বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০০ / ৩০৬ · ৯,৯০১১০,০০০ / ৩০,৮৩২

৯,৯০১.
দেশের প্রথম পাতাল রেলের রুট কোনটি?
  1. ক) বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর
  2. খ) বিমানবন্দর থেকে মতিঝিল
  3. গ) খিলক্ষেত থেকে আগারগাঁও
  4. ঘ) কুড়িল থেকে কমলাপুর
সঠিক উত্তর:
ক) বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর
ব্যাখ্যা
পাতাল রেলের যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ
৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল এই স্লোগান নিয়ে দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্পের ভৌত কাজ আগামী ডিসেম্বরে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  

এক নজরে পাতাল ট্রেন 
• প্রকল্পের নাম:- ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট লাইন-১ (এমআরটি-১)।
• প্রকল্পের মোট ব্যয়:- ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। 
• রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান:- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
• পরামর্শক প্রতিষ্ঠান:- জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড (জেভি)। 
• রুট:- ২টি। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর (বিমানবন্দর রুট) পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার অংশ ভূগর্ভস্থ হবে ও নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল (পূর্বাচল রুট) পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার হবে উড়াল। 
• স্টেশন সংখ্যা:- বিমানবন্দর রুটে ১২টি ও পূর্বাচল রুটে ৯টি স্টেশন থাকবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২।
৯,৯০২.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. বীরপ্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীরউত্তম
  4. বীরবিক্রম
সঠিক উত্তর:
বীরবিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরবিক্রম
ব্যাখ্যা
• ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে — সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

• মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
----------------
বিশেষ তথ্য- খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা:
• ১ম উপাধি: বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ জন,
• ২য় উপাধি: বীর উত্তম, ৬৮ জন,
• ৩য় উপাধি: বীর বিক্রম, ১৭৫ জন এবং
• ৪র্থ উপাধি: বীর প্রতীক, ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৯০৩.
প্রতিরক্ষা বাহিনীর চৌকস ক্যাডারদের সর্বোচ্চ সন্মাননা হলো -
  1. ক) জেনারেল
  2. খ) মেজর জেনারেল
  3. গ) ব্রিগ্রেডিয়ার
  4. ঘ) সোর্ড অব অনার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোর্ড অব অনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোর্ড অব অনার
ব্যাখ্যা

- প্রতিরক্ষা বাহিনীর চৌকস ক্যাডারদের সর্বোচ্চ সন্মাননা হলো সোর্ড অব অনার।
- বাংলাদেশের সোর্ড অব অনার পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী - মারজিয়া ইসলাম।
- প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠিত হয় ১৯৭১ সালে।
- প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হলেন তাজউদ্দীন আহমেদ বর্তমানে প্রধান্মন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে।
- নৌ , সেনা ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রথম আলো।

৯,৯০৪.
যমুনা রেলওয়ে সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয় কবে?
  1. ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  3. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  4. ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু: 

পটভূমি:
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ শুরু হয়।
- ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় ট্রেনের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়।

নতুন রেলসেতু নির্মাণ উদ্যোগ:
- এ সমস্যা সমাধানে ২০২০ সালের ৩ মার্চ যমুনা নদীর উজানে আলাদা রেলসেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
- ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

নির্মাণ ও অর্থায়ন:
- এটি দেশের বৃহত্তম রেলসেতু, যার নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই।
- শুরুতে ব্যয় নির্ধারিত ছিল ৯,৭৩৪.০৭ কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে ১৬,৭৮০.৯৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।
- অর্থায়ন:দেশীয় উৎস থেকে: ২৭.৬০%
- জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (JICA) ঋণ: ৭২.৪০%

পরীক্ষামূলক ও আনুষ্ঠানিক চালু:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫: পরীক্ষামূলক চলাচলের পর যমুনা রেলসেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
১৮ মার্চ, ২০২৫: সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

৯,৯০৫.
ছয়দফার কোন দফায় পাকিস্তানের দুই অংশের জন্যে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকার বিষয়টি উল্লেখিত রয়েছে?
  1. তৃতীয় দফা
  2. চতুর্থ দফা
  3. পঞ্চম দফা
  4. ষষ্ঠ দফা
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম দফা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
ছয়দফা দাবীসমূহ হলো:
প্রথম দফা:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
দ্বিতীয় দফা:
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
তৃতীয় দফা:
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
চতুর্থ দফা:
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
পঞ্চম দফা:
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
ষষ্ঠ দফা:
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।

- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯,৯০৬.
বর্তমানে দেশের মাথাপিছু আয় কত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ২,৭৫৬ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮০২ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২,৮২০ মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ টাকা।
- ২৭ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

⇒ বিবিএসের তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উল্লেখ্য,
- দেশের অভ্যন্তরের মোট আয় এবং রেমিট্যান্সসহ যত আয় হয়, তা ওই দেশের মোট জাতীয় আয়।
- ওই জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয়ের হিসাব করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৯,৯০৭.
Who was the proponent of the 'Young Bengal Movement'?
  1. Henry Luis Derojio
  2. Perichad Mitra
  3. Willium kery
  4. Dadavai Nouroji
সঠিক উত্তর:
Henry Luis Derojio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Henry Luis Derojio
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারা। দৃঢ়ভাবে সে ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে । যার নেতৃত্বে ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও।
- তিনি তাঁর ছাত্র-অনুসারীদের স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করার শিক্ষা দেন।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিও তাঁর স্কুল শিক্ষক ডেভিড ড্রামন্ডের প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ মানবতাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারী, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯০৮.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ‘গরান' বনভূমি কোন বিভাগে অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খুলনা
ব্যাখ্যা
গরান বনভূমি:

- বৃহত্তর খুলনা বিভাগ প্রাকৃতি সম্পদে সমৃদ্ধ।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ‘গরান' বনভূমি সুন্দরবন এ বিভাগে অবস্থিত।
- এ বিভাগের দক্ষিণাংশ জুড়ে সুন্দরবনের অবস্থান।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম “ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট” বা লবনাক্ত জলাভূমির বন।
- পৃথিবীতে এটি একটি বিরল জাতির বন। 
- বনটি বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি।
- এই বন থেকে প্রচুর রাজস্ব আয় হয়।
- এ বন খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা প্রভৃতি জেলাকে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৯০৯.
দেশের সর্বশেষ উপজেলা কোনটি?
  1. ক) শায়েস্তাগঞ্জ
  2. খ) ডাসার
  3. গ) ঈদগাঁও
  4. ঘ) মধ্যনগর
সঠিক উত্তর:
খ) ডাসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডাসার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- গত ২৬ জুলাই ২০২১ অনুষ্ঠিত নিকারের ১১৭তম সভায় নতুন তিনটি উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।
এগুলো হলো:
- ৪৯৫তম : ডাসার, (মাদারীপুর)
- ৪৯৪তম : মধ্যনগর, (সুনামগঞ্জ)
- ৪৯৩তম : ঈদগাঁও (কক্সবাজার)।
- গত ১০ আগস্ট ২০২১ নতুন উপজেলাগুলোর গেজেট প্রকাশ করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রানালয় ওয়েবসাইট)
৯,৯১০.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি মুসলিম আসনে জয় লাভ করে?
  1. ২২৭টি
  2. ২২৩টি
  3. ২২৫টি
  4. ২১৩টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা

-  ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম আসনে ২১৫টি ও স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে যোগদান করে ফলে যুক্তফ্রন্ট সর্বমোট ২২৩টি আসন লাভ করে। 

যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।

উৎস:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯১১.
কোনটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি ?
  1. পলি মাটি
  2. দো-আঁশ মাটি
  3. বেলে মাটি
  4. এঁটেল মাটি
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

উল্লেখ্য, 
- ১৫ মার্চ-১৫ এপ্রিল পাটের বীজ বপনের সময়।
- সময় সঠিক সময়ের আগে বা পরে বীজ বুনলে আলোক সংবেদনশীলতার কারণে পাট গাছ সুষ্ঠুভাবে বাড়তে পারে না,
- অসময়ে ফুল দেখা দেয় এবং পাটের ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৯,৯১২.
বেঙ্গল প্যাক্টের রূপকার কে?
  1. পন্ডিত মতিলাল নেহেরু
  2. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. শরৎচন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ:
- সি. আর দাশ নামেও পরিচিত দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- কলকাতায় জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের অন্তর্গত তেলিরবাগ গ্রামে।
- ভবানীপুরের লন্ডন মিশনারী সোসাইটি স্কুল থেকে ১৮৮৬ সালে এন্ট্রান্স পাশ করার পর চিত্তরঞ্জন দাশ কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বি. এ. ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৮৯৪ সালে তিনি ব্যারিস্টারি পরীক্ষা পাশ করে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক থেকে তিনি রাজনীতিতে জড়িত হন। 
- অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে মহাত্না গান্ধীর ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি লাভজনক আইনজীবির পেশা পরিত্যাগ করে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে আরো বেশী সোচ্চার হয়ে ওঠেন।
- পরবর্তীতে তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করে স্বরাজ পার্টি গঠন করেন।
- ১৯২৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পূর্বে তিনি নিজ প্রদেশে মুসলমান সম্প্রদায়ের সাথে একটি চুক্তি করেন যা ’বেঙ্গল প্যাক্ট' নামে পরিচিত।
- 'বেঙ্গল প্যাক্ট' এ সরকারি চাকুরিতে মুসলমানদের জন্য শতকরা ৫৫ ভাগ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়।
- যতদিন মুসলমানরা ৫৫ শতাংশে না পৌঁছায়, ততদিন পর্যন্ত মোট সরকারি চাকুরির ৮০ ভাগ মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়।
- দেশবন্ধু ১৯২৫ সালের ১৬ জুন অসুস্থ অবস্থায় দার্জিলিংয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯১৩.
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি কে?
  1. লুই কান
  2. এস এম রেলডলস
  3. এফ আর খান
  4. ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম
ব্যাখ্যা
কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) ২২ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো।
ii) ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো।
৯,৯১৪.
বাংলদেশের সিলেটে প্রচুর চা উৎপাদন হওয়ার কারণ কী?
  1. পাহাড় ও অল্প বৃষ্টি
  2. বনভূমি ও প্রচুর বৃষ্টি
  3. পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
  4. নদীর তীরবর্তী পলি মাটি
সঠিক উত্তর:
পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

চা চাষ:
- প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এমন পাহাড়ি বা উচ্চ ঢালু জমি চা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢালু জমির কারণে সিলেটে প্রচুর চা উৎপাদন হয়।
- বর্ষাকালে চা গাছে নতুন কুঁড়ি ও পাতা জন্মালে খুব সুন্দর ও মসৃণ দেখায়।
- মাঝে মাঝে কিছু কিছু বড় গাছ থাকে যা চা গাছকে রোদের প্রখরতা থেকে রক্ষা করে।
- কড়া রোদ আবার চা গাছের জন্য ক্ষতিকর।

উৎস: কৃষি বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ।

৯,৯১৫.
সম্রাট বাবরের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. তুজুক-ই-বাবুরী
  2. তুঘলক-ই- বাবুরী
  3. তুজুরুক-ই-বাবুরী
  4. তুরুজু-ই-বাবুরী
সঠিক উত্তর:
তুজুক-ই-বাবুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুজুক-ই-বাবুরী
ব্যাখ্যা
⇒ সম্রাট বাবরের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তুজুক-ই-বাবুরী'।

বাবর:
- জহিরউদ্দীন মুহম্মদ বাবর ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিতার দিক থেকে বাবর ছিলেন বিখ্যাত তুর্কি তৈমুর লং-এর অধস্তন পঞ্চম পুরুষ এবং মায়ের দিক থেকে তাঁর পূর্বপুরুষ ছিলেন বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান।
- উপমহাদেশে বাবরের প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ মুঘল বংশ নামে পরিচিত হয়েছে মোঙ্গলদের সাথে তাঁর সম্পর্ক থাকার কারণেই।
- বাবর ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে মধ্য এশিয়ার ফারগানায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ওমর মির্জা ফারগনার শাসনকর্তা ছিলেন।
- পিতার মৃত্যুর পর বাবর বার বছর বয়সে ফারগানার অধিপতি হন।
- ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে উজবেক শাসনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে প্রথম বারের মতো বাবর কাবুল জয় করেন।
- কাবুল বিজয়ের পরও বাবর পিতৃসিংহাসন পুনরুদ্ধার ও রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে ভারতবর্ষের দিকে দৃষ্টি নিবন্ধ করেন।
- কাবুল অধিকারের পর বাবর ভারত বিজয়ের পরিকল্পনা করেন।
- এসময় ভারতের শাসন ক্ষমতায় ছিলেন লোদী সুলতানরা।
- বাবরের আক্রমণের পূর্বে ভারতের শেষ সুলতান ছিলেন ইব্রাহিম লোদী।
- ভারতের কেন্দ্রীয় শক্তির দুর্বলতার সুযোগ গ্রহণ করে বাবর এদেশে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯১৬.
ছয় দফার তৃতীয় দফা কী সম্পর্কে ছিল?
  1. প্রতিরক্ষা
  2. বাণিজ্য
  3. মুদ্রা
  4. ট্যাক্স
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ছয় দফার তৃতীয় দফা:
এই দফায় মুদ্রা সম্পর্কে দুটি বিকল্প প্রস্তাব দেয়া হয়। এর যে কোনো একটি গ্রহণের প্রস্তাব রাখা হয়:
(ক) পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুইটি সম্পূর্ণ পৃথক অথচ সহজে বিনিয়োগযোগ্য মুদ্রার প্রচলন করতে হবে। এই ব্যবস্থা অনুসারে কারেন্সি কেন্দ্রের হাতে থাকবে না, আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। দুই অঞ্চলের জন্য দুইটি স্বতন্ত্র 'স্টেট' ব্যাংক থাকবে।
(খ) দুই অঞ্চলের জন্য একই কারেন্সি থাকবে। এই ব্যবস্থায় মুদ্রা কেন্দ্রের হাতে থাকবে। কিন্তু এ অবস্থায় শাসনতন্ত্রে এমন সুনির্দিষ্ট বিধান থাকতে হবে যাতে পূর্ব পাকিস্তানের মুদ্রা পশ্চিম পাকিস্তনে পাচার হতে না পারে। এই বিধানে পাকিস্তানের একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে। দুই অঞ্চলে দুইটি পৃথক রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে।

অন্যান্য দফা: 
প্রথম দফা: ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানকে একটি সত্যিকার ফেডারেশনরূপে গড়তে হবে। 
দ্বিতীয় দফা: ফেডারেশন সরকারের এখতিয়ারে কেবল দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্রীয় ব্যাপার এই দুটি বিষয় থাকবে। অবশিষ্ট সমস্ত বিষয় স্টেটসমূহের (বর্তমান ব্যবস্থায় যাকে প্রদেশ বলা হয়) হাতে থাকবে।
চতুর্থ দফা: সকল প্রকার ট্যাক্স-খাজনা-কর ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে আঞ্চলিক সরকারের হাতে। 
পঞ্চম দফা:. এই দফায় বৈদেশিক বাণিজ্য ব্যাপারে শাসনতান্ত্রিক বিধানের সুপারিশ করা হয়।
ষষ্ঠ দফা: এই দফায় পূর্ব পাকিস্তানে মিলিশিয়া বা প্যারা মিলিটারি রক্ষীবাহিনী গঠনের সুপারিশ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯১৭.
এখন পর্যন্ত কতজন বাংলাদেশি দাবায় গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেছেন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলাদেশের নিয়াজ মোর্শেদ প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাব জয় করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এই পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) ২২ মে, ২০২২, কালের কন্ঠ।
         ii)  ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৯,৯১৮.
সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ হবেন?
  1. আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যে কোন একজন
  2. রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে যাকে দায়িত্ব দিবেন তিনি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
  4. আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম
ব্যাখ্যা

অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হলে, বা তিনি অনুপস্থিত, অসুস্থ, বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে রাষ্ট্রপতি সন্তুষ্ট হলে—
- আপীল বিভাগের বিচারকদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে কর্মে প্রবীণ, তিনি অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বা বর্তমান প্রধান বিচারপতি তাঁর দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,৯১৯.
'অ্যাকর্ড' কোন দেশ/অঞ্চলের গার্মেন্টস পণ্য আমদানিকারকদের জোট?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপ
  4. ঘ) জি-২০
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপ
ব্যাখ্যা
'অ্যাকর্ড' হলো ইউরোপীয় পোশাক আমদানিকারকদের একটি জোট। এটি বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও মান পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শনে নিয়োজিত।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় সহস্রাধিক শ্রমিক নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই জোট গড়ে উঠে। চলতি ২০২০ সালের ১ জুন অ্যাকর্ড তাদের মিশন সমাপ্ত ঘোষণা করে।
(সূত্রঃ দৈনিক সমকাল)
৯,৯২০.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির ১৭নং দফা কি ছিল?
  1. বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি করার দাবি
  2. পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীন রাজ্য ঘোষণার দাবি
  3. শহিদদের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে শহিদ মিনার নির্মাণ
  4. কৃষকদের জমি বিনামূল্যে বিতরণ
সঠিক উত্তর:
শহিদদের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে শহিদ মিনার নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহিদদের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে শহিদ মিনার নির্মাণ
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা:
- যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়- ৪ ডিসেম্বর,১৯৫৩।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ছিল ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের আগে ঘোষিত একটি নির্বাচনী ইশতেহার।
- এই ২১ দফা ভাষা আন্দোলনের চেতনার স্পষ্ট প্রতিফলন ঘটায়।
- এই কর্মসূচির প্রথম ও প্রধান দফা ছিল—বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।
- এর মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ভাষাগত অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি তুলে ধরা হয়।
- আর ১৭নং দফা ছিল- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে শহিদদের স্মৃতিচিহ্নস্বরূপ ঘটনাস্থলে শহিদ মিনার নির্মাণ করা এবং শহিদদের পরিবারবর্গকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

উল্লেখ্য,
- এই ২১ দফা কর্মসূচির খসড়া প্রণয়ন করেন আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি ছিল এ. কে. ফজলুল হক, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে গঠিত একটি সম্মিলিত রাজনৈতিক কর্মসূচি।
- এই কর্মসূচি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের ভিত্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
The Daily Star Bangla.

৯,৯২১.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার মূল নকশাকার কে?
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. শিবনারায়ণ দাস
  3. আ স ম আব্দুর রব
  4. সিরাজুল ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
শিবনারায়ণ দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবনারায়ণ দাস
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩। 
৯,৯২২.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষ খাত কোনটি?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) মৎসখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
২০২১-২০২২ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার ৭.১০ শতাংশ।

বিভিন্ন খাতসূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৯.৮৬ শতাংশ
- সেবাখাত : ৬.২৬ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.০৫ শতাংশ।

উপখাতসমূহের মধ্যে:
- মৎস্যখাতে প্রবৃদ্ধি : ২.৬৪ শতাংশ
- প্রাণিজ খাত : ৩.১০ শতাংশ
- বনজ সম্পদ : ৫.০৮ শতাংশ।
- সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বৃহৎ শিল্পখাতে : ১৫.৬৮ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৯,৯২৩.
ঐতিহাসিক 'ছয়-দফা' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন—
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
  2. ২৩ মার্চ ১৯৬৬
  3. ২৬ মার্চ ১৯৬৬
  4. ৩১ মার্চ ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৯২৪.
স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত হয় মূলত কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে?
  1. বঙ্গভঙ্গ
  2. ফরায়েজি আন্দোলন
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. খিলাফত আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভঙ্গ
ব্যাখ্যা
স্বদেশী আন্দোলন:
- স্বদেশী আন্দোলন ছিলো একটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।
- স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত হয় মূলত বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে।
- বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতার অংশ হিসেবে ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। 

⇒ বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হলে কংগ্রেসের উগ্রপন্থী অংশের নেতৃত্বে যে আন্দোলন গড়ে উঠে, তাকেই স্বদেশী আন্দোলন বলা হয়। এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন। পরে বিলেতি শিক্ষা বর্জনও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়।
- স্বদেশী আন্দোলন ক্রমশ বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কংগ্রেস নেতারা গ্রামে-গঞ্জে-শহরে প্রকাশ্য সভায় বিলেতি পণ্য পুড়িয়ে ফেলে। একই সঙ্গে দেশী পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করে। ফলে বিলেতি পণ্যের চাহিদা কমে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে উঠে বাংলার নিজস্ব তাঁতবস্ত্র, সাবান, লবণ, চিনি ও চামড়ার দ্রব্য তৈরির কারখানা। অপর দিকে বিলেতি শিক্ষা বর্জন এবং আন্দোলনের সাথে যুক্তদের বিভিন্ন সরকারি স্কুল-কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার ফলে প্রয়োজনে গড়ে উঠে জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধকারী শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানগুলো রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এবং রজণীকান্ত সেন প্রমুখ। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় রচনা করেন।

⇒ মুসলমান সমাজ স্বদেশী আন্দোলন থেকে দূরে থাকার কারণে আন্দোলন জাতীয় রূপলাভে ব্যর্থ হয়। তাছাড়া সাধারণ মানুষ, এমনকি হিন্দু সম্প্রদায়ের নিম্নবর্ণের লোকজন, দারিদ্র সমাজ এই আন্দোলনের মর্ম বুঝতে ব্যর্থ হয়।
- এ আন্দোলনের মাধ্যমে বিলেতি দ্রব্য বর্জন সফল হয়নি। কারণ কোলকাতার অবাঙালি মাড়ওয়ারি ব্যবসায়ী এবং বাংলার গ্রাম গঞ্জের ব্যবসায়ীরা এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়নি।
- সর্বোপরি এই আন্দোলন গোপন সশস্ত্র সংগ্রামের পথে অগ্রসর হলে জনগণ আন্দোলন থেকে দূরে সরে যায়।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যকার সম্পর্কের তিক্ততা আরো বৃদ্ধি পায়, যার পরিণতি হচ্ছে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে সম্প্রদায় ভিত্তিতে ভারত বিভক্তি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯২৫.
রাজশাহী শহরে সর্বপ্রাচীন ইমারত কোনটি এবং এটি প্রথমে কাদের ব্যবসা কেন্দ্র ছিল?
  1. বড় কাটরা ও ওলন্দাজদের
  2. বড়কুটি ও ফরাসীদের
  3. বড়কুঠি ও ডাচদের
  4. বড়কুঠি ও ইংরেজদের
সঠিক উত্তর:
বড়কুঠি ও ডাচদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড়কুঠি ও ডাচদের
ব্যাখ্যা
বড়কুঠি:
- রাজশাহী শহরের এক বিশাল ভবনের নাম বড়কুঠি। 
- রাজশাহী অঞ্চলের সর্বপ্রাচীন ইমারত বড়কুঠি।
- এটি ডাচদের নির্মিত।
- এটি রাজশাহী মহানগরীর পদ্মপাড়ে অবস্থিত’।
- ইট নির্মিত ও সমতল ছাদবিশিষ্ট এ ইমারতটি আঠারো শতকের প্রথমার্ধে (১৭২৫ সালের আগে) ওলন্দাজ রেশম ব্যবসায়ীদের নির্মিত এক উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর বড়কুঠি ভবনে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- এরপর থেকে এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন ছিল। 

উল্লেখ্য,
- এটি প্রথমে ওলন্দাজ বা ডাচদের বাবসা কেন্দ্র ছিল।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ডাচরা ভারতে তাদের কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৮১৪ সালে ইংরেজদের সাথে একটি চুক্তি করে বড়কুঠিসহ ভারতের সব ব্যবসা কেন্দ্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে হস্তান্তর করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন
         ii)  ১৪ মার্চ ২০১৯, নয়াদিগন্ত।
৯,৯২৬.
কলিঙ্গ যুদ্ধের পর সম্রাট অশোক কোন ধর্ম গ্রহণ করেন?
  1. জৈন
  2. বৌদ্ধ
  3. শৈব
  4. হিন্দু
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯২৭.
পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
  1. দো-আঁশ মাটি
  2. পলি মাটি
  3. এঁটেল মাটি
  4. বেলে মাটি
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা

পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯২৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বর্তমানে বিশেষায়িত ব্যাংক কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
নতুন তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদনঃ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংক এর ৪০২ তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় দেশের ৬০ তম তফসিলি ব্যাংক হিসেবে চুড়ান্তভাবে অনুমোদন পায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। এর প্রধান উদ্যোক্তা হলেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন।
বর্তমানে দেশে ৬০টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণীজ্যিক ব্যাংক, ৩টি সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বাকি ৫১টি বেসরকারি ব্যাংক যার মধ্য়ে ৯টি বিদেশি মালিকানাধীন।
৯,৯২৯.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  3. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  4. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন:
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের গাজীপুর জেলায় অবস্থিত স্থানীয় সরকার সংস্থা।
- এটি বাংলাদেশের একটি পৌর প্রশাসন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গাজীপুর আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন।
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৩২৯.৫৩ বর্গকিলোমিটার।
- ৫৭টি ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠিত।

অন্যদিকে, 
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৯৬.৭২ বর্গ কিমি।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১৯৬.২২বর্গ কি.মি।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১০৯.২৫১ বর্গ কি.মি।
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১৫৫.৪ বর্গ কিমি।
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৫৩.০৪ বর্গ কিমি।
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৭২.৪৩ বর্গ কিমি।
- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ৯১.৩১৫ বর্গ কি.মি.।
- বরিশাল সিটি  কর্পোরেশনের আয়তন ৪৫ বর্গকিলোমিটার।
- সিলেট সিটি  কর্পোরেশনের আয়তন ২৬.৫০ বর্গকিলোমিটার।
- খুলনা সিটি  কর্পোরেশনের আয়তন ৪৫.৬৫ বর্গকিলোমিটার।
- রংপুর সিটি  কর্পোরেশনের আয়তন ২০৩.৬৩ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৯৩০.
জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে কী চিত্রিত করা হয়?
  1. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
  2. পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসন
  3. গণহত্যার চিত্র
  4. দেশভাগের চিত্র
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসন
ব্যাখ্যা
- জহির রায়হান পরিচালিত ছবি ‘জীবন থেকে নেয়া’।
- ছবিটি জহির রায়হানের কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ১৯৭০ সালে মুক্তি পেয়েছিল।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
প্রথম আলো (১৬ ডিসেম্বর ২০২৩)
৯,৯৩১.
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয় কবে?
  1. ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১২০১ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১২০৪ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০৪ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
- তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করার মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম/তুর্কি শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
- ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পূর্বপর্যন্ত বাংলায় মুসলিম শাসন অব্যাহত ছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৩২.
পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. নূরুল আমিন
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. খাজা নাজিমউদ্দিন
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
প্রথম গভর্নর:
- পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 
- তিনি লিয়াকত আলী খানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। 
- ব্রিটিশ আমলে বাংলা নামক যে প্রদেশ ছিল তা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম বাংলা নামক দুটি অংশে বিভক্ত করে।
- পশ্চিম বাংলাকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত এবং পূর্ববাংলাকে পাকিস্তানের অংশ বলে ঘোষণা করে। 
- পূর্ববাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- পূর্ববাংলার প্রথম গভর্নর নিযুক্ত হন স্যার ফ্রেডারিক বোর্ণ।
- ১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মৃত্যুবরণ করলে পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। 
- তখন নূরুল আমিনকে পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৩৩.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IMF
  2. World Bank
  3. WTO
  4. UNDP
সঠিক উত্তর:
World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Bank
ব্যাখ্যা
BDF:
- BDF-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Development Forum.
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Economic Relations Division ওয়েবসাইট।
৯,৯৩৪.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ৩.৩০%
  2. ৫.৪৮%
  3. ৭.৫৩%
  4. ৯.১৯%
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে চলতি ও স্থির মূল্যের জিডিপি, খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত ও মাথাপিছু ১০৫০২ আয়ের চূড়ান্ত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ স্থূল দেশজ উৎপাদ (জিডিপি) ও প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- চলতি মূল্যে জিডিপি (মিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৬,৫৩৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (কোটি টাকা): ৫০,০২,৬৫৪।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন ইউএস ডলার): ৪৫০।
- স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার (%): ৪.২২%।

⇒ স্থির মূল্যে তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- কৃষি: ৩.৩০%।
- শিল্প: ৩.৫১%।
- সেবা: ৫.০৯%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ওয়েবসাইট।
৯,৯৩৫.
বাংলাদেশে গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

গ্রাম আদালত আইন:
- গ্রাম আদালত আইন বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ সহজ, দ্রুত এবং কম খরচে নিষ্পত্তির জন্য প্রণীত আইন।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার সহজলভ্য করা এবং আদালতের চাপ কমানো।
- প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে গ্রাম আদালত গঠিত হয়, যা ইউনিয়নের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় কার্যকর।
- আদালত গঠিত হয় চেয়ারম্যান (সভাপতি), প্রতিপক্ষের মনোনীত ২ জন সদস্য, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত সদস্য দিয়ে।
- বিচারযোগ্য মামলায় দেওয়ানি ক্ষতিপূরণ সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা।
- আদালতের রায় সংখ্যাগরিষ্ঠতায় (৩ বা ২ ভোটে) গৃহীত হয় এবং আপিলের সুযোগ রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট বা সহকারী জজ আদালতে।
- আইনটি গ্রামীণ ন্যায়বিচারকে শক্তিশালী করে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র - গ্রাম আদালত আইন।

৯,৯৩৬.
সার্বিকভাবে জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
- যথা: সেবা খাত, কৃষিখাত ও শিল্পখাত।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩
৯,৯৩৭.
স্যার হার্বার্ট রিজলে ভারতীয় উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে কতটি উপবিভাগে ভাগ করেন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর মানুষের মিলন-বিরোধের ফলে বাংলাদেশে একটা সংকর জনগোষ্ঠী সৃষ্টি হয়েছে।

স্যার হার্বার্ট রিজলে (Sir Herbert Risley) ভারতীয় উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে সাতটি উপবিভাগে বিভক্ত করেন। 
- এগুলো হচ্ছে:
১. তুর্কীয়-ইরানীয় (Turko-Iranian);
২. ভারতীয় আর্য (Indo-Aryan);
৩. শক-দ্রাবিড় (Scytho-Dravidian);
৪. আর্য-দ্রাবিড় (Aryo-Dravidian);
৫. মঙ্গোল-দ্রাবিড় (Mongolo-Dravidian);
৬. মঙ্গোলীয় (Mongoloid) এবং
৭. দ্রাবিড়ীয় (Dravidian) ।
রিজলের মতে বাঙালিরা হল মঙ্গোল-দ্রাবিড়-প্রভাবিত একটা সংকর জনগোষ্ঠী।

তথ্যসূত্র: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৩৮.
এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB) এর বর্তমান সদস্য দেশ-
  1. ক) ৮৫টি
  2. খ) ৮৭টি
  3. গ) ৮৯টি
  4. ঘ) ৯৩টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮৯টি
ব্যাখ্যা
- এশিয়ান অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক AIIB (Asian Infrastructure Investment Bank)।
- একে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়।
- এটি গঠনে চুক্তি স্বাক্ষর হয় ২৪ অক্টোবর, ২০১৪ সালে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ সালে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত চীনের বেইজিংয়ে।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ৮৯টি।
- ১৪ জানুয়ারি ২০২২ সালে,  এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (AIIB) এর ৮৯তম সদস্য পদ লাভ করে - পেরু।
উৎসঃ AIIB'র ওয়েবসাইট।
৯,৯৩৯.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ৩নং সেক্টর
  2. ৫নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৯নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে.
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯,৯৪০.
প্রাচীন বাংলায় 'সমতট' বর্তমান কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল?
  1. ঢাকা ও কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা
  3. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
  4. ময়মনসিংহ ও জামালপুর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ও নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ও নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

সমতট জনপদ:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী ‘লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।
- হিউয়েন সাঙ কোন সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৪১.
সত্তরের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম
  2. বিচারপতি এম ইদ্রিস
  3. বিচারপতি এটিএম মাসুদ
  4. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা
সত্তরের নির্বাচন:
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর দেশটির কেন্দ্রীয় আইন পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারভিত্তিক প্রত্যক্ষ নির্বাচন প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর।
- ১৯৪৭-১৯৫৮ সময়কালে পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
- ১৯৫৮ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত দেশে সামরিক আইন চালু ছিল।
- ১৯৬২ সালে মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
⇒ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯৪২.
সংসদীয় গণতন্ত্রে শাসন বিভাগের সকল ক্ষমতা কার কাছে ন্যস্ত থাকে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) মন্ত্রীপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
ক) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলো নামমাত্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হলেন শাসন বিভাগ তথা নির্বাহী বিভাগের প্রধান
• সরকারের অঙ্গ সংগঠন তিনটি :
- আইন বিভাগ,
- শাসন বিভাগ
- বিচার বিভাগ।
• রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
- তিনি আইন পরিষদের নিকট দায়ী নন।


উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৯৪৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস কবে?
  1. ২৬ মার্চ
  2. ৭ জুন
  3. ১ আগস্ট
  4. ২৩ জুন
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা দিবস: 
ছয় দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১১ দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সর্বশেষ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়। 

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়।
- পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
- ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
-  ছয় দফার সমর্থনে ১৯৬৬ সালের ১৩ মে আওয়ামী লীগ আয়োজিত পল্টনের জনসভায় ৭ জুন হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
- ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।  
৯,৯৪৪.
কোন গোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে?
  1. নেগ্রিটো
  2. দ্রাবিড়
  3. অস্ট্রিক
  4. মঙ্গোলীয়
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতির উদ্ভব ও বিকাশ:
- বাংলার প্রাচীন জনগোষ্ঠীকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ১. প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠী ও ২. আর্য জনগোষ্ঠী।
- প্রাচীন বাংলায় আর্যদের আগমনের পূর্ব পর্যন্ত অনার্যদের বসতি ছিল; তাই প্রাক আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠীই বাঙালি জাতির আদি পুরুষ।
- অনার্য জনগোষ্ঠীর উৎপত্তি হয় নেগ্রিটো, অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও মঙ্গোলীয়, বা ভোটচীনীয় জনগোষ্ঠীর মিশ্রণে।
- নৃতাত্ত্বিকদের ধারণা অস্ট্রিক গোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- পরবর্তীতে নানা পর্যায়ে বাঙালিদের মধ্যে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস : নিহারঞ্জন রায়।
৯,৯৪৫.
জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও উপস্থাপন করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী 
  3. স্পিকার
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী 
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
⇒ সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। মন্ত্রীদের কাজ তদারক করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন। তিনি যেকোনো মন্ত্রীকে তার পদ থেকে অপসারণের পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। যেমন- সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত দিনে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম তুলে ধরে সংসদে বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒ সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

⇒ পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।


উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

৯,৯৪৬.
বাংলার সর্বশেষ পাল রাজা কে?
  1. ক) মহীপাল
  2. খ) মদনপাল
  3. গ) রামপাল
  4. ঘ) কুমারপাল
সঠিক উত্তর:
খ) মদনপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মদনপাল
ব্যাখ্যা
- বাংলার পাল রাজবংশের সর্বশেষ রাজা হলেন মদনপাল। তিনি ১১৪৩ খ্রি. থেকে ১১৬১ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
- মদনপালকে পরাজিত করে বিজয় সেন উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম বাংলায় সেন শাসনের সূচনা করেন।
- পাল বংশ প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ যারা প্রায় চারশ বছর বাংলা শাসন করে।
- ৭৫০ সালে গোপাল মাৎস্যনায় অবস্থার অবসান ঘটিয়ে পাল শাসনের সূত্রপাত করেন। গোপাল ৭৫০ খ্রি. থেকে ৭৮১ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠতম শাসক ছিলেন ধর্মপাল। তিনি প্রায় (৭৮১-৮২১ খ্রি.) ৪০ বছর বাংলা শাসন করেন। তার উপাধি ছিলো পরমেশ্বর, পরমভট্টারক, মহারাজাধিরাজ প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৪৭.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ এর রিপোর্ট অনুসারে শহর অঞ্চলে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ২.৯%
  2. ৩.৮%
  3. ৪.২%
  4. ৫.১%
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ: ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।

⇒ খানাপ্রতি মাসিক গড় আয়: ৩২,৪২২ টাকা।
• শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা,
• গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা।

⇒ সাক্ষরতার হার: ৭৪%।
• পুরুষ ৭৫.৮%,
• নারী ৭২.৬%।

♦ দারিদ্র্যের হার:
⇒ দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ২০.৫%।

⇒ দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

৯,৯৪৮.
গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল উয়ারী-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বগুড়া
  4. নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৯৪৯.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর আরোপিত সরকারি কর বা শুল্ককে বলা হয়-
  1. ক) Excise Duties
  2. খ) Customs Duties
  3. গ) Value Added Tax
  4. ঘ) Supplymentary Duties
সঠিক উত্তর:
ক) Excise Duties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Excise Duties
ব্যাখ্যা
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর সরকারি যে কর বা শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক (Excise Duties) বলে। সূত্র- অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯৫০.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-তে মোট কয়টি প্রতিরোধযোগ্য রোগের টিকা দেওয়া হয়?
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ৬ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি
ব্যাখ্যা
 সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) :
- ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের ৬টি সংক্রামক রোগের টিকা দেয়ার মাধ্যমে ইপিআই কার্যক্রম শুরু হয়।

• প্রতিরোধযোগ্য রোগসমূহ :
১. শিশুদের যক্ষ্মা,
২. পোলিও মাইলাইটিস,
৩. ডিফথেরিয়া,
৪. হুপিং কাশি,
৫. মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার,
৬. হেপাটাইটিস-বি,
৭. হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ,
৮. হাম,
৯. রুবেলা,
১০. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।

• টিকাদান কর্মসূচির উদ্দেশ্য :
-  শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানো।

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর {লিংক}।
৯,৯৫১.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যম কোন প্রতিষ্ঠানের  জন্ম হয়?
  1. চারুকলা ইন্সটিটিউট
  2. বাংলা একাডেমী
  3. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউট
  4. বাংলাদেশ শিশু একাডেমি
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমী
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমী:
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে মূল সভাপতির অভিভাষণে শহীদুল্লাহ্ একটি একাডেমি গড়ার কথা বলেন। 
- ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
-  দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন। 
- এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলা একডেমি এবং বাংলাপিডিয়া।

৯,৯৫২.
কে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে শহীদ নন?
  1. ক) সালাম
  2. খ) জব্বার
  3. গ) আসাদ
  4. ঘ) বরকত
সঠিক উত্তর:
গ) আসাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আসাদ
ব্যাখ্যা
- রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত প্রমুখ ভাষা আন্দোলনের শহীদ।
- আবদুস সালাম (১৯২৫-১৯৫২) একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা-আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে একজন। ভাষা শহীদদের মধ্যে তিনিই সর্বশেষ মারা যান।
- আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি
৯,৯৫৩.
আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সহ-সভাপতি ছিলেন -
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. শওকত হোসেন
  3. এ.কে রফিকুল হোসেন
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
শওকত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শওকত হোসেন
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নতুন এই দলের নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ।
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন সভাপতি;
- আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খান ছিলেন সহ-সভাপতি,
- শামসুল হক ছিলেন সাধারণ সম্পাদক,
- শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাবন্দি), খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ.কে রফিকুল হোসেন ছিলেন যুগ্ম-সম্পাদক, এবং
- ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে আওয়ামী লীগ গঠিত হয়। 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৯৫৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কভার মুদ্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়
  2. ইস্টার্ন রিগান ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
  3. সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন
  4. বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন রিগান ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন রিগান ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন - নকশ ও অঙ্গসজ্জার মূল তত্ত্বাবধায়ক।
শিল্পী হাসেম খান - নকশ ও অঙ্গসজ্জার সহযোগী।
সৈয়দ শাহ আবু শফি - সংবিধানে চামড়ার কাজ করেন।

উল্লেখ্য,
মুদ্রণ - বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় 
কভার মুদ্রণ - ইস্টার্ন রিগান ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড,ঢাকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৯৫৫.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন হয়েছিল কোথায়?
  1. বাখরাবাদ
  2. হরিপুর
  3. কৈলাসটিলা
  4. তিতাস
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [ আগস্ট, ২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এবং প্রথম আলো।
৯,৯৫৬.
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট কত সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠন করে?
  1. ৮ জন
  2. ১০ জন
  3. ১২ জন
  4. ১৪ জন
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র- এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার- আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী- আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
৪. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প - সৈয়দ আজিজুল হক।
- পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৯,৯৫৭.
আইন প্রণয়ন এর ক্ষমতা কোন বিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. শাসন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করার অধিকার রাখে, যা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি গৃহীত হওয়ার দরুণ আইনসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের হাতেই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
- সরকার কর্তৃক শাসনব্যবস্থা পরিচালিত করার ক্ষমতা মহান সংসদের হাতে থাকার কারণে বাংলাদেশে সংসদের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নেয়া হয়েছে।
- এর অর্থ হল-আইন ও শাসন প্রণয়নগত সকল বিষয়ে সংসদ কর্তৃক গৃহীত নীতিমালাই প্রযোজ্য হবে এবং তা শাসন বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে।
- এর ব্যতয় হওয়া সাংবিধানিকভাবে আইন লংঘনের শামিল।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৫৮.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করতে হবে, তা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৪ (১)
  2. ৪ক
  3. ৫ (১)
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
৪ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ক
ব্যাখ্যা
• জাতির পিতার প্রতিকৃতি:
→ ৪ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করত হবে।

অপরদিকে, 
→ ৪ (১) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের।
→ ৫ (১) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - রাজধানী সর্ম্পকে।
→ ১৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা সর্ম্পকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৯৫৯.
সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে দণ্ডভুক্তি থেকে চিল্কাহ্রদ পর্যন্ত এলাকাকে রাজ্যভুক্ত করেন কে?
  1. হর্ষবর্ধন
  2. শশাঙ্ক
  3. রাজ্যবর্ধণ
  4. মহাসেন
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
• শশাঙ্ক:
→ রাজ্য জয়:
→ শশাঙ্ক গৌড়ের সিংহাসনে আরোহণ করার পর নিজ রাজ্যের সীমা বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করেন। তিনি প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দণ্ডভুক্তি (মেদিনীপুর), উৎকল (উত্তর উড়িষ্যা) ও কঙ্গোদ (দক্ষিণ উড়িষ্যা) নিজ রাজ্যভুক্ত করেন।
→ শশাঙ্কের রাজ্য দক্ষিণে উড়িষ্যার চিল্কা হ্রদ পর্যন্ত ছিল। শশাঙ্ক পশ্চিমে তাঁর সৈন্যবাহিনী নিয়ে অগ্রসর হলে প্রথমে মগধ ও পরে বারানসী রাজ্য তাঁর কাছে পরাজয় স্বীকার করে। ফলে উভয় অঞ্চলই শশাঙ্কের রাজ্যভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৬০.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের নাম কী?
  1. অকুতোভয়
  2. উন্নত মমশির
  3. নির্ভীক
  4. কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
সঠিক উত্তর:
উন্নত মমশির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত মমশির
ব্যাখ্যা
• ইতিহাসের অম্লান তরুণ শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের 'উন্নত মম শির'।
- এই চিত্রকলা অঙ্কন করেছেন শিল্পী শহীদ কবির।

• শহীদ আবু সাঈদ:

- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র আবু সাঈদ।
- ১৬ই জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন চলাকালে একজন পুলিশ সদস্যের গুলিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
-  তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ বলে আখ্যায়িত করে।

উৎস: প্রথম আলো।
৯,৯৬১.
 কার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়?
  1. ওয়াকার-উজ-জামান

  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. আসিফ নজরুল ইসলাম
  4. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

• ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।
​• বৃহস্পতিবার রাতে (৮ আগস্ট-২০২৫) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়েছেন উপদেষ্টারা।
​• বঙ্গভবনে উপদেষ্টাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

​উল্লেখ্য,
​- শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পরে সংসদ ভেঙে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
​- ফলে দেশ পরিচালনার জন্য সাংবিধানিক সরকার কাঠামো দরকার হয়।
​- বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’ নামে কোন ব্যবস্থার উল্লেখ নেই। 
- সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে মতামত দেয় সুপ্রিমকোর্ট।
- সর্বোচ্চ আদালত 'সুপ্রিম কোর্ট' সংবিধানের আলোকে এই সরকারের বৈধতা দিয়েছেন।

​উৎস: বিবিসি এবং প্রথম আলো.

৯,৯৬২.
কত তারিখে কৃষক দিবস পালিত হয়?
  1. ৩০ জানুয়ারি
  2. ৩১ জানুয়ারি
  3. ১৫ নভেম্বর
  4. ১৬ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

কৃষক দিবস:
- ৩০ জানুয়ারি কৃষক দিবস পালিত হয়।

⇒ দেশে প্রথমবারের মতো ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কৃষক দিবস পালিত হয়।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ও এর সম্প্রসারণ কেন্দ্রের (বাউএক) উদ্যোগে এই দিবস পালিত হয়।
- দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল 'কৃষকবান্ধব প্রযুক্তির সম্প্রসারণই হোক আমাদের অঙ্গীকার'।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ অগ্রহায়ণ জাতীয় কৃষি দিবস পালিত হয়। 

উৎস: প্রথম আলো।

৯,৯৬৩.
দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাঙামাটি
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ:
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা 'খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ' খুলনা জেলার খালিশপুর শহরে অবস্থিত।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন( বিসিআইসি) এর অধিনস্থ্য একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

উল্লেখ্য,
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

[উল্লেখ্য, মিলটি প্রতিষ্ঠার পরে অনেকবার বন্ধ ও পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে মিলটী বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। মিলটি চালু হলয়ে বেকার সমস্যার অনেকখানি সমাধান হবে।]

উৎস: i) খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ।
ii) প্রথম আলো।
৯,৯৬৪.
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাশকৃত রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩ এর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. কোম্পানির লাভ বৃদ্ধি
  2. সম্পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান
  3. ভারতে নতুন উপনিবেশ স্থাপন
  4. কোম্পানি ও কর্মচারীদের দূর্নীতি রোধ
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি ও কর্মচারীদের দূর্নীতি রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি ও কর্মচারীদের দূর্নীতি রোধ
ব্যাখ্যা
রেগুলেটিং এ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি:):
- উপমহাদেশে কোম্পানির যাবতীয় কাজ প্রথমে ইংল্যান্ডের বোর্ড অব ডাইরেক্টরস পরিচালনা করত।
- কালক্রমে এদেশে রাজ্য বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে শাসন কাজেও নানা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
- এ বিশৃংখলা দূর করার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সর্বপ্রথম উপমহাদেশের শাসন কাজে হস্তক্ষেপ করে।
- তদানীন্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে শাসন আইন নামে একটি আইন পাস করেন যা 'রেগুলেটিং এ্যাক্ট' নামে ইতিহাসে বিখ্যাত।

⇒ ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হওয়ার পর ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থের সরকার সর্বপ্রথম বাংলা তথা ভারত শাসন বিষয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস করে।
- ১৭৭৩ সালে প্রণীত রেগুলেটিং অ্যাক্ট ভারতীয় উপমহাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।
- এই অ্যাক্ট অনুযায়ী বাংলা এবং অন্যান্য প্রেসিডেন্সির শাসনভার ও নিয়ন্ত্রণ একটি কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে ন্যস্ত হয়, যা ‘বাংলার গভর্নর জেনারেল ও ফোর্ট উইলিয়ম কাউন্সিল’ নামে পরিচিত ছিল।
- ভারতীয় উপমহাদেশে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে।
- এই আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও দায়িত্ব সংজ্ঞায়িত করে দেওয়া হয়।
- বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয়।
- এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো কোম্পানি ও তার কর্মচারীদের দূর্নীতি রোধ করা।
- কিন্তু তা সত্ত্বেও দূর্নীতি রোধ হয়নি।

⇒ রেগুিলেটিং এ্যাক্ট এর দ্বারা বোর্ড অব ডাইরেকট্রসকে ব্রিটিশ সরকারের নিকট কোম্পানির শাসন ও রাজস্ব সম্পর্কে সকল তথ্য পাঠাতে হতো।
- বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল আখ্যা দেয়া হয়।
- গভর্নর জেনারেলকে সাহায্য করার জন্য ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি 'কাউন্সিল' গঠিত হয় এবং সবার সমান অধিকার দেয়া হয়।
- এই রেগুলেটিং এ্যাক্ট অনুসারে বাংলার গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- এ রেগুলেটিং এ্যাক্ট এর দোষ-ত্রুটি থাকলেও তা উপমহাদেশের শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
              ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৬৫.
ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'রকেট' চালু করে কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে: ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়: ৩১শে মার্চ, ২০১১ সালে।
- প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম: রকেট।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৯,৯৬৬.
Which French general fought for Sirajuddaula in the battle of Palashi?
  1. ক) Berner
  2. খ) Rossi
  3. গ) Sinfrey
  4. ঘ) Remy
সঠিক উত্তর:
গ) Sinfrey
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Sinfrey
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ:

- পলাশীর যুদ্ধে ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধ করেন।
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলা ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়। অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- পলাশী যুদ্ধের সুদূর প্রসারী পরিণতি ছিল সমগ্র উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠা। এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৬৭.
মেগাস্থিনিস কোন দেশের ইতিহাসবিদ ছিলেন?
  1. মরক্কো
  2. ইতালি
  3. চীন
  4. গ্রীস
সঠিক উত্তর:
গ্রীস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীস
ব্যাখ্যা

• মেগাস্থিনিস:
- মেগাস্থিনিস প্রাচীন গ্রীসের একজন ইতিহাসবিদ এবং কূটনীতিক।
- তিনি এশিয়া মাইনরে জন্মগ্রহণ করেন।
- গ্রিক সেনাপতি সেলিউকাস খ্রিষ্টপূর্ব ৩০২ অব্দে তাকে দূত হিসেবে প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজদরবারে প্রেরণ করেছিলেন।
- তিনি কয়েক বছর এ দেশে অবস্থান করে মৌর্য শাসন সম্পর্কে তার অভিজ্ঞতা ইন্ডিকা নামক গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯,৯৬৮.
আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

ঢাকা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার:
- ঢাকা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার থেরবাদী বৌদ্ধদের একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।
- ঢাকার মেরুল বাড্ডায় ১৯৮১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধদের ধর্ম, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সদ্ধর্মের প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ২০০০ সালের ৮ নভেম্বর কঠিন চীবর দান ও জাতীয় বৌদ্ধ মহাসম্মেলন উপলক্ষে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বিহার-ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। 

উল্লেখ্য,
- ১৩ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে ‘সম্প্রীতি ভবন’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট।

৯,৯৬৯.
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের কয়টি জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস আছে?
  1. ১৯টি
  2. ২০টি
  3. ১৮টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
২১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১টি
ব্যাখ্যা
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর:
- ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি অধিদপ্তর।
- এটি বাংলাদেশের সকল জমির রেকর্ড নথি সংরক্ষণ করে।
- এটি সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত।
- অধিদপ্তরের বর্তমান মহাপরিচালক মো: সাইদুর রহমান।

⇒ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ২১টি জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস আছে।

উৎস: ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৯,৯৭০.
কতজন সদস্যের উপস্থিতিতে সংসদের কোরাম পূর্ণ হয়?
  1. ক) পয়তাল্লিশ জন
  2. খ) ষাট জন
  3. গ) সত্তর জন
  4. ঘ) নব্বই জন
সঠিক উত্তর:
খ) ষাট জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ষাট জন
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার কমপক্ষে ৬০ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায় বা কোরাম পূর্ণ হয়। সদস্য উপস্থিতি ৬০ জন বা তার অধিক হলে স্পিকার সংসদের বৈঠক শুরু করেন।
- ‍অধিবেশন চলাকালেও যদি সদস্য সংখ্যা ৬০ জনের কম হয় সেক্ষেত্রেও স্পিকার বৈঠক মূলতবি রেখে কোরাম পূর্ণ হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করে থাকেন।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৭১.
লর্ড বেন্টিঙ্ক কবে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন?
  1. ক) ১৮১৫ সালে
  2. খ) ১৮২১ সালে
  3. গ) ১৮২৯ সালে
  4. ঘ) ১৮৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮২৯ সালে
ব্যাখ্যা
সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো। ভারতীয় হিন্দু সমাজে যুগ যুগ ধরে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন। তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে।

রাজা রামমোহন রায়সহ আরো কিছু ভারতীয় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,৯৭২.
মুক্তিযুদ্ধে 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) খুলনা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-
• কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল),
• আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা,ময়মনসিংহ),
• বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল),
• হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল),
• হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ), আকবর বাহিনী (মাগুরা),
• লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা) ও
• জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্ৰ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
৯,৯৭৩.
বাংলাদেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (GDP) হিসাব করার দায়িত্ব পালন করে কোন সংস্থা?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে ।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।

• মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত-
- দেশের অভ্যন্তরীণ আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা।
- বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়।

→ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

উৎস:
i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট, 
ii) অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৭৪.
স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের চেয়ারপার্সন -
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
-‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এবার রূপ নিচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এ।
- এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স কমিটির চেয়ারপারসন হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পাঁচজন মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রীসহ সদস্য রয়েছেন ৩০ জন।
- দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তরের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা দেবে এই 'টাস্কফোর্স'।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৯৭৫.
'ভারতেশ্বরী হোমস' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. পি সি সরকার
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. মাদার তেরেসা
  4. আর পি সাহা
সঠিক উত্তর:
আর পি সাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর পি সাহা
ব্যাখ্যা
ভারতেশ্বরী হোমস:
• ধরন: নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
• প্রতিষ্ঠাতা: রণদা প্রসাদ সাহা (আর পি সাহা)।
• নামকরণ: প্রতিষ্ঠাতার পিতামহী ভারতেশ্বরী দেবীর নামানুসারে।
• অবস্থান: টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরে।
• প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৫ খ্রি.; উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাক্রম বিদ্যমান।
• অর্জন/স্বীকৃতি: 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০'।
৯,৯৭৬.
কোনটি মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়
  2. রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়
  3. রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বাড়বে
  4. সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বাড়বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বাড়বে
ব্যাখ্যা
মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।

⇔ মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি;
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে;
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়;
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়;
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৭৭.
প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ইরাক
  2. সেনেগাল
  3. ইরান
  4. সৈদি আবর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী গুরুত্বপূর্ণ দেশসমূহ:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান। একই দিনে দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ওই একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- প্রথম মুসলিম ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- প্রথম উত্তর আমেরিকান দেশ হিসেবে বার্বাডোস স্বীকৃতি দেয় ২০ জানুয়ারি ১৯৭২।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং নিউইর্য়ক টাইমস আর্কাইভস।
৯,৯৭৮.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে রবীন্দ্রসংগীত চর্চায় কাকে সম্মানিত করা হয়েছে?
  1. ড. অসীম দত্ত
  2. এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
  3. রেজাউর রহমান
  4. মুহম্মদ শামজাহান মিয়া
সঠিক উত্তর:
এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায়  ড. অসীম দত্ত।
- এবং রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- রবীন্দ্র সাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
- প্রতি বছর দুজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।[ লিঙ্ক]

৯,৯৭৯.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল -
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৯,৯৮০.
বাংলাদেশে রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায় কোনটি?
  1. কাপ্তাই হ্রদ
  2. হাকালুকি হাওর
  3. বগা লেক
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রামসার সাইট: 
- বাংলাদেশে রামসার সাইট হিসেবে দুটি স্থান স্বীকৃতি পেয়েছে: সুন্দরবন এবং টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট - সুন্দরবন, ১৯৯২ সালের ২১ মে স্বীকৃত হয়, এবং
- টাঙ্গুয়ার হাওর ২০০০ সালের ১০ জুলাই রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালে রামসার সনদ কার্যকর করার মাধ্যমে এ চুক্তির আওতায় আসে এবং জলাভূমি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে শুরু করে।

সূত্র: রামসার ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৯,৯৮১.
বাংলার প্রথম রাজা কে ছিলেন?
  1. ক) শশাঙ্ক
  2. খ) গোপাল
  3. গ) লক্ষ্মণ সেন
  4. ঘ) ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
ক) শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন। শশাঙ্ক একজন সুশাসক ছিলেন। তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ। তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে। বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং শৈব ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম-দশম শ্রেণি
৯,৯৮২.
রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৪৮ সালে
  3. গ) ১৯৪৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। এর আহব্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া। সূত্রঃ বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯৮৩.
'এলাহাবাদ চুক্তি' কার কার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. মীর কাশিম ও রবার্ট ক্লাইভ
  2. সুজাউদ্দৌলা ও রবার্ট ক্লাইভ
  3. রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস ও শাহ আলম
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
ব্যাখ্যা

• এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে  রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।

⇒ কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৮৪.
বাংলাকে ‘বুলগাকপুর’ হিসেবে সম্বোধন করার কারণ ছিল-
  1. ক) বিচিত্র সৌন্দর্য্য
  2. খ) ধন সম্পদপূর্ণ স্থান
  3. গ) বিদ্রোহের নগরী
  4. ঘ) অনেকগুলো নদী থাকার কারণে
সঠিক উত্তর:
গ) বিদ্রোহের নগরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিদ্রোহের নগরী
ব্যাখ্যা
বাংলা প্রদেশ সর্বদাই দিল্লি সুলতানদের মাথা ব্যাথার কারণ ছিল। কেন্দ্রীয় শক্তির দুর্বলতা এবং বাংলার স্বতন্ত্র ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলার শাসকগণ সুযোগ পেলেই কেন্দ্রীয় শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে উঠতেন। যে কারণেই বাংলাকে বলা হত বিদ্রোহীর নগরী বা বুলগাকপুর। ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী এই নাম দিয়েছিলেন। [সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)]
৯,৯৮৫.
বাঙালির জাতীয় ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) ছয়দফা আন্দোলন
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ক) ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সময়ে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৮৬.
জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
  1. মোস্তফা হারুণ কুদ্দুস হিলি
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. তানভীর কবীর
  4. মৃণাল হক
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃণাল হক
ব্যাখ্যা
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর মৃণাল হক।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
৯,৯৮৭.
বাংলাদেশের মরমি কবি নামে পরিচিত-
  1. লালন ফকির
  2. হাসন রাজা
  3. শাহ আব্দুল করিম
  4. আজম খান
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
ব্যাখ্যা
হাসন রাজা:
- হাসন রাজা  মরমি কবি, সাধক।
- তাঁর প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রজা চৌধুরী।
- সিলেট জেলার সুনামগঞ্জে লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- হাসন রাজার পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয়ই ছিল অযোধ্যাবাসী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- পরে  ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তাঁরা সুনামগঞ্জ আসেন।

• তার কয়েকটি গান: 
- আঁখি মঞ্জিয়া দেখ রূপ রে।
- আগুন লাগাইয়া দিল কুনে, হাছন রাজার মনে।
- সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো।
- নিশা লাগিল রে বাঁকা দুই নয়নে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৯৮৮.
বাংলাদেশের মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো-
  1. সচিবালয়
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. জেলা প্রশাসন
  4. উপজেলা প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুটি স্তর আছে।

• প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)। 
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমেসারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,৯৮৯.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কী?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) তাজউদ্দিন আহ্‌মেদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এটিই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামরুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৯০.
"ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার" অপর নাম কী?
  1. কেন্দ্রীয় অর্থব্যবস্থা
  2. মিশ্র অর্থব্যবস্থা
  3. মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
  4. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
- ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদনের উপকরণসমূহের উপর ব্যক্তিগত মালিকানা বজায় থাকে এবং সমাজের যাবতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেসরকারি পর্যায়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংঘটিত হয়।
- "ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা" এর অপর নাম মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা (Free Market Economy)।

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো-

১/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এত স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে। অর্থাৎ, ক্রেতা ও বিক্রেতা পণ্য দামাদামির উপর ভিত্তি করে পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে।
২/ উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন ও ভোগ এই সকল গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডগুলো ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি উদ্যোগে হয়ে থাকে।
৩/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তিমালিকানায় থাকে এবং ব্যক্তি কর্তৃক এগুলো ভোগ করার পাশাপাশি হস্তান্তর করা হয়ে থাকে।
৪/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সরকার শৃঙ্খলা রক্ষা, দেশরক্ষা ও সম্পদের মালিকানা রক্ষার মাধ্যমে ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় আয় বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়।
৬/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোক্তার চাহিদা ও মুনাফার সুযোগের উপর ভিত্তি করে উৎপাদকরা বা ফার্মগুলো পণ্য উৎপাদন করে এবং তাদের পণ্য উৎপাদনের মূল উদ্দেশ্য থাকে মুনাফা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ১ম পত্র , এইচ এস সি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৯১.
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি কত টাকা বৃদ্ধি করা হয়?
  1. ক) ১২০০০ টাকা
  2. খ) ১০০০০ টাকা
  3. গ) ১১০০০ টাকা
  4. ঘ) ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ২০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। অর্থাৎ ১০,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২,০০০ টাকা করা হয়।
৯,৯৯২.
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কত বছরের জন্য নির্বাচিত হয়?
  1. ক) ৪ বছর
  2. খ) ৫ বছর
  3. গ) ৬ বছর
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ বছর
ব্যাখ্যা
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর। মোট ১৩ জন নির্বাচিত প্রতিনিধির সমন্বয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত।
এরা হলেন:
- ১ জন চেয়ারম্যান
- ৯ জন সাধারণ সদস্য
- ৩ জন নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সদস্য।
- এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদে বেতনভুক্ত একজন সচিব থাকেন।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল ৫ বছর। অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্য ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯৯৩.
’অর্থবিল’ সম্পর্কিত বিধানাবলী সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত আছে?
  1. ৮৬ নং
  2. ৮১নং
  3. ৮০ নং
  4. ৮৭ নং
সঠিক উত্তর:
৮১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদ অর্থবিল সম্পর্কিত।

• অর্থবিল:
৮১(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
- কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

৮১(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না।

৮১(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

অন্যদিকে,
৮০। আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি
৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।
৮৭। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯,৯৯৪.
সংবিধানের কোন ভাগে 'বাংলাদেশের কর্মবিভাগ' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) ৭ম
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ৯ম
  4. ঘ) ১০ম
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের নবম ভাগে "বাংলাদেশের কর্মবিভাগ" সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
এই ভাগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ হলো: 
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ: কর্ম কমিশনের প্রতিষ্ঠা
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ: সদস্য-নিয়োগ
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ: কর্ম কমিশনের সদস্যদের পদের মেয়াদ
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদ: কর্ম কমিশনের দায়িত্ব
- ১৪১ নং অনুচ্ছেদ: কর্ম কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান
৯,৯৯৫.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চট্টগ্রামের শাসনভার লাভ করে -
  1. ১৭৫২ সালে
  2. ১৭৬০ সালে
  3. ১৭৪৮ সালে
  4. ১৭৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬০ সালে
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম:
- চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর ও বাণিজ্যিক রাজধানী।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম চট্টগ্রামে আগমন করে।
- পর্তুগিজরা প্রথমে জন দ্য সিলভিরার নেতৃত্বে ১৫১৭ সালে এবং পরে আলফন্সো দ্য মিলোর নেতৃত্বে ১৫২৭ সালে চট্টগ্রাম দখলের ব্যর্থ চেষ্টা করে।
- তারা বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহকে সাহায্য করার বিনিময়ে তার কাছ থেকে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়েরও অধিকার লাভ করে।
- এটিকে পর্তুগিজরা পোর্টো গ্র্যান্ডে নামকরণ করেন।
- জোয়াও ডি ব্যারোস ১৫৫২ সালে 'বাংলা রাজ্যের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং ধনী শহর' হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন।
- সাতগাঁও বন্দরের নামকরণ হয় ‘পোর্টো পেকুইনে’।
- ১৬৬৫-৬৬ সালে বাংলার মুগল সুবাহদার শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম অভিযান করে অতর্কিত আক্রমণে বন্দরটি দখল করে নেন।
- চট্টগ্রাম ১৭৬০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Britannica.
৯,৯৯৬.
দেশের মাথাপিছু আয় কোন প্রতিষ্ঠান প্রাক্কলন ও প্রকাশ করে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. বিবিএস
  3. নিপোর্ট
  4. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিবিএস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিএস
ব্যাখ্যা
BBS:

- BBS এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Bureau of Statistics.
- - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বাংলাদেশের জনমিতি, অর্থনীতি, এবং অন্যান্য ঘটনার পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা এবং তথ্য পর্যালোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা এটি বাংলাদেশ সরকারের সকল ধরনের জরিপ কার্যক্রম চালায় এবং তথ্য প্রদান করে।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৭৪ সালের আগস্ট মাসে।
- সদর দপ্তর - ঢাকা, বাংলাদেশ।
- দেশের মাথাপিছু আয় প্রাক্কলন ও প্রকাশ করে - বিবিএস।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৯,৯৯৭.
মহাত্মা গান্ধী অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন কত সালে?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯৪২ সালে
  4. ১৯৪৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
ব্যাখ্যা
• অসহযোগ আন্দোলন:
- রাউলাট আইন ও জালিয়ান ওয়ালাবাগের হত্যাকান্ড (১৯১৯)-এর প্রতিবাদে মহাত্মা গান্ধী ১৯২০ সালের ১০ মার্চ অহিংস অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।
- গান্ধীজী হিংসাত্মক পথ বর্জন এবং সত্যাগ্রহ নীতিকে সামনে রেখে অসহযোগ আন্দোলন শুরু কর্মসূচি গ্রহণ করেন‌।
- এ আন্দোলন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল- খেতাব ও সরকারি পদ ত্যাগ করা, ব্রিটিশ সংশ্লিষ্ট পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া, ব্রিটিশ আদালত বর্জন করে নিজস্ব সালিশি আদালত প্রতিষ্ঠা করা, স্বদেশী বস্ত্র ব্যবহার করা ইত্যাদি।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- অসহযোগ আন্দোলনের সাফল্য ও লক্ষ লক্ষ ভারতীয় এ আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে সন্ত্রস্ত করে তোলে।
- উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে মহাত্মা গান্ধী গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৯৮.
ডেপুটি কমিশনার নিচের কোনটির প্রধান?
  1. উপজেলা প্রশাসন
  2. জেলা প্রশাসন
  3. বিভাগীয় প্রশাসন
  4. সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার দায়দায়িত্ব বর্তায় জেলা প্রশাসনের হাতে।
- একজন ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।

জেলা প্রশাসনের কার্যাবলি:
- প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ
- আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ
- রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ
- উন্নয়নমূলক কাজ
- সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ
- স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ
- বিচারিক কাজ

উল্লেখ্য,
- কমিশনার বিভাগীয় প্রশাসনের প্রধান।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) উপজেলা প্রশাসনের প্রধান।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৯৯.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
  1. ৫ : ২
  2. ৫ : ৩
  3. ৩ : ১
  4. ৭ : ৫
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৫ : ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ : ৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
১০,০০০.
পশ্চিম আফ্রিকার অভিন্ন মুদ্রার নাম-
  1. ক) তুমান
  2. খ) ইকো
  3. গ) রোবল
  4. ঘ) বাথ
সঠিক উত্তর:
খ) ইকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইকো
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট-২০১৯।