বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৫ / ৩০৬ · ৯,৪০১৯,৫০০ / ৩০,৮৩২

৯,৪০১.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. পৌরসভা
  3. পার্বত্য জেলা পরিষদ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- তিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।
- বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: 
• ইউনিয়ন পরিষদ,
• উপজেলা পরিষদ,
• জেলা পরিষদ, 
• পৌরসভা,
• সিটি কর্পোরেশন,
• পার্বত্য জেলা পরিষদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,৪০২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল কালিজিরা ধানের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
খ) চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
অঞ্চলভিত্তিক চালের নাম - 
• দিনাজপুরের কাটারিভোগ।
• ময়মনসিংহের বিরই।
• কুমিল্লার চিনিগুড়া।
• নোয়াখালীর কালিজিরা।
• বরিশাল ও পটুয়াখালীর বালাম ধান।
• 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
• 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।

উল্লেখ্য - অপশনে চট্টগ্রাম বা মিরসরাই না থাকলে নোয়াখালী উত্তর করা যাবে। 

তথ্যসূত্র: krishi.gov.bd.
৯,৪০৩.
ফসলের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে নিচের কোনটি করা যায়?
  1. খাদ্য নিরাপত্তা
  2. পুষ্টি নিরাপত্তা
  3. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ফসলের বহুমুখীকরণ (Crop Diversification) খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের কৃষক প্রধানতঃ ধান চাষের উপর নির্ভরশীল।
- উৎপাদন পর্যাপ্ত হওয়ার কারণে উৎপাদন খরচের তুলনায় এর বাজার মূল্য প্রায়শঃ কম থাকে, যার ফলে কৃষক পরিবারের জীবন মান উন্নয়ন করা সম্ভব হয় না।
- শস্য বহুমুখীকরণের ফলে কৃষক উন্নত প্রযুক্তি পায়, যার ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বহুগুণে বাড়াতে পারে।
- শস্য বহুমুখীকরণ করলে কৃষক উচ্চ মূল্যের বিভিন্ন রকম ফসল উৎপাদন করতে পারে, যা একদিকে তার পুষ্টি নিশ্চিত করে অন্যদিকে ফসলের উচ্চ মূল্য পাওয়ার কারণে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।
- গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, শস্য বহুমুখীকরণের ফলে একক ফসল (Mono Crop) থেকে উৎপাদন ও আয় দুই থেকে তিনগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
- এরকম প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার ৯ বছর মেয়াদী (২০০১-২০০৯) North West Crop Diversification Project (NCDP) নামক প্রকল্পটি গ্রহণ করে যা উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের ১৬টি জেলার ৬১টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- এরই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ৭ বছর মেয়াদী (২০১০-২০১৭) ২য় শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (Second Crop Diversification Project SCDP) শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয় যা ৫টি বিভাগের ২৭টি জেলার ৫২টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়।

উৎস: ২য় শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (২য় সংশোধিত), পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৯,৪০৪.
কোনটি তামাকের উন্নত জাত?
  1. দোয়েল
  2. ল্যাংড়া
  3. সুমাত্রা
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

৯,৪০৫.
বাংলাদেশের কোন বিভাগের মধ্য দিয়ে সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. সিলেট
  5. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
⇒ সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত জেলা: সুনামগঞ্জ।
- সুনামগঞ্জ জেলায় নদীর সংখ্যা: ৯৭টি।

⇒ সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত বিভাগ: ঢাকা।
- ঢাকা বিভাগে নদীর সংখ্যা: ২২২টি।

⇒ সবচেয়ে বেশি জেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী: পদ্মা।
- পদ্মা নদী মোট ১২টি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

⇒ সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী: মেঘনা।
- মেঘনা নদী মোট ৩৬টি উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী: পদ্মা।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী: গাঙ্গিনা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৯,৪০৬.
সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে বাংলাদেশের সংবিধানে কোন সংশোধনী পাস করা হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. অষ্টম
  3. পঞ্চদশ
  4. একাদশ
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
ব্যাখ্যা

• দ্বাদশ সংশোধনী:
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৮ই সেপ্টেম্বর, ১৯৯১।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;

অন্যদিকে, 
- অষ্টম সংশোধনী : জুন, ১৯৮৮,  বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬টি বেঞ্চ স্থাপন করা হয়।
- একাদশ সংশোধনী ,আগস্ট, ১৯৯১:  অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্রয়োগকৃত সকল কার্যক্রম বৈধ করা হয় এবং পুনরায় তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবার বিধান করা হয়।

• পঞ্চদশ সংশোধনী: জুলাই, ২০১১, 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯,৪০৭.
দেশের নবম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. পটুয়াখালী
  2. গাইবান্ধা
  3. গোপালগঞ্জ
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নবম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের নবম ইপিজেড পটুয়াখালীতে স্থাপিত হবে।
- ১,৫৩০ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ পাওয়ার ও ১,৮৩৬ মিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে পটুয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)।
- 'প্রস্তাবিত ইপিজেডের কাছাকাছি দুটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে-একটি পায়রা, অপরটি মোংলা সমুদ্র বন্দর।
- সমীক্ষা অনুযায়ী, পটুয়াখাালীর পচাকোড়ালিয়া ও কুয়াকাটার ৪১৮ একর জমিতে প্রস্তাবিত ইপিজেডে ৩০৬টি শিল্প প্লট তৈরি করা যাবে।
- প্রস্তাবিত ইপিজেডে ১ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
- এছাড়া আরও ২ লাখ বাংলাদেশির পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিডেজ স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮০ সালে গঠন করা হয় বেপজা।
- বর্তমানে, বাংলাদেশে ৮টি ইপিজেড আছে।
- এগুলো হচ্ছে: চট্টগ্রাম ইপিজেড, ঢাকা ইপিজেড, মোংলা ইপিজেড, ঈশ্বরদী ইপিজেড, কুমিল্লা ইপিজেড, উত্তরা ইপিজেড, আদমজী ইপিজেড ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উৎস: ২৩ জুন, ২০২৩, The Business Standard।
৯,৪০৮.
বাংলাদেশে শিক্ষার স্তর কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা
- বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তিন স্তরবিশিষ্ট।
- সেগুল হলো: প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর এবং উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর।
- সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হয় ৫ বছর মেয়াদী প্রাথমিক, ৭ বছর মেয়াদী মাধ্যমিক  (এর মধ্যে ২ বছর মেয়াদী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়)।
- বাংলাদেশে তৃতীয় পর্যায়ে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ৩ থেকে ৫ বছর মেয়াদি।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় হলো শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দফতর। 

উৎস: বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, bangladesh.gov.bd.
৯,৪০৯.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় বাজেট তৈরি করে?
  1. পরিকল্পনা কমিশন
  2. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  3. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  4. অর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
অর্থ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ বিভাগ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৪১০.
বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার ডব্লিউএফপির শুভেচ্ছাদূত?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. তামিম ইকবাল
  3. মাশরাফি বিন মর্তুজা
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
তামিম ইকবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামিম ইকবাল
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
• বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংঠনের শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিত হলেন তামিম।
• এর আগে সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা ইউনিসেফের হয়ে এই সম্মান পেয়েছিলেন।
উৎসঃ দৈনিক ইত্তেফাক (০১ জুন)।

৯,৪১১.
'আইন প্রণয়ন' কোন বিভাগের দায়িত্ব?
  1. আইন বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা

আইন  বিভাগের কার্যাবলী:
-  আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ;
- সংবিধান রচনা ও সংশোধন;
- প্রশাসনিক কাজ;
- শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ;
- বিচার সংক্রান্ত কাজ;
- অর্থ সংক্রান্ত কাজ;
- নির্বাচন সংক্রান্ত কাজ;
- জনমত গঠন;
-  অনুসন্ধানমূলক কাজ;

অন্যদিকে,
বিচার বিভাগের বিভিন্ন কাজ:
- আইনের ব্যাখ্যা প্রদান;
- শাসন সংক্রান্ত;
- পরামর্শ দান;
- তদন্ত কার্য;
- ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা;
-  নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ;




- সহজ কথায় আইন বিভাগ সরকারের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে, শাসন বিভাগ সেই আইন বাস্তবায়ন করে এবং বিচার বিভাগ প্রণীত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল বিচারকার্য সম্পন্ন ও আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করে।

উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]

৯,৪১২.
শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন -
  1. ২ মার্চ, ১৯৭১
  2. ৩ মার্চ, ১৯৭১
  3. ২১ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৩ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: i) প্রথম আলো, ০২ মার্চ, ২০২২।
         ii) ২ মার্চ ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৯,৪১৩.
একটি দেশের রাজনৈতিক অবস্থা ও উন্নয়ন ঐ দেশের কিসের উপর নির্ভরশীল?
  1. ক) সরকার
  2. খ) বিরোধী-দল
  3. গ) জনমত
  4. ঘ) রাজনৈতিক সংস্কৃতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজনৈতিক সংস্কৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজনৈতিক সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা
অতি সম্প্রতি রাজনীতি বিজ্ঞান আলোচনায় ‘রাজনৈতিক সংস্কৃতি’ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। কোন দেশের রাজনৈতিক অবস্থা বিশ্লেষণের জন্য রাজনৈতিক কৃষ্টি বা সংস্কৃতি জানা প্রয়োজন। কেননা একটি দেশের রাজনৈতিক অবস্থা ও উন্নয়ন সে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বা কৃষ্টির ওপর অনেকখানি নির্ভরশীল। সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই।
৯,৪১৪.
জনশুমারী ও গৃহগণনা- ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. কোচ
  2. ভিল
  3. বম
  4. গুর্খা
সঠিক উত্তর:
ভিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিল
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারী ও গৃহগণনা- ২০২২:
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী - চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে - মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী - ভিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় - লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উল্লেখ্য,
- কোচ: ১৩,৭০৪ জন।
- গুর্খা: ১০১ জন।
- বম: ১৩,১৯৩ জন।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারী ও গৃহগণনা -২০২২।
৯,৪১৫.
ফকির-সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম কোথায় বিদ্রোহ শুরু করেন?
  1. দিল্লি
  2. আসাম
  3. ত্রিপুরা
  4. পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

• ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন ছিল একটি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন।
- পলাশি যুদ্ধের ১৫/২০ বছর পর থেকে এই আন্দোলনের শুরু।
- ১৭৬০ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ সালে মজনু শাহ উত্তর বাংলায় ইংরেজবিরোধী তৎপরতা শুরু করেন। 
- ১৭৭৭-১৭৮৬ সাল পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় ইংরেজদের সঙ্গে মজনু শাহ বহু সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
- তাঁর যুদ্ধকৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
- ইংরেজদের পক্ষে তাঁকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করা কখনোই সম্ভব হয়নি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,৪১৬.
নিচের কোনটি স্থানীয় সরকারের অংশ?
  1. উপজেলা পরিষদ
  2. জেলা প্রশাসন
  3. স্থানীয় সরকার বিভাগ
  4. বন অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
উপজেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে। যথাঃ
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- থানা/উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।
অর্থাৎ, ইউনিয়ন পরিষদ - সর্বনিম্ন স্তর ও
জেলা পরিষদ - সর্বোচ্চ স্তর।

উৎসঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতাঃনবম দশম শ্রেণী
৯,৪১৭.
সাইমন ড্রিং কোন ব্রিটিশ সংবাদপত্রের প্রতিবেদক হিসেবে ১৯৭১ সালে ঢাকায় আসেন?
  1. দ্য টাইমস
  2. গার্ডিয়ান
  3. ডেইলি মেইল
  4. ডেইলি টেলিগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
- সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
- তিনি লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল, দ্য সানডে টাইমস, নিউজউইক, বিবিসি টেলিভিশন রেডিও নিউজ, রয়টার প্রভৃতি গণমাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে চালুকৃত প্রথম বেসরকারি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন-এর তিনি যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। 

⇒ দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
- ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় অর্ধশত বিদেশি সাংবাদিককে আটকে ফেলে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। তাদের হোটেল থেকে সরাসরি বিমানে তুলে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় যাতে গণহত্যার কোনো খবর সংগ্রহ করতে না পারে বিশ্ব গণমাধ্যম। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। পাকিস্তানি সামরিক আইন না মেনে তিনি হোটেলে লুকিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর ৩২ ঘণ্টা সময় কাটে হোটেলের লবি, ছাদ, বার, কিচেনের মত জায়গায়। পরে তিনি ঘুরে ঘুরে প্রত্যক্ষ করেন গণহত্যার বাস্তব চিত্র। ২৭ মার্চ কারফিউ উঠে গেলে সায়মন ড্রিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘুরে দেখেন।
- নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম খবর প্রকাশ করেন ৩০ মার্চ ১৯৭১, ডেইলি টেলিগ্রাফে।
- কলকাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতেন লণ্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায়।
- ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর লন্ডনে ফিরে গেলেও ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত জেনে আবার তিনি ঢাকায় আসেন।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনও তিনি ঢাকায় ছিলেন।
- একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই ব্রিটিশ সাংবাদিককে ২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননায় ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।
iii) সংগ্রামের নোটবুক।

৯,৪১৮.
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর কোন বাহিনীতে চাকুরিরত ছিলেন?
  1. ক) সেনাবাহিনী
  2. খ) নৌবাহিনী
  3. গ) বিমান বাহিনী
  4. ঘ) পুলিশ বাহিনী
সঠিক উত্তর:
ক) সেনাবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে। 
- পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে ১৯৬৭ সালে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে
- প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৬৮ সালে ইঞ্জিনিয়ার কোরে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৬৮  সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন্ড পদ লাভ করে তিনি ১৭৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নে যোগ দেন।
-  ১৯৭০ সালের ৩০ আগষ্ট তিনি ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন।
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে ৭ নং সেক্টরের মেহেদিপুর (মালদহ জেলায়) সাবসেক্টরের কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
- এসময় লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান ৭ নং সেক্টরের সেক্টর-কমান্ডার ছিলেন।
- ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর।
- ১৫ ডিসেম্বর মেজর গিয়াস, লেফটেন্যান্ট রফিক, লেফটেন্যান্ট কাইউম একযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করেন।
- সকাল ১০টার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত হয়। ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের লাশ উদ্ধার করে বিকেলে তাঁকে সোনামসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।

সূত্র: Banglapedia & Prothom ALo
৯,৪১৯.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মোহাম্মদ আশরাফুল
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ: ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- অধিনায়ক (প্রথম টেস্টে): নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উল্লেখ্য,  
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

• বিশেষ তথ্য-
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
- তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে। 

তথ্যসূত্র- ১. ESPNcricinfo.com ও ২. The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

৯,৪২০.
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক):
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালে তৎকালীন যুক্তফ্রন্ট সরকারের শ্রম, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী থাকাকালীন বিলের মাধ্যমে ‘ইপসিক’ তথা বর্তমান ‘বিসিক’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তৎকালীন EPSIC-এর উত্তরসূরী বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন যা রাষ্ট্রপতির Order No. 156 (2nd Amendment) মাধ্যমে পাশ হয় ১৯৭২ সালে।
- বিসিক সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে উন্নয়নমুখী ও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে থাকে।
- ফলে বেসরকারি উদ্যোগে সারা দেশে নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠেছে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়াও,
বিসিকের প্রধান কার্যাবলী:
- মাঝারি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপনে বিনিয়োগপূর্ব ও বিনিয়োগোত্তর সেবা প্রদান;
- ঋণ ব্যবস্থাকরণ ও বিতরণে সহায়তাকরণ;
- স্থায়ী অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব শিল্পপার্ক ও শিল্পনগরী স্থাপন;
- যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন;
- মেলা, সেমিনার, কর্মশালা ও ক্রেতা-বিক্রেতার সম্মেলন আয়োজন;
- বৃহৎ শিল্পের খুচরা যন্ত্রপাতি উৎপাদনকারী সাব-কন্ট্রাকটিং ইউনিট তালিকাভুক্তিকরণ এবং বৃহৎ শিল্পের সাথে তালিকাভুক্ত ইউনিটের সাব-কন্ট্রাকটিং সংযোগ স্থাপন;
- উন্নত পদ্ধতি ও প্রযুক্তি নির্ভর লবণ উৎপাদনে লবণ চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ;

উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৯,৪২১.
বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা শশাঙ্ক যে ধর্মের অনুসারী ছিলেন-
  1. বৌদ্ধ
  2. জৈন
  3. হিন্দু
  4. শৈব
সঠিক উত্তর:
শৈব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈব
ব্যাখ্যা
- বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা শশাঙ্ক শৈব ধর্মের অনুসারী ছিলেন । 
- বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং শৈব ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষী / বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
- শশাঙ্ক একজন সুশাসক ছিলেন। তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ। তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে।

[উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি]
৯,৪২২.
বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্যক্রম শুরু হয় -
  1. ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থবছর
  2. ২০০১-২০০২ অর্থবছর
  3. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  4. ২০০৯-২০১০ অর্থবছর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
ব্যাখ্যা
প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (ডিসেম্বর, ২০২৪) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৮৫০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ;
২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৯,৪২৩.
প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. কুমিল্লা
  3. বগুড়া
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

গৌড় নগরী:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৩০ অব্দে মালদহ অঞ্চলে ভোজ বংশীয় গৌড় নামক জনৈক ব্যক্তি যে রাজ্যের পত্তন করেছিলেন কালক্রমে তাই গৌড় রাজ্য নামে পরিচিত হয়।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড় রাজ্যের রাজধানী। 
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।

উল্লেখ্য,
- প্রাচীন গৌড় নগরীর বৃহদাংশের বর্তমান অবস্থান মূলত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলার সদর মহকুমার সীমান্তবর্তী গ্রাম মহদিপুরে এবং ক্ষুদ্রাংশ অবস্থিত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের গৌড় নামক গ্রামে।
- এখানে ‘দাখিল দরওয়াজা’ নামক একটি প্রত্ননির্দশন ও তার পুরু দেয়াল দিয়ে দুটি দেশের সীমান্ত বিভক্ত হয়েছে। ‘দাখিল দরওয়াজা’ দুদেশের প্রবেশ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভারতীয় অংশে পড়েছে বড় সোনা মসজিদসহ বহুসংখ্যক দৃষ্টিনন্দন প্রত্ননিদর্শন। আর ছোট সোনা মসজিদসহ কিছু নিদর্শন রয়েছে বাংলাদেশ অংশে।

উৎস: i) দৈনিক ইনকিলাব।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৪২৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫২
  2. অনুচ্ছেদ ৫৩
  3. অনুচ্ছেদ ৫৪
  4. অনুচ্ছেদ ৫৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৩
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,৪২৫.
মো. জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. ক) ১৯তম
  2. খ) ২০তম
  3. গ) ১৬তম
  4. ঘ) ১৮তম
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯তম
ব্যাখ্যা
জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের ১৯ তম রাষ্ট্রপতি। ২০ মার্চ ২০১৩ তারিখে রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান মৃত্যুবরণ করলে তিনি সে দিন থেকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশের ২০ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
জনাব আবদুল হামিদ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় মেয়াদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
উৎসঃ রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
৯,৪২৬.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কোন সংস্থার কার্যনির্বাহী ও অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে?
  1. ক) কমনওয়েলথে
  2. খ) ও আই সি
  3. গ) ন্যাম
  4. ঘ) সার্ক
সঠিক উত্তর:
ক) কমনওয়েলথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কমনওয়েলথে
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথের কার্যনির্বাহী ও অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
• এ দুই কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও কমনওয়েলথ বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য সাইদা মুনা তাসনিম।
• বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে ২০২২-২৪ মেয়াদের জন্য কমনওয়েলথ বোর্ড অব গভর্নরদের নির্বাহী কমিটির (এক্সকো) সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।
• এছাড়া বাংলাদেশ ২০২২-২৩ মেয়াদের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে কমনওয়েলথ অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।    
৯,৪২৭.
বাংলাদেশের কোন স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. বীর বিচ্ছু
  2. আলী
  3. নীল দংশন
  4. দ্য অ্যাডভেঞ্চারার
সঠিক উত্তর:
আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলী
ব্যাখ্যা
- ৭৮তম কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছবি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘আলী’।
-  স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শাখার স্পেশাল মেনশন (বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছবি হিসেবে স্বীকৃতি) দেওয়া হয় আদনান আল রাজীব পরিচালিত সিনেমাটিকে।
- সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র আলী উপকূলীয় এলাকার এক কিশোর। যেখানে সে থাকে, সেখানে নারীদের গান গাইতে দেওয়া হয় না।
 শহরে যাওয়ার সুযোগ পেতে আলী একটি গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ব্যতিক্রমী বিষয় হল, সে নারীকণ্ঠেও গান গাইতে পারে।
- ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের এ সিনেমায় আলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন আল আমিন। গত বছরের নভেম্বরে সিলেটে ‘আলী’র দৃশ্যধারণ হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৯,৪২৮.
পাকিস্তানে ইস্কান্দার মির্জা সামরিক শাসন জারি করে -
  1. ক) ১৯৫৭ সালের ৭ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৫৭ সালের ৮ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালের ৮ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান (১৯৫৬) মোতাবেক গভর্নর জেনারেলের পদকে প্রেসিডেন্ট পদে রূপান্তর করা হয় এবং সৈয়দ ইস্কান্দার আলী মির্জা জাতীয় পরিষদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তিনি ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক আইন জারি করেন এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করেন।
- তিন সপ্তাহের মধ্যে আইয়ূব খান এক রক্তপাতহীন সামরিক ক্যুর মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- তিনি ইস্কান্দার মির্জাকে প্রথমে কোয়েটা এবং পরে লন্ডনে নির্বাসনে পাঠান।
- ১৯৬৯ সালের ১২ নভেম্বর মির্জা লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন। জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সামরিক সরকার তাঁর মরদেহ পাকিস্তানে সমাহিত করতে অনুমতি দেয়নি।
- সে কারণে তাঁর মৃতদেহ সমাহিত করার জন্য তেহরানে (ইরান) নিয়ে যাওয়া হয়।
- ইরানের শাহ একজন রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদায় তাঁর মৃতদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে সমাহিত করার ব্যবস্থা করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,৪২৯.
বাংলাদেশের নির্বাচনে ভোটারের নূন্যতম বয়স সীমা কত?
  1. ক) ১৬ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২০ বছর
  4. ঘ) ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের নির্বাচনে ভোটারের নূন্যতম বয়স সীমা ১৮ বছর। 

• বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স ২৫ বছর।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- সংবিধানের ১২২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার- এই নীতির ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।'
- তাই ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৪৩০.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কত সালে প্রথম এশিয়া কাপের শিরোপা জয় লাভ করে?
  1. ২০১৬
  2. ২০১৭
  3. ২০১৮
  4. ২০১৯
সঠিক উত্তর:
২০১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
 - ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
 
উৎস: প্রথম আলো।
৯,৪৩১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, ধান উৎপাদনে শীর্ষজেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. বগুড়া
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)।

• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন:
- প্রথম: ফরিদপুর জেলা (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: পাবনা জেলা (৫,৬৯,১৩৭ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৯,৪৩২.
পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে কত লেন বিশিষ্ট?
  1. ৬ লেন
  2. ৮ লেন
  3. ১২ লেন
  4. ১৪ লেন
সঠিক উত্তর:
১৪ লেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ লেন
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা সরণি:
- ১৪ নভেম্বর ২০২৩ দেশের প্রথম ১৪ লেনের সড়ক 'শেখ হাসিনা সরণি' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

উল্লেখ্য:
- পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে দেশের প্রথম ১৪ লেনের মহাসড়ক, যার ৮টি এক্সপ্রেসওয়ে রয়েছে।
- রাজউক এই সড়কের নাম দিয়েছে 'শেখ হাসিনা সরণি'।
- ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন।
- এর মাধ্যমে ঢাকার পূর্ব থেকে পশ্চিমে তৈরি হচ্ছে নতুন সংযোগ।
- মহাসড়কের দুপাশে রয়েছে ১০০ ফুট খাল।
- কুড়িল থেকে কাঞ্চন পর্যন্ত ১২.৩০ কিলোমিটার দেশের প্রথম ১৪ লেনের সড়ক।
- রাজউকের তত্ত্বাবধানে এই পথের কাজ করেছে সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড।

উৎস: রাজউক ওয়েবসাইট। 
৯,৪৩৩.
‘কখনও আসেনি’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. জহির রায়হান
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. আবদুল জব্বার খান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
- ‘কখনো আসেনি’ ছবিটি পরিচালনা করেন জহির রায়হান।
জহির রায়হান পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Let There Be Light
- Stop Genocide
- জীবন থেকে নেওয়া
- কাজল
- কাঁচের দেয়াল
- বেহুলা
- আনোয়ারা
- সঙ্গম
- বাহানা প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,৪৩৪.
‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ মোট কতজন নারীকে প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন 
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন 
ব্যাখ্যা

‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’:
- ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত নারী চারজন।
 - নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ।
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা। 

- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রোকেয়া পদক দেওয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

৯,৪৩৫.
নিপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. জনসংখ্যা গবেষণা
  2. নদী গবেষণা
  3. মিঠাপানি গবেষণা
  4. বন্দর গবেষণা
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা গবেষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা গবেষণা
ব্যাখ্যা

NIPORT:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করা এবং কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য গবেষণার ফলাফল কার্যকরভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা।
- নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ সুবিধা ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা শহরেরয়েছে ১২টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI), উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)। এছাড়া, ১২টি এফডব্লিউভিটিআই-এর সাথে আরো ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত রয়েছে।

• রূপকল্প:  ২০৩০ সালের মধ্যে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টরে মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান ও গবেষণা পরিচালনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান (Centre of excellence) হিসেবে নিপোর্টকে গড়ে তোলা।
- অভিলক্ষ্য: গুণগতমানে উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে ও চাহিদাভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচির উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশের জনসংখ্যাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা।

• নিপোর্টের ৩টি পরিচালনা ইউনিট রয়েছে- প্রশাসন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা।
- মহাপরিচালক নিপোর্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। 

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।

৯,৪৩৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, সেবাখাত জিডিপির কয়টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

সেবাখাত: 
- সেবাখাত বাংলাদেশের অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে বড় খাত।
- বর্তমানে ১৩টি খাত নিয়ে এই বৃহৎ সেবাখাত গঠিত।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪% এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০%।
- এতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ৩৮.০০%।
- বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে 'পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত' খাতটি সবচেয়ে বড়।
- সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে জিডিপিতে এই খাতের অবদান সবেচেয়ে বেশি- ১৫.৩২%।
- এর প্রবৃদ্ধির হার ৬.১৯%।
- বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত 'মানব স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা' যার প্রবৃদ্ধির হার সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০.০৭%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 

৯,৪৩৭.
২০২৪ সালে কততম মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে?
  1. ৭১তম
  2. ৭২তম
  3. ৭৩তম
  4. ৭৪তম
সঠিক উত্তর:
৭২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২তম
ব্যাখ্যা
৭২তম মাতৃভাষা দিবস:
- শোক, সাহস, বেদনা আর গৌরবের অম্লান স্মৃতি নিয়ে বাঙালির জীবনে ফিরে এল অমর একুশে ফেব্রুয়ারি।
- একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ২০২৪ সালে মহান শহীদ দিবসের ৭২তম বছর পূর্ণ হয়েছে।
- মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা বাংলা মায়ের সাহসী সন্তানদের অনন্য আত্মত্যাগের এই দিনকে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
- তারপর থেকে সারা বিশ্বেই নিজ নিজ মাতৃভাষা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির ভেতর দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিল নিয়ে রাজপথে নেমে আসেন।
- সেই উত্তাল মিছিলে পুলিশ নির্বিচার গুলি চালালে সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না–জানা অনেকে শহীদ হন।

উল্লেখ্য,
- অমর একুশের ঐতিহাসিক গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...আমি কি ভুলিতে পারি’ গানের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
- রাষ্ট্রপতির পরই প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

উৎস: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
৯,৪৩৮.
নিচের কোনটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী?
  1. সিপিডি
  2. দুদক
  3. এনবিআর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সিপিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপিডি
ব্যাখ্যা
• চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ।তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা। এদের কোন বৃহৎ বা জাতীয় লক্ষ্য থাকে না।

এছাড়াও,
- আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), সুশাসনের জন্যে নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকার কাঠামোর অংশ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
৯,৪৩৯.
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথে অর্থায়ন করেছে -
  1. এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার
  2. বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ
  3. এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক
  4. বাংলাদেশ সরকার ও জাইকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার
ব্যাখ্যা
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ:
 
- ১১ নভেম্বর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করেন।
- আর এর মধ্য দিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হবে কক্সবাজার, তথা যুক্ত হবে ঢাকাসহ সারাদেশের সঙ্গে।
- রেলপথটি বাংলাদেশকে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত করবে।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের ৪৮তম জেলা হিসেবে যুক্ত হয়েছে কক্সবাজার।
- ১ ডিসেম্বর যাত্রী নিয়ে এই নতুন রেলপথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
- ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশের ৬০টি জেলায় রেল নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষ্য আছে বাংলাদেশে রেলওয়ের।
- দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মায়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০১০ সালে ৬ জুলাই দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।
- দোহাজারি-চকরিয়া এবং চকরিয়া-কক্সবাজার (লট-১ ও লট-২) এই দুই লটে চীনা প্রতিষ্ঠান সিআরসি (চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তমা কনসট্রাকশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পায়।
- এই রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
- এর অর্থায়ন করেছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকার।
 
তথ্যসূত্র - ঢাকা পোস্ট, ১১ নভেম্বর ২০২৩ ও কালের কন্ঠ, ১০ নভেম্বর, ২০২৩।
৯,৪৪০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম কত নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. সেক্টর নং-২ 
  2. সেক্টর নং-১ 
  3. সেক্টর নং-৩ 
  4. সেক্টর নং-৪ 
সঠিক উত্তর:
সেক্টর নং-১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্টর নং-১ 
ব্যাখ্যা

সেক্টর নং- ১:
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী পর্যন্ত ছিল 'সেক্টর নং ১'।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম।
- আর এই সেক্টরকে পাঁচটি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।

অন্যান্য সেক্টর: 
২ নং সেক্টর:
- ২ নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত অঞ্চল ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন এ.টি.এম হায়দার। -প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর

সেক্টর নং - ৩:
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ ছিল 'সেক্টর নং ৩' এর আওতায়।
- এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম শফিউল্লাহ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর এএনএম নুরুজ্জামান।
- আর এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং - ৪:
-সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল 'সেক্টর নং ৪'। এই সেক্টরেও ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
-মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সিআর দত্ত (পরে মেজর জেনারেলা) এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ আর্কাইভ।

৯,৪৪১.
বিধবা বিবাহ আইন পাসে প্রধান ভূমিকা রাখেন কে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রতিভাবান ছাত্র এবং ১৮৩৯ সালের মধ্যেই বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন।
- তিনি বিধবা-বিবাহ চালু করা, বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ করা এবং স্ত্রীশিক্ষা বিস্তারের জন্যে আন্দোলন আরম্ভ করেছিলেন।
- তার প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালের জুলাই মাসে বিধবাবিবাহ আইন প্রণীত হয়।

উল্লেখ্য,
- বিদ্যাসাগর এবং তাঁর বন্ধুরা মিলে ১৮৫৬ সালের ডিসেম্বর মাসে রক্ষণশীল সমাজের বিক্ষোভ এবং প্রচন্ড বাধার মুখে ঘটা করে এক বিধবার বিবাহ দেন।
- পাত্র ছিল সংস্কৃত কলেজে বিদ্যাসাগরের একজন সহকর্মী।
- তাছাড়া নিজের একমাত্র পুত্রের সঙ্গে বিধবার বিবাহ দিতে তিনি কুণ্ঠিত হননি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৪৪২.
৫ম বাংলাদেশি হিসেবে বাবর আলী কত তারিখে এভারেস্ট জয় করেছেন?
  1. ১৯ মে, ২০২৪
  2. ২১ মে, ২০২৪
  3. ২৩ মে, ২০২৪
  4. ২৬ মে, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৯ মে, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ মে, ২০২৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
৯,৪৪৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ডে তৈরি ৬১০০ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কন্টেইনার জাহাজ ক্রয় করেছে -
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) থাইল্যান্ড
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ডে তৈরি ৬১০০ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কন্টেইনার জাহাজ ক্রয় করেছে - যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠান এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেড।  
• এর আগে ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।  
৯,৪৪৪.
বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহণ করে ?
  1. লস অ্যাঞ্জেলেস
  2. সিউল
  3. বার্সেলোনা
  4. আটলান্টা
সঠিক উত্তর:
লস অ্যাঞ্জেলেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লস অ্যাঞ্জেলেস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ প্রথম অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করে - ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস। 
- প্রতিযোগী ছিল : ১ জন।
- সাইদুর রহমান ডন অ্যাথলেটিকস।
-  ২০২৪ সালে সর্বশেষ প্যারিসে অলিম্পিক গেমসের ৩০তম আসর বসে।
- ২০২৪ সালের পূর্বে বাংলাদেশ অলিম্পিকের ১১টি আসরে অংশ নিয়েছে ।
- পরবর্তী ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে অলিম্পিকের ৩১ তম আসর বসবে।

উৎস: প্রথম আলো এবং যুগান্তর।
৯,৪৪৫.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়-
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
 -গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৪৪৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের নদীবন্দর কয়টি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৫১টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৩টি
  4. ৫৪টি
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
ব্যাখ্যা
দেশের নদীবন্দর:
- বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৪টি নদীবন্দর রয়েছে
- ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের হিসাবে, বাংলাদেশে নদীবন্দরের সংখ্যা ৫৪টি।
- এর মধ্যে চারটি বড় নদী বন্দর হচ্ছে ঢাকা (সদরঘাট), নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশাল। 
- দেশের কন্টেইনার টার্মিনাল নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকার পানগাঁও।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) বণিক বার্তা।
৯,৪৪৭.
'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গানটির গীতিকার কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. নজরুল ইসলাম বাবু
  3. আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
  4. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম বাবু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা

নজরুল ইসলাম বাবু
- 'সব কটা জানালা খুলে দাও না: গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু।

⇒ তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- 'একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার',
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’,
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।

⇒ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরে তুরার পাহাড়ে বসে যুদ্ধে প্রশিক্ষণের অবসরমুহূর্তে তিনি লিখতেন গান।
- ট্রেনিং শেষে দেশে ফিরে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আধুনিক ও চলচ্চিত্রের অসংখ্য জনপ্রিয় গান লিখেছেন।
- তার লেখা গান গেয়েছেন বশীর আহমেদ, সৈয়দ আবদুল হাদী, আশা ভোঁসলে, সুবীর নন্দী, রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমীন, শাম্মী আখতার, দিলরুবা খান, বেবী নাজনীন, সুখেন্দু চক্রবর্তী, অ্যান্ড্রু কিশোর, কুমার বিশ^জিৎ, শুভ্রদেব, কুমার শানুসহ অনেকে।

⇒ নজরুল ইসলাম বাবু ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত পদ্মা মেঘনা যমুনার গীত রচনার জন্য শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। 
- তিনি ২০২২ সালে পান একুশে পদক।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।

৯,৪৪৮.
বাংলাদেশে একচেটিয়া নীলের ব্যবসা কাদের ছিল?
  1. ইংরেজ বণিকদের
  2. ওলন্দাজ বলিকদের
  3. ফরাসি বণিকদের
  4. পর্তুগিজ বণিকদের
সঠিক উত্তর:
ইংরেজ বণিকদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংরেজ বণিকদের
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে একচেটিয়া নীলের ব্যবসা ছিল ইংরেজ বণিকদের।

নীল বিদ্রোহ:

- ইংরেজরা এদেশে এসেছিল ব্যবসায়-বাণিজ্য করতে।
- উপমহাদেশের শাসকদের দুর্বলতার সুযোগে তারা এদেশের শাসক হয়ে উঠে।
- তারা এই উপমহাদেশের উর্বর জমিতে খাদ্য ফসলের পরিবর্তে বাণিজ্য ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠে। নীল ছিল তাদের সেই বাণিজ্য ফসল।
- ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ সালের মধ্যে বাংলায় ইংরেজ আমলে নীল চাষ শুরু হয়।
- নীল চাষে কৃষকরা রাজি না হলে তাদের উপর চরম অত্যাচার চালানো হতো।
- বাংলাদেশে নীলের ব্যবসা ছিল একচেটিয়া ইংরেজ বণিকদের। ফরিদপুর, ঢাকা, পাবনা, যশোর, রাজশাহী, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে ব্যাপক নীল চাষ হতো।
- ১৮৫৯ সালে ইংরেজ নীলকরদের সীমাহীন অত্যাচার শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে নীল চাষিরা যে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে তা-ই ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ নামে খ্যাত।
- এই নেতৃত্ব এতটাই শক্তিশালী এবং সুসংহত ছিল যে শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে সরকার ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নীলচাষ করা, না করা কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং 'ইন্ডিগো কন্ট্রাক্টস অ্যাক্ট' বাতিল করা হয়।
- ফলে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪৪৯.
বাংলাদেশের নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. বিভাগীয় পরিষদ
  3. সিটি কর্পোরেশন
  4. উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বিভাগীয় পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠান নয়।

স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।
- বর্তমানে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
i) শহুরে স্থানীয় সরকার:
- দুই স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে
- সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।

ii) পল্লী স্থানীয় সরকার:
- তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে
- জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট।
৯,৪৫০.
‘একাত্তর স্বরণে’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. গ) বাংলা একাডেমীতে
  4. ঘ) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলা একাডেমীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলা একাডেমীতে
ব্যাখ্যা
‘একাত্তর স্বরণে’ ভাস্কর্যটি বাংলা একাডেমি ভবনের প্রধান ফটকের ডান পাশের দেয়ালে স্থাপিত।
৯,৪৫১.
কোন মিডিয়াটি সম্প্রতি বাংলা বিভাগের সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে?
  1. ক) ভয়েস অব আমেরিকা
  2. খ) ডয়েচভেলে
  3. গ) পার্সটুডে
  4. ঘ) আল জাজিরা
সঠিক উত্তর:
ক) ভয়েস অব আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভয়েস অব আমেরিকা
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের বেতার সংস্থা ভয়েস অব আমেরিকা সম্প্রতি গত ১৭ জুলাই ২০২১ বাংলা বিভাগের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়।
- এর মাধ্যমে ১৯৫৮ সাল থেকে চালু হওয়া ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের সম্প্রচার দীর্ঘ ৬৩ বছর পর সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৯,৪৫২.
কোনটি রবি ফসল নয়?
  1. টমেটো
  2. মুলা
  3. মিষ্টি কুমড়া
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
মিষ্টি কুমড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিষ্টি কুমড়া
ব্যাখ্যা

রবি ফসল নয় - মিষ্টি কুমড়া।

রবি মৌসুম:

- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। মূলত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- প্রধান রবি শস্য: বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।


খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

• খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- প্রধান খরিপ-১ শস্য: আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

• খরিপ-২ মৌসুম: শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল। 
- প্রধান খরিপ-২ শস্য: আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৪৫৩.
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. রংপুর
  2. খুলনা
  3. বরিশাল
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 

• উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল (২৬.৯%)।
• নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা (১৪.৮%)।

অন্যদিকে -
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%। 
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%। 
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
৯,৪৫৪.
জাতীয় স্মৃতিসৌধ কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৬
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ 'সম্মিলিত প্রয়াস' নামে পরিচিত। এটি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৮২ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ উদ্বোধন করেন। এর আগে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন। এটি সাভারে অবস্থিত। এর উচ্চতা ১৫০ ফুট। এতে মোট ৭ টি স্তম্ভ রয়েছে যা বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ৭ টি অধ্যায় (৫২, ৫৪, ৫৬, ৬২, ৬৬, ৬৯ এবং ৭১) কে নির্দেশ করে। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯,৪৫৫.
সাইমন ড্রিং কোন পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৭১ সালে ঢাকায় এসেছিলেন?
  1. দ্য গার্ডিয়ান
  2. দ্য টাইমস
  3. নিউজউইক
  4. দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
- সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
- তিনি লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল, দ্য সানডে টাইমস, নিউজউইক, বিবিসি টেলিভিশন রেডিও নিউজ, রয়টার প্রভৃতি গণমাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।

লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে যুদ্ধের পূর্বেই তাঁর ঢাকায় আগমন।
- দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চলাইট নামে বাঙালিদের ওপরে সশস্ত্র আক্রমণ ও গণহত্যা, ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ইত্যাদি পটভূমিতে শুরু হয় ৯ মাসব্যাপী বাঙালিদের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, যাতে ৩০ লক্ষ বাঙালিকে জীবনদান ও কয়েক লক্ষ মা-বোনকে সম্ভ্রম বিসর্জন দিতে হয়।

⇒ ২৫শে মার্চ রাতে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পূর্বে শাহবাগস্থ তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২শর মতো বিদেশী সাংবাদিককে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কঠোর প্রহরায় বিশেষ কক্ষে আবদ্ধ করে রাখে। তাঁদের মধ্যে লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার প্রতিনিধি সাইমন ড্রিংও ছিলেন।
- সকলকে পরের দিন প্লেনে তুলে পাঠিয়ে দেয়া হলেও সাইমন ড্রিং ও এসোসিয়েটেড প্রেসের ফটোগ্রাফার মাইকেল লরেন্ট  লুকিয়ে থেকে নিজেদের সাময়িকভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হন।
- ২৭শে মার্চ কিছু সময়ের জন্য কারফিউ তুলে নেয়া হলে তাঁরা দুজন ঢাকা শহরে বেড়িয়ে পড়েন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল (বর্তমান জহুরুল হক হল), জগন্নাথ হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধুর ৩২নং ধানমন্ডির বাস ভবন, রেসকোর্সের কালীবাড়ি মন্দির, পুরনো ঢাকার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাসহ ২৫শে মার্চ রাত থেকে শুরু করে পাকহানাদারদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত ঢাকা নগরীর বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাইমন ড্রিং একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন।
- এটি ৩০শে মার্চ, ১৯৭১ লন্ডন থেকে প্রকাশিত দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'Tanks Crush Revolt in Pakistan 7,000 slaughtered: Homes burned' শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় তিন কলামে সাইমন ড্রিং (তখন বয়স ২৭)-এর ছবিসহ সবিস্তার ছাপা হয়।
- বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ২৫শে মার্চের হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সাংবাদিকের এটিই ছিল প্রথম প্রতিবেদন।
- এটি প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকায় সে রাতে ও পরবর্তী দুদিন পাকবাহিনী কী নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসলীলা চালিয়েছিল, সে সম্বন্ধে বিশ্ববাসী জানতে পারে।

উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।

৯,৪৫৬.
বাংলাদেশের অর্থ বছর কোন তারিখে সমাপ্ত হয়?
  1. ৩১ ডিসেম্বর
  2. ৩০ চৈত্র
  3. ৩০ জুন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
ব্যাখ্যা
অর্থবছর:

- বাংলাদেশের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে, আর শেষ হয় পরের বছর জুনে।
- ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান আমল এবং সেখান থেকে স্বাধীন বাংলা–এই দীর্ঘসময় ধরে এ অঞ্চল জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরে বাজেট প্রস্তুত ও উত্থাপন করে আসছে।
- মূলত একটি দেশের শস্যের উৎপাদন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, সরকারি-বেসরকারি খাতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ-সুবিধার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে অর্থবছর ঠিক করা হয়।
- জুলাই মাস বাংলাদেশের বর্ষাকাল।
- এ সময় মাঠে কৃষকদের ফসল থাকে, কয়েক মাস পরেই ফসল ওঠে তাদের ঘরে। এ ছাড়াও কিছু কিছু অঞ্চলে এরই মধ্যে ফসল উঠে যায়।
- বছরের এই মধ্যবর্তী সময়টি কৃষিক্ষেত্রে বাজেটের বিভিন্ন দিক ভেবে ব্যবস্থা নেয়ার মোক্ষম সময়।
- কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চালু হয় এই রীতি।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ১ জুন ২০২৩।
৯,৪৫৭.
যে দলিল অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মধ্যে বিভিন্ন কার্যাবলি বণ্টন করা হয় তাই হলো -
  1. ক) Rules of Procedure
  2. খ) Rules of Business
  3. গ) Ordinance
  4. ঘ) Order
সঠিক উত্তর:
খ) Rules of Business
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Rules of Business
ব্যাখ্যা
Rules of Business 

যে দলিল অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা ডিভিশনের মধ্যে বিভিন্ন কার্যাবলি বণ্টন করা হয় এবং কে, কোন দায়িত্ব পালন করবে, কীভাবে পালন করবে, কোন বিভাগ/ মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলী কী হবে তা নির্ধারণ করা হয় তাই হলো Rules of Business। 

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫ (৬) অনুসারে 'Rules of Business, ১৯৯৬' প্রণয়ন করা হয়। 'Rules of Business, ১৯৯৬' অনুসারে, এর ভাগ দুটি। যথা –

Rules for the Allocation of Business (কার্যবণ্টন বিধি): কোন মন্ত্রণালয় বা দপ্তর-অধিদপ্তর কী কাজ করবে তা উল্লেখ থাকে কার্যবণ্টন বিধিতে।
Rules for the Transaction of Business (কার্যপ্রণালি বিধি): কে কীভাবে কাজ করবেন, কে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন বা সমস্যা সমাধানের জন্য কোন মন্ত্রণালয়ের সাথে পরামর্শ করবেন সেগুলোর নির্দেশনা থাকে কার্যপ্রণালী বিধিতে।

Rules of Procedure (কার্যপ্রণালি বিধি): জাতীয় সংসদের কার্যাবলি সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য Rules of Procedure প্রণয়ন করা হয়। ১ এপ্রিল ১৯৭৩ তারিখে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার (ক) উপ-দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কার্যপ্রণালি বিধি প্রণয়ন করেন।

Ordinance (অধ্যাদেশ): যখন জাতীয় সংসদে অধিবেশন থাকে না অথবা সংসদ ভেঙে যায় তখন মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাহী আদেশে যে আইন প্রণয়ন করেন তা Ordinance নামে পরিচিত। যেমন- ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ-১৯৮৪।

Order (আদেশ): সংবিধানের অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি যে আইনবলে দেশ পরিচালনা করেন তা অর্ডার নামে পরিচিত। উদাহরণ: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৪৫৮.
টেস্ট ক্রিকেটে বর্তমানে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে? [জুন, ২০২৫]
  1. মেহেদী হাসান মিরাজ
  2. সৌম্য সরকার
  3. লিটন দাস
  4. নাজমুল হোসেন শান্ত
সঠিক উত্তর:
নাজমুল হোসেন শান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমুল হোসেন শান্ত
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে — ২০০০ সালে।
- সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে — ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর — ভারতের বিপক্ষে।
- টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় — ২০০৫ সালে — জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে — ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে — জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ক্রিকেটে বর্তমানে বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

উৎস: i) Bangladesh Cricket Board।
ii) প্রথম আলো।
৯,৪৫৯.
ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন-
  1. জসিমউদ্দিন বাবর
  2. জহিরউদ্দিন বাবর
  3. জমিরউদ্দিন বাবর
  4. জামিলউদ্দিন বাবর
সঠিক উত্তর:
জহিরউদ্দিন বাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহিরউদ্দিন বাবর
ব্যাখ্যা

মুঘল সাম্রাজ্যের পতন:
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- সামগ্রিকভাবে মুঘল সাম্রাজ্য পতনের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বহিঃআক্রমন প্রভৃতি বিষয়কে দায়ী করা হয়।
- পারস্য সম্রাট নাদির শাহ এবং পরবর্তীকালে আফগান রাজা আহমদ শাহ আবদালীর দিল্লি আক্রমণ ও লুণ্ঠনে মোগল সাম্রাজ্য দুর্দশায় ও পতনুম্মুখ হয়ে পড়ে।
- এমনি মুমূর্ষ অবস্থায় ইংরেজ শক্তির ক্ষমতা দখল করার ফলে মোগল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটে।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৪৬০.
বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. প্রায়  ৪৫ লক্ষ হেক্টর 
  2. প্রায়  ৮০  লক্ষ হেক্টর 
  3. প্রায়  ৬০ লক্ষ হেক্টর 
  4. প্রায়  ৭৫ লক্ষ হেক্টর 
সঠিক উত্তর:
প্রায়  ৮০  লক্ষ হেক্টর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায়  ৮০  লক্ষ হেক্টর 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস ( কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪)।

৯,৪৬১.
বাংলাদেশের কৃষি প্রধানত কোন প্রকৃতির হয়ে থাকে?
  1. ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি
  2. স্বয়ংভোগী মিশ্র কৃষি
  3. ধান-প্রধান বাণিজ্যিক কৃষি
  4. স্বয়ংভোগী শস্যচাষ ও পশুপালন
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের কৃষি:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- বাংলাদেশের কৃষি মূলত ধান-ভিত্তিক নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল।
- স্বয়ংভোগী কৃষির অর্থ হলো - কৃষক নিজের পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর জন্যই প্রধানত চাষাবাদ পরিচালনা করেন।
- এই কৃষি পদ্ধতিতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে উন্নত বীজ, সার ও সেচ ব্যবহার করে বেশি ফলন করা হয়।
- দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার আর্দ্র মৌসুমি জলবায়ুর দেশগুলো—যেমন বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন ও জাপানে এ ধরনের ধান-নির্ভর কৃষি প্রচলিত। 

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্র ধানকেন্দ্রিক হওয়ায় প্রায় ৮০% আবাদি জমিতে ধান উৎপাদিত হয়;
- পাশাপাশি গম, ভুট্টা ও বিভিন্ন সবজিও গুরুত্বপূর্ণভাবে চাষ করা হয়।
- তাই বাংলাদেশের কৃষিকে ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থা বলা হয়।

- ধান-ভিত্তিক নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে:
• ক্ষুদ্র জমি, নিবিড় ও ধারাবাহিক চাষাবাদ, 
• ধানের প্রাধান্য, 
• কায়িক শ্রমের ব্যবহার এবং 
• প্রকৃতিনির্ভর উৎপাদন।

উৎস:
১. বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়,
২. ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৪৬২.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক ইউনিট কোনটি?
  1. বিভাগ
  2. জেলা
  3. গ্রাম
  4. ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হলো কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- যথা: স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত সরকার।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুই ধরনের:
(ক) শহর বা পৌর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা এবং
(খ) গ্রামীণ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।

- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও গ্রামে তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।
গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ:
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ

উল্লেখ্য,
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।
- সাধারণত প্রতিটি স্তরের এলাকাকে ওয়ার্ড হিসাবে ভাগ করা হয়।
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে জনগণের সরাসরি ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। 
- সুতরাং, বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক ইউনিট ওয়ার্ড।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪৬৩.
‘বুলগাকপুর’ নামে বাংলাকে অভিহিত করেন কে?
  1. ইবনে বতুতা
  2. মিনহাজ-ই-সিরাজ
  3. জিয়াউদ্দিন বারানী
  4. আল বেরুনি
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন বারানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন বারানী
ব্যাখ্যা

বিদ্রোহের নগরী:
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয়।
- এরপর রাজা গণেশের স্বল্পকালীন শাসনকাল ব্যতীত ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা মুসলিম শাসনাধীনে ছিল।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না। তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
- কিন্তু দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকে সুযোগ পেলেই বিদ্রোহ ঘোষণা করতেন। এজন্য বাংলাকে 'বুলগাকপুর' বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।

উল্লেখ্য,
- দিল্লির ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলার নাম রেখেছিলেন 'বুলগাকপুর'।
- জিয়াউদ্দিন বারানী ছিলেন সুলতান মোহাম্মদ বিন তুঘলক ও ফিরোজ শাহ তুঘলকের সময় দিল্লি সালতানাতের একজন মুসলিম ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ।
- ইতিহাসের আকরগ্রন্থ ‘তারিখে ফিরোজশাহী’ লিখে সুপরিচিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বণিক বার্তা।

৯,৪৬৪.
মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী গঠন করা হয় কোন জেলায়?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সকল গেরিলা বাহিনী গঠিত হয় তা হলো: 
- ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী,
- টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী,
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী,
- ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী,
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী,
- ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৯,৪৬৫.
১৯৭২ সালে দেশে কোন শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়?
  1. আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন
  2. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  3. আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন
  4. এস এম শরীফ শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদের উন্নয়নে শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে স্বাধীন দেশের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- এই লক্ষ্যে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।

⇒ শিক্ষা ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে ৯০০ কলেজ ভবন ও ৪০০ হাইস্কুল পুননির্মাণ করা হয়।
- প্রথমবারের মতো সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় শিক্ষকদের পাওনা ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।
- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে স্বায়ত্তশাসন প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেন।

অন্যদিকে,
- মওলানা আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন ১৯৪৯ সালে গঠিত হয়।
- আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন ১৯৫৭ সালে গঠিত হয়।
- এস এম শরীফকে চেয়ারম্যান এবং দশজন শিক্ষাবিদকে সদস্য করে পাকিস্তান সরকার ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর গঠিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪৬৬.
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা করে কোন সংস্থা?
  1. অর্থ বিভাগ
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা

• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮। 
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২০-২০২৫।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৯,৪৬৭.
‘অপারেশন জ্যাকপট’ পরিচালিত হয় কবে?
  1. ক) ১ আগস্ট ১৯৭১
  2. খ) ১০ আগস্ট ১৯৭১
  3. গ) ১৫ আগস্ট ১৯৭১
  4. ঘ) ২৫ আগস্ট ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ আগস্ট ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ আগস্ট ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৯,৪৬৮.
‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি কোন সালে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৮ সাল
  3. ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর।

৯,৪৬৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম কী?
  1. ক) পার্লামেন্ট
  2. খ) অ্যাসেম্বলি
  3. গ) হাউজ অব দ্য নেশন
  4. ঘ) ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
সঠিক উত্তর:
গ) হাউজ অব দ্য নেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাউজ অব দ্য নেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আইনসভার নাম - জাতীয় সংসদ।
এর ইংরেজি নাম - House of the Nation।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সাধারণ আসন সংখ্যা - ৩০০ এবং সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৫০টি।
- সুতরাং এর সর্বমোট আসন - ৩৫০টি।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৯,৪৭০.
EPB-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Export Promotion Board
  2. Export Promotion Bureau
  3. Export Products Board
  4. Export Products Bureau
সঠিক উত্তর:
Export Promotion Bureau
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Export Promotion Bureau
ব্যাখ্যা

EPB:
- EPB-এর পূর্ণরূপ: Export Promotion Bureau.
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) Export Promotion Bureau Act, 2015 দ্বারা গঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান।
- সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থার সদস্যবৃন্দের (যুগ্মসচিবের নিন্মে নহে) সমন্বয়ে ব্যুরোর ২২-সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা। 
- ১৯৬২ সালে ইপিবি সরকারি সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ (XLVII of 1977) বলে ২৫৪ জনবলের ইপিবিকে আধা-স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় রুপান্তর করা হয়।  ১৯৮৪ সালে ইপিবির TO&E পুনর্গঠনপূর্বক ২৩৬ জনবল কাঠামোর সংস্থায় রুপান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সাল হতে ২০০১ সাল পর্যন্ত ইপিবির আওতায় সৃষ্ট বস্ত্রসেলে বৎসর-ভিত্তিক সংরক্ষণ মঞ্জুরির ৪২টি পদ ২০০৯ ও ২০১০ সালে ইপিবির সাংগঠনিক কাঠামোতে স্থায়ী করা হয়।

⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৯,৪৭১.
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?
  1. মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান
  2. মেজর জেনারেল মঞ্জুর
  3. মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
  4. মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

মেজর জেনারেল কে. এম. শফিউল্লাহ:
- কাজী মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বীর উত্তম যিনি কে এম শফিউল্লাহ নামেও পরিচিত।
- তার জন্ম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ তারিখে।
- তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশী জেনারেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং সাবেক সংসদ সদস্য।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে, তার ব্যাটালিয়ন সহ, তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি অফিসার যিনি ১৯ মার্চ ১৯৭১ সালে বিদ্রোহ করেন এবং ৫৭ বিডিই কমান্ডার-ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছিলেন।
- তিনি সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় সদর দপ্তর ৩ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হন।
- তিনি সরাসরি সক্রিয় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং অন্তত দুটি এই ধরনের যুদ্ধে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে রক্ষা পান।
- সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে তিনি তিনজন ব্রিগেড কমান্ডারের একজন নিযুক্ত হন।
- তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় 'এস-ফোর্স'-এর কমান্ডার ছিলেন।
- শফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে সেনাপ্রধান হন।
- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালের বাংলাদেশ অভ্যুত্থানের পর, রাষ্ট্রপতি খোন্দকার মোশতাক আহমদ তার স্থলাভিষিক্ত হন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।

১৫ আগস্ট ১৯৭৫:
- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের অভ্যুত্থান হলো মধ্য সারির সশস্ত্র অফিসারদের দ্বারা সংগঠিত একটি সামরিক অভ্যুত্থান।
- খন্দকার মোশতাক আহমেদের নেতৃত্বে একটি পাকিস্তানপন্থি সরকার দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারকে অপসারণের পরিকল্পনা করেছিলেন কর্মকর্তারা।
- শেখ মুজিব এবং তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য এ অভ্যুত্থানে নিহত হন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৪৭২.
বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে কোন দেশটি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) বার্বাডোস
  2. খ) পূর্ব জার্মানি
  3. গ) পোল্যান্ড
  4. ঘ) সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা
বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
একইদিন চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রথম মুসলিম ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
প্রথম উত্তর আমেরিকান দেশ হিসেবে বার্বাডোস স্বীকৃতি দেয় ২০ জানুয়ারি ১৯৭২।
পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১২ জানুয়ারি।
এর আগে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং নিউইর্য়ক টাইমস আর্কাইভস)
৯,৪৭৩.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,৪৭৪.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) কোথায় অবস্থিত? 
  1. ফরিদপুর
  2. চাঁদপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- ইনস্টিটিউটের সদরদপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে গবেষণা পরিচালনা, কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচী প্রদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।

উল্লেখ্য,
- বিএফআরআই গবেষণা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সংরক্ষণ প্রচেষ্টা এবং নীতি সহায়তার মাধ্যমে মৎস্য খাতের অগ্রগতিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, যা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

এছাড়াও,
⇒ ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।
⇒ গবেষণা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে:
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র: কক্সবাজার।
- স্বাদুপানি কেন্দ্র: ময়মনসিংহ।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র: চাঁদপুর।
- লোনাপানি কেন্দ্র: পাইকগাছা, খুলনা।
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র: বাগেরহাট।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 

৯,৪৭৫.
জনপ্রতি মাসিক বিধবা ভাতার পরিমাণ কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

বিধবা ভাতা:
- ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- ঐ অর্থ বছরে ৪ লক্ষ ৩ হাজার ১১০ জনকে এককালীন মাসিক ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রবর্তিত এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্নমেন্ট টু পারসন) সফলভাবে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৫৫০ টাকা।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান।
২. পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি।
৩. আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদার করা।
৪. চিকিৎসা সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।

৯,৪৭৬.
মাওয়া থেকে জাজিরা পর্যন্ত নদীর ওপর নির্মিত সেতুর নাম ‘পদ্মা সেতু’ নামকরণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় কবে?
  1. ক) ২৯ এপ্রিল,২০২২
  2. খ) ২৮ মে,২০২২
  3. গ) ২৫ মে,২০২২
  4. ঘ) ২৯ মে,২০২২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৯ মে,২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৯ মে,২০২২
ব্যাখ্যা
- মাওয়া থেকে জাজিরা পর্যন্ত নদীর ওপর নির্মিত সেতুর নাম ‘পদ্মা সেতু’ নামকরণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- রোববার (২৯ মে,২০২২) সেতু বিভাগের উন্নয়ন অধি-শাখার এক প্রজ্ঞাপনে 'পদ্মা সেতু' নামটি চূড়ান্ত করা হয়।
- এতে বলা হয়, সেতু বিভাগের অধীন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প’র আওতায় মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরীয়তপুর জেলার জাজিরা প্রান্ত সংযোগকারী পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি সরকার ‘পদ্মা সেতু’ নামে নামকরণ করলো।
- জনস্বার্থে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
৯,৪৭৭.
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. রাওয়ালপিন্ডিতে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।

ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৪৭৮.
আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই কোনটি?
  1. সুশীল সমাজ
  2. রাজনৈতিক দল 
  3. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী 
  4. আমলাতন্ত্র 
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল 
ব্যাখ্যা

• গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব:
- আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হল রাজনৈতিক দল।
- গণতন্ত্রের অপর নাম সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন।
- জনগণ প্রতিনিধি নির্বাচন করে পরোক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে।
- অধ্যাপক ফাইনার বলেন, "আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন।" তাই গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব অপরিসীম।

•  গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব ও ভূমিকা নিম্নরূপ-
১ । জনমত গঠন ও রাজনৈতিক সচেতনতা দান।
২। সরকার গঠন।
৩। আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ ।
৪। শান্তিপূর্ণভাবে সরকার পরিবর্তন।
৫। বিরোধী বিকল্প পক্ষ।
৬। ভিন্নমুখী মতামত একত্রীকরণ।
৭। সংসদীয় সরকারের উপযোগী ।

উৎস: পৌরনীতি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৪৭৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় রাঙামাটি কোন সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ক) সেক্টর ১০
  2. খ) সেক্টর ৯
  3. গ) সেক্টর ১
  4. ঘ) সেক্টর ৬
সঠিক উত্তর:
গ) সেক্টর ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেক্টর ১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর: 
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- সেক্টর নং ১
ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী পর্যন্ত ছিল ‘সেক্টর নং ১’। ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম। আর এই সেক্টরকে পাঁচটি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
- সেক্টর নং ২
ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ২’। এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এটিএম হায়দার। এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
- সেক্টর নং ৩
হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৩’ এর আওতায়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম শফিউল্লাহ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর এএনএম নুরুজ্জামান। আর এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৪
সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ৪’। এই সেক্টরেও ছিল ৬টি সাব-সেক্টর। মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সিআর দত্ত (পরে মেজর জেনারেলা) এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।
- সেক্টর নং ৫
বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় । মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার। এই সেক্টরকেও ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।
- সেক্টর নং ৬
দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৬’। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এমকে বাশার। এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৭
রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনজন -মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান। এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৮
কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর (পরে লে.কর্নেল) আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর (পরে মেজর জেনারেল) এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৯
পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৯’। ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন। এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ১০
সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন ছিল ‘সেক্টর নং ১০’ এর অধীনে। এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন। এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার। প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।
- সেক্টর নং ১১
কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ১১’। ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান । নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট (পরে উইং কমান্ডার) এম হামিদুল্লাহ খান। এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, BBC
৯,৪৮০.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর সাথে সর্বশেষ লড়াই কোথায় সংঘটিত হয়েছিল? 
  1. লালমাই
  2. আখাউড়া
  3. বগুড়া
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

⇒ উপরোক্ত অপশনের মধ্যে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর সাথে সর্বশেষ লড়াই সাভারে সংঘটিত হয়েছিল।

সাভার মুক্ত দিবস:
- ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় ঢাকার উপকণ্ঠ সাভার-আশুলিয়া।
- ১৪ ডিসেম্বর সকাল থেকে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয়।
- মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র লড়াইয়ের মুখে পরাজিত হয়ে পিছু হটে হানাদার বাহিনী।
- এই যুদ্ধে শহীদ হন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর টিটু।

উল্লেখ্য:
- ৮ই ডিসেম্বর লালমাই উপজেলা হানাদারমুক্ত মুক্ত হয়।
- ৬ ডিসেম্বর সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত হয় আখাউড়া।
- ১৩ ডিসেম্বর বগুড়া শত্রুমুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র - সংগ্রামের নোটবুক ও ইনকিলাব পত্রিকার রিপোর্ট।

৯,৪৮১.
মওলানা ভাসানী সেতু’ কোন নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে?
  1. তিস্তা
  2. ব্রক্ষ্মপুত্র
  3. ধরলা
  4. করতোয়া
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা

মওলানা ভাসানী সেতু:
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার এবং সেতুটিতে মোট ৩০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চীনা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।

উৎস: বাসস।

৯,৪৮২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা করা হয় কখন?
  1. ক) ৩ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ২ মার্চ ১৯৭১
  4. ঘ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- ৩ মার্চ (১৯৭১) অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ
ঢাকায় এবং পরদিন সারাদেশে হরতাল ডাকেন।
- তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- ২ এবং ৩ মার্চ হরতালের ফলে সকল সরকারি কর্মকান্ড অচল হয়ে পড়ে।
- কোনো কোনো ছাত্র এবং শ্রমিক সংগঠন স্বাধীনতার ঘোষণা দাবি করেন।
- পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ৩ মার্চ ১৯৭১ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- সভায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপস্থিতিে ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

উতস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪৮৩.
জাতীয় সংসদ ভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. শাহবাগ
  2. শেরেবাংলা নগর
  3. মতিঝিল
  4. কদমতলি
সঠিক উত্তর:
শেরেবাংলা নগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরেবাংলা নগর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- ভবনটি পৃথক নয়টি ব্লকে বিভক্ত একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কমপ্লেক্স।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়। 
- ১৯৬২ সালে মূল নকশা প্রস্তুত করা হয়।
- ১৯৬৪ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হলে এর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায় ।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮২ সালে ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

উল্লেখ্য,
- মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- কেন্দ্রীয় ব্লকটি ৩৫৪ আসন ধারণক্ষম অ্যাসেম্বলি কক্ষ নিয়ে গঠিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

৯,৪৮৪.
মুক্তিযুদ্ধ সময়ে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ১২ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
-
১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।

- সেক্টর ১:
অঞ্চল: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা
সেক্টর কমান্ডার: মেজর জিয়াউর রহমান​।

- সেক্টর ২:
অঞ্চল: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ
সেক্টর কমান্ডার: মেজর খালেদ মোশাররফ​।

- সেক্টর ৩:
অঞ্চল: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ
সেক্টর কমান্ডার: মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ​।

- সেক্টর ৪:

অঞ্চল: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল
সেক্টর কমান্ডার: মেজর সি. আর. দত্ত।

- সেক্টর ৫:

অঞ্চল: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ-ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা
সেক্টর কমান্ডার: মেজর মীর শওকত আলী​।

- সেক্টর ৬:
অঞ্চল: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)
সেক্টর কমান্ডার: উইং কমান্ডার এম. কে. বাশার​।

- সেক্টর ৭:
অঞ্চল: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা
সেক্টর কমান্ডার: মেজর কাজী নূরুজ্জামান​।

- সেক্টর ৮
অঞ্চল: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা
সেক্টর কমান্ডার: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী (আগস্ট পর্যন্ত), পরে মেজর এম. এ. মঞ্জুর​।

- সেক্টর ৯:
অঞ্চল: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা
সেক্টর কমান্ডার: মেজর এম. এ. জলিল (ডিসেম্বর মাসের শুরু পর্যন্ত), পরে মেজর জয়নাল আবেদীন​।

- সেক্টর ১০:
অঞ্চল: নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ
সেক্টর কমান্ডার: নির্দিষ্ট মিশনে নিয়োজিত কমান্ডাররা​।

 - সেক্টর ১১
অঞ্চল: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা
সেক্টর কমান্ডার: মেজর আবু তাহের (নভেম্বরে গুরুতর আহত হলে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম. হামিদুল্লাহ

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৪৮৫.
How many years is the term of Bangladesh Bank Governor?
  1. 3 years
  2. 4 years
  3. 5 years
  4. 6 years
সঠিক উত্তর:
4 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4 years
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৪৮৬.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭০ টি। [আগস্ট,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৪৮৭.
বাংলাদেশের জিডিপিতে বৃহৎ শিল্প খাতের নিচের কোনটির অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) নির্মাণ
  2. খ) খনিজ ও খনন
  3. গ) বিদ্যুৎ, গ্যাস নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে বৃহৎ শিল্পখাত ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হল খনিজ ও খনন, ম্যানুফ্যাকচারিং, বিদ্যুৎ, গ্যাস বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ এবং নির্মাণ।
- এর মধ্যে জিডিপি'তে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ।

• শিল্প খাত (বৃহৎ): ৩৭.৫৬%,
• খনিজ ও খনন: ১.৭৫%,
• ম্যানুফ্যাকচারিং: ২৪.৯৫%, 
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: ১.২১%, 
• পানি সরবরাহ: ০.১০%,
• নির্মাণ: ৯.৫৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৯,৪৮৮.
‘শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দরিরামপুর
  2. খ) সোনারগাঁও
  3. গ) আড়াইহাজার
  4. ঘ) ভালুকা
সঠিক উত্তর:
খ) সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
- ‘শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি ১৯৯৬ সালের ১৯ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
- এই জাদুঘরে বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্পের ৫,৪৭৮টি নিদর্শন রযেছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
৯,৪৮৯.
How many principles are in Bangladesh's constitution?
  1. 1
  2. 4
  3. 7
  4. 11
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৪৯০.
'ক্যাং' হচ্ছে চাকমাদের-
  1. বৌদ্ধমন্দির
  2. পাড়ার নাম
  3. উৎসবের নাম
  4. ধর্মের নাম
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধমন্দির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধমন্দির
ব্যাখ্যা
চাকমাদের ধর্ম:
- চাকমারা প্রধানত বৌদ্ধধর্মের অনুসারী।
- তাদের বৌদ্ধমন্দির বা বৌদ্ধবিহারের নাম ক্যাং।
- চাকমা অধ্যুষিত বিভিন্ন গ্রামে ক্যাং প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।
- প্রতিটি ক্যাং-এ একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু থাকেন যিনি ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকেন।
- প্রদীপ জ্বেলে ফুল, ফল, মিষ্টি ও অন্যান্য উপাচার সহযোগে তারা বুদ্ধের উপাসনা করে।
- চাকমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে হিন্দুধর্মের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
- ঘরে ঘরে চাকমাদের মধ্যে গঙ্গাপূজা এবং লক্ষ্মীপূজার প্রচলন রয়েছে।
- গোজেন নামের ঈশ্বরকে তারা খুব ভক্তি করে।
- তারা রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি ও ফসল রক্ষার জন্য মোরগ ও শূকর বলিদান করে পূজা- অর্চনা করে।
- চাকমাদের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের অন্যান্য নৃগোষ্ঠীর মানুষ অংশগ্রহণ করে।
- এছাড়া তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব মাঘীপূর্ণিমা আড়ম্বরের সাথে পালন করা হয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪৯১.
বাংলাদেশের বন বিভাগের ২০১৯ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে বন আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ মোট ভূমির কত শতাংশ?
  1. ১০.৯
  2. ১১.৭
  3. ১২.৮
  4. ১৩.৩
সঠিক উত্তর:
১২.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২.৮
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বন বিভাগের ২০১৯ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বন আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ মোট ভূমির ১২ দশমিক ৮ শতাংশ। 
- এর আগে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী যা ছিল ১০ দশমিক ৯ শতাংশ।
- এই হিসাবে বনের বাইরের গাছ আমলে নেয়া হয়নি। 
- কিন্তু বন বিভাগের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বনের বাইরে গাছের পরিমাণ মোট ভূমির ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। 
- এসব গাছের বেশির ভাগই বেড়ে উঠেছে মূলত সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে। 
- সেই হিসাবে বনের ভেতর ও বাইরে বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ মোট ভূমির সাড়ে ২২ শতাংশ।
- দেশের ২৮ টি জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমি নেই।

উৎস: সময় নিউজ। [লিঙ্ক]
৯,৪৯২.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান কোন খাতের?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সেবাখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেবাখাত
ব্যাখ্যা
• সাময়িক হিসাবে ২০২১-২২ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের জিডিপিতে অবদান –   
- সেবাখাত -  ৫১.৪৪%
- শিল্পখাত - ৩৭.০৭%
- কৃষিখাত - ১১.৫০%

- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত।
আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার: ১০.৪৪%।
অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ২.২০%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
৯,৪৯৩.
কোন জেলায় চাক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের অধিকাংশ লোকের বসতি রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

চাক:
- চাক বাংলাদেশের ক্ষুদ্র আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বাইশারি, নাইক্ষ্যংছড়ি, কামিছড়া, ক্রোক্ষং, বাকখালি, আলেখ্যং, ক্রোয়াংঝিড়ি ও ডুছড়ি এলাকায় চাকদের বসবাস।
- বান্দরবান বোমাং সার্কেলের বোমাং রাজপুস্তিকায় ও রাজ্য অভিষেক অনুষ্ঠানে চাকরা ‘মিঙসাক’ নামে তালিকাভুক্ত আছে।
- চাক সমাজ প্রধানত ২টি গোত্রে বিভক্ত। যা আবার কয়েকটি উপগোত্রে বিভক্ত। গোত্রীয় প্রতীক জালোয়া বা পইত্যা (পাকানো সুতার রশি)।
- চাকদের জীবনধারা বৈচিত্র্যপূর্ণ ও ঐতিহ্যমন্ডিত।
- শিশুর জন্ম ও নামকরণ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানাদির মধ্যে নাইংছাঙাহাং-এ অবস্থান, পুতরংবুওয়ে (জন্মপরবর্তী অনুষ্ঠান), ভেগলুংশাত পো (চুংবংলংউচ্ছেং ছাহেকা) উল্লেখযোগ্য।
- বিবাহ সংক্রান্ত প্রথার মধ্যে আচাংগায়ুগা (কনে দেখা), চাঁগায়ুগা (কোষ্ঠী বিচার)-সহ আরো অনেক প্রথা পালন করা হয়।
- ১৯৫৯ সালে চাক ধর্মগুরু মহাথেরো গন্ধর্ব ওয়েংসারের প্রচেষ্টায় চাক সমাজে শিক্ষার বিস্তার ঘটে।
- চাকরা দুই ধারায় বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতি ও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা (লক্ষ্মীপূজা বা ওয়াইগ্যা, ফুলপূজা, প্রদীপপূজা) করে।
- পিতৃতান্ত্রিক পরিবার কাঠামোতে চাকদের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী শুধু ছেলেরা।
- চাকরা বাড়িকে ‘কিং’ এবং গ্রামকে ‘ঠি’ বলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৯,৪৯৪.
বাংলায় কররানি বংশ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. হোসেন খান কররানি
  2. বায়েজীদ খান কররানি
  3. তাজ খান কররানি
  4. দাউদ খান কররানি
সঠিক উত্তর:
তাজ খান কররানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজ খান কররানি
ব্যাখ্যা

কররানি শাসন:
- কররানি উপাধিধারী আফগানরা হচ্ছে একটি আফগান গোত্র।
- কররানীদের আদি নিবাস ছিল আফগানিস্তানের বঙ্গাশ নামক স্থানে। বর্তমানে এটি কুররম নামে অভিহিত।
- পাঠানদের কররানী শাখা আফগানিস্তানে করলানি নামে পরিচিত।
- ১৫৬৪ সালে তাজ খান কররানি বাংলায় কররানি বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি এক সময় শেরশাহের অধীনে চাকরি করতেন।
- ১৫৬৫ সালে তিনি বাংলার অধিপতি হওয়ার এক বছরের মধ্যে মারা যান।
- তাঁর ভাই সুলেমান কররানি প্রায় সাত বছর বাংলার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- এই সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাকে উত্তর-পূর্ব ভারতের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করেছিলেন।
- তাঁর আমলে বাংলায় অপেক্ষাকৃত সুশাসন ও শান্তি বিরাজ করেছে।
- সুলায়মান কররানীর জ্যেষ্ঠ পুত্র বায়েজীদ কররানী তাঁর উত্তরাধিকারী হন।
- তিনি তাঁর পিতার নীতি পরিহার করে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- বায়েজীদ কররানী মাত্র অল্প কয়েকমাস বাংলা শাসন করেন।
- ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দে বায়েজীদের কনিষ্ঠ ভ্রাতা দাউদ কররানীকে বাংলার সিংহাসনে অভিষিক্ত করেন।
- দাউদ তাঁর ভাইয়ের স্বাধীন নীতি অনুসরণ করে নিজের নামে খুৎবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলন করেন।
- ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। দাউদ কররানী বন্দি হন এবং তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়।
- দাউদ কররানীর মৃত্যুদন্ডের ফলে বাংলায় স্বাধীন মুসলিম শাসনের অবসান ও মুঘল শাসনের সূচনা হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৪৯৫.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে -
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

৯,৪৯৬.
মন্ত্রণালয়ের 'উপ-বিভাগের প্রধান' কে?
  1. সচিব
  2. অতিরিক্ত সচিব
  3. সহকারি সচিব
  4. উপসচিব
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
ব্যাখ্যা
মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
৯,৪৯৭.
ঐতিহাসিক ৬ দফার কয়টি দাবি অর্থনীতি বিষয়ক?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪৯৮.
ইউনেস্কোর কততম সাধারণ অধিবেশনে আন্তর্জাতিকভাবে মুজিববর্ষ পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়?
  1. ক) ৩০তম
  2. খ) ৩২তম
  3. গ) ৪০তম
  4. ঘ) ৪৩তম
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের শিল্প, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO)-এর উদ্যোগে এর সদস্য ১৯৩টি দেশে মুজিববর্ষ পালিত হবে। ১২-২৭ নভেম্বর, ২০১৯ তারিখে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির ৪০তম অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়াও, গবেষণা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিকাশে তরুণদের উৎসাহ করতে প্রতিবছর UNESCO বঙ্গবন্ধুর নামে একটি পুরস্কার দিবে বলেও ঘোষণা দেয়।
৯,৪৯৯.
দুর্নীতি দমন কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের দায়িত্ব কার?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সচিবালয়
  4. কমিশনের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এ ২০০৪ সনের ৫ নং আইনের ধারা ২৯ এর প্রতিস্থাপন:
- বার্ষিক ও অন্যান্য প্রতিবেদন-
১) প্রতি পঞ্জিকা বৎসরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বৎসরের সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবার ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে।

২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।

৩) জাতীয় সংসদ প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নিকট প্রেরণ করিবেন এবং কমিটি উহা পর্যালোচনা করিয়া প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করিতে পারিবে, যাহা জাতীয় সংসদে আলোচিত হইবে।

৪) কমিশন ষান্মাসিক ভিত্তিতে সর্বসাধারণের জন্য কমিশনের ওয়েবসাইটে কমিশনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রকাশ করিবে যাহাতে নিম্নরূপ বিষয় অন্তর্ভুক্ত হইবে

তথ্যসূত্র - দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫।

৯,৫০০.
কত বছর বয়সে হযরত মুহাম্মদ (স.) নবুয়ত লাভ করেন?
  1. ক) ৩৩ বছর
  2. খ) ৪০ বছর
  3. গ) ৪৩ বছর
  4. ঘ) ৪৫ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ২০ এপ্রিল ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখে মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মক্কার হেরা গুহায় গভীর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত প্রাপ্ত হন।
৬২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মদিনা হিজরত করেন। ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি মক্কার কুরাইশদের সাথে বিখ্যাত হুদাইবিয়ার সন্ধি করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে (১২ই রবিউল আউয়াল) তিনি ইন্তেকাল করেন।
(সূত্র: ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা : ষষ্ঠ শ্রেণী)