বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ৩০৬ · ১০১২০০ / ৩০,৮৩২

১০১.
'ম্যানিলা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. তামাক
  3. ভুট্টা
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাক
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।
• হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা: উন্নত জাতের আলু।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১০২.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৫ তম
  2. ২৯ তম
  3. ৩১ তম
  4. ৩৪ তম
সঠিক উত্তর:
২৯ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১০৩.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসা
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  4. মনোরঞ্জন ধর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১)।

- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
বাংলাদেশের প্রথম সরকার কোথায় শপথ গ্রহণ করে?
  1. মেহেরপুরে 
  2. কলকাতায় 
  3. ঢাকায় 
  4. আগরতলায় 
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুরে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুরে 
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠন: 
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী কর্তৃক গণহত্যা শুরু হলে বিচ্ছিন্নভাবে বাঙালিরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়।
- শপথ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৫.
বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকীর 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' তালিকায় 'সামাজিক প্রভাব' বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করেছে-
  1. ওরস্যালাইন
  2. এমডিসিএফ-২
  3. বঙ্গভ্যাক্স
  4. গুড়-চিড়ার সংমিশ্রণ
সঠিক উত্তর:
এমডিসিএফ-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমডিসিএফ-২
ব্যাখ্যা

'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫'-এর সম্মান পেল আইসিডিডিআর, বি ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত অস্ত্র সুস্থকারী খাবার

⇒ বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকী তাদের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' তালিকায় 'সামাজিক প্রভাব' বিভাগে আইসিডিডিআর, বি এবং সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির দীর্ঘদিনের যৌথ গবেষণার ফসল অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের অস্ত্রের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারকারী বিশেষ সম্পূরক খাদ্য এমডিসিএফ-২-কে স্থান দিয়েছে।

⇒ এমডিসিএফ হলো মাইক্রোবায়োটা ডিরেক্টেড কমপ্লিমেন্টারি ফুড বা অস্ত্রের জীবাণুদেরকে উদ্দীপ্ত করার জন্য একটি বিশেষ সম্পূরক খাবার।

⇒ বিগত বছরগুলোতে কিছুটা উন্নতি হলেও, বিশ্বব্যাপী শিশুদের জীবন রক্ষা ও বিকাশের পথে অপুষ্টি এখনও একটি বিরাট বাধা, যা পাঁচ বছরের কম বয়সি মোট শিশুমৃত্যুর প্রায় অর্ধেকের জন্য দায়ী।
-  বর্তমানে যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই সমস্যা আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে, ফলে কোটি কোটি শিশু খর্বতা (বয়স অনুযায়ী কম উচ্চতা) এবং কৃশতার (বয়স অনুযায়ী ওজন কম/রোগা পাতলা) ঝুঁকিতে রয়েছে।
- এই উদ্ভাবনী খাবার এমডিসিএফ-২ তৈরি হয়েছে ছোলা, সয়াবিন, চিনাবাদাম ও কাঁচা কলার গুঁড়োর একটি বিশেষ মিশ্রণে।
- এই উপাদানগুলো এমনভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে যেন তা অস্ত্রের ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট উপকারী জীবাণুগুলিকে পুষ্টি দিতে পারে।
- এই জীবাণুগুলো অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্নায়বিক বিকাশে সহায়তা করে।

উৎস: iccddrb ওয়েবসাইট।

১০৬.
মারমা উপজাতি কোন ভাষায় কথা বলে?
  1. ককবরক
  2. আচিক খুসিক
  3. পালি
  4. মন খেমে
সঠিক উত্তর:
পালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালি
ব্যাখ্যা
উপজাতি ও তাদের ভাষা:
- ককবরক ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষা।
- আচিক খুসিক : গারোদের ভাষা।
- সাদরি ও কুড়ুঁখ : ওরাঁও ও মুন্ডা নৃগোষ্ঠীর ব্যবহৃত ভাষা।
- মন খেমে : খাসিয়াদের ভাষা।
- পালি: মারমা বা মগদের ভাষা।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেনি।
১০৭.
সম্প্রতি জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদর দপ্তরে ‘বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ’ উদ্বোধন করা হয়েছে?
  1. UNDP
  2. WHO
  3. FAO
  4. UNWTO
সঠিক উত্তর:
FAO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FAO
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষের উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ এবং এফএওর মধ্যে পঞ্চাশ বছরের সম্পর্কের প্রতীক এই কক্ষ।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এফএওর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের জনগণকে নিপীড়ন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা থেকে মুক্ত করাই বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লক্ষ্য ছিল।
- মুজিব বর্ষ’ ২০২০-২১ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সময় এ শৈল্পিক কাজটি করা হয়েছিল।
- এটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে।
- এটি আমাদের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থানের সাক্ষ্য বহন করে।

উৎস: ২৫ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।
১০৮.
সম্প্রতি, এনবিআর শুল্ক ও কর জমা দিতে অনলাইনে কী সেবা চালু করেছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ই-চালান সেবা
  2. এ-চালান সেবা
  3. সি-চালান সেবা
  4. ভি-চালান সেবা
সঠিক উত্তর:
এ-চালান সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ-চালান সেবা
ব্যাখ্যা
এ-চালান সেবা:
- শুল্ক ও কর অনলাইনে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে ‘এ-চালান’ সিস্টেম চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
- এ পদ্ধতিতে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড; এমএফএস যেমন রকেট, বিকাশ, নগদ, উপায়, এমক্যাশ, ট্রাস্টপে ইত্যাদি দিয়ে শুল্ক-কর পরিশোধ করা যাবে। 
- এ উদ্যোগটি এনবিআর ও অর্থ বিভাগের একটি যৌথ কার্যক্রম।
- এ ব্যবস্থায় আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও তাদের মনোনীত এজেন্টরা ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে যে কোনো সময় শুল্ক-কর পরিশোধ করতে পারবেন। 
- আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি  ইন্টারনেট মাধ্যমে শুল্ক-কর জমা দিয়ে সিস্টেম জেনারেটেড রসিদ নম্বর দেখিয়ে বন্দর থেকে পণ্য খালাস করতে পারবেন।
- পাশাপাশি যেকোনো ব্যাংক থেকেও শুল্ক-কর পরিশোধ করে আমদানি পণ্য দ্রুততম সময়ে খালাস করতে পারবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১০৯.
নিচের কোনটি সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র? 
  1. তিতাস
  2. কুতুবদিয়া
  3. সিলেট 
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুতুবদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যা

• সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে দুটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে: সাঙ্গু এবং কুতুবদিয়া।

∗ কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র:
• অবস্থান: কক্সবাজারের উপকূলে, বঙ্গোপসাগরে।
• আনুমানিক মজুদ: প্রায় ৭৮০ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)।
• বর্তমান অবস্থা: এটি একটি ক্ষুদ্রাকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং বাপেক্স (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
∗ সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র:
• অবস্থান: ১৬ নং ব্লকে, চট্টগ্রামের সলিমপুরের কাছে।
• আবিষ্কার: ১৯৯৬ সালে।
• বর্তমান অবস্থা: গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় পরিত্যক্ত।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. Britannica.

১১০.
২০২৪ সালের বৈশ্বিক সন্ত্রাস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ৩১তম
  2. ৩২তম
  3. ৩৩তম
  4. ৩৫তম
সঠিক উত্তর:
৩২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বৈশ্বিক সন্ত্রাস সূচক:

- ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক Institute for Economics & Peace (IEP) প্রকাশ করে।
- অন্তর্ভুক্ত দেশ - ১৫৪টি।
- সূচক অনুযায়ী শীর্ষ দেশ - বুরকিনা ফাসো।
- সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান - ৩২তম।

তথ্যসূত্র: বৈশ্বিক সস্ত্রাস সূচক ২০২৪।
১১১.
পঞ্চদশ সংশোধনীতে মোট কয়টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো?
  1. ৫০টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৪টি
  4. ৫৬টি
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
ব্যাখ্যা
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
- কিন্তু যে অংশটি বাতিল করা হয়েছে তার ফলে দেশের সংবিধানে আবারো নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসার পথ তৈরি হয়েছে এবং সংবিধানের কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনীর জন্য গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- ওই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- বাকীগুলো পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
- তবে আইনজীবীরা বলছেন হাইকোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে করা বিধান বাতিল হলেও সংবিধানে এখনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে না।
- বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যে সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা হয়, সেই ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছিল, তার ওপর একটি রিভিউ পিটিশন আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় আছে।
- ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ওই রায় দিয়েছিলেন।
- ২০২৪ সালের ১৮ই আগস্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট করেন বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন।
- উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হয়েছিলো সংসদে।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ ডিসেম্বর ২০২৪)
১১২.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয়ে ভর্তি হয়েছিল?
  1. ক) রাষ্ট্রবিজ্ঞান
  2. খ) সমাজ বিজ্ঞান
  3. গ) আইন
  4. ঘ) অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
গ) আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইন
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির জনক এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- মুজিব ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন।
- তিনি স্থানীয় গীমাডাঙ্গা স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- চোখের সমস্যার কারণে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা চার বছর ব্যাহত হয়।
- ১৯৪২ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বি.এ পাশ করেন।
- ম্যাট্রিক পাশের পর মুজিব কলকাতায় গিয়ে ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন।
- সেখান থেকেই তিনি আই.এ ও বি.এ পাশ করেন।
- তিনি বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একজন সক্রিয় কর্মী এবং ১৯৪৩ সাল থেকে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।
- রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এইচ. এস সোহরাওয়ার্দীর একজন একনিষ্ঠ অনুসারী। 
- ভারত বিভাগের (১৯৪৭) পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে  অধ্যয়নের জন্য ভর্তি হন।
- তবে পড়াশুনা শেষ করতে পারেন নি।
- কারণ চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি দাওয়ার প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ঔদাসীন্যের বিরুদ্ধে তাদের বিক্ষোভ প্রদর্শনে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে ১৯৪৯ সালের প্রথমদিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৫টি
  2. ২০টি
  3. ২৫টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় নির্বাচন:

- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।
- নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১৪.
কার উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. ড. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ
  3. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. মওলানা আকরম খাঁ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১১৫.
কোন সুলতান সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন?
  1. ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. খ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গ) ইখতিয়ার উদ্দিন গাজী শাহ
  4. ঘ) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল শুরু হয় ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমল থেকে। বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন তিনি। ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁর গভর্নর বাহরাম খান মারা গেলে তাঁর বর্মরক্ষক ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ স্বাধীন সোনারগাঁ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিজের নামে মুদ্রা চালু করেন। সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন এবং চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সুদীর্ঘ রাস্তা নির্মাণ করেন। তাঁর সময়ে মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতার আগমন ঘটে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
১১৬.
বাংলার দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটান কে?
  1. শের খান শূর
  2. ইসলাম খান
  3. দাউদ কররানী
  4. মুর্শিদকুলি খান
সঠিক উত্তর:
শের খান শূর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শের খান শূর
ব্যাখ্যা
১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ কর্তৃক সোনারগাঁওয়ের মসনদ দখলের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা হয়।
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের আমলে স্বাধীন সুলতানি যুগের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। যার কারণে তাকে বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বিবেচনা করা হয়।

বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের শাসকদের মধ্যে ইলিয়াস শাহী বংশের শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ এবং হুসেন শাহী বংশের আলাউদ্দিন হুসেন শাহ সর্বাধিক প্রসিদ্ধ।

১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহকে পরাজিত করে আফগান নেতা শের খান শূর গৌড় দখল করে নিলে বাংলার দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে। বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সর্বশেষ শাসক হলেন গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১১৭.
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য নিচের কোনটি অতি আবশ্যক?
  1. সুশীল সমাজ
  2. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. বিরোধী দল
  4. সামরিক বাহিনী
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- সরকারকে সর্বদা বিরোধী দলের দাবির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
- আবার বিরোধী দল অহেতুক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
- বস্তুতঃ বিরোধী দল ছাড়া রাজনৈতিক ব্যবস্থাই অচল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৮.
কোন নৃগোষ্ঠীর ভাষার নাম ককবরক?
  1. বাঙ্গালী
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
ত্রিপুরাদের বাসস্থান ও ভাষা:
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, ফরিদপুর, শ্রীমঙ্গল, মৌলভিবাজার, কুমিল্লা, কক্সবাজার প্রভৃতি জেলাসমূহে ত্রিপুরারা বসবাস করে।
- তবে ত্রিপুরাদের প্রায় ৮০ শতাংশের বসবাস পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিশেষ করে রামগড় এবং খাগড়াছড়িতে।
- ত্রিপুরাদের ভাষার নাম ককবরক `kok-borok'।
- এ ভাষাটি 'বোডো' দলের ('bodo group') অন্তর্ভূক্ত।
- সিনো-টিবেটান (Sino-Tibetan) পরিবার ভুক্ত টিবেটো-বার্মা (Tibeto-Burma) ভাষার আসাম শাখা থেকে ককবরক ভাষাটির উৎপত্তি।
- ককবরক ভাষার নিজস্ব অক্ষর-লিপি রয়েছে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৯.
'দ্য ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া' গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. এ পি জে আব্দুল কালাম
  2. রাজেন্দ্র প্রাসাদ
  3. জওহরলাল নেহেরু
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহেরু
ব্যাখ্যা
জওহরলাল নেহেরু:
- জওহরলাল নেহরু ১৪ নভেম্বর, ১৮৮৯ সালে ভারতের এলাহাবাদে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- জওহরলাল যখন ১৬ বছর বয়সী তখন তিনি হ্যারো এবং পরে কেমব্রিজে পড়ার জন্য ইংল্যান্ডে যান।
- তিনি ১৯১২ সালে ভারতে ফিরে আসেন এবং এলাহাবাদে আইনজীবী হন।
- ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতকে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত করতে মহাত্মা গান্ধীর সাথে কাজ করেছিলেন।
- নেহেরু নতুন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন।
- 'গ্লিম্পসেস অফ ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি' জওহরলাল নেহরুর লেখা আত্মজীবনী।
- 'দ্য ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া' তাঁর লেখা অন্যতম বই।
- তিনি ২৭ মে, ১৯৬৪ তারিখে নয়াদিল্লিতে মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica Kids.com
১২০.
বাংলাদেশ ওআইসির কততম সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে? 
  1. ২য় শীর্ষ সম্মেলন 
  2. ৩য় শীর্ষ সম্মেলন
  3. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলন
  4. ১ম শীর্ষ সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
২য় শীর্ষ সম্মেলন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় শীর্ষ সম্মেলন 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে ২য় শীর্ষ সম্মেলন, ১৯৭৪ সালে।

ওআইসি:

- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organization of Islamic Cooperation.
- OIC একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠন: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
• সম্মেলন: ওআইসি-র ২য় শীর্ষ সম্মেলন।
- ২য় শীর্ষ সম্মেলন ১৯৭৪ সাল।
- স্থান: লাহোর, পাকিস্তান
- বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে ২য় শীর্ষ সম্মেলন, ১৯৭৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। 
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। (১২তম)
- এটির অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- OIC-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৫১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় তুরস্ক, ২১-২২ জুন, ২০২৫।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।

১২১.
প্রকল্প হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক যাত্রা শুরু করে -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১২২.
শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) রামপাল
  3. গ) মহাস্থানগড়
  4. ঘ) সোনারগাঁ
সঠিক উত্তর:
গ) মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ নগর পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান। 
• মহাস্থানগড়ে শাহ সুলতান বলখীর মাজার রয়েছে । 
• সম্রাট অশোকের সময়ের খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি পাওয়া গেছে । 
• স্থানটি বগুড়া শহর থেকে ১৩ কিমি (৮ মাইল) উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে ।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১২৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে, ’জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন নিদের্শনা’ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৪ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৪ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- ২৪ নং অনুচ্ছেদে, জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন নিদের্শনা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে।
------------------------------------------------
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাদ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক ।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ সমাবেশেরে স্বাধীনতা  বিষয়ক ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১২৪.
রাষ্ট্রের দলীয় ব্যবস্থাকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়?
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. পাঁচটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের বিভিন্নরূপ:

- রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা প্রকার।
- রাষ্ট্রের দলীয় ব্যবস্থাকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।

যথা :
• একদলীয় ব্যবস্থা :
- যখন রাষ্ট্রে একটিমাত্র দল থাকে তখন তাকে একদলীয় ব্যবস্থা বলা হয়।
- একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একটিমাত্র দল থাকে।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না।

• দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা :
- দেশে মাত্র দু'টি দল থাকলে তাকে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলে।
- একটি দল সরকার গঠন করে এবং অন্যদল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে।
- তবে প্রকৃতিগতভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ও বৃটেনে দ্বি-দল ব্যবস্থাই প্রচলিত আছে।

• বহু-দলীয় ব্যবস্থা :
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন দুটির বেশি দল, রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের লাড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, তখন তাকে 'বহুদলীয় ব্যবস্থা' বলে।
- ফ্রান্স, ইতালি, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে এরূপ বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
’গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. নোয়াখালী
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
গান্ধী আশ্রম:
- বাংলাদেশের একমাত্র গান্ধী আশ্রম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা জয়াগ গ্রামে অবস্থিত।
- এটি একটি জনহিতকর ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৪৬ সাল থেকে শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতির গান্ধীয় দর্শনের ওপর কাজ করছে।
- নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলার চারটি উপজেলার ১০২টি গ্রাম এবং নোয়াখালী ও চাটখিল পৌরসভা এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিস্তৃত।

⇒ ভারত ছাড় আন্দোলন-এর শেষদিকে ১৯৪৬ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার সর্বত্র সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।
- মহাত্মা গান্ধী ‘শান্তি মিশনে’ দ্রুত নোয়াখালী ছুটে যান। ১৯৪৬ সালের ৭ নভেম্বর তিনি চৌমুহনী রেলস্টেশনে অবতরণ করেন। 
- তিনি গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে যান এবং জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করতে থাকেন। অহিংসা এবং নৈতিকতা, সত্য ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের নীতি তার মিশনকে সফল করে তোলে।
- তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের ২৯ জানুয়ারী তিনি জয়াগ গ্রামে পদার্পন করেন এবং ৩০ জানুয়ারী সেখানে উদ্ধোধন করেন একটি বুনিয়াদী বিদ্যালয় যা বর্তমানে ‘’গান্ধী মেমোরিয়াল টেকনিক্যাল ইনিষ্টিটিউট’’ নামে পরিচিত।

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৫ সালে ‘’অম্বিকা কালীগঙ্গা চেরিটেবল ট্রাষ্ট’’ ভেঙ্গে ‘’গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্ট’’ সৃষ্টি করে।
- মহাত্মা গান্ধীর অহিংস সমাজ ব্যবস্থার ধারণা সবার কাছে পৌঁছে দিতে ২০০০ সালের ২ অক্টোবর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে গান্ধী আশ্রমের মূল ভবনে যাত্রা শুরু করে ‘গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর’।
- এ জাদুঘরে গান্ধীর বিভিন্ন দুর্লভ ছবি, বই, ব্যবহার্য জিনিস এবং তার বৈচিত্র্যময় কর্মজীবন যে কারো মনোজগৎ নাড়িয়ে দিতে যথেষ্ঠ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া 
১২৬.
ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে কত বছর শাসন করেন
  1. ৪০ বছর
  2. ৭০ বছর
  3. ১০০ বছর
  4. ১২২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ বছর
ব্যাখ্যা
ইলিয়াস শাহের সিংহাসন লাভ ও রাজ্য বিস্তার:

- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন। 
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্রো করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে। 
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।
- ইলিয়াস লখনৌতির শাসনকর্তা আলী মুবারকের ধাত্রীমাতার পুত্র ছিলেন।
- পরে আলী মুবারক বাংলাদেশে চলে আসেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের প্রধান সেনাপতি হন।
- ইলিয়াস শাহ যখন সিংহাসনে বসেন তখন পূর্ব ও দক্ষিণ বঙ্গ তার রাজ্যের বাইরে ছিল।
- তিনি প্রথমে সাতগাও দখল করেন।
- এরপর ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করেন ও প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করেন।
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাও অধিকার করে সারা বাংলাদেশের সুলতান হন।
- ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'সুলতান-ই- বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৭.
বাংলাদেশে মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত ক্যাডেট কলেজ কয়টি?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে। এগুলো হলো: 
- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ,
- ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ,
- মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ,
- রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ,
- বরিশাল ক্যাডেট কলেজ,
- পাবনা ক্যাডেট কলেজ,
- সিলেট ক্যাডেট কলেজ,
- রংপুর ক্যাডেট কলেজ,
- কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ,
- ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
এগুলোর মধ্যে প্রথম নয়টি ছেলেদের, পরের তিনটি মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।
১২৮.
পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার বিপক্ষে কোন ইংরেজ সেনাপতি যুদ্ধ করে?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
How many persons were awarded the Bir Pratik gallantry award in recognition of their heroic contributions?
  1. 68
  2. 174
  3. 175
  4. 422
  5. 426
সঠিক উত্তর:
426
উত্তর
সঠিক উত্তর:
426
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদানে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ৬৭৬ জনকে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
 
উল্লেখ্য,
-  ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন। বর্তমানে -
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৭ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৪ জন,
• বীর প্রতীক ৪২৪ জন।
 
উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
১৩০.
পাখি ছাড়া 'দোয়েল' কীসের নাম?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের আলু
  3. উন্নত জাতের টমেটো
  4. উন্নত জাতের বেগুন
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের গম
ব্যাখ্যা
গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

এছাড়াও -
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা।
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৩১.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটিতে আওয়ামী লীগের ছাড়া কতজন সদস্য ছিলেন?
  1. ক) ১ জন
  2. খ) ২ জন
  3. গ) ৩ জন
  4. ঘ) ৪ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ জন
ব্যাখ্যা

- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ থেকে ছিল ৩৩ জন সদস্য এবং আওয়ামী লীগ ছাড়া মাত্র এক জন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৩২.
বাংলাদেশে সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ২০২০ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশে সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৩৩.
'কর্ণফুলি পেপার মিলস' এর প্রধান কাঁচামাল কোনটি?
  1. আখের ছোবরা
  2. বাশঁ
  3. ধানের খড়
  4. পাটের খড়ি
সঠিক উত্তর:
বাশঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাশঁ
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলি পেপার মিলস্: 
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।

১৩৪.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার -
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৯.১০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩.৭৯ শতাংশ এবং কানাডায় ১২.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যে রপ্তানিতে ৩.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।

১৩৫.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির প্রথম সুরকার কে?
  1. আবদুল লতিফ
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  4. আবদুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ। সেই সুর পরিবর্তন করে আলতাফ মাহমুদ পরে এর সুরারোপ করেন। সেটি এখন বলবৎ আছে।
- ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বলতে বোঝানো হয়েছে যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
১৩৬.
কোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ প্রবর্তন করা হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. কান চলচ্চিত্র উৎসব
  2. ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব
  3. বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  4. টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
সঠিক উত্তর:
বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
ব্যাখ্যা
জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ:
- দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- আগামী ১৭-২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠাতব্য বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
- সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভিশন এশিয়া’ বিভাগে অংশ নেওয়া ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবিকে পুরস্কারটি দেওয়া হবে।
- ভিশন এশিয়া বিভাগে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন দেশের ১১টি চলচ্চিত্র।
- সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার অথবা অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াইকে উপজীব্য করে নির্মিত চলচ্চিত্রকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
১৩৭.
বর্তমানে দেশে কয়টি জেলায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই?
  1. ১৬টি
  2. ১৮টি
  3. ২১টি
  4. ২৩টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা:
- দেশে বর্তমানে ৪৮টি জেলায় রেলপথ রয়েছে।
- রেল যোগাযোগব্যবস্থাকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- দেশেরে ৬৪ জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে ৩০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যানের কাজ চলমান রয়েছে।
- ২০২৩ সালের অক্টোবরের শুরুতেও রেল নেটওয়ার্কের আওতায় ছিল দেশের ৪৩টি জেলা।
- ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশের উদ্বোধনে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় আরও তিন জেলা মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর।
- ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর খুলনা-মোংলা রেলপথ উদ্বোধনের মধ্যে ৪৭তম জেলা হিসেবে পুনরায় যুক্ত হয়েছে বাগেরহাট।
- সর্বশেষ ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর দোহাজারী-কক্সবাজার রেল প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সংযুক্ত হয় রেল নেটওয়ার্কে।
- অন্যদিকে দেশে ১৬টি জেলায় এখনো রেলপথ স্থাপন করা হয়নি।
- মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ২০৪৫ সালের মধ্যে এই ১৬ জেলাকেও রেলপথের আওতায় আনতে চায় সরকার।
- জেলাগুলো হলো: নড়াইল, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, মাগুরা, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, শেরপুর, মানিকগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি।
 
উৎস: i) Railway Technology ওয়েবসাইট।
         ii) ১৫ নভেম্বর ২০২৩, বাংলা ট্রিবিউন।
১৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে কোন দেশের সংবিধান অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে অনুসরণ করা হয় ভারত ও যুক্তরাজ্যের সংবিধান।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান- ভারতের।
- পৃথিবীর যে সকল দেশের সংবিধান অলিখিত- স্পেন, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, সৌদি আরব ও ইসরায়েল।
- গণপরিষদের সর্বমোট ২১ টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লিখে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- সংবিধানের হস্তলিপির কাজ করেছেন এ কে এম আবদুর রুউফ ।
- হাতে লেখা বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ১০৯ ।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩৯.
ভাসুবিহার এর অবস্থান কোথায়?
  1. কুমিল্লার কোটবাড়ি
  2. নওগাঁর পাহাড়পুর
  3. নওগাঁর ধামইরহাট
  4. বগুড়ার শিবগঞ্জ
  5. দিনাজপুরের নওয়াবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বগুড়ার শিবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়ার শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- কুমিল্লার কোটবাড়ি-সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত শালবন বিহার বাংলাদেশের বিহার স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত পাহাড়পুর বিহার তথা সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- আট শতকে পাল সম্রাট ধর্মপাল প্রায় বর্গাকার এ বিহারটি নির্মাণ করেছিলেন। 
- পাহাড়পুর বিহারের পাশাপাশি নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় অবস্থিত জগদল মহাবিহারের কথা বলা যেতে পারে। 
- বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে আবিষ্কৃত অন্য বিহারের মধ্যে ভাসুবিহার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড়ের পশ্চিমে অবস্থিত এ বিহারে প্রায় ২৬টি ভিক্ষুকক্ষ রয়েছে যার নির্মাণ-উপাদান হিসেবে ইট ও মর্টার হিসেবে কাদা-মাটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- এর বাইরে দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ থানায় অবস্থিত সীতাকোট বিহার, বিহার ধাপ তথা তোতারাম পণ্ডিতের বাড়ি, লোহানীপাড়া গ্রামের চাপড়াকোট বিহার, বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার আড়োলা গ্রামের শালিবাহন রাজার বাড়ি, ঢাকা জেলার সাভার থানায় অবস্থিত হরিশচন্দ্র রাজার প্রাসাদের কথা বলা যেতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৪০.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুযায়ী, লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. টাঙ্গাইল
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• 'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।

- উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
• আম: রাজশাহী জেলা।
• লিচু: দিনাজপুর জেলা।
• আনারস: টাঙ্গাইল জেলা।
• কাঠাল: গাজীপুর জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
১৪১.
পলাশীর যুদ্ধে কোন ফরাসি সেনানায়ক বাংলার নবাবের পক্ষে লড়াই করে?
  1. আল বুকার্ক
  2. সিন ফ্রে
  3. মেজর মনরো
  4. ভান্সিটার্ট
সঠিক উত্তর:
সিন ফ্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন ফ্রে
ব্যাখ্যা

পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আমবাগানের যুদ্ধে স্বাধীন বাংলার নবাব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হয়।
- ফলে প্রায় ২০০ বছরের জন্য বাংলা স্বাধীনতা হারায়।
- প্রতি বছর সে জন্য ২৩ জুন পলাশী দিবস হিসাবে পালিত হয়।
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটতি হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরচিতি।
- ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করেন এবং কলকাতা দখল করেন।
- এই যুদ্ধে সিরাজ-উদ-দৌলা পরাজতি হন এবং ভারতবর্ষে ইংরজে শাসন প্রতষ্ঠিার পথ সূচিত হয়।
- নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে জগৎশেঠ, মীরজাফর, রায়দুর্লভ ও উমিচাদ।
- নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করেন মীরমদন, মোহন লাল ও ফরাসি সেনাপতি সিন ফ্রে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৪২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রপ্তানি বাজার -
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
দেশ হিসেবে রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রপ্তানি বাণিজ্যের অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।  
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।

অন্যদিকে - 
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।

১৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৭ নং
  2. ১৩৮ নং
  3. ১৩৯ নং
  4. ১৪০ নং
সঠিক উত্তর:
১৩৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

সংবিধানের -
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
-  ১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪৪.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
পুলিশ প্রশাসন:
- পুলিশ প্রশাসন অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।
- মহিলাদের মধ্যে পেশাধারী প্রতারণা, দেশি ও আন্তর্জাতিক চোরাচালান, হোটেল ও বিত্তবানদের গৃহে প্রমোদবালাদের অসামাজিক তৎপরতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত অপরাধের অনুসন্ধান ও তল্লাশীর ক্ষেত্রে পুরুষের জন্য কিছু আইনগত ও সামাজিক অসুবিধা থাকায় ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশে মহিলা পুলিশ নিয়োগ শুরু হয়।
- বর্তমানে মহানগর ব্যতীত সিআইডি, ইমিগ্রেশন, জেলা সদর ও পুলিশ সদর দপ্তরেও বিভিন্ন পদবীর মহিলা পুলিশ নিয়োজিত আছে।
- দেশের অন্যান্য মহানগর পুলিশে বিভিন্ন পদবীর মহিলা পুলিশ নিয়োজিত আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪৫.
ভাষা আন্দোলনের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন-
  1. খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. নূরুল আমীন
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
নূরুল আমীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূরুল আমীন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের সময়কালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন এবং পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন নূরুল আমীন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪৬.
তেভাগা আন্দোলনের সাথে জড়িত নন -
  1. হাজী দানেশ
  2. ইলা মিত্র
  3. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  4. অমল সেন
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন:
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র।
- তেভাগা আন্দোলন বাংলায় সংঘটিত বর্গাচাষীদের একটি কৃষক আন্দোলন।
- ১৯৪০ থেকে ১৯৫০ সালে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- কৃষকদের অধিকার আদায়ে তেভাগা আন্দোলনে অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেন নড়াইলের অমল সেন।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়।
 
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ১৮ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
১৪৭.
'বিজু' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব? 
  1. গারো
  2. চাকমা
  3. খাসিয়া
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বৃহত্তম উপজাতি হলো চাকমা।
- তারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে সবচেয়ে প্রভাবশালী উপজাতি।
- তাদের গ্রামকে ‘আদাম’ বা ‘পাড়া’ বলা হয়।
- কয়েকটি পরিবার নিয়ে চাকমাদের গ্রাম গঠিত হয়।
- চাকমাগোষ্ঠীর গ্রামের প্রধানকে ‘কার্বারি’ বলা হয়।
- চাকমারা থেরবাদ বৌদ্ধধর্ম অনুসরণ করে।
- তাদের প্রধান উৎসব হলো বিজু, যা পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে তিন দিন ধরে পালিত হয়।
--------------------- 
অন্যদিকে,
• গারো সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব হলো ওয়ানগালা বা নবান্ন উৎসব, যা নতুন ফসল তোলার পর উদযাপিত হয়।
- এই উৎসবে তারা সূর্য দেবতা মিসি সালজংকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে।

• খাসিয়া সম্প্রদায়ের প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব হলো সেং কুটস্নেম। 
- এটি মূলত বর্ষবিদায় ও নতুন বছরের সূচনা উদযাপন করতে প্রতি বছর ২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।

• ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক ও বর্ষবরণ উৎসব হলো বৈসু। 
- চৈত্র মাসের শেষ দুই দিন এবং বৈশাখ মাসের প্রথম দিন—মোট তিন দিনব্যাপী এই উৎসব উদযাপিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

১৪৮.
২০২১ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়-
  1. ক) মাতৃভাষা দিবস: ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ
  3. গ) স্বাধীনতা দিবস: ২৬ মার্চ
  4. ঘ) মুজিবনগর দিবস: ১৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
খ) ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ
ব্যাখ্যা

২০২১ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয় ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ।
- প্রতি বছর ৭ মার্চ তারিখকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- জাতীয় পর্যায়ের দিবস পালনের তালিকায় ৭ মার্চকে ‘ক’ ক্যাটাগরিভূক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এদেশের স্বাধীনতার মূল প্রেরণা। বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে এর স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো ভাষণটিকে ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ রেজিস্টারে অন্তর্ভূক্ত করেছে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।

১৪৯.
বর্তমানে দেশে নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয় সীমার পরিমাণ কত?
  1. ৩০০০০০ টাকা
  2. ৩৫০০০০ টাকা
  3. ৩৭৫০০০ টাকা
  4. ৪০০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪০০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী করদাতার করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অর্থবছর।
১৫০.
বাংলাদেশের ইতিহাসে "অপারেশন ওমেগা" কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধে ত্রাণ কার্যক্রম
  2. মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের অভিযান
  3. মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান
  4. মুক্তিযুদ্ধে বহির্বিশ্বের স্বীকৃতি চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধে ত্রাণ কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধে ত্রাণ কার্যক্রম
ব্যাখ্যা

অপারেশন ওমেগা: 
- "অপারেশন ওমেগা" ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এক মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম,
- এটা ব্রিটিশ সাংবাদিক রজার মুডি ও তাঁর সহযোগীদের উদ্যোগে সংগঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তিযুদ্ধের পরিস্থিতি দেখে রজার মুডি 'পিস নিউজ' ম্যাগাজিনের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণের জন্য স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান করেন।
- এর মাধ্যমে সারা পৃথিবী থেকে ১১ জন স্বেচ্ছাসেবক যুক্ত হন এবং তারা বাংলাদেশে ত্রাণ পৌঁছানোর কাজ শুরু করেন।
- অপারেশন ওমেগার মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে ত্রাণ সরবরাহ এবং পাকিস্তানি সেনাদের বর্বরতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ তোলা।
- এই উদ্যোগটি ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ও অন্যান্য নেতাদের সমর্থন পেয়ে ভারতের কলকাতা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছায়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।

সূত্র: প্রথম আলো ও ডৈইলি স্টার বাংলা। 

১৫১.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ছিল কতটি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১২টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয় ১৮ এপ্রিল।
- এছাড়া কয়েকটি বিভাগ মন্ত্রিপরিষদের কর্তৃত্বাধীনে থাকে। 

[শুধু মন্ত্রণালয় বললে ১২ টি কিন্তু বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বললে ১৫ টি।]

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫২.
মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’ চালু করেছে কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. ক) ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) সরকারের ডাক বিভাগ
  3. গ) ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) লংকা বাংলা ফাইন্যান্স
সঠিক উত্তর:
খ) সরকারের ডাক বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সরকারের ডাক বিভাগ
ব্যাখ্যা
মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’ চালু করেছে সরকারের ডাক বিভাগ। ২০১৯ সালের ২৬শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নগদ’ সেবা উদ্বোধন করেন।
অন্যদিকে, ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা হলো ‘রকেট’ এবং ব্র্যাক ব্যাংক প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা ‘বিকাশ’।
(সূত্র: নগদ ও প্রথম আলো)
১৫৩.
ভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায় -
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৫৬ সালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য:
- ১৯৫৬ সাল পাকিস্তানের জন্য যে সংবিধান প্রণীত এবং গৃহীত হয় তার মূল সুর বোঝানোর জন্য একটি প্রস্তাবনা লিখিতভাবে যুক্ত করা হয়েছিল। এই সংবিধানে ৬টি তফসিল, ১৩টি অনুচ্ছেদ এবং ২৩৪টি ধারা ছিল।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. ইসলামী প্রজাতন্ত্র: '৫৬ সালের সংবিধান অনুসারে পাকিস্তানকে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়। কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী আইন প্রণয়ন নিষিদ্ধ হয় এবং রাষ্ট্রপতি মুসলমান হবেন- এ শর্ত যুক্ত করা হয়।
২. যুক্তরাষ্ট্র: পাকিস্তান হবে একটি যুক্তরাষ্ট্র এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক সরকারের ভেতর ক্ষমতা ভাগ করে দেয়া হয়। ক্ষমতার ক্ষেত্রে তিনটি ভাগ দেখা যায়- একটি কেন্দ্রীয় সরকারের, একটি প্রাদেশিক সরকারের এবং একটি ছিল যুগ্ম তালিকাভুক্ত।
৩. সংসদীয় সরকার: কেন্দ্রে এবং প্রদেশে সংসদীয় প্রকৃতির বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। এই পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতিকে নিয়মতান্ত্রিক প্রধানে পরিণত করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী ছিলেন।
৪. এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা: পাকিস্তানে গোড়া থেকেই যদিও দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা নিয়ে আলোচনা চলছিল, শেষপর্যন্ত দেশে এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা প্রবর্তিত হয়। ১০ জন মহিলা সদস্য সহ মোট ৩১০ সদস্যের পার্লামেন্ট গঠনের কথা বলা হয়। সংখ্যাসাম্য নীতির ভিত্তিতে এই আসন বণ্টন করা হয়।
৫. রাষ্ট্রভাষা: বাংলা এবং উর্দু উভয় ভাষাকেই রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়া হয়।
৬. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন: ১৯৫৬ সালের সংবিধানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কথা বলা হয়েছে। সংবিধানে পরিষ্কার ভাষায় প্রাদেশিক কার্যাবলী নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রদেশ পরিচালনার জন্য প্রাদেশিক মন্ত্রিপরিষদ, আইন পরিষদ প্রভৃতির বিষয়ে স্পষ্ট বিধান ছিল।
৭. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা: বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগের হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত করার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে বিচার বিভাগকে সংবিধানের রক্ষকের দায়িত্বও দেয়া হয়। একটি সুপ্রিম কোর্ট এবং প্রদেশগুলির জন্য আলাদা হাইকোর্টের বিধান রাখা হয়।
৮. মৌলিক অধিকার: সংবিধানে নাগরিকদের জন্য মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়। মৌলিক অধিকারসমূহ বিধিবদ্ধ করে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা এবং এর জন্য আদালতের দ্বারস্থ হবার সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়।
৯. স্বাধীন নির্বাচন কমিশন: পাকিস্তান যেহেতু গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার দ্বারা শাসিত হবে সেহেতু সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থা রাখা হয়।
১০. সংবিধান সংশোধন: ১৯৫৬ সালের সংবিধানে সংশোধনের যে ব্যবস্থা রাখা হয় তাকে নমনীয় বলা যায়। সাধারণ সংশোধনীসমূহ সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি নিয়ে সংবিধান সংশোধন করার ব্যবস্থা ছিল। তবে উভয় ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রপতির সম্মতি নেবার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৪.
দেশে 'স্মার্ট কৃষি কার্ড' এর আওতায় আসবে কতজন কৃষক?
  1. ১ কোটি ৭ লাখ
  2. ১ কোটি ৯ লাখ
  3. ১ কোটি ৫ লাখ
  4. ১ কোটি ২ লাখ
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ৯ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি ৯ লাখ
ব্যাখ্যা
- সারাদেশের পাঁচ কোটি কৃষকের মধ্যে ১ কোটি ৬২ লাখ কৃষকের ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি করা হবে। এদের মধ্যে ১ কোটি ৯ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে স্মার্ট কৃষি কার্ড।
- এলাকা ও চাহিদাভিত্তিক কৃষি সেবা প্রদান এবং কৃষি তথ্যের ডিজিটাল বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় কৃষি তথ্যের আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে ১০৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরে প্রকল্প নেয়া হয়েছে।   

উৎস: www.tbsnews.net
১৫৫.
Who drafted the '21-point' election manifesto of the United Front in 1954?
  1. Abul Mansur Ahmed
  2. Huseyn Shaheed Suhrawardy
  3. A. K. Fazlul Huq
  4. Abdul Hamid Khan Bhashani
সঠিক উত্তর:
Abul Mansur Ahmed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abul Mansur Ahmed
ব্যাখ্যা

• যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি:
-  ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ সরকারের পতন ঘটানোর উদ্দেশে পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শৃমিক পার্টি ও নেজামে ইসলামী মিলে 'যুক্তফ্রন্ট' নামক একটি নির্বাচনী আঁতাত গড়ে তোলে।
-  পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ও নেজামে ইছলামীর সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। 
-  নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন দল ও জোট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করে।
-   যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল। 
-  ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরোধী যুক্তফ্রন্টের প্রেরণাশক্তি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। 
-  তাই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ২১ ফিগারটিকে চিরস্মরণীয় করার জন্য ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
-   আবুল মনসুর আহমেদ ২১ দফার খসড়া প্রণয়ন করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ‘কে’ ফোর্সের প্রধান ছিলেন-
  1. ক) মেজর জিয়াউর রহমান
  2. খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. গ) মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  4. ঘ) মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড আকারে ৩ টি ফোর্স গঠন করা হয়েছিল। ফোর্স তিনটি হলো- ‘জেড’ ফোর্স যা মেজর জিয়ার নেতৃত্বে, ‘এস’ ফোর্স যা মেজর শফিউল্লাহ এর নেতৃত্ব এবং ‘কে’ ফোর্স যা মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিলো।
[সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
১৫৭.
১৯৭০ সালের পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে?
  1. ক) মুসলিম লীগ
  2. খ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  3. গ) পিপলস পার্টি
  4. ঘ) আওয়ামী লীগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আওয়ামী লীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জাতীয় পরিষদের ৩১৩ টি আসনের ১৬৭ আসন এবং পরিষদের ৩১০টি আসনের ২৯৮ আসনে জয় লাভ করে আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫৮.
নিচের কোন জনপদটি বর্তমান বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠেনি?
  1. বরেন্দ্র
  2. হরিকেল
  3. সমতট
  4. তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
তাম্রলিপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাম্রলিপ্ত
ব্যাখ্যা
তাম্রলিপ্ত
- বর্তমান ভারতের মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিপ্তের প্রাণকেন্দ্র।
- সপ্তম শতক থেকে এটি দণ্ডভুক্তি নামে পরিচিত হতে থাকে।
- এই জনপদটি বর্তমান বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠেনি।    

সমতট:- কুমিল্লা , নোয়াখালী , ত্রিপুরা।
হরিকেল:- সিলেট , চট্রগ্রাম , পার্বত্য চট্রগ্রাম।
বরেন্দ্র:- বগুড়া,দিনাজপুর , রাজশাহী ও পাবনা।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫৯.
স্বত্ববিলোপ নীতি প্রণয়ন করেন -
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড কর্ণওয়ালিস
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
স্বত্ববিলোপ নীতি:
- স্বত্ববিলোপ নীতি ছিল একটি সাম্রাজ্যবাদী নীতি।
- লর্ড ডালহৌসি এই সাম্রাজ্যবাদী নীতিটি প্রণয়ন করেন।

⇒ তাঁর সাম্রাজ্যবাদী নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তৃতি সাধন করা।
- স্বত্ববিলোপ নীতির মূলকথা ছিল, ব্রিটিশের শাসনাধীন যেকোনো আশ্রিত রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে এবং তার রাজবংশে কোনো উত্তরাধিকার না থাকলে সেই রাজা সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবেন।
- এই নীতির মাধ্যমে সাঁতারা, নাগপুর, ঝাঁসি ও সম্বলপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।

⇒ লর্ড ডালহৌসি:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলো লর্ড ডালহৌসি।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ও সহযোগীতায় তিনি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করেন।
- তার শাসনামলেই (১৮৫৩ সালে) উপমহাদেশে রেলের যাত্রা শুরু হয়।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন।
- উপমহাদেশে টেলিগ্রাফ সিস্টেমও তার অবদান।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬০.
ইংরেজি কোন সাল থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়?
  1. ১৫৫৪ সাল
  2. ১৫৫৫ সাল
  3. ১৫৫৬ সাল
  4. ১৫৫৭ সাল
সঠিক উত্তর:
১৫৫৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৫৬ সাল
ব্যাখ্যা
পহেলা বৈশাখ:
- পহেলা বৈশাখ  বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন  লোকউৎসব।
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে। 
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৫৫৬ ইংরেজি সাল থেকে বঙ্গাব্দ বা বাংলা সাল গণনা শুরু হয়। 
- ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট  আকবর এর প্রবর্তন করেন।
- এই নতুন বর্ষপঞ্জিটি প্রথমে তারিখ-ই-এলাহী নামে পরিচিত ছিল; ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ বা ১১ মার্চ এটি বঙ্গাব্দ নামে প্রচলিত হয়।
- নতুন এই সালটি আকবরের রাজত্বের ঊনত্রিশতম বর্ষে প্রবর্তিত হলেও তা গণনা করা হয় ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর থেকে, কারণ এদিন আকবর দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধে হিমুকে পরাজিত করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তারিখ-ই-এলাহী প্রবর্তনের সময়ে গ্রেগোরিয়ান ও হিজরি বর্ষের মধ্যে পার্থক্য ছিল ১৫৫৬-৯৬৩ = ৫৯৩ বছর, যা বর্তমানেও কার্যকর; অর্থাৎ বাংলা সনের সঙ্গে ৫৯৩ যোগ করলে খ্রিস্টীয় সন পাওয়া যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬১.
কোন বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ সম্পন্ন হয়?
  1. ক) মংলা সমুদ্রবন্দর
  2. খ) বেনাপোল স্থলবন্দর
  3. গ) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর
  4. ঘ) আখাউড়া স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর
ব্যাখ্যা

- কর্ণফুলী নদীরতীরে অবস্থিত চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর।
- দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ৮০ ভাগের অধিক এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- খ্রিস্টীয় নবম শতক থেকেই এ বন্দর দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য হয়ে আসলেও ১৮৮৭ সালে এটি বন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎসঃ চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৬২.
বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. ফার্মগেইট, ঢাকা
  3. সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
  4. রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট:
- বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে  বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ তার্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।

১৬৩.
বাংলার প্রাচীন জনপথ হরিকেল-এর বর্তমান নাম কী?
  1. ফরিদপুর
  2. রাজশাহী 
  3. বগুড়া
  4. সিলেট 
সঠিক উত্তর:
সিলেট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট 
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম জনপদ হরিকেল - এর অন্তর্ভূক্ত অঞ্চল বর্তমানে সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত।

• প্রাচীন জনপদ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল এবং এই জনপদবাসীরাই স্ব-স্ব জনপদের নামেই পরিচিতি লাভ করে।
- প্রাচীন কাল থেকে আরম্ভ করে আনুমানিক ষষ্ঠ ও সপ্তম শতক পর্যন্ত প্রাচীন বাংলা ⎯ পুন্ড্রু, গৌড়, রাঢ়, সূহ্ম, তাম্রলিপ্ত, সমতট, বঙ্গ, বরেন্দ্র, চন্দ্রদ্বীপ ইত্যাদি জনপদে বিভক্ত ছিলো।
- এই জনপদগুলো স্বতন্ত্র ও পৃথক, মাঝে মাঝে বিরোধ মিলনে একের সাথে অন্যের যোগাযোগের বিষয়টি লক্ষ করা যায়।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।

• হরিকেল:
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে। চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ ⎯ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন বলে উল্লিখিত।

• পুন্ড্র: 
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর। বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান ⎯ বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
• বঙ্গ:
- বৃহত্তর ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ’ জনপদ গঠিত হয়েছিল।
- এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।
 থাকে।  

উৎস:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৬৪.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. মোঃ নুরুল আমীন
  4. মালিক গোলাম মোহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
মালিক গোলাম মোহাম্মদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিক গোলাম মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর কেন্দ্রীয় সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করলে এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল
- আন্দোলনটি ১৯৪৮ সালে শুরু হয় এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে চূড়ান্ত রূপ নেয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক গোলাম মুহাম্মদ যিনি ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
- এই সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন।
- এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।

উল্লেখ্য, 
- কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ) রোজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর ফলে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করলেও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সমবেত হয়ে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” শ্লোগান দিতে থাকে।
- পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ হয়।
- এই দিনে রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল বরকত, আব্দুস সালাম, আবুল জব্বারসহ অনেকেই শহীদ হন।
- এটি ছিল শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথম বড় প্রতিবাদ।

উৎস:
মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ;
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট;
বাংলাপিডিয়া।

১৬৫.
বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা কোন দেশের নাগরিক?
  1. আফগানিস্তান
  2. তুরস্ক
  3. চীন
  4. মরক্কো
সঠিক উত্তর:
মরক্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরক্কো
ব্যাখ্যা
• ইবনে বতুতা: 
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা। 
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ। 
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হজরত শাহজালাল মুজারদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ। 
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন। 
- এরপর তিনি ভারতে আসেন। 
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন। 
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন। 
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন। 
- ইবনে বতুতা তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে বাংলাকে 'দোজখই- নিয়ামত পুর' অর্থাৎ প্রাচুর্য পূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিউ. এ. এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
  1. পোল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

◉ ডব্লিউ. এ. এস. ওডারল্যান্ড ছিলেন একজন ডাচ (নেদারল্যান্ডসের নাগরিক) বংশোদ্ভূত মুক্তিযোদ্ধা।

ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং
সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৬৭.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে?
  1. ২৫টি
  2. ২৭টি
  3. ২৮টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন
- দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটে অংশগ্রহণ করেছেন ২৮টি দল। 
- সবচেয়ে বেশি ২৬৬ জন প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এরপরই রয়েছে জাতীয় পার্টি, তাদের প্রার্থী রয়েছেন ২৬৫ জন।
-  তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩৫ জন প্রার্থী রয়েছেন ‘সোনালী আঁশ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে আসা তৃণমূল বিএনপির।

• ২৮ রাজনৈতিক দল থেকে যত প্রার্থী
- আওয়ামী লীগ (নৌকা): ২৬৬ জন
- জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল): ২৬৫ জন
- জাকের পার্টি (গোলাপ ফুল): ২১ জন
- তৃণমূল বিএনপি (সোনালী আঁশ) : ১৩৫ জন
- ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (আম): ১২২ জন
- বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব): ৯৬জন
- জাসদ (মশাল): ৬৬ জন
- বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (একতারা): ৭৯ জন
- বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (ছড়ি): ৬৩ জন
- বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ (টেলিভিশন):  ৪৫ জন
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম (নোঙ্গর): ৫৬জন
- বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন (ফুলের মালা): ৩৮ জন
- ইসলামী ঐক্যজোট (মিনার): ৪২ জন
- ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (চেয়ার): ৩৯ জন
- বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট (মোমবাতি): ৩৭ জন
- কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ (গামছা): ৩০ জন
- বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি (হাতুড়ি): ২৬ জন
- গণফ্রন্ট (মাছ): ২১ জন
- জাতীয় পার্টি-জেপি (বাই সাইকেল): ১৩ জন
- বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি): ১৬ জন
- বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (বটগাছ): ১১ জন
- বিকল্প ধারা বাংলাদেশ (কুলা): ১০ জন
- বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (কাঁঠাল): ৫ জন
- গণতন্ত্রী পার্টি কবুতর): ১০ জন
- গণফোরাম (উদীয়মান সূর্য): ৯ জন
- বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল (চাকা): ৪ জন
- বাংলাদেশ ন্যশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (কুঁড়েঘর): ৫ জন
- বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল (হাত পাঞ্জা): ৪ জন
- স্বতন্ত্র ৪৩৬ জন।

উৎস: বিডি নিউজ।
১৬৮.
বাংলাদেশের ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম কী?
  1. ক) জনশুমারি
  2. খ) আদমশুমারি ও গৃহগণনা
  3. গ) গৃহগণনা ও জনসংখ্যা
  4. ঘ) জনশুমারি ও গৃহগণনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জনশুমারি ও গৃহগণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জনশুমারি ও গৃহগণনা
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:

- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২ সালে।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২২ সালে ষষ্ঠ শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৬৯.
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
  2. খ) শিমুনতলী, গাজীপুর
  3. গ) শিবপুর, নরসিংদী
  4. ঘ) শাহাবাগ, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ক) কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)    
• দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ায় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স' প্রতিষ্ঠা করা হয়। 
• ২০১২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)'।
• একাডেমিটি মূলত প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
 
তথ্যসূত্র:- বাপার্ড ওয়েবসাইট।
১৭০.
সরকার কর্তৃক ঘোষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম কোনটি?
  1. হালদা নদী
  2. হাইল হাওর
  3. মেঘনা নদী
  4. চলন বিল
সঠিক উত্তর:
হাইল হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইল হাওর
ব্যাখ্যা

 মৎস্য অভয়াশ্রম:
- সরকার ঘােষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম হাইল হাওর।
- জলাশয় সংশ্লিষ্ট মৎস্যজীবী-জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সুফলভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জলাশয়ের জৈবিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি ২০০৯ প্রণয়ন করেছে।
- এ নীতির আওতায় অভ্যন্তরীণ জলসম্পদের স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য জলাশয় সংশ্লিষ্ট সুফলভোগী/জেলেদের সমন্বয়ে সমাজভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
- বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম স্থাপন একটি অন্যতম কারিগরি কৌশল।
- বিগত পাঁচ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে ৫৩৪টি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- পাঁচ বছরে স্থাপিত ৫৩৪টি অভয়াশ্রমসহ বর্তমানে দেশব্যাপী প্রায় ৫৫০টি অভয়াশ্রম স্থানীয় সুফলভোগী কর্তৃক সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
- এসব অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতি যথা-চিতল, ফলি, বামোস, কালিবাউস, আইড়, টেংরা, মেনি, রানী, সরপুঁটি, মধু পাবদা, রিটা, কাজলী, চাকা, গজার, তারা বাইম ইত্যাদি মাছের প্রাপ্যতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

⇒ হাইল হাওর:
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত ‘হাইল হাওর’।
- এই বিশাল জলাধারে রয়েছে ১৪টি বিল এবং পানি নিষ্কাশনের ১৩টি নালা।
- মোট আয়তন ১০ হাজার হেক্টর।
- প্রচুর লতা ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ থাকায় স্থানীয়দের কাছে এটি লতাপাতার হাওর নামেও পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭১.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কত দফা ইশতেহার ঘোষনা করে?
  1. ৬ দফা
  2. ১১ দফা
  3. ২১ দফা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭২.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
- সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই আবদুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর।
- তমদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পাশাপাশি পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ, পূর্ববঙ্গ বুদ্ধিজীবী সমাজ, সাংবাদিক সংঘ বিভিন্ন সভা-সমিতিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।
- সবকিছুকে উপেক্ষা করে ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সংবিধান সভার কাছে সুপারিশ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭৩.
বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ওয়াভেল
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. লর্ড বেন্টিঙ্ক
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

• চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত:
- এটি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি। 
- চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত  ১৭৯৩ সালে প্রবর্তিত হয়।
- এটি প্রবর্তন করেন লর্ড কর্নওয়ালিস প্রশাসন।
- এ চুক্তির আওতায় জমিদার উপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন।
- জমির স্বত্বাধিকারী হওয়া ছাড়াও জমিদারগণ স্বত্বাধিকারের সুবিধার সাথে চিরস্থায়ীভাবে অপরিবর্তনীয় এক নির্ধারিত হারের রাজস্বে জমিদারিস্বত্ব লাভ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭৪.
বাংলাদেশে কয়টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা রয়েছে?
  1. ক) ৩৫টি
  2. খ) ৪৭টি
  3. গ) ৪৮টি
  4. ঘ) ৬১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৮টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা/রাষ্ট্রায়াত্ত সংস্থা:
- জাতীয় উৎপাদনশীলতা, মূল্য সংযোজন, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের অবদান উল্লেখযোগ্য।
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থার অ-আর্থিক (Non-financial) শ্রেণীভুক্ত মোট ৪৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা রয়েছে।
- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্লাসিফিকেশন (BSIC) অনুযায়ী ৭টি সেক্টরে বিভক্ত করে। 
- রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সংস্থাসমূহ বিভিন্ন সেবা বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস ও পরিবহন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সেক্টরগুলো হলো:
• শিল্প: ৬টি।
• বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি: ৬টি।
• পরিবহন ও যোগাযোগ: ৭টি।
• বাণিজ্য: ৩টি।
• কৃষি ও মৎস্য: ২টি।
• নির্মাণ: ৬টি।
• সার্ভিস (সেবামূলক): ১৮টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৭৫.
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) তানভীর মোকাম্মেল
  2. খ) শ্যাম বেনেগাল
  3. গ) নাসিরুদ্দিন
  4. ঘ) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে নির্মিতব্য ‘বায়োপিক’ এর নাম - বঙ্গবন্ধু। পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- এটি ২০০৭ সালে মুক্তি পায়।

তথ্যসূত্র- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

১৭৬.
'The Spirit of Islam' বইটির লেখক কে?
  1. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. সৈয়দ আমীর হামজা
  4. রাজা রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী: 
- সৈয়দ আমীর আলী The Spirit of Islam এবং A short History of the Saracens নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম।
- লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করার পর ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন। 
- ১৯০৪ সালে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিয়োজিত হন এবং আমৃত্যু সে পদে বহাল থাকেন।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৭.
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ দলিলে যৌথ বাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. ক) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  2. খ) কর্নেল এমএ জি ওসমানী
  3. গ) লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
গ) লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৬-১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১৭৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলােকে বাংলাদেশে বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২২
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫ নং অনুচ্ছেদে — বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২৫:
- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন,
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
- অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা,
এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র -

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১৭৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
  1. পিরোজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. রংপুর
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১৮০.
বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পাস হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭১ সাল
  2. খ) ১৯৭২ সাল
  3. গ) ১৯৭৩ সাল
  4. ঘ) ১৯৭৪ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সাল
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় বাজেট:

- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ৩০ জুন তাজউদ্দিন আহমদ পেশকৃত দেশের প্রথম বাজেট পাশ হয়।
- এই বাজেটের আকার ছিলো ৭৮৬ কোটি টাকা।
- প্রথম বাজেটে একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ এবং ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থ বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৮১.
যুক্তফ্রন্ট সরকার কয়দিন ক্ষমতায় ছিল?
  1. ক) ৫৬ দিন
  2. খ) ৫৮ দিন
  3. গ) ৬৩ দিন
  4. ঘ) ৫৪ দিন
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৬ দিন
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।
• তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রির দায়িত্ব ছাড়াও অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেন ।
• মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে আবু হোসেন সরকার বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার, সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্ব লাভ করেন ৷
• মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার অবসান ঘটে।
কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পূর্ববাংলায় গভর্নরের শাসন ঘোষণা করে।
• যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভার মেয়াদ ছিল ৫৬ দিন ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী ।
১৮২.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (মার্চ, ২০২৬)
  1. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. রকিবুল হোসেন
  3. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  4. কে এম নূরুল হুদা
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১৮৩.
তেলাপিয়া উৎপাদনে এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৫ম
সঠিক উত্তর:
খ) ৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩য়
ব্যাখ্যা
তেলাপিয়া উৎপাদনে এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়।

- এছাড়া তেলাপিয়া উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ৪র্থ,
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম,
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের ১২.২২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে।
- পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদনকারী বাংলাদেশ 'ইলিশের দেশ' হিসেবে পরিচিত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
১৮৪.
বিশ্বের বৃহত্তম জাহাজ ভাঙা শিল্পাঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) সীতাকুণ্ড
  2. খ) মংলা
  3. গ) জলদিয়া
  4. ঘ) বাঁশখালী
সঠিক উত্তর:
ক) সীতাকুণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সীতাকুণ্ড
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রামের সমুদ্র উপকূলবর্তী সীতাকুণ্ড জাহাজ ভাঙা শিল্পের বিশ্বের বৃহত্তম কেন্দ্র।
সীতাকুণ্ডে বিশ্বের মোট জাহাজ ভাঙার প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ ভাঙা হয়। ১৯৬০ এর দশকে এখানে প্রথম জাহাজ ভাঙা শিল্পের যাত্রা শুরু হয়।
জাহাজ ভাঙা শিল্পে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম৷ ২০১৯ সালে বাংলাদেশে ২৩৬টি জাহাজ ভাঙা হয়।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং দৈনিক ইনকিলাব)
১৮৫.
Part of the ancient Gaur city is located in which district of Bangladesh?
  1. ক) Faridpur
  2. খ) Chapainawabganj
  3. গ) Bogura
  4. ঘ) Shariatpur
সঠিক উত্তর:
খ) Chapainawabganj
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Chapainawabganj
ব্যাখ্যা
• প্রাচীন গৌড় নগরী:
- ধারণা করা হয় যে, গুড় উৎপাদনের কেন্দ্র বলে গৌড় নগর ও দেশের নামের উদ্ভব হয়। আর হয়ত এই গৌড় নগরকে ঘিরেই পরে গৌড় জনপদ গড়ে উঠেছিল। 
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই  গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- গৌড় বাংলার এককালীন রাজধানী এবং অধুনা ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি নগর যার অবস্থান বর্তমান ভারত-বাংলাদশে সীমান্তর্বতী অঞ্চল। এটি লক্ষণাবতী বা লখনৌত  নামেও পরিচিত।প্র

- প্রাচীন এই দূর্গনগরীর অধকিাংশ পড়ছে র্বতমান ভারতরে পশ্চমিবঙ্গ রাজ্যের মালদা জেলায় এবং কিছু অংশ পড়েছে বাংলাদশেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। 
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি গ্রহণ করে গর্ববোধ করতেন।

- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কর্ণসুবর্ণ দেশ ও গৌড়দেশ অভিন্ন।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল - কর্ণসুবর্ণ। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, (HSC Programme), বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৬.
‘শাহ-ই-বাঙ্গালা’ ও ‘শাহ-ই-বাঙালিয়ান’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন-
  1. ক) সিকান্দার শাহ
  2. খ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. গ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) ফিরোজ শাহ তুঘলক
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁও দখল করে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও এর পূর্ণতা দান করেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
১৩৫২ সালে সোনারগাঁও দখলের মাধ্যমে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলা জয় করেন এবং দুই বাংলাকে একত্রিত করে বৃহত্তর বাংলা গড়েন।
তার সময় থেকেই বাংলাভাষী জনগণ 'বাঙালি' হিসেবে পরিচিতি পায়।
তিনি 'শাহ-ই-বাঙ্গালা' 'শাহ ই বাঙালিয়ান' উপাধি গ্রহণ করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত]
১৮৭.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চীন থেকে আমদানির পরিমাণ কত?
  1. ২৬.৮৯%
  2. ২৭.১৩%
  3. ২৮.৪৬%
  4. ২৯.৭২%
সঠিক উত্তর:
২৮.৪৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮.৪৬%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশভিত্তিক আমদানি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৮৮.
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্তদের মধ্যে কোনজন বিমান বাহিনীর সদস্য?
  1. ক) রুহুল আমিন
  2. খ) মতিউর রহমান
  3. গ) মুন্সি আব্দু রউফ
  4. ঘ) মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি প্রদান করেন। এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নো বাহিনীর একজন করে।

বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তরা হলেন:

- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর.
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর.।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৮৯.
২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে রপ্তানি আয় ছিল -
  1. ক) ৩০,৯০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ৩৩,৯০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৩৭,৯০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৫৭,৯০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০,৯০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০,৯০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
১৯০.
প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল বা পাতাল রেল নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্ব পেয়েছে -
  1. ক) চীনা গেজৌবা গ্রুপ
  2. খ) চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানি
  3. গ) জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) চীন কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
পাতাল রেলের যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ

দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর ও নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল লাইনের নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্ব পেয়েছে জাপানের নিপ্পন কোয়ি কোম্পানি লিমিটেড। এর সঙ্গে থাকবে দেশি-বিদেশি আরও সাতটি কোম্পানি।

৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে “বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল” এই স্লোগান নিয়ে দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।

এক নজরে পাতাল ট্রেন

→ প্রকল্পের নাম: ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট লাইন-১ (এমআরটি-১)।
→ প্রকল্পের মোট ব্যয়: ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
→ রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান: ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
→ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড (জেভি)।

→ রুট: ২টি।
    - হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর (বিমানবন্দর রুট) পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার অংশ ভূগর্ভস্থ হবে ও
    - নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল (পূর্বাচল রুট) পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার হবে উড়াল।

→ স্টেশন সংখ্যা: বিমানবন্দর রুটে ১২টি ও পূর্বাচল রুটে ৯টি স্টেশন থাকবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২।
১৯১.
নিম্নের কোন বীরশ্রেষ্ঠ কোনো সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেননি?
  1. নূর মোহাম্মদ শেখ
  2. মতিউর রহমান
  3. মোস্তফা কামাল
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান কোনো সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেননি। 

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: 

- বীর শ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একজন দক্ষ পাইলট ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ২০ আগস্ট ১৯৭১ তারিখে একটি বিমান ছিনতাই করে ভারত অভিমূখে উড্ডয়নকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষে তিনি শাহাদত বরণ করেন।
- বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে। ২০০৬ সালে তার দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পুনঃসমাহিত করা হয়।

অন্যদিকে: 
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ৮ নং সেক্টরের যুদ্ধ করেন।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 
১৯২.
পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

⇒ রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

⇒ প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

⇒ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১৯৩.
রাষ্ট্রের ইচ্ছার প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করে-
  1. ক) জনগণ
  2. খ) রাজনৈতিক দল
  3. গ) সরকার
  4. ঘ) বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সরকার
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন রাষ্ট্র চিন্তাবিদগণ বিভিন্ন সময়ে সরকারের সংজ্ঞা দিয়েছেন। অধ্যাপক লাস্কি বলেছেন, “সরকার হলাে রাষ্ট্রের মুখপাত্র। সরকার হলাে একটি যন্ত্রবিশেষ। যার মাধ্যমে রাষ্ট্র তার কার্যাবলি সুসম্পন্ন করে
থাকে।”
সরকারের মাধ্যমেই রাষ্ট্র তার ইচ্ছাসমূহের বাস্তবায়ন ঘটায়। কেউ কেউ সরকারকে রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলে থাকেন। সরকারই রাষ্ট্রের চালিকাশক্তি।
উৎসঃ পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৯৪.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয়েছে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে
  2. খ) বিপ্লবের মাধ্যমে
  3. গ) অনুমোদনের মাধ্যমে
  4. ঘ) ক্রমবিবর্তনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ক) আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদ সদস্যদের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত হয়েছে।
অনুমোদনের মাধ্যমে প্রণীত হয়েছে ম্যাগনাকার্টা যা ব্রিটিশ সংবিধানের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।
বিপ্লবের দ্বারা প্রণীত হয়েছে কিউবা, রাশিয়া, চীন প্রভৃতি দেশের সংবিধান।
ক্রম বিবর্তনের মাধ্যমে প্রণীত হয়েছে ব্রিটেনের সংবিধান।
(সূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেনী)
১৯৫.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. পূর্ব জার্মানি
  3. স্পেন
  4. গ্রিস
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১২ মে, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
১৯৬.
সম্প্রতি কোন উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড (Degraded Air Shed)’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. কেরানীগঞ্জ
  2. নবাবগঞ্জ
  3. ধামরাই
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- বায়ুদূষণ গুরুতর আকার ধারণ করায় সরকার ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড (Degraded Air Shed)’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 
- এর ফলে আগামী সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে সাভারের সব ইটভাটায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৫ সালে এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান একটি পরিপত্র জারি করেন।
- পরিপত্রে বলা হয়, সাভারের বায়ুমানের বার্ষিক গড় মাত্রা জাতীয় নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ বেশি।
- বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে, উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ু সাভারের এই দূষণকে ঢাকায় নিয়ে আসে, যা রাজধানীর মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
- এই ঘোষণার ফলে, টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ছাড়া অন্য সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
- এছাড়া, উন্মুক্ত স্থানে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো এবং বায়ুদূষণকারী নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়াও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে জাতীয় মান অতিক্রম করলে কোনো এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার পর এলাকাটিতে বিশেষ পরিবেশ আইন ও বিধি প্রযোজ্য হয়। শিল্পকারখানা ও প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

১৯৭.
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের প্রত্যক্ষ কারণ ছিল -
  1. রাজনৈতিক
  2. সামাজিক
  3. এনফিল্ড রাইফেলের প্রবর্তন
  4. অর্থনৈতিক
সঠিক উত্তর:
এনফিল্ড রাইফেলের প্রবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনফিল্ড রাইফেলের প্রবর্তন
ব্যাখ্যা
সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

⇒ এ সংগ্রামের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
• পরোক্ষ কারণ:
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।

• প্রত্যক্ষ কারণ:
- ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়।
- এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো।
- গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে।
- এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৮.
পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান কোনটি?
  1. ক) ম্যাগনাকার্টা
  2. খ) মদিনা সনদ
  3. গ) বিল অব রাইটস
  4. ঘ) জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
খ) মদিনা সনদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মদিনা সনদ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান হলো মদিনা সনদ। মদিনা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ইহুদী, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও ‍মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতির জন্যে হযরত ‍মুহাম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে ‘মদিনা সনদ’ রচনা করেন। এতে ৪৭টি ধারা ছিলো।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৯৯.
কোন স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও মর্যাদা পায়নি?
  1. পাহাড়পুর
  2. মহাস্থানগড়
  3. ষাটগম্বুজ মসজিদ
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড় ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য নয়। 

- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫ সালে)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে)
- সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

এর মধ্যে,
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ৩২২তম
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

২০০.
রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান নয় কোনটি?
  1. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
  2. জাতীয়তাবাদ
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. জনসমষ্টি
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
জাতীয়তাবাদ রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান নয়।

রাষ্ট্রের উপাদান:

- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান।
- রাষ্ট্র বলতে সেই জনসমষ্টিকে বোঝায়, যারা কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানায় বসবাস করে, যাদের একটি সরকার আছে সর্বোপরি যারা বহিঃশক্তির নিয়ন্ত্রণ হতে সর্বোতভাবে মুক্ত থাকে।
- রাষ্ট্র হচ্ছে নাগরিক জীবনের অন্যতম একটি সংঘ।
- রাষ্ট্রের উপাদান ৪টি।
- যথা:
(ক) জনসমষ্টি, 
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, 
(গ) সরকার, 
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।
- এই চারটি উপাদান রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য।
- এর কোন একটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।