বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৩,৮৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১২ / ৩৯ · ১,১০১১,২০০ / ৩,৮৭৯

১,১০১.
এক কিউসেক পানির ঘনফল কত লিটার?
  1. 20.28 লিটার
  2. 24.32 লিটার
  3. 28.32 লিটার
  4. 32.20 লিটার
সঠিক উত্তর:
28.32 লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
28.32 লিটার
ব্যাখ্যা
কিউসেক (Cusec) :
- কোনাে নদীতে একটি নির্দিষ্ট  স্থান দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যত ঘনফুট (Cubic feet per second) জল প্রবাহিত হয় , তা হল কিউসেক ।
- 1 কিউসেক হল প্রতি সেকেন্ডে এক ঘনফুট জলপ্রবাহ ।
- প্রতি সেকেন্ডে 28.32 লিটার পানি প্রবাহ।

1 কিউসেক = 1 কিউবিক ফুট
1 ফুট = 30.48 সে.মি.
∴ 1 কিউসেক = 30.48 × 30.48 × 30.48 = 28316.8 cm3
= (28316.85/1000) লিটার
= 28.317 লিটার

কিউমেক (Cumec):
- নদীর একটি নির্দিষ্ট স্থান দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যত ঘনমিটার (Cubic meter per second) জল প্রবাহিত হয়  তাকে বলে কিউমেক।

সূত্র- Cuemath Website (Link)
১,১০২.
স্প্যানিশ ফ্লু মহামারীর কারণ কোনটি?
  1. ক) এইচওয়ানএনওয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা এ
  2. খ) সার্স করোনাভাইরাস ২
  3. গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা সি ভাইরাস
  4. ঘ) সিমিয়ান ভাইরাস ৫
সঠিক উত্তর:
ক) এইচওয়ানএনওয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এইচওয়ানএনওয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা এ
ব্যাখ্যা
১৯১৮ সালে স্প্যানিশ ফ্লু মহামারীর কারণে আনুমানিক ৫০ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছিল।
স্প্যানিশ ফ্লু H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা A ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি মারাত্মক বৈশ্বিক ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী রোগ।
সোর্স: ব্রিটানিকা
১,১০৩.
ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা রশ্মি কোন উৎস থেকে আসে?
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোন
  3. আইসোটোপ
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

• ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা রশ্মি মূলত আইসোটোপ থেকে আসে। রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ হলো এমন একটি রসায়নিক উপাদান যার নিউক্লিয়াস অস্থিতিশীল এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গামা রশ্মি, বিটা বা অ্যালফা কণার মাধ্যমে বিকিরণ করে স্থিতিশীল অবস্থায় আসে। ক্যান্সারের চিকিৎসায় বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয় কোবাল্ট-৬০ বা অন্যান্য রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ যেগুলো উচ্চ শক্তির গামা রশ্মি নির্গত করে। এই গামা রশ্মি ক্যান্সারের টিস্যুতে পৌঁছায় এবং ক্যান্সার কোষের DNA ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলে কোষ ধ্বংস হয়। তাই গামা রশ্মি নির্গমনের জন্য সরাসরি উৎস হিসেবে কাজ করে রেডিওঅ্যাকটিভ আইসোটোপ, যা চিকিৎসায় অপরিহার্য।

- সঠিক উত্তর: গ) আইসোটোপ।

আইসোটোপ এবং এর ব্যবহার:
- আইসোটোপগুলো হলো একটি নির্দিষ্ট মৌলের রূপভেদ।
- বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে।
- অর্থাৎ কোনো মৌলের আইসোটোপ সমূহে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রোনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়। 
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘পরমাণু চিকিৎসায়' তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্ৰধানত রোগ নির্ণয়ের এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
- রোগীর শরীরে কোনো স্থানে বা অঙ্গে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমারের উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের সাহায্যে শনাক্ত করা যায়।
- কোবাল্ট-60 (60Co) আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী গামা রশ্মি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১০৪.
মহাকাশকে বায়ুমণ্ডলের অংশ হিসেবে ধরা হয় না কেন? 
  1. সেখানে তাপমাত্রা বেশি থাকার ফলে
  2. বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সাথে ঘোরার ফলে
  3. মহাকাশে সবসময় সূর্য থাকার ফলে
  4. বায়ুমণ্ডলে কোনো পদার্থ না থাকার ফলে
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সাথে ঘোরার ফলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সাথে ঘোরার ফলে
ব্যাখ্যা
মহাকাশ (Space): 
- আকাশের দিকে তাকালে দূর দূরান্তের অনেক বস্তু দেখা যায়। 
- দিনের আকাশের সূর্য আর রাতের আকাশের গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি চোখে পড়ে। 
- যদি দুরবীক্ষণ দিয়ে আকাশের দিকে দেখা হয়, তখন আরও অনেক কিছু দেখা যায়। যেমন- বৃহস্পতি গ্রহ তার উপগ্রহসহ জ্বলজ্বল করতে থাকে। 
- গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ইত্যাদির মাঝখানে যে খালি জায়গা, তাকে মহাকাশ বা মহাশূন্য বলে। 
- মহাকাশের দিকে তাকালে যেসব বস্তুকে দেখতে পাওয়া যায় তা হলো পদার্থ। 

মহাকাশ বা মহাশূন্যের শুরু যেখান থেকে: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সাথেই মহাকাশে ঘুরছে, এজন্য বায়ুমণ্ডলকে মহাকাশের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না; একে পৃথিবীর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- অধিকাংশ বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর বেশ কাছাকাছি। 
- পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে দূরত্ব যত বাড়তে থাকে, বায়ুমণ্ডল তত হালকা হতে থাকে এবং ১৬০ কিলোমিটারের পর বায়ুমণ্ডল থাকে না বললেই চলে। 
- অধিকাংশ বিজ্ঞানী মনে করেন যে, পৃথিবী থেকে ১৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের শেষ এবং মহাকাশের শুরু। 
- এক সময় মানুষ ভাবত যে, যত দূর পর্যন্ত সবচেয়ে দূরের বস্তুটি তারা দেখতে পায়, সে পর্যন্তই মহাকাশ বিস্তৃত এবং মহাকাশ বক্রাকৃতির। 
- পরবর্তীতে দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কারের পর মানুষ তার দৃষ্টিসীমার বাইরের অনেক গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু ও গ্যালাক্সি দেখতে পাই। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,১০৫.
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. আয়োডিন-১৩১ 
  2. টেকনেশিয়াম-৯৯
  3. কার্বন-১৪ 
  4. ফসফরাস-৩২ 
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন-১৩১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন-১৩১ 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। 
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১০৬.
ভাইরাস, ব্যক্টেরিয়া ইত্যাদি সংক্রান্ত বিজ্ঞান কী?
  1. ক) কীটতত্ত্ব
  2. খ) অণুজীববিজ্ঞান
  3. গ) পরজীবী বিদ্যা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অণুজীববিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অণুজীববিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

- ভাইরাস, ব্যক্টেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক ও অন্য অণুজীব সংক্রান্ত বিজ্ঞান হচ্ছে অণুজীববিজ্ঞান।
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, দমন ইত্যাদি সংক্রান্ত বিজ্ঞান হচ্ছে কীটতত্ত্ব।
- পরজীবিতা, পরজীবী জীবনের জীবন প্রণালি এবং রোগ সম্পর্কিত বিজ্ঞান হচ্ছে পরজীবী বিদ্যা।
[তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৫।]

১,১০৭.
অধিক পরিমাণে খেসারির ডাল খাওয়ার ফলে কোন ধরণের রোগ দেখা দিতে পারে?
  1. ক) ল্যাথাইরিজম
  2. খ) হাঁপানি
  3. গ) ডায়াবেটিস
  4. ঘ) হৃদরোগ
সঠিক উত্তর:
ক) ল্যাথাইরিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ল্যাথাইরিজম
ব্যাখ্যা
অধিক পরিমাণে খেসারির ডাল খাওয়ার ফলে ল্যাথাইরিজম রোগ দেখা দিতে পারে। 

- বাংলাদেশ, ভারত ও আলজেরিয়ার বহু লোক এবং ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশের কিছু লোক এসব ডাল খেয়ে থাকে।
- এই ব্যাধির প্রকোপ মানুষ ছাড়াও ঘোড়া ও গবাদি পশুর মধ্যে লক্ষ্য করা যায়।
- পুরুষের মধ্যেই ল্যাথিরিজমের প্রকোপ বেশি।
- ঘোড়া ও গবাদি পশুর ক্ষেত্রে  পা ও স্বরযন্ত্রের পেশীগুলি অবশ হয়ে পড়ে এবং পশুটির দম বন্ধ হয়ে আসে।
- মানুষের ক্ষেত্রে স্নায়ুরজ্জুতে ক্ষত দেখা দেয়, যা ঐ অঙ্গের স্থায়ী বিনষ্টির কারণ হতে পারে।
- Fabaceae পরিবারের Papillionaceae উপ-পরিবারের অন্তর্ভুক্ত Lathyrus প্রজাতির কয়েকটি উদ্ভিদের বীজ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার ফলে পঙ্গু হবার ঝুঁকি রয়েছে, এর মধ্যে একটি হলো খেসারি, যা ডাল হিসেবে গ্রহণ করা হয়। 
- ১৮৭৩ সালে ইতালির কান্তানি নামের এক ব্যক্তি এ রোগকে ‘ল্যাথাইরিজম’ নাম দেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১,১০৮.
একটি হোল কণার চার্জ কত? 
  1. 1.9×10-19 C
  2. 1.6×10-19 C
  3. 1.0×10-23 C
  4. 1.9×10-27 C
সঠিক উত্তর:
1.6×10-19 C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.6×10-19 C
ব্যাখ্যা
হোল: 
- তাপীয় শক্তির জন্য ইলেকট্রন যখন কোনো সমযোজী বন্ধন ভেঙ্গে বের হয়ে আসে তখন ইলেকট্রনের এই অপসারণ সমযোজী বন্ধনে একটি শূন্য স্থান রেখে আসে। 
- ইলেকট্রনের এই শূন্যতা বা অনুপস্থিতিকে হোল বলা হয়। 
- হোল ধনাত্মক আধান হিসেবে কাজ করে। 
- একটি হোলের চার্জ 1.6×10-19 C
- যখনই একটি ইলেকট্রন মুক্ত হয়, তখনই একটি হোলের সৃষ্টি হয়। 
- সুতরাং তাপীয় শক্তি হোল-ইলেকট্রন জোড় সৃষ্টি করে। 
- যতগুলো মুক্ত ইলেকট্রন সৃষ্টি হয় ততগুলোই হোলের সৃষ্টি হয়। 
- হোল হলো একটি ইলেকট্রনের অনুপস্থিতি। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০৯.
নিচের কোনটিকে গ্রহরাজ বলা হয়?
  1. সূর্য
  2. পৃথিবী
  3. বৃহস্পতি
  4. শনি
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা

• বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে।
- এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি। এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১১০.
'সুনামী' কী কারণে হয়?
  1. সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্পন
  2. চাঁদের মহাকর্ষীয় টান
  3. ঝড় ও বৃষ্টি
  4. উচ্চ বাতাসের চাপ
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্পন
ব্যাখ্যা
• সুনামি (Tsunami):
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সুনামি সংঘটিত হয়।
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সুনামি সংঘটনের সম্ভাবনা কম।
- তবে, ১৭৬২ সালের ২রা এপ্রিল কক্সবাজার এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সুনামির প্রভাব দেখা যায়।
- ১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংঘটিত হয়।
- তবে এর ফলে প্রচন্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয় ভারতের পূর্ব উপকূল। যার পরিণতিতে ৫,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সিনুয়েলেয়ু দ্বীপে সংঘটিত ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে সমগ্র ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় বহু সংখ্যক লোকের মৃত্যু ঘটে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১১.
কোন গতির কারণে দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি সংঘটিত হয়? 
  1. আহ্নিক গতির কারণে
  2. বার্ষিক গতির কারণে
  3. মধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতির কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতির কারণে
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি: 
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ- 
• দিন-রাত্রি সংঘটন, 
• জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি, 
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি, 
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি, 
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি। 

বার্ষিক গতি: 
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১১২.
শব্দ দূষণ পরিমাপের এককের নাম কী?
  1. হার্জ
  2. ডেসিবল
  3. সেন্টিবল
  4. ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
ব্যাখ্যা
শব্দদূষণ: 
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে ডেসিবল। 
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। 
- ৮৫ ডেসিবল শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুর করে এবং মাত্রা ১২০ ডেসিবল হলে কানে ব্যথা শুরু হয়। 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে, সাধারণত ৬০ ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে। 
সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়। 
 
উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৩.
কোন দুটি গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই?
  1. শনি ও বুধ
  2. শুক্র ও বৃহস্প্রতি
  3. বুধ ও শুক্র
  4. নেপচুন ও ইউরেনাস
সঠিক উত্তর:
বুধ ও শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ ও শুক্র
ব্যাখ্যা

উপগ্রহ (Satellite):
- কিছু কিছু জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়, এদের উপগ্রহ বা চাঁদ বলে।
- মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
- এদের নিজস্ব আলো বা তাপ নেই। এরা সূর্য বা নক্ষত্র থেকে আলো বা তাপ পায়।
- চাঁদ পৃথিবী গ্রহের একমাত্র উপগ্রহ।
- কোনো কোনো গ্রহের উপগ্রহ আছে, কোনোটির নেই।
- বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।

উল্লেখ্য,
- সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১,১১৪.
নিচের কোনটি পানিবাহিত রোগ নয়?
  1. ক) ডায়রিয়া
  2. খ) টাইফয়েড
  3. গ) ম্যালেরিয়া
  4. ঘ) আমাশয়
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যালেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যালেরিয়া
ব্যাখ্যা

পানিবাহিত রোগ হলো কলেরা,ডায়রিয়া, টাইফয়েড, আমাশয় ইত্যাদি।
ম্যালেরিয়া হলো পতঙ্গবাহিত রোগ।

১,১১৫.
সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন কে?
  1. ক) চার্লস ডারউইন
  2. খ) ল্যামার্ক
  3. গ) জেনোফেন
  4. ঘ) হার্বার্ট স্পেন্সার
সঠিক উত্তর:
গ) জেনোফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনোফেন
ব্যাখ্যা
- ল্যামার্ক 'বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন বা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।

 -সর্বপ্রথম, জেনোফেন সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন।
তারপর, এরিস্টটল বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করেন।

- হার্বার্ট স্পেন্সার সর্বপ্রথম Evolution শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

- জৈব বিবর্তনের জনক বলা হয় চার্লস ডারউইনকে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান, ২০২১
১,১১৬.
Hubble Telescope এর ত্রুটি সংশোধনের জন্য নভোচারীগনকে মহাশূণ্যে কোন নভোযানে প্রেরণ করা হয়েছিল?
  1. Endeavour
  2. Challenger
  3. Pathfinder
  4. Apollo
সঠিক উত্তর:
Endeavour
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Endeavour
ব্যাখ্যা
হাবল স্পেস টেলিস্কোপ: 
- মহাকাশে ভাসমান প্রথম টেলিস্কোপ হলো হাবল টেলিস্কোপ। 
- আমেরিকান জ্যোতির্বিদ এডউইন পি. হাবল এর নামানুসারে NASA বিশ্বের প্রথম স্পেস-ভিত্তিক অপটিক্যাল টেলিস্কোপের নামকরণ করেছে। 
- ২৪ এপ্রিল ১৯৯০ হাবলের টেলিস্কোপ স্পেস শাটল ডিসকভারি (STS-31) থেকে প্রথম উৎক্ষেপণ করা হয়। 
- ২৫ এপ্রিল ১৯৯০ থেকে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে। 
- হাবল টেলিস্কোপ মিশন শুরু হওয়ার পর থেকে ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি পর্যবেক্ষণ সম্পন্ন করেছে। 
- ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসে Hubble Telescope এর ত্রুটি সংশোধনের জন্য নভোচারীগনকে মহাশূণ্যে Endeavour নভোযানে প্রেরণ করা হয়েছিল। 

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।
১,১১৭.
What is the name of the latest variant of COVID-19?
  1. Gamma
  2. beta
  3. Omicron
  4. Delta
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Omicron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Omicron
ব্যাখ্যা
করোনা ভাইরাস:

- করোনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয় - SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2.
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই নামটি নির্ধারণ করে।
- ভাইরাসটির পূর্ব নাম ছিল - 2019 novel coronavirus
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রোগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম - COVID - 19
- COVID-19 এর সর্বশেষ রূপটির নাম অমিক্রন।

তথ্যসূত্র - WHO ওয়েবসাইট।
১,১১৮.
আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয় -
  1. ক) টেলিস্কোপ
  2. খ) পেরিস্কোপ
  3. গ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই। 
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। 
- দর্পণের প্রতিফলন ‘তল’ এমনভাবে স্থাপিত যাতে নলটির অঙের সঙ্গে তা ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করতে পারে। 
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। 
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

উৎস: নবম অধ্যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই।
১,১১৯.
এক্স-রের প্রকৃতি সম্পর্কিত সঠিক তথ্য কোনটি? 
  1. ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক
  2. তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
  3. প্রতিসরণ ঘটে না
  4. পোলারণ ঘটে না
সঠিক উত্তর:
ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক
ব্যাখ্যা

• এক্সরের প্রকৃতি হলো এর ভেদন ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। এক্সরে হলো একটি ধরনের অত্যন্ত শক্তিশালী তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ, যা সহজেই কঠিন পদার্থ, ধাতু ও হাড়ের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে পারে। এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব ছোট, তাই এগুলি অণু বা পরমাণুর স্তরের বিন্যাসকেও ছেদ করতে পারে। এক্সরকে বিভিন্ন পদার্থে প্রতিসরণ বা পোলারণের দিক থেকে সীমিত বলা যায়, কারণ এগুলি মূলত ভেদন ক্ষমতার জন্য পরিচিত। তাই এক্সরের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চ ভেদন ক্ষমতা।

- সঠিক উত্তর: ক) ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।

এক্সরের ধর্ম:
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে গমন করে। 
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

তথ্যসূত্র- বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২০.
কোন ধরনের প্লেট সীমানার ফলে নতুন সমুদ্র তলদেশের এবং সামুদ্রিক আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়?
  1. ক) সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা
  2. খ) পরিবর্তক চ্যুতি সীমা
  3. গ) অপসারী সীমা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) অপসারী সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপসারী সীমা
ব্যাখ্যা

প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics) ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।
তিন ধরনের পারস্পরিক প্লেট সীমানার কথা জানা যায়।
যথা:
- সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা,
- অপসারী সীমা ও
- পরিবর্তক চ্যুতি সীমা।

- সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা
যখন একে অপরের দিকে অগ্রসরমান দুটি প্লেট কেন্দ্রাভিমুখী হয়ে অবশেষে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন একটি প্লেট অপরটির নিচে চাপা পড়ে। এই ধরনের প্লেট সংঘর্ষের ফলে পর্বতমালার সৃষ্টি হয় এবং প্লেট প্রান্তিকের আশেপাশে আগ্নেয়গিরির কর্মকান্ড সংঘটিত হয়।

- অপসারী সীমা
এই ক্ষেত্রে দুটি প্লেট একে অপরের থেকে সরে যেতে থাকে। এই ধরনের প্লেট সীমানার ফলে নতুন সমুদ্র তলদেশের এবং সামুদ্রিক আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়।
- পরিবর্তক চ্যুতি সীমা যখন দুটি প্লেট একে অপরকে অতিক্রম করে যায়, তখন তাকে পরিবর্তক চ্যুতি সীমা বলে। তিন ধরনের প্লেট বিচলনেই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১,১২১.
পৃথিবী আপন কক্ষপথে কত ডিগ্রি কোণে হেলে আছে?
  1. ২৭.৫°
  2. ৬৯.৫°
  3. ৬৬.৫°
  4. ৭৩.৫°
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫°
ব্যাখ্যা
• দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি:
- প্রধানত পাঁচটি কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠে দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।
- অর্থাৎ একটি দিবসে দিন ও রাত্রির সময়কাল সকল সময়ে এক হয় না।
- নিম্নোক্ত কারণে এইরূপ হয়ে থাকে।
১. পৃথিবীর আকার অভিগত গোলকের ন্যায়; 
২. সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার পথটি, অর্থাৎ কক্ষপথটি উপবৃত্তাকার (Elliptical);
৩. পৃথিবীর দুইটি গতি যেমন: আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি;
৪. পৃথিবী আপন কক্ষপথে (Orbit) ৬৬.৫° কোণে হেলে অবস্থানরত এবং
৫. পৃথিবী নিজ অক্ষে (Axis) ২৩.৫° কোণে হেলে অবস্থানরত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২২.
ডাউন সিনড্রোম হচ্ছে মূলত -
  1. ধানগাছের বিশেষ রোগ।
  2. গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ।
  3. গর্ভবতী মায়ের রক্তস্বল্পতা।
  4. শিশুরে দেহে ভিটামিন এ এর অভাব।
সঠিক উত্তর:
গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ।
ব্যাখ্যা

ডাউন সিনড্রোম: 
- ডাউন সিনড্রোম একটি বিশেষ ধরণের জেনেটিক বা জিনগত অবস্থা। 
- ডাউন সিনড্রোম নিয়ে জন্ম নেয়া মানুষের ক্রোমোজোমের গঠন সাধারণ মানুষের ক্রোমোজমের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে।
- এর কারণে মানুষের মধ্যে মৃদু বা মাঝারি স্তরের বুদ্ধিবৃত্তিক সমস্যা, বেড়ে ওঠায় বিলম্ব বা অন্য কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
- ডাউন সিনড্রোম ব্যক্তির প্রতিটি দেহকোষে ২১তম ক্রোমোজোমে একটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোমের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়, যাকে ‘ট্রাইসোমি ২১’ বলা হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ৮০০ শিশুর মধ্যে জন্ম নেয় একটি ডাউন সিনড্রোম শিশু। সারা বিশ্বে ডাউন সিনড্রোম মানুষ রয়েছে প্রায় ৭০ লাখ।

ডাউন সিনড্রোম চেনার উপায়: 
- মানবদেহে ডিএনএ বা ক্রোমোজোমের অসামঞ্জস্য দেখা দিলে নানা রকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।
- ডাউন সিনড্রোম শিশুদের মাংসপেশির শিথিলতা, কম উচ্চতা, চোখের কোনা ওপরের দিকে ওঠানো, চ্যাপ্টা নাক, ছোট কান, হাতের তালুতে মাত্র একটি রেখা, জিব বের হয়ে থাকা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
- এ ছাড়া কানে কম শোনা, কথা বলতে দেরি হওয়া, কম বুদ্ধি ইত্যাদি জটিলতাও দেখা দেয়।
- অনেক সময় ডাউন সিনড্রোমের সঙ্গে জন্মগত হার্টের সমস্যা, থাইরয়েডের সমস্যাও থাকতে পারে।

অর্থাৎ, ‘ডাউন সিনড্রোম‘ বলতে গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশকে বুঝায়। 

উৎস: 
১. Down Syndrome Society of Bangladesh; 
২. প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। 

১,১২৩.
বাংলাদেশে ঘর্ণিঝড়ের মৌসুম কোনটি?
  1. ক) পৌষ-মাঘ
  2. খ) আশ্বিন-কার্তিক
  3. গ) চৈত্র-বৈশাখ
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) প্রচন্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযােগ্য। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও উর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেলাকার আকৃতির কারণে এ দেশে অধিকসংখ্যাক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ
১,১২৪.
যে বন্ধনী দিয়ে অস্থিগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে-
  1. ক) টেন্ডন
  2. খ) প্যাটেলা
  3. গ) লিগামেন্ট
  4. ঘ) রিকম্বিনেন্ট
সঠিক উত্তর:
গ) লিগামেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লিগামেন্ট
ব্যাখ্যা
পাতলা কাপড়ের মত কোমল অথচ দৃঢ়, স্থিতিস্থাপক যে বন্ধনী দিয়ে অস্থিগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
১,১২৫.
কোনটির অভাবে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়?
  1. ক) শ্বেতসার
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) খনিজ লবণ
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
ব্যাখ্যা

প্রোটিন বা আমিষের অভাবজনিত রোগঃ
খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে 'মেরাসমাস' ও 'কোয়াশিয়রকর' নামক দুটি রোগ হয়।
মেরাসমাস রোগে পেশী ও মেদ ক্ষয় হয় ও চামড়া কুচকে যায়, দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা ৬০ ভাগ কমে যায়, কম বয়সে এ রোগ হলে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সাধারণত ২ - ৪ বছর বয়সে শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়।
এ রোগে শিশুদের দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, পেশী ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়, রক্তাল্পতা দেখা দেয় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

১,১২৬.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. জি.লেমেটার
  3. এডউইন হাবল
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
জি.লেমেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি.লেমেটার
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং তত্ত্ব:
- বেলজিয়ামের জ্যোর্তিবিজ্ঞানি জি.লেমেটার বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা।
- ১৯৩১ সালে বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও ক্যাথলিক পাদ্রী জর্জ লেমিটার প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে বিগ ব্যাং তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- এই তত্ত্ব ১৯৩০-এর দশকে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে একটি বিপ্লবাত্মক বিচ্যুতি ছিল, যা আজ প্রায় সব জ্যোতির্বিজ্ঞানীর দ্বারা গৃহীত,।
- সেই সময়ে অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী এখনও মহাবিশ্বের প্রসারণশীল ধারণা মেনে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।
- সমগ্র দৃশ্যমান মহাবিশ্ব গ্যালাক্সি সমূহের বিস্ফোরণ দিয়ে শুরু হয়েছিল, তা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল।
- এই তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) তাঁর 'A Brief History of Time' বইয়ে।

উৎস: American Museum of Natural History.
১,১২৭.
ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়-
  1. Aedes aegypti মশা
  2. House flies
  3. Anopheles মশা
  4. ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti মশা
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু:
- ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা।
- Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়।
- এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
- এই টিকাগুলোর ডেঙ্গু প্রতিরোধ ক্ষমতা ৮০ শতাংশের বেশি।
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়।

ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ ও উপসর্গ:
- তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ:
- জ্বর, মাথাব্যথা,
- বমি,
- পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি।

ডেঙ্গু রোগের টিকা:
- বিশ্বে বর্তমানে ডেঙ্গুর দুটি ভ্যাকসিন রয়েছে, যেগুলো ইতোমধ্যে ২০টির মতো দেশে অনুমোদন পেয়েছে।
- এসব টিকা প্রয়োগে ৯০ শতাংশ ব্যক্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও হাসপাতাল পর্যন্ত যাওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
- টিকা দুইটি হলো ডেঙ্গভ্যাক্সিয়া ও কিউডেঙ্গা।

অন্যদিকে,
- স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু ছড়ায়।
- বাংলাদেশে মোট ৩৬ প্রজাতির অ্যানোফিলিস মশা দেখা যায়, এদের মধ্যে সাতটি প্রজাতি বাংলাদেশে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,১২৮.
সূর্যের উন্নতি কোণ পরিমাপ করা যায় নিম্নের কোন যন্ত্রের সাহায্যে?
  1. রিফ্রাক্টোমিটার
  2. রিখটার স্কেল
  3. স্পেকস্ট্রোস্কোপ
  4. সেক্সট্যান্ট
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা
সেক্সট্যান্ট:
- আকাশে সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী সেক্সট্যান্ট নামক যন্ত্র ব্যবহার করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।

⇒ সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায়।
- এ যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নর্ণয় করা যায়।

উৎস: Britannica.
১,১২৯.
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে নিম্নের কোনটি?
  1. ক) আইসি
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) ট্রান্সফরমার
  4. ঘ) হাব
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর:
 - দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n- টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ট্রানজিস্টর (Transistor) হচ্ছে একটি ইংরেজি শব্দ।
- Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়।
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিক্স এর জগতে বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন (J.Bardeen), ডব্লিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডব্লিউ শকলে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিন জনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
- একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে। 
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার: 
(১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং
(২) n-p-n ট্রানজিস্টর।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩০.
সর্বপ্রথম অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণা কে প্রস্তাব করেছিলেন?
  1. Paul Dirac
  2. Albert Einstein
  3. Isaac Newton
  4. Marie Curie
সঠিক উত্তর:
Paul Dirac
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paul Dirac
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণা প্রস্তাব করেছিলেন - Paul Dirac.
- ১৯২৮ সালে ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী Paul Dirac কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং আপেক্ষিকতার তত্ত্বকে একত্রিত করে একটি গাণিতিক সমীকরণ তৈরি করেন।
- এই সমীকরণ থেকে দেখা যায়, ইলেকট্রনের মতো কণা থাকা সম্ভব যার চার্জ ইলেকট্রনের বিপরীত, অর্থাৎ ধনাত্মক।
- পরে এই কণাকে পজিট্রন (Positron) নামে অভিহিত করা হয়, যা ইলেকট্রনের অ্যান্টিম্যাটার।
- পজিট্রন বাস্তবে আবিষ্কার হয় ১৯৩২ সালে।
- এই তত্ত্বই অ্যান্টিম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণার ভিত্তি।

অন্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
- খ) Albert Einstein:
- তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব দিয়েছেন এবং E=mc² সূত্রটি তৈরি করেছেন, যা পদার্থ থেকে শক্তি উৎপন্নের ধারণা দেয়।
- কিন্তু অ্যান্টিম্যাটার আবিষ্কার বা ধারণার সঙ্গে তিনি সরাসরি জড়িত নন।

- গ) Isaac Newton:
- তিনি মাধ্যাকর্ষণ এবং গতি-সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রস্তাব করেছিলেন, তবে অ্যান্টিম্যাটারের ধারণা তাঁর সময়ের আগে আসেনি।

- ঘ) Marie Curie:
- তিনি তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) নিয়ে গবেষণা করেছেন, কিন্তু অ্যান্টিম্যাটার নিয়ে নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,১৩১.
সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের কতদিন সময় লাগে?
  1. ৩৬৭ দিন 
  2. ২২৫ দিন 
  3. ৫৬৭ দিন 
  4. ৬৮৭ দিন
সঠিক উত্তর:
৬৮৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮৭ দিন
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):
- বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,১৩২.
হেনলি-র লুপ এর অবস্থান কোথায়?
  1. ক) পাকস্থলী
  2. খ) অগ্ন্যাশয়
  3. গ) বৃক্ক
  4. ঘ) ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
ব্যাখ্যা
নেফ্রন
•বৃক্কের ইউরিনিফেরাস নালিকার ক্ষরণকারী অংশ এবং কাজ করার একককে নেফ্রন বলে।
•মানবদেহের প্রতিটি বৃক্কে প্রায় 10-12 লক্ষ নেফ্রন থাকে।
•প্রতিটি নেফ্রন একটি রেনাল করপাসল (Renal corpuscle) বা মালপিজিয়ান অঙ্গ এবং রেনাল টিউব্যুল (Renal tubule) নিয়ে গঠিত । •প্রতিটি রেনাল করপাসল আবার গ্লোমেরুলাস (Glomerulus) এবং বোম্যান্স ক্যাপসুল— এ দুটি অংশে বিভক্ত।
• বোমলেন্স ক্যাপসুলে অক্ষিয়দেশ থেকে সংগ্রাহী নালি পর্যন্ত বিস্তৃত চওড়া নালিকাটিকে রেনাল টিউব্যুল বলে।
প্রতিটি রেনাল টিউব্যুল ৩ টি অংশে বিভক্ত:
১. গোড়াদেশীয় বা নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা (Proximal convoluted tubule)
২. হেনলি-র লুপ (Henle's loop) 
৩. প্রান্তীয় প্যাঁচানো নালিকা (Distal convoluted tubule)


উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,১৩৩.
পেয়ারার এ্যানথ্রাকনোজ কী জাতীয় রোগ?
  1. ছত্রাক
  2. ভাইরাস
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
পেয়ারা:
- পেয়ারা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি সুস্বাদু ফল।
- পেয়ারার জন্য ২৩০-২৮০ সে. তাপমাত্রা উত্তম।
- সুনিষ্কাশিত উঁচু দোআঁশ মাটি উপযোগী।
- পেয়ারা সাধারণত: গুটি কলমের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়।
- পেয়ারার এ্যানথ্রাকনোজ, ঢলে পড়া, ডাইব্যাক রোগে আক্রান্ত হয়।
- ফলের মাছি পোকা, মিলি বাগ পোকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। ফল হলদে সবুজ রং ধারণ করলে সংগ্রহ করতে হবে।

⇒ রোগ ও পোকা মাকড় দমন:
এনথ্রাকনোজ রোগ:
- ইহা একটি ছত্রাকজনিত রোগ।
- পেয়ারার পাতা, কান্ড, শাখা ও ফল আক্রান্ত হয়।
- প্রথম দিকে পেয়ারার গায়ে ছোট ছোট বাদামি দাগ হয় তা ক্রমান্বয়ে বড় হয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে।
- ফলের শাঁস শক্ত হয় এবং ফল ফেটে যায়।
- গাছের নিচে আক্রান্ত পাতা ও ফল পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
- আক্রমণ বেশি হলে টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি. অনুপাতে মিশিয়ে ১৫দিন পর পর স্প্রে করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৪.
ইলেক্ট্রনের আসক্তির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) কাচ>সিল্ক
  2. খ) প্লাস্টিক>ফ্লানেল
  3. গ) কাচ<সিল্ক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কাচ>সিল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাচ>সিল্ক
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনের জন্য কাচের যত আসক্তি সিল্কের আসক্তি তার থেকে বেশি। আবার যদি এক টুকরাে প্লাস্টিককে ফ্লানেল (বা পশমি কাপড়) দিয়ে ঘষা হয় তাহলে ফ্লানেল থেকে ইলেকট্রন চলে আসবে প্লাস্টিকের টুকরােতে। তার কারণ ইলেকট্রনের জন্য প্লাস্টিকের আকর্ষণ ফ্লানেল থেকে বেশি। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১,১৩৫.
"একসময় পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল, কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে।" - এই তত্ত্বকে বলা হয় -
  1. ক) বিগ ব্যাং তত্ত্ব
  2. খ) সম্প্রসারণ তত্ত্ব
  3. গ) সঞ্চালন তত্ত্ব
  4. ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
- জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মতে, বহুকাল আগে পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল (প্যানজিয়া), কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই তত্ত্বটিকে বলা হয় মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব।
- ১৯১২ সালে আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব থেকেই টেকটনিক প্লেট ধারণাটির জন্ম হয়।
১,১৩৬.
মানব দেহের অতন্দ্রী প্রহরী হিসেবে নিচের কোনটি কাজ করে?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) শ্বেতরক্তকণিকা
  3. গ) অণুচক্রিকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতরক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতরক্তকণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেতরক্তকণিকা মানব দেহের অতন্দ্রী প্রহরী হিসেবে কাজ করে। 

শ্বেত রক্ত কনিকার কাজসমূহ- 
i.মনোসাইট ও নিউট্রিফিল  ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে ধ্বংস করে ।
ii. নিউট্রোফিলের বিষাক্ত দানা জীবাণু ধ্বংস করে ।
iii.দানাদার লিকোসাইট হিস্টাসিন সৃষ্টি করে যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ।
iv.লিস্ফোসাইট অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগ প্রতিরোধ করে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান।  

১,১৩৭.
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ কী নামে পরিচিত?
  1. বিষুবরেখা
  2. অক্ষরেখা
  3. দ্রাঘিমারেখা
  4. সুমেরু রেখা
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমারেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমারেখা।
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০° ধরে নেয়া হয় এবং প্রতি ১° অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা বরাবর সমস্ত পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে দুইভাগে বিভক্ত করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়।
- পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৮.
নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্রের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) মহাকাশযান উৎক্ষেপণ
  2. খ) একজন মাঝির নৌকা চালানো
  3. গ) চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে
  4. ঘ) বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা
সঠিক উত্তর:
গ) চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র: বল প্রয়ােগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে। উদাহরণঃ চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র: বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং যেদিকে বল প্রয়ােগ করা হয় ভরবেগের পরিবর্তনও ঘটে সেদিকে।
নিউটনের তৃতীয় সূত্র: যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে। উদাহরণঃ
বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৩৯.
চিকুনগুনিয়ার বাহক কোনটি?
  1. ক) অ্যানোফিলিস
  2. খ) কিউলেক্স
  3. গ) এডিস
  4. ঘ) সকল ধরণের মশা
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
ব্যাখ্যা
চিকুনগুনিয়া রোগটির জন্য Aedes aegypti মশাটি দায়ী। 

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ। মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। ১৯৫২ সালে তানজানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সর্বপ্রথম এই রোগ ছড়ানোর কথা জানা যায়। সেখানকার কিমাকোন্ডি ভাষা থেকে চিকুনগুনিয়া নামটি এসেছে। স্থানীয়ভাবে এর অর্থ হলো ‘মোচড়ানো’। রোগীর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় এই রোগের এমন নাম হয়েছে।

লক্ষণ- 
সংক্রামক মশা কামড়ানোর চার থেকে সাত দিনের মধ্যে দেহে চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ দেখা যায়। এটি হলে সাধারণত হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট) শুরু হয়। সেই সাথে শরীরের অস্থি সন্ধিতেও ব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ার আর যেসব লক্ষণ দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে, মাংস পেশি ও মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও চামড়ায় ফুসকুড়ি। অস্থি সন্ধির ব্যথা খুব তীব্র হতে পারে যা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

চিকিৎসা-
চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিশ্রাম নিতে হবে, প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে এবং প্রয়োজনে জ্বর ও ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ট্যাবলেট এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে ওষুধ খেতে হবে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,১৪০.
কে গণিতবিদ নন?
  1. ক) ওমর খৈয়াম
  2. খ) আল-খারিজমী
  3. গ) ইবনে খলদুন
  4. ঘ) উলুগ বেগ
সঠিক উত্তর:
গ) ইবনে খলদুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইবনে খলদুন
ব্যাখ্যা
Ibn Khaldūn, the greatest Arab historian, who developed one of the earliest nonreligious philosophies of history, contained in his masterpiece, the Muqaddimah (''Introduction''). He also wrote a definitive history of Muslim North Africa.
Source: Cambridge Dictionary
১,১৪১.
নিচের কোনটি প্রাথমিক দূষক?
  1. ওজোন
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. কার্বন মনোক্সাইড
  4. পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা

দূষক (Pollutant): 
- কোনো পদার্থ পরিবেশে তার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রাচুর্য অপেক্ষা অধিক পরিমাণে উপস্থিত থেকে মনুষ্যজাতি অথবা অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে ঐ পদার্থটিকে দূষক বলা হয়। 
- বায়ুতে সল্পমাত্রায় (0.1 ppm) CO থাকে, কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে 40 ppm বা তার বেশি হলে এটি দূষক হিসেবে বিবেচিত হয়। 
- দূষক দুই প্রকার।
যথা-
১। প্রাথমিক (প্রাইমারী) দূষক: 
- যেসব দূষক কোনো উৎস হতে নির্গত হয়ে সরাসরি অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে আসে তাদের প্রাইমারী দূষক বলা হয়। 
যেমন- সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), NOx, হাইড্রোকার্বনসমূহ, ছাই, ধূলিকণা ইত্যাদি। 

২। গৌণ (সেকেন্ডারী) দূষক: 
- এই প্রকারের দূষক কোনো উৎস থেকে সরাসরি পরিবেশে আসে না। 
- পরিবেশেস্থিত দূষকগুলির পারস্পরিক বিক্রিয়ায় বা প্রাথমিক দূষকের সঙ্গে পরিবেশের কোনো একটি উপদানের বিক্রিয়ায় যেসব ক্ষতিকারক পদার্থ সৃষ্টি হয় তাদের গৌণ দূষক বলে। ওজোন
যেমন- পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট (PAN), ডাই মিথাইল মার্কারি [(CH3)2Hg], সালফার ট্রাই-অক্সাইড (SO3), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2), ওজোন (O3), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৪২.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য কিভাবে কিরণ দেয়?
  1. তির্যকভাবে
  2. লম্বভাবে
  3. কৌণিকভাবে
  4. আড়াআড়িভাবে
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লম্বভাবে
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা: 
- সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়। 
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। 
- নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে। 
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১,১৪৩.
এইডস রোগ সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) এইচআইভি সংক্রমণের প্রথম পর্যায় হলো এইডস।
  2. খ) মানবদেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৭-১০ দিনের মধ্যে এর লক্ষণ দেখা দেয়।
  3. গ) এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
  4. ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
সঠিক উত্তর:
ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এই রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 
ব্যাখ্যা
এইডস রোগের সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 

এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।

এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome/AIDS) এইচআইভি (Human Immuno-deficiency Virus/HIV) নামক ভাইরাস সংক্রমণের কারণে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, লোপ বা ধ্বংস অবস্থা। ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস-এ সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত করা হয়। এশিয়ার মধ্যে থাইল্যান্ডে ১৯৮৪ সালে প্রথম এইডস লক্ষ্য করা যায় এবং মায়ানমার ও ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯৮৬ সালের মধ্যেই এর প্রাদুর্ভাব ঘটে।

২০০৭ সালে পৃথিবীতে এইডস রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৩.২ মিলিয়ন, আর মারা যায় ২.১ মিলিয়ন যাদের মধ্যে ৩,৩০,০০০ জন ছিল নিরপরাধ শিশু। বাংলাদেশী জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এইডস বিস্তার রোধের সহায়ক।


- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।

সূত্র: World Health Organization & বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১,১৪৪.
বেশিরভাগ গ্রহাণুর অবস্থান কোথায়?
  1. শনি এবং বৃহস্পতির মাঝে
  2. মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে
  3. পৃথিবী ও মঙ্গল এর মাঝে
  4. শনি ও ইউরেনাস এর মাঝে
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে
ব্যাখ্যা
গ্রহাণু: 
- গ্রহাণু, যেগুলোকে কখনও বামন গ্রহ বলা হয়, সৌরজগতের প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে গঠনের সময় অবশিষ্ট থাকা শিলাময় এবং বায়ুহীন অংশ।
- বেশিরভাগ গ্রহাণুর মঙ্গল এবং বৃহস্পতির মধ্যে অ্যাস্টারয়েড বেল্টে অবস্থান। 
- বৃহত্তম গ্রহাণু ভেস্তা, যার ব্যাস প্রায় ৩২৯ মাইল (৫৩০ কিমি)।
- সবচেয়ে ছোট গ্রহাণুর আকার ১০ মিটার (৩৩ ফুট) এর চেয়েও কম।
- সব গ্রহাণুর মোট ভর একত্র করলে তা পৃথিবীর চাঁদের ভরের চেয়েও কম।

উৎস: NASA
১,১৪৫.
ট্রপোমণ্ডলে প্রতি কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বায়ুর তাপমাত্রা গড়ে হ্রাস পায়-
  1. ৭.৩° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  2. ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  3. ৮.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  4. ৬.৯° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

⇒ ট্রপোমণ্ডলে প্রতি ১ কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা হল - ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার। 

• ট্রপোমন্ডল (Troposphere):
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার। এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় এবং এই স্তরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর সব রকমের বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৪৬.
ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা (GIS) কী?
  1. ভূগোল বিষয়ক বই
  2. সফটওয়্যার
  3. বিশেষ ধরনের যন্ত্র
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা (Geographic Information System):
- ভৌগোলিক তথ্য ও উপাত্ত ব্যবহার করে যে প্রক্রিয়ায় ডাটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং মানচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় তাকে বলা হয় ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা বা Geographic Information System (GIS)।
- এটি মূলত ভৌগোলিক তথ্য বিশ্লেষণের জন্য নির্মিত সফটওয়্যার।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮০ সালের পর থেকে জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে জিআইএস উন্নত প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গরূপ লাভ করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।
- ২০০০ সালের পর থেকে আমাদের দেশে জিআইএস প্রযুক্তি প্রসার লাভ করতে থাকে.

⇒ জিআইএসের উপাদান (Elements of GIS):
- জিআইএস পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে।
১. হার্ডওয়্যার,
২. সফট্ওয়্যার,
৩. উপাত্ত,
৪. উপাত্ত ভিত্তি এবং,
৫. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৭.
নিম্নের কোন গ্রহ 'Blue Planet' নামে পরিচিত?
  1. ক) মঙ্গল
  2. খ) নেপচুন
  3. গ) জুপিটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) নেপচুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেপচুন
ব্যাখ্যা
সৌরজগতে পৃথিবীর পর অন্য যে গ্রহটি নীল গ্রহ (Blue Planet) নামে পরিচিত, তার নাম হলো নেপচুন। 

সৌরজগতের গ্রহসমূহের রং:
Mercury – Grey
Venus – Brown and grey
Earth – Blue, brown green and white
Mars – Red, brown and tan
Jupiter – Brown, orange and tan, with white cloud stripes
Saturn – Golden, brown, and blue-grey
Uranus – Blue-green
Neptune – Blue

উৎসঃ নাসা ওয়েবসাইট, স্পেস.কম ওয়েবসাইট।
১,১৪৮.
অবস্থান, গঠন ও কাজের তারতম্যের ভিত্তিতে পেশি কলাকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
পেশি কলা: 
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত যে কলা অসংখ্য তন্ত্রর মতো কোষের সমন্বয়ে গঠিত এবং সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণী দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটায় তাকে পেশি কলা বলে। 
যেমন- মসৃণ পেশি, অমসৃণ পেশি, হৃদপেশি। 
- দেহ ওজনের শতকরা প্রায় ৪০-৫০ ভাগ পেশি কলা। 

পেশিকলার বৈশিষ্ট্য: 

• ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে পেশি কলা উৎপন্ন হয়। 
• মায়োব্লাস্ট নামক আদিকোষ রূপান্তরিত হয়ে তন্তুর মতো লম্বা পেশিকোষে রূপান্তরিত হয়। 
• পেশিকোষের আবরণীকে সারকোলেমা এবং সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। 
• সারকোপ্লাজমের মধ্যে পরস্পর সমান্তরালভাবে অবস্থিত অসংখ্য মায়োফাইব্রিল নামক সূক্ষ্ম তন্তু থাকে। মায়োফাইব্রিলগুলো অ্যাকটিন ও মায়োসিন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
• পেশি কলার কোষগুলোর সংকোচন প্রসারণ ক্ষমতা খুব বেশী। এদের ৭৫% পানি এবং অবশিষ্টাংশ বিভিন্ন প্রকার কঠিন পদার্থ। 

বিভিন্ন প্রকার পেশির গঠন: 
- অবস্থান, গঠন ও কাজের তারতম্যের ভিত্তিতে পেশি কলাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা - 
১। ঐচ্ছিক বা কঙ্কাল বা অমসৃণ পেশি, 
২। অনৈচ্ছিক বা অরৈখিক বা মসৃণ পেশি এবং 
৩। হৃদপেশি বা কার্ডিয়াক পেশি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৯.
কোন বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক মতবাদ প্রকাশ করেন?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. এডুইন হাবল
  3. জর্জ ল্যামেটার
  4. আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
এডুইন হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডুইন হাবল
ব্যাখ্যা

১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল তার ২.৫ মি. টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।

১৯২৯ সালে হাবল তাঁর দীর্ঘ নয় বছরের পর্যবেক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে তিনি একটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন যা হাবলের সূত্র নামে পরিচিত।

হাবলের সূত্রানুসারে-
গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্রুতগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,১৫০.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্বের বয়স কত?
  1. ১০ বিলিয়ন বছর
  2. ৫.৭ বিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৮ বিলিয়ন বছর
  4. ১৫.৩ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

◉ বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্বের উৎপত্তি প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে একটি অতিশয় ঘন এবং উত্তপ্ত বিন্দু থেকে বিস্তার লাভ করে। এরপর থেকে মহাবিশ্ব ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। 
​- নাসা (NASA) এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ESA) বিভিন্ন গবেষণা (যেমন: WMAP ও Planck স্যাটেলাইটের পর্যবেক্ষণ) থেকেও মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স ১৩.৮ বিলিয়ন বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

​বিগ ব্যাং তত্ত্ব:
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)।
- জি. ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’.
সুতরাং, বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১,১৫১.
MCH এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Maternal and Care Health
  2. খ) Maternal and Caring Health
  3. গ) Maternal and Child Health
  4. ঘ) Mother and Child Health
সঠিক উত্তর:
গ) Maternal and Child Health
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Maternal and Child Health
ব্যাখ্যা
MCH এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Maternal and Child Health. 

মা ও শিশুর বিদ্যালয় পূর্ব বয়স পর্যন্ত প্রদেয় উন্নয়নমূলক, প্রতিরোধমূলক, আরোগ্য সহায়ক এবং পুনর্বাসনমূলক স্বাস্থ্য সেবাকে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা বলে।

উদ্দেশ্যঃ
1.মাতৃ মৃত্যু, নবজাতক মৃত্যু হার হ্রাস করা;
2.প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নয়ন;
3.পরিবারে শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ।
4.মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উপাদান সমূহঃ
5.মাতৃ স্বাস্থ্য;
6.পরিবার পরিকল্পনা;
7.শিশু স্বাস্থ্য;
8.স্কুল স্বাস্থ্য;
9.প্রতিবন্ধী শিশুর যত্ন;
10.শেষ স্থানে শিশুর যত্ন যেমন, ডে-কেয়ার সেন্টারে শিশুর যত্ন।

সূত্র: World Vision Website.
১,১৫২.
নিচের কোনটি মহাবিশ্ব বল নয়?
  1. ক) তাড়িৎচৌম্বকীয় বল
  2. খ) দুর্বল নিউক্লিয়ার বল
  3. গ) অভিকর্ষ বল
  4. ঘ) শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বল
সঠিক উত্তর:
গ) অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের চার ধরনের বল রয়েছে। যথা-মহাকর্ষ, তাড়িৎচৌম্বকীয়, দুর্বল নিউক্লিয়ার বল এবং শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বল। উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৫৩.
স্ফুটন শুরু হওয়ার কত মিনিট ধরে স্ফুটন করলে পানি জীবাণুমুক্ত হয়?
  1. ক) ১৫-২০ মিনিট
  2. খ) ২০-২৫ মিনিট
  3. গ) ২৫-৩০ মিনিট
  4. ঘ) ১২-১৫ মিনিট
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫-২০ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫-২০ মিনিট
ব্যাখ্যা
পানি ফুটতে শুরু করার পর আরও ২০ মিনিট তাপ দিলে পানিতে থাকা জীবাণু মারা যায়।
১,১৫৪.
FPGA refers to-
  1. ক) Field Programming Gate Array
  2. খ) Field Programmable Gate Array
  3. গ) Field Programming Gate Area
  4. ঘ) Field Programmable Gate Area
সঠিক উত্তর:
খ) Field Programmable Gate Array
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Field Programmable Gate Array
ব্যাখ্যা
FPGA refers to Field Programmable Gate Array.
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৫৫.
Sericulture শব্দের 'Serio' অর্থ কী? 
  1. রেশম 
  2. তন্তু 
  3. মৌমাছি
  4. মৎস্য
সঠিক উত্তর:
রেশম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম 
ব্যাখ্যা

সেরিকালচার (Sericulture): 
- রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে। 
- এদের মধ্যে Bombyx mori রেশম চাষে বেশি ব্যবহার করা হয়। এ পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বিধায় রেশম চাষীকে তুঁত গাছ চাষ করতে হয়। 
- রেশম চাষ এর ইংরেজি হলো Sericulture। ল্যাটিন শব্দ 'Serio' থেকে Sericulture শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 'Serio' শব্দের অর্থ Silk বা রেশম। 
- রেশম পোকার খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ চাষ করে এই পোকার লার্ভা পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি বা কোকুন থেকে রেশম সুতা আহরণ করার পদ্ধতিকে রেশম চাষ বলা হয়। 
- তুঁত গাছ চাষ ও রেশম পোকার লার্ভা পালন ছাড়াও এ পোকার বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন ঘটিয়ে অধিক উৎপাদনশীল রেশম পোকা উদ্ভাবন করা আধুনিক রেশম চাষের অন্তর্ভুক্ত। 
- এই দেশের মাটি, আবহাওয়া ও জলবায়ু রেশম চাষের জন্য বেশ উপযোগী। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫৬.
পোলিওমাইলাইটিস প্রতিরোধে কোন ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়?
  1. TT
  2. OPV
  3. DPT
  4. BCG
সঠিক উত্তর:
OPV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OPV
ব্যাখ্যা

• পোলিওমাইলাইটিস (পোলিও রোগ) প্রতিরোধে OPV (Oral Polio Vaccine) ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়।

• ভ্যাকসিনেশন:
- ইমিউনিটি অর্জনের জন্য দেহের মধ্যে টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়ার পদ্ধতিতে টিকাকরণ বা ভ্যাকসিনেশন বলে।

• টিকাকরণের নীতি- রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের রোগ সৃষ্টির ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেহে প্রবেশ করিয়ে ইমিউনিটি গড়ে তোলা হয়।

• টিকাদানের প্রয়োজনীয়তা:
- টিকা দেওয়ার ফলে দেহে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে রোগাক্রমণ প্রতিরোধ করা হয়।
- ভ্যাকসিন দেহের মধ্যে প্রবিষ্ট ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াদের প্রজনন ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়।
- টিকার মাধ্যমে যে সব রোগ- প্রতিরোধ করা হয় সে রকম কয়েকটি হলো- যক্ষ্মা, টিটেনাস, কলেরা, জলাতঙ্ক, হুপিংকাশি, গুটি বসন্ত, ডিপথেরিয়া, পোলিও, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস-B ইত্যাদি।
- টিকা দেওয়ার ফলে কৃত্রিম শক্তির ইমিউনিটি সৃষ্টি করা হয়।

• OPV (Oral Polio Vaccine):
- এটি পোলিও রোগ প্রতিরোধের প্রধান টিকা।
- এতে জীবন্ত কিন্তু দুর্বল পোলিও ভাইরাস থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

• পোলিও টিকার প্রকারভেদ:
- OPV (মুখে খাওয়ার টিকা) – বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।
- IPV (Inactivated Polio Vaccine) – ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

• বাংলাদেশে নবজাতক ও শিশুদের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় পোলিও রোগের ভ্যাকসিন (OPV) দেওয়া হয়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা। 

১,১৫৭.
ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা -
  1. বহুগুণ বৃদ্ধি পায়
  2. বহুগুণ হ্রাস পায়
  3. সমান থাকে
  4. কোনোটিই না
সঠিক উত্তর:
বহুগুণ বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুগুণ বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping): 
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৫৮.
নিচের কোনটি ডিএনএ ভাইরাস?
  1. HIV
  2. TMV
  3. Variola
  4. Polio
সঠিক উত্তর:
Variola
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Variola
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
→ যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
→ DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো:
- ভ্যাকসিনিয়া,
- ভ্যারিওলা,
- TIV (Tipula Iridescent Virus),
- এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি।

২. RNA ভাইরাস:
→ যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
→ RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো:
- TMV,
- HIV,
- ডেঙ্গু,
- পোলিও,
- মাম্পস,
- র‍্যাবিস,
- নভেল করোনা।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১,১৫৯.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি অপরিবর্তনীয় ?
  1. ক) বস্তুর ভর
  2. খ) যে কোন স্থান
  3. গ) সময়
  4. ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
ব্যাখ্যা

আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করে । এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন ।আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয় ,আপেক্ষিক ।
বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে ।
ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর,এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয় ।

আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্যঃ
আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
প্রথম স্বীকার্যঃ- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
দ্বিতীয় স্বীকার্যঃ- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

১,১৬০.
‘এপিকালচার’ কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে?
  1. গুটিপোকা এবং রেশম
  2. মৌমাছি এবং মধু
  3. মৎস চাষ
  4. তামাক চাষ
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি এবং মধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি এবং মধু
ব্যাখ্যা

♦ কালচার:
- কালচার মানে হল চাষ, পালন, লালন-পালন বা বিজ্ঞানসম্মত উৎপাদন পদ্ধতি।

♦ এপিকালচার:
- এপিকালচারে মৌমাছি এবং মধু নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- মৌমাছি পালন প্রাণি পালনের সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতিগুলোর একটি।
- বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।
- প্রথমদিকে মধু সংগ্রহ করতে হলে মৌমাছির বাসা ধ্বংস করতে হতো।
- কিন্তু আধুনিক মৌমাছি পালকরা এক্সট্র্যাক্টর ব্যবহার করেন, যা মধুমাখা কোষগুলো থেকে মধু বের করে, কিন্তু কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

♣ মধু সংগ্রহের জন্য মৌমাছি পালকদের প্রয়োজন হয়:
• নেট বা পর্দাযুক্ত হেলমেট, যা কামড় থেকে রক্ষা করে।
• কোষ কাটা যন্ত্র।
• স্মোকার, যা মৌমাছিকে শান্ত করে।

♦ উল্লেখ্য:
- সেরিকালচার: রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- পিসিকালচার: মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- প্রণকালচার: চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- হর্টিকালচার: উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা।
- এভিকালচার: পাখীপালন বিষয়ক বিদ্যা।
- মেরিকালচার: সামুদ্রিক মৎস পালন বিষয়ক বিদ্যা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,১৬১.
যক্ষ্মা রোগের টিকা কোনটি?
  1. ডিপিটি
  2. টিটি
  3. এমএমআর
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা:

• যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
• কারণ: সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়।
• অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
• লক্ষণ: 
- রোগীর ওজন কমতে থাকে, আস্তে আস্তে শরীর দুর্বল হতে থাকে।
- সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে।
- খুসখুসে কাশি হয় এবং কখনো কখনো কাশির সাথে রক্ত যায়।
- রাতে ঘাম হয়, বিকেলের দিকে জ্বর আসে। দেহের তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়ে না।
- বুকে পিঠে ব্যথা হয়।
- অজীর্ণ ও পেটের পীড়া দেখা দেয়।

• যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয় বিসিজি (Bacillus Calmatte Guerin) টিকা।
• টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
• ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।
• ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
• টিটি (Tetanus Toxoid) প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয় মায়েদের গর্ভাবস্থায় শিশুকে টিটেনাস রোগ থেকে রক্ষার জন্য।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি এবং WHO এর ওয়েবসাইট।
১,১৬২.
সমুদ্রতীরে কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) ওজোন
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- সাধারণভাবে বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০২%, অক্সিজেন ২০.৭১%, আর্গন ০.৮০%, জলীয়বাষ্প ০.৪১% এবং অন্য গ্যাসসমূহের পরিমাণ ০.০২%।
- সুতরাং বলা যায়, সমুদ্রতীরের বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও সেখানে নাইট্রোজেনেরই প্রাচুর্য থাকে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৬৩.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা নয়?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. গ্রাফাইট
  3. ব্যাসল্ট
  4. মার্বেল
সঠিক উত্তর:
ব্যাসল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাসল্ট
ব্যাখ্যা
ভূত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
যথা:
- আগ্নেয় শিলা
- পাললিক শিলা ও
- রূপান্তরিত শিলা।
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড তাপ, তাপ ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে নতুন যে শিলায় পরিণত হয় তা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।
বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- মার্বেল
- কোয়ার্টজাইট
- নিস
- গ্রাফাইট
- স্লেট।

অন্যদিকে:
- ব্যাসল্ট হলো বহিঃজ আগ্নেয় শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৬৪.
দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে -
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) সালফার
  4. ঘ) পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
• ক্যালসিয়ামফসফরাস হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুইভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম।
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- দেহে পরিমাণের দিক দিয়ে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরপরই ফসফরাসের স্থান।

• ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস জাতীয় খাদ্যের উৎস:
- ম্যাকরেল মাছ, স্যামন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, সয়া মিল্ক, দুধ, মাশরুম, চিজ, কমলালেবুর রস ইত্যাদি। 

(অপশনে শুধুমাত্র ক্যালসিয়াম উল্লেখ আছে, ফসফরাস নেই। তাই সঠিক উত্তর হবে ক্যালসিয়াম)

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি ও বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৫.
ক্যান্সার চিকিৎসায় যে বিকিরণ ব্যবহার করা হয় তা হলো-
  1. আলফা রেস (Alpha rays)
  2. বিটা রেস (Beta rays)
  3. গামা রেস (Gama rays)
  4. এক্স (এক্স) রেস (X-rays)
সঠিক উত্তর:
গামা রেস (Gama rays)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রেস (Gama rays)
ব্যাখ্যা
• চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

১. শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।

২. থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ( 131I) ব্যবহৃত হয়।
- এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

৩. শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 ( 32P ) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।

৪. দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

৫. প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।
১,১৬৬.
রেডিওঅ্যাক্টিভিটি আবিষ্কার করেন কে?
  1. মেরি কুরি
  2. পিয়ের কুরি
  3. হেনরি বেকেরেল
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
হেনরি বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি বেকেরেল
ব্যাখ্যা

◉ হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়াম লবণের উপর গবেষণা করতে গিয়ে রেডিওঅ্যাক্টিভিটির আবিষ্কার করেন।

তেজস্ক্রিয়তা:
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে।
- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”।
- পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথাঃ- প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।

উৎস: Britannica.

১,১৬৭.
নিচের কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট নয়?
  1. নিউমোনিয়া
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. টাইফয়েড
  4. ডিপথেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা

ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza) হলো একটি তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, যা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (প্রধানত টাইপ A, B, এবং C) দ্বারা ঘটে।
- এটি সাধারণত ফ্লু (Flu) নামে পরিচিত।
- এই ভাইরাসটি হাঁচি-কাশি বা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়ায়।

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি।

ভাইরাস ঘটিত রোগ:
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ:
- জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,১৬৮.
জলভাগের পরিমাণ বেশি-
  1. ক) পূর্ব গোলার্ধে
  2. খ) পশ্চিম গোলার্ধে
  3. গ) দক্ষিণ গোলার্ধে
  4. ঘ) উত্তর গোলার্ধে
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ গোলার্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ গোলার্ধে
ব্যাখ্যা

পৃথিবীপৃষ্ঠের মোট আয়তন ৫১ কোটি বর্গকিলোমিটার তম্মধ্যে এর পানি সঞ্চিত অংশসমূহকে বারিমন্ডল বলে।
এই বারিমন্ডলের আয়তন প্রায় ৩৬ কোটি ২৫ লক্ষ বর্গকিলোমিটার যা ভূ-পৃষ্ঠের শতকরা ৭১ ভাগ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে।
উত্তর এবং দক্ষিণ গোলার্ধে আবার বারিমন্ডলের ভিন্নতা রয়েছে।
যেমন উত্তর গোলার্ধে পানি রাশির পরিমাণ ৬০.৭ শতাংশ এবং দক্ষিণ গোলার্ধে পানি রাশির পরিমাণ ৮০.৯ শতাংশ।
বারিমন্ডলের তলদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ গঠন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য বারিমন্ডলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উৎসঃ ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৬৯.
একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ২০০ বছর হলে মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে?
  1. ৪০০
  2. ৩৫০
  3. ৪৫০
  4. ৩০০
সঠিক উত্তর:
৪০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ২০০ বছর হলে মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
অর্ধায়ু, T = 0.693/λ   [λ = ক্ষয়ধ্রুবক] 
বা, 200 = 0.693/λ
বা, λ = 0.693/200 
∴ λ = 0.003465

আবার, 
মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হলে, অবশিষ্ট আছে (100 - 75)% 
= 25% 

∴ তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের বা ক্ষয়ের সূচকীয় সূত্র: 
N = N0e- tλ
বা, N/N0 = e- tλ
বা, e- tλ = 25% = 1/4
বা, ln(e- tλ) = ln(1/4)
বা, - tλ = -1.39 
বা, t = 1.39 /0.003465
∴ t = 401.15 বছর 

এই মান অপশন ক) ৪০০ বছর এর কাছাকাছি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে এটি গ্রহণ করা হলো।
১,১৭০.
বিশুদ্ধ বায়ুর ৯৯ শতাংশই কোন দুটি উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. নাইট্রোজেন ও আর্গণ
  2. আর্গণ ও অক্সিজেন
  3. ওজোন ও অক্সিজেন
  4. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান (Elements of the Atmosphere):
- বায়ুমণ্ডল জলীয় বাষ্প, ধুলিকণা এবং বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থের সংমিশ্রণে গঠিত।
- বিশুদ্ধ বায়ুর ৯৯ শতাংশই নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন দ্বারা গঠিত।
- বায়ুর বিভিন্ন গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইড এর পরিমাণ ০.০০৩ শতাংশ হলেও এটি বায়ুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- এর মূল কারণ পৃথিবী থেকে বিকিরণকৃত তাপশক্তি শোষণের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ রাখে।
- কিন্তু বর্তমানে কার্বন ডাইঅক্সাইড এর মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি বায়ুমণ্ডলের জন্য হুমকি কারণ এতে পৃথিবীপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা এবং তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- বিশুদ্ধ বায়ুতে নাইট্রোজেন (N₂) ৭৮.০২ শতাংশ, অক্সিজেন (O2) ২০.৭১ শতাংশ, অবশিষ্ট ১ শতাংশ আর্গণ (Ar), কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), ওজোন (O₃) এবং অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপ্টন, জেনন এবং নাইট্রাস অক্সাইড), জলীয় বাষ্প এবং ধূলিকণা রয়েছে।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৭১.
চিকুনগুনিয়া রোগের ভ্যাকসিন কোনটি?
  1. কনভিডেসিয়া
  2. ইক্সচিক
  3. পিসিভি
  4. কোভিশিল্ড
সঠিক উত্তর:
ইক্সচিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইক্সচিক
ব্যাখ্যা
চিকুনগুনিয়া ভ্যাকসিন
- মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশ্বে প্রথম টিকা অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)।
- বিশ্বে অনুমোদন দেওয়া টিকাটির নাম ‘ইক্সচিক’।
- চিকুনগুনিয়া মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এ রোগের উপসর্গ হল জ্বর ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
-  ‘ইক্সচিক’ নামের এই টিকা তৈরি করেছে ইউরোপের ভালনেভা সংস্থা। 
- চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত হলে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে অনেক জ্বর আসে। এছাড়াও থাকে গাঁটে গাঁটে প্রচণ্ড ব্যথা।
- আফ্রিকা, এশিয়া ও আমেরিকা মহাদেশে এ রোগের প্রকোপ দেখা যায়। মূলত গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে বেশি।

সূত্র- বিবিসি। 
১,১৭২.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১২ ভাগ
  2. ১৩ ভাগ
  3. ১৭ ভাগ
  4. ২৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। 
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ। 
 
উল্লেখ্য যে, 
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
কেননা- 
• গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়। 
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। 
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৭৩.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক কোনটি?
  1. সেন্টিবল
  2. হার্জ
  3. ডেসিবল
  4. ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
ব্যাখ্যা
শব্দদূষণ: 
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে ডেসিবল। 
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। 
- ৮৫ ডেসিবল শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুর করে এবং মাত্রা ১২০ ডেসিবল হলে কানে ব্যথা শুরু হয়। 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে, সাধারণত ৬০ ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে। 
সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়। 

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৭৪.
পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করছে তার নাম কী?
  1. সোমব্রেরো গ্যালাক্সি
  2. মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
  3. অ্যান্ড্রোমিডা
  4. প্রক্সিমা সেন্টোরি
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ
ব্যাখ্যা

• পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করছে, তার নাম হলো মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ।

• মহাবিশ্ব (Universe): 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- মহাবিশ্ব যে কত বড় তা কেউ জানে না এবং কেউ জানে না মহাবিশ্বের আকার বা আকৃতি কেমন। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। 
- গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি যেভাবে হয়েছে: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

• অন্যান্য অপশন:
- সোমব্রেরো গ্যালাক্সি: এটি একটি বিখ্যাত সর্পিলাকার গ্যালাক্সি, যা আমাদের মিল্কিওয়ে থেকে প্রায় ২৮ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- অ্যান্ড্রোমিডা: এটি আমাদের নিকটতম বৃহৎ প্রতিবেশী গ্যালাক্সি।
- প্রক্সিমা সেন্টোরি: এটি কোনো গ্যালাক্সি নয়, বরং আমাদের নিকটতম নক্ষত্র (সূর্য ছাড়া)।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

১,১৭৫.
সর্বশেষ কত সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet):
- সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে।
- এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে।
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক।
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
- সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে।
- সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়।
- এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এদের লেজ লম্বা হতে থাকে।
- অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে এরা অনেক বছর পর পর আবির্ভূত হয়।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়।
- হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

১,১৭৬.
রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ কোনটি?
  1. ক) পানি
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

- রক্তরসের দুইটি প্রধান উপাদান হলো পানি এবং কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থ জৈব এবং অজৈব উভয় ধরনের হতে পারে।
- লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, তামা, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অজৈব পদার্থ।
- ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ইউরিক এসিড, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন, বিলিরুবিন, হরমোন ইত্যাদি রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,১৭৭.
পেনিসিলিন মূলত কোন ধরনের সংক্রমণ চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ভাইরাস সংক্রমণ
  2. ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
  3. ফাংগাস সংক্রমণ
  4. পরজীবী সংক্রমণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ
ব্যাখ্যা
• পেনিসিলিন মূলত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• পেনিসিলিন:

- পেনিসিলিন হলো একি ধরণের এন্টিবায়োটিক।
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করা হয়।
- বর্তমানে Penicillium chrysogenum থেকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
- পেনিসিলিনটি কান, নাক এবং গলার ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া এটি সাইনাস, ত্বক, নিম্ন শ্বাস নালীর, পেট, অন্ধ্র, কিডনি এবং মূত্রাশয়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. National Library of Medicine. [Link]
১,১৭৮.
নিচের কোন রোগটির জন্য H1N1 ভাইরাস দায়ী?
  1. ডেঙ্গু
  2. সোয়াইন ফ্লু
  3. বার্ড ফ্লু
  4. এইডস্
সঠিক উত্তর:
সোয়াইন ফ্লু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়াইন ফ্লু
ব্যাখ্যা
- সোইয়ইন ফ্লু ভাইরাসটি সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল মেক্সিকোতে, এপ্রিল, ২০০৯ সালে। পরবর্তীতে, এই রোগটি অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে মানবদেহের ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসের মতোই এক ধরনের ভাইরাস, যা প্রধানত শূকরের দেহে দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে, এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ A (H1N1)
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৯-এর জুন মাসে বিশ্বের ৭৪টি দেশে নতুন H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির কারণে এই রোগের সাম্প্রতিক অবস্থাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে।
- মানুষ, শূকর ও পাখির সংমিশ্রণে উদ্ভব হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই রূপটি সম্পর্কে ধারণা করা হয় এটি শূকরের মাধ্যমে মানুষকে আক্রান্ত করেছে।
- সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গের মধ্যে জ্বর হওয়া, মাথা ব্যথা, গলা ও শরীর ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ক্ষুধামান্দ্য ও আলস্যবোধ করা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম। 
- ২০০৯ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগী শনাক্ত করা হয়। 
 
উৎস:
1. WHO Website [লিঙ্ক]।
2. Britannica [লিংক]. 
১,১৭৯.
‘প্ল্যানেটারি প্যারেড’ বা গ্রহের কুচকাওয়াজ কী?
  1. যখন সব গ্রহ সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণন বন্ধ করে
  2. যখন একাধিক গ্রহ একই সময়ে আকাশে দৃশ্যমান থাকে
  3. যখন শুধুমাত্র চন্দ্র ও সূর্য একই সরলরেখায় আসে
  4. যখন একটি গ্রহ অন্য গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করে
সঠিক উত্তর:
যখন একাধিক গ্রহ একই সময়ে আকাশে দৃশ্যমান থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন একাধিক গ্রহ একই সময়ে আকাশে দৃশ্যমান থাকে
ব্যাখ্যা
প্ল্যানেটারি প্যারেড:
- ‘প্ল্যানেটারি প্যারেড’ (Planetary Parade) বা গ্রহের কুচকাওয়াজ হলো একটি মহাজাগতিক ঘটনা।
- যখন আমাদের সৌরজগতের একাধিক গ্রহ একই সরলরেখায় বা আকাশের একই অঞ্চলে অবস্থান করে এবং পৃথিবী থেকে দেখা যায়।
- জোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘প্ল্যানেটারি প্যারেড’ বা গ্রহের কুচকাওয়াজ।
- পৃথিবীসহ সৌরজগতের আটটি গ্রহ একই কক্ষপথে থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। তবে তাদের প্রদক্ষিণ করার গতি ভিন্ন ভিন্ন হয়।
- গ্রহগুলোর গতি ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় কখনো কখনো কিছু গ্রহ সূর্যের একই পাশে সারিবদ্ধ হয়ে প্রদক্ষিণ করতে থাকে।
- গ্রহগুলো যদি সূর্যের ডানদিকে থেকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে, তখন সেগুলো পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়।

সম্প্রতি,
- সাতটি গ্রহের দেখা পাওয়ার এ এক বিরল সুযোগ পেয়েছে বিশ্ববাসী।
- সৌরজগতের যে সাত গ্রহ এককাতারে এসেছে সেগুলো হলো মঙ্গল, বৃহস্পতি, ইউরেনাস, শুক্র, নেপচুন, বুধ ও শনি।
- আগামী প্ল্যানেটারি প্যারেড  ২০৪০ সালে দেখা যাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১,১৮০.
সিডর ২০০৭ সালের কত তারিখে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ডভাবে আঘাত করে?
  1. ১১ নভেম্বর
  2. ৫ নভেম্বর
  3. ১৯ নভেম্বর
  4. ১৫ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৫ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
সিডর (Sidr) এ যাবৎকালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়সমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী।
- ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ডভাবে আঘাত করে।
- বঙ্গোপসাগরের কেন্দ্রীয় অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভের পরই ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে।
- এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘন্টায় প্রায় ২৬০ কিমি সাফাইর-সিম্পসন (Saffire-Simpson scale) অনুযায়ী ৫ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ের সমতুল্য।
- ঘূর্ণিঝড় এবং তদুপরি জলোচ্ছাসের প্রভাবে প্রায় দশ সহস্রাধিক মানুষ প্রাণ হারায়।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় ছাড়াও ভারতের চেন্নাই, তামিলনাড়ু এবং আরও কিছু রাজ্য সিডর এর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১৮১.
কোন ধরনের ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়?
  1. ফায ভাইরাস
  2. রোটা ভাইরাস
  3. ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
  4. হেপাটাইটিস ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ফায ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায ভাইরাস
ব্যাখ্যা

- ফায ভাইরাস, ব্যাকটেরিওফায (bacteriophage) নামে পরিচিত, এটি এক ধরনের ভাইরাস যা বিশেষভাবে ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে এবং মেরে ফেলে। কিছু ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যেমন- কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয় ইত্যাদির ওষুধ তৈরিতে এই ফায ভাইরাস বা ব্যাকটেরিওফায ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে ফায থেরাপি (phage therapy) বলা হয় এবং এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের একটি সম্ভাব্য পদ্ধতি। 

ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যেমন- 
• বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
• ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশলে বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
• ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
• কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হচ্ছে। 
• জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
• লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৮২.
ভূ-ত্বকের গড় গভীরতা প্রায় কত কিলোমিটার?
  1. ১০ কিলোমিটার
  2. ১৫ কিলোমিটার
  3. ২০ কিলোমিটার
  4. ২৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
২০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বাহ্যিক গঠন: 
- সৃষ্টির প্রথম অবস্থায় পৃথিবী একটি জলন্তগ্যাসপিণ্ড ছিল। 
- সময়ের পরিবর্তনে তাপমাত্রা হ্রাস পেয়ে গ্যাসীয় অবস্থা পরিবর্তিত হয়ে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। 
- ফলে ভারী পদার্থসমূহ পৃথিবীর কেন্দ্রে এবং হালকা পদার্থসমূহ পৃথিবীর উপরের দিকে জমা হয়ে ভূ-অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক গঠনে ভিন্নতা তৈরি করেছে। 
- বর্তুলাকার পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৪০০ কিলোমিটার। 
- পৃথিবীর বহিরাবরণকে ভূ-ত্বক বলে। 
- পৃথিবীর উপরিভাগের শক্ত আবরণ ভূ-ত্বক বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও শিলা দ্বারা গঠিত। 
- ভূ-ত্বক অশ্মমণ্ডলেরই উপরিভাগ যার মধ্যে অক্সিজেন ও সিলিকনের পরিমাণ বেশি। 
- আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোট ১০৫ টি মৌলিক উপাদানের মধ্যে ২০ টি উপাদান ভূ-ত্বকের প্রায় শতকরা ৯৯.৫ অংশ দখল করে আছে। 
- পৃথিবীর গভীরতা সর্বত্র সমান নয়, তবে এর গড় গভীরতা ২০ কিলোমিটার। 
- ভূ-ত্বক গঠনকারী শিলারাশির ঘনত্ব ২.৭৫ থেকে ৩.০ পর্যন্ত। 
- ভূ-ত্বক বা অশ্মমণ্ডলের উপরিভাগেই পৃথিবীর বাহ্যিক দিকগুলো দেখা যায়। যেমন: সমভূমি, মালভূমি, পাহাড়, পর্বত, নদী, হ্রদ, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৮৩.
অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরিকৃত করোনা ভাইরাসের টিকার নাম-
  1. ক) Covaccine
  2. খ) COVAX
  3. গ) Covishield
  4. ঘ) CoviDefender
সঠিক উত্তর:
গ) Covishield
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Covishield
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচি
১৩ ডিসেম্বর ২০২০ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা ‘কোভিশিল্ড (Covishield)' পেতে ভারতের সেরাম ইনষ্টিটিউটের সাথে ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ভ্যাকসিন প্রাপ্যতার নিশ্চয়তা, গুণগতমান, কার্যকারিতা ও উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ বিবেচনায় রেখে প্রথম ধাপে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন কেনা হবে। এতে সরকারের খরচ হবে ১,৫৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের খরচ হবে ৬.২৫ ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৬০ টাকা।
১৩ কোটির বেশি মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার কথা ভাবছে সরকার। সারা দেশে করোনা টিকা দেয়ার খসড়া জাতীয় পরিকল্পনায় বলা হয়, সুষ্ঠুভাবে টিকা কেনা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের জন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত কমিটি করা হবে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭,২৮,০৯,৩৮৫। টিকা পাবে ১৩,৮২,৪৭,৫০৮ (মোট জনসংখ্যার ৮০%)।

১,১৮৪.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৩ ভাগ
  2. ২৫ ভাগ
  3. ১৭ ভাগ
  4. ২০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

উল্লেখ্য যে,
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কেননা-
• গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়।
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৮৫.
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ধাপ নয় কোনটি?
  1. ক) Reduce
  2. খ) Reuse
  3. গ) Recycle
  4. ঘ) Rearrange
সঠিক উত্তর:
ঘ) Rearrange
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Rearrange
ব্যাখ্যা
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উল্লেখযোগ্য তিনটি ধাপ হলো Reduce (হ্রাস করা), Reuse (পুনঃব্যবহার) ও Recycle (পুনঃসঞ্চালন)।
- রিসাইকেল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যবহার অনুপযোগী বা পরিত্যক্ত দ্রব্যাদিকে পরিবর্তন করে নতুন ভাবে ব্যবহার উপযোগী পণ্য সামগ্রী তৈরী করা। - আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহার্য দ্রব্যাদি যেমন- ধাতব আসবাবপত্র, তৈজসপত্র, কাঁচ, প্লাস্টিক, সামগ্রী ইত্যাদি পুরাতন বা পরিত্যক্ত হলে সেগুলোকে বর্জ্য হিসেবে যত্রতত্র ফেলে দিই, ফলে এতে পরিবেশ দূষণ ঘটে ।
- বর্তমানে বিজ্ঞানের আর্শিবাদে এসব বর্জ্যকে রিসাইকেল করে পুর্বের ব্যবহৃত সামগ্রী প্রস্তুত করা সম্ভব। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দুষণ হ্রাস পায় অপরদিকে নতুন কাঁচামালের ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক উৎসসমূহ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।

সূত্র: ৩৩১ পৃষ্ঠা, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।   
১,১৮৬.
নিচের কোনটি RNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাস বেসের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) এডিনিন
  2. খ) গুয়ানিন
  3. গ) সাইটোসিন
  4. ঘ) থাইমিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) থাইমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থাইমিন
ব্যাখ্যা
DNA এর নিউক্লিয়টাইডের নাইট্রোজিনাসে চার ধরণের বেস থাকে। যথা-
-এডিনিন,
-গুয়ানিন,
-সাইটোসিন এবং
-থাইমিন।
DNA অণুতে পাশাপাশি অবস্থিত তিনটি বেস মিলিতভাবে একটি জেনেটিক কোড গঠন করে। প্রতিটি কোড ২০ প্রকার এমাইনো এসিডের যেকোন একটিকে নির্দেশ করে।

অপরদিকে RNA এর নাইট্রোজিনাসে চার ধরণের বেস থাকে। যথা-
-এডিনিন,
-গুয়ানিন,
-সাইটোসিন এবং
-ইউরাসিল।

ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: DNA) একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে।
DNA পূর্ণরূপ- Deoxyribonucleic acid

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,১৮৭.
পৃথিবীর মোট জলভাগের মধ্যে সমুদ্রের পানির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৮৮.১ শতাংশ
  2. ৯২.৩৬ শতাংশ
  3. ৯৭.২৫ শতাংশ
  4. ৯৯.০২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৭.২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৭.২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর জলভাগের অবস্থানভিত্তিক বণ্টন:
- সমুদ্র : ৯৭.২৫ শতাংশ
- হিমবাহ : ২.০৫ শতাংশ
- ভূগর্ভস্থ পানি : ০.৬৮ শতাংশ
- হ্রদ : ০.০১ শতাংশ
- মাটির আর্দ্রতা : ০.০০৫ শতাংশ
- বায়ুমণ্ডল : ০.০০১ শতাংশ
- নদী : ০.০০০১ শতাংশ
- জীবমণ্ডল : ০.০০০০৪ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৮৮.
দূষণহীন শক্তি উৎস কোনটি?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. সৌরশক্তি
  4. পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
সৌরশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরশক্তি
ব্যাখ্যা
• সৌরশক্তি হলো দূষণহীণ শক্তি উৎস। 

• সৌরশক্তি:

- সৌরশক্তি (Solar Energy) হলো সূর্য থেকে আগত তাপ ও আলোক শক্তি।
- সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সৌরশক্তি সংগ্রহ করে বিদ্যুতে রূপান্তর করা হয়। এটি একটি নবায়নযোগ্য এবং দূষণহীন শক্তি উৎস।

• সৌরশক্তির বৈশিষ্ট্য:
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বা দূষিত গ্যাস ছড়ায় না।
- অত্যন্ত টেকসই ও নিরাপদ শক্তির উৎস।
- দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশবান্ধব ও খরচ সাশ্রয়ী।

• দূষণহীন শক্তি উৎস:
- দূষণহীন শক্তি উৎস হলো সেইসব শক্তি যা ব্যবহারের সময় বায়ু, মাটি বা পানি দূষণ করে না এবং গ্রিনহাউস গ্যাস (CO2, NOx) নির্গত করে না।
- এগুলো সাধারণত নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র:
- International Energy Agency (IEA). 
- ব্রিটানিকা। 
১,১৮৯.
জীবাশ্ম জ্বালানির সীমাবদ্ধতা কোনটি?
  1. সহজলভ্য
  2. নবায়নযোগ্য
  3. দূষণ
  4. উচ্চ উৎপাদনশীলতা
সঠিক উত্তর:
দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূষণ
ব্যাখ্যা
• জীবাশ্ম জ্বালানি:  
- জীবাশ্ম জ্বালানি হলো এক প্রকার জ্বালানি যা মৃত গাছপালা এবং প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে লাখ লাখ বছর ধরে পৃথিবীর অভ্যন্তরে চাপা পড়ে তৈরি হয়।
- কয়লা, পেট্রোলিয়াম (তেল) এবং প্রাকৃতিক গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানির প্রধান উদাহরণ। 

• জীবাশ্ম জ্বালানির প্রধান সীমাবদ্ধতাসমূহ:
- জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট দূষণ এর সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা।
- এটি পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি:
→ বায়ুদূষণ:
- জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) সহ নানা বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়।
→ জলবায়ু পরিবর্তন:
- দূষণের ফলে গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধি পেয়ে গ্লোবাল ওয়ার্মিং ঘটায়।
→ স্বাস্থ্য ঝুঁকি:
- দূষণের কারণে মানুষের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, হৃদরোগসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।
→ সীমিত মজুদ:
- এগুলো অপুনরায় উৎপাদনযোগ্য নয়, তাই একবার ফুরিয়ে গেলে তা দ্রুত পুনরায় পাওয়া যায় না।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১,১৯০.
ধানের পাতা ধ্বসা রোগের জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) পোকা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে গাছের কিছু কিছু অংশ খুব দ্রুত বিবর্ণ হয়। ফলে রোগাক্রান্ত গাছগুলো মরে যায়।
অনেক সময় মৃত অংশ পঁচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। একে ব্লাইট বা মড়ক বলা হয়।
যেমন- ধানের পাতা ধ্বসা রোগ। এর জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া হলো- Xanthomonas oryzae
১,১৯১.
বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে কত ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত?
  1. ১২০ ডিগ্রি
  2. ৪৫ ডিগ্রি
  3.  ৯০ ডিগ্রি
  4. ৭৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
 ৯০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৯০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা

গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রিনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং গ্রিনিচ মানমন্দির ওয়েবসাইট।।

১,১৯২.
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে একবার ঘুরে আসতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. সৌর বছর
  2. পলিসার
  3. আলোক বর্ষ
  4. গ্যালাকটিক ইয়ার
সঠিক উত্তর:
গ্যালাকটিক ইয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালাকটিক ইয়ার
ব্যাখ্যা

ছায়াপথ:
- ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে যে সময় লাগে তাকে কসমিক ইয়ার বলে।
- সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আর সূর্য মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- এই মধ্যবিন্দুর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় লাগে।
- এই সময়টাকেই কসমিক ইয়ার বা গ্যালাকটিক ইয়ার বলে।

উৎস: Britannica.com

১,১৯৩.
কোনটি আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ভারী
  2. খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
  3. গ) অস্তরীভূত
  4. ঘ) সুদৃঢ়
সঠিক উত্তর:
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
ভূ-অভ্যন্তরে উত্তপ্ত ম্যাগমা শীতল ও কেলাসিত হয়ে আগ্নেয় শিলা গঠিত হয়।
অগ্নিময় অবস্থা থেকে এই শিলার সৃষ্টি বলে এক আগ্নেয় শিলা বলা হয়।
আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ের শিলা বলে একে প্রাথমিক শিলাও বলা হয়।
এ শিলায় কোনো স্তর নেই, তাই এই শিলার অপর নাম অস্তরীভূত শিলা।
এই শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই।
এই শিলা অপেক্ষাকৃত ভারী ও সুদৃঢ়।
এই শিলা বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন- বহিঃজ বা নিঃসারী আগ্নেয় শিলা ও অন্তঃজ বা উদ্বেধী আগ্নেয় শিলা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম;  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯৪.
'ঘটনা দিগন্ত' বলতে বুঝায় -
  1. ক) বায়ু মণ্ডলের শেষ স্তর
  2. খ) মানুষের দৃষ্টির শেষ সীমা
  3. গ) ব্ল্যাক হোলের সীমানা
  4. ঘ) থার্মোস্ফিয়ারের নিচের অংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ব্ল্যাক হোলের সীমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্ল্যাক হোলের সীমানা
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক হোলের সীমানা থেকে আলোক রশ্মি পর্যন্তও বের হয়ে আসতে পারে না। তাই এর অভ্যন্তরে কী ঘটছে সেটা আমরা দেখতে পাই না।
এজন্য ব্ল্যাক হোলের সীমানাকে ঘটনা দিগন্ত বলে আখ্যায়িত করা হয়।

কৃষ্ণবিবর (Black hole):
তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না।

নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। বাস্তবে g এর মান এত বেশি হয় যে, এমনকি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।

- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয়  Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা; ব্রিটানিকা ও পদার্থবিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এইচএসসি প্রোগ্রাম।
১,১৯৫.
টেকটনিক তত্ত্বের প্রবক্তা-
  1. ক) আলফ্রেড গেংগা
  2. খ) আলফ্রেড গ্রাজিয়ার
  3. গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
  4. ঘ) আলফ্রেড ম্যাজিনা
সঠিক উত্তর:
গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলফ্রেড ওয়েগেনার
ব্যাখ্যা
টেকটনিক তত্ত্বের প্রবক্তা আলফ্রেড ওয়েগেনার। সূত্রঃ Earth: Portrait of a Planet by Stephen Marshak
১,১৯৬.
কোন বিষয়ে অবদানের জন্যে ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. ক) ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপির বিকাশ
  2. খ) লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
  3. গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
  4. ঘ) হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত
সঠিক উত্তর:
গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জিনোম এডিটিং পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

রসায়নে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের এমানুয়েল শারপন্টিয়ের এবং যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার ডাউডনা। জিনোম এডিটিংয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্যে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
অন্যদিকে হেপাটাইটিস সি ভাইরাস শনাক্ত ও এর চিকিৎসার উন্নতির জন্যে হার্ভে জে আল্টার (যুক্তরাষ্ট্র), চার্লস রাইস (যুক্তরাষ্ট্র), মিকায়েল হগটন (যুক্তরাজ্য) চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
(সূত্র: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট)

১,১৯৭.
বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়?
  1. ভোল্টে
  2. ওয়াটে
  3. ওয়াট আওয়ারে
  4. কিলোওয়াট আওয়ারে
সঠিক উত্তর:
কিলোওয়াট আওয়ারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলোওয়াট আওয়ারে
ব্যাখ্যা
কিলোওয়াট-ঘণ্টা:
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
- ১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ ঘণ্টা
- অনেক সময় ওয়াট-ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট-ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা ১০০০ ওয়াট ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
- অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে পরিমাপ করা হয়।
- এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট সংক্ষেপে ইউনিট বলে।
- বিদ্যুৎ বিল কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে হিসেব করা হয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৯৮.
নিচের কোনটি পরজীবীঘটিত রোগ?
  1. কুষ্ঠ
  2. কালাজ্বর
  3. পীতজ্বর
  4. পোলিও
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
ব্যাখ্যা

- ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, জিয়ার্ডিয়াসিস ইত্যাদি হলো গুরুত্বপূর্ণ পরজীবীঘটিত রোগ।
- কুষ্ঠ, যক্ষ্মা, ধনুষ্টংকার, এনথ্রাক্স, কলেরা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি হলো ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ।
- পোলিও, ডেঙ্গু, পীতজ্বর, হাম, রুবেলা ইত্যাদি হলো ভাইরাসঘটিত রোগ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,১৯৯.
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মহাকাশের কোন স্থানে অবস্থান করছে?
  1. পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে
  2. চাঁদের কক্ষপথে
  3. ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে
  4. মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথ থেকে ১৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে
সঠিক উত্তর:
ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে
ব্যাখ্যা

◉ জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিমি দূরে ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট ২ (L2) তে অবস্থান করছে। এখানে পৃথিবী ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টান এমনভাবে ভারসাম্য তৈরি করে যে স্যাটেলাইট স্থিতিশীলভাবে ঘুরতে পারে।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ:
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
- এটি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা NASA, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- এটিকে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ-এর উত্তরসূরী হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে।
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের আয়না ৬.৫ মিটার ব্যাসের (২১.৩ ফুট), যা হাবলের আয়নার তুলনায় প্রায় সাত গুণ বড়। আয়না বড় হওয়ার ফলে এটি অনেক বেশি আলো সংগ্রহ করতে সক্ষম, যা দূরবর্তী গ্যালাক্সি ও মহাবিশ্বের প্রাচীনতম ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
- টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সরাসরি ঘোরে না, বরং সূর্যকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ কক্ষপথে চলে—লিসাজু (Lissajous) প্যাটার্নে দ্বিতীয় ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্টে (L2)। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার (৯.৩ লক্ষ মাইল) দূরে, পৃথিবীর রাতের দিকের অংশে অবস্থিত।
- ওয়েবের মূল লক্ষ্য হলো ছায়াপথের জন্ম ও বিবর্তন এবং নক্ষত্র ও গ্রহসমূহের সৃষ্টি সংক্রান্ত গবেষণা।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে পুরনো ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পেয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।
- সূর্যের চেয়ে ষোলো লক্ষগুণ ভারী এই ব্ল্যাকহোলের বয়স প্রায় মহাবিশ্বের বয়সের কাছাকাছি, যেখানে মহাবিশ্বের বয়স ১৩৮০ কোটি বছর।
- এই ব্ল্যাকহোলটি নক্ষত্র-অর্থাৎ তারাদের জন্মের বিষয়ে আরো নিখুঁত তথ্য দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
- এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের দুটি ইনফ্রারেড ক্যামেরা ব্যবহার করেছেন।
- মিড-ইনফ্রারেড যন্ত্র (MIRI) এবং নিয়ার ইনফ্রারেড ক্যামেরা। 

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২। স্পেস ডট কম। 

১,২০০.
মানব অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে যে রোগ হয় তার নাম কী?
  1. ক) দীর্ঘদৃষ্টি
  2. খ) হ্রসদৃষ্টি
  3. গ) গ্লোকোমা
  4. ঘ) পুঞ্জাক্ষি
সঠিক উত্তর:
ক) দীর্ঘদৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দীর্ঘদৃষ্টি
ব্যাখ্যা
- যখন কোন চোখ দূরের বস্তু দেখে কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে দীর্ঘদৃষ্টি বলে।
- সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের এই ত্রুটি দেখা যায়।
- দুটি কারণে এই ত্রুটি ঘটে-
(i) চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা হ্রাস পেলে অথবা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে।
(ii) কোন কারণে অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধের কমে গেলে। 

- এর ফলে দূর থেকে আসা আলো সঠিকভাবে চোখের রেটিনাতে প্রতিবিম্ব তৈরি করলেও কাছাকাছি বিন্দু থেকে আসা আলোকরশ্মি চোখের লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের পর রেটিনার ঠিক উপরে না হয়ে পিছনে মিলিত হয়। ফলে চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না। 

সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই