বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ৩০৬ · ৭০১৮০০ / ৩০,৮৩২

৭০১.
কোন শাসকের আমলে সমগ্র বাংলা 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে?
  1. সিকান্দার শাহ
  2. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
  3. গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
  4. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতানি আমল: 
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্রো করেন।
- সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহহের আমল থেকেই সমগ্র বাংলা 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ স্থানীয় জনগণের মন জয় করার জন্য উদারনৈতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। 
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।

এছাড়াও,
- ইলিয়াসশাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।
- অবশ্য ইলিয়াস শাহী বংশের শাসন সূচনার কিছু সময় আগে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগ শুরু হয়।
- ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৬৩৮ সালে পূর্ব বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। রাজধানী হয় সোনারগাও।
- একই সময় আলাউদ্দীন আলী শাহ পশ্চিম বাংলায় স্বাধীন সুলতানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৩৫২ সালে ইলিয়াস শাহ সোনারগাও দখলের মাধ্যমে দুই বাংলা একত্র করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.৩২ শতাংশ
  2. ১.২৭ শতাংশ
  3. ১.৩০ শতাংশ
  4. ১.৩৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১.৩০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৩:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৩০%। 
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল - ৭২.৩ বছর। 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) - ৭৬.৪% ।  
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬.০৩%। 
- অর্থনীতির মোট খাত - ১৯টি। 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৩।
৭০৩.
মুজিবনগর সরকারে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. এএইচএম কামারুজ্জামান
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ।
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
৭০৪.
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি কোন রাজাকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন?
  1. বল্লাল সেন
  2. লক্ষণ সেন
  3. কেশব সেন
  4. হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
মুসলিম শাসন:
- বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলার বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।

এছাড়াও,
- তিনি অশ্ব বিক্রেতার বেশে ১৭/১৮ জন অশ্বারোহীসহ লক্ষণ সেনের রাজধানী নদীয়ায় প্রবেশ করে অতর্কিত আক্রমণ করেন। এই আক্রমণে লক্ষণ সেন পালিয়ে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন।
- লক্ষণ সেন পলায়ন করলে বখতিয়ার খলজি বিনা বাধায় নদীয়া দখল করেন এবং গৌড়ের নাম পরিবর্তন করে লক্ষণাবতী রাখেন। তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে প্রথম মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৭০৫.
সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদিত জেলা কোনটি?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) পাবনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
গ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাটোর
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর জেলায়  (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

অন্যদিকে, 
• সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পাবনা জেলায় (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি আনারস উৎপাদন হয় টাঙ্গাইল জেলায় (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় ঝিনাইদহ জেলায় (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাঁও জেলায়   (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর জেলায়  (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।
• সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর জেলায় (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
৭০৬.
স্বাধীনতাযুদ্ধকালে 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারের শিল্পী কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. প্রাণেশ কুমার মণ্ডল
  3. এস এম সুলতান
  4. জয়নুল আবেদীন
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
- তিনি 'পটুয়া' নামে পরিচিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ১৯৪৮ সালে ঢাকায় একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন। কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।
- তাঁর 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যথাক্রমে যুগোস্লাভিয়া সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) দুটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭০৭.
জাতীয় সংসদ ভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. শাহবাগ
  2. তেজগাঁও
  3. শের-এ-বাংলা নগরে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শের-এ-বাংলা নগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শের-এ-বাংলা নগরে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন:
- জাতীয় সংসদ ভবনের বর্তমান ভবন ২৮ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে।
- জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই ইসাডোর কান বা সংক্ষেপে লুই আই. কান একজন বিখ্যাত মার্কিন স্থপতি যিনি এস্তোনীয় ইহুদী বংশোদ্ভূত।
- জাতীয় সংসদ ভবন নয় তলা উচ্চতা বিশিষ্ট এবং প্রায় ২১৫ একর জমির উপর নির্মিত।
- জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকার শের-এ-বাংলা নগরে অবস্থিত। 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
- এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।

তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ ভবনের ওয়েবসাইট।
৭০৮.
ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত নারী সদস্যের সংখ্যা কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদ: 
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে এক জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ন'জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিন জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) রয়েছে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
-  ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭০৯.
মুজিবনগর সরকারের সচিবালয়ের প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. রুহুল কুদ্দুস
  2. ইউসুফ আলী এম.এন.এ
  3. মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
  4. আবদুল মান্নান এম.এন.এ
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো:
- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল।
- মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ত্রাণ, প্রকৌশল, পুলিশ, তথ্য ও হিসাব কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১০.
'জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি'- ঘোষণা করেন কে?
  1. তিতুমীর
  2. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  3. দুদু মিয়া
  4. ফকির মজনু শাহ
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা

দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি” ঘোষণা করেন দুদু মিয়া।

উল্লেখ্য,
- হাজী শরীয়তুল্লাহ একটি ইসলামী সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন।
- ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন হাজী শরীয়তুল্লাহ।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- আল্লাহ কর্তৃক নির্দেশিত অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় কর্তব্যসমূহকে ফরজ বলা হয়।
- শরীয়তুল্লাহ মুসলমানদের স্থানীয় লোকাচার পালনের বিরোধী ছিলেন।
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে।
- অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় কর্তব্যসমূহকে কার্যকর করতে হাজী শরিয়তউল্লাহ ফরায়েজি মতাদর্শ প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র, মো. মোজাম্মেল হক।

৭১১.
২ক নং অনুচ্ছেদটি কোন সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত করা হয়?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
খ) অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অষ্টম
ব্যাখ্যা

-সংবিধানের ২ক নং অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ছিলো না। 
-১৯৮৮ সালে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্মের বিধান সংবলিত ২ক নং অনুচ্ছেদটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়। 
-২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা এটিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়। 
অন্যদিকে,
-পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ৮,৯,১০,১২ অনুচ্ছেদ পুণর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়। 
-চতুর্দশ
সংশোধনীর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০ থেকে ৪৫টি করা হয়। 
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

৭১২.
সম্প্রতি দেশের কোন ব্যাংক প্রথমবারের মতো সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড চালু করেছে?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি
  2. ইস্টার্ণ ব্যাংক পিএলসি
  3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  4. মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড:
- দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্কাইফ্লেক্স ভিসা প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে।
- এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক সোশ্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড।
- এতে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়েছে দ্য ইউরস ট্রুলি ও ভিসা।
- এ উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইবিএল এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এএমডি আহমেদ শাহীন ও ডিএমডি এম খোরশেদ আনোয়ার; ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ এবং দ্য ইউরস ট্রুলির চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম, এমডি মাহজাবিন ফেরদৌস ও সিইও ব্রেইটি সাবরিন।

উৎস: Eastern Bank PLC ওয়েবসাইট।
৭১৩.
'কবর' নাটকটির বিষয়বস্তু কি?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধ
  2. খ) বঙ্গভঙ্গ
  3. গ) ভাষা আন্দোলন
  4. ঘ) সিপাহী বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
গ) ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

কবর নাটকটির রচনাকাল ১৯৫৩, প্রকাশকাল ১৯৬৬, পূর্ববাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক। নাটকটির পটভূমি হলো ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য - ড সৌমিত্র শেখর।

৭১৪.
বাংলাদেশ টেলিভিশন প্রথম কোন ভবন থেকে সম্প্রচার শুরু করে?
  1. ক) শাহবাগ বেতার ভবন
  2. খ) রাজউক ভবন
  3. গ) রামপুরা টিভি ভবন
  4. ঘ) পুরাতন সংসদ ভবন
সঠিক উত্তর:
খ) রাজউক ভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজউক ভবন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এটিকে রামপুরায় নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয় এবং ৬ মার্চ থেকে পুনরায় সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রামকেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভি তার ১৪টি উপ/রিলে কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯৫ ভাগ এলাকায় টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার বজায় রেখেছে।
(সূত্রঃ বিটিভি ওয়েবসাইট)
৭১৫.
মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে কোথায় নির্বাসিত করা হয়?
  1. ভারতে
  2. পাকিস্তানে
  3. নেপালে
  4. মায়ানমারে
সঠিক উত্তর:
মায়ানমারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়ানমারে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর:
- আওরঙ্গজেবে পর মোগল সাম্রাজ্য তথা ভারতের শেষ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর। 
- তিনি দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় আকবর শাহর দ্বিতীয় পুত্র।

⇒ ১৮৩৭ সালে তিনি দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন।
- বাহাদুর শাহ সিংহাসনে আরোহণের ২০ বছর পর সূত্রপাত হয় ঐতিহাসিক সিপাহি বিদ্রোহের। 
- দেশপ্রেমিক সিপাহিরা মুঘল বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফরকে ভারতবর্ষের স্বাধীন বাদশাহ বলে ঘোষণা দেন।
- ওই মুহুর্ত থেকে বাহাদুর শাহ জাফর হলেন বিদ্রোহের প্রধান পরিচালক ও কেন্দ্রস্বরূপ।
- বাহাদুর শাহ জাফর সিপাহিদের বিপ্লব তথা ভারতবর্ষের প্রথম সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন- এই সংবাদে কানপুর, লক্ষৌ বিহার, ঝাঁশি, বেরিলি থেকে শুরু করে পশ্চিম ও পূর্ব বাংলার সর্বত্র সিপাহিরা গর্জে ওঠেন।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে ব্রিটিশ শাসকেরা তাঁকে মিয়ানমারে নির্বাসনে পাঠান।
- ১৮৬২ সালের ৭ নভেম্বর সেখানেই তিনি মারা যান।
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
⇒ আধুনিক ভারতবর্ষের ইতিহাসে সাহিত্য ক্ষেত্রে সবচেয়ে উজ্জ্বলতর রেনেসাঁর জন্য তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে।
- তিনি নিজে অসংখ্য কালজয়ী কবিতা ও গজল রচনা করেন।
- এর পাশাপাশি তিনি তাঁর সমসাময়িক হিন্দুস্তানের বিশিষ্ট কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন অসীম উদারতায়।
- তাঁদের মধ্যে মির্জা গালিব (জীবনকাল: ১৭৯৭-১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দ) ও শেখ মুহাম্মদ ইব্রাহিম জওক (জীবনকাল: ১৭৮৯-১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দ) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৬.
‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  3. গ) রাজা রামমোহন রায়
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
সঠিক উত্তর:
খ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ এর প্রতিষ্ঠাতা - নওয়াব আব্দুল লতিফ।

• আবদুল লতিফের জন্ম- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলায়।
- কলকাতা মাদ্রাসায় তিনি ইংরেজী শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনে আবদুল লতিফ প্রথমে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে এবং কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন এবং ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতার প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত হন।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের কাউন্সিল আইন অনুযায়ী বাংলায় ব্যবস্থাপক পরিষদ গঠিত হলে তিনি এর সদস্য মনোনীত হন। 
- কর্মজীবনে কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার প্রথমে তাঁকে ‘খান বাহাদুর’ এবং পরে ‘নওয়াব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- আবদুল লতিফের সর্বাপেক্ষা উল্লেখ্যযোগ্য কীর্তি ছিল ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা।

তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৭.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামী বিচার চলাকালীন অবস্থায় শহিদ হন?
  1. আহমেদ ফজলুর রহমান
  2. সার্জেন্ট শামসুল হক
  3. সার্জেন্ট আবদুল জলিল
  4. সার্জেন্ট জহুরুল হক
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
-২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হক বিচার চলাকালীন অবস্থায় শহিদ হন।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৭১৮.
সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের স্থল বন্দর-
  1. ক) পেট্রাপোল
  2. খ) কৃষ্ণনগড়
  3. গ) ডাউকি
  4. ঘ) মোহাদিপুর
সঠিক উত্তর:
গ) ডাউকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডাউকি
ব্যাখ্যা
স্থলবন্দর:
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বাস্থবক) নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- ২০০১ সালের ২০ নং আইনের দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৫টি।
- যার মধ্যে চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি। চালুকৃত ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

- সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে দেশের ২৫তম স্থলবন্দর হিসেবে মুজিবনগর স্থলবন্দরের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি স্থলবন্দর

এছাড়াও--
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দর।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
৭১৯.
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশী পণ্য আমদানী করে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭২০.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ -১৯৭২-এর অপর নাম কী?
  1. Representation of the People Organization
  2. Representation of the Power Organization
  3. Representation of the Power Order
  4. Representation of the People Order
সঠিক উত্তর:
Representation of the People Order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Representation of the People Order
ব্যাখ্যা
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো Representation of the People Order (আরপিও) বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

• RPO:
- RPO-এর পূর্ণরূপ: Representation of People Order.
- বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।

⇒ নির্বাচনের মূল ভিত্তি সংবিধান।
- সেই সংবিধানের অধীনেই করা হয়েছিলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (রিপ্রেজেন্টেটিভ পিপলস অর্ডার ১৯৭২) , যা এ পর্যন্ত অনেকবার সংস্কার হয়েছে।
- বিশেষ করে বাংলাদেশে ২০০৭ সালের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বছরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিলো এ আইনে।
- রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন, প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয় নিরূপণ কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীকে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো সে সময়ে সংযোজিত হয়েছে।
- সবশেষ ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩।
- নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষের গণঅধিকার কোনগুলো এবং এ অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন কী করবে সেটিই বলা হয়েছে আরপিওতে।
- “এর ১৪৫টি ধারার মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত সব বিষয় বর্ণনা করা আছে।
- এর মাধ্যমে বলা আছে যে কীভাবে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। 
ii) BBC.
৭২১.
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২০ অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন লোক বাস করে?
  1. ক) ১০৭৮ জন
  2. খ) ১০৯০ জন
  3. গ) ১১১৬ জন
  4. ঘ) ১১৬০ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ১১১৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১১৬ জন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬.৪৭ কোটি। জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১১৬ জন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১ শতাংশ। জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশ ৮ম।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার-আগস্ট)
৭২২.
৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হবে কবে?
  1. ক) ২০২০ সালে
  2. খ) ২০২১ সালে
  3. গ) ২০২২ সালে
  4. ঘ) ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে পরবর্তী ৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হবে ২০২১ সালের ২ থেকে ৮ জানুয়ারী। এতে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সহায়তা করবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জনশুমারি পরিচালনা করে থাকে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
৭২৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কে ঘোষণা করেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন এবং এই ছয় দফাকে আখ্যায়িত করেন ‘আমাদের (বাঙালিদের) মুক্তি সনদ’ রূপে। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
৭২৪.
মেট্রোরেলে বিনা টিকিটে ভ্রমণের জন্য 'ক' অভিযুক্ত হলো। তার নিকট টিকিট ছিলো, এটা প্রমাণের দায়
  1. কর্তব্যরত পুলিশের
  2. মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের
  3. অভিযুক্তের
  4. কর্তব্যরত আনসারের
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের
ব্যাখ্যা

⇒ মেট্রোরেলে বিনা টিকিটে ভ্রমণের জন্য 'ক' অভিযুক্ত হলো। তার নিকট টিকিট ছিলো, এটা প্রমাণের দায় অভিযুক্তের।

মেট্রোরেলের টিকেটিং সিস্টেম:
- মেট্রোরেলে যাতায়াতের জন্য দুই ধরনের টিকেট চালু আছে।
• MRT Pass.
• Single Journey Ticket (SJT).
- কোন ব্যক্তি যদি, টিকেট বা বৈধ পাস ব্যতিরেকে বা অনুমোদিত দূরত্বের অধিক মেট্রোরেলে ভ্রমণ করেন বা ভাড়া এড়ানোর উদ্দেশ্যে অন্য কোন কৌশল অবলম্বন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্মকাণ্ড হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি মেট্রোরেলের যাতায়াতের ভাড়ার ১০ (দশ) গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ড দণ্ডনীয় হইবেন।

তথ্যসূত্র - লজ অব বাংলাদেশ ওয়েবসাইট। (লিংক)

৭২৫.
পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. বৌদ্ধ
  2. খ্রিষ্টান
  3. মুসলিম
  4. হিন্দু
সঠিক উত্তর:
মুসলিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম
ব্যাখ্যা
পাঙন উপজাতি:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় ।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

সূত্র - ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭২৬.
আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড প্রধানত কোন ধরনের সার উৎপাদন করে?  
  1. MOP সার
  2. DAP সার
  3. SSP সার
  4. ইউরিয়া সার
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা

• আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড:
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড(AFCLL) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত।
- এই কারখানাটি বিসিআইসি-এর অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- আশুগঞ্জ সার কারখানাটি ১৯৮১ সালে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করে এবং
- ১৯৮৩ সালের ১ জুলাই বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রমে প্রবেশ করে।
- কারখানাটি মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদন ও সরবরাহ করে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৭২৭.
‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র’ প্রণয়নের নেতৃত্বে কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ আবুল মকসুদ
  2. মুনতাসীর মামুন
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. গোলাম মোস্তফা
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ': 'দলিলপত্র
- ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতা রক্ষা করা ও বিকৃতির আশংকা এড়িয়ে যাবার জন্যই ইতিহাস রচনার পরিবর্তে দলিল ও তথ্য প্রকাশকেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়েছে।
- আর সে প্রকল্পের ফসলই “বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র”।
- প্রায় ১৫,০০০ পৃষ্ঠায় ১৫ খন্ডে এসব দলিলপত্র প্রণয়ন করে ১৯৮২ সালে তা প্রকাশ করা হয়। 
- এ দলিলপত্রাদি ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মফিজুল্লাহ কবীর ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমানের যৌথ নেতৃত্বে একটি প্রামাণ্যকরণ কমিটি কর্তৃক প্রণীত।
- প্রায় সাড়ে তিন লাখ পৃষ্ঠাব্যাপী বিপুলায়তন ও সংগৃহীত উপাত্ত থেকে নির্বাচন করে প্রামাণ্যকরণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনের পর কালপঞ্জি অনুসারে বিভিন্ন খন্ডে প্রকাশ করা হয়।

⇒  বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সরকারের উদ্যোগে ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমির মাধ্যমে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের তথ্য সংগ্রহের প্রকল্প শুরু হয়।
- রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস লিখন ও মুদ্রণ প্রকল্প গ্রহণ করে।
- পরবর্তীকালে এই প্রকল্প স্বাধীনতা যুদ্ধ সংক্রান্ত দলিল ও তথ্যসমূহ প্রকাশনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৮ সালের জানুয়ারি থেকে। 
- তবে প্রকল্পটি সরকারি অনুমোদন লাভ করে ১৮ জুলাই ১৯৭৮-এ বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী (নং ৫১/২/৭৮/ডেব/২৬১)।
- এই প্রকল্পের সদস্য সচিব হাসান হাফিজুর রহমান বাংলা একাডেমি কর্তৃক ইতোপূর্বে সংগৃহীত দলিলপত্রসমূহ স্ব-উদ্যোগে গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি এরশাদ সরকারের শাসনামলে ১৯৮২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে খন্ডগুলির প্রকাশ শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- দলিলপত্রের প্রথম খণ্ডে রয়েছে পটভূমি (১০৫-১৯৫৮), দ্বিতীয় খণ্ডেও পটভূমি (১৯৫৮-১৯৭১), তৃতীয় খণ্ডে ‘মুজিবনগর: প্রশাসন’, চতুর্থ খণ্ডে ‘মুজিবনগর: প্রবাসী বাঙালিদের তৎপরতা’, পঞ্চম খণ্ডে ‘মুজিবনগর: বেতারমাধ্যম’, ষষ্ঠ খণ্ডে ‘মুজিবনগর: গণমাধ্যম’, সপ্তম খণ্ডে ‘পাকিস্তানি দলিলপত্র: সরকারি ও বেসরকারি’, অষ্টম খণ্ডে ‘গণহত্যা, শরণার্থী শিবির ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা’, নবম খণ্ডে ‘সশস্ত্র সংগ্রাম (১)’, দশম খণ্ডে ‘সশস্ত্র সংগ্রাম (২)’, একাদশ খণ্ডে ‘সশস্ত্র সংগ্রাম (৩)’, দ্বাদশ খণ্ডে ‘বিদেশি প্রতিক্রিয়া: ভারত’, ত্রয়োদশ খণ্ডে ‘বিদেশি প্রতিক্রিয়া: জাতিসংঘ ও বিভিন্ন রাষ্ট্র বিশ্ব জনমত’, চতুর্দশ খণ্ডে ‘বিশ্ব জনমত’, পঞ্চদশ খণ্ডে ‘সাক্ষাৎকার’, ষোড়শ খণ্ডে ‘কালপঞ্জী, গ্রন্থপঞ্জী ও নির্ঘণ্ট’ সন্নিবেশিত আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ': 'দলিলপত্র। 
ii) বাংলাপিডিয়া।

৭২৮.
পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি সার্কেল রয়েছে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা

• পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩টি সার্কেল রয়েছে। এগুলো হলোঃ
- চাকমা সার্কেল (রাঙামাটি),
- মং সার্কেল (খাগড়াছড়ি) এবং
- বোমাং সার্কেল (বান্দরবান)।
• পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত।
- সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়।

উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৭২৯.
বাংলাদেশে কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণীত হয়?
  1. ২০০২ সালে 
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

৭৩০.
২০২২ সালের জনশুমারি প্রতিবেদনে সাক্ষরতার হারে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা বিভাগ কোনটি?
  1. খুলনা
  2. রংপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে CAPI পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- CAPI এর পূর্ণরূপ: Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে: মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা (৭৮.২৪%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন বিভাগ: ময়মনসিংহ (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা: পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা: জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৭৩১.
প্রাচীন ‘সমতট’ অঞ্চলটি বর্তমান বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. নোয়াখালী 
  3. চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী 
ব্যাখ্যা

• সমতট : 
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার একটি প্রাচীন জনপদ।
- সমতট নামটি বর্ণনামূলক, অর্থ “তটের সমান্তরাল”।
- চতুর্থ শতকে সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে সমতটের উল্লেখ আছে।
- কালিদাসের রঘুবংশ কাব্যের মাধ্যমে জানা যায় সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- সপ্তম শতকে হিউয়েন সাঙ সমতটে এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙের বর্ণনা অনুযায়ী, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- মূলত মেঘনা-পূর্ববতী অঞ্চলই সমতট হিসেবে পরিচিত ছিল।
- এ অঞ্চলের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী লালমাই এলাকা।
- প্রাচীন সমতট অন্তর্ভুক্ত ছিল ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চল।

অন্যদিকে,
- বঙ্গ জনপদ: বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩২.
বাংলাদেশে প্রথম ই-পারিবারিক আদালত চালু হয় কোথায়?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• ই-পারিবারিক আদালত:
- চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে।
- বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজীকরণে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন এ ব্যবস্থায় বিচারপ্রার্থীরা ঘরে বসেই মামলা সম্পর্কিত সব তথ্য জানতে পারবেন, আবেদন করতে পারবেন, এমনকি সাক্ষ্যও দিতে পারবেন।এতে সময়, ভোগান্তি ও খরচ—সবই কমবে।

- আদালত সূত্র জানায়, ই-পারিবারিক আদালতে পাঁচ ধরনের বিষয়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে— বিবাহবিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত।

- আদালতের নিজস্ব ওয়েবসাইটে থাকবে মামলার রেজিস্ট্রেশন, আইনজীবী নির্বাচন, নথি আপলোড, অনলাইন হাজিরা ও অগ্রগতি দেখার সুবিধা। ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের পরিচয়ও নিশ্চিত করা হবে।

উৎস: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ প্রতিদিন।

৭৩৩.
উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কার শাসনামলে?
  1. লর্ড মিন্টো
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
ব্যাখ্যা
• উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় লর্ড মেয়ো-এর  শাসনামলে।
• লর্ড মেয়ো:
- তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন।
 - তিনি প্রথম কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ সৃষ্টি করেন।

অন্যদিকে,
• লর্ড ক্যানিং 
- লর্ড ক্যানিং ভারতের শেষ গভর্ণর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় ছিলেন।
- ১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং উপমহাদেশে প্রথমবারের মত কাঠামোবদ্ধ পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন। 
- একই বছর ( ১৮৬১ খ্রীস্টাব্দ ) তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস চালু করেন।
- ১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং ভারত উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন।
- তিনি উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
• লর্ড মিন্টো:
'মর্লি মিন্টো সংস্কার আইন, ১৯০৯' এর মাধ্যমে মুসলামানদের পৃথক নির্বাচনের অধিকার দেন।
• লর্ড কার্জন:
- তাঁর পুরো নাম জর্জ নাথানিয়েল কার্জন।
- লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- তার নামানুসারে 'কার্জন হল' নির্মিত হয়েছিল।
- কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭৩৪.
শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে-
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) বিএসসি
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) বিএসইসি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিএসইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিএসইসি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ জুন, ১৯৯৩ সালে।
- শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা এর প্রধান উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশের প্রথম শেয়ারবাজার ও বৃহত্তম শেয়ার বাজার- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৪ সালে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড।
- এটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

৭৩৫.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর ধারা ১৫ অনুযায়ী সরকারি কতটি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ২৮টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ৩০টি
  4. ঘ) ২৯টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৯টি
ব্যাখ্যা
• তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় সরকারি ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা করেছে সরকার।
• তথ্য পরিকাঠামো হলো কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক, যেখানে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
• ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী, এ আইন দিয়ে সরকার কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে।
• গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করলে সাত বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। বেআইনিভাবে প্রবেশ করে ক্ষতিসাধন বা ক্ষতির চেষ্টা করলে ১৪ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডই দেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং প্রথম আলো।
৭৩৬.
ষাট গম্বুজ মসজিদটি কোন আমলে নির্মিত?
  1. মোঘল আমল
  2. সুলতানি আমল
  3. নবাবী আমল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সুলতানি আমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানি আমল
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
- তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এই বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৭৩৭.
বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
  2. খ) হাতিয়া, নোয়াখালী
  3. গ) পেকুয়া, কক্সবাজার
  4. ঘ) পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) পেকুয়া, কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেকুয়া, কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি:
- সাবমেরিনের সুষ্ঠু পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ জেটি সুবিধার জন্য কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার পেকুয়ায় সাবমেরিন ঘাঁটি ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ কমিশনিং করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডুবোজাহাজ ঘাঁটি।
- ২০২৩ সালের ২০ মার্চ গণভবন হতে ভিডিও টেলিকনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নামফলক উন্মোচন করেন। 
- এর মধ্য দিয়ে ঘাঁটিটি নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করল।
- ১২ মার্চ ২০১৭ তারিখে ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ নির্মাণে ঘাঁটির নামফলক উন্মোচিত হয়।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৩৮.
'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর অন্যতম প্রধান আয়োজক ছিলেন -
  1. ক) বব ডিলান
  2. খ) মার্ক এন্থনি
  3. গ) জর্জ হ্যারিসন
  4. ঘ) পিটার সোরি
সঠিক উত্তর:
গ) জর্জ হ্যারিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জর্জ হ্যারিসন
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' জর্জ হ্যারিসনকে অনুষ্ঠানটি করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৭৩৯.
কোন পত্রিকাটি ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতা করে?
  1. ক) সাপ্তাহিক সৈনিক
  2. খ) পাকিস্তান অবজারভার
  3. গ) দৈনিক আজাদ
  4. ঘ) মর্নিং নিউজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মর্নিং নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মর্নিং নিউজ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে সংবাদপত্রের ভূমিকা ছিলো অসামান্য।
সৈনিক, ইত্তেফাক, আজাদ, সংবাদ, অগত্যা, মিল্লাত, ইনসাফ, জিন্দেগী, পাকিস্তান অবজারভার প্রভৃতি পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের সমর্থনে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে, ‘মর্নিং নিউজ’ পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের শুরু থেকেই তথ্য বিকৃতি করে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৭৪০.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের-
  1. ক) ২ মার্চ
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ১০ মার্চ
  4. ঘ) ২৫ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ক) ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ মার্চ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি
৭৪১.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে কত দফা প্রণীত হয়?
  1. ১ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
ব্যাখ্যা

১১ দফা কর্মসূচি:
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে 'এগারো দফা' প্রণীত হয়।
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে 'ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪২.
বাংলাদেশের মোট শ্রম শক্তির কতভাগ শিল্পখাতে নিয়োজিত? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ১৭ শতাংশ
  2. ৩৪ শতাংশ
  3. ২৭ শতাংশ
  4. ৩৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ বাংলাদেশের মোট শ্রম শক্তির ১৭ শতাংশ শিল্পখাতে নিয়োজিত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭৪৩.
কোন রাজবংশ প্রায় চারশ বছর বাংলা শাসন করে?
  1. গুপ্ত
  2. মৌর্য
  3. পাল
  4. সেন
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশ:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- সুশাসন, জনকল্যাণ, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, উন্নত জীবনবোধ ইত্যাদি বাংলায় সর্বপ্রথম পালরাই প্রতিষ্ঠিত করে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৪.
খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি কোন কাঠের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
  1. চাপালিশ কাঠ
  2. গরান কাঠ
  3. সুন্দরী কাঠ
  4. গেওয়া কাঠ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
ব্যাখ্যা

• শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

১) কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

২) নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে

৩) দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

৪) রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৫) পর্যটন শিল্প: পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সুন্দরবন পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪৫.
নিচের কোনটি বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়?
  1. ক) কেমব্রিজ
  2. খ) অক্সফোর্ড
  3. গ) আল-আজহার
  4. ঘ) নালন্দা
সঠিক উত্তর:
ঘ) নালন্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নালন্দা
ব্যাখ্যা
• নালান্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ও পুর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গণ্য করা হয়।
- ৬০০ খ্রীষ্টপূর্বের দিকে সে সময়কার রাজা সকরাদিত্য প্রতিষ্ঠা করেন এই বিশ্ববিদ্যালয়। 
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও top-10-list.org, theculturetrip.com
৭৪৬.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মোজাফফর আহমদ
  2. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনি সিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৩৭,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৭৩,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ১,৮৭,০৩,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭৪৮.
NIPORT প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

তথ্যসূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।  
৭৪৯.
রাজবংশী উপজাতি প্রধানত কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. সিলেট
  2. রংপুর
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

• রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭৫০.
১১ দফা ঘোষণা করা হয় কত তারিখ?
  1. ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
  2. ১৯৬৯ সালের ৬ জানুয়ারি
  3. ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি
  4. ১৯৬৯ সালের ১৬ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:

- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষনা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই উনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫১.
দেশে মুক্তবাণিজ্য এলাকা স্থাপনে জাতীয় কমিটি গঠন করেছে কোন সংস্থা? [মে, ২০২৫]
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)
  3. বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)
  4. বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)
ব্যাখ্যা
মুক্তবাণিজ্য এলাকা স্থাপনে জাতীয় কমিটি:
- মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল (এফটিজেড) এমন ধরনের নির্দিষ্ট এলাকা, যেখানে শুল্ক কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়াই পণ্য আমদানি, উৎপাদন ও পুনঃ রপ্তানি করা যেতে পারে।
- বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি, বাণিজ্য বৃদ্ধি ও শিল্পায়ন বৃদ্ধিতে এফটিজেড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সম্প্রতি, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে দেশে মুক্তবাণিজ্য এলাকা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- মুক্ত বাণিজ্য এলাকা বা ফ্রি ট্রেড জোন (এফটিজেড) স্থাপনের জন্য গত ২১ এপ্রিল আট সদস্যের জাতীয় কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- এই কমিটি ফ্রি ট্রেড জোন স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইন, প্রণোদনা ও মডেল পর্যালোচনা করবে।
- কমিটি আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে এফটিজেড ঘোষণা করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য,
- কমিটির সভাপতি বেজার নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন); সদস্যসচিব বেজার পরিচালক (ওএসএস ও সমন্বয়)।
- এ ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) থেকে একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন এই কমিটিতে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৭৫২.
When was the Bangabandhu 1 satellite launched successfully into the space?
  1. ক) May 10, 2018
  2. খ) May 16, 2018
  3. গ) May 14, 2018
  4. ঘ) May 12, 2018
সঠিক উত্তর:
ঘ) May 12, 2018
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) May 12, 2018
ব্যাখ্যা
• স্যাটেলাইট ও বাংলাদেশ:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
- 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট'-১ ফ্রান্সের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে।

• স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ:
- ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট।
- অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিটে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়।

• স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ স্থান:
- যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

• এছাড়াও আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
- মন্ত্রণালয়/বিভাগ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)।
- বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
- বাস্তবায়নকাল: ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত।
- প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়: ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা।
- সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়: ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
- নির্মাণ সংস্থা: বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে।
- Thales এর চুক্তিমূল্য: ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা
- উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।

সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
৭৫৩.
অর্থনীতিতে চাহিদা বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) আকাঙ্খা ও অর্থ প্রদানের সামর্থ্য
  2. খ) আকাঙ্খা
  3. গ) অর্থ প্রদানের সামার্থ্য
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) আকাঙ্খা ও অর্থ প্রদানের সামর্থ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাঙ্খা ও অর্থ প্রদানের সামর্থ্য
ব্যাখ্যা
সাধারণতঃ কোন নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট দামে একজন ব্যক্তি কোন দ্রব্যের যে পরিমাণ দ্রব্য কিনতে প্রস্তুত থাকে তাকে ঐ দ্রব্যের চাহিদা বলে। এখানে “কিনতে প্রস্তুত থাকে” এর মধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্য লুকায়িত থাকে। প্রথমে ব্যক্তির ঐ দ্রব্যটি কিনার ইচ্ছা থাকতে হবে, দ্বিতীয়তঃ দ্রব্যটি কিনার জন্য তার হাতে প্রয়োজনীয় অর্থ থাকতে হবে এবং সবশেষে তার ঐ টাকা ব্যয়ের ইচ্ছা থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৫৪.
সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮-২৩
  2. অনুচ্ছেদ ৯-২৪
  3. অনুচ্ছেদ ৮-২৫
  4. অনুচ্ছেদ ৭-২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮-২৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ (৮-২৫)।
৮৷ মূলনীতিসমূহ;
৯। জাতীয়তাবাদ;
১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
১৩৷ মালিকানার নীতি;
১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
১৬৷ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন। 
১৯৷ সুযোগের সমতা।
২০৷ অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
২১৷ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য। 
২২৷ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
২৩৷ জাতীয় সংস্কৃতি।
২৩ক। উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।
২৪৷ জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
২৫৷ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭৫৫.
কোন পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে?
  1. সাপ্তাহিক বঙ্গদূত
  2. সাপ্তাহিক সৈনিক
  3. সাপ্তাহিক কল্লোল
  4. সাপ্তাহিক ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল- 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকা। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' -এর উদ্যোক্তা গণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিসেরও মুখপত্র।
- সাপ্তাহিক সৈনিক -এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। 
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। 
- পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও  কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৫৬.
নিম্নের কোন সংস্থা 'বীজ উৎপাদন খামার' পরিচালনা করে থাকে?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
  3. গ) কৃষি তথ্য সার্ভিস
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
BADC এর কার্যাবলি সমূহ:
- বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ
- সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
- কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ প্রভৃতি।

১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
 
সারাদেশব্যাপী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা -
দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার – ২৪টি
পাট বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
আলু বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার - ৪টি
সবজি বীজ উৎপাদন খামার ২টি -
চুক্তিবদ্ধ চাষী জোন - ৮৬টি
এছাড়া এ সংস্থা ৯টি উদ্যান উন্নয়ন কেন্দ্র ও ১৪টি এগ্রো-সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে উৎপাদিত বিভিন্ন ফসলের চারা, কলম, গুটি ইত্যাদি উৎপাদন
ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
২০২১-২২ অর্থবছরে বিএডিসি কর্তৃক বীজ উৎপাদন ও বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে - ১,৫৭,৬৭৭ মেট্রিক টন ও ১,২১,৫৯৮ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ধানের বীজ উৎপাদন ও বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে - ৯৭,৪৪৬ মেট্রিক টন ও ৮২,২৯২ মেট্রিক টন।

(তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট)
৭৫৭.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়?
  1. সপ্তম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. নবম সংশোধনী
  4. দশম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী: 
- অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়। এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনবলে - 
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে ইবহমধষর শব্দটি পরিবর্তন করে ইধহমষধ করা হয় এবং উধপপধ পরিবর্তন করে উযধশধ করা হয়;
(৪) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

অন্যদিকে: 
- সপ্তম সংশোধনী আইন ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর এই আইন পাস হয়। এই আইন দ্বারা সংবিধানের ৮৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়; এর দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়। 

- নবম সংশোধনী আইন সংবিধান আইন, ১৯৮৯ (নবম সংশোধনী) পাস হয় ১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে। এই সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান করা হয়; রাষ্ট্রপতির পদে একই ব্যক্তির দায়িত্ব পালন পর পর দুই মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয় (প্রতি মেয়াদকাল ৫ বছর)।  

- দশম সংশোধনী আইন ১৯৯০ সালের ১২ জুন দশম সংশোধনী আইন কার্যকর হয়। এর দ্বারা, অন্যান্যের মধ্যে, সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৩০টি আসন সংরক্ষণের বিধান করা হয়, যেসব আসনে নারীরা নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্যদের ভোটে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৭৫৮.
কোন যুদ্ধে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে জয়লাভের পর শের খান 'শেরশাহ' উপাধি গ্রহন করেন?
  1. চৌসার যুদ্ধে
  2. খানুয়ার যুদ্ধে
  3. গোগরার যুদ্ধে
  4. কনৌজ যুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
চৌসার যুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌসার যুদ্ধে
ব্যাখ্যা

চৌসার যুদ্ধ:
- ১৫৩৯ সালের ২৬ জুন বিহারের চৌসারে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ও আফগান নেতা শের খান (পরে শের শাহ সূরি) এর মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে শের খান বিজয়ী হন এবং হুমায়ুন পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।
- এর মাধ্যমে মুঘল শাসনের পতন শুরু হয় এবং সূরি বংশের উত্থান ঘটে।

⇒ সম্রাট হুমায়ুন গৌড় পরিত্যাগ করার পূর্বে জাহাঙ্গীর কুলী বেগকে বাংলার শাসনভার অর্পণ করেন।
- হুমায়ুন তাঁর বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে আগ্রা অভিমুখে যাত্রা করলেন।
- কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে পথিমধ্যে বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে শেরখান ও তাঁর আফগান অনুচরেরা সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন চৌসায় উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে চৌসার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে হুমায়ুন শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়।
- চৌসার যুদ্ধে শের খানের জয়লাভ ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কেননা এর ফলে শের খানের রাজ্য পশ্চিম দিকে কনৌজ হতে পূর্বে আসাম ও চট্টগ্রাম এবং উত্তর দিকে রোটাস হতে দক্ষিণ দিকে বীরভূম পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে।
- এই যুদ্ধের পর শেরখান 'শেরশাহ' উপাধি ধারণ করেন এবং নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন ও পাঠের নির্দেশ প্রদান করেন।
- পক্ষান্তরে এই যুদ্ধে হুমায়ুনের পরাজয়ের মাধ্যমে মুঘলদের সামরিক ও কূটনৈতিক দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫৯.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
গ) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান। [সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
৭৬০.
রেণু বা পোনা উৎপাদনের জন্য দেশে সরকারি হ্যাচারির সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১০৬৮টি
  2. খ) ১১৪টি
  3. গ) ১৪৩টি
  4. ঘ) ১৬৫ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে মৎস্য চাষে মোট চাহিদার প্রায় শতভাগ পূরণ করছে হ্যাচারি উৎপাদিত রেনু/পোনা। রেণু বা পোনা উৎপাদনের জন্য দেশে সরকারি হ্যাচারির সংখ্যা - ১৪৩টি ও  বেসরকারি হ্যাচারির সংখ্যা - ১০৬৮টি।


[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
 
৭৬১.
'কিলো ফ্লাইট' কোন বাহিনীর সাথে সম্পর্কিত নাম?
  1. মুক্তিবাহিনী
  2. নৌবাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. জেড ফোর্স
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা
কিলো ফ্লাইট:
- ১৯৭১ এর সেপ্টেম্বর এর মাঝামাঝি ভারত সরকার অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারকে একটি স্বাধীন বিমান বাহিনী গঠনের জন্য আমেরিকায় তৈরী ১টি পুরানো ডিসি-৩ বিমান, কানাডার তৈরী ১টি অটার বিমান এবং ফ্রান্সের তৈরী ১টি এ্যালুয়েট-৩ হেলিকপ্টার দেয়।
- এর সাথে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে একটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরিত্যক্ত রানওয়ে ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
- এই সীমিত সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।
- বিমান বাহিনী প্রধান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- সশস্ত্র বিমান বাহিনী গঠনে গোপনীয়তা রক্ষার্থে এর গুপ্ত নাম হয় 'কিলো ফ্লাইট'।
- 'কিলো ফ্লাইটের' অস্তিত্ব বিডি এফ এবং গোটা কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছাড়া আর কেউ জানতেন না।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৭৬২.
বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার নিজের শততম টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড অর্জন করেন?
  1. মমিনুল হক
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. নাজমুল হোসেন শান্ত
  4. তামিম ইকবাল
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

মুশফিকুর রহিম:
- দেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুশফিকুর রহিম।
- ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম ক্রিকেটার এবং বিশ্বের ৮৪তম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০তম টেস্ট খেলেন মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম দিন শেষে (১৯ নভেম্বর, ২০২৫) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। 
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ দিনের দ্বিতীয় ওভারে পেসার জর্ডান নিলের করা ওভারের তৃতীয় বলে এক রান নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার ও বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫ সালে ঐতিহাসিক লর্ডস টেস্ট দিয়ে মুশফিকুর রহিমের আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

৭৬৩.
বাংলাদেশের বর্তমানে (২ সেপ্টেম্বর'২৪) নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কয়টি?
  1. ৪৬টি
  2. ৪৭টি
  3. ৫১টি
  4. ৫২টি
সঠিক উত্তর:
৪৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের নিবন্ধিত  রাজনৈতিক দল:

- ২০২৪ সালের  ২ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন (ইসির) নিবন্ধন পেয়েছে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের দল গণ অধিকার পরিষদ (জিওপি)।
- একই দিনে নিবন্ধন পেয়েছে মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্য। 
- ২ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 
- ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা হলো ৪৭টি। 
- ২১ আগস্ট, ২০২৪ ইসির নিবন্ধন পায় জামায়াতে ইসলামীর সংস্কারপন্থিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক দল আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

সূত্র- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। 
৭৬৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. সোনারতরী
  2. অগ্নিবীণা
  3. গীতবিতান
  4. বনফুল
সঠিক উত্তর:
গীতবিতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীতবিতান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- এই সঙ্গীত বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যম হিসেবে এই গান প্রচার করেন।
- ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক জনসভায় গানটি গীত হয়।
- ২৩ মার্চ, ১৯৭১ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা প্যারেডেও গানটি গীত হয়।

⇒ মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিবেশিত হতো।
- স্বাধীনতার পর সাংবিধানিকভাবে (অনুচ্ছেদ ৪.১) ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি গীতবিতানের স্বদেশ পর্বে অন্তর্ভুক্ত।
- এর চরণসংখ্যা ২৫।
- গানের প্রথম ১০ লাইন কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ লাইন যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।
- প্রথম চার চরণের যন্ত্রসংগীত বাজানো হয় বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে।
- দেশে ১৯৭৮ সালে জাতীয় সংগীত বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয়েছিল। 
- ১৯০৫ সালের সঞ্জীবনী পত্রিকায় ও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় গানটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী একটি সমাবেশে প্রথম গানটি গাওয়া হয়।
- গানটি গীতবিতান গ্রন্থের স্বদেশ অংশের অর্ন্তভুক্ত।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১১ মার্চ ২০১৫, প্রথম আলো।
৭৬৫.
’প্রভাতী’ কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. আলু
  3. বাধাঁকপি
  4. পেয়াজ
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত, 
- এটলাস ৭০,
- টোকিও প্রাইড,
- লিও ৮০ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৭৬৬.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. সফিউল কাদের
  3. লুৎফর রহমান
  4. এম এ বাকী খলীলী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বিশ্বে আধুনিক ক্ষুদ্রঋণের জনক তিনি।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের স্থপতি সফিউল কাদের।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
৭৬৭.
'সোনাহাট স্থলবন্দর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. চুয়াডাঙ্গা
  3. লালমনিরহাট
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

সোনাহাট স্থলবন্দর:
- সোনাহাট স্থলবন্দরটি কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপেজলা সীমান্তে অবস্থিত।  
- এ স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ী জেলার গোলকগঞ্জ এলসিএস রয়েছে।
- ২৫ অক্টোবর ২০১২ তারিখে সোনাহাট শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ৯ জুন ২০১৮ তারিখে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়। 
- আমদানিযোগ্য পণ্য: পাথর, কয়লা, তাজাফল, ভূট্টা, গম, চাল, ডাল, পিঁয়াজ, রসুন, আদা।
- রপ্তানিযোগ্য পণ্য: সকলপণ্য।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৭৬৮.
২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য পরিচালিত অপারেশনটির নাম কী?
  1. ব্লেক লাইট
  2. ব্লু বার্ড
  3. বিগ বার্ড
  4. রেড হেড
সঠিক উত্তর:
বিগ বার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিগ বার্ড
ব্যাখ্যা
অপারেশন বিগ বার্ড:
- ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য পরিচালিত অপারেশনটির নাম অপারেশন 'বিগ বার্ড'।
- ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান রাতের অন্ধকারে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।
- সেই কালরাত্রিতেই জেনারেল রাও ফরমান আলী খানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সামরিক অভিযানের কোড ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ঢাকায় ও দেশের অন্যান্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যাপক তাণ্ডব ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো করা হয়।
- ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- রাত ১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়।
- এর কয়েক মিনিটের মধ্যে ওয়্যারলেসে ৫৭ ব্রিগেডের মেজর জাফর জানায়-‘বিগ বার্ড ইন দ্য কেজ, অন্যান্য পাখিরা নীড়ে নেই, ওভার’ (সূত্র : উইটনেস টু স্যারেন্ডার; লেখক : সালিক সিদ্দিক)।
- অতঃপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঢাকা থেকে রাওয়ালপিন্ডির লয়ালপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে তিরান্নবই হাজার পাকিস্তানি সেনাসদস্য ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- ০৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও যুগান্তর, ১০ জানুয়ারি ২০২২।
৭৬৯.
জাপান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে জাপানের স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার পর প্রথম যে কয়টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে, জাপান তার মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমপর্ণের মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। বাংলাদেশের বিজয় অর্জনে জাপানিপত্র-পত্রিকায় শিরোনাম করল 'Pakistanis Ink Surrender Papers'.
- ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জাপান এয়ার লাইন্সের একটি বিরাট বিমান নানা সাহায্য সামগ্রী নিয়ে ঢাকা পৌঁছায়। জাপানের জনগণ ও স্কুলের ছেলেমেয়েরা জাপান রেডক্রসের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য এই সাহায্য দান করেন। জাপানি স্কুল শিশুরা তাদের টিফিনের অর্থ বাঁচিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
-  স্বীকৃতি দান প্রসঙ্গে হায়াকাওয়া বলেন, জাপান স্বাধীন বাংলাদেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দিয়েছিল। সিদ্ধান্তটি ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর জাপান কূটনীতির ক্ষেত্রে এই প্রথম স্বতস্ফূর্তভাবে একটা উদ্যোগ নিল।
- ১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি: জাপান বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। জাপান বাংলাদেশে দূতাবাসের কার্যক্রম চালু করে। তাকাশি ওয়ামাদা বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রথম জাপানি রাষ্টদূত। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল। 
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে।
 
উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৭৭০.
দেশের প্রথম পাতাল রেলের রুট কোনটি?
  1. ক) বিমানবন্দর থেকে শাহবাগ
  2. খ) খিলক্ষেত থেকে কমলাপুর
  3. গ) বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর
  4. ঘ) কুড়িল থেকে রমনা
সঠিক উত্তর:
গ) বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর
ব্যাখ্যা
এক নজরে পাতাল ট্রেন 
- প্রকল্পের নাম:- ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট লাইন-১ (এমআরটি-১)।
- প্রকল্পের মোট ব্যয়:- ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। 
- রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান:- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
- পরামর্শক প্রতিষ্ঠান:- জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড (জেভি)। 
- রুট:- ২টি। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর (বিমানবন্দর রুট) পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার অংশ ভূগর্ভস্থ হবে ও নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল (পূর্বাচল রুট) পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার হবে উড়াল। 
- স্টেশন সংখ্যা:- বিমানবন্দর রুটে ১২টি ও পূর্বাচল রুটে ৯টি স্টেশন থাকবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার নভেম্বর ২০২২
৭৭১.
স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য ডা. সিতারা বেগমকে কোন খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর-উত্তম
  3. বীর-প্রতীক
  4. বীর-বিক্রম
সঠিক উত্তর:
বীর-প্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর-প্রতীক
ব্যাখ্যা
ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম এবং ২নং সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল।
- ২ নং সেক্টরের হাসপাতালের নাম ছিল ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এখানে ডা. জাফরউল্লাহ, ডা. মোবিন, ডা. আখতার, ডা. সিতারা বেগমসহ আরও অনেক চিকিৎসক।
- এটি প্রথমে স্থাপিত হয় বাংলাদেশের কুমিল্লার সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পরবর্তীতে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে।
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন, তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি। 

উৎস:  প্রথম আলো, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০।
৭৭২.
যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান কোথায়?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. জেরুজালেম
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
যিশু খ্রিস্ট:
- যিশু ছিলেন একজন ইহুদি ধর্মপ্রচারক।
- যিনি খ্রিস্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য হন।
- যিশুকে প্রদত্ত উপাধি ‘খ্রিস্ট’ থেকে খ্রিস্টধর্মের নামকরণ করা হয়েছে।
- আদি বাইবেল অনুযায়ী ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয়।
- যিশুর জন্মস্থান জেরুজালেমের বেথলেহেম শহরে।
- যিশু খ্রিস্টের জন্মদিনকেই বড় দিন হিসেবে পালন করা হয়।
- যিশুর মাতার নাম মারিয়াম, তাকে মেরি নামে ডাকা হতো।

উল্লেখ্য,
- যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ ও মৃত্যুর দিন হিসাবে গুড ফ্রাইডে স্মরণ করা হয়।

উৎস: Britannica.
৭৭৩.
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল -
  1. দৈনিক ইত্তেফাক
  2. সাপ্তাহিক সৈনিক
  3. একুশে সংকলন
  4. সাপ্তাহিক জয়বাংলা
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল - 'সৈনিক' পত্রিকা। এটি সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হত।
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' - এর উদ্যোক্তাগণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন। সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিশেরও মুখপত্র। এতে তৎকালীন বাংলা ভাষার প্রতিযশা সকল লেখকগণই লিখে বাংলা সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।
সাপ্তাহিক সৈনিক - এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় - ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উল্লেখ্য, তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে আরো একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হতো যার নাম - 'মাসিক দ্যুতি'।
মাসিক দ্যুতি - ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষে কাজ করলেও সে অর্থে এটিকে ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র বলা যায় না।
এছাড়াও, 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাও ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার পক্ষে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করতো।
বাংলা ভাষার পক্ষের আরো কয়েকটি পত্রিকা হচ্ছে - ইনসাফ, মিল্লাত, ইত্তেহাদ, ইত্তেফাক, ঢাকাপ্রকাশ, সীমান্ত ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 'মর্নিং নিউজ' উর্দুর পক্ষে নিউজ প্রকাশ করে বাংলা ভাষার তীব্র বিরোধিতা করতো।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
৭৭৪.
নিম্নের কোনটি সরকারি আইনগত সহায়তার হেল্পলাইন নম্বর  হিসেবে পরিচিত?
  1. ১৬৪২০
  2. ৩৩৩
  3. ১০৯৮
  4. ১৬৪৩০
সঠিক উত্তর:
১৬৪৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪৩০
ব্যাখ্যা

- কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিগত সরকারের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে আইনি সহায়তার দিতে হেল্পলাইন চালু করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়া যাবে

বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার।
- ১০৯: নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নম্বর।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

সূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৭৭৫.
'মুসলিম মহিলা সমিতি' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  2. খ) বেগম সুফিয়া কামাল
  3. গ) হাজী মুহম্মদ মহসীন
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ক) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া  সাখাওয়াত হোসেন
- বেগম রোকেয়ার সময়কালে মেয়েরা ছিল খুবই পর্দানশিন।
- বেগম রোকেয়া তাঁর বড় ভাই ইবরাহিম সাবের এবং বড় বোন করিমুন্নেসার কাছে শিক্ষা লাভ করেন। 
- বেগম রোকেয়ার লিখিত গ্রন্থ অবরোধ বাসিনী, পদ্মরাগ, মতিচুর, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতিতে সে চিত্র ফুটে উঠেছে।
- তিনি স্বামীর নামে ভাগলপুরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।
- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি কোলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন। 
- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে এটি উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে উন্নিত হয়।
- তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা এবং সুপারিনটেনডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। 
- বেগম রোকেয়া নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতায় আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা সমিতি) প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭৬.
UNCAC বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেন কত সালে?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC):
- UNCAC এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention Against Corruption.
- জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC) হলো দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক বৈশ্বিক চুক্তি।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের সংখ্যা (Signatories) : ১৪০।
- পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রের সংখ্যা (Parties) : ১৯১।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।

উৎস: UN ওয়েরবসাইট।

৭৭৭.
'বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. খুলনা
  3. যশোর
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
- খুলনার রূপসার সামন্তসেনায় অবস্থিত ‘বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ 
- এ প্রকল্পের আওতায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে মোল্লাহাট মধুমতি নদী থেকে পাইপের মাধ্যমে অপরিশোধিত পানি রূপসার সামন্তসেনায় নির্মিত বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে পরিশোধন করা হচ্ছে।
- সামন্তসেনায় ৪৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৪ একর জমির ওপর এ প্ল্যান্টটি নির্মিত হয়েছে।  
- এতে দৈনিক গড়ে ১১ কোটি লিটার পানি পরিশোধন হচ্ছে। 
উৎস: banglanews24.com
৭৭৮.
মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধি ছিলো-
  1. ক) ফারাও
  2. খ) সম্রাট
  3. গ) ইখনাটন
  4. ঘ) সিজার
সঠিক উত্তর:
ক) ফারাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফারাও
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশরীয় রাজাদের উপাধি ছিলো ফারাও। ফারাও শব্দের অর্থ বড়বাড়ি। বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান। মেনেস ছিলেন প্রথম ফারাও। রোমান সম্রাটদের উপাধি ছিলো সিজার।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭৭৯.
অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম কতজন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. ৩০ জন
  2. ৪৫ জন
  3. ৬০ জন
  4. ১৫১ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৮০.
বাংলাদেশে মোট কতটি সরকারি EPZ রয়েছে?
  1. ক) ৭ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ৮ টি
  4. ঘ) ৯ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- বাংলাদেশের প্রথম EPZ চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা , নীলফামারী।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ কাস্টমস এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৮১.
বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড’ নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) শেরশাহ
  2. খ) ইসলাম খান
  3. গ) লর্ড ডালহৌসী
  4. ঘ) শাহ সুজা
সঠিক উত্তর:
ক) শেরশাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেরশাহ
ব্যাখ্যা
• গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড  ষোল শতকে সুলতান শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক।
• এ দীর্ঘ সড়ক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রশাসনিক কাজে গতি সৃষ্টি করা। এ ছাড়া, প্রতিরক্ষার কৌশলগত দিক সামনে রেখে সমগ্র সাম্রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নিত বিধানও এর লক্ষ্য ছিল।
• এর মাধ্যমে রাজধানী আগ্রার সঙ্গে সাম্রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে যুক্ত করা হয়েছিল। 
• ‘সড়ক-ই-আজম’ নামে পরিচিত এ সড়ককে ঘিরে আরও কিছু কর্মতৎপরতার প্রমাণ মেলে।

• ১৮৩৯ সালের সংস্কার পরিকল্পনায় বাংলাদেশে ও উত্তর ভারতের অন্তর্ভুক্ত সড়কের অংশ কলকাতা সামরিক বিভাগের উপর ন্যস্ত হয়। এ সময় রাস্তাটির প্রায় ৩৭৭ কিমি পাকা করা হয়।
• অবশেষে ১৮৪৮ সালে লর্ড ডালহৌসীর শাসনামলে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয়।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৭৮২.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত? ( জুলাই-২০২৫)
  1. নরসিংদী
  2. গাইবান্ধা
  3. কক্সবাজার
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
গাইবান্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা
- দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র তিস্তা সোলার লিমিটেড।
- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নির্মিত দুইশ মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ।
- দেশের সবচেয়ে বড় ও এশিয়ার অন্যতম বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র এটি।
- তিস্তা সোলার লিমিটেড নামের এই কেন্দ্রটি গড়ে তুলেছে বেক্সিমকোর গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার লিংক।
৭৮৩.
ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) পল ব্যারন
  2. খ) মাউন্টব্যাটন
  3. গ) ক্লিমেন এ্যাটলি
  4. ঘ) ডেভিট লোডে
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লিমেন এ্যাটলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লিমেন এ্যাটলি
ব্যাখ্যা
ব্রটিশ শাসন:

- ক্লিমেন এ্যাটলি ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ব্রটিশ শাসন অবসানের পূর্ব মুহূর্তে শুধু বাংলা না সারা ভারত জুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলছিল। 
- ভারতবাসী স্বাধীনতা ছাড়া আর কোন কিছু মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল না।
- ইংল্যান্ডের নব নির্বাচিত লেবার পার্টি সরকার বুঝতে পারে এই অবস্থায় বেশি দিন ভারত শাসন করা যাবে না।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এ্যাটলি ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয়দের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন ।
- এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের বড় লাট ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে 'ভারত স্বাধীনতা আইন' প্রণয়ন করেন এবং ঐ বছর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- বিভক্ত হয় ভারতীয় উপমহাদেশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৪.
“যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই” উক্তিটি কার-
  1. জন স্টুয়ার্ট মিল
  2. অ্যালান বল
  3. ম্যাকাইভার
  4. হ্যারল্ড লাসওয়েল
সঠিক উত্তর:
জন স্টুয়ার্ট মিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন স্টুয়ার্ট মিল
ব্যাখ্যা

বিরোধী দল:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।
- “যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই” উক্তিটি করেন জন স্টুয়ার্ট মিল।
- গণতন্ত্র রক্ষায় বিরোধীদলের বিকল্প নেই।
উল্লেখ্য,
- ‘Comparative Politics and Government’ নামক গ্রন্থের লেখক অ্যালান বল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

৭৮৫.
‘ভাটিয়ালি’ গান বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসংগীত?
  1. রাজশাহী ও রংপুর 
  2. বরিশাল ও পটুয়াখালী
  3. ময়মনসিংহ ও সিলেট
  4. রংপুর ও দিনাজপুর 
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও সিলেট
ব্যাখ্যা

• ভাটিয়ালি:
- ভাটিয়ালি এক ধারার  লোকগীতি।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য সুরের দীর্ঘ টান ও লয়।
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় এই গান বিশেষভাবে প্রচলিত।

অন্যদিকে,
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত।
- গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।
- ধামাইল গান প্রধানত সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক নাচ ও গানের নাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৭৮৬.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম কী ছিল?
  1. অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথ
  2. বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  3. সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
  4. উন্নয়নমুখী বাজেট: আগামীর বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- বাজেটের ক্রম : ৫৪-তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫-তম)। 
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'। 
- বাজেট উত্থাপনের তারিখ: ২ জুন, ২০২৫ সাল। 
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। (অর্থ উপদেষ্টা)
- বাজেট অনুমোদন: অনুমোদন ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর - ১ জুলাই, ২০২৫।

​উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। 

৭৮৭.
অপারেশন জ্যাকপট কী ধরনের অভিযান ছিল?
  1. স্থল
  2. বিমান
  3. নৌ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
নৌ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌ
ব্যাখ্যা
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি নৌ-কমান্ডো পরিচালিত নৌ-অভিযান।
- এতে জলপথে পাকিস্তানি বাহিনীকে আঘাত করা হয়।

অপারেশন জ্যাকপট:
- অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ে যুদ্ধের গতি সম্পর্কে বিশ্বকে ধারণা দিতে সক্ষম হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭৮৮.
প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন কারা?
  1. সেন বংশ
  2. পাল বংশ
  3. গুপ্ত বংশ
  4. মৌর্য বংশ
সঠিক উত্তর:
মৌর্য বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌর্য বংশ
ব্যাখ্যা
• প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করে মৌর্য বংশ (Maurya Dynasty)। খ্রিস্টপূর্ব ৩২২ সালে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। মৌর্যরা ছিল প্রাচীন ভারতে প্রথম সুসংগঠিত ও কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা, যা উত্তরাধিকার সূত্রে শাসিত হয়েছিল।
------------- 
অন্যদিকে,
পাল সাম্রাজ্য:
- বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন → পালরা।
- বাংলার প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ → পালবংশ।
- প্রায় ৪২৪ বছর শাসন করেছে।
- পালবংশের প্রতিষ্ঠাতা ও গণতান্ত্রিকভাবে  নির্বাচিত ভারতবর্ষের প্রথম রাজা→ গোপাল।
- সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠাতা → রাজা ধর্মপাল।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা  → ধর্মপাল।
- পাল বংশের শেষ রাজা → মদনপাল।
- পাল বংশের শেষ রাজধানী → বরেন্দ্র।

উল্লেখ্য
- চর্যাপদ রচিত হয় → পাল শাসনামলে।
- পাল যুগের পুঁতি চিত্র আঁকা হয় → তালপাতার উপর।
- পাল শাসকদের উপাধি ছিল → মহারাজাধিরাজ, পরমেশ্বর।
- কৈবর্ত বিদ্রোহ / বরেন্দ্র বিদ্রোহ হয় → ২য় মহিপালের সময়ে।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
৭৮৯.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক?
  1. নেকড়ে অরণ্য
  2. দুই সৈনিক
  3. যে অরণ্যে আলো নেই
  4. জলাংগী
সঠিক উত্তর:
যে অরণ্যে আলো নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে অরণ্যে আলো নেই
ব্যাখ্যা
• 'যে অরণ্যে আলো নেই' নীলিমা ইব্রাহীমের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় রচিত একটি নাটক।
নাটকটি ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,
• শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় রচিত উপন্যাসগুলো-
- দুই সৈনিক (১৯৭৩),
- নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩),
- জাহান্নাম হইতে বিদায়,
- জলাংগী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৯০.
বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কোন জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) ভোলা
  3. গ) নড়াইল
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
খ) ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভোলা
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
- ভোলা জেলায় দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে ১৯৪৭ সালে তাঁর জন্ম হয়।
- মোস্তফা কামাল  ১৯৬৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে পালিয়ে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন।
- প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে নিয়োগ করা হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, কুমিল্লায় 
- বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ কেরন।
- ১৯৭১ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিবেশে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে অভ্যন্তরীণ গোলযোগ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় মোতায়েন করে।
- মোস্তফার গুলীবর্ষণে পাকিস্তানি সৈন্যদের প্রায় ২০-২৫ জন হতাহত হয় এবং তাদের অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়ে।
- পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে মোস্তফা কামালের অবস্থানের উপর মেশিনগান এবং মর্টারের গোলাবর্ষণ করতে থাকে।
- এক পর্যায়ে মোস্তফা কামালের এল.এম.জি-র গুলি নিঃশেষ হয়ে যায় এবং তিনি মারাত্বক জখম হন।
- তখন পাকিস্তানি সৈনিকরা ট্রেঞ্চে এসে তাঁকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।
- দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সমাহিত করেন।  
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৭৯১.
‘জুলাই ৩৬ গেট’ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত হয়েছে?
  1. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  2. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় 
  3. রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় 
ব্যাখ্যা

• জুলাই ৩৬ গেইট:
-সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে  জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি অম্লান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ‘জুলাই ৩৬ গেইট’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ২৪ এর জুলাইয়ের শহীদ ও আহত বীর সন্তানদের প্রতি সম্মান জানিয়ে গেইটটির নাম ‘জুলাই ৩৬’ রাখা হয়েছে। নামটির প্রতিটি অংশে নিহিত আছে স্মৃতি ও প্রতিজ্ঞা।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস, আঞ্চলিক অফিস, সিলেট।

৭৯২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য রয়েছে?
  1. ক) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  2. খ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. গ) মধ্যাঞ্চল
  4. ঘ) উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃষ্টিবহুল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য রয়েছে।
এটি দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল। এ বনের উদ্ভিদের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর প্রভৃতি প্রধান। তবে এ বনাঞ্চলের কম বৃষ্টিবহুল এলাকায় পত্রপতনশীল বৃক্ষের উপস্থিতি দেখা যায়।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
৭৯৩.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন -
  1. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
  2. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
অস্থায়ী সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদর দপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৭৯৪.
দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয় কবে?
  1. আগস্ট ২০২২
  2. ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  3. ডিসেম্বর ২০২২
  4. আগস্ট ২০২৩
সঠিক উত্তর:
আগস্ট ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগস্ট ২০২৩
ব্যাখ্যা

• শুল্ক নীতি:
- ২০১৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রথমবারের মতো শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১০ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় শুল্ক নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে।

⇒ জাতীয় শুল্ক নীতিমালার লক্ষ্য আমদানি শুল্ক কাঠামোকে যৌক্তিক করা, কারণ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে না।
- এই শুল্ক নীতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বাড়াবে।
- এতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- ফলে, সরকার ধীরে ধীরে আমদানি শুল্কের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৭৯৫.
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের অধীন শিল্পনগরীর সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৭২টি
  2. খ) ৭৬টি
  3. গ) ৭৯টি
  4. ঘ) ৮২টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৬টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৭৬টি।
- এসব শিল্পনগরীতে উৎপাদনরত মোট শিল্প ইউনিটের সংখ্যা ৪,৫৪৫টি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৭৯৬.
কোন বিষয়টি ছয়দফার অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. ক) ফেডারেল সরকার পদ্ধতি
  2. খ) মুদ্রা ব্যবস্থা ও পৃথক রিজার্ভ ব্যাংক
  3. গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) পূর্ব পাকিস্তানে নৌবাহিনীর সদরদপ্তর স্থাপন
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
ছয়দফার দাবীসমূহ হলো:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।
- পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের জন্যে পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠার বিষয়টি ছয়দফার অন্তর্ভুক্ত ছিলো না।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৭৯৭.
কোন পণ্যকে ২০২৬ সালের 'বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল
  2. আইসিটি পণ্য ও সেবা
  3. পেপার ও প্যাকেজিং পণ্য
  4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
পেপার ও প্যাকেজিং পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেপার ও প্যাকেজিং পণ্য
ব্যাখ্যা

২০২৬ সালের বর্ষপণ্য:
- ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টসকে।
- এ বছর মেলায় পলিথিন ব্যাগ এবং একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
-  রপ্তানি প্রসারে প্রতি বছর একটি সম্ভাবনাময় পণ্যকে 'বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
- ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
- নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) এই মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- সেখানে পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টসকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেন।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

৭৯৮.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) মৎস্যখাত
  4. ঘ) শিল্পখাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদানের চিত্র:
- ২০১৭-১৮ অর্থবছর : ৩৩.৬৬ শতাংশ
- ২০১৮-১৯ অর্থবছর : ৩৫.০০ শতাংশ
- ২০১৯-২০ অর্থবছর : ৩৫.৩৬ শতাংশ।
অন্যদিকে,
- একই সময়ে জিডিপিতে সেবা, কৃষি ও মৎস্য খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৭৯৯.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ হয়?
  1. রাজশাহী
  2. ময়মনসিংহ
  3. খাগড়াছড়ি
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুমচাষ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- পাহাড়ী  এলাকায় তারা প্রধানত জুম চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।
- সাধারণত জুম চাষের জন্য কৃষিভূমি স্থানান্তর করা হয়।
- প্রথমে জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করে তাতে আগুন দেয়া হয় এবং তারপর মাটি কুপিয়ে লাইন ধরে বীজ রোপন করা হয়।
- একবার যে ভূমিতে ফসল ফলানো হয় তাতে এক নাগাড়ে চাষ না করে কয়েক বৎসরের জন্য জমিকে বিশ্রাম দিয়ে পতিত রাখা হয়।
- পুনরায় জঙ্গলাকীর্ণ হওয়ার পর এ জমিতে পুনর্বার চাষ হয়।
- জুম চাষের মাধ্যমে ভুট্টা, বিভিন্ন প্রকারের ধান, তিল, শাকসজি, তুলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮০০.
বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব গ্রিন রেলওয়ে পরিবহন প্রস্তুতিমূলক প্রকল্পে অর্থায়ন করবে কোন সংস্থা? [মে, ২০২৫]
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)
  4. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
গ্রিন রেল পরিবহন প্রকল্প:
- পণ্য পরিবহনে সড়কপথে চাপ কমিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধে ‘গ্রিন রেলওয়ের’ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
- গ্রিন রেলওয়ে বাস্তবায়নে কয়েকটি মেগা প্রকল্প নেওয়া হবে।
- এই পরিবহন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি হিসেবে ৯৩ কোটি ৫১ লাখ টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
- রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রেলওয়ে ‘গ্রিন রেলওয়ে পরিবহন প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
- প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে রেলপথ ঢেলে সাজানোসহ কয়েকটি রেলস্টেশন অবকাঠামোও নির্মাণ করা হবে। 
- যার মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ২৮ কোটি ৩৭ লাখ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প ঋণ ৬৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
- ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরের কমলাপুর, বিমানবন্দর, ফৌজদারহাট, চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ড, পতেঙ্গা বে টার্মিনাল ও মিরসরাই এলাকা এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে।
- এ ছাড়া প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফৌজদারহাট থেকে চট্টগ্রামের গুডস পোর্ট ইয়ার্ড ও বে টার্মিনাল পর্যন্ত রেল–সংযোগ স্থাপন এবং মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে উন্নত রেল–সংযোগ স্থাপন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]