বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪৭ / ৩০৬ · ৪,৬০১৪,৭০০ / ৩০,৮৩২

৪,৬০১.
কোন ব্রিটিশ শাসকের সময় ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন হয়?
  1. লর্ড কর্ণওয়ালিস
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড বেন্টিংক
  4. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
ব্যাখ্যা
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে তিনি ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেনের সময়ে ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন হয়।
- ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।
- লর্ড স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- মাউন্টব্যাটেন কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরও ভারত বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহী ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৬০২.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পাট কলটি কবে বন্ধ হয়ে যায়?
  1. ৩০ অক্টোবর, ২০০২
  2. ৩০ আগস্ট, ২০০২
  3. ৩০ জুন, ২০০২
  4. ৩০ এপ্রিল, ২০০২
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন, ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন, ২০০২
ব্যাখ্যা
• জুট মিল:
- ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের আদমজীনগরে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম পাটকল ‘আদমজী জুট মিল’।
- এটি ছিল বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ৩০ জুন, ২০০২ এটি বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লি. ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।
- এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল - কর্ণফুলী রেয়ন মিল (চন্দ্রঘোনা, রাঙামাটি)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৬০৩.
বর্তমানে দেশে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৪৩৯ জন
  2. খ) ৪৪৮ জন
  3. গ) ৪২৮ জন
  4. ঘ) ৪৬৫ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৪৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৪৮ জন
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দেশে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা ৪৪৮ জন।

উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো।
৪,৬০৪.
পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু হয় কত সালে?
  1. ১৭৭২ সালে
  2. ১৭৭৩ সালে
  3. ১৭৭৪ সালে
  4. ১৭৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭২ সালে
ব্যাখ্যা
পাঁচসালা বন্দোবস্ত:

- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের আগে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস রাজস্ব আদায়ের জন্য পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।
- অথচ কৃষকের বা জমির উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনো লক্ষ ছিল না।
- এ অবস্থায় হেস্টিংস জমিদারদের সঙ্গে এক সালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০৫.
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক কেন্দ্রের ইউনিট কয়টি?
  1. ক) ১
  2. খ) ৪
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক কেন্দ্রের ইউনিট ২ টি। দুই ইউনিটের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদন হবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা
৪,৬০৬.
সংবিধানের সর্বশেষ ১৭ তম সংশোধনি কত তম সংসদে পাশ হয়?
  1. ক) নবম
  2. খ) দশম
  3. গ) একাদশ
  4. ঘ) দ্বাদশ
সঠিক উত্তর:
খ) দশম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দশম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের সর্বশেষ ১৭ তম সংশোধনি সংসদে পাশ হয় ৮ জুলাই, ২০১৮ তারিখে এবং ২৯ জুলাই ২০১৮ তারিখে রাষ্ট্রপতি বিলটি অনুমোদন করেন। এটি দশম জাতীয় সংদের সময়কালে পাশ হয়।
সূত্রঃ প্রথম আলো।
৪,৬০৭.
'অঞ্জলি লহ মোর' ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
'অঞ্জলি লহ মোর' ভাস্কর্য:
- 'অঞ্জলি লহ মোর' ভাস্কর্য ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে নির্মিত ভাস্কর্যটি।
- এটি স্থাপন করা হয় বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ ও পুরাতন কলা অনুষদ ভবনের মাঝখানের পুকুরপাড়ে।
- ভাস্কর্যটি কবির একটি গানের নামানুসারে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই ভাস্কর্য নির্মাণ করেছিলেন ভাস্কর মনিন্দ্র পাল।
- ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে কাজ শুরু করে অক্টোবরে শেষ করা হয়।
- ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এই ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয়।

সম্প্রতি,
- ভাস্কর্যটি প্রশাসনের নির্দেশে ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।
- বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, শিক্ষার্থীদের দাবির ভিত্তিতেই ভাস্কর্যটি ভাঙ্গা হয়েছে।
- একই সাথে অনুমোদিত মূল নকশায় ফিরে যেতে এই ভাস্কর্য ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।
৪,৬০৮.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন -
  1. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  2. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  3. মফিজউদ্দিন শিক্ষা কমিশন
  4. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিশন-১৯৭২:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানী কুদরত-ই-খুদা-কে প্রধান করে কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭২ সালে গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে ।

তথ্যসূত্র - শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৪,৬০৯.
বীর উত্তম কে এম সফিউল্লাহ কত নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ১ নম্বর
  2. ২ নম্বর
  3. ৩ নম্বর
  4. ৪ নম্বর
সঠিক উত্তর:
৩ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ নম্বর
ব্যাখ্যা
কে এম সফিউল্লাহ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিগ্রেড ফোর্স ছিল তিনটি - জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স।
- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩টি ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে গঠন করা হয় এই ব্রিগেড।
- সফিউল্লাহ ছিলেন জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান।
- মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সফিউল্লাহ ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন।  
- পরে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড গঠিত হলে ‘এস’ ফোর্সের নেতৃত্বে আসেন সফিউল্লাহ।
- মেজর কে এম সফিউল্লাহর নামানুসারে অক্টোম্বর ৭১ সনে গঠিত হয় এই বিগ্রেড যার নাম করা হয় এস ফোর্স।
- এই ফোর্সের অন্তর্ভুক্ত ছিল ২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
- মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব পান।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্ম নেওয়া কে এম সফিউল্লাহ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম) ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৪,৬১০.
১৯৯০ সালে প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন কে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  3. আবদুস সাত্তার
  4. খোন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ: 
- লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (১৯৩০-২০১৯) বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি (১৯৮৩-১৯৯০)।
- ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকান্ডের অব্যবহিত পর থেকেই সংবাদপত্রে বিবৃতি ও কভারেজের মাধ্যমে রাজনীতিতে এরশাদের আগ্রহ প্রকাশ হতে থাকে।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে জেনারেল এরশাদ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন।
- তিনি দেশের সংবিধানকে রহিত করেন, জাতীয় সংসদ বাতিল করেন, এবং সাত্তারের মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করেন।
- তিনি নিজেকে দেশের সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করেন। 
- প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৪,৬১১.
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি কত সালে প্রথমবার পরিবর্তন করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
•সংবিধানের মূলনীতি
-১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ছিলো চারটি।
যথা-
• জাতীয়তাবাদ
• সমাজতন্ত্র
• গণতন্ত্র ও
• ধর্মনিরপেক্ষতা।
- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার এই চারটি মূলনীতিতে প্রথমবার পরিবর্তন আনা হয়।
- কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট ২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে।
- ফলে ২০১১ সালের ৩ জুলাই জাতীয় সংসদে গৃহিত সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাহাত্তরের মূল সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি পুনঃস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান এবং বাংলাদেশের সংবিধান (আরিফ খান)।
৪,৬১২.
বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয়-
  1. সিলেটের মালনীছড়ায়
  2. সিলেটের তামাবিলে
  3. পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে
  4. সিলেটের জাফলং-এ
সঠিক উত্তর:
সিলেটের মালনীছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেটের মালনীছড়ায়
ব্যাখ্যা

চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৪,৬১৩.
বোরো ধানের ক্ষেত্রে কত দিনের চারা রোপন করতে হয়?
  1. ১৫-২০ দিন
  2. ২০-২৫ দিন
  3. ৪০-৪৫ দিন
  4. ৪৫-৫০ দিন
সঠিক উত্তর:
৪০-৪৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০-৪৫ দিন
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান দানা জাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯২ শতাংশ ধান এশিয়া দেশ গুলোতে উৎপন্ন হয়।

⇒ চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:
১। আউশ ধান: মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
২। আমন ধান: জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
৩। বোরো ধান: নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।

⇒ বীজ শোধন ও জাগ দেওয়া:
- বাছাইকৃত বীজ দাগমুক্ত ও পরিপুষ্ট হলে সাধারণভাবে শোধন না করলেও চলে।
- তবে শোধনের জন্য ৫২-৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার গরম পানিতে ১৫ মিনিট বীজ ডুবিয়ে রাখলে জীবানুমুক্ত হয়।
- বীজ শোধনের জন্য ২-৩ গ্রাম ছত্রাকনাশক ১ লিটার পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে এক কেজি পরিমান বীজ ডুবিয়ে ১২ ঘন্টা রেখে দিতে হয়।
- এরপর বীজ পরিস্কার পানি দিয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হয়।
- আউশ ও আমন মৌসুমের জন্য ৪৮ ঘন্টা বা দুই দিন ও বোরো মৌসুমে ৭২ ঘন্টা বা তিন দিনের বীজের অংকুর বের হয় এবং তা বীজতলায় বপনের উপযুক্ত হয়।

⇒ চারা রোপন:
- রোপা আউশ ও আমনের চারা ২০-২৫ দিন বয়সে লাগাতে হয়।
- কিন্তু বোরোর ক্ষেত্রে একটু বেশি বয়সের ৪০-৪৫ দিনের চারা রোপন করতে হয়।
- সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০-২৫ সে.মি ও গুছি থেকে গুছির দূরত্ব ১৫-২০ সে.মি।
- চারা মাটির ২-৩ সে.মি. গভীরে রোপন করতে হয়।
- এর চেয়ে বেশি গভীরতা হলে গাছে কুশি উৎপাদন কমে যায়।
- সারি করে চারা লাগালে নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহার করা সহজ হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬১৪.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বক্তব্য প্রদান করেন?
  1. ৭৭তম
  2. ৭৬তম
  3. ৭৯তম
  4. ৭৮তম
সঠিক উত্তর:
৭৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৯তম
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

এছাড়াও, 
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।

-সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।

সূত্র: ইউনূস সেন্টার ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

৪,৬১৫.
‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয় কবে?
  1. ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৪,৬১৬.
প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারির উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ক) এরশাদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্তকরন
  2. খ) জিয়ার ক্ষমতাকে বৈধতা প্রদান
  3. গ) অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদান
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি
ব্যাখ্যা

• ইনডেমনিটি হলো কোন বিচারকার্যকে বাধা প্রধান সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বা আইন। কোনো অভিযান বা অভ্যুত্থানের ক্ষয়ক্ষতি আদালতের বহির্ভূত রাখার জন্য আইনসভা যে বিল পাস করে তাকেই ইনডেমনিটি বিল বলে।
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩ বার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়

প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ
• ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি করে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।

দ্বিতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ
• ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত এরশাদ সরকারের জারিকৃত সকল প্রকার সামরিক আইন,অধ্যাদেশ,বিধি-নির্দেশ ইত্যাদিকে ও বৈধতাদানের উদ্দেশ্য ২য ইনডেমিনিটি বিলটি' ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীতে এটি অন্তর্ভুক্ত' করা হয়।

তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ
• ২০০২ সালের অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদান করার জন্য ২০০৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪,৬১৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৪,৬১৮.
কোন মুঘল সম্রাট 'জিজিয়া কর' রহিত করেন?
  1. সম্রাট বাবর
  2. সম্রাট হুমায়ুন
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর:

- তৃতীয় মুঘল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর বাংলার শাসনভার গ্রহন করেন।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- মুঘল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলেই 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৪,৬১৯.
কত সালে 'জর্ডান-বাংলাদেশ' ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন যাত্রা শুরু করে?
  1. ২০২০ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
জর্ডান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ:
- ৯ নভেম্বর, ২০২৩ জর্ডানের আম্মানে এক অনুষ্ঠা‌নের মাধ‌্যমে অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ ও জর্ডানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে দুই দেশের সরকারের প্রচেষ্টার পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন অগ্রযাত্রা সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদেরকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৪,৬২০.
সম্প্রতি, কোন দেশ বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. যুক্তরাজ্য 
  2. মিয়ানমার
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

আমদানিতে বিধিনিষেধ:
- ১১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে চার ধরনের পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। 
​- সেগুলো হলো পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের কাপড়, পাটের দড়ি বা রশি, পাটজাতীয় পণ্য দিয়ে তৈরি দড়ি বা রশি এবং পাটের বস্তা বা ব্যাগ। 
​- নতুন এই বিধিনিষেধের ফলে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করতে হলে সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ের নভসেবা বন্দর দিয়ে এসব পণ্য পাঠাতে হবে।
​- বাংলাদেশ থেকে উল্লেখিত এসব পণ্য যে পরিমাণ ভারতে রপ্তানি হয়, তার ১ শতাংশের কাছাকাছি যায় সমুদ্রপথে। বাকিটা স্থলপথে রপ্তানি হয়।
​- ভারতীয় ভোগ্যপণ্যের বড় বাজার বাংলাদেশ।
​- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, ভারতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
​- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে। 
​- অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর বড় অংশ শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য।

সূত্র-  প্রথম আলো পত্রিকা। 

৪,৬২১.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন-
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. এম এ মুহিত
  3. বাবর আলী
  4. নিশাত মজুমদার
সঠিক উত্তর:
মুসা ইব্রাহীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসা ইব্রাহীম
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ে বাংলাদেশ: 
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মূসা ইব্রাহীম।
- সময়: ২৩মে, ২০১০ সালে।
- বাংলাদেশের হয়ে দুই বার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহন করেছেন- এম এ মুহিত।
- প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন- নিশাত মজুমদার (১৯ মে, ২০১২)।
- পঞ্চম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন বাবর আলী। 

উৎস: প্রথম আলো। 
৪,৬২২.
সাম্প্রতিক সময়ে স্বীকৃতি পাওয়া জিআই পণ্য 'বালিশ মিষ্টি' কোন জেলার ঐতিহ্য?
  1. টাঙ্গাইল 
  2. মেহেরপুর 
  3. নওগাঁ 
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য 'বালিশ মিষ্টি':
- সাম্প্রতিক সময়ে স্বীকৃতি পাওয়া জিআই পণ্য 'বালিশ মিষ্টি' নেত্রকোনা জেলার ঐতিহ্য।

⇒ সম্প্রতি পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর (ডিপিডিটি) বালিশ মিষ্টিকে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
- বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়।
- প্রায় ১২০ বছর আগে স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এটি তৈরি করেন। ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে আকারের জন্যই নাম রাখা হয় ‘বালিশ মিষ্টি’।
- তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের আগে তৎকালীন কালীগঞ্জ শহরে এটি দিনে দিনে জনপ্রিয়তা পেতে থাকে। স্বাদ, মান ও গুণে অতুলনীয় হওয়ায় মানুষ এখনো উদ্ভাবক গয়নাথ ঘোষের নামেই এই মিষ্টি চেনে।
- মূল উপকরণ হলো দুধ, চিনি ও ছানা। দুধ থেকে তৈরি করা হয় ছানা, তারপর ছানা ও ময়দা দিয়ে মণ্ড তৈরি হয়, মণ্ড দিয়েই বানানো হয় বালিশ। সব শেষে চিনির রসে ভেজানো হয় এবং পরিবেশনের সময় দুধের ঘন মালাই প্রলেপ দেওয়া হয়। 
- স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বালিশ ২-৩ দিন ভালো থাকে, শীতকালে ৭-৮ দিন পর্যন্ত। 

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর (ডিপিডিটি) ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

৪,৬২৩.
বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার বাধ্যতামূলক আইন কত সালে পাস হয়?
  1. ১৯৮১
  2. ১৯৯০
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৩
সঠিক উত্তর:
১৯৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা:
- ১৯৭৩: স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করা হয়।
- ১৯৮১: পৃথক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯০: বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয়।
- ১৯৯২: আইন প্রাথমিকভাবে ৬৮টি উপজেলায় চালু হয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩: সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কার্যকর হয়।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) ওয়েবসাইট।

৪,৬২৪.
সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যাকারীর নাম কী?
  1. ক) মোহাম্মদী বেগ
  2. খ) ঘসেটি বেগম
  3. গ) রাজবল্লভ
  4. ঘ) মীরজাফর
সঠিক উত্তর:
ক) মোহাম্মদী বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোহাম্মদী বেগ
ব্যাখ্যা
সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নওয়াব।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে সিরাজ পরাজিত ও নিহত হওয়ার পর ইংরেজরা বাংলার নওয়াবদেরকে তাদের হাতের পুতুলে পরিণত করে এবং নিজেরাই বাংলার প্রকৃত শাসকে পরিণত হয়। 
- পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নওয়াব বাহিনীর শোচনীয় পরাজয় হয় এবং নবাব নিজেও তাঁর তাঁবু ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।
- কিন্তু শীঘ্রই তিনি বন্দি হন।
- বন্দিদশায় সিরাজউদ্দৌলাকে মীরজাফরের পুত্র মিরনের নির্দেশে মোহাম্মদী বেগ নির্মমভাবে হত্যা করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৬২৫.
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ‘লবি গ্রুপ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কে?
  1. ক) এস. ই. ফাইবার
  2. খ) এইচ. জিগলার
  3. গ) অ্যালান আর. বল
  4. ঘ) আলফ্রেড গ্রাজিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক) এস. ই. ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এস. ই. ফাইবার
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ। চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ‘লবি গ্রুপ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন - এস. ই. ফাইবার এবং “Interest group” - বলে আখ্যায়িত করেছেন - এইচ. জিগলার। সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই।
৪,৬২৬.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়?
  1. কাকড়া
  2. গজারি
  3. গেওয়া
  4. পশুর
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
- ম্যানগ্রোভ হলো সমুদ্র উপকূলের লোনা পানিতে জন্মানো উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে। বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। এ বনে জন্মানো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সুন্দরী
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- গোলপাতা ইত্যাদি।
- গজারী বা শাল হলো পত্রপতনশীল বৃক্ষ।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
৪,৬২৭.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন ঘোষণা করেন- 
  1. জিয়াউর রহমান
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  4. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট তৎকালীন ও তাঁর পরিবারকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
- প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
- মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনে।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় এবং পাকিস্তানের ভাবধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠা শুরু হয়।
- ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

৪,৬২৮.
"বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর" কয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।
৪,৬২৯.
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে কোন ধরনের ‘অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’ চালু আছে?
  1. ক) ইসলামী
  2. খ) সমাজতান্ত্রিক
  3. গ) পুঁজিবাদী
  4. ঘ) মিশ্র অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
খ) সমাজতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমাজতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভাগ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
১০।মানুষের উপর মানুষের শোষণ হইতে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ নিশ্চিত করিবার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হইবে।

৪,৬৩০.
'অর্থশাস্ত্র' গ্রন্থটি কার আমলে রচিত হয়?
  1. ক) কনিষ্ক
  2. খ) হর্ষাব্দ
  3. গ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. ঘ) অশোক
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা
- অর্থশাস্ত্র  প্রাচীন ভারতের একটি মূল্যবান গ্রন্থ যেটি বিষয়ের বৈচিত্র্য ও ব্যাপকতার জন্য সুপরিচিত। 
- এতে একাধারে যেমন রয়েছে রাজনীতি ও রাষ্ট্রশাসন, প্রশাসন ব্যবস্থা, আর্থিক অবস্থা ও ব্যবস্থা এবং সমাজ ও ধর্ম সম্পর্কিত নানান দিকের তাত্ত্বিক আলোচনা, তেমনি রয়েছে অন্যান্য বহুবিধ বিষয়, যেমন জীব ও উদ্ভিদ জগতের সাথে মানুষের সম্পর্ক, খনিজ পদার্থ ও বিভিন্ন ধাতুর ব্যবহার প্রক্রিয়া, ভূতত্ত্ব, কৃষি, এবং পশুপালন।
- সংস্কৃত ভাষায় রচিত খ্রিস্টপূর্ব তিন শতকের এ গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত। 
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া 
৪,৬৩১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. ক) পিলখানা
  2. খ) আগারগাঁও
  3. গ) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  4. ঘ) ঢাকা দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
• ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
• ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
• বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
• মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
• ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
• এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
• গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৩২.
Bangladesh Railway has been divided into how many regions for the convenience of administrative work?
  1. ক) 1
  2. খ) 2
  3. গ) 3
  4. ঘ) 4
সঠিক উত্তর:
খ) 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 2
ব্যাখ্যা
রেলওয়ে অঞ্চল: 

- প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ২টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
• রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল।
• রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল।

রেলওয়ে বিভাগ,
• কমলাপুর, ঢাকা।
• পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।
• পাকশী, পাবনা।
• লালমনিরহাট।

তথ্যসূত্র - রেলপথ মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৬৩৩.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হক কোথায় শহিদ হন?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  3. আগরতলা কারাগার
  4. ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক:
⇒ ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থাতেই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় সার্জেন্ট জহুরুল হককে।
- মামলায় তাকে করা হয়েছিল ১৭ নম্বর আসামি।
- তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল।

⇒ পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাটির সরকারি নাম দিয়েছিল 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্যদের বিচার'। এই মামলায় ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। প্রথমে আসামিদের 'দেশরক্ষা আইন' থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু পরে 'সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী অ্যাক্টে' সার্জেন্ট জহুরুল হকসহ অন্যান্য আসামিদের পুনরায় গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানের সামরিক সরকার। এরপর তাদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কুর্মিটোলার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন মামলাটির শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ মামলার স্থান হিসেবে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে অবস্থিত 'সিগন্যাল অফিসার মেস' নির্ধারণ করা হয়। মামলার শেষ তারিখ ছিল ১৯৬৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। এরপর ছাত্র জনতার তীব্র গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খানের সামরিক সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।
- এমনি উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে মামলার ১৭নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) The Daily Star Bangla.
৪,৬৩৪.
২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছেন?
  1. লুইস ই ব্রুস
  2. জন ফসে
  3. ক্লডিয়া গোল্ডিন
  4. পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি
সঠিক উত্তর:
জন ফসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন ফসে
ব্যাখ্যা
নোবেল পুরস্কার (২০২৩):
- ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী।
- ২০২৩ সালে চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দুইজন। তারা হলেন 'ক্যাটালিন কারিকো' এবং 'ড্রু ওয়েইসম্যান'।
- ২০২৩ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন মার্কিন বিজ্ঞানী 'পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি', 'গাঙ্গেরির ফেরেন্স ক্রাউজ' এবং ফ্রান্সের 'অ্যান হুইলেয়ার'।
- ২০২৩ সালে রসায়ন বিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি রসায়নবিদ 'মুঙ্গি জি বাওয়েন্দি', মার্কিন গবেষক 'লুইস ই ব্রুস' ও 'অ্যালেক্সি আই একিমোভ'।
- অর্থনীতিতে ২০২৩ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক 'ক্লডিয়া গোল্ডিন'।
- ২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন নরওয়ের লেখক 'জন ফসে'।

তথ্যসূত্র - নোবেল পুরস্কার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সময় নিউজ, ৬ অক্টোবর ২০২৩।
৪,৬৩৫.
বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯১ সালে
  2. খ) ১৯৯৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ১৯৯৭-৯৮ সালে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়। শুরুতে ভাতা প্রাপ্তদের সংখ্যা ছিলো ৪.০৩ লক্ষ জন এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ছিলো ১০০ টাকা করে।
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এসে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা।
(সূত্র: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট)
৪,৬৩৬.
‘ফ্লাউড কমিশন’ মূলত কী সংক্রান্ত সংস্কারে কাজ করে -
  1. ক) রাজনীতি
  2. খ) অর্থনীতি
  3. গ) সমাজনীতি
  4. ঘ) জমিদারী প্রথা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জমিদারী প্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জমিদারী প্রথা
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক বিনা ক্ষতিপূরনে জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য ১৯৩৮ সালে যে কমিশন গঠন করে তা ‘ফ্লাউড কমিশন’ নামে পরিচিত।
১৯৩৮ সালে হক মন্ত্রীসভা বঙ্গীয় প্রজাসত্ব আইন সংশোধন করে জমিদারদের অধিকার হৃাস এবং কৃষকদের অধিকার বৃদ্ধির চেষ্টা করেন।
উৎস - বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৩৭.
বাকশাল জাতীয় দলের জন্য কত সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি মনোনীত করা হয়?
  1. ১৫
  2. ৭৫
  3. ১১৫
  4. ১৩৫
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল): 
 
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ৭ জুন একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাকশালের বিভিন্ন দিক, কার্যক্ষেত্র এবং সম্ভাবনা সবিস্তারে বর্ণনা করে শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর এই উদ্যোগকে ‘দ্বিতীয় বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারিভাবে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
- সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বাকশালের চেয়ারম্যান হিসেবে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমান জাতীয় দলের জন্য ১৫ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি এবং ১১৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি মনোনীত করেন। 
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৩৮.
বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন কবে?
  1. ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৮ সালে
  2. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সালে
  3. ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সালে
  4. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন। ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ছয়দফা ঘোষণা করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ১ নং আসামী ছিলেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে ।
- বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু' ও ডেইলি স্টার।
৪,৬৩৯.
মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী? 
  1. বৈসুক
  2. সাংগ্রাই
  3. ওয়ানগালা
  4. বিজু
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা 'ভোট বর্মী' শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম 'সাংগ্রাই'।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

অন্যদিকে, 
- চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ বিজু।
- ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসুখ/বৈসু/বাইশু,
- মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই,
এবং ওয়ানগালা (গারো জাতির একটি উৎসব)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৬৪০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ৩ নম্বর সেক্টর
  2. ২ নম্বর সেক্টর
  3. ১ নম্বর সেক্টর
  4. ৪ নম্বর সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২ নম্বর সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নম্বর সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৪১.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ২৫৭ জন
  2. ১৬৩ জন
  3. ৪৪ জন
  4. ৬৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য স্বীকৃতির তথ্য:

• স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন। 

• তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী], 
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), 
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), 
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)। 

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন। 

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৪,৬৪২.
কোন সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়?
  1. ২য়
  2. ৪র্থ
  3. ৭ম
  4. ৯ম
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে।

⇒ দ্বিতীয় সংশোধনী:
- এই সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এটি পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বিনা বিচারে যে কাউকে আটকের বিধান করা হয়।
- মূলত এ সংশোধনীর মাধ্যমে শাসন বিভাগ তথা নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- এটি সংবিধানের নবম ভাগে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- এ সশোধনীর মূল কথা হলো "যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ অথবা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ দ্বারা বাংলাদেশ বা এর যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপন্ন হবার আশঙ্কা দেখা দিলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন।
- এ ধরনের ঘোষণার বৈধতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে।
- জরুরি অবস্থা ঘোষণা পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা হবে অথবা জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হবে কিংবা ১২০ দিন অতিবাহিত হবার পূর্বে সংসদের প্রস্তাব দ্বারা অনুমোদিত না হলে তা কার্যকর হবে না।
- জরুরি অবস্থা চলাকালীন নাগরিকদের মৌলিক অধিকার স্থগিত থাকবে।
- এ সংবিধানে আরো উল্লেখ করা হয়, এ জরুরি অবিস্থায় গ্রেফতার ও আটকাদেশ সম্পর্কিত বিধানের অবসান ঘটবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৬৪৩.
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কোন বৃহৎ শক্তিধর দেশ জাতিসংঘে ভেটো দেয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে ভেটো প্রদান:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। 
- বর্তমানে সোভিয়েত ইউনিয়ন নাম রাশিয়া।
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো দেয় রাশিয়া।
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে।
- এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।

উল্লেখ্য, 
-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৪৪.
একটি সংসদীয় আসন রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) সবগুলোতেই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোতেই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। জেলাগুলো হলো- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।
উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
৪,৬৪৫.
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ এর উপাধি কী ছিল?
  1. সিপাহী
  2. সার্জেন্ট
  3. ল্যান্স নায়েক
  4. ক্যাপ্টেন
সঠিক উত্তর:
ল্যান্স নায়েক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যান্স নায়েক
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ:
• জন্ম- ১৯৪৩ সালে ফরিদপুর জেলায়
• কর্মস্থল- মুন্সি আব্দুর রউফ ১৯৬৩ সালের ৮ই মে ২০ বছর বয়সে যোগদান করলেন ইপিআর-এ।
- প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগ পেলেন পূর্ব পাকিস্তানের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে।
- তাঁর ইপিআর নম্বর -১৩১৮৭।
• পদবি- ল্যান্স নায়েক
• সেক্টর- ১নং
• মৃত্যু- ৮ এপ্রিল, ১৯৭১
• সমাধি- রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ার চরে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪,৬৪৬.
বাংলাদেশে বসবাসরত মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী- 
  1. গারো 
  2. খাসিয়া 
  3. সাঁওতাল
  4. ক + খ 
সঠিক উত্তর:
ক + খ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ 
ব্যাখ্যা

- গারো ও খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।

খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- এদের অধিকাংশই সীমান্ত অঞ্চলে বাস করে।
- গায়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর এবং জোয়াই ও জৈন্তাপুরের মাঝখানে অনেক খাসিয়া বসতি রয়েছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকাও গাজীপুরজেলায় গারোরা বাস করে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৬৪৭.
কার্তিক ও অগ্রহায়ণ এই দুই মাস নিয়ে কোন কাল?
  1. বর্ষা
  2. শরৎ
  3. বসন্ত
  4. হেমন্ত
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
হেমন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেমন্ত
ব্যাখ্যা
বাংলা ঋতু ও মাসের নাম:
• গ্রীষ্ম - বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ।
• বর্ষা - আষাঢ়, শ্রাবণ।
• শরৎ - ভাদ্র, আশ্বিন।
• হেমন্ত - কার্তিক, অগ্রহায়ণ।
• শীত - পৌষ, মাঘ।
• বসন্ত - ফাল্গুন, চৈত্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৬৪৮.
বিবিএসের হিসাবে ২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর অনুসারে জিডিপিতে স্থিরমূল্যে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১০.২৫ শতাংশ
  2. ১২.০৭ শতাংশ
  3. ১৩.০৪ শতাংশ
  4. ১৪.১৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১২.০৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২.০৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে ২০১৫-২০১৬ ভিত্তিবছর অনুসারে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- কৃষিখাত : ১২.০৭ শতাংশ
- শিল্পখাত ৩৬.০১ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫১.৯২ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৪,৬৪৯.
দেশের কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) মধুপুর বনাঞ্চল
  3. গ) পার্বত্য বনাঞ্চল
  4. ঘ) গাজীপুর বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বত্য বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বত্য বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
চিরহরিৎ বন সাধারণত সিলেট, চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী এলাকায় দেখা যায়। (রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই।)
৪,৬৫০.
'কাবিখা' হলো -
  1. খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
  2. পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসূচি
  3. অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের একটি কর্মসূচি
  4. নারীদের উন্নয়ন কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
কাবিখা কর্মসূচি:
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য বা কাবিখা হলো খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি।

- কাবিখা কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
• প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো  নির্মাণ /পুননির্মাণ,
• স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন,
• গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি,
• গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি,
• দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন  এবং
• দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্ট।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৫১.
নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখায় বেগম রোকেয়া পদক ২০২২ লাভ করেন -
  1. ক) ফরিদা ইয়াসমিন
  2. খ) ড. আফরোজা পারভীন
  3. গ) অধ্যাপক কামরুন নাহার বেগম
  4. ঘ) রহিমা খাতুন
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক কামরুন নাহার বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক কামরুন নাহার বেগম
ব্যাখ্যা
• রোকেয়া পদক:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য পাঁচজন বিশিষ্ট নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২২’ প্রদান করেন।
- তিনি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবস-২০২২ ও বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২২ উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে পাঁচ নারীর হাতে পদক তুলে দেন। 

• বেগম রোকেয়া পদক-২০২২ প্রাপ্তরা হলেন:
- অধ্যাপক কামরুন নাহার বেগম (এডভোকেট), চট্টগ্রাম (ক্ষেত্র- নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা)
- ফরিদা ইয়াসমিন (জন্মস্থান খুলনা), সাতক্ষীরা (নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন)।
- ড. আফরোজা পারভীন, নড়াইল (ক্ষেত্র- সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ)।
- নাছিমা বেগম, ঝিনাইদহ (ক্ষেত্র-পল্লী উন্নয়ন)।
- রহিমা খাতুন, ফরিদপুর (ক্ষেত্র-নারী শিক্ষা)।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
৪,৬৫২.
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার
  2. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী
  3. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র
  4. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
সঠিক উত্তর:
অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র- এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার- আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী- আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
৪. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প - সৈয়দ আজিজুল হক।
- পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৪,৬৫৩.
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.২৩ কিলোমিটার
  2. ৩.৩২ কিলোমিটার
  3. ৫.৩৫ কিলোমিটার
  4. ৯.৩৯ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩.৩২ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
         iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৪,৬৫৪.
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পোশাক খাতে কত শতাংশ আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১%
  2. খ) ২%
  3. গ) ৩%
  4. ঘ) ৪%
সঠিক উত্তর:
ক) ১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পোশাক খাতে ১ শতাংশ আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়।
৪,৬৫৫.
স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত্তি নয় কোনটি?
  1. স্মার্ট সিটিজেন
  2. স্মার্ট ইকোনোমি
  3. স্মার্ট গভর্নমেন্ট
  4. স্মার্ট এডুকেশন
সঠিক উত্তর:
স্মার্ট এডুকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মার্ট এডুকেশন
ব্যাখ্যা
স্মার্ট বাংলাদেশ
- ২০৪১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন কাঠামো পরিকল্পনা হলো - স্মার্ট বাংলাদেশ।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ ডিসেম্বর ২০২২ -এ  ২০৪১ সালের মধ্যে 'স্মার্ট বাংলাদেশ' গড়ার ঘোষণা দেন।
- স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস - ১২ ডিসেম্বর।
- স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স এর চেয়ারপারসন - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

- স্মার্ট বাংলাদেশ এর ভিত্তি ৪টি। যথা-
১.স্মার্ট সিটিজেন,
২.স্মার্ট ইকোনমি,
৩.স্মার্ট গভর্নমেন্ট,
৪.স্মার্ট সোসাইটি।

উৎস - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৬৫৬.
বাংলাদেশ কোন অঞ্চলের সঙ্গে “প্রাধান্যভিত্তিক বাণিজ্য চুক্তি (PTA)” করেছে? (জুন-২০২৫)
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ’অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি’ করে ভুটানের সঙ্গে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ এবং ভুটান থেকে বিস্তৃত পণ্য একে অপরের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
- বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ভুটানের অর্থমন্ত্রী লিয়নপো লোকনাথ শর্মা নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

উৎস: প্রথম আলো{লিংক}
৪,৬৫৭.
”পার্বত্য চট্টগ্রাম” প্রাচীন কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. বরেন্দ্র
  2. হরিকেল 
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. পুণ্ড্র 
সঠিক উত্তর:
হরিকেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিকেল 
ব্যাখ্যা

• হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলি-খিত হয়েছে।
- অনেকে ধারণা করেন যে হরিকেল জনপদ ছিল না, এটি বঙ্গের সাথে যুক্ত ছিল।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।

অন্যদিকে,
- সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
-  বর্তমান বরিশাল জেলাই ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৬৫৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাকাশ অবলোকন কেন্দ্র কোথায় নির্মিত হচ্ছে ?
  1. জাজিরা, শরীয়তপুর
  2. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  3. রামু, কক্সবাজার
  4. ভাঙ্গা, ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাঙ্গা, ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম মহাকাশ অবলোকন কেন্দ্র “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাকাশ অবলোকন কেন্দ্র”।
প্রকল্পটি ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নির্মাণের প্রস্তাব দেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক জাফর ইকবাল।
- কর্কট ক্রান্তিরেখা ও ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার সংযোগস্থল হওয়ায় এ অঞ্চলটিতেই স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
- পরবর্তীতে প্রস্তাবটি বিবেচনায় এনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার

৪,৬৫৯.
মীনা কার্টুন কোন শিল্পীর সৃষ্টি?
  1. ক) তানভীর কবির
  2. খ) মুস্তফা মনোয়ার
  3. গ) রফিকুন্নবী
  4. ঘ) মকবুল ফিদা হোসেন
সঠিক উত্তর:
খ) মুস্তফা মনোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা
মুস্তফা মনোয়ার বা মুস্তাফা মনোয়ার (জন্ম: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৫) বাংলাদেশের একজন গুণী চিত্রশিল্পী। চিত্রশিল্পে তার স্বতঃস্ফুর্ত পদচারণা, বাংলাদেশে নতুন শিল্প আঙ্গিক পাপেটের বিকাশ, টেলিভিশন নাটকে অতুলনীয় কৃতিত্ব প্রদর্শন, শিল্পকলার উদার ও মহত্‍ শিক্ষক হিসেবে নিজেকে মেলে ধরা, দ্বিতীয় সাফ গেমসের মিশুক নির্মাণ এবং ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পেছনের লালরঙের সূর্যের প্রতিরূপ স্থাপনাসহ শিল্পের নানা পরিকল্পনায় তিনি বরাবর তার সৃজনী ও উদ্ভাবনী প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।
৪,৬৬০.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ১৫৩টি
  2. ১৬৭টি
  3. ২০৯টি
  4. ২২৩টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত ৪টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো,
• আওয়ামী লীগ।
• কৃষক শ্রমিক পার্টি।
• নেজামে ইসলাম।
• গণতন্ত্রী দল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রধানত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন।
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় ৯টি আসন। পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস ২৪টি, তফসিল ফেডারেশন ২৭টি, খেলাফতে রব্বানী ২টি, খ্রিস্টান ১টি, বৌদ্ধ ১টি, কম্যুনিস্ট পার্টি ৪টি আসন লাভ করে।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৬১.
বাংলাদেশ ছাড়া নিচের কোন অঞ্চলের মানুষের ভাষা বাংলা?
  1. উড়িষ্যা
  2. তামিল
  3. নাগপুর
  4. মিজোরাম
সঠিক উত্তর:
উড়িষ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড়িষ্যা
ব্যাখ্যা
ভারতে ভাষা বাংলা:
- বাংলাকে 'অন্যতম' রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দামাল ছেলেরা রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঝরিয়েছিল। 
- সেই বাংলা এখন বাংলাদেশের বাইরেও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা অর্জন করেছে।
- বাংলা এখন বিশ্বের তিনটি দেশের দাপ্তরিক ভাষা।
- সেগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত ও সিয়েরা লিওন।

উল্লেখ্য -
- ভারতে সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা হচ্ছে হিন্দি।
- ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা বাংলা। 
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা প্রদেশের দাপ্তরিক ভাষা বাংলা।
- পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা ছাড়াও আসাম, বিহার ও উড়িষ্যাতে বাংলা ভাষাভাষী মানুষ রয়েছে।
- এছাড়াও বিশ্বের নানা প্রান্তে বাংলা ভাষাভাষী বহুসংখ্যক মানুষ রয়েছে।

উৎস: i) ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, Hindustan Times.
         ii) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৬২.
যুক্তফ্রন্ট ঘোষিত ২১-দফা কর্মসূচির প্রথম দফা কোনটি?
  1. ক) একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি
  2. খ) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
  3. গ) শহীদের স্মরণে ‘শহীদ মিনার’ করা
  4. ঘ) বাংলা ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম করা
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নেতাগণ ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদের স্মৃতি অম্লান করে রাখার জন্য শ্রদ্ধাভরে তাদের কর্মসূচিকে ২১টি দফায় লিপিবদ্ধ করেন। ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ৫ টি যথা - ১,১০,১৬,১৭,১৮। যুক্তফ্রন্টের ২১-দফা কর্মসূচির কয়েকটি দফা নিম্নরুপ - 

১। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হবে।
১০। সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের ব্যবধান দূর করা হবে এবং বাংলা ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম করা হবে।
১৬। বর্ধমান হাউসকে (বর্তমান বাংলা একাডেমি) আপাতত ছাত্রাবাস এবং পরে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণাগার করা হবে । 
১৭। বাংলা ভাষার  জন্য শহীদের স্মরণে ‘শহীদ মিনার’ করা হবে।
১৮। একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ও সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালন করা হবে।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৬৩.
রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষী বলে আখ্যায়িত করেছিলেন-
  1. ক) ফা-হিয়েন
  2. খ) মাহুয়ান
  3. গ) হিউয়েন সাং
  4. ঘ) মেগাস্থিনিস
সঠিক উত্তর:
গ) হিউয়েন সাং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিউয়েন সাং
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন।
শশাঙ্ক একজন সুশাসক ছিলেন। তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ। তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে।
বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং শৈব ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষী/ বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি]
৪,৬৬৪.
হাকালুকি হাওর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সুনামগঞ্জ
  3. মৌলভীবাজার
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
হাকালুকি হাওর:

- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ২৪°৩৫´-২৪°৪৪´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°০১´-৯২°০৯´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।
- হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়।
- এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৬৫.
বাংলাদেশে প্রাণিকল্যাণ আইন কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯:
- বাংলাদেশে প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এটি ১৯২০ সালের 'দ্য ক্রুয়েলটি টু অ্যানিমেলস অ্যাক্ট' বাতিল করে প্রণীত হয়েছে।
- কার্যকর হয়: ১০ জুলাই, ২০১৯। 
- উদ্দেশ্য: প্রাণীদের সঠিক যত্ন ও দায়িত্বশীল পালন নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ করা।

⇒ এই আইনে প্রাণী বলতে মানুষ ছাড়া সব স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপজাতীয় প্রাণী, মাছ ছাড়া অন্যান্য জলজ প্রাণী এবং সরকারি গেজেট-প্রজ্ঞাপনে ঘোষিত অন্য প্রাণীকে বোঝাবে।
- আইনে ‘কর্তৃপক্ষ’ বলতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তাঁর কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ওই অধিদপ্তরের কোনো ভেটেরিনারি সার্জনকে বোঝানো হয়েছে।
- আর ‘স্থানীয় কর্তৃপক্ষ’ বলতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডকে বোঝানো হয়েছে।
- এ আইনে সাজা হিসেবে অনধিক ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার কথা বলা আছে। সর্বোচ্চ সাজা অনধিক দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য। 

উৎস: প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯।

৪,৬৬৬.
বাংলার 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কত খ্রিস্টাব্দে ঘটে?
  1. ক) ১৮৫৭ সালে
  2. খ) ১৭৭০ সালে
  3. গ) ১১৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৭৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭৭০ সালে
ব্যাখ্যা

- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করলে দেওয়ানি চলে যায় কোম্পানির হাতে আর প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকে নবাবের হাতে।
- যার ফলে বাংলায় এক অভূতপর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।
- এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৪,৬৬৭.
নিচের কোনটি চাকমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্ববৃহৎ উৎসব?
  1. বিজু
  2. সাংগ্রাই
  3. বৈসু
  4. ওয়ানগালা
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা
চাকমাদের সংস্কৃতি: 
- চাকমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্ববৃহৎ উৎসব হলো 'বিজু'।
- বাংলা বর্ষের শেষ দুদিন ও নববর্ষের প্রথম দিনে চাকমারা বিজু উৎসব পালন করে।
- অন্যান্য নৃগোষ্ঠীর তুলনায় চাকমারা তুলনামূলকভাবে বেশি শিক্ষিত।
- চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা রয়েছে।

এছাড়া, 
- মারমারা পুরাতন বর্ষকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে সাংগ্রাই উৎসব উদযাপন করে।
- নতুন ধান মাড়াইয়ে বাঙালির নবান্ন আর গারো নৃগোষ্ঠীর ওয়ানগালা একই সূত্রে গ্রোথিত।
- বৈসু ত্রিপুরাদের উৎসবের নাম। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৬৬৮.
গণপরিষদে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৫৩
  2. খ) ১৯৫৬
  3. গ) ১৯৫৫
  4. ঘ) ১৯৫৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫৪
ব্যাখ্যা

• ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৯ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
• ১৯৫৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেলউদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
• ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহিত হয়। এই সংবিধানের বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 

৪,৬৬৯.
বাংলাদেশ সরকার কোন উৎস থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে?
  1. ভূমি রাজস্ব
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে ⎯ মূল্য সংযোজন কর বা মূসক থেকে।
➝ বর্তমান ২০২৩ - ২৪ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ডের আয়ের মোট ৩৮.১% ভ্যাট থেকে আহরণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
➝ অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
➝ দ্বিতীয় প্রধান উৎস ⎯ আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তির চিত্র:
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ⎯
- বৈদেশিক অনুদানসহ মোট রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ⎯ ৫০৩,৯০০ কোটি টাকা।
- NBR নিয়ন্ত্রিত কর ⎯ ৪৩০,০০০ কোটি টাকা,
- NBR নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কর ⎯ ২০,০০০ কোটি টাকা,
- কর ব্যতীত অন্যান্য প্রাপ্তি ⎯ ৫০,০০০ কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান ⎯ ৩,৯০০ কোটি টাকা।

রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত কর:
NBR যেসকল খাত থেকে কর উত্তোলন করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ⎯
➝ মূল্য সংযোজন কর ⎯ ১৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%),
➝ আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর ⎯ ১৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%),
➝ সম্পূরক কর ⎯ ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%),
➝ আমদানি শুল্ক ⎯ ৪৬,০১৫ কোটি টাকা,
➝ আবগারি শুল্ক ⎯ ৪,৫৭৯ কোটি টাকা।
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
মূল্য সংযোজন কর/Value Added Tax (মূসক/VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি ⎯ পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ⎯ ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়। কিছু বিশেষ সেবার ক্ষেত্রে এই হার কম/বেশি হতে পারে।

উৎস: জাতীয় বাজেট ⎯২০২৩-২৪, NBR ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৬৭০.
সেন বংশের কোন শাসক সুপণ্ডিত হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) লক্ষণ সেন
  2. খ) বল্লাল সেন
  3. গ) বিজয় সেন
  4. ঘ) হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
খ) বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা
• সেন বংশে বল্লাল সেন ছিলেন অত্যন্ত সুপণ্ডিত। বিদ্যা ও বিদ্বানের প্রতি তাঁর যথেষ্ট অনুরাগ ছিল। তিনি বেদ, স্মৃতি, পুরাণ প্রভৃতি শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছিলেন।

• কবি বা লেখক হিসেবে সংস্কৃত সাহিত্যে তাঁর দান অপরিসীম। তিনি ‘দানসাগর’ ও ‘অদ্ভুতসাগর’ নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। অবশ্য ‘অদ্ভুতসাগর’ গ্রন্থের অসমাপ্ত অংশ তাঁর পুত্র লক্ষণ সেন সম্পূর্ণ করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৭১.
বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয়-
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা:
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়।
- সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে সরকার দেশের ছয় থেকে দশ বছর বয়সী শিশুর জন্য পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেন।
- ১৯৯০ সালে সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস করা হয়।
- ১৯৯২ সালে সীমিতভাবে এবং ১৯৯৩ সাল থেকে সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস: সিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৬৭২.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করতে মামলা দায়েরের অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪২(২)
  2. অনুচ্ছেদ ৪৪(১)
  3. অনুচ্ছেদ ৪৪(২)
  4. অনুচ্ছেদ ৪৫(১)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪(১)
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ:
-সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদের বিধান:মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ:
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 
(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৪(১) অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করতে মামলা দায়েরের অধিকার নিশ্চিত করেছে।

উল্লেখ্য, 
- যখন কোন ব্যক্তির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়, বা লঙ্ঘিত হওয়ার হুমকি থাকে, সে তার উক্ত মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা দায়ের করতে পারে।
- উক্ত মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা, আদেশ বা রিট জারি করার ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ-কে ১০২ অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে।
- সুতরাং ৪৪ অনুচ্ছেদ মূলত একটি তত্ত্বগত বিধান যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণের অধিকার দেওয়া হয়েছে।
- অন্যদিকে, ১০২ অনুচ্ছেদ মূলত একটি পদ্ধতিগত বিষয়, যেখানে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণে হাইকোর্ট বিভাগের বিভিন্ন নির্দেশনা, রিট বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৬৭৩.
বাংলাদেশের বর্তমান মন্ত্রীসভা মোট কত সদস্য বিশিষ্ট?
  1. ২৪ সদস্য 
  2. ২৫ সদস্য 
  3. ৪৯ সদস্য 
  4. ৫০ সদস্য 
সঠিক উত্তর:
৫০ সদস্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ সদস্য 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মন্ত্রীসভা:
- বাংলাদেশের বর্তমান মন্ত্রীসভা মোট ৫০ সদস্য বিশিষ্ট।

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে।
- বিএনপির নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন ২৪ জন।
- মন্ত্রীসভা বলতে প্রধানমন্ত্রী নিজে+ পূর্ণমন্ত্রী+ প্রতিমন্ত্রী। সব মিলিয়ে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা।
- নতুন মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য রয়েছেন তিনজন। এর মধ্যে পূর্ণমন্ত্রী আফরোজা খানম (মানিকগঞ্জ-৩)। আর প্রতিমন্ত্রী দুজন হলেন শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২) ও ফারজানা শারমীন (নাটোর-১)। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।

৪,৬৭৪.
'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয় - 
  1. ২১ অক্টোবর, ১৯৪৭
  2. ২ মার্চ, ১৯৪৮
  3. ১১ মার্চ, ১৯৫০
  4. ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।

⇒ তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।
- এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।

⇒ ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭৫.
৬ষ্ঠ জনশুমারিতে কয় ধরনের তথ্য নেওয়া হয়েছে?
  1. ৩০
  2. ৩৮
  3. ৪১
  4. ৪৫
সঠিক উত্তর:
৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫
ব্যাখ্যা
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- ডিজিটাল শুমারিতে প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে ৩৫ ধরনের তথ্যসহ আরও ১০টি সহায়ক তথ্য নেওয়া নিয়েছেন তথ্য সংগ্রহকারীরা।
- এতে করে একজন নাগরিকের মোট ৪৫ ধরনের তথ্য নেওয়া হয়েছে।


জনশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য:
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে।পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
- পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ। 
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: i) ১৫ জুন ২০২২, বিবিসি বাংলা।
          i) ১৫ জুন ২০২২, প্রথম আলো।
৪,৬৭৬.
পারমাণবিক ক্লাবের তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে যুক্ত হয়?
  1. ৩৩তম
  2. ৩৬তম
  3. ৫৭তম
  4. ৮১তম
সঠিক উত্তর:
৩৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেছে রাশিয়া।
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৬৭৭.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম কবিতা কোনটি?
  1. স্মৃতিস্তম্ভ
  2. বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
  3. কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
  4. একুশের গান
সঠিক উত্তর:
কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
ব্যাখ্যা

• কবিতা- কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।
• কবি- মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী।

"যারা আমার মাতৃভাষাকে নির্বাসন দিতে
চেয়েছে তাদের জন্যে
আমি ফাঁসির দাবি করছি।
যাদের আদেশে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তাদের জন্য
ফাঁসি দাবি করছি
যারা এই মৃতদেহের উপর দিয়ে
ক্ষমতার আসনে আরোহণ করেছে
সেই বিশ্বাসঘাতকদের জন্য।
আমি ওদের বিচার দেখতে চাই।
----------------------------------------------
• মাহবুব উল আলম চৌধুরী:
- মাহবুব উল আলম চৌধুরী (১৯২৭–২০০৭) ছিলেন একজন কবি, সাংবাদিক ও ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী।
- তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’।
- তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে এই কবিতাটি লিখেন। 
- এই কবিতাটি একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে লেখা প্রথম কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।
- কবিতাটিতে শোক নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, ন্যায়বিচারের দাবি চাওয়া হয়েছে।
- এছাড়া, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনাও কঠোরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
-------------------------------
উল্লেখ্য, 
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উল্লেখযোগ্য কিছু কবিতা হলো-
- মহাদেব সাহার একুশের গান,
- শামসুর রাহমানের বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা,
- আলাউদ্দিন আল আজাদের স্মৃতিস্তম্ভ।
- এই কবিতাগুলো ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামকে তুলে ধরে। 

উৎস: 
১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — মাহবুবুল আলম;
২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
৩. বাংলাপিডিয়া।

৪,৬৭৮.
‘কৃষক প্রজা পার্টি’ কার নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল?
  1. এ.কে. ফজলুল হক
  2. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

কৃষক-প্রজা পার্টি:
- শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক এর নেতৃত্বে ‘কৃষক প্রজা পার্টি’ গড়ে উঠেছিল।
- কৃষক প্রজা পার্টি আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি সম্বলিত একটি রাজনৈতিক দল।
- দলটি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল।
- ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কৃষক প্রজা পার্টি ছিল নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির ফসল।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মুসলমান নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে নিখিলবঙ্গ প্রজা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৯ সালে।
- স্যার আব্দুর রহিম এ সমিতির সভাপতি এবং আরও পাঁচজন সহ-সভাপতি ছিলেন।
- এ.কে ফজলুল হক ছিলেন এ পাঁচজনের মধ্যে প্রথম সহ-সভাপতি।
- ১৯৩০ দশকের মন্দার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বঙ্গের প্রায় সকল জেলায় প্রজা সমিতি গঠিত হয়।
- এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব বাংলায় তার সমর্থকদের নিয়ে প্রজা সমিতি ত্যাগ করলেন এবং ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় কৃষক-প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৬৭৯.
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?
  1. ড. আমিনুল ইসলাম
  2. ড. মিজানুর রহমান
  3. ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
  4. ড. বিশ্বিজৎ চন্দ
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন:

- বাংলাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ দ্বারা ২০১০ সালের ২২ জুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- একজন চেয়ারম্যান, একজন সার্বক্ষণিক সদস্য এবং পাঁচজন অবৈতনিক সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সরকারি সংস্থা।
- ৮ ডিসেম্বর ২০১২ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য ও নতুন পাঁচ অবৈতনিক সদস্য নিয়োগ পেয়েছেন।
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।
- কমিশনের নতুন পাঁচ অবৈতনিক সদস্য হলেন,
• সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. আমিনুল ইসলাম
• খাগড়াছড়ি চেম্বার্স অব কমার্সের সভাপতি কংজুরি চৌধুরী।
• বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য বিশ্বিজৎ চন্দ।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইম্যান অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক তানিয়া হক।
• সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাওসার আহমেদ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ ডিসেম্বর ২০২২ ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ওয়েবসাইট।
৪,৬৮০.
বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ প্রদান করে নিচের কোন পুরস্কার?
  1. ক) স্বাধীনতা পুরস্কার
  2. খ) বাংলা সাহিত্য পুরস্কার
  3. গ) নজরুল পদক
  4. ঘ) একুশে পদক
সঠিক উত্তর:
ঘ) একুশে পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একুশে পদক
ব্যাখ্যা
‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
- ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ‘একুশে পদক - ২০২২’ এর জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৬৮১.
কোনটি বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) মাতারবাড়ী
  2. খ) মোংলা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) পায়রা
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।
৪,৬৮২.
শেখ হাসিনা কত সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৮০ সালের ১৭ মে
  2. ১৯৮০ সালের ১৯ মে
  3. ১৯৮১ সালের ১৭ মে
  4. ১৯৮১ সালের ১৩ মে
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালের ১৭ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালের ১৭ মে
ব্যাখ্যা
•শেখ হাসিনা:
- তিনি ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর ৬ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফিরে আসেন।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করে।
- তার আগেই ১৯৮১ সালের ১৪ – ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দলীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
-  ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো শপথ গ্রহণ করেন।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
৪,৬৮৩.
দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BJRI
  3. BRRI
  4. BSRI
সঠিক উত্তর:
BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARI
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- BARI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Agricultural Research Institute.
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 
- ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

উল্লেখ্য,
- কৃষি গবেষণার ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে নং-৩২ জারিকরণ।
- এই অধ্যাদেশ বলে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বিত কার্যক্রমের পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নং-৬২ এর মাধ্যমে ‘ডাইরেক্টরেট অব এগ্রিকালচার (রিসার্চ এন্ড এডুকেশন)’ বিলুপ্ত হয় এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ বিএআরআই-এর ম্যান্ডেট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ: ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

⇒ কার্যাবলী ও উদ্দেশ্য নিচে দেওয়া হল:
১. ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়ন এবং উদ্ভাবিত জাতসমূহ চাষাবাদের জন্য অনুমোদনের ব্যবস্থা করা।
২. ফসল উৎপাদনের জন্য আধুনিক কলাকৌশল উদ্ভাবন করা।
৩. চাহিদা অনুযায়ী দেশে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৪. কৃষি উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম কর্মশালা ইত্যাদির আয়োজন করা।
৫. উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন করা।
৬. বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে ফসল রক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।
৭. ফসলের উপর বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্বন্ধে পুস্তিকা, পোস্টার লিফলেট তৈরি করা এবং প্রচার করা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI- Bangladesh Jute Research Institute) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI-Bangladesh Rice Research Institute)।
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র (BSRI-Bangladesh Sugarcrop Research Institute)।

উৎস: i) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৮৪.
সংবিধানের ৫৫ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. ডেপুটি স্পীকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ৫৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা -
- ৫৫ (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করবে, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে।
- ৫৫ (২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে।
- ৫৫ (৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবেন।
- ৫৫ (৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
- ৫৫ (৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হবে, রাষ্ট্রপতি তা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে তার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
- ৫৫ (৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৬৮৫.
দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৫-২১ জানুয়ারি ২০১১
  2. খ) ১৫-২১ জুন ২০১১
  3. গ) ১৫-২১ জানুয়ারি ২০২২
  4. ঘ) ১৫-২১ জুন ২০২২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫-২১ জুন ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫-২১ জুন ২০২২
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। পরবর্তীতে ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম আদমশুমারি ও গৃহগণনা।
• ১৫-২১ জুন ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা। এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা। 
• ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রতিপাদ্য ছিল: “জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন”।
পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, আদমশুমারি ও গৃহগণনাকে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে নামকরণ করা হয়। 

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
৪,৬৮৬.
দেশের প্রথম বাজেটের আকার থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের আকার কত গুণ বেশি?
  1. ক) ৫৯১ গুণ
  2. খ) ৫৮০ গুণ
  3. গ) ৬৬৫ গুণ
  4. ঘ) ৬৫০ গুণ
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৬৫ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৬৫ গুণ
ব্যাখ্যা
বর্তমান ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের আকার - ৫,২৩,১৯০ কোটি টাকা।
দেশের প্রথম বাজেট ছিলো - দুই অর্থবছরের এক সাথে এবং আকার ছিলো - ৭৮৬ কোটি টাকা।
অর্থাৎ ১ম বাজেটের তুলনায় বর্তমান বাজেট ৬৬৫ গুণ বেশি।

স্বাধীন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন।
তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন।
তাজউদ্দীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট দিয়েছিলেন; সেই বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

[দৈনিক ইত্তেফাক ও জাতীয় বাজেট - ২০১৯-২০]
৪,৬৮৭.
'চেরাউ নৃত্য' কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের অংশ?
  1. খুমি
  2. লুসাই
  3. বম
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
বম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বম
ব্যাখ্যা

বম জনগোষ্ঠী:
- বাংলাদেশের বান্দরবানে বেশিরভাগ বম জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- বমদের গ্রামগুলির চারপাশে শক্ত গাছের খুঁটি পুঁতে বেষ্টনী তৈরি করা হতো।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়। মাচাং বাঁশ বা কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়।
- সামাজিক আচার-আচরণ, বিচার সালিশ এবং বিবাদ মীমাংসার জন্য এদের নিজস্ব সামাজিক অবকাঠামো আছে।
- এই কাঠামো সামগ্রিকভাবে সামাজিক আচার-ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। এটি পরিবেশ থেকে নেওয়া নৃত্যানুষ্ঠান।
- 'চেরাউ নৃত্য' বম জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য।
- বমদের চেরাউ নৃত্য ও সঙ্গীত আসলে কোন আনন্দের বা উৎসবের নৃত্য বা গান নয়।
- এ নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয় বম পরিবারের দুঃখ ও শোকের দিনে। বিশেষ করে পরিবারের কারও অকাল বা অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে এই গান করা হয়।
- শোকের সময় মানুষকে সান্ত্বনা ও সাহস দেওয়ার এটাই বমদের রীতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৬৮৮.
নিচের কোনটি ‍মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়?
  1. হাঙর নদী গ্রেনেড
  2. আলোর মিছিল
  3. চিত্রা নদীর পাড়ে
  4. আবার তোরা মানুষ হ
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা
- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত যার পরিচালক হলেন তানভীর মোকাম্মেল।
- এটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় এবং ১৯৯৯ সালে শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ সাতটি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
অন্যদিকে,
- আলোর মিছিল (পরিচালক নারায়ণ ঘোষ মিতা), হাঙর নদী গ্রেনেড (পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম) এবং আবার তোরা মানুষ হ (পরিচালক খান আতাউর রহমান) হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
(সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র)
৪,৬৮৯.
সংবিধানের শেষ তফসিলে কোনটির উল্লেখ রয়েছে?
  1. আইন কার্যকর
  2. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  3. শপথ ও ঘোষণা
  4. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:

- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত ।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৬৯০.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং মাঝের লালবৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত যথাক্রমে -
  1. ৫ : ৩ : ১
  2. ৫ : ৩ : ২
  3. ৪ : ৩ : ১
  4. ৪ : ৩ : ২
সঠিক উত্তর:
৫ : ৩ : ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ : ৩ : ১
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

⇒ সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।

• পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে,
- জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- অর্থাৎ, পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থের অনুপাত = ১০ : ৬ = ৫ : ৩।
- পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লাল বৃত্তের মাঝের অনুপাত = ১০ : ৬ : ২ = ৫ : ৩ : ১।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
iii) প্রথম আলো।
iv) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৯১.
‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩’ অনুসারে কয়টি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ১৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭
ব্যাখ্যা

২০১০ সালে ''পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার আইন-২০১০'' প্রবর্তন করা হয়েছে। উক্ত আইনবলে ''পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩'' প্রবর্তন করা হয় যাতে ১৭টি পণ্যে বাধ্যতামূলক পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করতে হবে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
বিভিন্ন জাতীয় পত্র পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, আরো ২টি পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই, পত্রিকার মতে, মোট ১৯টি পণ্যে বাধ্যতামূলক পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করতে হবে।
যেহেতু প্রশ্নটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ থেকে করা হয়েছে এবং অপশন গুলোতে “১৯” নেই, তাই, উত্তর পরিবর্তন করা হলো না। তবে অপশনে “১৯” থাকলে নিজের বিবেচনা থেকে উত্তর করতে পারেন।

৪,৬৯২.
বাংলাদেশের ইতিহাসে যে ঘটনাটি আগে ঘটেছিল-
  1. যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  2. আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিভাগের অধ্যক্ষ আবুল কাসেমের নেতৃত্বে প্রথম সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২৩ জুন, ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায় ১৯৫২ সাল।
- যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর এবং নির্বাচন হয় ৮-১২ মার্চ, ১৯৫৪ সালে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৪,৬৯৩.
২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রটির নাম কী?
  1. উইংস অফ ফ্রিডম
  2. ৩৬ ডেজ ইন জুলাই
  3. শ্রাবণ বিদ্রোহ
  4. জুলাই বীরগাথা
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

শ্রাবণ বিদ্রোহ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত তথ্যচিত্ৰ ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ'।
- বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের মধ্যে সংঘটিত ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত তথ্যচিত্রটির নাম 'শ্রাবণ বিদ্রোহ'।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৪,৬৯৪.
ইউরোপীয়দের মধ্যে প্রথম কারা বাংলায় ব্যবসার উদ্দেশ্যে আসে?
  1. ইংরেজ
  2. পর্তুগীজ
  3. ফরাসি
  4. ওলন্দাজ
সঠিক উত্তর:
পর্তুগীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগীজ
ব্যাখ্যা
বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পর্তুগীজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন, তিনি ভাস্কো-ডা-গামা।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজরা ব্যবসায়-বাণিজ্যকে মূলধন করে এদেশে এলেও ক্রমে ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯৫.
সেরিকালচার কী?
  1. রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
  2. মাছ চাষ বিদ্যা
  3. পাখি পালন বিদ্যা
  4. চিংড়ি চাষ বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা

• সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- মৎস্য চাষ বিদ্যা - পিসিকালচার.।
- পাখিপালন বিদ্যা- এভিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।

উৎস: ব্রিটানিকা

৪,৬৯৬.
নদী ছাড়া ‘পদ্মা’ কী?
  1. ক) ধানের জাত
  2. খ) গমের জাত
  3. গ) তুলার জাত
  4. ঘ) তরমুজের জাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরমুজের জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরমুজের জাত
ব্যাখ্যা

- পদ্মা ও মধুবালা (হলদে জাতের তরমুজ) উন্নত জাতের তরমুজ।
আরও কিছু উচ্চ ফলনশীল তরমুজের জাত হলো -
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র- কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৪,৬৯৭.
দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. সোনাদিয়া
  2. মাতারবাড়ী
  3. পায়রা
  4. মিরসরাই
সঠিক উত্তর:
মাতারবাড়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতারবাড়ী
ব্যাখ্যা
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মিত হচ্ছে। তবে এটি স্বতন্ত্র বন্দর নয়, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের টার্মিনাল বন্দর হিসেবে নির্মিত হচ্ছে।
- মাতারবাড়ী বন্দরটি স্বতন্ত্র সমুদ্রবন্দর জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় বন্দরটি নির্মিত হচ্ছে।
- ২০২০ সালের মার্চে ১৭,৭৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে এটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হবে।
- এর আগে কক্সবাজার জেলার সোনাদিয়া এবং পটুয়াখালী জেলার পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে প্রকল্পগুলো থেকে সরকার সড়ে আসে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৪,৬৯৮.
জাতিসংঘ স্বীকৃত ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে খ্যাত কোনটি?
  1. স্মার্ট সাইবার সিকিউরিটি
  2. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
  3. প্রবাসী সুরক্ষা
  4. কমিউনিটি ক্লিনিক
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ক্লিনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ক্লিনিক
ব্যাখ্যা
• কমিউনিটি ক্লিনিক:
→ প্রধানমন্ত্রীর দশটি অসাধারণ উদ্যোগের অন্যতম একটি কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। 
→ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য উদ্ভাবন 'কমিউনিটি ক্লিনিক'-কে জাতিসংঘ 'দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
→ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে এই অনন্য কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা চালু করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার।
৪,৬৯৯.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম হৃদ কোন নদীতে বাদঁ দিয়ে তৈরী করা হয়েছে?
  1. সাঙ্গু
  2. তিস্তা
  3. পদ্মা
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কাপ্তাই হ্রদ:
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম হৃদ কাপ্তাই হ্রদ।
- কাপ্তাই হ্রদ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি জেলার একটি কৃত্রিম হ্রদ।
- কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ১৯৫৬ সালে কর্ণফুলি নদীর উপর বাঁধ দিয়ে কাপ্তাই হ্রদ নির্মাণ করা হয়।
- প্রধানত  জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এর সৃষ্টি হলেও, এ জলাধারে প্রচুর পরিমাণে মিঠাপানির  মাছ চাষ হয়। 
- মূল লেকের আয়তন প্রায় ১,৭২২ বর্গ কিমি, তবে আশপাশের আরও প্রায় ৭৭৭ বর্গ কিমি এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।
- মূলত রাঙ্গামাটি জেলাতেই জলাধারটি সীমিত যার অন্তর্ভুক্ত উপজেলাসমূহ হচ্ছে রাঙ্গামাটি সদর, কাপ্তাই, নানিয়ারচর, লংগদু, বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৭০০.
১২৫ নং অনুচ্ছেদ সম্পর্কিত-
  1. ক) ভোটার তালিকায় নাম ভক্তি যোগ্যতা
  2. খ) নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
  3. গ) নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা
  4. ঘ) নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা
ব্যাখ্যা

১২৫ নং অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা সম্পর্কে।
- ১২২(২) অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকায় নাম ভক্তি যোগ্যতা।
- ১২৪ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা 
- এবং ১২৩ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় এর কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান