বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭১ / ৩০৬ · ৭,০০১৭,১০০ / ৩০,৮৩২

৭,০০১.
বাংলাদেশের সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক কে ছিলেন?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. এ.কে.এম আবদুর রউফ
  3. হাসেম খান
  4. আবু বারাক আলভী
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের  সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন।
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন - হাশেম খান।
- লিপিকার ছিলেন - এ. কে. এম আবদুর রউফ।
- চামড়ার কাজ করেন - সৈয়দ শাহ্ আবু শফি।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।

৭,০০২.
বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) ব্যাংক অব ডেনিস
  2. খ) ব্যাংক অব ইংল্যান্ড
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) ব্যাংক অব বার্সিলোনা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাংক অব ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাংক অব ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক ব্যবস্থা:
- বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয়ব্যাংক 'স্ভেরিজেস রিকস ব্যাংক' হলেও প্রথম সুসংগঠিত কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে ১৬৯৪ সালের ২৭ জুলাই স্থাপিত হয়  ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’
- ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জননী নামেও অভিহিত করা হয়।
- ব্যাংকিং কার্যক্রমের ধারণা প্রাচীন আমলেও বিদ্যমান ছিল।
- ব্যাংক ব্যবস্থার জননী বলা হয় - মুদ্রাকে।
- তবে বিশ্বের প্রথম সংগঠিত ব্যাংক ধরা হয় ১১৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক অব ভেনিসকে।
- ১৪০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক অব বার্সিলোনা ছিল প্রথম আধুনিক ব্যাংক।
- ১৬৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক অব সুইডেন ছিল সনদপ্রাপ্ত প্রথম বাণিজ্যিক ব্যাংক।
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট এবং ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি।
৭,০০৩.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান কিরূপ?
  1. ক) স্থিতিশীল
  2. খ) ক্রম বর্ধমান
  3. গ) ক্রমহ্রাসমান
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।

স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে : ১৪.৭৪ শতাংশ
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে : ১৪.২৩ শতাংশ
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে : ১৩.৬৫ শতাংশ
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে : ১৩.৩৫ শতাংশ
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে : ১২.১৫ শতাংশ
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে : ১১.৫০ শতাংশ।

(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৭,০০৪.
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম:
- চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ বলা হয়। 

⇒ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে।
- যার কারণে চট্টগ্রামে গড়ে উঠেছে প্রচুর শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এর মাধ্যমে ত্বরান্বিত হয়েছে হয়েছে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- এই অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারনেই চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছে।

উল্লেখ্য,
- চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এর মধ্য দিয়েই সঞ্চালিত হয় দেশের অর্থনৈতিক জীবনীশক্তি।
- দেশের সর্বমোট রপ্তানী বাণিজ্যের প্রায় ৭৫ ভাগ সংঘটিত হয় চট্টগ্রামের উপর দিয়ে। অন্যদিকে আমদানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ হার ৮০ ভাগ। রাজস্ব আয়েও চট্টগ্রামের ভুমিকা অপরিসীম।
- আমাদের মোট রাজস্ব আয়ের শতকরা ৬০ ভাগ আসে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭,০০৫.
কার প্রচেষ্টায় কোলকাতা মাদ্রাসায় অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগ খোলা হয়?
  1. হাজী মুহম্মদ মহসীন
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. সৈয়দ আমির আলি
  4. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
- নওয়াব আবদুল লতিফ এর প্রচেষ্টায় কোলকাতা মাদ্রাসায় অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগ খোলা হয়।

• নওয়াব আবদুল লতিফ:
- আবদুল লতিফ ১৮২৮ সালে ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কোলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজি শিক্ষা লাভ করেন।
- শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি প্রথমে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল এবং পরে কোলকাতা মাদ্রাসায় অধ্যাপনা করেন।
- ১৮৪৯ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের পদে যোগদান করেন।
- ১৮৭৭ সালে তাকে কোলকাতা প্রেসিডেন্সির ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত করা হয়।
- ১৮৮৪ সালে তিনি সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে কৃতিত্বের জন্য সরকার তাঁকে প্রথমে খান বাহাদুর ও পরে নওয়াব উপাধিতে ভূষিত করে।
- তিনি বাঙালি মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তাদের কল্যাণের জন্য প্রচেষ্টা চালান।
-  তাঁর প্রচেষ্টায় কোলকাতা মাদ্রাসায় অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগ খোলা হয়।
-  তাঁর প্রচেষ্টায় হিন্দু কলেজ প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তর করা হলে মুসলমান ছাত্ররা সেখানে পড়ালেখা করার সুযোগ পায়।
- আবদুল লতিফের উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব হচ্ছে ১৮৬৩ সালে কোলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি বা মুসলিম সাহিত্য সমাজ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৭,০০৬.
প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে -
  1. বিভাগীয় প্রশাসন
  2. সচিবালয়
  3. জেলা প্রশাসন
  4. উপজেলা প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রিয় প্রশাসন:
- কেন্দ্রিয় প্রশাসনের অতিগুরুত্বপূর্ণ কাঠামোর নাম সচিবালয়।
- প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের স্থান সর্বোচ্চ।
- সচিবালয় মন্ত্রীকে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ ও পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রণালয়ের কাজকে এগিয়ে নিয়ে থাকে।
- এছাড়া মন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ, সংসদে তা উত্থাপন ও বক্তব্য প্রস্তুত করতে সহযোগিতা প্রদানসহ নানাবিধ প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- সচিবালয় মন্ত্রণালয় চালনার অন্যতম প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেব কাজ করে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০০৭.
According to which article of the constitution Bangladesh Election Commission is formed?
  1. 116
  2. 118
  3. 117
  4. 119
সঠিক উত্তর:
118
উত্তর
সঠিক উত্তর:
118
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৭,০০৮.
জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২২ অনুযায়ী, কোন বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) সিলেট
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২২ অনুযায়ী, ঘনত্ব বেশি - ঢাকা বিভাগে (২১৫৬ জন)।

• সর্বশেষ বা ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২
• আদমশুমারি করে- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো (বিবিএস)

- চূড়ান্ত প্রতিবেদন জনসংখ্যা: ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন বা প্রায় ১৬ কোটি ৫১ লাখ।
- পুরুষ: ৮,১৭,১২,৮২৪ জন,
- মহিলা: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন,
- নারী : পুরুষ- ১০০: ৯৮

- আয়তনে বড় জেলা: রাঙ্গামাটি।
- আয়তনে ছোট জেলা: নারায়ণগঞ্জ।
- জনসংখ্যার ঘনত্বঃ ১১১৯ জন।
- ঘনত্ব বেশি: ঢাকা বিভাগে (২১৫৬ জন)।
- ঘনত্ব কম: বরিশাল বিভাগে (৬৮৮ জন)।
- জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার: ১.২২%
- স্বাক্ষরতার হার: ৭৪.৬৬%

সুত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
৭,০০৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ৯ টি 
  3. গ) ১০ টি 
  4. ঘ) ১১ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ডকে ১১টি যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় কাদেরিয়া বাহিনী, হেমায়েত বাহিনী, আকবর বাহিনী, কুদ্দুস বাহিনী, আফসার বাহিনী প্রভৃতি।
- ভারতে আলাদাভাবে গঠিত হয় মুজিব বাহিনী।
-ভারত সরকার বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০১০.
দেশের সর্বশেষ স্থাপিত সরকারি ইপিজেড কোনটি?
  1. ক) উত্তরা ইপিজেড
  2. খ) কর্ণফুলী ইপিজেড
  3. গ) মংলা ইপিজেড
  4. ঘ) ঈশ্বরদী ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা
- দেশের সর্বশেষ ইপিজেড হলো কর্ণফুলী ইপিজেড।
- এটি ২০০৬ সালে ২০৯.০৬ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর অবস্থান উত্তর পতেঙ্গা, চট্রগ্রাম। 

- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অধীনে দেশে বর্তমানে ৮টি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে।
এগুলো হলো:-
- চট্টগ্রাম ইপিজেড (প্রথম ও বৃহত্তম)
- ঢাকা ইপিজেড (দ্বিতীয়)
- মংলা ইপিজেড
- কুমিল্লা ইপিজেড
- ঈশ্বরদী ইপিজেড
- উত্তরা ইপিজেড (কৃষিভিত্তিক)
- আদমজী ইপিজেড
- কর্ণফুলী ইপিজেড (সর্বশেষ)।

তথ্যসূত্র:- BEPZA ওয়েবসাইট।
৭,০১১.
নিচের কোন জেলায় রাজবংশী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই?
  1. রংপুর
  2. রাজশাহী
  3. কক্সবাজার
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:

- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,০১২.
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. জিয়াউর রহমান
  4. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি:
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ২৫ বছর মেয়াদী একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান।
- ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ সফরের সময় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটিতে মোট ১২টি ধারা ছিল।
- বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তির লক্ষ্য ছিল পঁচিশ বছরব্যাপী মৈত্রী, শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধি।
- ১৯৯৭ সালের ১৯ মার্চ চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে।
- অতঃপর আর এ চুক্তির নবায়ন করা হয় নি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,০১৩.
'মোহনবাঁশী ও বীটজবা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) তরমুজ
  2. খ) মরিচ
  3. গ) গম
  4. ঘ) কলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কলা
ব্যাখ্যা
- 'মোহনবাঁশী ও বীটজবা' দুটি কলার উন্নত জাত।
- এছাড়াও, অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী প্রভৃতি কলার উন্নত জাত।
- অন্যদিকে, তরমুজের উন্নত জাত- পদ্মা।
- মরিচের উন্নত জাত -যমুনা।
- গমের উন্নত জাত -বলাকা ও দোয়েল , শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ প্রভৃতি।

উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭,০১৪.
বাংলাদেশে প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
দেশের ইপিজেডগুলো ব্যবস্থাপনাকারী কর্তৃপক্ষ হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা গঠন করা হয়। বেপজা গঠনের পর শুরু হয় ইপিজেড প্রতিষ্ঠার কাজ। প্রথম ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (সিইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর তিন দশক ধরে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে আটটি। চট্টগ্রাম ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পর ১৯৯৩ সালে এসে গড়ে ওঠে ঢাকা ইপিজেড। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৯৯৯ সালে মংলা, ২০০০ সালে কুমিল্লা, ২০০১ সালে ঈশ্বরদী ও নীলফামারীতে উত্তরা, ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজী ও চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ইপিজেডের যাত্রা শুরু হয়। সূত্র-প্রথম আলো এবং বেপজা ওয়েবসাইট।
৭,০১৫.
সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি কি?
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
→ বীরশ্রেষ্ঠ,
→ বীরউত্তম,
→ বীরবিক্রম এবং
→ বীরপ্রতীক।

এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ।
→ সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন,
→ দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন,
→ তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন এবং
→  চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,০১৬.
আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বাংলা সাহিত্যে কী কারণে খ্যাতিমান?
  1. ক) শাসনকর্তা হিসেবে
  2. খ) বাংলা ভাষার স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য
  3. গ) অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য
  4. ঘ) সালতানাৎ প্রতিষ্ঠার জন্য
সঠিক উত্তর:
গ) অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহের শাসনাধীনে দেশে নিরবচ্ছিন্ন শান্তি বিরাজ করছিল। সমকালীন কবি বিজয়গুপ্ত তাঁকে নৃপতিতিলক, জগৎভূষণ ও কৃষ্ণ-অবতার বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অধীনস্থ প্রাদেশিক শাসনকর্তা পরাগল খান ও ছুটি খান মহাভারতের বাংলা অনুবাদক কবীন্দ্র পরমেশ্বর এবং শ্রীকর নন্দীর পৃষ্ঠপোষকতা করেন। বৈষ্ণব কাব্যসমূহে হোসেন শাহের উদার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, শ্রী চৈতন্যএর প্রতি তিনি খুবই শ্রদ্ধাশীল ছিলেন এবং তাঁকে তিনি ঈশ্বরের অবতার বলে মনে করতেন। শ্রী চৈতন্যের ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্রে হোসেন শাহ সার্বিক সুবিধা প্রদান করেছেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৭,০১৭.
২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে কোথায়?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. যুক্তরাজ্যে
  3. জার্মানিতে
  4. ইউরোপীয় ইউনিয়নে
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়নে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়নে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ২০২৪ তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ গুলোতে সবচেয়ে বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময় (২০২৫) সাল অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে।  প্রশ্নের ভাষা অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন উত্তর গ্রহণযোগ্য।
 

রপ্তানি প্রতিবেদন:

- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে মোট ৩৮ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। 
- পোশাক খাতের মোট রপ্তানির ৫০ দশমিক ৩৪ শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে হয়েছে।
- যার আর্থিক মূল্য ১৯ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।
- এছাড়া, ১৮ দশমিক ৭২ শতাংশ পোশাক গেছে যুক্তরাষ্ট্রে। যার মূল্য ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার, যা মোট পোশাক রপ্তানির ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে ৪ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার, স্পেনে ৩ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার এবং ফ্রান্সে ২ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করা হয়েছে।
- এ ছাড়া কানাডায় ১ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৭,০১৮.
সাউথ এশিয়া সাব-রিজিওনাল ইকোনোমিক কো-অপারেশন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত প্রথম চারলেনের মহাসড়ক কোনটি?
  1. ক) ঢাকা-চট্রগ্রাম
  2. খ) ঢাকা-ময়মনসিংহ
  3. গ) ঢাকা-সিলেট
  4. ঘ) জয়দেবপুর-এলেঙ্গা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয়দেবপুর-এলেঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয়দেবপুর-এলেঙ্গা
ব্যাখ্যা
• সাউথ এশিয়া সাব-রিজিওনাল ইকোনোমিক কো-অপারেশন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত প্রথম চারলেন মহাসড়ক - জয়দেবপুর-এলেঙ্গা

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি, ২০২৩
৭,০১৯.
প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: 
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) প্রশাসনিকভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা,
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং-৭৬ দ্বারা গঠিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- NBR মূলত কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আদায় এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- এছাড়া, চোরাচালান প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক শুল্ক-কর সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন এবং সরকারের রাজস্ব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট। 

৭,০২০.
হাজং নারীরা যে কাপড় পরিধান করে তাকে কী বলা হয়?
  1. শাড়ি
  2. মেখলা
  3. কামিজ
  4. পাথিন
সঠিক উত্তর:
পাথিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথিন
ব্যাখ্যা

হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে। তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে।
- সপ্তদশ শতকে মুগলদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে হাজংরা গারো পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরে সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজং নারীরা যে কাপড় পরিধান করে সেটিকে তারা ‘পাথিন’ বলে।
- প্রতিটি হাজং বাড়িতে ছোট করে হলেও সৃষ্টিকর্তাকে প্রণাম জানানোর জন্য আলাদা একটি ঘর নির্মাণ করে। হাজংরা সেটিকে ‘দেওঘর’ বলে।
- নবজাত শিশুর মঙ্গল কামনায় হাজংরা ময়লাদেওয়ের পূজা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭,০২১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য কোন পদ্ধতি অনুসরণ করে সংগ্রহ করা হয়?
  1. GIDA
  2. CAPI
  3. ACSP
  4. BBS
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- CAPI পদ্ধতি অনুসরণ করে জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- CAPI এর পূর্ণরূপ Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় অনুসরণ করা হয়েছে: মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৭,০২২.
'Bangladesh Securities and Exchange Commission' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।
৭,০২৩.
বাংলাদেশে প্রথম সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০
  2. ১৯৭২
  3. ১৯৯১
  4. ১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় নির্বাহী প্রধান পদের পরিবর্তন হয়েছে।
- মুজিবনগর সরকারের সময় সরকার প্রধান ছিল রাষ্ট্রপতি।
- স্বাধীনতা অর্জনের পরেই ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন
- পরবর্তীতে সামরিক শাসকগণ আবার রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু করেন।
- কিন্তু অবশেষে ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়।
- এ ব্যবস্থায় সরকারের কেন্দ্রবিন্দু হলেন প্রধানমন্ত্রী।
উৎস: এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০২৪.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- তাজউদ্দিন আহমেদ। 

মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এটিই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এই সরকার ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। 
- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- পরে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়।

সরকার গঠন:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
• উপরাষ্ট্রপতি বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ
• স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী: এ এইচ এম কামরুজ্জামান
• অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী: এম মনসুর আলী
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,০২৫.
বর্তমানে দেশে কয়টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ড: 
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।
- দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল ও পঞ্চগড় নিলাম কেন্দ্র) রয়েছে।
- ০২.০৯.২০২৩ খ্রি. তারিখে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।
- ১৮৪ বছরের ইতিহাসে চা উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে।
- চা উৎপাদনের অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে ২০২৩ সালে দেশের ১৬৮টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ মোট ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।
- শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন বাগান থেকেও ২০২৩ সালে রেকর্ড পরিমাণ ১৭.৯৩ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে।
- দেশের চা শিল্পের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক।

- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চ ফলনশীল ২৩টি ক্লোন এবং একটি বাই- ক্লোনেল বীজ উদ্ভাবন করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।
৭,০২৬.
তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ৮
  2. খ) ৯
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ১১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের বীর উত্তম। 
- ১৯৯৫ সালের ১৯শে ডিসেম্বর এক অনাড়ম্বর পরিবেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে তারামন বিবিকে বীরত্বের পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেয়া হয়।

সূত্র:  কুড়িগ্রাম জেলার ওয়েবসাইট
৭,০২৭.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া কত পৃষ্ঠা?
  1. ৯১ পৃষ্ঠা
  2. ৯৩ পৃষ্ঠা
  3. ১০৭ পৃষ্ঠা
  4. ১০৯ পৃষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
৯৩ পৃষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ইতিহাস:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিলো - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালরে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭,০২৮.
দেশের প্রক্রিয়াজাত মাংস রপ্তানির পরিমাণ কত-
  1. ক) ৬৬.৮৩ মেট্রিক টন
  2. খ) ৫৮ মেট্রিক টন
  3. গ) ৬১ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৫৫ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
গ) ৬১ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬১ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা

২০২১ সালে ৬১ মেট্রিক টন মাংস রপ্তানি করা হয়েছে; ২০২০ সালে যা ছিল ৬৬.৮৩ মেট্রিক টন।
- মাংস ছাড়া ও চামড়া, হাঁসের পালক, মিষ্টি জাতীয় পণ্য ইত্যাদি রপ্তানি করা হয়ে থাকে। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

৭,০২৯.
বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন কত তারিখে?
  1. ক) ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
  2. খ) ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
  3. গ) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
  4. ঘ) ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেন।
- একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বাংলায় ভাষণ প্রদান করে। বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কেবল ২৯তম অধিবেশনেই অংশগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৬ সালে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সভাপতিত্ব করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,০৩০.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

সূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৩১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে নিচের কোন জেলায় বনাঞ্চলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. বান্দরবান
  2. বাগেরহাট
  3. রাঙ্গামাটি
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
• রাঙ্গামাটি: ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
• বান্দরবান: ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
• বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
• খাগড়াছড়ি: ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
• খুলনা: ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৭,০৩২.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প ময়মনসিংহে অবস্থিত। এটি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সুতিয়াখালীতে অবস্থিত। কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। উৎপাদন ক্ষমতা ৫০ মেগাওয়াট। এখানে যৌথভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৭,০৩৩.
বিশ্বব্যাংকের মতে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ নয় কোনটি?
  1. বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. অভ্যন্তরীণ জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধি
  3. দুর্বল মুদ্রানীতি
  4. টাকার অবমূল্যায়ন
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- মুদ্রাস্ফীতি বলতে বোঝায় পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যাওয়া, যার ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণসমূহ -
⇒ জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: জ্বালানি ও বিদ্যুতের খরচ বৃদ্ধি ব্যবসার উৎপাদন খরচ বাড়ায়। এর ফলে ভোক্তা মূল্যে সরাসরি প্রভাব পড়ে এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পায়।
⇒ দুর্বল মুদ্রানীতি: কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না, তখন অতিরিক্ত অর্থ চলাচল করে দাম বাড়ায়।
⇒ মুদ্রার অবমূল্যায়ন: বাংলাদেশি টাকার দুর্বলতা আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়ায়।

⇒ বিশ্বব্যাংকের মতে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ নয়  - বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া। 
অর্থাৎ, বৈদেশিক মুদ্রার মান বৃদ্ধি সরাসরি বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতিতে বড় ভূমিকা রাখে না।

উৎস: আইএমএফ ওয়েবসাইট এবং বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট। [লিংক] [লিংক]

৭,০৩৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে খেতাব প্রাপ্ত বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন?
  1. পোল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং
সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,০৩৫.
পলাশী যুদ্ধে পরাজয়ের ফলাফল নয় নিচের কোনটি?
  1. বাংলার স্বাধীন নবাবি শাসনের অবসান হয়
  2. মুঘল সম্রাটদের ক্ষমতা সুসংহত হয়
  3. বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়
  4. ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
সঠিক উত্তর:
মুঘল সম্রাটদের ক্ষমতা সুসংহত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুঘল সম্রাটদের ক্ষমতা সুসংহত হয়
ব্যাখ্যা
- সিরাজউদ্দৌলার পলাশী যুদ্ধে পরাজয়ের ফলাফল নয়: মুঘল সম্রাটদের ক্ষমতা সুসংহত হয়।

পলাশী যুদ্ধের ফলাফল:

- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।  
- এ যুদ্ধের পর ইংরেজ শক্তির স্বার্থে এদেশের আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিবর্তন সংঘটিত হতে থাকে।
- পলাশী যুদ্ধের সুদূর প্রসারী পরিণতি ছিল সমগ্র উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠা।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভুলুন্ঠিত হয়।
- পলাশীর যুদ্ধ একটি খন্ডযুদ্ধ হলেও বাংলা তথা উপমহাদেশের রাজনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম ও সুদূর প্রসারী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৩৬.
দেশের কোন জেলাটি ৪৮তম জেলা হিসেবে রেলওয়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়?
  1. মেহেরপুর
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. কক্সবাজার
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার:
→ ১১ নভেম্বর, ২০২৩ দোহাজারি-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
→ এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের ৪৮তম জেলা হিসেবে যুক্ত হয়েছে কক্সবাজার।
→ দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০১০ সালের ৬ জুলাই দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।  
→ ২০১৮ সালে এই মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট (১১ নভেম্বর, ২০২৩)।
৭,০৩৭.
সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ন্যূনতম কত শতাংশ ভোট না পড়লে পুনরায় ভোটগ্রহণ করার বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে?
  1. ৪৫ শতাংশ
  2. ৪০ শতাংশ
  3. ৫০ শতাংশ
  4. ৪২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

নির্বাচন ব্যবস্থা: 
(ক) নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিধান বাতিল করা এবং ইভিএম ক্রয়ে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করা।
(খ) নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় প্রতিরক্ষা বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা।
(গ) জাতীয় নির্বাচনে কোনো আসনে মোট ভোটারের ৪০ শতাংশ ভোট না পড়লে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান করা।
(ঘ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন বন্ধ, রাজনৈতিক দলগুলোকে সৎ, যোগ্য এবং ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী দেওয়া নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় নির্বাচনে 'না-ভোটে'র বিধান প্রবর্তন করা। নির্বাচনে না-ভোট বিজয়ী হলে সেই নির্বাচন বাতিল করা এবং পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাতিলকৃত নির্বাচনের কোনো প্রার্থী নতুন নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারার বিধান করা।

উৎস: নির্বাচন সংস্কার কমিশন। [লিঙ্ক]

৭,০৩৮.
হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন -
  1. মাদার বক্স
  2. করিম শাহ
  3. দুদু মিয়া
  4. চেরাগ আলী শাহ
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৩৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান-
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ৩,৫১,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ৩,৯২,৯৬,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৮,২৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪।

৭,০৪০.
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) ঠাকুরগাও
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ অনুযায়ী,
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয়-রাজশাহী বিভাগে (দ্বিতীয় – রংপুর)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন- ঠাকুরগাও জেলায়।

- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-রংপুর বিভাগ (দ্বিতীয় – খুলনা)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- দিনাজপুর জেলা

-পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- ঢাকা (দ্বিতীয় – খুলনা)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- ফরিদপুরে

- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-খুলনা।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন-ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৭,০৪১.
বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণীর নাম কী?
  1. শেখ রহিমাতুন্নেছা
  2. শেখ নভেরা বেগম
  3. শেখ সায়েরা খাতুন
  4. শেখ ফজিলাতুন্নেছা
সঠিক উত্তর:
শেখ ফজিলাতুন্নেছা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ ফজিলাতুন্নেছা
ব্যাখ্যা
শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা।
- তিনি ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক ও মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম।
- ১ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাৎ বরণ করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ বিষয়াবলী।
৭,০৪২.
স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন? 
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. লর্ড কর্নওয়ালিশ
  3. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা

লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- এই পদে আসীন থাকাকালে (১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৪৮-এর জুন পর্যন্ত) তিনি ভারতীয় রাজন্যবর্গকে হয় ভারতীয় ইউনিয়ন, না হয় পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।
- ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
-সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।
- স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। এই পদে আসীন থাকাকালে (১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৪৮-এর জুন পর্যন্ত)  তিনি ভারতীয় রাজন্যবর্গকে হয় ভারতীয় ইউনিয়ন, না হয় পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। এবং Britannica.

৭,০৪৩.
‘মৌলিক গণতন্ত্র’ ব্যবস্থায় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে মোট ভোটারের সংখ্যা কত ছিল? 
  1. ৪০ হাজার
  2. ৬০ হাজার
  3. ৭০ হাজার
  4. ৮০ হাজার
সঠিক উত্তর:
৮০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ হাজার
ব্যাখ্যা

• আইয়ুব খান:
- উচ্চ বিলাসী আইয়ুব খান সামরিক শাসন যাত্রার ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর নিজে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেন।

⇒ ক্ষমতাদখলের পর আইয়ুব খান কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করেন। অতঃপর তিনি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।
- ১৯৫৯ সালে 'পোডো' (PODO) এবং 'এবডো' (EBDO) নামক দুটি আদেশ জারি করে রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ ও নির্বাচনে রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেন।
- ১৯৫৯ সালের অক্টোবর মাসে আইয়ুব খান 'মৌলিক গণতন্ত্র' নামে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেন।
- এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের দুই অঞ্চল থেকে ৪০ হাজার করে ৮০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্য নির্বাচন করা হয়।
- আইয়ুব খান ৪টি স্তর বিশিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলেন।
- তাঁর প্রশাসনিক কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ছিল ইউনিয়ন কাউন্সিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্যরা ছিলেন ইউনিয়ন কাউন্সিল সদস্য।
- এরাই জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচনে ভোট দানের ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য,
- শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে।
- কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,০৪৪.
সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- 
  1. জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
  2. সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
  3. সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান
  4. সকল নাগরিকের চাকুরী লাভের সুযোগ
সঠিক উত্তর:
সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ২৮। ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ২৮। (১): কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না। 
- অনুচ্ছেদ: ২৮ (২): রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৯। (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ২৭। সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
- অনুচ্ছেদ ৩২। আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭,০৪৫.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (সেভেন সামিট) জয় করেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম
  2. নিশাত মজুমদার
  3. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  4. এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা

ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
- আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
- তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।

এছাড়াও,
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, বাবর আলী ও ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

অন্যদিকে,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: প্রথম আলো এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট।

৭,০৪৬.
’বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবে’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদে-৬(২)
  2. অনুচ্ছেদে-৫(২)
  3. অনুচ্ছেদে- ৫(১) 
  4. অনুচ্ছেদে-৬(১)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৬(২)
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-৬:  নাগরিকত্ব: 
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
- অনুচ্ছেদ ৫(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭,০৪৭.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. মে. জে. জিয়াউর রহমান
  2. মে. জে. সফিউল্লা
  3. লে. জে. এইচ. এম. এরশাদ
  4. জে. আতাউল গণি ওসমানি
সঠিক উত্তর:
জে. আতাউল গণি ওসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জে. আতাউল গণি ওসমানি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সেনাপতি ছিলেন জে. আতাউল গণি ওসমানি।

জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী:

- জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর জেনারেল পদে উন্নীত হন।
- তাঁর পদোন্নতি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,০৪৮.
জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস কবে?
  1. ক) ১৯ জুন
  2. খ) ২০ জানুয়ারি
  3. গ) ২ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২২ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস:
- দেশের জনসাধারণের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর আলােকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে।
- ২ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস।
- ২০১৮ সালে এ দিনটিকে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
- এরপর থেকে প্রতিবছর দিবসটি পালন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
৭,০৪৯.
অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী প্রথম বাংলাদেশী কে?
  1. খালেদ হোসেন
  2. বাবর আলী
  3. মুসা ইব্রাহীম
  4. আক্তার হোসেন
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা

অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী বাংলাদেশী:
- হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত অন্নপূর্ণা-১।
- এর উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।
- অন্নপূর্ণা-১ বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয় করেছেন বাবর আলী।
- ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে তিনি এই পর্বতচূড়া জয় করেছেন।
- ২০২৪ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ উচ্চতার লোৎসে পর্বত জয় করেন তিনি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৭,০৫০.
বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয় কবে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।
- বাংলাদেশে ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়।

মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি;
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে;
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়;
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়;
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৫১.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান বিরোধী জোট কোনটি?
  1. ক) ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি
  2. খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
  3. গ) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট
  4. ঘ) বিরোধী ঐক্য জোট
সঠিক উত্তর:
খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
ব্যাখ্যা

কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি:
১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান বিরােধী একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে একটি জোট বা COP (Combined Opposition Party) গঠন করে।
-মােহাম্মদ আলী জিন্নাহর বােন ফাতেমা জিন্নাহকে কপ-এর পক্ষে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করা হয় ।
-নির্বাচনে আইয়ুব খান জয়ী হন।
-প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়। সেখানেও আইয়ুব খানের কনভেনশন মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ সংস্করণ)।
৭,০৫২.
কাকে বাংলার নারী নবজাগরণের পথিকৃৎ বলা হয়?
  1. ফিরোজা বেগম
  2. বেগম রোকেয়া
  3. নুরজাহান বেগম
  4. নবাব ফয়জুন্নেসা
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়াকে বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।
বিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি নারীশিক্ষা বিশেষত মুসলিম নারীদের শিক্ষা প্রসারে নিরলস পরিশ্রম করেন। নিজের উদ্যোগে বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। সরকারের নিকট নারী শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন দাবী-দাওয়া পেশ করেন।

তিনি ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালে কলকাতায় মারা যান।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,০৫৩.
'মঙ্গল শোভাযাত্রা' কত সালে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: 
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

উল্লেখ্য,
⇒ পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভযাত্রা:
- প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে মঙ্গলের আহ্বান আর শুচিতার কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয় যা মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পরিচিত।
- মূলতঃ চারুকলা অনুষদের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় এই আয়োজন করা হলেও শহরের সকল স্তরের মানুষ এই আনন্দযাত্রায় স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে থাকেন।
- আশির দশকে বন্যা ও সামরিক শাসনের নাগপাশে বিপর্যস্থ জনপদে সৃষ্টিশীল ও গণমুখী প্রতিবাদ গড়ে তোলার মানসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উদ্যোগে ১৯৮৯ সালের পহেলা বৈশাখ মঙ্গল শোভাযাত্রা (wellbeing procession) আয়োজন করা হয়।
- এর পর থেকে প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে বিগত বছরের সকল অমঙ্গল আর গ্লানিকে পিছনে ফেলে আগত বছরের সাফল্য কামনায় বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনায় এটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
- বাঙালি ঐতিহ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রার অপরিসীম প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো ২০১৬ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র এগারোতম অধিবেশনে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাজাত্রা-কে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
৭,০৫৪.
‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ কোন খ্যাতিমান শিল্পীর চিত্রকর্ম?
  1. এস.এম. সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. রফিকুন নবী
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ শিল্পী কামরুল হাসানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭,০৫৫.
মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চে কার অবস্থান রয়েছে?
  1. মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড
  2. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর
  3. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান।

মাধ্যমিক শিক্ষা:
- মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার শীর্ষে রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে একাধিক সংস্থা।
- কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সম্বন্ধীয় যাবতীয় কর্মকা- পরিচালিত হয়ে থাকে।
- এসব বিভিন্নমুখী দায়িত্ব পালন করে থাকে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ চার ধরনের বিশেষীকৃত সংস্থা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৫৬.
সংবিধানে জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের উল্লেখ রয়েছে কোন অংশে?
  1. ভূমিকা
  2. প্রস্তাবনা
  3. তফসিল
  4. তৃতীয় অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনা
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের উল্লেখ রয়েছে প্রস্তাবনা অংশে। 

প্রস্তাবনার অংশবিশেষ: 
 "আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি"

উল্লেখ্য,
- তৃতীয় অধ্যায়ে মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,০৫৭.
প্রাচীন বাংলার জনপদ ’সমতট’ বর্তমান কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত?
  1. ঢাকা
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

সমতট:
পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান। 
সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে। শালবন বিহার এদের অন্যতম।
বর্তমানে কুমিল্লা ও নোয়াখালি প্রাচীন সমতট জনপদের অন্তর্গত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭,০৫৮.
সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদানের জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সম্মাননা পেয়েছেন কে?
  1. সাইফুল ইসলাম
  2. মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক
  3. আ.ন.ম বশিরুদ্দীন
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক
ব্যাখ্যা

- সম্প্রতি, তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সম্মাননা পেয়েছেন-মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক।
- তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দীর্ঘদিনের অবদান ও উদ্ভাবনী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক।
- সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
- অনুষ্ঠানে মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউকের নেতৃত্বে তৈরি 'ফ্লোরাব্যাংক কোর ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার' বিশ্বের অন্যতম সেরা কোর ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি লাভকরে।

উৎস: পত্রিকার নিউজ।লিঙ্ক

৭,০৫৯.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এর কোন উইংটি মাঠ পর্যায় তত্ত্ববধান করে থাকে?
  1. ক্রপস উইং
  2. প্রশাসনিক উইং
  3. সরেজমিন উইং
  4. প্রশিক্ষণ উইং
সঠিক উত্তর:
সরেজমিন উইং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরেজমিন উইং
ব্যাখ্যা
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং:
- ডিএই’র কর্মকান্ডের মুল কেন্দ্রবিন্দুই হলো সরেজমিন উইং।
- ডিএই’তে কর্মরত প্রায় ২৫ হাজার কর্মকর্তা/কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ২১ হাজার কর্মকর্তা/কর্মচারী এ উইংয়ে কর্মরত।
- একজন পরিচালক উইং এর দায়িত্বে আছেন।
⇒ মাঠ পর্যায়ে বার্ষিক কৃষি সম্প্রসারণ কর্মপরিকলনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, মনিটরিং ও মূল্যায়ন করা এ উইং-এর মূল কাজ।
- এছাড়াও কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, উপকরণের চাহিদা নিরূপন, বরাদ্দ ও মনিটরিং এবং মাঠের কার্যক্রম তদারকী করা।
⇒ সম্প্রসারণ সেবা প্রদানকারী অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় সাধন, বার্ষিক রাজস্ব বাজেট প্রণয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য সমূহ সম্প্রসারণ বার্তা হিসেবে রূপান্তর করে মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা।
- এ ছাড়া ১৪টি অঞ্চল (ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, ফরিদপুর, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, কুমিল্লা ও সিলেট), ৬৪টি জেলা, ৪৮৫টি উপজেলা ও ১২৬৪০টি ব্লকের সম্প্রসারণ কার্যক্রমের তদারকি এ উইং এর মাধ্যমে করা হয়।
অন্যদিকে,
- প্রশাসন ও অর্থ উইং-এর প্রধান কাজ হচ্ছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব ও নিরীক্ষা নিশ্চিত করা ও নথিপত্র সংরক্ষণ।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৭,০৬০.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) মুনাফা অর্জন
  2. খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ  
  3. গ) ঋণ প্রদান  
  4. ঘ) আমানত গ্রহণ  
সঠিক উত্তর:
খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ  
ব্যাখ্যা
• ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১২৭ নং আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক 'স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান 'এর সব দায় -দায়িত্ব নিয়ে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ।
• বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ হলঃ
- মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর,
- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা ,
- বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা,
- মুদ্রা নীতি ঘোষণা,
- বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া,
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন ।
তবে এই কাজ গুলোর করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য় হলো - মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা
 
সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭,০৬১.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৩
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
সেক্টর ও সাব সেক্টরসমূহ:

- ১১ টি সেক্টরের অধিনে ৬৪ টি সাবসেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে ১নং সেক্টর গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম। 
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে ৩নং সেক্টর গঠিত হয়।
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে ৪নং সেক্টর গঠিত।
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে ৫নং সেক্টর গঠিত।
- ৬ নং সেক্টর  সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- ৭ নং সেক্টর  রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- ১০ নং সেক্টর  নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- ১১ নং সেক্টর  টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,০৬২.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে-
  1. ৮.৩৭%
  2. ৮.৪৩ %
  3. ৮.৭৭%
  4. ৯.৭৭%
সঠিক উত্তর:
৮.৭৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৭৭%
ব্যাখ্যা

গড় মূল্যস্ফীতি:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি বিরাজমান।
- সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দিক থেকে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ শীর্ষে ছিল।
- ২০২৬ সালেও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকবে।

- তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।।

উল্লেখ্য,
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি - ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ও প্রথম আলো।

৭,০৬৩.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' কত বঙ্গাব্দে হয়?
  1. ক) ১৭৭৬
  2. খ) ১৭৭০
  3. গ) ১১৭৬
  4. ঘ) ১১৭০
সঠিক উত্তর:
গ) ১১৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১৭৬
ব্যাখ্যা
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করলে দেওয়ানি চলে যায় কোম্পানির হাতে আর প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকে নবাবের হাতে।
- ফলে বাংলায় এক অভূতপর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।
- এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এ দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৭,০৬৪.
মার্কিন নিউজউইক ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' উপাধি দেয়-
  1. ক) ১৭ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ৫ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ১০ জুন, ১৯৭১
  4. ঘ) ১০ আগস্ট, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- মার্কিন নিউজউইক ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' বা 'Poet of Politics' উপাধি দেন ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে।
৭,০৬৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আব্দুস সামাদ আজাদ
  3. গ) ড. কামাল হোসেন
  4. ঘ) ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
সঠিক উত্তর:
গ) ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
- সংবিধান রচনার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এই আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য হবেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- আদেশটি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি বঙ্গবন্ধুকে গণপরিষদের দলীয় নেতা নির্বাচন করে।
- ৪৩০ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট ‘একটা খসড়া সংবিধান প্রণয়ন
কমিটি’ গঠিত হয়।
- এ কমিটিতে সংসদে নারী আসন থেকে বেগম রাজিয়া বানু ছিলেন একমাত্র মহিলা সদস্য।
- কমিটি মোট ৭৪টি বৈঠক মিলিত হয়।
- কমিটি ১৯৭২ সালের ১০ জুন অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধানের প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করে।
- খসড়া সংবিধান নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা শেষে ১১ অক্টোবর কমিটির শেষ সভায় সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।

উৎস:- বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৬৬.
দেশে ও বিদেশে সোনালি আঁশের প্রসার ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. জেডিপিসি
  2. বিজেএমসি
  3. বিটিএমসি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জেডিপিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেডিপিসি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জুট মিলস্ কর্পোরেশন (বিজেএমসি):
- পাটখাত পুনরুজ্জীবিত ও আধুনিকায়ন করার পাশাপাশি শ্রমিক ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বকেয়া পরিশোধের লক্ষ্যে ১ জুলাই ২০২০ হতে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকলের শ্রমিক অবসানসহ উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- সরকার অনুমোদিত মৌলনীতি ও কর্মপরিকল্পনার আওতায় ইজারা বা লিজ পদ্ধতিতে উৎপাদন বন্ধ ঘোষিত বিজেএমসি'র মিলসমূহ আধুনিকায়ন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনঃচালুর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

• জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি):
- বাংলাদেশের সোনালি আঁশ নামে খ্যাত পাটের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে এর ব্যাপক ব্যবহার, প্রসার ও গবেষণার সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্য অর্জনই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

• বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি):
- বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে সুতা উৎপাদন করা হয়।
- বর্তমানেও বিটিএমসির ভাড়াপদ্ধতিতে চালু মিলসমূহে উৎপাদিত সুতা স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণে স্বল্প পরিসরে হলেও ভূমিকা রাখছে।
- একসময় কাপড়ও উৎপাদন হতো। তবে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে কম্পোজিট মিলসমূহের বুনন বিভাগ বন্ধ করার পর থেকে বিটিএমসিতে কাপড় উৎপাদন হয় না।

• বাংলাদেশের তাঁত শিল্প:
- তাঁত শিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ধারক।
- এ শিল্পে সারাবছর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
- তাঁতশুমারি, ২০১৮ অনুযায়ী দেশে মোট তাঁত সংখ্যা ২,৯০,২৮২টি।
- দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদার প্রায় ২৮ শতাংশেরও বেশি তাঁত শিল্প যোগান দিয়ে আসছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭,০৬৭.
'ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন করা'র দ্বায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. ক) BTRC
  2. খ) BRTC
  3. গ) BRTA
  4. ঘ) BSTI
সঠিক উত্তর:
গ) BRTA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) BRTA
ব্যাখ্যা
 • BRTA:
- মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩  এর মধ্যমে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট  অথরিটি (বিআরটিএ) গঠিত হয় এবং ১৯৮৮ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
 
• সেবাসমূহ: 
- মোটরযান নিবন্ধন
- মালিকানা বদলী
- ইঞ্জিন পরিবর্তন
- রং পরিবর্তন
- টায়ার সাইজ(প্রস্থ) পরিবর্তন
- তথ্য সংশোধন
- রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ নম্বর প্লেট
- ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
- ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন
- ডোপটেস্ট সংক্রান্ত তথ্য
- ড্রাইভিং ইন্সট্রাক্টর লাইসেন্স
- মোটরযানের ফিটনেস
- ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন
- রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়ন

সূত্র: বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট  অথরিটি (বিআরটিএ)।
৭,০৬৮.
‘মণিপুরী’ ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী কোন জেলায় বাস করে?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) পটুয়াখালী
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) নেত্রকোণা
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
মনিপুরী নৃগোষ্ঠী:
- মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়। 
- তবে তারা অধিক সংখ্যক বাস করে মৌলভীবাজার জেলায়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৭,০৬৯.
একক দেশ হিসেবে, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ কততম? [ আগস্ট, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি: 
- একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
- বাজার হিস্যা দশমিক ৪৮ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।
- বাংলাদেশের পর তৃতীয় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।
- আর শীর্ষ অবস্থানে আছে বরাবরের মতো চীন।
- তাদের বাজার হিস্যা ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৭,০৭০.
চৈনিক পরিব্রাজক ফা-হিয়েন যার সময়ে বাংলায় আসেন -
  1. হর্ষবর্ধন
  2. আলাউদ্দিন হুসেইন শাহ
  3. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  4. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন প্রাচীন চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি মধ্য এশিয়া, ভারত ও শ্রীলংকা ভ্রমণ করেন ও তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করেন।
- ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি যখন ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তখন তাঁর বয়স সম্ভবত ৬৪ বছর।
- তিনি পঞ্চম শতকের সূচনায় বাংলায় আসেন।
- তিনি তাঁর ভ্রমণের অধিকাংশ সময়ই মধ্য ভারত বা মগধ পরিভ্রমণ অতিবাহিত করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত তমলুক)।

উল্লেখ্য,
⇒ ফা-হিয়েন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের (৩৮০-৪১৩খ্রি.) সময় বাংলায় আসেন।
- চিনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে গৌতমবুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন।
- ফা-হিয়েনের বর্ণনায় পাটলীপুত্র, তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, সারনাথ, মথুরা, পেশোয়ার, কুশীনগরসহ বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের বিবরণ আছে।
- তাঁর ভ্রমণ কাহিনী থেকে গুপ্তযুগীয় ভারতের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় এবং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক অবস্থার কিছু চিত্র পাওয়া যায়, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফা-হিয়েন গুপ্ত শাসনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭,০৭১.
'বাওয়ালি' কারা?
  1. ভাওয়াল অঞ্চলের বাসিন্দা
  2. সুন্দরবনের গোলপাতা সংগ্রহকারী
  3. সুন্দরবনের মধু সংগ্রহকারী
  4. বাউল সম্প্রদায়
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গোলপাতা সংগ্রহকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গোলপাতা সংগ্রহকারী
ব্যাখ্যা
বাওয়ালি:
- সুন্দরবন থেকে যাঁরা গোলপাতা সংগ্রহ করেন, তাঁদের বলা হয় বাওয়ালি।
- বাওয়ালি সুন্দরবনের কাঠকাটা শ্রমিকশ্রেণি।
- কাঠ কাটার সময় হিংস্র জন্তুর আক্রমণ ও অন্যান্য দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তারা বাউলদের সাহায্য নেয় বলে তাদের নাম হয়েছে বাওয়ালি।
- নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাস বাওয়ালিরা গোলপাতা কাটে।
- এগুলি ঘর ছাওয়া এবং পাটি বোনাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহূত হয়।

উল্লেখ্য,
- জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত চলে গোলপাতা আহরণের মৌসুম।

অন্যদিকে,
- যাঁরা সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করেন, তাঁদের বলা হয় মৌয়াল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,০৭২.
কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন করেন কে?
  1. ক) রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) আল বুকার্ক
  3. গ) জব চার্নব
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন হকিন্স
সঠিক উত্তর:
গ) জব চার্নব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জব চার্নব
ব্যাখ্যা
১৬৯০ সালে জব চার্নব নামে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একজন কর্মচারি ভাগীরথী নদীর তীরের কোলকাতা, গোবিন্দপুর এবং সুতানটি নামে তিনটি গ্রামের জমিদারি লাভের মাধ্যমে কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,০৭৩.
'তমুদ্দিন মজলিস' কার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল?
  1. কামরুদ্দীন আহমদ
  2. আবুল কালাম
  3. আনোয়ার পাশা
  4. আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস:
 - 'তমদ্দুন মজলিস' ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।
উল্লেখ্য - তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠার তারিখ নিয়ে তথ্যকল্পদ্রুমের ৭নং পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 
৭,০৭৪.
রাখাইনের পূর্ব নাম কী?
  1. রেঙ্গুন
  2. আরাকান
  3. কাচিন
  4. শান
সঠিক উত্তর:
আরাকান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরাকান
ব্যাখ্যা
- মিয়ানমার এর মতে রোহিঙ্গাদের আদি নিবাস বাংলাদেশে।
- তাঁরা বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে গিয়ে মিয়ানমারের রাখাইনে (পূর্ব নাম আরাকান) বসতি গেড়েছে।
- মিয়ানমারের সরকার এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী বিষয়টিকে সেভাবেই দেখে।
- কিন্তু বাংলাদেশ মনে করে রোহিঙ্গারা কয়েকশ বছর ধরে মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে বসবাস করছে এবং তাদের আদি নিবাসের সাথে বাংলাদেশ ভূখন্ডের কোন সম্পর্ক নেই।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা। [লিঙ্ক]
৭,০৭৫.
'জগদ্দল বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লায়
  2. খ) নওগাঁয়
  3. গ) নরসিংদী
  4. ঘ) বগুড়ায়
সঠিক উত্তর:
খ) নওগাঁয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নওগাঁয়
ব্যাখ্যা
- জগদ্দল বিহার নওগা জেলার ধামুরহাট উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি নির্মাণ করেন পাল রাজা রামপাল।
- একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীতে এই বিহার নির্মিত হয় বলো ধারণা করা হয়।

(তথ্যসূত্রঃ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৭,০৭৬.
ঢাকার নাম জাহাঙ্গীর নগর রাখেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. সুবেদার ইসলাম খান
  3. ইব্রাহীম খান
  4. মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
সুবেদার ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবেদার ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
জাহাঙ্গীর:

- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ইসলাম খান বারো ভূঁইয়াদের দমন করে সুবাদারি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকা শহরের গোড়পত্তন করেন।
- তিনি ঢাকার ‘ধোলাই খাল’ খনন করেন এবং ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীর নগর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণী।
৭,০৭৭.
'চিলেকোঠার সেপাই' কোন সময়ের প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষাআন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ছয়দফা
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
• চিলেকোঠার সেপাই:
- 'চিলেকোঠার সেপাই' ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস।
- চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে একজন সাধারণ মানুষের যোগ দিতে সক্ষম হওয়ার এক গল্প চিলেকোঠার সেপাই।
- রাজনীতির নানা ঘটনা পরম্পরা উঠে এসেছে এই উপন্যাসে।
- সেখানে চিত্রিত হয়েছে, একদল কিভাবে দিনের পর দিন ধরে বিনির্মাণ করে চলেছেন ঊনসত্তর।

এছাড়াও,
- শামসুর রাহমানের 'আসাদের শার্ট।
- আল মাহমুদের 'ঊনসত্তরের ছড়া'।
- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ওঙ্কার।
- আহমদ ছফার দ্বিতীয় উপন্যাস 'ওঙ্কার' (১৯৭৫)।
- এ উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণিত হয়েছে একজন কথকের উক্তিতে।
- ৩৮ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট উপন্যাসটি উঠে এসেছে '৬৯ এর পাকিস্তান আমলের সমাজচিত্রের ক্যানভাস ও সামাজিক অসংগতি এবং মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
- আহমদ ছফার এ উপন্যাসে সমকালীন উত্তাপই শুধু নয় সমকালের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার শৈল্পিক সাধনাও প্রকাশ পেয়েছে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) দৈনিক জনকণ্ঠ।
৭,০৭৮.
বাংলাদেশে কোন কৃষিপণ্যটি সর্বাধিক আমদানি নির্ভর?
  1. ক) আলু
  2. খ) ধান
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
গ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে খাদ্যশস্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় গম। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববাজার থেকে মোট ৬৭ লক্ষ মেট্রিক টন গম আমদানি করে।
২০১৮-২০১৯ সালে দেশে গমের উৎপাদন ছিলো ১০ লক্ষ মেট্রিক টন। যার কারণে গমের চাহিদার সিংহভাগই আমদানি করে মেটাতে হয়। গম ব্যতীত ভুট্টা, সয়াবিন, পেঁয়াজ প্রভৃতির আমদানিও উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: FAO এবং কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯)
৭,০৭৯.
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ কোন শহর থেকে বাংলায় আসেন?
  1. ক) ইস্তাম্বুল
  2. খ) কাবুল
  3. গ) বাগদাদ
  4. ঘ) মক্কা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মক্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মক্কা
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:

- তিনি মক্কা থেকে বাংলাদেশে আসেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি জনপ্রিয় সুলতান ছিলেন এবং তাঁর খ্যাতি বাংলাদেশের জনস্মৃতিতে বহুকাল ছিল। 
- তিনি আরবদেশীয় ও সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
- মুজাফফর শাহের কুশাসনে অতিষ্ঠ হয়ে প্রধান প্রধান অমাত্য ও সৈন্যরা তাঁকে হত্যা করে সবাই মিলিত হয়ে হোসেন শাহকে সুলতান মনোনীত করেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ ‘আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- একারণে আধুনিক ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের ‘গোপাল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
-  তিনি হাবশিদের প্রভাব থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য তাদের পরিবর্তে সৈয়দ, আফগান, মোঙ্গল ও হিন্দুদেরকে উচ্চ রাজ পদে নিযুক্ত করেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন। 
- তিনি রাজধানী দিনাজপুর জেলার একডালায় নিয়ে আসেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ সমগ্র উত্তর বিহার এবং দক্ষিণ বিহারের কিছু অংশ দখল করেছিলেন। তিনি ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে কামতা রাজ্য আক্রমণ করে দখল করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৮০.
বাংলাদেশে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫] 
  1. ৮টি 
  2. ১০টি 
  3. ১২টি 
  4. ১৩টি 
সঠিক উত্তর:
১০টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি 
ব্যাখ্যা

উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান:
- বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১০টি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

যথা:
১. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা;
২. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি;
৩. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান;
৪. কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার;
৫. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি;
৬. রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী;
৭. মনিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার;
৮. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হালুয়াঘাট;
৯. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, দিনাজপুর;
১০. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নওগাঁ।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৭,০৮১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা–২০২৪ অনুসারে, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. তিতাস
  2. বাখরাবাদ
  3. হরিপুর
  4. বিবিয়ানা
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা–২০২৪ অনুসারে, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।

গ্যাসক্ষেত্র:

- জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য অবশিষ্ট মজুদের/নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাস-এর পরিমাণ ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৫৮১৮.৩ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

⇒ প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

এছাড়া,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ১০৯টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানিকৃত আরএলএনজিসহ গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ মোট প্রায় ১,০০২.৬ বিলিয়ন ঘনফুট এবং গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ৯৩২.৪ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার – ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।]
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]
- ক্যাপটিভ – ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার – ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭,০৮২.
বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বাংলাদেশ জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ পেয়েছে কোন চলচ্চিত্র? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. পারাপার
  2. কুরাক
  3. মুক্তি
  4. রূপকথা
সঠিক উত্তর:
কুরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরাক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ:
- ৩০তম বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বাংলাদেশ জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ পেয়েছে কিরগিজ ভাষার সিনেমা ‘কুরাক।
- ‘কুরাক’ (কিরগিজ ভাষায় প্যাচওয়ার্ক) ফিল্মটি শুরু হয় ২০২০ সালে বিশকেকের নারী বিক্ষোভের দৃশ্য দিয়ে, যেখানে পুরুষদের হামলা ও পুলিশের গ্রেফতারে সমাবেশ ভেঙে যায়। এখান থেকে কাহিনী প্রবাহিত হয়।
- চলচ্চিত্রটি দেখায় কিভাবে ভিন্ন ভিন্ন নারীর কণ্ঠস্বর একত্রে মিলে নিপীড়নের প্রাচীর ভেদ করে গড়ে তোলে ‘বুলন্দ’ বা মহান আওয়াজ।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমার পরিচালক এরকে ঝুমাকমাতোভার হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

উল্লেখ্য,
- সামাজিক ন্যায় বিচার, বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার অথবা অসাম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের বিষয়বস্তুর বিবেচনায় এবং জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকে স্মরণীয় করে রাখতে বুসান উৎসবে এ বছর থেকে ‘বাংলাদেশ জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ চালু করেছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। 
- পুরস্কারের অর্থমূল্য দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রায় এক লাখ ওন।
- উৎসবে ভিশন প্রোগ্রামের আওতায় এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৭,০৮৩.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. আবুল মাল আব্দুল মুহিত
  4. প্রকৌশলী মো. আবু নোমান হাওলাদার
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএস
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএস (Bangladesh Bureau of Statistics-BBS)  সরকারি পরিসংখ্যানের প্রধান উৎস।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এই বিভাগ সকল প্রকার পরিসংখ্যানগত উপাত্ত সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং প্রকাশনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- সরকারিভাবে ১৯৭৪ সালের আগস্ট মাসে এই বিভাগ সৃষ্টি করা হয়।
- ১৯৭৪ সালের ২৬ আগস্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন চারটি পরিসংখ্যান সংস্থাকে এক করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
-  বিবিএস-এর প্রধান কাজ দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ প্রভৃতির জন্য অর্থনৈতিক খাতসমূহের উপাত্ত সংগ্রহ, সম্পাদনা, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা এবং সকল প্রকার পরিসংখ্যান কর্মসূচি, যেমন- আদমশুমারি, কৃষিশুমারি, শিল্প কারখানা শুমারি, স্থাপনা শুমারি পরিচালনা করা। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৭,০৮৪.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
• মেহেরপুরের মুজিবনগরের পুরাতন নাম বৈদ্যনাথতলার ভবের পাড়া।
• ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাজধানী ছিল।
• এখানে একটি স্মৃতিসৌধ রয়েছে, যা মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ নামে পরিচিত।
• এ সৌধের স্থপতি তানভীর কবির।

এছাড়াও 

- মুজিবনগর সরকার (যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার নামেও পরিচিত) মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল জনগনের রায়ে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল এই সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে (বর্তমান মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে।
- প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে।
- শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- মেহেরপুরের ভবের পাড়া বৈদ্যনাথতলার 'মুজিবনগর নামকরণ করেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
- প্রবাসী সরকার গঠিত হয় ১৯৭০ সালের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে।
- শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তৎকালীন মেহেরপুরের সাব-ডিভিশন অফিসার তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,০৮৫.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. কুষ্টিয়া
  3. মেহেরপুর
  4. চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর:
- মুজিবনগর মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
- এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- এর পূর্বনাম বৈদ্যনাথতলা।
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাজধানী ছিল এখানে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী ছিল মুজিবনগর।
- মুজিবনগরের আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল সরকারের মন্ত্রী পরিষদ শপথ নিয়েছিল।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মুজিবনগর।
- এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭,০৮৬.
'জাতীয় শিল্পনীতি – ২০২২' গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় কত তারিখ?
  1. ক) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  2. খ) ২ অক্টোবর, ২০২২
  3. গ) ৫ অক্টোবর, ২০২২
  4. ঘ) ৯ অক্টোবর, ২০২২
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ‘হালকা প্রকৌশল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা – ২০২২’ ও ‘জাতীয় শিল্পনীতি – ২০২২’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
৭,০৮৭.
একনেক (ECNEC) -এর বিকল্প সভাপতি কে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৭,০৮৮.
বর্তমানে বাংলাদেশে চালুকৃত স্থলবন্দরের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১৩ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ টি
ব্যাখ্যা
• স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
• বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি
• চালুকৃত ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের  নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং
• সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২
৭,০৮৯.
'পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি'র সাধারণ সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. নুরুল হক ভূঁইয়া
  3. আকরাম খাঁ
  4. আবুল হাশেম 
সঠিক উত্তর:
গোলাম মোস্তফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা

পূর্ব বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি:
- ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার ভাষা কমিটির  সাধারণ সম্পাদক ছিলেন কবি গোলাম মোস্তফা। 

⇒ ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত সময়কে ভাষা আন্দোলনের প্রস্তুতি পর্ব বলা যায়। এই সময়ে আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্র শুরু হয়।
- পূর্ব বাংলার জনগণের আন্দোলনের মুখে প্রাদেশিক সরকার ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে বাংলা ভাষা সংস্কারের জন্য মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁকে সভাপতি এবং কবি গোলাম মোস্তফাকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি সংস্কার কমিটি গঠন করে।
- দেড় বছর ব্যাপক আলাপ আলোচনার পর কমিটি সরকারের কাছে রিপোর্ট পেশ করে।
- এই রিপোর্টে বাংলা ভাষা, ব্যাকরণ ও বর্ণমালার প্রচুর সংস্কারের পরামর্শ দেয়া হয়।
- নতুন ভাষার নামকরণ হয় 'সহজ বাংলা'।
- কমিটি রোমান বা উর্দু হরফে বাংলা লেখার প্রশ্নকে কমপক্ষে বিশ বছরের জন্য স্থগিত রাখার পরামর্শ দেয়।
- এ সময়ের মধ্যে উর্দু ভাষাকেও প্রয়োজনীয় সংস্কারের আহ্বান জানায়।
- এই রিপোর্টটি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর পছন্দ হয়নি বলেই তা শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৯০.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.৭৫%
  2. ৫.৭৫%
  3. ৬.৭৫%
  4. ৭.৭৫%
সঠিক উত্তর:
৬.৭৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৭৫%
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
৭,০৯১.
বাংলাদেশের শাসনবিভাগের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা কার নামে গৃহীত হয়?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) সংসদ
  4. ঘ) স্পীকারের
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৫৫(৪) অনুচ্ছেদ - “সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।” রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করে থাকেন।
৭,০৯২.
দিল্লী থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন কে?
  1. ক) সম্রাট আকবর
  2. খ) সুলতান ইলিয়াস শাহ
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) মুহম্মদ বিন তুগলক
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুহম্মদ বিন তুগলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুহম্মদ বিন তুগলক
ব্যাখ্যা
রাজ্য শাসনের প্রত্যক্ষ অসুবিধা দূর করার জন্য মুহম্মদ বিন তুগলক ১৩২৬ - ২৭ খ্রিষ্টাব্দে সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় রাজধানী দিল্লী থেকে দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন। তবে নানাবিধ কারনে তিনি আবার রাজধানী দেবগিরি থেকে দিল্লীতে আনেন।
মুহম্মদ বিন তুগলক সোনা ও রূপার মুদ্রার পরিবর্তে প্রতীকী তামার মুদ্রা প্রচলন করে মুদ্রামান নির্ধারণ করে দেন। তবে এ পরিকল্পনাও পরিত্যাগ করতে হয় । কেননা তাম্র মুদ্রা জাল হতে শুরু করে।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৭,০৯৩.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ১৯৭৮: 
- গণভোটে জয়লাভের এক বছর পরই দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- সংসদ নির্বাচনের পূর্বেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে জিয়াউর রহমান তাঁর ক্ষমতা শক্তিশালী করতে চেয়েছিলেন।
- ৩ জুন, ১৯৭৮ নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জেনারেল (অবঃ) এম এ জি ওসমানীকে পরাজিত করে জিয়াউর রহমানরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে জিয়াউর রহমান ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৩৩ হাজার ৬ শত ৭ ভোট এবং ওসমানী ৪৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ২ শত ভোট পায়। 
- ১২ জুন ১৯৭৮ জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৯৪.
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান কে? 
  1. শাফকাত হোসেন 
  2. জগজিৎ সিং অরোরা
  3. আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
  4. স্যাম মানেকশ
সঠিক উত্তর:
স্যাম মানেকশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যাম মানেকশ
ব্যাখ্যা

যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। 

পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।
- ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলের কমান্ডার জেনারেল এ কে নিয়াজিকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। 
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়। 
- শেষপর্যন্ত জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী এবং প্রথম আলো পত্রিকা।

৭,০৯৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
  2. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
  4. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

সরকার ব্যবস্থা 
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান। তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- বর্তমানে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা নেই।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি।

৭,০৯৬.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কত জন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৪ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৬৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,০৯৭.
'বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. মুন্সিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।  

• ১৯৯৬ সালের ১৯ অক্টোবর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন করেন।
• শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও এ অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে সোনারগাঁও এ বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে এখানে উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয় যা পরে সর্দার বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: সোনারগাঁও জাদুঘর ওয়েবসাইট। 

৭,০৯৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ভারতে
  2. চীনে
  3. পাকিস্তানে
  4. জাপানে
সঠিক উত্তর:
জাপানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানে
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৭,০৯৯.
পদ্মা সেতুতে কোন ধরনের রেল ব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. ডুয়েলগেজ
  2. মিটার গেজ
  3. ন্যারো গেজ
  4. ব্রডগেজ সিঙ্গেল লাইন
সঠিক উত্তর:
ব্রডগেজ সিঙ্গেল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রডগেজ সিঙ্গেল লাইন
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য,
- পদ্মা সেতুতে ব্রডগেজ সিঙ্গেল লাইন রেল ব্যবস্থা বিদ্যমান।

উৎস: i) ২৫ জুন, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
        iii) রেলপথ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,১০০.
গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য-
  1. শিখা চিরন্তন
  2. স্বোপার্জিত স্বাধীনতা
  3. রক্তসোপান
  4. শিখা অনির্বাণ
সঠিক উত্তর:
রক্তসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তসোপান
ব্যাখ্যা
• গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'রক্তসোপান'।
- রক্তসোপান (গাজীপুর সদর) গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনা অর্ডনেন্স কোরের শহীদ ৪৫ জন মুক্তিযোদ্ধার অবদান ও পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নকশাকার অর্ডনেন্স কোরের মেজর শফিকুল মোস্তফা মুনির।
- ২৫০০ বর্গফুট আয়তনের আটকৌণিক বেদিতে এ স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপিত হয়েছে।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবগাথা ছাড়াও সবুজ প্রান্তর, ভাষা-আন্দোলন-, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়, সাত বীরশ্রেষ্ঠ ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে।
- রক্তসোপানের মর্মকথায় বলা হয়েছে, ৯টি সিঁড়ি- রক্তক্ষয়ী ৯ মাসের যুদ্ধের প্রতীক;
- মূল চত্বরে সবুজ ঘাস- চিরসবুজ বাংলার প্রতীক;
- পেছনের দেয়ালে লাল রং- ৫২-এর ভাষা-আন্দোলনের রক্তাক্ত দিনের প্রতীক
- ও ৮ ফুট উচ্চতা ৮ই ফাল্গুনকে নির্দেশ করে;
- মাঝের দেয়ালের কালো রং- দুঃসহ দুঃখভরা যুদ্ধের দিনগুলোর নিষ্পেষণের তিক্ত স্মৃতি ও ১১ ফুট উচ্চতা ১১ দফা আন্দোলনকে নির্দেশ করে;
-  সম্মুখের দেয়াল- সাধারণ বিশ্বজনীন শান্তির প্রতীক;
- ১৬ ফুট উচ্চতা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত বিজয়ের নির্দেশক;
- রক্তিম সূর্য মহান স্বাধীনতা সূচনার প্রতিচ্ছবি;
- ৭টি রশ্মি- অমর ৭ বীর শ্রেষ্ঠের অম্লান স্মৃতির নিদর্শন।
- নিজস্ব সেনা তহবিলে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভটি ২০০০ সালের ১৯শে জুলাই সেনাবাহিনী প্রধান লে. জে. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, বীর বিক্রম উদ্বোধন করেন। [মনিরুজ্জামান শাহীন]

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৯ম খণ্ড