বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৪ / ৩০৬ · ৯,৩০১৯,৪০০ / ৩০,৮৩২

৯,৩০১.
“শোন একটি মুজিবুরের কণ্ঠ থেকে“ - গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. খ) সত্য সাহা
  3. গ) নজরুল ইসলাম বাবু
  4. ঘ) গৌরি প্রসন্ন মজুমদার
সঠিক উত্তর:
ঘ) গৌরি প্রসন্ন মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গৌরি প্রসন্ন মজুমদার
ব্যাখ্যা
- "শোনো একটি মুজিবরের থেকে" হলো ১৯৭১ সালে প্রকাশিত একটি বাংলা ভাষার ভারতীয় গান যা প্রথম ২২ এপ্রিল তারিখে আকাশবাণী কলকাতায় সম্প্রচারিত হয়। - আধুনিক এই সঙ্গীতের শিল্পী ও সুরকার ছিলেন অংশুমান রায়।
- গানটির গীতিকার ছিলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার।
- গানটি হিন্দুস্তান রেকর্ডে রেকর্ড করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৩০২.
কানাইবাঁশি ও মোহনবাঁশি হলো -
  1. ক) উন্নত জাতের ধান
  2. খ) উন্নত জাতের আম
  3. গ) উন্নত জাতের গম
  4. ঘ) উন্নত জাতের কলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) উন্নত জাতের কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উন্নত জাতের কলা
ব্যাখ্যা
কানাইবাঁশি ও মোহনবাঁশি হল উন্নত জাতের কলা।
- উন্নত জাতের কলা গুলি হল :অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী, কাঁঠালি, আনাজি, সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার)।
- গাছের আকার ভেদে ও উচ্চতা বিবেচনায় এগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
- খাটো জাতের কলা, 
- মাঝারি উচ্চতা বিশিষ্ট জাতের কলা এবং 
- লম্বা জাতের কলা।

উৎস: ais.gov.bd
৯,৩০৩.
রূপকল্প ২০৪১ কতটি স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০৪১:
- এটি একটি পরিকল্পনা।
- বাস্তবায়নের সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- মূল লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করা।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- রূপকল্প ২০৪১ এ ২৬টি লক্ষ্যের কথা বলা আছে।
- রূপকল্প-২০৪১ চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ যথা: সুশাসন, গণতন্ত্র, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এই পরিকল্পনার সুফলভোগী হবে জনগণ এবং তারাই হবে প্রবৃদ্ধি ও রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান চালিকাশক্তি।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা: ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য নিরসনের অভীষ্ট হল: ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৩% বা এর নিচে নিয়ে আসা।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ৫১ হাজার মেগাওয়াট।
- ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৮৮ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- রাজস্ব কর জিডিপির ২০% পর্যন্ত বাড়ানো।
- রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা।
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।
- কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা।
- অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৯,৩০৪.
নিচের কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) নেত্রকোনা
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, শেরপুর, দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।
- এই বনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর।
- প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী।
- এটি একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৯,৩০৫.
কোন শাসকের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলায় দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে?
  1. নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  2. আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা

গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহকে হত্যা করে গৌড়ের সিংহাসনে বসেন। তাঁর পাঁচ বছরের রাজত্বকালে উল্লেখযোগ্য ঘটনা আফগান নেতা শেরশাহ শূরের সাথে সংঘর্ষ।
অবশেষে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহ গৌড় দখল করে বাংলায় আফগানি শাসনের সূত্রপাত করেন।
১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে যে স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেছিলেন ১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলায় দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]

৯,৩০৬.
ইউনেস্কো-বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ফ্রন্টটেন্স
  2. গ্লোডেন রোড ট্রেন্ডিং
  3. কীপ মানি
  4. মিউজিক ক্রসরোডস
সঠিক উত্তর:
মিউজিক ক্রসরোডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিউজিক ক্রসরোডস
ব্যাখ্যা
- ইউনেস্কো-এর ৪০ তম সাধারণ সভায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন ইউনেস্কো-এর ‘শতবার্ষিকী কর্মসূচি তালিকা’য় (Anniversary programme) অন্তর্ভুক্ত করে।
- বঙ্গবন্ধুকে অনন্য সম্মান ইউনেস্কোর “UNESCO-Bangladesh “Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman” International Prize in the field of Creative Economy” নামক আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন করে। 
- মুজিব বর্ষে এ পুরস্কার প্রবর্তনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে ইউনেস্কো সরাসরিভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে।
- ইউনেস্কো ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের  ঐতিহাসিক ভাষণ মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড আন্তর্জাতিক রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে।  
- ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ইন ক্রিয়েটিভ ইকোনমি পুরস্কার পেয়েছে জিম্বাবুয়ের প্রতিষ্ঠান মিউজিক ক্রসরোডস।
- প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি মেলোডি জাম্বুকোর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন  পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
- ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রান্সে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসের উদ্যোগে এ পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- পরে ২০২১ সালে ইউনেসকো সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে প্রথম বিজয়ী প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর বোন শেখ রেহানা।

সূত্র- ইউনেস্কো ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৯,৩০৭.
বেগম রোকেয়ার কোন সাহিত্যকর্মটি ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে?
  1. মতিচূর
  2. পদ্মরাগ
  3. সুলতানা’স ড্রিম
  4. অবরোধবাসিনী
সঠিক উত্তর:
সুলতানা’স ড্রিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানা’স ড্রিম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বেগম রোকেয়ার সুলতানা’স ড্রিম ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে।

Sultana’s Dream:

- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর ‘বিশ্বস্মৃতি’ বা ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা নারীর মুক্তিপ্রত্যাশী উপন্যাস ‘সুলতানা’স ড্রিম’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলা অঞ্চলে নারীস্বাধীনতার অন্যতম পথিকৃৎ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ঐতিহ্যগত উত্তরাধিকারের স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশ।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটোরে ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কমিটি ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ বা মৌক্যাপের দশম সাধারণ সভায় ঘোষণাটি দেওয়া হয়।

• রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।

⇒ রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪), অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি।
- মতিচূর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতি গ্রন্থে রোকেয়ার ঐকান্তিক স্বপ্নই এক অভিনব রূপ পেয়েছে। মতিচূর ২য় খন্ডে আছে ‘সৌরজগৎ’, ‘ডেলিসিয়া হত্যা’ (মেরী করেলী রচিত Murder of Delicia, ১৮৯৬ উপন্যাসের গল্পাংশের অনুবাদ), ‘জ্ঞান-ফল’, ‘নারী-সৃষ্টি’, ‘নার্স নেলী’, ‘মুক্তি-ফল’ প্রভৃতি গল্প ও রূপকথা।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
৯,৩০৮.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. আনিসুল হক
  2. সাঈদ খােকন
  3. সাদেক হােসেন খােকা
  4. মােহাম্মদ হানিফ
সঠিক উত্তর:
মােহাম্মদ হানিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মােহাম্মদ হানিফ
ব্যাখ্যা
• ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইতিহাস:
⇒ ১৮৬৪ সালের ১ আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
⇒ ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
⇒ ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
⇒ ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবিহিত হয়।
⇒ ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়। 

 প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ। 
নগরবাসীর সেবা সহজলভ্য করার বৃহত্তর স্বার্থে ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
⇒ এ আইন অনুযায়ী ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
⇒ এর ফলে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে পৃথক দুইটি সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৯,৩০৯.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ ছাড়া করতে পারে?  
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  2. সংসদ অধিবেশন আহ্বান
  3. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  4. সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 
- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।
- সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

- ৫৬(৩): যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।
- ৯৫(১): প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,৩১০.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় কোথায়?
  1. পল্টন ময়দান
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলা
  3. রেসকোর্স ময়দান
  4. বৈদ্যনাথতলা
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যনাথতলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যনাথতলা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানের ছাত্রসভায় শাহাজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯,৩১১.
কোনটি মরিচের উন্নত জাত?
  1. ক) টিপু সুলতান
  2. খ) আকবর
  3. গ) রুপালী
  4. ঘ) ফরিদপুরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরিদপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরিদপুরী
ব্যাখ্যা
• মরিচ:
- জাত পরিচিতি: মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী, কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও 
- আকবর হচ্ছে -গমের উন্নত জাত।
- রুপালী হচ্ছে - তুলার উন্নত জাত।
- টিপু সুলতান হচ্ছে- টমেটোর উন্নত জাত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯,৩১২.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপন্ন হয়?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. ঝিনাইদহ
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৯,৩১৩.
সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু হলো-
  1. ক) পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু।
  2. খ) সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
  3. গ) বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে দেওয়া হয়।
  4. ঘ) ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়।
সঠিক উত্তর:
খ) সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
ব্যাখ্যা
সপ্তদশ সংশোধনী
সংসদে উত্থাপন: ৮ এপ্রিল, ২০১৮
উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
সংসদে পাশ/গৃহীত - ৮ জুলাই, ২০১৮
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২৯ জুলাই, ২০১৮

সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধন আইন অনুসারে, একাদশ সংসদ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ২৫ বছর করা হয়।
৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
৯,৩১৪.
বাংলাদেশের জাতীয় মনোগ্রামের নকশাকার কে?
  1. রফিকুন্নবী
  2. এ এন এ সাহা
  3. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  4. বিমান মল্লিক
সঠিক উত্তর:
এ এন এ সাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এন এ সাহা
ব্যাখ্যা
জাতীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের নকশাকার এ এন এ সাহা।

অন্যদিকে,
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।
- বিমান মল্লিক প্রথম ডাকটিকিটের ডিজাইনার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৩১৫.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ১৯৭১ সনে প্রথম কোন তারিখে উত্তোলিত হয়?
  1. ৭ মার্চ
  2. ২ মার্চ
  3. ২৫ মার্চ
  4. ২৬ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ
ব্যাখ্যা
প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:

- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব।
- সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চে তার বাসভবনে পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।
- ১৯৭২ সালে শিবনারায়ণ দাশের ডিজাইন করা পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়।

- কামরুল হাসান আমাদের জাতীয় পতাকার যে রূপ দিয়েছিলেন সেটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

উৎস: বিডিনিউজ ও প্রথম আলো রিপোর্ট।
৯,৩১৬.
সংবিধান সংস্কার কমিশন সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার বয়স সুপারিশ করেছে ন্যূনতম কত বছর?
  1. ২৫ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৪টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। [লিঙ্ক]
৯,৩১৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ‘প্রস্তাবনায়’ বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে কয়টি অঙ্গীকার করা হয়েছে? 
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
♣ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে দুইটি অঙ্গীকার করা হয়েছে। 
                                                                          প্রস্তাবনা

- আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;

- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;

- আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;

- আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;

- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৩১৮.
কর্ণফুলী কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. বেত
  2. ধুন্দল গাছ
  3. বাঁশ
  4. আখের ছোবড়া
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এদেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৯,৩১৯.
বাংলাদেশের নবম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. পটুয়াখালী
  2. গাইবান্ধা
  3. গোপালগঞ্জ
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নবম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের নবম ইপিজেড পটুয়াখালীতে স্থাপিত হবে।
- ১,৫৩০ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ পাওয়ার ও ১,৮৩৬ মিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে পটুয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)। 
- এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ইতিমধ্যে ১,৪৭৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। 
- বেপজার কর্মকর্তারা জানান, পদ্মা সেতুর চালু হওয়ার পর থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বেড়েছে। 
- এ সুযোগ কাজে লাগাতে পটুয়াখালী ইপিজেড বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 'প্রস্তাবিত ইপিজেডের কাছাকাছি দুটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে—একটি পায়রা, অপরটি মোংলা সমুদ্র বন্দর। 
- সমীক্ষা অনুযায়ী, পটুয়াখাালীর পচাকোড়ালিয়া ও কুয়াকাটার ৪১৮ একর জমিতে প্রস্তাবিত ইপিজেডে ৩০৬টি শিল্প প্লট তৈরি করা যাবে। 
- প্রস্তাবিত ইপিজেডে ১ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
- এছাড়া আরও ২ লাখ বাংলাদেশির পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিডেজ স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮০ সালে গঠন করা হয় বেপজা।
- বেপজা ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপন করে।

উৎস: ২৩ জুন, ২০২৩, The Business Standard। [link]
৯,৩২০.
সংসদ কক্ষের সামনের সারির আসনের গুলোকে কী বলা হয়?
  1. মিডিয়া বেঞ্চ
  2. সরকারি বেঞ্চ
  3. পাবলিক বেঞ্চ
  4. ট্রেজারি বেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
ব্যাখ্যা

• ট্রেজারি বেঞ্চ:

- ট্রেজারি বেঞ্চ হলো সংসদের সামনের সারির আসন যেখানে সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ বসেন।
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৯,৩২১.
বাংলাদেশে মোট কতবার জরুরি অবস্থা জারী করা হয়েছে?
  1. ৫ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৭ বার
সঠিক উত্তর:
৫ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বার
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশে মোট ৫ বার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

♦ জরুরি অবস্থা:
→ সাধারণভাবে বলা যায় জরুরি অবস্থা বলতে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থে কোনো আকস্মিক সংকটকালীন অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য কতিপয় মৌলিক অধিকারের উপর বাধানিষেধ আরোপ করা বোঝায়।
→ ১৯৭৩ সালে ২য় সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরী অবস্থার বিধান সংযুক্ত করা হয় ।
→ এ সংবিধানের ১৪১(ক), ১৪১(খ) ও ১৪১(গ) অনুচ্ছেদের আওতায় দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।
→ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫ বার জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে। যথা ⎯
১. ১৯৭৪ সালের ২৮শে ডিসেম্বর ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা মোকাবেলা করার জন্য জরুরী অবস্থা জারি করা হয়।
২. জিয়াউর রহমান খুন হলে উপ-রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হয়ে ১৯৮১ সালের ৩০শে মে জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৩. ১৯৮৭ সালের ২৭শে নভেম্বর জেনারেল এরশাদ জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৪. ১৯৯০ সালের ২৭শে নভেম্বর জেনারেল এরশাদ দ্বিতীয়বার জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৫. ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ জরুরী অবস্থা জারি করেন। এই দিনটি ১/১১ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩২২.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় কত ধরা হয়েছে?
  1. ২,২২,০৬৩ কোটি টাকা
  2. ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা
  3. ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা
  4. ১৭,২৬১ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
২,৬৫,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৬৫,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
- ভর্তুকি, প্রণোদনা ও চলতি স্থানান্তরে খরচ ২,২২,০৬৩ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচিতে ব্যয় ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা।
- কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ১৭,২৬১ কোটি টাকা। 

উৎস: জাতীয় বাজেট (২০২৪-২৫)
৯,৩২৩.
নিচের কোন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বিদেশি শাখা রয়েছে?
  1. রূপালী ব্যাংক পিএলসি
  2. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  3. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  4. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে 'সোনালী ব্যাংক পিএলসি' এর বিদেশি শাখা রয়েছে।

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:

- সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩৩টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২৩১টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।

⇒ দেশের অভ্যন্তরে ১২৩১টি শাখা রয়েছে।
• গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৬৯৫টি।
• শহরাঞ্চলে রয়েছে ৫৩৬টি।

⇒ বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
• কোলকাতায়।
• শিলিগুড়ি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৩২৪.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড কোন সার উৎপাদন করে?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. এসএসপি
  4. এমওপি
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড: 
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি যমুনা নদী হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরত্বে ১৯৯২ সালে তারাকান্দি, থানা- সরিষাবাড়ী, জামালপুর  জেলায় স্থাপিত হয়। 
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে নিবন্ধিত। 
-যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন। 
৯,৩২৫.
যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষিমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) মাওলানা ভাসানী
  3. গ) মাওলানা আতাহার আলী
  4. ঘ) এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে মন্ত্রিসভার সদস্যরা হলেন: 

• এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন।
• শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, ঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন।
• আবু হোসেন সরকার অর্থ।
• আতাউর রহমান খান বেসামরিক সরবরাহ; 
• আবুল মনসুর আহমদ জনস্বাস্থ্য
• কফিল উদ্দিন চৌধুরী বিচার ও আইন
• সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা ও রেজিস্ট্রেশন
• আবদুস সালাম খান শিল্প ও পূর্ত

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৯,৩২৬.
জুলাই মাসে বাংলাদেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কত হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ
  2. ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ
  3. ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ
  4. ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
সার্বিক মূল্যস্ফীতি:
- জুলাই মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
- গত জুন মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ, তা বিগত ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
- বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
- আর খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। 

উল্লেখ্য,
- গত তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৯,৩২৭.
কোন গাছে ভাইরাস 'টুংরো' রোগ হয়?
  1. ক) পাট গাছে
  2. খ) তামাক গাছে
  3. গ) ধান গাছে
  4. ঘ) টমেটো গাছে
সঠিক উত্তর:
গ) ধান গাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধান গাছে
ব্যাখ্যা
- টুংরো (Tungro) - রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস। 
- ধানের টুংরো রোগের জন্য ভাইরাস দায়ী।
- তামাক গাছের মোজাইক রোগ।
- টমেটো গাছের ক্যাংকার রোগ।

তথ্যসূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৩২৮.
পিঁয়াজ উত্তোলনের কমপক্ষে কত দিন পূর্বে সেচ বন্ধ করা উচিত?
  1. ২ সপ্তাহ
  2. ৩ সপ্তাহ
  3. ৪ সপ্তাহ
  4. ৫ সপ্তাহ
সঠিক উত্তর:
৩ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
পিঁয়াজ চাষ:
- পিঁয়াজ একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত মসলা জাতীয় ফসল।
- সবজি ও সালাদ হিসেবে এবং আচার, কেচাপ ও সস তৈরীতে ব্যবহৃত হয়।
- এর অনেক ওষধি গুণ রয়েছে।
- উদ্ভিদতাত্ত্বিক পরিচিতি পিঁয়াজ একটি দ্বিবর্ষজীবী উদ্ভিদ।
- তবে আমাদের দেশে এর একবর্ষজীবী জাতও দেখা যায়।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম Allium cepa.

⇒ পিঁয়াজের রূপান্তরিত কান্ড সংলগ্ন পাতার গোড়ায় খাদ্য জমাটের ফলে স্ফীত হয় এবং কান্ডের সাথে একটির পর একটি সংযোজিত হয়ে শল্ককন্দ উৎপাদন করে।
- এ শল্ককন্দ পিঁয়াজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এ থেকে নতুন গাছ জন্মে থাকে।

⇒ বংশবিস্তার:
- বীজতলায় চারা উৎপাদন করে জমিতে রোপণ, সরাসরি ক্ষেতে বীজ বপন বা ছোট ছোট কন্দ রোপণ সাধারণত এ তিনটি পদ্ধতিতে পিঁয়াজের চাষ করা হয়।
- এদের মধ্যে চারা রোপণ পদ্ধতিতে পিঁয়াজের ফলন বেশী হয়।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- সহনশীল তাপমাত্রা, পর্যাপ্ত দিনের আলো ও মাটিতে রস থাকলে পিঁয়াজের ভাল ফলন পাওয়া যায়।
- এঁটেল মাটি ছাড়া অন্য যে কোন মাটিতে পিঁয়াজের চাষ করা যায়।
- তবে দোঁআশ ও জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ হালকা দোআঁশ বা পলিযুক্ত মাটি পিঁয়াজ চাষের জন্য উত্তম।
- মাটির অম্লত্ব বা pH ৫.৮-৬.৫ পিঁয়াজ উৎপাদনের জন্য উত্তম, অধিক ক্ষার বা অম্ল মাটিতে পিঁয়াজের আকার ছোট হয় ও পুষ্ট হতে বেশী সময় লাগে।

⇒ উৎপাদন মৌসুম:
- বাংলাদেশে শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা ঋতুতে অর্থাৎ সারা বছরই পিঁয়াজ চাষ করা সম্ভব।
- জীবনকাল চারা রোপণের ৯০ থেকে ১০৫ দিন পর পিঁয়াজ তোলার উপযুক্ত হয়।

⇒ সেচ:
- মাটির রস স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে পিঁয়াজের ফলন কমতে থাকে।
- এজন্য পিঁয়াজের জমিতে যথেষ্ট পরিমাণ আর্দ্রতা থাকা প্রয়োজন।
- চারা মাটিতে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ৩ দিন অন্তর সেচ দেওয়া প্রয়োজন।
- পিঁয়াজ উত্তোলনের ৩ সপ্তাহ পূর্ব থেকে সেচ বন্ধ রাখতে হয়।
- নতুবা পিঁয়াজের গুণাগুণ ও সংরক্ষণ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
- পিঁয়াজের সম্পূর্ণ জীবন চক্রে ৮-১০ বার সেচের প্রয়োজন হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩২৯.
‘জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাভার
  2. খ) আগারগাঁও
  3. গ) মহাখালী
  4. ঘ) কোনাবড়ী
সঠিক উত্তর:
খ) আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট ঢাকার শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৬৯ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮০ সালে এটির নামকরণ করা হয় ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট’।
এটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো প্রশিক্ষণ প্রদান ও পাস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং গবেষণার মাধ্যমে প্রচলিত নীতিমালার উন্নয়নে কাজ করা।
(সূত্র: জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৯,৩৩০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ১.১২%
  2. ১.৩৩%
  3. ১.৩৭%
  4. ১.৩৯%
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, 

• আয়তন ১,৪৭,৫৭০ (বর্গ কি. মি.) ।
• মোট জনসংখ্যা ১৭১.০০ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি।
• জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (২০২৩) ১.৩৩%। 
• জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৭১/বর্গ কি.মি.। 
• গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর। (পুরুষ – ৭০.৮, নারী – ৭৩.৮) 
• সাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৭.৯% (পুরুষ – ৮০.১%, নারী – ৭৫.৮%) 
• পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩) ৯৬.৩: ১০০ । 
• চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP) ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা । 
•  স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP) ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা । 
• স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২% । 
• চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা । 
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI) ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার। 
• মুদ্রাস্ফীতি/মূল্যস্ফীতি ৯.৭৪%

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
৯,৩৩১.
স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালের ১লা মার্চ
  2. ১৯৭০ সালের ২রা মার্চ
  3. ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ
  4. ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১লা মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১লা মার্চ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ: 
- পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ১লা মার্চ স্থগিত ঘোষণা করেন।
- এ ঘোষণার প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র, শ্রমিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তথা সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- বিভিন্ন স্থানে জনতা পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণ করে।
- সারাদেশে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষে বহু লোক নিহত ও আহত হয়।
- ঐদিন (১৯৭১ সালের ১লা মার্চ) 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয়।
- এ সংগঠনের উদ্যোগে ২রা মার্চ দেশব্যাপী ধর্মঘট আহ্বান করা হয়।
- এদিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক ছাত্র সমাবেশে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৩২.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  2. হুলিয়া
  3. ওরা ১১ জন
  4. ধীরে বহে মেঘনা
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা

ওরা ১১ জন (১৯৭২):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা।
- বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

উল্লেখ্য,
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩)- এটির নির্মাতা আলমগীর কবির।
- 'হুলিয়া' স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো।

৯,৩৩৩.
'৬৪ জেলার বায়ুদূষণ সমীক্ষা-২০২১' অনুসারে বায়ুদূষণে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. মাদারীপুর
  2. ঢাকা
  3. গাজীপুর
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
৬৪ জেলার বায়ুদূষণ সমীক্ষা-২০২১:
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) “৬৪ জেলার বায়ুদূষণ সমীক্ষা-২০২১” শিরোনামে প্রতিবিদনটি প্রকাশ করে।
বায়ু দূষণে শীর্ষ জেলা গাজীপুর (২৬৩:৫১ মাইক্রোগ্রাম)।
সবচেয়ে কম মাদারীপুর (৪৯.০৮ মাইক্রোগ্রাম)।
বায়ু দূষণে শীর্ষ শহর ঢাকা (২৫২.৯৩ মাইক্রোগ্রাম)।
সবচেয়ে কম রাজশাহী শহর (৫৬.৪১ মাইক্রোগ্রাম)।
বায়ুতে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণার দৈনিক আদর্শ মান ৬৫ মাইক্রোগ্রাম। 
অতি ক্ষুদ্রকণা বলতে ২.৫ মাইক্রন বা তার কম আকারের বস্তুকণাকে বোঝায়। 

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,৩৩৪.
IEDCR কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহাখালী
  2. খ) আজিমপুর
  3. গ) মোহাম্মদপুর
  4. ঘ) আগারগাঁও
সঠিক উত্তর:
ক) মহাখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাখালী
ব্যাখ্যা
- IEDCR (Institute of Epidemiology, Disease Control and Research) বা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ সরকারের একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট যা বাংলাদেশে মহামারী ও সংক্রামক ব্যাধি গবেষণা ও রোগ নিয়ন্ত্রণ বিষয় নিয়ে কাজ করে।
- বর্তমান পরিচালক প্রফেসর ডা. তাহমিনা শিরিন।
(তথ্যসূত্র: IEDCR ওয়েবসাইট)
৯,৩৩৫.
টেক্সটাইল শিল্পে Blue Sign মূলত কোন বিষয়ের মানদণ্ড নির্ধারণ করে?
  1. পরিবেশ ও রাসায়নিক নিরাপত্তা 
  2. রপ্তানির পরিমাণ
  3. শ্রমিকের বেতন
  4. উৎপাদনগত গতি
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ ও রাসায়নিক নিরাপত্তা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ ও রাসায়নিক নিরাপত্তা 
ব্যাখ্যা

• Blue Sign:
- Blue Sign হলো পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবান্ধব সার্টিফিকেশন।
- এটি পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ, টেকসই এবং মানবিক মানদণ্ডে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করে।
- Blue Sign শুধুমাত্র পণ্যের মান নয় - এর উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ ও পর্যবেক্ষণ করে।
- যেমন:
রাসায়নিক ব্যবহার,
• পরিবেশগত প্রভাব
• পানি ও শক্তি সাশ্রয়, 
• বর্জ্য ব্যবস্থাপনা - সবই কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করে।

উল্লেখ্য,
- যে পণ্যগুলো Blue Sign স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে, সেগুলোর ওপর “Blue Sign Approved” বা “Blue Sign PRODUCT” লেবেল দেওয়া হয়।
- এই সার্টিফিকেশন ক্ষতিকর রাসায়নিক পরিহারে সাহায্য করে, পরিবেশ দূষণ কমায় এবং কর্মী ও ভোক্তা—দু’পক্ষের জন্যই নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে।

উৎস: Blue Sign Official Website.

৯,৩৩৬.
দেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন কোনটি?
  1. এলায়েন্স
  2. বিডিএফ
  3. এফবিসিসিআই
  4. এফআইসিসিআই
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই
ব্যাখ্যা
এফবিসিসিআই:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এফবিসিসিআই’র সভাপতি মাহবুবুল আলম।
- তিনি ২০২৩-২৫ মেয়াদে এফবিসিসিআই’র সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। 

অন্যদিকে -
- এলায়েন্স (Alliance) হলো উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট।
- বিডিএফ (BDF) হলো বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়োজিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট।
- এফআইসিসিআই (FICCI) হলো বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট। 

উৎস: ২ আগস্ট ২০২৩, যুগান্তর।
৯,৩৩৭.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে নিম্নের কোন দাবীটি ছিল না?
  1. ক) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
  2. খ) পূর্ব থেকে চলমান হরতাল পালিত হবে।
  3. গ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
  4. ঘ) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা।
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ব থেকে চলমান হরতাল পালিত হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ব থেকে চলমান হরতাল পালিত হবে।
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।
৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি উত্থাপন করেন।
এগুলো হলো:
- চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা। 
- সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া। 
- গণহত্যার তদন্ত করা। 
- নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
৯,৩৩৮.
কোন প্রতিষ্ঠানকে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক?
  1. নগদ ডিজিটাল ব্যাংক
  2. বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক
  3. ডিজিটেন ডিজিটাল ব্যাংক
  4. ব্যাংক এশিয়া ডিজিটাল ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
নগদ ডিজিটাল ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগদ ডিজিটাল ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ব্যাংক:
- দেশে প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২২ অক্টোবর, ২০২৩ কেন্দ্রীয় ব্যাংক আট প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। 
- এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠানকে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
- ব্যাংক দুটি হচ্ছে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি এবং এসিআইয়ের কড়ি ডিজিটাল পিএলসি।
- এ ছাড়া দুই পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংক চালুর ৬ মাস পর সেবা পর্যালোচনা করে আরও তিন ব্যাংককে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংক দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
- এগুলো হলো স্মার্ট ডিজিটাল ব্যাংক, নর্থ ইস্ট ডিজিটাল ব্যাংক ও জাপান-বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ (২২ অক্টোবর, ২০২৩)।
৯,৩৩৯.
লর্ড মেয়োর শাসনামলে ভারতবর্ষে কোন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগটি শুরু হয়েছিল?
  1. প্রথম বাজেট ঘোষণা
  2. দশসালা বন্দোবস্ত
  3. কাগজের মুদ্রা চালু
  4. প্রথম আদমশুমারি
সঠিক উত্তর:
প্রথম আদমশুমারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম আদমশুমারি
ব্যাখ্যা

লর্ড মেয়ো: 
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ থেকে ১৮৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল।
- তাঁর নাম রাখা হয় রির্চাড সাউথওয়েল বুর্ক। 
- তাঁর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি (১৮৭০) শুরু হয়।
- তিনি দেশে পরিসংখ্যান জরিপের ব্যবস্থা করেন এবং কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ সৃষ্টি করেন।

অন্যদিকে, 
- লর্ড ক্যানিং ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- ১৮৬১ সালে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেন।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
- চার্লস উড শিক্ষা বিষয়ে ১৮৫৪ সালে যে সুপরিশমালা পেশ করেন তা কার্যকর করা হয় তার সময়ে।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৩৪০.
মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না-জানা শহীদের অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত নিম্নের কোনটি?
  1. ক) জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  2. খ) অপরাজেয় বাংলা
  3. গ) মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ
  4. ঘ) শিখা চিরন্তন
সঠিক উত্তর:
ক) জাতীয় স্মৃতিসৌধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাতীয় স্মৃতিসৌধ
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ নাম না-জানা শহিদের অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ
- এটি ঢাকা শহর থেকে ৩৫ কি.মি. উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত। 
- স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশা অনুযায়ী জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- সাতটি জোড়া ত্রিভুজাকার দেয়ালের মাধ্যমে ছোট থেকে বড় হয়ে ধাপে ধাপে সৌধটি ১৫০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছেছে।
- মূল স্মৃতিসৌধে সাত জোড়া দেয়াল, মূলত বাঙালির গৌরবময় সংগ্রামের প্রতীক।
- এই রাজনৈতিক ঘটনাগুলো হলো ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সালের মধ্যেই আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস নিহিত। 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ঘটনার ফলেই পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। আর জাতীয় স্মৃতিসৌধ বারবার আমাদের সেই মহান শহিদদের কথাই মনে করিয়ে দেয়।
- ১৯৭২ সালের জাতীয় স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে তিনটি পর্যায়ে তা সম্পন্ন হয়।
- বাঙালির অহংকার, গৌরব আর মর্যাদার প্রতীক এই স্মৃতিসৌধ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯,৩৪১.
'Bangladesh at 50: The Resilient Delta' শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয় কোথায়?
  1. ক) ইউরোপীয় পার্লামেন্ট
  2. খ) ব্রিটিশ পার্লামেন্ট
  3. গ) কমনওয়েলথ পার্লামেন্ট
  4. ঘ) স্কটিশ পার্লামেন্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রিটিশ পার্লামেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রিটিশ পার্লামেন্ট
ব্যাখ্যা
৩ নভেম্বর, শেখ হাসিনা ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে “Bangladesh at 50: The Resilient Delta” শীর্ষক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
৯,৩৪২.
সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২৯ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখ।
- এই সমাবর্তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এই ডিগ্রি গ্রহণ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রী প্রদানের ঘোষণা দেন এবং জাতির পিতার কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ডিগ্রী তুলে দেন।
- প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার পক্ষে স্বাক্ষর করে ডিগ্রী গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৩৪৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)। ১৯টি খাত:
১. কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২. খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫. পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬ নির্মাণ।
৭.. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮. পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০. তথ্য ও যোগাযোগ।
১১. আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২. রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩. পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪ .প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫. জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬. শিক্ষা।
১৭. মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮. শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯,৩৪৪.
বাংলাদেশের অর্থবৎসরের সময়কাল নিচের কোনটি?
  1. ১ জানুয়ারি - ৩১ ডিসেম্বর
  2. ১ জুলাই – ৩০ জুন
  3. ১ জুলাই – ৩১ জুলাই
  4. ১ জানুয়ারি - ৩০ জুন
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই – ৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই – ৩০ জুন
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৯,৩৪৫.
বিশ্বব্যাংক কোন পদ্ধতিতে মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ করে?
  1. এটলাস মেথড
  2. এভারেজ মেথড
  3. ইনকাম মেথড
  4. সাসটেইন মেথড
  5. লুইসি মেথড
সঠিক উত্তর:
এটলাস মেথড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটলাস মেথড
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ:
- বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ করে থাকে যে পদ্ধতিতে, তাকে বলা হয় এটলাস মেথড।
- একটি দেশের স্থানীয় মুদ্রার মোট জাতীয় আয়কে (জিএনআই) মার্কিন ডলারে রূপান্তর করা হয়।
- এই রূপান্তর হয় এটলাস পদ্ধতিতে।
- অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে তিন বছরের গড় বিনিময় হারকে সমন্বয় করা হয়।
- যাতে করে আন্তর্জাতিক মূল্যস্ফীতি ও বিনিময় হারের ওঠানামা সমন্বয় হয়।
- এ কারণে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব আর বিশ্বব্যাংকের হিসাব এক হয় না।

⇒ মধ্যম আয়ের দেশ শ্রেণীকরণটি মূলত বিশ্বব্যাংকের।
- বিশ্বব্যাংক সাহায্য দেওয়ার সুবিধার জন্য এই শ্রেণীকরণটি করেছে।

⇒ জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকের ভিত্তিতে বিশ্বের দেশগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করে, যেমন: স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি), উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশ।
- বাংলাদেশ এলডিসিতে অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৫ সালে।

উৎস: i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৯,৩৪৬.
কোথায় 'বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড' অবস্থিত?
  1. ক) সুন্দরবনের পশ্চিমে
  2. খ) সুন্দরবনের উত্তরে
  3. গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
  4. ঘ) সুন্দরবনের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত। 

• বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড:
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই মিটার উঁচু দ্বীপটি । 

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,৩৪৭.
বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কোন সনে? 
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় — ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। 
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাংলাদেশের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হল, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আণবিক শক্তি উৎপাদন ও এটি নিয়ে গবেষণা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ওয়েবসাইট।
৯,৩৪৮.
আমাদের দেশে কোন সময় রুই জাতীয় মাছ হালদা নদীতে ডিম পাড়ে?
  1. বর্ষাকালে
  2. বৈশাখ মাসে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি হলে
  3. ভাদ্র মাসে প্রচন্ত গরমের সময়
  4. শীতের প্রারম্ভে
সঠিক উত্তর:
বৈশাখ মাসে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈশাখ মাসে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি হলে
ব্যাখ্যা
আভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনের প্রভাব:
• বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদ-নদীর নাব্যতা কমে যাচ্ছে ফলে একদিকে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে এবং অন্যদিকে প্রজননক্ষম মাছ সহজে ধরা পড়ায় নদীতে মাছের উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে এবং জীব বৈচিত্র নষ্ট হচ্ছে।
• সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে উপকূলীয় এলাকার স্বাদু পানির মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে।
• অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে আমাদের দেশে এপ্রিল মে মাসে আভ্যন্তরীণ জলাশয়ে দেশীয় ছোট মাছের প্রজনন ব্যহত হচ্ছে।
• বৈশাখ মাসে বাংলাদেশে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি শুরু হলে রুই জাতীয় মাছ হালদা নদীতে ডিম পাড়ে।
- কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে একদিকে ডিমের পরিপক্কতার সময় এগিয়ে আসছে অন্যদিকে বৃষ্টিপাতে দেরি হওয়ায় মাছের শরীরবৃত্তীয় অবস্থায় পরিবর্তনে মাছের ডিম পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।

এছাড়াও,
⇒ মাছ চাষ ও পোনা উৎপাদনে প্রভাব:
১। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে আমাদের দেশে মৌসুমী পুকুরগুলোতে পোনা অবমুক্তকরণ দেরিতে হয়।
- অন্যদিকে দ্রুত পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় মৎস্য চাষের সময়কাল কমে যায় এবং মাছের আকার ছোট হয়।
২। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও কম বৃষ্টিপাতের ফলে প্রজনন অনুকূল পরিবেশের অভাবে হ্যাচিরিতে মাছের কৃত্রিম প্রজনন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে পুকুরের পানির গভীরতা কমে যাওয়ায় মাছ সহজে রোগাক্রান্ত হচ্ছে এবং মাছের মৃত্যুহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৩। ঘন ঘন আকস্মিক বন্যা, সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ার কারণে মৎস্য পুকুর ও ঘের ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় মৎস্য চাষে খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৪। পুকুরের পানির স্বাভাবিক গভীরতা ধরে রাখার জন্য চাষীকে পুকুরে পানি সরবরাহের জন্য বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৪৯.
‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’ গানটির শিল্পী কে ছিলেন?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. আব্দুল জব্বার
  3. আব্দুল হাদী
  4. আপেল মাহমুদ
  5. আলতাফ মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি’ গানটি দারুণভাবে প্রেরণা জুগিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের।
- ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার।
- গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ।
- ‘জয়বাংলার গান’ রূপে পরিচিত গোবিন্দ হালদারের সঙ্গীতগুলো 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' থেকে প্রচারিত হত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
৯,৩৫০.
কে 'মহারাজাধিরাজ' উপাধি গ্রহণ করে স্বাধীন বঙ্গরাজ্য শাসন করতেন?
  1. গোচন্দ্র
  2. ধর্মাদিত্য
  3. সমাচারদেব
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই
ব্যাখ্যা
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর সমগ্র উত্তর ভারতে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়।
- সেই সুযোগে বাংলাদেশে দুইটি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়।
- এর একটি হলো বঙ্গ, যার অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম-বাংলার দক্ষিণাঞ্চলে।
- দ্বিতীয় রাজ্যের নাম গৌড়, যার অবস্থান ছিল বাংলার পশ্চিম ও উত্তর বাংলা নিয়ে।

স্বাধীন বঙ্গ রাজ্য:

- গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে বঙ্গ জনপদে একটি স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
- তাম্র শাসন (তামার পাতে খোদাই করা রাজার বিভিন্ন ঘোষণা বা নির্দেশ) থেকে জানা যায় যে, গোচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব নামে তিনজন রাজা স্বাধীন বঙ্গরাজ্য শাসন করতেন।
- তাঁরা সবাই 'মহারাজাধিরাজ' উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁদের রাজত্বকাল ছিল ৫২৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৯,৩৫১.
কোনটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি?
  1. ক) সিলেটের পাহাড়ী বনভূমি
  2. খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  3. গ) সুন্দরবন
  4. ঘ) উপকূলীয় বনভূমি
সঠিক উত্তর:
খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের শালবন হলো পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
শীতকালে এ বনের বৃক্ষের পাতাঝড়ে যায়। টাঙ্গাইল ও গাজীপুর ব্যতীত ময়মনসিংহ ও শেরপুর এবং উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় শালবনের উপস্থিতি রয়েছে।
এ বনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারি। শালবন ব্যতীত দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির কম বৃষ্টিপাত সম্পন্ন অঞ্চলেও পত্রপতনশীল বৃক্ষের আধিক্য রয়েছে।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৯,৩৫২.
বাংলাদেশে উৎপাদনভিত্তিক জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সর্বাধিক? (মার্চ-২০২৬)
  1. সেবাখাত 
  2. শিল্পখাত
  3. কৃষিখাত 
  4. তথ্য প্রযুক্তি খাত
সঠিক উত্তর:
সেবাখাত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবাখাত 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে উৎপাদনভিত্তিক জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সর্বাধিক।

অর্থনীতি/জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান : 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উল্লেখ্য,
→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং সমসাময়িক জিডিপি সমীক্ষা।

৯,৩৫৩.
ওরাওঁ জনগােষ্ঠী কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. রাজশাহী-দিনাজপুর
  2. বরগুনা-পটুয়াখালী
  3. রাঙামাটি-বান্দরবান
  4. সিলেট-হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী-দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী-দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ জনগোষ্ঠী:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
- ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
- এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৯,৩৫৪.
What is the length of the Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Tunnel?
  1. 3.4 km
  2. 3.8 km
  3. 4.2 km
  4. 4.4 km
সঠিক উত্তর:
3.4 km
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3.4 km
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু টানেল:
- দেশের ফাস্ট ট্র্যাক মেগাপ্রকল্পের একটি বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ।
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম টানেল।
- জাপানি সংস্থা জাইকা প্রথম কর্ণফুলী নদীতে টানেল নির্মাণের সুপারিশ করে।
- নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল আগামী ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ উদ্বোধন করা হবে। 
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৪ কিমি এবং উভয় পাশের সংযোগ সড়ক ৫.৩৫ কিমি।
- চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম টানেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মিত হচ্ছে।
- এটি চট্টগ্রাম শহরের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করবে।
• টানেলের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (CCCC)।

সূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
৯,৩৫৫.
রোহানি বাহারিন নিম্নের কোন স্থাপত্যটির নকশাবিদ ছিলেন?
  1. কমলাপুর রেলস্টেশন
  2. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
  3. হাতিরঝিল
  4. শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর। এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়।
- টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার।

⇒ এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন।
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- তৃতীয় টার্মিনালের জন্য সরকার অর্থায়ন করেছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।
- বাকি অর্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- কমলাপুর রেলস্টেশনটির নকশাকার ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
৯,৩৫৬.
কোন বিষয়টিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়?
  1. ক) দ্বি-জাতি তত্ত্বকে
  2. খ) লাহোর প্রস্তাবকে
  3. গ) ভাষা আন্দোলনকে
  4. ঘ) কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর প্রস্তাবকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর প্রস্তাবকে
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে দ্বিতীয় গণপরিষদ সংবিধান রচনার কাজ দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করে।
- ১৯৫৬ সালের ৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় গণপরিষদে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র সংবিধান বিল' উত্থাপন করা হয়।
- বিলটি ২১ জানুয়ারি গণপরিষদে চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয় এবং ২ মার্চ গভর্নর জেনারেল এ বিলে সম্মতি প্রদান করে।
- ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এ সংবিধান ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক।
৯,৩৫৭.
'পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সম্পর্কে বলা আছে সংবিধানের-
  1. ক) ২৩ক নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১৮ক নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১৮ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮ক নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮ক নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন',
- ১৮ নং অনুচ্ছেদে 'জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা',
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে 'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা',
- ২৩ক নং অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,৩৫৮.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. ড. অসীম দত্ত
  2. ড. অনিল দত্ত
  3. ড. আশুতোষ দত্ত
  4. ড. অমল দত্ত
সঠিক উত্তর:
ড. অসীম দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. অসীম দত্ত
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েরছেন ২ জন।
• রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় - ড. অসীম দত্ত।
• রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় - শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৩৫৯.
বাংলাদেশের প্রথম 'সেচ প্রকল্প' কোনটি?
  1. মুহুরী প্রকল্প
  2. জি. কে. প্রকল্প
  3. তিস্তা সেচ প্রকল্প
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জি. কে. প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. কে. প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জি. কে. প্রকল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম 'সেচ প্রকল্প' গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট) গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- প্রকল্পের আওতায় সেচযোগ্য এলাকা রয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ১০৭ হেক্টর।
- উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত।
- এ প্রকল্পের বিশেষত্ব হলো, গঙ্গা নদী থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সংযোগ খাল ও নালার মাধ্যমে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা।
- প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে শস্যের অধিক ফলন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ছিল অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯৫১ সালে প্রাথমিক জরিপের পর ১৯৫৪ সালে জি-কে সেচ প্রকল্প অনুমোদন পায়।
- চালু হয় ১৯৬২-৬৩ সালে।
- সমগ্র প্রকল্প এলাকাটি দুটি অঞ্চলে বিভক্ত, কুষ্টিয়া অঞ্চল এবং যশোর অঞ্চল।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে বৃহত্তম যশোর ও কুষ্টিয়া জেলার খরিপ মৌসুমে অর্থাৎ রোপা আমন মৌসুমে সেচ প্রদান করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- মুহুরী প্রকল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে মুহুরী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- তিস্তা সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯০ সালে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৭ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৯,৩৬০.
নিচের কোনটি বাঁধাকপি - এর উন্নতজাত?
  1. ক) রূপালি
  2. খ) ডায়মন্ড
  3. গ) ম্যানিলা
  4. ঘ) ক্লিউপেট্রা
  5. ঙ) রুবি বল
সঠিক উত্তর:
ঙ) রুবি বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) রুবি বল
ব্যাখ্যা
আগাম জাত লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে কে কে ক্রস এবং এক্সপ্রেস ক্রস জাত দুটি।
মধ্যম সময়ের উপযোগী জাত হল কে ওয়াই ক্রয়, এটলাস ৭০, টোকিও প্রাইড, গ্রীন এক্সপ্রেস, প্রভাতী ইত্যাদি।
আর দেরীতে লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে এটলাস ৭০, লিও ৮০, সেভয়, রুবি বল, ড্রাম হেড ইত্যাদি।
এ দেশের আবহাওয়ায় বীজ উৎপাদন করতে চইলে করতে হবে বারি বাঁধাকপি ২ (অগ্রদূত), ইপসা বাঁধাকপি ১।
সমপ্রতিক আমদানীকৃত হাইব্রিড জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সামার ওয়ারিয়র এফ ১, লরেন্স এফ ১, গ্রীন ৬২১ এফ ১, সামার ষ্টার এফ ১, গ্রীন কর্নেট এফ ১, অটাম কুইন এফ ১, সুপার ট্রপিক এফ ১, সামার বয় এফ ১, গ্রীন বল ৪০ এফ ১, সুপ্রিম কুইন এফ ১ ইত্যাদি।
কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) -এর ওয়েবসাইট।
৯,৩৬১.
ভিজিডি কর্মসূচির উপকারভোগী মূলত কারা?
  1. এতিম শিশু
  2. দুঃস্থ মহিলা
  3. দুঃস্থ ও গরীর জনগণ
  4. কর্মহীন পুরুষ
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থ মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থ মহিলা
ব্যাখ্যা

ভিজিডি কর্মসূচি:
- এটি একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি।
- দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি, তাদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা।
- ভিজিডি’ কর্মসূচি দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা।
খাদ্য বরাদ্দ- ৪৮৮ টি উপজেলার ভিজিডি উপকারভোগীকে মাসে ৩০কেজি হারে প্রাপ্যতার সাপেক্ষে গম/চাল এবং ৩টি পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলায় মাথাপিছু ৩০ কেজি হারে আতপ চাল বিতরণ করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৩৬২.
What is the secondary market concerned with?
  1. ক) labor market
  2. খ) job market
  3. গ) Agricultural market
  4. ঘ) stock market
সঠিক উত্তর:
ঘ) stock market
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) stock market
ব্যাখ্যা
• স্টক এক্সচেঞ্জ:
• সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:

- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
-  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে - ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
৯,৩৬৩.
যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় কবে?
  1. ৯ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
  2. ১৪ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
  4. ২৩ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৪ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ নভেম্বর, ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:

- ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত ৪টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো,
• আওয়ামী লীগ।
• কৃষক শ্রমিক পার্টি।
• নেজামে ইসলাম।
• গণতন্ত্রী দল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রধানত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন।
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় ৯টি আসন। পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস ২৪টি, তফসিল ফেডারেশন ২৭টি, খেলাফতে রব্বানী ২টি, খ্রিস্টান ১টি, বৌদ্ধ ১টি, কম্যুনিস্ট পার্টি ৪টি আসন লাভ করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৬৪.
কোন উপজাতি সম্প্রদায় 'ককবরক' ভাষায় কথা বলে?
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. ত্রিপুরা
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
উপজাতি:
- ককবরক ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষা। এর অর্থ মানুষের ভাষা।
- এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। বাংলা ও রোমান হরফে লেখা হয়।
- ককবোরক ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সরকারি ভাষা।

অন্যদিকে,
- কুঁড়ুখ ও সাদরি ভাষা : ওঁরাও নৃ-গোষ্ঠী।
- মুন্ডারি ভাষা : মুন্ডা নৃ-গোষ্ঠী ।
- আচিক খুসিক : গারো নৃ-গোষ্ঠী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,৩৬৫.
২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়- 
  1.  ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৭ সালে
  2.  ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে
  3.  ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  4.  ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
 ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

• ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
 
• আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: 
- ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়। 
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

৯,৩৬৬.
সম্প্রতি বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা যে ফলের জীবন রহস্য উন্মোচন করেন?
  1. ক) কাঁঠাল
  2. খ) আম
  3. গ) কলা
  4. ঘ) ড্রাগন
সঠিক উত্তর:
ক) কাঁঠাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাঁঠাল
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা যে ফলের জীবন রহস্য উন্মোচন করেন – কাঁঠাল
- কাঁঠালের জীবন রহস্য উন্মোচনের গবেষণায় নেতৃত্ব দেন – বিজ্ঞানী অধ্যাপক তোফাজ্জল ইসলাম।
- জাতীয় ফল কাঁঠালের মুকুল আসে জানুয়ারিতে। পরিপক্ব কাঁঠাল আসে আরও দুই-তিন মাস পরে।
- কিন্তু বছর তিনেক আগে খাগড়াছড়ির রামগড়ের চা–বাগানে বারো মাস ফলন দেয়, এমন এক জাতের কাঁঠালের সন্ধান পান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা।
- এখন দেশি-বিদেশি বিজ্ঞানীরা এই জাতের কাঁঠালের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছেন।
- নতুন জাতের এই কাঁঠালের নাম ‘বারি-৩’ দিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এই জাতের কাঁঠালগাছ যাতে সারা দেশে হয়, ফল দেয়, সেই লক্ষ্যে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেছেন।
- গবেষণার ফলাফল চলতি মাসে ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন প্ল্যান্ট সায়েন্স’ নামের একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
- গবেষণার পরের ধাপ হিসেবে রপ্তানিযোগ্য ও সহজে সংরক্ষণ করা সম্ভব এমন জাতের কাঁঠাল উদ্ভাবনে গবেষকেরা কাজ করছেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
৯,৩৬৭.
'স্টেপস' ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম-
  1. নভেরা আহমেদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. আবদুল্লাহ খালেদ
  4. সুলতানুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের হামিদুজ্জামান খান ভাস্করের শিল্পকর্ম 'স্টেপস' ভাস্কর্যটি প্রদর্শনীতে স্থান পায়। 

--------------------- 
• হামিদুজ্জামান খান:
- একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন- হামিদুজ্জামান খান।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."

• অলিম্পিকে বাংলাদেশ:
- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামে।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

উৎস: Bengal Foundation, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯।
৯,৩৬৮.
উত্তরণ কোন ফসলের জাত?
  1. সরিষা
  2. ভুট্টা
  3. টমেটো
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
উত্তরণ হলো ভুট্টার একটি জাত।
ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- মোহর
- শুভ্রা
- বর্ণালি
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৯,৩৬৯.
ওরাওঁ জনগােষ্ঠী কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. ক) বরগুনা-পটুয়াখালী
  2. খ) রাঙামাটি-বান্দরবান
  3. গ) ময়মনসিংহ-হবিগঞ্জ
  4. ঘ) রংপুর-দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রংপুর-দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রংপুর-দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ওরাও:
- ওরাও বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- ওরাও নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
- ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
- এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৯,৩৭০.
অর্থকারী ফসল নয় কোনটি?
  1. ক) তামাক
  2. খ) যব
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) পাট
সঠিক উত্তর:
খ) যব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যব
ব্যাখ্যা
• খাদ্য শস্য (Food Crops):
- খাদ্যশস্য বলতে সে সব কৃষিজাত পণ্যকে বুঝায় যা মানুষের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: ধান, গম, যব, ভুট্টা, আলু ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রদান খাদ্য শস্য।

• অর্থকরী ফসল (Cash Crops):
- অর্থকরী শস্য বা ফসল বলতে সেসব শস্য বা ফসলকে বুঝায় যা মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপন্ন করা হয়।
-যেমন: পাট, তুলা, তামাক, চা ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রধান অর্থকলা ফসল।

• তবে ব্যবহারের তারতম্য অনুযায়ী কতকগুলো শস্যকে খাদ্যশস্যে অথবা অর্থকরী ফসল উভয় শ্রেণীভুক্ত করা হয়। যেমন- চা, ইক্ষু, নারিকেল, সরিষা ইত্যাদি। তেমনি কোন একটি নির্দিষ্ট শস্য কোন একটি দেশের জন্য খাদ্যশস্য হিসাবে, আবার কোন দেশের জন্য অর্থকরী ফসল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ কোন শস্য যখন কোন দেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা মেটায় তখন তাকে খাদ্য শস্য এবং কোন দ্রব্য যখন যখন মুনাফা অর্জনের জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন করা হয় তখন তাকে অর্থকরী শস্য বলা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৭১.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপন্ন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।

৯,৩৭২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৭ (ক)
  2. অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
  3. অনুচ্ছেদ ৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭খ:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে।]

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:

- অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক:সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৩৭৩.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ কে?
  1. ক) শংকু সমজদার
  2. খ) রগু পাল
  3. গ) আলী হোসেন
  4. ঘ) রোকন মিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) শংকু সমজদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শংকু সমজদার
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ:
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ রংপুরে প্রথম শহীদ হয়েছিলেন শংকু সমজদার।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে মহান মুক্তিযুদ্ধের ‘প্রথম শহীদ কিশোর’ শংকু সমজদার। যার রক্তে রক্তাক্ত হয়েছিল রংপুরের মাটি।

- একাত্তরের ৩ মার্চ পূর্ব ঘোষিত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন হওয়ায় কথা থাকলেও হঠাৎ করেই কোন কারণ ছাড়া পাকিস্তানী শাসক প্রধান ইয়াহিয়া খান ১ মার্চ তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন।
- এই হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানায় ৭০’র নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া আওয়ামী লীগসহ সারা বাংলার মানুষ।
- ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সারাদেশে হরতাল ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু।
- রংপুরেও হরতাল পালিত হয়। সেই অসহযোগ আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন ১২ বছর বয়সী কিশোর শঙ্কু সমজদার। 

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার (৩ মার্চ, ২০২৩)
৯,৩৭৪.
জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) আনোয়ারা
  2. খ) আড়াইহাজার
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) মিরসরাই
সঠিক উত্তর:
খ) আড়াইহাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আড়াইহাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল – আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল – আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মংলা (বাগেরহাট)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – কুষ্টিয়া।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট)
৯,৩৭৫.
বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য-
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য ১১টি।
যথা-
১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
২. ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
৩. ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪. ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
৫. রাজশাহী সিল্ক (২০২১),
৬. রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১),
৭. নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১),
৮. দিনাজপুরের কাটারিভোগ, (২০২১),
৯. বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১),
১০. বাগদা চিংড়ি (২০২২) ও
১১. ফজলি আম (২০২২)।

৯,৩৭৬.
বড় কাটরা ও ছোট কাটরা ঢাকা শহরের কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সদরঘাট
  2. খ) লালবাগ
  3. গ) চকবাজার
  4. ঘ) ইসলামপুর
সঠিক উত্তর:
গ) চকবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চকবাজার
ব্যাখ্যা
- বড় কাটরা ও ছোট কাটরা ঢাকা শহরের চকবাজার এলাকায় অবস্থিত।
- ছোট কাটরা হলো পুরাতন ঢাকার একটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুরান ঢাকার চকবাজারের হাকিম হাবিবুর রহমান লেনে অবস্থিত।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৪ সালের দিকে এটি নির্মাণ করেন।
- এটির পাশেই শাহ সুজা নির্মিত হয় বড় কাটরা (১৬৪৪ খ্রি.) অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৩৭৭.
বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান সেনাপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- এই সংবিধানের অধীনে অভিশংসন মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৩৭৮.
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. নবাব আলীবর্দী খান
  3. নবাব আকবর খান
  4. মুর্শিদ কুলি খান
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা

নবাব মুর্শিদ কুলি খান:
- মুর্শিদ কুলি খান (১৭০০-১৭২৭) বাংলায় নওয়াবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ কুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- তিনি ঢাকা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।

অন্যদিকে -
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব।
- আলীবর্দী খান (১৬৭৬-১৭৫৬) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নওয়াব (১৭৪০-১৭৫৬)।
- ইলিয়াস শাহ বাংলাদেশে ইলিয়াস শাহী রাজবংশ-এর প্রথম শাসক।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

৯,৩৭৯.
২০২৫-২৬ সালের বাজেটের আকার-
  1. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
  2. ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
  3. ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
  4. ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
ব্যাখ্যা

 • বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ অর্থ মন্ত্রণালয়।

৯,৩৮০.
বর্তমানে দেশে মোট কয়টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন: 
- বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন ১২টি।
- সর্বশেষ ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন ।
- প্রস্তাবিত সিটি সিটি কর্পোরেশন - ফরিদপুর সিটি সিটি কর্পোরেশন।
- ঢাকা বিভাগের অধীনে - ৪ টি এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অধীনে - ২ টি সিটি সিটি কর্পোরেশন  রয়েছে।

সূত্র-  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।  
৯,৩৮১.
কোনটি মারী চুক্তির বিষয়বস্তু নয়?
  1. ক) পাকিস্তানে দুটি প্রদেশ থাকবে
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা
  3. গ) বাংলা ও উর্দু উভয়ই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে
  4. ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান দ্বিতীয় গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৫৫ সালের ৭ জুলাই পশ্চিম পাকিস্তানের মারীতে।
- দ্বিতীয় গণপরিষদ সদস্যগণ সংবিধান প্রণয়ন সম্পর্কে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, যা মারী চুক্তি' নামে খ্যাত।

এ চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল নিম্নরুপ - 
১. পাকিস্তানে দুটি প্রদেশ থাকবে। একটি গঠিত হবে ‘পূর্ব বাংলা' নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান’ নামে এবং পশ্চিম পাকিস্তানের সকল প্রদেশকে নিয়ে একটি ইউনিট গঠিত হবে এবং এর নাম হবে ‘পশ্চিম পাকিস্তান।
২. প্রদেশ দুটিতে পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হবে।
৩. উভয় প্রদেশে সংখ্যাসাম্য নীতি’ (Principle of Parity) অনুসরণ ও কার্যকর করা হবে।
৪. যুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
৫. বাংলা ও উর্দু উভয়ই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে ।

- মারী চুক্তির ফলে পাকিস্তানের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়নের সুযােগ সৃষ্টি হয়।
- ছয় দফার তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।

তথসুত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
৯,৩৮২.
প্রাচীন বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ অত্যন্ত প্রাচীন জনপদ।
- সম্ভবত আর্যযুগের আগে বা শুরুতে (খ্রি. পৃ. ১৫০০-৬০০) বঙ্গ জাতি এ ভূখন্ডের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে জনপদ-রাষ্ট্র তৈরি করে। 
- মহাভারতে ও রামায়ণে শক্তিশালী বঙ্গ রাজ্যের কথা উল্লেখ আছে।
- কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে বঙ্গরাজ ও বঙ্গসেনাদের অসীম সাহসের কথা বলা আছে।
- বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে বঙ্গজনপদ অবস্থিত ছিল।
- পশ্চিমে করতোয়া নদী, উত্তর-পূর্বে ব্রহ্মপুত্র প্রবাহিত হয়েছে।
- বৃহত্তর বগুড়া, পাবনা, ময়মনসিংহ জেলার পশ্চিমাঞ্চল, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালির কিয়দংশ নিয়ে বঙ্গ গঠিত হয়েছিল।
- এখানে যারা বসবাস করত তাদের 'বঙ্গ' জনগোষ্ঠী বলা হত।
- 'বঙ্গ' থেকে বাঙালি জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৩৮৩.
আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করে কবে?
  1. ক) ৩৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  2. খ) ৩৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  3. গ) ৩২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  4. ঘ) ৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
ব্যাখ্যা
গ্রিক বীর আলেকজান্ডার ছিলেন গ্রিসের উত্তরে অবস্থিত ম্যাসিডোন রাজ্যের সম্রাট। পারস্য অধিকার করে তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে ভারত আক্রমণ করেন। ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল জয়ের পর তিনি ৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ভারতের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। ভারত অভিযান শেষে ফিরে যাবার পথে ব্যাবিলনে তার মৃত্যু হয়।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৯,৩৮৪.
'Bangal Today' - গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ঘ) শেখ হাসিনা
সঠিক উত্তর:
খ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
'Bangal Today' - গ্রন্থের রচয়িতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
৯,৩৮৫.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২২ তথ্য অনুযায়ী, স্থির মূল্যে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান কত?
  1. ক) ৯.৩০%
  2. খ) ১৩.২০%
  3. গ) ১১.৫০%
  4. ঘ) ১৪.৪০%
সঠিক উত্তর:
গ) ১১.৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১.৫০%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২২ তথ্য অনুযায়ী,

- স্থির মূল্যে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান: ১১.৫০%
-  স্থির মূল্যে জিডিপিতে শস্য খাতের অবদান: ৫.৩৭%
- মোট পরিবার/খানা: ৩,৫৫,৫২,২৯৬টি
- মোট কৃষি পরিবার/খানা: ১,৬৮,৮১,৭৫৭টি
- কৃষি বর্হিভূত পরিবার/খানা: ১,৮৬,৭০,৫৩৯টি 
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
- মোট সেচকৃত জমি: ৭৮.৭৯ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। 
৯,৩৮৬.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘জয় বাংলা’ এর পরিচালক-
  1. ক) তারেক মাসুদ
  2. খ) এফ আই মানিক
  3. গ) কাজী হায়াৎ
  4. ঘ) সোহানুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) কাজী হায়াৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাজী হায়াৎ
ব্যাখ্যা
• ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২ মুক্তি পাওয়া মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘জয় বাংলা’ এর পরিচালক কাজী হায়াৎ

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৯,৩৮৭.
সংসদের “বিশেষ অধিকার কমিটি” কোন ধরনের কমিটি?
  1. ক) সাংবিধানিক অস্থায়ী কমিটি
  2. খ) স্পিকারের ইচ্ছায় মাঝে মধ্যে গঠিত কমিটি
  3. গ) সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি
  4. ঘ) বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবেলা কমিটি
সঠিক উত্তর:
গ) সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি
ব্যাখ্যা

সংসদের “বিশেষ অধিকার কমিটি” হল সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি।
বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদে মোট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৫০টি।
এর মধ্যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩৯টি।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া

৯,৩৮৮.
বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন -
  1. ক) শাহ আব্দুল হামিদ
  2. খ) আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  3. গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ঘ) আবু সাইদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ক) শাহ আব্দুল হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাহ আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পীকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী।

উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৩৮৯.
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মাটিতে কোন মৌসুমে লবণাক্ততা বেড়ে যায়?
  1. বর্ষা মৌসুমে
  2. শুষ্ক মৌসুমে
  3. সারা বছর
  4. উপরের কোনটিইই নয়
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক মৌসুমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক মৌসুমে
ব্যাখ্যা
ফসল উৎপাদনে লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রভাব:
- বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদ-নদীর পানি প্রবাহ শুকনো মৌসুমে স্বাভাবিক মাত্রায় থাকেনা।
- ফলে নদীর পানির বিপুল চাপের কারণে সমুদ্রের লোনা পানি যতটুকু এলাকা জুড়ে আটকে থাকার কথা ততটুকু থাকেনা, পানির প্রবাহ কম থাকার কারণে সমুদ্রের লোনা পানি স্থলভাগের কাছাকাছি চলে আসে।
- ফলে লবণাক্ততা বেড়ে বেড়ে যায় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিপুল এলাকায়।

⇒ লোনা পানির অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের একটি মারাত্মক সমস্যা।
- গবেষণায় দেখা গেছে যে, একটা সময় পরে আমাদের দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলো সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবে এবং লবণাক্ত হয়ে পড়বে।
- ফলে সেখানে স্বাভাবিক ফসল ফলানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
- সাম্প্রতিক সময়ে মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা ইনষ্টিটিউট এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, দেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ১০ লাখ হেক্টর জমি ফসল চাষের উপযুক্ততা হারিয়েছে, ভবিষ্যতে লবণাক্ত অঞ্চলের পরিমান আরও বাড়বে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৯০.
বাংলাদেশ সম্প্রতি কোন কোন দেশের সাথে যুক্ত হয়ে ত্রিপক্ষীয় জোট গঠন করে? [জুন, ২০২৫]
  1. ভারত ও ভুটান
  2. নেপাল ও ভুটান
  3. চীন ও নেপাল
  4. চীন ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ত্রিপক্ষীয় জোট:
- চীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় একটি জোট গঠন করা হয়েছে। 

⇒ চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে এই তিন দেশের ভাইস মিনিস্টার ও পররাষ্ট্র সচিবদের মধ্যে বৈঠকে এই জোট গঠিত হয়।
- প্রাথমিকভাবে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই তিন দেশ কাজ করবে।
- ১৯ জুন, ২০২৫ তারিখে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে চীনের ভাইস ফরেন মিনিস্টার সান উইডং, বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী, পাকিস্তানের অতিরিক্ত সচিব (এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল) ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী অংশগ্রহণ করেন। 
- চীন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবিকার উন্নয়নের প্রতি ফোকাস করে।
- শিল্প, বাণিজ্য, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স, পানিসম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, মানবসম্পদ, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং যুব প্রভৃতি খাতে পরস্পরকে সহযোগিতা করবে।

উৎস: BBC.
৯,৩৯১.
রেলপথের স্লিপার তৈরিতে কোন বনজ সম্পদ ব্যবহৃত হয়?
  1. গর্জন
  2. সেগুন
  3. শীল
  4. গামারি
সঠিক উত্তর:
গর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্জন
ব্যাখ্যা
গর্জন:
- সুতাগোলা বা লেকুয়া গর্জন  স্থানীয়ভাবে লাইসা গর্জন নামেও পরিচিত। গাছটি মহাবিপন্ন।
- চিরসবুজ লেকুয়া গর্জন সাধারণত ১২ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে।
- এ গাছের কাঠ প্রধানত নির্মাণকাজ, তক্তা ও ঘরের খুঁটি তৈরিতে ব্যবহার্য।
- কাঠে সূক্ষ্ম বুনন থাকায় কাপড় বোনার মাকু, সুতা রাখার ববিন এবং গণিত শাস্ত্রের যন্ত্রাদি তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত।
- রেলপথের স্লিপার হিসেবেও এই কাঠ বেশি ব্যবহার করা হতো।
-  তা ছাড়া এ গাছের বাকল ও কাঠ থেকে প্রাপ্ত রেজিন ধূপ হিসেবে ব্যবহার করে তামাকপাতার সুগন্ধি করা হয়।
- রেকর্ড অনুযায়ী এই গাছ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের চিরহরিৎ অরণ্যে জন্মে।

উৎস: ৮ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো। 
৯,৩৯২.
বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি দিবস হিসাবে পালন করা হয় কোন দিনটিকে?
  1. ক) ১ কার্তিক
  2. খ) ১ ফাল্গুন
  3. গ) ১ অগ্রহায়ণ
  4. ঘ) ১ বৈশাখ
সঠিক উত্তর:
গ) ১ অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১ অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি দিবস ১ অগ্রহায়ণ বা ১৫ নভেম্বর।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম 'দত্তনগর কৃষি খামার' অবস্থিত- ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায়।
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত জেলা বরিশাল।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষি জাদুঘর অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
- কৃষি কল সেন্টারের নাম্বার: ১৬১২৩।
৯,৩৯৩.
কোন ধরনের বাংলা গানকে ইউনেস্কো Heritage of Humanity অভিধায় ভূষিত করেছে?
  1. জারি গান
  2. পালা গান
  3. বাউল গান
  4. রবীন্দ্র সংগীত
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
ব্যাখ্যা

• বাউল সংগীত:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কাজ করে আসছে।
- পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী বিএনসিইউ এর চেয়ারম্যান ।

- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

৯,৩৯৪.
কোন প্রেক্ষাপটে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৬ সালের বঙ্গীয় আইনসভা নির্বাচন
  2. খ) ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  3. গ) ১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন
  4. ঘ) ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী মুসলিম লীগের উদ্যোগে পূর্ব বাংলার ৪টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে রাজনৈতিক জোট গঠিত হয়।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- মাওলানা ভাসানী নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন কৃষক-শ্রমিক পার্টি, মাওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজাম-ই-ইসলামী এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ নেতৃত্বাধীন বামপন্থী গণতন্ত্রী দলের সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- নির্বাচনে মোট ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- মুসলিম লীগ ৯টি আসন লাভ করে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- নির্বাচনকে ঘিরে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৩৯৫.
দেশের একমাত্র কৃত্রিম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র
- চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙ্গামাটি জেলার অন্তর্গত কাপ্তাই উপজেলায় নির্মিত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ।
- ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের বিদ্য্যুতের চাহিদা পূরণের জন্য, কর্ণফুলী নদীর উপর বাঁধ দিয়ে, এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই সূত্রে তৈরি হয়েছিল কৃ্ত্রিম কাপ্তাই হ্রদ।
- ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তদানীন্তন পাকিস্তান সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু করে ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে নির্মাণ শেষ হয়। এই সময় ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ ও ৫৪.৭ মিটার উচ্চতার এ বাঁধটি নির্মাণ করে। এ বাঁধের পাশে ১৬টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দীর্ঘ একটি পানি নির্গমন পথ বা স্প্রিলওয়ে রাখা হয়েছে। এ স্প্রিলওয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৫ লাখ ২৫ হাজার কিউসেক ফিট পানি নির্গমন করতে পারে। 
-  ১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
- এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া।  
৯,৩৯৬.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বহনকারী রকেট কোনটি?
  1. ফ্যালকন ৬
  2. ফ্যালকন ৭
  3. ফ্যালকন ৮
  4. ফ্যালকন ৯
সঠিক উত্তর:
ফ্যালকন ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যালকন ৯
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৯,৩৯৭.
বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) প্রধান কাজ কী?
  1. বাজেট তৈরি
  2. কর আদায়
  3. মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ
  4. ঋণ নিয়ন্ত্রন
সঠিক উত্তর:
কর আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর আদায়
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: 
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
-  প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
-  অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত্ বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

৯,৩৯৮.
ত্রিশক্তি সংঘর্ষে বাংলার পাল বংশের প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. গোপাল
  2. দেবপাল
  3. ধর্মপাল 
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল 
ব্যাখ্যা

- ধর্মপাল (৭৮১–৮২১ খ্রি.) পিতার মৃত্যুর পর বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- পাল রাজাদের মধ্যে তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
- তিনি বাংলা ও বিহারে পাল শাসনের শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন।
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ভাগলপুরের পূর্বদিকে তিনি বিক্রমশীল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর দ্বিতীয় নাম বিক্রমশীল হওয়ায় বিহারটির নামকরণ এভাবে হয়।
- রাজশাহীর পাহাড়পুরে সোমপুর বৌদ্ধবিহারও তিনি প্রতিষ্ঠা করেন।
- নিজে বৌদ্ধ হলেও হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মের প্রতি উদার ছিলেন।
- একজন ব্রাহ্মণকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদে নিয়োগ দেন।
- ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন।

• ত্রি-শক্তি সংঘর্ষ:
- অষ্টম শতাব্দীর শেষ দিকে উত্তর ভারত অধিকার করার জন্য তিনটি শক্তিশালী বংশের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়:
- বাংলার পাল বংশ।
- রাজপুতনার গুর্জর-প্রতীহার বংশ।
- দক্ষিণ ভারতের রাষ্ট্রকুট বংশ।
- ত্রিশক্তি সংঘর্ষে বাংলার পাল বংশের  প্রতিনিধিত্ব করেন- রাজা ধর্মপাল।
- প্রথম যুদ্ধ হয় ধর্মপাল ও প্রতীহার বংশের বৎসরাজের মধ্যে; এই যুদ্ধে ধর্মপাল পরাজিত হন।
- পরে দক্ষিণ থেকে রাষ্ট্রকুট রাজা ধ্রুব ধারাবর্ষ এসে বৎসরাজ ও ধর্মপালকে পরাজিত করেন।
- ত্রিশক্তি সংঘর্ষে ধর্মপাল পরাজিত হলেও বিশেষ ক্ষতি হয়নি, কারণ বিজয়ের পর রাষ্ট্রকুট রাজ দক্ষিণে ফিরে যান।
- ধর্মপাল কনৌজ অধিকার করেন এবং বারাণসী ও প্রয়াগ জয় করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৯৯.
ইক্ষু উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) জামালপুর
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) পাবনা
সঠিক উত্তর:
খ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাটোর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুসারে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট ইক্ষু উৎপাদনের পরিমাণ : ৩৩.৩২ লক্ষ মে. টন।

ইক্ষু উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : নাটোর (৯.৬৮ লক্ষ মে.টন)
- দ্বিতীয় : রাজশাহী (৩.২১ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : জামালপুর (২.১৪ লক্ষ মেট্রিক টন)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
৯,৪০০.
প্রথম নলেজ পার্ক কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয়?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বেগম রোকেয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- ভারতীয় সরকারের ঋণসহায়তায় গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে দেশের প্রথম নলেজ পার্কের নির্মাণ কাজ। 
- উৎপাদন শিল্পে ছোট প্রযুক্তির ব্যাবহার নিশ্চিতকরণ ও শিল্পবর্জ্যকে কমিয়ে আনতে উন্নত গবেষণা ও প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে চার একর জায়গা বেষ্টিত এ পার্কের নির্মাণ কাজের জন্য ব্যায় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৭০ কোটি টাকা।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে এক হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে এবং এখানে তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উৎস: আমাদের সময়, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।