বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ৩০৬ · ৫০১৬০০ / ৩০,৮৩২

৫০১.
বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. ক) ৫০ হার্জ
  2. খ) ৬০ হার্জ
  3. গ) ৭০ হার্জ
  4. ঘ) ৮০ হার্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ:
-  যে তড়িৎ প্রবাহ নির্দিষ্ট সময় পরপর দিক পরিবর্তন করে তাকে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ (Alternating Current ) বলে। আমাদের দেশে বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক পরিবর্তন করে। অর্থ্যৎ বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি ৫০ হার্জ।

- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কতৃক ৪ ধরনের বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়।
১। নিম্নচাপ (এলটি): ২৩০/৪০০ ভোল্ট
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: নিম্নচাপ এসি সিঙ্গেল ফেজ ২৩০ ভোল্ট এবং তিন ফেজ ৪০০ ভোল্ট।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

২। মধ্যমচাপ (এমটি): ১১ কেভি
 -বিদ্যুৎ সরবরাহ: মধ্যমচাপ এসি ১১ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৩। উচ্চচাপ (এইচটি): ৩৩ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: উচ্চচাপ এসি ৩৩ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৪। অতি উচ্চচাপ (ইএইচটি): ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: অতি উচ্চচাপ এসি ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

উৎস: Source: desco.org.bd, জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৫০২.
পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ভাষায় আরবি হরফ চালুর চেষ্টা করে কত সালে?
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৪৭ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ভাষায় আরবি হরফ চালুর চেষ্টা করে।
- এরপর আরবিতে বাংলা শিক্ষা দেয়া শুরু হয়।
- চালু হয় এ ধরনের অনেকগুলো শিক্ষাকেন্দ্র।
- সেখানে বয়স্ক ছাত্রদের বিনামূল্যে আরবি হরফের বই দেওয়া হতে থাকে।
- পূর্ববাংলার জনগণ কিছুদিনের মধ্যেই পাকিস্তানিদের অসাধু উদ্দেশ্য বুঝতে পারে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ববাংলার নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। ফলে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে প্রবল জনমত সৃষ্টি হতে থাকে।
- প্রথমে এগিয়ে আসে পূর্বপাকিস্তান মুসলিম লীগের 'ভাষা কমিটি'।
- এই কমিটির বক্তব্য ছিল, পূর্ববাংলার মানুষকে অশিক্ষিত বানানোর জন্যই শাসকদের এই ষড়যন্ত্র।
- প্রবল নিন্দা জানায় 'পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ'। প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৩.
First oil reserve was discovered in Bangladesh in -
  1. 1974
  2. 1978
  3. 1984
  4. 1986
  5. 1988
সঠিক উত্তর:
1986
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1986
ব্যাখ্যা
হরিপুর খনিজ তেল ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের দুটি খনিজ তেল ক্ষেত্র রয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।
- ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত এই সাত বছরে তেলক্ষেত্রটি থেকে মোট প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সিলেট গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপ খনন করে প্রথম স্তরে তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল (১৫৯ লিটার) তেলের প্রবাহ পাওয়া গেছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ২৬ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
iii) বাংলাপিডিয়া।
৫০৪.
‘ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১’ কোন নদীর উপর নির্মিত হয়েছে?
  1. আত্রাই নদী
  2. পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী
  3. আড়িয়াল খা নদী
  4. ফেনী নদী
সঠিক উত্তর:
ফেনী নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনী নদী
ব্যাখ্যা
- ‘ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১’ ফেনী নদীর উপর অবস্থিত।
- ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি খাগড়াছড়ির রামগড়ের সঙ্গে ত্রিপুরার সাবরুমকে যুক্ত করেছে।
- গত ৯ মার্চ ২০২১ ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেতুটি উদ্বোধন করেন। এর আগে ২০১৫ সালের ৬ জুন দুই প্রধানমন্ত্রী এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ভারত ও বাংলাদেশকে সংযোগকারী এটি প্রথম সেতু।
- চট্টগাম সমুদ্রবন্দর থেকে সেতুটির দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক ‍যুগান্তর)
৫০৫.
কত সালের আইন অনুযায়ী “আদমশুমারি ও গৃহগণনা” এর নাম পরিবর্তন করে “জনশুমারি ও গৃহগণনা” করা হয়-
  1. ২০০৯
  2. ২০১২
  3. ২০১৮
  4. ২০১৩
সঠিক উত্তর:
২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩
ব্যাখ্যা

২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩’ অনুযায়ী ‘আদমশুমারি ও গৃহগণনা’র নাম পরিবর্তন করে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়। 
- নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী জনশুমারি বা মানুষ ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হবে ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর।
- সর্বশেষ ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের দিকে আদমশুমারি পরিচালিত হয়। 
- ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।

৫০৬.
১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলার প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম আসন সংখ্যা ছিল-
  1. ২২৩টি
  2. ২২২টি
  3. ৩০০টি
  4. ২৩৭টি
সঠিক উত্তর:
২৩৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৭টি
ব্যাখ্যা

• যুক্তফ্রন্ট গঠন: 
-  ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
-  যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফাকে তাদের স্বার্থরক্ষার সনদ বলে বিবেচনা করে।
- পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসলিম আসন ছিল।
- যুক্তফ্রন্ট পায় ২২৩টি।
- মুসলিম লীগ মাত্র ১টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৫০৭.
বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:

- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান।
- ১৯৪২ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বি.এ পাশ করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সাথে তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে আন্দোলন করার জন্যে ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন।
- ১৯৭৫ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বঙ্গবন্ধুর বহিষ্কারাদেশ তুলে দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা, ১০ আগস্ট, ২০১০।
৫০৮.
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (রূপকল্প-২০৪১) অনুযায়ী, মানুষের গড় মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে -
  1. ক) ১০.৫ হাজার ডলার
  2. খ) ১২.৫ হাজার ডলার
  3. গ) ১৫ হাজার ডলার
  4. ঘ) ৯ হাজার ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ১২.৫ হাজার ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২.৫ হাজার ডলার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তথা রূপকল্প-২০৪১ঃ
বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের তালিকায় নিয়ে যেতে রোডম্যাপ তৈরি করেছে সরকার।
মানুষের গড় মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার।
মূল্যস্ফীতির হার ৪-৫ শতাংশের মধ্যে রাখা হবে।
৯২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের টার্গেট সরকারের। বছরে গড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি হবে ৪৬০০ মেগাওয়াট।
জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯%।
কর-জিডিপির ১৭% হবে।
চরম দারিদ্রের হার শূন্যের কৌঠায় আসবে। মাঝারি দারিদ্রের হার হবে ৫ শতাংশ।

৫০৯.
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের জন্যে অবশ্যই-
  1. কোন রাজনৈতিক দল থেকে সাংসদ হতে হবে
  2. বয়স সর্বনিম্ন ৩৫ বছর হতে হবে
  3. জাতীয় সংসদের সদস্য হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের সদস্য হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের সদস্য হতে হবে
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৫৬(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
“যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।”
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার জন্যে অবশ্যই জাতীয় সংসদের সদস্য হতে হবে এবং বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৫১০.
খড়গ রাজবংশের পতনের পর দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় কোন রাজবংশের উত্থান ঘটে?
  1. দেব রাজবংশ
  2. পাল রাজবংশ
  3. সেন রাজবংশ
  4. চন্দ্র রাজবংশ
সঠিক উত্তর:
দেব রাজবংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেব রাজবংশ
ব্যাখ্যা

দেব রাজবংশ:
- খড়গ রাজবংশের পতনের পর দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় দেব রাজবংশের উত্থান ঘটে।
- দেব রাজবংশ সমতট অঞ্চলে শাসনকারী রাজবংশ।
- সাত শতকের শেষ ভাগ থেকে আট শতকের প্রথমার্ধে (৭৫০-৮০০খ্রি.) দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গ দেব রাজবংশের অধীনে শক্তিশালী রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তাদের রাজধানী ছিল বর্তমান লালমাই-ময়নামতি অঞ্চলের দেবপর্বত।
- ময়নামতির শালবন বিহার খনন করে এই রাজবংশের চারটি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।
- দেববংশের রাজারা প্রাথমিক যুগের পাল রাজাদের সমসাময়িক ছিলেন। 

- দেব রাজবংশের চারজন বিখ্যাত রাজার নাম শ্রী শান্তিদেব, শ্রী বীরদেব, শ্রী আনন্দদেব ও শ্রী ভবদেব।
- আনন্দদেব ছিলেন দেব রাজবংশের শ্রেষ্ঠ রাজা। তিনি প্রায় ৩৯ বছর দেবপর্বতের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি পরমসৌগত, পরমেশ্বর, পরমভট্টারক ও মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন বলে জানা যায়।
- রাজা আনন্দদেবের আনন্দবিহার ও ভবদেবের সময় নির্মিত শালবন বিহার তথা ভবদেব মহাবিহার ঐ সময়ে বিকশিত বৌদ্ধ সংস্কৃতির কথা জানান দেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৫১১.
খিলাফত আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. ক) মাওলানা শওকত আলী
  2. খ) মাওলানা মুহাম্মদ আলী
  3. গ) সৈয়দ আহমদ খান
  4. ঘ) ক + খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + খ
ব্যাখ্যা
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খেলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- দুই ভাই মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ খেলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
- একই সময়ে কংগ্রেসের অসহযোগ আন্দোলন ও খেলাফত আন্দোলন সমগ্র ভারতবর্ষে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
- ১৯২৪ সালে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কে খেলাফত বিলুপ্ত করলে খেলাফত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫১২.
মধ্যম মেয়াদী পরিকল্পনার মেয়াদ সর্বোচ্চ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনার ধারণা:
- পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের অগ্রিম সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি প্রক্রিয়া।
- পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান ধাপ।
- পূর্ব এবং বর্তমান অভিজ্ঞতা, পরিসংখ্যানিক তথ্যাদি এবং যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।

⇒ মেয়াদভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ (Classification on the basis of time):
১. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়; যথা-এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।
২. মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan): মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে। মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে। কোন কোন কোম্পানী ১৫/২০ বছরের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৩.
বাংলাদেশের বে টার্মিনাল স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে-
  1. কুয়াকাটা
  2. হালিশহর 
  3. সীতাকুণ্ড
  4. মহেশখালি
সঠিক উত্তর:
হালিশহর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালিশহর 
ব্যাখ্যা

 বে টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প:
- চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর উপকূলে প্রায় সাড়ে ছয় কিলোমিটার এলাকায় নির্মাণ হবে বে-টার্মিনাল।
- প্রকল্পের আওতায় তিনটি টার্মিনাল থাকবে।
- ২টি কনটেইনার টার্মিনালের একটি নির্মাণ করবে পিএসএ সিঙ্গাপুর এবং অন্যটি দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড।
- জি টু জি চুক্তির আওতায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো ওই দুটি টার্মিনাল নির্মাণ করবে।
- এছাড়া তৃতীয় মাল্টিপারপাস টার্মিনালটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্মাণের কথা।

- বে-টার্মিনাল মেরিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (বিটিএমআইডিপি) নামের প্রকল্পটিতে এসব কাজের একটি সমন্বয় করে ডিজাইন তৈরি করা হচ্ছে।
- প্রকল্পটির পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসাবে আছে জার্মানির হামবুর্গ পোর্ট কনসালট্যান্ট (এইচপিসি) সেলহর্ন এবং বাংলাদেশের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কে-এস।
- পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছে। সেই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই চলছে ড্রয়িং-ডিজাইনের কাজ।
- বিশ্বব্যাংকের বে-টার্মিনালের চ্যানেল এবং ব্রেকওয়াটার নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য ৬৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রদান করবে।
- এছাড়া বে-টার্মিনালের সঙ্গে রেলওয়ে ও মহাসড়কের সংযোগ স্থাপনের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে নতুন করে ১৯২ মিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়ারও প্রক্রিয়া চলছে।
- আগামী বছরের জুনে টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে।
- ২০৩০ সালে টার্মিনালটি চালু করার লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। 


উৎস: যুগান্তর।

৫১৪.
বাংলাদেশে প্রচলিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় মোট কয়টি স্তর রয়েছে?
  1. ২ স্তর 
  2. ৩ স্তর
  3. ৪ স্তর
  4. ৫ স্তর
সঠিক উত্তর:
৩ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ স্তর
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।

⇒ বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।

উলেখ্য, 
• শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

তথ্যসূত্র: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫১৫.
'মূসক' কী ধরনের কর?
  1. সম্পূরক কর
  2. প্রত্যক্ষ কর
  3. পরোক্ষ কর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক)  একটি পরোক্ষ কর।

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৫১৬.
আয়কর বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থাকে বলা হয়-
  1. ক) NRB
  2. খ) ECNEC
  3. গ) NBR
  4. ঘ) BSEC
সঠিক উত্তর:
গ) NBR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) NBR
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের আয়কর বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থাকে বলা হয় এনবিআর।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৭২ সালে গঠিত হয়।
- প্রদাধিকার বলে এনবিআরের চেয়ারম্যান হন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব।
- প্রতিষ্ঠানটির স্লোগান: 'উন্নয়নের অক্সিজেন রাজস্ব'
- অনলাইন ভ্যাট হেল্পলাইন ১৬৫৫৫।

উৎস:  এনবিআর ওয়েবসাইট।
৫১৭.
ঢাকার আসাদ গেটের পুরাতন নাম কী ছিল?
  1. সোহরাওয়ার্দী গেট
  2. আইয়ুব গেট
  3. জিন্নাহ গেট
  4. ইস্পাহানী গেট
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব গেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব গেট
ব্যাখ্যা

• শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫১৮.
মৌলিক গণতন্ত্রের স্তর ছিল -
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র:
- জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হয়েই নিজের ভবিষ্যৎ ক্ষমতার ভিত্তি সুদৃঢ় ও সুনিশ্চিত করার জন্য তিনি বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে প্রধান পদক্ষেপ হলো 'মৌলিক গণতন্ত্র' নামে এক নতুন পদ্ধতি চালু।
- তাঁর মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশে ৪ স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন গড়ে তোলার কথা বলা হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের ৪০ হাজার এবং পশ্চিম পাকিস্তানের ৪০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন বলে বিধান করা হয়।

[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুকে মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু  পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে  মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫১৯.
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যা ছিল -
  1. চুকনগর গণহত্যা
  2. চট্টগ্রাম গণহত্যা
  3. মিরপুর গণহত্যা
  4. গোলাহাট গণহত্যা
সঠিক উত্তর:
চুকনগর গণহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুকনগর গণহত্যা
ব্যাখ্যা
 চুকনগর গণহত্যা:
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যা ছিল চুকনগর গণহত্যা।
- চুকনগর ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের একটি গ্রাম।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ২০মে মাত্র এক প্লাটুন পাকিস্তানি সেনা ৪ ঘণ্টায় ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে অন্তত ১২ হাজার নিরীহ মানুষকে।
- প্রকৃতপক্ষে এই গণহত্যায় এরচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
-  চুকনগরের পাশে ভদ্রা নদীর পানিতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়ায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে -
- মুক্তিযুদ্ধে ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নৃশংসতা দেখেছে মিরপুর।
- একক শহর হিসেবে দেখলে মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায় চট্টগ্রামে। 
- মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় নৃশংসতার তালিকা করলে প্রথম দিকে থাকবে নীলফামারীর গোলাহাট গণহত্যা বা অপারেশন খরচাখাতা। 

উৎস: মার্চ ২৫, ২০২২, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৫২০.
হাজং উপজাতি কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. বৈষ্ণব
  2. ইসলাম
  3. সনাতন
  4. বৌদ্ধ
সঠিক উত্তর:
সনাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনাতন
ব্যাখ্যা
উপজাতির ধর্ম:
- বাংলাদেশে লুসাই, খাসিয়া ও মাহালী, গারো উপজাতির ধর্ম খ্রিস্টান।
- মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব।
- ত্রিপুরা, হাজংদের ধর্ম সনাতন।
- রাখাইন, চাকমা, মারমা, চাক, খুমি, খিয়াং ইত্যাদি উপজাতির ধর্ম বৌদ্ধ।
- পাঙন উপজাতির ধর্ম ইসলাম।

উৎস: বান্দরবান জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৫২১.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন-
  1. এম মনসুর আলী
  2. মোশতাক আহমেদ
  3. কামরুজ্জামান
  4. তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে এবং এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
- রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
- উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
- প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
- চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৫২২.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক- 
  1. একুশে পদক 
  2. স্বাধীনতা পদক
  3. বাংলা একাডেমি পদক
  4. কৃষি পদক 
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা পদক
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৫২৩.
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কী বিবেচিত হয়?
  1. সামরিক বাহিনী
  2. প্রশাসনিক কর্মকর্তা
  3. রাজনৈতিক দল
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

⇒ প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে রাজনৈতিক দল বিবেচিত হয়।

রাজনৈতিক দল:

- রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাবলির ব্যাপারে রাজনৈতিক দল গুলি নিজ-নিজ দলীয় মতাদর্শের উপর ভিত্তি করে সেসব সমস্যার সমাধানকল্পে নীতি ও কর্মসূচি নির্ধারণ করে।
- নির্ধারিত নীতি ও কর্মসূচির স্বপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের কাজ।
- প্রতিটি রাজনৈতিক দল সভা-সমিতি, পত্র-পত্রিকা, পুস্তক-পুস্তিকা, রেডিও-টিভি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতির মাধ্যমে প্রচারকার্য চালিয়ে নিজস্ব নীতি ও কর্মসূচির সমর্থনে জনমত গঠনের চেষ্টা করে।
- আধুনিক গণতন্ত্রে প্রতিটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করা।
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্র সরকারি ক্ষমতা করায়ত্ব করে নিজ নীতি ও আদর্শকে বাস্তবে রূপায়িত করা। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৪.
মুজিবনগর সরকারের ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন -
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  3. গ) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক
সঠিক উত্তর:
গ) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

সুত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।

৫২৫.
বাংলাদেশ প্রথম 'PRSP' গ্রহণ করে-
  1. ক) ২০০৫ সালে
  2. খ) ২০০১ সালে
  3. গ) ২০০৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Proverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র).
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

উৎসঃ IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৫২৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত?
  1. ২৬২০ মার্কিন ডলার
  2. ২৬৭১ মার্কিন ডলার
  3. ২৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২৮৭১ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২৬৭১ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৭১ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- জাতীয় মহাসড়ক: ৪২৯৪ কিলোমিটার।
- আঞ্চলিক মহাসড়ক: ৫০৪০ কিলোমিটার।
- রেলপথ: ৩২৫৪ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৫২৭.
‘ষাটগম্বুজ মসজিদ’-এর নির্মাতা কে?
  1. সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহ
  2. খান আল-আজম উলুগ খান জাহান
  3. মির্জা আবু তালিব
  4. মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
খান আল-আজম উলুগ খান জাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খান আল-আজম উলুগ খান জাহান
ব্যাখ্যা

• ষাটগম্বুজ মসজিদ:

- ষাটগম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলির মধ্যে বৃহত্তম এবং সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্তাকর্ষক নিদর্শন।
- খান আল-আজম উলুগ খান জাহান, যিনি দক্ষিণ বাংলার এক বৃহৎ অংশ জয় করে তৎকালীন সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) সম্মানে বিজিত অঞ্চলের নামকরণ করেন খলিফাতাবাদ।
- তিনিই  ষাটগম্বজ মসজিদের নির্মাতা। 
- ১৪৫৯ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত খান জাহান হাভেলি-খলিফাতাবাদ থেকে উক্ত অঞ্চল শাসন করেন। 
- তাঁর শাসনকৃত অঞ্চলটিকে বর্তমান বাগেরহাটের সাথে অভিন্ন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
- সময়ের ব্যবধানে এরূপ অসাধারণ একটি ভবন ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। 
- ব্রিটিশ সরকার এর সংস্কার ও মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং পরবর্তীসময়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ধারাবাহিকভাবে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
- বিশ শতকের আশির দশকের শুরুতে ইউনেসকো-র (UNESCO) উদ্যোগে এই ঐতিহাসিক পুরাকীর্তিটির রক্ষণাবেক্ষণে এক কার্যকরী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় এবং তা বর্তমানে শেষের পর্যায়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫২৮.
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) খালেদ নেওয়াজ খান
  2. খ) কোভিদ আহমেদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) নাঈম উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাঈম উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাঈম উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক নাঈম উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ।
- ইতিহাস ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যাসেম্বলি হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৫২৯.
‘আওয়ামী মুসলীম লীগ’ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৪ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামী মুসলিম লীগ অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনায় বিশ্বাসী ছিল। ফলে ১৯৫৫ সালে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে দলটিকে একটি অসাম্প্রদায়িক রূপ দেয়া হয় এবং অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য এর দ্বার খুলে দেওয়া হয়। এর মূল নেতা নির্বাচিত হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী
৫৩০.
বাংলাদেশ কত সালে  জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৫ সালের ১৭ অক্টোবর
  2. ১৯৭৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৭৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর
  4. ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ শান্তি সেনা প্রেরণকারী দেশ।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে।
- ছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৯-৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাইস্মরণ করিয়ে দেয়।
-
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং জাতিসংঘ ওয়েব সাইট।

৫৩১.
বাংলাদেশে মোট আয়তনের তুলনায় শতকরা কত ভাগ বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ১২ ভাগ
  2. খ) ১৪ ভাগ
  3. গ) ১৭ ভাগ
  4. ঘ) ২৪ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ ভাগ
ব্যাখ্যা
মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ ১৭ ভাগ।
অন্যদিকে, জাতীয় সংসদে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ২৫,৪৭৫ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে যা দেশের মোট আয়তনের ১৭.২৬ শতাংশ।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলা ট্রিবিউন)
৫৩২.
নেজামে ইসলাম পার্টির নেতা কে ছিলেন?
  1. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  2. মওলানা আতাহার আলী
  3. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
মওলানা আতাহার আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মওলানা আতাহার আলী
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল 'যুক্তফ্রন্ট' নামে জোট গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। যথা:
১. আওয়ামী মুসলিম লীগ: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি: শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি: মওলানা আতাহার আলী।
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল: হাজী মোহাম্মদ দানেশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।

৫৩৩.
বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  2. ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  3. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সম্পর্কের সূত্রপাত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়েই।
- এপ্রিলে ভারত সরকার জাতিসংঘের কাছে শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দিতে অনুরোধ জানায়। এই অনুরোধে তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম উদ্যোগী হন। 
- জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্ত হয়। 

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়।
- ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়।
- কিন্তু ২৫ তারিখে চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি। 

⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫৩৪.
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণের নিবন্ধন অ্যাপ কোনটি?
  1. ক) কোভিশিল্ড
  2. খ) কেয়ার
  3. গ) মিতালী
  4. ঘ) সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুরক্ষা
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে ২৭ জানুয়ারি ২০২১ বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের টিকা প্রয়োগ শুরু করে।
- বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণের নিবন্ধন অ্যাপ - এর নাম - “সুরক্ষা”।
৫৩৫.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্তম্ভগুলো দ্বারা কোন সময়কালকে প্রতীকায়িত করা হয়েছে?
  1. ১৯৪৭-১৯৭১
  2. ১৯৫২-১৯৭১
  3. ১৯৫০-১৯৭১
  4. ১৯৬২-১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১৯৫২-১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫২-১৯৭১
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
​- ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কি. মি. দূরে সাভার থানার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
​- বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
​- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট।
​- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
​- জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল কাঠামোর নকশা তৈরি করেন স্থপতি মইনুল হোসেন।
​- কংক্রিট নির্মিত ৭ টি ত্রিভূজাকৃতির স্তম্ভ দিয়ে মূল সৌধ গঠিত।
​- ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯’র গণ-অভ্যূত্থান এবং সর্বশেষ ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধ- এই সাতটি ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা হিসেবে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে।

​উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৩৬.
কোন বিজ্ঞানী পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন?
  1. ক) আব্দুল খালেক
  2. খ) মাকসুদুল আলম
  3. গ) মোবারক আহমেদ খান
  4. ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খ) মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন। এছাড়াও তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকের জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
অন্যদিকে আব্দুল খালেক স্বর্না সার, মোবারক আহমেদ খান পাট থেকে পলিথিন তৈরির পদ্ধতি এবং মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ পাট থেকে জুটন নামের কাপড় তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
(সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
৫৩৭.
কোন সালে বাংলাদেশের নারীরা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনে প্রথম সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন?
  1. ক) ১৯৯৫ সালে
  2. খ) ১৯৯৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নারীদের সংরক্ষিত তিনটি আসনে প্রথম সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এর আগে প্রথম ১৯৭৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদে দুজন মনোনীত নারী সদস্য নিয়োগের বিধান করা হয় যা ১৯৮৩ সালে তিনজনে উন্নীত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫৩৮.
বাংলাদেশ কোন সালে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নেয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ: 
- ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়ের পরপরই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ২০০০ সালে হয় টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসির ট্রফির ফাইনালকে বলা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম নাটকীয় ম্যাচ।
- ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে ছিল বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ।

উৎস: বিবিসি বাংলা (৫ অক্টোবর ২০২৩)।
৫৩৯.
দেশের ৩০০ তম সংসদীয় আসন কোনটি?
  1. ক) পঞ্চগড়-১
  2. খ) কক্সবাজার-৪
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) কক্সবাজার-১
সঠিক উত্তর:
গ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের ৩০০তম আসন হলো বান্দরবান। ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১। বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন। (সূত্রঃ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট)
৫৪০.
বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশের বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হয়েছে? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ৪৯টি
  2. ৫৯টি
  3. ৬৯টি
  4. ৭৯টি
সঠিক উত্তর:
৫৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯টি
ব্যাখ্যা
ই-পাসপোর্ট:
- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ গত ২ জুন, ২০২৫ তারিখে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতা দেয়।
- বাজেট বক্তৃতায় বলেন, বিশ্বের ৫৯টি দেশে বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
- আরো জানান বাংলাদেশের সকল মিশনে ই-পাসপোর্ট, ই-ভিসা এবং ই-ট্রাভেল পারমিট প্রচলনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- এছাড়াও স্বয়ংক্রিয় ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য বিভিন্ন চেকপোস্টে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ই-গেইট স্থাপন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।

তথ্যসূত্র: বাসস। [link]
৫৪১.
’কারাগারের রোজনামচা’ বইটির প্রকাশকাল কত?
  1. ১৭ মার্চ ২০১৭
  2. ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  3. ১৭ মার্চ ২০১২
  4. ১৬ মার্চ ২০১৭
সঠিক উত্তর:
১৭ মার্চ ২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ মার্চ ২০১৭
ব্যাখ্যা
♦ কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা।
৫৪২.
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯০৬ সালে
  3. ১৯০৭ সালে
  4. ১৯০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৬ সালে
ব্যাখ্যা
মুসলিম লীগ:
 
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
- তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল মুলক, সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান প্রমুখের উদ্যোগে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব আব্দুল লতিফ, স্যার সৈয়দ আহমদ খান, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে। জড়িত ছিলেন না।
- মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৪৩.
ফিফার ‎সর্বশেষ র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অবস্থান কততম? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ১০০তম
  2. ১০২তম
  3. ১০৪তম
  4. ১০৭তম
সঠিক উত্তর:
১০৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৪তম
ব্যাখ্যা
ফিফা র‍্যাঙ্কিং:
- নারী ফুটবলে ফিফার সর্বশেষ হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে ২৪ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ।
- ১১৭৯.৮৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ উঠে এসেছে ১০৪তম স্থানে।
- বাংলাদেশের মেয়েদের রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে ‍+৮০.৫১।
- ফিফা জানিয়েছে, এবারের হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বেশি এগোনো দল বাংলাদেশ, সবচেয়ে বেশি (‍+৮০.৫১) পয়েন্টও অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল।

উল্লেখ্য,
- গত জুনে মিয়ানমার সফরে যাওয়ার সময় ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১২৮ নম্বরে ছিল বাংলাদেশ।
- এরপর ২৯ জুন ৩৬ ধাপ এগিয়ে থাকা বাহরাইনকে, ২ জুলাই ৭৩ ধাপ এগিয়ে থাকা মিয়ানমারকে হারায় মেয়েরা।
- প্রথমবারের মতো ইতিহাস গড়ে এশিয়ান কাপের মূল পর্বেও নাম লেখায় পিটার বাটলারের দল।
- এগিয়ে থাকা এই দুই দলের সঙ্গে জেতায় র‍্যাঙ্কিংয়ে এমন উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের।  

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৫৪৪.
তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট কতটি? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. ৬২ টি
  2. ৬১ টি
  3. ৬৩ টি
  4. ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
৬২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ টি
ব্যাখ্যা

• তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২টি।

• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৫৪৫.
Who was not involved in the 1954 Provincial Assembly elections?
  1. Nawab Sir Salimullah
  2. Haji Danesh
  3. Maulana Atahar Ali
  4. A K Fazlul Huq
  5. Maulana Abdul Hamid Khan Bhasani
সঠিক উত্তর:
Nawab Sir Salimullah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nawab Sir Salimullah
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পাকিস্তানের মুসলিম লীগ বিরোধী পূর্ব পাকিস্তানের কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী মোর্চা বা জোট গঠন করে।
- এই জোট 'যুক্তফ্রন্ট' নামে পরিচিত।
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যুক্তফ্রন্টে মূলত চারটি রাজনৈতিক দল ছিল।
 
এগুলো হলো:
- মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন: আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন: কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
- মাওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন: নিজাম-ই-ইসলামী এবং
- হাজী দানেশের নেতৃত্বাধীন: বামপন্থী গণতন্ত্রী দল। 
 
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৬.
একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. বেলজিয়াম
  2. কানাডা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং
সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৪৭.
মহান মুক্তিযুদ্ধে নৌ সেক্টর কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৭নং
  2. ৮নং
  3. ৯নং
  4. ১০নং
সঠিক উত্তর:
১০নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিল ১০ নং সেক্টরের অধীনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৫৪৮.
রাষ্ট্রপতি সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন?
  1. ৯৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৯৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৯৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৯৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগদান করিবেন।'
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৪৯.
সম্প্রতি, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ ক্রয়ে বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে সম্মতিপত্র স্বাক্ষর করেছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ফ্রান্স
  3. ইতালি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

যুদ্ধবিমান ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ ক্রয়:
- ইতালি থেকে জঙ্গি বিমান ইউরোফাইটার টাইফুন কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ইতালির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো এসপিএর সঙ্গে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বা সম্মতিপত্র সই করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
- এটি ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’-এর অধীনে (বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা) বিমানবাহিনীর সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদ্যোগগুলোর একটি।

উল্লেখ্য,
- নতুন এই যুদ্ধবিমান সম্পর্কে ইউরোফাইটারের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এই যুদ্ধবিমান বিশ্বের সবচেয়ে সক্ষম ৪.৫ জেনারেশন মাল্টিরোল যুদ্ধবিমানগুলোর একটি।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সুইংরোল কমব্যাট বিমান।
- বিশ্বের নয়টি দেশের বিমানবাহিনীর কাছে এই যুদ্ধবিমান রয়েছে।
- দুই ইঞ্জিনের ইউরোফাইটার টাইফুন সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে সক্ষম। 

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]

৫৫০.
১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. টিক্কা খান
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  4. ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান।

আইয়ুব খানের পদত্যাগ:
- ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য রাজবন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয়।
- আন্দোলনের চাপে আইয়ুব খান সার্বজনীন ভোটাধিকার মেনে নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে না দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
- তিনি রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়। 
- ১০ মার্চ রাওয়ালপিন্ডিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ও এগারো দফা দাবি উপস্থাপন করলেও বৈঠক ব্যর্থ হয়।
- ২৪ মার্চ ১৯৬৯, জেনারেল আইয়ুব খান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
- ২৫ মার্চ সামরিক আইন পুনরায় জারি করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫১.
সেন আমলে প্রবর্তিত 'কৌলিন্য প্রথা' কীসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ভূমি সংস্কার
  2. রাজস্ব নীতি
  3. সামরিক ব্যবস্থা
  4. সামাজিক ও বর্ণ সমীকরণ আইন
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ও বর্ণ সমীকরণ আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ও বর্ণ সমীকরণ আইন
ব্যাখ্যা

কৌলিন্য প্রথা:
- কৌলিন্য প্রথা বলতে বোঝায়, যে কোনো জাতি বা গোষ্ঠী বা বর্ণ বা সম্ভ্রান্ত বংশ যারা সামাজিক সম্মান ভোগ করে এবং ঐতিহ্যগতভাবে নিজেদের সামাজিক অবস্থান এবং ‘কুল’ পরিচিতি ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। 
- সেন আমলে বল্লাল সেন কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন।

⇒ কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- ব্রাহ্মণগণ এ প্রথা প্রবর্তনের উদ্যোক্তা ছিলেন।
- তাঁরা তাঁদের দাবি প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এ প্রথার একটি ঐতিহাসিক ভিত্তি দেখানোর জন্য প্রচার করেন যে, সেন আমলে বল্লাল সেন কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫২.
এশিয়ার কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে?
  1. ১৯তম
  2. ২০তম
  3. ২১তম
  4. ২২তম
সঠিক উত্তর:
২২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২তম
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ তারিখে।
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা মেট্রোরেল প্রকল্পে যোগ দেয়।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ার মধ্যে ২২তম দেশ হিসেবে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে বাংলাদেশে।

উৎস: i) Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
          ii) ৪ নভেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৫৫৩.
বিরোধী দলের কাজ নয় কোনটি?
  1. অধিকার বাস্তবায়ন
  2. গণতন্ত্র রক্ষা
  3. গঠনমূলক সমালোচনা
  4. বাজেটের অনুমোদন দেয়া
সঠিক উত্তর:
বাজেটের অনুমোদন দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেটের অনুমোদন দেয়া
ব্যাখ্যা
বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।
• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।
• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে,
- বাজেটের অনুমোদন দেয়া বিরোধী দলের কাজ নয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৪.
বিশ্বের ৪১তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সাবমেরিনের যুগে পদার্পণ করে -
  1. ক) ২০১৪ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৬ সালে
  4. ঘ) ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ২০১৬ সালে চীনের কাছ থেকে দুটি সাবমেরিন ক্রয় করে।
- এর ফলে বিশ্বের ৪১তম দেশ হিসেবে সাবমেরিন ক্ষমতার মালিক এখন বাংলাদেশ।
- ১৪ নভেম্বর ২০১৬ চীনের দালিয়ান প্রদেশের লিয়াওয়ান শিপইয়ার্ডে সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাবমেরিন দুটির নামকরণ করা হয় 'নবযাত্রা' এবং ‘জয়যাত্রা'।
- আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টাইপ ০৩৫ ডুবোজাহাজ (ন্যাটো প্রদত্ত নাম: মিং ক্লাস) এই কনভেনশনাল সাবমেরিন দুইটি ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন, যার প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ৭৬ মিটার এবং প্রস্থে ৭.৬ মিটার।
- আইএসপিআর থেকে আরো জানানো হয়, 'নবযাত্রা' এবং 'জয়যাত্রা' নামের দুটি সাবমেরিন টর্পেডো এবং মাইন দ্বারা সুসজ্জিত, যা শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনকে আক্রমণ করতে সক্ষম।

উৎস: ডেইলি স্টার ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট, আরটিভি।
৫৫৫.
জাতীয় নির্বাচন সংবিধানের কত নং অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র
দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার
চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ
পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা
ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ
সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন
অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন
একাদশ অধ্যায় - বিবিধ

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৫৬.
’গেরিলা’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  4. খান আতাউর রহমান
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:  
- নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে নির্মিত সিনেমা 'গেরিলা'।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস থেকে নির্মিত হয় সিনেমাটি।
- ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন- 
- জয়া আহসান, ফেরদৌস, এটিএম শামসুজ্জামান, রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী ওয়াদুদ, শম্পা রেজা, গাজী রাকায়েত প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত কয়েকটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো:
- আবার তোরা মানুষ হ: খান আতাউর রহমান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমা ।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন'। পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম। 
- হারুনর রশীদ পরিচালিত 'মেঘের অনেক রং' সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। 

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা। 

৫৫৭.
বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ ভবন:
- জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান।
- এটি রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে ১৫ মিলিয়ন ডলারের অনুমিত ব্যয় ধরে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- সমস্ত সুবিধাদিসহ ৩২ মিলিয়ন ডলারের পরিবর্তিত ব্যয়ে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
- কমপ্লেক্সটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে মূল সংসদ ভবন, সংসদ সদস্য, মিনিস্টার ও সেক্রেটারিদের হোস্টেল, অথিতি ভবন ও কমিউনিটি বিল্ডিং।
- মাটির উপরে কাঠামোটির উচ্চতা ৪৯.৬৮ মিটার।
- মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত। এর মধ্য আটটি ৩৩.৫৩ মিটার এবং কেন্দ্রীয় অষ্টভুজাকার ব্লকটি ৪৭.২৪ মিটার উঁচু।
- কেন্দ্রীয় ব্লকটি ৩৫৪ আসন ধারণক্ষম অ্যাসেম্বলি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫৫৮.
ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার প্রশ্নে ১৯১৬ সালে কংগ্রেস ও মুসলিমলীগের মধ্যে কোন চুক্তিটি সম্পাদিত হয়?
  1. ক) লক্ষ্ণৌ চুক্তি
  2. খ) এলাহাবাদ চুক্তি
  3. গ) বেঙ্গল প্যাক্ট
  4. ঘ) সিমলা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) লক্ষ্ণৌ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লক্ষ্ণৌ চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯১৬ সালের ডিসেম্বরে লক্ষ্ণৌ শহরে একই সময়ে ও স্থানে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে উভয় দল ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার প্রশ্নে সমঝোতার অংশ হিসেবে লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদন করে।
এ চুক্তিতে কংগ্রেস প্রথমবারের মতো মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থা মেনে নেয়।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫৫৯.
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গোপালগঞ্জ
  2. নেত্রকোনা
  3. লালমনিরহাট
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ’ আইন গেজেট আকারে জারি করা হয়। এটির প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জেড এম পারভেজ সাদ্দাদ।
অন্যদিকে,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত গোপালগঞ্জে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত ঢাকার রোকেয়ার স্মরণীতে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত গাজীপুরের কালিয়াকৈরে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত গাজীপুরের সালনায়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন ও অ্যারো স্পেস বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত লালমনিরহাটে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত ঢাকার শাহবাগে।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ওয়েবসাইট)
৫৬০.
মৃত আত্মাদের স্মরণে 'মীমতূত' উৎসব পালন করে কোন ক্ষুদ নৃগোষ্ঠী?
  1. গারো
  2. লুসাই
  3. মারমা
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
লুসাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুসাই
ব্যাখ্যা
লুসাই:
- লুসাই নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৬১.
'নিপোর্ট' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) সাভার
  3. গ) আজিমপুর
  4. ঘ) মিরপুর
সঠিক উত্তর:
গ) আজিমপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আজিমপুর
ব্যাখ্যা

- নিপোর্ট হচ্ছে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT: National Institute of Population Research And Training)।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
- সংস্থাটির অবস্থান ঢাকার আজিমপুরে।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
উৎসঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।

৫৬২.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কোন দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. ক) অর্থ ও পরিকল্পনা
  2. খ) স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণ
  3. গ) কৃষি ও সমবায়
  4. ঘ) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষি ও সমবায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষি ও সমবায়
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (২২৩টি আসন) অর্জন করে।
৪ এপ্রিল ১৯৫৪ এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়।
১৪ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় আওয়ামীলীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন।
তবে ৩০শে মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।

(তথ্যসূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫৬৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম কৃষিবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়?
  1. নরসিংদী
  2. গাইবান্ধা
  3. কুড়িগ্রাম
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
কৃষিবান্ধব সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রমতে, জেলায় ১৬টি নদনদীর অববাহিকায় সাড়ে চার শতাধিক চরের ৪৬ হাজার ৪২৮ হেক্টর জমির মধ্যে বর্তমানে আবাদি জমির পরিমাণ ৩৫ হাজার ৮৭ হেক্টর।
- কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ১৪০ একর জমিতে দেশের প্রথম কৃষিবান্ধব বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হবে।
- বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে এমএ গ্রিন এনার্জি লিমিটেড।
- এখান থেকে উৎপাদিত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।
- প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষির সমৃদ্ধিসহ এ জেলার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

উৎস: ১৭ নভেম্বর ২০২৩, সমকাল।
৫৬৪.
কোন শাসকের মৃত্যুর পর বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' সৃষ্টি হয়?
  1. ধর্মপাল
  2. মদন পাল
  3. শশাঙ্ক
  4. সম্রাট অশোক
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
'মাৎস্যন্যায়:
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে।
- এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সময় উত্তর ভারতের আধিপত্য নিয়ে গুর্জর প্রতিহার, রাষ্ট্রকুট ও পালবংশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ধর্মপালের পর রাজা হলেন তাঁর পুত্র দেবপাল।
- তাঁর শাসনামলে পাল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হয়।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে।
- প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
- রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন।
- তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।

উৎম: ইতহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৫.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি-
  1. ক) ১৯০৯ মার্কিন ডলার
  2. খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২০২৭ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২০৬৪ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জিডিপি ১৯৭০ মার্কিন ডলার। স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ। শিল্পখাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ এবং সেবাখাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ওয়েবসাইট]
৫৬৬.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের জন্ম কোন জেলায়?
  1. সাতক্ষীরা
  2. ঝিনাইদহ
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান (১৯৫৩-১৯৭১):
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে।
- তাঁর পিতা আক্কাস আলী ও মাতা কায়দাছুন নেছা।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। 
- হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- তিনি ৪ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ট খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
- ঝিনাইদহ জেলা শহরের স্টেডিয়ামটি তাঁর নামে, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ তাঁর স্মরনে একটি ডাক টিকিট প্রকাশ করেছে।

তথ্যসূত্র: ঝিনাইদহ জেলার ওয়েবসাইট।
৫৬৭.
সুলতানা রাজিয়া ছিলেন কার কন্যা?
  1. কুতুবউদ্দিনে কন্যা
  2. ইলতুৎমিশের কন্যা
  3. বাহরামের কন্যা
  4. রুকনউদ্দিনে কন্যা
সঠিক উত্তর:
ইলতুৎমিশের কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলতুৎমিশের কন্যা
ব্যাখ্যা
সুলতানা রাজিয়ার সিংহাসন:
- ১২২৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলার বিদ্রোহী শাসক সুলতান গিয়াসউদ্দিন ইওয়াজ খলজির বিদ্রোহ দমন করে,
- সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশের জ্যেষ্ঠপুত্র যুবরাজ নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাংলার শাসনকর্তা নিযুক্ত হন।
- কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদ মৃত্যুবরণ করেন।
- সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর সুযোগ্য কন্যা সুলতানা রাজিয়া।
- দূরদর্শী সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর সুযোগ্য কন্যা, বুদ্ধিমতী ও অনন্য প্রতিভার অধিকারী রাজিয়াকে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন।
- ১২৩৬ খ্রিস্টাব্দে সুলতান ইলতুৎমিশের মৃত্যুর পর তাঁর মনোনয়ন অস্বীকার করে কতিপয় অভিজাত সুলতান পুত্র রুকনউদ্দিন ফিরোজকে সিংহাসনে আরোহণে সহায়তা প্রদান করেন।
- কিন্তু রুকনউদ্দিন ফিরোজ ছিলেন অদক্ষ।
- রুকনউদ্দিনের দুঃশাসনে সাম্রাজ্যের চতুর্দিকে চরম অরাজক পরিস্থিতি ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
- এমতাবস্থায় রানীমাতা শাহ তুরকান শাসন ক্ষমতা হস্তগত করেন।
- রুকনউদ্দিন ফিরোজ এবং রানীমাতা শাহ তুরকানকে দিল্লির উপকণ্ঠে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পরাজিত করে কারাগারে বন্দি করেন।
- এই ঘটনার পর আমির উমারাহগণ রাজিয়াকে দিল্লির সিংহাসনে আমন্ত্রণ জানান। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৮.
বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে -
  1. জার্মানি
  2. ডেনমার্ক
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি:
-বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে ‘এমভি স্টেলা মরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে এ যাবৎকালে নির্মিত জাহাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ও উচ্চ গতিসম্পন্ন জাহাজ ‘এনজিয়ান’ জার্মান ক্রেতা প্রতিষ্ঠান জার্মান কমরোসকি মারিটিম জিএমবিএইচ-এর প্রতিনিধির কাছে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৫৬৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কতটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়?
  1. ৩টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:

- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- “জেড” ফোর্স, “কে” ফোর্স, ও “এস” ফোর্স নিয়ে ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

- কে. এম. সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

- খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৭০.
নিচের কোনটি শীতকালীন ফসল?
  1. ক) বোরো ধান
  2. খ) পাট
  3. গ) ভুট্টা
  4. ঘ) আমন ধান
সঠিক উত্তর:
ক) বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বোরো ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম ২টি।
এগুলো হলো:
- খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম
- রবি বা শীতকালীন মৌসুম।

কার্তিক থেকে ফাল্গুন সময় রবি মৌসুম বা শীতকালীন মৌসুম হিসেবে পরিচিত। এসময়ে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে বোরো ধান এবং গম প্রধান।
এছাড়া অন্যান্য ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,

- পাট ও আমন ধান গ্রীষ্মকালীন ফসল।
- ভুট্টা মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই)
৫৭১.
'এফবিসিসিআই' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
FBCCI:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry.
- বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন FBCCI (এফবিসিসিআই)।
- ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং কোম্পানি আইন, ১৯১৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।
- এফবিসিসিআই'র বর্তমান মহাসচিব মো. আলমগীর। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - FBCCI ওয়েবসাইট।
৫৭২.
মুজিবনগর সরকারকে কতটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো:

- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল।
- মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ত্রাণ, প্রকৌশল, পুলিশ, তথ্য ও হিসাব কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৩.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'এ স্টেট ইজ বর্ন' এর পরিচালক-
  1. ক) মোরশেদুল ইসলাম
  2. খ) তারেক মাসুদ
  3. গ) তানভীর মোকাম্মেল
  4. ঘ) জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
ঘ) জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

• জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্রঃ
- স্টপ জেনোসাইড,
- এ স্টেট ইজ বর্ন
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রঃ
- আগামী ও
- সূচনা।
• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রঃ
- মুক্তির গান ও
- মুক্তির কথা।

৫৭৪.
ট্যাক্স হলিডে কী?
  1. ট্যাক্স দিবস পালন
  2. সাময়িক ভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
  3. ট্যাক্স সংগ্রহের জন্য ছুটির দিন
  4. ট্যাক্স খেলাপীদের জন্য বিশেষ আইন
সঠিক উত্তর:
সাময়িক ভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাময়িক ভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
ব্যাখ্যা
ট্যাক্স হলিডে:
- শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে।
- অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা।
- সাধারণভাবে বলা যায় কোনো প্রতিষ্ঠানকে আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি দেয়াকে কর অবকাশ বলা হয়।
- তবে আয়করের ক্ষেত্রে কর অবকাশ বলতে কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ শিল্পখাতকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে কতিপয় শর্ত পালন সাপেক্ষে কর প্রদান হতে অব্যাহতি দেয়াকে কর অবকাশ বলা হয়।
- নতুন প্রতিষ্ঠিত শিল্প এ ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকে।
- আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নই এর প্রধান লক্ষ্য।
- নতুন শিল্প উদ্যোক্তারা এ ধরনের সুবিধার জন্যে শিল্প স্থাপনে (বিশেষত অনগ্রসর এলাকায় শিল্প স্থাপনে) আগ্রহী হয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র - এনবিআর ওয়েবসাইট ও কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৫.
সবচেয়ে বেশি রাবার বাগান আছে কোন অঞ্চলে?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) সিলেট
  3. গ) টাঙ্গাইল-শেরপুর
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রাবার বাগান আছে চট্টগ্রাম জোনে।
- এই অঞ্চলে রাবার বাগানের সংখ্যা ৮ টি। 

- সিলেট জোন (৪টি বাগান
- টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)
উল্লেখ্য রাবার বাগানকে ৩ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে ।

উৎস: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।

৫৭৬.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের প্রধান খাত কোনটি?
  1. আয়কর
  2. সুদ
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় সরকার:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলতঃ কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে।

⇒ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ -
১. আয়কর:
- আয়কর সরকারী আয়ের একটি বর্ধমান উৎস। জনগণের ব্যক্তিগত আয়ের উপর এ কার্য করা হয়।
২. ভূমি রাজস্ব:
- কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস হল ভূমি রাজস্ব। স্বাধীনতার পর ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করায় এ খাতে আয় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
৩. মূল্য সংযোজন কর:
- দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।
8. বাণিজ্য শুল্ক:
- বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
৫. আবগারী শুল্ক:
- চা, চিনি, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই, কেরোসিন, ঔষধ, প্রসাধনী প্রভৃতির উপর কেন্দ্রীয় সরকার আবগারী শুল্ক ধার্য করে।
৬. স্ট্যাম্প:
- বিভিন্ন দলিল, মামলা-মোকদ্দমার আবেদনপত্র, পাসপোর্ট ইত্যাদির উপর স্ট্যাম্প বসাতে হয়। স্ট্যাম্প বিক্রয়ের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
৭. রেজিস্ট্রেশন:
- বিভিন্ন দলিলপত্র রেজিস্ট্রি করতে হলে সম্পত্তির মূল্যের উপর সরকারকে রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়।
৮. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান:
- এসব প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ কেন্দ্রীয় সরকারের আয় হিসেবে গণ্য।
৯. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প:
- স্বাধীনতার পরে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনও সরকারী মালিকানায় রয়েছে সেগুলো থেকে সরকারের আয় হয়।
১০. সুদ:
- কেন্দ্রীয় সরকার দেশের বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারী কর্মচারীদের সুদে ঋণ মঞ্জুর করে থাকে।
১১. ডাক, তার ও দুরালাপনী:
- ফোন, ফ্যাক্স ও ডাক বিভাগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
১২. যাতায়াত:
- যাতায়াত খাতে রেলওয়ে ও বিআরটিসি দীর্ঘদিন লোকসানী খাত ছিল। গত বছর রেলওয়ে খাতে আয় হয়েছে ১৩৪ কোটি টাকা। আর বিআরটিসি ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়াতে এটা বর্তমানে সরকারের লাভজনক খাতে পরিণত হয়েছে।
১৩. বন:
- বন যে কোন দেশের জাতীয় সম্পদ। বনাঞ্চল থেকে বাঁশ, কাঠ, মধু ও অন্যান্য বনজ সম্পদ বিক্রয় করে প্রতিবছর কেন্দ্রীয় সরকার কিছু না কিছু আয় করে।
১৪. যানবাহন:
- কেন্দ্রীয় সরকার যানবাহন থেকে কর আদায় করে।

উল্লেখ্য,
- আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারি শুল্ক ধার্যের ভিত্তি হলো অর্জিত মুনাফা।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৭.
আফ্রিকান কোন দেশটি বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. সেনেগাল
  2. গ্যাবন
  3. উগান্ডা
  4. গাম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
• আফ্রিকান দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় সেনেগাল।

বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
৫৭৮.
সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ বাতিল করে কোন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  2. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৫
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০২৫
  4. কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি
সঠিক উত্তর:
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ বাতিল করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।

⇒ এতে আগের আইনের ৯টি ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে।
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩৪ বাদ পড়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ধারাগুলোয় নিষ্পন্নাধীন কোনো মামলা বা অন্যান্য কার্যধারা ও তদন্ত বাতিল হবে এবং কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না। এ ছাড়া এসব ধারায় আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল হবে।
- বাদ পড়া ধারাগুলোয় ছিল—মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড; পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ; আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শন, তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ; অনুমতি ব্যতীত পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, ব্যবহার ইত্যাদির দণ্ড; মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, প্রচার ইত্যাদি।

উৎস: i) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫। 
ii) প্রথম আলো।
৫৭৯.
VGF- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vulnerable Group Feeding
  2. Vulnerable Group Funding
  3. Vulnerable General Feeding
  4. Vulnerable General Funding
সঠিক উত্তর:
Vulnerable Group Feeding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vulnerable Group Feeding
ব্যাখ্যা
VGF:
- VGF- এর পূর্ণরূপ: Vulnerable Group Feeding.
- VGF হলো খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের একটি ত্রাণ কর্মসূচির নাম।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যেরমাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫৮০.
”কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া” এ গানটির সুরকার কে?
  1. কুমার বিশ্বজিৎ
  2. সঞ্জীব চৌধুরী
  3. শাহ আবদুল করিম
  4. কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল করিম
ব্যাখ্যা
”কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া” এ গানটির সুরকার শাহ আবদুল করিম।

শাহ আবদুল করিম:

- শাহ আবদুল করিম (জন্ম: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৬ - মৃত্যু: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৯) বাংলা বাউল গানের জীবন্ত কিংবদন্তী হিসেবে পরিচিত।
- স্বল্প শিক্ষিত বাউল শাহ আব্দুল করিম এ পর্যন্ত প্রায় দেড় সহস্রাধিক গান লিখেছেন এবং সুরারোপ করেছেন।
- বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে তাঁর ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।
- বাউল শাহ আবদুল করিমের এ পর্যন্ত ৬টি গানের বই প্রকাশিত হয়েছে।
- বাউল শাহ আব্দুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

শাহ আবদুল করিমের লেখা ও সুর করা কয়েকটি গান হলো:
- বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে,
- আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম,
- গাড়ি চলে না,
- আমি কূলহারা কলঙ্কিনী,
- কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া,
- কোন মেস্তরি নাও বানাইছে,
- কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু,
- বসন্ত বাতাসে সইগো,
- আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু,
- মহাজনে বানাইয়াছে ময়ূরপঙ্খী নাও,
- আমি তোমার কলের গাড়ি,
- সখী কুঞ্জ সাজাও গো,
- জিজ্ঞাস করি তোমার কাছে,
- মানুষ হয়ে তালাশ করলে,
- আমি বাংলা মায়ের ছেলে,
- রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৮১.
বঙ্গবন্ধু বন্দি হওয়ার পূর্বে কার নিকট স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. এম. এ. হান্নান
  3. আমির হোসেন আমু
  4. আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
এম. এ. হান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. এ. হান্নান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা:

- বঙ্গবন্ধু বন্দি হওয়ার পূর্বেই চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম. এ. হান্নানের নিকট স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন।
- বাণীটি স্বাধীনতার দলিলপত্র তৃতীয় খণ্ডে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে (পৃ.১)। বাণীটি নিম্নরূপ: "This may be my last message, from today Bangladesh is independent. I call upon the people of Bangladesh wherever you might be and with whatever you have, to resist the army of occupation to the last. Your fight must go on until the last soldier of the Pakistan occupation army is expelled from the soil of Bangladesh and final victory is achieved".
- এম.এ. হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করেন।
- ২৭ মার্চ কালুরঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র (পরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র) থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। এই ঘোষণাটিও স্বাধীনতার দলিলপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- সেনাবাহিনীর অঘোষিত যুদ্ধের প্রতিবাদে বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে যে স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু হয় তা চলে নয় মাস।
- এ যুদ্ধ আপামর জনসাধারণের কাছে মুক্তিযুদ্ধ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮২.
বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর কোন উপজেলায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. কুতুবদিয়া
  2. সন্দ্বীপ
  3. মাতারবাড়ী
  4. চকরিয়া
সঠিক উত্তর:
মাতারবাড়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতারবাড়ী
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র:
- কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ নভেম্বর, ২০২৩ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল উদ্বোধন ও প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
- ২০২৬ সালে বন্দরটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
- ২০২০ সালের ১০ মার্চ মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
- প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- বন্দরটি ১ হাজার ৩১ একর জায়গায় বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে নির্মাণ করা হচ্ছে।
- বন্দরের জন্য নির্মিত চ্যানেলটি ২৫০ মিটার চওড়া, ১৮.৫ মিটার গভীর এবং ১৪.৩ মিটার দীর্ঘ।
- এই উন্নয়নের ফলে ৮০০০ থেকে ১০,০০০ কন্টেইনার জাহাজ সরাসরি জেটিতে প্রবেশ করতে পারবে।
- এ বন্দর দিয়ে এলএনজি, অপরিশেধিত তেল ও তেলপণ্য, সিমেন্ট, ক্লিঙ্কার, সার, খাদ্যশস্য, স্টিলপণ্য এবং স্ক্র্যাপ লোহা আমদানি সহজতর হবে।

উল্লেখ্য,
- মাতারবাড়ী বন্দর সড়ক, রেল ও নদীপথ দিয়ে সংযুক্ত থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৮৩.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি কখন শুরু হয়?
  1.  ৫ জুন
  2. ৭ জুলাই
  3. ১৪ জুলাই
  4. ৩০ জুলাই
সঠিক উত্তর:
৭ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুলাই
ব্যাখ্যা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ২০২৪:
- ২০২৪ সালের ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের কোটা বাতিল–সংক্রান্ত পরিপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করেন।
- হাইকোর্টের এ ঘোষণার ফলে নতুনভাবে আবার এই আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, কোটার যৌক্তিক সংস্কার।
- আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ৬ জুলাই সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে পরীক্ষা বর্জন, ছাত্র ধর্মঘট ও সড়ক–মহাসড়ক অবরোধের ডাক দেন। এর নাম ছিল ‘বাংলা ব্লকেড’।
- ৭ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি শুরু হয়।

- ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরস্ত্র শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে পুলিশ গুলিতে হত্যা করে।
- ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি পক্ষ ৯ দফা দাবি জানিয়ে ‘শাটডাউন’ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। 
- এর পাশাপাশি ২২ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম চার দফা দাবি জানিয়ে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি স্থগিত করে চার দফা দাবি জানায়- ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইন্টারনেট চালু, ক্যাম্পাসগুলো থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাস চালু, সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা প্রদান এবং কারফিউ প্রত্যাহার। - ৩০ জুলাই ছাত্র ও নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশের শিক্ষার্থীরা ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ নামে প্রতিবাদ করেন।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক দফার দাবিতে বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। 
- আজ বাংলাদেশের ইতিহাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সবচেয়ে আলোচিত এক অধ্যায়।
- দীর্ঘ ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে দেশের মানুষ যখন হতাশ ও দিশাহারা, ঠিক সেই সময় ছাত্র–জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
- সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ।

উৎস: প্রথম আলো। 

৫৮৪.
শ্রীচৈতন্য বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেন কার রাজত্বকালে?
  1. ক) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. খ) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  3. গ) গিয়াসুদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. ঘ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
হোসেন শাহী বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেন আলাউদ্দিন হোসেন শাহ । তাঁকে বাংলার আকবর বলা হতো। তার রাজ্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। আলাউদ্দিন হুসেন শাহের রাজত্বকালেই চট্টগ্রামে পর্তুগিজ বণিকদের আনাগোনা শুরু হয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়। এ সময়ে বিজয়গুপ্ত পদ্মপুরাণ বা মনসা মঙ্গল, বিপ্রদাস মনসা বিজয় এবং যশোরাজ খান শ্রীকৃষ্ণ বিজয় কাব্য রচনা করেন। মালাধর বসু শ্রীমদ্ভাগবত বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন এবং শ্রীকৃষ্ণ বিজয় নামে আর একটি কাব্যও রচনা করেন। শ্রীচৈতন্য বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেন তাঁর রাজত্বকালে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮৫.
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র বিল:
- পাকিস্তান সৃষ্টির দীর্ঘ ৯ বছর পর শাসনতন্ত্র বিশেষজ্ঞগণ এ শাসনতন্ত্রটি প্রণয়ন করেছিলেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- মোট ১০৫ পৃষ্ঠার এ শাসনতন্ত্রে একটি প্রস্তাবনা, ১৩টি অংশ, ২৩৪টি বিধিএবং ৬টি তালিকা সন্নিবেশিত ছিল।
- এ শাসনতন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ছাড়াও প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থার উল্লেখ ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৬.
গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি কোনটি?
  1. স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম
  2. রাজনৈতিক দল
  3. সংসদীয় ব্যবস্থা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দল হল গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি।
- যখন কিছু সংখ্যক মানুষ মতাদর্শগতভাবে একমত পোষণ করে এবং ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলে।
- সংক্ষেপে রাজনৈতিক দল হল একটি জনসমষ্টি যা ক্ষমতা অর্জন করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করে।
- ব্যাপক অর্থে বলা যায়, রাজনৈতিক দল হল কোন জনসমষ্টি যা রাষ্ট্রের সমস্যাবলি এবং সমাধানের উপায় সম্পর্কে ঐক্যমত পোষণ করে এবং নির্দিষ্ট আদর্শের ভিত্তিতে জনমতের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করে।

⇒ প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- আর বিরোধী দলসমহ নিজ-নিজ আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৭.
বর্তমানে বীর বিক্রম খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত জন?
  1. ৪২৪ জন
  2. ১৭৪ জন
  3. ৬৭ জন
  4. ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ জন
ব্যাখ্যা
• বীরত্বসূচক খেতাব:
- বীরত্বসূচক খেতাব  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল: (ক) সর্বোচ্চ পদ, (খ) উচ্চ পদ, (গ) প্রশংসনীয় পদ, (ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক- ৪২৬ জন। 

এছাড়াও,
তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী], 
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), 
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), 
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)। 

বর্তমানে (২০২১ সালের পরবর্তীতে) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৫৮৮.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার -
  1. ১৭.১%
  2. ১৮.৭%
  3. ১৯.২%
  4. ২০.৯%
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

৫৮৯.
‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কত সালে ঘটে?
  1. ক) বাংলা ১১০৬ সালে
  2. খ) বাংলা ১১৭৬ সালে
  3. গ) বাংলা ১২৭৬ সালে
  4. ঘ) বাংলা ১৩৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলা ১১৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলা ১১৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামক দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল বাংলা সন ১১৭৬-এ (১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে)। তখন ছিল আঠারো শতকের চরম অর্থনৈতিক মন্দার বছর। [উৎসঃ বাংলাপিডিয়া]
৫৯০.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রথম বছর কতটি দেশ পালন করে?
  1. ১৮৭টি
  2. ১৮৮টি
  3. ১৮৯টি
  4. ১৯০টি
সঠিক উত্তর:
১৮৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
৫৯১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদের মধ্যে 'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার'- এর কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯নং
  2. ১১ নং
  3. ১০ নং
  4. ১২ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মূলনীতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি শিরোনামে ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এগুলো হলো:
• জাতীয়তাবাদ: মূল সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে।'
• সমাজতন্ত্র: মূল সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'মানুষের উপর মানুষের শোষণের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ানুগ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে শোষণহীন সমাজ কায়েম করা হবে।'
• গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: সংবিধানের  ১১ নং  অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার বৈষম্য দূরীভূত করে নাগরিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।
• ধর্ম নিরপেক্ষতা: সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোন ধর্মের ব্যবহার, কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির বৈষম্য বা তার উপর উৎপীড়ন করা হবে না।'

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯২.
‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ এর প্রতিপাদ্য কী?
  1. "উন্নতির পথে একসাথে"
  2. "প্রতিবেশী ভালো থাকুক"
  3. "সমাজ গঠন করি, দেশ গড়ি"
  4. "এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই"
সঠিক উত্তর:
"এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই"
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’

- ‘তারুণ্যের উৎসব ২০২৫’ শুরু হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর থেকে।
- উৎসবটি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত চলবে।
- উৎসবটির প্রতিপাদ্য ‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’।
- (Change the Country, Change the World)

- প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস উদ্বোধন করেছেন।

‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’ উদযাপনে কর্মপরিকল্পনা সমূহ:
- তারুণ্যের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন। 
- যুব ও উদ্যোক্তা সমাবেশ অনুষ্ঠান।
- প্রদর্শনী, বিভিন্ন কর্মশালা ও ফেস্টিভ্যাল আয়োজন। 
- জনসচেতনতা বিষয়ক কার্যক্রম।
- প্রতিভা অন্বেষণ ও স্কিল কম্পিটিশন।
- আর্ট গ্যালারীতে জুলাই বিপ্লবের চিত্র প্রদর্শন।
- অনুদান ও বৃত্তি প্রদান।
- ডেমোক্রেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান।
- Zero Waste Champion পুরস্কার প্রদান। 
- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন উৎসবমুখর পরিবেশে।
- প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পেইন।
- কিশোর কিশোরীদের পুষ্টি বিষয়ক অলিম্পিয়াড।



তথ্যসূত্র: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৫৯৩.
’বেঙ্গল প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯২৭ সালে
  4. ১৯৩৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে
ব্যাখ্যা

• বেঙ্গল প্যাক্ট:
স্বরাজ দলের নেতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ উপমহাদেশের রাজনীতিতে মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক পার্থক্যজনিত সমস্যা সমাধানকল্পে যে চুক্তি সম্পাদন করেন তা ইতিহাসে বেঙ্গল প্যাক্ট বা বাংলা চুক্তি নামে পরিচিত।
- বেঙ্গল প্যাক্ট ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
-পক্ষদ্বয়- মুসিলমানদের একাংশ ও স্বরাপ পার্টি।
- এটি সি আর দাস ফর্মুলা নামে ও পরিচিত। 
- এটি অবিভক্ত বাংলার হিন্দু- মুসলিম ঐক্য।
- এই চুক্তিতে হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী‌র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৫৯৪.
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. থাইল্যান্ড
  2. ইতালি
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত:

- পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- ইংরেজ ক্যাপ্টেন মি. হেরাম কক্স (Captain Hiram Coxs)-এর নামানুসারে এ জায়গার নামকরণ হয় কক্সবাজার।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- সমুদ্রের তীর ঘেঁষে গড়ে উঠা সংরক্ষিত বনভূমি সমৃদ্ধ ৯৬ কিলোমিটার পাহাড়ের সারি এখানকার অন্যতম বিরল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বলে বিবেচিত।
- সমুদ্র সৈকতের পথ ধরে ১০-১২ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে হিমছড়ি পিকনিক স্পট।
- এখানকার ঝর্ণা, ঝাউবন, পাহাড় আর বনানীর সৌন্দর্য্য চিত্তাকর্ষক। কক্সবাজারের সন্নিকটেই বৌদ্ধ তীর্থস্থান রামু।
- কক্সবাজারের উত্তর-পশ্চিমে সমুদ্র মাঝে রয়েছে মহেশখালী দ্বীপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৯৫.
১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত ছিলো?
  1. ক) ৫.৫২ কোটি
  2. খ) ৭.৬৪ কোটি
  3. গ) ৮.১০ কোটি
  4. ঘ) ৮.১৫ কোটি
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৬৪ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৬৪ কোটি
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এ আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিলো ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ। দেশ স্বাধীনের আগে ১৯৬১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ছিলো ৫ কোটি ৫২ লক্ষ। সর্বশেষ ২০১১ সালে ৫ম আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৯৭ লক্ষ। ২০২১ সালে পরবর্তী ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হবে। (সূত্রঃ জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৫৯৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী আইন:- সংবিধান আইন ২০১১
- পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ৮,৯,১০,১২ অনুচ্ছেদ পুণর্বহাল করায় বাহাত্তরের মূল সংবিধানের চেতনাকে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে।
- অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৯৭.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, একই সাথে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগেরও সচিব।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৫৯৮.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৫৯৯.
কৃষি পরসিংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান- ( মে ২০২৫)
  1. ১,৮০,৪৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর
  3. ১,৫৯,৭৫,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৯,৭২,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরসিংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ 
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০ টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০ টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়।
-  ২০২১-২২ বছরের বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান - ১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর। 
- ২০২১-২২ বছরের বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির পরিমান - ৮০,৪৩,০০০ হেক্টর।
- বনাঞ্চলের পরিমাণ- ৬৩,৬৩,০০০ একর।

উৎস: কৃষি পরসিংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ ।
৬০০.
বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে কোন আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. শিক্ষা আন্দোলন
  3. ছয়দফা আন্দোলন
  4. ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সময়ে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)