PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটার
কম্পিউটার
PrepBank · পাতা ৯ / ৮২ · ৮০১–৯০০ / ৮,১৪১
উত্তর
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টার (Register):
- এটি সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্ষুদ্র মেমোরি, যা ALU-কে সরাসরি ডেটা সরবরাহ করে।
- এটি মূলত ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-flops) সার্কিট দিয়ে তৈরি এবং প্রসেসিংয়ের সময় ডেটা বা নির্দেশাবলী খুব অল্প সময়ের জন্য জমা রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়
- সিপিইউ (CPU)-এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের (ALU) সাথে প্রধানত রেজিস্টার (Register) এবং প্রাথমিক মেমরি বা মেইন মেমরি (RAM - Random Access Memory)-এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে। ALU-এর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলী সরাসরি এই মেমোরি থেকে গ্রহণ করে এবং প্রসেসিংয়ের পর ফলাফল আবার রেজিস্টার বা র্যাম-এ জমা রাখে।
- CPU যখন কোনো গাণিতিক বা যুক্তিমূলক কাজ করে, তখন ওই মুহূর্তের ডেটা এবং নির্দেশাবলী রেজিস্টারে থাকে।
- এটি কম্পিউটারের সব ধরণের মেমোরির (যেমন: RAM বা হার্ড ডিস্ক) চেয়ে দ্রুত কাজ করে।
- পরবর্তী কোন নির্দেশটি কাজ করবে, তার মেমোরি অ্যাড্রেস বা ঠিকানা মনে রাখে।
উৎস:
১। Geeksforgeeks [Link]
২। Sciencedirect [Link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে বলে জানা যায়। দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
-পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়। চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।
-ফ্রেঞ্চ গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল(Blaise Pascal) ১৬৪২ সালে আবিষ্কার করেন Pascal's Calculator বা পাস্কালেন(Pascalene)। এটি পৃথিবীর প্রথম ক্যালকুলেটর।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -
১. প্রাইমারি কী:
- ডাটা টেবিলের যে ফিল্ডের মানসমূহ দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্যান্য রেকর্ড থেকে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করা যায়, তাকে প্রাইমারি কী বলা হয়।
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Python হলো একটি হাই-লেভেল এবং ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এর সিনট্যাক্স বা কোড লেখার নিয়ম ইংরেজি ভাষার মতো সহজ হওয়ায় এটি মানুষের জন্য বুঝতে এবং শিখতে খুব সহজ। বহুমুখী ব্যবহার এবং এর লাইব্রেরিগুলোর (যেমন: NumPy, Pandas) কারণে এটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং বিশেষ করে ডেটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা।
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। অ্যামাজন ওয়েবসাইট। [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- তার মধ্যে Dos, Windows এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
- Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।
- Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program: Adobe Photoshop.
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, MS Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Browsing Program: Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কন্ট্রোল ইউনিট প্রসেসরের কার্যক্রম নির্দেশ করে। কন্ট্রোল ইউনিট (CU) প্রসেসরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা CPU-এর অন্যান্য উপাদান যেমন অরিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) এবং রেজিস্টারকে কীভাবে কাজ করতে হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মেমরি থেকে নির্দেশনা পড়ে, ডিকোড করে এবং ALU বা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসকে নির্দেশ দেয় কোন অপারেশন করতে হবে। কন্ট্রোল ইউনিট নিজে গণনা বা ডেটা সংরক্ষণ করে না; বরং এটি CPU-এর কার্যক্রম সঠিকভাবে সমন্বয় করে, যাতে প্রোগ্রাম ঠিকভাবে কার্যকর হয়। এটি মূলত CPU-এর “নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র” হিসেবে কাজ করে।
• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়।
• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট।
• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।
• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)।
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।
তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ Half Adder সার্কিট হলো একটি মৌলিক ডিজিটাল লজিক সার্কিট, যা দুটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি দুটি মৌলিক গেইট ব্যবহার করে তৈরি করা হয়:
XOR গেইট: যোগফল (Sum) বের করতে ব্যবহৃত হয়।
AND গেইট: ক্যারি (Carry) বের করতে ব্যবহৃত হয়।
হাফ এডার:
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে অর্ধযোগের বর্তনী বলা হয়।
- দুইটি বিট A ও B যোগ করে এই বর্তনী হতে যোগফল (S) এবং হাতের সংখ্যা বা ক্যারি (C) পাওয়া যায়।
- ক্যারি যোগের ব্যবস্থা থাকে না বলে এই বর্তনীকে অর্ধযোগের বর্তনী বলে।
চিত্র: হাফ এডারের লজিক সার্কিট।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
SUBTRACT মাইক্রোসফট এক্সেলের কোনো বিল্ট-ইন ফাংশন নয়। এক্সেলে বিয়োগের জন্য আলাদা কোনো ফাংশন নেই - সরাসরি মাইনাস (-) অপারেটর ব্যবহার করতে হয়।
• অপশন আলোচনা:
COUNTA - খালি নয় এমন সেলের সংখ্যা গণনা করে
INDEX - নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে ভ্যালু রিটার্ন করে
MATCH - একটি ভ্যালুর অবস্থান খুঁজে বের করে
এগুলো সবই এক্সেলের প্রকৃত ফাংশন।
• স্প্রেডশীট সফটওয়্যার:
স্প্রেডশীট (Spreadsheet) সফটওয়্যার হলো একটি প্রোগ্রাম, যা সারি (Row) ও কলাম (Column)-এ বিভক্ত একটি গ্রিড বা টেবিলের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ, গণনা ও উপস্থাপনা করতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি ছোট ঘরকে সেল (Cell) বলা হয় এবং সেলগুলোতে সংখ্যা, লেখা, সূত্র (Formula), ফাংশন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।
• জনপ্রিয় স্প্রেডশীট সফটওয়্যারসমূহ এবং বৈশিষ্ট্য:
Microsoft Excel এর নির্মাতা Microsoft - সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ফিচার-সমৃদ্ধ।
Google Sheets এর নির্মাতা Google - ক্লাউড-ভিত্তিক, রিয়েল-টাইম কল্যাবোরেশন।
LibreOffice Calc এর নির্মাতা LibreOffice Foundation - ওপেন সোর্স, ফ্রি।
Apple Numbers এর নির্মাতা Apple - Mac/iOS ব্যবহারকারীদের জন্য নির্মিত।
সূত্র: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• আইফোন চালানোর জন্য অ্যাপল কোম্পানি একটি বিশেষ অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে, যার নাম iOS। এটি মূলত আইফোন, আইপ্যাড এবং আইপড টাচের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। iOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অ্যাপ ইন্সটল, ইন্টারফেস নেভিগেশন, ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইসের অন্যান্য ফিচার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি একটি বন্ধ এবং নিরাপদ সিস্টেম হিসেবে পরিচিত, যা অ্যাপল স্টোরের মাধ্যমে অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে। অন্যান্য অপশন যেমন Windows Mobile, HarmonyOS এবং Android বিভিন্ন কোম্পানির ডিভাইসের জন্য তৈরি, তাই সেগুলি আইফোনে ব্যবহৃত হয় না। সুতরাং আইফোনের জন্য সঠিক উত্তর হলো ক) iOS.
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।
• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
সূত্র: ৯৫ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)
২. NLP (অনুবাদ/তথ্য সমন্বয়)
৩. স্পিচ (স্পিচ টু টেক্সট/স্পিচ টু স্পিচ)
৪. রোবটিক্স
৫. ভিশন (ইমেজ প্রসেসিং)
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গণিতবিদরা এটিকে পৃথিবীর প্রথম অংক-ভিত্তিক গণনাযন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
- সংখ্যা নির্দিষ্ট করার জন্য এবাকাসের সরু দন্ডে কতগুলো গুটি গাঁথা থাকে। এইসব গুটি সঞ্চালন করে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ করা যায়।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।
উৎস:
১। কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ডেবিট কার্ড এমন একধরনের কার্ড যার দ্বারা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর মাধ্যমে গ্রাহক তার ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থ যেকোনো সময় এটিএম বুথ হতে ওঠাতে পারেন।
- বাংলাদেশের প্রচলিত এটিএম কার্ড গুলো মূলত ডেবিট কার্ড।
- ডেবিট কার্ড প্রদান করে ব্যাংক।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্তান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে।
- যন্ত্রটির মুখ্য কাজ ছিল জটিল গবেষণায় গাণিতিক হিসাব সম্পাদন।
- বর্তমানে কম্পিউটারটি ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত।
- ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো তার প্রথম মেইনফ্রেইম কম্পিউটার চালু করে।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• উচ্চতর ভাষা (High Level Language):
- উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চতর ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- এরপর কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।
• উচ্চস্তরের ভাষাকে দুভাগে ভাগ করা যায়:
(১) সাধারণ কাজের (General purpose) ভাষা ও
(২) বিশেষ কাজের (Special purpose) ভাষা।
- যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।
- যে ভাষা শুধু বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার হয় তাকে বিশেষ কাজের ভাষা বলে। যেমন- কোবল, ফোরট্রান।
• বিশেষ কাজের ভাষাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়:
- বাণিজ্যিক প্রয়োগের ভাষা কোবল।
- বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।
- বহুপ্রয়োগের ভাষা বেসিক, ফরট্রান, এ্যাডা ইত্যাদি।
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ (726)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা রূপান্তর করলে হয় 2D6.
দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে 16 দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→ A, ১১→ B, ১২→ C, ১৩→ D, ১৪→ E ও ১৫→ F সংখ্যা লিখতে হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।
• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।
• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজাবরার সমস্যা সমাধান করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- মেলিসা,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ (CIH) ইত্যাদি।
কয়েকটি এন্টিভাইরাসের নাম:
- Norton,
- McAfee,
- Bitdefender,
- Kaspersky,
- AVG,
- Avast,
- Windows Defender (Microsoft Defender),
- Panda,
- Avira,
- Comodo,
- BullGuard.
সূত্র:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistants.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ WinZip একটি জনপ্রিয় ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার, যা ফাইলকে ছোট আকারে সংকুচিত (Compress) করে এবং পরে পুনরায় আসল আকারে (Decompress) ফিরিয়ে আনে। এর মাধ্যমে বড় ফাইল সহজে শেয়ার ও সংরক্ষণ করা যায়।
ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.
WinZip:
- WinZip হল Windows, macOS, iOS এবং Android এর জন্য একটি Compressor Tool.
- WinZip ব্যবহারকারীদের ফাইল কম্প্রেস করে এবং .zip ফরম্যাটে ফাইলটি পরিণত করে।
- WinZip বড় ফাইল কম্প্রেস করে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লাউড, ই-মেইল ইত্যাদিতে পাঠাতে সাহায্য করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
খ) Adobe Reader: এটি একটি PDF ফাইল পড়ার এবং ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার।
গ) Notepad: এটি একটি সাধারণ টেক্সট এডিটর, যা টেক্সট ফাইল তৈরি এবং সম্পাদনা করতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) VLC Player: এটি একটি মাল্টিলিডিয়া সফটওয়্যার।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Resident Virus হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস, যা কম্পিউটারের মেমোরিতে (RAM) স্থায়ীভাবে অবস্থান করে থাকে।
- একবার এটি সক্রিয় হলে, কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় নিজে থেকেই অন্যান্য ফাইল বা প্রোগ্রামে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
কাজের প্রক্রিয়া (Working Mechanism):
- যখন ব্যবহারকারী কোনো সংক্রমিত ফাইল চালায়, তখন ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে মেমোরিতে নিজের কোড কপি করে রাখে।
- এরপর ব্যবহারকারী যখন অন্য কোনো ফাইল খুলে, ভাইরাসটি সেই ফাইলগুলোর কোডে নিজের কপি সংযোজন করে।
- এভাবে এটি সিস্টেম ফাইল, এক্সিকিউটেবল ফাইল (.exe, .com), এমনকি বুট সেক্টরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- কিছু রেসিডেন্ট ভাইরাস অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামকেও প্রতারিত করে, কারণ তারা মেমোরিতে লুকিয়ে থেকে নিজেদের অস্তিত্ব গোপন রাখে।
রেসিডেন্ট ভাইরাসের প্রকারভেদ (Types of Resident Virus):
- Fast Resident Virus:
- খুব দ্রুত ছড়ায়।
- প্রতিটি ফাইল খোলার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমিত করে।
- উদাহরণ: CMOS-RAM Virus
- Slow Resident Virus:
- ধীরে ধীরে সংক্রমিত করে যাতে ব্যবহারকারী বুঝতে না পারে।
- সাধারণত তখনই ছড়ায় যখন কোনো নির্দিষ্ট কাজ হয় (যেমন: কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম খোলা)।
রেসিডেন্ট ভাইরাসের প্রভাব (Effects on System):
- কম্পিউটার ধীরগতি হয়ে যায় কারণ মেমোরির অংশ ভাইরাস দখল করে।
- ফাইল নষ্ট বা করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে।
- ডেটা হারানো বা বিকৃত হওয়া ঘটতে পারে।
- কখনও অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি প্রোগ্রাম নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
- সিস্টেম ক্র্যাশ বা বুট ফেইলিউর হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল কোম্পানি অনেক আইসির সমন্বয়ে ইনটেল-৪০০৪ (Intel-4004) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে।
এই মাইক্রোপ্রসসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয় এবং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়।
মাইক্রো (Micro) শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি কম্পিউটারকে তাই মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলা হয়। এটিকে সাধারণ টেবিলের উপর রেখে কাজ করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC)- ও বলা হয়। মাইক্রোকম্পিউটার হচ্ছে কারিগরি নাম এবং পিসি হচ্ছে চলতি নাম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Display and hide the desktop: Windows logo key + D
• Switch between open apps: Alt + Tab
• Open the Quick Link menu: Windows logo key + X
• Lock your PC: Windows logo key + L
• Maximize Window: F11 or Windows logo key + Up arrow
• Open Task View: Windows logo key + tab
Source: Microsoft Support.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।
• মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অতএব, অতএব অক্টাল সংখ্যা হলো ১-৭, ১০-১৭, ২০-২৭, ৩১-৩৭ ইত্যাদি।
তাই ৮, ৯, ১৮, ৩৮, ১৯, ২৮, ২৯, ৩৯ ইত্যাদি অক্টাল সংখ্যা নয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা আলোর প্রতিফলনের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের তথ্য বুঝতে পারে।
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : সপ্তম শ্রেণি
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কোম্পানি ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করে।
- IC (Integrated Circuit) এবং LSI (Large Scale Integration) বর্তনীর সাহায্যে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে কম্পিউটারের বহুমূখী ব্যবহার এবং পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরি শুরু হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- Intel 4004 ছিল বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ পার্সোনাল কম্পিউটারের (PC) যুগ শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে, যখন ছোট আকারের, তুলনামূলকভাবে কমদামী এবং ঘরে ব্যবহারের উপযোগী কম্পিউটার বাজারে আসে। ১৯৭৫ সালে বাজারে আসে Altair 8800, যাকে প্রথম PC হিসেবে ধরা হয়।
পার্সোনাল কম্পিউটার:
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
যখন কম্পিউটার চালু হয়, তখন এটি বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রামে থাকা নির্দেশাবলী কার্যকর করে থাকে।
বহু মাইক্রোকম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রামসমূহ রমে সংরক্ষিত থাকে না।
এর পরিবর্তে, এই প্রোগ্রামগুলো বাইরের মাস মেমরি বিশেষত চৌম্বকীয় ডিস্কে সংরক্ষিত থাকে।
Source: Diploma in Computer Science & Application, Bangladesh Open University
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক মরিস উইলকসের (Maurice Wilkes) নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে EDSAC কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে এই কম্পিউটারে প্রথম প্রোগ্রাম চালানো হয়।
- এতে ইনপুট দেওয়ার জন্য পাঞ্চড টেপ (punched tape) ব্যবহার করা হতো।
- মেমরি হিসেবে মার্কারি ডিলে লাইন টিউব (Mercury Delay Line Tubes) ব্যবহার করা হয়েছিল।
- EDSAC একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ একটি SCSI ইন্টারফেসের মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
- ACSI (Atari Computer Systems Interface) পেরিফেরাল বাসটি ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড SCSI (Small Computer Systems Interface) বাসের মতোই।
- SCSI এর পূর্ণরূপ Small Computer System Interface.
- SCSI হলো প্রোটোকলের একটি গ্রুপ যা কম্পিউটার এবং বাহ্যিক ডিভাইসগুলির মধ্যে একটি শারীরিক পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়।
- SCSI মূলত একটি প্রোটোকল এবং একটি সমান্তরাল পিজিক্যাল ইন্টারফেস হিসাবে বিকশিত হয়েছিল।
- SCSI প্রোটোকল একটি সিরিয়াল সংযুক্ত SCSI বাসে (SAS এবং SPL ব্যবহার করে), ফাইবার চ্যানেল পরিবেশে (FCP ব্যবহার করে), এবং IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কে (LAN/WAN, iSCSI ব্যবহার করে) পরিবহন করা হয়।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. Techtarget website. [Link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• (1000111 )2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে 71 হয়।
• বাইনারি থেকে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
(1101011)2 হলো একটি বাইনারি সংখ্যা। বাইনারি সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে, আমরা প্রতিটি বিটকে তার স্থানের মান দিয়ে গুণ করি এবং সবগুলো যোগ করি।
1000111 = (1 × 26) (0 × 25) + (0 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (64 + 4 + 2 + 1)
= 71
উত্তর
উত্তর
ব্যাখ্যা
OCR-এর প্রধান কাজ হচ্ছে প্রিন্ট করা লেখা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অক্ষর সনাক্ত করা।
OCR (Optical Character Reader/Recognition)
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা এবং বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
উৎস:
1. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিংয়ে, ইন্টারপ্রেটার হল সেই সফটওয়্যার যা সোর্স কোডকে লাইনে লাইনে পড়ে এবং তৎক্ষণাৎ তা মেশিন কোডে রূপান্তর করে, সাথে সাথে আউটপুটও প্রদান করে। এটি পুরো প্রোগ্রাম একবারে কম্পাইল না করে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করে, তাই প্রোগ্রামের ফলাফল দ্রুত দেখা যায় এবং ডিবাগিং সহজ হয়। অন্যদিকে, কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একবারে মেশিন কোডে রূপান্তর করে এবং পরে আউটপুট দেয়, আর অ্যাসেম্বলার মূলত অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে, লাইনে লাইনে নয়। তাই, যে প্রোগ্রাম লাইনে লাইনে ট্রান্সলেট করে এবং সাথে সাথে আউটপুট দেয়, সেটি হল ইন্টারপ্রেটার।
অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বাস:
- বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
- বাস দুই প্রকার। যথা:
১. সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস।
২. এক্সপানশনস বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস – ১) ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
২) পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো — গ) এনক্রিপশন।
- ডেটার গোপনীয়তা (Data Confidentiality) রক্ষার জন্য এনক্রিপশন (Encryption) ব্যবহার করা হয়।
- এনক্রিপশন হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ডেটাকে এমনভাবে রূপান্তর করা হয় যাতে শুধু অনুমোদিত ব্যক্তি বা সিস্টেমই তা পড়তে পারে।
- উদাহরণ: ইমেইল, ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত ডেটা ইত্যাদির নিরাপত্তা।
• অপশন আলোচনা:
- ম্যানিপুলেশন: ডেটা পরিবর্তন বা প্রক্রিয়া করা।
- ভ্যালিডেশন: ডেটার সঠিকতা যাচাই করা।
- ডিক্রিপশন: এনক্রিপ্ট করা ডেটাকে আবার মূল রূপে ফিরিয়ে আনা।
- তাই গোপনীয়তা রক্ষার জন্য ব্যবহার হয় এনক্রিপশন।
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
- প্লেইন টেক্সট: যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
- সাইফার টেক্সট: মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
- এনক্রিপশন এলগরিদম: গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
- কী: গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত গাণিতিক এবং যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করে। ALU দ্বারা সম্পাদিত সাধারণ অ্যারিথমেটিক অপারেশনগুলোর মধ্যে যোগ (Addition), বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ প্রধান। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে “Addition” একটি মৌলিক ও সাধারণ অ্যারিথমেটিক অপারেশন, যা সরাসরি ALU সম্পাদন করে থাকে। অন্যদিকে Searching, Sorting বা Transmitting হলো ডাটা ব্যবস্থাপনার কাজ, যেগুলো সরাসরি ALU নয় বরং প্রসেসরের অন্যান্য অংশ বা সফটওয়্যার দ্বারা সম্পাদিত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Addition, যা ALU-র প্রধান কার্যক্রমের একটি।
• ALU (অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট):
- ALU হল অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট।
- এটি একটি ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি মৌলিক কার্যকরী উপাদানের মধ্যে একটি।
- অন্য তিনটি হলো: ইনপুট-আউটপুট সরঞ্জাম, প্রধান মেমরি এবং কন্ট্রোল ইউনিট।
- ALU-এর কাজ হল ইনকামিং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য গাণিতিক এবং লজিক অ্যালগরিদমগুলো সম্পাদন করা।
- এটি অত্যন্ত উচ্চ গতিতে কাজ করে, যা ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
- ALU-তে এমন সার্কিট রয়েছে যা দুটি গাণিতিক মান যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করতে পারে।
- এছাড়া লজিক অপারেশনের জন্য AND এবং OR-এর মতো সার্কিটও রয়েছে।
- ALU-তে বেশ কয়েকটি রেজিস্টার থাকে, যা গণনার ফলাফলগুলো কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখে, যাতে সেগুলো আরও গাণিতিক অপারেশনের জন্য ব্যবহার করা যায় অথবা প্রধান মেমরিতে স্থানান্তর করা যায়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্যাকেজ প্রােগ্রাম: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে।
যেমনঃ
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে লিখিত সুশৃঙ্খল কতগুলো নির্দেশের সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম রাখে, তাকে সফটওয়্যার বলে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার: Dos, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Video Player, PageMaker.
অন্যদিকে, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে অপারেটিং সিস্টেম।
উৎস: ব্রিটানিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
যেমন-
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- অপটিকাল রিডার,
- জয়স্টিক,
- মাইক্রোফোন,
- স্ক্যানার,
- গ্রাফিক্স প্যাড,
- লাইট পেন,
- ওয়েবক্যাম,
- ওসিআর ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
যেমন-
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন ইত্যাদি।
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
যেমন-
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন,
- মডেম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
1. Click the X at the top-right corner of a window to close it.
2. Press Alt+F4 to close a window.
3. Press Ctrl+F4 to close an active document
4. Click Ctrl+W to close a web browser tab
(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক মানব মস্তিষ্ক পরিসরের একটি সুপার কম্পিউটার নির্মাণ করছেন যার নাম Deep South.
- এক সেকেন্ডে ২২৮ ট্রিলিয়ন সিন্যাপ্টিক সংযোগের মতো কার্যক্ষম ও ক্ষমতাশালী এই কম্পিউটার ২০২৪ সদালেই সক্রিয় হবে।
- অন্যদিকে, ১০০ ট্রিলিয়ন সিন্যাপ্টিক সংযোগ রয়েছে আমাদের মস্তিষ্কে।
- সিন্যাপ্টিক সংযোগ হল দুটি স্নায়ু কোষের (নিউরন) মধ্যে বা একটি নিউরন এবং পেশী কোষের মধ্যে স্নায়ু আবেগ বা Nerve Impulse প্রেরণ করা।
Deep South সুপার কম্পিউটার নির্মাণের প্রধান লক্ষ্য হলো,
- মস্তিষ্ক এত অল্প শক্তি ব্যবহার করে কীভাবে বিপুল তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে, তা বোঝার চেষ্টা করা। অর্থাৎ এটি মানব মস্তিষ্ককে আরও ভালোভাবে বোঝার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে নেবে গবেষকদের।
Deep South সুপারকম্পিউটার দুটি ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।
১) নিউরোসায়েন্স গবেষণায়,
২) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায়।
অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Tianhe-2 চীনের একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার যা Milkyway-2 নামে পরিচিত।
- Cambridge-1 যুক্তরাজ্যের একদল গবেষকদের দ্বারা নির্মিত একটি সুপার কম্পিউটার যা বর্তমানে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Nvidia-র মালিকানাধীন।
- যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দ্বারা নির্মিত Frontera সুপার কম্পিউটারটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী।
সূত্র:
১) Live Science.
২) লিঙ্ক → Western Sydney University
৩) New Scientist.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস ।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোছনীয় কোনো কমা ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্রাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।
• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• RDBMS বা Relational Database Management System হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাকে টেবিল আকারে সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং অনুসন্ধান করতে সক্ষম। প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোতে মাইএসকিউএল (MySQL) হলো একটি RDBMS। এটি ডেটাবেস তৈরি, ডেটা সংরক্ষণ, আপডেট, মুছে ফেলা এবং জটিল কুয়েরি সম্পাদনের সুবিধা প্রদান করে। অন্যদিকে, অ্যাডোবি ফটোশপ একটি ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, গুগল ক্রোম হলো ওয়েব ব্রাউজার, এবং এমএস ওয়ার্ড হলো টেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনার প্রোগ্রাম। এই সব সফটওয়্যার ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের কাজ করে না, তাই এগুলো RDBMS হিসেবে কাজ করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো মাইএসকিউএল।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: developer.apple.com এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭
কিন্তু উক্ত 7854 সংখ্যাটির 8 অক্টালের অন্তর্ভুক্ত নয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর সামনে উপস্থাপন করে। সাধারণত ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে আমরা ওয়েব পেজ খুলতে, সার্চ করতে এবং অনলাইন কনটেন্ট ব্যবহার করতে পারি। Firefox, Chrome এবং Safari সবগুলোই জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার, যেগুলো ওয়েবসাইট প্রদর্শনের কাজ করে। কিন্তু Outlook মূলত একটি ইমেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার, যা ইমেইল পাঠানো, গ্রহণ করা এবং মেইল ম্যানেজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ওয়েব ব্রাউজার নয়। তাই প্রদত্ত চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) Outlook.
• ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser):
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
• জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ,
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- Chrome,
- Firefox,
- Internet Explorer,
- গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।
- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারকে ম্যালওয়্যার (Malware) বলা হয়, যা "malicious software" (ক্ষতিকর সফটওয়্যার) এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে হলে সেটি প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়, সাধারণভাবে কম্পিউটারে দুই ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামগুচ্ছ থাকে। যেমন- সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারসমূহকে যথাযথভাবে ব্যবহারের পরিবেশ নিশ্চিত রাখে, অন্যদিকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কোনো বিশেষ কাজ সম্পন্ন করে।
- যখনই কোনো সফটওয়্যার কাজ করে, তখনই এর কিছু অংশ কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে অবস্থান নেয় এবং বাকি অংশগুলো অপারেটিং সিস্টেমের সহায়তায় অন্য কার্যাবলি সম্পন্ন করে। আবার কিছু প্রোগ্রামিং কোড বা প্রোগ্রামসমূহ কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর, এ ধরনের সফটওয়্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা মেলিসিয়াস (malicious) সফটওয়্যার বলা হয়, আর এই ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যারকে সংক্ষেপে ম্যালওয়্যার (malware) বলা হয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের সাধারণ নামই হলো ম্যালওয়্যার। যেমন- কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, বুটকিটস, কিলগার, ডায়ালার, স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার প্রভৃতি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত।
- ইন্টারনেটের বিকাশের আগে ম্যালওয়্যারের সংখ্যা খুবই কম ছিল। যখন থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ম্যালওয়্যারকে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, তখন থেকেই ম্যালওয়্যারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- প্রচলিত ও শনাক্তকৃত ম্যালওয়্যারসমূহের মধ্যে নিম্নোক্ত তিন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়- ক. কম্পিউটার ভাইরাস, খ. কম্পিউটার ওয়ার্ম এবং গ. ট্রোজান হর্স ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
The Shift + F3 keyboard shortcut allows you to quickly change the text case of your text without having to use the button built into Microsoft Word.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ হলো একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি, যেখানে প্রতিটি টেবিল সারি (রেকর্ড) এবং কলাম (ফিল্ড) নিয়ে গঠিত। প্রতিটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা যায় সাধারণ কী (Primary Key) ও বৈদেশিক কী (Foreign Key) ব্যবহার করে, যা ডেটা সংরক্ষণ ও অনুসন্ধানকে সহজ করে। এটি শুধুমাত্র ডেটা সংরক্ষণের জন্য নয়, ডেটার মধ্যকার সম্পর্ক বিশ্লেষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই রিলেশনাল ডাটাবেজ কোনো একক ফাইল বা ইনডেক্স ফাইল নয়, বরং তথ্যের সুশৃঙ্খল ও কাঠামোবদ্ধ উপস্থাপনা যেখানে ডেটার অখণ্ডতা এবং পুনঃব্যবহারযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়। এটি আধুনিক সফটওয়্যার ও ব্যবসায়িক সিস্টেমের মূল ভিত্তি।
- সঠিক উত্তর: গ) একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার (Software):
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়। অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player, Pagemaker ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ।
• কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
- উদাহরণ: Unix, Linux, Windows, Solaris ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Ctrl + F6: মাইক্রোসফ্ট এক্সেলে পরবর্তী এভেইলেবল ওয়ার্কবুকে যেতে ব্যবহৃত হয়।
- Alt + F9: hide and show field codes in Microsoft Word
- Shift+ F8: Reduce the selection.
উৎস: [microsoft]
উত্তর
ব্যাখ্যা
ADATA Technology, one of the world’s largest vendors of DRAM modules and USB flash drives, provides complete solutions, including memory cards, solid-state drives, and portable hard drives. ADATA products also include storage for mobile devices and the company is now a major provider of LED lighting.
- Adata Linkedin Page
উত্তর
ব্যাখ্যা
• MS Access-এ একই সাথে রেকর্ড সম্পাদনা এবং লেআউট ডিজাইন করার জন্য Layout View ব্যবহার করা হয়।
• MS Access-এর বিভিন্ন ভিউ:
১. Layout View (লেআউট ভিউ):
- একই সাথে রেকর্ড দেখা ও সম্পাদনা করা যায়।
- একই সাথে ফর্ম বা রিপোর্টের লেআউট ডিজাইন করা যায়।
- লাইভ ডেটা দেখতে দেখতে ডিজাইন পরিবর্তন করা যায়।
- ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক ভিউ।
২. Design View (ডিজাইন ভিউ):
- শুধুমাত্র লেআউট ডিজাইন করা যায়।
- রেকর্ড বা ডেটা দেখা যায় না।
- আরও বিস্তারিত ডিজাইন নিয়ন্ত্রণ পাওয়া যায়।
৩. Datasheet View (ডেটাশীট ভিউ):
- শুধুমাত্র রেকর্ড সম্পাদনা করা যায়।
- টেবিল আকারে ডেটা প্রদর্শিত হয়।
- লেআউট ডিজাইন করা যায় না।
৪. SQL View (SQL ভিউ):
- SQL কোড লিখে কোয়েরি তৈরি বা সম্পাদনা করা যায়।
- রেকর্ড সম্পাদনা বা লেআউট ডিজাইনের জন্য নয়।
উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট (লিঙ্ক)
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) BIOS
BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং CPU ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু করার সময় স্টার্টআপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এর প্রধান কাজ হলো উপলব্ধ পেরিফেরাল ডিভাইসগুলো চিহ্নিত করা এবং অপারেটিং সিস্টেমকে প্রধান মেমোরিতে লোড করা। স্টার্টআপের পর, BIOS OS এবং পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
BIOS (Basic Input Output System)
- কম্পিউটার সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে সম্পাদন করে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার অনুসরণ করে, সেগুলো একটি ইলেকট্রনিক চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- এই চিপটিকে BIOS বলা হয় এবং এটি মাদারবোর্ডে থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ BIOS-এর মাধ্যমে ঘটে।
- BIOS-এর নির্দেশগুলো অনুসরণ করে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল উপাদানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করে।
উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• যে সংখ্যা পদ্ধতি কেবলমাত্র ০ এবং ১ ডিজিট ব্যবহার করে, তাকে Binary সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। এটি একটি দ্বিমিক (base-2) সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে মাত্র দুটি সংখ্যা বা বিট (০ ও ১) ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারের সকল ডেটা ও নির্দেশনা বাইনারি কোডে রূপান্তরিত হয়ে প্রসেস হয়। কারণ, কম্পিউটার সার্কিট কেবল দুটি অবস্থা (চালু বা বন্ধ, অর্থাৎ ১ বা ০) বুঝতে পারে। অন্যদিকে, Decimal পদ্ধতিতে ০-৯ পর্যন্ত দশটি ডিজিট, Octal পদ্ধতিতে ০-৭ পর্যন্ত আটটি ডিজিট এবং Hexadecimal পদ্ধতিতে ০-৯ এবং A-F পর্যন্ত ১৬টি ডিজিট ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) Binary.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ২। যেমন- (১০১)২, ১০০০১২, (১০০০.১১১)২ ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
- এই পদ্ধতির 0 এবং 1 এই অংক দু'টিকে সংক্ষেপে বিট (Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে। নিয়ে Bit) বলা হয়।
- 0 এবং 1-কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোন সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা সম্ভব। যেমন- দশমিক সংখ্যা 127 বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 10000011।
• অপশন আলোচনা:
- দশমিক (Decimal): ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ১০টি অংক (বেস-১০)।
- অক্টাল (Octal): ০ থেকে ৭ পর্যন্ত ৮টি অংক (বেস-৮)।
- হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal): ০ থেকে F পর্যন্ত ১৬টি অংক (বেস-১৬)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• গুগল শিটস হলো একটি ক্লাউড ভিত্তিক স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন। যখন কোনো ব্যবহারকারী এই শিটটিকে অফলাইনে ব্যবহারের জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল ফরমেটে ডাউনলোড করেন, তখন এটি আধুনিক এক্সেল ফাইল ফরমেট .xlsx এক্সটেনশন হিসেবে কম্পিউটারে জমা হয়।
- এটি স্প্রেডশিটের গাণিতিক সূত্র ও ফরমেটিং বজায় রাখে।
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
1. Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- MS Word,
- Word Note.
2. Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Qrater Pro,
- Google Sheets.
3. Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অনলাইন শপিং:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয় করা হলে, তাকে অনলাইন শপিং বলা হয়ে থাকে।
- ইংল্যান্ডের সাসেক্সে মাইকেল অ্যালড্রিচ (Michael Aldrich) ১৯৭৯ সালে অনলাইন শপিং পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- এর মাধ্যমে ক্রেতা ঘরে বসেই যেকোনো পণ্য পছন্দ ও ক্রয় করতে পারে এবং একই সাথে ঘরে বসেই ঐ ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারে।
- তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালিত হবার কারণে ই-কমার্সকে ব্যবসায় বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ই-কমার্সকে বিশ্বগ্রামের অন্যতম সুফল হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে-
• বিল গেটস (Bill Gates) - মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা।
• টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee)- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর উদ্ভাবক।
• ভিন্টন সার্ফ (Vinton Cerf)- ইন্টারনেটের জনক।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- একটি বারকোডে সর্বমোট ৯৫টি ব্লক থাকে।
৯৫ টি ব্লককে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. লেফট গার্ড
২. সেন্টার গার্ড
৩. রাইট গার্ড
৯৫টি ব্লকের মধ্যে ১২টি ব্লকে বারকোড লিখা হয়।
- তথ্যগুলো বারকোডের প্রতিটি সাদাকালো বার এবং এদের মধ্যকার ফাঁকা জায়গার মধ্যে এনকোড করে রাখা হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা দ্রব্যের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে।
- বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত।
উৎস: Live MCQ Lecture- 08.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
যথা- মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার, এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
মাইক্রো কম্পিউটার- এ ধরনের কম্পিউটার বলতে ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়। একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি,সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়।
উদাহরণ: IBM386, IBM pentium ইত্যাদি।
মিনি কম্পিউটার- মিনি কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা ও কাজের গতি অপেক্ষাকৃত কম। মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মধ্যে কাজের ধরণ ও প্রক্রিয়াগত দিক থেকে কোন পার্থক্য নাই।
উদাহরণ: IBM S/34, IBM S / 36, PDP 11, NCR S/9290 ইত্যাদি।
সুপার কম্পিউটার- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার। সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
আমেরিকায় CYBER-205, জাপানের নিপ্পন কোম্পানির SuperSXII.
মেইনফ্রেম কম্পিউটার- যে কম্পিউটার মিনি ও মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় এবং সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তাকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে। এতে অনেকগুলো কম্পিউটার যুক্ত থাকে এবং এক সঙ্গে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে।
IBM 4341, UNIVAC 1100, CYBER 170 ইত্যাদি।
সূত্র- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: অক্টাল 157 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
সমাধান:
• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যাকে (ভিত্তি 8) ডেসিমেল সংখ্যায় (ভিত্তি 10) রূপান্তর করতে হলে, অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান এবং ভিত্তি (8) দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলগুলো যোগ করতে হয়।
উদাহরণ: (124)8, (731)8 ইত্যাদি।
এখানে, (157)8 কে ডেসিমেল সংখ্যা হিসেবে রূপান্তর করি:
(157)8 = 1 × 82 + 5 × 81 + 7 × 80
= 1 × 64 + 5 × 8 + 7 × 1
= 64 + 40 + 7
= 111
∴ (157)8 = 111
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Slack নামকরণ করা হয়েছে “Searchable Log of All Conversation and Knowledge” থেকে। এটি একটি কমিউনিকেশন এবং সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম, যা টিমগুলিকে এক জায়গায় চ্যাট, ফাইল শেয়ারিং, এবং প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট করতে সাহায্য করে। Slack মূলত একটি ডিজিটাল ওয়ার্কস্পেস, যেখানে সকল কথোপকথন, নোট, এবং তথ্য সার্চযোগ্য আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হয়। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পূর্বের আলোচনা দ্রুত খুঁজে পেতে পারে এবং কার্যক্রমের প্রগতি ট্র্যাক করতে পারে। তাই Slack নামটি কেবল সংক্ষিপ্ত আকার নয়, বরং এর উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতার প্রতিফলন, যা দলীয় যোগাযোগ ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনাকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে।
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:
1. Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, MS Word, Word Note.
2. Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3. Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র্যাম। র্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
• কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস।
• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ডেটা বাস (Data Bus)
২. অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩. কন্ট্রোল বাস (Control Bus)
• কম্পিউটার প্রযুক্তি বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশন বাস ব্যবহৃত হয়। যথা:
১. আইএসএ বাস (ISA- Industry Standards Architecture)
২. ইআইএস এ বাস (EISA- Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস (Local Bus)
৪. ইউএসবি বাস (USB Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus)
৬. এজিপি (AGP- Accelerated Graphics Port) ইত্যাদি।
• Input-reader Bus নামক কোনো কম্পিউটার বাস নেই। তাই সঠিক উত্তর Input-reader Bus.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(সূত্রঃ মাইক্রোসফট)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৭৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর লন্ডনে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি পেশায় ছিলেন গণিতবিদ।
- ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন।
- তার এই অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা নিহিত থাকায় চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মার্ক-১ নামে পরিচিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটারটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক-১ কম্পিউটারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
ক) মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
খ) কম্পিউটারটির মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
গ) কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ঘ) এর ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
এ কম্পিউটারটিতে সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্রাংশ সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ তারের প্রয়োজন হয়েছিল। মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।
উৎস: কম্পিউটারের ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।
• সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি,
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি,
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এবং
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।
উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যে ইন্টারফেস কাজ করে তাকে Shell বলা হয়। Shell ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কমান্ড গ্রহণ করে সেগুলোকে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বোঝার যোগ্য আকারে রূপান্তর করে। এটি একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে কমান্ড লাইন বা গ্রাফিকাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারী Shell-এর মাধ্যমে ফাইল পরিচালনা, প্রোগ্রাম চালানো এবং অন্যান্য সিস্টেম কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। সংক্ষেপে, Shell হলো সেই মধ্যস্থ মাধ্যম যা ব্যবহারকারীর নির্দেশকে OS পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং OS-এর ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) Shell.
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
• অপশন আলোচনা:
- Command Prompt:
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।
- API (Application Programming Interface):
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।
- Scheduler:
- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।
- Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ এই শব্দ দুইটি বর্তমানে ওয়েব পেইজ তৈরি করার ভাষা HTML এর জন্য ব্যবহার করা হয়। Mark-Up Language এর বাংলা আভিধানিক অর্থ হচ্ছে অতিরিক্ত ভাষা।
আমরা ওয়েব পেইজে যে সকল বিষয় বস্তু দেখে থাকি এর চেয়ে অনেক বেশি বিষয় HTML লেখা হয়। আর এই অতিরিক্ত লেখা বা ভাষা-ই হচ্ছে মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ।
মার্কআপ এ অতিরিক্ত তথ্য টেক্সটের কাঠামো বা উপস্থাপনাকে সংজ্ঞায়িত করে। মার্কআপ গুলো মূল টেক্সটের সাথে মিশে থাকে এবং ইন্টারনেট ব্রাউজার-এ তা প্রদর্শিত হয় না।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্প্যাইওয়্যার হলো এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে কম্পিউটার বা মোবাইলে ঢুকে ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ নজরদারি করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড, ব্রাউজিং হিস্ট্রি, ব্যাঙ্কিং তথ্য, কি-স্ট্রোক ইত্যাদি) চুরি করে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠায়। - এর মূল কাজই হলো গুপ্তচরবৃত্তি করা এবং তথ্য চুরি করা।
স্প্যাইওয়ারের কাজ:
- ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং ডেটা চুরি করা: যেমন লগইন তথ্য, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ডিটেইলস।
- কীস্ট্রোক লগিং (Keystroke Logging): ব্যবহারকারী কোন কী চাপছে তা রেকর্ড করে।
- পরিচিতি চুরি (Identity Theft): ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণা বা ব্যাংক লেনদেন করা।
- অ্যাড ইনস্টলেশন ও বিজ্ঞাপন দেখানো: কিছু স্প্যাইওয়্যার ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া অ্যাডওয়্যারও ইনস্টল করে।
স্প্যাইওয়ারের উপসর্গ / লক্ষণ:
- কম্পিউটার হঠাৎ ধীরগতিতে কাজ করা।
- ব্রাউজারে অজানা টুলবার বা অ্যাডস দেখা।
- লগইন তথ্য অননুমোদিতভাবে চুরি হওয়া বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ।
- মাঝে মাঝে অপ্রত্যাশিত রিডাইরেকশন ও পপ-আপ বিজ্ঞাপন।
স্প্যাইওয়ারের প্রতিকার:
- অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার / অ্যান্টি-স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
- সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ইমেইল ক্লিক না করা।
- সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করা।
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও দুই-ধাপ যাচাই ব্যবহার করা।
উৎস: Britannica. [লিংক]।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Linux,
- Haiku,
- Darwin,
- Oberon,
- NetBSD,
- OpenBSD ইত্যাদি।
UBUNTU হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা Linux এর একটা ভার্সনের নাম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।
- সিপিইউ (CPU) এর Arithmetic Logic Unit অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলা হয়।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালসকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।
১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।
২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মেমােরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমােরির ধারণক্ষমতা বলা হয়। মেমােরির ধারণ ক্ষমতার একক হলাে বাইট। আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট। বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট। বর্ণ, অঙ্ক ও বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট করার জন্য বাইট ব্যবহার করা হয়।
কম্পিউটার মেমােরির ধারণক্ষমতা নির্ণয়ের এককগুলাে হলাে- কিলােবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট। নিচে এদের মধ্যে সম্পর্ক দেখানাে হলাে।
৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
২১০ বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট
২২০ বা ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট
২৩০ বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
২৪০ বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পাইলার:
১। সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করে।
২। এটি বড় আকৃতির প্রোগ্রাম।
৩। প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক দ্রুত।
৪। কাজ করতে প্রধান মেমোরিতে বেশি জায়গা প্রয়োজন হয়।
৫। ডিবাগিং বা প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে।
ইন্টারপ্রেটার:
১। এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে।
২। এটি ছোট আকৃতির প্রোগ্রাম।
৩। গতি তুলনামূলক কম।
৪। প্রধান মেমোরিতে কম জায়গা প্রয়োজন হয়।
৫। ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যায়।