বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৯ / ৩০৬ · ৯,৮০১৯,৯০০ / ৩০,৮৩২

৯,৮০১.
What is the former name of electricity generation company of Bangladesh Limited?
  1. Meghna power company limited
  2. Meghnaghat Power Company Limited
  3. Padma power company limited
  4. Bangladesh power company limited
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Meghnaghat Power Company Limited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Meghnaghat Power Company Limited
ব্যাখ্যা
মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড:

- বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ সেক্টর রিফর্ম এর আওতায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুযায়ী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ২৩ নভেম্বর ১৯৯৬ তারিখে মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড গঠিত হয়।
- ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৪ তারিখে মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এর নাম পরিবর্তিত হয়ে ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইজিসিবি) হয়।
- ইজিসিবি ১৫ জানুয়ারী ২০০৯ তারিখে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়।
- বর্তমানে কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৯,৮০২.
প্রাচীন পুন্ড্র জনপদে কোন অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. কুমিল্লা
  2. বগুড়া
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা প্রাচীন পুন্ড্র জনপদে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

পুন্ড্র:

- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮০৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর কোনটি?
  1. সোনাহাট স্থলবন্দর
  2. বুড়িমারী স্থলবন্দর
  3. বেনোপোল স্থলবন্দর
  4. তামাবিল স্থলবন্দর-
সঠিক উত্তর:
বেনোপোল স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনোপোল স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
• দেশের স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর - বেনোপোল স্থলবন্দর।

• গুরত্বপূর্ণ স্থলবন্দরের অবস্থান:
• বেনাপোল স্থলবন্দর - বেনাপোল, যশোর।
• বুড়িমারী স্থলবন্দর - পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
• আখাউড়া স্থলবন্দর- আখাউড়া, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
• ভোমরা স্থলবন্দর - ভোমরা, সাতক্ষিরা।
• তামাবিল স্থলবন্দর- গোয়াইনঘাট সিলেট।
• দর্শনা স্থলবন্দর - দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ
৯,৮০৪.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. নাজমুল হোসেন
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. মুমিনুল হক
  4. লিটন দাস
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৯,৮০৫.
পদ্মা সেতু কোন দুটি জেলাকে যুক্ত করেছে?
  1. শরীয়তপুর ও মাদারীপুর
  2. মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর
  3. শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ
  4. মাদারীপুর ও শরীয়তপুর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
৯,৮০৬.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ও পাকিস্তানকে সহায়তাকারী দল নয় কোনটি?
  1. ক) খেলাফতে রব্বানী পার্টি
  2. খ) কৃষক শ্রমিক পার্টি
  3. গ) নেজামে ইসলাম
  4. ঘ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (NAP)
সঠিক উত্তর:
ঘ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (NAP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (NAP)
ব্যাখ্যা

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৮০৭.
মুক্তিযুদ্ধে যশোর কত নং সেক্টরের অর্ন্তভুক্ত ছিল?
  1. ক) ৭নং
  2. খ) ৮নং
  3. গ) ৯নং
  4. ঘ) ১১নং
সঠিক উত্তর:
খ) ৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮নং
ব্যাখ্যা
-১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। 
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- ৮ নং সেক্টর  এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কল্যানীতে।
- সেক্টরের সৈন্যদের মধ্যে ৩০০০ ছিল নিয়মিত বাহিনী এবং ২৫০০০ গেরিলা সৈন্য।
 
উৎস:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮০৮.
'উয়ারী বটেশ্বর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নড়াইল
  2. বগুড়া
  3. নরসিংদী
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৮০৯.
বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯,৮১০.
'আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে এটি বর্ণিত আছে?
  1. ১৭ নং
  2. ১৯ নং
  3. ২১ নং
  4. ২৭ নং
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭ নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা,
- অনুচ্ছেদ ২১ নং: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৮১১.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা কীরূপ?
  1. সমাজতান্ত্রিক
  2. দ্বিদলীয়
  3. একদলীয়
  4. বহুদলীয়
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয়
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।

বহুদলীয় ব্যবস্থা:

- 'রাজনৈতিক জোট' গড়ে উঠার প্রবণতা দেখা যায় বহুদলীয় শাসনব্যবস্থায়।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন দুইটির বেশি দল রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের লড়াইয়ে কার্‍্যকর ভূমিকা পালন করে তাকে বহুদলীয় ব্যবস্থা বলে।
- বহুদলীয় ব্যবস্থায় সাধারণত সাধারণ নির্বাচনে কোন দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না।
- ফলে নির্বাচনে জয় লাভের জন্য অনেক সময় সমমনা দলগুলির সমন্বয়ে 'সম্মিলিত সরকার' গঠিত হয়।
- ফ্রান্স, ইতালি, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে এরূপ বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।
- বহু দলীয় ব্যবস্থায় মতামত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা থাকে।
- জনগণ ইচ্ছামত যেকোনো দলকে সমর্থন করে তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, মোজাম্মেল হক।
৯,৮১২.
বাংলাদেশে কোন জাতের মাধ্যমে উফশী ধানের চাষ শুরু হয়?
  1. ইরি-২
  2. ইরি-৮
  3. ইরি-১
  4. ইরি-৩২
সঠিক উত্তর:
ইরি-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরি-৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ধান চাষের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো হলেও এদেশে সর্বপ্রথম উফশী ধানের প্রচলন হয় গত শতাব্দীর ষাটের দশকে। ১৯৬৭ সালে ইরি-৮ ধানের মাধ্যমে বাংলাদেশে উফশী ধানের আবাদ শুরু হয়।
ইরি-৮ হলো আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি উফশী ধান।

পরবর্তীতে, ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ইরি ধানের স্থলে ব্রি ধান প্রচলিত হয়। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতে ব্রি ধানের চাষ হচ্ছে।

(তথ্যসূত্র: IRRI ও BRRI ওয়েবসাইট)
৯,৮১৩.
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বরিশাল
  2. খুলনা
  3. ফরিদপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
 
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
 
তথ্যসূত্র -  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯,৮১৪.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না কে?
  1. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  2. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি:
- মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি জনযুদ্ধ।
- দেশের সর্বস্তরের মানুষ এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

⇒ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি),
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি),
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা),
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

অন্যদিকে,
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন না।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮১৫.
কোনটি উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত?
  1. ক) ড্রামহেড
  2. খ) চান্দিনা
  3. গ) কার্ডিনাল
  4. ঘ) প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি আলুর জাত:
- হীরা, 
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক, 
- সুন্দরী, 
- কুফরী ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী, 
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি ধানের জাত:
- বিপ্লব, 
- ইরাটম, 
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান, 
- নারিফা, 
- প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৯,৮১৬.
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বর্তমানে কত স্তরের গ্রেডিং পদ্ধতি চালু রয়েছে?
  1. ৩ স্তর
  2. ৫ স্তর
  3. ৬ স্তর
  4. ৭ স্তর
সঠিক উত্তর:
৭ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ স্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গ্রেডিং পদ্ধতি 
- বাংলাদেশে শিক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতির সর্বশেষ পদ্ধতি হলো  গ্রেডিং পদ্ধতি । 
- ২০০১ সালে ৬স্তর বিশিষ্ট গ্রেডিং পদ্ধতি  অনুমোদন ক্করা হয়। ২০০৩ সালে তা সংস্কার করা হয়।
- বর্তমানে দেশে ৭ স্তরের গ্রেডিং পদ্ধতি চালু রয়েছে।
- এস.এস.সি ও দাখিল পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি  প্রবর্তিত হয় ২০০১ সালে।
- এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় প্রথম প্রবর্তিত হয় ২০০৩ সালে।
- গ্রেড পদ্ধতি কে বলা হয় GPA । 
- GPA = Grade Point Average.

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক গ্রেডিং পদ্ধতি 
গ্রেড _________নম্বর 
১) এ+ = ৮০-১০০ (৫.০০ পয়েন্ট) 
২) এ = ৭০-৭৯ (৪.০০ পয়েন্ট) 
৩) এ- = ৬০-৬৯ (৩.৫০ পয়েন্ট)
৪) বি =  ৫০-৫৯ (৩.০০ পয়েন্ট)
৫) সি = ৪০-৪৯ (২.০০ পয়েন্ট)
৬) ডি = ৩৩-৩৯ (১.০০ পয়েন্ট)
৭) এফ = ০-৩২ (০.০০ পয়েন্ট) 
 
উৎস: শিক্ষা মন্ত্রানালয়ের ওয়েবসাইট। 
৯,৮১৭.
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম প্রচার করেন-
  1. ক) এম.এ. হান্নান
  2. খ) এ.কে. খন্দকার
  3. গ) এম.এ মান্নান
  4. ঘ) জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) এম.এ. হান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এম.এ. হান্নান
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু বন্দি হওয়ার পূর্বেই চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম. এ. হান্নানের নিকট স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন।
- এম.এ. হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম এবং সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার প্রচার করেন।
- ২৭ মার্চ কালুরঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র (পরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র) থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

৯,৮১৮.
ছয় দফার ৬নং দফার আলোচ্য বিষয়টি কোনটি?
  1. ক) প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  2. খ) মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  3. গ) রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. ঘ) বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) প্রতিরক্ষা বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রতিরক্ষা বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
• পাক-ভারত যুদ্ধ সমাপ্ত হলে ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে নিখিল পাকিস্তান জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
• শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
• এতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীকার আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মোট ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ
• প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
• দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
• তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
• চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
• পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮১৯.
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে আইয়ুব খান কার নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন?
  1. ক) ইস্কান্দার মির্জা
  2. খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. গ) জেনারেল টিক্কা খান
  4. ঘ) জুলফিকার আলী ভু্ট্টো
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
• উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগে বাধ্য হন।
• এর আগে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জাকে জোরপূর্বক সরিয়ে আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮২০.
স্বদেশী আন্দোলনের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. রজণীকান্ত সেন
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
সঠিক উত্তর:
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

স্বদেশী আন্দোলন:
- এটি ছিলো একটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশরা বাংলাকে ভেঙ্গে দুটি প্রদেশ তৈরি করে (বঙ্গভঙ্গ)।
- বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতার অংশ হিসেবে স্বদেশী আন্দোলন শুরু হয়।
- এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য: বিলেতি পণ্য বর্জন।
- পরবর্তীতে বিলেতি শিক্ষা বর্জনও আন্দোলনের অংশ হয়।
- স্বদেশী আন্দোলনের প্রধান নেতা: সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- কংগ্রেস নেতারা গ্রামে-গঞ্জে-শহরে প্রকাশ্য সভায় বিলেতি পণ্য পুড়িয়ে ফেলে।
- বাংলার নিজস্ব শিল্প ও কারখানা গঠন (তাঁত, সাবান, লবণ, চিনি, চামড়ার দ্রব্য)।
- বিলেতি শিক্ষা বর্জনের কারণে নতুন জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
- এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধকারী শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানগুলো রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এবং রজণীকান্ত সেন প্রমুখ।
- আমাদের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় রচনা করেন।
- তবে মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি।
- যার কারণে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮২১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর?
  1. ক) ইউনিয়ন পরিষদ
  2. খ) জেলা প্রশাসন
  3. গ) বিভাগীয় কার্যালয়
  4. ঘ) উপজেলা প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপজেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপজেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা

- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- ২০০৮ সালের জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনি উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- জেলা প্রশাসন এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে একজন অভিজ্ঞ সদস্য। তাকে কেন্দ্র করে জেলার সকল সরকারি কাজ পরিচালিত হয়।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৯,৮২২.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন শিল্প পণ্যটি?
  1. ক) মৎস শিল্প
  2. খ) তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার
  3. গ) পাটজাত পণ্য
  4. ঘ) হস্তশিল্পজাত দ্রব্য
সঠিক উত্তর:
খ) তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।

- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫%।
- নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পোশাক - ৩৬.৭২%।
- অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
৯,৮২৩.
সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের কোন জেলায়?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) নড়াইল
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
খ) কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশর কিশোরগঞ্জ জেলার মসুয়া গ্রামে।
তার পিতা বিখ্যাত সাহিত্যিক সুকুমার রায় এবং পিতামহ সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদক ও সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী।
তবে সত্যজিৎ রায়ের জন্ম ১৯২১ সালের ২ মে কলকাতায়।
তার বিখ্যাত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
পথের পাঁচালী (১৯৫৫)
- অপরাজিত (১৯৫৬)
- অশনি সংকেত (১৯৭৩)
- হীরক রাজার দেশে (১৯৮০) ইত্যাদি।
এছাড়া লেখক হিসেবেও তিনি অনেক প্রসিদ্ধ। সত্যজিৎ রায় রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
- ফেলুদা সিরিজ
- শঙ্কু সিরিজ
- বিষয় চলচ্চিত্র প্রভৃতি।
তিনি ১৯৯২ সালে বিশেষ অস্কার পুরস্কার লাভ করেন। সত্যজিৎ রায় ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,৮২৪.
ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন কে?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ
  2. দুদু মিয়া
  3. ফকির মজনু শাহ
  4. হাজী শরীয়তউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
• ফরায়েজি আন্দোলন: 
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়ত উল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।
- ১৮৪০ সালে শরীয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন। 
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৮২৫.
সংবিধানের সপ্তম ভাগে কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. মৌলিক অধিকারসমূহ
  3. মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক
  4. নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচনের কথা রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৯,৮২৬.
বর্তমানে দেশে নীতি সুদহার কত শতাংশ? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১০ শতাংশ
  2. ৮ শতাংশ
  3. ৬ শতাংশ
  4. ৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি থেকে জুন) জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সংকোচনশীল মুদ্রানীতির অবস্থান বজায় রেখে নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
- ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মুদ্রানীতি ঘোষণা  করা হয়।
-  অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে তৃতীয় ও শেষ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

উৎস: দ্যা বিজনেস স্টান্ডার্ড।

৯,৮২৭.
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্রের নাম কী? 
  1. মাইক
  2. ওরা ১১ জন
  3. রেডিও
  4. স্টপ জেনোসাইড
সঠিক উত্তর:
রেডিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্র: 

• বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্রের নাম রেডিও। 
• ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে এর আগে কোনো সিনেমা নির্মিত হয়নি।
• ২০২৩ সালের ১৭ মার্চ দেশজুড়ে মুক্তি পায় ‘রেডিও’।
• মুক্তিযুদ্ধের সময় নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত একটি গ্রামে রেডিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, তা নিয়ে এই সিনেমার গল্প। 
• পরিচালক: অনন্য মামুন। 
• অভিনয়শিল্পী: রিয়াজ, জাকিয়া বারী মম, লুৎফর রহমান জর্জ, নাদের চৌধুরী, প্রাণ রায় এবং এলিনা শাম্মীসহ অনেকেই। 
• একটি গ্রামে ঐতিহাসিক সেই ৭ মার্চের ভাষণ শোনাকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির গল্প।

• উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ কিভাবে জন্ম থেকে প্রজন্মে কেমন প্রভাব ফেলছে তা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘তর্জনী’।
- এর পরিচালক সোহেল রানা।

• অন্যদিকে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘মাইক’। 
- এটি সরকারি অনুদানে নির্মিত হয়েছে। 
- এতে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, ফেরদৌস আহমেদ ও তানভীন সুইটি।

তথ্যসূত্র: দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩ এবং ঢাকা টাইমস , ০৭ মার্চ, ২০২৪। 
৯,৮২৮.
কার সময় থেকে বাংলার সকল অংশের অধিবাসী 'বাঙালি' বলে পরিচিত হয়?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. আলাউদ্দিন আলী শাহ
  4. রুকনউদ্দিন বরবক শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
- শাসক হিসেবে ইলিয়াস শাহ ছিলেন বিচক্ষণ ও জনপ্রিয়।
- তাঁর শাসনামলে রাজ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বিরাজিত ছিল।
- ইলিয়াস শাহ লখনৌতির শাসক হিসেবে বঙ্গ অধিকার করলেও গোটা ভূখণ্ডকে একত্রিত করে আঞ্চলিক বৃহত্তর বাংলা সৃষ্টি করেছিলেন।
- এ সময় থেকেই বাংলার সকল অংশের অধিবাসী 'বাঙালি' বলে পরিচিত হয়।
- ইলিয়াস শাহ 'শাহ-ই বাঙ্গালা' ও 'শাহ-ই-বাঙালিয়ান' উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯,৮২৯.
'জাতীয় স্মৃতিসৌধ' বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের কয়টি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার চিহ্ন বহন করে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- ঢাকার সাভার থানার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ 'সম্মিলিত প্রয়াস' নামেও পরিচিত।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ডিস্বেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- এর স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
- স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি ফলক রয়েছে, যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট কে নির্দেশ করে।

- পর্যায়গুলো হলো :
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৩০.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কত নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪ নং
  2. ৮ নং
  3. ২ নং
  4. ৬ নং
সঠিক উত্তর:
৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নং
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ৪ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ৪ নম্বর সেক্টর:
- সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে পূর্ব ও উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক পর্যন্ত এলাকা নিয়ে ছিলো ৪ নম্বর সেক্টর।
- এ সেক্টরের প্রথম হেডকোয়ার্টার ছিলো করিমগঞ্জ।
- পরবর্তীতে তা আসামের মাসিমপুরে স্থানান্তর করা হয়।
- প্রথম সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত।
- এরপর দায়িত্ব নেন ক্যাপ্টেন এ. রব।

এছাড়াও,
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল ২ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ৮ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১০ নম্বর সেক্টর (নৌবাহিনী)।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ - ১ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ৭ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৩১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মধ্যযুগীয় মসজিদ কোনটি?
  1. ক) কুসুম্বা
  2. খ) বড় সােনা মসজিদ
  3. গ) ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. ঘ) সাত গম্বুজ মসজিদ
সঠিক উত্তর:
গ) ষাট গম্বুজ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ষাট গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
- খান জাহান আলী ছিলেন একজন মুসলিম ধর্মপ্রচারক এবং বাংলাদেশের বাগেরহাটের একজন স্থানীয় শাসক।
- তিনি রাজা গণেশকে পরাজিত করে বাংলার দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ইসলামের পতাকা উড্ডীন করেন।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে বাগেরহাট জেলায় তিনি বাংলাদেশের মধ্যযুগের সবচেয়ে বড় মসজিদ ‘ষাট গম্বুজ মসজিদ’ নির্মাণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।

সূত্র:  নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৩২.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান 'ওয়ার্ল্ড বিজনেস আউটলুক অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’ লাভ করেন?
  1. বিকাশ
  2. আকিজ গ্রুপ
  3. বসুন্ধরা হাউজিং
  4. মেঘনা গ্রুপ
সঠিক উত্তর:
বসুন্ধরা হাউজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসুন্ধরা হাউজিং
ব্যাখ্যা
'ওয়ার্ল্ড বিজনেস আউটলুক অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’:
- দেশের শীর্ষস্থানীয় ল্যান্ড ডেভেলপার বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা হাউজিং মর্যাদাপূর্ণ ‘ওয়ার্ল্ড বিজনেস আউটলুক অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’ পেয়েছে।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সবচেয়ে উদ্ভাবনী ল্যান্ড ডেভেলপার কম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেল বসুন্ধরা হাউজিং।
- ৫ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককের কুইন্স পার্কের ম্যারিয়ট মারকুইসে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- পুরস্কারটি একটি আধুনিক ও গতিশীল জীবনযাত্রার পরিবেশ তৈরির জন্য বসুন্ধরা হাউজিংয়ের অবদানকে তুলে ধরে, যা ঢাকায় প্রথম পরিকল্পিত এবং একমাত্র রাজউক অনুমোদিত আধুনিক স্মার্ট সিটি।

উৎস: ৭ ডিসেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৯,৮৩৩.
সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধানের মূলনীতি থেকে কোন শব্দটি বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. বহুত্ববাদ
  3. সাম্য
  4. গণতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- ৯ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিশন গঠন করা হয়েছে।
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

⇒ সংবিধানের মূলনীতি:
- কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধান সংশোধনের জন্য গণভোটের বিধান পুনর্বহালের সুপারিশ করেছে। 
- এছাড়াও, কমিশন সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাদ দিয়ে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে। 
- কমিশন সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
- বিদ্যমান সংবিধানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ সমন্বিত করে ‘মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা’ নামে একটি একক সনদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আদালতে বলবৎযোগ্য হবে এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অধিকার ও নাগরিক, রাজনৈতিক অধিকারের মধ্যে বিদ্যমান তারতম্য দূর করবে।
- পাশাপাশি, কমিশন দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রস্তাব করছে, যেখানে একটি নিম্নকক্ষ জাতীয় সংসদ (ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলি) এবং একটি উচ্চকক্ষ (সিনেট) থাকবে এবং এখানে উভয় কক্ষের মেয়াদ হবে চার বছর।
- রাষ্ট্রীয় কার্যাবলীতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়ন এবং রাষ্ট্রীয় অঙ্গ ও প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করার জন্য একটি জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠন এবং আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেওয়া পর্যন্ত, সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন মেয়াদের একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করেছে।

উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।

৯,৮৩৪.
নিচের কোনটিকে ‘স্বার্থকামী গোষ্ঠী’ বলা হয়?
  1. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. জনগণ
  3. সরকার 
  4. রাজনৈতিক দল 
সঠিক উত্তর:
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
স্বার্থকামী গোষ্ঠী:
● অধ্যাপক মাইনর ওয়েনারের মতে,“চাপ সৃষ্টিকারী বা স্বার্থকামী গোষ্ঠী বলতে এমন এক গোষ্ঠীকে বুঝায় যা স্বেচ্ছামূলক ভাবে সংগঠিত,যা সরকারি কাঠামোর বাইরে অবস্থান করে, সরকারি নীতিমালা গ্রহণ, পরিচালনা ও নির্ধারণের ক্ষেত্রেপ্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট থাকে।”

● আলফ্রেড গ্রজিয়ার মতে, “চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে, এমন এক সংগঠিত সামাজিক গোষ্ঠী; যা সরকারকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের আচরণকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় পত্র,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৩৫.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কতজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়?
  1. ৩৪ জন
  2. ৩৫ জন
  3. ৩৬ জন
  4. ৩৭ জন
সঠিক উত্তর:
৩৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ জন
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৩৬.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৮৩৭.
OMS stands for-
  1. Open Market Strategy
  2. Open Market Sale
  3. Open Market System
  4. Open Market Support
সঠিক উত্তর:
Open Market Sale
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Open Market Sale
ব্যাখ্যা
OMS:
- OMS এর পূর্ণরূপ: Open Market Sale.
- Public Food Distribution System (PFDS) এর আওতায় খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।
- খাদ্যশস্যের বাজার মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে মূল্য সহায়তা (Price Support) দেয়া এবং বাজার দর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। 
- এর মধ্যে নগদ সহায়তায় (Monetised) আকারে ওপেন মার্কেট সেল (OMS) সহায়তা দিয়ে থাকে।

উৎস: খাদ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯,৮৩৮.
নিম্নের কোন ব্যাংকটি আয়কর মুক্ত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. জনতা ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. পূবালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য,
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর।
- এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ৭৬ এর উপধারা (১) এর ক্ষমতাবলে, গ্রামীণ ব্যাংক আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪ এর অধীন স্থাপিত গ্রামীণ ব্যাংকের অর্জিত সকল আয়কে এই আইনের অধীন আয়কর প্রদান হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।’ এর এই কর অব্যাহতির মেয়াদ থাকবে ২০২৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৯,৮৩৯.
'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯ জুলাই, ১৯৭১
  2. ২৮ জুলাই, ১৯৭১
  3. ১ আগস্ট, ১৯৭১
  4. ১৯ আগস্ট, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১ আগস্ট, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ আগস্ট, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের পাশে এসে দাঁড়ানোর অসাধারণ একটি উদ্যোগের নাম 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক কনসার্টটি।
- ম্যনহাটনের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে হওয়া সেই কনসার্টের অন্যতম দুই উদ্যোক্তা ছিলেন ইংল্যান্ডের সাড়া জাগানো ব্যান্ড দল দ্য বিটলস ব্যান্ডখ্যাত পশ্চিমা সঙ্গীতের অগ্রগণ্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসন ও ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য অংশ সেই কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছে একটি উৎসবের।
- ৩১ জুলাই শনিবার বিকালে জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৬ জুলাই ২০২১।
৯,৮৪০.
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে -
  1. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. সুশীল সমাজ
  3. বিরোধী দল
  4. সরকারি দল
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৯,৮৪১.
বাংলাদেশ নৌ সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুর্মিটোলা , ঢাকা
  2. খ) ভাটিয়ারি , চট্রগ্রাম
  3. গ) বনানী, ঢাকা
  4. ঘ) মহাখালী,ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গ) বনানী, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বনানী, ঢাকা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ নৌ সদরদপ্তর অবস্থিত -বনানী, ঢাকা।
- প্রতীক-কাছি বেস্টিত নোঙ্গর ও এর উপরে শাপলা।
- স্লোগান- শান্তিতে সংগ্রামে সমুদ্রে দুর্জয়।
- সর্বোচ্চ পদ এডমিরাল।
- এয়ার ফোর্স একাডেমি - যশোর {১৯৭৩)
- বিএনএস শেখ হাসিনা কার্যত বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি। এটি পেকুয়া,কক্সবাজার,চট্রগ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ওয়েবসাইট।

৯,৮৪২.
জেনারেল আইয়ুব খান রাষ্ট্রপতি পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন -
  1. ক) ১৯৫৮ সনের ২৭ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৫৮ সনে ২৮ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৫৯ সনের ২৭ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৫৯ সনের ২৮ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৮ সনের ২৭ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৮ সনের ২৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
১৯৫৮ সনের ২৭ অক্টোবর মাত্র ২০ দিনের মাথায় জেনারেল আইয়ুব খান ৪ জন জেনারেলকে পাঠান প্রেসিডেন্ট জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জার কছে।
- সশস্ত্র ৪ জেনারেল প্রেসিডেন্ট মীর্জাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন। আইয়ুব খান এ কুচক্রীকে পাকিস্তানে রাখতে সাহস পেলেন না। এজন্যই পরদিন তাঁকে দেশত্যাগ করতে বাধ্য করা হলাে । জেনারেল ইস্কান্দার মীর্জা কোনােদিনই আর দেশে ফিরিতে পারেনি । তিনি নিজেকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত করে যেসব পদক্ষেপ নেন তা হলাে-
১। নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘােষণা
২। পূর্ব ঘােষিত ১৯৫৯ সালে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচন স্থগিত করা
৩। দুর্নীতি ও চোরাচালান দূর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত ও
৪। রাজনৈতিক দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা

• ১৯৫৮ সনের ২৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান এক সামরিক আদেশ জারি করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদটি বিলুপ্ত ঘােষণা করেন এবং নিজেই রাষ্ট্রপতি পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন । তিনি অপর এক ঘােষণাবলে ১৯৫৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত্য  সাধারন নির্বাচনের পূর্ব ঘােষণাকে বাতিল করে দেন । পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক পদে অধিষ্ঠিত হয়ে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবরেই তিনি ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪৩.
জাতীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বিধানের দায়িত্ব পালন করেন-
  1. সংসদ নেতা
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. চিফ হুইপ
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
চিফ হুইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিফ হুইপ
ব্যাখ্যা

- চিপ হুইপ সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বিধানের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের নেতা।
- মাননীয় স্পিকার জাতীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৯,৮৪৪.
১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট কয়টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ১১টি
  2. ১৫টি
  3. ২১টি
  4. ২৪টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ এর নির্বাচন:
- প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০ সালে।
- অবশ্য ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ের ফলে দুর্গত ও উপকূলীয় এলাকায় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল: ২৪টি।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের মোট আসন সংখ্যা - ৩১০টি।
• সাধারণ আসন - ৩০০টি।
• সংরক্ষিত নারী আসন - ১০টি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৪৫.
জনসংখ্যার ভিত্তিতে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান-
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
ক) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দেনেশিয়া। ৩০ হাজার মুসল্লি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদ ‘বাইতুর রহমান’ এখানেই অবস্থিত।
জনসংখ্যার দিক থেকে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান- চতুর্থ।
উৎসঃ দৈনিক কালের কন্ঠ।

৯,৮৪৬.
ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার কোন সম্রাটের শাসনামলে ভারত ভ্রমণ করেছিলেন?
  1. আকবর
  2. আওরঙ্গজেব
  3. হুমায়ুন
  4. জাহাঙ্গীর 
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গজেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

- ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ভারত ভ্রমণ করেছিলেন।  

ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার
:
- ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার ছিলেন একজন ফরাসি চিকিৎসক এবং ভ্রমণকারী।
- তিনি ১৬৫৬ ও ১৬৬৮ সালের মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। মুঘল আমলে প্রায় ১২ বছর তিনি ভারতে ছিলেন।
- হিন্দুস্থানের সম্রাট, আমীর ওমরাহ থেকে সকল শ্রেণির মানুষের জীবন, সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি-নীতি, এমন কি সতীদাহ পর্যন্ত নিজের চোখে দেখেছেন।

উল্লেখ্য,
- সম্রাট শাহজাহান এর পুত্রদের মধ্যে উত্তরাধিকার যুদ্ধে দারাকে বন্দি করে কুচকাওয়াজ সহকারে অসম্মানজনকভাবে রাস্তা দিয়ে যখন নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, বার্নিয়ার সেই সময় দিল্লিতে অবস্থান করছিলেন। 
- তিনি সবচেয়ে কাছে থেকে দেখে সম্রাট দারাশিকো ও আওরঙ্গজেব সম্পর্কে তাঁর পর্যবেক্ষণ বর্ণনা করেছেন।

• ভারতে অবস্থানকালে বার্নিয়ার দুবার বাংলাদেশে এসেছিলেন।
- তিনি উল্লেখ করেন যে, মুগল সাম্রাজ্যের সবগুলি প্রদেশের মধ্যে বাংলাদেশ ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৮৪৭.
বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি:

- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়। 
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে।প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা (Preamble), ১১টি অধ্যায়, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ (Articles) ও ৭টি তফসিল (Schedule) সন্নিবেশিত রয়েছে।

সংবিধানের ১১টি ভাগের বিষয়াবলি:
- সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান। 
৯,৮৪৯.
কোন ভাষা শহীদ ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তারিখে শহীদ হননি?
  1. আবুল বরকত
  2. আবদুস সালাম
  3. রফিক উদ্দিন আহমদ
  4. আবদুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
আবদুস সালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুস সালাম
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে শহীদ হন আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার।
আবদুস সালাম ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ই এপ্রিল শহীদ হন।
২২ শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা শহীদদের জন্য শোক মিছিল বের করে। আবারও মিছিলের ওপর পুলিশ ও মিলিটারি লাঠি, গুলি ও বেয়োনেট ব্যবহার করে। এতে শফিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহীদ হন। অনেকে গ্রেফতার হন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮৫০.
'চারুপীঠ' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদীন
  3. কামরুল হাসান
  4. মুস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
• এস এম সুলতান:
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান ।
- তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ' ও 'চারুপীঠ' নামে শিশুদের জন্যে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।

• এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- হত্যাযজ্ঞ, 
- চরদখল, 
- সভ্যতার ক্রমবিকাশ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৫১.
বাংলাদেশের অষ্টম সরকারি EPZ এর নাম কী?
  1. ক) কর্ণফুলী ইপিজেড
  2. খ) চট্টগ্রাম ইপিজেড
  3. গ) মংলা ইপিজেড
  4. ঘ) কুমিল্লা ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
ক) কর্ণফুলী ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

- বাংলাদেশের অষ্টম সরকারি EPZ এর নাম - কর্ণফুলী ইপিজেড।
- সরকারি ইপিজেড হচ্ছে - চট্টগ্রাম ইপিজেড (১৯৮৩), ঢাকা ইপিজেড (১৯৯৩),  মংলা ইপিজেড (১৯৯৮), ঈশ্বরদী ইপিজেড (১৯৯৮), কুমিল্লা ইপিজেড (২০০০), উত্তরা ইপিজেড (২০০১), আদমজী ইপিজেড (২০০৬), কর্ণফুলী ইপিজেড (২০০৬)। 
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড - কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম,।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৫২.
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বলা হয় -
  1. ক) ড্রাফট
  2. খ)  বিল
  3. গ) অর্ডিন্যান্স
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ)  বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ)  বিল
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।

- বিল:

- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
৯,৮৫৩.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস লিখেন -
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. জহির রায়হান
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. শওকত আলী
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯,৮৫৪.
মুঘল বংশের শেষ সম্রাট কে ছিলেন?
  1. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
  2. দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. মুহাম্মদ শাহ
  4. ফররুখশিয়ার
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা
মুঘল বংশের শাসন:
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মোগল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৯,৮৫৫.
প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি সম্পর্কে বলা আছে -
  1. অনুচ্ছেদ ১৪২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪১
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৯,৮৫৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'বিচারকের পদের মেয়াদ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৫
  2. অনুচ্ছেদ ৯৬
  3. অনুচ্ছেদ ৯৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৬
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।
- অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৮৫৭.
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো কোন টুর্নামেন্টের মূল পর্বে অংশগ্রহণ করবে?
  1. এএফসি কাপ
  2. সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
  3. অলিম্পিক নারী ফুটবল
  4. নারী বিশ্বকাপ ফুটবল
সঠিক উত্তর:
এএফসি কাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এএফসি কাপ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো জায়গা করে নিয়েছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে।
- বাংলাদেশই বাছাইপর্ব থেকে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে ওঠা প্রথম দল।
- ২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়া অনুষ্টিত হওয়া এএফসি নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এখন পর্যন্ত একবারই এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার কীর্তি আছে।
- ১৯৮০ সালে কুয়েতে খেলেছিল বাংলাদেশের পুরুষদের জাতীয় দল।
- এরপর আর কখনো বাংলাদেশের কোনো জাতীয় দল এশিয়ান কাপে খেলতে পারেনি।

উৎস: প্রথম আলো লিংক
৯,৮৫৮.
'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন- 
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. শেরে বাংলা ফজলুল হক
  4. মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা

- 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন সৈয়দ আমীর আলী।

• সৈয়দ আমীর আলী:
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
- তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৭৭ সালে ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটিকে তিনি ভারতের অন্যান্য প্রদেশসমূহের শাখাগুলি অধিভুক্তির পর 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে নতুন নামকরণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৫৯.
পানিপথ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিল্লির অদূরে
  2. খ) মুলতানের অদূরে
  3. গ) পেশোয়ারের অদূরে
  4. ঘ) সিন্ধুর অদূরে
সঠিক উত্তর:
ক) দিল্লির অদূরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দিল্লির অদূরে
ব্যাখ্যা
পানিপথ উত্তর ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের একটি শহর। এটি দিল্লি থেকে ৯০ কি.মি. উত্তরে যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জহিরুদ্দিন মোহাম্মদ বাবর ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ হয় ১৫৫৬ সালে , পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ হয় ১৭৬১ সালে।
উৎস : ইসলামি ইতিহাস ও সংস্কৃতি (একাদশ-দ্বাদশ)
৯,৮৬০.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় দেশে প্রথমবারের মত কোন রোগ প্রতিরোধে টিকা দিবে সরকার? (আগস্ট-২০২৫)
  1. কলেরা
  2. ডেঙ্গু
  3. যক্ষ্মা
  4. টাইফয়েড
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
ব্যাখ্যা

টাইফয়েড টিকা:
- দেশে প্রথমবারের মতো টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা দেবে সরকার।
ভ্যাকসিনটি এসেছে গ্যাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের সহায়তায়।
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর আওতায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে।
এক ডোজের ইনজেকটেবল এই টিকা ৩ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে।

​উল্লেখ্য,
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, টাইফয়েড জ্বর হলো স্যালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট একটি সিস্টেমিক সংক্রমণ, যা সাধারণত দূষিত খাদ্য বা পানি গ্রহণের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
- এর উপসর্গ হলো-দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, মাথাব্যথা, বমিভাব, ক্ষুধামন্দা এবং কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য, আবার কখনো ডায়রিয়া।
রোগের গুরুতর ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিতে পারে কিংবা মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
- বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৯০ লাখ মানুষ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় এবং প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে এই রোগে।

উৎস:- নিউজ প্রতিবেদন। [লিংক]

৯,৮৬১.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম কী নামে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. কলেজ অব এডুকেশন
  2. জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)
  3. জাতীয় শিক্ষা একাডেমি
  4. প্রাইমারি টিচার্স ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)
ব্যাখ্যা

নেপ:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিকে সংক্ষেপে নেপ বলা হয়।
- নেপ সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়।
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে।
- ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি ১৯৭৮ সালে "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)"।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

 উৎস: নেপ ওয়েবসাইট।

৯,৮৬২.
ঢাকা স্বাধীনতা যুদ্ধে কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) সেক্টর ১
  2. খ) সেক্টর ২
  3. গ) সেক্টর ৩
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সেক্টর ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেক্টর ২
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধকালে ঢাকা ২ নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। 
- এছাড়া নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
- এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ ও সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিলেন মেজর হায়দার।


উৎস: dhakadiv.gov.bd
৯,৮৬৩.
কোন মুঘল সুবেদার চট্টোগ্রামের নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
  1. ক) ইসমাইল খাঁ
  2. খ) রাজা মানসিংহ
  3. গ) মীর জুমলা
  4. ঘ) শায়েস্তা খাঁ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খাঁ
ব্যাখ্যা

- মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন। তাঁর সুবাদারী শাসনকাল দুপর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম দফায় ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ খ্রি: পর্যন্ত এবং শেষে ১৬৭৯ থেকে ১৬৮৮ খ্রি: পর্যন্ত তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন।
শায়েস্তা খানের কীর্তি-
- চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম অধিকার করে আরাকানি জলদস্যুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করেন।
- তিনি বাংলা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেন।
- তাঁর আমলে নির্মিত স্থাপত্য কর্মের মধ্যে ছােট কাটারা, লালবাগ কেল্লা, বিবি পরির সমাধিসৌধ, হােসেনী দালান, সফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ প্রভৃতি উল্লেখযােগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

৯,৮৬৪.
প্রবাসী সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কে পাঠ করেন?
  1. ক) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  2. খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলা)।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৬৫.
বাংলাদেশের সংবিধানে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা উল্লেখ আছে -
  1. ক) ১১৮ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১১৯ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১২১ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদঃ
- (১) প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকার ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
- (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
- (ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হোন
- (খ) তাহার বয়স আঠারো (১৮) বৎসরের কম না হয়;
- (গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
- (ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
- (ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইবুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর।
- ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর।
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,৮৬৬.
সার্বিকভাবে জিডিপি কয়টি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৫টি খাত
  2. ১৯টি খাত
  3. ২১টি খাত
  4. ২৪টি খাত
সঠিক উত্তর:
১৯টি খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি খাত
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৯,৮৬৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার কত?
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০%
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- সাধারণভাবে, মোট আয়ের করহারের তফসিল অনুযায়ী করহার প্রয়োগ করে একজন করদাতার মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের পরিমান নিরূপণ করা হয়।

⇒ আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:
• সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা ও গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৭৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য।
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%,
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১০%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ১৫%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%,
- পরবর্তী ২০,০০,০০০/- টাকার: ২৫%,
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ৩০%।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৮৬৮.
টিএসপি সার কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
  2. ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট
  3. সরিষাবাড়ী, জামালপুর
  4. পলাশ, নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান: পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকাতলীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০  মেট্রিক টন।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৯,৮৬৯.
বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম কী?
  1. প্রবাসী
  2. সৈনিক
  3. জয়বাংলা
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• মজিবনগর সরকারের প্রকাশিত পত্রিকা:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করা হয়। গণমাধ্যম হিসেবে মূল্যবান অবদান রেখেছে এসব পত্র-পত্রিকা।
- সে সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
- ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হতো।

এছাড়াও -
- বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার 'বাংলাদেশ' নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে।
- গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ সমরসহ মুক্তিযোদ্ধাদের নানা ধরনের তৎপরতার খবরের পাশাপাশি এই পত্রিকাগুলোতে থাকতো বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠন ও আন্দোলনের খবর এবং বাঙালি কুটনীতিকদের কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণী।

[নোট: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’। বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার 'বাংলাদেশ' নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে।]

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৭০.
‘শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মনিরামপুর
  2. খ) সোনারগাঁও
  3. গ) মিঠামইন
  4. ঘ) সাভার
সঠিক উত্তর:
খ) সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
- ‘শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি ১৯৯৬ সালের ১৯ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
- এই জাদুঘরে বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্পের ৫,৪৭৮টি নিদর্শন রযেছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
(সূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
৯,৮৭১.
নিচের কোনটি উন্নতজাতের আম?
  1. গ্রীন এক্সপ্রেস
  2. সাগরভাষা
  3. অগ্রদূত
  4. ময়না
সঠিক উত্তর:
সাগরভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরভাষা
ব্যাখ্যা
সাগরভাষা আমের একটি উন্নতজাত। 
আরো কিছু ফসলের ভিন্ন জাত- 
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:

গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- সাগরভাষা, মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৯,৮৭২.
উইং কমান্ডার এম কে বাশার মুক্তিযুদ্ধের কততম সেক্টর প্রধান ছিলেন?
  1. ৭ নং সেক্টর
  2. ৯ নং সেক্টর
  3. ৩ নং সেক্টর
  4. ৬ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৬ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

• সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডার সমূহ 
• ১নং সেক্টর:
- সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর:
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর:
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর:
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।

• ৫ নং সেক্টর:
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

• ৬ নং সেক্টর:
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর:
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর:
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর:
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর:
- নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরের নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৮৭৩.
বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম কোথায় অবস্থিত ?
  1. ক) পটুয়াখালী
  2. খ) সুনামগঞ্জ
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- সাগরের পাহাড়, গুহা, তলদেশ উঁচু নিচু আর এলোমেলো সাগর পথ পাড়ি দিতে দুই ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হবে।
- এমন  এ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ বিনোদনের জন্য দেশে প্রথমবারের মতো ফিস ওয়ার্ল্ড এ্যাকুরিয়াম হয়েছে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলায়। যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সংযোজন হয়েছে বিনোদনের নতুন ধাপ।
- বেসরকারিভাবে এটি তৈরি করেন রেডিয়েন্ট গ্রুপ।
- এটি মালেশিয়ার টেকনিক্যাল প্রকৌশলির সহায়তায় নির্মিত হয়েছে। 
- এই এ্যাকুরিয়ামে বঙ্গোপসাগরের থাকা বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য সংক্ষণ করা হয়েছে। 
- অচেনা এবং বিলুপ্ত প্রায় অনেক মাছও রয়েছে। সাগরের বিলুপ্ত মাছ বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণে একটি জাদুঘরও করা হচ্ছে। 
- কক্সবাজারে স্থাপিত এটিই হচ্ছে দেশের প্রথম সামুদ্রিক ফিস এ্যাকুরিয়াম।
৯,৮৭৪.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন -
  1. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫
  2. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫
  3. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২-১৫ আগস্ট ১৯৭৫
  4. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-১৫ আগস্ট ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১২ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন:
• পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (১৯৪৮),
• পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদকদের একজন (১৯৪৯),
• আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (১৯৫৩-১৯৬৬) ),
• আওয়ামী লীগের সভাপতি (১৯৬৬-১৯৭৪),
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ পর্যন্ত অনুপস্থিতিতে),
• বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (১২ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫),
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (২৫ জানুয়ারী ১৯৭৫-১৫ আগস্ট ১৯৭৫)।
- তার ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল অসন্তুষ্ট সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন।
- তার দুই কন্যা ছাড়া তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয় যারা সে সময় বিদেশে অবস্থান করছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৯,৮৭৫.
পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. আবুল হাশিম
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. মাওলানা আকরাম খান
  4. খাজা নাজিমউদ্দিন
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমউদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমউদ্দিন
ব্যাখ্যা
ভারতে ও স্বাধীন পাকিস্তানের জন্ম:
- ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে 'ভারতীয় স্বাধীনতা আইন' পাস হয়।
- এই আইন বলে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- স্বাধীনতা লাভের সময় পাকিস্তানকে ৫টি প্রদেশে বিভক্ত করা হয়েছিল।
- পাকিস্তানের পূর্বাংশে ছিল পূর্ববাংলা নামক ১টি প্রদেশ এবং পশ্চিমাংশে ছিল ৪টি প্রদেশ। যথা পাঞ্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান এবং উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ।
- ১৯৫৫ সালে পূর্ববাংলা প্রদেশের নাম পরিবর্তন করে করা হয় পূর্ব পাকিস্তান।
- পাকিস্তানের মোট ভূখণ্ডের শতকরা ৮৪.৩ ভাগ আয়তন ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের এবং মাত্র ১৫.৭ ভাগ আয়তন ছিল পূর্ব পাকিস্তানের।
- পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
- তিনি লিয়াকত আলী খানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
- ব্রিটিশ আমলে বাংলা নামক যে প্রদেশ ছিল তা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম বাংলা নামক দুটি অংশে বিভক্ত করে এবং পশ্চিম বাংলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত এবং পূর্ববাংলাকে পাকিস্তানের অংশ বলে ঘোষণা করে।
- তখন ঢাকায় পূর্ব বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয়।
- পূর্ববাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- প্রথম গভর্নর নিযুক্ত হন স্যার ফ্রেডারিক বোর্ণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৭৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০-১৭ জুলাই কলকাতায় তাজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যুদ্ধাঞ্চলের অধিনায়কদের সম্মেলনে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এগারোটি সেক্টর হলো:
১ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর জিয়াউর রহমান এবং মেজর রফিকুল ইসলাম
২ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশবিশেষ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ.টি.এম হায়দার
৩ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
৪ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
৫ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর মীর শওকত আলী
৬ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা
- সেক্টর কমান্ডার : উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
৭ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর নাজমুল হক এবং সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান
৮ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. এ জলিল এবং মেজর এম. এ মঞ্জুর
১০ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সমুদ্র ও নৌ অঞ্চল
- সেক্টর কমান্ডার : নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিলো না
১১ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. আবু তাহের এবং স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,৮৭৭.
নওয়াব ফয়জুন্নেসা জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
  1. ঢাকায়
  2. কুমিল্লায়
  3. রংপুরে
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লায়
ব্যাখ্যা
- নওয়াব ফয়জুন্নেসা জন্মগ্রহণ করেন কুমিল্লায়। 

 • নবাব ফয়জুন্নেসা:
- নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি।
- কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা আহমদ আলী চৌধুরী ছিলেন হোমনাবাদ-পশ্চিমগাঁও-এর জমিদার।
- পারিবারিক পরিবেশে গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাড়িতেই তিনি শিক্ষালাভ করেন।
- মুসলমানদের কঠিন পর্দাপ্রথার মধ্যে থেকেও ফয়জুন্নেসা আরবি, ফারসি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়ও ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন।
- গদ্যে-পদ্যে রচিত তাঁর রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৭৮.
প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
  2. ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
  3. ১৯৪৮ সালের জানুয়ারী মাসে
  4. ১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এ সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়।
- পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'।
- এর আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৯,৮৭৯.
বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন কত তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২১ নভেম্বর, ২০০৪
  2. ২৩ নভেম্বর, ২০০৪
  3. ২৫ নভেম্বর, ২০০৪
  4. ২৮শে নভেম্বর, ২০০৪
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ২০০৪
ব্যাখ্যা

• দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক):
- ২১ শে নভেম্বর ২০০৪ বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- রুপকল্প: সমাজের সর্বস্তরে প্রবাহমান একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করা। 
-  লক্ষ্য: অব্যাহতভাবে দুর্নীতির দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চার বিকাশ সাধন করা। 

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

 তথ্যসূত্র: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৯,৮৮০.
১৯৫৩ সালে বাংলাদেশের কোথায় প্রথম কাগজ কল স্থাপিত হয়?
  1. ক) পাকশী
  2. খ) মাগুরা
  3. গ) চন্দ্রঘোনা
  4. ঘ) মেঘনা
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রঘোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রঘোনা
ব্যাখ্যা
১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনায় দেশের প্রথম কাগজ কল তথা কর্ণফুলি পেপার মিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
এ কাগজকলে বাঁশ হচ্ছে প্রধান কাঁচামাল। দেশের মধ্যে এটাই বৃহত্তম কাগজকল (মন্ডসহ)।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।
৯,৮৮১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. ক) ৮
  2. খ) ৬
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
ক) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে (৮-২৫) রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি মূলনীতিসমূহ বর্ণনা করা হয়।
 - এই সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(১) অনুযায়ী জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ    হতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলে পরিগণিত হবে।
- এই সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২) অনুযায়ী এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হবে, আইন-প্রণয়নের সময় রাষ্ট্র তা প্রয়োগ করবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হবে এবং তা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে না ৷

- অনুচ্ছেদ-৬ নাগরিকতা।
- অনুচ্ছেদ-৫ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।
- অনুচ্ছেদ-৭ সংবিধানের প্রাধান্য।
 
উৎস: - বাংলাদেশ সংবিধান।
৯,৮৮২.
বঙ্গবন্ধু কোথায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ক) পল্টন ময়দান
  2. খ) আরমানিটুলা ময়দান
  3. গ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) রেসকোর্স ময়দান
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেসকোর্স ময়দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেসকোর্স ময়দান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১লা মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করলে পূর্ব পাকিস্তানে তার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর অংশ হিসেবে ৭ই মার্চ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (সাবেক রেসকোর্স ময়দান) একটি জনসভার আয়োজন করা হয়।

এই জনসভাতেই বঙ্গবন্ধু তার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন। এই ভাষণে ২৫শে মার্চ পুনরায় ঘোষিত জাতীয় পরিষদের যোগদানের পূর্বশর্ত হিসেবে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবী উত্থাপন করেন।

এগুলো হলো:
- সামরিক আইন প্রত্যাহার করা
- ‍নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা
- সেনাবাহিনীর গণহত্যার তদন্ত করা
- সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।

৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-১৬ এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
৯,৮৮৩.
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. তারামন বিবি
  2. সেতারা বেগম
  3. কাকন বিবি
  4. আশালতা বৈদ্য
সঠিক উত্তর:
আশালতা বৈদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশালতা বৈদ্য
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার:
- মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার আশালতা বৈদ্য।

⇒ আশালতা বৈদ্যের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি।
- মুক্তিযুদ্ধের বছর তার বয়স ছিল মাত্র পনের বছর।
- মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধের ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরে কোটালীপাড়া সীমানা সাব-সেক্টরের কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিনের বাহিনীতে যোগ দেন
- তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী/৭১ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, বরিশাল অঞ্চলে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং একমাত্র নারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৯,৮৮৪.
২০১৯-২০২০ সালে কত শতাংশ জমিতে তৈলবীজ উৎপন্ন হয়েছে?
  1. ক) ৭৬.৮৫%
  2. খ) ২.২৪%
  3. গ) ৩.০১%
  4. ঘ) ২.৬৬%
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.০১%
ব্যাখ্যা

২০১৯-২০২০ সালে ৩.০১% শতাংশ জমিতে তৈলবীজ উৎপন্ন হয়েছে ।
- ধান উৎপন্ন হয়েছে ৭৬.৮৫% জমিতে।
- ডাল জাতীয় শস্য ২.২৪% জমিতে।
- মসলা জাতীয় ফসল উৎপন্ন ২.৬৬% জমিতে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ( আপডেট) ২০২০

৯,৮৮৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন অঞ্চলে আফসার বাহিনী গঠিত হয়?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. টাঙ্গাইল
  3. ময়মনসিংহ
  4. গোপালগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:
- বাংলাদেশ সরকার ও সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও সমর্থনের বাইরে অঞ্চল ভিত্তিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল বেশকিছু আঞ্চলিক মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে গড়ে ওঠা কিছু উল্লেখযোগ্য মুক্তিবাহিনী:
আফসার বাহিনী – ভালুকা, ময়মনসিংহ অঞ্চল।
কাদেরিয়া, বাতেন বাহিনী – টাঙ্গাইল অঞ্চল।
হেমায়েত বাহিনী – গোপালগঞ্জ।
হালিম বাহিনী – মানিকগঞ্জ।
আকবর বাহিনী – মাগুরা।
লতিফ মীর্জা বাহিনী – সিরাজগঞ্জ ও পাবনা।
জিয়া বাহিনী – সুন্দরবন এলাকা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৮৮৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. রংপুর
  2. ঝিনাইদহ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯,৮৮৭.
মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে কাকে?
  1. সিকান্দার শাহ
  2. আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
  3. ইলিয়াস শাহ
  4. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি বাংলার আকবর হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব “বৈষ্ণব ধর্ম” প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ছোট সোনা মসজিদ ‘সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন’ বলে আখ্যায়িত।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।

⇒ তার শাসনামলে বাংলার সালতানাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে।
- হুসেন শাহ কামরূপ ও কামতা জয় করেন।
- ঊড়িষ্যা এবং ত্রিপুরার কিছু অংশ তার শাসনাধীন আসে।
- এছাড়া তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

⇒ তিনি হিন্দু-মুসলমান সম্প্রতি স্থাপনের জন্য প্রচেষ্টা চালান, যা তৎকালীন সমাজজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
- হুসেন শাহ সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তার শাসনামলে বাংলা সাহিত্যের ব্যাপক উন্নতি ঘটে।
- তার সময়ের বিখ্যাত কবিদের মধ্যে ছিলেন রূপ গোস্বামী, মালাধর বসু, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, এবং পরাগল খান।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৮৮.
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. মৃণাল হক
  3. কামরুল হাসান
  4. শামীম শিকদার
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
শহিদ মিনার:

- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহিদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
৯,৮৮৯.
বাংলাদেশে প্রথম করােনা রােগী সনাক্ত হয় কবে?
  1. ক) ৬ মার্চ, ২০২০
  2. খ) ৭ মার্চ, ২০২০
  3. গ) ৮ মার্চ, ২০২০
  4. ঘ) ১৭ মার্চ, ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ মার্চ, ২০২০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ৮ মার্চ ২০২০ সর্বপ্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়।
- ১৮ মার্চ ২০২০ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম রোগী মারা যায়।
- ১৮ মার্চ ২০২০ তারিখে দেশের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- ২৬ মার্চ ২০২০ তারিখে করোনা ইস্যুতে সারাদেশ ব্যাপী প্রথমবারের লকডাউন ঘোষণা করা হয়।
- ২৭ জানুয়ারি ২০২১ বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে কুর্মিটোলা হাসপাতালের সেবিকা রুনো ভেরোনিকা কস্তা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটি উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ থেকে সারাদেশ কোভিড-১৯ রোগের প্রতিষেধক টিকাদান শুরু হয়।

(তথ্যসূত্র: করোনা ইনফো, বাংলাদেশ সরকার এবং বিবিসি বাংলা)
৯,৮৯০.
বাজেটে প্রক্ষেপিত মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ?
  1. ক) ৫.৬%
  2. খ) ৫.৪%
  3. গ) ৫.৫%
  4. ঘ) ৫.৩%
সঠিক উত্তর:
গ) ৫.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫.৫%
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০
৯,৮৯১.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ছিলেন -
  1. ফৌজদার
  2. সুবাহদার
  3. শিকদার
  4. ওয়াজির
সঠিক উত্তর:
শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিকদার
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৯২.
কৌলীন্য প্রথা বাংলার সেন বংশের কোন রাজা প্রবর্তন করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

• বল্লাল সেন:
- সেন বংশের দ্বিতীয় রাজা বল্লাল সেন।
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন। কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- কৌলিন্য প্রথা বলতে বোঝায়, যে কোনো জাতি বা গোষ্ঠী বা বর্ণ বা সম্ভ্রান্ত বংশ যারা সামাজিক সম্মান ভোগ করে এবং ঐতিহ্যগতভাবে নিজেদের সামাজিক অবস্থান এবং ‘কুল’ পরিচিতি ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৯৩.
দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোনটির মাধ্যমে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক রপ্তানি
  2. প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ
  3. পাটজাত পণ্য রপ্তানি
  4. চিংড়ি রপ্তানি 
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানি
ব্যাখ্যা

দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন:
- দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে।
- বাংলাদেশের এটিই সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- তৈরি পোশাক খাতের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮.১৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের থেকে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮২ কোটি মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
ii) প্রথম আলো।

৯,৮৯৪.
'ঘেরাও' শব্দটি কোন রাজনীতিবিদ প্রথম ব্যবহার করেন?
  1. এ কে ফজলুল হক
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন হাজী শরাফত আলী খান।
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাসানচরে বন্যার কবল থেকে বাঙালি কৃষকদের রক্ষার জন্য তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে একটি বাঁধ নির্মাণ করেন।
- ভাসানচরের জনসাধারণ তাকে ‘ভাসানী সাহেব’ বলে অভিহিত করে এবং পরবর্তীকালে এ উপাধি তাঁর নামের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৬ সালের ১৬ই মে ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের দিকে একটি মিছিলের আয়োজন করেন বাংলাদেশের সুপরিচিত রাজনীতিবিদ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- এই মিছিল ও সমাবেশ 'ফারাক্কা লংমার্চ' হিসেবে পরিচিত।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যখন ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন তখন তার বয়স ৯০ বছরের বেশি।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

⇒ 'ঘেরাও' শব্দটি মাওলানা ভাসানী প্রথম ব্যবহার করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৮৯৫.
উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে কী ঘটে?
  1. অতি মুদ্রাস্ফীতি
  2. মুদ্রাস্ফীতি
  3. মুদ্রা সংকোচন
  4. বর্নিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা সংকোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা সংকোচন
ব্যাখ্যা

- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।

মুদ্রাস্ফীতি:

- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

৯,৮৯৬.
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী কোন আসামীর বীরত্বসূচক খেতাব বাতিল করা হয়?
  1. ক) শরিফুল হক ডালিম
  2. খ) নূর চৌধুরী
  3. গ) মোসলেম উদ্দিন খান
  4. ঘ) উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
৯,৮৯৭.
বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন -
  1. বিজিএমইএ
  2. বিডিএমইআই
  3. এফবিসিসিআই
  4. ডিএনসিসি
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই
ব্যাখ্যা
FBCCI:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry.
- বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন FBCCI (এফবিসিসিআই)।
- ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং কোম্পানি আইন, ১৯১৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এফবিসিসিআই এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।

তথ্যসূত্র - FBCCI ওয়েবসাইট।
৯,৮৯৮.
বাংলাদেশের কোথায় প্লায়িস্টোসিন কালের সােপান দেখা যায়?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) সোয়াম্প ফরেস্ট
  3. গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়। ঐ সময়ে গঠিত ভূমিরূপ প্লাইস্টোসিন কালের ভূমি নামে পরিচিত।
বাংলাদেশে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপগুলো হলো:
- রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও জয়পুরহাট জেলার বরেন্দ্রভূমি
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়।
- দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮ শতাংশ হলো প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৮৯৯.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় কোন ধরনের শিলায় গঠিত?
  1. চুনাপাথর, স্লেট ও গ্রানাইট
  2. বেলে পাথর, স্লেট ও কর্দম
  3. ব্যাসল্ট ও লাভা
  4. মার্বেল ও বেলে পাথর 
সঠিক উত্তর:
বেলে পাথর, স্লেট ও কর্দম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলে পাথর, স্লেট ও কর্দম
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:  
- ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- সার্বিকভাবে, টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো ভাঁজ করা পাহাড় বা ফোল্ড মাউন্টেন হিসেবে পরিচিত।
- হিমালয় পর্বতের উত্থানের সময়, প্রায় দুই কোটি বছর আগে এই পাহাড়গুলোর সৃষ্টি হয়।
- দীর্ঘকাল ধরে প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয়ের ফলে এসব পাহাড়ের উচ্চতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়েছে।
- এবং ক্ষয়প্রাপ্ত উপাদান আশপাশের এলাকায় জমে নতুন সমতল ভূমি ও মৃত্তিকা গঠনে সহায়তা করেছে।
- বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১২ শতাংশ এলাকাজুড়ে এই টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বিস্তৃত।
- বাংলাদেশে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় প্রধানত রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে এসব পাহাড়কে মূলত দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়—
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়-
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত।
- এখানে পাহাড়ের গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- এদের গঠন আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়শ্রেণির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলো বেলে পাথর, স্লেট ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত।
- এখানেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডং বা বিজয় অবস্থিত, যার উচ্চতা ১২৩১ মিটার।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়-
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা অঞ্চলে ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন পাহাড় ও টিলার উপস্থিতি দেখা যায়।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলো সাধারণত কোনো সুসংগঠিত গিরিশ্রেণি তৈরি করেনি। 
- এদের উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম, সাধারণত ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৯,৯০০.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।