বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫৩ / ৩০৬ · ৫,২০১৫,৩০০ / ৩০,৮৩২

৫,২০১.
ইউরিয়া সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ফার্নেস অয়েল
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) মিথেন গ্যাস
  4. ঘ) অপরিশোধিত তেল
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
- ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ইউরিয়া সার জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করে। বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সারের মধ্যে ইউরিয়া সারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভুগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৫,২০২.
সরকারি নোটে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
  2. বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর
  3. অর্থ সচিব
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৫,২০৩.
নিচের কোনটি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত?
  1. ছয় দফা
  2. এগারো দফা
  3. একুশ দফা
  4. এক দফা
সঠিক উত্তর:
ছয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় দফা
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:

- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' কোথায় উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,২০৪.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী যৌথ কমান্ড গঠন করে—
  1. ১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
  3. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর।

উল্লেখ্য, 
- বিশ্ব ইতিহাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ।
- বাংলাদেশ হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের মধ্যে প্রথম দেশ, যে দেশ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত আমাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে।
- বিশেষভাবে ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
- ৬-১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয় ৷

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।
৫,২০৫.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কোন বিভাগের অধীন?
  1. ক) আইন বিভাগ
  2. খ) বিচার বিভাগ
  3. গ) প্রতিরক্ষা বিভাগ
  4. ঘ) শাসন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
সুপ্রিমকোর্ট, অধস্তন আদালত এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল নিয়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ গঠিত। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে স্থাপিত আদালত। যেমনঃ শ্রম আদালত, ভাড়া নিয়ন্ত্রক আদালত। (সূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)।
৫,২০৬.
কোন দেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ক্রিকেটে জয়লাভ করে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. পাকিস্তান
  3. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট জয় পায়।
- এর আগে, ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা অর্জন করে এবং
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশের এখন অব্দি অন্যতম অর্জন হলো ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।

৫,২০৭.
‘কাবিখা’ কর্মসূচি কোন ধরনের সরকারি উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত?
  1. টিকা দান
  2. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
  3. দারিদ্র বিমোচন
  4. অবকাঠামো উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র বিমোচন
ব্যাখ্যা

‘কাবিখা’ কর্মসূচি:
- বাংলাদেশে দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ‘কাবিখা’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব, খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ অঞ্চলে তীব্র বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ যখন অনাহারের সম্মুখীন হয়, তখন সরকার জরুরি ভিত্তিতে ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ কর্মসূচি চালু করে, যা পরবর্তীতে কাবিখা হিসেবে পরিচিতি পায়।
- এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামোর নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ, স্বাভাবিক সময়ে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দরিদ্র মানুষের আয় বৃদ্ধি।
- পাশাপাশি দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা ও সার্বিক দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,২০৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, খাদ্যে মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ?
  1. ১০.২২%
  2. ৯.৮৪%
  3. ১২.২২%
  4. ১০.৫২%
সঠিক উত্তর:
১০.২২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.২২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
[খাদ্যে – ১০.২২% ও খাদ্য বহির্ভূত খাতে – ৯.৩৪%]

- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫,২০৯.
নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়ন ও ক্ষমতা কোন অনুচ্ছেদের অধীনে?
  1. ১২৪
  2. ১১৭
  3. ১১৮
  4. ১০৮
সঠিক উত্তর:
১২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৪
ব্যাখ্যা

◊ ১২৪ অনুচ্ছেদ — নির্বাচন সম্পর্কিত বিধানপ্রণয়ন:
- সংসদের ১২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ আইনের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পর্কিত বিষয়গুলি নির্ধারণ করতে পারে।
• এর মধ্যে রয়েছে : 
- নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ,
- ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা,
- নির্বাচন পরিচালনা এবং
- সংসদের সঠিক গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিধান প্রণয়ন করা।

উল্লেখ্য, 
• ১০৮ অনুচ্ছেদ — সুপ্রিম কোর্টের কোর্ট অব রেকর্ড স্বরূপ ক্ষমতা:
- সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ মতে, সুপ্রিম কোর্ট একটি কোর্ট অফ রেকর্ড; তার আদেশ এবং রায় চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে এবং
- কোন বাক্তি  আদালত এর সিদ্ধান্তের অবমাননা করলে সুপ্রিম কোর্ট তদন্ত ও শাস্তিসহ তার সমস্ত সংবিধিবদ্ধ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে ওই বাক্তির বিরুদ্ধে।
• ১১৭ অনুচ্ছেদ — প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল:
- সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ সম্পর্কিত বিধান নির্ধারণ করে (ট্রাইব্যুনালের প্রতিষ্ঠা, এখতিয়ার ও কার্যপদ্ধতি ইত্যাদি)।
• ১১৮ অনুচ্ছেদ — নির্বাচন কমিশন:
- ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে, যার প্রধান হবেন একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং
- সদস্য হিসেবে সর্বোচ্চ চারজন নির্বাচন কমিশনার থাকবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৫,২১০.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট মোট কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ২২৩টি
  2. ২২৫টি
  3. ২২৭টি
  4. ২২০টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা

 নির্বাচনী ফলাফল: 
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে (২১৫টি+ ৮টি স্বতন্ত্র সদস্য যোগদান করেন)= ২২৩টি।
- মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়:
- আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি)।
- কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২১১.
জামদানি শাড়ি দেশের কততম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো: Geographical indication বা ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
১. জামদানি,
২. ইলিশ,
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম,
৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি, 
৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ,
৬. কালিজিরা,
৭. রংপুরের শতরঞ্জি,
৮. রাজশাহী সিল্ক,
৯. ঢাকাই মসলিন,
১০. বাগদা চিংড়ি।
১১. ফজলি আম।
১২. তুলসীমালা ধান।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ১২ জুন শেরপুরের তুলসীমালা ধান জিআই পণ্যের সনদ লাভ করে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৫,২১২.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা কতটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
- উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ২০২১-২০৪১ খ্রি. মেয়াদে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশন দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
এই পরিকল্পনা চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল।
এগুলো হলো:
- সুশাসন
- গণতন্ত্রায়ণ
- বিকেন্দ্রীকরণ এবং
- সক্ষমতা বৃদ্ধি।
(তথ্যসূত্র: দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা : ২০২১-২০৪১)
৫,২১৩.
How many sectors were there during the Liberation War?
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 7
  4. ঘ) 9
সঠিক উত্তর:
খ) 11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 11
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালে ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,২১৪.
According to Power System Master Plan (PSMP), the government has set a target to increase installed electricity generation capacity to ___ MW by 2030.
  1. ক) 24,000
  2. খ) 40,000
  3. গ) 60,000
  4. ঘ) 45,000
সঠিক উত্তর:
খ) 40,000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 40,000
ব্যাখ্যা
According to Power System Master Plan (PSMP) 2016, the government has set a target to increase
installed electricity generation capacity to 24,000 MW by 2021, 40,000 MW by 2030 and 60,000
MW by 2041.
On the other hand, natural gas met almost 63 percent of the country's total
commercial use of energy.

Source: Bangladesh Economic review 2021
৫,২১৫.
নিচের কোনটি শৈত্য সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৫৪
  2. ব্রি ধান ৫৬
  3. ব্রি ধান ৩৬
  4. ব্রি ধান ৫৫
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৩৬
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল:
- বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল।
- শীতকালে দেশের চরম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে থাকে।
- শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস - ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস - ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে।

⇒ আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন-গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়।
- তবে রোপা আমন ও বোরো ধানের পরাগায়ণ ও দানা গঠনের সময় শৈত্য বেশি পড়লে অর্থাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে চিটা হয়ে ফলন কমে যায়।

⇒ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের ঠাণ্ডাপ্রবণ এলাকার জন্য ব্রি ধান ৩৬ জাতটি বের করে।
- বীজ বপনের সময় যে সব এলাকায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায় সেসব এলাকার জন্য এ জাতটি খুবই উপযোগী।
- ব্রি ধান ৫৫ জাতটি মাঝারি শৈত্য সহ্য করতে পারে বলে দেশের শৈত্য-প্রবণ এলাকায় চাষ করা যায়।

অন্যদিকে,
- ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৫ খরা সহিষ্ণু ফসলের জাত।
- ব্রি ধান ৫৪ লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,২১৬.
বাউলার চর হিসেবে খ্যাত-
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সন্দ্বীপ
  3. শাহপরীর দ্বীপ
  4. কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ :
- হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ ।
- এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত ।
- একসময় এটিকে বলা হতো চর ওসমানী, বালুয়ার চর, গোল্ডেন আইল্যান্ড

- 1950 এর দশকের গোড়ার দিকে নোয়াখালীর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অগভীর মোহনায় একটি পলিমাটির মতো একটি দ্বীপের গুচ্ছ (প্রধানত বল্লার চর, কমলার চর, চর ওসমান এবং চর মুড়ি) আবির্ভূত হয়। এই নতুন বালুকাটা প্রথমে একদল জেলেদের নোটিশ টেনেছিল, যারা এর নাম দিয়েছিল বাউলার চর (আক্ষরিক অর্থে, বালির পলি) পরে বল্লার চরে রূপান্তরিত হয়। 

- ২০০ 8 সালের 8 এপ্রিল সরকার জহজমারা রেঞ্জের ,০,3০ একর (১,,3৫ হেক্টর) বনকে নিঝুম দ্বীপে ,,৫৫০ একর (8,65৫ হেক্টর) বনভূমি জঙ্গলের জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু বাস্তবে, এই ঘোষণার একটি খুব অলস চেহারা আছে।

- প্রাক্তন মন্ত্রী আমিরুল ইসলাম কালাম এর বিচ্ছিন্নতা এবং মৃদু স্বভাব দেখে এটিকে 'নিঝুম দ্বীপ' নামকরণ করেছিলেন।

উৎস: নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
৫,২১৭.
ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত দিন অনশন করেছিলেন?
  1. ১৯ দিন
  2. ১৬ দিন
  3. ১৩ দিন
  4. ১৭ দিন
সঠিক উত্তর:
১৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ দিন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন।
- ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ছয়দফা ঘোষণা করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ১ নং আসামী ছিলেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে ।
- বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।
- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল ১৮ মিনিট ।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয় অপারেশন বিগবার্ড এর মাধ্যমে।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু' ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,২১৮.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সবোর্চ্চ রেমিট্যান্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
- দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
•  ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%),
- দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)। 

উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক (ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত)।
৫,২১৯.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র (৬,৬৬৫.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির চিত্র তুলে ধরা হলো -
- জার্মানি    ৪,৯৫৪.৭৮
- যুক্তরাজ্য - ৩,১৫৪.৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- জার্মানি    ৪,৯৫৪.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ফ্রান্স - ১,৬৭৬.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- নেদারল্যান্ডস - ১,১৬৩.৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ইতালি - ১,০৫৮.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

•  এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
• রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানির ২.৬৪%।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
৫,২২০.
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কত সালে জাতিসংঘের LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে?
  1. ক) ২০২১ সালে
  2. খ) ২০২৪ সালে
  3. গ) ২০২৫ সালে
  4. ঘ) ২০২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
LDC (Least Developed Countries) হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কর্তৃক ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ন থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৫,২২১.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে মিনিবাস চলাকালে কত টাকা টোল দিতে হয়?
  1. ৮০
  2. ১৬০
  3. ৩২০
  4. ৪২০
সঠিক উত্তর:
১৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:

- দ্রুতগতির এই উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৫,২২২.
বাংলাদেশে প্রথম রেল লাইন কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৭২ সালে
  3. ১৯৬২ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম রেল লাইন:
- দেশের গণপরিবহন মাধ্যমসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের রেলওয়ে সরকারের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রীয় পরিবহন খাত।
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- রেলওয়ের কার্যক্রম শুরু হয় ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬২ সালে।
- প্রথম দিকে শুধু অর্থনৈতিক কাজের জন্য রেলপথ চালু করা হয়।
- ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রথম এ অঞ্চলে রেলপথ স্থাপন করে।
- ১৮৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কলকাতা থেকে রাণাঘাট পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ওই বছরের ১৫ নভেম্বর রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ চালু করে।

⇒ ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে তৎকালীন রেলওয়ে পরিচালিত হতো।
- ১৯৭৩ সালে বোর্ডের কার্যক্রম বিলুপ্ত করে একে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়।

উৎস: i) রেলপথ মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,২২৩.
মৌলিক অধিকারের রক্ষক-
  1. বিচার বিভাগ
  2. সংবিধান
  3. ন্যায়পাল
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
ব্যাখ্যা
• মৌলিক অধিকার
- নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো রাষ্ট্রের সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকলে তা সাংবিধানিক আইনের মর্যাদা লাভ করে।
- এর ফলে সরকার এ সমস্ত অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। নাগরিকগণ তাদের অধিকার ভোগ করতে কোনো প্রকার সরকারি বাধার সম্মুখীন হয় না।
- তাই সংবিধান মৌলিক অধিকারের রক্ষক।
- মানবাধিকারের উৎস ও রক্ষক জাতিসংঘ।
- মৌলিক অধিকারের উৎস রাষ্ট্রের সংবিধান এবং রক্ষক রাষ্ট্র ও সংবিধান।
- মানবাধিকার একটি আন্তর্জাতিক অধিকার।
- এর পরিধি ব্যাপক ও বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫,২২৪.
চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯১৪ সালে
  2. ১৯১৮ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:
- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।

- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন। ডাক নাম কালু। 
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে ‘মাস্টারদা’ আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,২২৫.
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশা করেন কে?
  1. রোহানি বাহারিন
  2. এহসান খান
  3. সালেহ রহমান
  4. বারহাম সালিহ
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
তৃতীয় টার্মিনাল:
- ০৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।
- ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী এই টার্মিনালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন।
- টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- টার্মিনালটির নকশা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ও ব্যস্ততম হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন।
- বিশ্বমানের এই টার্মিনালে ১ হাজার ৪৪টি গাড়ি রাখার সক্ষমতাসহ বহুতল গাড়ি পার্কিং তৈরি করা হচ্ছে।
- এই টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করে রাখা যাবে।

তথ্যসূত্র - হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট।
৫,২২৬.
মুক্তিযুদ্ধকালে কাদেরিয়া বাহিনী কোন অঞ্চলে সক্রিয় ছিল?
  1. টাঙ্গাইলে
  2. খুলনায়
  3. যশোরে
  4. বরিশালে
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনী:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইলে তার নিজস্ব বাহিনী নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
- তাঁর বাহিনীর নাম ছিল কাদেরিয়া বাহিনী।
- এ বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় কৃতিত্বের সাথে পাকবাহিনীর মোকাবিলা করে।
- ২৮ মার্চ ভূয়াপুর কলেজের শহীদ মিনারের পাদদেশে ‘ভূঞাপুর সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ’-এর সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,২২৭.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ২০০২
সঠিক উত্তর:
২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- এই মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন রেদোয়ান আহমেদ।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।।
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই মন্ত্রণালয়ের অধীন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

৫,২২৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ১০.৪%
  2. ১২.১%
  3. ১৪.০%
  4. ২২.১%
সঠিক উত্তর:
১৪.০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪.০%
ব্যাখ্যা
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২২.১%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ১০.৪%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত পরিবহন ও যোগাযোগ ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত ভর্তুকি ও প্রণোদনা ।

তথ্যসূত্র- জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অর্থবছর।
৫,২২৯.
বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর কোনটি?
  1. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর
  2. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর
  3. মংলা সমুদ্র বন্দর
  4. পটুয়াখালী সমুদ্র বন্দর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি।
- এগুলো হলো:
১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,২৩০.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুসারে, কোন বিভাগে সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে?
  1. খুলনা বিভাগে
  2. রংপুর বিভাগে
  3. রাজশাহী বিভাগে
  4. বরিশাল বিভাগে
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা: ঢাকা।
- সবচেয়ে কম ঘন বসতি পূর্ণ জেলা: রাঙ্গামাটি।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে: বরিশাল বিভাগে।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৫,২৩১.
"আজব ও জবর আজব অর্থনীতি" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. মোহাম্মদ ইউনুস
  2. আবুল মাল আবদুল মুহিত
  3. রেহমান সোবহান
  4. আকবর আলি খান
সঠিক উত্তর:
আকবর আলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর আলি খান
ব্যাখ্যা
- 'আজব ও জবর আজব অর্থনীতি' গ্রন্থের রচয়িতা আকবর আলি খান। 

আকবর আলি খান: 

- আকবর আলি খান ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন।
- ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।
- পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। 

আকবর আলি খানের লেখা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 
- পরার্থপরতার অর্থনীতি,
- আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,

সূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার।
৫,২৩২.
The country's 28th gas field is in _____
  1. ক) Moulavibazar
  2. খ) Beanibazar
  3. গ) Kanaighat
  4. ঘ) Zakiganj
সঠিক উত্তর:
ঘ) Zakiganj
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Zakiganj
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৫,২৩৩.
'মানসম্মত শিক্ষা' SDG-এর কত নং অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রার বিষয়বস্তু?
  1. ৪ নং
  2. ২ নং
  3. ৩ নং
  4. ১ নং
সঠিক উত্তর:
৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নং
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,২৩৪.
আউশ ধান রোপনের উপযুক্ত সময় কোনটি?
  1. মধ্য জানুয়ারি – ফেব্রুয়ারি
  2. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  3. জুনের শেষ – জুলাই শুরু
  4. নভেম্বর – ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
- আউশ ধান = মধ্য মার্চ মধ্য এপ্রিল।
- আমন ধান =  জুনের শেষ সেপ্টেম্বরের শুরু।
- বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
- আউশ ধান = মধ্য জুলাই আগস্টের শুরু।
- আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

৫,২৩৫.
ফরিদপুর জেলায় কোন ফসলটির উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়?
  1. ক) আনারস
  2. খ) তুলা
  3. গ) পাট
  4. ঘ) লিচু
সঠিক উত্তর:
গ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাট
ব্যাখ্যা
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট  উৎপাদন - ফরিদপুর জেলা (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)।
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)।

অন্যদিকে, 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় - খুলনা বিভাগে (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)। জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঝিনাইদহ জেলা (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।

আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১
৫,২৩৬.
BCIC-এর অধীনে একমাত্র কাগজ কারখানা কোনটি?
  1. ক) চন্দ্রঘোনা কাগজ কল
  2. খ) কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ
  3. গ) এশিয়া কাগজ কল
  4. ঘ) উত্তরবঙ্গ কাগজ কল
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৫,২৩৭.
১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রচারিত ”চরমপত্র” সিরিজটি পরিকল্পনা করেন কে?
  1. এম.আর আখতার মুকুল
  2. গাজী মাজহারুল ইসলাম
  3. আব্দুর রব চৌধুরি
  4. আবদুল মান্নান
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র :
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- ১৯৭১-এর ৩০ মার্চ পাকিস্তান বিমান বাহিনী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। ফলে এটি অচল হয়ে যায়।
- ২৫ মে তারিখ কেন্দ্রটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং একই দিনে সেখানে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
- এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,২৩৮.
'আমাদের বাঁচার দাবি: ৬-দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক পুস্তিকা প্রচার করা হয় কার নামে?
  1. ক) মওলানা ভাসানী
  2. খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) খাজা নাজিমউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সংগে মিল রেখে।
- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন দিতে হবে।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

উৎস: যুগান্তর, ০৭ জুন, ২০২১।
৫,২৩৯.
‘তমদ্দুন মজলিশ’ সাংস্কৃতিক সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2.  ড. মুহাম্মদ এনামুল হক
  3. ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।

⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিস"।
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর নতুন বাস্তবতায় তমদ্দুন মজলিস কেবল বাংলা ভাষায়ই নয়, বরং একটা সার্বিক জীবন ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন ভাষায় একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছিলো।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- তমদ্দুন মজলিসের নেতৃত্বেই ১৯৪৭ সালের পহেলা অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের দোসরা মার্চ তমদ্দুন মজলিশসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের যৌথসভায় শামসুল আলমকে আহ্বায়ক করে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ' নামে নতুন কমিটি হয়েছিলো।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৫,২৪০.
পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধান প্রণয়নের পথ সুগম করে কোন ঘটনাটি?
  1. মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা
  2. মারী চুক্তি
  3. সম্মিলিত বিরোধী দল (COP) গঠন
  4. 'পোডো' ও 'এবডো' আদেশ জারি
সঠিক উত্তর:
মারী চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারী চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকার:
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে কোয়ালিশন সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল মাত্র ১৩ মাস।
- তিনি ১৯৫৪ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।
- তিনি পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধান প্রণয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- আইনমন্ত্রী থাকাকালে সোহ্‌রাওয়ার্দীর বলিষ্ঠ ও উদ্যোগী ভূমিকার সুবাদেই পাকিস্তানের দুই অংশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ১৯৫৫ সালে মারী চুক্তি সম্ভব হয়। 
- এই চুক্তি পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধান প্রণয়নের পথ সুগম করে।
- আওয়ামী লীগ প্রধান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ৫ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে একটি কোয়ালিশন সরকার গঠন করেন।
- এর ফলে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেন।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন।
- ইস্কান্দার মীর্জার গোপন ষড়যন্ত্রে রিপাবলিকান দলীয় কিছু সদস্য সমর্থন প্রত্যাহার করায় সোহরাওয়ার্দীর মন্ত্রিসভা দুর্বল হয়ে পড়ে।
- ফলে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,২৪১.
বঙ্গভঙ্গ রদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কে দিয়েছিলেন?
  1. রাণি মেরী
  2. ব্যামফিল্ড ফুলার
  3. সম্রাট পঞ্চম জর্জ
  4. লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সম্রাট পঞ্চম জর্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদ:
- বঙ্গভঙ্গ রদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন রাজা পঞ্চম জর্জ।
- ১৯১১ সালে ব্রিটিশ ভারতের সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে এক দরবারে এই ঘোষণা করেন।

⇒ ১৯১০ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের নতুন ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে বঙ্গভঙ্গ রদের বিষয়ে গোপন তৎপরতা শুরু করেন।
- লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদ করে বাংলা পুনঃএকত্রীকরণের সুপারিশ করেন।
- ব্রিটেনের সম্রাট পঞ্চম জর্জ এবং ভারত সচিব লর্ড ক্রু প্রমুখ বঙ্গভঙ্গ রদের পক্ষে মত দেন।
- ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ও রাণি মেরী ভারত সফরে আসেন।
- তাদের সফর উপলক্ষে ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে এক ঐতিহাসিক দরবারের আয়োজন করা হয়।
- সেখানে সম্রাট পঞ্চম জর্জ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ফলে কার্জনের বাংলা বিভক্তির ব্যবস্থা বাতিল হয়।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গভঙ্গের ফলে ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রেসিডেন্সী ও বর্ধমানের পাঁচটি বাংলা ভাষাভাষী বিভাগ নিয়ে বাংলা প্রদেশ পূনর্গঠন করা হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৫,২৪২.
বিশ্বের কততম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১১৫ তম
  2. ১১৭ তম 
  3. ১১৮ তম 
  4. ১১৯ তম 
সঠিক উত্তর:
১১৯ তম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯ তম 
ব্যাখ্যা

ই-পাসপোর্ট:
- ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয়।
- ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করায় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম। 
- বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ডয়েচে ভেলে।

৫,২৪৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. সাতক্ষীরা
  2. রাজশাহী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৫,২৪৪.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয় কবে?
  1. ১১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ১ নভেম্বর, ২০০৮
  3. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ১ নভেম্বর, ২০০৯
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে।
- ১৯৯৪ সালে সাবেক জেলা জজ মাজদার হোসেন বিচারবিচাগ পৃথকীকরণের জন্যে হাইকোর্টে রিট করলে আপিল বিভাগ ১৯৯৯ সালে এর চূড়ান্ত রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করে।
- এর ভিত্তিতেই ১ নভেম্বর ২০০৭ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয়।
- এ দিন সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধি কার্যকরের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে অধস্তন আদালত সমূহে বিচারক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জুডিশিয়াল সার্ভিস কাউন্সিল দেখভাল করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা। 
৫,২৪৫.
কত সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে?
  1. ক) ২০২৬
  2. খ) ২০৩০
  3. গ) ২০৩১
  4. ঘ) ২০৪১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০৪১
ব্যাখ্যা
২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ।

- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার চারটি ভিত্তি হলো:
১. স্মার্ট সিটিজেন,
২. স্মার্ট ইকোনোমি,
৩. স্মার্টগভর্নমেন্ট,
৪. স্মার্ট সোসাইটি।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩ এবং বণিকবার্তা।
৫,২৪৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদকাল -
  1. ক) ৭ বছর
  2. খ) ১০ বছর
  3. গ) ১৩ বছর
  4. ঘ) ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ হবে -  প্রদানের তারিখ থেকে ১৫ বছর।

• জাতীয় পরিচয়পত্র:

- জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ অনুসারে,
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করে থাকে।
- আবার, মেশিন রিডেবল জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্ট কার্ডের মেয়াদ - ১০ বছর।
- এতে নাগরিকদের ৩২ ধরনের তথ্য সংরক্ষিত থাকে।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৫,২৪৭.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রথমে কত জনকে 'বীরবিক্রম' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ৬৫ জন
  2. ১৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বিভিন্ন খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর এই খেতাব প্রদান করা হয়।

• খেতাব:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৫,২৪৮.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কারের নাম কী?
  1. স্বাধীনতা পদক
  2. বীরবিক্রম
  3. একুশে পদক
  4. বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার
সঠিক উত্তর:
একুশে পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একুশে পদক
ব্যাখ্যা

একুশে পদক:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কারের নাম একুশে পদক।
- ১৯৭৬ সালে এটি প্রবর্তন করা হয়।
- জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে। 

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান।
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
• ক্রীড়ায়: বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৫,২৪৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ১১৬
  2. খ) অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. গ) অনুচ্ছেদ ১২০
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ১১২
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- ৫জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন ৫ বছরের জন্য গঠিত হয়।
- দেশের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।
- নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কার্যাবলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনানুযায়ী সম্পন্ন হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৫০.
What was the code name of Flight Lieutenant Matiur Rahman's hijacked plane?
  1. Big Bird
  2. Black Bird
  3. Blue Bird
  4. Sea Bird
সঠিক উত্তর:
Blue Bird
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blue Bird
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান:

- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান টি-৩৩ বিমানটি ছিনিয়ে আনতে গিয়ে শহীদ হন।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ঢাকার ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৬৩ সালের জুন মাসে কমিশন লাভ করেন। কর্মস্থল ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের রিসালপুর।
- এর পরের বছর পেশোয়ারে জেট পাইলট নিযুক্ত হবার পূর্বে করাচিতে জেট কনভার্সন কোর্স সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেন।
- ২০ আগস্ট সকালে করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে পাইলট অফিসার মিনহাজ রশীদের টি-৩৩ বিমান নিয়ে উড়বার শিডিউল ছিল।
- মতিউর ছিলেন তার প্রশিক্ষক।
- টি-৩৩ বিমানের সাংকেতিক নাম ছিল ব্লু বার্ড।
- প্রশিক্ষণকালে মতিউর বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিজ হাতে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেন নি।
- বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ভারতীয় সীমান্তের কাছে থাট্টায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,২৫১.
কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকে?
  1. হাজং
  2. ম্রো
  3. পাংখোয়া
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
ম্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্রো
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,২৫২.
জনশুমারি ২০২২-এ কোন গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
  1. De-jure
  2. Classical Defecto
  3. Modified De-fecto
  4. Household Count
সঠিক উত্তর:
Modified De-fecto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modified De-fecto
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৫,২৫৩.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৫,২৫৪.
"Society is a system of social relationships in and through which we live." কে বলেছেন?
  1. অ্যালান বল ও ম্যাকাইভার
  2. হ্যারল্ড লাসওয়েল ও পেজ
  3. আর্নেস্ট বার্কার  ও কিম্বল ইয়ং
  4. ম্যাকাইভার ও পেজ
সঠিক উত্তর:
ম্যাকাইভার ও পেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাকাইভার ও পেজ
ব্যাখ্যা
• সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজ :
- ‘Society’নামক গ্রন্থে বলেছেন,"Society is a system of social relationships in and through which we live."
- অর্থাৎ সমাজ হচ্ছে এমন সব সামাজিক সম্পর্কের একটি ব্যবস্থা যার মধ্যে আমরা জীবন যাপন করি। তিনি সমাজ বলতে সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালকে বুঝিয়েছেন।

এছাড়াও,
• অধ্যাপক অ্যালান বল (Alan Ball)
- Comparative Politics and Government নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “One of the most important functions of political parties is that of uniting, simplifying and stabilizing the political process”.
• রাজনৈতিক দলের কার্যপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র তথা রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংহতি ও স্থায়িত্ব সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। 

• অধ্যাপক আর্নেস্ট বার্কার :
“বিভিন্ন মতবাদের দ্বারা পরিচালিত হলেও সকল রাজনৈতিক দলই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্ভদ্ধ হয়ে সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের দ্বারা নির্বাচকমন্ডলীর সমর্থন পেতে সচেষ্ট হয়।”

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৫৫.
জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের জন্মস্থান কোনটি? 
  1. পীরগাছা
  2. বদরগঞ্জ
  3. তারাগঞ্জ
  4. পীরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• শহীদ আবু সাঈদ:
- জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে শহীদ হয়েছিলেন।
⇒ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৫,২৫৬.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভা গঠনে কার ভূমিকা মুখ্য?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) সংসদ সদস্য
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিসভা গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা: প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের তালিকা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করবেন, আর রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ দিবেন।

প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেই মন্ত্রী নিযুক্ত করবেন। প্রয়োজনবোধে সংসদ সদস্য নন এমন নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যক্তিকেও মন্ত্রিসভায় তিনি অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। তবে এভাবে নিযুক্ত মন্ত্রীদের সংখ্যা এক-দশমাংশের বেশি হবে না।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৫,২৫৭.
কাগমারি সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু কোথায়?
  1. কুষ্টিয়া
  2. পাবনা
  3. টাঙ্গাইল
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
কাগমারি সম্মেলন:
- কাগমারি সম্মেলন  টাঙ্গাইল জেলার কাগমারিতে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন। 
- ৭ ফেব্রুয়ারি কাউন্সিল অধিবেশনে মূল আলোচ্যসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি।
- কিন্তু সিয়াটো ও সেন্টোর সামরিক চুক্তির প্রতি  আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী  হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করলে সম্মেলনে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়।
- আওয়ামী লীগের আইনসভার সদস্য ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে কাউন্সিল অধিবেশনে মওলানা ভাসানী সোহরাওয়ার্দীর অনুসৃত সামরিক জোটের সমালোচনা করেন।
- ওই ভাষণে মওলানা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন।
- তিনি পাকিস্তান স্বাক্ষরিত সামরিক চুক্তি এবং কেন্দ্র কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানে আরোপিত অর্থনৈতিক নীতিমালার পক্ষেও রায় দেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানসহ দলের ডানপন্থি সদস্যগণ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্ব ও নীতি সমর্থন করেন এবং বামপন্থি সদস্যগণ সমর্থন জানান মওলানা ভাসানীকে।
- এখানেই আওয়ামী লীগ আদর্শিক কারণে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- পরবর্তী সময়ে মওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে  ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,২৫৮.
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ কত টাকা ব্যয় করতে পারেন?
  1. ১৫ লক্ষ
  2. ২০ লক্ষ
  3. ২৫ লক্ষ
  4. ৫০ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন প্রতিটি প্রার্থীর জন্য খরচের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেন। 
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা খরচ করতে পারবেন।
- নির্বাচন কমিশন একজন প্রার্থীর ব্যয় সীমা ভোটার প্রতি ১০ টাকা অথবা সর্বোচ্ছ ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

উৎস: DW বাংলা। [লিঙ্ক]
৫,২৫৯.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে -
  1. ছাত্রলীগ
  2. ছাত্র ইউনিয়ন
  3. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  4. আওয়ামী লীগ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫,২৬০.
ড. স্মিথ কোন শাসককে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছিলেন?
  1. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. শ্রীগুপ্ত
  4. অশোক
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬১.
গম্ভীরা বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ঘ) জামালপুর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- ‘গম্ভীরা’ লোকসঙ্গীতের উৎপত্তি ভারতের মালদহ জেলার হিন্দু সমাজে। দেশভাগের পর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মুসলিম সম্প্রদায় ‘গম্ভীরা’ গানের পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠে।
- আদিতে ‘গম্ভীরা’ গানের মূল বিষয়ে শিবের বন্দনা থাকলেও মুসলিম সমাজে এই গানের বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার বিষয়বস্তু হয়ে উঠে।
- নানা-নাতির সংলাপের মাধ্যমে ‘গম্ভীরা’ গান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ প্রভৃতি জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৫,২৬২.
How many people in the Air Force who received the title in the Liberation War?
  1. ক) 11
  2. খ) 21
  3. গ) 30
  4. ঘ) 46
সঠিক উত্তর:
খ) 21
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 21
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন বাহিনীতে খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা:

- বিমান বাহিনী - ২১  জন।
- সেনাবাহিনী - ২৮৮ জন।
- নৌবাহিনী - ২৪  জন।
- বাংলাদেশ রাইফেল্স - ১৪৯ জন।
- মুজাহিদ/ আনসার - ১৪ জন।
- গণবাহিনী - ১৭৫ জন।

তথ্যসূত্র - বাংলপিডিয়া।
৫,২৬৩.
এ.কে. ফজলুল হককে কোথায় ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দেওয়া হয়?
  1. ঢাকায়
  2. করাচিতে
  3. কলকাতায়
  4. লাহোরে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা

এ.কে. ফজলুল হক:
- একে ফজলুল হকের পুরো নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা। তিনি ছিলেন কলকাতা করপোশনের প্রথম বাঙালি মুসলমান, বাংলার প্রধানমন্ত্রী, পূর্বপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, পুর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাগ্মী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

⇒ ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তার বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাকে ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দেয়। ‘শের-ই-বঙ্গাল’ অর্থ বাংলার বাঘ। সেই থেকে তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত।

⇒ ১৯১২ সালে ফজলুল হক কলকাতায় "কেন্দ্রীয় জাতীয় মুসলিম শিক্ষা সমিতি" (Central Muslim Educational Association) গঠন করেন। এই শিক্ষা সমিতির মাধ্যমে তিনি মুসলমানদের শিক্ষাকে স্তরে স্তরে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
- আবুল কাশেম ফজলুল হকের প্রচেষ্টায় ১৯১৬ সালে কলকাতায় 'বেকার হোস্টেল' ও 'কারমাইকেল হোস্টেল' প্রতিষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও,
- তিনি জীবনে আরো অনেক উপাধি পেয়েছেন।
- ১৯৫৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তাকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,২৬৪.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ক) চা
  2. খ) পাট
  3. গ) গম
  4. ঘ) তুলা
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
ব্যাখ্যা
পাট:
- সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ।
- বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ পাট থেকে উৎপাদিত সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- সারা বিশ্বে আঁশ উৎপাদনকারী ফসল হিসেবে তুলার পরেই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসল দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন সাড়ে তিন মণ।
- বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়— ফরিদপুর জেলায় । 
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা— ১৯৭৪ সালে ।
- পাট উৎপাদনের বিশ্বে প্রথম দেশ- ভারত (২য় শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ)।
- জুটন আবিস্কার করেন— ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকউল্লাহ । 
- আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IJO) প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর ফার্মগেট, ঢাকা (প্রতিষ্ঠা ২৭ এপ্রিল ২০০২)। 
- বাংলাদেশে উৎপন্ন কিছু উন্নত জাতের গম— অগ্রণী, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
৫,২৬৫.
'রেগুলেটিং অ্যাক্ট' অনুযায়ী, উপমহাদেশের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

রেগুলেটিং অ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি.):
- প্রথমদিকে উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির যাবতীয় কার্যক্রম ইংল্যান্ডের বোর্ড অব ডাইরেক্টরস পরিচালনা করত।
- পরবর্তীতে রাজ্য বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির শাসনব্যবস্থায় বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
- এসব বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট উপমহাদেশের শাসনকার্যে প্রথমবারের মতো হস্তক্ষেপ করে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে শাসন আইন নামে যে আইন পাস করেন, সেটিই ইতিহাসে রেগুলেটিং অ্যাক্ট নামে পরিচিত।
- এই আইনের মাধ্যমে বোর্ড অব ডাইরেক্টরসকে ব্রিটিশ সরকারের নিকট কোম্পানির শাসন ও রাজস্ব সংক্রান্ত সকল তথ্য পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
- বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল উপাধি প্রদান করা হয়।
- এই আইনের অধীনে বাংলার গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস উপমহাদেশের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৬৬.
৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু পরবর্তী আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য কতদফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
  1. ক) ৪ দফা
  2. খ) ৫ দফা
  3. গ) ৮ দফা
  4. ঘ) ১০ দফা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ দফা
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙ্গালির ইতিহাসের এক মহেন্দ্রক্ষণ। সকাল থেকেই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্র-জনতা-অবাল-বৃদ্ধ-বণিতা-দলে দলে সমবেত হতে থাকে।
- বিকাল ৩ঃ২০ মিনিট নাগাদ প্রায় ১০ লাখ জনতা ময়দানে সমবেত হয়।
- এই ভাষণের শব্দসংখ্যা ছিল ১১০৫ টি ।
- ভাষণের সময় বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে রেখেছিল সিরাজুল আলম খান , আ স ম আবদুর রব , তোফায়েল আহমেদ , মহিউদ্দিন , শেখ ফজলুল হক মনি। 

- বঙ্গবন্ধু তার ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন। যথা−
(ক) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
(খ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
(৩) গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
(৪) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

৭ মার্চ ভিন্ন এক ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু পরবর্তী সাতদিন আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য দশদফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দফাগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো:-

১. কর না দেওয়ার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে,
২. সকল অফিস ও আদালতে ধর্মঘট চলতে থাকবে,
৩. রেল ও বন্দরসমূহ চালু থাকবে। তবে সেনাবাহিনী চলাচলের কাজে শ্রমিক-কর্মচারীরা সহযোগিতা করবে না,
৪. রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে গণআন্দোলনের সংবাদ গোপন রাখা যাবে না,
৫. কেবল স্থানীয় এবং আন্তঃজেলার মধ্যে ট্রাঙ্ক ও টেলিফোন যোগাযোগ চালু থাকবে,
৬. সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে,
৭. কোন মাধ্যমেই ব্যাংক পশ্চিম পাকিস্তানে টাকা পাঠাবে না,
৮. প্রতিদিন সব ভবনের উপর কালো পতাকা ওড়ানো হবে,
৯. অন্য সব ক্ষেত্রে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হল, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে ধর্মঘট আহŸান করা হলে তা পালন করতে হবে,
১০. প্রতিটি মহল্লা, ইউনিয়ন, থানা, মহকুমা এবং জেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ইউনিটের নেতৃত্বে একটি করে সংগ্রাম
পরিষদ গঠন করা হবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬৭.
আর্যরা কখন বাংলাদেশ ভূখণ্ডে আসে?
  1. ক) খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে
  2. খ) খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে
  3. গ) খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে
  4. ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে
ব্যাখ্যা
আর্যদের আদি নিবাস ছিলো ইউরাল পর্বতমালার দক্ষিণে বর্তমান ইরান ও কিরগিজস্থানে। সেখান থেকে খ্রিস্টপূর্ব দুই হাজার অব্দে আর্যরা ভারতে আগমন করে। আর্যরা বাংলাকে অপবিত্র মনে করতো বিধায় দীর্ঘদিন তারা বাংলা ভূখন্ডে প্রবেশ করেনি। পরবর্তীতে খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দ থেকে আর্যরা বাংলায় প্রবেশ ও বসতি স্থাপন করতে শুরু করে। প্রথমে তারা গাঙ্গেয় উচ্চভূমিতে বসতি স্থাপন করে। পরবর্তীতে গাঙ্গেয় নদী অঞ্চলে আর্যদের প্রভাব বিস্তৃত হলেও এরা বাংলার অনার্য জনগোষ্ঠীর সাথে গভীরভাবে মিশেনি। এর ফলে বাঙালি জাতিগঠন প্রক্রিয়ায় অনার্য জাতিগোষ্ঠী অস্ট্রিক ও দ্রাবিড়দের প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়। বাংলায় পাল আমলে আর্য সংস্কৃতি বিকাশ লাভ করে। (সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৫,২৬৮.
বৈশ্বিক জিডিপির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ৩২তম
  2. ৩৩তম
  3. ৩৪তম
  4. ৩৫তম
সঠিক উত্তর:
৩৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫তম
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক জিডিপির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান:
- বৈশ্বিক জিডিপি তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবে, ২০২২ সালে বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ৪৬০ বিলিয়ন বা ৪৬ হাজার কোটি মার্কিন ডলার।
- সম্ভাবনা আছে, আগামী ১৫ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০তম অর্থনীতির দেশ হবে। 

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের অংশীদার বিশ্ব অর্থনীতির বড় সব দেশ।
- দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানির বৃহত্তম গন্তব্য।
- চীন থেকে আসে সবচেয়ে বেশি আমদানি পণ্য।

উৎস: ২৯ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
৫,২৬৯.
সুন্দরবনের বাঘ গণনা এ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) পাগ মার্ক
  2. খ) ফুট মার্ক
  3. গ) GIS
  4. ঘ) কোয়ার্ডবেট
সঠিক উত্তর:
ক) পাগ মার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাগ মার্ক
ব্যাখ্যা

২০০৪-০৫ সালে পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে বাঘ শুমারি করা হয়েছিল।
[সূত্র: বিবিসি]

সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় পাগ-মার্ক ও ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি।
[সূত্র: প্রথম আলো]

৫,২৭০.
কোন উপজাতিগোষ্ঠীতে মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. সাঁওতাল
  2. চাকমা
  3. খাসিয়া
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- গারো।
- খাসিয়া।

পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- চাকমা
- সাঁওতাল
- হাজং
- মারমা

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,২৭১.
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. লালমনিরহাট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. গোপালগঞ্জ
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে স্থাপিত হবে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: ২৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৫,২৭২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, মোট জনসংখ্যা -
  1. ক) ১৬৮.৮ মিলিয়ন
  2. খ) ১৭৯.৮ মিলিয়ন
  3. গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
  4. ঘ) ১৭১.৮ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, 

মোট জনসংখ্যা = ১৭ কোটি ৮ লাখ (১৭০.৮ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১১৪০/বর্গ কি.মি.
গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল =  ৭২.৮ বছর (পুরুষ - ৭১.২ বছর ও নারী - ৭৪.৫ বছর)
স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) =  ৭৫.২%  (পুরুষ - ৭৭.৪% ও নারী - ৭২.৯%)

পুরুষ ও নারীর অনুপাত = ১০০.২ : ১০০
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যার অনুপাত =  ১ : ১৭২৪
সুপেয় পানি গ্রহণকারী = ৯৮.৩%

দারিদ্র্যের হার =  ২০.৫%
চরম দারিদ্র্যের হার = ১০.৫%
স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে) =  ১৮.১ জন
স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) =  ৫.১ জন

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৫,২৭৩.
ন্যাশনাল কার্ড স্কিম 'টাকা পে' উদ্বোধন করা হয় -
  1. ১ নভেম্বর, ২০২৩
  2. ২ নভেম্বর, ২০২৩
  3. ৩ নভেম্বর, ২০২৩
  4. ৪ নভেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
পে কার্ড:
- ১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে এই ডেবিট কার্ডের উদ্বোধন হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হয়েছে ‘টাকা পে’ কার্ড।
- এটি ভিসা, মাস্টারকার্ড ও অ্যামেক্সের মতো আন্তর্জাতিক কার্ড সেবার একটি স্থানীয় বিকল্প।
- প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক, বেসরকারি খাতের দি সিটি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক টাকা পে কার্ড সেবা চালু করেছে।
- টাকা পে কার্ডের লেনদেন নিষ্পত্তি হবে শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ অব বাংলাদেশ (এনপিএসবি)–এর মাধ্যমে। 
- ভবিষ্যতে টাকা পে কার্ড ভারতেও ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
- শুরু থেকেই দেশের সব এটিএম, পয়েন্টস অব সেলস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৫,২৭৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাংক রেট কত?
  1. ক) ৪.৭৫%
  2. খ) ৪%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৪.২৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
ব্যাখ্যা
রেপাে ও রিভার্স রেপাে সুদহার এবং ব্যাংক রেট যথাক্রমে ৫০, ৭৫ ও ১০০ বেসিস পয়েন্ট হ্রাস করে ৪.৭৫, ৪.০০ ও ৪.০০ শতাংশে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৫,২৭৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ সরকার কত তারিখে আইএলওর ৩টি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে?[ অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ২২ অক্টোবর, ২০২৫ 
  2. ২৪ অক্টোবর, ২০২৫ 
  3. ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ 
  4. ২৬ অক্টোবর, ২০২৫ 
সঠিক উত্তর:
২২ অক্টোবর, ২০২৫ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ অক্টোবর, ২০২৫ 
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তিনটি কনভেনশনে স্বাক্ষর:
- ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তিনটি কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- কনভেনশনগুলো হলো পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কনভেনশন, ১৯৮১ (নং-১৫৫); কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মান উন্নয়নে প্রচারণামূলক কাঠামো কনভেনশন, ২০০৬ (নং-১৮৭) এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ক কনভেনশন, ২০১৯ (নং-১৯০)। কনভেনশন তিনটির মধ্যে কনভেনশন ১৮৭ ও কনভেনশন ১৫৫ আইএলও'র মৌলিক কনভেনশন। ২০২২ সালে এ দুটিকে মৌলিক কনভেনশন হিসেবে গ্রহণ করে আইএলও।

 উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

৫,২৭৬.
কোন পঞ্চবার্ষিকীর সাথে 'ভিশন - ২০৪১' সম্পর্কিত?
  1. ষষ্ট পঞ্চবার্ষিকী
  2. পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী
  3. সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী
  4. অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী 
• সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতির জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ আগেই শেষ হলেও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কার্যকর হতে দেরি হয়। ২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর এটি জাতীয় অর্থনীতিক কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) - এর সভায় উত্থাপন করা হয়। ২৯ ডিসেম্বর একনেক তা অনুমোদন করে। পরিকল্পনাটি ২০২০ সালের জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে:-
-  কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
- জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
- সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

ভিশন - ২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে। ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিসি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তার মধ্যে -
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

তথ্য:- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী রিপোর্ট।
৫,২৭৭.
বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী কে?
  1. নিশাত মজুমদার
  2. খলিল আহমেদ
  3. ওয়াসফিয়া নাজনীন
  4. মুসা ইব্রাহিম
সঠিক উত্তর:
মুসা ইব্রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের এভারেস্ট বিজয়ী:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- পেশায় তিনি একজন সাংবাদিক ও পর্বতারোহী।
- ২০১০ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন এবং লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান মুসা।
- মূলত তার হাত ধরেই পর্বতবিজয়ী দেশের তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের নাম। 
- ২০১২ সালের ১৯ মে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে পৃথিবীর শীর্ষচূড়া এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার। 
- ২০১১ সালে এম এ মুহিত ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। 
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৫,২৭৮.
BAPA (2000) was launched in Bangladesh to -
  1. Protect the environment
  2. Advance digital technology
  3. Enhance political engagement
  4. Promote industrial growth
সঠিক উত্তর:
Protect the environment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Protect the environment
ব্যাখ্যা
BAPA:
- বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ২০০০ সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু করা হয়েছিল।

⇒ বাংলাদেশের পরিবেশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। শহুরে বাতাসের মান হ্রাস পাচ্ছে। ভূ-পৃষ্ঠের জলাশয়গুলি দূষিত, সীমাবদ্ধ এবং অবক্ষয়িত হচ্ছে। উধাও হয়ে যাচ্ছে বন ও খোলা জায়গা। কোলাহল বাড়ছে। বিলুপ্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
- এই অবক্ষয়ের প্রক্রিয়াগুলোকে ধীরগতি ও বিপরীতমুখী করা না হলে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক অগ্রগতি ধীরে ধীরে ব্যাহত হবে এবং বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
- বাংলাদেশের পরিবেশ-পন্থী শক্তিরা বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (ICBEN) একত্রিত হয়।
- ICBEN ২০০০ এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে, BAPA গঠিত হয়।

উৎস: BAPA ওয়েবসাইট।
৫,২৭৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণের বিষয়বস্তু নয় কোনটি?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
  2. সামরিক আইন প্রত্যাহার।
  3. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর।
  4. সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া।
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
ব্যাখ্যা
৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণ
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণে সকল বাঙ্গালিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
- এই ভাষণের জন্যই ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল জনপ্রিয় ম্যাগাজিন দ্য নিউজ উইক বঙ্গবন্ধুকে 'পোয়েট অব পলিটিক্স' বা রাজনীতির কবি হিসাবে অভিহিত করে।
- এই ভাষণের ৪ টি মূল বিষয় ছিল। যথা--
১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
৩. পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্তৃক নিরীহ ও নিরস্ত্র লোকদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।
৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

উল্লেখ্য, 
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- ২০২১ সাল থেকে ৭ মার্চ 'ঐতিহাসিক দিবস' হিসাবে পালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ঘোষিত ছয় দফা দাবির প্রথমটি ছিল 'প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন'।

তথ্য - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৫,২৮০.
‘কারাগারের রোজনামচা’ ত্রিপুরা ভাষায় অনুবাদ করেছেন -
  1. ক) আন্না কোক্কিয়ারেল্লা
  2. খ) যুবরাজ দেববর্মা
  3. গ) সৌমেন ভারতীয়া
  4. ঘ) চয়নিকা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
খ) যুবরাজ দেববর্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুবরাজ দেববর্মা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী‘ সর্বশেষ ত্রিপুরা ভাষায় অনুদিত হয়েছে। 
দীর্ঘ দুই বছরের প্রচেষ্টায় ত্রিপুরা ভাষায় (ককবরক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অনুবাদ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা। তিনি ‘ককবরক’ বইটির নাম দিয়েছেন ‘পাইথাকয়া লাংমা’; এর অর্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’।
 
এ পর্যন্ত ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চীনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, স্প্যানিশ, অসমীয়া, ইতালীয়, মালয়, কোরীয়, রুশ, মারাঠি, গ্রীক, থাই ইত্যাদি ভাষায় বইটি অনূদিত হয়েছে। 
 
=====
 
অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী সংকলন।
- ২০১২ সালের জুনে এ বইটি প্রকাশিত হয়।
- ২০০৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা চারটি খাতা আকস্মিকভাবে তাঁর কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তগত হয়।
- খাতাগুলি অতি পুরানো, পাতাগুলি জীর্ণয় এবং লেখা প্রায়শ অস্পষ্ট।
- মূল্যবান সেই বাতাগুলি পাঠ করে জানা গেল এটি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, যা তিনি ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে অন্তরীণ অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ করতে পারেননি। 
- এই লেখাগুলোকে বঙ্গবন্ধু হারিয়ে যাওয়া পূর্বোক্ত আত্মজীবনী হিসেবে সুনিশ্চিত করা হয়।
- পরে এগুলো বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় গ্রন্থাকারে অসমাপ্ত আত্মজীবনী নামে ২০১২ সালের জুনে প্রকাশ করা হয়।
- 'দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড'-এর পক্ষে এ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান; সময়নিউজ,  যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট
৫,২৮১.
কোনটি জলাভূমির বন?
  1. ক) শালবন
  2. খ) চুনাতি
  3. গ) রাতারগুল
  4. ঘ) লাউয়াছড়া
সঠিক উত্তর:
গ) রাতারগুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাতারগুল
ব্যাখ্যা
সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত রাতারগুল হলো একটি জলমগ্ন বনভূমি। এটি বছরের প্রায় প্রায় অর্ধেক সময় জলমগ্ন থাকে। এটির আয়তন ২০৪.২৫ হেক্টর। হিজল, করচ, বরুন ইত্যাদি এ বনের প্রধান উদ্ভিদ।
(সূত্র: বন অধিদপ্তর)
৫,২৮২.
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষ সংগঠন। 

- এটি ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ (১৯৯৪ সালে সংশোধিত) এবং  কোম্পানি আইন ১৯১৩ (১৯৯৪ সালে সংশোধিত)-এর অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ফেডারেশনের তিন ধরণের সদস্য রয়েছে "চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এ ও বি শ্রেণীর চেম্বার), শিল্প ও বণিক সমিতিসমূহ (এ ও বি শ্রেণির সমিতি) এবং যৌথ চেম্বার (বিদেশি কোম্পানিসমূহের সাথে গঠিত)। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া
৫,২৮৩.
‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করা বাংলাদেশি- 
  1. ইকরামুল হাসান শাকিল
  2. এম এ মুহিত
  3. বাবর আলী
  4. সৌকত রেজা চৌধুরি
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

• ইকরামুল হাসান শাকিল:
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
-  ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন 'সি টু সামিট', অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো এবং The Business Standard.

৫,২৮৪.
'মাৎস্যন্যায়' এর অবসান ঘটিয়ে কে বাংলায় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শশাঙ্ক
  2. গোপাল
  3. ধর্মপাল
  4. মহিপাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল
ব্যাখ্যা
- গোপাল পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা যিনি নৈরাজ্য কাটিয়ে শাসনের স্থিতি আনেন।

মাৎস্যন্যায়:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন ।

উল্লেখ্য, 
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার শশাঙ্ক পরবর্তী সময়কে নির্দেশ করে।
- মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হন।
- তাই বলা যায় ‘মাৎস্যন্যায়’ গোপাল পূর্ববর্তী সময়কে নির্দেশ করে।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৮৫.
সংস্কার কমিশনের মতে, একজন সংসদ সদস্য একই সাথে নিম্নলিখিত কোন পদগুলোর মধ্যে একটির বেশি ধারণ করতে পারবেন না? 
  1. সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী এবং দলীয় সাধারণ সম্পাদক
  2. রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিচারপতি
  3. স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং মন্ত্রী 
  4. প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা এবং রাজনৈতিক দলের প্রধান
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা এবং রাজনৈতিক দলের প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা এবং রাজনৈতিক দলের প্রধান
ব্যাখ্যা

নিম্নকক্ষ: 
- নিম্নকক্ষ গঠিত হবে সংখ্যগরিষ্ঠ ভোটে সরাসরি নির্বাচিত সদস্যদের সমন্বয়ে।
- ৪০০ (চারশো) আসন নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে।
- ৩০০ (তিনশো) জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন।
- আরো ১০০ জন নারী সদস্য সারা দেশের সকল জেলা থেকে এই মর্মে নির্ধারিত ১০০ (একশটি) নির্বাচনী এলাকা থেকে কেবল নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন।
-  রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের মোট আসনের ন্যূনতম ১০% আসনে তরুণ-তরুণীদের মধ্য থেকে প্রার্থী মনোনীত করবে।
- সংসদীয নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ন্যূনতম বয়স কমিয়ে ২১ বছর করা হবে।
- ২ (দুই) জন ডেপুটি স্পিকার থাকবেন, যাদের মধ্যে একজন বিরোধী দল থেকে মনোনীত হবেন।
- একজন সংসদ সদস্য একই সাথে নিম্নলিখিত যেকোনো একটির বেশি পদে অধিষ্ঠিত হবেননা:
- (ক) প্রধানমন্ত্রী, (খ) সংসদনেতা, এবং (গ) রাজনৈতিক দলের প্রধান।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন [লিঙ্ক]

৫,২৮৬.
জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা কে ছিলেন?
  1. ক) সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. খ) আসাদুজ্জামান খান কামাল
  3. গ) আসাদুজ্জামান খান
  4. ঘ) মনোরঞ্জন ধর
সঠিক উত্তর:
গ) আসাদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আসাদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
▪ বাংলাদেশের প্রথম ও ষষ্ঠ  জাতীয় সংসদে কোন বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন না।
▪ জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা (দ্বিতীয় সংসদে) ছিলেন আসাদুজ্জামান খান
▪ সংসদীয় ব্যবস্থায়  বিরোধীদলীয় নেতা পদটি একজন পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদার সমান।
▪ সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
▪ চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।


তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
৫,২৮৭.
১৯০৫ সালে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের গভর্নরের নাম কী ছিল?
  1. ব্যামফিল্ড ফুলার
  2. লর্ড কার্জন
  3. অ্যান্ড্রু ফ্রেজার
  4. লর্ড মেয়ো
সঠিক উত্তর:
ব্যামফিল্ড ফুলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা
ব্যামফিল্ড ফুলার:
- ১৯০৫ সালে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের গভর্নরের নাম স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার।

⇒ স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার ছিলেন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ এবং আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
- তিনি ১৮৮৫ সালে মধ্য প্রদেশের ভূমি জরিপ ও কর নির্ধারণ এবং কৃষিবিষয়ক কমিশনার হিসেবে ভারতীয় সিভিল সার্ভিস-এ তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালে ভাইসরয়ের পরিষদের অতিরিক্ত সদস্য এবং ১৯০১-০২ সাল পর্যন্ত ভারত সরকারের সচিব ছিলেন।
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদে নিয়োগ লাভের পূর্বে ফুলার আসামের প্রধান কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসনে সেবা প্রদানের জন্য নাইট উপাধি লাভ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,২৮৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, বাংলাদেশের  চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৬%
  2. ৩.৬%
  3. ৪%
  4. ৫.১%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৫,২৮৯.
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্ত কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. যশোর
  3. রাজশাহী
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
দহগ্রাম ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,২৯০.
'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রটির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন -
  1. শওকত আকবর
  2. আমজাদ হোসেন
  3. আফজাল চৌধুরী
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
'জীবন থেকে নেয়া':
• পটভূমি - একটি দেশ। একটি সংসার। একটি চাবির গোছা। একটি আন্দোলন। নান্দনিক পোস্টারের এই স্লোগান পড়ে মনে হতে পারে কয়েকজন নারী আর একটি চাবির গোছা নিয়ে এক আটপৌরে বাঙালি পরিবারের গল্প। কিন্তু সেটি ছিল আসলে একটি রাষ্ট্রের গল্প। রাষ্ট্রের অধিকার আদায়ের গল্প। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির গল্প।

- চলচ্চিত্রটির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন জহির রায়হান।
- চলচ্চিত্রটির দৃশ্যধারণ করেন আফজাল চৌধুরী।
- আনিস ফিল্মস করপোরেশনের পরিবেশনায় ১৯৭০ সালে মুক্তি পেয়েছিল চলচ্চিত্রটি।
- চলচ্চিত্রটিতে খান আতাউর রহমান, আনোয়ার হোসেন, শওকত আকবর, রওশন জামিল, রাজ্জাক, রোজী সামাদ, আমজাদ হোসেন।
- চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহৃত হয়েছে আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি যা পরবর্তীকালে একুশের প্রভাতফেরীর অত্যাবশ্যকীয় গান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এছাড়াও সিনেমাটির সঙ্গীত নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
- চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহার হয় কাজী নজরুল ইসলামের ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি যা আন্দোলন কর্মীদের গুরুত্বকে পর্দায় ফুটিতে তোলে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩।
৫,২৯১.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. আবুল কাশেম
  3. শামসুল হক
  4. আবদুল হক
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

→ তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম।

ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৫,২৯২.
২০২০-২০২১ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত ছিলো?
  1. ৪২.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৩.৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৪.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৬.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৬.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
- সদ্যসমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জুন মাস শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক ‍মুদ্রার রিজার্ভ ছিলো ৪৬.৩৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৫,২৯৩.
ঢাকা-রাজশাহী রুটে চালুকৃত বিরতিহীন নতুন আন্তঃনগর ট্রেন?
  1. ক) সিল্কসিটি
  2. খ) বনলতা এক্সপ্রেস
  3. গ) সারদা এক্সপ্রেস
  4. ঘ) রাজশাহী এক্সপ্রেস
সঠিক উত্তর:
খ) বনলতা এক্সপ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বনলতা এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
ঢাকা- রাজশাহী রুটে বিরতিহীন নতুন আন্তঃনগর ট্রেন হলো বনলতা এক্সপ্রেস। ২৫ এপ্রিল ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী এ ট্রেন উদ্বোধন করেন। ১২ টি কম্পার্টমেন্টের এই ট্রেন সপ্তাহে শনি থেকে বৃহঃবার ঢাকা - রাজশাহী রটে বিরতিহীন চলাচল করে। (সূত্রঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে)
৫,২৯৪.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল-
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) কোলকাতায়
  3. গ) মেহেরপুরে
  4. ঘ) চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুরে
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,২৯৫.
চাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
চাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ, শীর্ষ দেশ চীন। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি- ২০২০]
৫,২৯৬.
মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বরগুনা
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) চাপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:

- মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,২৯৭.
বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম কী?
  1. হরিকেল
  2. নদীয়া
  3. বাকলা
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
বাকলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাকলা
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম বাকলা বা চন্দ্রদ্বীপ।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৯৮.
The position of Bangladesh in 2024 index of economic Freedom is -
  1. 152nd
  2. 123rd
  3. 134th
  4. 103rd
  5. 116th
সঠিক উত্তর:
116th
উত্তর
সঠিক উত্তর:
116th
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০২৪:
- যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৪ প্রকাশ করেছে।।
- ২০২৪ সালের সূচকে ৫৪.৪ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১১৬তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ সিঙ্গাপুর।
- সর্বনিম্ন দেশ উত্তর কোরিয়া।
 
উৎস: The Heritage Foundation ওয়েবসাইট।
৫,২৯৯.
হিউয়েন সাং ভারতে আসেন কার শাসনামলে?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. হর্ষবর্ধন
  3. অশোক
  4. শশাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
হর্ষবর্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হর্ষবর্ধন
ব্যাখ্যা
- হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারত ভ্রমণ করেন এবং তাঁর আতিথ্য গ্রহণ করেন।

হিউয়েন সাং:
- ফা-হিয়েনের পরবর্তী তীর্থ-ভ্রমণকারী ছিলেন হিউয়েন-সাং।
- তাঁর বিবরণী থেকে সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সম্পর্কে কিছুটা তথ্য জানা যায়।
- সে সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন, বাংলায় শশাঙ্ক এবং আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করছিলেন।
- ৬২৯ সালে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন সাং উত্তরের বাণিজ্য পথ ধরে মধ্য এশিয়ার কুশ হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান।
- হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন।
- কনৌজনগরে পৌঁছে তিনি ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন।
- হিউয়েন-সাং যখন নালন্দা মহাবিহারে অধ্যয়ন করেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ।
- হিউয়েন-সাং শীলভদ্রের একজন ছাত্র ছিলেন।
- হিউয়েন-সাং ৬৩৮ সালের দিকে বাংলায় আসেন।
- ৬৪৫ সালে হিউয়েন সাং চীনে প্রত্যাবর্তন করলে তাঁকে বিপুল সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
- ৬৬৪ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বৌদ্ধ রচনার অনুবাদে জীবনের বাকি সময় ব্যয় করেন হিউয়েন সাং।
- শৈশব থেকেই তিনি ধর্মগ্রন্থ, বিশেষ করে চৈনিক ধ্রুপদি গ্রন্থ ও প্রাচীন জ্ঞানী লোকদের লেখা পাঠে আগ্রহী হন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩০০.
টাইমের 'শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের কোন খাবার?
  1. এমডিসিএফ-২
  2. ওরস্যালাইন
  3. সিএমএফ -১
  4. ডিএমএফ- ২
সঠিক উত্তর:
এমডিসিএফ-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমডিসিএফ-২
ব্যাখ্যা

'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫':
- 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫'-এর সম্মান পেল আইসিডিডিআর, বি ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত অন্ত্র সুস্থকারী খাবার এমডিসিএফ-২।
- বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকী তাদের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' তালিকায় 'সামাজিক প্রভাব' বিভাগে আইসিডিডিআর, বি এবং সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির দীর্ঘদিনের যৌথ গবেষণার ফসল অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারকারী বিশেষ সম্পূরক খাদ্য এমডিসিএফ-২-কে স্থান দিয়েছে।
- এমডিসিএফ হলো মাইক্রোবায়োটা ডিরেক্টেড কমপ্লিমেন্টারি ফুড বা অন্ত্রের জীবাণুদেরকে উদ্দীপ্ত করার জন্য একটি বিশেষ সম্পূরক খাবার।

উৎস: iccddrb ওয়েবসাইট।