উত্তর
ব্যাখ্যা
- গানটির গীতিকার ছিলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার।
- গানটি হিন্দুস্তান রেকর্ডে রেকর্ড করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৯৪ / ৩০৬ · ৯,৩০১–৯,৪০০ / ৩০,৮৩২
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহকে হত্যা করে গৌড়ের সিংহাসনে বসেন। তাঁর পাঁচ বছরের রাজত্বকালে উল্লেখযোগ্য ঘটনা আফগান নেতা শেরশাহ শূরের সাথে সংঘর্ষ।
অবশেষে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহ গৌড় দখল করে বাংলায় আফগানি শাসনের সূত্রপাত করেন।
১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে যে স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেছিলেন ১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলায় দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।
- সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।
- ৫৬(৩): যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।
- ৯৫(১): প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
• ট্রেজারি বেঞ্চ:
- ট্রেজারি বেঞ্চ হলো সংসদের সামনের সারির আসন যেখানে সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ বসেন।
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
⇒ বাংলাদেশে মোট ৫ বার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
♦ জরুরি অবস্থা:
→ সাধারণভাবে বলা যায় জরুরি অবস্থা বলতে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থে কোনো আকস্মিক সংকটকালীন অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য কতিপয় মৌলিক অধিকারের উপর বাধানিষেধ আরোপ করা বোঝায়।
→ ১৯৭৩ সালে ২য় সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরী অবস্থার বিধান সংযুক্ত করা হয় ।
→ এ সংবিধানের ১৪১(ক), ১৪১(খ) ও ১৪১(গ) অনুচ্ছেদের আওতায় দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।
→ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫ বার জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে। যথা ⎯
১. ১৯৭৪ সালের ২৮শে ডিসেম্বর ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা মোকাবেলা করার জন্য জরুরী অবস্থা জারি করা হয়।
২. জিয়াউর রহমান খুন হলে উপ-রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হয়ে ১৯৮১ সালের ৩০শে মে জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৩. ১৯৮৭ সালের ২৭শে নভেম্বর জেনারেল এরশাদ জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৪. ১৯৯০ সালের ২৭শে নভেম্বর জেনারেল এরশাদ দ্বিতীয়বার জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৫. ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ জরুরী অবস্থা জারি করেন। এই দিনটি ১/১১ নামে পরিচিত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে মন্ত্রিসভার সদস্যরা হলেন:
• এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন।
• শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, ঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন।
• আবু হোসেন সরকার অর্থ।
• আতাউর রহমান খান বেসামরিক সরবরাহ;
• আবুল মনসুর আহমদ জনস্বাস্থ্য
• কফিল উদ্দিন চৌধুরী বিচার ও আইন
• সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা ও রেজিস্ট্রেশন
• আবদুস সালাম খান শিল্প ও পূর্ত
উৎস: বাংলাপিডিয়া
ওরা ১১ জন (১৯৭২):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা।
- বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।
উল্লেখ্য,
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩)- এটির নির্মাতা আলমগীর কবির।
- 'হুলিয়া' স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো।
• Blue Sign:
- Blue Sign হলো পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবান্ধব সার্টিফিকেশন।
- এটি পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ, টেকসই এবং মানবিক মানদণ্ডে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করে।
- Blue Sign শুধুমাত্র পণ্যের মান নয় - এর উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ ও পর্যবেক্ষণ করে।
- যেমন:
• রাসায়নিক ব্যবহার,
• পরিবেশগত প্রভাব
• পানি ও শক্তি সাশ্রয়,
• বর্জ্য ব্যবস্থাপনা - সবই কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করে।
উল্লেখ্য,
- যে পণ্যগুলো Blue Sign স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে, সেগুলোর ওপর “Blue Sign Approved” বা “Blue Sign PRODUCT” লেবেল দেওয়া হয়।
- এই সার্টিফিকেশন ক্ষতিকর রাসায়নিক পরিহারে সাহায্য করে, পরিবেশ দূষণ কমায় এবং কর্মী ও ভোক্তা—দু’পক্ষের জন্যই নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে।
উৎস: Blue Sign Official Website.
লর্ড মেয়ো:
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ থেকে ১৮৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল।
- তাঁর নাম রাখা হয় রির্চাড সাউথওয়েল বুর্ক।
- তাঁর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি (১৮৭০) শুরু হয়।
- তিনি দেশে পরিসংখ্যান জরিপের ব্যবস্থা করেন এবং কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ সৃষ্টি করেন।
অন্যদিকে,
- লর্ড ক্যানিং ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- ১৮৬১ সালে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেন।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
- চার্লস উড শিক্ষা বিষয়ে ১৮৫৪ সালে যে সুপরিশমালা পেশ করেন তা কার্যকর করা হয় তার সময়ে।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
- বাংলাদেশে উৎপাদনভিত্তিক জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সর্বাধিক।
অর্থনীতি/জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান :
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।
→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
উল্লেখ্য,
→ সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং সমসাময়িক জিডিপি সমীক্ষা।
বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন',
- ১৮ নং অনুচ্ছেদে 'জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা',
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে 'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা',
- ২৩ক নং অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
ভিজিডি কর্মসূচি:
- এটি একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি।
- দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি, তাদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা।
- ভিজিডি’ কর্মসূচি দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা।
- খাদ্য বরাদ্দ- ৪৮৮ টি উপজেলার ভিজিডি উপকারভোগীকে মাসে ৩০কেজি হারে প্রাপ্যতার সাপেক্ষে গম/চাল এবং ৩টি পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলায় মাথাপিছু ৩০ কেজি হারে আতপ চাল বিতরণ করা।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
• আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।
উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য ১১টি।
যথা-
১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
২. ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
৩. ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪. ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
৫. রাজশাহী সিল্ক (২০২১),
৬. রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১),
৭. নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১),
৮. দিনাজপুরের কাটারিভোগ, (২০২১),
৯. বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১),
১০. বাগদা চিংড়ি (২০২২) ও
১১. ফজলি আম (২০২২)।
নবাব মুর্শিদ কুলি খান:
- মুর্শিদ কুলি খান (১৭০০-১৭২৭) বাংলায় নওয়াবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ কুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- তিনি ঢাকা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।
অন্যদিকে -
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব।
- আলীবর্দী খান (১৬৭৬-১৭৫৬) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নওয়াব (১৭৪০-১৭৫৬)।
- ইলিয়াস শাহ বাংলাদেশে ইলিয়াস শাহী রাজবংশ-এর প্রথম শাসক।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ অর্থ মন্ত্রণালয়।
সংসদের “বিশেষ অধিকার কমিটি” হল সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি।
বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদে মোট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৫০টি।
এর মধ্যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩৯টি।
সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া
• বাউল সংগীত:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কাজ করে আসছে।
- পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী বিএনসিইউ এর চেয়ারম্যান ।
- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত্ বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
- ধর্মপাল (৭৮১–৮২১ খ্রি.) পিতার মৃত্যুর পর বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- পাল রাজাদের মধ্যে তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
- তিনি বাংলা ও বিহারে পাল শাসনের শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন।
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ভাগলপুরের পূর্বদিকে তিনি বিক্রমশীল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর দ্বিতীয় নাম বিক্রমশীল হওয়ায় বিহারটির নামকরণ এভাবে হয়।
- রাজশাহীর পাহাড়পুরে সোমপুর বৌদ্ধবিহারও তিনি প্রতিষ্ঠা করেন।
- নিজে বৌদ্ধ হলেও হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মের প্রতি উদার ছিলেন।
- একজন ব্রাহ্মণকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদে নিয়োগ দেন।
- ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন।
• ত্রি-শক্তি সংঘর্ষ:
- অষ্টম শতাব্দীর শেষ দিকে উত্তর ভারত অধিকার করার জন্য তিনটি শক্তিশালী বংশের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়:
- বাংলার পাল বংশ।
- রাজপুতনার গুর্জর-প্রতীহার বংশ।
- দক্ষিণ ভারতের রাষ্ট্রকুট বংশ।
- ত্রিশক্তি সংঘর্ষে বাংলার পাল বংশের প্রতিনিধিত্ব করেন- রাজা ধর্মপাল।
- প্রথম যুদ্ধ হয় ধর্মপাল ও প্রতীহার বংশের বৎসরাজের মধ্যে; এই যুদ্ধে ধর্মপাল পরাজিত হন।
- পরে দক্ষিণ থেকে রাষ্ট্রকুট রাজা ধ্রুব ধারাবর্ষ এসে বৎসরাজ ও ধর্মপালকে পরাজিত করেন।
- ত্রিশক্তি সংঘর্ষে ধর্মপাল পরাজিত হলেও বিশেষ ক্ষতি হয়নি, কারণ বিজয়ের পর রাষ্ট্রকুট রাজ দক্ষিণে ফিরে যান।
- ধর্মপাল কনৌজ অধিকার করেন এবং বারাণসী ও প্রয়াগ জয় করেন।
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।