বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪৮ / ৩০৬ · ৪,৭০১৪,৮০০ / ৩০,৮৩২

৪,৭০১.
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত ভাস্কর্য কোনটি?
  1. স্মারক
  2. জাগ্রত চৌরঙ্গী
  3. বিজয় ৭১
  4. সংশপ্তক
সঠিক উত্তর:
সংশপ্তক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশপ্তক
ব্যাখ্যা
ভাস্কর্য:

- সংশপ্তক ভাস্কর্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির শিল্পী হামিদুজ্জামান খান।
- শিল্পী ভাস্কর্যটিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের শরীরে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে এতে দৃশ্যমান করা হয়েছে।
- মূল ভূমি থেকে ভাস্কর্যটির উচ্চতা ২৮ ফুট।
- মূল ভাস্কর্যটি ব্রোঞ্জ ধাতুতে তৈরি। এ ছাড়া এটি নির্মাণে লাল সিরামিক ইট ব্যবহার করা হয়েছে।
- দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামবাংলার আপামর জনতার স্বাধীনচেতা, অকুতোভয় মানসিকতার সাহসী প্রতিবিম্ব এ ভাস্কর্য।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৭ ডিসেম্বর ২০২০।
৪,৭০২.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র
  2. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার
  3. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী
  4. কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:

- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র-এ কে ফজলুল হক
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার-আবু হোসেন সরকার
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী-আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী
৪. সৈয়দ আজিজুল হক-শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
- পরবর্তীতে ১৫ মে, ১৯৫৪ সালে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৪,৭০৩.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় 'পোড়ামাটি নীতি' নিম্নের কোন বাহিনী দ্বারা প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. ভারতীয় সেনাবাহিনী
  2. পাকিস্তানি সেনাবাহিনী
  3. গেরিলা বাহিনী
  4. মিত্রবাহিনী
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy):
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী 'পোড়ামাটি নীতি' প্রয়োগ করেছিল।
- পোড়ামাটি নীতি এমন একটি সামরিক কৌশল যা দ্বারা সেনাবাহিনীরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের সামরিক বেসামরিক নির্বিশেষে সবাইকে হত্যার পাশাপাশি সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। শত্রুর পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব এমন স্থাপনা ও অবকাঠামো পুড়িয়ে দেয়। এ থেকে পরিত্রাণ পায় না খাদ্যের উৎস, পানি সরবরাহ, পরিবহন, যোগাযোগ, শিল্পকারখানা। অর্থাৎ প্রতিপক্ষের সবকিছু জ্বালিয়ে পুড়িয়ে একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ায় হলো পোড়ামাটি নীতি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বেলা ১১টায় মেজর জেনারেল খাদিম হুসেইন রাজাকে ফোনে চার শব্দের এক বার্তা দেন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান। প্রায় এক মাস আগে থেকে তৈরি হতে থাকা একটা সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা এভাবেই বাস্তবায়নের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। অভিযানটির নাম ‘অপারেশন সার্চলাইট’।
- নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা আগেই সেনাবহর রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা সেনানিবাস থেকে বেরিয়ে পড়ে। ফার্মগেটে মিছিলের ওপর গুলি চালিয়ে অপারেশন সার্চলাইটের সূচনা করে তারা। তারপর রাতভর চলে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ। পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলে নির্বিচার মানবনিধন। 
- জেনারেল টিক্কা, তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব অর্থাৎ সশস্ত্র বাঙালি ইউনিট ও ব্যক্তিদের নিরস্ত্রীকরণ এবং বাঙালি নেতাদের আটক করার পরিবর্তে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা এবং পোড়ামাটি নীতি অবলম্বন করেন। সৈন্যদের প্রতি তাঁর নির্দেশ ছিল: “মানুষ না, মাটি চাই।” 

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেই ‘অপারেশন ব্লিৎজ’ নামে এই অভিযানের কথা প্রথম ভেবেছিলেন পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান। এর আওতায় সামরিক শাসন জারি করে সামরিক বাহিনীকে ‘বিদ্রোহী’ রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে হেফাজতে নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

৪,৭০৪.
ঢাকা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তুরাগ
  2. শীতলক্ষ্যা
  3. বালু
  4. বুড়িগঙ্গা
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
ঢাকা:
- ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সমাট্র জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।

উল্লেখ্য,
- বুড়িগঙ্গা নদী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী।
- ব্রহ্মপুত্র আর শীতলক্ষ্যার পানি এক স্রোতে মিশে নতুন একটি স্রোত বয়ে চলে।
- সেই স্রোতটির নাম হয় বুড়িগঙ্গা নদী।
- বর্তমানে এটা ধলেশ্বরীর শাখাবিশেষ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৭০৫.
ফ্লাইট লেফটেনান্ট মতিউর রহমান যে মার্কিন বিমানটি নিয়ে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, সেই বিমানটির নাম -
  1. ক) টি - ৩৩
  2. খ) মিগ - ২১
  3. গ) এফ - ৬
  4. ঘ) মিরেজ - ৮
সঠিক উত্তর:
ক) টি - ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টি - ৩৩
ব্যাখ্যা
• মতিউর রহমান:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ছুটিতে এসে মতিউর রহমান স্থানীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন।
- ভৈরবে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনি অংশ নিয়েছিলেন।
- তাঁর লক্ষ্য ছিল বিমান ছিনতাই করে সেটি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেবেন।
 - ২০ আগস্ট সকালে করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে পাইলট অফিসার মিনহাজ রশীদের টি-৩৩ বিমান নিয়ে উড়বার শিডিউল ছিল।
- মতিউর ছিলেন তার প্রশিক্ষক।
- টি-৩৩ বিমানের সাংকেতিক নাম ছিল ব্লু বার্ড।
- প্রশিক্ষণকালে মতিউর বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিজ হাতে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেন নি। বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ভারতীয় সীমান্তের কাছে থাট্টায়। 
 - মতিউর রহমানের দেশপ্রেম ও আত্মদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৭০৬.
জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত রিপোর্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান কত?
  1. সপ্তম
  2. নবম
  3. একাদশ
  4. ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর:
নবম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত রিপোর্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান নবম।

[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করে UNFPA.
- সর্বশেষ ২০২৪ সালের রিপোর্ট অনুসারে, বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।

⇒ বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমারের পাহাড়ী এলাকা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।
- সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ,
- আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড: +৮৮০,
- আন্তর্জাতিক সময় অঞ্চল: বিএসটি (জিএমটি +৬ ঘণ্টা),
- জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন,
- জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর ৮ম বৃহত্তম দেশ।

উৎস: UNFPA ওয়েবসাইট।
৪,৭০৭.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. গৌরব
  2. কাবুলী
  3. চমক
  4. ময়না
সঠিক উত্তর:
গৌরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌরব
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৪,৭০৮.
‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’ ভাষা আন্দোলনের সময়ে রচিত জনপ্রিয় গানটির রচয়িতা-
  1. ক) আবদুল লতিফ
  2. খ) আবদুল গাফফার চৌধুরী
  3. গ) আলতাফ মাহমুদ
  4. ঘ) গোবিন্দ হালদার
সঠিক উত্তর:
ক) আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের সময়ে লেখা আবদুল লতিফের সবেচেয়ে জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গান - ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’। এ গানটিতে তিনি বাংলাদেশের লোকসঙ্গীতের আবহ ও সুরকে ফুটিয়ে তুলেছেন।
গানটি পূর্ব বাংলার ঐতিহ্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক প্রতীকী গানের বৈশিষ্ট্য অর্জন করে।
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত তার আরেকটি জনপ্রিয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো এর প্রথম সুরকার’।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
৪,৭০৯.
‘এস ফোর্স’-এর প্রধান কে ছিলেন?
  1. মেজর জিয়াউর রহমান
  2. মেজর শফিউল্লাহ
  3. মেজর খালেদ মোশাররফ
  4. কর্ণেল আতাউল গণি ওসমানী
সঠিক উত্তর:
মেজর শফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাহিনী গঠন:
- অস্থায়ী সরকার মুক্তিযুদ্ধকে আরো গতিশীল এবং সুশৃঙ্খল উপায়ে পরিচালনা করার জন্য এ দেশের বিভিন্ন বাহিনীতে চাকুরিরত সেনাদের সমন্বয়ে ‘নিয়মিত বাহিনী’ এবং সাধারণ জনতার সমন্বয়ে ‘অনিয়মিত বাহিনী বা গণবাহিনী’ নামক প্রধান দুটি বাহিনী গঠন করা হয়।
- তবে সার্বিকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের এসব বাহিনী ‘মুক্তি বাহিনী’ নামেই সমধিক পরিচিত ছিল।
- কর্ণেল আতাউল গণি ওসমানীকে সেনাপ্রধান নিযুক্ত করা হয়।
- নিয়মিত বাহিনীর অধীনে আরো কিছু উপ বাহিনী গঠিত হয়। যথা-

• সেনা ব্যাটেলিয়ন
- এই বাহিনীটি গঠিত হয় তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তার রাইফেল্স বা ইপিআর এর বাঙালি সদস্যদের সমন্বয়ে।
- এই বাহিনীকে পরে তিনটি আলাদা ব্রিগেডে বা ফোর্সে বিভক্ত করা হয়। ব্রিগেড প্রধানগণ হলেন- 
১. এস ফোর্স- মেজর শফিউল্লাহ।
২. জেড ফোর্স- মেজর জিয়াউর রহমান।
৩. কে ফোর্স- মেজর খালেদ মোশাররফ। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭১০.
দুর্যোগ চলাকালীন জরুরি সাহায্য ও উদ্ধার কার্যক্রম কোন ধাপের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. সাড়াদান 
  2. প্রস্তুতি 
  3. পুনরুদ্ধার
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান 
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ হলো এমন একটি আকস্মিক এবং গুরুতর ঘটনা, যা প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কারণে ঘটে এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের   ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র হলো একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
- এর ছয়টি ধাপ রয়েছে: প্রতিরোধ, প্রশমন, প্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, এবং উন্নয়ন।
- এই চক্রে ঝুঁকি হ্রাস থেকে শুরু করে দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠন পর্যন্ত সব কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।
- সাড়াদান ধাপে দুর্যোগ চলাকালীন খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, 
• প্রতিরোধ (Prevention): দুর্যোগ ঘটতেই না পারে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ, যেমন: বন্যাপ্রতিরোধী বাঁধ নির্মাণ।
• প্রশমন (Mitigation): দুর্যোগের প্রভাব কমানোর দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ, যেমন: ভূমিকম্প-সহনশীল ভবন তৈরি।
• প্রস্তুতি (Preparedness): দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি নেওয়া, যেমন: মহড়া, ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রাখা, পরিকল্পনা তৈরি।
• সাড়াদান (Response): দুর্যোগ চলাকালীন বা সঙ্গে সঙ্গে জরুরি সাহায্য প্রদান, যেমন: উদ্ধার, খাদ্য, আশ্রয় ও স্বাস্থ্যসেবা।
• পুনরুদ্ধার (Recovery): দুর্যোগের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা, যেমন: অবকাঠামো ও অর্থনীতি পুনর্গঠন।
• উন্নয়ন (Development): ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকি হ্রাস ও শক্তিশালী ব্যবস্থা তৈরি, যা পরবর্তী চক্রের প্রস্তুতি ও প্রশমনে সাহায্য করে।
- এই ধাপগুলো চক্রাকারে চলতে থাকে, যার মূল লক্ষ্য মানুষের জীবন, সম্পদ রক্ষা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭১১.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বিষয় কী?
  1. প্রবাসী শ্রমিক
  2. পাট
  3. রেডিমেড গার্মেন্টস
  4. চামড়া
সঠিক উত্তর:
রেডিমেড গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিমেড গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বিষয় রেডিমেড গার্মেন্টস।

রপ্তানি আয়:

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪,৭১২.
সংসদ অধিবেশন সমাপ্ত হওয়ার কত দিন পর আবার অধিবেশন ডাকা বাধ্যতামূলক?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:
(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকবে না। 

• সংবিধান:

- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৭১৩.
বিএনপি প্রথম সরকার গঠন করে কত সালে?
  1. ১৯৭৯ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৮২ সাল
  4. ১৯৭৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সাল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
- ১৯৭৫-এর নভেম্বরের উন্মাতাল রাজপথে অভিষেক ঘটে তাঁর। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক ও যোদ্ধা।
- রমনা বটমূলের খোলা চত্ত্বরে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল (বিএনপি)’ নামে এই নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা - শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
- ১৯৭৮-এর ৩০ নভেম্বর সরকার ১৯৭৯ সালের ২৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে এই প্রথম সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে বিএনপি ২০৭টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে
- বিএনপির প্রথম সরকার গঠন করে ১৯৭৯ সালে।

উৎস : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'

৪,৭১৪.
ঢাকায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের প্রধান দু'টি বধ্যভূমি -
  1. ক) পিলখানা ও সেনানিবাস
  2. খ) জগন্নাথ হল ও ইকবাল হল
  3. গ) শিয়ালবাড়ি ও রায়ের বাজার
  4. ঘ) রমনা ও রেসকোর্স
সঠিক উত্তর:
গ) শিয়ালবাড়ি ও রায়ের বাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিয়ালবাড়ি ও রায়ের বাজার
ব্যাখ্যা
বুদ্ধিজীবী হত্যা

- জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে যুদ্ধবিরতির পক্ষে ব্যাপক সাড়া পড়ে গেলে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে পরাজয় নিশ্চিত জেনে আলবদর ও রাজাকার বাহিনীর সহযোগিতায় ১০ ডিসেম্বর থেকে বুদ্ধিজীবী অপহরণ ও হত্যাকান্ড দ্রুত ঘটানো হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর ঢাকার গভর্নর হাউসে বোমাবর্ষণের পর ডা. মল্লিক মন্ত্রিসভার পদত্যাগের পর পাকবাহিনীর সকল আশা ধূলিসাৎ হলে ইতোমধ্যে আটককৃত কিংবা নতুন আটককৃত বুদ্ধিজীবীদের সরাসরি হত্যা করা হয়।
- ঢাকার বুদ্ধিজীবীদের মিরপুর শিয়ালবাড়ি ও মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়।
- স্থানীয় পর্যায়ে আরো অনেক বধ্যভূমিতে তাঁদের লাশ পাওয়া যায়।
- আবার কারো কারো লাশও পাওয়া যায়নি।
- স্বাধীনতার পর লাশের স্তুপে যাঁদের পাওয়া গিয়েছে তাঁদের সকলের হাত-পা-চোখ বাঁধা ছিল।
- কারো হাত নেই, কারো চোখ বা হৃৎপিন্ড নেই। এগুলো নরপিশাচদের নির্যাতনের স্বাক্ষর বহন করে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭১৫.
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২৩ সালে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি হয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সৌদি আরব
  3. কুয়েত
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি:
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, ২০২৩ সালে ১৩ লাখ ৭ হাজার ৮০৫ জন বাংলাদেশি কর্মী বিশ্বের ১৩৭টি দেশে গেছেন।
- সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছেন আগস্ট মাসে এক লাখ ৩৮ হাজার ৬৭৫ জন।
- আর সবচেয়ে কম কর্মী গেছেন এপ্রিল মাসে ৭৮ হাজার ৮৩৩ জন। 
- সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছেন সৌদি আরবে।
- ২০২৩ সালে সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছেন অক্টোবর মাসে ৫২ হাজার ৯১৭ জন।

অন্যদিকে,
- সৌদি আরবের পর সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছেন মালয়েশিয়ায়।
- সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার পর সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছেন ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সিঙ্গাপুর, কুয়েত, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও জর্দানে। 

উল্লেখ্য,
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের শেষ মাসে ব্যাংকগুলো ১.৯৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে।
- চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০.৮ বিলিয়ন ডলার।

উৎস: i) ৫ জানুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ। [link]
          ii) ২ জানুয়ারি, ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৪,৭১৬.
ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড জেমসফোর্ড 
  2. লর্ড কার্জন 
  3. লর্ড ক্যানিং
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা

ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির সময় ব্রিটিশ গভর্নর বা শেষ ব্রিটিশ গভর্নর-জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- এই পদে আসীন থাকাকালে (১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৪৮-এর জুন পর্যন্ত) তিনি ভারতীয় রাজন্যবর্গকে হয় ভারতীয় ইউনিয়ন, না হয় পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।

⇒ ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।
- স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। এই পদে আসীন থাকাকালে (১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৪৮-এর জুন পর্যন্ত) তিনি ভারতীয় রাজন্যবর্গকে হয় ভারতীয় ইউনিয়ন, না হয় পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।

উল্লেখ্য,
- তিনি ১৯৭৯ সালের ২৭ আগস্ট আয়ারল্যান্ডের অদূরে ডোনেগাল বে-তে তাঁর নৌযানে এক বিস্ফোরণে নিহত হন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Britannica.

৪,৭১৭.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কত তারিখ শুরু হয়?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  2. ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  3. ২৩ মে, ১৯৭২
  4. ২৩ অক্টোবর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় - ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন - শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে (আদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ২৩ মার্চ, ১৯৭২)।
- সংবিধানে স্বাক্ষরের সময় গণপরিষদের মোট সদস্য - ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৭১৮.
The alternate executive director of Bangladesh in the World Bank –
  1. ক) Dr. Gulam Rabbani
  2. খ) Dr. Kamal Uddin Ahmed
  3. গ) Dr. Ahmad Kaykaus
  4. ঘ) Dr. Ahmed Sharif
সঠিক উত্তর:
গ) Dr. Ahmad Kaykaus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Dr. Ahmad Kaykaus
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের নতুন বিকল্প নির্বাহী পরিচালক – ড. আহমদ কায়কাউস।

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩

৪,৭১৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. মনোরঞ্জন ধর
  4. অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা

সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ:
- ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য আওয়ামী লীগসহ পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় ৮ সদস্যের 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ'।
- এই পরিষদের নেতৃবৃন্দ মূলত মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একাত্তরের ১০ এপ্রিল শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত মুজিবনগর সরকারকেই সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছিল।
- ভারতের কলকাতায় গঠন করা হয় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি', যা 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

উল্লেখ্য,
⇒ সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন:
- আহবায়ক ছিলেন: তাজউদ্দীন আহমেদ।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি),
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি),
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা),
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৭২০.
কোথায় বাংলা ভাষাকে আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়?
  1. লাহোর
  2. করাচি
  3. ইসলামাবাদ
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
করাচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করাচি
ব্যাখ্যা

-• ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট (১৯৪৮–১৯৫০)
- ১৯৪৮ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষাকে আরবি হরফে লেখার একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সেই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
- বাংলা ভাষাকে বিকৃত করার এই চেষ্টার অংশ হিসেবে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়, যা তথাকথিত ভাষা সংস্কারের নামে বাংলা ভাষার অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ফেলে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বিরোধিতা করে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়।
- ভাষার অধিকার রক্ষায় নতুন করে আন্দোলনের সংগঠিত প্রয়াস শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রনেতা আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ‘ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- এই কমিটির নেতৃত্বেই ভাষা আন্দোলন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় এবং জনগণের সচেতনতা ও প্রতিবাদের মাধ্যমে তা আরও বেগবান হয়ে ওঠে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি।

৪,৭২১.
UNCTAD এর বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) চীন
  4. ঘ) নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন:
৯ জুন ২০২২ জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) “World Investment Report 2022” শিরোনমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২১ সালে -
• বৈশ্বিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ - চীন।
• বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
• বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) হয় - ২,৮৯৬.৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
• বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ ৫টি দেশ (মিলিয়ন মার্কিন ডলার):
   ১. যুক্তরাষ্ট্র (৫৮৫.৮৮); 
   ২. চীন (৪০৭.৮৮); 
   ৩. সিঙ্গাপুর (২৯৮.৬৯); 
   ৪. যুক্তরাজ্য (২৯৬.০১) ও 
   ৫. দক্ষিণ কোরিয়া (১৫৪.৪৭)।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
৪,৭২২.
সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন- 
  1. শালবন 
  2. রেমা-কালেঙ্গা 
  3. টেংরাগিরি বন 
  4. রাতারগুল 
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন 
ব্যাখ্যা

- টেংরাগিরি বনাঞ্চল হচ্ছে সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় ম্যানগ্রোভ বন।
- টেংরাগিরিও পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর—দেশের তিনটি বৃহত্তম নদ-নদী সাগরে মিলিত হয়েছে।
- এলাকাটি ইলিশের প্রজনন ও বেড়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
- একই সঙ্গে সাগর থেকে দেশের নদ-নদীতে ৫০ শতাংশের বেশি ইলিশ এই মোহনা দিয়ে আসা-যাওয়া করে।
- পরিবেশ–প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও ইলিশ মাছের প্রজননের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ওই স্থান।

উল্লেখ্য,
- রেমা-কালেঙ্গা  একটি শুকনো ও চিরহরিৎ বন এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি বনাঞ্চল। সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় এর অবস্থান। 
- রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট (Ratargul Swamp Forest)।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

৪,৭২৩.
'ষষ্ঠ আদমশুমারি'কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) জনশুমারি ও গৃহগণনা
  2. খ) জনশুমারি
  3. গ) জনগণনা
  4. ঘ) জনগণনা ও গৃহগণনা
সঠিক উত্তর:
ক) জনশুমারি ও গৃহগণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জনশুমারি ও গৃহগণনা
ব্যাখ্যা
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'
- এটি শুরু হয় ১৫ জুন যা শেষ হয় ২১ জুন,২০২২ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৫টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে।

- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ো’র সময়।
- এই আদমশুমারি গুণগতভাবে মানসম্পন্ন ছিলো না। তবে এই আদমশুমারি থেকেই বাংলা একটি মুসলিম প্রধান রাজ্য হিসেবে প্রথম চিহ্নিত হয়।


তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৭২৪.
কাফকো সার কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙাদিয়া
  2. চন্দ্রঘোনা
  3. পতেঙ্গা
  4. মাতারবাড়ী
সঠিক উত্তর:
রাঙাদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙাদিয়া
ব্যাখ্যা

- কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে (কাফকো) বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যৌথ প্রকল্প।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী উপজেলার রাঙাদিয়ায় অবস্থিত যা ১৯৯৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদন শুরু করে।
- বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি সেক্টর, জাপান, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডের যৌথ সহায়তায় এটি স্থাপিত হয়।
- কাফকো উৎপাদিত সার হলো দানাদার ইউরিয়া এবং অ্যামোনিয়া সার।
- এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৬.৮ লক্ষ মেট্রিক টন দানাদার ইউরিয়া এবং ১.৫ লক্ষ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া।
(তথ্যসূত্র: কাফকো ওয়েবসাইট)

৪,৭২৫.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশে একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয়। ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। সূত্র- বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭২৬.
ছয়দফা দাবি কোথায় উথাপন করা হয়?
  1. চট্টগ্রামে
  2. করাচীতে
  3. লাহোরে
  4. ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
ছয়দফা দাবি:
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে।
- তিনি ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলনও গড়ে তোলেন।
- ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ছয়দফার আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২৭.
পাঁচ পীরের মাজার কোথায়?
  1. সোনারগাঁয়ে
  2. রাজশাহীতে
  3. ঢাকা শহরে
  4. খুলনা শহরে
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁয়ে
ব্যাখ্যা
পাঁচ পীরের মাজার:

- পাঁচ পীর বাংলায় পীরানী বিশ্বাসের বিবর্তনে এক তাৎপর্যপূর্ণ উত্তরণ।
- দূরদূরান্তে ইসলামের বিস্তৃতির ফলে মুসলিম জনগণ বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সংস্পর্শে আসে।
- সোনারগাঁয়ের পাঁচ পীরের মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- দরগাহর পাশে একটি মসজিদ আছে।
- মসজিদের গায়ে নির্মাণের তারিখ সম্বলিত কোনো লিপি সংস্থাপিত নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন [লিংক]
৪,৭২৮.
কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য কোনটি?
  1. ক) জাগ্রত চৌরঙ্গী
  2. খ) অপরাজেয় বাংলা
  3. গ) সাবাশ বাংলাদেশ
  4. ঘ) মুক্ত বাংলা
সঠিক উত্তর:
খ) অপরাজেয় বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অপরাজেয় বাংলা
ব্যাখ্যা
কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে স্থাপিত অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য। এটি ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়। এর স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ। অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে ছাত্রসমাজের ভূমিকার পটভূমিতে নির্মিত। জাগ্রত চৌরঙ্গী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য যা গাজীপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত। সাবাশ বাংলাদেশ এবং মুক্তবাংলা ভাস্কর্য যথাক্রমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৪,৭২৯.
রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর -
  1. ০%
  2. ১৫%
  3. ২০%
  4. ৩৩%
সঠিক উত্তর:
০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০%
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৭৩০.
বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৭
  2. ৬৫
  3. ৬৯
  4. ৬৩
সঠিক উত্তর:
৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী।
- মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে তিনি এই প্রস্তাব করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য  ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
-  ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যাঁদের খেতাব বাতিল হলো তাঁরা হলেন লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫),  লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৭ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৪ জন,
• বীর প্রতীক ৪২৪ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
৪,৭৩১.
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া রাষ্ট্রপতি কোন কাজটি করেন?
  1. ক) জরুরি অবস্থা জারি
  2. খ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- তবে বাংলাদেশের সংবিধান দ্বারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা অনেক সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা , নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৩২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৭৩৩.
বাংলাদেশে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ঝিনাইদহ
  3. মৌলভীবাজার
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:

⇒ শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

⇒ শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪,৭৩৪.
TIN-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Taxpayer Identification Number
  2. Tax Identification Number
  3. Tax Inspection Number
  4. Taxpayer Inspection Number
সঠিক উত্তর:
Taxpayer Identification Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Taxpayer Identification Number
ব্যাখ্যা

TIN:
- TIN এর পূর্ণরূপ: Taxpayer's Identification Number.

⇒ E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

৪,৭৩৫.
দেশে প্রথমবারের মতো কৃষক দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ৩০ জানুয়ারি
  2. ৩১ জানুয়ারি
  3. ১ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৩ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
কৃষক দিবস: 
 - ৩০ জানুয়ারি দেশে প্রথমবারের মতো কৃষক দিবস পালিত হয়।
- বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশে প্রথমবারের মতো উদযাপিত হয়েছে ‘কৃষক দিবস-২০২৫’।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ কেন্দ্র (বাউএক) এবং বাকৃবি প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ দিবসটি পালন করা হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক সবজি বাগান চাষে সেরা ছয়জন কৃষক-কৃষাণীকে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও বীজ তুলে দেয়া হয়। 

উৎস: সময় নিউজ (৩০ জানুয়ারি ২০২৫)
৪,৭৩৬.
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢাকা শহরের উচ্চতা কত ফুট?
  1. ৮ ফুট
  2. ১২ ফুট
  3. ২১ ফুট
  4. ২৫ ফুট
সঠিক উত্তর:
২৫ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ফুট
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢাকা শহরের উচ্চতা:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢাকা শহরের উচ্চতা ২৫ ফুট।
- কিন্তু ঢাকা শহরের পাশে কামরাঙ্গীর চর ও জিঞ্জিরার উচ্চতা ৪ থেকে ৫ ফুট। 

উল্লেখ্য,
- ৩০ মার্চ, ২০২৪ জাতীয় প্রেস ক্লাবে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’ আয়োজিত ‘উপকূলের জীবন-জীবিকা : সংকট ও করণীয়’ শীর্ষক  জাতীয় সংলাপে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার আগ্রাসনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত।
- তিনি বলেছেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে খুলনা-সাতক্ষীরা সমুদ্রের অংশ হবে।
- রাজশাহী থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে আশুগঞ্জ পর্যন্ত লবণ পানি চলে আসবে।
- এমনকি ঢাকা শহরের চারপাশও লবণাক্ত হয়ে যাবে।

উৎস: ৩০ মার্চ, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
৪,৭৩৭.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. সুন্দরবনের গেওয়া গাছের পাতা
  2. গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
  3. সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
  4. সুন্দরবনের গোলপাতা
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
ব্যাখ্যা
• চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও -
বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে -
• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩৮.
জাতীয় সংসদে নিরপেক্ষতার প্রতীক কে?
  1. ক) মন্ত্রীবর্গ
  2. খ) চিফ হুইপ
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্পিকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের নেতা প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের সভাপতি নিরপেক্ষতার প্রতীক স্পিকার।
৪,৭৩৯.
Global Innovation Index-2020 এ বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১৩৫-তম
  2. ১১৬-তম
  3. ১২৪-তম
  4. ১০৭-তম
সঠিক উত্তর:
১১৬-তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৬-তম
ব্যাখ্যা
WIPO, কর্নেল ইউনিভার্সিটি এবং ইনসেড বিজনেস স্কুল যৌথভাবে Global Innovation Index বা বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক প্রকাশ করে থাকে।
২০২০ সালে প্রকাশিত ১৩তম Global Innovation Index-2020 এ ১৩১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৬তম।
রিপোর্টে শীর্ষদেশ সুইজারল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন দেশ ইয়েমেন।
(সূত্র: WIPO ওয়েবসাইট)
৪,৭৪০.
বাংলাদেশে নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রথমবার কোন সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. পঞ্চম
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. ষষ্ঠ 
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম সংসদ নির্বাচন:
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ ৭৫টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়।
- এই নির্বাচনে ভোট পড়ে ৫৫.৪৫ শতাংশ।
- এ নির্বাচনে বিএনপি ১৪০টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে।
- আওয়ামী লীগ ৮৮টি, জাতীয় পার্টি ৩৫টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) পাঁচটি, জাসদ (সিরাজ) একটি, ইসলামী ঐক্যজোট একটি, জামায়াতে ইসলামী ১৮টি, সিপিবি পাঁচটি, ওয়ার্কার্স পার্টি  একটি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) একটি, গণতন্ত্রী পার্টি একটি ও ন্যাপ (মোজাফফর) একটি আসন পায়।
- স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনটি আসনে জয়লাভ করেন। সংসদের মেয়াদ ছিল চার বছর আট মাস।
 
তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া, বাংলাট্রিবিউন। 

৪,৭৪১.
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) রূপগঞ্জ
  2. খ) মিরসরাই
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
খ) মিরসরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিরসরাই
ব্যাখ্যা
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রামে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের শিল্প জোন-১৪তে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (বেপজা) উদ্যোগে নির্মিত একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল।

- এটির অবস্থান চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায়। এটির আয়তন প্রায় ১,১৫০ একর।
- মোট শিল্প প্লটের সংখ্যা ৫৩৯টি। সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে আনুমানিক ৫ লক্ষ মানুষের।

(তথ্যসূত্র: বেজা ও বেপজা ওয়েবসাইট ও দ্য বিজনেস স্ট্যা্ন্ডার্ড রিপোর্ট)
৪,৭৪২.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কত সালে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সৈন্য প্রেরণ করে?
  1. ১৯৭৮
  2. ১৯৮৮
  3. ১৯৮৫
  4. ১৯৯০
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ শান্তি মিশন:
- জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশ প্রথম সৈন্য প্রেরণ করে  ১৯৮৮ থেকে।
- বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে সৈন্য প্রেরণকারী শীর্ষ দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে।
- আর তাতে অংশ নিয়েছে সশস্ত্রবাহিনীর (সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী) সর্বমোট ১,১৯,৯৮০ জন সদস্য।
- শান্তি মিশনে সৈন্য প্রেরণকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। এই মহান কর্তব্য পালন করতে গিয়ে কঙ্গো, সিয়েরালিওনসহ বেশ কয়েকটি দেশে বাংলাদেশী সেনাদের আত্মত্যাগ বিশ্ব সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করে, যা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল করেছে।
- শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
- এসব কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী জাতিগত যুদ্ধ ও সহিংসতা কমিয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৪৩.
'বারি গম-৩৩' এর বীজ রোপন করা হয়-
  1. মার্চের মাঝামাঝি
  2. সেপ্টম্বরের মাঝামাঝি
  3. নভেম্বরের মাঝামাঝি
  4. জুলাইয়ের মাঝামাঝি
সঠিক উত্তর:
নভেম্বরের মাঝামাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেম্বরের মাঝামাঝি
ব্যাখ্যা

• গম চাষ:
- চট্টগ্রামে মূলত তিন জাতের গম চাষ হচ্ছে-বারি-৩৩, বিডব্লিউএমআরআই-১ ও বিডব্লিউএমআরআই-২।
- বারি-৩৩ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, আর বাকি দুটি জাত এসেছে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে।
- নভেম্বরের মাঝামাঝি বীজ রোপণ করা হয়।
- তিনটিই উচ্চ ফলনশীল জাত, প্রতি হেক্টরে ৪-৫ টন পর্যন্ত ফলন হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

৪,৭৪৪.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, বর্তমানে মাথাপিছু আয় কত?
  1. ২,৭৩২ মার্কিন ডলার
  2. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮৯৪ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৫১ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

৪,৭৪৫.
খোদার পাথর ভিটা কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. মহাস্থানগড়
  4. সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
খোদার পাথর ভিটা: 
- খোদার পাথর ভিটা বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে (পুন্ড্রনগর) অবস্থিত একটি টিলা বা ঢিবি।
- ঢিবিটির উপরিভাগে প্রাপ্ত গ্রানাইট পাথরের প্রকান্ড একটি চৌকাঠ (২.৮৪ মি × ০.৭১ মি × ০.৭৪ মি) থেকেই স্থানীয় জনগণ ঢিবিটির এ অদ্ভুত নামকরণ করেছে।
- এ প্রকান্ড চৌকাঠটিতে রয়েছে দরজার হুড়কো লাগাবার দুটি ছিদ্র, উপরের দিকে ফোকর এবং উদ্গত ফুলের নকশা।
- ১৯৭০ সালে এ ঢিবিতে (৪৬.৯৪ মি × ৪০.৮৪ মি × ২.৪৪ মি) খননকার্যের ফলে একটি মন্দির এবং ছোটখাটো কিছু প্রত্ননিদর্শন পাওয়া গেছে।
- মন্দিরটি পূর্বাভিমুখী একটি আয়তাকার বৌদ্ধ মন্দির।
- প্রত্নস্থল ও এর আশেপাশে বহুসংখ্যক ইট ও পাথরের টুকরা ছড়িয়ে রয়েছে।
- এ ঢিবির ধ্বংসাবশেষ পাল আমলের প্রথম দিকের (আনু. খ্রিস্টীয় আট শতক) বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৪,৭৪৬.
‘অর্থ বিল’ সম্পর্কিত বিধানাবলি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদে-৮৩
  2. অনুচ্ছেদে-৮১
  3. অনুচ্ছেদে-৮২
  4. অনুচ্ছেদে-৮০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৮১
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান: অনুচ্ছেদে-৮১: অর্থবিল।
- ৮১। (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
 (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
 (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
 (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
 (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
 (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
 (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদে- ৮০। আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি;
- অনুচ্ছেদে- ৮২। আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ;
- অনুচ্ছেদে- ৮৩। সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪,৭৪৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানীকারক দেশ -
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
৪,৭৪৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে কয় ধরণের ‘মালিকানা-ব্যবস্থার’ কথা উল্লেখ আছে? 
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। 
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।  
- এতে ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ এবং ১১ টি ভাগ রয়েছে। 
- ৭টি তফসিল রয়েছে।

♣ ১৩ নং অনুচ্ছেদ: মালিকানার নীতি;
- উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে: 
• (ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
• (খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
• (গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা। 

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৪৯.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. ক) সংসদ সদস্য 
  2. খ) বিভাগীয় কমিশনার
  3. গ) মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
খ) বিভাগীয় কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিভাগীয় কমিশনার
ব্যাখ্যা
- সংবিধান হলো গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। 
 - সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে
সাংবিধানিক পদ:- 
• রাষ্ট্রপতি  
• স্পিকার
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ 
• ডিপুটি স্পিকার 
• প্রধান বিচারপতি  
• সংসদ সদস্য 
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার 
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক 
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৭৫০.
নাথান কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে কী ছিলো?
  1. ক) নীল বিদ্রোহ প্রশমন
  2. খ) ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার
  3. গ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) ইংরেজি শিক্ষার প্রসার
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ১৯১২ সালের ২৭ মে তৎকালীন বঙ্গীয় সরকার ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠন করে।

নাথান কমিশনের সদস্যরা হলেন:
- আর. নাথানিয়েল (প্রধান)
- ডব্লিউ কুচলু
- অ্যাডভোকেট রাসবিহারী ঘোষ
- নওয়াব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী
- নওয়াব সিরাজুল ইসলাম
- উকিল আনন্দচন্দ্র রায়
- মুহম্মদ আলী
- এইচ.আর জেমস
- ডব্লিউ.এ.টি আর্চবোল্ড
- সতীশচন্দ্র আচার্য
- ললিত মোহন চ্যাটার্জী
- সি.ডব্লিউ পীক ও
- শামসুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওহীদ।

নাথান কমিশনের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন ডি.এস ফ্রেজার।
এই কমিশন একই বছরের হেমন্তে তার রিপোর্ট সরকারের নিকট পেশ করে। কমিশন ঢাকায় একটি সরকার নিয়ন্ত্রিত আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করে। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৪,৭৫১.
কোন সংস্থা Bangladesh Development Forum এর সমন্বয় করে থাকে?
  1. ক) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  2. খ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
  3. গ) বিশ্বব্যাংক
  4. ঘ) অর্থনেতিক সম্পর্ক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
Bangladesh Development Forum (BDF) বা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এর সমন্বয় করে থাকে বিশ্বব্যাংক। BDF হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ। ১৯৯৭ সালে এর নামকরণ হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০২০ সালের ২৯-৩০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
৪,৭৫২.
গিনি সূচক কী নির্দেশ করে?
  1. দারিদ্রতার হার
  2. আয় বৈষম্য
  3. বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত
  4. এসডিজি অগ্রগতি
সঠিক উত্তর:
আয় বৈষম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয় বৈষম্য
ব্যাখ্যা
গিনি সূচক: 
- গিনি সূচক আয় বৈষম্যকে নির্দেশ করে। 
- একটি অর্থনীতির মধ্যে ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে আয় বা ভোগের বন্টন কতটা সম্পূর্ণ সমান বন্টন থেকে বিচ্যুত হয় তা গিনি সূচক পরিমাপ করে।
- ০(শূন্য) গিনি সূচক নিখুঁত সমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে ১০০ সূচক নিখুঁত বৈষম্যকে নির্দেশ করে।
- গিনি সূচক পরিমাপ করে যে, একটি অর্থনীতির মধ্যে ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে আয়ের বন্টন (অথবা, কিছু ক্ষেত্রে, ভোগ ব্যয়) কতটা সম্পূর্ণ সমান বন্টন থেকে বিচ্যুত হয়।
- একটি লরেঞ্জ বক্ররেখা দরিদ্রতম ব্যক্তি বা পরিবার থেকে শুরু করে, মোট প্রাপ্ত আয়ের ক্রমবর্ধমান শতাংশকে প্রাপকদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার বিপরীতে চিত্রিত করে।
- গিনি সূচক লরেঞ্জ বক্ররেখা এবং পরম সমতার একটি কাল্পনিক রেখার মধ্যবর্তী ক্ষেত্রফল পরিমাপ করে, যা রেখার নীচের সর্বাধিক ক্ষেত্রফলের শতাংশ হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
- সুতরাং ০(শূন্য) গিনি সূচক নিখুঁত সমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে ১০০ সূচক নিখুঁত বৈষম্যকে নির্দেশ করে।
- বাংলাদেশের গিনি ইনডেক্স (২০২২) হচ্ছে ৩৩.৪ । 

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪,৭৫৩.
নিম্নবর্ণিত কোন উপাদানটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার ভিত্তি নয়?
  1. ক) স্মার্ট সিটিজেন
  2. খ) স্মার্ট ইকোনমি
  3. গ) স্মার্ট গভর্নমেন্ট
  4. ঘ) স্মার্ট ট্রান্সপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্মার্ট ট্রান্সপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্মার্ট ট্রান্সপোর্ট
ব্যাখ্যা
‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার ভিত্তি নয় - স্মার্ট ট্রান্সপোর্ট

• স্মার্ট বাংলাদেশ:

- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ২০৪১ সালের মধ্যে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার চারটি ভিত্তি হলো –
- স্মার্ট সিটিজেন, 
- স্মার্ট ইকোনোমি, 
- স্মার্টগভর্নমেন্ট, 
- স্মার্ট সোসাইটি।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার নিউজ।
৪,৭৫৪.
যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে কতটি মুসলিম আসন লাভ করে?
  1. ২৩৭টি
  2. ২১৫টি
  3. ১৪২টি
  4. ২২৮টি
সঠিক উত্তর:
২১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১৫টি
ব্যাখ্যা
নির্বাচনী ফলাফল: 
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে। 
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রল্প), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৭৫৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম কী?
  1. ইসলামিক প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান
  2. বাংলাদেশ সংবিধান
  3. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান
  4. প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির  সমন্বয়  একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪,৭৫৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে খেতাব প্রাপ্ত বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. পোল্যান্ড
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং
সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৭৫৭.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি আসন লাভ করে?
  1. ক) ২৫০ টি
  2. খ) ২৭৫ টি
  3. গ) ২২৩ টি
  4. ঘ) ২৯৮ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২২৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২৩ টি
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
- ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩ আওয়ামী মুসলিম লীগ ও শেরে বাংলার কৃষক-শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের মূল লক্ষ্য ছিল - প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।

- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি। 
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র:-স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭৫৮.
Which is the following countries was the first to recognize Bangladesh as an independent state?
  1. ক) Bhutan
  2. খ) Russia
  3. গ) Libya
  4. ঘ) India
সঠিক উত্তর:
ক) Bhutan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Bhutan
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- প্রথম দেশ : ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)
- দ্বিতীয় দেশ : ভারত (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ : পূর্ব জার্মানি (১১ জানু. ১৯৭২)
- প্রথম আফ্রিকান/মুসলিম দেশ : সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২)
- প্রথম আরব মুসলিম দেশ : ইরাক (৮ জুলাই ১৯৭২)
- আলজেরিয়া : ১৬ জুলাই ১৯৭৩
- ইন্দোনেশিয়া : ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।

(সূত্রঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট  এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)
৪,৭৫৯.
বর্তমানে দেশের মোট পৌরসভা কয়টি?
  1. ক) ৩৩০টি
  2. খ) ৩২৯টি
  3. গ) ৩২৮টি
  4. ঘ) ৩২৭টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩০টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে মোট পৌরসভা ৩৩০টি
- সর্বশেষ পৌরসভা শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৪,৭৬০.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি মুসলিম আসন লাভ করে?
  1. ২৮৮টি
  2. ২৩৬টি
  3. ২২৩টি
  4. ২১৫টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ এবং পাঁচটি দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান শরিক দলগুলো ছিল:
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- এ. কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক পার্টি,
- মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজামে ইসলাম,
- হাজী মোহাম্মদ দানেশের নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রী দল এবং
- খিলাফতে রব্বানী পার্টি।

নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনী ফলাফল নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- ফলে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। 
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।
- ফলে, যুক্তফ্রন্ট মোট আসন লাভ করে ২১৫টি+৮টি+১৩টি=২৩৬টি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৬১.
কয়টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়?
  1. ক) ৩টি  
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৬টি  
  4. ঘ) ৭টি  
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
- যুক্তফ্রণ্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্ট চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি  দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র।
৪,৭৬২.
‘গাবখান চ্যানেল’ বাংলাদেশের যে জেলায় অবস্থিত -
  1. চট্টগ্রাম
  2. ফেনী
  3. ঝালকাঠি
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠি
ব্যাখ্যা
গাবখান চ্যানেল:
- গাবখান চ্যানেল বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত।
- ঝালকাঠির সুগন্ধা-বিষখালী নদীর সাথে পিরােজপুরের সন্ধ্যা নদীর সংযােগ ঘটিয়েছে ১৬ কিমি দীর্ঘ এ গাবখান চ্যানেল।
- গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা বাংলার সুয়েজখাল নামে পরিচিত।
- এর ঝালকাঠি অংশে সুগন্ধা, বিষখালী ও ধানসিঁড়ি নদীর মোহনা এবং পিরোজপুর অংশে কচা নদী।
- এর দৈর্ঘ্য ১৮ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
- ঝালকাঠি জেলার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা গাবখান নদীর উপর নির্মিত এই সেতুটি ৫ম বাংলাদেশ-চীনমৈত্রী সেতু হিসেবে পরিচিত যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গাবখান চ্যানেলের উপর দিয়ে।
- ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য ১৯১২ সালে ব্রিটিশরা ঝালকাঠি পৌর শহরের গাবখান থেকে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াঝড়ি পর্যন্ত খনন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৭৬৩.
The tribe "Hajong" mainly lives in______.
  1. ক) Mymensingh and Netrokona
  2. খ) Cox's Bazar and Bandarban
  3. গ) Rangpur and Dinajpur
  4. ঘ) Sylhet and Rangamati
সঠিক উত্তর:
ক) Mymensingh and Netrokona
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Mymensingh and Netrokona
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন উপজাতিদের বাসস্থান:

- গারো ও হাজংদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
- বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে রাখাইন জনগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে মনিপুরী উপজাতি বাস করে সিলেট অঞ্চলে।
- ওরাওঁ জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৪,৭৬৪.
যে সেক্টরে বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত -
  1. পোশাক
  2. কৃষি
  3. পরিবহণ
  4. শিল্প
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা

যে সেক্টরে বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি:
- বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি কৃষি সেক্টরে নিয়োজিত।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%, 
- শিল্প: ১৭.৩৭%, 
- সেবা: ৩৭.৯৬%।

এছাড়াও,
• জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪,৭৬৫.
নীল বিদ্রোহ কত সালে শুরু হয়েছিল?
  1. ১৮৫৭ সালে
  2. ১৮৫৮ সালে
  3. ১৮৫৯ সালে
  4. ১৮৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

নীল বিদ্রোহ:
- নীল বিদ্রোহ ১৮৫৯-৬২ সালে বাংলায় সংঘটিত নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে কৃষকদের একটি সফল প্রতিরোধ আন্দোলন।
- এই বিদ্রোহে কৃষকরা নীলকুঠি আক্রমণ, খাজনা বন্ধ এবং লাঠিয়ালদের প্রতিহত করে, যা বাংলায় নীল চাষের অবসান ঘটায়। 

উল্লেখ্য,
- ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বাংলায় ইংরেজ আমলে নীল চাষ শুরু হয়।
- বাংলাদেশে নীলের ব্যবসা ছিল একচেটিয়া ইংরেজ বণিকদের।  ফরিদপুর, ঢাকা, পাবনা, যশোর, রাজশাহী, নদীয়া, মুর্শিদাবাদে ব্যাপক নীল চাষ হতো।
- ১৮৫৯ সালে যশোর ও নদীয়ায় এ আন্দোলনের সূচনা হয়। দ্রুত এ আন্দোলন নীল চাষের আওতাভুক্ত অন্যান্য জেলায় ছড়িয়ে পড়ে এবং ১৮৬২ সালে রায়তদের অনুকূলে সরকারি হস্তক্ষেপের পূর্ব পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে।
- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেনী মাধব নামে দুই ভাই। হুগলীতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার। নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই। 
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন গঠন করে। এই কমিশনের সুপারিশের উপর ভিত্তি করে নীল চাষকে কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

৪,৭৬৬.
সম্প্রতি (২০২৪) বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের সেবায় বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়েছে কত ডলার?
  1. ৪০ কোটি ডলার
  2. ৫০ কোটি ডলার
  3. ৬০ কোটি ডলার
  4. ৭০ কোটি ডলার
সঠিক উত্তর:
৭০ কোটি ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্বব্যাংকের অনুদান:
- বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের পর্ষদ বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ৭০ কোটি ডলার সহায়তা অনুমোদন করেছে।
- মৌলিক সেবা প্রদান এবং দুর্যোগ ও সামাজিক সহিষ্ণুতা তৈরিতে দুটি প্রকল্পের আওতায় এ অনুদান অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
- সংকটের ৭ বছরে পদার্পণের এই সময়ে ৩৫ কোটি ডলারের ‘ইনক্লুসিভ সার্ভিসেস অ্যান্ড অপরচুনিটিজ ফর হোস্ট কমিউনিটি অ্যান্ড ডিসপ্লেসড রোহিঙ্গা পপুলেশন (আইএসও)’ প্রকল্প।
- এবং ৩৫ কোটি ডলারের ‘হোস্ট অ্যান্ড রোহিঙ্গা এনহান্সমেন্ট অফ লাইভস (হেল্প)’ প্রকল্প দুটি বাংলাদেশি আশ্রয়দাতা ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করবে।
- রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সহায়তায় বিশ্বব্যাংকের ‘আইডিএ২০ উইন্ডো ফর হোস্ট কমিউনিটিজ অ্যান্ড রিফিউজিস’ এর আওতায় এই অর্থায়ন করা হবে।
- ‘ইনক্লুসিভ সার্ভিসেস অ্যান্ড অপরচুনিটিজ ফর হোস্ট কমিউনিটি অ্যান্ড ডিসপ্লেসড রোহিঙ্গা পপুলেশন’ প্রকল্পটি রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অন্তত: ৯ লাখ ৮০ হাজার মানুষের জীবিকা ও অপরিহার্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা, জেন্ডার সহিংসতা মোকাবিলা ও প্রতিরোধ সেবার জন্য বিনিয়োগ করবে।
- প্রকল্পটি ১২ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ রোহিঙ্গা শিশুকে শিক্ষাসহ মানব পুঁজি উন্নয়নে বিনিয়োগ করবে।

সূত্র- বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট (লিংক)।  
৪,৭৬৭.
বাংলাদেশ সম্প্রতি জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. SCO
  2. IAEA 
  3. ICSC
  4. GECF
সঠিক উত্তর:
ICSC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICSC
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------------
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: 
- বাংলাদেশ সম্প্রতি [নভেম্বর ২০২৪] জাতিসংঘের আইসিএসসি [ICSC] সদস্য নির্বাচিত।
-যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সিভিল সার্ভিস কমিশনের (আইসিএসসি) সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত  মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।
-তিনি ২০২৫ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চার বছরের জন্য আইসিএসসির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- ICSC এর পূর্ণরূপ হলো The International Civil Service Commission.
- এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৭৪ সালে গঠিত একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ সিভিল সার্ভিস ফোরাম।
- এটির সদরদপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
- বর্তমান [ডিসেম্বর, ২০২৪] চেয়ারম্যান Mr. Larbi Djacta [Algeria]

তথ্যসূত্র:-বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] ও আইসিএসসি ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
৪,৭৬৮.
কোন দেশটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধিতা করেছিলো?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইরান, সৌদি আরবসহ বেশ কিছু দেশ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
- এদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানকে সাহায্য করতে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে টাস্কফোর্স-৭৪ নামে নৌবহর প্রেরণ করে।
- তবে মার্কিন জনগণ, গণমাধ্যম ও কিছু কংগ্রেসম্যান পাকিস্তানী বর্বরতার নিন্দা জানায় এবং বাঙালিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে।
অন্যদিকে,
- ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ইরাকসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেয়।
- যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, ইতালিসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সাধারণ জনগণ ও প্রচারমাধ্যমসমূহে পাকিস্তানী বর্বরতার নিন্দা জানানো হয়।
- লন্ডন ছিলো বহিবির্শ্বে বাংলাদেশের প্রধান প্রচারকেন্দ্র।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৭৬৯.
লাহোর প্রস্তাব কবে উত্থাপিত হয়?
  1.  ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৪০ সালের ১৭ মে
  3. ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ
  4. ১৯৪৭ সালের ১৫ জুলাই
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা

দ্বিজাতি তত্ত্ব (Two-Nation Theory):
-
দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা হলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
- দ্বিজাতি তত্ত্ব একটি রাজনৈতিক মতবাদ।
- এই তত্ত্বমতে ব্রিটিশ ভারতের হিন্দু ও মুসলিম দুটি পৃথক জাতি, যাদের ধর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস, জীবনধারা ও রীতিনীতি এতটাই ভিন্ন যে তারা একসাথে একটি রাষ্ট্রে থাকতে পারে না।
- তাই মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র, পাকিস্তান, প্রয়োজন।
∗ লাহোর প্রস্তাব:
- এই দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে এ. কে. ফজলুল হক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। 
- যেখানে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব অংশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে ভারত ভাগের ভিত্তি রচিত হয় এবং এটি পরবর্তীতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
- আর দ্বিজাতি তত্ত্বের ফলেই ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়ে দুটি পৃথক রাষ্ট্র, পাকিস্তান ও ভারত, প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৭০.
বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠার যোগ্যতা অর্জনের জন্য কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি?
  1. ক) মাথাপিছু আয়
  2. খ) মানবসম্পদ
  3. গ) অর্থনৈতিক ঝুঁকি
  4. ঘ) শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিক্ষা
ব্যাখ্যা
স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে তিনটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। এগুলো হলো মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি। সূত্রঃ প্রথম আলো।
৪,৭৭১.
GDP কোন সময়সীমার ভিত্তিতে পরিমাপ করা হয়?
  1. এক মাস
  2. এক বছর
  3. পাঁচ বছর
  4. এক দশক
সঠিক উত্তর:
এক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বছর
ব্যাখ্যা
Gross Domestic Product (GDP):
- GDP এর পূর্ণরূপ হলো Gross Domestic Product (মোট দেশজ উৎপাদন)।  
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বা জিডিপি হলো একটি নির্দিষ্ট দেশের ভূখণ্ড ও রাজনৈতিক সীমানার মধ্যে অবস্থানরত দেশি ও বিদেশি সকল সম্পদ ব্যবহার করে এক বছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পণ্য ও সেবার বাজার মূল্য।
- এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং সার্বিক উৎপাদন ক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, 
- জিডিপি দেশের ভূগোলিক সীমার মধ্যে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য হিসাব করে, এটি দেশের অর্থনীতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরে। এর মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যেমন সে দেশ কতটা উন্নত বা উন্নয়নশীল, তার উৎপাদন ক্ষমতা এবং তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কীভাবে ঘটছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৭২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ৩৯(১) নং
  2. ৩৯(২) নং
  3. ৩৮(১) নং
  4. ৪১(২) নং
সঠিক উত্তর:
৩৯(২) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯(২) নং
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪,৭৭৩.
এ দেশের সরকারি কাজে 'ফারসি' ভাষা চালু করেন কে?
  1. ক) হুসেন শাহ
  2. খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. গ) রাজা টোডরমল
  4. ঘ) ইংরেজরা
সঠিক উত্তর:
গ) রাজা টোডরমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজা টোডরমল
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৪,৭৭৪.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছিল -
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন  প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪,৭৭৫.
বাংলাদেশে বোরো ধান উত্তোলনের সময় -
  1. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  2. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
  3. এপ্রিল – মে
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল – মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল – মে
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময় - মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় - মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।
- আমন ধান রোপনের সময় - জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময় - ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান রোপনের সময় - মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় - এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
৪,৭৭৬.
খাসিয়াদের সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. গ্রামকে পুঞ্জি বলে
  2. পিতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী
  3. মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত
  4. প্রধান দেবতা উব্লাই নাংথউ
সঠিক উত্তর:
পিতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদের মালিক হয় নারীরা।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জিপ্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশে এদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে।
- ভাত, মাংস, শুঁটকি মাছ ও মধু খাসিয়াদের প্রধান খাদ্য।
- তারা পান-সুপারিকে খুবই পবিত্র মনে করে।
- খাসিয়াদের প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- বর্তমানে বেশিরভাগ খাসিয়াই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৭৭৭.
প্রফেসর মোঃ ইউনূস কোন বিষয়ে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. অর্থনীতি
  2. শান্তি
  3. সাহিত্য
  4. পদার্থবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
শান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তি
ব্যাখ্যা
শান্তিতে নোবেল জয় ড. মুহাম্মদ ইউনুস:
-  বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
- প্রফেসর মোঃ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।

উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন।

উৎস: ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
৪,৭৭৮.
বাংলাদেশে প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কোনটি? 
  1. বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল 
  2. বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
  3. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
  4. বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি
সঠিক উত্তর:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
ব্যাখ্যা

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এলডিপি
- নিবন্ধন নম্বর: ০০১। 
- নিবন্ধন তারিখ: ২০/১০/২০০৮.
- প্রতীকের নাম: ছাতা।
- প্রেসিডেন্ট: ডক্টর অলি আহমদ, বীর বিক্রম।
- এটি দেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।

উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৫৫টি। (আওয়ামীলিগ ছাড়া)
- তবে আওয়ামীলের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে।
- সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)। [ডিসেম্বর,২০২৫]

উৎস: নির্বাচন কমিশন ওয়েবসািইট।লিঙ্ক

৪,৭৭৯.
'Power : A New Social Analysis' গ্রন্থটি কার লেখা?
  1. ক) ম্যাকিয়াভেলি
  2. খ) হবস
  3. গ) লক
  4. ঘ) রাসেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাসেল
ব্যাখ্যা

Power : A New Social Analysis গ্রন্থটির রচয়িতা ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল।
বইটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থের মূল বিষয় হচ্ছে মানুষের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ক্ষমতা অর্জন করা।
সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

তার রচিত অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে:
- The Conquest of Happiness
- Poitical Ideals
- The Analysis of Mind প্রভৃতি।
বার্ট্রান্ড রাসেল দার্শনিক হয়েও সাহিত্যে অবদানের জন্যে ১৯৫০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

৪,৭৮০.
মনিপুরীদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. সোহরাই
  2. জলকেলি
  3. ওয়ানগালা
  4. রাসপূর্ণিমা
সঠিক উত্তর:
রাসপূর্ণিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসপূর্ণিমা
ব্যাখ্যা
মনিপুরী নৃগোষ্ঠী ও রাস উৎসব:
- মনিপুরীদের প্রধান উৎসব রাসপূর্ণিমা বা রাস উৎসব।
- শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়।
- রাস উৎসবের দুটি পর্ব।
- দিনের বেলায় রাখালরাস আর রাতে মহারাস।
- সম্প্রতি, মনিপুরী সম্প্রদায়ের ১৮২তম রাসোৎসব পালিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়। 
- তবে তারা অধিক সংখ্যক বাস করে মৌলভীবাজার জেলায়।

এছাড়াও,
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো সোহরাই।
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো - ওয়ানগালা।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের সম্মিলিত বর্ষবরণ উৎসব হলো "বৈসাবি"।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো নিউজ।
৪,৭৮১.
শোলাকিয়া ইদগাহ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) নেত্রকোনা
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) জামালপুর
সঠিক উত্তর:
গ) কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
শোলাকিয়া ইদ জামাত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অন্যতম সর্ববৃহৎ ইদের জামাত। কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্বপ্রান্তে নরসুন্দা নদীর উত্তর তীরে অবস্থিত শোলাকিয়া ইদগাহ ময়দানে ঐতিহ্যবাহী এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৪,৭৮২.
সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হলে সম্মতির জন্য তা কার নিকট পেশ করতে হবে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৮০ : আইন প্রণয়ন পদ্ধতি
- আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হবে। 
- সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হলে সম্মতির জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করতে হবে।
- রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করার ১৫ দিনের মধ্যে তিনি তাতে সম্মতিদান করবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে তার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ করলে সংসদে ফেরত দিতে পারবেন; এবং
- রাষ্ট্রপতি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদ শেষে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৪,৭৮৩.
প্রাচীন 'কর্ণসুবর্ণ' বলতে বর্তমান কোন স্থানকে বুঝায়?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. নদীয়া
  3. আগ্রা
  4. পাটনা
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদাবাদ
ব্যাখ্যা
 কর্ণসুবর্ণ:
- কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড়ের রাজা  শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৮৪.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান-১০৭
  2. ব্রি ধান-৮৩
  3. ব্রি ধান-১০২
  4. ব্রি ধান-৮৮
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-১০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-১০২
ব্যাখ্যা

• ব্রি ধান১০২ জিংক সমৃদ্ধ বোরো মৌসুমের একটি জাত। 
- জাতটির কৌলিক সারি IR99285-1-1-1-P2।
- উক্ত কৌলিক সারিটি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি), ফিলিপাইনে Multiple cross করে ।
- বিগত ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উক্ত কৌলিক সারিটি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হতে এনে নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত করে।
- অতঃপর ২০২০ সালে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি কর্তৃক স্থাপিত প্রস্তাবিত জাতের ফলন পরীক্ষা (পিভিটি) সন্তোষজনক হওয়ায় কৌলিক সারিটি ছাড়করণের জন্য জাতীয় বীজ বোডের মাঠ মূল্যায়ন দল সুপারিশ করে।
- অতঃপর ১৮ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোডের ১০৬ তম সভায় এ জাতটি জিংক সমৃদ্ধ বোরো মওসুমের উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রি ধান-১০২ হিসাবে দেশজুড়ে চাষাবাদের জন্য।

জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- ব্রি ধান৬২
- ব্রি ধান৬৪
- ব্রি ধান৭২
- ব্রি ধান৭৪
- ব্রি ধান৮৪
- ব্রি ধান১০০
- ব্রি ধান ১০২

• এ জাতের বৈশিষ্ট্য :
- আধুনিক উফশী ধানের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
- অঙ্গজ অবস্থায় গাছের আকার ও আকৃতি প্রায় ব্রি ধান২৯ এর মতো।
- ডিগ পাতা খাড়া, প্রশস্ত ও লম্বা এবং পাতার রং সবুজ।
- পূর্ণ বয়স্ক গাছের উচ্চতা ১০৩ সেমি।
- ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন ২২.৭ গ্রাম।
- ধানের দানার রং খড়ের মতো।
- চাল লম্বা চিকন ও সাদা।
- জিংকের পরিমাণ ২৫.৫ মি.গ্রাম/কেজি।
- চালে অ্যামাইলোজ ২৮.০% এবং প্রোটিনের পরিমাণ ৭.৫%।

অন্যদিকে,
• এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-৮৪,  বিআর-৫।
• উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-১০৭।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৭৮৫.
এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাজারতম ম্যাচ খেলার গৌরব অর্জন করে কোন দেশ?
  1. ক) ইংল্যান্ড
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
ব্যাখ্যা
- গত ৬ ফেব্রুয়ারি, তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামে ভারত।
- মাঠে নামার মধ্যে দিয়ে ইতিহাসে জায়গা করে নেয় দুবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা।
- ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে ১০০০ ওয়ানডে খেলার গৌরব অর্জন করে ভারত।

উৎস: প্রথম আলো।
৪,৭৮৬.
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কতজন? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৬ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে। এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ৪ জন।
- এরা হলেন - নুরুন নাহার, ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ জাকির হোসেন চৌধুরী, ডাঃ মোঃ কবির আহমেদ। 

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট। [link]
৪,৭৮৭.
‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠণের প্রেক্ষাপট-
  1. ক) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  2. খ) সামরিক শাসন
  3. গ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) ৭০ এর নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
ক) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা

- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠিত হয়।
- এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
- পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

৪,৭৮৮.
তমদ্দুন মজলিশের মুখপাত্র হিসেবে কোন পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো?
  1. ক) শিখা
  2. খ) সৈনিক
  3. গ) ইত্তেফাক
  4. ঘ) মিল্লাত
সঠিক উত্তর:
খ) সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈনিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন হলো তমদ্দুন মজলিস। এটি ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই সংগঠনের মুখপাত্র হিসেবে ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর সাপ্তাহিক ‘সৈনিক’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদকমন্ডলীর প্রথম সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী। পরবর্তীতে সভাপতি হন আবদুল গফুর। একটি আজিমপুর থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়।
অন্যদিকে, ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ এবং মিল্লাত পত্রিকা বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের উদ্যোগে প্রকাশিত হতো।
সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৪,৭৮৯.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ব্রিটেন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)।
- অন্য থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।

৪,৭৯০.
প্রথম অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) সেনেগাল
  3. গ) ইরাক
  4. ঘ) আলবেনিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেনেগাল
ব্যাখ্যা
প্রথম আফ্রিকান, প্রথম মুসলিম এবং প্রথম অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই ১৯৭২ বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি প্রদান করে। আলজেরিয়া ১৬ জুলাই ১৯৭৩ সালে স্বীকৃতি দেয়।
অন্যদিকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান (প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে) এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। তবে ২৯তম এবং ১৭তম বিসিএসের প্রশ্ন অনুযায়ী বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভারত এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
উৎসঃ ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন
৪,৭৯১.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. নয়াদিল্লি
  3. লন্ডন
  4. কলকাতা
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা

প্রবাসে বাঙালিদের ভূমিকা ও কূটনৈতিক তৎপরতা:
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন স্থাপিত হয় কলকাতায়।

- এটি ছিল পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনের পরিবর্তিত রূপ যেখানে ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল পাকিস্তানি ডেপুটি হাইকমিশনার এম হোসেন আলীর নেতৃত্বে বাঙ্গালী কর্মকর্তারা আনুগত্য প্রকাশ করেন।
- এটি ছিল বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম দূতাবাস। 

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্য মুজিবনগর সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ করে।
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় জাতিসংঘে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে।
- এতে পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই এপ্রিল মাসে প্রবাসী বাঙালি মহিলাদের একটি প্রতিবাদ মিছিল লন্ডনের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি পেশ করে।
- জুন মাসে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে লন্ডনে মিছিলের আয়োজন করে।
- মিছিল শেষে এই প্রতিবাদকারীগণ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি পেশ করে।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দুটি মিশন স্থাপন করে।
- এছাড়া বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক এবং লন্ডনেও বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করে।
- এসব মিশন বাংলাদেশের পক্ষে মিছিল, সমাবেশ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থন আদায় ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবদান রাখে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৭৯২.
কোথায় বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত পরস্পরকে ছুঁয়েছে?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
সীমান্ত জেলা:

- বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি এবং জেলার সংখ্যা ৬৪টি।
- যার ৬ বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
- কিন্তু ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে। 

তথ্যসূত্র - বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
৪,৭৯৩.
বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হলো-
  1. ক) দ্বিদলীয় শাসনব্যবস্থা
  2. খ) বহুদলীয় ব্যবস্থা
  3. গ) একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা
  4. ঘ) দলীয় শাসনব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দলীয় শাসনব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দলীয় শাসনব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল- দলীয় শাসন। প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধীদলকে। উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪,৭৯৪.
সহপাঠির অনুভূতি বুঝতে পারা কোন ধরনের লক্ষণ?
  1. ভাষাগত
  2. জ্ঞানগত
  3. আবেগগত
  4. ইচ্ছাগত
সঠিক উত্তর:
আবেগগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেগগত
ব্যাখ্যা

- সহপাঠির অনুভূতি বুঝতে পারা হলো আবেগগত বুদ্ধিমত্তা।
- সহপাঠির অনুভূতি বুঝতে পারা মানে অন্যের মনের ভাব, দুঃখ, আনন্দ বা চাপ অনুভব করতে সক্ষম হওয়া।
- এটি সরাসরি আবেগ বা অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত।
- এ ধরনের ক্ষমতাকে বলা হয় আবেগগত বুদ্ধিমত্তা (Emotional Intelligence)।
- আবেগগত বুদ্ধিমত্তার একটি প্রধান অংশ হলো সহানুভূতি।

তথ্যসূত্র - Harvard Division of Continuing Education.

৪,৭৯৫.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দ্বিতীয় খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরবিক্রম
  2. খ) বীরশ্রেষ্ঠ
  3. গ) বীরউত্তম
  4. ঘ) বীরপ্রতীক
সঠিক উত্তর:
গ) বীরউত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বীরউত্তম
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
- উল্লেখ্য, বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪,৭৯৬.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?  (নভেম্বর-২০২৫)
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৪,৭৯৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি ছিল কোনটি?
  1. PAPI
  2. CAPI
  3. CAWI
  4. CATI
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৪,৭৯৮.
Current Bank rate of Bangladesh Bank is -
  1. 4.00%
  2. 5.00%
  3. 5.75%
  4. 7.75%
সঠিক উত্তর:
4.00%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4.00%
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার নির্ধারণ করে থাকে
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
POLICY RATES:

- Policy Rate (Repo Rate): 7.75%,
- SLF Rate: 9.75%,
- SDF Rate: 5.75%,
- Bank Rate : 4.00%.

RESERVE RATIOS:
- Traditional Banking: SLR: 13%, CRR: 4.0%,
- Islamic Banking: SLR: 5.5%, CRR: 4.0%,
- Deposit Taker FIs: SLR: 5%, CRR: 1.5%,
- Non Deposit Taker FIs: SLR: 2.5%.

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪,৭৯৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মেয়াদ কত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- অধ্যাদেশে কমিশনের সদস্য সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ করা এবং কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কমিশনে অন্তত একজন নারী কমিশনার এবং অন্তত একজন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ কমিশনার থাকতে হবে।
- অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রতি ছয় মাস অন্তর দুদককে তাদের কার্যক্রমের প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
- পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতাও দুদককে দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫।

৪,৮০০.
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য নন -
  1. ক) কাজী সালাউদ্দীন
  2. খ) জাকারিয়া পিন্টু
  3. গ) শেখ আব্দুল হাকিম
  4. ঘ) মতিউর মুন্না
সঠিক উত্তর:
ঘ) মতিউর মুন্না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মতিউর মুন্না
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন শেখ আব্দুল হাকিম। 
- তিনি ২৮ আগস্ট ২০২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- শেখ আব্দুল হাকিম স্বাধীনতার আগে দিলকুশা স্পোর্টিংয়ে খেলা শুরু করেন।
- পাকিস্তান যুব দলে ডাক পেয়েছিলেন তিনি।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যোগ দেন।
- ১৯৭৩ সালে মারদেকা কাপে প্রথম জাতীয় দলের সদস্য ছিলেন তিনি।
- তিনি ১৯৭৫ সালের মারদেকা কাপের দলেও ছিলেন। 
- স্বাধীনতার পর তিনি ওয়াপদা, ওয়ারীতে খেলতেন।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর ২০২২ এবং সমকাল।