বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ৩০৬ · ৮০১৯০০ / ৩০,৮৩২

৮০১.
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান:

- ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত।
- এর মোট আয়তন ৫০২২ হেক্টর।
- এটি ঢাকা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়।
- এটি একটি ক্রান্তিয়, আদ্র পর্ণমোচী বৃক্ষের বন।

তথ্যসূত্র - বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৮০২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত 'জয়বাংলা পত্রিকা'র সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি কে ছিলেন?
  1. আব্দুল মান্নান
  2. আব্দুল রাজ্জাক
  3. জিল্লুর রহমান
  4. আলী জাকের
সঠিক উত্তর:
আব্দুল মান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল মান্নান
ব্যাখ্যা
জয়বাংলা পত্রিকা:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করা হয়।
- গণমাধ্যম হিসেবে মূল্যবান অবদান রেখেছে এসব পত্র-পত্রিকা।
- সে সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় 'সাপ্তাহিক জয়বাংলা'।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
- ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হয়। 

উল্লেখ্য,
- বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার Bangladesh (বাংলাদেশ) নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে।
- গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ সমরসহ মুক্তিযোদ্ধাদের নানা ধরনের তৎপরতার খবরের পাশাপাশি এই পত্রিকাগুলোতে থাকতো বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠন ও আন্দোলনের খবর এবং বাঙালি কুটনীতিকদের কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৩.
স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে প্রথম কৃষি শুমারি কখন হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি হয়।
- ২০১৯ সালে সর্বশেষ কৃষি শুমারি হয়
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা হয়। 
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি আদম শুমারি ও গৃহগণনা শুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৮০৪.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

-  বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে চীন।

দেশভিত্তিক আমদানি:

- মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে: চীন থেকে।
- চীন থেকে আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে: ভারত (১৩.৪২%)।
- তৃতীয় অবস্থানে: যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৮০৫.
অষ্টম সংশোধনীতে সংবিধানের ৩০নং অনুচ্ছেদে কী ধরনের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
  2. রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া রাজনৈতিক সংগঠন গঠনে নিষেধাজ্ঞা
  3. রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া বিদেশি খেতাব গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা
  4. রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া বিদেশি খেতাব গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া বিদেশি খেতাব গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা

- ৩০নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অনুমতি ছাড়া বিদেশি রাষ্ট্রের খেতাব, পুরস্কার, অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

অষ্টম সংশোধনী: 
অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনবলে
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৮০৬.
মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ হন কে?
  1. ক) শম্ভু সরকার
  2. খ) সন্তু নাথ
  3. গ) নূর হোসেন
  4. ঘ) শঙ্কু সমজদার
সঠিক উত্তর:
ঘ) শঙ্কু সমজদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শঙ্কু সমজদার
ব্যাখ্যা
•  ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ দেশব্যাপী হরতাল চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন শঙ্কু সমজদার।
তাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৮০৭.
গঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত বন্দরটির নাম কী?
  1. গঙ্গে
  2. মংলা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. তাম্রলিপ্তি
সঠিক উত্তর:
গঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গে
ব্যাখ্যা
ব্যবসায়-বাণিজ্য ও শিল্প:

- প্রাচীন বাংলায় শুধু দেশের ভেতরে ব্যবসায়-বাণিজ্য হতো তা নয়, বিদেশের হাটেবাজারেও জিনিসপত্র রফতানি হতো।
- গ্রামাঞ্চলের হাটে নিত্য-ব্যবহার্য জিনিসের কেনাবেচা চলত।
- দেশের ভেতরে নৌযোগে বেচাকেনা হতো। ফলে গড়ে ওঠে হাট-বাজার, গঞ্জ ও নতুন নতুন শহর।
- খ্রিস্টীয় প্রথম শতকে গঙ্গা নদীর মোহনায় গঙ্গে নামক বন্দর ছিল বলে জানা যায়।
- তৎকালীন সুবর্ণভূমি (ব্রহ্মদেশ), মালয় উপদ্বীপ, যবদ্বীপ, সুমাত্রায় সুতি কাপড় ও মুক্তা রফতানি করা হতো।
- স্থলপথে আসাম, মায়ানমার, চীন, ভুটান, নেপালসহ বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল।
- বাণিজ্যের কারণে বাংলার সম্পদ প্রাচীন যুগে প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
- প্রাচীন যুগেই বাংলার বস্ত্রশিল্পের খ্যাতি দেশ ও বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৮.
'বরেন্দ্র রিসার্চ সােসাইটি' কোথায় এবং কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রংপুর জেলায় ১৯৩৫ সালে
  2. রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
  3. রংপুর জেলায় ১৯৭২ সালে
  4. রাজশাহী জেলায় ১৯০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ এর প্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘর।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- এটি ১৯১০ সালে রাজশাহী তে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮৬০ সালের ভারতীয় সমিতি আইন অনুযায়ী ১৯১৪ সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর নিবন্ধন লাভ করে।

উৎসঃ রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৮০৯.
কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা
  2. দলীয় সংগঠনবিহীন
  3. নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
  4. সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন,
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন,
• নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা,
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা,
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়, 
• সমজাতীয় মনোভাব, 
• বেসরকারি সংগঠন ।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১০.
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের কতভাগ বাংলাদেশের অংশ?
  1. ক) ৪০%
  2. খ) ৫০%
  3. গ) ৬০%
  4. ঘ) ৭০%
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০%
ব্যাখ্যা
[অপশনে ৬২% না থাকায় কাছাকাছি উত্তর হিসেবে ৬০% নেওয়া হয়েছে।]

সুন্দরবন:

- সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ বা ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা বাংলাদেশের অংশে পড়েছে।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি ।
৮১১.
‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ৪ জানুয়ারী ১৯৬৯
  2. খ) ১১ জানুয়ারী ১৯৬৯
  3. গ) ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৮
  4. ঘ) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
ক) ৪ জানুয়ারী ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪ জানুয়ারী ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ডাকসু ভবনে ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া), ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন) ও ডাকসু'র উদ্যোগে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ। এই পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রবল আন্দোলনে ১৯৬৯ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন এবং ২৫ শে মার্চ ১৯৬৯ আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮১২.
The only foreigner awarded the title of "Bir Protik" is
  1. William Abraham Simon Ouderland
  2. Jorge Harrison
  3. Alen Ginsburg
  4. William Rockford
  5. Archer Kent
সঠিক উত্তর:
William Abraham Simon Ouderland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Abraham Simon Ouderland
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮১৩.
বাংলাদেশে প্রথম সরাসরি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়?  
  1.  ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

• ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- এর আগে সংসদ দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল।
- সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয়ী হয়েছিলেন।
- তিনি জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের ব্যানারে অংশ নিয়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমএজি ওসমানী গণতান্ত্রিক ঐক্যজোটের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ থেকে ৩০ মে ১৯৮১ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র: এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, ইতিহাস ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয় ও পত্রিকা। 

৮১৪.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিএমটিএফ) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।
৮১৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্টপ জেনোসাইড' এর পরিচালক কে?
  1. মোরশেদুল ইসলাম
  2. তারেক মাসুদ
  3. জহির রায়হান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• স্টপ জেনোসাইড:
- স্টপ জেনোসাইড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র।
- শহীদ বুদ্ধিজীবি ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে ২০ মিনিটের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতে আশ্রয়গ্রণকারী বাঙ্গালীদের দুঃখ-দুর্দশা, হানাদার পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ, ভারতে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের দিনকাল প্রভৃতি এই তথ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়েছিল।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।

উল্লেখ্য,
• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: আগামী ও সূচনা।
• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র: মুক্তির গান ও মুক্তির কথা।
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮১৬.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা সচিব কে ছিলেন?
  1. ক) এইচ টি ইমাম
  2. খ) রুহুল কুদ্দুস
  3. গ) এস. এ সামাদ
  4. ঘ) নুরুল কাদের
সঠিক উত্তর:
গ) এস. এ সামাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এস. এ সামাদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় : এস এ সামাদ প্রতিরক্ষা সচিব।
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম. এ. জি ওসমানী,
চীফ অব স্টাফ কর্নেল আবদুর রব,
উপ-সেনাপতি এ.কে খন্দকার।
সূত্র-বাংলাপিডিয়া।
৮১৭.
ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে কোন সালে? 
  1. ২০০৬
  2. ২০১২
  3. ২০০৮
  4. ২০০২
সঠিক উত্তর:
২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬
ব্যাখ্যা

• ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (DAPFCL):
- DAPFCL বাংলাদেশে চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত।
- এর প্রধান কাজ হলো:
• ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (DAP) সার উৎপাদন ও সরবরাহ করা;
- যা ফসলের শিকড় গঠন, বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক।
DAPFCL আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৬ সালে দুটি কারখানায় বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।
- ডিএপি-১ কারখানা ২০০৬ এর আগস্ট এ উৎপাদন শুরু করে।
- ডিএপি-২ কারখানা ২০০৬ এর সেপ্টেম্বরে উৎপাদন শুরু করে।

উৎস: ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮১৮.
মিঠা পানির মৎস্য উৎপাদনে দেশের ২য় শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. যশোর
  3. চাঁদপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

• শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮১৯.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী কে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২০.
'স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন' চাষাবাদ হলো -
  1. জমিতে সার দেওয়া হয়
  2. জমিতে পানি দেওয়া হয়
  3. জল-চাষ মৃত্তিকাবিহীন কৃষি
  4. পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম)
ব্যাখ্যা
• স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন:
- এটি একটি পাহাড়ী চাষাবাদ (জুম) পদ্ধতি।

- স্ল্যাশ-এন্ড-বার্ন কৃষি এমন একটি চাষ পদ্ধতি, যেখানে বনভূমিকে প্রথমে কেটে ফেলা হয় এবং পরে পুড়িয়ে ফেলে জমিকে চাষের উপযোগী করা হয়।
- এই পদ্ধতি সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে দেখা যায়, যেখানে মূলত ছোট কৃষকরা এটি ব্যবহার করেন।
- দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় এটি পশু চরানোর জন্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে শুকনো ধান চাষের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পুড়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট ছাই কিছু পরিমাণে সার হিসেবে কাজ করে এবং চাষের জমিকে আগাছামুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
- তবে কয়েক বছর চাষের পর মাটির উর্বরতা কমে আসে এবং জমিতে আগাছার বৃদ্ধি ঘটে, ফলে সেই জমি কিছু সময়ের জন্য পরিত্যক্ত রাখা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, বাংলাপিডিয়া।
৮২১.
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কোথায় শহীদ হন?
  1. ক) ধলই, কমলগঞ্জ
  2. খ) দরুইন, আখাউড়া
  3. গ) চিংড়ি খাল, নানিয়ারচর
  4. ঘ) গোয়ালপাড়া, শার্শা
সঠিক উত্তর:
খ) দরুইন, আখাউড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দরুইন, আখাউড়া
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার দরুইন গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন। পরবর্তীতে তাকে সেখানেই দাফন করা হয়।
অন্যদিকে,
- বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই গ্রামে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ ‌ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচরের চিংড়ি খাল এলাকায় শহীদ হন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৮২২.
বাংলাদেশে আইএমএফ(IMF)-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. মতিঝিল, ঢাকা
  2. আগারগাঁও, ঢাকা
  3. মিরপুর, ঢাকা
  4.  কাওরান বাজার, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা

IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আইএমএফের সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।
- বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।

৮২৩.
জুটন কী?
  1. পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র
  2. পাটের ফাইবার থেকে তৈরি বোতল
  3. পাট থেকে তৈরি পলিথিন
  4. পাট থেকে তৈরি ঢেউটিন
সঠিক উত্তর:
পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র
ব্যাখ্যা
জুটন:
- জুটন হচ্ছে পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র।
- এর আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।
- এ প্রক্রিয়ায় তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে এক ধরনের নতুন বস্ত্র উদ্ভাবনের জন্য পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশানো হয়।

অন্যদিকে,
⇒ জুটিন:
- পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান।
- পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin).
- তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস।
- তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎস: i) বাংলা পিডিয়া।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৮২৪.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সেনাপ্রধান
  3. প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি :

• অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা:
⇒ সংসদ ভেঙ্গে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে কোনো বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এ অধ্যাদেশ সংসদ প্রণীত আইনের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন।

• প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
⇒ রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

• ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা:
⇒  রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা রয়েছে যে কোনো দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করবার। কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যে কোনো দন্ড তিনি মার্জনা করতে পারেন।

• অর্থসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কাজ: 
⇒ সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উথাপন করতে হলে তাতে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ সাগে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি সংযুক্ত তহবিল থেকে ব্যয় নির্বাহের ব্যবস্থা করতে পারেন।

• প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত ক্ষমতা: 
⇒ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তিনি বহিআক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮২৫.
বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ পরিচালনা করেন কে?
  1. আবদুল জব্বার খান
  2. খান আতাউর রহমান
  3. আবদুস সামাদ
  4. মোজাম্মেল হোসেন
সঠিক উত্তর:
আবদুল জব্বার খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা
‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩১ মে, ২০২৩।
৮২৬.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা কত তারিখ ছিল?
  1. ৬ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  2. ৭ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  3. ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  4. ৯ ফাল্গুন, ১৩৫৮
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: শিক্ষক বাতায়ন। [link]
৮২৭.
তিতুমীর পরিচালিত আন্দোলনের নাম কী ছিল?
  1. তারিক-ই- মুহম্মদীয়া
  2. ফরায়েজি
  3. ওয়াহাবি
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
তিতুমীরের আন্দোলন:
- পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় প্রায় একই সময়ে দুটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের শুরু হয়।
- পূর্ব বাংলার আন্দোলনটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।
- পশ্চিম বাংলার আন্দোলনের নাম ওয়াহাবি বা 'তারিক-ই- মুহম্মদীয়া'।
- ওয়াহাবি বা তারিক-ই- মুহম্মদীয়া আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তিতুমীর।
- ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে এ আন্দোলন শুরু হয়।
- শেষ হয় ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের শাহাদাত বরণের মধ্য দিয়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২৮.
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের কোচ ছিলেন কে?
  1. তানভীর মাজহারুল তান্না
  2. জাকারিয়া পিন্টু
  3. শংকর হাজরা
  4. ননী বসাক
সঠিক উত্তর:
ননী বসাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ননী বসাক
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
- মূল পরিকল্পনাটা ছিলো শামসুল হকের।
- জুন মাসে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি এবং যারা সারা ভারতজুড়ে খেলে সমর্থন আদায় করবে আমাদের স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতির জন্য।
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু।
- আর সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননী বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না।
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যারা ছিলেন:
- জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), আলী ইমাম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অমলেশ সেন, আইনুল হক, নিহার কান্তি দাস, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, শাহজাহান আলম, মনসুর আলী লালু, কাজী সালাউদ্দিন, এনায়েতুর রহমান, সুভাষ সাহা, কে এম নওশেরুজ্জামান, ফজলে সাদাইন খোকন, আবুল হাকিম, তসলিমউদ্দিন শেখ, আমিনুল ইসলাম, আবদুল মমিন জোয়ারদার, মনিরুজ্জামান পেয়ারা, সাত্তার, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, মুজিবর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) খন্দকার নুরুন্নবী, লুৎফর রহমান, সাইদুর রহমান প্যাটেল, অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি, সনজিব কুমার দে, মাহমাদুর রশিদ, দেওয়ান মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, নিহার কান্তি দাস।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ২৫ জুলাই ২০২২, দৈনিক প্রথম আলো।
৮২৯.
পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে ছিলেন?
  1. গোপাল
  2. মদনপাল
  3. দেবপাল
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

ধর্মপাল:
- ধর্মপাল হচ্ছেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন।
- বাংলার ইতিহাসে ধর্মপালই প্রথম রাজা যিনি সর্বপ্রথম উত্তর ভারতীয় রাজনীতিতে স্বল্পকালের জন্য হলেও কিছু সাফল্য অর্জন করেন। ধর্মপালের সময়ে বাংলা নতুন শক্তি ও উদ্দীপনার প্রতীক হয়েছিল।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ছিলেন এবং তিনি অনেক বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি রাজশাহী বিভাগের বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে প্রতিষ্ঠিত এই বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ বিহার। এই জন্যে এটি মহাবিহার নামে পরিচিত। 
- পালবংশের অন্যতম রাজা দেবপাল ছিলেন ধর্মপালের পুত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩০.
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী, সর্বনিম্ন কতটি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন থানায় কার্যালয় থাকতে হবে?
  1. ৯০টি
  2. ১০০টি
  3. ১২০টি
  4. ২০০টি
সঠিক উত্তর:
১০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০টি
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটিএম শামছুল হুদার নির্বাচন কমিশন ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে।
- ওই বছরই প্রথম দফায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

এছাড়াও,
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হবে।
- প্রথমত, স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয়;
- দ্বিতীয়ত, ওই সব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি;
- তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে। আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট। 

৮৩১.
লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের কনভেনশনে ছয়দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করা হয় সেটি কেন আয়োজন করা হয়েছিল?
  1. তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা
  2. পূর্ব বাংলায় সরকার গঠন
  3. পূর্ব বাংলার প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা
  4. কেন্দ্রের ক্ষমতা বণ্টন
সঠিক উত্তর:
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা: 
- ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর পরই স্বায়ত্তশাসনের প্রবক্তাদের অন্যতম শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন যে, পূর্ব পাকিস্তানের জন্য স্বায়ত্তশাসন আদায় অতি আবশ্যক হয়ে পড়েছে।
- তিনি স্বায়ত্তশাসনের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ছয়দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করেন।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে, যা আইয়ুব খান কর্তৃক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা করার জন্য আয়োজন করা হয়েছিল, সেখানে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন।
- কনভেনশনটি মূলত পাকিস্তানের ডানপন্থী দলসমূহ নিয়ে গঠিত ছিল।
- কনভেনশনে উপস্থিত ৭৪০ জন প্রতিনিধির মধ্যে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত ছিলেন মাত্র ২১ জন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩২.
জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০-এ কোন শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তর বিবেচিত হয়েছে?
  1. ষষ্ঠ-দশম শ্রেণি
  2. অষ্টম-দশম শ্রেণি
  3. নবম-দশম শ্রেণি
  4. নবম-দ্বাদশ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
নবম-দ্বাদশ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবম-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তর বিবেচিত হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০:

- জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বিধৃত সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাসমূহ (সংযোজনী-১) বিবেচনায় রাখা হয়েছে। জাতিসংঘ শিশু অধিকার কনভেনশন, যেখানে প্রত্যেক সদস্য দেশে সকল শিশুর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ রয়েছে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য মানবতার বিকাশ এবং জনমুখী উন্নয়ন ও প্রগতিতে নেতৃত্বদানের উপযোগী মননশীল, যুক্তিবাদী, নীতিবান, নিজের এবং অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কুসংস্কারমুক্ত, পরমতসহিষ্ণু, অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক এবং কর্মকুশল নাগরিক গড়ে তোলা। পাশাপাশি শিক্ষার মাধ্যমেই জাতিকে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার বৈশিষ্ট্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এই শিক্ষানীতি সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে গণমুখী, সুলভ, সুষম, সর্বজনীন, সুপরিকল্পিত, বিজ্ঞান মনস্ক এবং মানসম্পন্ন শিক্ষাদানে সক্ষম শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি ও রণকৌশল হিসেবে কাজ করবে। 

উল্লেখ্য, 
- প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে আট বছর অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সম্প্রসারন করা হবে। এটি বাস্তবায়নে দু'টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অবকাঠামোগত আবশ্যকতা মেটানো এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক উপযুক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা। প্রাথমিক স্তরের শেষ তিন শ্রেণীতে অর্থাৎ ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জীবন পরিবেশের উপযোগী প্রাক-বৃত্তিমূলক এবং তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা প্রদান করা হবে, যাতে যারা কোনো কারণে আর উচ্চতর পর্যায়ে পড়বে না এ শিক্ষার ফলে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হতে পারে।
- নতুন শিক্ষা কাঠামোয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর হিসেবে বিবেচিত হবে। এই স্তরের শিক্ষাশেষে শিক্ষার্থীরা সামর্থ্য অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ধারায় যাবে, নয়তো অর্জিত বৃত্তিমূলক শিক্ষার ভিত্তিতে বা আরো বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে জীবিকার্জনের পথে যাবে। 

উল্লেখ্য,
- 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই। রয়েছে শিক্ষক সংকট। নানান সংকটের মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এজন্য আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে প্রাথমিক শিক্ষা। 

উৎস: i) জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
৮৩৩.
বাংলাদেশ টেলিভিশন রঙিন সম্প্রচার শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।

৮৩৪.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা
  2. সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  3. জৈন্তাপুর সিমেন্ট কারখানা
  4. ছাতক সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
⇒ দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ।

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
৮৩৫.
Which of the following is the highest authority for approving the economic policies and development plans in Bangladesh?
  1. ক) Planning Commission
  2. খ) Ministry of Finance
  3. গ) Ministry of Law
  4. ঘ) ECNEC
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ঘ) ECNEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ECNEC
ব্যাখ্যা
ECNEC:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
- ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর প্রধান/চেয়ারপার্সন হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
- একনেকে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।

(সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া)
৮৩৬.
বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক আছে কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই কোন দেশের?
  1. ইসরাইল
  2. তাইওয়ান
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. হাইতি
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক সম্পর্ক:
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আফ্রিকা ও হাইতি সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮৩৭.
বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা-
  1. ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি
  2. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা 
  3. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  4. বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা): 
- ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা)  বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরোদস্ত্তর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়।
- এই সংস্থা ঘটনাবহুল বছর ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই স্থগিত ছিল।
- স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭১ সালে এনা আবার কার্যক্রম শুরু করে।

অন্যদিকে,
- অনলাইন ভিত্তিক দেশে প্রধান নিউজ সংস্থা হলো Bdnews24.com.
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)  ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে আবির্ভূত হয়। 
- ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি)  ১৯৮৮ সালে সংবাদ সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৮৩৮.
বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন কে?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. মহাত্মা গান্ধী
  3. চিত্তরঞ্জন দাশ 
  4. জহরলাল নেহেরু
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ 
ব্যাখ্যা

- বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন চিত্তরঞ্জন দাশ (সি.আর দাশ)।

• বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২৩:
- ব্রিটিশ বিরোধী অহিংস খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করলে, মহাত্মা গান্ধী ১৯২২ সালে এ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।
- আন্দোলন তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তা বন্ধ ঘোষণা করার পর পক্ষে-বিপক্ষে মতামত ব্যক্ত হতে থাকে।
- অপরদিকে, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক আইনসভার দ্বিতীয় নির্বাচন ১৯২৩ সালের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হবার কথা।
গান্ধীর নেতৃত্বাধীন একটি অংশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বিপক্ষে ছিলেন না।
- অপরদিকে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (সি আর দাশ) এর নেতৃত্বাধীন আরেকটি অংশ নির্বাচনের পক্ষে ছিলেন।
- সি আর দাশের প্রস্তাব কংগ্রেস সম্মেলনে গৃহীত হয়নি এমতাবস্থায়, তিনি তাঁর সমর্থকদের নিয়ে ১৯২২ সালের ৩১শে ডিসেম্বর গঠন করেন স্বরাজ পার্টি।
- সি.আর দাশ ছিলেন সাম্প্রদায়িক ঐক্যের পক্ষের মানুষ।
- নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি ব্রিটিশদের সহযোগিতা করতে চাননি বরং নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্রিটিশদের বিরোধিতা করতে চেয়েছিলেন।
- এ পরিপ্রেক্ষিতে তিনি নিজ প্রদেশ বাংলায় মুসলমান নেতৃবৃন্দের সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্যে ১৯২৩ সনে এক চুক্তি সাক্ষর করেন যা বেঙ্গল প্যাক্ট নামে পরিচিত।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩৯.
তমদ্দুন মজলিশ এর প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  2. অধ্যাপক গোলাম মাহবুব
  3. অধ্যাপক শামসুল আলম
  4. অধ্যাপক আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

৮৪০.
বিশ্বের প্রথম আধুনিক লিখিত সংবিধান- 
  1. মদিনা সনদ
  2. যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান
  3. ম্যাগনাকার্টা
  4. ভারতের সংবিধান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান:
- জর্জ ওয়াশিংটনের নেতৃত্বে ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
- এ সম্মেলনে আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এ উদ্দ্যেশ্যে একটি সংবিধান প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
- এ সংবিধান রচনায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন জেমস ম্যাডিসন, আলেকজান্ডার হ্যামিলটন ও বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন।
- বিশ্বের প্রথম আধুনিক লিখিত সংবিধান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ১৭৮৭ সালে গৃহীত হয়। 
- এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার রূপায়ণের মূল দলিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভাগ, সরকারি শাখাগুলির ভূমিকা, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং গণতন্ত্রের বিভিন্ন দিক সংজ্ঞায়িত করে।
- সংবিধানটি গণতন্ত্রের রূপায়ণ ও মানবাধিকার বিষয়ে বিশ্বে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে।

অন্যদিকে,
• মদিনা সনদ:
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান হলো মদিনা সনদ।
- মদিনা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ইহুদী, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও ‍মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতির জন্যে হযরত ‍মুহাম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে ‘মদিনা সনদ’ রচনা করেন।
- এতে ৪৭টি ধারা ছিলো।

• ম্যাগনা কার্টা:
- ম্যাগনা কার্টা (১২১৫) ইংল্যান্ডে রাজা জন অনুমোদিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবিধানিক দলিল।
- এটি রাজা ও শাসনের ক্ষমতা সীমিত করে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার, যেমন সুবিচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এটি পরবর্তীতে ইংল্যান্ডে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি হিসেবে গড়ে উঠে। 

ভারতের সংবিধান:
-  ভারতের সংবিধান ১৯৫০ সালে কার্যকর হয়।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম লিখিত সংবিধান।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রেখে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করে।

উৎস:
১. উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৪১.
বাংলা ভাষা ছিল জনসংখ্যার দিক থেকে পাকিস্তানের -
  1. ক) প্রথম ভাষা
  2. খ) দ্বিতীয় ভাষা
  3. গ) তৃতীয় ভাষা
  4. ঘ) পঞ্চম ভাষা
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম ভাষা
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়।
- ভাষা, নৃতত্ত্ব, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভৌগোলিক পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাসসহ সকল ক্ষেত্রে বিস্তর ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও কেবল ধর্মের ভিত্তিতে এক হাজার মাইলের ব্যবধানে অবস্থিত পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত করে এই অসম রাষ্ট্র গড়ে তোলা হয়।
- এই রাষ্ট্রের কর্ণধাররা প্রথমই শোষণ ও বৈষম্যের হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয় বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলাকে।
- অথচ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় পাকিস্তানের ভাষাগত জনসংখ্যার একটি পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে, মোট জনসংখ্যার ৫৪.৬০% বাংলা, ২৮.০৪% পাঞ্জাবি, ৫.৮% সিন্ধি, ৭.১% পশতু, ৭.২% উর্দু এবং বাকি অন্যান্য ভাষাভাষী নাগরিক।
- এর থেকে দেখা যায় উর্দু ছিল পাকিস্তানি ভাষাভাষির দিক থেকে ৩য় স্থানে। অন্যদিকে তদানীন্তন পূর্ববঙ্গের জনসংখ্যার ৪.৪০ কোটির মধ্যে ৪.১৩ কোটি ছিল বাংলা ভাষাভাষী। এখানে ৯৮% বাংলা এবং মাত্র ১.১% ছিল উর্দু ভাষী। অথচ বাংলা ভাষাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বেশ কিছু পরিকল্পনা নেয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪২.
জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন কে?
  1. ক) সাঈদা মুনা
  2. খ) ড. বশির আহমেদ
  3. গ) আফতাব হোসেন
  4. ঘ) নুর আলম সিদ্দিক
সঠিক উত্তর:
খ) ড. বশির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড. বশির আহমেদ
ব্যাখ্যা

২০১৭ সালে জয় বাংলা-কে কেন জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে রুলের জবাব দিতে হলা হয়।
বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ থেকে এ রুল জারি করা হয়।
এর আগে আইনজীবী ড. বশির আহমেদ জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিও করেন তিনি। (রেফারেন্স- যুগান্তর)

৮৪৩.
 বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা এবং নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ২১নং অনুচ্ছেদ
  2.  ২৩(ক) নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৫নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
 ২৩(ক) নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ২৩(ক) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ ২৩ক: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি: রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৪৪.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন -
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. এ.কে. ফজলুল হক
  4. নুরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৪৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে -
  1. মন্ত্রীসভা
  2. প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
  3. স্থানীয় শাসন
  4. মন্ত্রীদের পদের মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ৫৭ (১)অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে, যদি- 
 (ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
 (খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন। 

- অনুচ্ছেদ ৫৭ (২)অনুযায়ী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন কিংবা সংসদ ভেংগে দেয়ার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নন এই মর্মে সন্তুষ্ট হলে, সংসদ ভেংগে দিবেন। 

- অনুচ্ছেদ ৫৭ (৩) অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করবে না।

অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রীসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - মন্ত্রীদের পদের মেয়াদ। 
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৪৬.
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কোথায় ঘোষণা করেন “উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”?
  1. ক) পল্টন ময়দান
  2. খ) লাহোর
  3. গ) কার্জন হল
  4. ঘ) করাচি
সঠিক উত্তর:
গ) কার্জন হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্জন হল
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- তিনি ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন, “উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”।
- উভয় জায়গাতেই তার এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা 'না না' ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা। নবম-দশম শ্রেণি।
৮৪৭.
বাংলা একাডেমি প্রদত্ত নজরুল পুরস্কার-২০২২ লাভ করেন কে?
  1. ক) ড. আতিউর রহমান
  2. খ) অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  3. গ) অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর
  4. ঘ) অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি ২০২২ সাল থেকে নজরুল চর্চায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নজরুল পুরস্কার চালু করে। ২০২২ সালে নজরুল চর্চায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী কে নজরুল পুরস্কার-২০২২ প্রদান করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো)
৮৪৮.
কোন পাল রাজার আমলে কৈবর্ত্য বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. ক) রামপাল
  2. খ) দ্বিতীয় শূরপাল
  3. গ) দ্বিতীয় মহীপাল
  4. ঘ) কুমারপাল
  5. ঙ) তৃতীয় বিগ্রহপাল
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহীপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
তৃতীয় বিগ্রহপালের মৃত্যুর পর তার পুত্র দ্বিতীয় মহীপাল সিংহাসনে বসেন। তার সময় বরেন্দ্র অঞ্চলে বিদ্রোহ শুরু হয় যা ‘কৈবর্ত্য বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত। এর নেতা ছিলেন দিব্য। তিনি দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করেন এবং বরেন্দ্র দখল করেন। উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণি : বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়।
৮৪৯.
টাইম ম্যাগাজিনের ‘The World's Greatest Places of 2025’- তালিকায় বাংলাদেশের কোন মসজিদ স্থান পেয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. জেবুন নেসা মসজিদ
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. বায়তুল মোকাররম মসজিদ
সঠিক উত্তর:
জেবুন নেসা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেবুন নেসা মসজিদ
ব্যাখ্যা
জেবুন নেসা মসজিদ: 
- ১৩ মার্চ, ২০২৫ সালে প্রকাশিত হলো টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’–এর ১০০ স্থাপনার তালিকা।
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’–এ স্থান পেল আশুলিয়ার জেবুন নেসা মসজিদ। 
- এটি স্থপতি সায়কা ইকবালের নকশা করা। 
- সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদ।
- প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি স্থাপনা স্থান পেল টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস’–এ।
- জেবুন নেসা মসজিদে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রবেশাধিকার আছে।
- নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আছে আলাদা স্থান।

তথ্যসূত্র: টাইম ম্যাগাজিন।
৮৫০.
ষোড়শ সংশোধনীর বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. ক) সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
  2. খ) সংবিধানে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল সংযোজন।
  3. গ) বিচারপতি অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের উপর অর্পণ।
  4. ঘ) বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি।
সঠিক উত্তর:
গ) বিচারপতি অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের উপর অর্পণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিচারপতি অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের উপর অর্পণ।
ব্যাখ্যা
ষোড়শ সংশোধনী 
- এই সংশোধনীর দ্বারা বিচারপতিদের অভিশংসন বা অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের অর্পণ করা হয়।
- বর্তমানে জাতীয় সংসদের সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতিদের অপসারণ করা হয়ে থাকে।

- এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
- ৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। 
- পরে হাইকোর্ট একে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। আপিল বিভাগও ওই রায় বহাল রাখে। তবে, বর্তমানে এই রায়টি রিভিউতে রয়েছে।
 
অন্যদিকে,
সপ্তদশ সংশোধনী:  সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।
 
বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি : সপ্তম ও চতুর্দশ সংশোধনী।
১৯৮৬ সালে সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে তা ৬৫ বছরে এবং ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনী দ্বারা অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬৭ বছরে উন্নীত করা হয়।
 
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার কর্তৃক জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের সপ্তম তফসিলে যুক্ত করা হয়।
এছাড়া একই সংশোধনীর মাধ্যমে ৫ম ও ৬ষ্ঠ তফসিল, বাহাত্তরের মূল সংবিধানের মূলনীতিসমূহ সহ আরো বেশ কিছু সংশোধনী গৃহিত হয়।

(সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
 
৮৫১.
'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন কোন শাসক?
  1. শশাংক
  2. কেশব সেন
  3. অশোক
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশোক
ব্যাখ্যা
অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫২.
ইউনেস্কো কত সালে জামদানিকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

⇒ ঐতিহ্যবাহী জামদানী বুনন:
- জামদানি হস্তচালিত তাঁতে সুতায় বোনা এক বিশেষ নকশার কাপড় যা অতীতে মসলিন নামে প্রচলিত ছিল।
- এটি বাংলাদেশের বুননশিল্পের সর্বাপেক্ষা শৈল্পিক নিদর্শন যা অন্যতম সময় সাপেক্ষ ও শ্রমঘন কুটির শিল্প।
- ঢাকা ও এর আসে-পাশের অঞ্চলগুলোতে প্রথাগত তাঁতে দৃস্টিনন্দন নকশায় জামদানি তৈরি হয়।
- জামদানি বুনন শিল্পী ছাড়াও সুতা তৈরি ও রং করার কারিগর, তাঁত প্রস্তুতকারী ও সংশ্লিষ্ট কারিগর সকলে মিলে একটি বিশেষ সম্প্রদায় গড়ে উঠেছে যা বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতির অন্যতম ধারক ও বাহক হিসেবে বিশ্ব দরবারে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিতে জামদানির অপরিসীম ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০১৩ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র অষ্টম অধিবেশনে ঐতিহ্যবাহী জামদানি বুনন্ শিল্পকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে 'মানবতার অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

৮৫৩.
নিচের কোন দেশে বাংলাদেশ সর্বাধিক তৈরি পোশাক রপ্তানি করে?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
তৈরি পোশাক বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য। গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৩১.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে। তবে দেশ হিসেবে সর্বাধিক রপ্তানি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : যুক্তরাষ্ট্র
- দ্বিতীয় : জার্মানি
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য।

(তথ্যসূত্র: বিজিএমইএ ওয়েবসাইট)
৮৫৪.
বাংলাদেশের অর্থনীতির খাতগুলোকে প্রধানত কত ভাগে ভাগ করা যায়?

  1. ৩ 


সঠিক উত্তর:
৩ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ 
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক কাঠামো:
- যেকোনো দেশের অর্থনীতিতে সংঘটিত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সমষ্টিগত অবদানই দেশের অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তোলে। 
- এসব ভিত্তিক অর্থনীতিকে অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাত (Economic Structure or Sector) বলা হয়।

- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক খাতকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

 • অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাতসমূহ
(১) উৎপাদনভিত্তিক খাত
- উৎপাদনভিত্তিক কর্মকাণ্ডের উপর নির্ভরশীল খাত।
- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত অন্তর্ভুক্ত।

(২) মালিকানাভিত্তিক খাত
- কোন সংস্থা বা ব্যক্তির মালিকানার ভিত্তিতে বিভক্ত খাত।
- সরকারী, বেসরকারি ও মিশ্র মালিকানার খাত।

(৩) অঞ্চলভিত্তিক খাত
- ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত খাত।
- বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৫.
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন কত সালে প্রণীত?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন:
- বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- আইনটি ২০০৬ সালের ৩ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এ আইনের মাধ্যমে জন্ম, মৃত্যু, নাগরিক পরিচয় ও বয়সের প্রমাণপত্র আইনগতভাবে সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়।
- এটি নাগরিক অধিকার, সেবা গ্রহণ, উত্তরাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উলেখ্য,
- ২০১০ থেকে অনলাইনে জন্মসনদ দেওয়া শুরু হয়। ২০১৬ সালে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন প্রকল্পটির তৃতীয় পর্যায় শেষ হয়। সরকার ওই বছরের ১ জুলাই থেকে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যক্রম রাজস্ব খাতে নিয়ে আসে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- জনসচেতনতা বাড়াতে ২০১৮ সালের অক্টোবরে সরকার ৬ অক্টোবরকে ‘জাতীয় জন্মনিবন্ধন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো। 

৮৫৬.
'বেইল আউট' শব্দটি জড়িত -
  1. ক) রাজনীতিতে
  2. খ) আদালতে
  3. গ) অর্থনীতিতে
  4. ঘ) কূটনীতিতে
সঠিক উত্তর:
গ) অর্থনীতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অর্থনীতিতে
ব্যাখ্যা
- বেইল আউট' শব্দটি অর্থনীতির জড়িত।

• বেইল আউট:

- বেইল আউট হচ্ছে দেনার দায়ে বা মূলধনসংকটে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তরফে আর্থিক সহায়তা করা।
- তবে রাষ্ট্রকেও অনেক সময় জাতীয় ব্যয় নির্বাহে বেইল আউটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অর্থ ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা করার উদাহরণ রয়েছে।
- এইরূপ সহায়তা দেয়া হতে পারে ঋণ, ঋণের গ্যারান্টি, নগদ সহায়তা, বন্ড বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ক্রয় করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে আর্থিক মন্দা কাটাতে বেইল আউট নীতি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৮৫৭.
কোন শাসককে পরাজিত করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা

বাংলায় মুসলিম শাসন:
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীরের (দস্ত-ই-মার্গ) অধিবাসী ছিলেন। 
- রাজধানী নদীয়া আক্রমন করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজি লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা দখলের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪-০৫ সালে শীতকালীন সময়ে নদীয়া আক্রমণ করেছিলেন।
- নদীয়া দখলের পর বখতিয়ার খলজি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে যাত্রা করেন। তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- এটি মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- বাংলাদেশে বখতিয়ার খলজি রাজ্য পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, দক্ষিণে পদ্মা নদী ও উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট হয়ে রংপুর শহর অবধি ছিল।
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকেই তিনি অল্প সময়ের মধ্যে নিজ প্রতিভাবলে লখনৌতিতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- এ মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর জীবনের বড় কৃতিত্ব।
- বখতিয়ার খলজি  বিজিত এলাকায় খুতবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলনের ব্যবস্থা করেন এবং সমগ্র এলাকাকে তাঁর সহকর্মী তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে দেন ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৮.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  2. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  4. এবি ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়: ৩১ মার্চ, ২০১১ সালে।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম: রকেট।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৫৯.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে -
  1. ৭২ বছর
  2. ৭৩ বছর
  3. ৭৪ বছর
  4. ৭৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৭৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪ বছর
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় হবে - ৩০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মেয়াদান্তে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৮.৫১%
- মেয়াদান্তে মুদ্রাস্ফীতি হবে - ৪.৬০%
- মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে - ৭৪ বছর।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৮৬০.
কোন বাংলা গানকে ইউনেস্কো "Heritage of Humanity" অভিধায় ভূষিত করেছে?
  1. রবীন্দ্রসঙ্গীত
  2. নজরুলগীতি
  3. লালনগীতি
  4. বাউল গান
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
ব্যাখ্যা
বাউল সংগীত:
- ‘বাউল গান’ বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক গান। বাউল একটি ধর্মীয় লোক-সম্প্রদায়।
- বাউলরা ধর্মীয় তত্ত্ব ও দর্শন, জীবনবোধ ও আদর্শের কথা গানের ভাষায় প্রকাশ করেন। মৌখিক ধারার এ গানই বাউল সংগীত হিসেবে পরিচিত।
- বাউল গানের স্রষ্টা লালন শাহ্। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া বাউল গানের কেন্দ্র-ভূমি, কালক্রমে তা পার্শ্ববর্তী যশোর, ফরিদপুর, পাবনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। অনুরূপভাবে এ গান পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় প্রসার লাভ করেছে।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন, মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষণা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে ‘Intangible Cultural Heritage of Humanity’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
৮৬১.
মুদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা কী নামে প্রকাশ করে?
  1. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  2. বাংলা ভাষা সংরক্ষণ
  3. ভাষার জন্য সংগ্রাম
  4. উর্দু না বাংলা
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে—এ বিষয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
- মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা তখন উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মত দেন।
- এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবদুল হক, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকরা প্রতিবাদ করেন।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন ‘তমুদ্দুন মজলিস’ গঠিত হয়।
- ‘তমুদ্দুন মজলিস’ ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন হিসেবে পরিচিত।
- এই সংগঠন ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশ করে।
- পুস্তিকায় রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।
৮৬২.
Bangladesh ranks ___ in South Asia in the national cyber security index.
  1. ক) 1st
  2. খ) 2nd
  3. গ) 3rd
  4. ঘ) 4th
সঠিক উত্তর:
ক) 1st
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1st
ব্যাখ্যা
Bangladesh ranks first in South Asia in the national cyber security index.
Bangladesh has advanced by 27 stages in the National Cyber Security Index prepared by the Estonia-based e-Governance Academy Foundation. Bangladesh has climbed to 36th place in the report, which considers the state of cyber security and digital development in 180 nations around the world. Bangladesh was ranked 85th in the December 2020 index.

The National Cyber Security Index (NCSI) was established to evaluate basic cyberattack preparedness, cyber events, criminal activity, and major crisis management efforts.
Source: The Daily Star
৮৬৩.
বর্তমানে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদের সংখ্যা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৮৩৪ জন
  2. ৮৩৬ জন
  3. ৮৪৪ জন
  4. ৮৪৬ জন
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪:
- বর্তমানে জুলাই শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।
- ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান শহীদদের ৮৩৪ জনের তালিকা প্রথম গেজেট আকারে প্রকাশ করে সরকার।
- পরবর্তীতে আরো ১০ জন যুক্ত করে শহীদদের তালিকা হয় ৮৪৪ জন ।
- ৩ আগস্ট, ২০২৫ ৮ জনের নাম বাদ দিয়ে আরেকটি গেজেট করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এদের মধ্যে চারজনের নাম গেজেটে দুবার এসেছে। বাকি চারজন সরাসরি জুলাই আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
- আটজন বাদ দেওয়ার পর সংশোধিত তালিকায় বর্তমানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

অন্যদিকে,
- আহত ব্যক্তিদের প্রথম তালিকায় নাম ছিল ১২ হাজার ৪৩ জনের।
- গত জুলাইয়ে আরও ১ হাজার ৭৫৭ জনের নাম যুক্ত করা হয়।
- সরকারি গেজেট অনুযায়ী, আহত ব্যক্তিদের মোট সংখ্যা এখন ১৩ হাজার ৮০০।

তথ্যসূত্র- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৮৬৪.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে জয় লাভ করে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. কেনিয়া
  4. জিম্বাবুয়ে
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

৮৬৫.
হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়-
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
• হরিপুর খনিজ তৈল ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের দুটি খনিজ তৈল ক্ষেত্র রয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।
 ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত এই সাত বছরে তেলক্ষেত্রটি থেকে মোট প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য,
২০২৩ সালে সিলেট গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপ খনন করে প্রথম স্তরে তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল (১৫৯ লিটার) তেলের প্রবাহ পাওয়া গেছে।
--------------------- 
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৭ ও ৯ নম্বর কূপ থেকে বর্তমানে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রে নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- কূপটিতে প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- এলএনজির আমদানি মূল্য হিসেবে এই গ্যাসের দাম প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
- জুন, ২০২৩ থেকে হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে অনুসন্ধান শুরু হয়।
- কূপটি থেকে প্রতিদিন ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে।

উৎস:
i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন,বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৬ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
iii) সিলেট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৮৬৬.
'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আবাদ হয়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'কাটারিভোগ' ধান মূলত বাংলাদেশের দিনাজপুরে আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় অবাদ হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান।
৮৬৭.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরপ্রতীক
  2. খ) বীরশ্রেষ্ঠ
  3. গ) বীরবিক্রম
  4. ঘ) বীরউত্তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরউত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরউত্তম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
উপাধিগুলো হলো- 
• সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন,  
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম: ৬৮ জন
• তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম: ১৭৫ জন, 
• চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক: ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
তারা হলেন- 
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম),
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), 
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), 
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। 
যথা- 
• বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন, 
• বীর উত্তম: ৬৭ জন, 
• বীরবিক্রম: ১৭৪ জন, 
• বীরপ্রতীক: ৪২৪ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
৮৬৮.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রথম কোথায় স্থাপন করা হয়?
  1. আগারগাঁও
  2. মিরপুর
  3. রাজারবাগ
  4. সেগুনবাগিচা
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ সেগুনবাগিচায় বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- সেগুনবাগিচার ভাড়া বাড়ি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে সরকার প্রদত্ত জমিতে নির্মিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
৮৬৯.
তাজউদ্দিন আহমদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
তাজউদ্দিন আহমদ:
- গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই তাজউদ্দিন আহমদ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম মৌলবী মুহাম্মদ ইয়াসিন খান এবং মাতা মেহেরুন্নেসা খানম।
- তাজউদ্দিন আহমদ ১৯৪৪ সালে ঢাকার সেন্ট গ্রেগরীজ হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন, ১৯৪৮ সালে আই.এ এবং ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৬৪ সালে তিনি আইনশাস্ত্রে ডিগ্রি লাভ করেন এবং ঢাকায় আইনব্যবসা শুরু করেন।
- ছাত্রজীবন থেকেই তাজউদ্দিন আহমদ সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত হন।
- তিনি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ববাংলা ছাত্রলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- তাজউদ্দিন আহমদ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট প্রার্থী হিসেবে কাপাসিয়া থেকে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে তিনি জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে তিনি এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হন এবং মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের পর ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর তিনি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং সদ্য স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা-২২ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং বঙ্গবন্ধুর ক্যাবিনেটে মন্ত্রীত্ব লাভ করেন।
- কারাগারে বন্দি অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর অপর তিন জাতীয় নেতার সঙ্গে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮৭০.
বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে কোন জেলার?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৭১.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. কেনিয়া
  2. পাকিস্তান
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- আইসিসি ট্রফি জয় করে: ১৯৯৭ সালে।
- ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে: ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে: ৩১ মার্চ, ১৯৮৬ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয়টা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

৮৭২.
’জীবন তরী’ বলতে নিম্নের কোনটি বুঝায়?
  1. ক্লাব
  2. হোটেল
  3. স্টেডিয়াম
  4. হাসপাতাল
সঠিক উত্তর:
হাসপাতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসপাতাল
ব্যাখ্যা
• জীবন তরী:
- ’জীবন তরী’ একটি জাহাজের ওপর প্রতিষ্ঠিত দাতব্য ভাসমান হাসপাতাল।
- গ্রামের মানুষের চিকিৎসা এবং পঙ্গুত্বরোধের জন্য ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (IFB) নামের একটি বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক এটি চালু হয়।
- সংস্থাটি ১৯৯৩ সালের ২৫ জুলাই ট্রাস্ট হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।
- ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের এপ্রিল মাসে ‘জীবন তরী’ নামে পরিচিত বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের একটি ভাসমান হাসপাতাল চালু করে।
- দেশের প্রধান প্রধান নদীর ধারের মানুষ, যারা শহর বা নগরে খুব কমই যেতে পারে, তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৭৩.
মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৭১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

- একাত্তরের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য আওয়ামী লীগসহ পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় ৮ সদস্যের 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ'।
- এই পরিষদের নেতৃবৃন্দ মূলত মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একাত্তরের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত মুজিবনগর সরকারকেই সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছিল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করায় বিশ্বব্যাপী মুজিবনগর সরকার একটিই বার্তা দিয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবি বাঙালির সর্বজনীন; কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক কোনো বিষয় নয়।
- ভারতের কলকাতায় গঠন করা হয় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি', যা 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

৮ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে ছিলেন -
- আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎস- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭৪.
পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কোনটি?
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. খ) বৈদেশিক বাণিজ্য
  3. গ) প্যারা মিলিশিয়া গঠন
  4. ঘ) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারা মিলিশিয়া গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারা মিলিশিয়া গঠন
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮ - ১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।

ছয়টি দফা হলো-

১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৮৭৫.
During the language movement of 1952, who was the Prime Minister of Pakistan?
  1. Nurul Amin
  2. Liaquat Ali Khan
  3. Golam Muhammad
  4. Khawaja Nazimuddin
  5. Naone of them
সঠিক উত্তর:
Khawaja Nazimuddin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Khawaja Nazimuddin
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।
৮৭৬.
ইলিশের ৬ষ্ঠ অভয়াশ্রম কোন জেলায়?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
ক) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বরিশাল
ব্যাখ্যা
রুপালি ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি তথা দেশের মৎস্য খাত উন্নয়নে দেশে ষষ্ঠ অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়েছে। বরিশালের হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ ঘেঁষা মেঘনা নদীর ৮২ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে এ অভয়াশ্রম। (রেফারেন্সঃ দৈনিক যুগান্তর)
৮৭৭.
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেছিল-
  1. লে. জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরা
  2. লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
  3. আতাউল গণি ওসমানী
  4. লে. কর্নেল কে. এম. শফিউল্লাহ 
সঠিক উত্তর:
লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ:
- আমাদের জাতীয় ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। 
- এই যুদ্ধের মাধ্যমেই স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম ঘটে।

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ড যুদ্ধে হেরে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
- পাকিস্তানের পক্ষে দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী।
- নিয়াজী ৯৩,০০০ সৈন্য ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন।
- যৌথ বাহিনীর পক্ষে এই দলিল গ্রহণ করেন ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় নিশ্চিত হয়।
- এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
------------------------------------ 
অন্যদিকে,
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন আতাউল গণি ওসমানী।
- এস ফোর্সের প্রধান ছিলেন-  লে. কর্নেল কে. এম. শফিউল্লাহ।  

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি নিউজ। 

৮৭৮.
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কোন বাহিনীর দ্বায়িত্বে ছিলেন?
  1. মুক্তি ফৌজ
  2. গণবাহিনী
  3. রেড আর্মি
  4. আজাদ হিন্দ ফৌজ
সঠিক উত্তর:
আজাদ হিন্দ ফৌজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজাদ হিন্দ ফৌজ
ব্যাখ্যা
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু:
- ১৮৯৭ সনের ২৩ জানুয়ারি ভারত উপমহাদেশের অন্যতম বীর সন্তান স্বাধীনতাকামী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু উড়িষ্যার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- পারিবারিক প্রভাবের কারণে হোক বা তৎকালীন ভারতে বিরাজমান উত্তপ্ত রাজনীতিক আবহাওয়ার কারণেই হোক, সুভাষ বসু কৈশোর থেকেই বিদ্রোহী ভাবাপন্ন ছিলেন।
- তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান লাভ করার পরও দেশসেবার ও স্বদেশের মুক্তির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সরকারি চাকুরি গ্রহণ করেননি।
- ১৯৩৮ সালে মহাত্না গান্ধীর বিরোধীতার মধ্যেই সুভাষ বসু কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন, গান্ধীর সাথে মতদ্বৈততার কারণে কংগ্রেস ত্যাগ করে অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লক নামে দল গঠন করেন।
- ১৯৪৩ সালে তিনি 'আজাদ হিন্দ' ফৌজের দায়িত্ব নেন এবং আজাদ হিন্দ সরকার গঠন করেন।
- ১৯৪৪ এর মার্চ মাসে তাঁর বাহিনী বার্মা পৌঁছে যায়।
- সুভাষ বসুর লক্ষ্য ছিল সামারিক অভিযানের মাধ্যমে ভারত থেকে ব্রিটিশদের বিতাড়িত করা।
- সুভাষ চন্দ্র বসু ১৯৪৫ সনের ১৮ আগস্ট রহস্যজনক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন বলে সরকারিভাবে জানানো হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৯.
'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী'-সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৮
  2. অনুচ্ছেদ ২৭ 
  3. অনুচ্ছেদ ২৯ 
  4. অনুচ্ছেদ ২৫ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭ 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ - ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা- 
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

সংবিধানে মৌলিক অধিকার: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩০ - বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদে ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত বিষয়ে আইন বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮০.
জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৭ম
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ৬ষ্ঠ
  4. ঘ) ৯ম
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ম
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর ৮ম বৃহত্তম দেশ। 
৪র্থ বৃহৎ মুসলিম দেশ, মুসলিম সংখাগরিষ্ঠ দেশ হিসাবে বিশ্বের ৩য় দেশ। 
জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক দিয়ে বিশ্বের ৭ম বৃহৎ দেশ, ১০ কোটির উপর জনসংখ্যার দেশ হিসাবে বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। 
 
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮৮১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ সরকারের অংশ নয়?
  1. রাজনৈতিক বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক বিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:

সেগুলো হচ্ছে:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৮৮২.
একটি দেশে পন্য আমদানির ব্যয় রপ্তানি আয় অপেক্ষা কম হলে নিচের কোনটি সৃষ্টি হয়?
  1. বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
  2. বাণিজ্যের ভারসাম্য
  3. বাণিজ্য ঘাটতি
  4. বাণিজ্য উদ্বৃত্ত
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়
বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে যখন কোন পণ্য-দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করে আনা হয়, তাকে আমদানি বলে। আমদানি করতে রাষ্ট্রের যে ব্যয় হয় সেটাই আমদানি ব্যয়।

রপ্তানি আয়
নিজের দেশ থেকে অন্য দেশে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য-দ্রব্য বিক্রয় বা প্রেরণকে বলা হয় রপ্তানি। রপ্তানি করে রাষ্ট্র যে পরিমান আয় করে সেটাই রপ্তানি আয়।

⇒ একটি দেশে পন্য আমদানির ব্যয় রপ্তানি আয় অপেক্ষা কম হলে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য সৃষ্টি হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৩.
মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বন্ধে জাতিসংঘ বাংলাদেশের কয়টি খাতে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের সুপারিশ করেছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন:
- জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত অভিযুক্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অবমাননা বিষয়ে একটি স্বাধীন ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন পরিচালনা করে।
- সম্প্রতি, জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ১১৪ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

• প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
- এ সময় ১৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
- এ সময় আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। আহতদের বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীসমূহের দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
- নিহতদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ ছিল শিশু।

বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বন্ধে জাতিসংঘ পাঁচটি খাতে জরুরি ভিত্তিতে ও ব্যাপক সংস্কারের সুপারিশ করেছে, সেগুলো হলো-
- জবাবদিহি ও বিচারব্যবস্থা;
- পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী;
- নাগরিক পরিসর;
- রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও
- অর্থনৈতিক সুশাসন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৮৮৪.
কোন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল হয়?
  1. ক) হান্টার কমিশন
  2. খ) ইন্ডিগো কমিশন
  3. গ) ফ্লাউড কমিশন
  4. ঘ) সায়মন কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লাউড কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লাউড কমিশন
ব্যাখ্যা
ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত সমস্যাবলির সংস্কারের লক্ষ্যে এ কে ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকার ১৯৩৮ সালে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডকে প্রধান করে ফ্লাউড কমিশন গঠন করা হয়।

এই কমিশন ১৯৪০ সালের ২ মার্চ তার রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা তথা জমিদারি ব্যবস্থা বাতিল ও ভূমির উপর কৃষকদের অধিকার পুনস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও ১৯৫০ সালের পূর্বে ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ সমূহ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে ১৯৫১ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল হয়।

অন্যদিকে,

- নীল বিদ্রোহ প্রশমনে ১৮৬০ সালের ৩১শে মার্চ ডব্লিউ এস সিটনকারের নেতৃত্বে ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন গঠিত হয়।
- হান্টার কমিশন বা ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন গঠিত হয় ১৮৮২ সালে। এটি ছিলো আধুনিক ভারতের প্রথম শিক্ষা কমিশন। ১৮৫৪ সালের উডের শিক্ষা প্রস্তাবের সময় থেকে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা এবং পরবর্তী অগ্রগতি সাধনের জন্যে করণীয় নির্ধারণ করতে এই কমিশন গঠিত হয়। হান্টার কমিশনের সুপারিশমালায় প্রাথমিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়, যার কারণে উচ্চ শিক্ষা অবহেলিত হয়।
- ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার সম্পর্কে প্রতিবেদন পেশ করার উদ্দেশ্যে ১৯২৭ সালে স্যার জন সা্‌ইমনের নেতৃত্বে সাইমন কমিশন বা ইন্ডিয়ান স্ট্যাটুটরি কমিশন গঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮৮৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, টাকার অঙ্কে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশভিত্তিক আমদানি:

- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।
- জাপান: ১,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.০৫%)।
- দক্ষিণ কোরিয়া: ৭৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৭০%)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
• EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৮৬.
কৃষিক্ষেত্রে রূপালি কোন ফসলের জাত?
  1. ক) তুলা
  2. খ) সরিষা
  3. গ) আম
  4. ঘ) তরমুজ
সঠিক উত্তর:
ক) তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তুলা
ব্যাখ্যা
রূপালি হলো তুলার একটি জাত।
তুলার অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:

- রূপালি-১
- সিভি-১২
- সিভি-১৩
- ডিএম-১
- পাহাড়ি তুলা-১,২ প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৮৮৭.
ক্রিকেট টেস্টের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন-
  1. ভারতের শচীন টেন্ডুলকার
  2. অস্ট্রেলিয়ার ডন ব্র্যাডম্যান
  3. ইংল্যান্ডের বেন হার্টন
  4. বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল
ব্যাখ্যা
ক্রিকেট টেস্টের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:

- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০০০ সালে।
- সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

অন্যদিকে,
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্টের তৃতীয় দিনে আশরাফুল সবচেয়ে কম বয়সে টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ড করেন।

উৎস: i) ESPNcricinfo.
         ii) ১৪ মে, ২০২২, প্রথম আলো।
৮৮৮.
বাংলাদেশের কোন ধরনের অঞ্চলে পেঁয়াজ ও গম বেশি উৎপন্ন হয়?  
  1. পাহাড়ি অঞ্চল
  2. উপকূলীয় অঞ্চল
  3. বর্ষা বনাঞ্চল
  4. খরাপ্রবণ অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
খরাপ্রবণ অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরাপ্রবণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা

'খরাপ্রবণ অঞ্চল':
- বাংলাদেশে পেঁয়াজ ও গম প্রধানত দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ্রবণ অঞ্চলে বেশি উৎপন্ন হয়। 
- এই অঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকে এবং আর্দ্রতা তুলনামূলকভাবে কম, যা উভয় ফসলের জন্য উপযোগী।

• গম:
- এটি মূলত নাতিশীতোষ্ণ এবং শুষ্ক আবহাওয়ার ফসল।
- উত্তরে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর এবং রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার অনুকূল পরিবেশ গমের চারা বৃদ্ধি এবং দানা গঠনের জন্য সুবিধা দেয়।

• পেঁয়াজ:
- পেঁয়াজও শীত ও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভালো জন্মায়। 
- খরিফ-১ গ্রীষ্মকালীন ও রবি মৌসুমে চাষ করা যায়, তবে উত্তরের উঁচু ও মধ্যম উর্বর জমিতে এবং পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ্রবণ এলাকায় সবচেয়ে ভালো ফলন হয়।

অন্যদিকে, 
• পাহাড়ি অঞ্চলে আলু, মিষ্টি আলু, গাজর, বিট, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি, পালং শাক, ভুট্টা, কফি, চা, কাজুবাদাম, ড্রাগন ফল ভালো জন্মায়।
• উপকূলীয় অঞ্চলে বাদাম, সূর্যমুখী, মুগ ডাল, তরমুজ, সুপারি, নারকেলের ভালো ফলন পাওয়া যায়। 
• বর্ষা প্রবণ অঞ্চলে প্রধানত ডাল (যেমন মুগ, মসুর), তুলার মতো 'খরিফ' শস্য ভালো হয়, কারণ এগুলোর জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। 

উৎস:
১. Britannica.
২. কৃষি তথ্য সার্ভিস;
৩.The Daily Ittefaq. 

৮৮৯.
২০২৩ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন কতজন ব্যক্তি?
  1. ১৯ জন
  2. ১৮ জন
  3. ১৭ জন
  4. ২০ জন
সঠিক উত্তর:
১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ জন
ব্যাখ্যা
• একুশে পদক-২০২৩:
- একুশে পদক-২০২৩ পাচ্ছেন ১৯ ব্যক্তি, ২ প্রতিষ্ঠান।
- প্রকাশকাল - ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে পায়- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও  বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। 
- 'একুশে পদক' বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার ঘোষণা করে।

উৎস: প্রথম আলো নিউজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮৯০.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪১ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৭ বিলিয়ন ডলার।
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে রপ্তানির মোট লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৫৪ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্রঃ প্রথম আলো)
৮৯১.
UNICEF ও WHO এর যৌথ প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, বাংলাদেশের কত শতাংশ মানুষ নিরাপদ খাবার পানি পায়? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৪২ শতাংশ
  2. ৬৯ শতাংশ
  3. ৭২ শতাংশ
  4. ৫৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা

নিরাপদ খাবার পানি:
- জাতিসংঘের দুই সংস্থা ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) জয়েন্ট মনিটরিং প্রোগ্রাম (জেএমপি) ২০২৫ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- জেএমপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষ খাবার পানি পায়। 
- সেই সাথে ৫৯ শতাংশ মানুষ নিরাপদ খাবার পানি পায়।
- ২০১৫ সালে এ হার ছিল ৫৬ শতাংশ।
- নিরাপদ পানি প্রাপ্তির দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এগিয়ে ভারত।
- দেশটিতে এখন ৭৬ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি পায়।
- এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে নেপাল। দেশটির ১৬ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি পায়।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন

৮৯২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ৪ নং সেক্টর
  2. ২ নং সেক্টর
  3. ৩ নং সেক্টর
  4. ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ফেনী নদী থেকে উত্তর দিকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত বৃহত্তর নোয়াখালী, ‍বৃহত্তর কুমিল্লা, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং ঢাকা শহর নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- ২ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশারফ এবং মেজর এটিএম হায়দার।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮৯৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ৪৪ টি
  3. গ) ২২ টি
  4. ঘ) ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
জেনারেল এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের মাধ্যমে যুদ্ধকৌশলের সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
৮৯৪.
ত্রিপুরা নৃগোষ্ঠী কোন ভাষায় কথা বলে?
  1. কুড়ুঁখ
  2. ককবোরক
  3. সাদরি
  4. আচিক খুসিক
সঠিক উত্তর:
ককবোরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ককবোরক
ব্যাখ্যা
উপজাতি:
- ককবোরক ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষা।
- ককবোরক অর্থ মানুষের ভাষা।
- এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- বাংলা ও রোমান হরফে লেখা হয়।

অন্যদিকে,
- আচিক খুসিক : গারোদের ভাষা।
- সাদরি ও কুড়ুঁখ : ওরাঁও ও মুন্ডা নৃগোষ্ঠীর ব্যবহৃত ভাষা।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেনি।
৮৯৫.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উপ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান। অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। খন্দকার মুশতাক আহমেদ ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৮৯৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪৯৩টি
  2. ৪৯৪টি
  3. ৪৯৫টি
  4. ৪৯৬টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বিভাগ - ৮টি।
- জেলা - ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন - ১২টি।
- উপজেলা - ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন - ৪,৫৯৬টি।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
৮৯৭.
বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী দিবস কবে পালিত হয়? 
  1. ৯ ডিসেম্বর
  2. ১১ ডিসেম্বর 
  3. ১৯ ডিসেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর 
সঠিক উত্তর:
৯ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

দুর্নীতিবিরোধী দিবস:
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশের একটি স্বতন্ত্র, স্বশাসিত এবং সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা। 
- এই সংস্থা দুর্নীতি প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও তদন্তের জন্য ২০০৪ সালের আইনের অধীনে গঠিত।
- ২০১৭ সালে “আসুন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই” প্রতিপাদ্য নিয়ে ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন।
- জাতিসংঘ ২০০৩ সালে এই দিনকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
- ২০০৭ সাল থেকে দুদক দিবসটি পালন শুরু করলেও সরকারিভাবে তা কার্যকর হতো না।
- এ প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুরোধ জানানো হয়। 
- পরে সরকার ১৮ জুলাই ২০১৭ তারিখে ৯ ডিসেম্বরকে সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
-------------------------------------------- 
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক):
- সংস্থাটি দুর্নীতির অভিযোগ গ্রহণ, অনুসন্ধান, মামলা দায়ের এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- যেকোনো ব্যক্তি সরাসরি ১০৬ হটলাইন ব্যবহার করে অভিযোগ জানাতে পারেন। 
- এছাড়া লিখিত পদ্ধতি বা দুদকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনভাবে অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব।
- দুদকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত ১ সেগুন বাগিচা, ঢাকায় অবস্থিত। 
- বর্তমানে ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- ২০২৫ সালে সংস্থাটিকে আরও কার্যকর করতে ৪৭টি সংস্কার প্রস্তাবনা সুপারিশ করা হয়েছে।
- দুদক শুধু তদন্ত ও মামলার কার্যক্রম নয়, নিজস্ব বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং কনস্টেবল পদের মতো নিয়োগের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংস্থার কার্যক্রম নির্বাহ করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৮৯৮.
মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু কোনটি?
  1. ক) তামা
  2. খ) ব্রোঞ্জ
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
ক) তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তামা
ব্যাখ্যা
তাম্রযুগ
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দের শেষদিকে ইউরোপে এবং নিকট প্রাচ্যে তাম্র যুগের সূচনা ঘটে।
- তাম্রযুগে প্রবেশের মধ্য দিয়ে নগরসভ্যতার সূচনা হয়।
- তামার ব্যবহার ছিল সভ্যতার নতুন সংযোজন। 
- এ অবস্থাকে তাম্রপলীয় যুগ নামে আখ্যায়িত করা হয়।
- মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু হল তামা
- প্রাচীন মিশর, সিরিয়া ও অ্যাসিরিয়ার অধিবাসীরা ব্যাপকভাবে তামার ব্যবহার জানত। 
- বস্তুত সুমেরের নগর সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়েছিল তামা ব্যবহারের মধ্যদিয়ে।
- প্রাচীন মিশরের পিরামিড যুগের সভ্যতা ও সিন্ধুসভ্যতা তাম্র ও ব্রোঞ্জযুগের সভ্যতা।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৯৯.
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- ভাস্কর্যটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে অবস্থিত।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ভাস্কর্যটি স্থাপিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে।
- স্থপতি: হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৯০০.
বিবিএস SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে খানা প্রতি জনসংখ্যা কত?
  1. ক) ৩.৪
  2. খ) ৪.৩
  3. গ) ৪.৫
  4. ঘ) ৫.১
সঠিক উত্তর:
খ) ৪.৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪.৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে খানা প্রতি জনসংখ্যা ৪.৩।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস SVRS Report-2020)