষরেখা বরাবর অঞ্চলটি কিঞ্চিত স্ফীত। - সৌরজগত পরিবারের মাঝারি আকারের গ্রহ পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কি.মি.। - পৃথিবীর গড় ব্যাস ১২,৭৩৪.৫ কি.মি. (প্রায়)। - পৃথিবীর গোলাকৃতি আকার সম্পর্কে নানা প্রমাণ উপস্থাপন করা যায়। - আধুনিক মহাকাশ চিত্রসমূহ থেকে পৃথিবীর আকার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩৯.
নিম্নের কোনটি পরিবেশের জীব উপাদান?
ক
নদী
খ
মাটি
গ
গাছপালা
ঘ
আলো
সঠিক উত্তর: গ
গাছপালা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গাছপালা
গ
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ধারণা: - প্রকৃতির সকল দান মিলেমিশে তৈরি হয় পরিবেশ। যেমন- নদী, নালা, সাগর, মহাসাগর, পাহাড়, পর্বত, বন, জঙ্গল, ঘর, বাড়ি, রাস্তাঘাট, উদ্ভিদ, প্রাণী, পানি, মাটি ও বায়ু নিয়ে গড়ে ওঠে পরিবেশ। - কোনো জীবের চারপাশের সকল জীব ও জড় উপাদানের সর্বসমেত প্রভাব ও সংঘটিত ঘটনা হলো ঐ জীবের পরিবেশ। - পরিবেশ বিজ্ঞানী আর্মসের (Arms) মতে, জীবসম্প্রদায়ের পারিপার্শ্বিক জৈব ও প্রাকৃতিক অবস্থাকে পরিবেশ বলে। - পার্ক (C. C. Park) বলেছেন, পরিবেশ বলতে স্থান ও কালের কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুতে মানুষকে ঘিরে থাকা সকল অবস্থার যোগফল বোঝায়। - স্থান ও কালের পরিবর্তনের সঙ্গে পরিবেশও পরিবর্তিত হয়। যেমন-শুরুতে মাটি, পানি, বায়ু, উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে ছিল মানুষের পরিবেশ। - পরবর্তীকালে এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কার্যাবলি, ফলে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন ধরনের পরিবেশ।
পরিবেশের উপাদান: - পরিবেশের উপাদান দুই প্রকার। যেমন- জড় উপাদান ও জীব উপাদান। - যাদের জীবন আছে, যারা খাবার খায়, যাদের বৃদ্ধি আছে, জন্ম আছে এবং মৃত্যু আছে তাদের বলে জীব। যেমন- গাছপালা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী হলো পরিবেশের জীব উপাদান। জীবদের নিয়ে গড়া পরিবেশ হলো জীব পরিবেশ। - মাটি, পানি, বায়ু, পাহাড়, পর্বত, নদী, সাগর, আলো, উষ্ণতা ও আর্দ্রতা হলো পরিবেশের জড় উপাদান। এই জড় উপাদান নিয়ে গড়া পরিবেশ হলো জড় পরিবেশ।
পরিবেশের প্রকারভেদ: - পরিবেশ দুই প্রকার। যেমন- ভৌত বা প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সামাজিক পরিবেশ। - প্রকৃতির জড় ও জীব উপাদান নিয়ে যে পরিবেশ, তাকে ভৌত বা প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে। এই পরিবেশে থাকে মাটি, পানি, বায়ু, পাহাড়, পর্বত, নদী, সাগর, আলো, গাছপালা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, মানুষ ও অন্যান্য ক্ষুদ্র প্রাণী। - মানুষের তৈরি পরিবেশ হলো সামাজিক পরিবেশ। মানুষের আচার-আচরণ, উৎসব-অনুষ্ঠান, রীতি-নীতি, শিক্ষা, মূল্যবোধ, অর্থনীতি, রাজনীতি ইত্যাদি নিয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে, তা হলো সামাজিক পরিবেশ।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৪০.
পিঁপড়া কামড়ালে জ্বালা-পোড়া করে কোন রাসায়নিক পদার্থের জন্য?
ক
ক) ফরমিক অ্যাসিড
খ
খ) অ্যাসকরবিক অ্যাসিড
গ
গ) অক্সালিক অ্যাসিড
ঘ
ঘ) টারটারিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর: ক
ক) ফরমিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ফরমিক অ্যাসিড
ক
ব্যাখ্যা
• পিঁপড়ার কামড়ে ফরমিক অ্যাসিড থাকে। - আবার মৌমাছির হুলেও ফরমিক অ্যাসিড থাকে এবং এর সাথে মেলাটিন এবং অ্যাপামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়। - ফলে ঐ স্থান জ্বালা-পোড়া করে ও ফুলে যায়। - এই এসিড নিষ্ক্রিয় করতে আমরা এই জাতীয় ক্ষারীয় বস্তুগুলো ব্যবহার করে থাকি।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪১.
একটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলে ২০০ টার্ন এবং সেকেন্ডারি কয়েলে ৮০০ টার্ন রয়েছে। প্রাইমারিতে 12 V দেওয়া হলে সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কত হবে?
ক
24 V
খ
48 V
গ
72 V
ঘ
96 V
সঠিক উত্তর: খ
48 V
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
48 V
খ
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, Vs = (Ns/Np) Vp যেখানে, Vp = প্রাইমারি ভোল্টেজ Vs = সেকেন্ডারি ভোল্টেজ Np = প্রাইমারি টার্ন সংখ্যা Ns = সেকেন্ডারি টার্ন সংখ্যা
∴ Vs = (Ns/Np)Vp = (800/200)12 = 4 × 12 = 48 সুতরাং, সেকেন্ডারি ভোল্টেজ 48 V.
কাঠ উৎপাদনের জন্য বন ও বনজ সম্পদের চাষাবাদ ও ব্যবস্থাপনাকে কী বলে?
ক
Myciculture
খ
Olericulture
গ
Silviculture
ঘ
Viticulture
সঠিক উত্তর: গ
Silviculture
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Silviculture
গ
ব্যাখ্যা
• Silviculture: কাঠ উৎপাদনের জন্য বন ও বনজ সম্পদের চাষাবাদ ও ব্যবস্থাপনা।
অপশন আলোচনা: → Myciculture - খাদ্য, ঔষধ, বা শিল্পে ব্যবহারের জন্য ছত্রাক চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান। (একে Fungiculture- ও বলা হয়)। → Olericulture- সবজি চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান। → Viticulture - মদ বা ওয়াইন তৈরির জন্য আঙ্গুর চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান।
সূত্র: The Food and Agriculture Organization of the United Nations (FAO).
১,২৪৩.
“The origin of species by means of natural selection” বইটির লেখক কে?
ক
ক) ল্যামার্ক
খ
খ) ডারউইন
গ
গ) ডে ভ্রিস
ঘ
ঘ) ভাইজম্যান
সঠিক উত্তর: খ
খ) ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ডারউইন
খ
ব্যাখ্যা
১৮৫৯ সালে ডারউইনের The origin of species by means of natural selection বইটি প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ দেন। উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,২৪৪.
চাঁদে সর্বশেষ কত সালে মানুষ গিয়েছে?
ক
১৯৬৯
খ
১৯৭০
গ
১৯৭১
ঘ
১৯৭২
সঠিক উত্তর: ঘ
১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১৯৭২
ঘ
ব্যাখ্যা
- চাঁদের বুকে শেষবার মানুষ নেমেছিল ১৯৭২ সালে। - মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার সেই শেষ মুন মিশনে ছিলেন রন এভান্স, কম্যান্ডার ইউজিন সারনান, এবং ভূতত্ত্ববিদ হ্যারিসন শ্মিট এই তিনজন নভোচারী। - মার্কিন মহাকাশ সংস্থা চাঁদের বুকে শেষবারের মতো মানুষ পাঠিয়েছিল যে রকেটে করে তার নাম ছিল অ্যাপোলো-১৭। - 'অ্যাপোলো ১৭' মিশনের দলনায়ক ছিলেন কম্যান্ডার ইউজিন সারনান। - চাঁদে মানুষের শেষ মিশনের পর অ্যাপোলো-১৭র কম্যান্ড মডিউল প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে ১৯৭২ সালের ১৯ শে ডিসেম্বর। - হ্যারিসন শ্মিট এবং তার সঙ্গী নভোচারীরা মোট ১৩ দিন কাটিয়েছিলেন মহাশূন্যে। - আমেরিকার পূর্ব উপকুলে সময় তখন সন্ধ্যে ৫টা ৫৫ মিনিট ঠিক সেই মুহূর্তে চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রাখেন কম্যান্ডার ইউজিন সারনান।
উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা [লিঙ্ক]।
১,২৪৫.
প্যারালাইসিসের জন্য নিচের কোনটি দায়ী?
ক
ক) এইডস
খ
খ) স্ট্রোক
গ
গ) কোভিড-১৯
ঘ
ঘ) ডেঙ্গু
সঠিক উত্তর: খ
খ) স্ট্রোক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) স্ট্রোক
খ
ব্যাখ্যা
সাধারণত প্যারালাইসিসের এর জন্য স্ট্রোক দায়ী।
- স্ট্রোক হল মস্তিষ্কের রক্তনালির একটি রোগ। - রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লক হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের কারণ। - অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হাই-প্রেসার, হাই-কোলেস্টেরল, ধূমপান, পারিবারিক স্ট্রোকের ইতিহাস, হার্টের অসুখ যেমন- অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, রক্তজমাট বাঁধা - অসুখ, ক্যান্সার ইত্যাদি অনেক কারণ রয়েছে স্ট্রোকের পেছনে। - স্ট্রোক তিন ধরনের হয়ে থাকে। মাইল্ড স্ট্রোক, ইসকেমিক স্ট্রোক ও হেমোরেজিক স্ট্রোক। - প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্ততা হচ্ছে মানুষের শরীরের কোনো অংশের মাংসপেশির কর্মক্ষমতা হারানো। - এছাড়া স্নায়ু রোগ, সুষুম্নাকাণ্ডের কিংবা কশেরুকার ক্ষয় রোগও পারালাইসিসের কারণ হতে পারে।
সূত্র- ২২৫ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৪৬.
ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
ক
ইরিডিয়াম
খ
আয়োডিন
গ
ফসফেট
ঘ
টেকনেশিয়াম
সঠিক উত্তর: ক
ইরিডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ইরিডিয়াম
ক
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: - শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। - আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। - থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। - রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। - দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। - ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৪৭.
পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন কে?
ক
ক) আলবার্ট সাবিন
খ
খ) জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক
গ
গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
ঘ
ঘ) জ্যাকব হেইনার
সঠিক উত্তর: গ
গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
গ
ব্যাখ্যা
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত। - ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন। - ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন। - ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন। - বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। - ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও মুক্ত ঘোষণা করে। - জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের La Zola নামক শহরে মারা যান।
উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২৪৮.
চাঁদের বিস্ফোরনের শব্দ পৃথিবীতে শোনা যাবে বিস্ফোরণের কত সময় পরে?
ক
ক) ৩.৩৭ মিনিট পর
খ
খ) ৮.৩২ মিনিট পর
গ
গ) ৬.২১ মিনিট পর
ঘ
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কোনটিই নয়
ঘ
ব্যাখ্যা
যেকোন কম্পনশীল বস্তুই হলো শব্দের উৎস। শব্দ বিস্তারের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন। ভ্যাকুয়াম বা শূণ্য মাধ্যমে শব্দ চলতে পারে না। চাঁদ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত দূরত্বের বেশির ভাগই শূণ্য। তাই চাঁদে কোনো বিস্ফোরণ হলে জড় মাধ্যমের অভাবে শব্দ পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় না। উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।
১,২৪৯.
পৃথিবী তার নিজ অক্ষে কোন দিকে আবর্তন করছে?
ক
দক্ষিণ থেকে উত্তর
খ
পশ্চিম থেকে পূর্ব
গ
পূর্ব থেকে পশ্চিম
ঘ
উত্তর থেকে দক্ষিণ
সঠিক উত্তর: খ
পশ্চিম থেকে পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
পশ্চিম থেকে পূর্ব
খ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন: - পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে। - সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ। - পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতি ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে। - পৃথিবী নিজ অক্ষে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড সময়ে আবর্তন করে। - পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫০.
নিচের কোনটি সংক্রামক রোগ নয়?
ক
ক) যক্ষ্মা
খ
খ) অ্যানথ্রাক্স
গ
গ) ক্যান্সার
ঘ
ঘ) কলেরা
সঠিক উত্তর: গ
গ) ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ক্যান্সার
গ
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, পরজীবী ইত্যাদির কারণে সৃষ্ট রোগগুলো যা আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে খাবার, পানি, বায়ু, সংস্পর্শ ইত্যাদি নানাভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাদেরকে সংক্রামক রোগ বলে। ধনুষ্টংকার, জলবসন্ত, এইডস, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, যক্ষ্মা, কুষ্ঠ, কলেরা, অ্যানথ্রাক্স ইত্যাদি হলো সংক্রামক রোগ। - যে রোগগুলো সাধারণভাবে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে না তাকে অসংক্রামক রোগ বলে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ক্রোনিক কিডনি ডিজিজ, ক্যান্সার ইত্যাদি হলো অসংক্রামক ব্যাধি। সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,২৫১.
প্রাইমারি দূষক কোনটি?
ক
সালফার ডাইঅক্সাইড
খ
নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড
গ
মিথেন
ঘ
পারঅক্সিঅ্যাসিটাইল নাইট্রেট (PAN)
সঠিক উত্তর: ক
সালফার ডাইঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
সালফার ডাইঅক্সাইড
ক
ব্যাখ্যা
• প্রাইমারি দূষক: - যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন: - নাইট্রিক অক্সাইড (NO) - কার্বন মনোক্সাইড (CO) - কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) - সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂) - অ্যামোনিয়া (NH3) - ছাই, ধুলিকণা - Volatile organic compounds (VOCs)
• সেকেন্ডারি দূষক: - যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে। - যেমন: - সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3) - নাইট্রিক এসিড (HNO3) - সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) - হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂) - ওজোন (O3)
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫২.
QR কোড মূলত কোন কাজে তৈরি করা হয়েছিল?
ক
বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য
খ
টিকিটিং ব্যবস্থার জন্য
গ
অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
ঘ
ব্যাংকিং সেবার জন্য
সঠিক উত্তর: গ
অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
গ
ব্যাখ্যা
• QR কোড: - QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি। - এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়। - কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে।
• QR কোডের ব্যবহার: - মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য। - এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।
• QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য: - QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়। - বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়। - সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়। - Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়। - অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২৫৩.
পরমাণু বোমার বিস্ফোরণে কোন বিক্রিয়া সংঘটিত হয়?
ক
নিউক্লিয়ার ফিশন
খ
নিউক্লিয়ার ফিউশন
গ
নিউক্লিয়ার মডিউল
ঘ
নিউক্লিয়ার মেসন
সঠিক উত্তর: ক
নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
নিউক্লিয়ার ফিশন
ক
ব্যাখ্যা
পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। প্রক্রিয়া দুটি হল : ১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন ২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন
নিউক্লিয়ার ফিশন : যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।
- ১৯৩৮ সালে ওটো হান (১৮৭৯-১৯৬৮) ও স্ট্রেসম্যান (১৯০২-১৯৮০) প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য । - অর্থাৎ ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়। - এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল ।
নিউক্লিয়ার ফিউশন: যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে। সূর্যে এ বিক্রিয়া স্বচ্ছন্দে ঘটে।
উৎস: এস.এস.সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৪.
ব্যাটারিতে সাধারণত কয়টি অংশ থাকে?
ক
ক) ২টি
খ
খ) ৩টি
গ
গ) ৪টি
ঘ
ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর: খ
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ৩টি
খ
ব্যাখ্যা
ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং ইলেকট্রোলাইট। সূত্রঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
১,২৫৫.
টেকটোনিক প্লেট ধারণাটি নিচের কোন বিষয়ের সাথে জড়িত?
ক
মহাকাশ
খ
জলবায়ু
গ
ভূমিকম্প
ঘ
বায়ুমণ্ডল
সঠিক উত্তর: গ
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ভূমিকম্প
গ
ব্যাখ্যা
- টেকটোনিক প্লেট তত্ত্ব দ্বারা 'ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি'র উদগীরণ ব্যাখ্যা করা যায়।
টেকটোনিক প্লেট তত্ত্ব: - এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোকে প্লেট বলা হয়। - এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। - এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়। - প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে। - কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে। - একটি প্লেটের সাথে আরেকটি প্লেট যেখানে মেশে সেখানেই বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে। - প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে। - ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয় । - তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে। - বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত। - একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে। - আজকাল বাংলাদেশেও ভূমিকম্প সংঘটিত হচ্ছে।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,২৫৬.
ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক স্কোর বাের্ড ডিসপ্লে সাধারণত কী ধরনের অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরি?
ক
ক) ট্রানজিস্টর
খ
খ) আলােক নিঃসারক ডায়ােড
গ
গ) সৌরকোষ
ঘ
ঘ) ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর: খ
খ) আলােক নিঃসারক ডায়ােড
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) আলােক নিঃসারক ডায়ােড
খ
ব্যাখ্যা
Light Emiting Diode (LED) বা আলােক নিঃসারক ডায়ােড হলো সম্মুখ ঝোকবিশিষ্ট একটি p-n জাংশন ডায়ােড যা আলােক নি:সরণ করতে পারে। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১,২৫৭.
'গ্যালিলিও' কি?
ক
মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
খ
বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
গ
শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
ঘ
পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
সঠিক উত্তর: ঘ
পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
ঘ
ব্যাখ্যা
- গ্যালিলিও হলো পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ। - গ্যালিলিও মহাকাশযানটি নাসা কর্তৃক বৃহস্পতি গ্রহের গবেষণার জন্য প্রেরিত হয়েছিল। - ১৯৮৯ সালের ১৮ অক্টোবর এটি উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১৯৯৫ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত বৃহস্পতি ও এর উপগ্রহসমূহের উপর গবেষণা পরিচালনা করে। - গ্যালিলিও বৃহস্পতির প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হয়। মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল: বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের অধ্যয়ন, বৃহস্পতির চৌম্বক ক্ষেত্রের পর্যবেক্ষণ, বৃহস্পতির প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলোর গবেষণা, বৃহস্পতির বলয় ব্যবস্থার অধ্যয়ন। - ২০০৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, গ্যালিলিও মহাকাশযানটি বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা ও নাসা।
১,২৫৮.
টিভির রিমােট কন্ট্রোলে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
ক
ক) অবলােহিত রশ্মি
খ
খ) আলফা রশ্মি
গ
গ) রঞ্জন রশ্মি
ঘ
ঘ) গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর: ক
ক) অবলােহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) অবলােহিত রশ্মি
ক
ব্যাখ্যা
অবলােহিত রশ্মি: একধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন যার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারন আলাে এর চেয়ে কম থাকে। - ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলাে ৭-৩০০ মাইক্রোমিটার, যা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন হিসেবে ১-৪৩০ টেরাহার্জ কম্পাঙ্কবিশিষ্ট। - এই ক্ষুদ্র আলাে মানুষের চোখে ধরা পড়ে না। - এটি টিভির রিমােট কন্ট্রোলে ব্যবহৃত হয়। - এছাড়া, আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে, কুয়াশার মধ্যে ছবি তুলতে, ফলকে শুষ্ক করতে, মাংসপেশির ব্যথা বা টান এর চিকিৎসায় এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
উৎস- এইচ.এস. সি পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
১,২৫৯.
GAVI এর পূর্ণরূপ কী?
ক
Global Access to Vaccine Innovation
খ
General Agency for Vaccine Initiative
গ
Global Alliance for Vaccines and Immunization
ঘ
Global Association for Vaccine and Immunization
সঠিক উত্তর: গ
Global Alliance for Vaccines and Immunization
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Global Alliance for Vaccines and Immunization
গ
ব্যাখ্যা
• GAVI: - পূর্ণরূপ: Global Alliance for Vaccines and Immunizasion। - বৈশ্বিক টিকা বা ভ্যাকসিন বিষয়ক জোট। - এটি ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করে। GAVI বিশ্বব্যাপী বিশেষত অনুন্নত বিশ্বে মরণব্যাধি ও সংক্রামক রোগের ভ্যাকসিন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্বব্যাংক, ইউনিসেফ, বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন প্রভৃতি সহযোগীদের মাধ্যমে GAVI এর কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে।
উৎস: GAVI ওয়েবসাইট।
১,২৬০.
নক্ষত্রসমূহে শক্তি উৎপাদিত হয়-
ক
রাসায়নিক বিক্রিয়ায়
খ
নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়ায়
গ
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ায়
ঘ
ফিশন ও ফিউশন উভয় বিক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর: গ
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ায়
গ
ব্যাখ্যা
একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একসঙ্গে জুড়ে অপেক্ষাকৃত বড়ো এবং ভারী একটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে নিউক্লীয় সংযোজন বা ফিউশন বলা হয়।
সূর্য ও বিভিন্ন নক্ষত্রগুলির অভ্যন্তরে তাপ নিউক্লীয় বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়। এদের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের কয়েক কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতা এই ধরনের নিউক্লীয় সংযোজনের পক্ষে অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমান স্বীকৃত তত্ত্ব হল: সূর্যের অভ্যন্তরে কয়েকটি ধাপে তাপ নিউক্লীয় বিক্রিয়ার একটি চক্র সম্পূর্ণ হয়, প্রতি চক্রে মূলত চারটি প্রোটনের নিউক্লীয় সংযোজনের ফলে তৈরি হয় একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস এবং দুটি পজিট্রন।
সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬১.
পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে কোন রেখা?
ক
ক) সমাক্ষ রেখা
খ
খ) নিরক্ষরেখা
গ
গ) মেরু রেখা
ঘ
ঘ) দ্রাঘিমা রেখা
সঠিক উত্তর: খ
খ) নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) নিরক্ষরেখা
খ
ব্যাখ্যা
• নিরক্ষরেখা: - দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে। - পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার। - নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে। - এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। - এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান। - নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।
উৎস :ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬২.
সূর্যের চারদিকে একবার পরিক্রমণ করতে শুক্র গ্রহের কত দিন সময় লাগে?
ক
১৬৭ দিন
খ
২২৫ দিন
গ
২৮১ দিন
ঘ
৩১০ দিন
সঠিক উত্তর: খ
২২৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২২৫ দিন
খ
ব্যাখ্যা
• শুক্র: - সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। - সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার। - ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা। - সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা। - শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৩.
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লাটিলেটের স্তর হ্রাস পায়, তখন তাকে কী বলা হয়?
ক
থ্রম্বোসাইটোসিস
খ
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
গ
পলিসাইথিমিয়া
ঘ
অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর: খ
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
খ
ব্যাখ্যা
• ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লেটলেটের স্তর নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়, তখন তাকে বলা হয় থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।
• রক্ত: - প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। - একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। - মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। - মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন: ১. থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া: - ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লেটলেটের স্তর নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়, তখন সেটিকে বলা হয় থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া। - এটি সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর, অটোইমিউন রোগ, বা কিছু চিকিৎসা পদ্ধতির কারণে ঘটে। - প্লাটিলেটের অভাবের কারণে রক্তপাত এবং সহজে ফুলে যাওয়ার মত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। ২. পলিসাইথিমিয়া: - লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
৩. অ্যানিমিয়া: - লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া।
৪. পারপুরা: - ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে, এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।
৫. লিউকোসাইটোসিস: - শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। - নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়।
৬. লিউকেমিয়া: - নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। - কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।
৭. থ্রম্বোসাইটোসিস: - এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। - রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। - হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৬৪.
মানুষের দেহে সাধারণ ওজনের কত শতাংশ রক্ত থাকে?
ক
১০%
খ
৫%
গ
৮%
ঘ
৭%
সঠিক উত্তর: গ
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৮%
গ
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। - একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। - মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। - মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৬৫.
চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কতক্ষণ পরে পৃথিবীতে শোনা যাবে?
ক
ক) সাথে সাথেই
খ
খ) ৮.৩২ মিনিট পরে
গ
গ) ১.৩ মিনিট পরে
ঘ
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কখনোই শোনা যাবে না
ঘ
ব্যাখ্যা
- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ আরো কম৷ - শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। কারণ শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন হয়। - চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কখনোই পৃথিবী থেকে শোনা যাবে না। - কারণ চাঁদে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই- তাই শব্দ সঞ্চালিত হয়ে পৃথিবীতে পৌছাতে পারবে না। সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
১,২৬৬.
ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের কোন রোগ হয়?
ক
স্কার্ভি
খ
বেরিবেরি
গ
রিকেটস
ঘ
অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর: গ
রিকেটস
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রিকেটস
গ
ব্যাখ্যা
ভিটামিন ডি: - একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। - ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। - ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি- এর প্রধান উৎস। - বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। - ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। - ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়। - দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। - যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে।
অন্যদিকে, - স্কার্ভি (Scurvy): ভিটামিন সি (C) অভাবে এ রোগ হয়। - বেরিবেরি (Beriberi): ভিটামিন বি১ (B1/থায়ামিন) অভাবে এ রোগ হয়। - অ্যানিমিয়া (Anemia): ভিটামিন বি১২/বি৯ (B12/Folic acid) বা আয়রন অভাবে এ রোগ হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৬৭.
বাংলাদেশের বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
ক
খুলনা
খ
ময়মনসিংহ
গ
বরিশাল
ঘ
চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর: ঘ
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
চট্টগ্রাম
ঘ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই): - বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। - দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে ‘‘ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি’’ নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়। - এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। - প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।
উৎস: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১,২৬৮.
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে উর্ধ্বের স্তর কোনটি?
ক
তাপমণ্ডল
খ
স্ট্রাটোমণ্ডল
গ
মেসোমণ্ডল
ঘ
এক্সোমণ্ডল
সঠিক উত্তর: ঘ
এক্সোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
এক্সোমণ্ডল
ঘ
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডলের সর্বশেষ স্তর হলো এক্সোমণ্ডল। তাপমণ্ডল থেকে উপরের দিকে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত এক্সোমণ্ডল বিস্তৃত। - এক্সোমণ্ডলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম স্তরের প্রাধান্য বেশি। এছাড়া সামান্য পরিমাণে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও আর্গন গ্যাসও বিদ্যমান রয়েছে। - এই স্তরের তাপমাত্রা ৩০০ ডিগ্রি থেকে প্রায় ১৬৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। - এক্সোমণ্ডলের পর থেকে আন্তগ্রহ বা ইন্টারপ্লানারি স্পেসের শুরু হয়েছে। (তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৬৯.
কোন বৈচিত্র্যের কারণে মঙ্গোলয়েড ও নিগ্রয়েড জাতির মানুষের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়?
ক
জিনগত বৈচিত্র্য
খ
প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
গ
স্বভাবগত বৈচিত্র্য
ঘ
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
সঠিক উত্তর: ক
জিনগত বৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
জিনগত বৈচিত্র্য
ক
ব্যাখ্যা
জীব-বৈচিত্র্য: - পৃথিবীতে জীবের বৈচিত্র্যতা রয়েছে। এর জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সর্বত্রই প্রাণীর অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়। - প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনোটি এতোই ছোট যে এদের খালি চোখে দেখা যায় না, আবার কোনোটি আকারে বড় তাই খালি চোখে দেখা যায়। - এদের মধ্যে কোনোটি মানুষের জন্য উপকারি, কোনোটি ক্ষতিকর। - এদের স্বভাব, বৈচিত্র্য, আবাস স্থলের ভিন্নতা ও দলগতভাবে এদের বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য দেখা যায়। - তাই প্রাণিদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সুসংবদ্ধ জ্ঞান থাকা অতীব প্রয়োজনীয়।
প্রাণিজগতের বিভিন্নতা বা প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity): - বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে। - প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়। যথা- ১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity): - একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। - এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য। - আবার মানুষ (Homo sapiens) একই প্রজাতিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মঙ্গোলয়েড, ককেশয়েত, নিগ্রয়েড ইত্যাদি রেস দেখা যায় এবং এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়।
২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity): - ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। - এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। - একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে।
৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity): - পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি । - বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়।
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭০.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে বায়ুপ্রবাহ কোন দিকে বাঁক নেয়?
ক
বাম দিকে
খ
ডান দিকে
গ
উত্তর দিকে
ঘ
দক্ষিণ দিকে
সঠিক উত্তর: খ
ডান দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ডান দিকে
খ
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ (Movement of Wind): - বায়ুর তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য বায়ু সর্বদা একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। ভূপৃষ্ঠের সমান্তরাল বায়ু চলাচলকে বায়ুপ্রবাহ বলে। - বায়ুপ্রবাহ সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়। যেমন- ১। নিম্নচাপমণ্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হলে বায়ুমণ্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে উচ্চচাপমণ্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সর্বদা নিম্নচাপমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। ২। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। এ উভয় কারণে ঘূর্ণায়মান পৃথিবীপৃষ্ঠে গতিশীল পদার্থ (যেমন- বায়ুপ্রবাহ ও জলস্রোত) সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। ফেরেলের সূত্র (Ferrel's Law) অনুসারে ভূপৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহের দিক নিয়ন্ত্রিত হয়।
চাপ বলয় (Pressure Belts): - ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন অক্ষাংশের তাপের পার্থক্য এবং গোলাকার পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে বায়ুমণ্ডলে কয়েকটি চাপমণ্ডলের সৃষ্টি হয়। যেমন- (১) নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়, (২) ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়, (৩) উপ-মেরুবৃত্তের নিম্নচাপ বলয় এবং (৪) মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৭১.
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির কারণ কী?
ক
ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
খ
অগ্নুৎপাত
গ
আগ্নেয় পর্বত ক্ষয়
ঘ
ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর: ক
ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
ক
ব্যাখ্যা
ভঙ্গিল পর্বত: - স্তরীভূত পাললিক শিলা পার্শ্ব ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে, তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। ⇒ এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ। - সমুদ্র তলদেশের বিশাল অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হয়। - উপরের পলির চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। - পরবর্তী পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখন্ডের প্ৰবল পার্শ্বচাপের কারণে উর্ধ্বভাঁজ ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। - বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত উর্ধ্ব ও অধঃভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭২.
ভূমিকম্পের কারণে কোন নদীর গতিপথ বদলে গিয়ে ছিলো?
ক
যমুনা
খ
মেঘনা
গ
পদ্মা
ঘ
ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর: ঘ
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ব্রহ্মপুত্র
ঘ
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: - পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। - ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। - ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। - বড় ধরনের ভূমিকম্প নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে পারে। - ভূমিকম্পের ফলে আমাদের অন্যতম প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে গিয়ে ছিলো। - পৃথিবীর মাঝে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। - ২০১০ সালে হাইতিতে, ২০১১ সালে জাপানে এবং ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। জাপানের ভূমিকম্পের পর সেখানে সৃষ্ট সুনামি নিউক্লিয়ার শক্তি কেন্দ্রে আঘাত করে একটি নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিল। - ভুমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। - রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভুমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি। এই স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া। - ১৮৮৪ সালে মানিকগঞ্জ এলাকায় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার বড় একটি ভূমিকম্প হয়েছিল।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৭৩.
শক্তি পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করে নিচের কোনটি?
ক
খাদক
খ
চূড়ান্ত খাদক
গ
উৎপাদক
ঘ
সেকেন্ডারি খাদক
সঠিক উত্তর: খ
চূড়ান্ত খাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
চূড়ান্ত খাদক
খ
ব্যাখ্যা
শক্তি পিরামিড: - একটি বাস্তুতন্ত্রের নির্দিষ্ট এলাকাতে এবং নির্দিষ্ট সময়কালে বিভিন্ন খাদ্যস্তরের (লেভেল) জীব কর্তৃক ব্যবহৃত মোট শক্তির হিসাব অনুযায়ী অঙ্কিত লৈখিক চিত্রকে শক্তির পিরামিড বলা হয়। - সাধারণত কোন বাস্তুতন্ত্রের এক বর্গমিটার এলাকা এবং এক বছর সময়কালের একক হিসেবে ব্যবহৃত শক্তির হিসাব করা হয়। - কোন বাস্তুতন্ত্রের এক বর্গমিটার এলাকায় এক বছর সময়কালে প্রথম খাদ্যস্তরের জীব তথা উৎপাদক যে পরিমাণ শক্তি সংগ্রহ করে, তা দ্বিতীয় স্তরের জীব কর্তৃক সংগৃহীত শক্তি থেকে বেশি, আবার দ্বিতীয় স্তরের সংগৃহীত শক্তি তৃতীয় স্তরের জীব কর্তৃক সংগৃহীত শক্তি থেকে বেশি। - চতুর্থ স্তরের জীব সবচেয়ে কম শক্তি ব্যবহার করে। - এজন্য উৎপাদক পিরামিডের ভূমিতে এবং চূড়ান্ত খাদক শীর্ষে অবস্থান করে।
খাদ্য শৃঙ্খল সীমিত রাখতে শক্তি পিরামিডের প্রভাব: - খাদ্য শৃঙ্খলে শক্তির প্রবাহ সব সময়ই একমুখী, এ শক্তি প্রবাহকে কখনও বিপরীতমুখী করা যায় না। - প্রতিটি ধাপে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ শক্তি কমে। - শক্তির এ ক্রমবর্ধমান ক্ষয় খাদ্য শিকলের আকারকে ৪ বা ৫ টি ধাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে। - খাদ্য শিকল যত দীর্ঘ হবে উর্ধ্বতম ট্রফিক লেভেলে শক্তির পরিমাণ ততই কমতে থাকবে এবং এক পর্যায়ে এসে কোন শক্তিই অবশিষ্ট থাকবে না।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৪.
তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে কত ধরনের রশ্মি নির্গত হয়?
ক
দুই ধরনের
খ
পাঁচ ধরনের
গ
তিন ধরনের
ঘ
চার ধরনের
সঠিক উত্তর: গ
তিন ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
তিন ধরনের
গ
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় বিকিরণের বৈশিষ্ট্য: - বিখ্যাত বিজ্ঞানী মাদাম কুরী একটি সহজ পরীক্ষা দ্বারা তেজস্ক্রিয় বিকিরণে তিন ধরনের রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। - তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়। - যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধানযুক্ত। - যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধানযুক্ত। - আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ। - ধনাত্মক আধানযুক্ত রশ্মিকে আলফা রশ্মি, ঋণাত্মক আধানযুক্ত রশ্মিকে বিটা রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা রশ্মি বলে। - আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। - গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চেখে দেখা যায় না।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৫.
কোন গ্যাসের প্রভাবে ইউরেনাস গ্রহ নীলাভ সবুজ বর্ণ ধারণ করে?
ক
ক) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
খ
খ) একুয়া রেজিয়া
গ
গ) মিথেন
ঘ
ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর: গ
গ) মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) মিথেন
গ
ব্যাখ্যা
ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল। ইউরেনাসের নীলাভ সবুজ বর্ণ শীতল মিথেন গ্যাসের প্রভাবে হয়। তাই একে সবুজ গ্রহও বলে। Source: NASA
১,২৭৬.
ডোপামিন তৈরীর কোষ নষ্ট হয় কোন রোগের ফলে?
ক
ক) গ্রেগরি ডিজিজ
খ
খ) পারকিনসন ডিজিজ
গ
গ) আলঝেইমার
ঘ
ঘ) কোনোটিই না
সঠিক উত্তর: খ
খ) পারকিনসন ডিজিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) পারকিনসন ডিজিজ
খ
ব্যাখ্যা
স্নায়ু কোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে যার একটি হল ডোপামিন। ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে। পারকিনসন রোগে আক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। উৎসঃজীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
১,২৭৭.
একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে -
ক
ট্রান্সফরমার
খ
ট্রানজিস্টর
গ
রেফটিফায়ার
ঘ
অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর: গ
রেফটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রেফটিফায়ার
গ
ব্যাখ্যা
রেকটিফিকেশন: - যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে। - একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেফটিফায়ার বলে। - ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না। - জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।
উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৮.
তেজ কটাল কখন ঘটে?
ক
অষ্টমী তিথিতে
খ
একাদশীতেে
গ
চন্দ্র ও সূর্য সমকোণে থাকলে
ঘ
অমাবস্যা তিথিতে
সঠিক উত্তর: ঘ
অমাবস্যা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অমাবস্যা তিথিতে
ঘ
ব্যাখ্যা
পানির উচ্চতা ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ: - পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে জোয়ার-ভাটাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. তেজ কটাল বা ভরা কটাল এবং ২. মরা কটাল।
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): - চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার-ভাটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। - যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। - অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। - মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে, এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। - পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। - আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৯.
পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে -
ক
প্রায় ৩৬৪ দিন ৬ ঘণ্টা
খ
প্রায় ৩৬৪ দিন ৮ ঘণ্টা
গ
প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা
ঘ
প্রায় ৩৬৫ দিন ৮ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: গ
প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা
গ
ব্যাখ্যা
পৃথিবী: - পৃথিবীর সুর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। - একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। - সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার । - এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার। - পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।
উল্লেখ্য, - পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড (প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা )। - পৃথিবী সূর্যের চারপাশে প্রায় ৬৭,০০০ মাইল (১,০৭,০০০ কিলোমিটার) বেগে প্রতি ঘন্টায় ঘুরতে থাকে। - সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
উৎস: i) NASA (.gov). ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৮০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি?
ক
ক) সাদামাটি
খ
খ) চুনাপাথর
গ
গ) কয়লা
ঘ
ঘ) গ্যাস
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) গ্যাস
ঘ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রাপ্ত খনিজ সম্পদের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধান। - বর্তমানে দেশে ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। - সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। - বিদ্যুৎ উৎপাদন, সারের কাঁচামাল, পরিবহন, গৃহস্থালি প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৮১.
সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর চাষবিদ্যাকে কী বলা হয়?
ক
প্রণকালচার
খ
সেরিকালচার
গ
পিসিকালচার
ঘ
মেরিকালচার
সঠিক উত্তর: ঘ
মেরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
মেরিকালচার
ঘ
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ বিদ্যা: - সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর চাষবিদ্যাকে মেরিকালচার বলা হয়।
অন্যদিকে, - সাধারণ মৎস্য চাষবিদ্যাকে পিসিকালচার বলা হয়। - রেশম কীট পালন ও রেশম উৎপাদনের বিদ্যাকে সেরিকালচার বলা হয়। - চিংড়ি ও অন্যান্য শেলফিশ চাষবিদ্যাকে প্রণকালচার বলা হয়।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,২৮২.
মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় -
ক
১২.২৫ বিলিয়ন বছর আগে
খ
১২.৭৫ বিলিয়ন বছর আগে
গ
১৩.২৫ বিলিয়ন বছর আগে
ঘ
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর আগে
সঠিক উত্তর: ঘ
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর আগে
ঘ
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের বয়স: - মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে তার মধ্যে বহুর প্রচলিত হল ‘বিগব্যাঙ’ তত্ত্ব। - বাংলায় একে বলা হয় ‘মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব’। - এই তত্ত্বের মতে মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও ঘনরূপে বা ঘন অবস্থায় ছিল যা অতি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছিল। - দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। - জানা গেছে, বিগব্যাঙ বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে। - এটাই মহাবিশ্বের বয়স।
উৎস: i) Las Cumbres Observatory. ii) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৮৩.
সবজি চাষ বিদ্যাকে কী বলে?
ক
Horticulture
খ
Aroboriculture
গ
Floriculture
ঘ
Vegiculture
সঠিক উত্তর: ক
Horticulture
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Horticulture
ক
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ: - সবজি চাষ পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- অলেরিকালচার (Olericulture)। - অলেরিকালচার হলো হর্টিকালচারের একটি শাখা যা শাকসবজি উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং বাজারজাতকরণের সাথে সম্পর্কিত। যেহেতু অপশনে অলেরিকালচার নেই, তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে হর্টিকালচার নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, - বৃক্ষবিদ্যার ইংরেজি আর্বোরিকালচার (Arboriculture) শব্দটি ইংরেজি "Arbor" শব্দ থেকে এসেছে। - Arbor শব্দের অর্থ "নিকুঞ্জ" (অর্থাৎ, বৃক্ষছায়ায় ঘাস আচ্ছাদিত স্থান)। - বৃক্ষবিদ্যায় মূলত সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বিভিন্ন উদ্ভিদ চাষ ও ব্যবস্থাপনা (অর্থাৎ, নিকুঞ্জ তৈরি) সংক্রান্ত আলোচনা রয়েছে বলে এর এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। [Aroboriculture ও Vegiculture বানান দুইটি মূল পরীক্ষার অপশনে ভুল রয়েছে যার সঠিক বানান হবে Arboriculture ও Vegeculture] - ফুল ও ফুলগাছের চাষাবাদকে বলা হয়- ফ্লোরিকালচার (Floriculture)। - Vegeculture মূলত কন্দাল ফসল যেমন আলু, মিষ্টিআলু, কচু, মেটেআলু, কাসাভা ইত্যাদি চাষকে বুঝায়।
অন্যান্য আধুনিক চাষ: - রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। - মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। - মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। - পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। - চিংডি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। - উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১,২৮৪.
p- টাইপ অর্ধপরিবাহকের উদাহরণ কোনটি?
ক
ক) গ্যালিয়াম
খ
খ) আর্সেনিক
গ
গ) এন্টিমনি
ঘ
ঘ) বিসমাথ
সঠিক উত্তর: ক
ক) গ্যালিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) গ্যালিয়াম
ক
ব্যাখ্যা
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে। যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম। - কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে। যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,২৮৫.
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করা হয় কত সালে?
ক
ক) ২০১৭ সালে
খ
খ) ২০১৯ সালে
গ
গ) ২০২০ সালে
ঘ
ঘ) ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ২০২১ সালে
ঘ
ব্যাখ্যা
- জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (ইংরেজি: James Webb Space Telescope বা JWST) মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র। - উৎক্ষেপণের তারিখ: ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১ । - ১০ বিলিয়ন ডলারের জেমস ওয়েব নামধারী স্পেস টেলিস্কোপটি ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। - হাবল টেলিস্কোপ ছিল মহাকাশে ভাসমান প্রথম কোনো টেলিস্কোপ।
উৎস: NASA ওয়েবসাইট
১,২৮৬.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুযায়ী নিচের কোনটিকে পরম ধরা হয়-
ক
ক) স্থান
খ
খ) সময়
গ
গ) ভর
ঘ
ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কোনোটিই নয়
ঘ
ব্যাখ্যা
চিরায়ত বলবিদ্যা অনুযায়ী স্থান,কাল এবং ভরকে পরম বলে ধরা হয়। কিন্তু আলবার্ট আইনস্টাইন সর্বপ্রথম দাবী করেন যে পরমস্থান, পরমকাল এবং পরমভর বলতে কিছুই নেই। - স্থান,কাল এবং ভর তিনটিকেই আপেক্ষিক ধরে তিনি তার বিখ্যাত আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।
১,২৮৭.
বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড টাইম ও গ্রীনউইচ মান টাইম-এর মধ্যে পার্থক্য হল-
ক
ক) ১০ ঘণ্টা
খ
খ) ৮ ঘণ্টা
গ
গ) ৭ ঘণ্টা
ঘ
ঘ) ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ৬ ঘণ্টা
ঘ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য ৬ ঘন্টা। পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ × ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। (সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,২৮৮.
সৌরজগতের আর কোন স্থানে পৃথিবীর অনুরূপ নদী ও হ্রদ রয়েছে?
ক
Mercury (liquid lead)
খ
Saturn's moon Titan (liquid methane)
গ
Saturn (liquid oxygen)
ঘ
Neptune's moon Triton (liquid ammonia)
সঠিক উত্তর: খ
Saturn's moon Titan (liquid methane)
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Saturn's moon Titan (liquid methane)
খ
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতে নদী ও হ্রদে ঘেরা পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ নয়।
- শনির উপগ্রহ টাইটানে একই বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
- টাইটানে সক্রিয়ভাবে প্রবাহিত নদী রয়েছে, যদিও সেখানে পানির পরিবর্তে তরল মিথেন প্রবাহিত হয়।
Clouds condense and rain down on the surface, feeding rivers that flow into oceans and lakes.
Outside of Earth, Titan is the only other planetary body in the solar system with actively flowing rivers, though they’re fed by liquid methane instead of water.
উৎস: নাসা ওয়েবসাইট, https://news.mit.edu/।
১,২৮৯.
সমূদ্র উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে কী বলে?
ক
মহীঢাল
খ
মহীসোপান
গ
সমুদ্রখাত
ঘ
শৈলশিলা
সঠিক উত্তর: খ
মহীসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
মহীসোপান
খ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারিদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের মধ্যে নেমে গেছে। - এরূপ সমূদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে ‘মহীসোপান’ বলে। - মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার। - মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে। - মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার। - ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৯০.
RADAR-এর পূর্ণরূপ কী?
ক
Radio Data And Relay
খ
Rapid Detection And Ranging
গ
Radio Detection And Ranging
ঘ
Radio Direction And Response
সঠিক উত্তর: গ
Radio Detection And Ranging
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
Radio Detection And Ranging
গ
ব্যাখ্যা
রাডার (RADAR): - 'RADAR' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Detection And Ranging. - এটি এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে দূরবর্তী কোনো বস্তুর উপস্থিতি, দূরত্ব ও দিক নির্ণয় করা যায়। - রাডার হলো এমন একটি কৌশল বা ব্যবস্থা যার সাহায্যে রেডিও প্রতিধ্বনির মাধ্যমে কোন বস্তুর উপস্থিতি জানা যায়। - যুদ্ধে শত্রু বিমানের উপস্থিতি ও গতিবিধি, বিমানের পথ নির্দেশ, ঝড়ের পূর্বাভাস ইত্যাদি কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। - ১৯২২ সালে এ.এইচ. টেলর এবং লিও সি ইয়ং রাডার উদ্ভাবন করেন।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১,২৯১.
বাংলাদেশে প্রথম করােনা রােগী সনাক্ত হয় কবে?
ক
ক) ৬ মার্চ, ২০২০
খ
খ) ৭ মার্চ, ২০২০
গ
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
ঘ
ঘ) ১৭ মার্চ, ২০২০
সঠিক উত্তর: গ
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ৮ মার্চ ২০২০ সর্বপ্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। - ১৮ মার্চ ২০২০ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম রোগী মারা যায়। - ১৮ মার্চ ২০২০ তারিখে দেশের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। - ২৬ মার্চ ২০২০ তারিখে করোনা ইস্যুতে সারাদেশ ব্যাপী প্রথমবারের লকডাউন ঘোষণা করা হয়। - ২৭ জানুয়ারি ২০২১ বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কুর্মিটোলা হাসপাতালের সেবিকা রুনো ভেরোনিকা কস্তা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটি উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। - ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ থেকে সারাদেশ কোভিড-১৯ রোগের প্রতিষেধক টিকাদান শুরু হয়।
(তথ্যসূত্র: করোনা ইনফো, বাংলাদেশ সরকার এবং বিবিসি বাংলা)
১,২৯২.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে কোন বইয়ে?
ক
ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
খ
খ) হিস্ট্রি অফ নেচার
গ
গ) দ্যা ইলিমেন্টস
ঘ
ঘ) দ্য ইউনিভার্স
সঠিক উত্তর: ক
ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
ক
ব্যাখ্যা
A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes is a popular-science book on cosmology (the study of the universe) by British physicist Stephen Hawking. It was first published in 1988. Hawking wrote the book for readers who had no prior knowledge of physics and people who are interested in learning something new about interesting subjects. source:goodreads.com
১,২৯৩.
ম্যারি ও পিয়েরে কুরি কোন মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার করেন?
ক
ক) রেডিয়াম
খ
খ) প্লাটিনাম
গ
গ) সিজিয়াম
ঘ
ঘ) টারবিয়াম
সঠিক উত্তর: ক
ক) রেডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) রেডিয়াম
ক
ব্যাখ্যা
ম্যারি ও পিয়েরে কুরি ১৮৯৮ সালে পোলনিয়াম ও রেডিয়াম নামের নতুন দুটি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার করেন। ১৯০৩ সালে তাঁরা পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।
১,২৯৪.
কোন বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়?
ক
নিয়ত বায়ু
খ
সাময়িক বায়ু
গ
স্থানীয় বায়ু
ঘ
অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর: ক
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
নিয়ত বায়ু
ক
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: - বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। - বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। - বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। - বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু।
নিয়ত বায়ু: - নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। - এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। - নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৫.
বাংলাদেশে সবচেয়ে কম ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
ক
উত্তর-পশ্চিম
খ
দক্ষিণ
গ
দক্ষিণ-পশ্চিম
ঘ
মধ্য অঞ্চল
সঠিক উত্তর: গ
দক্ষিণ-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
দক্ষিণ-পশ্চিম
গ
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: - বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের মধ্যে ভূমিকম্প সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। - ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভূ-গাঠনিক কারণে ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। - ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। যথা- • রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭ হলে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, • রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬ হলে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং • রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৫ হলে কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গণ্য হবে।
- তাত্ত্বিক গঠনগত দিক থেকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা যথাক্রমে- ১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত। ২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের মধ্যাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত। ৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৬.
স্ট্রিট ভাইরাস (Street Virus) কোন রোগের জীবাণুর নাম?
ক
টিটেনাস
খ
রেবিস
গ
হাম
ঘ
কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ
রেবিস
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
রেবিস
খ
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: - প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। - ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। - স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। - তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। - মানুষ র্যাবিস ভাইরাস দ্বারা 'জলাতঙ্ক' রোগে আক্রান্ত হয়। - স্টিট ভাইরাস (Street Virus) র্যাবিস রোগের জীবাণুর নাম।
উৎস: ১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ২. [Link]
১,২৯৭.
ডায়াবেটিস হলে রক্তে কিসের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়?
ক
আমিষ
খ
শর্করা
গ
স্নেহ
ঘ
উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর: খ
শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
শর্করা
খ
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস, বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ: - ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। - আমরা যখন কিছু খাই, এটি শর্করায় পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে। - প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের এই শর্করাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। - কারও ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। - যে কারণে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। - মানুষের রক্তে শর্করার স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৩.৯-৫.৬ mmole\L কিংবা (৭০-১০০ মি.গ্রা/ডেসি.লি.)। - ডায়াবেটিস হলে রক্তে শর্করার পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়। - ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়। - ডায়াবেটিস হৃদ্যন্ত্রের রক্তপ্রবাহ রোগের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। - ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের, যেমন- হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদির স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে। - ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি বা হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। - এটি হৃৎপিণ্ডকে অচল করে দেয় এবং রোগী মারা যেতে পারে। - এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়। - উচ্চ রক্তচাপ করোনারি হৃদরোগের পূর্বলক্ষণ। - ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তাদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি থাকে।
উৎস: বিজ্ঞান,নবম-দশম শ্রেণী।
১,২৯৮.
স্টিফেন হকিং কোন তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত?
ক
ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
খ
ওয়ার্মহোল তত্ত্ব
গ
কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি
ঘ
স্ট্রিং তত্ত্ব
সঠিক উত্তর: ক
ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
ক
ব্যাখ্যা
◉ স্টিফেন হকিং মূলত ব্ল্যাক হোল বিকিরণ (Hawking Radiation) তত্ত্বের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। তিনি প্রমাণ করেন যে ব্ল্যাক হোল একেবারে নিঃসঙ্গ ও চিরন্তন নয়। কোয়ান্টাম প্রভাবের কারণে ব্ল্যাক হোল থেকে বিকিরণ নির্গত হতে পারে। এই বিকিরণকে বলা হয় Hawking Radiation. স্টিফেন হকিং: - স্টিফেন হকিং একজন পদার্থবিদ। - তিনি ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি অক্সফোর্ডে পদার্থবিদ্যার ওপর প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রী অর্জন করে ক্যামব্রিজে কসমোলজির উপর স্নাতকোত্তর গবেষণা করেন। - ১৯৬২ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি গবেষণার কাজ শুরু করেন। - তাঁর গবেষণার বিষয়বস্তু ছিলো কসমোলজি এবং জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি। - কেমব্রিজে গবেষণা করার সময় তাঁর মোটর নিউরন রোগ ধরা পরে যেটা তাকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে অচল করে দেয়। - আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে স্টিফেন হকিং গুরুতর নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিকভাবে কথা বলার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন। - কম্পিউটারের মাধ্যমে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে কথা বলা রপ্ত করেন। - ১৯৮৮ সালে তিনি তার বই 'A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes' প্রকাশ করেন। - মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে খুব সহজবোধ্য ভাষায় সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তিনি লিখেছিলেন। - ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ ছিয়াত্তর বছর বয়সে এই বিজ্ঞানীর জীবনাবসান হয়।
উল্লেখ্য, - ১৯৭৪ সালে তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারটি করেন। - ব্ল্যাকহোল নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করে তিনি তাত্ত্বিকভাবে দেখিয়েছিলেন, ইভেন্ট হরাইজনের সীমানায় এক ধরনের বিকিরণ হয়। - কোয়ান্টাম শূন্যতার মাঝে যেসব ভার্চুয়াল কণা এবং প্রতিকণার উদ্ভব হয় তারই কিছুটা ইভেন্ট হরাইজনের বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে। - এই কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশনের ফলে ব্ল্যাকহোল ধীরে ধীরে তার ভর হারায়। - অত্যন্ত কম তাপমাত্রার এই বিকিরণকে বলা হয়, হকিং রেডিয়েশন।
উৎস: Britannica ও নাসা ওয়েবসাইট।
১,২৯৯.
কোন গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়?
ক
শনি
খ
মঙ্গল
গ
বৃহস্পতি
ঘ
ইউরেনাস
সঠিক উত্তর: খ
মঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
মঙ্গল
খ
ব্যাখ্যা
- মঙ্গল গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়।
মঙ্গলে প্রেরিত ‘কিউরিওসিটি’: - মঙ্গল গ্রহে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার যান ‘কিউরিওসিটি’। - ২০১২ সালের ৫ আগস্ট মহাকাশযানটি মঙ্গলের পৃষ্ঠে সফলভাবে অবতরণ করে। - ‘লাল গ্রহ’ মঙ্গলে গবেষণাকাজে এটাকে বড় একটি অর্জন বিবেচনা করা হয়। পরের বছরের একই দিনে মহাকাশযানটিতে বাজানো হয় ‘হ্যাপি বার্থডে’ গান। এর মধ্য দিয়ে মঙ্গলে প্রথমবারের মতো কোনো সুর বেজে ওঠে। - মঙ্গল গ্রহে মাকড়সার জালের মতো দেখতে বেশ রহস্যময় একটি অঞ্চলের সন্ধান পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। মঙ্গল গ্রহে থাকা মাকড়সার জালটি আসলে একধরনের স্ফটিকযুক্ত খনিজের কাঠামো। - সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহে মাকড়সার জালের মতো দেখতে রহস্যময় অঞ্চলের ছবি তুলেছে নাসার কিউরিওসিটি রোভার। - কিউরিওসিটি রোভার বর্তমানে ‘গেল ক্রেটার’ নামের বিশাল খাদের রহস্য উন্মোচনে কাজ করছে। - মঙ্গল গ্রহে কিউরিওসিটির রোভার অবতরণ করার পর থেকেই মঙ্গল গ্রহের পরিবেশ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করছে রোভারটি। - বর্তমানে রোভারটি মঙ্গল গ্রহে থাকা বক্সওয়ার্ক প্যাটার্ন নামের শক্ত নিচু শৈলশিরা বিশ্লেষণ করছে।
- প্রবালের মতো পাথরের ছবি মঙ্গলবুকে ধারণ করেছে রোভার কিউরিওসিটির রিমোট মাইক্রো ইমেজার। - নাসার কিউরিওসিটি মার্স রোভার সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে একটি পাথরের কালো ও সাদা ছবি পাঠিয়েছে। সে পাথরটি দেখতে পৃথিবীতে পাওয়া প্রবালের টুকরার মতো। - মার্কিন মহাকাশ সংস্থা–নাসার তথ্যমতে, হালকা রঙের পাথরটি বাতাসের কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে। শিলাটি মঙ্গল গ্রহের অববাহিকা গ্যাল ক্রেটারে নামের খাদে পাওয়া গেছে। শিলাটি প্রায় এক ইঞ্চি প্রশস্ত। - সমুদ্রের তলদেশে সাধারণভাবে দেখা প্রবালের মতো শাখা–প্রশাখা দেখা যাচ্ছে। শিলাটির বর্ণহীন ছবিটি কিউরিওসিটির রিমোট মাইক্রো ইমেজারের মাধ্যমে তোলা হয়েছে। এটি একটি উচ্চ রেজল্যুশনের টেলিস্কোপিক ক্যামেরা। - এখন পর্যন্ত কিউরিওসিটি ১৫৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাদের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে। চলার পথটি আঁকাবাঁকা হওয়ার কারণে ধীরভাবে কাজ করছে রোভারটি।
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক] [লিঙ্ক] [লিঙ্ক] এবং ব্রিটানিকা।
১,৩০০.
বায়োগ্যাস প্লান্টের মূল অসুবিধা কী?
ক
এটি দুষণমুক্ত জ্বালানী উৎপাদন করে
খ
উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো কষ্টকর
গ
পরিবেশ বান্ধব
ঘ
রান্নাঘরের ধোঁয়া কমায়
সঠিক উত্তর: খ
উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো কষ্টকর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো কষ্টকর
খ
ব্যাখ্যা
- বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের একটি অন্যতম বড় অসুবিধা হলো এর নিম্ন উৎপাদন দক্ষতা। বর্তমানে ব্যবহৃত সিস্টেমগুলো খুব একটা আধুনিক নয় এবং অল্প খরচে বিশাল জনসংখ্যার চাহিদা মেটানোর মতো বড় আকারের উৎপাদন ব্যবস্থা এখনো সেভাবে গড়ে ওঠেনি। এছাড়া এর উৎপাদন প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট আবহাওয়া ও কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো বা নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কষ্টসাধ্য।
বায়োগ্যাস প্লান্ট: - বায়োগ্যাসমূলত বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ, যাতে মিথেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড, হাইড্রোজেন, বায়োগ্যাস ইত্যাদি মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। গ্যাস মিশ্রনে উপাদানের সম্ভাব্য শতকরা হার নিম্নরূপ-
- বায়োগ্যাস প্লান্ট একটি অন্যতম নবায়নযোগ্য জ্বালানী উৎপাদন পদ্ধতি। যে সব স্থানে ঘন বসতি এবং অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা সে সকল স্থানে এ পদ্ধতি ব্যবহার করার উপযোগী। জৈব বর্জ, শিল্পবর্জ, পৌর বর্জ্য হতেও এধরণের বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এধরণের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্লান্ট আমাদের দেশের জন্য খুবই উপযোগী। - এ ধরনের প্লান্ট ব্যবস্থাপনা একটু অস্বাস্থ্যকর বিধায় আমাদের দেশে এটি এখনও জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু উপযুক্ত ট্রেইনিং এর ব্যবস্থা করা গেলে এ ধরণের প্লান্ট খুব তাড়াতাড়ি জনপ্রিয়তা পাবে যদিও খুব অল্পসংখক প্লান্ট প্রত্যন্ত অঞ্চলে সফলতার মুখ দেখেছে। - এধরণের প্লান্টে তিন ধরণের সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন- বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জালানীগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং কম্পোস্ট সার উৎপাদন। - বর্তমানে উন্নত দেশেও এ গ্যাসকে বিশুদ্ধ করে সি.এন.জি. হিসাবে গাড়ী ও অন্যান্য ট্রান্সপোর্টে জ্বালানী হিসবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর এ গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হচ্ছে। - নিম্নে বায়োগ্যাস প্লান্টের গঠন প্রণালী দেখানো হলো-
- এধরণের ট্যাংকে একটি গম্বুজের মত পাত্র থাকে যার নিচের অংশকে ডাইজেষ্টার বলে এবং উপরের অংশকে বলে গ্যাস স্টোরেজ। মিশ্রণ ট্যাংকে গোবর বা গোবাদির মলমূত্র এমনকি মানুষের মলমূত্র পানির সাথে ভালভাবে মিশ্রিত করে ইনলেট ড্রেইন এর মাধ্যমে ডাইজেষ্টারে পাঠানো হয় যেখানে জীবাণুর মাধ্যমে বিক্রিয়ার দ্বারা মিথেন ও অন্যান্য গ্যাস উৎপন্ন হয়ে গম্বুজ আকৃতির গ্যাস স্টোরেজ অংশে জমা হয়। এর উপরের অংশে একটি নল যুক্ত থাকে যার মাধ্যমে গ্যাস বিভিন্ন যন্ত্রে পাঠানো হয়। এই নলে গ্যাস প্রবাহ নিয়ন্ত্রনের জন্য একটি ভাল্ব লাগানো থাকে। গোবর বা মলমূত্রের মিশ্রন আউটলেট ড্রেইন এর মাধ্যমে বের হয়ে আসে যা পরবর্তিতে কম্পোস্ট সার হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
বায়ো গ্যাসপ্লান্টের সুবিধা-অসুবিধা: সুবিধা: ১) এটি দুষনমুক্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানী সরবরাহ করে। ২) এটি জ্বালানী কাঠ সংগ্রহের কষ্ট হতে মুক্তি দেয়। ৩) রান্না ঘরের ধুয়া ও ময়লা হতে মুক্তি দেয়। ৪) এটি থেকে বাইপ্রডাক্ট হিসাবে জৈব সার পাওয়া যায় যা পরিবেশ বান্ধব ও শস্য উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে দেয়। ৫) বর্জ ব্যবস্থাপনায় সহায়তার মাধ্যমে পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখে। ৬) বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা যায় যাতে দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুৎ চাহিদা মেটায়। ৭) যে কোন পচনশীল বস্তু এতে ফিড হিসাবে ব্যবহার করা যায় ফলে পরিবেশে দূর্গন্ধ ছড়ায় না।
অসুবিধা: ১) পদ্ধতিগতভাবে এটি অস্বাস্থ্যকর। ২) উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো কষ্টকর। ৩) এটির মিশ্রণে কিছু ক্ষয়কর উপাদান থাকে যা ব্যবহার্য ধাতব যন্ত্রে ক্ষতি করে। ৪) এটি সব জায়গায় স্থাপন করা যায় না।
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।