বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ৩০৬ · ৪০১৫০০ / ৩০,৮৩২

৪০১.
রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে কে?
  1. বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ সরকার
  4. বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার: 
- রবীন্দ্র সাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
- প্রতি বছর দুজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।
- বাংলা একাডেমি আয়োজিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, রবীন্দ্র পুরস্কার বা রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার নামে পশ্চিমবঙ্গেও একটি পুরস্কারের প্রচলন আছে। এটি সেখানকার সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫০ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। পুরস্কারটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪০২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়?
  1. ৯৪ (১) নং
  2. ৯৫ (১) নং
  3. ৯৬ (১) নং
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়।

সুপ্রিম কোর্ট:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
- সংবিধানের ৯৬ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।'

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
         iii) ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।
৪০৩.
সংসদের অনুমতি ব্যতিত যুদ্ধ ঘোষনা করা যাবেনা সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ক) ৬৩ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ৬৪ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ৬১ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ৫৯ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৩ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৩ নং অনুচ্ছেদে সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবে না সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্ণি-জেনারেল সম্পর্কে বলা হয়েছে ।
সংবিধানের ৬১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকবে
সংবিধানের ৫৯ নং অনুচ্ছেদে আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে। 

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৪০৪.
”আলোকিত মানুষ চাই” কিসের স্লোগান?
  1. জাতীয় নাগরিক কমিটি
  2. নজরুল ইনস্টিটিউট
  3. বেঙ্গল ফাউন্ডেশন
  4. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• “আলোকিত মানুষ চাই” বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র: 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৮ সালে।
- এর কার্যালয়: বাংলা মোটর। 
- এটির প্রতিষ্ঠাতা: আব্দুলা আবু সায়ীদ।
- ধরন: সামাজিক সংগঠন।
- এর লক্ষ্য: কিশোর ও যুব সমাজকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- নজরুল ইনস্টিটিউট: সংগীত  ও সাহিত্য কর্মে উৎসাহিত করা।
- বেঙ্গল ফাউন্ডেশন: উচ্চাঙ্গ সংগীতের আয়োজক।
- জাতীয় নাগরিক কমিটি: বর্তমান নতুন একটি রাজনৈতিক দল।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র।
৪০৫.
মুক্তিযুদ্ধকালে বঙ্গোপসাগর কোন সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১২
  3. গ) ১০
  4. ঘ) কোনো সেক্টরের অধীন না
সঠিক উত্তর:
গ) ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো। নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর) এবং ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না, চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর, ঢাকা-২ নং সেক্টর, রাজশাহী-৭ নং সেক্টর, মুজিবনগর-৮ নং সেক্টর, সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৪০৬.
কোন দূর্গকে কেন্দ্র করে ভারতের ব্রিটিশ শাসনের সূত্রপাত ঘটে?
  1. ক) চন্দননগর দূর্গ
  2. খ) ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ
  3. গ) লালবাগ দূর্গ
  4. ঘ) একডালা দূর্গ
সঠিক উত্তর:
খ) ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ
ব্যাখ্যা
ভারতের ব্রিটিশ শাসনের সূত্রপাত ঘটে ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গকে কেন্দ্র করে। ১৭০০ সালে কোলকাতায় ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় উইলিয়ামের নামানুসারে ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ নির্মাণ করা হয়। ১৬৯০ সালে কোলকাতা, গোবিন্দপুর এবং সুতানটি নামে তিনটি গ্রাম ক্রয়ের মাধ্যমে ইংরেজরা কোলকাতা শহরের পত্তন করেন।(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪০৭.
ছয়দফা প্রস্তাবনায় কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কোন দুটি বিষয় ন্যস্ত হওয়ার কথা বলা হয়?
  1. যোগাযোগ ও প্রতিরক্ষা
  2. প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
  3. প্রতিরক্ষা ও অর্থ
  4. বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
এগুলো হলো:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

৪০৮.
জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে সর্বনিম্ন কত বছরের নাগরিকগণ আবেদন করতে পারবেন?
  1. ১৫ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৭ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা

জাতীয় পরিচয়পত্র:
- যাদের বয়স ১৬ বছর বা ১৮ বছরের কম, তারা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে নিবন্ধন আবেদন করতে পারবে।
- নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের এনআইডি দেবে।
- তাদের বয়স ১৮ বছর হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে।
- যাদের বয়স ১৬ বছর হয়েছে, তারা নিবন্ধন করতে পারবে।
- তাতে ইসি অগ্রিম কিছু তথ্য রাখতে পারবে। যেসব শিক্ষার্থী বিদেশে পড়তে যায়, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়াসহ - ছোটখাটো নানা কাজে এনআইডি প্রয়োজন হয়।
- এনআইডি না থাকলে তাদের অসুবিধায় পড়ে হয়।
- এ জন্য ১৬ বছর ও তার চেয়ে বেশি বয়সীরা এনআইডি পাবে।
- এজন্য তারা ইসিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবে।

উৎস: প্রথম আলো ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৪০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা-
  1. ক) ২১,৫৬০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২১,৯৪০ মেগাওয়াট
  3. গ) ২২,০৬৬ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২২,৫৬০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
গ) ২২,০৬৬ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২,০৬৬ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২২,০৬৬ মেগাওয়াট।
- তবে ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ ২৫,২৮৪ মেগাওয়াট।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২]
৪১০.
বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. শ্রীলংকা
  3. মিয়ানমার
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ২০১০ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলঙ্কায়।

উৎস: কালের কণ্ঠ এবং প্রথম আলো।
৪১১.
নিম্নের কোন তফসিলৎ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- যার নাম দেয়া হয় বাকশাল।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৪১২.
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুেয়ারি বঙ্গাব্দ কত তারিখ ছিল?
  1. ৭ ফাল্গুন
  2. ৮ ফাল্গুন
  3. ৯ ফাল্গুন
  4. ১০ ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:

- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।
- বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন।
- সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন।
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
৪১৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় নারী ডেপুটি গভর্নর নিযুক্ত হলেন -
  1. ক) নাজনীন সুলতানা
  2. খ) নূরুন নাহার
  3. গ) ইসমাত বেগম
  4. ঘ) জেবুন্নাহার
সঠিক উত্তর:
খ) নূরুন নাহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নূরুন নাহার
ব্যাখ্যা
নূরুন নাহার:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে ৩ জুলাই, ২০২৩ তারিখে যোগ দিয়েছেন নূরুন নাহার।
- আগে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।
- ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ, ক্রেডিট গ্যারান্টি ডিপার্টমেন্ট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা বিভাগের নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ১২ এপ্রিল, ২০২৩ তারিখে তাঁকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় নারী ডেপুটি গভর্নর। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ১ম নারী ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা।

উৎস: ৪ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
৪১৪.
কার নেতৃত্বে 'ফারাক্কা লংমার্চ' সংঘটিত হয়েছিল?
  1. আবুল কাশেম
  2. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. এ.কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা

ফারাক্কা লং মার্চ:
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে 'ফারাক্কা লংমার্চ' সংঘটিত হয়েছিল।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে 'ফারাক্কা লং মার্চ' সংঘটিত করা।
- ১৯৭৬ সালের ১৮ই এপ্রিল হাসপাতাল থেকে ফেরার পর মাওলানা ভাসানী ঘোষণা দেন ভারত যদি বাংলাদেশকে পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাহলে তিনি লংমার্চ করবেন।

⇒ এজন্য ১৬ই মে রাজশাহী শহর থেকে লংমার্চ করার ঘোষণা দেন তিনি।
- কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য ১৯৭৬ সালের ২রা মে মাওলানা ভাসানীকে প্রধান করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট 'ফারাক্কা মিছিল পরিচালনা জাতীয় কমিটি' গঠিত হয়।
- এই লংমার্চের আগে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে একটি চিঠি লিখেন আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- সে চিঠিতে মিসেস গান্ধির কাছে লংমার্চের কারণ বর্ণনা করেন ভাসানী।
- লংমার্চের মিছিল রাজশাহী থেকে প্রেমতলী, প্রেমতলী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মনকষা এবং মনকষা থেকে শিবগঞ্জ পর্যন্ত ৬৪ মাইল অতিক্রম করবে।
- মাওলানা ভাসানীর অনুসারীরা তাকে একজন রাজনীতিবিদের চেয়ে 'দার্শনিক' হিসেবেই বেশি বিবেচনা করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪১৫.
বাংলাদেশে সরকারি EPZ সংখ্যা-
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৪১৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানির সংখ্যা কতটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২৮টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪২টি
  4. ৪৯টি 
সঠিক উত্তর:
৩৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬টি
ব্যাখ্যা

• বীমা:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ।

৪১৭.
বিবিএস এর সূত্র অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমান দারিদ্রের হার কত?
  1. ক) ২০%
  2. খ) ২০.৫%
  3. গ) ২৩.৩%
  4. ঘ) ২৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ২০.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০.৫%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের দারিদ্র্য হার ২০.৫% এবং চরম দারিদ্র্য হার ১০.৫%

N.B: We've updated the info based on the main question.

৪১৮.
অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরে গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় কাকে?
  1. মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
  2. প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান
  3. মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  4. গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যার অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'।
- ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে এ অপারেশন সংগঠিত হলেও মূলত এর প্রস্তুতি চলতে থাকে মার্চের প্রথম থেকে।
- ৩রা মার্চ পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আগত অস্ত্র ও রসদ বোঝাই এম.ভি. সোয়াত জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে।
- প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৫ই মার্চ থেকে ২৪শে মার্চ ঢাকায় আলোচনার ভান করে আসলে অভিযানের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন ও অপারেশন সার্চলাইট চূড়ান্ত করেন।
- অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরে গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় পাকিস্তানি বাহিনীর মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৪১৯.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষি জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বাংলাদেশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
  3. গ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি জাদুঘর:

- ২০০২ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশের প্রথম এবং একমাত্র কৃষি জাদুঘরটি।
- জাদুঘরটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় ২০০২ সালের ১০ মার্চ।
- ২০০৭ সালের ৩০ জুন তৎকালীন ভিসি অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসাইন মিঞার মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
- মিউজিয়ামটির আয়তন ৬৩৫০ বর্গফুট।
- এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৪ লাখ টাকা।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ৬ মার্চ ২০১৭।
৪২০.
অশোক প্রথম জীবনে কোথায় শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন?
  1. পাটলিপুত্র
  2. উজ্জয়িনী
  3. কলিঙ্গ
  4. তক্ষশীলা
সঠিক উত্তর:
উজ্জয়িনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উজ্জয়িনী
ব্যাখ্যা

অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন। 
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২১.
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র- ২০২২ অনুযায়ী, সবচেয়ে ধনী জেলা কোনটি?
  1. মাদারীপুর
  2. ঢাকা
  3. নোয়াখালী
  4. চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র- ২০২২:
- বাংলাদেশের দারিদ্রো মানচিত্র - ২০২২, প্রকাশ করে  ৩০ জানুয়ারি ২০২৫।
- বিবিএস ১৯৭৩ সাল থেকে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ থেকে দারিদ্র্য পরিমাপ করে আসছে।
- দারিদ্রের হার: ১৯.২%।
- গ্রামে: ২০.৩%।
- শহরে: ১৬.৫%।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: বরিশালে, (২৬.৬%)।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: চট্টগ্রাম, ( ১৫.২%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: নোয়াখালী, ( ৬.১%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: মাদারীপুর, ( ৫৪.৪%)।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা- ডাসার, মাদারীপুর৷
- দারিদ্র্যের হার- ৬৩.২%

উৎস: ¡) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
             ¡¡) বণিক বার্তা।
৪২২.
সম্প্রতি (২০২৪) সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়া বাংলাদেশী জাহাজের নাম কী?
  1. এম ভি আহসান
  2. এম ভি আবদুল্লাহ
  3. এম ভি রুস্তম
  4. এম ভি মণি
সঠিক উত্তর:
এম ভি আবদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম ভি আবদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
এম ভি আবদুল্লাহ:

- ১২ মার্চ, ২০২৪ সালে ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়েছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ 'এম ভি আবদুল্লাহ'।
- জাহাজটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম গ্রুপ।
- জাহাজটি মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলে পড়ে।
- জাহাজটিতে ২৩ জন ক্রু ছিলেন।
- ২০১৬ সালে তৈরি জাহাজটি লম্বায় ১৯০ মিটার।
- ১৪ এপ্রিল, ২০২৪ সালে মুক্তিপণের বিনিময়ে ২৩ জন ক্রু সহ জাহাজটিকে মুক্তি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১২ মার্চ ২০২৪ ও বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৪ এপ্রিল ২০২৪।
৪২৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কে 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' জারি করেন?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. টিক্কা খান
  3. রাও ফরমান আলী
  4. খাদিম হোসেন রাজা
সঠিক উত্তর:
টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশে পাকিস্তানের পক্ষের সহযোগী বাহিনী:
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে লে. জেনারেল টিক্কা খান 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' জারি করেন।
- শুরুতে আনসার, মুজাহিদদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়।
- পরে পাকিস্তানপন্থি অনেকে এই বাহিনীতে যোগ দেয়।
- এই বাহিনী গঠনে জেনারেল নিয়াজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

উল্লেখ্য,
- রাজাকারদের প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল এক সপ্তাহ।
- রাজাকারদের ট্রেনিং দিত পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
- দখলদার বাহিনীর দোসর হিসেবে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে।
- রাজাকার বাহিনী ছাড়াও আলবদর এবং আলশামস নামে আরও দুটি বাহিনী ছিল।
- এরাও বিভিন্নভাবে হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে।
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় প্রথম যে সংগঠনের জন্ম হয় তা হলো 'শান্তি কমিটি'।
- রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়।

এছাড়াও, 
- পাকিস্তান সেনাবাহিনী 'পোড়ামাটি নীতি' অনুযায়ী বাংলাদেশের সব সম্পদ ও প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিতে চেয়েছে।
- যে কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, ঘর-বাড়ি, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির কোনো কিছুই তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি।
- তাদের লক্ষ্য ছিল এই ভুখণ্ডের মানুষদের হত্যা করে কেবল ভূমির দখল নেওয়া। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪২৪.
কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য কত সালে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭৫ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি):
- কৃষি ও কৃষিভিত্তিক খাতে ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিকেবি অর্ডার ১৯৭৩ এর অধীনে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

⇒ ১৯৭৩ সালের ২৭ নং রাষ্টপতি আদেশ অনুসারে, জলবায়ু-নির্ভর অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিকেবি আমানত, ঋণ, অনলাইন ব্যাংকিং, কম্পিউটারাইজড ব্যাংকিং, স্বয়ংক্রিয় বৈদেশিক রেমিটেন্স সিস্টেম এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসহ সকল প্রকার ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পাদন করে। 
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) বাংলাদশে কৃষি ঋণের অগ্রদূত। বিকেবি কৃষক, প্রান্তিক কৃষক, অতি দরিদ্র, বর্গা চাষী এবং সাধারন জনগনের জন্য ঋণ সুবিধা দিয়ে থাকে যারা কৃষি উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির সফলতার মূল পরিচালক।
- এর প্রধান কার্যালয়: মতিঝিল সি/এ, ঢাকা।

উৎস:  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) ওয়েবসাইট।

৪২৫.
বাংলাদেশের প্রধান ধান চাষ কোনটি ?
  1. আউশ
  2. আমন
  3. বোরো
  4. ইরি
সঠিক উত্তর:
বোরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- বাংলাদেশে ধানের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৪.২ টন।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়।
- যথা: আউশ, আমন ও বোরো।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধান ধান চাষ হলো বোরো ধানের চাষ।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বোরো ধানের প্রায় ২৭টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশে ১,১৮,৯৫,৯৬২ একর জমিতে মোট ২০১.৮৬ লক্ষ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়।
অন্যদিকে
- আউশ ধান ২৮.৬৪ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ৩০.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আমন ধান ১৪১.৩২ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ১৪৯.৫৮ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস:
i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৪২৬.
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. তাজউদ্দিন আহম্মেদ
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান ও বাংলাপিডিয়া।
৪২৭.
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন -
  1. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের মূলমন্ত্র প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ছিল।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। 
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪২৮.
পলাশীর যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৫৬ সালে
  2. ১৭৫৭ সালে
  3. ১৭৬৪ সালে
  4. ১৭৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।  

পলাশির যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আমবাগানের যুদ্ধে স্বাধীন বাংলার নবাব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হয়।
- ফলে প্রায় ২০০ বছরের জন্য বাংলা স্বাধীনতা হারায়।
- প্রতি বছর সে জন্য ২৩ জুন পলাশী দিবস হিসাবে পালিত হয়।
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটতি হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরচিতি।
- ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করেন এবং কলকাতা দখল করেন।
- এই যুদ্ধে সিরাজ-উদ-দৌলা পরাজতি হন এবং ভারতবর্ষে ইংরজে শাসন প্রতষ্ঠিার পথ সূচিত হয়।
- নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে জগৎশেঠ, মীরজাফর, রায়দুর্লভ ও উমিচাদ।
- নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করেন মীরমদন, মোহন লাল ও ফরাসি সেনাপতি সিন ফ্রে

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৪২৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ৫ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন -
  1. মেজর এম.এ মঞ্জুর
  2. মেজর নাজমুল হক
  3. মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
  4. মেজর মীর শওকত আলী
সঠিক উত্তর:
মেজর মীর শওকত আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর মীর শওকত আলী
ব্যাখ্যা

• ১নং সেক্টর: সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
• ২ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
• ৩ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
• ৪নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।
• ৫ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।
• ৬ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
• ৭ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
• ৮ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
• ৯ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরের নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
• ১১ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৪৩০.
ছাত্রনেতা আসাদ শহীদ হয়েছিলেন -
  1. ৫২-এর ভাষা আন্দোলনে
  2. ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলনে
  3. ৬৯-এর গণ আন্দোলনে
  4. ৯০-এর গণ আন্দোলনে
সঠিক উত্তর:
৬৯-এর গণ আন্দোলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৯-এর গণ আন্দোলনে
ব্যাখ্যা
শহীদ আসাদ:
- ছাত্রনেতা আসাদ শহীদ হয়েছিলেন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।

⇒ আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- তাই ২০ জানুয়ারি 'শহীদ আসাদ দিবস' পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- আসাদ গেট বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের লালমাটিয়ায় অবস্থিত একটি তোরণ।
- এর আগের নাম আইয়ুব গেট।
- পুলিশের গুলিতে আসাদ শহীদ হলে বিক্ষুদ্ধ জনতা সেই সময়ই ছুটে যান মোহাম্মদপুর তৎকালীন আইয়ুব গেটের সামনে এবং প্রতিবাদের ক্ষুদ্ধ প্রতীক হিসাবে আইয়ুব গেটের নামফলক গুড়িয়ে দিয়ে রক্ত দিয়েই লেখেন আসাদ গেট।
- আসাদের স্মৃতি রক্ষার জন্য ঢাকাবাসী আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে আসাদ গেট রাখেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৩১.
What is the ratio of the length and breadth of bangladesh flag?
  1. ক) 10 : 5
  2. খ) 10 : 6
  3. গ) 9 : 6
  4. ঘ) 9 : 7
সঠিক উত্তর:
খ) 10 : 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 10 : 6
ব্যাখ্যা
• পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬ এবং দৈর্ঘ্য ও বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৫ : ১।
• ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্রসভায় তৎকালীন ছাত্রনেতা ডাকসু ভিপি আ.স. ম. আবদুর রব প্রথম জাতীয় পতাকা (মানচিত্র খচিত) উত্তোলন করেন।
• জাতীয় পতাকা দিবস পালিত হয়- ২রা মার্চ।
• মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত পতাকায় লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ মানচিত্র ছিল ।
• মানচিত্র খচিত পতাকার ডিজাইনার শিব নারায়ণ দাশ।
• ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে পতাকা থেকে মানচিত্রটি সরিয়ে ফেলা হয়। কামরুল হাসান দ্বারা পরিমার্জিত রূপটিই বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা যা ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
 
৪৩২.
পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি ক্ষুদ্র নৃজাতি গোষ্ঠী-
  1. মণিপুরী
  2. কোচ
  3. সাঁওতল
  4. পাংখো
সঠিক উত্তর:
পাংখো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাংখো
ব্যাখ্যা
•পাংখো:
- চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলের একটি উপজাতি, 
-  পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ বলে দাবি করে থাকে।
- তবে একাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’, যেমন লুসেইদের ‘পুথিয়ান’। 

অন্যদিকে,
• মণিপুরী:
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।

• সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।

• কোচ:
- কোচ বাংলাদেশে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- কোচরা মাতৃভূমি কোচবিহার পরিত্যাগ করে ময়মনসিংহ জেলায় তাদের আবাস গড়ে তোলে।
- বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।
- বর্তমানে তাদের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৩৩.
১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কোথায় ভাষণ দেন?
  1. রেসকোর্স ময়দানে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা সম্পর্কে জিন্নাহ:
- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে ভাষণ দেন তিনি।
- তিনি ঢাকার দুটি সভায় বক্তৃতা দেন এবং দুই জায়গাতেই তিনি বাংলা ভাষার দাবিকে উপেক্ষা করে একমাত্র উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দেন। 
- তিনি ছাত্র-শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, 'উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' (Urdu and only Urdu shall be the state language of Pakistan)।
- জিন্নাহর এ বক্তব্য পেশের সময় উপস্থিত ছাত্ররা 'না' 'না' ধ্বনি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানান।

⇒ ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়; এর আহবায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ১৯৫২ সালের শুরু থেকে ভাষা আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে থাকে। এ সময় জিন্নাহ ও লিয়াকত আলী খান উভয়েই পরলোকগত।
- লিয়াকত আলী খানের জায়গায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন খাজা নাজিমুদ্দীন।
- রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হওয়ার সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থারও অবনতি ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪৩৪.
Which is the first enemy-free district in the liberation war of 1971?
  1. Sylhet
  2. Khulna
  3. Jessore
  4. Meherpur
  5. Gazipur
সঠিক উত্তর:
Jessore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jessore
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে শত্রুমুক্ত জেলা:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম যশোর জেলা শত্রুমুক্ত হয়।
- যশোর জেলা প্রথম শত্রুমুক্ত হয়- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সেক্টরের মধ্যে যশোর ছিল ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে।
- মূলত বৃহত্তর যশোর ও কুষ্টিয়া জেলা, ফরিদপুর ও খুলনা জেলার কিছু অংশ ছিল ৮ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন।
- এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও মেজর এম. এ মঞ্জুর।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ যশোরের গোয়ালহাটি গ্রামে শহিদ হন।

উৎস: যশোর জেলার ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪৩৫.
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ
- স্পিকার
- ডেপুটি স্পিকার
- প্রধান বিচারপতি।
স্পিকার যাদের শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।
প্রধান ‍বিচারপতি যাদের শপথ বাক্য করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ
- পিএসসির সদস্যবৃন্দ
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৪৩৬.
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ এ প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ম্যাচ পরিচালনা করেন কে?
  1. এনামুল হক মনি
  2. নাদির শাহ
  3. শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
  4. তানভীর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি আম্পায়ার:

- বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ম্যাচ পরিচালনা করছেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
- দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হয় শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সৈকত।
- নারী বিশ্বকাপ এবং বয়সভিত্তিক বিভিন্ন বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করলেও পুরুষদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে এই প্রথমবার আম্পায়ারিংয়ের সুযোগ পেলেন বাংলাদেশি কেউ।
- বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
- ভারতের মাটিতে চলতি ওয়ানডে বিশ্বকাপে মোট ৫টি ম্যাচে ফিল্ড আম্পায়ারের ভূমিকা পালন করবেন তিনি।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ৭ অক্টোবর ২০২৩।
৪৩৭.
পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগের আবিষ্কারক কে?
  1. জামাল নজরুল ইসলাম
  2. আবেদ চৌধুরী
  3. মাকসুদুল আলম
  4. মোবারক আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
মোবারক আহমদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবারক আহমদ খান
ব্যাখ্যা
সোনালি ব্যাগ:
- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- এটি বাজারে প্রচলিত পলি ব্যাগের মতোই, তবে পচনশীল।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।

উল্লেখ্য,
- ২০ বছর ধরে মোবারক আহমদ খান পাটের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছেন।
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।

অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।

উৎস: ৭ এপ্রিল, ২০১৮, প্রথম আলো। 
৪৩৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার বেশি?
  1. ঢাকা বিভাগে
  2. চট্টগ্রাম বিভাগে
  3. সিলেট বিভাগে
  4. রাজশাহী বিভাগে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিভাগে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা:   

- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%। 
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%। 
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%। 
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৪৩৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সই করে? 
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. ভুটান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

- সম্প্রতি, বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো জাপান সাথে  অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সই করে।
- সময়: ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ।
- জাতীয় নির্বাচনের পাঁচ দিন আগে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সই করেছে বাংলাদেশ।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সই করল।
- ইপিএ চুক্তির ফলে জাপানে তৈরি পোশাকসহ প্রায় ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ পাবে।
- জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও এই চুক্তি সই করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

৪৪০.
কার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় কান্তজিউ মন্দিরটি নির্মাণ শুরু হয়?
  1. রাজা গোপাল
  2. মহারাজা প্রাণনাথ
  3. মহারাজা ধর্মপাল
  4. মহারাজা রামনাথ
সঠিক উত্তর:
মহারাজা প্রাণনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহারাজা প্রাণনাথ
ব্যাখ্যা
• কান্তজিউ মন্দির: 
- কান্তজিউ মন্দির বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের শ্যামগড় এলাকায়, ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি ইন্দো-পারস্য স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত একটি অসাধারণ টেরাকোটা অলঙ্কৃত মন্দির।
- টেরাকোটার বৈচিত্র্যময় কারুকাজ এবং নিপুণ নির্মাণশৈলীর জন্য মন্দিরটি বিখ্যাত।
- মন্দিরটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে, দিনাজপুরের রাজা মহারাজা প্রাণনাথের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
- প্রাণনাথের মৃত্যুর (১৭২২ খ্রিঃ) পর তাঁর দত্তক পুত্র রাজা রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন।

উৎস: দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট লিংক
৪৪১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. রাওয়ালপিন্ডি
  2. করাচি
  3. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  4. লাহোর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪২.
গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে পাক-ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. মি. জে এইচ বি হেলেন
  2. লর্ড লিনলিথগো
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড লিনলিথগো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড লিনলিথগো
ব্যাখ্যা
• গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে পাকিস্তান-ভারত উপমহাদেশে প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করে – ব্রিটিশ নাগরিক লর্ড লিনলিথগো।

উল্লেখ্য, 
১৯৩৬ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৪৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত লিনলিথগো ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৪৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতিগুলো কী কী?
  1. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, আইনের শাসন, ধর্মনিরপেক্ষতা
  2. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, মানবাধিকার
  3. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ধর্মনিরপেক্ষতা, আইনের শাসন
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের  অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি।
- যথা- জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি,
- তফসিল আছে ৭টি,
- মূলনীতি আছে ৪টি,
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৪৪.
মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন- 
  1. মাহবুব আলম
  2. কর্নেল এম এ রব
  3.  এ কে খন্দকার
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
কর্নেল এম এ রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নেল এম এ রব
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগরের পূর্বনাম ছিলো - বৈদ্যনাথতলা।


অন্যদিকে,

- প্রবাসী সরকারের উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমদ।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন - জেনারেল এম এ জি ওসমানী।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।
- এবং মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।

উৎস: সংগ্রামের নোটবুক, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া

৪৪৫.
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. দলীয় সংগঠনবিহীন
  2. দলীয় কর্মসূচিবিহীন
  3. নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা রাজনৈতিক দলের তুলনায় সাধারণত কম হয় এবং অভিন্ন স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে গোষ্ঠীর সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ থাকে।
- সাংগঠনিক দিক থেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দল অপেক্ষা দুর্বল।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের স্বার্থের অনুকূলে প্রভাবিত করাই হল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান উদ্দেশ্য।

⇒ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন,
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন,
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া,
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা,
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়,
• সমজাতীয় মনোভাব,
• বেসরকারি সংগঠন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কোন দেশ ভেটো প্রদান করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তির ভূমিকা
- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল- ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন, কিউবা, যুগোশ্লাভিয়া, পোল্যান্ড, হাজেরি, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি প্রভৃতি তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো।
- পাকিস্তানের পক্ষে ছিল- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন।
- জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন ৩ বার ভেটো প্রদান করে।
- যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সমর্থনে ভারত মহাসাগরে মূল ভূখণ্ডের বাইরে সবচেয়ে বড় নেভাল ফোর্স সপ্তম নৌক পাঠায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন পাঠিয়েছিল- অষ্টম নৌবহর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪৪৭.
রপ্তানির ক্ষেত্রে নিচের কোনটি White Gold হিসাবে বিবেচিত?
  1. ক) পাট
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) চীনামাটি
  4. ঘ) ইলিশ মাছ
সঠিক উত্তর:
খ) চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিংড়ি
ব্যাখ্যা
'White gold':
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে এবং এগুলির মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশের White Gold হিসেবে পরিচিত চিংড়ি মাছ।

- এছাড়া পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৪৮.
বাংলাদেশে সবুজ কারখানার সংখ্যা কয়টি? (জুন - ২৫)
  1. ২৪৩টি
  2. ২২৭ টি
  3. ২৩২ টি
  4. ২২৬টি
সঠিক উত্তর:
২৪৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৩টি
ব্যাখ্যা
• গ্রীন ফ্যাক্টরি বা সবুজ কারখানা:
- সবুজ কারখানা এমন একটি পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান, যা টেকসই ও পরিবেশ সুরক্ষিত উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। এ সব ফ্যাক্টরিতে কার্বন নিঃসরণ কমানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সৌরশক্তি, রেইনওয়াটার হারভেস্টিং এবং দক্ষ যন্ত্রপাতির ব্যবহার এদের বৈশিষ্ট্য। গ্রীন ফ্যাক্টরি শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে। 
- দেশে পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার সংখ্যা ২৪৩ ( জুন-২০২৫)।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) সবুজ কারখানার  সনদ দিয়ে থাকে। 

উৎস: কালের কন্ঠ {লিংক
৪৪৯.
ইলবার্ট বিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ইউরোপীয় অপরাধীদের ভারতীয় বিচারকদের দ্বারা বিচার করার বিধান।
  2. ভারতীয় কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ।
  3. ব্রিটিশদের দ্বারা পরিচালিত বাণিজ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ।
  4. ভারতীয় সংবাদপত্রের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ।
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় অপরাধীদের ভারতীয় বিচারকদের দ্বারা বিচার করার বিধান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় অপরাধীদের ভারতীয় বিচারকদের দ্বারা বিচার করার বিধান।
ব্যাখ্যা

- ইলবার্ট বিলের বিষয়বস্তু হচ্ছে - ইউরোপীয় অপরাধীদের ভারতীয় বিচারকদের দ্বারা বিচার করার বিধান। 

ইলবার্ট বিল:
- ইলবার্ট বিল ১৮৮৩ সালে সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের আইন-সদস্য স্যার সি.পি ইলবার্ট কর্তৃক প্রস্তাবিত একটি আইন ছিল।
- এর উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় বিচারকদের কাছে ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষমতা দেওয়া।
- বিলটি ভারতীয় এবং ইউরোপীয় বিচারকদের মধ্যে সমমর্যাদা স্থাপন করতে চেয়েছিল।
- তবে, ইউরোপীয়রা এই প্রস্তাবকে তীব্রভাবে বিরোধিতা করে, কারণ তারা মনে করত যে এতে তাদের শাসক অবস্থানে আঘাত আসবে।
- ইলবার্ট বিল বিতর্ক ভারতের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের দিকে উদ্বুদ্ধ করে, এটা পরবর্তীতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক সংগঠন গঠনের দিকে নিয়ে যায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৪৫০.
কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম?
  1. গারো
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. পাঙন
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা

পাঙন উপজাতি:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
-  বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি পাঙন।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।
- পাঙন- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণি, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৫১.
জুলাই জাতীয় সনদের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে কোনটি সুপারিশ করা হয়নি?
  1. সাম্য
  2. মানবিক মর্যাদা
  3. সামাজিক ন্যায়বিচার 
  4. বহুত্ত্ববাদ 
সঠিক উত্তর:
বহুত্ত্ববাদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুত্ত্ববাদ 
ব্যাখ্যা

- জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশে 'বহুত্ত্ববাদের' পরিবর্তে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি' কে সুপারিশ করা হয়েছে।

• জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫:
- জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশে 'বহুত্ত্ববাদের' পরিবর্তে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি' কে সুপারিশ করা হয়েছে।
- সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অংশে সুপারিশ করা হয়েছে:
(১) সাম্য,
(২) মানবিক মর্যাদা,
(৩) সামাজিক ন্যায়বিচার 
(৪) ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি

- যেখানে ধর্ম নিরপেক্ষতা কথাটি থাকবে না।
- তবে প্রস্তাবের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতসহ ২৭টি দল একমত হলেও গণফোরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডিসহ কয়েকটি দল ভিন্নমত পোষণ করেছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে রয়েছে:
(১) জাতীয়তাবাদ,
 (২) গণতন্ত্র,
 (৩) সমাজতন্ত্র ও
 (৪) ধর্মনিরপেক্ষতা

তথ্যসূত্র: জুলাই জাতীয় সনদ ও বিবিসি। 

৪৫২.
বাংলাদেশে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ কোন সালে পাস হয়? 
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০:
- নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে এ আইন পাশ করা হয়।
- এ আইনের ধারা ৩৫ টি।
- পরিচিতি: এই আইন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ নামে অভিহিত হইবে।
- আইনের প্রাধান্য : আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৪৫৩.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কোন মিশনে প্রথম অংশ নেয়? 
  1. UNFICYP 
  2. UNTSO
  3. UNIIMOG
  4. UNIFIL
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ:
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় অংশ নেয়।
- প্রথম অংশগ্রহণ করা মিশন: UNIIMOG.
- ১৯৮৮ সালের ইউএন ইরান ও ইরাক মিলিটারি অবজারভেশন গ্রুপ (ইউনিমগ) মিশনে মাত্র ১৫ জন সেনা পর্যবেক্ষক প্রেরণের মাধ্যমে এ অগ্রযাত্রার সূচনা হয়।
- পরবর্তী বছর অর্থ্যাৎ ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি রক্ষা মিশনে অংশ নেয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসাবে ৯টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ভূমিকাকে সম্মান দেখিয়ে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলাকে একটি সরকারী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: UN Peacekeeping এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৫৪.
How many specialized banks in Bangladesh?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি। 
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩ট।

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। 
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪৫৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়?
  1. তুলা
  2. আখ
  3. পাট
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
 ভুট্টা: 
- ভুট্টা দানাদার ফসল।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
- এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে।
- আমিষে প্রয়োজনীয় এ্যামিনো এসিড, ট্রিপটোফ্যান ও লাইসিন অধিক পরিমানে আছে।
• অর্থকরী ফসল:  তুলা, পান, পাট, আখ, চা।

উল্লেখ্য,
- আঁশ ফসলের জন্য চার ধরনের পাট রয়েছে।
- দেশী পাট, তোষা পাট, কেনাফ ও মেস্তা পাট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস সেন্টার।
৪৫৬.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সর্বপ্রথম বাংলায় এসেছিলেন কারা?
  1. ইংরেজ
  2. ওলন্দাজ
  3. ফরাসি
  4. পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা

বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন: 
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পর্তুগীজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন, তিনি ভাস্কো-দ্য-গামা।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস এবং ম্যাজিলানও বিখ্যাত পর্তুগিজ নাবিক ছিলেন।
- পর্তুগিজরা ব্যবসায়-বাণিজ্যকে মূলধন করে এদেশে এলেও ক্রমে ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫৭.
১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পনের সময় কোন আঞ্চলিক বাহিনীর সদস্যরা ঢাকায় উপস্থিত ছিল?
  1. ক) আফসার ব্যাটালিয়ন
  2. খ) আকবর বাহিনী
  3. গ) হেমায়েত বাহিনী
  4. ঘ) কাদেরিয়া বাহিনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাদেরিয়া বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাদেরিয়া বাহিনী
ব্যাখ্যা
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অধিকৃত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষণ নিয়ে যে বাহিনী এক অনন্য বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছিল, সে বাহিনীর নাম কাদেরিয়া বাহিনী।
- এর অধিনায়ক কাদের সিদ্দিকীর নামানুসারে এই বাহিনীর নামকরণ করা হয়। 
- কাদেরিয়া বাহিনীতে ১৬,০০০ যোদ্ধা এবং ৭২,০০০ স্বেচ্ছাসেবক ছিল। কাদের সিদ্দিকী ৩০ মাইল এলাকা নিয়ে একটি মুক্তাঞ্চলও গড়ে তোলেন যার সদর দপ্তর ছিল ভুয়াপুর।

- ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর কাদেরিয়া বাহিনী টাঙ্গাইল শত্রুমুক্ত করে ঢাকা অভিমুখে রওয়া হয়। এসময় কাদেরিয়া বাহিনী জামালপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল থেকে পালিয়ে আসা তিন হাজার পাক সৈন্যকে গ্রেফতার করে।
- ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনী আত্মসমর্পণকালে কাদেরিয়া বাহিনীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
- এ বাহিনীর ৬ হাজার যোদ্ধা উক্ত অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র , এইচ এস সি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪৫৮.
ভাওয়াইয়া কোন অঞ্চলের বিখ্যাত উৎসব?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বরিশাল
  3. রংপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
ভাওয়াইয়া উৎসব:
- বাংলাদেশের রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, ওপারের কুচবিহার এবং আসাম অঞ্চলে এক সময় দারুণ জনপ্রিয় ছিল ভাওয়াইয়া গান।
- এসকল গানগুলোতে স্থানীয় সংস্কৃতি, জনপদের জীবনযাত্রা, তাদের কর্মক্ষেত্র, পারিবারিক ঘটনাবলী ইত্যাদির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে।
- কখনও শিল্পীর দরদ, কখনও গানের কথা, আবার কখনও সুরের জন্যই হৃদয়ে আসন করে নেয় এই গান।
- ভাওয়াইয়া উত্তরাঞ্চলের সাংস্কৃতিক, ঐতিহ্য সম্পদ।

উৎস: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সময় নিউজ।
৪৫৯.
জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ষষ্ঠ
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) নবম
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন- ২০২৩ অনুসারে,  
- জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ- ভারত (১৪২ কোটি ৮৬ লাখ)  
- জনসংখ্যায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ- চীন (১৪২ কোটি ৫৭ লাখ) 
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান- অষ্টম  

• সার্কভুক্ত দেশ সমূহের অবস্থান: 
১. ভারত (১৪২.৮৬ লাখ),
২. পাকিস্তান (২৪.৫ লাখ),
৩. বাংলাদেশ (১৭.৩০ লাখ),
৪. ভুটান (৮ লাখ),
৫. মালদ্বীপ (৫ লাখ),
৬. আফগানিস্তান (৪.৪২ লাখ),
৭. নেপাল (৩.৯ লাখ),
৮. শ্রীলংকা (২.১৯ লাখ)।  

উৎস: জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA), লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুন ২০২৩।
৪৬০.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন  তাজউদ্দীন আহমেদ।

সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ:

- ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় ৮ সদস্যের 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ'।
- ভারতের কলকাতায় গঠন করা হয় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি', যা 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

⇒ সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন:
- আহবায়ক ছিলেন: তাজউদ্দীন আহমেদ।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।

⇒ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি),
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি),
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা),
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৬১.
নিচের কোন চলচ্চিত্রটি দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত?
  1. ক) নদীর নাম মধুমতি
  2. খ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. গ) চিত্রা নদীর পাড়ে
  4. ঘ) ধীরে বহে মেঘনা
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা
- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত।
- এটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়।
- শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে এটি ১৯৯৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
অন্যদিকে,
- নদীর নাম মধুমতি, হাঙর নদী গ্রেনেড এবং ধীরে বহে মেঘনা হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র)
৪৬২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর-
  1. ক) কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. খ) কামাল উদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আব্দুর রউফ তালুকদার
  4. ঘ) কবির বিন আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
গ) আব্দুর রউফ তালুকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আব্দুর রউফ তালুকদার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান (১২তম) গভর্নর (প্রধান নির্বাহী) হলেন 'আব্দুর রউফ তালুকদার'
- তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ৪ জুলাই, ২০২২ থেকে।
- তাঁর পূর্বে ১১তম গভর্নর  ছিলেন  ফজলে কবির (১৬ মার্চ ২০১৬ থেকে ৩ জুলাই ২০২২)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের  প্রথম গভর্নর ছিলেন এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ব্যাংকটির মূল কার্যনির্বাহী প্রধানকে ‘গভর্নর' বলা হয়।
- গভর্নরের মেয়াদকাল: ৪ বছর।
- গভর্নরের বয়সসীমা: ৬৭ বছর (২০২০ সালে ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়) ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকে বর্তমানে রিজার্ভের পরিমান: ৪৫.৮ বিলিয়ন ডলার (৪ জুলাই, ২০২২)।

উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৪৬৩.
কত সালে সর্বপ্রথম 'জাতীয় কৃষি নীতি' প্রণয়ন করা হয়েছিল?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম 'জাতীয় কৃষি নীতি':
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 'জাতীয় কৃষি নীতি' প্রণয়ন করা হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। 

⇒ কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।
- খাদ্য ও পুষ্টি সরবরাহ, শিল্পের কাঁচামাল যোগান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ইত্যাদি ভূমিকায় কৃষি খাতের গুরুত্ব অপরিসীম।
- আর কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের অগ্রগতি অনেকটা নির্ভরশীল এ দেশের কৃষক সমাজের সাফল্যের উপর। 
- কৃষক সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও কৃষি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী একটি কৃষি নীতি অপরিহার্য।
- সরকার কৃষক ও কৃষির সার্বিক কল্যাণে দীর্ঘ-মেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে 'জাতীয় কৃষি নীতি ১৯৯৯' প্রণয়ন করেছিল। 
- ফলে কৃষিতে সাফল্য দৃশ্যমান হতে শুরু হয় এবং দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায়।

⇒ পরবর্তীকালে সরকারের লক্ষ্য ও উন্নয়ন কৌশল অনুসরণে 'জাতীয় কৃষি নীতি ১৯৯৯' পরিমার্জন ও সংশোধনপূর্বক 'জাতীয় কৃষি নীতি ২০১৩' প্রণয়ন করা হয় এবং এর আলোকে গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- কৃষি নীতির মূল লক্ষ্য হলো কৃষিতে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অধিক উৎপাদনশীল ও ঘাত সহিষ্ণু জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং এগুলো প্রসারের মাধ্যমে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ কৃষি বাণিজ্যিকীকরণ। এ লক্ষ্যে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট, রূপকল্প ২০৪১ ইত্যাদি অনুসরণে সরকারের লক্ষ্য ও উন্নয়ন কৌশল এবং 'জাতীয় কৃষি নীতি ২০১৩' পর্যালোচনাপর্বক 'জাতীয় কষি নীতি ২০১৮' প্রণয়ন করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৪৬৪.
পরশুরামের প্রাসাদ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহাস্থানগড়
  2. খ) পাহাড়পুর
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) রাউজান
সঠিক উত্তর:
ক) মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা

পরশুরামের প্রাসাদ মহাস্থানগড় দুর্গনগরের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
মহাকালীর কুন্ড থেকে আনুমানিক ২০০ মিটার উত্তরে এই স্থানে স্থানীয় জনশ্রুতি অনুযায়ী এ এলাকার শেষ হিন্দু রাজা পরশুরামের প্রাসাদ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
এখানে খননের (১৯৬১) ফলে পাল, মুসলিম ও ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের নানা সাংস্কৃতিক নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে। খননের নিম্নতর স্তরে পাল আমলের নানা ভবনের ধ্বংসাবশেষ, কিছু পোড়ামাটির নকশি পাতলা ইট (ফলক) এবং এ স্থানের মধ্যস্থলে কিছু ভবনের অবশেষ ও এই ভবনের বলে অনুমিত কিছু চমকদার মৃৎপাত্র পাওয়া গেছে। মৃৎপাত্রগুলি মুসলিম শাসনামলের।
খনন এলাকার সর্বোচ্চ স্তরে আঠারো কিংবা উনিশ শতকের গোড়ার দিকে নির্মিত এক আবাস ভবনের সন্ধান পাওয়া গেছে। চারটি স্বতন্ত্র ব্লক বা অংশে বিভক্ত এ ভবনের মধ্যস্থলে একটি আঙিনা দেখা যায়। এসব নির্মাণ কাঠামো একটি আয়তাকার প্রাচীরে বেষ্টিত। এখানে প্রাপ্ত নানা নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুপটের একটি ভাঙা অংশ, বহুসংখ্যক উজ্জ্বল মৃৎপাত্র, কড়ি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুটি মুদ্রা। কাছেই একটি কূপ রয়েছে। জনসাধারণের কাছে এটি জীয়তকুন্ড নামে পরিচিত ও সম্ভবত তা পরশুরামের প্রাসাদের সঙ্গে সম্পর্কিত।

৪৬৫.
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র 'সৈনিক' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. শাহেদ আলী
  2. আবদুল গফুর
  3. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা
এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৬৬.
কোন প্রতিষ্ঠান 'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩' লাভ করেন?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ
  2. মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প
  3. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
  4. জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক ২০২৩:
- প্রশাসনের ২৮ জন কর্মকর্তা ও দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ উপলক্ষে ৩১ জুলাই, ২০২৩ তারিখে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, মননশীলতা ও উদ্ভাবনী প্রয়াসকে উৎসাহিত করতে ২০১৬ সাল থেকে জনপ্রশাসন পদক দেওয়া শুরু করে সরকার। 
- ‘নীতি ও প্রশাসনিক পদ্ধতির সংস্কার’ শ্রেণিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং ‘গবেষণা ও মানবকল্যাণে এর ব্যবহার’ শ্রেণিতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পদক পেয়েছেন 'জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল'।
 
অন্যদিকে -
- 'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২২' পায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। 
- 'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২১' পায় মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প।
 
উৎস: ৩১ জুলাই ২০২৩, সময় নিউজ।
৪৬৭.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ৩.৯%
  2. ৪.৭%
  3. ৫.৪%
  4. ৬.৩%
সঠিক উত্তর:
৪.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৭%
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
৪৬৮.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে মহাকাশে স্যাটেলাইট প্রেরণ করে?
  1. ক) ৫৬তম
  2. খ) ৫৭তম
  3. গ) ৫৮তম
  4. ঘ) ৫৯তম
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৭তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৭তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১: 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৬৯.
বর্তমানে দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা কোনটি? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. সুনামগঞ্জ
  2. ঝালকাঠি
  3. মাদারীপুর
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
মাদারীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের দারিদ্র মানচিত্র- ২০২২:
- বিবিএসের দারিদ্র্য ও জীবিকা পরিসংখ্যান (পিএলএস) সেল 'বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র, ২০২২' শীর্ষক প্রতিবেদন তৈরি করে প্রকাশ করেছে।
- জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দরিদ্র মাদারীপুর জেলা।
- এ জেলায় দারিদ্র্যতার হার ৫৪.৪%
- পৃথক উপজেলার দিক থেকে, মাদারীপুরের ডাসার সবচেয়ে দরিদ্র, সেখানে জনসংখ্যার ৬৩.২% দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।
- সবচেয়ে কম ৬ দশমিক ১ শতাংশ দরিদ্র নোয়াখালী জেলায়।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৪৭০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৩৪নং
  2. ৩১নং
  3. ৩৬নং
  4. ২৯নং
সঠিক উত্তর:
৩৪নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- অনুচ্ছেদ ৩৪ (১), ৩৪ (২ ক) অনুযায়ী সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ।
- এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হলে তা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।
- তবে ফৌজদারি অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

এছাড়াও,
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার,
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- তফসিল আছে ৭টি।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৭১.
দেশের একমাত্র কৃষি ভিত্তিক উত্তরা ইপিজেডটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১ সালে
ব্যাখ্যা

 উত্তরা ইপিজেড: 
- একমাত্র কৃষি ভিত্তিক ইপিজেড হলো- উত্তরা ইপিজেড।
- উত্তরা ইপিজেড নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় উত্তরা ইপিজেড। 
- নীলফামারীতে অবস্থিত উত্তর বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানিমুখী শিল্প কেন্দ্র।
- জোন এলাকা- ২১৩.৬৬ একর।
- শিল্প প্লট- ১৯০টি।
- বিনিয়োগকারী দেশসমূহ- চীন, যুক্তরাজ্য, হংকং এবং বাংলাদেশ। 

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হলো চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড হচ্ছে চট্রগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান ইপিজেড।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

৪৭২.
"রুপালি" ও "ডোলফোজ" কী?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের ভূট্টা
  3. উন্নত জাতের তুলা
  4. উন্নত জাতের আলু
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের তুলা
ব্যাখ্যা
- রুপালি ও ডোলফোজ উন্নত জাতের তুলা।

- বাংলাদেশের যশোর তুলা চাষের জন্য উপযুক্ত।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ভূট্টা:
- বর্ণালি, শুভ্র, খই ভূট্টা, মোহর প্রভৃতি।

• উন্নত জাতের গম:
- ইনিয়া,সোনালিকা , বলাকা ,দোয়েল ,আনন্দ  ,কাঞ্চণ , বরকত , আকবর ,অগ্রণী , প্রতিভা  ,সৌরভ ।

• উন্নত জাতের আলু:
- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪৭৩.
কুতুবউদ্দিন আইবেক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ কোন নামে পরিচিত?
  1. খলজি বংশ
  2. তুঘলক বংশ
  3. দাস বংশ
  4. সৈয়দ বংশ
সঠিক উত্তর:
দাস বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাস বংশ
ব্যাখ্যা

কুতুবউদ্দিন আইবেক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ দাস বংশ নামে পরিচিত।

দাস বংশ:
- ১২০৬ থেকে ১২৯০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কুতুবউদ্দিন, ইলতুতমিস, বলবন এবং তাঁদের বংশধরেরা শাসন করেন।
- মুহাম্মদ ঘোরি নামে সমধিক পরিচিত মুহম্মদ বিন সামের কোন পুত্র সন্তান ছিল না।
- তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ভ্রাতুস্পুত্র, তৎকালীন ঘুর রাজ্যের শাসনকর্তা এবং উত্তরাধিকারী গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ তরাইনের যুদ্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি এবং মুহাম্মদ ঘোরির আস্থাভাজন কুতুবউদ্দিন আইবেককে দাসত্ব থেকে মুক্ত করে সনদ ও 'সুলতান' উপাধি প্রদান করেন।
- এভাবে ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের নেতৃত্বে ভারতে স্বাধীন সুলতানদের শাসনের সূচনা হয়।
- কুতুবউদ্দিন আইবেক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ ইসলামের ইতিহাসে তথাকথিত 'দাস বংশ' নামে সমধিক পরিচিত।
- ভারতীয় উপমহাদেশে এই বংশ ১২০৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১২৯০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করে।
- উল্লিখিত সময়ে (৮৪ বছর) সর্বমোট ১১ জন সুলতান শাসনকার্য পরিচালনা করেন।
- এই বংশের প্রথম সুলতান ছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবেক এবং সর্বশেষ সুলতান ছিলেন শামসুদ্দিন কাইমুরস (১২৮৯-১২৯০ খ্রি.)।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৪.
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. হালিশহর
  2. মিরসরাই
  3. সাভার
  4. আড়াইহাজার
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই
ব্যাখ্যা
নির্মাণাধীন বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায়।
- এটির আয়তন প্রায় ১,১৫০ একর। এতে প্লটের সংখ্যা হবে ৬১৮টি।
- সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে আনুমানিক ৫ লক্ষ মানুষের।
(সূত্র: বেজা ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
৪৭৫.
কোনটি বাংলাদেশের এক নম্বর জাতীয় সামাজিক সমস্যা?
  1. নিরক্ষরতা সমস্যা
  2. বেকারত্ব সমস্যা
  3. জনসংখ্যা সমস্যা
  4. মাদকাসক্তির সমস্যা
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা সমস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা সমস্যা
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের জনসংখ্যার সমস্যা:
- বাংলাদেশের এক নম্বর জাতীয় সামাজিক সমস্যা হলো 'জনসংখ্যা সমস্যা।'
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল দেশ।
- জনসংখ্যার অত্যধিক ঘনত্বের কারণে সেবা ও সম্পদের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়, যা অন্যান্য সমস্যারও সৃষ্টি করে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, এবং কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
- এ কারণে দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়।
- অধিক জনসংখ্যার কারণে শিক্ষার মান এবং স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা হ্রাস পায়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ না করলে নিরক্ষরতা এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যাগুলি প্রকট হয়ে ওঠে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বনভূমি উজাড়, জলদূষণ, এবং অন্যান্য পরিবেশগত সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এটি দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধীরগতি হয়। এটি সামগ্রিকভাবে দেশের জিডিপি, মাথাপিছু আয়, এবং জীবনযাত্রার মানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী।
৪৭৬.
পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করে -
  1. ক) ১৯৫২ সালে
  2. খ) ১৯৫৬ সালে
  3. গ) ১৯৬২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রাদেশিক পরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশ পাকিস্তান গণপরিষদের বিবেচনার জন্য প্রেরণের একটি প্রস্তাব স্বয়ং মুসলিম লীগ পাস করে। যদিও গণপরিষদে তা বাধার সম্মুখীন হয়। 
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের আগে এ বিষয় কোন অগ্রগতি হয়নি।
- যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ২১ ফেব্রুয়ারি শোক দিবস হিসেবে ছুটি ও শহীদ দিবস ঘোষণা করে। 
- এছাড়া একই বছর গণপরিষদ পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে উর্দু ও বাংলা এবং পার্লামেন্টে ইংরেজী ছাড়াও উর্দু ও বাংলায় বক্তব্য রাখার বিধান করা হয়। 
- গণপরিষদের এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং এইভাবে বাংলা ভাষা অন্যতম রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃত পায়।
- ১৯৬২ সালের সংবিধানেও একইভাবে বাংলাকে বহাল রাখা হয় যা পাকিস্তান আমলে আর পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। এতে বাঙালির আন্দোলনের বিজয় সূচিত হয়। অন্যদিকে বাংলা ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৭৭.
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. স্যার এন্ড্রু ফ্রেজার
  3. লর্ড মিন্টো
  4. স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার
সঠিক উত্তর:
স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা

ব্যামফিল্ড ফুলার:
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ এবং আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার।

স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার ১৮৮৫ সালে মধ্য প্রদেশের ভূমি জরিপ ও কর নির্ধারণ এবং কৃষিবিষয়ক কমিশনার হিসেবে ভারতীয় সিভিল সার্ভিস-এ তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালে ভাইসরয়ের পরিষদের অতিরিক্ত সদস্য এবং ১৯০১-০২ সাল পর্যন্ত ভারত সরকারের সচিব ছিলেন।
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদে নিয়োগ লাভের পূর্বে ফুলার আসামের প্রধান কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসনে সেবা প্রদানের জন্য নাইট উপাধি লাভ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৭টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪৭৯.
পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য কোন সেনানিবাস নির্মাণ করা হয়?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু সেনানিবাস
  2. খ) শেখ রাসেল সেনানিবাস
  3. গ) অগ্রণী সেনানিবাস
  4. ঘ) আবদুল হামিদ সেনানিবাস
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ রাসেল সেনানিবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ রাসেল সেনানিবাস
ব্যাখ্যা

পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য যে সেনানিবাস প্রতিষ্ঠিত হয় - শেখ রাসেল সেনানিবাস

শেখ রাসেল সেনানিবাস হল বাংলাদেশের শরীয়তপুরের জাজিরায় অবস্থিত একটি সেনানিবাস।
পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য এই সেনানিবাস নির্মাণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই সেনানিবাসের নাম শেখ রাসেলের নামে রেখেছে।
২০২২ সালের ২৯ মার্চ তারিখে এই সেনানিবাস উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র: আইএসপিআর ওয়েবসাইট।

৪৮০.
কে অপারেশন সার্চলাইট এর নীল নকশা তৈরি করেন?
  1. ক) ভুট্টো
  2. খ) ইয়াহিয়া খান
  3. গ) টিক্কা খান
  4. ঘ) মো. আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
গ) টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ, ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৪৮১.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) সিলেট
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত। এটি অস্থায়ী ভাবে প্রথমে ঢাকা স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে লালমনিরহাট পুরাতন বিমানবন্দরে এটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এটি দেশের প্রথম অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি। যশোর এয়ারফোর্স ট্রেনিং একাডেমিকে এটির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।(সূত্র: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট)
৪৮২.
বাংলা নববর্ষ কে চালু করেছিলেন?
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর ১৫৫৬ সাল বা আরবি ৯৯২ হিজরিতে খ্রিস্টাব্দে হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত করেন।
উৎসঃ সাহিত্য কণিকা-অষ্টম শ্রেণী।
৪৮৩.
প্রথম ”রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ”-এর আহ্বায়ক মনোনীত হন কে?
  1. অধ্যাপক মতিন চৌধুরি
  2. অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া
  3. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. অধ্যাপক নূরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া
ব্যাখ্যা

• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ',
- যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

 - ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪৮৪.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ব্যালট পেপারে কতটি প্রশ্ন উল্লেখ থাকবে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

যেসব প্রশ্ন থাকবে গণভোটের ব্যালটে

⇒ ‘জুলাই সনদের আলোকে গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্নে’ উল্লেখ করে বলা হয়, আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?

১. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।

২. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।

৩. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।

৪. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।

গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

উৎস: নির্বাচন কমিশন [লিংক]।

৪৮৫.
অপারেশন সার্চলাইটের মূল দ্বায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. মো. আলী জিন্নাহ
  2. জেনারেল টিক্কা খান
  3. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  4. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
জেনারেল টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।এবং
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
৪৮৬.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. মফিজউদ্দীন আহমদ
  2. প্রফেসর এম শামসুল হক
  3. ড. এম এ বারী
  4. ড. কুদরত-ই-খুদা
সঠিক উত্তর:
ড. কুদরত-ই-খুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কুদরত-ই-খুদা
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা কমিশন:
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।
- এই কমিশনের মতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মোট আট বছর এবং মাধ্যমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মোট চার বছর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪৮৭.
প্রাচীন বাংলার কোন অঞ্চলে দেব বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. হরিকেল অঞ্চল
  2. বরেন্দ্র অঞ্চল
  3. সমতট অঞ্চল
  4. গৌড় অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
সমতট অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট অঞ্চল
ব্যাখ্যা

দেব বংশ:
- খড়গ বংশের শাসনের পর অষ্টম শতকের মাঝামাঝি একই অঞ্চলে দেববংশের উদ্ভব হয়।
- দেববংশের চারজন রাজার নাম পাওয়া যায়।
- এরা হলেন- শ্রী শান্তিদেব, শ্রী বীরদেব, শ্রী আনন্দদেব ও শ্রী ভবদেব।
- রাজারা প্রত্যেকেই বড় বড় উপাধি নিয়ে প্রচার করতে চেয়েছিলেন যে তাঁরা খুব শক্তিধর।
- এসব উপাধি হচ্ছে- পরম সৌগত, পরম ভট্টারক, পরমেশ্বর, মহারাজাধিরাজ ইত্যাদি।
- শক্তিশালী দেব রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ। তাঁদের রাজধানী ছিল দেবপর্বতে।
- কুমিল্লার নিকট ময়নামতির দক্ষিণে ছিল এই দেবপর্বত।
- সমগ্র সমতট অঞ্চল জুড়ে দেবরাজাদের রাজত্ব ছিল।
- দেবরাজা আনন্দের রাজধানীতে 'আনন্দবিহার' বলে একটি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করা হয়।
- আনুমানিক ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দেবরাজাদেব শাসন চালু থাকে।

উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮৮.
দেশে সরিষা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ 
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা

সরিষা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- দেশে সরিষা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সিরাজগঞ্জ। 

• সিরাজগঞ্জ জেলার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল চলনবিল। এ বিলের পানিমিশ্রিত পলিমাটিই জেলাটিকে সারা দেশ থেকে আলাদা করেছে। মাটির এ উর্বরতা সিরাজগঞ্জকে সরিষা আবাদের সবচেয়ে উপযোগী স্থানে পরিণত করেছে বলে মনে করছেন কৃষিবিদেরা।
- সিরাজগঞ্জ জেলায় ৯০ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে শর্ষের চাষ হয়েছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে। তাতে জেলার কৃষি কর্মকর্তারা আশা করছেন, চলতি অর্থবছরে ১ লাখ ৪৬ হাজার টন শর্ষে উৎপাদন হবে এই জেলায়।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে এ জেলায় ১ লাখ ২৮ হাজার টন শর্ষে উৎপাদিত হয়েছিল। গত অর্থবছরে সারা দেশে মোট শর্ষে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ টন।

উল্লেখ্য,
- সরিষা উৎপাদনে ২য় শীর্ষ জেলা টাঙ্গাইল। এই জেলায় ২০২৪–২৫ অর্থবছরে শর্ষের উৎপাদন ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার টন। 
- তৃতীয় স্থান: রাজশাহী। এই জেলার উৎপাদন ছিল প্রায় ৯৭ হাজার টন।
-  চতুর্থ স্থান: মানিকগঞ্জ। উৎপাদন ৯২ হাজার টন।
- চতুর্থ স্থান: নওগাঁ। নওগাঁর উৎপাদন ছিল ৮৮ হাজার টন।

উৎস: প্রথম আলো।

৪৮৯.
পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান কতটি?
  1. ৪০টি
  2. ৪১টি
  3. ৪২টি
  4. ৪৩টি
সঠিক উত্তর:
৪১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
৪৯০.
বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনের কত অংশ বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়?
  1. প্রায় দুই-পঞ্চমাংশের অধিক
  2. প্রায় এক-পঞ্চমাংশের অধিক
  3. প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক
  4. প্রায় এক-তৃতীয়াংশের অধিক
সঠিক উত্তর:
প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদনকারী বাংলাদেশ 'ইলিশের দেশ' হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের ১২.২২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে।
- দেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান এক শতাংশের অধিক।
- একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবদান সর্বোচ্চ।
- বাংলাদেশ ইলিশ শীর্ষক ভৌগোলিক নিবন্ধন সনদ (জিআই সনদ) প্রাপ্তিতে নিজস্ব পরিচয় নিয়ে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ইলিশ সমাদৃত।
- পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদনকারী বাংলাদেশ 'ইলিশের দেশ' হিসেবে পরিচিত।
- সরকার ইলিশ রক্ষা ও উন্নয়নে যে কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করছে সেগুলো হলো:
-  Hilsa Fisheries Management Action Plan প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
- বঙ্গোপসাগরের ৭,০০০ বর্গ কিমি ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকা চিহ্নিতকরণ।
- নিঝুম দ্বীপ সংলগ্ন ৩,১৮৮ বর্গ কিমি এলাকা মেরিন রিজার্ভ ঘোষণা।
- ইলিশের সর্বোচ্চ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণের ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ।
- জাটকা সংরক্ষনের নিমিত্ত জাটকা আহরণের ওপর ৮ মাস (নভেম্বর-জুন) নিষেধাজ্ঞা আরোপ বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ আহরণের ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
- পদ্মা, মেঘনার উর্ধ্বাঞ্চল ও নিম্ন অববাহিকায়, কালাবদর, আন্ধারমানিক ও তেঁতুলিয়াসহ অন্যান্য উপকূলীয় নদীতে মোট ৬টি ইলিশ অভয়াশ্রম স্থাপন ও অংশীদারিত্বমূলক ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ।
- প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করা হয়েছে।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম, তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ এবং এশিয়ার মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে।

তথ্যসূত্র:- অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ এবং লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৪৯১.
অগ্নিশ্বর', 'কানাইবাঁসি', 'মোহনবাঁশী' ও 'বীটজবা' কি জাতীয় ফলের নাম?
  1. ক) পেয়ারা
  2. খ) কলা
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) জামরুল
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
ব্যাখ্যা
কলার উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিশ্বর
- অমৃতসাগর
- মোহনবাঁশী
- কানাইবাঁশী
- বীটজবা
- চাম্পা
- মেহেরসাগর
- কবরি ইত্যাদি।

(সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৪৯২.
হালদা নদী কিসের জন্য বিখ্যাত?
  1. মাতৃ মৎস ভান্ডার
  2. পর্যটন
  3. রামসা সাইট
  4. নদী বন্দর
সঠিক উত্তর:
মাতৃ মৎস ভান্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃ মৎস ভান্ডার
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছোট্ট একটি নদী।
- এই নদীর উৎপত্তি, বিস্তার এবং সমাপ্তি সবই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- পৃথিবীর আর কোনো জোয়ার-ভাটার নদী থেকে রুইজাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা যায় না।
- বাংলাদেশে মৎস্য প্রজননক্ষেত্র অনেকগুলো আছে, কিন্তু মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয় এমন নদী একটিও নেই।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক। [লিঙ্ক]
৪৯৩.
২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসরত নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা -
  1. ক) ৫৭ টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ৫০টি
  4. ঘ) ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান নরগোষ্ঠী বাঙালি। তবে আবহমান কাল থেকে এখানে অনেকগুলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করছে।
বাংলাদেশে এখন প্রায় ৫৭ টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
তবে,
- ২০১১ সালের আদমশুমারিতে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ২৭টি।
- এ শুমারি অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার ১.১৩ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- দেশে মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা হচ্ছে ১৫,৪৮,১৪১ জন।
- পরিসংখ্যান অনুযায়ী চাকমা নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সর্বাধিক (৪,৪৪,৭৪৮জন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মারমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। তাদের সংখ্যা ২,০২,৯৭৪ জন।
 
উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০ এর ধারা ১৯ এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ১৯ মার্চ ২০১৯ সালে উক্ত আইনের তফসিলে ২৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্থলে ৫০ টি গেজেট আকারে প্রকাশ করে।
- আদিবাসী ফোরামের মতে ৪৫টি এবং
- আদমশুমারি-২০১১ অনুসারে ২৭টি।

সূত্র: আদম শুমারি-২০১১ ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (উন্মুক্ত); সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় প্রকাশিত গেজেট,২০১৯।
৪৯৪.
শালবন বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. নওগাঁ
  3. দিনাজপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- কুমিল্লার কোটবাড়ি-সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত শালবন বিহার বাংলাদেশের বিহার স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।
- রাজা ভবদেব আনুমানিক সাত শতকের শেষভাগে ১১৫টি কক্ষবিশিষ্ট এই বিহার নির্মাণ করেছিলেন।
- আনন্দবিহারের অবস্থান কুমিল্লার শালবন বিহার থেকে দুই মাইল উত্তরে।
- আট শতকের প্রথমদিকে বাংলাদেশে আবিষ্কৃত দ্বিতীয় বৃহত্তম এ বিহার নির্মাণ করেছিলেন আনন্দ দেব।
- এখানেও বিহারের খোলা আঙিনার মাঝখানে একটি বিরাট ক্রুশাকার মন্দির রয়েছে।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত পাহাড়পুর বিহার তথা সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে আবিষ্কৃত অন্য বিহারের মধ্যে ভাসুবিহার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বোর্ড বই। 
৪৯৫.
আওয়ামী লীগ কয়টি মূলনীতিতে বিশ্বাসী?
  1. দুইটি
  2. চারটি
  3. পাচঁটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগ চারটি মূলনীতিতে বিশ্বাসী।
মূলনীতিগুলো হলো: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র।

- আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি: 
- প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন- সামছুল হক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সহ সভাপতি- আতাউর রহমান, আব্দুস সালাম খান।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু মাওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- আওয়ামী মুসলীম লীগ থেকে মুসলীম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়-১৯৫৫ সালে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৬.
জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. ডেপুটি স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
- স্পিকার সংসদ অধিবেশনের কাজকর্ম পরিচালনা করেন।
- তিনি সভার নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষা করেন।
- কোনো সদস্য নিয়মবহির্ভূত আচরণ করলে তাকে সভাধ্যক্ষবরখাস্ত করতে পারেন।
- তিনি অনাস্থা প্রস্তাব, মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব ও নিয়মানুযায়ী দৃষ্টি-আকর্ষণী বিজ্ঞপ্তি সহ বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনের অনুমতি দেন।
- অধিবেশনে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে তাও স্পিকার স্থির করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। 

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
৪৯৭.
দ্রুত ও সহজে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের জন্য কোন গেটেওয়ে সার্ভার চালু করা হয়?
  1. ক) nid.gov.bd
  2. খ) nidv.gov.bd
  3. গ) jatiyoid.gov.bd
  4. ঘ) porichoy.gov.bd
সঠিক উত্তর:
ঘ) porichoy.gov.bd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) porichoy.gov.bd
৪৯৮.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমী কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোনা
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি: 
- এটি অবস্থিত বিরিশিরি, নেত্রকোণা। 
- প্রথম প্রতিষ্ঠিত; ১৯৭৭ সালে। 

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১০টি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যথা:
১. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা;
২. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি;
৩. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান;
৪. কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার;
৫. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি;
৬. রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী;
৭. মনিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার;
৮. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হালুয়াঘাট;
৯. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, দিনাজপুর;
১০. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নওগাঁ। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৪৯৯.
লালবাগ কেল্লা কোন শতক নির্মিত হয়?
  1. ক) ষোড়শ শতক
  2. খ) সতের শতক
  3. গ) আঠারো শতক
  4. ঘ) উনিশ শতক
সঠিক উত্তর:
খ) সতের শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সতের শতক
ব্যাখ্যা
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।
(তথ্যসূত্রঃ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৫০০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে 'অনুপস্থিতি প্রভৃতির কারণে রাষ্ট্রপতি পদে স্পিকার থাকবেন'?
  1. ৫২ নং 
  2. ৫৩ নং
  3. ৫৪ নং
  4. ৫৫ নং
সঠিক উত্তর:
৫৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ নং অনুচ্ছেদ: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ১ম অনুচ্ছেদের ৫৪ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'অনুপস্থিতি প্রভৃতির কারণে রাষ্ট্রপতি পদে স্পিকার থাকবেন'
• ৫৪। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

অন্যদিকে,
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন। 
- ৫৩ নং অনুচ্ছেদ: অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 
- ৫৫ নং অনুচ্ছেদ: মন্ত্রিসভা। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।