বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৮ / ৩০৬ · ২,৭০১২,৮০০ / ৩০,৮৩২

২,৭০১.
স্থানীয় শাসন বলতে বোঝায় -
  1. ক) এলাকাভিত্তিক শাসন পরিচালনা
  2. খ) অঞ্চলভিত্তিক শাসন পরিচালনা
  3. গ) প্রাদেশিক শাসন পরিচালনা
  4. ঘ) শহর বা জনপদভিত্তিক শাসন পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
ক) এলাকাভিত্তিক শাসন পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এলাকাভিত্তিক শাসন পরিচালনা
ব্যাখ্যা
স্থানীয় শাসন বা স্থানীয় সরকার কাঠামো
Structure of Local Administration or Local Government

- একটি দেশে সরকারের নীতিসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীনে স্থানীয় পর্যায়ে নিযুক্ত সরকারি কর্মচারী কর্তৃক এলাকাভিত্তিক শাসনব্যবস্থাকে স্থানীয় শাসন বা স্থানীয় সরকার বলে। 
- স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের কোনো নীতি নির্ধারণী ক্ষমতা নেই।
- স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষ সরকারের নির্দেশে এবং প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীনে দায়িত্ব পালন করে।
- বাংলাদেশে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন প্রভৃতি হলো স্থানীয় শাসন ব্যবস্থার উদাহরণ।
- স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট যারা, সকলেই সরকারি কর্মচারী।
- স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সরকারের নীতি ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হয়।
- স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষকে স্থানীয় সরকার বলেও অভিহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২,৭০২.
মুক্তিযুদ্ধ শেষে ভারতীয় মিত্রবাহিনী কবে বাংলাদেশ ত্যাগ করে?
  1. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১২ মার্চ
  3. ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ৩০ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১২ মার্চ
ব্যাখ্যা
ভারতীয় মিত্রবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানী বাহিনী ঢাকায় গণহত্যা চালানোর পর পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক কোটি শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অবস্থান নেয়।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার ভারতের মাটিতে বসেই পরিচালিত হতো।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা ভারতের মাটিতেই প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং ভারত তাদের অস্ত্র সরবরাহ করেছে।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তির পর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন।
- বাংলাদেশে আসার পূর্বে বাংলাদেশ থেকে মিত্রবাহিনী সদস্যদের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারতে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি চূড়ান্ত করতে বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে যাত্রবিরতি করে।
- দিল্লির বিমানবন্দরে অর্ভ্যথনা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- সেদিন ভারতীয় সেনাদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ইন্দিরা গান্ধী।
- ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে কলকাতায় ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গবন্ধুকে জানান- ইয়োর এক্সেলেন্সি, ১৭ মার্চের আগেই সর্বশেষ ভারতীয় সেনাটিও বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসবে।
- এরপর, ১৯৭২ সালের ১২ মার্চ, ভারতীয় সৈন্যরা বাংলাদেশ থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে ওয়েবসাইট।
২,৭০৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতির খাত কয়টি?
  1. ১৫টি
  2. ০৫টি
  3. ১৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------------- 
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪: 

- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।

১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২,৭০৪.
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০ জুন, ১৯৪৯ সালে
  2. ২১ জুন, ১৯৪৯ সালে
  3. ২২ জুন, ১৯৪৯ সালে
  4. ২৩ জুন, ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন, ১৯৪৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন, ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ:
 
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্ম।
- পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ করা হয়।
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং শামসুল হক ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
- ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান দলটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও শোষণমুক্তি এ চারটি মূলনীতির উপর দলটি পরিচালিত হচ্ছে।
- স্বাধীনতার পর থেকে দেশ পুনর্গঠন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দলটি অনবদ্য অবদান রেখেছে।
 
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭০৫.
ইউনেস্কোর কততম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ২৯তম
  2. ৩০তম
  3. ৩১তম
  4. ৩২তম
সঠিক উত্তর:
৩০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০তম
ব্যাখ্যা

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয় প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি।
- প্যারিসে ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয় ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর।
- বিশ্বের ১৮৮টি দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন শুরু হয় ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয়।
- একই প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয় ২০০৮ সালকে।
- পরবর্তীতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে পাস হয় ২০১০ সালে।

উৎস: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২,৭০৬.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে?
  1. ক) ৬ টি
  2. খ) ৭ টি
  3. গ) ৮ টি
  4. ঘ) ৯ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র- পরিকল্পনা কমিশন।

২,৭০৭.
৪৯তম জেলা হিসেবে বাংলাদেশের রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে-
  1. নাটোর
  2. শেরপুর
  3. নড়াইল
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
নড়াইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নড়াইল
ব্যাখ্যা
রেল নেটওয়ার্ক:
- বর্তমান দেশে মোট ৪৯ জেলা রেল নেটওয়ার্কের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে দেশের ৪৯তম জেলা হিসেবে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় নড়াইল।
- পদ্মা সেতু রেল সেতু প্রকল্পের আওতায় ২৮ কিলোমিটার রেলপথ পড়েছে নড়াইলে।
- এই দিন থেকেই খুলনা-ঢাকা এবং বেনাপোল-ঢাকা রুটে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপালী এক্সপ্রেস নামের আন্তঃনগর ট্রেন নড়াইল-লোহাগড়ার মধ্য দিয়ে চলাচল শুরু হয়েছে।
- এরই প্রেক্ষিতে, নড়াইল শহর ও লোহাগড়া উপজেলায় একটি করে রেলস্টেশনও নির্মাণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৭০৮.
ইবনে বতুতা কত সালে বাংলাদেশে আসেন?
  1. ক) ১৩৪৪
  2. খ) ১৩৪৫
  3. গ) ১৩৪৬
  4. ঘ) ১৩৪৭
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৪৬
ব্যাখ্যা

ইবনে বতুতা ১৩০৪ খ্রি. মরক্কোয় জন্মগ্রহন করেন। ১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকালে সিন্ধুর পাঞ্জাবে (ভারতবর্ষে) পৌঁছান।
১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ৯ জুলাই ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্বকালে ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন।
তার বিখ্যাত গ্রন্থের নাম - ‘কিতাবুল রেহালা (সফরনামা)। তিনি বাংলার নামকরণ করেন ‘দোযখ-ই-পুর নিয়ামত’ বা প্রাচুর্যপূর্ণ নরক।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭০৯.
'Bengali' শব্দটি পরিবর্তন করে 'Bangla' করা হয় কততম সংশোধনীতে?
  1. ক) ষষ্ঠ সংশোধনী
  2. খ) সপ্তম সংশোধনী
  3. গ) অষ্টম সংশোধনী
  4. ঘ) দশম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনী:
সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮
উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ
সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮

অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়; 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়; 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
২,৭১০.
'জুলাই ৩৬ গেট' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

জুলাই ৩৬ গেট:
- 'জুলাই ৩৬ গেইট' বাংলাদেশের সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)- এর প্রধান ফটক।
- উদ্বোধনের তারিখ: ৪ জুলাই ২০২৫। 
- উদ্বোধন করেন: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম। 
- উদ্দেশ্য: জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতিকে সংরক্ষণ এবং স্বাধীনতা, ন্যায় ও গণতন্ত্রের চেতনা প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়া। 
- নির্মাণ ব্যয়: প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। 
- প্রতীকী অর্থ: জাতীয় সংহতি, সাহস ও শহীদদের আত্মত্যাগের চিহ্ন। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার অনলাইন পোর্টাল।

২,৭১১.
২০২৫ সালে প্রতিবাদী তারুণ্যের স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে? 
  1. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  2. নভেরা আহমেদ
  3. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  4. আবরার ফাহাদ
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
ব্যাখ্যা

- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭৭ সালে প্রথম এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:

- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে মরণোত্তর পুরস্কার প্রাপ্ত হয়।
- শুধু বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর জীবিত পুরস্কার প্রাপ্ত হন।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২,৭১২.
গারোদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কোনটি?
  1. বিজু
  2. ওয়ানগালা
  3. সাংগ্রাই
  4. রাস পূর্ণিমা
সঠিক উত্তর:
ওয়ানগালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ানগালা
ব্যাখ্যা

- ওয়ানগালা উৎসবে সালজং দেবতাকে ফসল উৎসর্গ করা হয়। এটি গারোদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। 

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- ভারতে মেঘালয় ছাড়াও আসামের কামরূপ, গোয়ালপাড়া ও কারবি আংলং জেলায় এবং বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকাও গাজীপুরজেলায় গারোরা বাস করে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'; যাতে দেবতা মিসি আর সালজং এর উদ্দেশ্যে উৎপাদিত ফসল উৎসর্গ করা হয়।

অন্যদিকে: 
- বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা যে উৎসব করে তাকে বিজু বলে।
- মার্মাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

২,৭১৩.
বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) সনদ পেয়েছে কতটি পণ্য?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১৩ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে - ১৫ টি পণ্য।
- সর্বশেষ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে - বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আমকে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- এ নিয়ে দেশের ১৫টি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেল। 

• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।

- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি ১১. ফজলি আম ১২. তুলসীমালা ধান ১৩. বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই ১৪. ল্যাংড়া ও ১৫. আশ্বিনা আম।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক (৫ জুলাই, ২০২৩)।
২,৭১৪.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ড. ফজলে লোহানী
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. ড. ফজলে হাসান আবেদ
  4. ড. আখতার হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

২,৭১৫.
সর্বপ্রথম ভারতীয়দের জন্য প্রশাসনিক কার্যে নিয়োগের উদ্দেশ্যে সিভিল সার্ভিস নামক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা চালু করেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
প্রশাসনিক সংস্কার:
- লর্ড বেন্টিঙ্ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি প্রশাসন ও বিচার বিভাগের আমূল পরিবর্তন আনেন।
- তিনি বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ১০টি বিভাগে বিভক্ত করে প্রতিটি বিভাগে একজন কমিশনার নিযুক্ত করেন।
- পরবর্তিকালে লর্ড ডালহৌসি ব্রিটিশ শাসনকে সুদৃঢ় করার জন্য বাংলায় একজন ছোট লাট নিয়োগের ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- কেন্দ্রীয় শাসন পরিষদ স্থাপন, শাসন ব্যবস্থার সুবিন্যাসের জন্য জেলার সৃষ্টি এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেন।
- তাছাড়া সে সময়ে বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য বিভাগীয় পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- লর্ড ডালহৌসি সময়ই সর্বপ্রথম ভারতীয়দের জন্য প্রশাসনিক কার্যে নিয়োগের উদ্দেশ্যে সিভিল সার্ভিস নামক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭১৬.
বাংলাদেশে প্রধানত কৃষি ঋতু কয়টি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
প্রতিটি ফসলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ঋতু রয়েছে। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট ধরনের আবহাওয়ায় নির্দিষ্ট ধরণের ফসল জন্মায়। 
বাংলাদেশে প্রধানতঃ কৃষি ঋতু তিনটি:
(ক) খরিপ-১ → মার্চ - মে (ফাল্গুন - বৈশাখ)
(খ) খরিপ-২ → জুন - অক্টোবর (জৈষ্ঠ্য - অগ্রহায়ণ)
(গ) রবি → নভেম্বর - ফেব্রুয়ারী (পৌষ - মাঘ)।
 
উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৭১৭.
ওরাওঁদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. হুদুমা
  2. পাখাংবো
  3. সোহরাই
  4. ফাগুয়া
সঠিক উত্তর:
ফাগুয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাগুয়া
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- ওরাও নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক। এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস।
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে। 
- ওরাওঁরা জন্মান্তরবাদী।  ওরাওঁদের মাঝে খ্রিস্টান ধর্মে বিশ্বাসীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। 
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া। ফাগুয়া অর্থাৎ ফাল্গুন মাস থেকে ওরাওঁদের বর্ষ গণনা শুরু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৭১৮.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT) চালু হয় -
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- কোনো করযোগ্য পণ্য বা সেবার উৎপাদন বা ক্রয়, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিক্রয় প্রভৃতি পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের উপর যে কর আরোপ করা হয় তাই মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax বা VAT। 
- মূল্য সংযোজন করা বা মূসক বর্তমান সময়ে বিশ্বজয়ী পরোক্ষ কর ব্যবস্থা। 
- ১৯৯১ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদে ভ্যাট বিল উপস্থাপিত হয় এবং ৯ জুলাই বিলটি পাশ হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ থেকে আমাদের দেশে ভ্যাট বা মুসক আইন চালু হয়। 
- মূসক সর্বপ্রথম জার্মানিতে চালু হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভ্যাট আইন ১৯৯১, অর্থ আইন, এস.আর.ও প্রভৃতি দ্বারা ভ্যাট আইনের আওতা নির্ধারিত হয়।
- মূল্য সংযোজন কর আবার তিন ধরনের, যেমন- মূসক, টার্ণওভার কর ও সম্পূরক শুল্ক।

⇒ সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

উৎস: i)জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭১৯.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত কোনটি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. কৃষিজাত পণ্য
  4. চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। 

২,৭২০.
বঙ্গবন্ধু “নদী পদক” প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৯
  2. খ) ২০১৭
  3. গ) ২০১৮
  4. ঘ) ২০২০
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১৯
ব্যাখ্যা

পদক প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসারে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয় বা কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্ব নৌ দিবসে বা প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময়ে এ পদক দেয়া হবে।
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় পুরস্কারের সংখ্যা ও মূল্যমান বাস্তবতার নিরিখে পরিবর্তন করতে পারবে।
- প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু নদী পদক নীতিমালা-২০১৯' অনুমোদন করেছেন।

উৎস: Live Mcq সাম্প্রতিক সমাচার

২,৭২১.
'বড় কামতা' কোন জনপদের রাজধানী ছিল?
  1. রাঢ়
  2. মৌর্য
  3. গৌড়
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাচীন সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিলো- 'বড় কামতা'।

সমতট:
- সমতট ছিল পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার একটি অঞ্চল, যা বঙ্গের পাশেই অবস্থিত।
- সমতটের রাজধানী ছিল বড় কামতা ও দেবপর্বত।
- দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- এই অঞ্চল গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের ত্রিপুরার একটি অংশও সমতটের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে প্রাচীন কিছু নিদর্শন পাওয়া গেছে, যার মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম।

অন্যদিকে, 
- গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- রাঢ় অঞ্চলের রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
২,৭২২.
দেশে কোন মাসে আমন ধান কাটার উৎসব হয়ে থাকে?
  1. ক) ফাল্গুন
  2. খ) অগ্রহায়ণ
  3. গ) বৈশাখ
  4. ঘ) শ্রাবণ
সঠিক উত্তর:
খ) অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
আমাদের দেশে অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটাকে কেন্দ্র করে গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসব পালিত হয়। সরকারি ঘোষণায় পহেলা অগ্রহায়ণ বর্তমানে জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে পালিত হয়।
আমন ধান দেশের দ্বিতীয় প্রধান ধান উৎপাদন মৌসুম। স্থানভেদে কার্তিক থেকে অগ্রহায়ণ ও পৌষ মাস পর্যন্ত আমন ধান কাটার মৌসুম চলে।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
২,৭২৩.
রেহমান সোবহানের চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্টী কোনটি?
  1. BLAST
  2. TIB
  3. SUJON
  4. CPD
সঠিক উত্তর:
CPD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPD
ব্যাখ্যা
CPD:
- CPD-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- CPD হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা।

অন্যদিকে,
- সুজনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

উৎস: i) CPD ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২,৭২৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব -সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৬০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ৬৪ টি
  4. ঘ) ৫৫ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। মোট সাব সেক্টরের সংখ্যা ছিল ৬৪ টি। এছাড়া ৩ টি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
উৎসঃবাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতাঃনবম-দশম শ্রেণী
২,৭২৫.
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) শেরপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র গাজীপুরে অবস্থিত।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
২,৭২৬.
বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি কে? (জুলাই, ২০২৫)
  1. রুবানা হক
  2. মাহমুদ হাসান খান
  3. মিজানুর রহমান
  4. রেজওয়ান সেলিম
সঠিক উত্তর:
মাহমুদ হাসান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদ হাসান খান
ব্যাখ্যা
⇒ বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৭২৭.
উত্তরবঙ্গের কোন জেলায় প্রথম চা চাষ শুরু হয়?
  1. ক) ঠাকুরগাঁও
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
-১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়। 
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- এই বাগানটিও প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
- অতঃপর ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে (পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারি) বৃহৎ চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান রয়েছে। 
- এগুলার মধ্যে পঞ্চগড় প্রথম চা চাষ শুরু হয়। 

সূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড ও প্রথম আলো।
২,৭২৮.
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হয়ে থাকে?
  1. ক) গণভোটের মাধ্যমে
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্ধারিত
  3. গ) প্রত্যক্ষ পদ্ধতিতে
  4. ঘ) পরোক্ষ পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পরোক্ষ পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পরোক্ষ পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
নির্বাচনের প্রকারভেদ:
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় দুই ধরনের নির্বাচন বিদ্যমান। যেমন- প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন।

প্রত্যক্ষ নির্বাচন:
- যখন জনগণ সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করে তখন তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলে । যেমন- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

পরোক্ষ নির্বাচন:
- জনগণ ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন।
- জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের (৫০ জন মহিলা) সদস্য নির্বাচিত করেন
- এভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে পরোক্ষ নির্বাচন বলে। যেমন- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। আবার ইলেক্টরাল কলেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৯.
মুঘল শাসনামলে সুবা শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. হুমায়ূন 
  2. ইসলাম খান
  3. আকবর
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- যুদ্ধক্ষেত্র, সমরনীতি, কূটনীতি ও প্রশাসন সকল ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন মুঘলদের মধ্যে সর্বশেষ্ঠ শাসক। ইতিহাসে তাই তিনি 'Akbar the Great' নামে পরিচিত।

⇒ ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- উত্তরে কাশ্মীর হতে দক্ষিণে আহমেদনগর ও মধ্য এশিয়ার কাবুল কান্দাহার হতে পূর্ব বাংলা পর্যন্ত একচ্ছত্র মুঘল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒ সুবিশাল ভারতকে শাসন করার জন্য আকবর তার সাম্রাজ্যকে ১৫৮২ খ্রি. ১৫টি সুবা বা প্রদেশে বিভক্ত করেন এবং সুবার শাসক হিসেবে ১ (এক) জন সুবাদার নিয়োগ করেন। 
- সুবাহ্ মুঘল সাম্রাজ্যের প্রদেশ।
- সুবাদার ছাড়াও প্রদেশের এ শাসনকার্যে একজন দিওয়ান, আমিল, ফৌজদার, কাজি ইত্যাদি পদের রাজকর্মচারি ছিলেন।
- শাসনকার্যের সুবিধার জন্য প্রত্যেক সুবাকে কতগুলো সরকার ও প্রত্যেক সরকারকে কতগুলো পরগনায় বিভক্ত করেছিলেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২,৭৩০.
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গেওয়া
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) গরান
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।

সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৭৩১.
'The Prince of Builder' বলা হয় কাকে?
  1. সম্রাট বাবর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট হুমায়ূন
  4. সম্রাট শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে শাহজাহান আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পর শাহজাহান ১৬২৮ খ্রি. ১৪ ফেব্রুয়ারি গাজী উপাধি নিয়ে সিংহাসনে বসেন। 
- মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল “The Age of Marble” নামে খ্যাত।
- তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা।
- তিনি ইতিহাসে ‘The Prince of Builders or Engineer King” নামে পরিচিত।
- সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল আগ্রার তাজমহল।
- সম্রাট শাহজাহানের সময়ে ইংরেজরা বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন ওড়িষার পিপলিতে।
- পুত্র আওরঙ্গজেব কর্তৃক দীর্ঘ আট বছর আগ্রা দুর্গে অন্তরীণ থেকে ১৬৬৬ খ্রি. ২২ জানুয়ারি ৭৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর নির্মাণাধীন বিখ্যাত স্থাপত্য-
• তাজমহল,
• ময়ূর সিংহাসন,
• দিল্লি জামে মসজিদ,
• লাল কেল্লা,
• খাশমহল,
• শীষমহল,
• সালিমার উদ্যান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

২,৭৩২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) করা সম্ভব?
  1. অনুচ্ছেদ-৪৮
  2. অনুচ্ছেদ-৪৯
  3. অনুচ্ছেদ-৫১
  4. অনুচ্ছেদ-৫২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৫২
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন: 
অনুচ্ছেদ- ৫২ (১): সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারে।
- ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে;
- স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিব না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।

 - ৫২(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ৪৮। রাষ্ট্রপতি;
- অনুচ্ছেদ- ৪৯। ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ৫০। রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ;
- অনুচ্ছেদ- ৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,৭৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম গণভোট কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ৩০ মে, ১৯৭৭
  2. খ) ১ মার্চ, ১৯৮৫
  3. গ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ঘ) ৮ এপ্রিল, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০ মে, ১৯৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০ মে, ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম গণভোট (বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আস্থা গণভোট ১৯৭৭) বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ৩০শে মে ১৯৭৭ সালে অনুষ্ঠিত হয়। ভোটারদের কাছে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি কি রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) প্রতি এবং তার দ্বারা গৃহীত নীতি ও কার্যক্রমের প্রতি আস্থাশীল? ভোটের ফলাফল ছিল, ৯৮.৯% হ্যাঁ এবং মোট ভোট সংগৃহীত হয়েছিল, ৮৮.১%।
২,৭৩৪.
২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কে?
  1. মারিয়া করিনা মাচাদো
  2. নিহন হিডানকিও
  3. বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী
  4. সুমুমু কিতাগাওয়া
সঠিক উত্তর:
মারিয়া করিনা মাচাদো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারিয়া করিনা মাচাদো
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

২,৭৩৫.
বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান কত?
  1. ১%
  2. ১.৫%
  3. ১.৮%
  4. ২.২%
সঠিক উত্তর:
১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১%
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।
 
উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
২,৭৩৬.
বাংলার কোন সুবেদার চট্টগ্রাম থেকে মগদের বিতাড়ন ও চট্টগ্রাম জয়ের কৃতিত্ব লাভ করেন?
  1. ইসলাম খান
  2. মীর জুমলা
  3. শায়েস্তা খান
  4. মুর্শীদকুলী খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
সুবেদার শায়েস্তা খান: 
- শায়েস্তা খান ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- তার সময়ে আরাকানের মগ ও পর্তুগীজ (ফিরিঙ্গি) জলদস্যুরা মিলিত হয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা এলাকায় লুটতরাজ করে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
- তারা মানুষকে ধরে নিয়ে ইউরোপীয় বণিকদের নিকট বিক্রি করত।
- মগরা আবার অনেককে আরাকানে নিয়ে যেত এবং পুরুষদেরকে মজুরের কাজে লাগাত ও মেয়েদেরকে দাসী করে রাখত।
- তিনি মগ জলদস্যুদের বিতাড়িত করার জন্য বহু রণতরী নির্মাণ করেন এবং বিভিন্ন স্থান থেকে রণতরী সংগ্রহ করেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগদের বিতাড়ন ও চট্টগ্রাম জয় শায়েস্তা খানের সুবাদারির কৃতিত্বপূর্ণ কাজ।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩৭.
সিলেটের চাঁদখানি পাহাড়ে কত সালে চা কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৮৫০
  2. ১৮৯০
  3. ১৮৮৫
  4. ১৮৫৫
সঠিক উত্তর:
১৮৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৫
ব্যাখ্যা

১৮৫৫ সালে সিলেটের চাঁদখানি পাহাড়ে আসামের স্থানীয় চা কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রবার্ট ব্রুস ১৮৩৪ সালে আসামের উঁচু অঞ্চলে চা গাছের সন্ধান পান যা ভারতে চা শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করে।
- চা উৎপাদনের প্রথম সংগঠিত বাণিজ্যিক প্রয়াস শুরু করে আসাম চা কোম্পানি ১৮৩৯ সালে।
- উনিশ শতকের প্রথম দিকে উত্তর-পূর্ব ভারতীয় চা চাষের একই সময়ে বাংলাদেশেও চা চাষ চলতে থাকে।
- চীন থেকে আমদানিকৃত বীজ, কলকাতার বোটানিক্যাল গার্ডেনের কতিপয় চীনা চা গাছ ও আসামের বীজ ব্যবহার করে ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামে চা বাগান তৈরির কাজ শুরু হয়।
- বর্তমান বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগানের প্রতিষ্ঠা ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনিছড়ায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২,৭৩৮.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) শামীম শিকদার
  3. গ) আমিনুল ইসলাম
  4. ঘ) নিতুন কুণ্ডু
সঠিক উত্তর:
ক) হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ। 
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
-  ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। 
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়। 
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, dhaka.gov.bd.
২,৭৩৯.
শেখ মুজিবুর রহমানকে কবে জেল হতে মুক্তি দেয়া হয়?
  1. ক) ১০ই জানুয়ারী ১৯৭২
  2. খ) ৮ই জানুয়ারী ১৯৭২
  3. গ) ১১ই জানুয়ারী ১৯৭২
  4. ঘ) ৯ই জানুয়ারী ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ই জানুয়ারী ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ই জানুয়ারী ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের পর পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দানে বাধ্য হয়। 

- বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন গমন করেন।
- সেখান থেকে দিল্লিতে কিছু সময় অবস্থান করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকায় আসেন।
- ১০ জানুয়ারিকে বঙ্গবন্ধুর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
২,৭৪০.
সংবিধান সংস্কার কমিটি উচ্চকক্ষ জন্য কয়টি আসনের সুপরিশ করেছেন?
  1. ৪০০টি
  2. ২০০টি
  3. ১০৫টি
  4. ২৫০টি
সঠিক উত্তর:
১০৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র)।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। [লিঙ্ক]
২,৭৪১.
একটি দেশে পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্প-উন্নয়নের উদ্দেশ্য নিচের কোনটি?
  1. প্রাচীন ‍পদ্ধতিতে শিল্প পরিচালনা করা
  2. উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা
  3. বিভিন্ন দেশের শিল্প নীরিত সাথে সংযোগ স্থাপন করা
  4. পাশ্চাত্যের শিল্পের সাথে সংযোগ বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা
ব্যাখ্যা

পশ্চাৎ সংযোগ শিল্প:
পশ্চাৎ সংযোগ শিল্প হলো কোন শিল্পকারখানা অথবা প্রতিষ্ঠানের সাথে supply chain বা সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক। একটি দেশে পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্প-উন্নয়নের উদ্দেশ্য উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা

২,৭৪২.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মায়ের নাম কী?
  1. ক) মালতী দেবী
  2. খ) ভাগ্যতী দেবী
  3. গ) আরতি দেবী
  4. ঘ) ভগবতী দেবী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভগবতী দেবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভগবতী দেবী
ব্যাখ্যা
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মায়ের নাম ভগবতী দেবী।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম হয়েছিল ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে মেদেনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে
- তিনি তাঁর তেজস্বিতা, সত্যনিষ্ঠা অর্জন করেছিলেন তাঁর দরিদ্র ব্রাহ্মণ পিতা ঠাকুরদাস বন্দোপাধ্যায়ের কাছ থেকে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যসাহিত্যের জনক বলা হয়।
- অসাধারণ মেধা আর অধ্যাবসায়ের গুণে তিনি মাত্র একুশ বছর বয়েসে সংস্কৃত সাহিত্য, ব্যাকরণ, বেদান্ত, স্মৃতি, অলঙ্কার শাস্ত্র ইত্যাদি বিষয়ে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন', এখন এটি বিদ্যাসাগর কলেজ নামে খ্যাত।
- তিনি একজন সফল সমাজ সংস্কারকও ছিলেন।
-  তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার কারণে ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেলের সম্মতিক্রমে বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়।
- ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ বন্ধ করার জন্য ‘সিভিল ম্যারেজ অ্যাক্ট' প্রণয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- মায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁর কাছে যাওয়ার জন্য তিনি একবার ভরা বর্ষায় গভীর রাতে ‘দামোদর নদ' সাঁতরিয়ে পার হয়ে বাড়ি যান।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে ৭১ বছর বয়েসে মৃত্যু বরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪৩.
২০২৩ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. সেলিনা হোসেন
  4. শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সার্ক সাহিত্য পুরস্কার:

- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার সার্ক লেখক ও সাহিত্য প্রতিষ্ঠান (ফসওয়াল) কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কারবিশেষ।
- ২০০১ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
-  ২৬ মার্চ, ২০২৩ তারিখে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন ১৯৫২’- এই তিনটি বইয়ের জন্য বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই বিশেষ সাহিত্য পুরস্কার দিয়েছে ফাউন্ডেশন অফ সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার।

উৎস: ৩ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
২,৭৪৪.
কোন প্রতিষ্ঠান ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দান করে?
  1. ক) UN
  2. খ) UNDP
  3. গ) UNICEF
  4. ঘ) UNESCO
সঠিক উত্তর:
ঘ) UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) UNESCO
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,৭৪৫.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রথম শাসক ছিলেন-
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. বিজয়গুপ্ত
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সঠিক উত্তর:
প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা

 • গুপ্ত সম্রাজ্য:
- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে। 
- এই সাম্রাজ্যের প্রথম শাসক ছিলেন প্রথম চন্দ্রগুপ্ত ।
- তার পুত্র, বিখ্যাত সমুদ্র গুপ্ত , বিজয়ের মাধ্যমে সাম্রাজ্যের প্রসার ঘটান।
- এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য।
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
-  সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি 'প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো। 
- মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুঞ্জনগর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৭৪৬.
রাজনৈতিক দল সাধারণত কোন ভিত্তিতে গঠিত হয়?
  1. নীতি ও মতের ভিত্তিতে
  2. নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
  3. স্বজাতিবোধের ভিত্তিতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল:
- সাধারণত বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
- বহু ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত থাকে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হল বৃহত্তম জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থ সাধন।
- রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সম্প্রসারিত।
- সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- এই মতাদর্শের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও ব্যাপক কর্মসূচি রচিত হয় এবং তা বাস্তবে রূপায়িত করার চেষ্টা করা হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৪৭.
কৃষিক্ষেত্রে উত্তরণ হলো-
  1. ক) সরিষার একটি জাত
  2. খ) ভুট্টার একটি জাত
  3. গ) গমের একটি জাত
  4. ঘ) ধানের একটি জাত
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টার একটি জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টার একটি জাত
ব্যাখ্যা
উত্তরণ হলো ভুট্টার একটি জাত।
ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- মোহর
- শুভ্রা
- বর্ণালি
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস)
২,৭৪৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন-
  1. ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. ২২ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে
  3. ৯ জানুয়ারি, ১৯৭১ সালে
  4. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

• ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি দেয়।
• সেদিনই বঙ্গবন্ধুকে ঢাকার উদ্দেশ্যে লন্ডন পাঠানো হয়।
• লন্ডন থেকে ঢাকা আসার পথে বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে যাত্রাবিরতি করেন।
• বিমানবন্দরে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি. ভি. গিরি ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান।
• পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি ঢাকায় পৌঁছলে তাকে অবিস্মরণীয় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
• সেই দিনকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২,৭৪৯.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কোন সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯৯ সালে
  2. খ) ২০০০ সালে
  3. গ) ২০০১ সালে
  4. ঘ) ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
 • মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- এই মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন রেদোয়ান আহমেদ।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।

- ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন, এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়।
- পরবর্তীতে কাজের কলেবর ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায়  ১০-১০- ২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই মন্ত্রণালয়ের অধীন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২,৭৫০.
GDP থেকে নিচের কোনটি বাদ দেওয়া হয়?
  1. দেশের অভ্যন্তরে দেশীয় নাগরিকদের আয়
  2. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা
  3. বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
  4. বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৫১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' নিয়োগ দেয়া হয়?
  1. ক) ১২৭
  2. খ) ১৩৭
  3. গ) ১৩৮
  4. ঘ) ১১৮
সঠিক উত্তর:
ক) ১২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২৭
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' নিয়োগ দেয়া হয়। ১১৮নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়। অনুচ্ছেদ ১৩৭ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয় এবং ১৩৮(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৭৫২.
এইচআরএসএস মতে, দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও অভ্যুত্থানে নিহত কত জন?
  1. ৮০০ জন
  2. ৮৭৫ জন
  3. ৯৩০ জন
  4. ১০৫০ জন
সঠিক উত্তর:
৮৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭৫ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও অভ্যুত্থানে নিহত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে কোটা সংস্কারের দাবিতে নানা কর্মসূচি ও ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে হতাহতদের বিষয়ে তথ্য বিশ্লেষণ করে  তথ্য জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)।
- ১৬ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮৭৫ জন নিহত হয়েছেন। 
- ১৮ থেকে ২০ জুলাই এবং ৪ থেকে ৭ আগস্ট—এই সাত দিনেই নিহত হয়েছেন ৭৪৮ জন। 
- এ ছাড়া অভ্যুত্থানে আহত হয়েছেন ৩০ হাজারের বেশি মানুষ।
- নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে ৭৪৩ জনের নাম জানা গেছে। 
- নিহত ৮৭৫ জনের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক ঢাকা বিভাগে ৫৪০ জন নিহত হয়েছেন। 
- এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৯১ জন, খুলনায় ৮১ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৮ জন, রংপুরে ২৯ জন, সিলেটে ২০ জন এবং বরিশালে ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

সূত্র- প্রথম আলো প্রতিবেদন।  
২,৭৫৩.
৭১ এর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য কোনটি?
  1. ক) সংশপ্তক
  2. খ) অপরাজেয় বাংলা
  3. গ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
  4. ঘ) সাবাস বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'।
- এই ভাস্কর্যের স্থপতি আব্দুর রাজ্জাক।
- এটি গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত।

উৎস: গাজীপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
২,৭৫৪.
বর্তমানে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ তথ্যানুযায়ী ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা বগুড়া। বগুড়ায় আলু উৎপাদনের পরিমাণ ১১.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন।
দ্বিতীয় সর্বাধিক আলু উৎপন্ন হয় মুন্সিগঞ্জ জেলায় প্রায় ১০.৮৯ লক্ষ মেট্রিক টন। তৃতীয় রংপুর জেলায় ১০.০১ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে দেশে মোট আলু উৎপাদিত হয় ৯৬.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
২,৭৫৫.
আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. রংপুর
  2. বগুড়া
  3. জয়পুরহাট
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২,৭৫৬.
ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে প্রথম শহীদ কে ছিলেন?
  1. রফিক
  2. সালাম
  3. বরকত
  4. জব্বার
সঠিক উত্তর:
রফিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউর।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে প্রথম শহীদ ছিলেন রফিক।

⇒ রফিকউদ্দিন আহমদ:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর সোয়া তিনটা। বাংলাভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলনে প্রথম শহিদ রফিকউদ্দিন আহমেদ। ঐদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের মিছিলে পুলিশের গুলিতে রফিক ঘটনাস্থলে শহিদ হন। তাঁকে আজিমপুর গোরস্থানে সমাহিত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
২,৭৫৭.
বর্তমান প্রতিনিধিত্ব মূলক গণতান্ত্রিক সরকার কে বলে-
  1. ক) দলীয় সরকার
  2. খ) রাজনৈতিক সরকার
  3. গ) নিরপেক্ষ সরকার
  4. ঘ) বহুদলীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
ক) দলীয় সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দলীয় সরকার
ব্যাখ্যা
- বর্তমান প্রতিনিধিত্ব মূলক গণতান্ত্রিক সরকার কে দলীয় সরকার বলা হয়।
- প্রতিনিধিত্ব মূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো রাজনৈতিক দল।
- রাজনৈতিক দল হলো আধুনিক প্রতিনিধিত্ব মূলক গণতন্ত্রের প্রাণ।
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে ‘বিকল্প সরকার’ বলা হয় বিরোধীদল কে।

 (উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী প্রথম পত্র)।
২,৭৫৮.
নিচের কোনটি বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল?
  1. জজ কোর্ট
  2. আপিল বিভাগ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৫৯.
২০২৪ সালে সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
  2. ফিরোজা খাতুন
  3. ওবায়েদুল্লাহ বাকী
  4. নজিব উদ্দীন খাঁন
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ - কাজী আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (মরণোত্তর)।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ড. মোবারক আহমদ খান।
• চিকিৎসাবিদ্যা - ডাঃ হরিশংকর দাশ।
• সংস্কৃতি - মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
• ক্রীড়া - ফিরোজা খাতুন।
• সমাজসেবা/জনসেবা - অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এস.এম. আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, মার্চ ১৫, ২০২৪।
২,৭৬০.
কোন চুক্তি বলে ইংরেজরা বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল?
  1. নদীয়া চুক্তি
  2. এলাহাবাদ চুক্তি
  3. দিল্লি চুক্তি
  4. বর্ধমান চুক্তি
সঠিক উত্তর:
এলাহাবাদ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলাহাবাদ চুক্তি
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- ১৭৬৫ সালে ইংরেজ কোম্পানির বাংলার দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল তাকে ঐতিহাসিকেরা দ্বৈত শাসনব্যবস্থা (Dual system of administration) বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তি বলে বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল ইংরেজরা
- দিউয়ানি এবং নিয়ামত-এই দুটি শাসন কাজের ভাগাভাগিকে এক অর্থে দ্বৈত শাসন বলা যায়।
- রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর।
- অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।
- কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
⇒ বক্সার যুদ্ধের পর কোম্পানির কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা চরমে উঠলে এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ খারাপ হলে, ইংরেজ সরকার ভীত হয়ে পড়লেন।
- ফলে ইংল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ কোম্পানির দুর্নীতি দমন ও স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য পুনরায় ক্লাইভকে লর্ড উপাধি দান করে বাংলায় দ্বিতীয়বার প্রেরণ করেন (১৭৬৫-১৭৬৭ খ্রি.)।
- এদেশে এসেই তিনি মীর কাশিমের মিত্রশক্তি অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের প্রতি নজর দেন।
- বক্সার যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা এবং কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি পেয়ে অযোধ্যার নবাবের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেন।
- তারপর তিনি দিল্লির দুর্বল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ক্লাইভ কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি ও বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা কর প্রদানের বিনিময়ে সম্রাটের নিকট হতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করলেন (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১২ আগস্ট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি সনদ লাভ করে)।
- এর ফলে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ উপনিবেশের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৬১.
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. লাসিথ মালিঙ্গা
  3. শহিদ আফ্রিদি
  4. মিচেল স্টার্ক
সঠিক উত্তর:
সাকিব আল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ 
- ২০০৭ সালে শুরু হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন - ভারত। অধিনায়ক - এম.এস ধোনি।
- প্রথম আসরে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন - মো আশরাফুল।

- এই পর্যন্ত ৯টি আসরেই খেলেছেন মাত্র ২ জন ক্রিকেটার। সাকিব আল হাসান ও রোহত শর্মা।

- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার - সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)।
- প্রথম এবং একমাত্র ক্রিকেটার হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৫০ উইকেট লাভ করেন সাকিব আল হাসান।
- সবচেয়ে বেশি রান - বিরাট কোহলি(ভারত)। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪
- নবম আসর।
- আয়োজক - যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
- মোট দল - ২০টি দল ও মোট ম্যাচ - ৫৫টি।
- চ্যাম্পিয়ন - ভারত।
- রানার্স আপ - দক্ষিণ আফ্রিকা।

- ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলংকায়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা।
২,৭৬২.
প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রার প্রচলন হয় কবে?
  1. ১ মার্চ, ১৯৭২
  2. ৪ মার্চ, ১৯৭২
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা।
- বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়।
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায়।
- ১ টাকার নোটে স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন অর্থসচিব কে এ জামান।
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র।
- ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।
- ৪ মার্চ ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে 'টাকা দিবস'।

তথ্যসুত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ মার্চ, ২০২১।
২,৭৬৩.
'প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল' গঠনের কথা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১১৭নং
  2. ১২০নং
  3. ১১০নং
  4. ১১৫নং
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদের ১ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সন্নিবেশিত হয়েছে।

অন্যদিকে: 
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
- ১২০নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- ১১৫নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালতে নিয়োগ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৭৬৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম শক্রমুক্ত জেলার নাম কি?
  1. রাজশাহী
  2. জয়পুরহাট
  3. যশোর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর জেলা পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়েছিল।
- এদিন দুপুরের পরপরই যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী।
- প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা।
- যশোর মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টরে ছিলো।
- কমান্ডার ছিলেন মেজর মঞ্জুর।
- অন্যদিকে, পাকবাহিনীর মোতায়েন ছিল ১০৭নং ব্রিগেড। এর কমান্ডার ছিলেন বিগ্রেডিয়ার হায়াত খান।
- যশোর সেনানিবাস থেকে শত্রু বাহিনী ৬টি জেলা নিয়ন্ত্রণ করত।
- ২০ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনী যশোর সেনানিবাস দখলে অভিযান শুরু করে।
-  একপর্যায়ে পাকবাহিনী ৫ ডিসেম্বর থেকে পলায়ন শুরু করে।
- যশোর সেনানিবাস ছেড়ে তারা ছিন্নভিন্ন হয়ে খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে।
- পলায়নকালে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর শহরতলীর রাজারহাটসহ বিভিন্ন স্থানে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে তাদের প্রচণ্ড লড়াই হয়।
- ৬ ডিসেম্বর বিকালের আগে যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় পাক হানাদাররা।
- বিকালে মিত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তিবাহিনী সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর। [লিঙ্ক]
২,৭৬৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
  2. খ) অনুচ্ছেদ ১১২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ১২৮
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ১০৫
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৭ অনুযায়ী মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার কথা বর্ণিত আছে।
মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ১২৭ (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকবেন এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। 
 অনুচ্ছেদ ১২৭ (২) এই সংবিধান ও সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করবেন, সেইরূপ হবে।

অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ১২৮ - মহা হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব।
অনুচ্ছেদ ১১২ - সুপ্রিম কোর্টের সহায়তা ।
অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ ক্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৭৬৬.
২০২৫ সালে মোট কতজন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ১৩ জন
  2. ১৪ জন
  3. ১৫ জন
  4. ১৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

২,৭৬৭.
বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারের অপারেশনটির নাম ছিল -
  1. অপারেশন ব্লুবার্ড
  2. অপারেশন ব্ল্যাকবার্ড
  3. অপারেশন বিগবার্ড
  4. অপারেশন ক্যাচবার্ড
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বিগবার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বিগবার্ড
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ছয়দফা ঘোষণা করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে ।
- বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।
- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল ১৮ মিনিট ।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

অপারেশন বিগবার্ড:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয় অপারেশন বিগবার্ড এর মাধ্যমে।
- পাক-ব্রিগ্রেডিয়ার জহির আলম খান ও মেজর বেলাল বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারে নেতৃত্ব দেয়।
- বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারের রেডিও বার্তা ছিল: The Big Bird in Cage।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু'।
২,৭৬৮.
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে?
  1. ক) ২৫ অনুচ্ছেদে
  2. খ) ২৪ অনুচ্ছেদে
  3. গ) ২৩ অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ২২ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- ২৫নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এই বিষয়ে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ২২নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথককরণ।
- ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির সংরক্ষণ।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় স্মৃতি নিদর্শনগুলোর সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

সূত্র:বাংলাদেশ সংবিধান
২,৭৬৯.
পুণ্ড্রনগরের পত্তন ঘটেছিলো কত খ্রিস্টপূর্বাব্দে?
  1. দ্বাদশ খিস্টপূর্বাব্দে
  2. নবম খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  3. সপ্তম খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  4. চতুর্থ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
ব্যাখ্যা
- পুণ্ড্রনগর প্রাচীন বাংলার প্রাচীনতম ও সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ অব্দে বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় নামক স্থানে পুণ্ড্রনগরের পত্তন ঘটে।
- গুপ্ত, মৌর্য ও পাল আমলে নগরটি পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির (বিভাগ/প্রদেশ) রাজধানী ছিলো।
- পুণ্ড্র্নগর করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এখানে প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পুরনো শিলালিপি পাওয়া গেছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৭৭০.
বাংলাদেশ কোন সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করবে?
  1. ২০২৪
  2. ২০২৮
  3. ২০২৬
  4. ২০৩০
সঠিক উত্তর:
২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬
ব্যাখ্যা
- স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শুক্রবার রাতে পাঁচ দিনের বৈঠক শেষে এ সুপারিশ করেছে।
- সিডিপির এলডিসি সংক্রান্ত উপ-গ্রুপের প্রধান টেফেরি টেসফাসো এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
- তবে বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে বের হতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
- সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে যেসব দেশ তুলনামূলক দুর্বল, সেসব দেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- সবকিছু ঠিক থাকলে পাঁচ বছর পর এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
২,৭৭১.
অর্থনীতিতে শিল্পখাতের ৪টি উপখাতের মধ্যে কোন খাতের অবদান বেশি?
  1. ক) নির্মাণ
  2. খ) খনিজ ও খনন
  3. গ) বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ
  4. ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৫.১৪%।
বৃহৎ শিল্পখাত ৪ টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত-
- খনিজ ও খনন;
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ;
- ম্যানুফ্যাকচারিং ও
- নির্মাণ।
এর মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। স্থির মূল্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.২১% যা গত অর্থবছরে ছিল ২২.৮৫%। ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের প্রবৃদ্ধির হারও বেশি (১৪.৭৩%)।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

২,৭৭২.
কত খ্রিস্টাব্দে মীর কাশিম বাংলার সিংহাসনে বসেন?
  1. ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৬২ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
মীর কাশিম:
- পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের সাহায্য করার পুরস্কার স্বরূপ বিশ্বাসঘাতক মীর জাফর বাংলার মসনদ লাভ করেন।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজরা মীর জাফরের জামাতা মীর কাশিমকে বাংলার মসনদে অধিষ্ঠিত করেন।
- অবশ্য তিনিও কোম্পানিকে অনেক সুবিধাদানের শর্ত সাপেক্ষে ক্ষমতা লাভ করেন। 
- স্বাধীনচেতা মীর কাশিম ইংরেজদের বাংলার স্বার্থ বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে ইংরেজরা তাঁকে সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করে এবং ভেতরে ভেতরে নিজেরাও প্রস্তুত হতে থাকে।
- এ সময় গভর্নর এলিস হঠাৎ করে পাটনা দখল করলে মীর কাশিম তা পুনরুদ্ধার করেন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৭৩.
নিচের কোন ভৌগোলিক এলাকাটি “রামসার সাইট” হিসেবে স্বীকৃত?
  1. কাপ্তাই হ্রদ
  2. রামসাগর
  3. বগা লেক
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

বাংলাদেশ ও রামসার: 
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
২,৭৭৪.
ছয় দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় কোন সম্মেলনে?
  1. ঢাকা
  2. লাহোর
  3. আগরতলা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌঁছান।
- লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন।
- বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা-কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
২,৭৭৫.
বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার কত? [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
  1. ৭২.২৮%
  2. ৭৪.৮%
  3. ৭৬.৮৮%
  4. ৭৮.৪%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
২,৭৭৬.
ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবকে কী নামে অভিহিত করে?
  1. বিজু
  2. হৈসু
  3. বৈসু
  4. মৈতৈই
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা

- ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবকে বৈসু  নামে অভিহিত করে।

বৈসাবি: 
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- আদিবাসীরা বর্ষবরণ উৎসব পালন করে বিভিন্ন নামে।
- কেউ বৈসু, কেউ সাংগ্রাই আবার কেউ বিজু।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে।
- এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২,৭৭৭.
ত্রিপুরাদের উৎসব -
  1. ওয়ানগালা
  2. বৈসুক
  3. সোহরাই
  4. বিজু
সঠিক উত্তর:
বৈসুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসুক
ব্যাখ্যা
উৎসব:
- গারোদের উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বিজু হলো চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের উৎসব।
- বৈসুক হলো ত্রিপুরাদের উৎসব।
- সাংগ্রাই হলো মারমাদের উৎসব।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
২,৭৭৮.
কোন মাটি পাট চাষের জন্য উপযোগী নয়?
  1. বেলে মাটি
  2. দোঁআশ মাটি
  3. এঁটেল মাটি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এঁটেল মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এঁটেল মাটি
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি পাট চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
- এদেশের প্রায় সব জেলায় পাটের চাষ হয়।
- গত কয়েক বছরে পাটের তৈরি বিভিন্ন পণ্য যেমন, ব্যাগ, বস্তা, জুতা এমনকি শাড়ী বিদেশীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং বিদেশের বাজারে এসব পণ্য রপ্তানীর সুযোগ সৃষ্টি উৎপাদনের জন্য এর আধুনিক চাষপদ্ধতি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জলবায়ু:
- পাট উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ার ফসল, পাট উৎপাদনের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা হল ২৫-৩৫° সে. এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮০-৯০%।
- পাট চাষের সময় সুষমভাবে বর্ণিত ১২৫-২০০ সে. মি. বৃষ্টিপাত উপকারী, চাষ অবস্থায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ক্ষতিকর।

⇒ মাটি:
- পর্যাপ্ত পরিমাণ জৈব পদার্থযুক্ত দোঁআশ মাটি পাটের জন্য ভাল।
- বেলে দোআশ বা এটেল দোঁআশ মাটিতে পাট চাষ করলেও ভাল ফসল পাওয়া যায়।
- এঁটেল মাটিতে পানি জন্মে থাকে বলে তা পাট চাষের জন্য উপযোগী নয়।

⇒ জমি নির্বাচন:
- উঁচু, মাঝারি নিচু এবং মাঝারি নিচু জমি অর্থাৎ যে জমিতে বৃষ্টির পানি দাঁড়ায় না বা জমে গেলেও নিষ্কাশন করা সম্ভব তেমন জমিই পাট চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে।

⇒ পাটের জাত:
- পাটের প্রধান প্রজাতি ২টি:
১। দেশী পাট: Corchorus capsularis
- ডি-১৫৪-২' সিভিএল-১ (সবুজ পাট), সিভিই-৩ (আশু পাট), সিসি-৪৫ (জো পাট); এটম পাট-৩৮, বিজেআরআই দেশিী পাট-৫; বিজেআরআই দেশি-৬, বিজেআরআই দেশি পাট-৭, বিজেআরআই দেশি
২। তোষা পাট: Corchorus olitorius
- ফাল্গুনী তোষা (ও-৯৮৯৭), ওএম-১, ৩-৪, ৩-৭২, বিজেআরআই তোষা পাট-৪, বিজেআর আই তোষা পাট-৫, ৩-৭৯৫, বিজেআরআই তোষা পাট-৬ (ও-৩৮২০)।

⇒ বীজ বপনের সময়:
- বাংলাদেশের কৃষি ঋতুর ভিত্তিতে পাট উৎপাদনের জন্য খরিপ-১ ঋতু হল উপযুক্ত সময় (মার্চ-এপ্রিল থেকে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত)।
- দেশি পাট সাধারণত ১৫ই মার্চ থেকে ১৫ই মে এই সময়ের মধ্যে বুনতে হয়।
- তবে কোন জমিতে যদি জুলাই আগষ্টের দিকে বর্ষার পানি জমার সম্ভাবনা থাকে তাহলে সে জমিতে কিছুটা আগাম বীজ বোনা উচিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৭৯.
‘পরার্থপরতার অর্থনীতি’ বইটির লেখক কে?
  1. ক) আকবর আলী খান
  2. খ) ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. গ) ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. ঘ) ড. আতিয়ার রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) আকবর আলী খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকবর আলী খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ হচ্ছেন - আকবর আলী খান। তিনি "অবাক বাংলাদেশ বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি" ও "পরার্থপরতার অর্থনীতি" - বইদ্বয়ের লেখক।
২,৭৮০.
'বুলন্দ দরওয়াজা' কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের স্থাপনা?
  1. হুমায়ুন
  2. শাহজাহান
  3. আকবর
  4. বাবর
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
মুঘল স্থাপনা:
- মুঘল যুগে স্থাপত্য শিল্পের উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- প্রায় সব মুঘল সম্রাট স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকর্ষণীয় সৌধ, ইমারত, মসজিদ, উদ্যান এমনকি ময়ূর সিংহাসন মুঘলদের কীর্তির অবিনশ্বর স্বাক্ষর বহন করে।
- মুঘল যুগে চিত্রশিল্পও বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে ছিল।

• বাবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আগ্রায় পানিপথের কাবুলিবাগ নামক স্থানে মসজিদ নির্মিত হয়।

• হুমায়ুনের সময় স্থাপত্যসমূহ:
- হুমায়ুনের আমলে দিল্লিতে দীন-পানাহ ভবন, আগ্রায় ও ফতেহাবাদে নির্মিত মসজিদ তাঁর সময় কালের স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

• আকবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আকবরের আমলে নির্মিত প্রাসাদ, দুর্গ, মসজিদ ও সৌধগুলোর মধ্যে ফতেহপুর সিক্রি, হুমায়ুনের সমাধি, ইবাদতখানা, বুলন্দ দরওয়াজা, পাঁচ মহল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

• জাহাঙ্গীরের ভূমিকা:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে আকবরের সমাধি সৌধ, ইতমাতুদ্দৌলার সমাধি সৌধ এবং তাঁর নিজের জন্য নির্মিত সমাধি সৌধের নাম উল্লেখ করা যায়।

• শাহজাহানের সময় কালের স্থাপত্যসমূহ:
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।
- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়। দিওয়ান-ই-খাসের অপূর্ব নির্মাণ শৈলী এবং শিল্পকর্মের চমৎকারিত্যের জন্য এটি 'দুনিয়ার বেহেস্ত' বলে অভিহিত।
- ভুবন বিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন মনি-মুক্তা, হীরা ও মূল্যবান পাথর দিয়ে তৈরি। ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি 'শাহজাহানাবাদ' নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত।

• আওরঙ্গজেবের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে নির্মিত লাহোরের বাদশাহী মসজিদ স্থাপত্য শিল্পের এক বিশেষ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৮১.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান-
  1. ক) ৪০৬
  2. খ) ৬৩৮
  3. গ) ৪২৬
  4. ঘ) ৪৩৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৩৮
ব্যাখ্যা
• টেস্ট ক্রিকেট:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে উদ্বোধনী টেস্ট খেলে বাংলাদেশ।
- টেস্টে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর ৬৩৮।
- ২০১৩ সালের মার্চে গলে শ্রীলংকার বিপক্ষে এ স্মরণীয় স্কোর গড়ে টাইগাররা।
- আর দলীয় সর্বনিম্ন স্কোর ৬২। লংকানদের বিপক্ষেই কলম্বোতে ২০০৭ সালের জুলাইয়ে।


- টেস্ট ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস সাকিবের (২১৭ রান)।
- ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এ মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
- বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশি রান তামিম ইকবালের।

তথ্যসূত্র: নৈনিক যুগান্তর (২ মে, ২০১৮)।
২,৭৮২.
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট চ্যানেল কোনটি? 
  1. এনটিভি
  2. এটিএন বাংলা
  3. চ্যানেল আই
  4. একুশে
সঠিক উত্তর:
এটিএন বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটিএন বাংলা
ব্যাখ্যা

• গণমাধ্যম:
-
গণমাধ্যমকে বলা হয় গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ।
- বাংলাদেশের গণমাধ্যম একটি বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্র।
- যা সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে গঠিত।
- এটি সংবাদ, বিশ্লেষণ ও বিনোদন পরিবেশন করে এবং সাংবিধানিকভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রদান করে।
- রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (BTV) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- দেশের তথ্য প্রবাহে বেসরকারি টেলিভিশন ও এফএম রেডিওর সংখ্যাও অনেক বেশি। 
- তবে, স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও গণমাধ্যম বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।

স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল:
- স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্প্রচার ব্যবস্থা।
- এটিএন বাংলা ১৫ জুলাই, ১৯৯৯ সালে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট চ্যানেল হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।

উল্লেখ্য, 
• প্রকাশনা ও সংবাদপত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র: বেঙ্গল গেজেট।
- ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র: ঢাকা প্রকাশ (প্রকাশিত: ৮ মার্চ, ১৮৬১)।

• টেলিভিশন ও চ্যানেল:
- বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট চ্যানেল: এটিএন বাংলা।
- বাংলাদেশের সরকারি টেলিভিশন সংস্থা: বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র: ২টি (ঢাকা ও চট্টগ্রাম)।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্র: ১৪টি।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের পুনঃপ্রচার কেন্দ্র: ১টি (রাঙ্গামাটি)।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক: একতলা দোতলা।
- ২০০৪ সালে বাংলাদেশ বিটিভি বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারের জন্য বিটিভি ওয়ার্ল্ড নামে উপগ্রহভিত্তিক চ্যানেল স্থাপন করে।

• সংবাদ সংস্থা:
- বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদ সংস্থা: বিডি নিউজ।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) যা প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭২।

উৎস:
প্রথম আলো;
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট।

২,৭৮৩.
টাইম ম্যাগাজিন- ২০২৫ -এ বিশ্ব স্বাস্থ্যে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিদের তালিকার মধ্যে কোন বাংলাদেশি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
  2. ডা. তাহমিদ আহমেদ
  3. ডা. মো. শামিউল ইসলাম
  4. ডা. মো. হারুন-অর-রশিদদ
সঠিক উত্তর:
ডা. তাহমিদ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডা. তাহমিদ আহমেদ
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক খ্যাতনামা সাময়িকী ‘টাইম’ তাদের ২০২৫ সালের ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য খাতে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তি’র তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ডা. তাহমিদ আহমেদকে।
- ডা. তাহমিদ আহমেদ আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।

উৎস : প্রথম আলো।
২,৭৮৪.
‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. মামুনুর রশীদ
  2. মান্নান হীরা
  3. ফজলুর রহমান বাবু
  4. ড. ইনামুল হক
  5. হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
মান্নান হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মান্নান হীরা
ব্যাখ্যা

একাত্তরের ক্ষুদিরাম:
- ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা মান্নান হীরা। 

⇒ মান্নান হীরা রচিত ও পরিচালিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’। 
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে নির্মিত এই পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র।
- এতে অভিনয় করবেন মামুনুর রশীদ, ফজলুর রহমান বাবু, ড. ইনামুল হক, মোমেনা চৌধুরী, ছবি, ফিরোজ আল মামুন, সাজু প্রমুখ। শিশু শিল্পী চরিত্রে অভিনয় করবেন স্বচ্ছ, রুদ্র, শাকিল, অন্তরা, মধুমনি প্রমুখ।
- ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ শুরু হয়। 

উৎস: প্রথম আলো।

২,৭৮৫.
বাংলাদেশের গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি কে ছিলেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. শাহ আব্দুল হামিদ
  3. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  4. মোহাম্মদউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না। 
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- বহিস্কৃত ও পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য পদ লাভে অযোগ্য ছিলেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি বঙ্গবন্ধুকে গণপরিষদের দলীয় নেতা নির্বাচন করে।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাব অনুযায়ী গণপরিষদের প্রবীনতম সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর সভাপতিত্বে গণপরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। 

⇒ ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ গণপরিষদের অধিবেশনে মনসুর আলী বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে একটি প্রস্তাব করেন।
- সেই প্রস্তাবে ছিল, 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুনের মধ্যে কমিটি বিল আকারে একটি খসড়া শাসনতন্ত্রসহ রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও কমিটির পক্ষে সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮৬.
পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল রয়েছে-
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো- চাকমা সার্কেল (রাঙামাটি), মং সার্কেল (খাগড়াছড়ি) এবং বোমাং সার্কেল (বান্দরবান)। পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত। সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়।
উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
২,৭৮৭.
নিচের কোনটি কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস?
  1. মূসক
  2. আয়কর
  3. টোল
  4. সারচার্জ
সঠিক উত্তর:
টোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টোল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের উৎস সমূহ (২০২০-২১):
কর রাজস্ব (NBR):
- মূল্য সংযোজন কর : ১,২৫,১৬২ কোটি টাকা
- আয়কর : ১,০৩,৯৪৫ কোটি টাকা
- সম্পূরক শুল্ক : ৫৭,৮১৫ কোটি টাকা
- আমদানি শুল্ক : ৩৭,৮০৭ কোটি টাকা
- আবগারি শুল্ক : ৩,৬৮৬ কোটি টাকা
- রপ্তানি শুল্ক : ৫৫ কোটি টাকা
- অন্যান্য কর : ১,৫৩০ কোটি টাকা।
কর রাজস্ব (NBR বহির্ভূত):
- মদ ও মাদকদ্রব্যের কর : ১২০ কোটি টাকা
- যানবাহন কর : ৭৯৮ কোটি টাকা
- ভূমি উন্নয়ন কর : ১,৬৬৮ কোটি টাকা
- নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রি : ১১,৮৫১ কোটি টাকা
- সারচার্জ : ৫৬৩ কোটি টাকা।
করবহির্ভূত রাজস্ব:
- লভ্যাংশ ও মুনাফা : ১,৭৪৭ কোটি টাকা
- সুদ : ৮,৭১৭ কোটি টাকা
- প্রশাসনিক ফি : ৬,৫১৪ কোটি টাকা
- জরিমানা : ৪৯৪ কোটি টাকা
- সেবা ফি : ৪,৯৬৫ কোটি টাকা
- ভাড়া ও ইজারা : ৫৭৬ কোটি টাকা
- টোল : ৮১০ কোটি টাকা
- নন-কমার্শিয়াল বিক্রি : ২,৭৯৭ কোটি টাকা
- ক্যাপিটাল : ৩৪২ কোটি টাকা
- অন্যান্য করবহির্ভূত : ৬,০৩৮ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২,৭৮৮.
ইউনেস্কোর কততম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ৩০ তম
  2. ৩১ তম
  3. ৩২ তম
  4. ৩৩ তম
সঠিক উত্তর:
৩০ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ তম
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০ তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,৭৮৯.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ম্যাডোনা-৪৩’ এর চিত্রকর কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. রফিকুন্নবী
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
• বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ম্যাডোনা-৪৩’ এর চিত্রকর জয়নুল আবেদিন।

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৭৯০.
স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে মিয়ানমার স্বীকৃতি দেয়-
  1. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৪
  2. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৩
  4. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১৩ জানুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার; এই তিন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমানা রয়েছে।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
- নাফ নদী এই দুই দেশকে পৃথক করেছে।

উল্লেখ্য, 
-মিয়ানবার ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২ এ স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
২,৭৯১.
কত সালে স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স জারি হয়?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ১৯৭৬ সালের স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স জারি হয়। সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
২,৭৯২.
কাগমারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল কোন জেলায়?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. টাঙ্গাইল
  3. সুনামগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি কাগমারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনের সভাপতি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের প্রতি 'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৭৯৩.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু কোনটি?
  1. হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
  2. ভৈরব রেলওয়ে সেতু
  3. যমুনা রেলসেতু
  4. ফেঞ্চুগঞ্জ রেলওয়ে সেতু
সঠিক উত্তর:
যমুনা রেলসেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা রেলসেতু
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলওয়ে সেতু ‘যমুনা রেলসেতু’ ।
- যমুনা রেলসেতু’ দৈর্ঘ-  ৪.৮ কিলোমিটার
-  ডাবল লাইন ডুয়েলগেজর সেতুটি দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে ঢাকার সঙ্গে রেলপথের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়েছে।
- সেতুর পূর্ব প্রান্তে ইব্রাহিমাবাদ স্টেশন।
- পশ্চিম প্রান্তের সয়দাবাদ রেলস্টেশন।

উৎস : banglatribune.
২,৭৯৪.
বাংলাদেশে নারীদের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল কত বছর?
  1. ক) ৭২.৮ বছর
  2. খ) ৭৩.২ বছর
  3. গ) ৭৪.৫ বছর
  4. ঘ) ৭৫.২ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪.৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪.৫ বছর
ব্যাখ্যা
বিবিএস SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল:
- জাতীয় : ৭২.৮ বছর
- পুরুষ : ৭১.২ বছর
- নারী : ৭৪.৫ বছর।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিএস SVRS-2020 রিপোর্ট)
২,৭৯৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয় কখন থেকে?
  1. ১ জানুয়ারি ২০২৬
  2. ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  3. ১ মার্চ ২০২৬
  4. ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ 
সঠিক উত্তর:
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ 
ব্যাখ্যা

→ চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার- ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ।

-  সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
-  ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

• মূল বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬  ও বাসস।

২,৭৯৬.
কণিষ্কের রাজধানী ছিল কোনটি?
  1. সারনাথ
  2. তক্ষশীলা
  3. পেশোয়ার
  4. কণিষ্কপুর
সঠিক উত্তর:
পেশোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশোয়ার
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার কণিষ্কের রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯৭.
১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির উপর গণহত্যা শুরু করে -
  1. ক) ২ মার্চ
  2. খ) ২৫ মার্চ
  3. গ) ২৭ মার্চ
  4. ঘ) ২৬ মার্চ
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫ মার্চ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।

- পরবর্তীকালে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাই তাঁরই নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির উপর গণহত্যা শুরু করে - ২৫ মার্চ।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯৮.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত কোন সংস্থা?
  1. BEZA
  2. ΒΕΡΖΑ
  3. BSEC
  4. BGMEA
সঠিক উত্তর:
BEZA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BEZA
ব্যাখ্যা

- BEZA বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত।

BEZA:

- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BEZA বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উৎপাদন এবং রপ্তানী বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে পশ্চাৎপদ ও অনগ্রসর এলাকাসহ সম্ভাবনাময় সকল এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করাই হলো বেজার মূল লক্ষ্য।
- দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য একজন নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তিন জন নির্বাহী সদস্য সমন্বয়ে বেজার নির্বাহী বোর্ড গঠিত।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।

২,৭৯৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে উৎপাদিত মাছের পরিমাণ কত?
  1. ১১.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. ১৪.১১ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. ১৮.৭৯ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ২১.৩৬ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
১৪.১১ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪.১১ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
⇒ অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ের আয়তন: ৩৮.৬২ লক্ষ হেক্টর।
- উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: ১৪.১১ লক্ষ মেট্রিক টন।

⇒ অভ্যন্তরীণ চাষকৃত জলাশয়ের আয়তন: ৮.৪৭ লক্ষ হেক্টর।
- উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: ২৯.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন।

⇒ মোট অভ্যন্তরীণ উৎসের আয়তন: ৪৭.০৯ লক্ষ হেক্টর।
- উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: ৪৩.৯৮ লক্ষ মেট্রিক টন।

⇒ সামুদ্রিক উৎসে উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: ৬.৮২ লক্ষ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২,৮০০.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ আলী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. নুরুল আমিন
  4. এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
নুরুল আমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল আমিন
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়:
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী: নূরুল আমিনকে পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়। 
- তিনি ১৯৫৪ সালের ২ এপ্রিল পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে পূর্ববাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল: গোলাম মুহাম্মদ।
- পূর্ব বাংলার গভর্নর: ফিরোজ খান নুন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।