বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ৩০৬ · ২০১৩০০ / ৩০,৮৩২

২০১.
২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জাপান
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালে (ফিসিক্যাল ইয়ার ২০২৪-২৫) বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) সবচেয়ে বেশি এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে। • নেদারল্যান্ডস সর্বোচ্চ FDI নিয়ে শীর্ষে রয়েছে, যা মোট FDI প্রবাহের প্রায় ২৭% আসে এখান থেকে।




উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) ২০২৫ অর্থবছরে ১৯.১৩% বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১.৪ বিলিয়ন ডলার।
 
 উৎস: TBS ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২০২.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন কে?
  1. মোঃ নূরুল আমীন
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. ফিরোজ খান নুন
  4. লিয়াকত আলী খান
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন সময় পূর্ব বাংলার গভর্ণর ছিলেন ফিরোজ খান নুন।
- ১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে খাজা নাজিমুদ্দিনের একটি উক্তি থেকে নতুন করে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়।
- ২৭ জানুয়ারি নাজিমুদ্দিন ঘোষণা দেন, 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু'।
- পূর্ববাংলা আইন পরিষদের অধিবেশনে ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় ভাষা প্রশ্নে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
- এই অধিবেশনের সরকারি কর্মকান্ডের কঠোর সমালোচনা করা হয়।
- পরিস্থিতির লক্ষ করে সরকারি দল রাষ্ট্রভাষা বাংলা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে।
- কিন্তু এই বিলের ওপর এক সংশোধনী প্রস্তাবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য কেন্দ্রের নিকট সুপারিশ করা হয়।
- এরপর বিধান সভা ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবী করা হয়।
- কিন্তু গভর্নর ফিরোজ খান নুনের এক ঘোষণায় ২৪ ফেব্রুয়ারি অধিবেশনের অবসান ঘটে।
- দৈনিক আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন এসব ঘটনার প্রতিবাদে আইনসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
- অনুরূপভাবে 'নওবেলাল' সম্পাদক মাহমুদ আলী মুসলিম লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
- আন্দোলনের কেন্দ্রভূমি ঢাকার ছাত্র-জনতা এসব ঘটনায় অনুপ্রাণিত হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৩.
মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত ছিলেন -
  1. নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. সৈয়দ আহমদ খান
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. নবাব ভিকারুক মুলুক
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী:
- সৈয়দ আমীর আলী ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ক খ্যাতিমান লেখক।
- ভারতে মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণ বিশেষ করে বাংলার মুসলমানদের নবজাগরণের তিনি ছিলেন অন্যতম অগ্রদূত।

⇒ সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ সালে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ১৮৭৮-৮৩ সাল পর্যন্ত বঙ্গীয় আইন সভার সদস্য এবং ১৮৮৩-৮৫ সাল পর্যন্ত গভর্নরের আইন সভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ইংল্যান্ডের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন।
- ১৯০৪ সালে অবসর গ্রহণের পর তিনি ইংল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং ১৯২৮ সালে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ সৈয়দ আমীর আলী ছিলেন একজন দূরদর্শী চিন্তাবিদ ও সমাজ সংস্কারক।
- বঙ্গ-ভারতের মুসলমানদের সর্বক্ষেত্রে পশ্চাদপদতার পটভূমিতে তাদের জাগরণের জন্য নওয়াব আবদুল লতিফ ও সৈয়দ আহমদ খানের মতো তিনিও মুসলমানদের পাশ্চাত্য শিক্ষা গ্রহণ ও ব্রিটিশ সরকারের সাথে সহযোগিতার নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তাঁর মতে, পাশ্চাত্য শিক্ষার পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত না হলে মুসলমানদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে যাবে। 

⇒ মুসলিম রেঁনেসার অগ্রদূত:
- সৈয়দ আমীর আলী ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত।
- ইসলামী ও পাশ্চাত্য জ্ঞানের অধিকারী আমীর আলী ছিলেন একজন সুলেখক।
- তিনি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ক বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেন।
- এসব গ্রন্থের মধ্যে দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে: (১) দি স্পিরিট অব ইসলাম এবং (২) এ সর্ট হিস্টরি অব দি স্যারাসিন।
- এ গ্রন্থ দুটি পণ্ডিত হিসেবে আমীর আলীকে অমরত্ব দান করেছে।
- আমীর আলী তাঁর লেখায় ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দান করেছেন।
- মুসলমানদের গৌরবময় অতীতের প্রতি বারংবার অঙ্গুলি নির্দেশ করে মুসলিম সমাজকে আত্মসচেতন করার চেষ্টা করেছেন।
- তাঁর এ চেষ্টায় হতাশাগ্রস্ত মুসলিম সমাজে প্রাণের সঞ্চার ঘটে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৪.
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

• ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি :
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) বাংলাদেশের একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দল। 
- মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে এই দলটি গঠিত হয়।
- ন্যাপের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি -মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সম্পাদক নির্বাচিত হন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
- ১৯৬৭ সালের দিকে বিভিন্ন কারণে ন্যাপ নেতৃবৃন্দের মধ্যে মতবিরোধ চলতে থাকে। 
- ১৯৬৭ সালের ৩০ নভেম্বর রংপুরে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল অধিবেশনের পর দেশিয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রশ্নে ন্যাপ চীনপন্থী ও মস্কোপন্থী এ দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 

উৎস : বাংলাপিডিয়া।

২০৫.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় -
  1. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উল্লেখ্য,
- বাঙালি জাতি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রাম ও বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গঠিত মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার পর ঢাকা স্থানান্তরিত হয়।
- ঢাকায় এসে এ সরকার প্রকৃত শাসনভার গ্রহণ করে।
- ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ "বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান অধ্যাদেশ" জারি করা হয়।
- এ আদেশ জারিই হল বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম পদক্ষেপ।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৬.
পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ অনুসারে, কত ধরনের পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক রয়েছে?
  1. ১৩
  2. ১৭
  3. ১৯
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
পাটজাত পণ্য ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা:
- পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ অনুসারে, ১৯ ধরনের পণ্যে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পাট চাষি ও পাটকল মালিকদের স্বার্থ রক্ষা ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার সীমিত করার জন্য আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ অনুযায়ী ৬টি পণ্য অর্থাৎ ধান, চাল, গম, ভূট্টা, সার ও চিনি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
- পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি আরো মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ডাল, ধনিয়া, আলু, আটা, ময়দা, তুষ-খুদ-কুড়াসহ মোট ১৭ (সতের)টি পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে।
- ২০১৮ সালের ৬ আগস্ট পোল্ট্রি ও ফিস ফিড মোড়কীকরণে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়।
- পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ এর ধারা-১৪ অনুযায়ী পাটের মোড়ক ব্যবহার না করলে অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
- এ অপরাধ পুনঃসংগঠিত হলে সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০।
২০৭.
Which ruler was forced to resign due to popular uprising in 1990?
  1. General Ziaur Rahman
  2. General Khaled Musharraf
  3. General Shafiullah
  4. General Hussain Muhammad Ershad
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
General Hussain Muhammad Ershad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
General Hussain Muhammad Ershad
ব্যাখ্যা
নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনের উজ্জ্বলতম অধ্যায় নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের। 
- ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর শিক্ষার্থী জেহাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
- ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী মিছিলে হামলা চালায় নতুন বাংলা ছাত্র সমাজের ক্যাডাররা।
- সে হামলায় নিহত হন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন।
- এর পর সারাদেশের শহর-বন্দর, এমনকি গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।
 
উল্লেখ্য,
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন। 
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহিদ হন।
 
নূর হোসেনের লেখা শ্লোগান -
- বুকে 'স্বৈরাচার নীপাত যাক' এবং পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক'। 
 
উৎস: ৬ ডিসেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।
২০৮.
'Monsoon Revolution' কোনো দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. শ্রীলংকা
  2. ভারত
  3. বাংলাদেশ
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

মুনসুন অভ্যুত্থান (Monsoon Revolution):
- মুনসুন অভ্যুত্থান (Monsoon Revolution) বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কিত।

- ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে 'Monsoon Revolution' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ২০২৪ সালের এই অভ্যুত্থানকে মুনসুন অভ্যুত্থান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানকে ‘মনসুন অভ্যুত্থান’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, আগামীতে বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে মুক্তি ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতে তারুণ্যের এই অভ্যুত্থান প্রেরণা জুগিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ১ জুলাই, ২০২৪ আন্দোলনে নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
- শুরুতে এ আন্দোলন অহিংস ছিল কিন্তু পরবর্তীকালে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেপরোয়া হলে ১৫ জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়।
- অতঃপর শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে যার শেষ পরিণতি ঘটে ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনের মাধ্যমে।
- ৫ আগস্ট, ২০২৪ পতন ঘটে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী সরকার শেখ হাসিনার।

তথ্যসূত্র: human rights watch প্রতিবেদন। [Link]

২০৯.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ কে ছিলেন?
  1. ওহিউল্লাহ
  2. রফিকউদ্দিন আহমদ
  3. আব্দুল বরকত
  4. আব্দুস সালাম
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

প্রথম শহীদ:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন রফিকউদ্দিন আহমদ।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই শহীদ হন।
- তাকে আজিমপুর গোরস্থানে দাফন করা হয়।
 • প্রেক্ষাপট: 
- পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা এক জনসভায় ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।” 
- এর প্রতিক্রিয়ায় ৩১ জানুয়ারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক দলের সভায় আলাউদ্দিন রহমান খানের সভাপতিত্বে কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়। 
- কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুবের নেতৃত্বে ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ) রোজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর ফলে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করলেও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সমবেত হয়ে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” শ্লোগান দিতে থাকে। 
- পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ হয়। 
- এই মিছিলে রফিকউদ্দিন আহমদের সঙ্গে শহীদ হন আব্দুল বরকত, আব্দুস সালাম, আবুল জব্বার প্রমুখ।
- নয় বছরের শিশু ওহিউল্লাহও পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

উৎস:
মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ;
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট;
বাংলাপিডিয়া।

২১০.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে বুকের রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার মান রক্ষা করেন শহীদ জব্বার, রফিক, বরকত, সালাম; ঐ দিনটি ছিল ফাল্গুন মাসের-
  1. ক) ৬ তারিখ
  2. খ) ৮ তারিখ
  3. গ) ৯ তারিখ
  4. ঘ) ১০ তারিখ
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ তারিখ
ব্যাখ্যা
• ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ৮ ফাল্গুন,১৩৫৮ তারিখ ছিল।
• ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি ছিল.বৃহস্পতিবার।

SOURCE: বাংলাপিডিয়া
২১১.
দেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব (বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটাসটিক্স ২০২৩) -
  1. ১,১১৯ জন
  2. ১,১২১ জন
  3. ১,১৭১ জন
  4. ১,১৮৩ জন
সঠিক উত্তর:
১,১৭১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,১৭১ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:

- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।

এছাড়াও,
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- পুরুষদের প্রথম বিবাহের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ১৮.৪ বছর।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল্লিতে আগমনের হার ২০.৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩.৪। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২১২.
বাংলাদেশের ভূমিকে কয়টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২২টি
  2. ২৫টি
  3. ২৮টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিবেশগত অঞ্চল (এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোন):
- বাংলাদেশ একটি কৃষি দেশ এবং বাংলাদেশের প্রায় ৮০% লোক সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কৃষি নিয়ে জড়িত।
- বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ কিন্তু এটি বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের জমি রয়েছে। 
- বাংলাদেশের ভূমিকে ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- এই ৩০টি এইজেডকে ৮৮টি উপ-অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে এবং এই উপ-অঞ্চলকে আবার ৫৩৫টি কৃষি পরিবেশগত এককে ভাগ করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশে ৩০ টি কৃষি-পরিবেশগত অঞ্চল (সংখার ক্রমানুসারে)-
১. পুরাতন হিমালয় পাদভুমি
২. সক্রিয় তিস্তা প্লাবনভুমি
৩. তিস্তা সর্পিল প্লাবনভুমি
৪. করতোয়া-বাঙ্গালী প্লাবনবুমি
৫. নিম্ন-আত্রাই বেসিন
৬. নিম্ন- পূনর্ভবা প্লাবনভুমি
৭. সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা প্লাবনভুমি
৮. নতুন ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা প্লাবনভুমি
৯. পুরাতন ব্রহ্মপুত্র প্লাবনভুমি
১০. সক্রিয় গঙ্গা প্লাবনভুমি
১১. উচ্চ গঙ্গা প্লাবনভুমি
১২. নিম্ন গঙ্গা প্লাবনভুমি
১৩. গঙ্গা জোয়ার প্লাবনভুমি
১৪. গোপালগঞ্জ-খুলনা জলাভুমি
১৫. আত্রাই বিল/আরিয়াল বিল
১৬. মধ্য মেঘনা প্লাবনভুমি
১৭. নিম্ন মেঘনা প্লাবনভুমি
১৮. নতুন মেঘনা- মোহনা প্লাবনভুমি
১৯. পুনাতন মেঘনা প্লাবনভুমি
২০. পূর্ব সুরমা-কুশিয়ারা প্লাবনভুমি
২১. সিলেট বেসিন
২২. উত্তর-পূর্ব পাদভুমি
২৩. চট্টগ্রাম উপকূল সমভুমি
২৪. সেন্টমার্টিন কোরাল দ্বীপ
২৫. সমতল বরেন্দ্র অঞ্চল
২৬. উচ্চ বরেন্দ্র অঞ্চল
২৭. উত্তর-পূর্ব বরেন্দ্র অঞ্চল
২৮. মধুপুর অঞ্চল
২৯. উত্তর-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চল
৩০. আখাউড়া সোপান।

উৎস: কৃষক সেবা।

২১৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট আওয়ামী লীগ সরকারের কততম বাজেট?
  1. ২৫ তম
  2. ২৬ তম
  3. ২৭ তম
  4. ২৮ তম
সঠিক উত্তর:
২৫ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ তম
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের ২৫তম।
- বর্তমান সরকারের টানা ১৬তম বাজেট।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
২১৪.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে অ্যাসেম্বলিতে বসবার জন্য বঙ্গবন্ধু কয়টি শর্ত দিয়েলিলেন?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
অ্যাসেম্বলিতে বসবার জন্য বঙ্গবন্ধু কয়টি শর্ত দিয়েলিলেন ৪ টি।

• ৭ মার্চের ভাষণ:

- পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।

• ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলোঃ
- চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা। 
- সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
- গণহত্যার তদন্ত করা।
- নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

• ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইনটারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২১৫.
শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম থেকে কাদের বিতাড়িত করেন?
  1. আরাকান ও মারাঠা জলদস্যু
  2. ব্রিটিশ ও পর্তুগিজ জলদস্যু
  3. মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যু
  4. ডাচ ও ফরাসি জলদস্যু
সঠিক উত্তর:
মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যু
ব্যাখ্যা

সুবেদার শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
- তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন শায়েস্তা খান।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শুল্ক ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলে ইংরেজ কোম্পানির সঙ্গে শায়েস্তা খানের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এভাবে তিনি ইংরেজ বণিকদের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেন।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
- তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।
- শায়েস্তা খান ঢাকায় ছোট কাটরা, হুসায়েনী দালান, লালবাগ দুর্গের একাংশ এবং আরও বহু অট্টালিকা ও মসজিদ নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৬.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ হলো-
  1. ৯৬
  2. ৯৪
  3. ৯৫(১)
  4. ৯৮
সঠিক উত্তর:
৯৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫(১)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৯৫ : বিচারক-নিয়োগ
১. প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
২. কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্তত দশ বৎসর এ্যাডভোকেট না থাকলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্তত দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না থাকলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকলে;
বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না।
(৩) ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করেছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হবে।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
২১৭.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন হবে? 
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

অন্তর্বর্তী সরকার: 
- কমিশন আইনসভার মেয়াদ শেষ হবার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেয়া পর্যন্ত, একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করছে;
- এই সরকারের প্রধান 'প্রধান উপদেষ্টা' বলে অভিহিত হবেন।
- আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ (পনের) দিন পূর্বে অথবা আইনসভা ভেঙ্গে গেলে,
- পরবর্তী অন্যূন ১৫ দিনের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে।
- প্রধান উপদেষ্টা সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে কার্য পরিচালনা করবেন।
- অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন হবে,
- তবে যদি নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হয় তবে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণমাত্র এই সরকারের মেয়াদের অবসান ঘটবে।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন [লিঙ্ক]

২১৮.
খাজা সলিমুল্লাহ নিচের কোন ব্রিটিশ উপাধি পায়নি?
  1. নওয়াব বাহাদুর
  2. নাইট হুড
  3. সি.এস.আই
  4. কে.সি.এস.আই
সঠিক উত্তর:
নাইট হুড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট হুড
ব্যাখ্যা
- নাইট হুড উপাধিটি পায়নি।

• নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ: 

- জন্ম: ৭ জুন ১৮৭১, আহসান মঞ্জিল, ঢাকা,
- মৃত্যু: ১৬ জানুয়ারি ১৯১৫, চৌরঙ্গী, কলকাতা,
- পিতা: নওয়াব স্যার খাজা আহসানুল্লাহ,
- পিতামহ: নওয়াব স্যার খাজা আব্দুল গণি।

• দান ও সমাজসেবা:
- ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল প্রতিষ্ঠায় অনুদান দেন।
- উপাধি ও সম্মাননা (ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক): 
- ১৯০২: C.S.I.
- ১৯০৩: Nawab Bahadur.
- ১৯০৯: K.C.S.I.
- ১৯১১: G.C.S.I.
- মৃত্যু: ১৬ জানুয়ারি ১৯১৫, কলকাতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২১৯.
বম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় প্রধানত কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. হিন্দু 
  2. বৌদ্ধ
  3. মুসলিম
  4. খ্রিস্টান
সঠিক উত্তর:
খ্রিস্টান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ্রিস্টান
ব্যাখ্যা

বম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের একটি অতি প্রাচীন নৃগোষ্ঠী।
- বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত।
- বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়। এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।
- বম নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এ ভাষা তিব্বত-বর্মান ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- বমরা শুনথলা (Sunthla) এবং পাংহয় (Panghawi) এই দুইটি গােত্রে বিভক্ত।
- বম সমাজ পুরুষতান্ত্রিক।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়।
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। বমদের চেরাউ নৃত্য ও সঙ্গীত আসলে কোন আনন্দের বা উৎসবের নৃত্য বা গান নয়। এ নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয় বম পরিবারের দুঃখ ও শোকের দিনে। 
- বমদের প্রধান পেশা জুমচাষ।
- এরা প্রধানত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২২০.
বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষা নীতি- ২০১০ কার নেতৃত্বে প্রণীত হয়?
  1. প্রফেসর শামসুল হক
  2. অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
  3. ড. কাজী খলিকুজ্জমান
  4. ড. মুহাম্মদ কুদরত-ই-খুদা
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা নীতি- ২০১০:
- স্বাধীনতার পরপরই একটি শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. কুদরাত এ খুদার নেতৃত্বে দেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
- উক্ত কমিশন ব্যাপক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ১৯৭৪ সালে গণমুখী আধুনিক এবং বিজ্ঞানভিত্তিক একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে।
- আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং সময়ের প্রয়োজনে এটি সংশোধন ও পরিমার্জন করা হয়েছে।
- সর্বশেষ ২০১০ সালে জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এই শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো জনমুখী উন্নয়ন ও প্রগতিশীল নেতৃত্বদানে উপযোগী মানবতাবাদী, মননশীল, যুক্তিবাদী, কুসংস্কারমুক্ত, অসম্প্রদায়িক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলা।
- এই শিক্ষানীতি সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে গণমুখী, সুলভ, সুসম, সর্বজনীন, সুপরিকল্পিত, বিজ্ঞানমনস্ক এবং মানসম্পন্ন শিক্ষাদানে সক্ষম শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি ও কৌশল হিসেবে কাজ করবে।
- এই আলোকে শিক্ষার ৩০টি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও নীতিগত তাগিদ নেয়া হয়েছে।

উৎস: সমাজকর্ম প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২১.
Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কতটি ভাগে ভাগ করেছেন?
  1. ৩ ভাগে
  2. ৭ ভাগে
  3. ৬ ভাগে
  4. ৪ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
• যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং
- স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।

• Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন।
যথা-
- The Associational Interest Groups,
- Institutional Interest Groups,
- Anomic Interest Groups and
- Non-Associational Interest Groups.

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২২.
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার যে আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন -
  1. রংপুর আন্দোলন
  2. ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন
  3. তেভাগা আন্দোলন
  4. অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার:
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহীদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
- ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের বর্তমান পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ইডেন কলেজে ছাত্রী থাকাকালে প্রীতিলতা লীলা নাগের নেতৃত্বাধীন দীপালি সংঘের অন্তর্ভুক্ত শ্রীসংঘের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে।
- প্রথম মহিলা সদস্য হিসেবে প্রীতিলতা যোগ দেন সূর্যসেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে।
- ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে।
- ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাত্ক্ষণিকভাবে পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন।
- তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরো উজ্জীবিত করে তোলে।
- পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবটি এখন ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা জাদুঘর’ নামে পরিচিত।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২২৩.
’রাজবন বিহার’ কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. কুমিল্লা 
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

রাজবন বিহার: 
- অবস্থান: রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি পাবর্ত্য জেলা।
- রাজবন বিহার শুধুমাত্র বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্যই নয়;
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেরই এখানে প্রবেশাধিকার রয়েছে।
- নির্মল প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত এ বিহারে দেখা যাবে স্বর্গীয় সিড়ি।
- বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ধ্যানের বিশাল গর্ত।
- আরও আছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় মূর্তি।
- যে জিনিসটি বিশেষ দ্রষ্টব্যজনক সেটি হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মগুরু শ্রদ্ধেয় সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভন্তে)'র মৃতদেহ ভক্তদের দেখার জন্য সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।

এছাড়াও,
• কুমিল্লার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিহার হলো: শালবন বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া এবং সতের রত্নমুড়া।
• সোমপুর মহাবিহার (বর্তমান নওগাঁ জেলায় অবস্থিত) এবং জগদ্দল বিহার (বর্তমান নওগাঁ জেলায় অবস্থিত)।

উৎস: জাতীয় তথ্যবাতায়ন।

২২৪.
উপনিবেশিক শ্রীলংকায় প্রথম ‘পাবলিক সার্ভিস কমিশন’ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৩১ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৫২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ শ্রীলংকায় প্রথম ‘পাবলিক সার্ভিস কমিশন’ গঠিত হয় ১৯৪৬ সালের ১৫ মে।
এই কমিশনের উপর সরকারি কর্মচারি-কর্মকর্তাদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও অপসারণ ক্ষমতা প্রভৃতি প্রদান করা হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত শ্রীলংকান পাবলিক সার্ভিস কমিশনে আরো ছয়বার সংশোধন আনা হয়।
৯ জন সদস্যের সমন্বয়ে শ্রীলংকান ‘পাবলিক সার্ভিস কমিশন’ গঠিত।
(সূত্র: শ্রীলংকান পাবলিক সার্ভিস কমিশন ওয়েবসাইট)
২২৫.
পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করা হয়-
  1. ক) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৫৭ সালের ২৫ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালের ৮ জুন
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন এবং কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা ও মন্ত্রীপরিষদ বাতিল করেন।
- ২৭ অক্টোবর ১৯৫৮ জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে সড়িয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন আইয়ুব খান সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন।
- ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

২২৬.
'শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের' স্থপতি কে?
  1. মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  2. শামীম শিকদার
  3. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: 
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ হত্যাযজ্ঞ চলে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। 
- বিজয় লাভের পর অনেক বুদ্ধিজীবীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায় রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে।
- সমগ্র স্থানটি ৩.৫১ একর আয়তনবিশিষ্ট। এটি ১৫.২৪ মিটার বর্গাকার একটি গ্রিড দ্বারা বিভক্ত হয়েছে।
- মূল বেদিটি রাস্তা থেকে ২.৪৪ মিটার উঁচু। স্মৃতিসৌধের প্রধান অংশটি ১৭.৬৮ মি উঁচু, ০.৯১ মি পুরু ও ১১৫.৮২ মি দীর্ঘ একটি ইটের তৈরি বাঁকানো দেয়াল।
- নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- স্থপতি মোস্তফা আলী কুদ্দুস স্মৃতিসৌধটি নির্মাণ করেন।
- ১৯৭২ সালে স্মৃতিসৌধটি উদ্বোধন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণকবর, বুদ্ধিজীবীদের কবর আর স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে এই স্মৃতিসৌধের ব্যাপ্তি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক কালের কণ্ঠ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮।
২২৭.
What was the former name of Bhasan Char?
  1. ক) Thengar Char
  2. খ) Char Kodom
  3. গ) Nijhum Dweep
  4. ঘ) Char Piya
সঠিক উত্তর:
ক) Thengar Char
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Thengar Char
ব্যাখ্যা
ভাসান চর:

- ভাসান চর ঠেঙ্গারচর নামে পরিচিত।

- হাতিয়ায় মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে দুটি পৃথক চর হচ্ছে ঠেঙ্গারচর ও জালিয়ার চর (ভাসানচর)। 
- রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের কাজ চলছে জালিয়ার চর তথা ভাসানচরে।

বিভিন্ন চরসমূহ,

- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর খাতা নিজাম প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন : দুবলার চর, পাটনি চর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলা ট্রিবিউন, ২২ অক্টোবর ২০১৭।
২২৮.
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. দলীয় আদর্শ প্রচার করা
  2. জনমত গঠন করা
  3. পররাষ্ট্র নীতি তৈরি করা
  4. রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল:
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- আর বিরোধী দলসমূহ নিজ-নিজ আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

এছাড়াও,
- রাজনৈতিক কিছু কার্যাবলী:
- জনমত গঠন,
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- প্রতিশ্রুতি রক্ষা,
- সমন্বয় সাধন,
- সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ সাধন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৯.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট কয়বার জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) ৩ বার
  2. খ) ৫ বার
  3. গ) ৭ বার
  4. ঘ) ১০ বার
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ বার
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫ বার জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে: 
১. ১৯৭৪ সালের ২৮শে ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা মোকাবেলা করার জন্য জরুরী অবস্থা জারি করেন ।
২. জিয়াউর রহমান খুন হলে উপ-রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হয়ে  ১৯৮১ সালের ৩০শে মে জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৩. ১৯৮৭ সালের ২৭শে নভেম্বর জেনারেল এরশাদ জরুরী অবস্থা জারি করেন।
৪. ১৯৯০ সালের ২৭শে নভেম্বর জেনারেল এরশাদ জরুরী অবস্থা জারি করেন। 
৫. ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ জরুরী অবস্থা জারি করেন। এই দিনটি ১/১১ নামে পরিচিত।

সংবিধানের ১৪১ক(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা অভ্যন্তরীণ যেকোন গোলযোগের কারণে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনধিক ১২০ দিনের জন্যে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।

- তবে এরূপ ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।
- ১৪১ (খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণার সাথে সাথে এই ৬টি মৌলিক অধিকার স্থগিত হয়ে যায়।
- জরুরি অবস্থার সময় স্থগিত হয় ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২ অনুচ্ছেদ গুলো।

তথ্যসূত্র:   বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৬.৫ শতাংশ
  2. ৫ শতাংশ
  3. ৭ শতাংশ
  4. ৩.৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা

⇒ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি অর্থবছরের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। 
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। 
- সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
- আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হবে। 

উল্লেখ্য,

• মূল বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬  ও বাসস।

২৩১.
"প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবেন" - এটি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ৪ (ক)
  2. অনুচ্ছেদ - ৩
  3. অনুচ্ছেদ - ২ (ক)
  4. অনুচ্ছেদ - ২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২ (ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২ (ক)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- সংবিধানের ২ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবে। 

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ ৪ক - জাতির পিতার প্রতিকৃতি। 
অনুচ্ছেদ ৪ - জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক। 
অনুচ্ছেদ ৩ - রাষ্ট্রভাষা। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩২.
শান্তির জন্য নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস কোন গ্রাম থেকে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম শুরু করেন?
  1. আনোয়ারা
  2. মনিপুর
  3. জোবরা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোবরা
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:

- বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে এটি একটি বৈধ এবং স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- জোবরা গ্রামে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে এর কাজ শুরু করে যা চট্টগ্রামে অবস্থিত।
২৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদে মোট আসন ছিল-
  1. ক) ৩৪৫ টি
  2. খ) ৩৩০ টি
  3. গ) ৩১৫ টি
  4. ঘ) ৩১০ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩১৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩১৫ টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৩ সালে অর্থাৎ প্রথম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ১৫টি।
- তখন সংসদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩১৫টি।
- ১৯৭৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৩০ টি।
- তখন মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩৩০ টি।
- পরবর্তীতে ২০০১ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৪৫ টি।
- সর্বশেষ ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৫০ টি।
- ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩৫০টি।

উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

২৩৪.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

২৩৫.
জুটন আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) মাকসুদুল আলম
  2. খ) আবুল হুসসাম
  3. গ) ফেরদৌসী কাদরি
  4. ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা
ব্যাখ্যা

জুটন আবিষ্কার করেন মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লা। 
- জুটন হল পাট ও সুতা মিশ্রিত কাপড়। এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।

- মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে দেশী পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। তিনি বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের জুট জেনোম সিকোয়েন্সিং প্রকল্পের প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন।
- আর্সেনিক থেকে রক্ষা পেতে আবুল হুসসাম সনো ফিল্টারের আবিষ্কার করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২৩৬.
কবে বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়ন করা হয়?
  1. ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও শেষ পর্যন্ত ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে এর বাস্তবায়ন হয়।
- এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ।
- এই প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।
- ব্রিটিশ সরকার আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৭.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম -
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  3. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
  4. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

• জাতীয় শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন “জাতীয় শিক্ষা কমিশন” যা ২৬ জুলাই ১৯৭২ সালে গঠিত হয়।
- “জাতীয় শিক্ষা কমিশন” এর চেয়ারম্যান ছিলেন ড. কুদরত-ই-খুদা।
- ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭২ সালে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কমিশনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিত।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৩৮.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. আড়াইহাজার
  3. ঈশ্বরদী
  4. জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BARRI):
- ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এ প্রতিষ্ঠানটি সর্বতোভাবে নিয়োজিত রয়েছে।
- প্রধান কার্যালয় - গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী পরিচালক।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ:
- ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার
ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

ইনস্টিটিউটের কার্যাবলী:
- গবেষণার বিষয়াবলির বিস্তৃত রূপরেখা প্রণয়ন ও অনুমোদন;
- ইনস্টিটিউটের 'ম্যান্ডেটে' উল্লিখিত ফসলসমূহের নতুন জাত উদ্ভাবন এবং বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা, মানসম্পন্ন উৎপাদন প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির স্থিতিশীল ও উৎপাদনশীল - কৃষি গবেষণার উদ্যোগ গ্রহণ করা:
- কৃষি কাজ দক্ষতার সহিত সম্পন্ন করিবার জন্য কৃষকগণকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও তথ্যাবলি সরবরাহ করা;
- কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গবেষণা কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, প্রকল্প এলাকা ও খামার স্থাপন করা;
- ফসলের নতুন জাত ও ইহাদের পরিচর্যার উপর পরীক্ষণ ও প্রদর্শনী পরিচালনা করা।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট।
২৩৯.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কত সালে জনশুমারি হয়?
  1. ২০২০
  2. ২০২১
  3. ২০২২
  4. ২০২৩
সঠিক উত্তর:
২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম জনশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সর্বশেষ জনশুমারি হয় ২০২২ সালে যেটা বাংলাদেশ এর ৬ষ্ঠ জনশুমারি।
- ষষ্ঠ জনশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

উল্লেখ্য, 
- ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘পরিসংখ্যান আইন- ২০১৩ অনুযায়ী আদমশুমারি ও গৃহগণনা’ র নাম পরিবর্তন করে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়।
- বাংলাদেশে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ অনুষ্ঠিত হয় → ১০ বছর পর।
- বাংলাদেশের ৬টি জনশুমারি যথা: 
১ম → ১৯৭৪
২য় → ১৯৮১
৩য় → ১৯৯১
৪র্থ → ২০০১
৫ম → ২০১১
৬ষ্ঠ → ২০২২

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২৪০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এডিপিতে বরাদ্দ কত?
  1. ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা
  3. ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
  4. ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।

উৎস: ২০২৫-২৬  অর্থবছর বাজেট।
২৪১.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান ‍কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. নিজে পাঠ করেন
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৪২.
সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ইউনিভার্সিটি অফ মেলবোর্ন

  2. টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান
  3. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর
  4. ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি:
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া’ (ইউকেএম)। 
- ১৩ আগস্ট, ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে সম্মাননা ডিগ্রি তুলে দেন ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর তুয়াঙ্কু মুহরিজ ইবনে আলমারহুম তুয়ানকু মুনাওইর।
- সামাজিক ব্যবসা প্রসারে অধ্যাপক ইউনূসের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।]

উল্লেখ্য,
- মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ আগস্ট কুয়ালালামপুরে পৌঁছান।
- কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ১২ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 
- পরে দুই নেতার উপস্থিতিতে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

২৪৩.
কর্নেল জামিল কত সালে 'বীর উত্তম' উপাধি লাভ করেন?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্নেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, সব মিলিয়ে বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত - ৬৮ জন

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট প্রথম আলো রিপোর্ট)
২৪৪.
’জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ প্রথম নারী শহীদ কে?
  1. নাঈমা সুলতানা
  2. সাবিনা আক্তার 
  3. তানজিলা নাযিয়া
  4. নাহিদা খাতুন
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান:
- ৮৪৪ জন জুলাই শহীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছিল।
​- তবে আটজন শহীদের নাম বাতিল করেছে।
​- বর্তমানে গেজেটেড শহীদ ৮৩৬ জন।
- এর মধ্যে ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জন নারীর নাম রয়েছে।
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।
- প্রথম নারী শহীদ নাঈমা সুলতানা।
- সময়: ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

উৎস: প্রথম আলো।

২৪৫.
”গাঙ্গে দেশ’ কোন রাজ্যের সাথে সম্পর্কিত ?
  1. ক) গৌড়
  2. খ) পুন্ড্রনগর
  3. গ) গুপ্ত
  4. ঘ) গঙ্গারিডাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গারিডাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গারিডাই
ব্যাখ্যা

গাঙ্গে দেশ’ কোন রাজ্যের সাথে সম্পর্কিত। নদী তীরে, নদীর নামে ‘গাঙ্গে’ ছিল একটি বাণিজ্য শহর।
- টলেমির ‘গঙ্গারিডাই’ এবং ‘পেরিপ্লাস’ গ্রন্থের লেখকের ‘গাঙ্গে দেশ’ এর উল্লেখ পাওয়া যায় । 
- টলেমি (দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দ) গঙ্গারিডাই-এর অবস্থান সম্পর্কে কিছুটা বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন যে, গঙ্গার পাঁচটি মুখ সংলগ্ন প্রায় সমস্ত এলাকা গঙ্গারিডাইগণ দখল করে রেখেছিল, ‘গাঙ্গে’ (Gange) নগর ছিল এর রাজধানী। 

কালিদাসের রঘুবংশ-এ বঙ্গের যে বিবরণ পাওয়া যায় তা অভিন্ন অর্থই ব্যক্ত করে। তাই প্রাচীন বাংলার বঙ্গ জনপদকে গ্রিক ও ল্যাটিন লেখকদের ‘গঙ্গারিডাই’-এর সমতুল্য গণ্য করা যেতে পারে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৪৬.
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে কোন দুটি ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
  1. বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
  2. সুবর্ণ এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
  3. বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুবর্ণ এক্সপ্রেস
  4. কুয়াকাটা এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস:
- বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি পদ্মা সেতু দিয়ে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- পদ্মা সেতু দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয় নভেম্বর, ২০২৩ থেকে।
- বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে চলাচল করছে বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি।
- খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ১ নভেম্বর থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল শুরু করে।
- ২ নভেম্বর পদ্মা সেতু হয়ে বেনাপোলগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করবে।

উৎস: ২৯ অক্টোবর ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
২৪৭.
সামুদ্রিক মৎস আহরণের পরিমাণ -
  1. ক) ১০.৫০ লক্ষ মে. টন
  2. খ) ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন
  3. গ) ৫.৫০ লক্ষ মে. টন
  4. ঘ) ৮.৯৫ লক্ষ মে. টন
সঠিক উত্তর:
খ) ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন
ব্যাখ্যা

মৎস অধিদপ্তরের হিসাব অনুসারে, দেশে গত অর্থ বছরে মোট ৪৫.৫২ লক্ষ মেট্রিক টন মৎস আহরণ করা হয়েছে।
তার মধ্যে -
- অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ১২.৫৯ লক্ষ মে. টন
- অভ্যন্তরীণ উৎসে চাষকৃত মাছের পরিমাণ - ২৬.১৮ লক্ষ মে. টন
- সামুদ্রিক উৎস থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ৬.৭৫ লক্ষ মে. টন।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

২৪৮.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. ডেপুটি স্পিকার
  5. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

২৪৯.
কোন পরিস্থিতিতে একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল করা হতে পারে?
  1. দলটি যদি পরপর দুইটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে
  2. দলটি যদি দেশের আইন লঙ্ঘন করে
  3. দলটি যদি নির্বাচনে জয়ী না হয়
  4. দলটি যদি নির্বাচন কমিশনকে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন জমা না দেয়
সঠিক উত্তর:
দলটি যদি পরপর দুইটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলটি যদি পরপর দুইটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে
ব্যাখ্যা

• নিবন্ধন বাতিল:
- কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিম্নোক্ত কারণে বাতিল হবে, যথা:
- দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটি কর্তৃক দলকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলে কিংবা নিবন্ধন বাতিলের জন্য দলের প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক বা মহাসচিবদের সমপর্যায়ের পদাধিকারী কর্তৃক দলীয় সিদ্ধান্তের কার্যবিবরণীসহ কমিশন বরাবর আবেদন করা হলে;
- নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দল সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে;
- এই আইন ও বিধিমালার অধীন কমিশনে প্রেরিতব্য কোন তথ্য পরপর তিন বছর প্রেরণ করতে ব্যর্থ হলে;
- রাজনৈতিক দলটি পরপর দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে;

এছাড়াও,
- কমিশন নিবন্ধন বাতিলের পূর্বে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করবেন।
- বিলুপ্ত ঘোষিত নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দলের নাম অনুযায়ী অপর কোন দলকে নিবন্ধিত করা হবে না।
- বিলুপ্ত ও বাতিলকৃত নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

২৫০.
দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয় -
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা

শুল্ক নীতি:
- ২০১৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রথমবারের মতো শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১০ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় শুল্ক নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে।

⇒ জাতীয় শুল্ক নীতিমালার লক্ষ্য আমদানি শুল্ক কাঠামোকে যৌক্তিক করা, কারণ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে না।
- এই শুল্ক নীতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বাড়াবে।
- এতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- ফলে, সরকার ধীরে ধীরে আমদানি শুল্কের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.

২৫১.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু সার কারখানা আছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু কারখানা আছে- এর মধ্যে সার কারখানা ৭টি, কাগজ কারখানা ১টি, সিমেন্ট কারখানা ১টি, গ্লাসশীট কারখানা ১টি, স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা ১টি।

- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার।
- তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরনের মত স্পর্শকাতর বিষয়টি বিসিআইসি’র উপর ন্যাস্ত হয়।
- বিসিআইসি অত্যন্ত আস্তা এবং সফলতার সাথে এই গুরু দয়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

⇒ চালু সার কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা।
• ১টি ডিএপি সার কারখানা।
• ১টি টিএসপি সার কারখানা।
• ১টি কাগজ কারখানা।
• ১টি সিমেন্ট কারখানা।
• ১টি গ্লাসশীট কারখানা।
• ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
২৫২.
গবেষণা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক ২০২০ অর্জন করে -
  1. ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২৫৩.
বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু কত? [বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ৭১.২ বছর
  2. ৭১.৪ বছর
  3. ৭২.৩ বছর
  4. ৭৩.৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

এছাড়াও,
- বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান 'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

২৫৪.
গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৩,৫০,০০০/- টাকা
  2. ৪,০০,০০০/- টাকা
  3. ৪,৫০,০০০/- টাকা
  4. ৫,০০,০০০/- টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০,০০০/- টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:

- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৫৫.
জেলহত্যা সংঘটিত হয় কবে?
  1. ৩রা নভেম্বর ১৯৭৫
  2. ৩রা নভেম্বর ১৯৭৬
  3. ৩রা নভেম্বর ১৯৭৭
  4. ৩রা নভেম্বর ১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
৩রা নভেম্বর ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩রা নভেম্বর ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে।

হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- তাজউদ্দীন আহমদ
- এম মনসুর আলী এবং
- এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
এই হত্যাকাণ্ড ইতিাহসে জেলহত্যা নামে পরিচিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা)
২৫৬.
বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত ছিলেন -
  1. ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. খ) এ. এম. এ. মুহিত
  3. গ) হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
  4. ঘ) বিচারপতি এম. এ. রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত

- ১৯৭০-৭১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য দ্বারা মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করা ছিল এ সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ।
- মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, স্টকহোম) বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে।
- এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে।
- সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমতসৃষ্টি ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫৭.
প্রথম তৈরি শহীদ মিনার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়-
  1. ক) ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  2. খ) ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  3. গ) ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  4. ঘ) ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয়।
-এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
২৫৮.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ১৭৫ জন
  3. গ) ৪২৬ জন
  4. ঘ) ৬৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ জন
ব্যাখ্যা
 বীরত্বসূচক খেতাব
-  বীরত্বসূচক খেতাব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন। 
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
• বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
• বীর উত্তম - ৬৮ জন
• বীর বিক্রম- ১৭৫ জন
• বীর প্রতীক- ৪২৬ জন
- ১৯৯২ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে বীরত্বসূচক খেতাব প্রাপ্তদের পদক ও রিবন প্রদান করা হয়।
- ২০০১ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
২৫৯.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক, আর্থিক খাতের রেগুলেটর এবং ব্যাংকের ব্যাংক।
- এটি মুদ্রানীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক সরকারের পরামর্শদাতা এবং 'সরকারের ব্যাংক বা কোষাগার' হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয় ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর অর্থাৎ বিজয় দিবস থেকে।
- এর পূর্বে ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর অধ্যাদেশ বলে এদেশে কার্যরত বারোটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে জাতীয়করণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রূপ দেয়া হয়।
- তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণের আওতামুক্ত রাখা হয়। এছাড়া তদানীন্তন দু'টি বিশেষায়িত ব্যাংক- পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও শিল্প উন্নয়ন ব্যাংককে যথাক্রমে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' এবং 'বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক' নামে নামকরণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ৩১ অক্টোবর ১৯৭২ তারিখের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ১২৭/১৯৭২) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়; যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হয়। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ। সেই দিন থেকে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২৬০.
কোন ভ্রমণকারী বাংলাকে 'ধনসম্পদপূর্ণ নরক' হিসেবে অভিহিত করেন?
  1. ফা হিয়েন 
  2. হিউয়েন সাং
  3. ইবনে বতুতা 
  4. মেগানিস্থিস
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা 
ব্যাখ্যা

ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন।
- তিনি ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে দিল্লিতে আসেন এবং সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের অধীনে দীর্ঘ প্রায় আট বছর কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন।

⇒ ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনকালে বাংলায় সফর করেন।
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- সেখান থেকে সরাসরি তিনি কামারু (কামরূপ) পার্বত্য অঞ্চল অভিমুখে রওনা হন। 
- তিনি বাংলায় তার ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান। এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়। ইবনে বতুতা তার 'আর রিহলা' গ্রন্থে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত (A Hell Full Of Good Things) ’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।
- ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীকালে তিনি চীনের রাজদরবার গমনের উদ্দেশ্যে বাংলা ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬১.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কে?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) সৈয়দ মইনুল হোসেন
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
▪ বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত যা সম্মিলিত প্রয়াস নামেও পরিচিত। এটির স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
▪  ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
▪ ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করেন।
▪ জাতীয় স্মৃতিসৌধে মোট সাতটি স্তম্ভ রয়েছে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬২.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী?
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণা 
  2. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
  4. মহিলা সদস্যের পদ সংখ্যা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে। 

⇒ প্রথম সংশোধনী: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
- সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই ।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭ অনুচ্ছেদে দুটি নতুন উপধারা সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মূল কারণ ছিল যুদ্ধাপরাধের বিচার নিশ্চিত করা।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করার বিষয় আনা হয় এই সংশোধনীতে। পরে এর আওতায় আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ আইন করা সম্ভব হয়।  এর দু'দিন পরই রাষ্ট্রপতি তা অনুমোদন করেছিলেন। সংসদে বিলটি এনেছিলেন সে সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর। সংসদে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে শুধু তিনজন সদস্য ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিলেন।

- এ সংশোধনীর মূল কারণ ছিল গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করা।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৩.
সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ৯৪ (১)
  2. ৯৫ (১)
  3. ৯৬ (১)
  4. ৯৭ (১)
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১)
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ২০১৭ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়ে আসছে।
- ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়। 

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন। 
- সংবিধানের ৯৬ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।'

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
         ii) ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।
        iii) বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬৪.
বাঙ্গালি  জাতীয়তাবাদের উন্মেষ কিভাবে ঘটে?
  1. ভাষা আন্দোলনে
  2. মুক্তিযুদ্ধে
  3. ৬ দফা
  4. ১৯৬৯ গনঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলনে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন: 
- বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত গণআন্দোলন
- ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই পূর্ব বাংলার জনগণের নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায় এবং ক্রমান্বয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে।

এছাড়াও
৬ দফা কে ম্যাগনা কার্টা বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয় ।

১৯৬৯ গণ অভ্যুত্থান:
১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার , পূর্ব পাকিস্তানের - স্বায়ত্তশাসন ও আয়ুবখানের পদত্যাগ কেন্দ্র করে ছাত্র-জনতা ও সরকারি সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয় যা ১৯৬৯ গণ অভ্যুত্থান নামে পরিচিত ।
-  এ সময় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করে।
-  ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা ও ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ শহিদ হন
-  ফলাফল -  আয়ুব সরকার পদত্যাগ করেন ও ৭০ এর নির্বাচন দিতে সরকার বাধ্য হয় ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
২৬৫.
সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করতে পরামর্শ দিয়ে থাকে -
  1. নির্বাচন কমিশন
  2. বল আদায়কারী গোষ্ঠী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী -
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক প্রচারকার্য পরিচালনার একটি সংগঠিত মাধ্যম।
- কোনো বিশিষ্ট লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য কাজ করে এমন গোষ্ঠীকে বলা হয় চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
- সুশীল সমাজ কাজ করে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে। চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার।

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বিভিন্ন কাজ:
● সরকারের ত্রটি-বিচ্যুতি দূরীকরণ,
● সরকারের উপদেষ্টা,
● রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংরক্ষণ ও পরিবর্তন,
● আইন ও নীতির উৎস।
● স্বার্থের সংহতি সাধন,
● জনসংযোগ,
● তথ্য প্রদান,
● রাজনৈতিক প্রচার,
● সামাজিকীকরণ,

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় পত্র,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৬.
জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব কার?
  1. বিচার বিভাগের
  2. শাসন বিভাগের
  3. আইন বিভাগের
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগের
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মত বিচার বিভাগও আধুনিক সরকার ব্যবস্থার অপরিহার্য অঙ্গ।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হচ্ছে বিচার বিভাগ।
- সরকারের যে বিভাগ প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল বিচারকার্য সম্পন্ন করে তাকে বিচার বিভাগ বলে।
- বিচার বিভাগ হল সরকারের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ যা জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করে এবং এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রকার রিট জারি করে।
- বিচার বিভাগ রাষ্ট্র ও সরকারের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৭.
কোন ঘটনাটি সবার শেষে সংঘটিত হয়েছিলো?
  1. ক) ভারত ভাগ
  2. খ) র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ
  3. গ) ক্যাবিনেট মিশন
  4. ঘ) ক্রিপস মিশন
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত ভাগ
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩রা জুন তৎকালীন বড়লাট মাউন্টব্যাটেন ভারত ভাগ পরিকল্পনা পেশ করেন। এই পরিকল্পনার ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

অন্যদিকে,

- ক্রিপস মিশন ভারতে এসেছিলো ১৯৪২ সালের ২৩শে মার্চ।
- ক্যবিনেট বা মন্ত্রীমিশন ভারতে এসেছিলো ১৯৪৬ সালের ২৩শে মার্চ।
- র‌্যডিক্লিফ কমিশন গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের জুন মাসে।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
২৬৮.
পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে দেশের ন্যূনতম কত শতাংশ বনাঞ্চল থাকা উচিত?
  1. ৩৫%
  2. ৩০%
  3. ২৫%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা

• বনজ সম্পদ:
- বনভূমি ও বনজ সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ।
- প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত অবস্থা ভালো রাখার জন্য যেকোনো দেশের কমপক্ষে শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার
- কিন্তু বাংলাদেশের মোট বনভূমি মোট ভূখণ্ডের প্রায় শতকরা ১৭.৬২ ভাগ যা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।
- যেমন, আমেরিকায় শতকরা ৩৩.৮৪ ভাগ, জাপানে শতকরা ৬৭ ভাগ, বার্মায় শতকরা ৬৩ ভাগ এবং ভারতে শতকরা ২৩.৭০ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২৬৯.
বাংলাদেশ কোন সালে New Development Bank-এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
New Development Bank:
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- New Development Bank (NDB) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৪ সালে (ব্রিকস দ্বারা)।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- বর্তমান সদস্য: ৮টি।
- সদস্য দেশ: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।
- এনডিবি চুক্তি অনুযায়ী 'ব্যাংক ঋণ, গ্যারান্টি, ইকুইটি অংশগ্রহণ এবং অন্যান্য আর্থিক উপকরণের মাধ্যমে সরকারি বা বেসরকারি প্রকল্পগুলিকে সমর্থন করবে।'
- এনডিবি 'আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অন্যান্য আর্থিক সংস্থার সাথে সহযোগিতা করবে এবং ব্যাঙ্ক দ্বারা সমর্থিত প্রকল্পগুলির জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে।'

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে New Development Bank-এর সদস্য পদ লাভ করে

উৎস: New Development Bank ওয়েবসাইট।
২৭০.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয় কোথায়?
  1. ক) বরিশালের ফুলদ্বীপে
  2. খ) সিলেটের লালখানে
  3. গ) চট্টগ্রামের মহেশখালিতে
  4. ঘ) নাটোরের লালপুরে
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেটের লালখানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেটের লালখানে
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিপাত
- বৃষ্টিপাত (Rainfall)  নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় পতিত হওয়া বৃষ্টির সর্বমোট পরিমাণ।
- বাংলাদেশের বাৎসরিক মোট বৃষ্টিপাতের ১০-২৫% হয় বর্ষাপূর্ব উষ্ণ মৌসুমে (মার্চ-মে), যা এসময়ে সংঘটিত বজ্রঝড় অথবা বায়ুকোণ থেকে আগত কালবৈশাখীর অনুষঙ্গ হিসেবে ঘটে থাকে। 
- মেঘালয় পর্বতের প্রভাবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়।
- সিলেটে বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাত ৩৩৩৪ মিঃ মিঃ।
- মেঘালয় মালভূমির পাদদেশ সংলগ্ন সুনামগঞ্জে এর পরিমাণ ৫৩৩০ মিমি এবং লালাখাল (জৈন্তিয়াপুর উপজেলা) নামক স্থানে ৬৪০০ মিমি।
- বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে এই লালাখালে।
- মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলা থেকে সরাসরি উত্তর দিকে মাত্র ১৬ কিমি দূরে অবস্থিত।
- চেরাপুঞ্জিতে বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বিস্ময়কর রকমের বেশি, ১০৮২০ মিমি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৭১.
সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায়।
- ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

উৎস: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো। 

২৭২.
What is the percent rate of population growth in Bangladesh?
  1. ক) 2.0%
  2. খ) 1.7%
  3. গ) 1.5%
  4. ঘ) 1.22%
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.22%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.22%
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জানশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২।
- জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.২২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে  ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৬৬%।
- খানার সংখ্যা ৪,১০,১০,০৫১ জন।
- খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা ৪.০ জন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৭৩.
বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. কেনিয়া
  2. পাকিস্তান
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজে জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

২৭৪.
কোথায় মুজিবনগর সরকারের প্রধান কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল?
  1. ক) মেহেরপুরে
  2. খ) দিনাজপুরে
  3. গ) কলকাতায়
  4. ঘ) নওগাঁয়
সঠিক উত্তর:
গ) কলকাতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কলকাতায়
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর। 
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকার কখনই মুজিবনগরে অবস্থান করেননি। 
- মুজিবনগর সরকারের প্রকৃত কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় কলকাতায়।
- মুজিবনগর সরকারের বড় কৃতিত্ব ‘স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র' দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৫.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একক প্রকল্প কোনটি?
  1. পদ্মা বহুমুখী সেতু
  2. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পাবনার রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট এবং মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম-২৩৫।
- দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুরে খরচ হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা।
- জুলাই ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ছিল প্রকল্পের মেয়াদ।
- গত বছর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
২৭৬.
স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়

উল্লেখ্য,
- একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, অধিভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার মেয়র (যদি থাকে) ও তিনজন মহিলা সদস্য নিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত।
- তাছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য এর পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের প্রধান কাজ হল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা।

অন্যদিকে,
- ১৯৯২ সালের ২৬ জানুয়ারি 'উপজেলা বাতিল' বিলটি সংসদে পাসের মাধ্যমে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল হয়।
- পরে ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ আইনের মাধ্যমে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা চালু করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
২৭৭.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় (মার্কিন ডলার)-
  1. ক) ৪৫ বিলিয়
  2. খ) ৫২ বিলিয়ন
  3. গ) ৪৯ বিলিয়ন
  4. ঘ) ৫৫ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
খ) ৫২ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫২ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা
- করোনা মহামারী ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো  ২০২১-২২ অর্থ বছরে ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। 
- তৈরি পোশাক খাতের রেকর্ড চালানের সুবাদে ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়।
- জুলাই-জুন সময়ে বা অর্থবছরের ১২ মাসে দেশের পোশাক শিল্পের চালানই ছিল ৮১ শতাংশ, যার মূল্য ছিল ৪৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার। 
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ৫০ রপ্তানিকারক দেশের একটি। এশিয়ার মধ্যে অবস্থান শীর্ষ ২০তম।

উৎসঃ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২৭৮.
জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. পাবনার ঈশ্বরদীতে
  2. নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে
  3. চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে
  4. নরসিংদীর শিবপুরে
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে
ব্যাখ্যা
জাপানিজ ইকোনমিক জোন:
- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে ১,০০০ একর জমিতে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ করা হচ্ছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হলে সেখানে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ হবে।
- কর্মসংস্থান হবে এক লাখ মানুষের।
- সিঙ্গার তুরস্কের প্রতিষ্ঠান আর্সেলিক-এর সঙ্গে যৌথভাবে কারখানা করছে। 
- বেজা এবং জাপানের সুমিতোমো কর্পোরেশন যৌথভাবে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে কাজ করছে।
- জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বেজার শেয়ার থাকছে ২৪%, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ১৫% এবং সুমিতোমো করপোরেশনের ৬১%।

উৎস: ৫ ডিসেম্বর ২০২২, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [link]
২৭৯.
বর্তমানে কয়টি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১৯টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১৩টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ এর অধ্যায় ৭: কৃষি; পৃষ্ঠা ৯১ তে বলা হয়েছে -
সরকার কর্তৃক ২০১০ সালে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০' প্রবর্তন করা হয়েছে এবং উক্ত আইনবলে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা ২০১৩' প্রবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে ১৭টি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

কিন্তু পাট অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইটে ১৯টি পণ্যের কথা বলা হয়েছে।
পণ্যগুলোর তালিকা - 
১. ধান
২. চাল
৩. গম
৪. ভুট্টা
৫. সার
৬. চিনি
৭. মরিচ
৮. হলুদ
৯. পিঁয়াজ
১০. আদা
১১. রসুন
১২. ডাল
১৩. ধনিয়া
১৪. আলু
১৫. আটা
১৬. ময়দা
১৭. তুষ-খুদ-কুড়া 
১৮. পোল্ট্রি ফিড
১৯. ফিস ফিড

যেহেতু পাট সংক্রান্ত তথ্যের জন্য পাট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট অধিক গ্রহণযোগ্য তাই সঠিক উত্তর হিসবে ১৯টি গ্রহণযোগ্য।
২৮০.
খেতাবপ্রাপ্ত মোট মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে কতজনের খেতাব বাতিল করা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে প্রাপ্ত খেতাব বাতিল:
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
- ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যাঁদের খেতাব বাতিল হলো তাঁরা হলেন:
• লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫),  
• লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০),
• লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং
• নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
২৮১.
ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কবে?
  1. ২১ অক্টোবর, ২০১৭ সালে
  2. ২৩ অক্টোবর, ২০১৭ সালে
  3. ২৭ অক্টোবর, ২০১৭ সালে
  4. ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকনির্দেশনা।
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা পূর্ব সকল ভাষণগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ ভাষণ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে প্রদত্ত ভাষণ।
- এই ভাষণের মাধমে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে এনেছিল তাদের বহু কাঙ্খিত স্বাধীনতা।
- এ কারণেই ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮২.
নিচের কোন ব্যাক্তি পাকিস্তানের প্রথম সামরিক শাসক ছিলেন?
  1. জেনারেল টিক্কা খান
  2. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. জেনারেল আইয়ুব খান
  4. জেনারেল নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তান সামরিক শাসন:
- ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা সামরিক শাসন জারি করেন।
- তিনি মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করেন।
- তিনি দেশের সংবিধান বাতিল করেন।
- কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভেঙে দেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল করেন।
- রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
- প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করা হয় সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে।
- তিনি প্রথম সামরিক শাসক।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- ২৭শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে অপসারণ করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।
২৮৩.
ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. সীতাকুণ্ড
  2. পতেঙ্গা
  3. বিরামপুর
  4. মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
পতেঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পতেঙ্গা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
(তথ্যসূত্রঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট)
২৮৪.
জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার কে?
  1. মুহাম্মদ মুর্তজা বশীর
  2. রাঈদ হোসেন 
  3. আব্দুল হালিম চঞ্চল
  4. হাফিজুর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হালিম চঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হালিম চঞ্চল
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে জেলা পর্যায়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার আব্দুল হালিম চঞ্চল।
- ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট ব্যাসের এই স্তম্ভে রয়েছে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের স্লোগান, কবিতা ও গ্রাফিতি।
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- আগ্রাসন বিরোধী আট স্তম্ভ শহীদ আবরার ফাহাদের স্মরণে নির্মিত একটি প্রতীকী স্থাপনা যার নকশাকার হলেন স্থপতি নাজমুল হক নাঈম।
- 'অদম্য ২৪' স্মৃতিস্তম্ভটির নকশা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাঈদ হোসেন, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- শহীদ আবু সাঈদ-কে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্ম 'উন্নত মম শির' -এর শিল্পী শহীদ কবির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

২৮৫.
নিম্নের কোন ব্যক্তি ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ গঠন করেন?
  1. সিরাজুল আলম খান
  2. কাজী আরেফ আহমেদ
  3. আবদুর রাজ্জাক
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ:
- পাকিস্তানের কাঠামোয় বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশ ঘটা অসম্ভব বিবেচনা করে তৎকালীন ছাত্র সমাজের নেতৃস্থানীয় কয়েকজন ১৯৬২ সালে গোপনে ছাত্রদের সংগঠিত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করে- বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ এই ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব দেন জনাব সিরাজুল আলম খান, জনাব আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ।এই সংগঠন 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২৮৬.
বাংলার প্রাচীন স্থান মহাস্থানগড় এর অবস্থান কোথায় ছিল?
  1. মুন্সিগঞ্জে
  2. কুমিল্লায়
  3. বগুড়ায়
  4. ফরিদপুরে
সঠিক উত্তর:
বগুড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়ায়
ব্যাখ্যা
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রবর্ধন অন্যতম।
- এ জনপেদর রাজধানী ছিলো বর্তমান বগুড়া জেলায় অবস্থিত পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়।
- পরবর্তীতে মৌর্য এবং গুপ্ত শাসনামলেও বাংলার রাজধানী ছিলো পুন্ড্রনগর।
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রনগর ছিলো সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং এখানে প্রাপ্ত শিললিপি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বলে স্বীকৃত।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের নির্দেশনা আছে?
  1. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৩ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে সর্বোচ্চ আদালত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার রায় দেন।
- বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করতে দেওয়া রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৩ নং: জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৪ নং: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ নং: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
২৮৮.
গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয় কোনটিকে?
  1. আইনসভা
  2. বিচার বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. নির্বাচকমন্ডলী
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
• আইন বিভাগ:
→ আইনসভা সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।
→ বস্তুত: সংবিধান প্রণয়ন কিংবা আইন প্রণয়নের মত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বলতে গেলে আইন সভা থেকেই একটি রাষ্ট্রের কার্যক্রম সূচনা হয়।
→ জনগনের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আইনসভার সদস্য হন। যার জন্য আইনসভাকে গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয়।
→ গণতন্ত্রের সাফল্য এবং বিকাশে আইনসভার ভূমিকা অসামান্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে কতসালে?
  1. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  3. ১৭ নভেম্বর, ১৯৭৪
  4. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্ত হয়।
-বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি : এস এ করিম (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪),
- বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি: সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী (বর্তমান)।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৯০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান -
  1. ৫১.০৪%
  2. ৫৬.০৪%
  3. ৫৭.০৪%
  4. ৫৮.০৪%
সঠিক উত্তর:
৫১.০৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১.০৪%
ব্যাখ্যা

 অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

২৯১.
বাংলাদেশ থেকে প্রথম কোন দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হয়?
  1. ফ্রান্সে
  2. জার্মানিতে 
  3. নেদারল্যান্ডসে 
  4. ডেনমার্কে
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্সে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়। 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান। 
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.

২৯২.
কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯ মতে, মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপি’তে কৃষি খাতের অবদান -
  1. ক) ১৩.৬
  2. খ) ১৪.৫
  3. গ) ১৫.৮
  4. ঘ) ১৩.৯
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩.৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৩.৬
ব্যাখ্যা

কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯ এর সারাংশ
প্রকাশন তারিখঃ ৭ জানুয়ারি, ২০২০
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপি’তে কৃষি খাতের অবদান ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - চতুর্থ
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দানাদার খাদ্যশস্যের উৎপাদন (৪৩২.১১ লাখ মেট্রিক টন) এর লক্ষ্যমাত্রা (৪১৫.৭৪ লাখ মেট্রিক টন) ছাড়িয়ে গেছে।
দেশ আজ চালে উদ্বৃত্ত; ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ।
আলু উৎপাদনে বাংলাদেশ উদ্বৃত্ত এবং বিশ্বে সপ্তম। এবছর আলু উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ মেট্রিক টন।
নিবিড় চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। সবজি উৎপাদন বেড়ে ১ কোটি ৭২ লাখ ৪৭ হাজার মেট্রিক টন হয়েছে।
দেশে ফল উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম। আম উৎপাদন প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

২৯৩.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং __________ এর মধ্যে ।
  1. সিরাজ-উদ-দৌলা
  2. আলীবর্দি খান
  3. মীর কাসিম
  4. মীর জাফর
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির যুদ্ধ।
- পলাশীর যুদ্ধের পর ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Britannica.
২৯৪.
বিরোধী দল কোন পদ্ধতিতে সরকারের ভুল নির্দেশ করে?
  1. আন্দোলন করে
  2. আদালতের মাধ্যমে
  3. গণভোট আয়োজন করে
  4. গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

গঠনমূলক বিরোধিতা:
- রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকার গঠন করে 
- দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আইনসভায় বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করে। 
- সরকারের কোনো কার্যক্রম ভুল হলে বিরোধী দলের প্রধান কাজ হচ্ছে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

২৯৫.
বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে কতজন বেসামরিক যোদ্ধা ছিলেন?
  1. ৫ জন
  2. ৮ জন
  3. ৯ জন
  4. ১১ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী।
- মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে তিনি এই প্রস্তাব করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
- কোন বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ খেতাব 'বীর শ্রেষ্ঠ' দেয়া হয়নি।
- বীর উত্তম খেতাব দেয়া হয় ৬৮ জন মুক্তিযোদ্ধাকে, যার মধ্যে ৫ জন ছিলেন বেসামরিক।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, BBC.
২৯৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে কর রাজস্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. VAT
  2. Exsice Duty
  3. Income Tax
  4. Export Duty 
সঠিক উত্তর:
VAT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VAT
ব্যাখ্যা

আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা- কর রাজস্ব এবং কর বহির্ভূত রাজস্ব।

• কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ: আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, যানবাহন কর, ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়, অন্যান্য কর ও শুল্ক।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর (VAT) থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

• কর বহির্ভূত রাজস্ব:
- লভ্যাংশ ও মুনাফা, সুদ, প্রশাসনিক রাজস্ব, রেলওয়ে, ডাক বিভাগ, সেবা বাবদ প্রাপ্তি ইত্যাদি।

উৎস: i) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৭.
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় -
  1. ক) রাজশাহীতে
  2. খ) ঢাকায়
  3. গ) সিলেটে
  4. ঘ) রংপুরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) রংপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রংপুরে
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
২৯৮.
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় কিসের গুরুত্ব অপরিসীম?
  1. ক) স্থানীয় প্রশাসনের
  2. খ) ক্ষমতা দখলের
  3. গ) নির্বাচনের
  4. ঘ) প্রচারণার
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচনের
ব্যাখ্যা
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- নির্বাচনের মাধ্যমেই জনমত প্রকাশ পায়। 
- নির্বাচনের মাধ্যমেই ভোটারগণ একাধিক প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে। 
- নির্বাচকমণ্ডলী সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে। 
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯৯.
When was the Constitution of Bangladesh adopted in the National Parliament of Bangladesh?
  1. ক) 2 October, 1972
  2. খ) 16 December, 1972
  3. গ) 4 November, 1972
  4. ঘ) 4 January, 1973
সঠিক উত্তর:
গ) 4 November, 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 4 November, 1972
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
 -গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
৩০০.
বাংলাদেশের একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী মুক্তিযোদ্ধা কোন সম্প্রদায়ের?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) হাজং
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) মনিপুরী
সঠিক উত্তর:
গ) মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মারমা
ব্যাখ্যা
• ইউকে চিং (উক্য চিং মারমা) মুক্তিযুদ্ধে বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধা।
  তিনি মারমা সম্প্রদায়ের লোক। 
• মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍তিনি ইপিআর-এর সদস্য হিসেবে ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উৎস : বাংলাপিডিয়া।