উত্তর
ব্যাখ্যা
অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮ / ৮২ · ৭০১–৮০০ / ৮,১৪১
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ০ এবং ১ এই দুটি মৌলিক অঙ্ককে বিট বলে।
- Binary Digit শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে বিট (Bit)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
◉ 1 কিলোবাইট (KB) সমান 1024 বাইট।
কম্পিউটারে ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে বাইনারি সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, তাই 1 কিলোবাইট = 210 বাইট = 1024 বাইট।
বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
উল্লেখ্য,
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
• ব্লকচেইন প্রযুক্তি প্রথম প্রয়োগ করা ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো Bitcoin। এটি ২০০৯ সালে সাটোশি নাকামোতো নামের একজন বা গোষ্ঠী দ্বারা তৈরি করা হয়। ব্লকচেইন হলো একটি বিকেন্দ্রীকৃত ডাটাবেস বা লেজার, যেখানে প্রতিটি লেনদেন ব্লকের আকারে সংরক্ষিত হয় এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে নিরাপদ করা হয়। ব্লকগুলো ক্রমবর্ধমানভাবে একটি চেইনের মতো সংযুক্ত থাকে, যার ফলে কোনো একজনের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া লেনদেনের ইতিহাস পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। Bitcoin-এর মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করা যায় মধ্যস্থতাকারী ব্যাংক ছাড়াই, যা দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরাপদ। তাই এটি আধুনিক ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত।
উত্তর: ঘ) Bitcoin.
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে।
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল।
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়।
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়।
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।
• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ ফায়ারওয়াল (Firewall) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করে এবং অনুমোদিত ডেটা প্রবাহ নিশ্চিত করে।
ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• AGP:
- AGP এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerated Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• অনলাইন শপিং-এর জন্য সবচেয়ে পরিচিত প্ল্যাটফর্ম হলো eBay। এটি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেখানে ব্যবহারকারীরা নতুন এবং ব্যবহৃত পণ্য কিনতে ও বিক্রি করতে পারে। eBay-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পণ্য যেমন ইলেকট্রনিক্স, পোশাক, গৃহসামগ্রী ইত্যাদি সহজেই কেনা যায়। অন্যদিকে Instagram, Pinterest, এবং Snapchat মূলত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা ছবি, ভিডিও এবং আইডিয়া শেয়ার করে থাকে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে Instagram-এ শপিং ফিচার এসেছে, কিন্তু মূল পরিচিতি ও স্থিতিশীলতার দিক থেকে eBay অনলাইন শপিং-এর জন্য সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য ও জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) eBay.
ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।
জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
সঠিক উত্তর - ক) To protect data from unauthorized access
ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটা এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটা এমনভাবে রূপান্তরিত করা হয় যাতে এটি অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য বোঝা বা ব্যবহার করা সম্ভব না হয়। রূপান্তরিত ডেটাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Cipher text)।
- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোনো মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ, অথবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে।
- ডেটাবেস ও তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।
- এনক্রিপশন করার জন্য ডেটা সিকুয়েন্স ব্যবহার করা হয়, যাকে বলা হয় এনক্রিপশন কী।
- উপযুক্ত ডিক্রিপ্ট বা ডিসাইফার কোড ছাড়া কেউ সাইফার টেক্সট ব্যবহার করতে পারে না।
- ডেটার এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন নিয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানে যে শাখায় গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Cryptography) বলা হয়।
প্রক্রিয়া:
1. মূল ডেটা বা প্লেইন টেক্সট এনক্রিপ্ট করা হয়।
2. এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত ডেটা হলো সাইফার টেক্সট, যা প্রেরকের সিস্টেমে থাকে।
3. প্রাপক সিস্টেম সাইফার টেক্সট থেকে মূল ডেটা উদ্ধার করতে ডিক্রিপ্ট করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
• DML বা Data Manipulation Language হলো SQL-এর সেই অংশ যা ডেটাবেসে থাকা ডেটা পরিবর্তন, যোগ বা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। DML-এর প্রধান কমান্ডগুলোর মধ্যে Insert, Update এবং Delete অন্তর্ভুক্ত, যা যথাক্রমে নতুন রেকর্ড যোগ করা, বিদ্যমান রেকর্ড পরিবর্তন করা এবং রেকর্ড মুছে ফেলার কাজ করে। অন্যদিকে, Rename স্টেটমেন্ট ডেটাবেস অবজেক্ট যেমন টেবিল বা কলামের নাম পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটা ম্যানিপুলেশনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় বরং ডেটাবেস অবজেক্ট মডিফিকেশনের অংশ।
- সুতরাং, DML-এর কমান্ড হিসেবে Rename statement গণ্য হয় না, কারণ এটি DDL (Data Definition Language)-এর অংশ।
• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল:
- Create statement
- Drop statement
- Alter statement
- Rename statement
২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল:
- Insert statement
- Delete statement
- Update statement
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সিপিইউ-এর সংগঠন
সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত।
যথাঃ
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
- SQL- এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language.
- এটি একটি ডাটাবেজ ভাষা, যা ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা এবং অনুসন্ধান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
SQL-এর মূল কার্যকারিতা:
- SELECT → ডাটাবেজ থেকে তথ্য বের করা।
- INSERT → নতুন তথ্য যোগ করা।
- UPDATE → বিদ্যমান তথ্য পরিবর্তন করা।
- DELETE → তথ্য মুছে ফেলা।
• অন্যান্য অপশন
- HTML: এটি একটি মার্কআপ ভাষা; ওয়েবপেজ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, ডাটাবেজের তথ্য আহরণের জন্য নয়।
- CSS: Cascading Style Sheets, যা ওয়েবপেজের স্টাইল (রঙ, ফন্ট, লেআউট) নিয়ন্ত্রণ করে, ডাটাবেজের তথ্যের জন্য নয়।
- XML: eXtensible Markup Language, এটি তথ্যের স্টোরেজ এবং ট্রান্সপোর্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডাটাবেজ থেকে সরাসরি অনুসন্ধানের জন্য নয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশোনাল)।
• হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের তুলনায় এসএসডি সাধারণত অনেক দ্রুত কাজ করে, কারণ এতে কোনো যান্ত্রিক অংশ নেই এবং ডেটা সরাসরি ফ্ল্যাশ মেমরিতে সংরক্ষণ হয়। ফলে কম্পিউটার অন করা, সফটওয়্যার চালানো এবং ফাইল কপি করার সময় এসএসডি দ্রুত সাড়া দেয়। তবে এর দাম এখনও হার্ড ডিস্কের তুলনায় বেশি এবং একই মূল্যে হার্ড ডিস্কে বেশি স্টোরেজ পাওয়া যায়। এসএসডি তুলনামূলকভাবে আঘাত-সহনশীল হলেও স্টোরেজ ক্ষমতার দিক থেকে হার্ড ডিস্ক এগিয়ে। তাই সাধারণভাবে বলা যায়, এসএসডি দ্রুত চলে তবে দাম বেশি।
SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।
উৎস: Avast website.
• টাচস্ক্রিন ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে থাকে।
ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।
আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।
ইনপুট - আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- টাচস্ক্রিন,
- পেনড্রাইভ,
- মডেম,
- প্রিন্টার- স্ক্যানার,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।
উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - গ) ইউনিমোডাল সিস্টেম
• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।
• বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ
• Unimodal system:
- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান।
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।
• Multimodal system:
- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
উৎস: ব্রিটানিকা।
- সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস হচ্ছে মনিটর।
- এছাড়াও কম্পিউটারের কিছু আউটপুট ডিভাইসঃ
• প্রিন্টার,
• প্রজেক্টর,
• স্পিকার,
• প্লটার,
• হেডফোন ইত্যাদি।
• ডেটাবেস হলো তথ্যসমূহের সুসঙ্গঠিত রূপ। এটি কেবল তথ্য সংরক্ষণই নয়, বরং তথ্যগুলোকে এমনভাবে সাজানো হয় যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী সহজে অনুসন্ধান, আপডেট এবং বিশ্লেষণ করা যায়। ডেটাবেস সাধারণত বিভিন্ন ধরনের তথ্য যেমন নাম, ঠিকানা, বিক্রয় হিসাব ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্যের অকার্যকর ভাণ্ডারের পরিবর্তে একটি সুসংগঠিত ও ব্যবস্থাপনার উপায় প্রদান করে। ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তথ্য যোগ, মুছে ফেলা বা পরিবর্তন করতে পারে। সুতরাং, ডেটাবেস হলো তথ্যকে কার্যকর, সুনির্দিষ্ট এবং সহজলভ্য রূপে সংরক্ষণের পদ্ধতি।
ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।
• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ক্রমাগত ২ দ্বারা ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হয়।
- এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না ভাগশেষ ০ আসে।
- দশমিক 551 = বাইনারি 1000100111 হবে।
সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
ধ্বংসাত্মক মেমমারি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিক তথ্য মুছে যায় তাকে ধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- চৌম্বক কোর ।
অধ্বাংসাত্মক মেমােরি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না তাকে অধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
• ইন্টারনেট অব থিংস (IoT)-এ সেন্সরগুলোর মূল ভূমিকা হলো ডেটা সংগ্রহ করা। সেন্সরগুলো বিভিন্ন ডিভাইসে স্থাপন করা থাকে যা পরিবেশ, যন্ত্রপাতি, বা ব্যবহারকারীর সাথে সম্পর্কিত তথ্য পর্যবেক্ষণ করে। যেমন তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ, গতি বা অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য তারা সনাক্ত করে। এই তথ্যগুলো IoT সিস্টেমে পাঠানো হয় যেখানে তা প্রক্রিয়াজাত এবং বিশ্লেষণ করা যায়। সেন্সর ছাড়া IoT ডিভাইস বাস্তব বিশ্বের পরিবর্তন বা কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন হতে পারে না। তাই ডেটা এনক্রিপশন, ভিজুয়ালাইজেশন বা সংরক্ষণ হলেও, সেন্সরের মূল কাজ সবসময় তথ্য সংগ্রহ।
- সঠিক উত্তর: গ) ডেটা সংগ্রহ।
• ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসকে ইন্টারনেট এবং একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে সক্ষম করে, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) এবং ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (TCP) ব্যবহার করে।
- এই প্রোটোকলগুলো ইথারনেট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং ৫জি-র মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা বিনিময় সহজ করে, শারীরিক ও ডিজিটাল জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।
• IoT ডিভাইসের ধরণ:
১. ডিজিটাল-প্রথম (Digital-first): যেমন স্মার্টফোন, যেগুলিতে বিল্ট-ইন কানেক্টিভিটি থাকে এবং যন্ত্র থেকে যন্ত্রে (M2M) যোগাযোগ করে।
২. শারীরিক-প্রথম (Physical-first): প্রচলিত বস্তু যেমন যানবাহন বা মেডিক্যাল ডিভাইস, যেগুলিতে মাইক্রোচিপ বা সেন্সর যুক্ত করে তাদের কার্যকারিতা এবং ট্র্যাকিং সক্ষমতা বাড়ানো হয়।
• IoT-এর ব্যবহার:
- ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য মনিটরিং
- স্মার্ট ট্রাফিক নেটওয়ার্ক
- সংযুক্ত স্টোরেজ ট্যাংক
- COVID-19 মহামারীর সময় সংযুক্ত থার্মোমিটার জ্বর মনিটর করে ভাইরাসের বিস্তার ট্র্যাক করেছে।
- কৃষি, পরিবহন, এবং স্বাস্থ্যসেবায় সম্পদ ব্যবহার ও কার্যকারিতা বাড়ানো।
• ইতিহাস:
- ব্রিটিশ প্রযুক্তিবিদ কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে "Internet of Things" শব্দটি প্রবর্তন করেন।
• সুরক্ষা ও গোপনীয়তা চ্যালেঞ্জ:
- সংযুক্তি বৃদ্ধি ডেটা লঙ্ঘন এবং অবৈধ প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়ায়।
- নিরাপত্তার অভাবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আর্থিক তথ্যসহ ডেটা হারানো, চুরি হওয়া বা অপব্যবহার হতে পারে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• CPU-এর কার্যক্ষমতা সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে নির্ধারণ করা হয়। Gigahertz মূলত প্রসেসরের ঘড়ির গতি বোঝায়, যা প্রতি সেকেন্ডে কত কোটি চক্র সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে। এটি প্রসেসরের গতিশীলতা ও কমান্ড প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতার একটি সূচক। বেশি GHz মানে CPU দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে, ফলে কম্পিউটার দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়। অন্য একক যেমন Gigabytes, Megapixels বা Kilograms CPU-এর কার্যক্ষমতা বোঝায় না; এগুলো যথাক্রমে মেমোরি, চিত্র মান ও ওজনের পরিমাপ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো Gigahertz.
• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয় ।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট = ১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)
• পামটপ কম্পিউটার (PDA):
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ র্যানসমওয়্যার (Ransomware) এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল বা সিস্টেমকে এনক্রিপ্ট করে এবং ডিক্রিপশন কী (ফাইল ফিরে পেতে) এর জন্য মুক্তিপণ দাবি করে। এটি সাধারণত ক্রিপ্টোকারেন্সি (যেমন: বিটকয়েন) মাধ্যমে অর্থ দাবি করে।
র্যানসমওয়্যার:
- এটি হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ওয়ার্ম (Worm): এটি একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ম্যালওয়্যার, যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়ায়।
ট্রোজান (Trojan): এটি একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা নিজেকে বৈধ প্রোগ্রাম হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করে।
স্পাইওয়্যার (Spyware): এটি ব্যবহারকারীর ডেটা গোপনে সংগ্রহ করে এবং তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]
• কম্পিউটিং-এ ন্যানোটেকনোলজি বিশেষভাবে দ্রুত এবং শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ন্যানোমিটার স্তরের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রানজিস্টর এবং অন্যান্য চিপ উপাদানগুলোকে আরও ছোট, ঘন এবং দক্ষভাবে তৈরি করা সম্ভব। এর ফলে কম্পিউটার প্রসেসরের গতি বাড়ে, তাপ উৎপাদন কমে এবং বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। এছাড়াও, ছোট আকারের উপাদান ব্যবহার করে কম্পিউটার বা স্মার্ট ডিভাইসগুলো আরও হালকা ও কম স্থানের মধ্যে রাখা যায়। তাই ন্যানোটেকনোলজি মূলত কম্পিউটিং-এর কার্যক্ষমতা উন্নত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করার কাজে ব্যবহৃত হয়। উত্তর হলো: ঘ) দ্রুত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করা।
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ "nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়।
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- অর্থাৎ, ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• POST হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে যে স্বয়ংক্রিয় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা সম্পন্ন হয়, তাকে Power On Self Test বলে।
- এটি বুটিং প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ।
• POST-এর কাজ:
- POST মূলত কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা পরীক্ষা করে, যেমন:
⇒ Processor
⇒ RAM
⇒ Graphics device
⇒ Hard Disk / SSD
⇒ Keyboard
⇒ BIOS settings
• ফলাফল:
- যদি সবকিছু ঠিক থাকে, POST বুট লোডার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হতে শুরু করে।
- যদি কোনো সমস্যা থাকে, BIOS বিপ শব্দ (beep code) বা error message দেখায়, যা সমস্যার ধরন নির্দেশ করে।
• POST এর গুরুত্ব:
- কম্পিউটার শুরুতেই নিশ্চিত হয় যে ডিভাইসগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে।
- সমস্যা থাকলে OS লোড হওয়ার আগেই সতর্কবার্তা দেয়।
- এটি ডেটা ক্ষতি এবং সিস্টেম ত্রুটি প্রতিরোধে সহায়তা করে।
তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
HTML একটি একটি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ভাষা, যা ওয়েব ব্রাউজারে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
এটি AI প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence / AI)
- কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের মত চিন্তা-ভাবনা কম্পিউটারে কৃত্রিমভাবে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া।
- AI-সম্পন্ন এজেন্ট এমন একটি সিস্টেম যা চারপাশ পর্যবেক্ষণ করে এবং সর্বোচ্চ সফলতার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বৈশিষ্ট্য ও উদ্দেশ্য
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার একই সময়ে বহুবিধ কাজ দ্রুত করতে পারে, কিন্তু মানুষ একই সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা করতে পারে না।
- AI কম্পিউটারকে মানবজাতির বুদ্ধিমত্তার মতো আচরণ শেখায়।
AI-এর মাধ্যমে কম্পিউটার শিখতে পারে-
- মানুষের মত চিন্তা করা,
- অসম্পূর্ণ তথ্য থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো,
- সমস্যা সমাধান করা,
- পরিকল্পনা ও বিচক্ষণতা প্রদর্শন করা,
- খেলাধুলা বা অন্যান্য কার্য সম্পন্ন করা।
AI-এর ব্যবহার ক্ষেত্র
- রোবটিক্স ও perception,
- প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing),
- এক্সপার্ট সিস্টেম,
- নিউরাল নেটওয়ার্ক,
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি,
- ফাজি লজিক,
- স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ,
- প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।
AI-এর জন্য ব্যবহৃত হয় যেমন -
LISP, CLISP, PROLOG, C/C++, Java
AI-এর কার্যপ্রণালী ভাগ
- Deduction and Problem Solving (সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান),
- Knowledge Representation (জ্ঞানের উপস্থাপন),
- Planning (পরিকল্পনা),
- Machine Learning (যন্ত্রের শিক্ষা),
- Speech and Pattern Recognition (স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• সবচেয়ে দ্রুতগতির কম্পিউটার হল সুপার কম্পিউটার। সুপার কম্পিউটারগুলো বিশেষভাবে গণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উচ্চ ক্ষমতার জন্য তৈরি করা হয়। এগুলি অত্যন্ত জটিল বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সামরিক সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করা হয়, যেমন আবহাওয়ার পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা বা মহাকাশ সম্পর্কিত বিশ্লেষণ। মেইনফ্রেম কম্পিউটার সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অনেক ব্যবহারকারী একসঙ্গে কাজ করতে পারে। মাইক্রো কম্পিউটার এবং নোটবুক কম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ও অফিসের কাজের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু এগুলোর গণনা ক্ষমতা সুপার কম্পিউটারের তুলনায় অনেক কম। তাই গতি ও ক্ষমতার দিক থেকে সুপার কম্পিউটারই সেরা।
• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আবিষ্কার হওয়া এই ট্রোজান হর্স ভাইরাস কোনো কম্পিউটারে ঢোকার পর তার হার্ডড্রাইভের ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করে তার ডিক্রিপশন কি ভাইরাস প্রোগ্রামারের কাছে পাঠিয়ে দিত। এরপর ওই প্রোগ্রামার এনক্রিপ্ট করা ফাইলের ডিক্রিপশন কি এর বদলে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ‘মুক্তিপণ’ আদায় করতো।
[সূত্রঃ bangla.bdnews24.com]
• CPU-এর জন্য তথ্য অ্যাক্সেসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর কম্পোনেন্ট হলো Registers। Registers হল মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা ছোট, অতি-দ্রুত মেমোরি ইউনিট, যা তাত্ক্ষণিকভাবে ডেটা এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করতে পারে। CPU যখন কোনো গণনা বা অপারেশন সম্পন্ন করে, তখন এটি প্রথমেই Registers ব্যবহার করে কারণ এগুলি RAM বা Hard Drive-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। ROM সাধারণত শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং পরিবর্তনযোগ্য নয়, তাই তা CPU-র জন্য তাত্ক্ষণিক ডেটা অ্যাক্সেসে কার্যকর নয়। RAM দ্রুত, কিন্তু Registers-এর চেয়ে ধীরে কাজ করে। তাই, অল্প সময়ে তথ্য অ্যাক্সেসের জন্য Registers সবচেয়ে কার্যকর।
• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।
• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।
• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।
• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো এমন একটি সার্কিট বা যন্ত্র যা একটি বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি মূলত স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে এবং ডিজিটাল সিস্টেমে তথ্যের সময়ভিত্তিক ধরন নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থিতি থাকে, যা ০ বা ১ হিসেবে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। এগুলো প্রায়শই রেজিস্টার এবং কাউন্টার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ফ্লিপ-ফ্লপ সিগন্যাল পরিবর্তনের উপর নির্ভর করে তথ্য রাখে এবং মেমোরি বা লজিক সার্কিটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুতরাং, ফ্লিপ-ফ্লপ হলো এক বিট তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: গ) এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করার যন্ত্র।
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।
• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।
• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
• মাদারবোর্ডে সরাসরি ইনস্টল হওয়া প্রধান কম্পোনেন্ট যা প্রোগ্রাম নির্দেশনা প্রক্রিয়ার জন্য কাজ করে তা হলো CPU (Central Processing Unit)। এটি কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি সমস্ত নির্দেশনা গ্রহণ, ব্যাখ্যা ও কার্যকর করার ক্ষমতা রাখে। যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন CPU মেমরি থেকে নির্দেশনা নিয়ে তা প্রসেস করে ফলাফল তৈরি করে। অন্যদিকে, RAM হলো অস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণকারী, GPU গ্রাফিক্স প্রক্রিয়ার জন্য বিশেষায়িত, এবং Hard Drive হলো স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য। তাই সরাসরি প্রোগ্রাম প্রক্রিয়াকরণের জন্য মাদারবোর্ডে CPU ইনস্টল করা অপরিহার্য।
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।
• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
CPU (Central Processing Unit),
RAM (Random Access Memory),
Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি প্রধানত ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা চেকের নীচে থাকা সংখ্যা এবং তথ্যকে চৌম্বকীয় কালি দিয়ে মুদ্রণ করে, যাতে মেশিন সহজে তা পড়তে পারে। এই পদ্ধতি দ্রুত এবং সঠিকভাবে চেকের তথ্য শনাক্ত করতে সাহায্য করে, যেমন চেক নম্বর, ব্যাংক কোড এবং শাখার তথ্য। MICR ব্যবহার করলে ত্রুটির সম্ভাবনা কমে এবং লেনদেন প্রক্রিয়ার সময়ও কমে। তাই এটি সাধারণত ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে অপরিহার্য, পাসপোর্ট, ক্রেডিট কার্ড বা বারকোডের জন্য নয়।
সঠিক উত্তর: গ) ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ।
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• ব্লকচেইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি প্রথম এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো বিটকয়েন (Bitcoin)। এটি ২০০৯ সালে Satoshi Nakamoto নামের একজন অজানা ব্যক্তি বা গ্রুপের দ্বারা তৈরি করা হয়। বিটকয়েনের মূল লক্ষ্য ছিল একটি কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ডিজিটাল মুদ্রা তৈরি করা, যা সরাসরি ব্যক্তিরা বিনিময় করতে পারবে। এটি ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে লেনদেনের স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং পরিবর্তন অযোগ্যতা নিশ্চিত করে। বিটকয়েনের ব্লকচেইনে প্রতিটি লেনদেন একটি ব্লকে রেকর্ড হয় এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হয় না, ফলে লেনদেন দ্রুত এবং নিরাপদ হয়। বিটকয়েনকে ক্রিপ্টোকারেন্সির পিতামহও বলা হয়।
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে।
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল।
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়।
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়।
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।
• বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
উৎস: ব্রিটানিকা। [link]
অবস্থানগত বা পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি চার প্রকার। যথা- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি, দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি, অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এবং হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।
তবে, এর মধ্যে ডেসিমেল পদ্ধতি আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করলেও কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসে এই পদ্ধতি সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।