বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫৪ / ৩০৬ · ৫,৩০১৫,৪০০ / ৩০,৮৩২

৫,৩০১.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত “সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি” গঠিত হয় কতজন সদস্য নিয়ে?
  1. ক) ৬ জন
  2. খ) ৮ জন
  3. গ) ১০ জন
  4. ঘ) ১২ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ জন
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎস:- নবম - দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)।

৫,৩০২.
দন্ডবিধি আইন কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ক) ১৮৬০
  2. খ) ১৮৭০
  3. গ) ১৮৫৭
  4. ঘ) ১৮৯৩
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৬০
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধি আইন: 
-১৮৩৪ সালে স্যার টমাস ব্যাবিংটন মেকলের সভাপতিত্বে প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয়, যার সুপারিশে ১৮৬০ সালে ভারতীয় দণ্ডবিধি প্রণীত হয়।
- দেশ স্বাধীনের পর এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি।
- এটি বর্তমানে প্রচলিত প্রধান এবং প্রাচীনতম আইন সংকলন।

উল্লেখ্য,
ফৌজধারী কার্যবিধি বা Criminal Procedure - ১৮৯৮ সালে প্রণীত হয়। 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
৫,৩০৩.
গম্ভীরা গান কোন অঞ্চলে প্রচলিত?
  1. বৃহত্তর রাজশাহী
  2. বৃহত্তর বগুড়া
  3. বৃহত্তর দিনাজপুর
  4. বৃহত্তর ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বৃহত্তর রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহত্তর রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয়  লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর  রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত। 
- গম্ভীরা গানের উৎপত্তি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় হিন্দুসমাজে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩০৪.
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন কখন শহীদ হন?
  1. ১০ নভেম্বর, ১৯৮৬
  2. ১০ নভেম্বর, ১৯৮৭
  3. ১৭ নভেম্বর, ১৯৮৭
  4. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
সঠিক উত্তর:
১০ নভেম্বর, ১৯৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নভেম্বর, ১৯৮৭
ব্যাখ্যা
• স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন:
- নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর পুলিশের গুলিতে ঢাকার জিরো পযেন্টে নূর হোসেন মারা যান।
- এ সময় তার গায়ে সাদা রঙ দিয়ে লেখা ছিলো ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র ‍মুক্তি পাক’।
 এ আন্দোলনে প্রাণ হারান নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, তাজুল, ডা. মিলন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অনেকে।
-  নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে ছাত্র-জনতা-পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।
৫,৩০৫.
মওলানা ভাসানী কত সালে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
মওলানা ভাসানী: 
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (১৮৮০-১৯৭৬) ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ।
- তিনি মওলানা ভাসানী নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন স্ব-শিক্ষিত ব্যক্তি। 
- তাঁর নেতৃত্বের ভিত্তি ছিল কৃষক শ্রমিক জনসাধারণ, যাদের অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য তিনি নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম করে গেছেন।
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মওলানা ভাসানী ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন।
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি বলে মনে করেন।
- তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩০৬.
স্বাধীন সার্বভৌম ''গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'' এর রাষ্ট্রপতির নাম -
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন:
- ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ নির্বাচিত সাংসদগণ আগরতলায় একত্রিত হয়ে এক সর্বসস্মত সিদ্ধান্তে সরকার গঠন করেন।
- এই সরকার স্বাধীন সার্বভৌম ''গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার''।
- স্বাধীনতার সনদ (Charter of Independence) বলে এই সরকারের কার্যকারিতা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হয়।
- ১৭ই এপ্রিল ৭১ মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামে বৈদ্যনাথ তলায় ''গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'' আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির এই সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পীকার অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- যে সমস্ত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় তাঁরা হলেনঃ

১।  রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তানে বন্দী)
২।   উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)
৩।   প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত) 
৪।   অর্থমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৫।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৬।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: এ এইচ এম কামরুজ্জামান (ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)

- এই অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে (বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে) এবং কর্নেল এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে সরকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- দেশ বিদেশের শতাধিক সাংবাদিক ও হাজার হাজার দেশবাসীর উপস্থিতিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংসদ জনাব আবদুল মান্নান।
- নবগঠিত সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।
- বাঙালির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই স্থানটির নামকরণ করা হয় ''মুজিব নগর''।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৫,৩০৭.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  কোন তারিখে অনুষ্ঠিত হবে? 
  1. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭
  2. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

- আসন্ন গণভোটের ব্যালট গোলাপি রঙের হবে।
 - ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিন অনুষ্ঠিত হবে।
- অর্থাৎ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।
- সংসদ নির্বাচনের ব্যালট এবং গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে ফেলতে হবে।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট সাদা রঙের হলেও গণনার সুবিধার্থে গণভোটের ব্যালট গোলাপি রঙের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- গণভোটের মূল প্রশ্নে জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোর প্রতি ভোটারদের সম্মতি চাওয়া হবে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।

৫,৩০৮.
'সেং কুটস্নেম' কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর উৎসব?
  1. খাসিয়া
  2. গারো
  3. চাকমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৩০৯.
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চুড়ান্ত রায় হয় কবে ?
  1. ক) ১৯ নভেম্বর ২০০৯
  2. খ) ২৩ ডিসেম্বর ২০১০
  3. গ) ১৯ নভেম্বর ২০১০
  4. ঘ) ২৩ ডিসেম্বর ২০১০
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯ নভেম্বর ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯ নভেম্বর ২০০৯
ব্যাখ্যা

- হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করল।
- অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ৷
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে।

সোর্স: দৈনিক পত্রিকা।

৫,৩১০.
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী, জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন কত?
  1. ৩০০ কোটি টাকা
  2. ৫০০ কোটি টাকা
  3. ৭০০ কোটি টাকা
  4. ৯০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বীমা কর্পোরেশন: 

- বীমা হলো একটি চুক্তি।এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৫,৩১১.
ভুট্টার উন্নত জাত কোনটি?
  1. আনন্দ
  2. বর্ণালি
  3. সুমাত্রা
  4. সিন্দুরী
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষি মন্ত্রনালয়।

৫,৩১২.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির আওয়ামী লীগ দলীয় সদস্য নয় -
  1. ক) রাজিয়া বানু
  2. খ) ড. কামাল হোসেন
  3. গ) আমীর-উল ইসলাম
  4. ঘ) সুরঞ্জিন সেনগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুরঞ্জিন সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুরঞ্জিন সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি
• সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
• ৩৪ জন সদস্যের মধ্যে ২৪ জন আইনজীবী, ৪ জন প্রফেসর, ৩ জন সমাজকর্মী ও ১ জন করে ডাক্তার, সাংবাদিক, কৃষিবিদ ছিলেন।
• এই কমিটিতে একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন ন্যাপ (মোজাফফর) থেকে ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত সদস্য সুরঞ্জিন সেনগুপ্ত। 
• কমিটিতে ৭ জন গণপরিষদ মহিলা সদস্য থেকে ১ (রাজিয়া বানু) অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সুরঞ্জিন সেনগুপ্ত ছাড়া বাকি সবাই ছিল আওয়ামী লীগের।
• কমিটিকে পরবর্তী ১০ জুনের মধ্যে গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া উপস্থাপন করতে বলা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 
৫,৩১৩.
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী -
  1. নুরুল ইসলাম নাহিদ
  2. জনাব আসাদুজ্জামান খান
  3. দীপু মনি
  4. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
দীপু মনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীপু মনি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী:
- শিক্ষামন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অসীন দলের প্রধান কর্তৃক মনোনীত ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সেই মনোনয়ন গৃহীত হলে 'শিক্ষামন্ত্রী' হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
- ৭ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে তারিখ থেকে তিনি এই পদে রয়েছেন।

অন্যদিকে -
- জনাব আসাদুজ্জামান খান বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
- মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বর্তমান কৃষিমন্ত্রী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৩১৪.
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পুন:প্রবর্তন
  2. জরুরি অবস্থা জারির বিধান
  3. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:

- বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে সংবিধানে ষোড়শ সংশোধনী আনা হয় ২০১৪ সালে।
- পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ালে প্রথমে হাইকোর্ট এবং পরে আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতেই ছিল।
- ১৯৭৫ সালে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সরিয়ে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে নেয়া হয়।
- কিন্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনকালে সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনী এনে সে ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে। যার প্রধান হবেন প্রধান বিচারপতি।
- উচ্চ আদালতের কোন বিচারপতি যদি সংবিধান লঙ্ঘন করেন কিংবা অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত হন, তাহলে তাকে কিভাবে অপসারণ করা হবে এ বিষয়ে ২০১৪ সালে আবার সংবিধানে সংশোধন করে আওয়ামী লীগ।
- তখন এ ষোড়শ সংশোধনীতে বলা হয় বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে থাকবে।
- সংসদে এ সংক্রান্ত বিল পাসের পর ওই বছর সেপ্টেম্বরেই গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

⇒ পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ালে প্রথমে হাইকোর্ট এবং পরে আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
- রায়ে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ উপ-অনুচ্ছেদ পুনবর্হাল করা হয়।
- ফলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরে এসেছে।
- এই কাউন্সিল গঠিত হয় প্রধান বিচারপতি ও পরবর্তী জ্যেষ্ঠ দুজন বিচারপতিকে নিয়ে।

⇒ ২০ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা বহাল রেখে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এই আদেশ দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ করা যাবে।
- সংবিধানের এ-সংক্রান্ত ৯৬ অনুচ্ছেদ পুরোটাই পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।
- সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২ থেকে ৮ পর্যন্ত বিধান ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যম বাতিল করা হয়েছিল, এগুলো পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।

অন্যদিকে,
- দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পুন:প্রবর্তন।
- দ্বিতীয় সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে 'নির্দলীয়'-'নিরপেক্ষ' তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উৎস: i) BBC.
ii) ২০ অক্টোবর, ২০২৪, প্রথম আলো।
৫,৩১৫.
মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
৫,৩১৬.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কততম? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ২৪তম
  2. ২৫তম
  3. ২৬তম
  4. ২৭তম
সঠিক উত্তর:
২৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬তম
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি: বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
- তিনি ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ প্রধান করেন।

উল্লেখ্য,
- তিনি ২৭ আগস্ট ২০০৩ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে উন্নীত হন এবং ২৭ আগস্ট ২০০৫ সালে একই বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন।
- ১৩ আগস্ট ২০২৪ সালে তিনি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে উন্নীত হন। [ব্যাখ্যা আপডেট - মার্চ, ২০২৬]

উৎস: বিচার বিভাগ ওয়েবসাইট।

৫,৩১৭.
বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষার মধ্যে বাংলার অবস্থান কততম ?
  1. ক) ৪র্থ
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৬ষ্ঠ
  4. ঘ) ৭ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ম
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষা:
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা - ইংরেজি।
- ব্যবহারকারীর দিক থেকে বাংলা ভাষার অবস্থান - ৭ম
- মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বে বাংলা ভাষার অবস্থান - পঞ্চম।
- মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ভাষা - মান্দারিন (চীনা)।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২ ও Ethnologue ওয়েবসাইট।
৫,৩১৮.
সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন’ প্রণয়ন করা হয় -
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্তভু‌র্ক্ত করেন।
- সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ তিন অনুসারে বাংলা ভাষার ব্যবহার আইন দ্বারা বিধিবদ্ধ করার জন্য ১৯৮৭ সালে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রবর্তন করা হয়।
- মাত্র চারটি ধারার সে আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারী অফিস, আদালত, আধা-সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সাথে যোগাযোগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সওয়াল জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগত কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখতে হবে।’
- ওই আইনের ৩(২) ধারায় আরও উল্লেখ করা হয়, ‘কোন কর্মস্থলে যদি কোন ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় আবেদন বা আপীল করেন, তাহলে তা বেআইনী ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।’
- সরকারি কর্মকর্তাদের এ আইন অমান্যের জন্য ৩(৩) ধারায় শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
- শাস্তি হিসেবে এ আইন আমান্যকারী ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধির অধীনে অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য করে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- ১৯৮৭ সালের পর থেকে বাংলাদেশের সব আইন, অধ্যাদেশ, বিধিবিধান ও প্রজ্ঞাপন ইত্যাদি বাংলায় প্রণীত হচ্ছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
৫,৩১৯.
ডাক্তার সেতারা বেগম কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪ নম্বর
  2. ৭ নম্বর
  3. ২ নম্বর
  4. ৫ নম্বর
সঠিক উত্তর:
২ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নম্বর
ব্যাখ্যা
নারী মুক্তিযোদ্ধা সেতারা বেগম:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল বা চিকিত্সাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল।
- এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে।
- নাম ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এটি প্রথমে স্থাপিত হয় সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- পরে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে। 
- ডা. সিতারা বেগম জুলাইয়ের শেষ দিকে বাংলাদেশ হাসপাতালে যোগ দেন।
- পরে হাসপাতালের সিও (কমান্ডিং অফিসার) কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। 
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিদিনই এ হাসপাতালে পাঠানো হতো। 
- আহত মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল চাঙা রাখতে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা যে অবদান রেখেছেন, তা সত্যিই স্মরণীয়।

উৎস:  ১৬ জুন ২০২১, প্রথম আলো।
৫,৩২০.
শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য সংসদ সদস্যদের সংসদ থেকে বহিষ্কার করতে পারেন কে?
  1. প্রধান মন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. ডেপুটি স্পিকার
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
সংসদে দায়িত্ব ও কর্তব্য:
- বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব আইন প্রণয়ন [অনুচ্ছেদ ৬৫ (১)], রাষ্ট্রের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচন [অনুচ্ছেদ ৪৮], রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন [অনুচ্ছেদ ৫২] বা অপসারণ [অনুচ্ছেদ ৫৩], প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন [অনুচ্ছেদ ৫৬), স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দান [অনুচ্ছেদ ৭৪], কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধন [অনুচ্ছেদ ৭৫), সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা [অনুচ্ছেদ ৭৩], জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে বিল উত্থাপন [অনুচ্ছেদ ৮০], এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে অংশগ্রহণ করা [অনুচ্ছেদ ৭৬]। লক্ষণীয়, সংবিধানে উল্লিখিত সবগুলো দায়িত্বই সংসদে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ সম্পর্কিত, এবং সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ওপর কোনো নির্বাহী দায়িত্ব অর্পিত হয়নি।

⇒ বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি: 
- সংসদীয় পরিভাষায় 'বিশেষ অধিকার' সংসদ এবং এর বিভিন্ন কমিটির জন্য সামগ্রিকভাবে এবং এর সদস্যদের জন্য ব্যক্তিগতভাবে প্রযোজ্য বিশেষ কিছু অধিকার এবং বিশেষ দায়মুক্তি বোঝায়। বাংলাদেশের সংবিধান ও কার্যপ্রণালী-বিধিতে সংসদ সদস্যদের ও কমিটির কিছু বিশেষ অধিকার নির্দিষ্ট করা হয়েছে, এবং এর বাইরেও কিছু বিশেষ অধিকার প্রথাগতভাবে পালিত হয়ে এসেছে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের যে সদস্যের ওপর সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ, কার্য-পরিচালনা বা শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকবে, তিনি সকল ক্ষমতা প্রয়োগ সম্পর্কিত কোনো ব্যাপারে কোনো আদালতের এখতিয়ারের অধীন হবেন না। সংসদে বা সংসদের কোনো কমিটিতে কিছু বলা বা ভোটদানের জন্য কোনো সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না। স্পিকারের অনুমতি ছাড়া সংসদীয় এলাকার মধ্যে কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করা বা অন্য কোনো ধরনের আইনি কার্যক্রম চালানো যাবে না।
- সংসদ অধিবেশন চলাকালীন কোনো সদস্য বক্তব্য উপস্থাপন করার সময় অন্য কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ, আক্রমণাত্মক ভাষা প্রয়োগ, হেয় প্রতিপন্ন করা, এবং যৌক্তিক কারণ ছাড়া দোষারোপ করতে পারবেন না।
- অন্যদিকে সংসদে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার জন্য সংসদ সদস্যদের জন্য স্পিকারের পক্ষ থেকে সতর্কতা সংকেত প্রদান, বক্তব্যদান বন্ধ করে দেওয়া, বহিষ্কার, এবং অধিবেশনে যোগদান সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিধান রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) ট্রান্সপ্যারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। 
৫,৩২১.
’সাত গম্বুজ মসজিদ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

সাত গম্বুজ মসজিদ:
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটি মোঘল আমলের অন্যতম নিদর্শন।
- ১৬৮০ সালে মোগল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মান করান।
- মসজিদটি লালবাগ দূর্গ মসজিদ এবং খাজা আম্বর মসজিদ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

⇒ এর ছাদে রয়েছে তিনটি বড় গম্বুজ এবং চার কোণের প্রতি কোনায় একটি করে অনু গম্বুজ থাকায় একে সাত গম্বুজ মসজিদ বলা হয়।
- মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশে হয়ে রয়েছে একটি সমাধি।
- কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি। সমাধিটি ‘বিবির মাজার’ বলেও খ্যাত। 

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

৫,৩২২.
বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়: ১৯৬০ সালে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- কবিতা- মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য- শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্য- সলিমুল্লাহ খান,
- বিজ্ঞান: রেজাউর রহমান,
- অনুবাদক: জি এইচ হাবিব,
- গবেষণা- মুহম্মদ শামজাহান মিয়া,
- ফোকলোর- সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি  ওয়েবসােইট।

৫,৩২৩.
আগরতলা মামলায় আসামী পক্ষের প্রধান আইনজীবী কে?
  1. ক) টমাস ফেডারিক
  2. খ) টমাস উইলিয়াম
  3. গ) টমাস চার্লস
  4. ঘ) খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ) টমাস উইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টমাস উইলিয়াম
ব্যাখ্যা

- মামলা পরিচালনা করার জন্য সরকার ১৯৬৮ সালের ১২ এপ্রিল আইন ও বিচার পদ্ধতি সংক্রান্ত একটি ফৌজদারী অধ্যাদেশ জারি করে। 
- অধ্যাদেশ নং ৫-১৯৬৮ অনুয়ায়ী বিচারকার্য সুচারুরূপে সম্পূর্ণ করার জন্য সাবেক প্রধান বিচারপতি এস এ রহমানকে চেয়ারম্যান এবং বিচারপতি এম আর খান ও বিচারপতি মকসুমুল হাকিম এর সমন্বয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা ।
- এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিখ্যাত আইনজীবী মঞ্জুর কাদের।

- অপরদিকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য একটি ‘ডিফেন্স কমিটি' গঠন করা হয়।
- এই কমিটিতে ছিলেন ড. আলীম আল রাজী, মওদুদ আহমেদ, আতাউর রহমান খান, আবদুস সালাম খান, খান বাহাদুর ইসলাম, খান বাহাদুর নাজিরুদ্দিন, জহিরুদ্দিন, জুলমত আলী খান ও মোল্লা জালাল উদ্দিন প্রমূখ এবং নেতৃত্ব দেন ইংল্যান্ডের রাণীর আইন বিষয়ক উপদেষ্টা বিখ্যাত ব্রিটিশ আইনজীবী টমাস উইলিয়াম।
- মামলার অভিযোগ সম্পর্কে শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকলেই লিখিত ও মৌখিকভাবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। 
- শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে উচ্চ কণ্ঠে বলেন, পূর্ব পাকিস্তানের দাবি দাওয়া ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অর্থাৎ জনগণের এবং সারা বিশ্বের দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরাতে এই মামলা নাটকের উদ্ভব ঘটানো হয়েছিল।
- মামলায় প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির নিকট থেকে সাজানো সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
- সরকারের কঠোর নীতি গ্রহণের জন্য অনেকেই সাক্ষী হতে বাধ্য হলেও তারা আদালতে এসে বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য আসামিদের বিপক্ষে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করে। ফলে বিচারকার্যে সরকারের আশানুরূপ অগ্রগতি ব্যাহত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, ওপেন স্কুল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩২৪.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন কে? 
  1. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন- তাজউদ্দীন আহমদ।

• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:  
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)।
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩২৫.
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী 'ইউ কে চিং মারমা' যুদ্ধে অবদানের জন্য কোন খেতাবে ভূষিত হয়েছেন?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর বিক্রম
  3. বীর উত্তম
  4. বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
ইউ কে চিং মারমা:
- ইউ কে চিং মারমা ১৯৩৭ সালে বান্দরবানে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫২ সাল থেকে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন। 
- তিনি মূলত উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর রংপুর জেলায় যুদ্ধ করেছেন। 
- তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বোচ্চ খেতাবধারী একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা।
- সম্মুখ যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীর বিক্রম’ উপাধিতে ভূষিত করে।

⇒ ১৯৫২ সালে ১৯ বছর বয়সে ইউ কে চিং ইপিআরে যোগদান করেন। একাত্তরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি নায়েক পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে তাকে হাবিলদার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৮২ সালে তৎকালীন বিডিআর থেকে সুবেদার পদে অবসরগ্রহণ করেন। একাত্তরের ৩ মার্চ তিনি রংপুরের ১০ নম্বর উইংয়ের অধীন লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা বিওপিতে যোগ দেন। ২৯ মার্চ ভোর ৪টায় হাতিবান্ধা বিওপি’র বাঙালি ইপিআর সদস্যরা একযোগে বিদ্রোহ করে পরদিন ভারতের সোনারহাটে কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আরব আলীসহ প্রায় শতাধিক ইপিআর ও অন্যান্য মুক্তিবাহিনী সদস্যের সঙ্গে গিয়ে মিলিত হন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে ২৫ জুলাই এ বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবনাবসান হয়।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়।
ii) যুগান্তর।
৫,৩২৬.
’বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’-র মতাদর্শ কী?
  1. ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ
  2. মার্কসবাদ
  3. ক্যাপিটালিজম
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
মার্কসবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কসবাদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি):
- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) অবিভক্ত ভারতে কমিউনিস্ট পার্টি নামে পরিচিত ছিল।
- পরবর্তিতে ভারত ভাগের পর ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ গঠিত হয়,  পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি।
- এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি আত্মপ্রকাশ করে।
- এই দলটি মার্কসবাদী- লেলিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি হিসেবে পরিচিত।
- কমরেড মনি সিং (মৃত্যু ১৯৯০) ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির প্রাণপুরুষ।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৫,৩২৭.
প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ স্তর হলো জেলা পরিষদ।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য এবং ৫ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য সহ মোট ২১ জন সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।

- দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- জেলা পরিষদ নির্বাচন পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা পরিষদের সংখ্যা ৬১টি।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা ; নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৩২৮.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় কবে?
  1. ১৬ জুলাই, ১৯৭১
  2. ২৬ জুলাই, ১৯৭১
  3. ১৬ জুলাই, ১৯৭২
  4. ২৬ জুলাই, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম - কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৩২৯.
সম্মিলিত বিরোধী জোট (COP) গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৪ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
সম্মিলিত বিরোধী জোট:
- সম্মিলিত বিরোধী জোট বা Combined Opposition Party (COP)।

⇒ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৬৪ সালের ২৬ জুলাই আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক জোট গঠিত হয় যা 'সম্মিলিত বিরোধী জোট' (Combined Opposition Party-COP) নামে পরিচিত।
- এ জোটের শরিক দলগুলো:
১. পাকিস্তান আওয়ামী লীগ,
২. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী),
৩. পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাউন্সিল),
৪. নেজাম-ই-ইসলাম,
৫. জামায়াতে ইসলামী।

উল্লেখ্য,
- 'সম্মিলিত বিরোধী জোট' আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছোট বোন ফাতেমা জিন্নাহকে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনয়ন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
- এ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসতে থাকে ততই ফাতেমা জিন্নাহর প্রতি জনসমর্থন অতি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- এর মূল কারণ ছিল আইয়ুব খানের স্বেচ্ছাচারী শাসনের ফলে জনগণের মনে সঞ্চিত ক্ষোভ, মৌলিক গণতন্ত্রীদের দুর্নীতি এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খানের তোষামোদি ও চাটুকারিতা, বিরোধী জোটের অন্তর্ভুক্ত নেতা-নেত্রীদের জনপ্রিয়তা ইত্যাদি।
- কিন্তু ৮০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রীকে (Basic Democrats) নগদ অর্থ প্রদানসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান পূর্বের মতোই তার সপক্ষে ধরে রাখতে সমর্থ হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৫,৩৩০.
বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা কত? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ৩০০০০০ টাকা
  2. ৩৫০০০০ টাকা
  3. ৪০০০০০ টাকা
  4. ৪৫০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩৫০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

৫,৩৩১.
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যকার সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তির নাম কী?
  1. TICFA
  2. SAPTA
  3. NAPTA
  4. APTA
সঠিক উত্তর:
TICFA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TICFA
ব্যাখ্যা
• TICFA চুক্তি :
- TICFA  এর পূর্ণরূপ- Trade and Investment Co - operation Forum Agreement..
- এটি একটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি,
- এটি হলো টিফা চুক্তির সম্প্রসারিত রুপ।
• TICFA-এর মূল উদ্দেশ্য :
- যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করার একটি মাধ্যম তৈরি করা।
- ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩,টিকফা-র সপ্তম কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস : U.S. Embassy in Bangladesh (.gov)
৫,৩৩২.
প্রাচীন বাংলার গৌরব মসলিন কাপড় ঢাকায় তৈরি হতো কোন আমলে?
  1. সুলতানি আমলে
  2. পাল আমলে
  3. মুঘল আমলে
  4. ব্রিটিশ আমলে
সঠিক উত্তর:
মুঘল আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুঘল আমলে
ব্যাখ্যা

মসলিন কাপড়:
-মসলিন একটি অতি সূক্ষ্ম মিহি সুতিবস্ত্র, যা বিশ্বব্যাপী “ঢাকাই মসলিন” নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহর ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের স্থানীয় কারিগররা ফুটি কার্পাস নামক তুলা থেকে তৈরি অতিচিকন সুতা দিয়ে মসলিন প্রস্তুত করতেন।
- মুঘল আমলে প্রাচীন বাংলার গৌরব মসলিন কাপড় ঢাকায় তৈরি হতো।
- মুঘল আমলে বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরের পর থেকে ঢাকাই মসলিনের খ্যাতি বৃদ্ধি পায়।
- মুঘল সম্রাট ও অভিজাত শ্রেণি মসলিন শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন।
- সম্রাট, প্রাদেশিক শাসনকর্তা ও পদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য বিপুল পরিমাণ সূক্ষ্ম মসলিন সংগ্রহ করা হতো।
- অভিজাতদের জন্য অতি সূক্ষ্ম ও মিহি কাপড়, আর দরিদ্রদের জন্য মোটা ও ভারী কাপড় বোনা হতো। 

• ঢাকাই মসলিনের প্রকারভেদ
- মলমল
- ঝুনা
- রঙ্গ
- আবিরাওয়ান
- খাস
- শবনম
- আলাবালি
- তনজিব
- নয়ন-সুখ
- জামদানি

উল্লেখ্য, 
- বিভিন্ন ধরনের মসলিনের মধ্যে জামদানি এখনো প্রচলিত।
- কথিত আছে, ৫০ মিটার দীর্ঘ মসলিন কাপড় একটি দিয়াশলাই বাক্সে ভরে রাখা যেত।
- ঢাকাই মসলিনের শেষ প্রদর্শনী হয়েছিল লন্ডনে, ১৮৫০ সালে।
- ঢাকাই মসলিন ইতিমধ্যে জিআই (Geographical Indication) স্বত্বের অনুমোদন পেয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
         ii) প্রথম আলো।

৫,৩৩৩.
'Bluebird' was the code name of -
  1. ক) B1 aircraft
  2. খ) T-33 aircraft
  3. গ) B4 aircraft
  4. ঘ) T-I aircraft
সঠিক উত্তর:
খ) T-33 aircraft
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) T-33 aircraft
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত সাতজন মুক্তিযোদ্ধার অন্যতম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ঢাকার আগাসাদেক রোডস্থ পৈতৃক বাসভবনে ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।
 
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ছুটিতে এসে মতিউর রহমান স্থানীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। ভৈরবে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। পরে পারিবারিক চাপে মে মাসে তিনি পাকিস্তান চলে যান। সেখানে তিনি বিমান ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল বিমান ছিনতাই করে সেটি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেবেন।
 
২০ আগস্ট সকালে করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে পাইলট অফিসার মিনহাজ রশীদের টি-৩৩ বিমান নিয়ে উড়বার শিডিউল ছিল। মতিউর ছিলেন তার প্রশিক্ষক। টি-৩৩ বিমানের সাংকেতিক নাম ছিল ব্লু বার্ড। প্রশিক্ষণকালে মতিউর বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিজ হাতে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেন নি। বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ভারতীয় সীমান্তের কাছে থাট্টায়। 
 
মতিউর রহমানের দেশপ্রেম ও আত্মদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া 
৫,৩৩৪.
জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
  4. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
ব্যাখ্যা

জুলাই অভ্যুত্থান:
- শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের সক্রিয় শিক্ষার্থী এবং দক্ষ ফ্রিল্যান্সার।
- তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রামরাইলে।
- তাঁর পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান ও মাতা শাহানা চৌধুরী।
- তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে গণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। 
- মৃত্যুর সময় তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এ এমবিএ করছিলেন।
- মুগ্ধ ফাইভারে এক হাজারের বেশি কাজ সম্পন্ন করেছিলেন এবং এসইও ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পারদর্শী ছিলেন।

- ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ঢাকার উত্তরার আজমপুর এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় পুলিশের গুলিতে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন।
- পরে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
- মৃত্যুর আগে তাঁর উচ্চারিত “পানি লাগবে পানি” বাক্য পরবর্তীতে আন্দোলনের প্রতীকী স্লোগানে পরিণত হয়।
- ঢাকার উত্তরা মুক্তমঞ্চের নাম পরিবর্তন করে “মুগ্ধ মঞ্চ” রাখা হয়েছে তার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন হিসেবে।

- এছাড়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের প্রথম নামকরণ করা হয়েছিল ‘বিজয় তোরণ’;
- এবং ৩০ জুন এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়।
- কিন্তু ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা ফটকের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ’ রাখেন।

উৎস:
The Daily Star Bangla; 
প্রথম আলো।

৫,৩৩৫.
২০২১-২২ অর্থবছর অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্সের উংস?
  1. ক) কাতার
  2. খ) ওমান
  3. গ) কুয়েত
  4. ঘ) সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে
- দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
- ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন) ।


উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক।
৫,৩৩৬.
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে কোথায়?
  1. ক) জামালগঞ্জে
  2. খ) রানীগঞ্জে
  3. গ) বিজয়পুরে
  4. ঘ) টেকের হাট
সঠিক উত্তর:
গ) বিজয়পুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিজয়পুরে
ব্যাখ্যা
- চীনামাটি (White Clay or China Clay)  কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- এ চীনামাটির সঙ্গে আমদানিকৃত উচ্চ মানসম্পন্ন কর্দম মিশিয়ে তা দেশের  সিরামিক শিল্প কারখানাগুলিতে ব্যবহূত হয়ে থাকে।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৩৭.
"মূল্য সংযোজন কর" কোন ধরনের কর?
  1. পরিপূরক কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. প্রত্যক্ষ কর
  4. সম্পূরক কর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয়।
- এটি ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৫,৩৩৮.
কৈবর্ত বিদ্রোহ কোন আমলে সংঘঠিত হয়?
  1. ক) পাল
  2. খ) সেন
  3. গ) মোঘল
  4. ঘ) ইংরেজ
সঠিক উত্তর:
ক) পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাল
ব্যাখ্যা

রাজা দ্বিতীয় মহিপালের (১০৭৫-১০৮০) শাসনামলে কৈবর্ত বিদ্রোহ হয়। অনেকে শুধু জেলে সম্প্রদায়কে কৈবর্ত বললেও প্রকৃতপক্ষে জেলে, কৃষক এবং শ্রমজীবী মানুষকে সাধারণত কৈবর্ত বলা হতো।
পাল রাজাদের এক সামন্ত দিব্যর নেতৃত্বে কৈবর্তরা রাজ্যের বরেন্দ্রীয় অংশ দখল করে নেয়।
রাজা দ্বিতীয় মহীপাল কৈবর্তবাহিনীকে আক্রমন করতে দিয়ে নিজে নিহত হন।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৩৯.
জাতীয় অর্থ তহবিলের নিয়ন্ত্রক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- জাতীয় সংসদ সরকারের অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। 
- সংসদের আইন বা উহার কর্তৃত্ব ব্যতীত কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যায় না (অনু: ৮৩)।
- সরকার প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের অনুমিত হিসাব সংবলিত একটি বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবে এবং সংসদের অনুমোদন ব্যতীত উক্ত বাজেট কার্যকর হবে না (অনু: ৮৭)।
- সকল সরকারি অর্থের রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ সংসদের আইন দ্বারা করা হবে (অনু: ৮৫)। 
সুতরাং, জাতীয় সংসদ হচ্ছে জাতীয় অর্থের অভিভাবক ও নিয়ন্ত্রণকারী।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশ সংবিধান।
৫,৩৪০.
এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঘাটতি কোন দেশের সঙ্গে?
  1. চীন 
  2. জাপান 
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন 
ব্যাখ্যা

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ঘাটতি:
- এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ঘাটতি চীনের সঙ্গে।
- দেশটি থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য আমদানি হয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ডলারের। এর বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৭৪ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলারের।

⇒ চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হলেও দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি।
- চীন বাংলাদেশের আমদানির প্রধান উৎস। দেশের ৩০ শতাংশের বেশি পণ্য আমদানি হয় চীন থেকে।
- জাতিসংঘের সংস্থা UNCTAD-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালে দেশটি বাংলাদেশে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
- অন্যদিকে, চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি কয়েক বছর ধরেই ৮০ কোটি ডলারের নিচে সীমাবদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- চীনের পরেই বড় ঘাটতি ভারতের সঙ্গে। যদিও প্রতিবেশী দেশটিতে রপ্তানি বাড়তে থাকায় ঘাটতি কমছে। এরপরও গত অর্থবছরে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ডলার পণ্য। রপ্তানি হয়েছে ১৮২ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে বছর শেষে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ৭৮৬ কোটি ডলারের।

এছাড়াও,
- এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে চীন থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ৫৪ শতাংশই ছিল রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল। বাকি ৪৬ শতাংশ ছিল বাণিজিক পণ্য। একইভাবে ভারত থেকে গত অর্থবছরে আমদানি হওয়া পণ্যের ৩১ শতাংশই ছিল রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল। বাংলাদেশের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের বড় উৎস এই দেশ দুটি। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Independent Tv.

৫,৩৪১.
সংবিধান কততম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. একাদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• দ্বাদশ সংশোধনী: 
- শিরোনাম: সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯১
- পাস হয়: ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- বিষয়বস্তু: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা।
- ২ জুলাই, ১৯৯১ সালে সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- এর ফলে সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- একাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- রাষ্ট্রপতি হন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী।
- মন্ত্রিপরিষদ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ।
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটের বিধান।
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকা।

৫,৩৪২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গৃহহীন অসহায় মানুষের জন্য পুনর্বাসন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করেন -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
আশ্রয়ণ প্রকল্প:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী বর্তমান লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীন, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা সারাদেশের গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শুরু করেন 'আশ্রয়ণ প্রকল্প'।
- ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে শুরু করেন আশ্রয়ণ প্রকল্প।

প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
 ১। ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন।
২। প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহে সক্ষম করে তোলা।
৩। আয়বর্ধক কার্যক্রম সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৩৪৩.
'বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. দিনাজপুর 
  3. পাবনা 
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত।
- এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
-  একজন মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে প্রধান কার্যালয় থেকে দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, যশোর, জামালপুর, জয়দেবপুর, হাটহাজারী, ইত্যাদি কেন্দ্র/উপকেন্দ্রে গম ও ভুট্টার গবেষণা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৫,৩৪৪.
'ধীরে বহে মেঘনা' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. খান আতাউর রহমান
  4. সুভাষ দত্ত
সঠিক উত্তর:
আলমগীর কবির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলমগীর কবির
ব্যাখ্যা

ধীরে বহে মেঘনা:
- এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- এর নির্মাতা আলমগীর কবির।
- ধীরে বহে মেঘনা ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত।
- এটি ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্র।
- ভারতীয় মেয়ে অনিতার প্রেমিক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়।
- সে ঢাকায় এসে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে আরও গভীরভাবে মর্মাহত হয়।
- এতে অভিনয় করেন বুলবুল আহমেদ, ববিতা, গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার হোসেন, খলিল উল্লাহ প্রমুখ। 
- হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান আছে এ ছবিতে।

উৎস: প্রথম আলো। 

৫,৩৪৫.
দেশের প্রথম বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) নির্মাণের জন্য কোন দেশের প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি হয়েছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) নির্মাণের চুক্তি সই করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ও চীনা গেজৌবা গ্রুপ (China gezhouba group)।

- গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিআরটিএর মূল করিডরের দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ২০ কিলোমিটার।
- যার মধ্যে ১৬ কিলোমিটার হবে সমতলে এবং সাড়ে চার কিলোমিটার হবে উড়ালসড়ক।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৫,৩৪৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সারা বিশ্ব ও পরাশক্তিসমূহ কত ভাগে বিভক্ত হয়েছিল?
  1. ক) দুই ভাগে
  2. খ) তিন ভাগে
  3. গ) চার ভাগে
  4. ঘ) পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ভাগে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সারা বিশ্ব ও পরাশক্তিসমূহ দুভাগে ভাগ হয়েছিল। 
- ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে 
- এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সরকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- পরাশক্তিসমূহের বিভাজনের কারণে জাতিসংঘ কোন ভালো ভূমিকা রাখতে পারেনি। 
- সে সময় যুক্তরাজ্য সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪৭.
তৎকালীন পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন কে?
  1. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. ইস্কান্দার মির্জা
  3. আইয়ুব খান
  4. ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।
- আইয়ুব খান ২৫ মার্চ সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে দ্বিতীয়বারের মত সামরিক শাসন জারি করেন।

সূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪৮.
বাংলাদেশের কোন নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. চাকমা
  2. খাসিয়া
  3. মুরং
  4. পাঙন
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
• উপজাতি:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতি রয়েছে।
- খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক, বাকি সবগুলো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- গারো নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে।
- এরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। এদের আদি নিবাস ছিল তিব্বতে।
- গারোদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তাদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।

এছাড়াও,
- এছাড়া কোচ সমাজেও আংশিক মাতৃতান্ত্রিকতা বিদ্যমান রয়েছে।
- বাংলাদেশে খাসিয়াদের বসবাস- সিলেট, হবিগঞ্জ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৪৯.
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত? ( মে-২০২৫)
  1. ৩৬,৪৭৭ (মেঃওঃ)
  2. ৩০,৭৭৮ (মেঃওঃ)
  3. ৪৮,৩৭৯ (মেঃওঃ)
  4. ১৬,৭৭৮ (মেঃওঃ)
সঠিক উত্তর:
৩০,৭৭৮ (মেঃওঃ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০,৭৭৮ (মেঃওঃ)
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত :
 - বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা : ৩০,৭৭৮ (মেঃওঃ) (ক্যাপটিভ সহ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহ)।
- সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন: ১৬,৪৭৭ মেঃওঃ (৩০ এপ্রিল ২০২৪)।
- গ্রাহক সংখ্যা: ৪ কোটি ৮২ লক্ষ।
- মোট সঞ্চালন লাইন (সা.কি.মি.): ১৬,৮৮৩।
- গ্রিড সাব-ষ্টেশন ক্ষমতা (এমভিএ): ৭৫,৮০০।
- বিতরণ লাইন (কি.মি.): ৬ লক্ষ ৪৮ হাজার ৭২৫।
- বিতরণ লস: ৭.২৫% (জুন২০২৪)।
- মাথাপিছু উৎপাদন (কিঃওঃআঃ): ৬৪০ (২৩-২৪ অর্থবছর)।
- বিদ্যুৎ সুবিধা প্রাপ্ত জনগোষ্ঠী: ১০০%।
- প্রি-পেইড মিটারস্থাপন: ৭২ লক্ষ ১৫ হাজার  ৬৪২ ।
- সোলার হোম সিস্টেম: ৬০ লক্ষ।

উৎস : পাওয়ার সেল [লিংক]
৫,৩৫০.
নিচের কোন জেলায় যমুনা ও পদ্মা নদী মিলিত হয়েছে?
  1. চাঁদপুর
  2. রাজবাড়ি
  3. কুড়িগ্রাম
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
রাজবাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজবাড়ি
ব্যাখ্যা

• যমুনা :
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে ওই শীর্ণকায় খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী। 
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়। 
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৩৫১.
মানিক ও রতন কোন ফসলের জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) সরিষা
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
গ) টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টমেটো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত টমেটোর জাতসমূহ:
- মানিক
- রতন
- মিন্টু
- বাহার
- চৈতী
- টিপু সুলতান
- বারি টমেটো ইত্যাদি।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৫,৩৫২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ৫১.০০%
  2. ৪৫.০০%
  3. ৩৮.০০%
  4. ১৭.০০%
সঠিক উত্তর:
৪৫.০০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫.০০%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:

• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

বিশেষ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
৫,৩৫৩.
জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত নিচের কোনটি?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) শিল্পখাত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সেবাখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেবাখাত
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত।
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান।
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
৫,৩৫৪.
মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজধানী ছিল-
  1. বরেন্দ্র
  2. মহাস্থানগড়
  3. সোনারগাঁও
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
জনপদ:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রবর্ধন অন্যতম।
- এ জনপদের রাজধানী ছিলো বর্তমান বগুড়া জেলায় অবস্থিত পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়
- পরবর্তীতে মৌর্য এবং গুপ্ত শাসনামলেও বাংলার রাজধানী ছিলো পুন্ড্রনগর।
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রনগর ছিলো সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং এখানে প্রাপ্ত শিলালিপি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বলে স্বীকৃত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৫৫.
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের কয়টি বিভাগ করা হবে? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ২টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

অর্থ মন্ত্রণাল:
• বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতায় রয়েছে চারটি বিভাগ- 
- অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)। - আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে 'রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ' বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।
- নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিভাগ করা হবে ৫টি।
- নতুন পাঁচ বিভাগের মধ্যে অর্থ বিভাগ, ইআরডি ও এফআইডি থাকবে।বাদ পড়বে আইআরডি।
- তবে নতুন যুক্ত হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।]

উৎস: প্রথম আলো।

৫,৩৫৬.
নিচের কোন অঞ্চলটি নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. দিনাজপুর
  2. সিলেট
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৫৭.
বাংলাদেশে কত শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে?
  1. ক) ৮৪.৫ শতাংশ
  2. খ) ৮০.১ শতাংশ
  3. গ) ৭৭.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ৭২.৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৭.৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৭.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ Multiple Indicator Cluster Survey-2019 অনুসারে বাংলাদেশে ৭৭.৯ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে বসবাস করে ২২.১ শতাংশ মানুষ।
বিভাগ অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে ২৫.৩ শতাংশ। সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে ৫.৭০ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর Multiple Indicator Cluster Survey-2019)
৫,৩৫৮.
জনাব এফ আর খান পেশায় কী ছিলেন?
  1. আণবিক বিজ্ঞানী
  2. ক্যান্সার চিকিৎসক
  3. স্থপতি
  4. কম্পিউটার বিজ্ঞানী
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
ব্যাখ্যা
এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক 'কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার' মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে - মন্তব্য লেখা হয় 'ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম'।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হৃদরোগে মারা যান।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৫৯.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন মহিলা টেস্টটিউব শিশুর মা হন?
  1. ফিরোজা বেগম
  2. পারভীন ফাতেমা
  3. কানিজ ফাতেমা
  4. উমামা ফাতেমা 
সঠিক উত্তর:
ফিরোজা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিরোজা বেগম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে টেস্ট টিউব বেবি:
- বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে ঢাকার একটি ক্লিনিকে।
- দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম (৩৩)।
- ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
-পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে।

উৎস: প্রথম আলো ও এনটিভি রিপোর্ট।

৫,৩৬০.
নিচের কোন গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত?
  1. ক) কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র
  2. খ) উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র
  3. গ) ডাল গবেষণা কেন্দ্র
  4. ঘ) মসলা গবেষণা কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
গ) ডাল গবেষণা কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডাল গবেষণা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫,৩৬১.
বাংলাদেশের প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রোরেল চলাচলের উদ্বোধন করা হয় কখন?
  1. ক) ১৫ আগস্ট ২০২১
  2. খ) ৩১ আগস্ট ২০২১
  3. গ) ২৯ আগস্ট ২০২১
  4. ঘ) ৩১ জানুয়ারি ২০২১ 
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯ আগস্ট ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯ আগস্ট ২০২১
ব্যাখ্যা
- দেশের ইতিহাসে প্রথম মেট্রোরেল পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয় গত ২৯ আগস্ট ২০২১
- রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (DMTCL) মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে।
- জাপানের কাওয়াসাকি – মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম মেট্রোরেলের ২৪ সেট ট্রেনের নকশা প্রণয়ন ও তৈরির দায়িত্বে রয়েছে।
- নকশা অনুযায়ী মেট্রোরেল ঘন্টায় ১১০ কিলোমিটার গতিতে চলবে।
- ঢাকার প্রথম মেট্রোরেলটি উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ‘এমআরটি লাইন-৬’ নামে পরিচিত।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
৫,৩৬২.
তৌকির আহমেদ পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জয়যাত্রা
  2. হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. পতাকা
  4. প্রত্যাবর্তন
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
ব্যাখ্যা
‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত চলচ্চিত্র জয়যাত্রা।
- ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিখ্যাত সম্পাদক, কাহিনীকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন এর কাহিনী নিয়ে সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- এটি তৌকির আহমেদ পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ।
- চলচ্চিত্রটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ পরিচালক তৌকির আহমেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক ২০০৪ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৫,৩৬৩.
বাংলাদেশে বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড
  2. টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
  3. ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি
  4. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি
ব্যাখ্যা
• ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) নরসিংদী জেলাস্থ পলাশ উপজেলায় ঘোড়াশাল পৌরসভার অন্তর্গত খানেপুর মৌজায় অবস্থিত।
- পূর্বেকার ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (পিইউএফএফএল) একীভূত করে গত ০১-০৭-২০২১ খ্রি. তারিখ থেকে ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) গঠিত হয়।
----------------------------------------------------------
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এর অধিনে সারকারখানা সমূহ:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী।
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড।
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড।
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড।
- ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।

উৎস: BCIC.
৫,৩৬৪.
ব্লাস্ট রোগ কোন ফসলে দেখা দেয়?
  1. পাট
  2. ধান
  3. আখ
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
ব্লাস্ট একটি ছত্রাক গঠিত রোগ যা ধান গাছের বিভিন্ন অংশে দেখা দেয়।
ধান গাছের পাতা, কান্ড ও শিষের গোঁড়ায় ব্লাস্ট রোগ দেখা দিতে পারে।
অধিক মাত্রায় নাইট্রোজেন সারের ব্যবহার ও বাতাসে অধিক আর্দ্রতা এই রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি করে। ধান ব্যতীত গমের মধ্যেও ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৫,৩৬৫.
প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হচ্ছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত________ একটি ভরাট বৃত্ত।
  1. লালবর্ণের
  2. গোলাপীবর্ণের
  3. রক্তবর্ণের
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রক্তবর্ণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তবর্ণের
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক:

অনুচ্ছেদ ৪:
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত হচ্ছে "আমার সোনার বাংলা"-র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হচ্ছে সবুজ ক্ষেত্রের উপরে রক্তবর্ণের একটি গোলাকার চিহ্ন।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হচ্ছে উভয় পাশে ধান্যশীর্ষ বিশিষ্ট, জলাভিষিক্ত জাতীয় ফুল শাপলা, যার উপরে রয়েছে তিনটি পারস্পরিক সংযুক্ত পাটের পাতা এবং দুইপাশে দুটি করে তারকা।
(৪) উপরোক্ত বিষয়াবলী সাপেক্ষে, জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কে বিধানাবলী আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৩৬৬.
বাংলাদেশ টেলিভিশন কোন সালে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৪ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৪ সালে।
- শিক্ষা এবং বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশ ও জনগণের প্রতি  দায়বদ্ধ থেকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখা এ জাতীয় গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
- প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৯ টি সংবাদ বুলেটিনসহ বিটিভি সম্প্রচার করছে নাটক, প্রামাণ্যচিত্র, সংগীত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্য বিষয়ক নানা অনুষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
৫,৩৬৭.
বাংলাদেশে ’শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য’ কর্মসূচি চালু হয় কবে?
  1. ১৯৯১ সাল
  2. ১৯৯৩ সাল
  3. ১৯৯২ সাল
  4. ১৯৯৫ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সাল
ব্যাখ্যা

শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি:
- দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদেরকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছর থেকে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু হয়।

অন্যদিকে -
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৩৬৮.
‘বঙ্গমাতা’ চলচ্চিত্রের পরিচালকের নাম কী?
  1. গৌতম কৈরী
  2. শেখ নিয়ামত আলী
  3. কাজী হায়াৎ
  4. আদুর গোপাল কৃষ্ণ
সঠিক উত্তর:
গৌতম কৈরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌতম কৈরী
ব্যাখ্যা
• বঙ্গমাতা:
- বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে নিয়ে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বঙ্গমাতা’।
- ‘বঙ্গমাতা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক - গৌতম কৈরী।
- লেখক খোরশেদ বাহারের বঙ্গমাতা, ইতিহাসের নিভৃত সৈনিক উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন নাসরীন মুস্তাফা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন গৌতম কৈরী।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৮ আগস্ট, ২০২৩)।
৫,৩৬৯.
World Craft City for Jamdani হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের কোন শহর?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) সোনারগাঁও
  3. গ) নরসিংদী
  4. ঘ) গাজিপুর
সঠিক উত্তর:
খ) সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
World Crafts Council (WCC) বাংলাদেশের সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) শহরকে World Craft City for Jamdani হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর- ২০১৯]
৫,৩৭০.
কোন জেলায় একটি মাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ক) শেরপুর
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) মাগুরা
সঠিক উত্তর:
খ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি। এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
(তথ্যসূত্র: নির্বাচন কমিশন)
৫,৩৭১.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য ছিলেন -
  1. এ এফ রহমান
  2. মুহমতাজউদ্দীন আহমদ
  3. মাহমুদ হোসেন
  4. আব্দুল মতিন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
এ এফ রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এফ রহমান
ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
- ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ রহমান।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূরণ করেছে।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৩৭২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে নাগরিকদের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ৩৬নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩১নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৭নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৯নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৭নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদে নাগরিকদের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে:
- ৩১নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং
- ২৯নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ৩৬নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৩৭৩.
ইউনেস্কোর কততম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ২৮ তম
  2. ২৯ তম
  3. ৩০ তম
  4. ৩১ তম
সঠিক উত্তর:
৩০ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ তম
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫,৩৭৪.
ঐতিহাসিক 'ছয় দফায়' কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিলো না? 
  1. ক) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো 
  2. খ) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. গ) স্বতন্ত্র মুদ্রাব্যবস্থা
  4. ঘ) বিচার ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফার স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার কথা উল্লেখ ছিল না।

১৯৬৬ সালে উত্থাপিত ছয় দফায় উল্লেখিত বিষয়গুলো হলো:
- শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
- মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
- কর সংক্রান্ত ক্ষমতা
- বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত ক্ষমতা
- আঞ্চলিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৭৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৬
  2. অনুচ্ছেদ ৯৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৫,৩৭৬.
'মৎস্য আইন ১৯৫০'-এর অধীনে নিচের কোন আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল ধরা, বিক্রি বা মজুত করা নিষিদ্ধ?
  1. ২২ সে.মি.-এর কম
  2. ২৩ সে.মি.-এর কম
  3. ২৪ সে.মি.-এর কম
  4. ২৫ সে.মি.-এর কম
সঠিক উত্তর:
২৩ সে.মি.-এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সে.মি.-এর কম
ব্যাখ্যা

মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০:
- দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
- পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

⇒ এই আইন অনুসারে,
- প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
- প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
- বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
- মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।

৫,৩৭৭.
‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে, লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি, প্রতিধ্বনি, আকাশে বাতাসে উঠে রণি’—এই গানটির গীতিকার কে?
  1. আপেল মাহমুদ
  2. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
  3. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
  4. গোবিন্দ হালদার
সঠিক উত্তর:
গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
ব্যাখ্যা
• 'শোনো একটি মুজিবুরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি' গানটির রচয়িতা গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। 
- ১৯৭১ সালের এপ্রিলে শেখ মুজিবর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটির প্রেক্ষিতে  আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্র থেকে বাজানো হয়েছিল একটি গান।
- গানটা ছিল ''শোন একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি প্রতিধ্বনি আকাশে বাতাসে ওঠে রণি... বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ।''
- গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, 
- সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী: অংশুমান রায়, 
 - এর একটা ইংরেজি অনুবাদও হয়েছিল: A Milliion Mujiburs Singing নামে। 

• কিছু জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান: 
→ তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে/­ আমরা কজন নবীন মাঝি হাল ধরেছি শক্ত করে।
→ গীতিকার ও সুরকার: আপেল মাহমুদ। 

→ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি/মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।
→ গীতিকার: গোবিন্দ হালদার, 
→ সুরকার ও শিল্পী: আপেল মাহমুদ। 

→ জয় বাংলা বাংলার জয়/ জয় বাংলা বাংলার জয়।। হবে হবে হবে, হবে নিশ্চয়/ কোটি প্রাণ এক সাথে জেগেছে অন্ধরাতে
নতুন সূর্য ওঠার এই তো সময়।।
→ গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার, 
→ সুরকার: আনোয়ার পারভেজ। 

উৎস: বিবিসি ওয়েবসাইট, বঙ্গবন্ধু আর্কাইভ ও দৈনিক প্রথম আলো। 
৫,৩৭৮.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত? 
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. চট্টগ্রাম
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে “ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি" নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
-পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৫,৩৭৯.
১৯৫৯ সালের অক্টোবরের ঘোষণা অনুসারে পাকিস্তানে মৌলিক গণতন্ত্রের স্তর কয়টি ছিল?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্র:
১৯৫৯ সালের অক্টোবরের ঘোষণা অনুসারে পাকিস্তানে মৌলিক গণতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়।
স্তরগুলো হচ্ছে
১. ইউনিয়ন কাউন্সিল,
২. থানা কাউন্সিল,
৩. জেলা কাউন্সিল
৪. বিভাগীয় কাউন্সিল।

» ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
»  এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর  ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল। এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
» মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তর যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
»  এদের সংখ্যা ছিল পূর্ব পাকিস্তানে ৪০ হাজার এবং পশ্চিম  পাকিস্তানে ৪০,০০০ করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
»  এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন। ফলাফলকে বানচাল করা যায়। 

SOURCE: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় , সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৩৮০.
দেশের একমাত্র জাতীয় মান সংস্থা কোনটি?
  1. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন
  2. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট
  3. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন
  4. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন
ব্যাখ্যা
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই (Bangladesh Standards and Testing Institution-BSTI):
- দেশের একমাত্র জাতীয় মান সংস্থা।

২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট - বিআইএম (Bangladesh Institute of Management - BIM):
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন শাখায় স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ, এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা এবং ছয় মাস মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সসহ অন্যান্য বিশেষায়িত কোর্সের আয়োজন ও পরামর্শসেবা প্রদান করে থাকে।

৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র - বিটাক (Bangladesh Industrial and Technical Assistance Center - BITAC):
দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে আসছে বিটাক। এর ফলে শিল্প ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরিসহ গবেষণার মাধ্যমে আমদানি বিকল্প যন্ত্রাংশ তৈরি করার মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে আসছে বিটাক।

৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন - এনপিও (National Productivity Organization - NPO):
এনপিও জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকারি কৃষি খাতসহ জাতীয় অর্থনীতির সকল কর্মকান্ডে অব্যাহতভাবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্প কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর এবং বেসরকারি উদ্যোগে শিল্পায়নকে উৎসাহিত করার মানসে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতি বছর ০২ অক্টোবর দেশব্যাপী 'জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস' পালন করা হয়।

ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও), জাপান-এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উৎপাদনশীলতা, গুণগতমান, প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'Bangladesh National Productivity Master Plan 2021-2030' প্রণয়ন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৫,৩৮১.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সর্বোচ্চ পদবী –
  1. ক) মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  2. খ) মন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) জ্যেষ্ঠ সচিব
সঠিক উত্তর:
ক) মন্ত্রিপরিষদ সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মন্ত্রিপরিষদ সচিব
ব্যাখ্যা

- সিভিল সার্ভিসের সর্বোচ্চ পদবী – ক্যাবিনেট সেক্রেটারি বা মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
- যেকোন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান হলেন – মন্ত্রী।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
৫,৩৮২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে অভিযুক্ত করা হয় কবে?
  1. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  2. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  3. ১৯ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  4. ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৮
সঠিক উত্তর:
১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামি করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫,৩৮৩.
‘সাগরকন্যা’ কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
  1. টেকনাফ
  2. কক্সবাজার
  3. খুলনা
  4. কুয়াকাটা
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
কুয়াকাটা:

- কুয়াকাটা নৈসর্গিক শোভামন্ডিত পর্যটন কেন্দ্র।
- বঙ্গোপসাগরের তটে অবস্থিত কুয়াকাটা থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যান্ত অবলোকন করা যায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার লতাচাপলি ইউনিয়নে কুয়াকাটার অবস্থান।
- পূর্বে গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে কুয়াকাটার বনভূমি, উত্তরে কলাপাড়া জনপদ ও দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগর।
- কুয়াকাটার স্থানীয় নাম সাগর কন্যা।
- কুয়াকাটা সাগর-সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ কিলোমিটার আর প্রস্থে প্রায় ৩ কিলোমিটার।
- কুয়াকাটা হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের নিকট একটি তীর্থ স্থান।
- তারা রাস পূর্ণিমা ও মাঘী পূর্ণিমাতে কুয়াকাটার পবিত্র সৈকতে স্নানসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৮৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবিতে যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  2. আঞ্চলিক নির্বাচন ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. মুদ্রা ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক নির্বাচন ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক নির্বাচন ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
- ‘ছয় দফায়’ আঞ্চলিক নির্বাচন ক্ষমতা' বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

৬ দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলের নেতারা একটি সম্মেলনের আহবান করেন যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ৬ দফা দাবিগুলো হলো যথাক্রমে-
১। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা,
২। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
৩। মুদ্রা ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৪। রাজস্ব, কর বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা,
৬। আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা,

- এই ৬ দফার মধ্যে ৩ টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩ টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক দাবি ছিল।
- বঙ্গবন্ধু এই ৬ দফা কে “আমাদের বাঁচার দাবি” হিসেবে আখ্যা দেন।
- ঐতিহাসিক এই ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’র সাথে তুলনা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৮৫.
১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে কে ছিলেন?
  1. বদরুদ্দীন উমর
  2. মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী
  3. আনোয়ার হোসেন মঞ্জু
  4. ড. শামসুজ্জোহা
সঠিক উত্তর:
ড. শামসুজ্জোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. শামসুজ্জোহা
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ গণ অভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার,
- পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও আয়ুবখানের পদত্যাগ কেন্দ্র করে ছাত্র-জনতা ও সরকারি সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয় যা ১৯৬৯ গণ অভ্যুত্থান নামে পরিচিত।
- ১৯৬৯ সালের ৪ ঠা জানুয়ারি সর্বদলীয় রাষ্ঠভাষা গঠন করা হয়।
- ঐ সময় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করে।
- ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা ও ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ শহিদ হন।
- ফলাফল - আয়ুব সরকার পদত্যাগ করেন ও ৭০ এর নির্বাচন দিতে সরকার বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৫,৩৮৬.
বাংলায় কররানি (আফগান) শাসনের অবসান এবং মুঘল শাসনের সূচনা হয় কোন যুদ্ধের মাধ্যমে?
  1. চৌসার যুদ্ধ
  2. কণৌজের যুদ্ধ
  3. রাজমহলের যুদ্ধ
  4. বিলগ্রামের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
রাজমহলের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজমহলের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানী গৌড় অধিকার করে মুঘল শাসনের সূচনা করেন। কিন্তু বাংলায় তাঁর অধিকার বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দে চৌসার যুদ্ধে পরাজয়ের পর বিজয়ী আফগান নেতা শের খান গৌড় দখল করেন এবং বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলার প্রবেশ পথ রাজমহলের নিকটে বাংলার শেষ আফগান শাসক দাউদ খান ও মুঘল বাহিনীর তুমুল যুদ্ধ হয়। যা রাজমহলের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে দাউদ খান পরাজিত ও বন্দি হলে বাংলায় মুঘল শাসনের সূত্রপাত হয়।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র (উন্মুক্ত)]
৫,৩৮৭.
Which dynasty ruled Bengal for 400 years?
  1. ক) Gupta
  2. খ) Sen
  3. গ) Pal
  4. ঘ) Maurja
সঠিক উত্তর:
গ) Pal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Pal
ব্যাখ্যা

-- শশাঙ্ক পরবর্তী বাংলায় অরাজকতার যুগের অবসান ঘটিয়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পাল রাজ বংশের সূচনা করেন। 
-- গোপালের রাজত্বকাল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার উপায় নেই।
-- অনুমান করা হয় গোপাল ৭৫৬ হতে ৭৮১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন। 
-- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা-- গোপাল।
-- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পাল রাজবংশের শাসন বাংলায় প্রায় ‘চারশ' বছর স্থায়ী হয়েছিল।
-- গোপালের ক্ষমতা লাভ সর্ম্পকে খালিমপুর তাম্রশাসন থেকেও জানা যায়। গোপালের উত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাল রাজবংশ। 
-- প্রায় চারশত বছর ধরে ১৭ জন পাল নৃপতি বাংলা শাসন করেন।
-- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শাসনের উপর ভিত্তি করে তার পরবর্তী দুই উত্তরাধিকারী ধর্মপাল ও দেবপাল সাম্রাজ্যকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যান। 

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, (BA & BSS) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৮৮.
ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের কত কি.মি এলাকা লাভ করে?
  1. ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটার
  2. ১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. ২০,২৭৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ২৭,৩৫৬ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সমুদ্রসীমা জয়: বঙ্গোপসাগরে আরেকটি বাংলাদেশ
- মায়ানমার ও ভারতের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা নিয়েছে এবং সাফল্যের সাথে তা সমাধান করেছে।
- ২০১৪ সালের জুলাইতে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালত ভারত ও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগরের ২৫,৬০২ বর্গ কিলোমিটারের মধ্যে ১৯,৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্রদান করে।
- ৫ বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুক্তিতর্ক ও আলোচনা শেষে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালত এই রায় দেয়।
- এর আগে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালতের মাধ্যমেই মায়ানমারের সাথে জলবিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ১,১১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা লাভ করে। 

উৎস: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ২০০৯-২০১৮।
৫,৩৮৯.
'স্টপ জেনোসাইড' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ______________।
  1. শিশুতোষ চলচ্চিত্র
  2. উপন্যাস
  3. প্রামাণ্যচিত্র
  4. এনিমেশন চলচ্চিত্র
সঠিক উত্তর:
প্রামাণ্যচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রামাণ্যচিত্র
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড। 
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন। 
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য। 

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৮ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৫,৩৯০.
BAFA- কোন প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Bangladesh Academy of Fine Arts
  2. Bulbul Academy of Fine Arts
  3. Bangladesh Academy for Fine Arts
  4. Bulbul Academy on Fine Arts
সঠিক উত্তর:
Bulbul Academy of Fine Arts
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bulbul Academy of Fine Arts
ব্যাখ্যা
বুলবুল ললিতকলা একাডেমী
- বুলবুল ললিতকলা একাডেমী (বাফা)  একটি সংস্কৃতি-চর্চাকেন্দ্র।
- উপমহাদেশের বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী বুলবুল চৌধুরীর স্মৃতিবিজড়িত এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৫ সালের ১৭ মে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
-সংক্ষেপে এটি বাফা (BAFA Bulbul Academy of Fine Arts) নামে পরিচিত।
- কণ্ঠসঙ্গীত,  যন্ত্রসঙ্গীত, নৃত্যকলা,  নাট্যকলা, চারু ও কারুশিল্পে শিক্ষাদান এবং শিল্প-সাহিত্য-সঙ্গীতে গবেষণা পরিচালনা এর লক্ষ্য।
- একাডেমী ললিতকলার বিভিন্ন মাধ্যম, যেমন কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত,  নৃত্যকলা, নাটক, চিত্রকলা ও ভাস্কর্যশিল্পে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেয়।
- শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমে পদ্ধতিগত শিক্ষাদান ছাড়াও এখানে রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রযোজনা বিভাগ। একাডেমীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীরাই এর সদস্য।
- এ বিভাগ উচ্চমানের অনুষ্ঠানাদি পরিচালনা করে থাকে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আন্দোলনেও এর অংশগ্রহণ থাকে।
- একাডেমী পরিবেশিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য  নৃত্যনাট্য হলো: চন্ডালিকা (১৯৫৮), প্রকৃতির লীলা (১৯৫৮), নকসী কাঁথার মাঠ (১৯৫৯), সিন্ধু (১৯৬১), মায়ার খেলা (১৯৬৪), চিত্রাঙ্গদা (১৯৬৬), হাজার তারের বীণা (১৯৬৭), বাদল বরিষণে (১৯৬৭), রাজপথ জনপথ (১৯৬৯) ও শ্যামা (১৯৭০)। এছাড়াও একাডেমী বিভিন্ন বিষয় ও গানের ওপর প্রায় অর্ধশত খন্ড নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাফা এর ওয়েবসাইট।
৫,৩৯১.
লালদিয়া টার্মিনাল কোন বন্দরের একটি প্রকল্প?
  1. মোংলা বন্দর
  2. পায়রা বন্দর
  3. চট্টগ্রাম বন্দর
  4. মাতারবাড়ি বন্দর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
ব্যাখ্যা

লালদিয়া টার্মিনাল প্রকল্প:
- লালদিয়া টার্মিনাল হলো বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীরে নির্মিতব্য একটি বৃহৎ কনটেইনার টার্মিনাল।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে লালদিয়া চর (Laldia Char)-এ অবস্থিত।

• ২০২৫ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (CPA) এবং ডেনমার্কভিত্তিক APM Terminals (Maersk Group-এর সহযোগী) এর সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- বিনিয়োগ: প্রায় ৫৫ কোটি ডলার।
- নির্মাণ শুরু: ২০২৬ সালে।
- পূর্ণাঙ্গ চালু: ২০৩০ সালের মধ্যে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম PPP (Public-Private Partnership) মডেলে সম্পূর্ণ ডিজাইন, ফান্ডিং, নির্মাণ ও পরিচালনার টার্মিনাল।
- লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালটি বছরে ৮ থেকে ১০ লাখ টিইইউ (কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার আন্তর্জাতিক একক) পর্যন্ত কনটেইনার পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। 

উল্লেখ্য,
- চুক্তির মেয়াদ: ৩+৩০+১৫ বছর।
- তিন বছরের মধ্যে নির্মাণ শেষ করে ২০২৯ সালে টার্মিনালটি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এরপর ৩০ বছর টার্মিনালটি পরিচালনা করবে এপিএম টার্মিনালস। পরে উভয় পক্ষ চাইলে আরও ১৫ বছর চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে পারে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বণিক বার্তা।

৫,৩৯২.
মুজিব নগর সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য কত সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ৮ জন
  3. ৯ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জন
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৮ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় ছিল। 
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯৩.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত? 
  1. ৭২.৮%
  2. ৭৪.৮%
  3. ৭৪.২%
  4. ৭১.৮%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৫,৩৯৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. ক) ১২ নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ১৯ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ২১ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ৪১ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়,
“ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্যে
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা,
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার,
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন,
বিলোপ করা হইবে।”

অন্যদিকে,
১৯ নং অনুচ্ছেদ : সুযোগের সমতা
২১ নং অনুচ্ছেদ : নাগরিক ও সরকারি কর্মচারিদের কর্তব্য
৪১ নং অনুচ্ছেদ : ধর্মীয় স্বাধীনতা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৫,৩৯৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না?
  1. ক) ৬৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ৬৩ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ৬৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ৭২ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৩ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৩ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে না। 

• অন্যদিকে: 
- ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে। 
- ৬৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি সম্পর্কে। 
- ৭২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদের অধিবেশন সম্পর্কে। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 
৫,৩৯৬.
সুনাগরিকের প্রধান গুণ-
  1. ক) বিবেক
  2. খ) সুশিক্ষা
  3. গ) অর্থ
  4. ঘ) দায়িত্ববোধ
সঠিক উত্তর:
ক) বিবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিবেক
ব্যাখ্যা
সুনাগরিকের প্রধান গুণ তিনটি। যথা- বুদ্ধি, বিবেক এবং আত্মসংযম। 

- বুদ্ধি- একজন সুনাগরিকের অন্যতম মৌলিক গুণ হচ্ছে বুদ্ধি। বুদ্ধির পর্যাপ্ত ব্যবহারের মাধ্যমে সে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সহযোগিতা করতে পারে।
- বিচার- একজন সুনাগরিকের শুধু বুদ্ধিমানও আত্মসংযমী হলেই হয় না তাকে অবশ্যই বিচারের সঠিক ব্যবহার জানতে হয়। বিবেক বিচার হলো ভালো-মন্দের জ্ঞান ও দায়িত্ব কর্তব্যের জ্ঞান।
- আত্মসংযম: একজন সুনাগরিকের আরেকটি অন্যতম গুণ হচ্ছে আত্মসংযম। ‌ নাগরিককে অসৎ কার্যাবলী যেমন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বার্থপরতা, পক্ষপাতিত্ব ইত্যাদি ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখে।

- রাষ্ট্রের যে নাগরিক সকল সমস্যা অতি সহজে সমাধান করে, যার বিবেক আছে সে ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ বুঝতে পারে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে, আর যে আত্মসংযমী সে বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে। এসব গুণসম্পন্ন নাগরিকদের বলা হয় সুনাগরিক।

সূত্র- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫,৩৯৭.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) আব্দুল জলিল
  2. খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
  3. গ) ফয়সল বিন জামান
  4. ঘ) আহমেদ বিন জায়েদ
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চটগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিতে বালাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৯৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন?
  1. স্যার এ. এফ. রহমান
  2. স্যার রবার্ট নাথানিয়েল বার-অ্যাট-ল
  3. স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ
  4. স্যার ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
সঠিক উত্তর:
স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় বিধানসভায় গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
- ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।

⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিশনের নাম ছিলো নাথান কমিশন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ।

অন্যদিকে,
- উপ-মহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলমান উপাচার্য ছিলেন স্যার এ. এফ. রহমান।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৯৯.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. সোনারগাঁও
  3. ঢাকা
  4. পাহাড়পুর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর:
- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

⇒ সোনারগাঁয়ের পূর্বে মেঘনা নদী, পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা, দক্ষিণে ধলেশ্বরী এবং উত্তরে ব্রষ্মপুত্র দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকায় এলাকাটি উন্নত ছিল। সেজন্য রাজা-বাদশাগণ সানন্দে সোনারগাঁয়ে বাংলার রাজধানী গড়ে তুলেছিলেন। বৌদ্ধ আমল থেকেই সুবর্ণগ্রাম শুর, পাল এবং দেব প্রভৃতি রাজার রাজধানী হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৪০০.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ কে?
  1. ক) রফিক উদ্দিন
  2. খ) আবদুস সালাম
  3. গ) আবুল বরকত
  4. ঘ) অহিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ক) রফিক উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রফিক উদ্দিন
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ  রফিক উদ্দিন 
• পরিচয়: জগন্নাত কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র 
• জন্মস্থান : পারিল , সিঙ্গািইর ,মানিকগঞ্জ।  

আবুল বরকত 

পরিচয়: তার ডাক নাম আবাই এবং  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর ছাত্র ।
 • জন্মস্থান : তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর অঞ্চলের বাবলা গ্রামে । 

আবদুস সালাম 
জন্মস্থান : ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার লক্ষণপুর গ্রামে 
• পরিচয়: তিনি তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের 'পিয়ন'  ছিলেন।

SOURCE: বাংলাপিডিয়া