বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭২ / ৩০৬ · ৭,১০১৭,২০০ / ৩০,৮৩২

৭,১০১.
মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে ঘোষিত হয়?
  1. ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৫ই ডিসেম্বর, ১৯৭৩
  3. ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭৩
  4. ২৬শে মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৫ই ডিসেম্বর, ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ই ডিসেম্বর, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
বীরত্বসূচক খেতাব:
- বীরত্বসূচক খেতাব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সভায় বীরত্বসূচক খেতাবের নতুন নামকরণ হয়.
- সেগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ পদমর্যাদার খেতাব: বীরশ্রেষ্ঠ,
- উচ্চ পদমর্যাদার খেতাব: বীর উত্তম,
- প্রশংসনীয় পদমর্যাদার খেতাব: বীর বিক্রম,
- বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের খেতাব: বীর প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাবের জন্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্বের ৪৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবের জন্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেতাব তালিকায় স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৯৯২ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে বীরত্বসূচক খেতাব প্রাপ্তদের পদক ও রিবন প্রদান করা হয়।
- ২০০১ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,১০২.
‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. শূন্য দারিদ্র্য
  2. শূন্য দুর্নীতি
  3. শূন্য প্লাস্টিক
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
শূন্য প্লাস্টিক ও শূন্য দুর্নীতি ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
৭,১০৩.
পিপিপি এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) প্রাইভেট প্রাকটিস অন ফিজিক্স
  2. খ) প্রাইভেট প্রাকটিশনার অন পাবলিক হেলথ
  3. গ) পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ
  4. ঘ) প্রাইভেট প্র্যাকটিস প্রসিকিউটার
সঠিক উত্তর:
গ) পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ
ব্যাখ্যা

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ
- পিপিপি এর পূর্ণরূপ পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ।
- পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ হলো একটি সরকারি ও বেসরকারি খাত মধ্যকার একটি দীর্ঘমেয়াদী সংস্থান।
- সাধারণত এতে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবা বেসরকারি মূলধন অর্থায়ন এবং তারপর পিপিপি চুক্তির সময় করদাতা অথবা ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় জড়িত থাকে।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব একাধিক দেশে বাস্তবায়িত হয়েছে ও প্রাথমিকভাবে অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- স্কুল, হাসপাতাল, পরিবহন ব্যবস্থা এবং পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নির্মাণ, সজ্জা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তাদের নিযুক্ত করা হয়েছে।
- দেশের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবা সৃষ্টি/প্রদান করার লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার ভার গ্রহণ করার পরপরই জননেত্রী পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

উৎস: পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ, pppa.gov.bd.

৭,১০৪.
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করা হয় কবে?
  1. ২০ নভেম্বর, ১৯৭১ সালে
  2. ২১ নভেম্বর, ১৯৭১ সালে
  3. ২২ নভেম্বর, ১৯৭১ সালে
  4. ২৩ নভেম্বর, ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়:
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে।
- যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১০৫.
Which authority in Bangladesh issues license to Credit Rating Agencies?
  1. ক) BSEC
  2. খ) MRA
  3. গ) BB
  4. ঘ) IDRA
সঠিক উত্তর:
ক) BSEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) BSEC
ব্যাখ্যা
- ক্রেডিট রেটিং এজেন্সিকে লাইসেন্স প্রদান করে  BSEC (Bangladesh Securities Exchange Commission)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শিবলী রুবায়েত উল ইসলাম।
- BSEC এর অধীন বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জের সংখ্যা দুটো। এগুলো হলো:
- DSE (Dhaka Stock Exchange)
- CSE (Chittagong Stock Exchange)।

সূত্র: BSEC ওয়েবসাইট [লিংক]। 
৭,১০৬.
দেশে সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১১৪টি
  2. খ) ১২৭টি
  3. গ) ১৪৩টি
  4. ঘ) ১৬২টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩টি
ব্যাখ্যা
- দেশে গুণগত মানসম্পন্ন মাছের পোনা উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার রয়েছে ১৪৩টি।
- এছাড়া বেসরকারি পোনা উৎপাদন খামার রয়েছে ১০৩৮টি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯১)
৭,১০৭.
মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন কোন জাতীসত্ত্বায় রয়েছে?
  1. গারো
  2. সাওতাল
  3. মনিপুরি
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন গারো জাতীসত্ত্বায় রয়েছে।

গারো:

- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
৭,১০৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, খসড়া সংবিধান বিল গণপরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি- 
• জাতীয়তাবাদ,
• গণতন্ত্র,
• ধর্মনিরপেক্ষতা ও
• সমাজতন্ত্র।

- সংবিধানের বৈশিষ্ঠ্য:
• বাংলাদেশের সংবিধানে ১১ টি অধ্যায় আছে।
• ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
• ৭ টি তফসিল রয়েছে।
• ১৩ টি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
• ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

৭,১০৯.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন কত সালে?
  1. ১৭৫৫ সালে
  2. ১৭৫৬ সালে
  3. ১৭৫৭ সালে
  4. ১৭৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

সিরাজউদ্দৌলা:
- সিরাজউদ্দৌলা বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন ১৭৫৬ সালে।
- আলীবর্দী খানের কোনো পুত্র ছিল না।
- তার তিন কন্যা আমেনা, ময়মুনা ও ঘষেটি ।
- ময়মুনা ও আমেনার দুই পুত্র ছিল।
- কিন্তু ঘষেটি বেগমের কোনো পুত্র ছিল না।
- আলীবর্দী খান আমেনার পুত্র সিরাজউদ্দৌলাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন।
- এ কারণে তাঁকেই তাঁর জীবিতকালে বাংলার নবাব পদে মনোনীত করে যান।
- আলীবর্দী খান দৌহিত্য ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- সিরাজ ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁর পিতার নাম মির্জা মুহম্মদ হাসিম মইনুদ্দীন খান।
- ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হয়।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১১০.
১৯৩৭ সালের নির্বাচনে ফজলুল হকের নিকট পরাজিত হন মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা -
  1. ক) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খ) খাজা নাজিম উদ্দিন
  3. গ) শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) মাওলানা আকরম খাঁ
সঠিক উত্তর:
খ) খাজা নাজিম উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খাজা নাজিম উদ্দিন
ব্যাখ্যা
১৯৩৭ সালের নির্বাচনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। এই নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরাট সাফল্য লাভ করে। যদিও পাঞ্জাব এবং সিন্ধুতে তাদের এত সাফল্য অর্জিত হয়নি । বাংলায় তাদের এ সাফল্যের কারণ ছিল—
ক. মুসলিম লীগের প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ।
খ. নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নিজস্ব তহবিল ।
গ. দৈনিক আজাদ ও স্টার অব ইন্ডিয়ার মতো জনপ্রিয় পত্রিকাগুলোর মুসলিম লীগের পক্ষে প্রচারণা । এবং
ঘ. শিক্ষিত সচেতন মুসলিম বুদ্ধিজীবী ও ছাত্র সমাজের মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে মুসলিম লীগকে সমর্থন দান,
ঙ. সোহরাওয়ার্দীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ইত্যাদি ।

তবে নির্বাচনে মুসলিম লীগের এ সাফল্য কিছুটা হলেও ম্লান হয়েছিল দলের প্রভাবশালী নেতা খাজা নাজিম উদ্দিনের নিজ জমিদারি পটুয়াখালীতে শোচনীয় পরাজয় । কৃষক-প্রজা পার্টির এ. কে. ফজলুল হক তাঁকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। নাজিম উদ্দিনের এ পরাজয় ফজলুল হকের গ্রাম বাংলায় বিপুল জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে। কৃষক-প্রজা পার্টির প্রতিনিধিগণও সাধারণ মানুষের আস্থা লাভ করেছিল। তাদের ঘোষিত ‘ডাল-ভাত' কর্মসূচি ছিল মূলত দরিদ্র জনগোষ্ঠীরই কর্মসূচি। এ নির্বাচনে আরেকটি লক্ষণীয় ব্যাপার হলো মুসলিম রাজনীতিতে অভিজাত শ্রেণীর প্রভাব হ্রাস এবং শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রতিষ্ঠা লাভ ।
 
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, ইতিহাস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,১১১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর গণনায় কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. স্ট্যান্ডার্ড ডি-ফ্যাক্টো
  2. মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
  3. ডি-জুরে-ফ্যাক্টো
  4. ডি-ফ্যাক্টো-সার্ভে
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৭,১১২.
'অমর একুশে বইমেলা–২০২৫' এর প্রতিপাদ্য কী?
  1. নতুন যুগের পথে বাংলাদেশ
  2. জুলাই বিপ্লব: নতুন বাংলাদেশের উত্তরণ
  3. জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ
  4. এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই
সঠিক উত্তর:
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ
ব্যাখ্যা
অমর একুশে বইমেলা– ২০২৫:
- অমর একুশে বইমেলা–২০২৫ আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে। চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত।
- ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত হয়েছে এবারের আসর।
- মেলার উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।

উল্লেখ্য,
- এবারের মেলায় মোট প্যাভিলিয়ন থাকবে ৩৭টি।
- এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬টি থাকবে।
- বইমেলায় মোট ৭০৮টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।[Link]
৭,১১৩.
'গণভোট' সর্বপ্রথম সংবিধানের কত নং সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অংশ ছিল গণভোট।
- এটি ১৯৯১ সালে দ্বাদশ সংশোধনীতে যুক্ত হয়।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।

• দ্বাদশ সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ২ জুলাই, ১৯৯১
- উত্থাপনকারী: আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা গোলাম হাফিজ
- সংসদে গৃহীত: ৬ আগস্ট, ১৯৯১
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১  

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধন আইনের সংশোধন মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
যেখানে-
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন; 
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন; 
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
৪. উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭,১১৪.
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিচালনার দায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. BRTA
  2. BIWTA
  3. BRTC
  4. BSEC
সঠিক উত্তর:
BIWTA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIWTA
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (BIWTA): 
- BIWTA বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিচালনা করে। 
- অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ৩১ অক্টোবর, ১৯৫৮ সালে East Pakistan Inland Water Transport Authority Ordinance 1958 জারি করে।
- ৪ নভেম্বর, ১৯৫৮ সালে সরকার একটি তিন সদস্যের কর্তৃপক্ষ গঠন করে, যা East Pakistan Inland Water Transport Authority (EPIWTA) নামে পরিচিত।
- BIWTA ১৯৫৮ সালের ওই অধ্যাদেশের মাধ্যমে EPIWTA-এর উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BIWTA-কে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও জলপথের উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রায় ২৪,০০০ কিমি দীর্ঘ নদী, খাল এবং স্রোতধারা রয়েছে, যা দেশের মোট ভূমির প্রায় ৭% কভার করে।
- বর্ষাকালে ৫,৯৬৮ কিমি এবং শুষ্ক মৌসুমে ৩,৮৬৫ কিমি নৌযান চলাচলযোগ্য।
- ৫০% আর্টেরিয়াল পণ্য পরিবহন এবং ২৫% যাত্রী পরিবহন এই খাতের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- বর্ষাকালে নৌপরিবহন নেটওয়ার্কের ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- BIWTA বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিচালনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: BIWTA ওয়েবসাইট। 

৭,১১৫.
১৯৬২ সালের শিক্ষা কমিশনের নাম কী ছিল?
  1. জিন্নাহ কমিশন 
  2. নূরুল হুদা কমিশন
  3. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
  4. শরিফ কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরিফ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরিফ কমিশন
ব্যাখ্যা

১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরিফ কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
ফলে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়।
- এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে পরিচিত।
- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েকশ' আহত হয়।
- এ আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।
- এই আন্দোলনের ফলে ছাত্ররা আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৭,১১৬.
সংসদে যে সকল আইন প্রণয়ন করা হয় সে অনুযায়ী নীতিনির্ধারণ ও সরকারের শাসনকাজ পরিচালিত হয় কোথায় থেকে?
  1. সুপ্রিমকোর্ট
  2. বাংলাদেশ সচিবালয়
  3. আইনসভা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সচিবালয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- ভবন ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।
- জাতীয় সংসদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করেন এবং অন্যান্য নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়:
- সংসদে যে সকল আইন প্রণয়ন করা হয় সে অনুযায়ী নীতিনির্ধারণ ও সরকারের শাসনকাজ পরিচালিত হয় সচিবালয় থেকে।

সুপ্রিমকোর্ট:
- এটি বাংলাদেশের বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ স্তর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭,১১৭.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ১৯টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনি।
৭,১১৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে-
  1. যৌথ বাহিনী
  2. বাংলাদেশ বিমান বাহিনী
  3. বাংলাদেশ নৌবাহিনী
  4. বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ নৌবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ নৌবাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।

- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট ১৯৭১ সালে।
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর - চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১। 
৭,১১৯.
২১ দফার প্রথম দফা কোনটি?
  1. ক) একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা
  2. খ) পূর্ব বাংলাকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান
  3. গ) জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ
  4. ঘ) বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- ২১ দফার প্রথম দফা ছিলো বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ৫ টি যথা - ১,১০,১৬,১৭,১৮ । 

এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।

উৎস- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,১২০.
খিলাফত আন্দোলনের যুগপৎ কোন আন্দোলনটি সংঘটিত হয়?
  1. ক) স্বদেশী আন্দোলন
  2. খ) অসহযোগ আন্দোলন
  3. গ) ভারত ছাড় আন্দোলন
  4. ঘ) আলীগড় আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
খ) অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খেলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
মাওলানা মুহাম্মদ আলী, মাওলানা শওকত আলী, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ খেলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
একই সময়ে চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন, রাওলাট আইন, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড প্রভৃতি ইস্যুতে কংগ্রেসের নেতৃত্বে দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলন পরিচালিত হয়।
এ দুটি আন্দোলন তখন সমগ্র ভারতবর্ষে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ১৯২৪ সালে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের খেলাফত বিলুপ্ত করলে খেলাফত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,১২১.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম কাগজকল স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম কাগজকল:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় প্রথম ‘কর্ণফুলী কাগজকল’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর স্থাপিত হয় খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ও পাবনায় নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল।
- বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলে পঞ্চাশের অধিক কাগজকল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বসুন্ধরা পেপার মিল, সোনালি পেপার মিল, হাশেম পেপার ও পাল্প মিল, হোসেন পেপার মিল, পার্ল পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস, সাদেক পেপার মিল ইত্যাদি। বেসরকারি বেশ কিছু কারখানায় প্রধানত আমদানি করা রাসায়নিক মণ্ড ব্যবহার করে উন্নত মানের কাগজ তৈরি করা হয়।
- আমাদের দেশে মূলত লেখার কাগজ, ছাপার কাগজ, নিউজপ্রিন্ট ও প্যাকেজিং জাতীয় কাগজ-এই চার ধরনের কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এর মধ্যে নিউজপ্রিন্ট সবচেয়ে সস্তা ও কম টেকসই।

উল্লেখ্য,
⇒ কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উৎস: i) বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
ii)  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
৭,১২২.
বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি কে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ
  2. অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক
  3. অধ্যাপক মুহম্মদ নূরুল হুদা
  4. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

 • বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম (ডিসেম্বর-২০২৫)।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি -অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক (ডিসেম্বর-২০২৫)।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহপরিচালক- প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় - ১৯৬০ সাল থেকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।

৭,১২৩.
কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা -
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. শের এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
শের এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শের এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
কৃষক প্রজা পার্টি:
- কৃষক প্রজা পার্টি আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি সম্বলিত একটি রাজনৈতিক দল।
- দলটি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল।
- ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কৃষক প্রজা পার্টি ছিল নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির ফসল।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মুসলমান নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে  নিখিলবঙ্গ প্রজা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৯ সালে।
- আব্দুর রহিম এ সমিতির সভাপতি এবং আরও পাঁচজন সহ-সভাপতি ছিলেন।
- এ.কে ফজলুল হক ছিলেন এ পাঁচজনের মধ্যে প্রথম সহ-সভাপতি।
- ১৯৩০ দশকের মন্দার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বঙ্গের প্রায় সকল জেলায় প্রজা সমিতি গঠিত হয়।
- এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব বাংলায় তার সমর্থকদের নিয়ে প্রজা সমিতি ত্যাগ করলেন এবং ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠিত করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে কে.পি.পি-র প্রধান দু প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ।
- কৃষক ভোটাররা ফজলুল হকের প্রতি বিশাল সমর্থন জানায়।
- নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে কেপিপি তৃতীয় স্থান দখল করে।
- কংগ্রেস পায় ৫২টি আসন, মুসলিম লীগ ৩৯টি, কে.পি.পি ৩৬টি এবং অন্যান্য খন্ডিত দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২৫০ আসনের বাকিগুলি দখল করে।
- এর ফলে কে.পি.পি পূর্ব বঙ্গের একটি দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,১২৪.
NCP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Curriculum Party
  2. National Citizen Party
  3. National Cultural Party
  4. New Citizen Party
সঠিক উত্তর:
National Citizen Party
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Citizen Party
ব্যাখ্যা
National Citizen Party (NCP):
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- এটি  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
 - নাহিদ ইসলামকে দলটির  আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- এটি দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল, যা সম্পূর্ণভাবে ছাত্র নেতৃত্বের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- দলটির সৃষ্টি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি সফল পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: NCP ওয়েবসাইট।
৭,১২৫.
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. কুয়েত
  2. আলজেরিয়া
  3. সংযুক্তি আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে।

• বাংলাদেশের বৃহত্তম শ্রম বাজার:

- বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
- ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
- তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।

⇒ ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
- এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান। 

উৎস: The Business Standard. 

৭,১২৬.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি ভোটে কতজন নারী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন?  
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ৯ জন
  4. ১৬ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এ নারী প্রার্থী: 
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যাতে মোট ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মোট ৩৫০টি সিট রয়েছে — যার মধ্যে ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত এবং ৫০টি নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- এবার নির্বাচনে ৭ জন নারী নির্বাচিত হয়েছেন। তার মধ্যে ছয়জনই বিএনপির। একজন স্বতন্ত্র। 
- সে হিসাবে সংসদে মোট নারী সংসদ সদস্যের সংখ্যা হবে ৫৭।
- অর্থাৎ সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব হবে ১৬ শতাংশ। 

উল্লেখ্য, 
- এবার ২৯৯টি আসনে নারী প্রার্থী ছিলেন ৮৬ জন।
-  যা মোট প্রার্থীর প্রায় ৪ শতাংশ।
- এবার নারীর তুলনায় পুরুষেরা মনোনয়ন পেয়েছেন ২২ গুণ বেশি।
- মনোনয়নের তুলনায় জয় পেয়েছেন ৮ শতাংশের বেশি নারী।
-  পুরুষেরা যত মনোনয়ন পেয়েছেন, তার তুলনায় জয় পেয়েছেন ১৫ শতাংশ। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

৭,১২৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ২ নং
  2. ৪ নং
  3. ৫ নং
  4. ১ নং
সঠিক উত্তর:
২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

তন্মধ্যে,
- চট্টগ্রাম: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা: ২ নং সেক্টর,
- রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী: ৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর: ৮ নং সেক্টর,
- সুন্দরবন: ৯ নং সেক্টর।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল: ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও -বঙ্গোপসাগর)।

উল্লেখ্য,
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,১২৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) উপ-রাষ্ট্রপতি থেকে রাষ্টপতি পদে নির্বাচনের বিধান
  2. খ) সংসদীয় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতির প্রচলন
  3. গ) রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতি দান
  4. ঘ) জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৩০ টি আসন সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতি দান
ব্যাখ্যা
• অষ্টম সংশোধনী:
- অষ্টম সংশোধনী গৃহীত হয় - ৮ জুন, ১৯৮৮ সালে।
- অষ্টম সংশোধনী সংবিধানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়।
- সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদ ‍যুক্ত করা হয়।
- এ সংশোধনী অনুযায়ী ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করা হয়।
- বাংলাদেশের মূল সংবিধানের ৩০ নম্বর অনুচ্ছেদের পরিবর্তন আনা হয়।
- ১০০ নং অনুচ্ছেদে সংশোধন এনে ঢাকার বাহিরে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, যশোর, রংপুর ও সিলেটে হাইকোর্ট বিভাগের একটি করে বেঞ্চ স্থাপন করা হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান
৭,১২৯.
নিচের কোনটির নাম প্রথমে ছিল 'কেল্লা আওরঙ্গবাদ'?
  1. আহসান মঞ্জিল
  2. বড় কাটরা
  3. ছোট কাটরা
  4. লালবাগ দুর্গ
সঠিক উত্তর:
লালবাগ দুর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালবাগ দুর্গ
ব্যাখ্যা
লালবাগ দুর্গ: 
- প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙ্গজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
 এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- এই পরী বিবির সাথে শাহজাদা আজম শাহের বিয়ে ঠিক হয়েছিল।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- শায়েস্তা খাঁ দরবার হলে বসে রাজকাজ পরিচালনা করতেন।
- ১৬৮৮ সালে শায়েস্তা খাঁ অবসর নিয়ে আগ্রা চলে যাবার সময় দুর্গের মালিকানা উত্তরাধিকারীদের দান করে যান।
- শায়েস্তা খাঁ ঢাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর নানা কারণে লালবাগ দুর্গের গুরুত্ব কমতে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৭,১৩০.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মূল্য সংযোজন কর (VAT) প্রবর্তিত হয় কবে? 
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৮৬
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর বা VAT হলো একটি আধুনিক পরোক্ষ কর।
- এটি যেকোনো ব্যবসায়ের মাধ্যমে সৃষ্ট মূল্য সংযোজনের ওপর আরোপিত হয়।
- দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এই কর প্রযোজ্য।
- বিদেশী পণ্য আমদানি এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে VAT আরোপিত হয়।
- দেশীয় সেবা বা পরিষেবা উৎপাদন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।
- করটি উৎপাদন থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে আদায় করা হলেও এর চূড়ান্ত দায়ভার পণ্য বা সেবার ভোক্তা বহন করে। 
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই।
- এই পরোক্ষ করটি সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের উৎস।

উৎস:
1. National Board of Revenue (NBR) Official Website;
2. বাংলাপিডিয়া।

৭,১৩১.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘ব্রেন ডেথ’ কোন ব্যক্তির অঙ্গ নিয়ে অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হয়?
  1. ক) সায়েরা ইসলাম
  2. খ) সারাহ ইসলাম
  3. গ) জায়েরা ইসলাম
  4. ঘ) সুফিয়া ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) সারাহ ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সারাহ ইসলাম
ব্যাখ্যা
ব্রেন ডেথ:
• কোনো কারণে (স্ট্রোকস, মস্তিষ্কে আঘাত, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার বা অন্য কোনো কারণে) যদি আমাদের ব্রেন স্টেমের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, তখন তাকে বলা হবে ব্রেন ডেথ। 
• বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো সারাহ ইসলাম প্রথম ব্যক্তি, যিনি ব্রেন ডেথ থেকে মৃত্যুর আগে নিজের অঙ্গ দান করেন।
• যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের মৃত্যুকে বলা হয় হোল ব্রেন ডেথ।
• ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আইনের মাধ্যমে দুই ধরনের মৃত্যুকে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- সারকুলেটরি ডেথ (হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়াবন্ধজনিত মৃত্য)।
- অন্যটি হোল ব্রেন ডেথ (মস্তিষ্কের পুরো কর্মকাণ্ড বন্ধ কিন্তু হৃদ্‌যন্ত্র সচল থাকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত)।
• ১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯ জাতীয় সংসদে পাস করা হয়।

উৎস:- দৈনিক প্রথম আলো।
৭,১৩২.
প্রথম রাবার বাগান গড়ে উঠে কোথায়?
  1. খুলশী
  2. রামু
  3. মালিনীছড়া
  4. সীতাকুণ্ড
সঠিক উত্তর:
রামু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামু
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলা হয়। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়।

- বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৮টি রাবার বাগান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৭,১৩৩.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. সিটি ব্যাংক
  2. ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  3. ব্যাংক এশিয়া
  4. ব্র্যাক ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা

• প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে - ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।
- ২০১১ সালের ৩১ মার্চ সিটিসেল ও বাংলালিংকের মাধ্যমে ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে।
- ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক এর মোবাইল ব্যাংকিং বর্তমানে রকেট নামে পরিচিত।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ। 
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে।

উৎস: ডেইলি স্টার রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

৭,১৩৪.
আগরতলা মামলার রাজসাক্ষী কতজন ছিল?
  1. ০৯ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৭ জন
  4. ২৭ জন
সঠিক উত্তর:
১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৩৫.
চাকমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব কোনটি?
  1. বৈসু
  2. বিজু
  3. সাংগ্রাই
  4. ওয়ানগালা
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

৭,১৩৬.
উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য কত হতে হয়?
  1. ক) ১৫ কোটি
  2. খ) ১০ কোটি
  3. গ) ৫ কোটি
  4. ঘ) ৫০ কোটি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫ কোটি
ব্যাখ্যা
 মাঝারি শিল্প
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয়) সর্বনিম্ন ১৫ কোটি থেকে সর্বোচ্চ ৫০  কোটি বা ১২১ থেকে ৩০০ জন শ্রমিক থাকলে মাঝারি শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে
- সেবা খাতে,  জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয়) ২ কোটি থেকে ৩০  কোটি টাকা  বা ৫১ থেকে ১২০ জন শ্রমিক থাকলে মাঝারি শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- যে কোন একটি মানদন্ডের ভিত্তিতে  মাঝারি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হলেও অন্য মানদন্ডের ভিত্তিতে বৃহৎ  শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে ।
- সেক্ষেত্রে এ কর্মকান্ডটি  বৃহৎ​ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হবে।

অন্যদিকে -
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় ) ৫০  কোটির অধিক বা ৩০০ জনেরও বেশি শ্রমিক থাকলে বৃহৎ শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে,  জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় ) ৭৫ লক্ষ থেকে ১৫ কোটি বা ৩১ থেকে ১২০ জন শ্রমিক থাকলে ক্ষুদ্র শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে, জমি ও বিল্ডিং ব্যতীত স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয় )  ১০ লক্ষ থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা বা ১৬ থেকে ৩০ জন শ্রমিক থাকলে মাইক্রো শিল্প  হিসেবে গণ্য করা হবে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, শিল্পের শ্রেণীবিভাগ, khulna.gov.bd.
৭,১৩৭.
'অপারেশন কিলো ফ্লাইট' পরিচালনা করে -
  1. মুক্তিবাহিনী
  2. নৌ বাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. মিত্র বাহিনী
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো ফ্লাইট:

- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসুত্র - ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।
৭,১৩৮.
২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) জয় বাংলার ধ্বনি
  2. খ) একাত্তর-করতলে ছিন্নমাথা
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ২০২২ সালে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রে সংখ্যা - ১৯টি।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দুইটি চলচ্চিত্র - ‘জয় বাংলার ধ্বনি’ ও ‘একাত্তর-করতলে ছিন্নমাথা’।
• ‘জয় বাংলার ধ্বনি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক - মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম খন্দকার।
• ‘একাত্তর-করতলে ছিন্নমাথা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক - রফিকুল আনোয়ার (রাসেল)।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
৭,১৩৯.
ইলিয়াস শাহ কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. জর্ডান
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

ইলিয়াস শাহের সিংহাসন লাভ ও রাজ্য বিস্তার:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন। 
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন। 
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে। 
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।
- ইলিয়াস লখনৌতির শাসনকর্তা আলী মুবারকের ধাত্রীমাতার পুত্র ছিলেন।
- পরে আলী মুবারক বাংলাদেশে চলে আসেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের প্রধান সেনাপতি হন।
- ইলিয়াস শাহ যখন সিংহাসনে বসেন তখন পূর্ব ও দক্ষিণ বঙ্গ তার রাজ্যের বাইরে ছিল।
- তিনি প্রথমে সাতগাও দখল করেন।
- এরপর ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করেন ও প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করেন।
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাও অধিকার করে সারা বাংলাদেশের সুলতান হন।
- ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'সুলতান-ই- বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৪০.
নাচোল বিদ্রোহ বাংলাদেশের কোথায় সংঘটিত হয়েছিল?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. লালমনিরহাট
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
নাচোল বিদ্রোহ: 
- নাচোল বিদ্রোহ বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সংঘটিত হয়েছিল।
- এটি ১৯৪৯-৫০ সালে সাঁওতাল কৃষকদের জমি ও অধিকার আদায়ের সংগ্রাম হিসেবে পরিচিত।
- নাচোল বিদ্রোহ তেভাগা, নানকার এবং টঙ্ক আন্দোলনের মতো একটি কৃষক বিদ্রোহ, এটি মূলত কমিউনিস্ট পার্টির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বিদ্রোহের প্রধান কারণ ছিল সাঁওতাল কৃষকদের জমির অধিকার না থাকা এবং জোতদারদের দ্বারা শোষণ।
- সাঁওতাল চাষিরা ফসল উৎপাদনের পরও জমির ওপর মালিকানা পেত না এবং তাদের উৎপাদিত ফসলের বড় অংশ জোতদারদের দিতে হতো।
- এই শোষণের বিরুদ্ধে সাঁওতালরা খাজনা বন্ধ করে দেন এবং ফসলের বৃহত্তর ভাগ দাবির জন্য আন্দোলনে নামেন। বিদ্রোহ চলাকালে সংঘর্ষ, পুলিশ নিহত, এবং জোতদারদের ঘরবাড়ি লুটের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য: 
- নাচোল উপজেলার জমিদারদের বিরুদ্ধে সাঁওতাল কৃষকদের বিদ্রোহের নেত্রীর নাম ইলা মিত্র।
- ইলা মিত্রসহ নেতারা বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পুলিশ বিদ্রোহ দমন করতে কঠোর পদক্ষেপ নিলেও পরবর্তীতে ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন সাঁওতালদের জমির অধিকার স্বীকৃতি দেয়।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,১৪১.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেছেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরিন
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. বাবর আলী
  4. এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরিন
ব্যাখ্যা

সেভেন সামিট জয়:
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেছেন ওয়াসফিয়া নাজরিন।
- তিনি সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।

⇒ বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০১১ সালে ওয়াসফিয়া তাঁর সেভেন সামিট অভিযান শুরু করেন। 
- ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬ মে এভারেস্ট জয় করেন।
- এরপর বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গও জয় (সেভেন সামিট) করেন তিনি।  
- তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ, অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড জয় করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া অঞ্চল দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড জয়ের মধ্য দিয়ে সাতটি পর্বত জয়ের কাজটি সম্পন্ন করেন তিনি।
- ১৬ হাজার ২৪ ফুট উচ্চতার কারস্তনেজ পিরামিডের স্থানীয় নাম পুনাক জায়া।
- সেভেন সামিটের অংশ হিসেবে ওশেনিয়া অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে ধরা হয় এটিকে। এটি ছিল সেভেন সামিটের ৭ নম্বর চূড়া জয়।

এছাড়াও,
- ২০২২ সালের ২২ জুলাই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে২-এর চূড়ায় আরোহণ করেন।
- ২০১৪ সালে দুঃসাহসী অভিযানের জন্য ওয়াসফিয়া নাজরীনকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব দেওয়া হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.

৭,১৪২.
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোন সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়?
  1. ক) UNICEF
  2. খ) UN Women
  3. গ) UN Habitat
  4. ঘ) UNWTO
সঠিক উত্তর:
খ) UN Women
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UN Women
ব্যাখ্যা
- UN Women'র নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয় - বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা ২০২২ সালের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে ইউএন ওমেন নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো রিপোর্ট।
৭,১৪৩.
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মতিউর রহমানের পদবী কী ছিল?
  1. ক) সিপাহী
  2. খ) ফ্লাইট ক্যাপ্টেন
  3. গ) ল্যান্স নায়েক
  4. ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ গণ-
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৭,১৪৪.
সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড অবস্থিত-
  1. ক) ময়মনসিংহে
  2. খ) চট্টগ্রামে
  3. গ) গাজীপুরে
  4. ঘ) ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুরে
ব্যাখ্যা
- 'দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড' হলো দেশের একমাত্র টাকশাল যা গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। এটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৮ সালে। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন।
- এতে বিভিন্ন নোট, ডাকটিকিট, স্ট্যাম্প, সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড, নম্বরপত্র, সনদ ইত্যাদি ছাপানো হয়৷


উৎসঃ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৭,১৪৫.
১৯৭১ সালের কত তারিখে নিউ ইয়র্কের মেডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ আয়োজন করা হয়?
  1. ২৫শে মার্চ
  2. ২৬শে জুন
  3. ২৪শে জুলাই
  4. ১লা আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১লা আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা আগস্ট
ব্যাখ্যা

কনসার্ট ফর বাংলাদেশেঃ
- বিশ্বখ্যাত ভারতীয় সেতরাবাধক রবিশঙ্কর এবং তার বন্ধু ছিলেন গিটারবাধক জর্জ হ্যারিসন। 
- উভয়ে মিলে ১লা আগস্ট ১৯৭১ তারিখে নিউ ইয়র্কের মেডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি বেনিফিট কনসার্ট আয়োজন করেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে ও শরণার্থীদের সাহায্যে তহবিল সংগ্রহ ছিল এই কনসার্টের উদ্দেশ্য।
- সংগীতানুষ্ঠানটি কনসার্ট ফর বাংলাদেশে নামে পরিচিত।
- কনসার্টে সংগৃহীত অর্থ - ইউনিসেফ এর মাধ্যমে শরণার্থীদের জন্যে দিয়ে দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭,১৪৬.
কোন জেলা তুলা চাষের জন্য বেশি উপযোগী?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যশোর
ব্যাখ্যা

বর্তমানে ৪টি অঞ্চলে তুলার চাষ হচ্ছে। এ অঞ্চলগুলো হলো-যশোর, রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রাম। যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধীনস্থ যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর ও রাজশাহী এলাকায় সবচেয়ে বেশি তুলাহয়। (রেফারেন্সঃ তুলা উন্নয়ন বোর্ড)

৭,১৪৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
- স্পিকার সংসদ অধিবেশনের কাজকর্ম পরিচালনা করেন।
- তিনি সভার নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষা করেন।
- কোনো সদস্য নিয়মবহির্ভূত আচরণ করলে তাকে সভাধ্যক্ষবরখাস্ত করতে পারেন।
- তিনি অনাস্থা প্রস্তাব, মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব ও নিয়মানুযায়ী দৃষ্টি-আকর্ষণী বিজ্ঞপ্তি সহ বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি দেন।
- অধিবেশনে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে তাও স্পিকার স্থির করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান: প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।
- অর্থাৎ, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
৭,১৪৮.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. একাদশ সংশোধনী
  3. সপ্তদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- পঞ্চদশ সংশোধনী আইন  সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন।
- এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্টীয় মুলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্টীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। 

উৎস:- লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৭,১৪৯.
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক কী ছিল?
  1. হারিকেন
  2. নৌকা
  3. কোদাল
  4. বই
সঠিক উত্তর:
নৌকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌকা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:

- যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল মূলত ৪টি।
• আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)।
• কৃষক প্রজাপার্টি (এ. কে. ফজলুল হক)।
• নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী)।
• গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রোডে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,১৫০.
২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) দশম
  2. খ) নবম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড 'The Global Knowledge Partnership on Migration and Development (KNOMAD)’ মে, ২০২২ তারিখে প্রবাসী আয় সংক্রান্ত ‘"A war in a pandemic - Implications of the Ukraine crisis and COVID-19 on global governance of migration and remittance flows - Migration and Development Brief 36" শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে - বিশ্বের দরিদ্র ও মধ্য আয়ের দেশগুলো ২০২২ সালে মোট ৬৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স গ্রহণ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে,
⇒ ২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০ দেশ হলো-
• (প্রথম) ভারত - ৮৯ (বিলিয়ন USD)
• (দ্বিতীয়) মেক্সিকো - ৫৪ (বিলিয়ন USD)
• (তৃতীয়) চীন - ৫৩ (বিলিয়ন USD)
• (চতুর্থ) ফিলিপাইন -  ৩৭(বিলিয়ন USD)
• (পঞ্চম) মিশর - ৩২ (বিলিয়ন USD)
• (ষষ্ঠ) পাকিস্তান - ৩১(বিলিয়ন USD)
(সপ্তম) বাংলাদেশ - ২২ (বিলিয়ন USD)
• (অষ্টম) নাইজেরিয়া - ১৯ (বিলিয়ন USD)
• (নবম) ইউক্রেন - ১৮ (বিলিয়ন USD)
• (দশম) ভিয়েতনাম - ১৮ (বিলিয়ন USD)

উৎস: (বিশ্ব ব্যাংক ২০২২ সমীক্ষা রির্পোট)।
৭,১৫১.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,১৫২.
২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন -
  1. অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসা
  2. অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা
  3. অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নজরুল পুরস্কার:

- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার ২০২৪:
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।
- বাংলা একাডেমি নজরুল-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানাকে নজরুল পুরস্কার ২০২৪- এ ভূষিত করেছে।
- ২৩শে মে ২০২৪ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে নজরুল পুরস্কার ২০২৪ প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসা ও অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৭,১৫৩.
Which Bangladeshi recently received the 'Women in Diplomacy' award?
  1.  Shaheen Anam
  2. Abida Islam
  3. Rabab Fatima
  4. Saida Muna Tasneem
সঠিক উত্তর:
Abida Islam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abida Islam
ব্যাখ্যা

• Women in Diplomacy' award :
- যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- লন্ডনে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের পেশাদারিত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
-বাংলাদেশ হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম যে ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছেন, সেটি হচ্ছে—'চ্যাম্পিয়ন ফর উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুয়ালিটি'।

অন্যদিকে, 
-  বাংলাদেশে সামাজিক ন্যায়বিচার, অন্তর্ভুক্তি ও লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজা তৃতীয় চার্লস শাহীন আনামকে অনারারি এমবিই খেতাবের জন্য মনোনীত করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

৭,১৫৪.
বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. FAO
  2. ILO
  3. IMO
  4. WHO
সঠিক উত্তর:
WHO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WHO
ব্যাখ্যা
WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে International Health Conference।

⤇ ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত International Health Conference -তে ৬১টি দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে।
- এর ২ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে WHO এর যাত্রা শুরু হয়।

⇒ প্রতিবছর ৭ এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯ মে, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর সদস্যপদ লাভ করে ২২ জুন, ১৯৭২।
- বাংলাদেশ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সদস্যপদ লাভ করে ১৩ নভেম্বর ১৯৭৩।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
৭,১৫৫.
যুক্তরাষ্ট্রের সিয়ার্স টাওয়ারের স্থপতি কোন বাংলাদেশী?
  1. আরিফুর রহমান খান
  2. তাজুল ইসলাম
  3. ফজলুর রহমান খান
  4. নভেরা আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ফজলুর রহমান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা

ফজলুর রহমান খান:
• ফজলুর রহমান খান বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী আমেরিকান স্থপতি ও পুরকৌশলী।
- তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার এর নকশা প্রণয়ন করেন।
- তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের মধ্যে অন্যতম বলা হয়।
- বর্তমানে শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার এর নাম উইলিস টাওয়ার।

উল্লেখ্য,
- ফজলুর রহমান খান ঢাকায় একটি বাঙ্গালী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবা খান বাহাদুর আবদুর রহমান খাঁ ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ।
- তাঁদের আদিবাড়ি ছিল মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার ভাণ্ডারিকান্দি গ্রামে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭,১৫৬.
'মহেশখালী দ্বীপ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ভোলা
  3. নোয়াখালী
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
মহেশখালী:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী।
- ১৫৫৯ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহেশখালী দ্বীপ সৃষ্টি হয়।
- কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা মহেশখালী।
- এর আয়তন ৩৬২.১৮ বর্গ কিমি।
- ১৯৮৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রশাসন মহেশখালী থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করে।
- আদিনাথ মন্দির, মৈনাক পর্বত, সোনাদিয়া দ্বীপ, রাখাইনদের কেয়াং সহ বেশ কিছু দর্শণীয় স্থান রয়েছে মহেশখালীতে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,১৫৭.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম আসেন-
  1. ক) ইংরেজরা
  2. খ) ওলন্দাজরা
  3. গ) ফরাসিরা
  4. ঘ) পর্তুগিজরা
সঠিক উত্তর:
ঘ) পর্তুগিজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পনেরো শতকের শুরু থেকেই তারা বাণিজ্যের জন্য দুঃসাহসিক সমুদ্রযাত্রা শুরু করে।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে ভাস্কো ডা গামার কালিকটে পৌঁছার কয়েক দশক পরে বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে।
- পনেরো শতকের শেষ দিক হতেই এশিয়া থেকে মসলা আহরণের উদ্দেশ্যে ভেনিস ও আরব বণিকদের এড়িয়ে বিকল্প পথ অনুসরণের ফলেই এদেশে পর্তুগিজদের অনুপ্রবেশ ঘটে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৭,১৫৮.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. বিদ্যুৎ বিভাগ
  2. জননিরাপত্তা বিভাগ
  3. স্থানীয় সরকার বিভাগ
  4. সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সরকার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সরকার বিভাগ
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ২০২৫-২৬:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পাস করা হয়েছে।
- তহবিল থেকে আসবে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ও অনুদান হিসেবে আসবে ৮৬ হাজার কোটি টাকা।
- মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
- স্থানীয় সরকার বিভাগ সর্বোচ্চ ৩৬ হাজার ৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে।
- এরপর রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ৩২ হাজার ৩২৯ দশমিক ৫৭ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ বিভাগ ২০ হাজার ২৮৩ দশমিক ৬২ কোটি টাকা।

এছাড়া,
- নতুন এডিপিতে খাতের দিক থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতকে।
- এ খাতে মোট ৫৮ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩২ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষা খাতে। এ খাতে আগামী অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দের পরিমাণ ২৮ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাসস। [link]
৭,১৫৯.
কোনটি সাংবিধানিক পদ?
  1. ক) চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. খ) গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. গ) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
  4. ঘ) প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধান নির্বাচন কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদসমূহঃ
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী,
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার,
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ,
- সংসদ সদস্য,
- নির্বাচন কমিশনার,
- সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।
• অপরদিকে,
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান,
- দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান,
• বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ইত্যাদি সাংবিধানিক পদ নয়।

৭,১৬০.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন?
  1. ৩৩ জন
  2. ৩৫ জন
  3. ৩৭ জন
  4. ৩৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭ জন
ব্যাখ্যা
» দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে দলটি।
-টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
- মোট মন্ত্রিসভার সদস্য ৩৭ জন।
- প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এবার মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

উৎস: ১১ জানুয়ারি, ২০২৪, কালের কণ্ঠ
৭,১৬১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খুলনা
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী, 
মোট বনাঞ্চল পরিমাণ - ৬৩,৬৮,৮৫৯.১৭ একর বা ৯,৯৫১.৩৪ বর্গমাইল

• সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
- বান্দরবান= ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর।

উৎস: বিবিএস।

৭,১৬২.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত কোনটি?
  1. ৮ : ৫
  2. ১০ : ৬
  3. ১১ : ৮
  4. ১১ : ৭
সঠিক উত্তর:
১০ : ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ : ৬
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- আয়তাকার এই পতাকার অনুপাত হচ্ছে অনুপাত: ১০ : ৬ (৫ : ৩)।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন।
- ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৬ নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার নকশা সম্পন্ন করেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

উল্লেখ্য
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে উত্তোলিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন হয় কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- সংবিধানের ৪নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।

উৎস: i) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
ii) ২ মার্চ, ২০২২, প্রথম আলো।
৭,১৬৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা -
  1. ৩,০০,০০০/- টাকা
  2. ৩,২৫,০০০/- টাকা
  3. ৩,৫০,০০০/- টাকা
  4. ৩,৭৫,০০০/- টাকা
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০/- টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের করমুক্ত আয়সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি। 

ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪। 
৭,১৬৪.
কোন ভাষা শহীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন?
  1. আব্দুল জব্বার
  2. আবুল বরকত
  3. শফিউর রহমান
  4. রফিক উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবুল বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল বরকত
ব্যাখ্যা

• ভাষা শহীদ আবুল বরকত (১৯২৭-১৯৫২) 
- তিনি ১৯২৭ সালের ১৩ জুন (মতান্তরে ১৬ জুন) মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানার বাবলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর ডাক নাম আবাই।
- তাঁর পিতার নাম সামসুজ্জোহা এবং মাতা হাসিনা বিবি। 
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকায় আসেন।
- ১৯৫১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন এবং এম.এ শেষ পর্বে ভর্তি হন।

• ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার (১৯১৯-১৯৫২):
- ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার ১০শে অক্টোবর ১৯১৯ইং বা বাংলা ২৬শে আশ্বিন ১৩২৬ বঙ্গাব্দ ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাঁচুয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- তাঁর পিতার নাম হাছেন আলী এবং মাতার নাম সাফাতুন নেছা। 
- তিনি ধোপাঘাট কৃষিবাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করেন এবং পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ে লেখাপড়া শেষ করেন।

• ভাষা শহীদ শফিউর রহমান (১৯১৮-১৯৫২)
- ২৪শে জানুয়ারী ১৯১৮ সালে কোননগর, হুগলী, চব্বিশ পরগণা, পশ্চিমবঙ্গে ভাষা শহীদ শফিউর রহমান জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম মৌলবী মাহবুবুর রহমান।
- শফিউর রহমান কলকাতা গভর্ণমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজ থেকে আই.কম. পাশ করেন। তারপর চব্বিশ পরগণার সিভিল সাপ্লাই অফিসে কেরানির চাকুরি গ্রহণ করেন। 

• ভাষা শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ,  (১৯২৬-১৯৫২)
- ১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার পারিল গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ১৯৪৯ সালে বায়রা স্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন।
- মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজে ইন্টারমিডিয়েট ক্লাসে অধ্যয়নকালে তিনি পড়াশুনা বন্ধ করে ঢাকায় চলে আসেন এবং পিতার মুদ্রণশিল্প ব্যবসায়ে নিয়োজিত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং bdnews24.

৭,১৬৫.
’নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’- বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২২নং
  2. ২৩নং
  3. ২৯নং
  4. ২৭নং
সঠিক উত্তর:
২২নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২নং
ব্যাখ্যা

• ’নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’ -বিষয়টি সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
’উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি’ -বিষয়টি সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ -বিষয়টি সংবিধানের ২৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।
’আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ -বিষয়টি সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭,১৬৬.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল দেশের কৃষি গবেষণা বিষয়ক সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। এটি ঢাকা শহরের ফার্মগেটে অবস্থিত যা ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ওয়েবসাইট)
৭,১৬৭.
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে কে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. ফারহানা রশিদ
  2. নূরজাহান বেগম
  3. আমিনা খাতুন
  4. মেরিনা খাতুন
সঠিক উত্তর:
মেরিনা খাতুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনা খাতুন
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু:
- দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করেন মেরিনা খাতুন।

উল্লেখ্য,
- সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত পচি বেগমের সন্তান মেরিনা খাতুন।
- ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মেরিনা খাতুন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ‘যুদ্ধশিশু’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন।
- তাঁর মা পচি বেওয়াকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ জুলাই বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- তাঁর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নম্বর ২০৫।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান।

এছাড়াও,
- যুদ্ধশিশু মেরিনার কোথাও পিতার নাম লেখার প্রয়োজন হবে না।
- পিতার নাম ছাড়াই তিনি রাষ্ট্রের সব সুবিধা বা অধিকার ভোগ করতে পারবেন।
- বীরাঙ্গনার সন্তানেরাই এখন থেকে যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবেন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) ১৪ জুলাই ২০২৪, প্রথম আলো।
৭,১৬৮.
BARD-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মোহাম্মদ আইউব খান
  2. আব্দুল্লাহ হামিদ খান
  3. আখতার হামিদ খান
  4. আলতাফ হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
আখতার হামিদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD):
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ী এলাকায় অবস্থিত।
- বার্ড ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- BARD এর প্রতিষ্ঠাতা আখতার হামিদ খান।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে বার্ড পরিচালিত হয়।
- মহাপরিচালক একাডেমির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যাকে একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও নয় জন পরিচালক সহায়তা প্রদান করে থাকে। 
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,১৬৯.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে কোন শাসকের পতন ঘটে? 
  1. টিক্কা খান
  2. আইয়ুব খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. জুলফিকার আলি ভুট্টো
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা

• ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- আসাদউজ্জামান বা শহীদ আসাদ ছিলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ  সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া। 

৭,১৭০.
'ত্রয়ী শাসন' ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কারা?
  1. সিজার, ব্রুটাস, ক্যাসিয়াস
  2. অক্টেভিয়াস, মার্ক এন্টনি, লেপিডাস
  3. কনস্টানটাইন, জাস্টিনিয়ান, অগাস্টাস
  4. সিজার, অক্টেভিয়াস, কনস্টানটাইন
সঠিক উত্তর:
অক্টেভিয়াস, মার্ক এন্টনি, লেপিডাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্টেভিয়াস, মার্ক এন্টনি, লেপিডাস
ব্যাখ্যা

রোমান সম্রাজ্য:
- জুলিয়াস সিজার ছিলেন প্রাচীন রোমের সবচেয়ে খ্যাতিমান সম্রাট। তাঁর মৃত্যুর পর রোমে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। ৪৪-৪২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত এ যুদ্ধের ব্যাপ্তি ছিল।

- যুদ্ধে জয়ী হয়ে একযোগে ক্ষমতায় আসেন তিন নেতা – অক্টেভিয়াস ‍সিজার, মার্ক অ্যান্টনি এবং লেপিডাস। প্রাচীন রোমে তিনজনের মিলিত এ শাসন ‘ত্রয়ী শাসন’ নামে খ্যাত। ‘ত্রয়ী শাসন’ বেশি দিন টেকেনি।

- ৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমান সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে অক্টোভিয়াস সিজার ‘অগাস্টস (প্রথম সম্রাট) সিজার’ উপাধি গ্রহণ করেন। অগাস্টাস সিজারের রাজত্বকালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যীশুখ্রিস্টের জন্ম। রোমের শেষ সম্রাট ছিলেন রোমিউলাস অগাস্টুলাস।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)

৭,১৭১.
বাংলাদেশে বর্তমানে কি পরিমান প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ আছে?
  1. ক) ১৮ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
  2. খ) ১২ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
  3. গ) ২ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
  4. ঘ) ১৫ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, বাংলাদেশে এখন গ্যাসের মজুদ ১২ টিসিএফ আছে।
উৎসঃ বিবিসি
৭,১৭২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে টেকনোক্রেট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় সর্বোচ্চ -
  1. ৭%
  2. ৯%
  3. ১০%
  4. ১৩%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,১৭৩.
বর্তমান শহিদ মিনার উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
শহিদ মিনার:
- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহিদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
৭,১৭৪.
সংসদের সংরক্ষিত মহিলারা কীভাবে নির্বাচিত হয়?
  1. সংসদ সদস্যদের হস্তাস্তরযোগ্য ভোটে
  2. জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দ্বারা
  3. জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দ্বারা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলায় আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ এবং ইংরেজিতে হাউস অব দ্য নেশন দেওয়া হয়েছে।
- এটি সাধারণত সংসদ নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংসদ একটি এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- যার মধ্যে ৩০০টি আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার ৩০০ জন সদস্য যা প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন করে।
- অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে যারা একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের পদ্ধতির ভিত্তিতে আইন অনুসারে পূর্বোক্ত নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।
- ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য এই বিধান নবম সংসদের শুরু থেকে দশ বছর অব্যাহত থাকবে।
- ১৭তম সংশোধনী অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ দশম সংসদের শুরু থেকে আরও ২৫ বছরে বৃদ্ধি পাবে।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
৭,১৭৫.
খান জাহান আলী কোন আমলে বাংলায় আসেন?
  1. ক) সেন
  2. খ) মুঘল
  3. গ) পাল
  4. ঘ) সুলতানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুলতানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুলতানি
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর - সুলতানি আমলে।

• খান জাহান আলী:

- খান জাহান ছিলেন একজন প্রখ্যাত সুফিসাধক।
- বৃহত্তর যশোর ও খুলনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত এলাকার আঞ্চলিক শাসক।
- তিনি খান জাহান আলী নামে সমধিক পরিচিত।
- তাঁর উপাধি ছিল ‘উলুগ খান’ ও ‘খান-ই-আযম’।
- তিনি পনেরো শতকের প্রথমার্ধে খলিফাতাবাদে (বাগেরহাটে) শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।
- ষাট গম্বুজ মসজিদটি নির্মাণ করেন খান জাহান আলী।
- এ সময়ে পরবর্তী ইলিয়াসশাহী বংশের  নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ (১৪৩৫-১৪৫৯) গৌড়ের সুলতান ছিলেন।
- ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ, এটি বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,১৭৬.
বিশ্বে জাহাজভাঙায় শীর্ষ দেশ-
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) মালয়েশিয়া
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

- বিশ্বে জাহাজভাঙায় শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ।
- ২০২০ সালে লোহার পরিমাণে জাহাজভাঙা শিল্পে বিশ্বের প্রথম দেশ বাংলাদেশ।
- চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে প্রথম জাহাজভাঙা শিল্পে কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৬৪ সালে।

৭,১৭৭.
During Liberation war, Barisal was under sector number -
  1. Sector 3
  2. Sector 4
  3. Sector 6
  4. Sector 9
  5. Sector 11
সঠিক উত্তর:
Sector 9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sector 9
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
 
সেক্টরগুলো:
- ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম,
- ২নং সেক্টর: ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ,
- ৩নং সেক্টর: কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ, 
- ৪ নং সেক্টর: মৌলভীবাজার ও সিলেটের পূর্বাংশ, 
- ৫নং সেক্টর: সিলেট ও সুনামগঞ্জ, 
- ৬নং সেক্টর: রংপুর, দিনাজপুর,
- ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা,
- ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর,
- ৯নং সেক্টর: খুলনা, বরিশাল,
- ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,১৭৮.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রী পরিষদ
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার
  4. পার্লামেন্ট
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,১৭৯.
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক কতজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ৫ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের ১ নং দফানুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক ৪ জন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীতে এটি সংযোজিত হয়। এর পূর্বে নির্বাচন কমিশনারের সংখ্যা নির্দিষ্ট ছিলো না। (সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৭,১৮০.
চীন বাংলাদেশকে কত সালে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৭,১৮১.
শিল্পজাত পণ্যসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. ক্লিংকার
  3. স্টেপল ফাইবার
  4. সুতা
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট শিল্পজাত পণ্যসমূহের আমদানি ব্যয় ১৩,৬৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্যসমূহ: 
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,৭৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সুতা: ১,৮৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সার: ৪,১৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,০৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,০০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭,১৮২.
রপ্তানি আয়ের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
- রপ্তানি/আমদানি/জিডিপি/বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে দক্ষিণ এশিয়ায়:
- শীর্ষ দেশ : ভারত
- দ্বিতীয় : বাংলাদেশ
- তৃতীয় : পাকিস্তান।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান : ২০২০)
৭,১৮৩.
বাংলায় বংশানুক্রমিক শাসনের সূচনা হয়-
  1. ক) পাল বংশের মাধ্যমে
  2. খ) সেন বংশের মাধ্যমে
  3. গ) গুপ্ত বংশের মাধ্যমে
  4. ঘ) মৌর্য বংশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ক) পাল বংশের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাল বংশের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
পাল বংশের মাধ্যমে বাংলায় বংশানুক্রমিক শাসনের সূত্রপাত হয়। গোপাল প্রতিষ্ঠিত এ বংশের শাসন চলে নানা ধরনের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে আঠারো পুরুষ ধরে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৭,১৮৪.
আধুনিক অর্থে কত শতাব্দীতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ষোড়শ শতাব্দী
  2. খ) অষ্টাদশ শতাব্দী
  3. গ) চতুর্দশ শতাব্দী
  4. ঘ) সপ্তদশ শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তদশ শতাব্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তদশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের উৎপত্তি ও বিকাশ:
- আধুনিক অর্থে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয় সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে।
- রাণী প্রথম এলিজাবেথের রাজত্বকালে হুইগ  ও টোরি  নামক দুইটি দলের সৃষ্টি হয়। 
-  বর্তমানে দলব্যবস্থা হল গণতন্ত্রের প্রাণস্বরূপ।
- রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মতভাবে আলোচনা মূলত: শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে।
-  রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তা "Stasiology” নামে পরিচিত।
- ‘Stasis’ শব্দের অর্থ বিরোধীতার মনোভাব। এই শব্দটি গ্রিক থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে।

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন;প্রথম পত্র;এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৮৫.
কোন নদী থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয়?
  1. ক) তিস্তা
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) তিতাস
  4. ঘ) হালদা
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। 

- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউসের মতো কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
- মাছেরা মেঘলা দিনে দুপুর এবং বিকালে ডিম ছেড়ে থাকে। ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে তিথি বলা হয়ে থাকে।
- ডিম ছাড়ার তিথির পূর্বেই স্থানীয় জেলে এবং ডিম সংগ্রহকারীরা নদীতে অবস্থান নেন এবং ডিম সংগ্রহ করেন।
- সংগৃহীত ডিমগুলি ফোটানোর জন্য নদীর তীরে কৃত্রিম ছোট মাটির কুয়ায় নেয়া হয় এবং কার্প পোনা উৎপাদন করা হয়।

উৎস : জাতীয় তথ্য বাতায়ন 
৭,১৮৬.
টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’– এ স্থান পাওয়া জেবুন নেসা মসজিদটি কোথায় অবস্থিত? 
  1. আশুলিয়া
  2. টঙ্গী
  3. উত্তরা
  4. ধামরাই
সঠিক উত্তর:
আশুলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশুলিয়া
ব্যাখ্যা

জেবুন নেসা মসজিদ: 
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’– এ স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের জেবুন নেসা মসজিদ। 
- সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদ।
- এটি নকশা করেছেন স্থপতি সায়কা ইকবাল।
- ২০২৩ সালে স্টুডিও মরফোজেনেসিস-এর মাধ্যমে নির্মিত মসজিদটি ৬০৬০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বিস্তৃৃত।
- মসজিদটি মূলত আইডিএস গ্রুপের তৈরি পোশাক কারখানার প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কর্মীর নামাজের জন্য বানানো।
- তবে অন্যরাও সেখানে নামাজ পড়তে পারেন।
- জেবুন নেসা মসজিদে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রবেশাধিকার আছে।
- নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আছে আলাদা স্থান।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সাল থেকে টাইম ম্যাগাজিন প্রতিবছর বিশ্বের ১০০টি স্থাপনাকে ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস’ হিসেবে ঘোষণা করছে।
- প্রথমবারের মতো এই বছর কোনো বাংলাদেশি স্থাপনা তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [link]

৭,১৮৭.
নিচের কোনটি 'বাংলার মুক্তির সনদ' নামে পরিচিত?
  1. ক) ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ
  2. খ) লাহোর প্রস্তাব
  3. গ) ৬ দফা
  4. ঘ) স্বাধীনতার ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ দফা
ব্যাখ্যা
'ছয় দফা':
৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা‘ ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত। - পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
 - 'বাংলার মুক্তি সনদ' নামে পরিচিত- ৬ দফা। 1 ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালন করা হয়।

ক্রমানুযায়ী দফা গুলো হলো:-
• প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
• দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
• তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
• চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
• পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা ।
• ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,১৮৮.
ফরিদপুর জেলায় নিচের কোন গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত?
  1. ক) নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ক) নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট
ব্যাখ্যা
নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট
• নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ জাতীয় সংস্থা।
• ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকন্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
• মহাপরিচালক এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী এবং পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত নীতিমালার বাস্তবায়নে দ্বায়বদ্ধ।

অন্যদিকে,
 • 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।
 • সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
 • ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৭,১৮৯.
ইউনেস্কো কবে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ক) ১৯৯২ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- এর ফলে ২০০০ সাল থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
(তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)
৭,১৯০.
মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী গঠন করা হয় কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. বরিশাল
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৭,১৯১.
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর- ২ এর অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. মেজর খালেদ মোশাররফ
  2. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  3. মেজর সি আর দত্ত
  4. মেজর জলিল
সঠিক উত্তর:
মেজর খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,১৯২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন জায়গার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর?
  1. মেহেরপুর
  2. চন্দ্রনাথ
  3. বৈদ্যনাথতলা
  4. স্বরূপকাঠি
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যনাথতলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যনাথতলা
ব্যাখ্যা
→ মুক্তিযুদ্ধের সময় বৈদ্যনাথতলা নামকরণ করা হয় মুজিবনগর

• মুজিব নগর:

- ২০০০ সালের ২৪ফেব্রুয়ারির তথ্য মতে;
- মুজিবনগর উপজেলা মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
- তখন আয়তনে সবচেয়ে ছোট উপজেলা ছিল।
- এর নামকরণের সঠিক ইতিহাস জানা নেই।
- তবে ১৯৭১ সনে মুক্তিযুদ্ধের সময়প্রসিদ্ধ বৈদ্যনাথতলা আম্রকাননে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের হেডকোয়াটার্স স্থাপিত হয়।
- এবং ১৭ এপ্রিল এস্থলেই অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রি পরিষদ শপথ গ্রহণ করে।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে অস্থায়ী সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
- ফলে শেখ মুজিবুর রহমান এর নামের সাথে মিল রেখে এ স্থানের নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,১৯৩.
কবি বিজয়গুপ্ত আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে কোন উপাধি প্রদান করেন?
  1. নৃপতিতিলক
  2. জগৎভূষণ
  3. কৃষ্ণ-অবতার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর শাসনামলে বাংলা: 
- হোসেন শাহ (১৪৯৪-১৫১৯) বাংলার হোসেনশাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি নেতৃস্থানীয় আমীরদের দ্বারা সুলতান নির্বাচিত হন।
- তিনি 'আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহের শাসনাধীনে দেশে নিরবচ্ছিন্ন শান্তি বিরাজ করছিল।
- সমকালীন কবি বিজয়গুপ্ত তাঁকে নৃপতিতিলক, জগৎভূষণ ও কৃষ্ণ-অবতার বলে উল্লেখ করেছেন।
- হিন্দুদের প্রতি তিনি সহনশীল ও উদারনীতি পোষণ করতেন।
- হিন্দুরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদেও অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- রূপ গোস্বামী ছিলেন সাকার মালিক, সনাতন গোস্বামী ছিলেন দবির-ই-খাস, জগাই ও মাধাই ছিলেন নবদ্বীপের কোতোয়াল, গোপীনাথ বসু ছিলেন তাঁর মন্ত্রী, মুকুন্দদাস ব্যক্তিগত চিকিৎসক, কেশব খান ছত্রী ছিলেন তাঁর দেহরক্ষী বাহিনীর প্রধান এবং অনুপ ছিলেন টাকশালের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- তাঁর অধীনস্থ প্রাদেশিক শাসনকর্তা পরাগল খান ও ছুটি খান মহাভারতের বাংলা অনুবাদক কবীন্দ্র পরমেশ্বর এবং শ্রীকর নন্দীর পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- বৈষ্ণব কাব্যসমূহে হোসেন শাহের উদার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে যে, শ্রী চৈতন্যএর প্রতি তিনি খুবই শ্রদ্ধাশীল ছিলেন এবং তাঁকে তিনি ঈশ্বরের অবতার বলে মনে করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,১৯৪.
সংবিধানের মৌলিক সংশোধনী (চতুর্থ সংশোধনী) সাধিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে
  2. খ) ১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
  3. গ) ১৯৭৫ সালের এপ্রিল মাসে
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে
ব্যাখ্যা

১৯৭৫ সালের জানুয়ারি মাসে সংবিধানের মৌলিক সংশোধন সাধিত হয়।
- সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন ১৯৭৫ দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতি পরিত্যক্ত হয় এবং এক-দলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল সময়কালে মাঝেমধ্যে বেসামরিক সরকারের আগমনসহ কয়েক দফা সামরিক আইন বহাল থাকে।
- এ সময় বেসামরিক বা সামরিক কোনো সরকারই সংবিধান রদ করে নি, আবার সম্পূর্ণরূপে অনুসরণও করেনি।
- প্রতিটি শাসনামলেই অংশত ডিক্রি এবং অংশত সংবিধান দ্বারা শাসনকার্য পরিচালিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭,১৯৫.
জাতির জনক বঙ্গবুন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মুতিবিজড়িত বেকার হোস্টেলের কত নম্বর কক্ষকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে?
  1. ক) ২৩
  2. খ) ২২
  3. গ) ২১
  4. ঘ) ২৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪
ব্যাখ্যা
১৯১০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় এই বেকার হোস্টেল। এটি সরকারি ছাত্রাবাস। বঙ্গবন্ধু কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ডিগ্রি পড়ার সময় এই বেকার হোস্টেলে ছিলেন ১৯৪২ থেকে ৪৭ সাল পর্যন্ত। উচ্চমাধ্যমিক পাস করে তিনি ১৯৪২ সালে ভর্তি হয়েছিলেন এ কলেজে। ছিলেন ২৪ নম্বর কক্ষে। সেদিনকার এই ইসলামিয়া কলেজের নাম পরিবর্তন করে এখন নামকরণ করা হয়েছে মৌলানা আজাদ কলেজ। ১৯৪৬ সালে বঙ্গবন্ধু ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৪৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এই ইসলামিয়া কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাসে স্নাতক হয়েছিলেন।
সূত্রঃ প্রথম আলো।
৭,১৯৬.
বিশ্বব্যাংকের (CCDR) প্রতিবেদন অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত হতে পারে -
  1. ক) ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ
  2. খ) ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষ
  3. গ) ১ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষ
  4. ঘ) ৮০ লক্ষ মানুষ
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ
ব্যাখ্যা
Country Climate and Development Report (CCDR) শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশ -
- বায়ুদূষণে বছরে GDP’র ৯% ক্ষতি হয়।
- পরিবেশ দূষণের জন্য মৃত্যু – ৩২%।
- ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বছরে ক্ষতি – ১ বিলিয়ন ডলার।
-  জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ বাস্তুচ্যুত হতে পারে – ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৭,১৯৭.
দেশের কৃষিতে এককভাবে কোন সারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) জিপসাম
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) টিএসপি
  4. ঘ) ডিএপি
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান।
- এছাড়া অন্যান্য সারের মধ্যে টিএসপি ও ডিএপি উল্লেখযোগ্য।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ 
- কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,৪৫০ হাজার/২৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৩০০.০০ হাজার/১৩.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট
৭,১৯৮.
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস কোন তারিখে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে আসেন?
  1. ৮ মার্চ, ২০২৫
  2. ১১ মার্চ, ২০২৫
  3. ১৩ মার্চ, ২০২৫
  4. ১৫ মার্চ, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১৩ মার্চ, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস:
- আন্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব।
- তিনি ইউরোপ মহাদেশের দেশ পর্তুগাল-এর নাগরিক।
- তিনি ১ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে দ্বিতীয়বারের মতো চার দি‌নের সফরে ১৩ মার্চ, ২০২৫ তারিখে  বাংলাদেশে আসেন।
- প্রায় সাত বছরের ব্যবধানে এটি তার বাংলাদেশে দ্বিতীয় সফর।
- এই সফরে জাতিসংঘ মহাসচিবের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য ছিল রোহিঙ্গাদের প্রতি তার সমর্থন ও সহমর্মিতা জানানো।

অন্যদিকে,
- আন্তোনিও গুতেরেস প্রথমবার বাংলাদেশে আসেন ২০১৮ সালের জুলাই মাসে।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
৭,১৯৯.
How many accused were in 'Agartala Conspiracy Case' including Bangabandhu?
  1. ক) 36
  2. খ) 35
  3. গ) 34
  4. ঘ) 32
সঠিক উত্তর:
খ) 35
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 35
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
• ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
• ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
• বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
• মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
• ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
• এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
• গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,২০০.
বর্তমানে বাংলাদেশে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া পুরস্কারের নাম কী?
  1. বাংলাদেশ কূটনীতি পুরস্কার
  2. বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স
  3. জাতীয় ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
  4. বাংলাদেশ মেডেল ফর ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স:
- কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া পুরস্কারের বর্তমান নাম বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স।
- ২০২৫ সালে বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স পেলেন সৌদি রাষ্ট্রদূত।
- বাংলাদেশ সরকার "বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স" (Bangladesh Medal for Diplomatic Excellence) প্রদান করেছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানকে।
- তিনি বাংলাদেশ-সৌদি আরব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অভূতপূর্ব উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছেন।
- এই স্বীকৃতি বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক - এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে তার ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রদান করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]