উত্তর
ব্যাখ্যা
সমিতির উদ্যোগে মোট সাতটি সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৩ সালের ৮-৯ মে সমিতির সপ্তম ও শেষ বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা ও সাহিত্যিক নামে এর দুটি মুখপত্র ছিল।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮৮ / ৩০৬ · ৮,৭০১–৮,৮০০ / ৩০,৮৩২
◉ ১৯৮৯ সালে গৃহীত ৯ম সংশোধনীর মাধ্যমে উপরাষ্ট্রপতি পদে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনের বিধান চালু করা হয়।
নবম সংশোধনী আইন:
- সংবিধান আইন, ১৯৮৯ (নবম সংশোধনী) পাস হয় ১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে।
- এই সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান করা হয়; রাষ্ট্রপতির পদে একই ব্যক্তির দায়িত্ব পালন পর পর দুই মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয় (প্রতি মেয়াদকাল ৫ বছর)।
- এই সংশোধনীতে আরও বলা হয় যে, শূন্যতা সৃষ্টি হলে একজন উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা যেতে পারে, তবে সেই নিয়োগের পক্ষে জাতীয় সংসদের অনুমোদন আবশ্যক হবে।
এছাড়াও,
প্রথম সংশোধনী: সংবিধানের প্রথম সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে।
দ্বিতীয় সংশোধনী: ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হয়।
তৃতীয় সংশোধনী: মূলত ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণী একটি চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭৪ সালের ২৩ নভেম্বর এ সংশোধনী আনা হয়।
চতুর্থ সংশোধনী: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।
পঞ্চম সংশোধনী: জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল।
ষষ্ঠ সংশোধনী: ১৯৮১ সালের ১০ জুলাই এ সংশোধনী আনা হয়।
সপ্তম সংশোধনী: ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সপ্তম সংশোধনী আনা হয়।
অষ্টম সংশোধনী: ১৯৮৮ সালের ৯ জুন সংবিধানে অষ্টম সংশোধনী আনা হয়।
নবম সংশোধনী: নবম সংশোধনী আনা হয় ১৯৮৯ সালের ১১ জুলাই।
দশম সংশোধনী: ১৯৯০ সালের ১২ জুন দশম সংশোধনী বিল পাস হয়।
একাদশ সংশোধনী: গণঅভ্যুত্থানে এইচ এম এরশাদের পতনের পর বিচারপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে ১৯৯১ সালে এ সংশোধনী পাস হয়।
দ্বাদশ সংশোধনী: ১৯৯১ সালের এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
ত্রয়োদশ সংশোধনী: ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়।
চতুর্দশ সংশোধনী: ২০০৪ সালের ১৬ মে এ সংশোধনী আনা হয়।
পঞ্চদশ সংশোধনী: ২০১১ সালের ৩০ জুন এ সংশোধনী আনা হয়।
ষোড়শ সংশোধনী: উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা আইন প্রণেতাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধন পাস হয় ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
সপ্তদশ সংশোধনী: ২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারি আনা হয় সপ্তদশ সংশোধনী।
উৎস:
১। বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২। বাংলাপিডিয়া।
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।
তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।
ইলিয়াস শাহের সিংহাসন লাভ ও রাজ্য বিস্তার:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।
- ইলিয়াস লখনৌতির শাসনকর্তা আলী মুবারকের ধাত্রীমাতার পুত্র ছিলেন।
- পরে আলী মুবারক বাংলাদেশে চলে আসেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের প্রধান সেনাপতি হন।
- ইলিয়াস শাহ যখন সিংহাসনে বসেন তখন পূর্ব ও দক্ষিণ বঙ্গ তার রাজ্যের বাইরে ছিল।
- তিনি প্রথমে সাতগাও দখল করেন।
- এরপর ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করেন ও প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করেন।
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাও অধিকার করে সারা বাংলাদেশের সুলতান হন।
- ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'সুলতান-ই- বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অপারেশন সার্চ লাইট:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান বৈশিষ্ট্য গণহত্যা।
- পাকিস্তানী বাহিনী পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা শুরু করে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত্রিতে।
- বাঙালিকে শক্তির সাহায্যে দমন করার পরিকল্পনার নাম তারা দিয়েছিল 'অপারেশন সার্চ লাইট'।
- বাঙালিদের দমন করার জন্য ৩ ব্যাটালিয়ন সৈন্য 'অপারেশন সার্চ লাইটে' অংশগ্রহণ করে।
- রাত ১১ টার দিকে অপারেশন শুরু হয়।
- এই অপারেশনের লক্ষ্য ছিল গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগ। ঐ রাতে পুরো ঢাকা শহর আক্রান্ত হয়।
- সে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের হত্যা করে জগন্নাথ হল, রোকেয়া হলসহ বিভিন্ন জায়গায় গণকবর দেয়া হয়।
- সে রাতে ৭ জন শিক্ষক শহিদ হয়েছিলেন। শাঁখারি বাজার, তাঁতিবাজার, নয়াবাজার পুড়িয়ে দেয়া হয়। সে রাতে পাকিস্তানী বাহিনী ঢাকা শহরে দশ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করেছিল।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
⇒ বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ১৯৭২ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৭নং আদেশে আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যমান সকল স্থানীয় সরকার কমিটি ভেঙে দেয়। এসব অবলুপ্ত কমিটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার কিছু কমিটি নিয়োগ করে। অধিকন্তু ইউনিয়ন কাউন্সিল ও জেলা কাউন্সিল যথাক্রমে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত (পরবর্তী সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ) ও জেলা বোর্ডে (পরবর্তী সময়ে জেলা পরিষদ) রূপান্তরিত হয়। অবশ্য থানা কাউন্সিল ও বিভাগীয় কাউন্সিলের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো কমিটি নিয়োগ করা হয় নি।
⇒ ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটানো হয় এবং স্থানীয় সংস্থা সম্পর্কিত বিধানাবলি অকেজো হয়ে পড়ে। অবশ্য নির্দিষ্ট কিছুসংখ্যক স্থানীয় সংস্থা গঠনের বিধান রাখা হয়, তবে এর অধিকাংশই নির্বাচনভিত্তিক নয়। শেখ মুজিবের হত্যা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের (আগস্ট ১৯৭৫) ফলে স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত উন্নয়ন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।
⇒ ১৯৭৬ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমানের নতুন সরকার স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। এতে তিন ধরনের গ্রামীণ স্থানীয় সরকার গঠনের বিধান রাখা হয়,
যথা,
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- থানা পরিষদ।
- জেলা পরিষদ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর: পুরানা পল্টন, ঢাকা।
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহন করেছে ১৯৮৪ সালে।
উৎস: Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট।
- বঙ্গ জনপদ বিস্তৃত ছিল- ঢাকা, ফরিদপুর , বরিশাল অঞ্চল নিয়ে।
বঙ্গ:
→ বঙ্গ বাংলার একটি সুপ্রাচীন মানব-বসতির স্থান বা জনপদ, যা চৌদ্দ শতকে মুসলমান শাসনামলে পরিবর্তিত রূপে বাঙ্গালাহ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।
→ ঐতরেয় আরণ্যক-এ সর্বপ্রথম মগধের সাথে বঙ্গ নামক একটি জনগোষ্ঠীর কথা উল্লিখিত হয়েছে।
→ মহাকবি কালীদাসের রঘুবংশ কাব্যে আছে বঙ্গের অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কিত কিছু তথ্য।
→ তিনি ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলেছেন।
→ আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির ‘গঙ্গরিডাই’।
→ প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়। একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ। বর্তমানে নাব্য বলে কোনো জায়গা নেই। অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
→ বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে ‘বঙ্গ’ বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
→ সুতরাং বঙ্গের এই ভৌগোলিক পরিচিতি হিন্দু ও বৌদ্ধ যুগ পেরিয়ে মুসলিম যুগের প্রাথমিক পর্যায়েতো বটেই, সম্ভবত ‘বাঙ্গালাহ’ নামের বিকাশ পর্যন্তই ছিল।
অন্যদিকে,
- হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল- সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- প্রাচীন ত্রিপুরা বা বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট জনপদ।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
উন্নত জাতের টমেটো হল মিন্টু।
- বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- সিন্দুরী হল উন্নত জাতের আলু।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।
উৎস: ais.gov.bd
অনুচ্ছেদ: ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
অন্যদিকে,
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদ : সকল নাগরিকের জন্যে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- ২২ নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২০ নং অনুচ্ছেদ : অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
'ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকা:
- ২০২৪ সালে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরের কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা হিসাব করে 'ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫' তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক শিপিং-বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদমাধ্যম লয়েডস লিস্ট।
- বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন অবস্থান এখন ৬৮তম।
- ২০২৪ সালে এই বন্দর ৩২ লাখ ৭৫ হাজার একক কনটেইনার পরিবহন করেছে।
লয়েডস লিস্টের ক্রমতালিকা অনুযায়ী, গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৬৭তম।
উল্লেখ্য,
- তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চীনের সাংহাই বন্দর।
- ২০২৪ সালে বন্দরটি দিয়ে ৫ কোটি ১৫ লাখ একক কনটেইনার পরিবহন হয়েছে।
- তালিকায় সবার শেষে, অর্থাৎ ১০০তম স্থানে রয়েছে চিলির সান অন্তোনিও বন্দর।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।লিঙ্ক]
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু হলো সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধন করতে হলে জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়।
⇒ ১৪২ নং অনুচ্ছেদ:
- এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও—
(ক) সংসদের আইন দিয়ে এই সংবিধানের যেকোনো অংশ যোগ করা, বদলানো, নতুন করে লেখা বা বাদ দেওয়ার মাধ্যমে সংশোধিত হতে পারবে:
তবে শর্ত আছে যে,
(অ) এমন সংশোধনির জন্য আনা কোনো বিলের পুরো শিরোনামে এই সংবিধানের কোনো অংশ সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে সেই বিলটি আলোচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস না হলে এমন কোনো বিল রাষ্ট্রপতির কাছে সম্মতির জন্য পাঠানো যাবে না;
(খ) উপরোক্ত উপায়ে কোনো বিল পাস হয়ে সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হলে, পাঠানোর সাত দিনের মধ্যে তিনি সেই বিলে সম্মতি দিতে হবে, এবং তিনি তা করতে না পারলে সেই সময়ের শেষে তিনি সম্মতি দিয়েছেন বলে গণ্য হবে।]
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
• বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
- বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ভুটান।
- ভুটান ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ভুটানের পর একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে।
---------------------------------------
• স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
- স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দেশ পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
• আরব বিশ্বের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ ছিল- ইরাক।
• অনারব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া- একই দিনে, ১৯৭২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি।
• ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- পূর্ব জার্মানি।
• আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
• সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ ছিল- পোল্যান্ড।
• দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে- ভেনিজুয়েলা।
• উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- বার্বাডোস।
• ওশেনিয়া অঞ্চলে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- টোঙ্গা।
• মহাশক্তিগুলোর মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২।
• যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল ১৯৭২। অপরদিকে ।
• পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
উৎস: BBC News ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা [লিঙ্ক]।
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১১ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
- অনুচ্ছেদ ১২ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ১৩ - মালিকানার নীতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৫ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
◉ দীন-ই-ইলাহি (Din-i-Ilahi) ছিল মুঘল সম্রাট আকবরের প্রবর্তিত একটি ধর্মমত, যা তিনি ১৫৮২ খ্রিষ্টাব্দে প্রচলন করেন।
সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মোগল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- আকবর সঙ্গীতপ্রিয় ও সঙ্গীতপিপাসু ছিলেন।
- আকবরের দরবারে জ্ঞানী, গুণী, বিদ্যান, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের কদর ও প্রাধান্য ছিল।
- তার দরবারে ভারতীয়, ইরানী তুরানী, কাশ্মীরি গায়ক ছিলেন।
- বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন।
- আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।
⇒ সম্রাট আকবর সমন্বয়বাদী চিন্তার ধারক-বাহক ছিলেন।
উল্লেখ্য,
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
এছাড়াও,
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
উৎস:
i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii)ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- বাংলাদেশে চলচ্চিত্রটির প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- চলচ্চিত্রটির দৈর্ঘ্য ছিল ৯৯ মিনিট।
- চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন পূর্ণিমা সেন, সাইফুদ্দিন, বিনয় বিশ্বাস, আবদুল জব্বার খান, ইনাম আহমেদ, জহরত আরা।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
- গান করেন মাহবুবা হাসনাত ও আবদুল আলীম।
- নৃত্য পরিচালনা করেন গওহর জামিল।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন মুরারী মোহন জামান।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
নবম – অধ্যায়ঃ বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
প্রথম পরিচ্ছেদ – কর্মবিভাগ
অনুচ্ছেদ নং -- বর্ণনা
অনুচ্ছেদ – ১৩৩ -- নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী
অনুচ্ছেদ – ১৩৪ -- কর্মের মেয়াদ
অনুচ্ছেদ – ১৩৫ -- অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি
অনুচ্ছেদ - ১৩৬ -- কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ - সরকারী কর্ম কমিশন
অনুচ্ছেদ নং -- বর্ণনা
অনুচ্ছেদ – ১৩৭ -- কমিশন-প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ – ১৩৮ -- সদস্য-নিয়োগ
অনুচ্ছেদ – ১৩৯ -- পদের মেয়াদ
অনুচ্ছেদ – ১৪০ -- কমিশনের দায়িত্ব
অনুচ্ছেদ - ১৪১ -- বার্ষিক রিপোর্ট
• জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন:
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১- তলা বিশিষ্ট ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’-এর ২৫২ টি কক্ষে ১ হাজার ৮জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।উল্লেখ্য,
- জুলাই ৩৬ গেইট - সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
তথ্যসূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও পত্রিকা প্রতিবেদন।
ট্যানারি শিল্প:
- ট্যানারি শিল্প বলতে চামড়া পাকা করা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়, এমন কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়া পাকা করার পর জুতা, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট ইত্যাদি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।
- এ অঞ্চলে ১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন রণদাপ্রসাদ সাহা।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়।
- এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারীবাগ এলাকায় অনেক ট্যানারি গড়ে ওঠে।
- দেশ বিভাগের আগ পর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সব কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত কলকাতায় রপ্তানি হতো।
- ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প জনবহুল হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারে নিজস্ব শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC.
• ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে ৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ বাংলাদেশের দ্বিতীয়বার সামরিক শাসন শুরু করেন।
- এরশাদের শাসনকালে দেশ আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিকভাবে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার মধ্যে থাকে।
- এরশাদের সামরিক শাসনের অবসানের জন্য দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম চলতে থাকে।
- বহু মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রাণ দেন।
- ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের সফল গণঅভ্যুত্থানে সামরিক শাসন অবসান ঘটে।
- গণঅভ্যুত্থান হঠাৎ ঘটে নি; এরশাদের শাসনের প্রথম থেকেই বিরোধী কার্যক্রম চলতে থাকে।
- ১৯৮২ সালের শেষ থেকে ছাত্র সমাজ সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে।
- শিক্ষানীতি বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বুদ্ধিজীবীরা সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৮৩ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় জোট ও বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট গঠিত হয়।
- বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও আন্দোলনে অংশ নেন।
- ১৯৮৭ সালে সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন প্রবল হলেও এরশাদ ক্ষমতায় থাকেন।
- ১৯৯০ সালের শুরু থেকে রাজনৈতিক দলগুলো মিছিল, মিটিং ও হরতাল চালায়।
- সারাদেশের ছাত্র, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠন আন্দোলনে সক্রিয় থাকে।
- ছাত্র সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আন্দোলনকে শক্তিশালী করে।
- ১৯ নভেম্বর ১৯৯০ সালে সরকার পতনের লক্ষ্যে ৮, ৭ ও ৫ দলীয় জোট যৌথ ঘোষণা প্রদান করে।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন। এরশাদের ক্ষমতা ত্যাগের মধ্যে দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।
• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয় — ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর,
- দ্বিতীয় : আয়কর,
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক,
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক।
উৎস: এনবিআরের ওয়েবসাইট।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল:
- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও ছুটি পালন, শহীদ মিনার নির্মাণ, বর্ধমান হাউসকে বাংলা একাডেমিতে রূপান্তর করা হবে।
- সে সময় 'নিউ ইয়র্ক টাইমস্' পত্রিকার সংবাদদাতা কালাহানকে দেওয়া ফজলুল হকের তথাকথিত সাক্ষাৎকার কেন্দ্রীয় সরকারকে বিচলিত করে তোলে। পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ফজলুল হক পূর্ববাংলার স্বাধীনতা ঘোষণার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হক নানা চেষ্টা করেও কেন্দ্রীয় সরকারকে বোঝাতে ব্যর্থ হন।
- কেন্দ্রীয় সরকারের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ '৫৪ সালের ৩০মে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ৯২(ক) ধারা বলে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বরখাস্ত এবং পূর্ববাংলায় গভর্নরের শাসন ঘোষণা করেন। এভাবে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার অবসান ঘটে।
• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিলের প্রধান কারণসমূহ:
- কেন্দ্রের ষড়যন্ত্র: মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ও ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার এই জনপ্রিয় সরকারকে সরানোর ষড়যন্ত্র করে।
- আদমজী জুট মিল দাঙ্গা: ১৫ মে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর, ১৬ মে আদমজী জুট মিলে বাঙালি ও অ-বাঙালি শ্রমিকদের মধ্যে ভয়াবহ দাঙ্গা বেধে যায়, যা সরকারকে দুর্বল করে দেয়।
- ফজলুল হকের বক্তব্য: ফজলুল হককে দাঙ্গার জন্য দায়ী করা হয় এবং তিনি দেশভাগের বিরোধী বলে গুজব ছড়ানো হয়।
- ৯২(ক) ধারা: ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে প্রদেশে ৯২(ক) ধারা বা গভর্নরের শাসন জারি করেন।
- গ্রেপ্তার: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া এ. কে. ফজলুল হককে গৃহবন্দী করা হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমানসহ বহু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• নাগরিকত্ব:
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবেন।
অন্যদিকে,
- ৭(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷
- ৭(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
বিরোধী দল:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- সরকারকে সর্বদা বিরোধী দলের দাবির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
- আবার বিরোধী দল অহেতুক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
- বস্তুতঃ বিরোধী দল ছাড়া রাজনৈতিক ব্যবস্থাই অচল হয়ে পড়ে।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- প্রতিবছর ১১ জুলাই জনসংখ্যা দিবস পালন কর হলেও অনিবার্য কারণে মন্ত্রণালয় গতকাল এই দিবস পালন করেছে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।
- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।
- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।
• ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লাহ ।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের (বর্তমান মাদারীপুর জেলা) শাসশাইল গ্রামে ১৭৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দীর্ঘ বিশ বছর মক্কায় অবস্থান করেন।
- সেখানে তিনি ইসলাম ধর্মের ওপর লেখাপড়া করে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।
- দেশে ফিরে তিনি বুঝতে পারেন যে,বাংলার মুসলমানরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।
- তাদের মধ্যে অনৈসলামিক রীতিনীতি, কুসংস্কার,অনাচার প্রবেশ করেছে।
- ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার আর অনাচারমুক্ত করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।
- এই প্রতিজ্ঞার বশবর্তী হয়ে উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'।
- তিনি বাংলা তথা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসন মেনে নিতে পারেননি।
- তিনি ইংরেজ রাজত্বকে সমালোচনার চোখে দেখতেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ (১৯ মার্চ ১৯৯৬ - ৩০ মার্চ ১৯৯৬) ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১২ দিন।
- অধিকাংশ প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল নির্বাচনটি বর্জন করেছিল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি:
- দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র।
- কোনো কোনো বছর জার্মানি শীর্ষস্থানে ছিল।
- যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ৮৬৯ কোটি ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানির ১৮ শতাংশ।
- এর আগের অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি বাড়ে ১৪ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭৬০ কোটি ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি তালিকায় প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকের ওভেন, অর্থাৎ শার্ট-প্যান্ট জাতীয় পোশাক।
- ওভেন পোশাকের রপ্তানি ছিল ৪৯৫ কোটি ডলার।
- দেশটিতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে ওভেনের অংশ ২৭ শতাংশ।
- তৈরি পোশাকের নিট ক্যাটেগরির পণ্য অর্থাৎ গেঞ্জি ও সোয়েটার জাতীয় পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ডলার।
- নিটওয়্যারে অংশ ১২ শতাংশ।
তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। (LINK)