বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮৭ / ৩০৬ · ৮,৬০১৮,৭০০ / ৩০,৮৩২

৮,৬০১.
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসমূহ কতটি সার্কেলে বিভক্ত?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসমূহ তিনটি সার্কেলে বিভক্ত।

এগুলো হলো:
- চাকমা সার্কেল
- বোমাং সার্কেল এবং
- মং সার্কেল।

এর মধ্যে চাকমা সার্কেল রাঙামাটি জেলায়, বোমাং সার্কেল বান্দরবান জেলায় এবং মং সার্কেল খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত।
প্রত্যেক সার্কেল বা প্রশাসনিক এলাকার প্রধান হলেন রাজা। প্রতিটি সার্কেল কতগুলো মৌজায় এবং মৌজাসমূহ আদাম বা পাড়ায় বিভক্ত। মৌজা প্রধানরা হেডম্যান এবং গ্রাম প্রধানরা কার্বারী নামে পরিচিত।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
৮,৬০২.
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে নারী সদস্য সংখ্যা কত জন? [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা: 
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
- প্রধান উপদেষ্টা সহ বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের মোট উপদেষ্টা ২৩ জন। [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]
- বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট ৪ জন নারী উপদেষ্টা রয়েছেন। 

তাদের নাম হল:
→ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, 
→ মিজ নূরজাহান বেগম, 
→ মিজ ফরিদা আখতার, 
→ মিজ শারমীন এস মুরশিদ। 

সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৮,৬০৩.
SLIP এর পূর্ণরুপ কী?
  1. ক) School Level Improvement Plan
  2. খ) School Level Induction Plan
  3. গ) School Learning Improvement Plan
  4. ঘ) School Learning Improvement Program
সঠিক উত্তর:
গ) School Learning Improvement Plan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) School Learning Improvement Plan
ব্যাখ্যা
The School-Level Improvement Plan, re-named the School Learning Improvement Plan (SLIP) under PEDP III, is intended to improve learning outcomes and primary enrolment and completion rates through encouraging decentralization, increasing local input into school management and enhancing relations between schools and local communities.
Source: unesco.org
৮,৬০৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, নারী সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭২.৯৪%
  2. ৭৩.৭১%
  3. ৭৪.৮২%
  4. ৭৫.৭৬%
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৮,৬০৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটের পরিমাণ কত?
  1. ৬ লাখ ৯৭ হাজার কোটি
  2. ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি
  3. ৭ লাখ ৮৯ হাজার কোটি
  4. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। 
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
৮,৬০৬.
'সিপাহী বিদ্রোহ' সংঘটিত হয়েছিল কার সময়ে?
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড কর্ণওয়ালিশ
  4. লর্ড মেয়ো
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- লর্ড ক্যানিং ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল।
- বিখ্যাত রাজনীতিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব জর্জ ক্যানিংয়ের তৃতীয় পুত্র চার্লস জন ক্যানিং।
- তাঁর সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু।
- লর্ড ক্যানিং  সিপাহী বিদ্রোহ দমন করেন।
- এবং এ ঘটনার পর ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়।
- রানী প্রকাশ্য ঘোষণা দ্বারা ভারতের শাসনভার নিজ হাতে গ্রহণ করেন।
- লর্ড ক্যানিং 'ক্ষমাশীল ক্যানিং' এর উপাধি পান।

উল্লেখ্য,
- লর্ড কার্জন: লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- লর্ড কর্ণওয়ালিশ: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসনিক ও বিচার ব্যবস্থার রূপকার।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন: ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৬০৭.
Detailed Area Plan (DAP) - এর আয়তন কত?
  1. ক) ৪৯০ বর্গমাইল
  2. খ) ৫৯০ বর্গমাইল
  3. গ) ৭৯০ বর্গমাইল
  4. ঘ) ৬৯০ বর্গমাইল
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৯০ বর্গমাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৯০ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
• Detailed Area Plan (DAP)-এর আয়তন - ১,৫২৮ বর্গকিমি বা ৫৯০ বর্গমাইল

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২২ এবং রাজউক।
৮,৬০৮.
নিচের কোন বিষয়টি সংসদ সদস্য হবার অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. বয়স নূন্যতম ১৮ বছর
  2. বিদেশী নাগরিকত্ব
  3. নূন্যতম ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- অধিবেশন আরম্ভ করার জন্য ৬০ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হতে হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
- তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬০৯.
সম্প্রতি, দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় জ্বালানি বিপণন ডিপো চালু হয়েছে কোথায়?(জানুয়ারি,২০২৬)
  1. ফেনী
  2. কুমিল্লা
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

• দেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় জ্বালানি বিপণন ডিপো:
- দেশে প্রথমবারের মতো স্বয়ংক্রিয় (অটোমেটেড) জ্বালানি বিপণন ডিপোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে কুমিল্লায়। 
- ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ বরুড়া উপজেলার কুমিল্লা–চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক–সংলগ্ন মগবাড়ি এলাকায় ডিপোটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উদ্যোগে চালু হওয়া এই ডিপো থেকে কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও নোয়াখালীতে পেট্রোলিয়াম জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।
- ১৬ একরের বেশি জায়গাজুড়ে স্থাপিত কুমিল্লা ডিপোয় একসঙ্গে প্রায় ২০ হাজার টন ডিজেল, দেড় হাজার টন পেট্রল ও দেড় হাজার টন অকটেন মজুতের সক্ষমতা রয়েছে।
- চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত পাইপলাইনে জ্বালানি তেল পরিবহন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ডিপো নির্মাণ করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৮,৬১০.
দেশে প্রথম সামাজিক বনায়নের কার্যক্রম শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) রংপুর
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম জেলার বেতাগী ও পোমরাতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ১৯৮১-৮২ সালে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর ৭টি জেলায় সরকারী বনভূমিতে কমিউনিটি ফরেষ্ট্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণে অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রচলন করে।

বর্তমান পর্যন্ত সামাজিক বনায়নের আওতায় ৯৯,৩১৪ হেক্টর জমি এবং ৭৩,২২৩ কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হয়েছে।
উপকূলীয় বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৬৬ সাল থেকে।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৮,৬১১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌপথ কত নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) ৯ নং সেক্টর
  2. খ) ৪ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না। ১০ নং সেক্টরের অধীনে ছিল অভ্যন্তরিন নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল। এ সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন নৌবাহিনীর ৮ জন বাঙ্গালি কর্মকর্তা।
৮,৬১২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে থাকাকালীন কয়টি বই রচনা করেন?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজবন্দী হিসেবে কারাগারে থাকার সময় তিনটি বই রচনা করেন। 
- এই বইগুলোতে কেবল একজন রাজনীতিকের দৃষ্টিভঙ্গিই নয়, লেখকের দায়বোধও ফুটে উঠেছে।
- রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শিল্পের সুষমা- এটিই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তিন বইয়ের একমাত্রিক ব্যঞ্জনা।

অসমাপ্ত আত্মজীবনী

- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
- প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- এটি লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে।
- এখানে পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও।
- বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে। 

কারাগারের রোজনামচা

- বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বই কারাগারের রোজনামচা
-  প্রকাশিত হয়  ২০১৭ সালে।
- এই গ্রন্থের নামকরণ করেছেন শেখ রেহানা। 

আমার দেখা নয়াচীন

- তাঁর তৃতীয় বই আমার দেখা নয়াচীন
-  প্রকাশিত হয়  ২০২০ সালে।
- এটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন।
- সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত। 

উৎস: প্রথম আলো, ১৪ আগস্ট, ২০২০।
৮,৬১৩.
বাংলাদেশে কতটি উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
• উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১০টি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
• এগুলো হলো:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা,
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি, 
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান,
- কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার,
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি,
- রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী,
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার,
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হালুয়াঘাট,
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, দিনাজপুর,
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নওগাঁ।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০। [লিঙ্ক]
৮,৬১৪.
পরীবিবির মাজার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সোমপুর মহাবিহারে
  2. খ) লালবাগ কেল্লায়
  3. গ) জগদ্দল বিহার
  4. ঘ) রুপবান মুড়া
সঠিক উত্তর:
খ) লালবাগ কেল্লায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালবাগ কেল্লায়
ব্যাখ্যা
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।

তথ্যসূত্র: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৮,৬১৫.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন-
  1. লর্ড মেয়ো
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড ক্যানিং
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
• লর্ড ক্যানিং:
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং।
- লর্ড ক্যানিং ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে প্রথম ভাইসরয় ছিলেন।
- তাঁর প্রশাসনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু।
- লর্ড ক্যানিং বিদ্রোহটি দমন করেন এবং এ ঘটনার পর ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়।
- লর্ড ক্যানিং ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
- এর আগে মুদ্রা হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।
- লর্ড ক্যানিং উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন।
- ১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।

উৎস:  ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৬১৬.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ছিলেন কে?
  1. ফৌজদার
  2. শিকদার
  3. সুবাহদার
  4. ওয়াজির
সঠিক উত্তর:
শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিকদার
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬১৭.
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের গঠন:
- বিগত ২৯-০১-২০০৯ খ্রিঃ তারিখে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী (প্রজ্ঞাপন নং-মপবি/ক:বি:শা:/মসক-১/২০০৯/৪১) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনকে নিম্নরূপে পূনর্গঠন করা হয়:

→ প্রধানমন্ত্রী (চেয়ারপারসন) ।
→ পরিকল্পনা মন্ত্রী (ভাইস-চেয়ারম্যান)।
→ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ (সদস্য)।
→ সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ (সদস্য-সচিব)।
 
- ৩১ জানুয়ারী ১৯৭২ সনে “বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন” প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) “পরিকল্পনা বোর্ড” গঠনের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনের সূচনা হয়। 

→ পরিকল্পনা কমিশনের আওতায় মোট ৬টি বিভাগ রয়েছে।
বিভাগসমূহ হচ্ছে
-সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ,
- কার্যক্রম বিভাগ, 
- আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ, 
- কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ, 
- শিল্প ও শক্তি বিভাগ 
- এবং ভৌত অবকাঠামো বিভাগ।
 
 উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,৬১৮.
ক্র্যাক প্লাটুন কী?
  1. ক) স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিম
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্র উদ্ধার অভিযান
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধের নৌ কমান্ডারদের অপারেশন
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা সংগঠন। 

• ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
৮,৬১৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার কোনটি?
  1. সোমপুর বিহার
  2. সীতাকোট বিহার
  3. আনন্দ বিহার
  4. শালবন বিহার
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের হিসাবমতে, বাংলাদেশে মোট ৫১৮টি প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট রয়েছে।
এক্ষেত্রে, প্রশ্নে উল্লেখিত সাইটগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ হচ্ছে -

সীতাকোট বিহার:
- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সীতাকোট বিহার অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল।
- এই কক্ষগলি একটি প্রশস্ত টানা বারান্দার সংগে যুক্ত ছিল।
- সীতাকোট বিহার আঙ্গিনার মধ্যবর্তী স্থানে কোন প্রধান মন্দির ছিলনা।
- এখানে পাহাড়পুর,শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- সময়কাল: - খ্রিঃ ৭-৮ম শতক।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- সময়কাল: অষ্টম-নবম শতক (আনুমানিক ৭৭০ - ৮১০ খিঃ)

শালবন বিহার:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি।
- এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
- বিহারের আসল নাম 'ভবদেব মহাবিহার'।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক

আনন্দ বিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- বিহারটি নির্মাণ করেন - প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক।

[উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা বলা যায় যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে সিতাকোট বিহার সবচেয়ে প্রাচীন।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৮,৬২০.
বাংলাদেশে স্টারলিংক আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে কবে?
  1. ১০ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ২০ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ২০ মে, ২০২৫
  4. ২০ জুন, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২০ মে, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্টারলিংক সেবা:
- বাংলাদেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা চালুর জন্য স্পেসএক্সের সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনের ভেন্যু রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৯ এপ্রিল, ২০২৫ পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করা হয়।
- ২০ মে, ২০২৫ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে স্টারলিংক।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিকভাবে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ নিয়ে বাংলাদেশে তাদের সেবা চালু করছে।
- প্যাকেজ দুটি হলো – স্টারলিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট।
- এর মধ্যে স্টারলিংক রেসিডেনশিয়াল প্যাকেজের মাসিক খরচ ধরা হয়েছে ৬০০০ টাকা এবং রেসিডেনশিয়াল লাইট প্যাকেজের মাসিক খরচ ৪২০০ টাকা।
- তবে উভয় প্যাকেজের জন্যই গ্রাহকদেরকে ৪৭ হাজার টাকা এককালীন যন্ত্রপাতির খরচ বহন করতে হবে।
- এখানে কোন স্পিড ও ডাটা লিমিট নেই।
- ব্যক্তি ৩০০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,৬২১.
Where is the 'Bangladesh Tea Research Institute' located? 
  1. Sylhet
  2. Moulvibazar
  3. Habiganj
  4. Chattogram
সঠিক উত্তর:
Moulvibazar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Moulvibazar
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট: 
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এর প্রধান কার্যালয়।
- ১৯৫৭ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
- ভারতের আসামের পরেই উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরাতন চা গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে শ্রীমঙ্গলে।
- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। 
- বৈজ্ঞানিক গবেষনার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীলতা ও গুনগত মান বৃদ্ধি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক পরামর্শ ও সহায়তা দান এবং গবেণালব্ধ প্রযুক্তি চা শিল্পে বিস্তার করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৮,৬২২.
কোন ফসল পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. চিভ
  2. পেঁপে
  3. ক্যাপসিকাম
  4. চুইঝাল
সঠিক উত্তর:
চিভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিভ
ব্যাখ্যা
চিভ:
- চিভ (Allium tuberosum) একটি বহুবর্ষজীবী মসলা ফসল।
- এর পাতা লিনিয়ার আকৃতির, ফ্ল্যাট, পাতার কিনারা মসৃণ, বাল্ব লম্বা আকৃতির।
- এর ফুলের রঙ সাদা-পার্পল বর্ণের। 
- এর উৎপত্তিস্থল সাইবেরিয়ান-মঙ্গোলিয়ান-নর্থ চাইনা অঞ্চল।

⇒ আমাদের দেশে এটি পেঁয়াজ ও রসুনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মসলা ফসল হিসেবে স্যুপ ও সালাত তৈরিসহ বিভিন্ন চাইনিজ ডিসে ব্যবহৃত হয়। এর পাতা, কন্দ ও অপরিপক্ব ফুল সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি হজমে সাহায্য করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধী গুণাগুণ বিদ্যমান। আন্তঃফসল হিসেবে চাষ করার মাধ্যমে এটি কলার পানামা রোগ নিয়ন্ত্রণ সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১, ভিটামিন বি-২, নায়াসিন, ক্যারোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও খনিজ পদার্থ বিদ্যমান। তুলনামূলকভাবে সিলেট অঞ্চলে এর চাষাবাদ বেশি হয়ে থাকে।চিভ পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব এবং এটি সারা বছর চাষ করা যায়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)। 
৮,৬২৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের নাগরিকতা নির্ণয়ের প্রধান উপায়?
  1. ক) জন্মসূত্রে
  2. খ) অনুমোদনসূত্রে
  3. গ) উভয়টি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) জন্মসূত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জন্মসূত্রে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।
- বাংলাদেশের নাগরিকতা অর্জন ও বিলোপ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকত্ব আইনের ৬নং ধারা, ১৯৫১ সালে আইন এবং ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকতা অর্জন ও বিলোপ নির্ধারিত হয়।
ক. ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর পাক হানাদার বাহিনীর ভয়ে অথবা স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য যারা দেশত্যাগ করে অন্য রাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছিল তারা যদি স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফিরে আসে তবে তারা বাংলাদেশের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
খ. যদি কোন ব্যক্তি বা তার মাতাপিতা বা পিতামহ এমন কোন স্থানে জন্মগ্রহণ করে থাকেন যে স্থান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্ত ছিল বা আছে এবং তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন; তাহলে উক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক বলে গণ্য হবেন।
গ. বাংলাদেশী দম্পত্তির কোন সন্তান বাংলাদেশে অথবা অন্য কোন রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে জন্মনীতি অনুযায়ী সে সন্তান বাংলাদেশী নাগরিকত্ব লাভ করবে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬২৪.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে কোন রুটে?
  1. মংলা-খুলনা
  2. বরিশাল-পটুয়াখালী
  3. চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
  4. কক্সবাজার - সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপথে ফেরি চলাচল:
- দেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
- এর মাধ্যমে ফেরি যুগে প্রবেশ করল চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট থেকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ফেরিঘাট নৌপথে এই ফেরি চলাচল করবে।
- ২৪ মার্চ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেরার বাঁশবাড়িয়া ঘাটে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন এই ফেরি সেবার উদ্বোধন করেন।
- ফেরি 'কপোতাক্ষ' দিয়ে শুরু হওয়া এই সেবা প্রতিদিন চারবার যাতায়াত করবে, যা সন্দ্বীপের প্রায় চার লাখ মানুষের জন্য সরাসরি যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মুক্ত করেছে।
- এই ফেরি সেবা চালুর ফলে বাস, ট্রাক, ট্যাংক লরি, মিনিবাস, প্রাইভেট কারসহ সব ধরনের যানবাহন সরাসরি দ্বীপে পৌঁছানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৮,৬২৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১৪ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৬২৬.
'পঞ্চাশের মন্বন্তর' ইংরেজি কত সালে হয়?
  1. ১৯৪৩ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
পঞ্চাশের মন্বন্তর:
- বাংলার ইতিহাসে একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল পঞ্চাশের মন্বন্তর।
- ইংরেজি ১৯৪৩ সালে অর্থাৎ বাংলা ১৩৫০ সালে এই দুর্ভিক্ষটি হয়েছিল বলে এটি পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত।

⇒ ১৭৭০ সালের পর বাংলায় সংঘটিত সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল এটি।
- পঞ্চাশের মন্বন্তরে প্রায় সাত লাখ পরিবারের ৩৮ লাখ মানুষের জীবনযাত্রার মানের মারাত্মক অবনতি ঘটে।
- ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই দুর্ভিক্ষ এবং দুর্ভিক্ষ-পরবর্তী মহামারিতে ৩৫ থেকে ৩৮ লাখ মানুষ মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষের পেছনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল একটা বড় কারণ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৬২৭.
বঙ্গভঙ্গের ফলে নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয়-
  1. পূর্ববঙ্গ ও ত্রিপুরা
  2. ত্রিপুরা ও আসাম
  3. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
  4. পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
পূর্ববঙ্গ ও আসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববঙ্গ ও আসাম
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি।
- এটি ছিল ব্রিটিশ ভারতের বৃহত্তম প্রদেশ।
- ব্রিটিশ সরকার শাসনকাজে সুবিধার জন্য বাংলা প্রদেশকে বিভক্তিকরণের কথা চিন্তা করতে থাকে।
- এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন স্যার বাম্পফিল্ড ফুলার এবং স্যার এন্ড্রু ফ্রেজার।
- তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে বড়লাট লর্ড কার্জন ও বাংলা বিভক্তিকরণের বিষয়ে আলোচনা করেন।
- অতপর ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গ সম্পন্ন হয়।
- ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসামকে নিয়ে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয়।
- এর রাজধানী হয় ঢাকা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬২৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নিচের কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করে?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮,৬২৯.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
  1. সেনাবাহিনী
  2. রাজনৈতিক দল
  3. বিচার বিভাগ
  4. স্থানীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

রাজনৈতিক ব্যবস্থা:

- বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক দল জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনালগ্নেই এ দেশে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা: নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৩০.
গণচীন প্রতিষ্ঠার ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন হয় কবে?
  1. ক) ০১ অক্টোবর, ২০১৯
  2. খ) ০৩ অক্টোবর, ২০১৯
  3. গ) ০৫ অক্টোবর, ২০১৯
  4. ঘ) ১৮ অক্টোবর, ২০১৯
সঠিক উত্তর:
ক) ০১ অক্টোবর, ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০১ অক্টোবর, ২০১৯
ব্যাখ্যা
গণচীন প্রতিষ্ঠার ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন হয় ০১ অক্টোবর, ২০১৯। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
৮,৬৩১.
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন?
  1. ৬নং সেক্টর
  2. ৭নং সেক্টর
  3. ৮নং সেক্টর
  4. ৯নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:

- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,৬৩২.
What will be the inflation rate target of 8th five year plan?
  1. 4.1%
  2. 4.3%
  3. 4.6%
  4. 4.7%
সঠিক উত্তর:
4.6%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4.6%
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৮,৬৩৩.
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ৬৮ জন
  3. গ) ১৭৬ জন
  4. ঘ) ৬৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৮,৬৩৪.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'জল্লাদের দরবার' এর রচয়িতা কে ছিলেন?
  1. কল্যাণ মিত্র
  2. রাজু আহমেদ
  3. এম আর আকতার মুকুল
  4. নারায়ণ ঘোষ (মিতা)
সঠিক উত্তর:
কল্যাণ মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্যাণ মিত্র
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'জল্লাদের দরবার' এর রচয়িতা ছিলেন কল্যাণ মিত্র।

♦ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র: 
→ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
→ বস্ত্তত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
→ এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
→ স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল:
• ‘চরমপত্র‘, 
• ‘জল্লাদের দরবার’, 
• মীর জাফরের রোজনামচা।

♦ ‘জল্লাদের দরবার’:
→ জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
→ এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ। এটি মূলত ছিল রূপকধর্মী সিরিজ নাটক।
• 'জল্লাদের দরবার' নাটক রচনা ও প্রযোজনা করেন - কল্যাণ মিত্র।
→ এছাড়াও তিনি 'মীর জাফরের রোজনামচা' নামক আরেকটি নাটক রচনা করেন।

♦ ‘চরমপত্র’:
→ চরমপত্র ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
→ এটি ছিল ব্যঙ্গাত্মক ও শ্লেষাত্মক মন্তব্যে ভরপুর একটি অনুষ্ঠান, যা মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
→ রচনা ও উপস্থাপনা: এম আর আখতার মুকুল।
→ চরমপত্র প্রচারের পরিকল্পনা করেছিলেন: এমএ মান্নান [গণপরিষদ সদস্য]

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক রিপোর্ট।

৮,৬৩৫.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন - 
  1. স্যার সৈয়দ আহমেদ
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. উপরের কেউ নন 
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর ভূমিকা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঢাকার রমনা এলাকায় নিজের জমি দান করেন।

বঙ্গভঙ্গের পর:
বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আরও জোরদার করে।

সরকারের ওপর চাপ:
নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।

লর্ড হার্ডিঞ্জের আগমন:
১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় এসে তিন দিন অবস্থান করেন। ৩১ জানুয়ারি, নওয়াব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে এবং পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একটি মানপত্র প্রদান করে।

সরকারি সুপারিশ:
১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকার একটি ইশতেহার জারি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করে।

শিক্ষার সূচনা:
১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান শুরু হয়।

সূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৩৬.
বাংলাদেশ ILO এর কতটি কনভেনশন অনুমোদন করেছে?
  1. ১৭টি
  2. ২৫টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪১টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বর্তমান পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) ৩৫টি কনভেনশন অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে বর্তমানে কার্যকর আছে ৩০টি।
কনভেনশন সমূহের মধ্যে:
- মৌলিক কনভেনশন : ৭টি
- গভর্ন্যান্স সম্পর্কিত : ২টি এবং
- টেকনিক্যাল কনভেনশন : ২৬টি।
(তথ্যসূত্র: ILO ওয়েবসাইট)
৮,৬৩৭.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. সাকিব আল হাসান 
  2. তামিম ইকবাল
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. নাইমুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

⇒ বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

• শ্রীলঙ্কা: ৩৩৮ ও ৩১৯
• বাংলাদেশ: ৪৬৭ ও ১৯১/৬
• ফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী।

উৎস: ESPNcricinfo.

৮,৬৩৮.
ইস্ট - ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতা লাভের পর সর্বপ্রথম যে বিদ্রোহ হয় -
  1. ক) চাকমা বিদ্রোহ
  2. খ) ফকির - সন্ন্যাসী আন্দোলন
  3. গ) বারাসাত বিদ্রোহ
  4. ঘ) নীল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
খ) ফকির - সন্ন্যাসী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফকির - সন্ন্যাসী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ইস্ট - ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতা লাভের পর সর্বপ্রথম ফকির - সন্ন্যাসী বিদ্রোহ হয়েছিল। ১৭৬০ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত মজনু শাহের নেতৃত্বে ফকির আন্দোলন ও ভবানী পাঠকের নেতৃত্বে সন্ন্যাসী আন্দোলন যৌথভাবে চলতে থাকে।
এছাড়া ১৭৭৭ সালে জোয়ান বকসের নায়েব রাণু খান এর নেতৃত্বে চাকমা বিদ্রোহ, তিতুমীর এর নেতৃত্বে বারাসত বিদ্রোহ এবং নীল চাষিদের যৌথ চেষ্টায় ১৮৬০ সালে নীল বিদ্রোহ হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণী।
৮,৬৩৯.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ কে?
  1. ওয়াসিম
  2. সিয়াম
  3. আহাদ
  4. গোপী
সঠিক উত্তর:
আহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহাদ
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ। 
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র। 

উল্লেখ্য,
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ৮ তলার উপর তার বাবা-মায়ের মাঝে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল আহাদ।
- এ সময় বাসার নিচে ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিহত হয় আহাদ।
- সে ‘জুলাই সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) যুগান্তর।

৮,৬৪০.
স্বাধীন সুলতানী আমল কত বছর স্থায়ী ছিল?
  1. প্রায় ৫০ বছর
  2. প্রায় ১০০ বছর
  3. প্রায় ২০০ বছর
  4. প্রায় ৩০০ বছর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২০০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২০০ বছর
ব্যাখ্যা

সুলতানি আমল:
- ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হলে বাংলার ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা হয়।
- এরপর থেকে ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা মুসলিম শাসনাধীনে ছিল।
- বখতিয়ারের বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না, বরং তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
- কিন্তু দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকেই সুযোগ পেলেই স্বাধীনতার জন্য দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।
- এজন্য বাংলাকে বুলঘাকপুর বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।

উল্লেখ্য,
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন।
- ১৩৩৮ থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় দু'শ বছর ধরে বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতা ভোগ করেছিল।

⇒ বাংলার এই স্বাধীন সুলতানি যুগে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ, ইলিয়াস শাহী বংশ, রাজা গণেশের বংশ, হাবশি সুলতান এবং পরবর্তীতে হোসেন শাহী বংশের শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন।
- এ সময় বাংলার সুলতানগণ বাংলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষাসংস্কৃতির উৎকর্ষ সাধন, জনকল্যাণকামী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন।
- তাই দু'শ বছরের এ স্বাধীন যুগটিকে বাংলার গৌরবময় যুগ বলা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৪১.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল আদর্শ কোনটি?
  1. সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
  2. সামরিক জোটে অংশগ্রহণ
  3. বাণিজ্যিক সম্পর্ক
  4. কূটনৈতিক দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি:
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়" নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- সংবিধানের ২৫ নং অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল-
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
- রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে।
- প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে।
- সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে রাষ্ট্র সমর্থন করবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৪২.
বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের বিষয়বস্তু- 
  1. বিচার বিভাগ
  2. মৌলিক অধিকার
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. কর্ম কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৮,৬৪৩.
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে কোন দ্বীপের সাথে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে?
  1. ক) সন্দ্বীপ
  2. খ) হাতিয়া
  3. গ) ভাসানচর
  4. ঘ) মনপুরা
সঠিক উত্তর:
ক) সন্দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম সন্দীপ (চট্টগ্রাম) উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় ।
- সাগর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সাগর দ্বীপ সন্দ্বীপকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় আনা হয়েছে।
- ‘চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে।
- এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো।
- সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।'
- সর্বশেষ রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী) উপজেলা বিদ্যুতের আওতায় আসে।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ট্রিবিউন এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
৮,৬৪৪.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. ঔষুধ
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। 

৮,৬৪৫.
খিলাফত আন্দোলনের নেতা ছিলেন না কে?
  1. মাওলানা শওকত আলী
  2. মাওলানা মোহাম্মদ আলী
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ খিলাফত আন্দোলনের নেতা ছিলেন না।

খিলাফত আন্দোলন:

- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাবে উদ্ভূত একটি প্যান-ইসলামি আন্দোলন।
- কারণ ভারতের মুসলমানেরা তুরস্কের সুলতানকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা বা ধর্মীয় নেতা বলে শ্রদ্ধা করতেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের সুলতান ব্রিটিশ বিরোধী শক্তি জার্মানির পক্ষ অবলম্বন করলে ভারতে মুসলমান সম্প্রদায় বিব্রত হন।
- কারণ ধর্মীয় কারণে তাঁরা খলিফার অনুগত, আবার অন্যদিকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশ সরকারের অনুগত থাকতে বাধ্য।

⇒ খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও দুই ভাই মাওলানা শওকত আলী এবং মাওলানা মোহাম্মদ আলী।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৪৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ৩৬.২৭%
  2. ৩৭.৯৫%
  3. ৩৮.৪৯%
  4. ৩৯.৮১%
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮,৬৪৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-সেক্টর ছিলো -
  1. ৮নং
  2. ১০নং
  3. ১১নং
  4. ২নং
সঠিক উত্তর:
১০নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০নং
ব্যাখ্যা
নৌ সেক্টর:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ১০নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৮,৬৪৮.
বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম কবে প্রথম শুরু হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৭ সাল
  3. ১৯৯৮ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।
- বর্তমানে - জনপ্রতি মাসে ৬৫০ টাকা হারে এ ভাতা প্রদান করা হয় (২০২৫-২৬ অর্থবছর)।
 
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর।

৮,৬৪৯.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে কত দফা দাবি পেশ করে?
  1. ৭ দফা
  2. ৮ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ৬ দফা
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ সালে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরবর্তীকালের সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্রুপ), পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতৃবৃন্দ মিলে 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করেন।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার সাথে মিলিয়ে আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- ২২শে মার্চ আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খানকে অপসারণ করেন।
- ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে গ্রাম ও শহরের কৃষক ও শ্রমিকদের মাঝে শ্রেণি চেতনার উন্মেষ ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,৬৫০.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. স্মৃতি ৭১
  2. দ্রুব ৭১
  3. জেকে ১৯৭১
  4. নেকড়ের থাবা
সঠিক উত্তর:
জেকে ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেকে ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• জেকে ১৯৭১:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র - জেকে ১৯৭১।
- পরিচালক - ফাখরুল আরেফিন খান।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সিনেমা ‘জেকে ১৯৭১’ 
- চলচ্চিত্রটির নির্মাতা - ফাখরুল আরেফিন খান।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষকে সহায়তার জন্য ফরাসি যুবক জ্যঁ কুয়ে ছিনতাই করেছিলেন ‌পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) একটি বিমান। এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
৮,৬৫১.
পলাশীর প্রান্তরে নবাবের পক্ষে প্রাণপণ সংগ্রাম করেন কে?
  1. ক) রায়দুর্লভ
  2. খ) মোহনলাল
  3. গ) জগৎশেঠ
  4. ঘ) মীরজাফর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহনলাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহনলাল
ব্যাখ্যা
• ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আম্রকাননে বাংলার ভাগ্য পরীক্ষা হয়ে যায়।
- নবাবের সৈন্যবাহিনী যখন দেশপ্রেমিক মীরমদন ও মোহন লালের আক্রমণে প্ৰায় পর্যুদস্ত তখন মীর জাফর যুদ্ধক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- এ সময় হঠাৎ মীরমদন গোলার আঘাতে নিহত হলে মোহন লাল ও ফরাসী সেনাপতি সিনফ্রে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকেন।
- মীরমদনের মৃত্যু সংবাদে নবাব বিচলিত হন এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রধান সেনাপতি মীরজাফরকে ডেকে পাঠান এবং বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মীরজাফরকে অনুরোধ করেন।
- বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর কুরআন স্পর্শ করে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার মিথ্যা শপথ করেন।
- এ সব ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে ছিলেন ধনকুবের জগৎশেঠ, নবাবের সেনাপতি মীরজাফর ও রায়দুর্লভ, আস্থাভাজন উমিচাঁদ প্রমুখ।

সূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৫২.
Asia’s first Elephant Overpass on -
  1. Lohagara, Chittagong
  2. Dighlia, Khulna
  3. Chunarughat, Sylhet
  4. Phultala, Khulna
সঠিক উত্তর:
Lohagara, Chittagong
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lohagara, Chittagong
ব্যাখ্যা
- এশিয়ার প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস অবস্থিত - লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।
- চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বুক চিরে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার প্রথম ‘এলিফ্যান্ট ওভারপাস’।
- দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের কারণে বন্যপ্রাণী চলাচলে যেন বাধা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।

তথ্যসূত্র: Bangladesh Post.
৮,৬৫৩.
মেট্রোরেল নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ তারিখে।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

এমআরটি লাইন-৬ এর অর্থায়নের অংশ:
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা মেট্রোরেল প্রকল্পে যোগ দেয়।
- জাইকা (৫৮.৭৮%) এবং বাংলাদেশ  সরকার (৪১.২২%)।
- এমআরটি লাইন ৬ রেলপথের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশের নির্মাণকাজের জন্য ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে।
- জাইকা এই অর্থের ৭৫.৪৫% ঋণ হিসেবে প্রদান করেছে।
- নির্মাণ বাবদ ০.৭০%, পরামর্শ সেবা বাবদ ০.০১% ও ফ্রন্ট এন্ড ফি বাবদ ০.২% সুদে সরকার এই ঋণ নিয়েছে।
- ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এমআরটি লাইন ৬-এর সেবা চালুর দশ বছর পর্যন্ত আসল সমেত ঋণের সুদ প্রদান করতে হবেনা।
- রেলপথ চালুর ত্রিশ বছর মধ্যে সুদসহ সমস্ত টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
৮,৬৫৪.
'চারুকলা ইনস্টিটিউ' এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এস এম সুলতান
  4. মুস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
- জয়নুল আবেদিন (১৯১৪-১৯৭৬) আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন।
- সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা। চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- ‘দ্য রেবেল ক্রো’ (জলরং, ১৯৫১) এ ধারার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে অাঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে অাঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৫৫.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ জারি করা হয়-
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ঃ 
- বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর সংসদ কার্যকর না থাকায় ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ জারি করেছিলেন।
- বাংলাদেশের সব কয়টি নির্বাচন হয়েছে ১৯৭২ সালে জারি করা রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (আরপিও) অনুযায়ী।
- এটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ নামে পরিচিত।
- ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বছরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিলো এ আইনে।
- ২০০৯ সালে সরকার জাতীয় সংসদে একটি বিল উত্থাপন করে এবং এটিই জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধনী) আইন ২০০৯ (২০০৯ সালের ১৩নং আইন) হিসেবে সংসদে পাশ হয়।
- সর্বমোট ৩০ ধারায় গঠিত এ আইনবলে ইতোপূর্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক জারীকৃত তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়।
- ইতোপূর্বে বিদ্যমান মোট পনেরটি ধারা সংশোধিত হয়।
- এ ছাড়া কিছু নতুন ধারাও আইনে সন্নিবেশিত হয় যার মধ্যে অধ্যায় ৬ (ক) ছিল সম্পূর্ণ নতুন।
- রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন, প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয় নিরূপণ কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীকে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো সে সময়ে সংযোজিত হয়েছে। 
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১(এ) ধারায় বলা আছে, নির্বাচন কমিশন যদি সন্তুষ্ট হয় যে, নির্বাচনে বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিরাজমান অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত, ন্যায়সঙ্গত এবং আইনানুগভাবে নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে না, তাহলে যে কোনো ভোটকেন্দ্র বা সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের যে কোনো পর্যায়ে ভোট গ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে।

উৎস:  বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৫৬.
বাংলার প্রাচীন জনপদ হরিকেল-এর বর্তমান নাম কী?
  1. নোয়াখালী
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলি-খিত হয়েছে।
- অনেকে ধারণা করেন যে হরিকেল জনপদ ছিল না, এটি বঙ্গের সাথে যুক্ত ছিল।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।

অন্যদিকে,
- সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
-  বর্তমান বরিশাল জেলাই ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮,৬৫৭.
‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে-
  1. ক) গণতান্ত্রিক যুবলীগ
  2. খ) তমুদ্দুন মজলিশ
  3. গ) মুসলিম লীগ
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক সংসদ
সঠিক উত্তর:
খ) তমুদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তমুদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ‘তমদ্দুন মজলিস’ নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে নূরুল হক ভূঁইয়াকে আহবায়ক করে তমদ্দুন মজলিস ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে। [সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী]
৮,৬৫৮.
'Concert For Bangladesh' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) শিকাগো
  3. গ) ক্যালিফর্নিয়া
  4. ঘ) ওয়াশিংটন ডিসি
সঠিক উত্তর:
ক) নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
• একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
• পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য-বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটল্সের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন। তাতে মোট ৪০,০০০ দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন। কনসার্টটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
• কনসার্ট ফর বাংলাদেশে আয়োজক দুই তারকা ছাড়াও অংশ নেন বিটলসের রিংগো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেসটন, লিয়ন রাসেল। রবি শঙ্কর ছাড়াও সরোদ শিল্পী আলী আকবর খান অংশ নিয়েছিলেন এই কনসার্টে।
• এই কনসার্টটি পরিচালনা করেন পল সুইমার। 

তথ্যসূত্র: চিরন্তন ৭১, প্রথম আলো এবং বিবিসি বাংলা।
৮,৬৫৯.
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কত?
  1. ক) ১,৭৩,০০০
  2. খ) ১,৯৩,০০০
  3. গ) ২,০২,৭২১
  4. ঘ) ২,০৭,২৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ২,০২,৭২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২,০২,৭২১
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি- ২,০২,৭২১ কোটি টাকা।
৮,৬৬০.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সুতা আমদানি করে কোন দেশ থেকে? [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ভারত 
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভারত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত 
ব্যাখ্যা

সুতা আমদানি: 
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সুতা আমদানী করে ভারত থেকে।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যানুযায়ী, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ হওয়ার আগের তিন মাসের চেয়ে পরের তিন মাসে ভারত থেকে সুতা আমদানি কমেছে ২ লাখ ৩০ হাজার কেজি।
- বিধিনিষেধ আরোপের পর মে ও জুন মাসে এসেছে গড়ে ৪ কোটি কেজি।
- জুলাই মাসে আবার সুতা আমদানি ৫ কোটি কেজি ছাড়িয়ে গেছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) মতে  মূলত চারটি কারণে বাংলাদেশে সুতা আমদানি বেড়েছে।
- প্রথমত, গত বছর সরকার দেশি সুতার নগদ প্রণোদনা চার শতাংশ থেকে কমিয়ে এক দশমিক পাঁচ শতাংশ করেছে।
- ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রস্তুতির একটি অংশ ছিল এটি।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা। এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।[লিঙ্ক]

৮,৬৬১.
ইতিহাসবিদদের মতে, হরিকেল জনপদ কোথা থেকে কোথা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল?
  1. ঢাকা থেকে যশোর
  2. দিনাজপুর থেকে রাজশাহী
  3. সিলেট থেকে চট্টগ্রাম
  4. কুমিল্লা থেকে বরিশাল
সঠিক উত্তর:
সিলেট থেকে চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট থেকে চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
হরিকেল:
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।
- এটি হরিকেলি বা হরিকেলা নামেও পরিচিত। এর ইতিহাস ও ভৌগোলিক পরিসীমা এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।
- ইতিহাসবিদদের মতে, এই জনপদ মূলত বাংলার শ্রীহট্ট (বর্তমান সিলেট) থেকে চট্টগ্রামপর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- এর সীমানা দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও পূর্বে আরাকান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- জনপদটি মূলত কৃষি, মৎস্য ও বাণিজ্যের জন্য ছিল ভারতবর্ষে বেশ পরিচিতি পেয়েছে।
- ধান, নারকেল, আর সুগন্ধি মসলার উৎপাদনে হরিকেল নামডাক ছিল। সমুদ্র বাণিজ্যের মাধ্যমে এখানে পণ্য আমদানি ও রপ্তানি হতো।
- ঐতিহাসিক নথি থেকে জানা যায়, আরব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসতেন।
- চীনা পর্যটক হিউয়েন সাঙ তাঁর ভ্রমণকাহিনিতে হরিকেল জনপদের বাণিজ্যিক সমৃদ্ধির উল্লেখ করেছেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৬২.
কোমদের দেবতা কে ছিলেন?
  1. ক) ধর্মঠাকুর
  2. খ) ব্রক্ষা
  3. গ) বিষ্ণু
  4. ঘ) গোপাল
সঠিক উত্তর:
ক) ধর্মঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধর্মঠাকুর
ব্যাখ্যা
প্রাচীন বাংলার ধর্ম:

- কোমদের দেবতা ছিলেন ধর্মঠাকুর।
- খ্রিস্টপূর্ব বার শতকের আগে বাংলার লোকালয়ের বাইরে গ্রাম-দেবতার অবস্থিতি ছিল, নানা ধরনের পূজো প্রচলিত ছিল । এ সবই কোম সমাজের পূজো।
- চাষাবাদের সাথেও নানা ধরণের দেবদেবীর পূজো জড়িত ছিল।
- রথযাত্রা, স্নানযাত্রা, দোলযাত্রা ইত্যাদি আদি যুগেরই অবদান। প্রাক-বৈদিক যুগে কোমদের ধর্মোৎসব ছিল ব্রত যা শিবপূজা যা মধুসংক্রান্তি নামেও পরিচিত।
- এ ছাড়া মনসা পূজা, জাঙ্গুলী দেবীর পূজা, পর্ণশবরী শারবোৎসব, ঘটলক্ষ্মী, ষষ্ঠীপূজা ইত্যাদি আর্যপূর্ব কৌম সমাজের অবদান।
- পাল যুগে বৌদ্ধ এবং সেন যুগে ব্ৰাহ্মণ ধর্মের জয়জয়কার অবস্থা বিরাজ করেছিল।
- পৌরাণিক ধর্ম, বৈষ্ণবধর্ম, শৈবধর্ম (হিন্দু ধর্মের বিশেষ শাখা) ও সহজিয়া ধর্মের প্রভাবও বাংলায় ঘটেছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৬৩.
‘নয়ন কাজল‘ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. সরিষা
  3. বেগুন
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা
• বেগুনের জাত:
- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা,  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৮,৬৬৪.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন নির্ধারণ করা হয়েছে? 
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

• অন্তর্বর্তী সরকার: 
- সংবিধান সংস্কার কমিশন আইনসভার মেয়াদ শেষ হবার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেয়া পর্যন্ত, একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করছে;
- এই সরকারের প্রধান 'প্রধান উপদেষ্টা' বলে অভিহিত হবেন।
- আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ (পনের) দিন পূর্বে অথবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে,
- পরবর্তী অন্যূন ১৫ দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে।
- প্রধান উপদেষ্টা সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে কার্য পরিচালনা করবেন।
- অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন হবে,
- তবে যদি নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হয় তবে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণমাত্র এই সরকারের মেয়াদের অবসান ঘটবে।

তথ্যসূত্র: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 

৮,৬৬৫.
১৯৫৬ সালে প্রণীত পাকিস্তানের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ক) ৩৭০
  2. খ) ২১৪
  3. গ) ১৭৮
  4. ঘ) ১৬৯
সঠিক উত্তর:
খ) ২১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২১৪
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান সৃষ্টির পর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা তার প্রতিবাদ করে। এরই অংশ হিসেবে ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারীর রক্তাক্ত ঘটনা ঘটে।
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন অব্যাহত ছিল। 
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামী-লীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য ‘আদেলউদ্দিন আহমেদ’ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। 
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানের ২১৪ নং অনুচ্ছেদে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উৎসঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো আর্কাইভ।

৮,৬৬৬.
নিচের কোনটি তফসিলিভুক্ত ব্যাংক নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. খ) কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. গ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  4. ঘ) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
খ) কর্মসংস্থান ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্মসংস্থান ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- অ-তফসিল ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলো ৫টি। যথা:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।


বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা ৩টি। যথা:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, 
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। 
 
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮,৬৬৭.
বাংলাদেশ মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক পদে নিয়োগ দেন কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) ন্যায়পাল
  3. গ) অর্থমন্ত্রী
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অষ্টম ভাগের অনুচ্ছেদ ১২৭(১) অনুযায়ী বলা আছে, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক  পদের  নিয়োগদান দানের কথা।
- বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক  থাকবেন এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। 
- অনুচ্ছেদ ১২৭(২) অনুযায়ী বলা আছে, এই সংবিধান ও সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা নির্ধারণ করিবেন.

উৎস:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৮,৬৬৮.
'সুখ সাগর' একটি-
  1. ক) আলুর জাত
  2. খ) কলার জাত
  3. গ) আমের জাত
  4. ঘ) পেঁয়াজের জাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) পেঁয়াজের জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পেঁয়াজের জাত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাতঃ
- উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি। পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা- পাবনা।
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।

৮,৬৬৯.
বাংলাদেশের মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  3. গ) সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
  4. ঘ) অর্থমন্ত্রী মোস্তফা কামাল
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশের গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল যুক্ত হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

উৎস:  ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২, প্রথম আলো।
৮,৬৭০.
পটুয়া নামে পরিচিতি লাভ করেন কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এসএম সুলতান
  4. আবদুল আলীম
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান: 
- কামরুল হাসান (১৯২১-১৯৮৮) প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- দেশবিভাগের পর কামরুল হাসান  ঢাকা চলে আসেন এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ঢাকায় একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন (১৯৪৮)।
- ঢাকায় চিত্রকলার চর্চা ও প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৫০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন আর্ট গ্রুপ।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প কর্পোরেশনের নকশা কেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন এবং ১৯৭৮ সালে উক্ত পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। 
- পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের রক্তপায়ী, হিংস্র মুখমন্ডল সম্বলিত একটি পোস্টার এঁকে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
- পোস্টারটির শিরোনাম: ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলায় লৌকিক ও আধুনিক রীতির মিশ্রণ ঘটায় তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৮,৬৭১.
Who hoisted the first flag in foreign mission during the liberation war?
  1. ক) Abu Sayeed Chowdhury
  2. খ) M. Hossain Ali
  3. গ) Syed Nazrul Islam
  4. ঘ) Yusuf Ali
সঠিক উত্তর:
খ) M. Hossain Ali
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) M. Hossain Ali
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম মিশন স্থাপিত হয় কলকাতায়।
- এদিন কলকাতায় অবস্থিত পাকিস্তান উপ-দূতাবাসের তৎকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার এম হোসেন আলী পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
৮,৬৭২.
মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে নিচের কোন নদীর উৎপত্তি হয়?
  1. তিস্তা
  2. কর্ণফুলী 
  3. পদ্মা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী 
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলী নদী:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী।
- মিজোরামের লুসাই পাহাড়ের লংলেহ কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কর্ণফুলী।
- পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি।
- অর্থাৎ হালদা ও বোয়ালখালি কর্ণফুলী নদীর উপনদী।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে চট্টগ্রামে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৭৩.
ময়মনসিংহ বিভাগে জেলার সংখ্যা কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
₻  ময়মনসিংহ বিভাগ
- বর্তমানে বাংলাদেশের বিভাগ সংখ্যা আটটি। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩টি জেলা আছে।
- জেলা গুলো হলো - ঢাকা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ি, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, শরিয়তপুর ও টাঙ্গাইল।
- ২০১৫ সালে ময়মনসিংহ বিভাগ হওয়ার আগে ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা ছিল - ১৭টি।
- ময়মনসিংহ বিভাগে জেলার সংখ্যা - ৪ টি। ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলা। 

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৮,৬৭৪.
আমাদের দেশের চরম দরিদ্র কারা?
  1. ক) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির সমপরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করে
  2. খ) যারা দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালোরির সমপরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করে
  3. গ) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
  4. ঘ) যারা দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
সঠিক উত্তর:
গ) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা
• দারিদ্র্য পরিমাপ পদ্ধতি হিসেবে দেশে প্রথম ‘খানা ব্যয় জরিপ’ (Household Expenditure Survey - HES) পরিচালিত হয় - ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে। তখন খানা ব্যয় জরিপের ভিত্তি ছিল - ২টি। যথা –
- খাদ্য শক্তি গ্রহণ (Food Energy Intake-FEI) ও
- প্রত্যক্ষ ক্যালরি গ্রহণ (Direct Calorie Intake-DCI)

• দৈনিক জনপ্রতি ২,১২২ কিলোক্যালরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে অনপেক্ষ দারিদ্র্য (Absolute Poverty)।
• দৈনিক জনপ্রতি ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে চরম দারিদ্র্য (Hard Core Poverty) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ ও খানা আয়-ব্যয় জরিপ, ২০১৬।
৮,৬৭৫.
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের কোন প্রান্তে?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. উত্তর-দক্ষিণ
  4. পূর্ব-দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: i) ২৫ জুন, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৮,৬৭৬.
কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় কোনটি?
  1. প্রাণিসম্পদ
  2. শস্য
  3. মৎস্য
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের মত নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

⇒ কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- এ তথ্য-উপাত্ত কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বেঞ্চমার্ক তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩টি।
- যথা: শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ii) BBS ওয়েবসাইট।
৮,৬৭৭.
'ধীরা ও হিরা' কি?
  1. উন্নত জাতের তুলা
  2. উন্নত জাতের চা
  3. উন্নত জাতের আলু
  4. উন্নত জাতের তরমুজ
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের আলু
ব্যাখ্যা
উন্নত জাতের আলুর:
- হিরা,
- আইলসা,
- পেট্রোনিস,
- মুল্টা,
- ডায়ামন্ট,
- কার্ডিনাল,
- মন্ডিয়াল,
- কুফরী
- সিন্দুরী,
- চমক,
- ধীরা,
- গ্রানোলা
- ক্লিওপেট্রা ও
- চিনেলা 

[উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস]
৮,৬৭৮.
ছয়দফা প্রস্তাবনায় কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কতটি বিষয় ন্যস্ত হওয়ার কথা বলা হয়?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
এগুলো হলো:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮,৬৭৯.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানের পদত্যাগের পর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হন কে?
  1. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান: 
- ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ইস্তফা দেন।
- ইয়াহিয়া খান উক্ত পদে আসীন হন।
- তিনি ২৮শে মার্চ এক ঘোষণায় পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
-  অবশেষে ১৯৭০ সালের ৭ই ডিসেম্বর সর্বপ্রথম 'এক ব্যক্তির এক ভোটের ভিত্তিতে' সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, ন্যাপ (ওয়ালী), মুসলিম লীগ (কাইয়ুম), মুসলিম লীগ (কনভেনশন), পাকিস্তান পিপলস্ পার্টি, ডেমোক্রেটিক পার্টি, জামায়াতে ইসলামী প্রভৃতি দল অংশগ্রহণ করে।
- আওয়ামী লীগ নির্বাচনকে ৬ দফার পক্ষে গণভোট হিসেবে অভিহিত করে।
- নির্বাচনে ৫ কোটি ৬৪ লাখ ভোটারের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে ছিল ৩ কোটি ২২ লাখ।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের ৩০০ আসনের মধ্যে পূর্ববাংলার জন্য নির্ধারিত ১৬২টি আসনের ১৬০টি আসন লাভ করে।
- সংরক্ষিত মহিলা আসন ৭টিসহ আওয়ামী লীগ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে জাতীয় পরিষদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম, শ্রেণি।

৮,৬৮০.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. রাফিয়া বেগম
  3. দিলরুবা আক্তার
  4. নিশাত মজুমদার
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
৮,৬৮১.
কোন শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয়?
  1. মফিজউদ্দীন আহমদ শিক্ষা কমিশন
  2. এম এ বারী শিক্ষা কমিশন
  3. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  4. শরীফ শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষা দিবস।
- ১৯৬২-এর সেপ্টেম্বরে আরেকটি আন্দোলন হয়, যা বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে অভিহিত।
- শরীফ শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।
- 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয় শরীফ শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে।
- ১৫ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে বাবুল, গোলাম মোস্তফা, ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ নিহত হন এবং আহত হয় প্রায় আড়াইশ জন।
- এ আন্দোলনের ফলে সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত রাখে।
- এ আন্দোলনের গুরুত্ব এ যে, এ সময় থেকে ছাত্ররাই আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।
- তখন থেকে আজ পর্যন্ত ছাত্র সম্প্রদায় প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস রূপে পালন করে আসছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৮২.
'বীরাঙ্গনা'দের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৫ সালে
  2. খ) ২০১৬ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারী:
- মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল।
- ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাতে নারীদের বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।
- মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা অস্ত্রচালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- অপরদিকে সহযোদ্ধা হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুধুবা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহ করে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এদেশের অগণিত নারী মুক্তিসেনা।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লাখ মা-বোন।
- তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী।
- তাদের ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারিভাবে তাঁদের 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করেন।
- আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৫ সালে তাঁদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং লিঙ্ক
৮,৬৮৩.
বাংলাদেশের তৃতীয় জিআই পণ্য কোনটি?
  1. ক) ইলিশ
  2. খ) ক্ষীরশাপাতি আম
  3. গ) বিজয়পুরের সাদা মাটি
  4. ঘ) কালিজিরা
সঠিক উত্তর:
খ) ক্ষীরশাপাতি আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্ষীরশাপাতি আম
ব্যাখ্যা
• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো  জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- দশম পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে বাগদা চিংড়ি।
- এর ফলে অন্য কোনো দেশ বাগদা চিংড়িকে আর তাদের পণ্য বলে পরিচয় দিতে পারবে না।
- সম্প্রতি পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর এ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বিশ্ববাজারে বাগদা চিংড়িকে বাংলাদেশের বিশেষায়িত পণ্য হিসেবে তুলে ধরতে ২০১৯ সালের মে মাসে মৎস্য অধিদফতর জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করে।
- নিয়ম অনুযায়ী জার্নালে প্রকাশের দুই মাসের মধ্যে কেউ আপত্তি না করলে সেই পণ্যের জিআই সনদ পেতে আর কোনো বাধা থাকে না।
- গত ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়।

- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ: ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৮,৬৮৪.
কারা নিজেদেরকে মান্দাই/মান্দি নামে পরিচয় দিয়ে থাকে?
  1. গারো
  2. ত্রিপুরা
  3. রাখাইন
  4. পাঙন
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো (মান্দি): 
- নৃগোষ্ঠী হিসাবে 'গারো'দের নামকরণ নিয়ে মতভিন্নতা রয়েছে।
- একটি মত অনুসারে, গারো পাহাড়ের নামানুসারে 'গারো' নামকরণ করা হয়।
- অন্য মতে বলা হয়েছে, গারো নৃগোষ্ঠীর নামানুসারে 'গারো পাহাড়' নামকরণ হয়েছে।
- গারোরা নিজেদেরকে মান্দাই/মান্দি নামে পরিচয় দিয়ে থাকে।
- গারো ভাষায় মান্দি অর্থ মানুষ।
- গারো এথনিক সম্প্রদায় দুই শ্রেণিভূক্ত; যথা- ক) অচ্ছিক গারো ও খ) লামদানি গারো।
- বাংলাদেশে প্রধানত লামদানি গারোরা বাস করে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৮৫.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেটের আকার কত ছিল?
  1. ৭৮১ কোটি টাকা
  2. ৭৮৬ কোটি টাকা
  3. ৭৮৮ কোটি টাকা
  4. ৭৯১ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৭৮৬ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮৬ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

প্রথম বাজেট:
- ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পেশ করা হয়।
- বাজেট পেশ করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ৷
- একসঙ্গে তিনি দুই অর্থবছরের বাজেট দিয়েছিলেন।
- প্রথম বাজেট ছিল ছোট আকারের।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রথম জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হয় ১৯৭২
সালের ৩০শে জুন।
- দেশের প্রথম বাজেটের পরিমাণ ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা পত্রিকার রিপোর্ট।

৮,৬৮৬.
নিচের কোনটি নাগরিকের দায়িত্ব?
  1. ক) শিল্প কারখানায় অধিক শ্রমিক নিয়োগ
  2. খ) রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা
  3. গ) রাজনৈতিক সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হওয়া
  4. ঘ) দক্ষ জনশক্তি তৈরি কর
সঠিক উত্তর:
খ) রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র যেমন নাগরিকদের বিবিধ সুযোগ সুবিধা এবং অধিকার দিয়ে থাকে তেমনি রাষ্ট্রের প্রতিও নাগরিকদের কতগুলো দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। নাগরিকদের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা। রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন এবং সংবিধান মেনে চলা এবং আইনের প্রতি সম্মান দেখানো নাগরিকদের অন্যতম দায়িত্ব। তাই নাগরিক হিসেবে রাস্তায় চলাকালে ট্রাফিক আইন অনুসরণ করা প্রত্যেক ব্যক্তির একান্ত কর্তব্য।
৮,৬৮৭.
মূলধন তহবিল বলতে কি বুঝায়?
  1. আয় ও ব্যয়ের হিসাব
  2. সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য
  3. নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের পার্থক্য
  4. সম্পত্তি ও দায় হিসাব
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য
ব্যাখ্যা
মূলধন তহবিল:
- অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্যকে মূলধন তহবিল বলে।
- অনেক প্রতিষ্ঠান একে সাধারণ তহবিল (General Fund) বলে।
- মূলধন তহবিলকে নীট সম্পত্তিও বলা হয়।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৮৮.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. সিঙ্গাপুর
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

জাহাজ রপ্তানি: 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- সময়: ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর।
- ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল। 
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে।
- জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল ১২৩ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৮,৬৮৯.
ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন -
  1. আতাউর রহমান
  2. সুফিয়া কামাল
  3. শামসুল হক
  4. জাহানারা ইমাম
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
ছায়ানট:
-  বাংলা ১৩৬৮, ইংরেজি ১৯৬১ সালে সারাবিশ্বে রবীন্দ্রশতবার্ষিকীর আয়োজন বাংলার এই প্রান্তের সংস্কৃতি সচেতন মানুষের মনেও চাঞ্চল্য জাগায়। 
- উদ্যোগী হলেন বিচারপতি মাহবুব মুর্শেদ, ডক্টর গোবিন্দচন্দ্র দেব, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ বুদ্ধিজীবী, তেমনি ঢাকার কিছু সংস্কৃতিকর্মীও আগুয়ান হলো শতবর্ষ উদযাপনের উদ্দেশ্যে।

- শতবার্ষিকী উদ্‌যাপন করবার পর এক বনভোজনে গিয়ে সুফিয়া কামালসহ বহু অনুপ্রাণিত কর্মী সাংস্কৃতিক আন্দোলন চালিয়ে যাবার জন্যে সমিতি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেন। 
- জন্ম হয় ছায়ানটের।
-১৯৬১ সালে সুফিয়া কামালকে সভাপতি আর ফরিদা হাসানকে সম্পাদক করে প্রথম কমিটি গঠিত হয়।
- পাকিস্তানি যুগে কঠোর সামরিক শাসনে পদানত স্বদেশে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও রবীন্দ্রভাবনা অবলম্বন করে ছায়ানট যাত্রা শুরু করে।

উৎস: ছায়ানট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট  এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,৬৯০.
সরকার ঘােষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) হাকালুকি হাওড়
  2. খ) হাইল হাওড়
  3. গ) হালদা নদী
  4. ঘ) চলন বিল
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) হাইল হাওড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাইল হাওড়
ব্যাখ্যা
- সরকার ঘােষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম  হাইল হাওড়। 
- জলাশয় সংশ্লিষ্ট মৎস্যজীবী-জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সুফলভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জলাশয়ের জৈবিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি ২০০৯ প্রণয়ন করেছে।
- এ নীতির আওতায় অভ্যন্তরীণ জলসম্পদের স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য জলাশয় সংশ্লিষ্ট সুফলভোগী/জেলেদের সমন্বয়ে সমাজভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
- বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম স্থাপন একটি অন্যতম কারিগরি কৌশল।
- বিগত পাঁচ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে ৫৩৪টি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- পাঁচ বছরে স্থাপিত ৫৩৪টি অভয়াশ্রমসহ বর্তমানে দেশব্যাপী প্রায় ৫৫০টি অভয়াশ্রম স্থানীয় সুফলভোগী কর্তৃক সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
- এসব অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতি যথা-চিতল, ফলি, বামোস, কালিবাউস, আইড়, টেংরা, মেনি, রানী, সরপুঁটি, মধু পাবদা, রিটা, কাজলী, চাকা, গজার, তারা বাইম ইত্যাদি মাছের প্রাপ্যতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

Source: www.ais.gov.bd/, দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট। 

 
৮,৬৯১.
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. পাটালিপুত্র
  2. গৌড়
  3. কর্ণ সুবর্ণ
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
পাটালিপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটালিপুত্র
ব্যাখ্যা

চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে।
- মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- সামাজিক ক্ষেত্রে আর্য-অনার্যের পার্থক্য ক্রমেই ঘুঁচে যেতে শুরু করে।
- শিল্প- সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তনের সূচনা হয়।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
         ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৯২.
’The Ultimate Fate of the Universe’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. জামাল নজরুল ইসলাম
  3. ড. নজরুল ইসলাম খান
  4. ফজলে হাসান আবেদ
সঠিক উত্তর:
ড. জামাল নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

• বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তাঁর বাবার কর্মস্থলে , ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
- পশ্চিমের উন্নত দেশে ৩০ বছরের অভ্যস্ত জীবন, সম্মানজনক পদ, গবেষণার অনুকূল পরিবেশ, বিশ্বমানের গুণীজন সাহচর্য এবং আর্থিকভাবে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে ১৯৮৪ সালে ফিরে আসেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে।
-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে যোগ দিলেন মাসিক তিন হাজার টাকা বেতনে।
- দেশে ফিরে এসে একদিকে জামাল নজরুল ইসলাম গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস),

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, প্রথম আলো।

৮,৬৯৩.
টিভি-০০৫ (টেট্রাভ্যালেন্ট) কোন রোগের টিকা?
  1. ডেঙ্গু
  2. যক্ষ্মা
  3. ম্যালেরিয়া
  4. কোভিড
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
ব্যাখ্যা
টিভি-০০৫:
- টিভি-০০৫ (টেট্রাভ্যালেন্ট) ডেঙ্গু রোগের টিকা।
- ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন: ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু রোগের টিকার সফল পরীক্ষা হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) ও যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউভিএম) লার্নার কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকেরা এই টিকার সফল পরীক্ষা করেছেন। 
- টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগে দেখা গেছে, চারটি ধরনের বিরুদ্ধেই এই টিকা অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাফল্য দেখিয়েছে।
- এই টিকার নাম দেওয়া হয়েছে টিভি-০০৫ (টেট্রাভ্যালেন্ট)।

উৎস: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৮,৬৯৪.
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কত শতাংশ নারী সদস্য থাকতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ২৮%
  3. ৩৩%
  4. ৩৮%
সঠিক উত্তর:
৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩%
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
- বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর সবচাইতে আলোচিত পরিবর্তন আনা হয় আদেশ এর Chapter-VI-এ এর মাধ্যমে।
- নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়।
- নিবন্ধনের শর্তগুলোতে মহিলা নেতৃত্ব এবং রাজনীতিতে মহিলাদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় কমিটিগুলোতে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারীদের অন্তর্ভুুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও)। ২০০৮ সালে নিবন্ধন নেওয়ার সময় দলগুলো তা পূরণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করতে পারেনি নিবন্ধিত দলগুলো। বর্তমান কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে দলের সব স্তরের কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার সময়সীমা ২০২০ এর পরিবর্তে ২০৩০ সাল করার প্রস্তাব দিয়েছে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

৮,৬৯৫.
বাংলাদেশের বর্তমানে উৎপাদনে শীর্ষ গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. তিতাস
  2. বিবিয়ানা
  3. জালালাবাদ
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দেশের ২০টি গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
উৎপাদনে শীর্ষ গ্যাসক্ষেত্রসমূহ (দৈনিক):
- প্রথম : বিবিয়ানা (৩৪ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : তিতাস (১০.৫ শতাংশ)
- তৃতীয় : জালালাবাদ (৫.৬ শতাংশ)
- চতুর্থ : হবিগঞ্জ (৪.৪ শতাংশ)।
(তথ্যসূত্র: পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট)
৮,৬৯৬.
সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি কি?
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
ক) বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বীরশ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনীর একজন করে।
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - সেনাবাহিনী
সিপাহী মোস্তফা কামাল - সেনাবাহিনী
সিপাহী হামিদুর রহমান - সেনাবাহিনী
ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন - নৌবাহিনী
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান – বিমান বাহিনী
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ – সাবেক ই. পি. আর.
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ – সাবেক ই. পি. আর.।
সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৮,৬৯৭.
কোন শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয়?
  1. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  2. আতাউর রহমান শিক্ষা কমিশন
  3. খান শিক্ষা কমিশন
  4. আকরাম খাঁ শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
১৯৬২'র শিক্ষা আন্দোলন: 
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরীফ  কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
- ফলে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়। এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন’ নামে পরিচিত ।

- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েকশ’ আহত হয়।
- এ আন্দোলনের ফলে শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।
- এই আন্দোলনের ফলে ছাত্ররা আইয়ুববিরােধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৬৯৮.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিনে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. ক) জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
  2. খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. গ) ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  4. ঘ) মেজর শফিউল্লাহ
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যাকব পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খসড়া দলিল নিয়ে অপরাহ্ণ এক ঘটিকায় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরা এক হেলিকপ্টার বহরে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে বিকাল চারটায় ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছেন। পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন ডেপুটি চীফ অব স্টাফ গ্রুপ-ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৮,৬৯৯.
ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ঢাকা দক্ষিণ
  2. রংপুর
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
⇒ সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে, সেখানে বাস করেন ৫৯ লাখ ৭৯ হাজার ৫৩৭ জন।
- আর সবচেয়ে কম বসবাস বরিশাল সিটি করপোরেশনে, সেখানে বাস করেন চার লাখ ১৯ হাজার ৩৫১ জন।

⇒ সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯৩৫৩ জন)।
- সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা রংপুর সিটি কর্পোরেশন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৪৪৪ জন)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৮,৭০০.
কণিষ্কের রাজধানী ছিল -
  1. কাবুল
  2. পুরুষপুর
  3. মথুরা
  4. পাটলিপুত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষপুর
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।