বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৭ / ৩০৬ · ২,৬০১২,৭০০ / ৩০,৮৩২

২,৬০১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১২৩ নং
  2. ১২৪ নং
  3. ১২৫ নং
  4. ১২৬নং
সঠিক উত্তর:
১২৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৩ নং
ব্যাখ্যা
নির্বাচন(৭ম অধ্যায়):
১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
১২১-  প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

উৎস- বাংলাদেশ সংবিধান।
২,৬০২.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে সবার শীর্ষে রয়েছে-  [নভেম্বর,২০২৫]
  1. নেদারল্যান্ডস 
  2. স্পেন 
  3. জাপান
  4. পোল্যন্ড
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

তৈরী পোশাক শিল্প:
- দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে সবার শীর্ষে জাপান।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মে পর্যন্ত ১১ মাসে দেশটিতে ১১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়,
- যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি।
- অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া
- এবং তৃতীয় শীর্ষ অপ্রচলিত বাজার রাশিয়া।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।লিঙ্ক

২,৬০৩.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ১১টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- তখন সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এ ছাড়াও  তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬০৪.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দিয়ে থাকে?
  1. UNEP
  2. UNESCO
  3. WIPO
  4. UNDP
সঠিক উত্তর:
WIPO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WIPO
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে জিআই পণ্য:
- বাংলাদেশে বর্তমানে জিআই পণ্য রয়েছে ২১টি।
- জামদানি, ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলেখাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         ii) ১ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো। 
২,৬০৫.
কাকে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী মনোনীত করা হয়?
  1. এ.কে. ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. ফাতিমা জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ফাতিমা জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাতিমা জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:
- ১৯৬২ সালের সংবিধান অনুযায়ী আইয়ুব খানের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ ৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটার ছিলেন সমগ্র পাকিস্তানে ৮০,০০০ (আশি হাজার) মৌলিক গণতন্ত্রী।
- ১৯৬৪ সালের নভেম্বর মাসে মৌলিক গণতন্ত্রীদের নির্বাচন আয়োজন করা হয়।
- এই নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত হয় 'সম্মিলিত বিরোধী দল' (COP)।
- আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী মনোনীত করা হয় মিস ফাতিমা জিন্নাহকে।
- তিনি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভগ্নি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) ৯ দফা নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করে,
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাক্কালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন এবং পাকিস্তান ছাত্রশক্তি নামক তিনটি ছাত্রসংগঠন মিলে 'পূর্ব পাকিস্তান সংগ্রামী ছাত্র সমাজ' নামক একটি ছাত্র ঐক্য গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬০৬.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে কত তারিখ?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১২ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১৪ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

• মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী - এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
২,৬০৭.
দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব কোন বিভাগের উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. শাসন বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• শাসন বিভাগ:
 → দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার গুরুদায়িত্ব শাসন বিভাগের ওপরে ন্যস্ত থাকে।
 → সাধারণভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপ্রধান সৈন্যবাহিনীর গঠন, পরিচালনা, যুদ্ধ পরিচালনা বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং দেশ রক্ষার প্রয়োজনে বেসামরিক শক্তিকে কাজে লাগানো প্রভৃতি কার্য সম্পাদন করে।
 → রাষ্ট্রপ্রধান প্রয়োজনবোধে সামরিক আইনও জারি করতে পারেন।
 → যুদ্ধ ও প্রতিরক্ষার দায়িত্ব প্রতিরক্ষা দপ্তরের উপর ন্যস্ত থাকে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬০৮.
বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. ডিএসই
  3. বিএসইসি
  4. সিএসই
সঠিক উত্তর:
বিএসইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিএসইসি
ব্যাখ্যা
বিএসইসি:
- বিএসইসি এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ৮ জুন, ১৯৯৩ সালে Bangladesh Securities and Exchange Commission Act ১৯৯৩ অনুসারে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিএসইসি ২০১৩ সাল থেকে International Organization of Securities Commissions (IOSCO) এর সদস্য।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স গঠন করা হয় ৭ অক্টোবর, ২০২৪।
- বর্তমান (২০২৪) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকছুদ।

উৎস: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ওয়েবসাইট।
২,৬০৯.
বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, কত সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২৫ সেন্টিমিটার
  2. ২৮ সেন্টিমিটার
  3. ৩০ সেন্টিমিটার
  4. ৩৩ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
জাটকা ইলিশ:
- বাংলাদেশে ১ নভেম্বর থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত জাটকা অর্থাৎ বাচ্চা ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে।
- বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে। 
- এই আইন অমান্য করা হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে দুই বছরের জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

⇒ জাটকা ধরা হলে পরিপক্কতা লাভের সুযোগ বিঘ্নিত হয়ে বড় ইলিশ পাওয়া যায় না ফলে পরবর্তীতে মা ইলিশ থাকেনা, বিধায় বংশবৃদ্ধির সুযোগ থাকেনা।
- প্রাকৃতিকভাবে মা ইলিশ নদীতে ডিম ছাড়ার পর তা থেকে পোনা এবং বড় হয়ে জাটকা এবং পরবর্তীতে বড় ইলিশে পরিণত হয়।
- একটি মা ইলিশ ২.৫ লক্ষ থেকে শুরু করে ২৩ লক্ষ পর্যন্ত ডিম ছাড়ে অর্থাৎ একটি মা ইলিশ ধরলে ২৩ লক্ষ পোনা উৎপাদন বন্ধ হয়।
- জাটকা ও ডিমওয়ালা মা ইলিশ ধরার কারণে ইলিশের উৎপাদন কমে যায়।

উৎস: i) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
২,৬১০.
বাংলাদেশের একমাত্র লাইসেন্সধারী অ্যালকোহল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) নর্থবেঙ্গল কোম্পানি লিমিটেড
  2. খ) পাবনা সুগার মিলস্ লিমিটেড
  3. গ) কেরু এন্ড কোং লিমিটেড
  4. ঘ) পঞ্চগড় চিনি কল লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
গ) কেরু এন্ড কোং লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেরু এন্ড কোং লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং লিমিটেড
- এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) ১৬টি কোম্পানি পরিচালনা করে যার মধ্যে ১৫টি চিনিকল এবং একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি।
- এর মধ্যে নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।
 
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের (বিএসএফআইসি) আওতায় পরিচালিত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একমাত্র কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ছাড়া সবগুলোই লোকসানে রয়েছে। 
 
কেরু অ্যান্ড কোং বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি কোম্পানি যা মদ তৈরি এবং বিক্রয় করে। তবে আরো কিছু প্রতিষ্ঠান দেশে আমদানি করা মদ বিক্রি করে থাকে। 
অ্যালকোহলের উচ্চ চাহিদা এবং গুণমানের কারণে প্রতিবছর কোম্পানির ডিস্টিলারি বিভাগ থেকে রাজস্বের পরিমাণ বাড়ছে।
 
চলতি বছর, দেশের একমাত্র লাইসেন্সধারী অ্যালকোহল উৎপাদনকারী কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড প্রথমবারের মতো মদের বিক্রি ৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে ।

উৎসঃ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট, ঢাকা ট্রিবিউন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২,৬১১.
অবিভক্ত প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কে ছিলেন?
  1. লক্ষণ সেন
  2. শশাঙ্ক
  3. ধর্মপাল
  4. অশোক
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক: 
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্কই প্রথম সার্বভৌম (স্বাধীন) শাসক।
- তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক "স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে সুবিস্তৃত রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।"
- শশাঙ্ক প্রথম জীবনে স্বাধীন রাজা ছিলেন না, গুপ্ত বংশীয় মহাসেন নামক এক রাজার সামন্ত ছিলেন।
- ষষ্ঠ শতকের শেষের দিকে গৌড়ের পরবর্তী গুপ্তবংশীয় রাজাগণ দুর্বল হয়ে পড়েন।
- এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক ৬৩৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে গৌড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
- গোটা বাংলায় নেমে আসে অন্ধকারের যুগ।
- প্রায় একশ বছর বাংলার ইতিহাসে যে অরাজকতা, নেতৃত্বের শূন্যতার সৃষ্টি হয় তাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬১২.
'কোচ' উপজাতিরা বাংলাদেশের কোথায় বসবাস করে?
  1. সিলেট
  2. রাঙ্গামাটি
  3. শেরপুর
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বাংলাদেশে ৫০টি আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রয়েছে। 

কোচ সম্প্রদায়:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ‘কোচ’।
- কোচরা মাতৃভূমি কোচবিহার পরিত্যাগ করে ময়মনসিংহ জেলায় তাদের আবাস গড়ে তোলে।
- বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।
- কোচ ও রাজবংশীদের প্রায় সময় একই জাতি মনে করা হয়।
- কোচরা গোত্রকে নিকিনি বলে। কোচ সমাজ পিতৃপ্রধান।
- কৃষিকাজ কোচদের প্রধান জীবিকা।

উৎস:
i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) Britannica.
iii) বাংলাপিডিয়া।
২,৬১৩.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন -
  1. ক) এম এ জি ওসমানী
  2. খ) কে এম শফিউল্লাহ
  3. গ) আবদুর রব
  4. ঘ) এ কে খন্দকার
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবদুর রব
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

(উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

২,৬১৪.
রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজ কোনটি?
  1. শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলি
  2. দেশ রক্ষা
  3. স্বাস্থ্য সংরক্ষণ
  4. সামাজিক নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
দেশ রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশ রক্ষা
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রের কার্যাবলি :
-  অপরিহার্য কাজ যেসব কার্য নাগরিকদের জীবন, সম্পত্তি অধিকার, স্বাধীনতা সাথে জড়িত থাকে সেগুলোকে অপরিহার্য কার্যাবলি বলে। রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজগুলো হলো:
১। দেশ রক্ষা।
২। প্রশাসন সংক্রান্ত কার্যাবলি
৩। অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা: 
৪। আর্থিক কার্যাবলি 
৫। আইন সংক্রান্ত কার্যাবলি  
৬। বিচার সংক্রান্ত।
৭। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত কার্যাবলি।

⇒ ঐচ্ছিক কাজ স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে নাগরিকদের জীবনের বহুমুখী উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে সেগুলোকে রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ হিসেবে ধরা যায়। ঐচ্ছিক কাজগুলো নিমে আলোচনা করা হলো:
(১) শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলি।
(২) স্বাস্থ্য সংরক্ষণ।
(৩) দরিদ্র কল্যাণ।
(8) শিল্প ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত।
(৫) উন্নয়নমূলক কার্যাবলি।
(৬) সামাজিক নিরাপত্তা।
(৭) অসহায় নারীদের সাহায্য প্রদান।
(৮) শ্রমিক কল্যাণ ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৬১৫.
Who is the designer of the logo of Mujib Borsho?
  1. ক) Sabyasachi De
  2. খ) Sabyasachi Roy
  3. গ) Sabyasachi Hazra
  4. ঘ) Sabyasachi Chowdhury
সঠিক উত্তর:
গ) Sabyasachi Hazra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Sabyasachi Hazra
ব্যাখ্যা
মুজিব বর্ষ:

- মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার সব্যসাচী হাজরা।
- মুজিব বর্ষ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০)।
- মুজিব বর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ ২০২০ - ৩১ মার্চ ২০২২ সাল।
- ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর, ঢাকা।
- তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ১০ জানুয়ারি ২০২০ সালে মুজিব বর্ষের লোগো উন্মোচন করেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১২ ডিসেম্বর ২০২০।
২,৬১৬.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী তে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা দেখা যায়?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. খাসিয়া
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়।
- প্রজন্মে পর প্রজন্ম এ ব্যবস্থায় মাতৃগোত্রীয় বংশাণুক্রমিক ধারা অব্যাহত থাকে।
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।
- এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়ার মিনানকাবাও, চীনের মোসুও, স্পেনের বাস্কোস, দক্ষিণ আফ্রিকার চরোকি, চক্টো, গিটস্কান, হাইডা, হপি, ইরোকুইস, উত্তর আমেরিকার লিঙ্গট, পশ্চিম সুমাত্রা, মালেশিয়ার নিজারে সিম্বিলান, কেরালার নায়ার, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চাম সম্প্রদায় মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা লালন করে।
- পিতৃকেন্দ্রিক সমাজে বিয়ের পর স্ত্রীকে যেখানে স্বামীর বাড়িতে যেতে হয় এবং স্বামীর সঙ্গে অবস্থান করতে হয়, সে ক্ষেত্রে মাতৃতান্ত্রিক সমাজে বিয়ের পর পুরুষকে স্ত্রীর বাড়িতে চলে যেতে হয়।
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকার মায়ের দিক থেকে আসে।
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ নারী শাসিত হতে হবে এমন নয়, তবে সমাজব্যবস্থা মাতৃকেন্দ্রিক হতে হয়।
- গারো বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েপক্ষ থেকে প্রস্তাব আসে।
- প্রথম স্ত্রীর অনুমতিক্রমে গারো পুরুষ একাধিক বিয়ে করতে পারে।
- তবে তা তিনের অধিক নয়। গারোদের বিয়ের ক্ষেত্রে যৌতুকের প্রচলন নেই।

উৎস: দৈনিক কালের কণ্ঠ। [লিঙ্ক]
২,৬১৭.
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে যৌথকমান্ড গঠন করে-
  1. ১৫ নভেম্বর ১৯৭১
  2. ২১ নভেম্বর ১৯৭১
  3. ২৮ নভেম্বর ১৯৭১
  4. ০৩ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান:
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বাংলাদেশকে সকল প্রকার সহযোগিতা দেয়।
- যুদ্ধকালীন সরকারকে আশ্রয়দান, প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও ভরণ-পোষণ, বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও সহানুভূতি, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তা সহ শেষ দিকে প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন ছিলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
- ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
২,৬১৮.
ক্রিস্টোফার কলম্বাস কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. ক) পর্তুগাল
  2. খ) স্পেন
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইতালি
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস ইতালির অধিবাসী ছিলেন। তিনি স্পেনের রাজা ফার্ডিনান্ড এবং রাণী ইসাবেলার আর্থিক সহায়তায় ১৪৯২ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম উপকূলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন এবং একই বছরের ১২ অক্টোবর বাহামা দ্বীপে পা রাখেন।
তার এই পদার্পণের সূত্র ধরেই পরবর্তীতে আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কৃত হয়। তবে ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার আগে ভাইকিংরা আমেরিকা মহাদেশে পা রাখে।
(সূত্রঃ আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,৬১৯.
SDG বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৪নং লক্ষ্যমাত্রা কোনটি?
  1. দারিদ্র্য নির্মূল
  2. বৈষম্য হ্রাস
  3. মানসম্পন্ন শিক্ষা
  4. ক্ষুধামুক্তি
সঠিক উত্তর:
মানসম্পন্ন শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসম্পন্ন শিক্ষা
ব্যাখ্যা
• টেকসই উন্নয়ন জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহিত হয় - ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫।
• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- ১৭টি।
• টেকসই উন্নয়ন উদ্দেশ্য - ১৬৯টি।
• টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নের সময়কাল- ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০।

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- ১৭টি।

 ১. দারিদ্র্য নির্মূল;
২. ক্ষুধামুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য;
৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. বৈষম্য হ্রাস;
১১. টেকসই শহর ও জনগণ;
১২. পরিমিত ভোগ;
১৩. জলবায়ুবিষয়ক পদক্ষেপ;
১৪. পানির নিচে প্রাণ;
১৫. স্থলভাগের জীবন;
১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার এবং
১৭. লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব।

উৎস : বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
২,৬২০.
শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় কত তারিখে?
  1. ১০ জানুয়ারি
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি
  3. ২০ ফেব্রুয়ারি
  4. ২৩ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির পর ঊনসত্তরের গণআন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- ২৩শে ফেব্রুয়ারির সংবর্ধনা সভায় বঙ্গবন্ধু ১১ দফা দাবির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং
- ৬ দফা ও ১১ দফা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দেন।
- এই সময় তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- ২৬শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খানের সাথে বঙ্গবন্ধু গোলটেবিল বৈঠকে ৬ দফা ও ১১ দফার প্রশ্নে অটল থাকেন।
- এদিকে পশ্চিম পাকিস্তানেও আইয়ুববিরোধী আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৬২১.
নিচের কোন ব্যাক্তি মুজিবনগর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না?
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
  3. গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না - অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী।

• মুজিবনগর সরকার:
 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে প্রথম সরকার গঠিত হয়।
- এটি ‘অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- রাষ্ট্রপতি শাসিত মুজিবনগর সরকারের সদস্য সংখ্যা ছিলো ছয়জন।
 -এরা হলেন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, 
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ, 
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী,  
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬২২.
ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয় -
  1. ক) ১৮২১ সালে
  2. খ) ১৮৩০ সালে
  3. গ) ১৮১৫ সালে
  4. ঘ) ১৮৩৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮১৫ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ (Battle of Waterloo)
ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ান বেনাপোর্ট ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
যুদ্ধ সংঘটনকাল – ১৮ জুন, ১৮১৫ সাল।
বিবাদমান পক্ষ – নেপোলিয়ানের নেতৃত্বে ফ্রান্স বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী
বিজয়ী - সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী।
বিজিত - ফ্রান্স বাহিনী

ব্রিটিশ সম্মিলিত বাহিনী গঠিত হয় – বেলজিয়ান, জার্মান ও ডাচ বাহিনীর সমন্বয়ে। এই বাহিনী নেতৃত্ব দেন- আর্থার ওয়েলেসলি যিনি ছিলেন ‘প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন'। যুদ্ধে নেপোলিয়ানের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
২২ জুন, ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত 'সেইন্ট হেলেনা' দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
৫ মে, ১৮২১ সালে নেপোলিয়ান মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে সমাহিত করা হয়।
 
উৎস: হিস্ট্রি ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা।
২,৬২৩.
বাংলাদেশের কোন সংস্থাটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও হিসেবে পরিচিত?
  1. ব্র্যাক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. আশা
  4. বার্ড
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক
ব্যাখ্যা
BRAC:
- BRAC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rural & Advancement Committee।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক হলো একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি নারী ও শিশুদের উপর বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করে।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
২,৬২৪.
বাংলাদেশের রণসঙ্গীতটির সুরকার কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) সমর দাস
  4. ঘ) শেখ লুৎফুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা।
- মূল কবিতার ২১ চরণ রণসঙ্গীত হিসেবে গৃহীত।
-  রণসঙ্গীতটি 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত।
- 'নতুনের গান' শিরোনামে ঢাকার 'শিখা' পত্রিকায় ১৯২৮ (১৩৩৫) বার্ষিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। 
- পরে এর নাম হয় "চল্‌ চল্‌ চল্‌'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২,৬২৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদিত মৎসের কত শতাংশ ইলিশ থেকে আসে?
  1. ১০.৪৮%
  2. ১১.৬৩%
  3. ১২.৩৯%
  4. ১৫.৮১%
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২,৬২৬.
কোন যুদ্ধের পর বাংলার আফগান শাসনের সমাপ্তি ঘটে?
  1. চৌসার যুদ্ধ
  2. রাজমহলের যুদ্ধ
  3. বক্সারের যুদ্ধ
  4. পানিপথের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
রাজমহলের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজমহলের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• রাজমহলের যুদ্ধ:
- বাংলার আফগান শাসনের সমাপ্তি  হয় - রাজমহলের যুদ্ধের পর।
- ১৫৭৬ এ রাজমহলের যুদ্ধের পর বাংলার আফগান শাসনের সমাপ্তি হলেও ঈসাখান ছিলেন সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- তিনি বুঝতে পেরেছিলেন একা সাম্রাজ্যবাদী মোগলদের বিরুদ্ধে জয় লাভ করতে পারবেন না।
- তাই তিনি পার্শ্ববর্তী অন্যান্য জমিদার ও আফগান দলপতিদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক ও সামরিক মৈত্রী তৈরি করেন।

- ঈসাখানের নেতৃত্বে এই সামরিক শক্তির প্রধান অবলম্বন ছিল তাদের যুদ্ধ রণতরী।
- ১৫৭৮ সালে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার কাস্তলে ঈসাখানের সাথে মোগলদের যুদ্ধ হয়।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ঈসাখান হেরে গেলেও পরবর্তীতে সম্মিলিত শক্তির কাছে মোগলরা পরাজিত হয়।
- ১৫৮৩ ও ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দেও ঈসাখান আগ্রাসী সৈন্যবাহিনীকে যথাক্রমে বাজিতপুরে ও কাত্রাবোতে পরাস্ত করেন।

- ১৫৮৬ সালেও মোগলরা ঈসাখানকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন।
- ঈসাখানের সাথে মোঘল বাহিনীর শেষ যুদ্ধ হয় রাজা মানসিংহের নেতৃত্বে।
- এই যুদ্ধেও মোগলরা তাঁর কাছে পরাজিত হন এবং অনেক মোগল সৈন্য বন্দি হন।
- ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে ঈসাখান মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মু্ক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬২৭.
’জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১৮
  2. অনুচ্ছেদ-২০
  3. অনুচ্ছেদ-২২
  4. অনুচ্ছেদ-২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৮
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ:
- অনুচ্ছেদ-১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- (১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

- (২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান

২,৬২৮.
বাংলাদেশ আধুনিক জাহাজ রপ্তানি শুরু করে -
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।

উল্লেখ্য,
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আধুনিক জাহাজ রপ্তানি শুরু করে।
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মি. ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে। 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে। 

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২,৬২৯.
বাঁশেরকেল্লা নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) হাজী শরীয়তউল্লাহ
  2. খ) তিতুমীর
  3. গ) দুদু মিয়া
  4. ঘ) মজনু শাহ
সঠিক উত্তর:
খ) তিতুমীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিতুমীর
ব্যাখ্যা
- তিতুমীর ওরফে মীর নিসার আলী প্রথমে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন শুরু করেন। পরবর্তীতে তার এই আন্দোলন জমিদার ও ব্রিটিশবিরোধী রূপ লাভ করে।
- তিনি বারাসাতের নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর লে. কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সাথে যুদ্ধে কামানের গোলায় তার বাঁশেরকেল্লা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিনিসহ তার বহু অনুসারী শহিদ হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
২,৬৩০.
আমন ধান উত্তোলনের সময় -
  1. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
  2. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  3. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
২,৬৩১.
দেশে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা নয় কোনটি?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জামালপুর
ব্যাখ্যা
দেশে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুকিপূর্ণ অঞ্চল:

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) কর্তৃক প্রকাশিত Bangladesh Climate and Disaster Risk Atlas অনুসারে -

⇒ দেশে ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা ৩টি।
কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী।

⇒ বন্যা প্রবণ জেলা - ১১টি।
টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর।

আকস্মিক বন্যা ও ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা - ৬টি।
সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ।

⇒ দেশে খরাপ্রবণ জেলা - ১৩টি।
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও গাজীপুর। 

⇒ খরার সঙ্গে বন্যা প্রবণ জেলা - ৬টি।
রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও কুষ্টিয়া।

⇒ বন্যা ও ভূমিকম্প প্রবণ জেলা - ৬টি।
 লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও জামালপুর।

⇒ লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড় প্রবণ জেলা - ১৬টি।
যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরিশাল, ভোলা, বরগুনা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার।

সূত্রঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২
২,৬৩২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ১১টি
  2. ২৫টি
  3. ৬৪টি
  4. ৬০টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর এবং সাব সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল এবং সুবিধার জন্য হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- এই বিভাজনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের কার্যক্রম ও সামরিক অপারেশন সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা সহজ হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৩৩.
সংবিধানের কোন সংশোধনীটি আদালত কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে?
  1. অষ্টম সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
- পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
- সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
- ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
- ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭, আপিল বিভাগে বিচারাধীন)।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট)
২,৬৩৪.
দেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করা হয় কোন জেলায়?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. মুন্সীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
২,৬৩৫.
দেশের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি
  2. খ) আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড
  3. গ) লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স
  4. ঘ) রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ক) নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি
ব্যাখ্যা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- ‘নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি’ নামে নতুন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এমএফএস প্রতিষ্ঠান নগদের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত হবে নতুন অনুমোদন পাওয়া নগদ ফাইন্যান্স।

- নগদ ফাইন্যান্সের অনুমোদনের পর দেশে এখন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬টি।
- এর মধ্যে ২টি সরকারি। ২১টির উদ্যোক্তা বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা। আর ১৩টি গড়ে উঠেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে।
- তবে দেশে এখনো কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমএফএস সেবা নেই, ফলে নগদই হবে প্রথম এমএফএস সেবাযুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৩ এপ্রিল, ২০২৩)।
২,৬৩৬.
নিচের কোন স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও স্থান পায়নি?
  1. পাহাড়পুর
  2. মহাস্থানগড়
  3. ষাটগম্বুজ
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড় বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও স্থান পায়নি।

মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
⇒ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫ সালে)।
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

⇒ বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে)।
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

⇒ সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ওয়েবসাইট ও বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৬৩৭.
বাঙালি জাতির প্রধান অংশ কোন মূল জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. দ্রাবিড়
  2. নেগ্রিটো
  3. ভোটচীন
  4. অস্ট্রিক
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
• বাঙালি জাতির প্রধান অংশ অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 

• বাঙালি আদি-জনগোষ্ঠী:
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক।

- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।
- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।

- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।
- বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।

উৎস:
i) সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। 
iii)বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
২,৬৩৮.
BREB has about _______ consumers of the country in its load.
  1. ক) 70%
  2. খ) 80%
  3. গ) 85%
  4. ঘ) 90%
সঠিক উত্তর:
খ) 80%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 80%
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) তার ৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে সারা দেশে নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
- আরইবির আওতাধীন ৪৬২টি উপজেলার গ্রীডভূক্ত এলাকায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে।
- বর্তমানে এ সংস্থার মোট গ্রাহক সংখ্যা ০৩ কোটি ০৩ লক্ষ, যা জাতীয় গ্রাহক সংখ্যার (৩ কোটি ৮২ লক্ষ) প্রায় ৮০ %। 

উৎসঃ www.reb.gov.bd/
২,৬৩৯.
'সোহরাই' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাতীয় উৎসব?
  1. সাঁওতাল
  2. খাসিয়া
  3. চাক
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২,৬৪০.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' হয়েছিল ইংরেজি -
  1. ক) ১১৭৬ সালে
  2. খ) ১৬৭৬ সালে
  3. গ) ১৭৬০ সালে
  4. ঘ) ১৭৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭৭০ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বৈত শাসন ও দুর্ভিক্ষ
- রবার্ট ক্লাইভ দেওয়ানি সনদের নামে বাংলার সম্পদ লুণ্ঠনের একচেটিয়া ক্ষমতা লাভ করে।
- দিল্লি কর্তৃক বিদেশি বণিক কোম্পানিকে এই অভাবিত ক্ষমতা প্রদানে সৃষ্টি হয় দ্বৈত শাসনের।
- ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।
- যার চরম মাসুল দিতে হয় এদেশের সাধারণ জনগোষ্ঠিকে।
- ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) গ্রীষ্মকালে দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ যা 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মৃত্যু বরণ করে।
- দুর্ভিক্ষের বছরও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ প্রায় তার কাছাকাছি ছিল।
- ফলে চরম শোষণ নির্যাতনে বাংলার মানুষ হত দরিদ্র ও অসহায় হয়ে পড়ে।
- দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় নবাবের হাতে প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় তিনি সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হন।
- সারাদেশে শুরু হয় সীমাহীন বিশৃঙ্খলা ।
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৪১.
পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. রাও ফরমান আলী
  2. টিক্কা খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. জেনারেল নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল নিয়াজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল নিয়াজী
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডার প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৪২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গো-চারণের জন্য বাথান আছে?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• চারণ ভূমি:
- বাথান হলো বিস্তৃত তৃণাচ্ছাদিত ভূমি যেখানে গবাদি পশুর পাল উন্মুক্তভাবে চরে ঘাস খায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানেই থাকে।
- অতীতে দেশের সর্বত্রই বাথান ‍ভূমির উপস্থিতি থাকলেও বর্তমানে চলনবিল সংলগ্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নাটোর, হাওরাঞ্চল ও চরাঞ্চলে অস্থায়ী বাথান ভূমি দেথতে পাওয়া যায়।

- সিলেট, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় শীতকালে কিছু অস্থায়ী বাথান গড়ে ওঠে।
- সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাথান ‍ভূমির আয়তন প্রায় ১,২০০ (বারশো) একর।
- বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং উন্নত দুগ্ধশিল্প গড়ে উঠেছে শাহজাদপুরে।
- এরই ধারাবাহিকতায় শাহজাদপুরে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুগ্ধপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা 'মিল্ক ভিটা'।
- আর এর মূলে রয়েছে এখানকার ঐতিহ্যবাহী বাথানভূমির আবদান

উৎস: সিরাজগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৬৪৩.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত সালে উপমহাদেশে প্রথম বাণিজ্যিক কুঠি স্থাপন করেন?
  1. ক) ১৬০০ সালে
  2. খ) ১৬০৮ সালে
  3. গ) ১৬১৫ সালে
  4. ঘ) ১৬১২ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬১২ সালে
ব্যাখ্যা
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৬০০ সালে রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদি প্রাচ্যে একচেটিয়া বাণিজ্য করার সনদপত্র লাভ করে। এই সনদপত্র নিয়ে কোম্পানির প্রতিনিধি বাণিজ্যিক সুবিধা লাভের আশায় আকবরের দরবারে হাজির হন।
- ক্যাপ্টেন হাকিন্স ১৬০৮ সালে রাজা প্রথম জেমসের সুপারিশপত্র নিয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্রাট জাহাঙ্গীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁর  অনুমতি নিয়ে ১৬১২ সালে সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন হয়।
- পরবর্তীকালে ১৬১৫ সালে প্রথম জেমসের দূত হয়ে জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন স্যার টমাস রো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৪৪.
বাংলায় হিন্দু মুসলিম ঐক্যের প্রচেষ্টা হিসেবে স্বীকৃত ‘বেঙ্গল প্যাক্ট’ কার প্রচেষ্টায় স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. সুভাষচন্দ্র বোস
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. চিত্তরঞ্জন দাশ
  4. মহাত্মা গান্ধী
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা
• বেঙ্গল প্যাক্ট:
- বেঙ্গল প্যাক্ট একটি চুক্তি যা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক পার্থক্যজনিত সমস্যা সমাধানকল্পে সম্পাদিত হয়েছিল। 
- চুক্তির উদ্যোক্তা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলিমদের সাথে হিন্দুদের রাজনৈতিক অংশীদারত্বের পক্ষপাতী ছিলেন।
- এই চুক্তিতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী‌র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- চুক্তিটি বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির ১৯২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর তারিখের সভায়ও অনুমোদন লাভ করে।

• চুক্তিটির বিভিন্ন শর্ত ছিল নিম্নরূপ:
- বঙ্গীয়-আইন সভায় প্রতিনিধিত্ব পৃথক নির্বাচক মন্ডলীর মাধ্যমে জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
- স্থানীয় পরিষদসমূহে প্রতিনিধিত্বের অনুপাত হবে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের শতকরা ৬০ ভাগ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতকরা  ৪০ ভাগ।
- কোন সম্প্রদায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ৭৫ শতাংশের সম্মতি ব্যতিরেকে এমন কোন আইন বা সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা যাবে না, যা ঐ সম্প্রদায়ের সঙ্গে স্বার্থের পরিপন্থী।
- মসজিদের সামনে বাদ্য সহকারে শোভাযাত্রা করা যাবে না।
- আইন সভায় খাদ্যের প্রয়োজনে গো-জবাই সংক্রান্ত কোন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে না এবং আইন সভার বাইরে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সমঝোতা আনার প্রচেষ্টা চালানো অব্যাহত থাকবে। ধর্মীয় প্রয়োজনে গরু জবাইয়ের ব্যাপারে কোন হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৬৪৫.
বাংলাদেশর মোট রপ্তানি আয়ে রেডিমেড গার্মেন্টস-এর অংশ কত?
  1. ক) ৪১.৯%
  2. খ) ৫৬.৮%
  3. গ) ৭৪.৬%
  4. ঘ) ৮৩.৫%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৩.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৩.৫%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।
২০১৯-২০ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় প্রায় ২৭.৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৩ শতাংশ।

[উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]

উল্লেখ্য,
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - চীন
- তৃতীয় দেশ - ভিয়েতনাম।
২,৬৪৬.
নিচের কোনটি ধানের জাত?
  1. ক) মোহর
  2. খ) মল্লিকা
  3. গ) বর্ণালি
  4. ঘ) চান্দিনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) চান্দিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চান্দিনা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের জাত:

- চান্দিনা ধানের একটি জাতের নাম।

- ভুট্টা - বর্ণালি,শুভ্রা ,খই ভুট্টা,মোহর।
- ধান - দুলাভোগ,চান্দিনা,মালা,বিপ্লব,আশা,সুফলা।
- আম - লক্ষনভোগ,মল্লিকা,দুধ সর,হিমসাগর,চোষা,আম্রপালি।

তথ্যসূত্র -  ১) দৈনিক প্রথম আলো,৬ মে ২০২৩।
                ২) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
                ৩) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২,৬৪৭.
মাতারবাড়ী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কত মেগাওয়াটের?
  1. ৯০০
  2. ১১৫০
  3. ১২০০
  4. ১৩২০
সঠিক উত্তর:
১২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০০
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের ১,৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট।
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে 'বিদ্যুৎ হাব' হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
- ২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।

তথ্যসূত্র - কালের কণ্ঠ, ২৯ জুলাই, ২০২৩।
২,৬৪৮.
When did Grameen Bank start working as "Grameen Bank Project"?
  1. in 1973
  2. in 1976
  3. in 1983
  4. in 1986
সঠিক উত্তর:
in 1976
উত্তর
সঠিক উত্তর:
in 1976
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২,৬৪৯.
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সর্ব নিম্ন স্তর কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. পৌরসভা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার:
- বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল-জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- এবং সবচেয়ে নিম্ন স্তর  ইউনিয়ন পরিষদ।
- শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এসএসসি প্রোগ্রাম, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৫০.
কোনটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয় -
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) পাহাড়পুর
  3. গ) মহাস্থানগড়
  4. ঘ) সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয় - সুন্দরবন।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। 
- বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।

অপরদিকে - 
- ময়নামতি, পাহাড়পুর ও মহাস্থানগড় এই তিনটি হচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৬৫১.
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের 'অন্তবর্তীকালীন শাসনতন্ত্র আদেশ, ১৯৭২' জারি করেন কবে?
  1. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের কয়েকদিনের মধ্যেই মুজিবনগর প্রশাসনের সিনিয়র আমলাবৃন্দ সচিব রুহুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে ঢাকায় এসে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করেন।
- ২২ ডিসেম্বর মুজিবনগর সরকারের সদস্যবৃন্দ ঢাকায় আসেন। 
- ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তিলাভের পর লন্ডন-দিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তারিখে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তাজউদ্দিন আহমদ কর্তৃক প্রবাসী সরকার গঠনের সময়েই বঙ্গবন্ধু ঐ সরকারের প্রেসিডেন্ট মনোনীত হয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস তাঁর অনুপস্থিতিতেও বঙ্গবন্ধু সেই পদে বহাল ছিলেন।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি রাতে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের 'অন্তবর্তীকালীন শাসনতন্ত্র আদেশ, ১৯৭২' জারি করেন।
- এই আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু প্রধান বিচারপতির কাছে প্রথমে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং পরে পদত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তখন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রধান বিচারপতি মনোনীত হন বিচারপতি আবু সাদাত মোঃ সায়েম।
- ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ১২ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৫২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলি উল্লেখ আছে?
  1. ৮০ অনুচ্ছেদে
  2. ৮১ অনুচ্ছেদে
  3. ৮২ অনুচ্ছেদে
  4. ৮৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অর্থ বিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে অর্থবিল সম্পর্কে বলা হয়েছে:
- অর্থবিল বলতে এমন বিল বোঝানো হয়, যা কর আরোপ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ, সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ প্রদান, বা এ সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে প্রণয়ন করা হয়।
- যদি কোনো বিল জরিমানা, লাইসেন্স ফি, বা স্থানীয় কর আরোপ নিয়ে হয়, তবে সেটিকে অর্থবিল হিসেবে গণ্য করা হবে না।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর সময় স্পিকার একটি সার্টিফিকেট দিয়ে নিশ্চিত করবেন যে এটি একটি অর্থবিল।
- এই সার্টিফিকেট চূড়ান্ত হবে এবং তা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৬৫৩.
'আগুনের পরশমণি' চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন - 
  1. মফিজুল হক
  2. জহির রায়হান
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. সত্য সাহা
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা

আগুনের পরশমণি:
- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: হুমায়ূন আহমেদ।
- নির্মিত হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মুক্তি পায়: ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে-
• শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত),
• শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা),
• শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক),
• শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ),
• শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৬৫৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক সরকারি হটলাইন কোনটি?
  1. ১০৯
  2. ৩৩৩
  3. ৯৯৯
  4. ১০৬
সঠিক উত্তর:
১০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯
ব্যাখ্যা
সরকারি হটলাইন
• নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে - ১০৯ 
• দুদক - ১০৬
• সরকারি তথ্য ও সেবা - ৩৩৩
• জরুরি সেবা ৯৯৯

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২,৬৫৫.
চাকমা সার্কেল কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে তিনটি সার্কেল বা প্রথাগত প্রশাসনিক এলাকা বিদ্যমান। এগুলো হলো : চাকমা সার্কেল, বোমাং সার্কেল এবং মং সার্কেল।
চাকমা সার্কেল রাঙ্গামাটি জেলায়, বোমাং সার্কেল বান্দরবান জেলায় এবং মং সার্কেল খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত। সার্কেল প্রধানরা রাজা নামে পরিচিত। বর্তমান চাকমা রাজা দেবাশ্বিস রায়। এই প্রথাগত শাসন ব্যবস্থা বাংলাদেশ সরকারের আইন দ্বারা স্বীকৃত।
সূত্র : ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণী এবং পার্বত্য রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইট।
২,৬৫৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশের মোট শ্রমশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৪.৩৫ কোটি
  2. খ) ৫.২৫ কোটি
  3. গ) ৬.৩৫ কোটি
  4. ঘ) ৬.৯৫ কোটি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬.৩৫ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬.৩৫ কোটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের শ্রমশক্তি:
- মোট শ্রমশক্তি : ৬.৩৫ কোটি
- পুরুষ শ্রমশক্তি : ৪.৩৫ কোটি
- নারী শ্রমশক্তি : ২.০০ কোটি
বিভিন্ন খাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
- শিল্পখাতে : ২০.৪ ভাগ
- কৃষিখাতে : ৪০.৬ ভাগ
- সেবাখাতে : ৩৯ ভাগ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
২,৬৫৭.
খিলাফত আন্দোলনের অন্যতম নেতা কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
  2. মাওলানা শওকত আলী
  3. মাওলানা মোহাম্মদ আলী
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
খিলাফত আন্দোলন:
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাবে উদ্ভূত একটি প্যান-ইসলামি আন্দোলন।
- কারণ ভারতের মুসলমানেরা তুরস্কের সুলতানকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা বা ধর্মীয় নেতা বলে শ্রদ্ধা করতেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের সুলতান ব্রিটিশ বিরোধী শক্তি জার্মানির পক্ষ অবলম্বন করলে ভারতে মুসলমান সম্প্রদায় বিব্রত হন।
- কারণ ধর্মীয় কারণে তাঁরা খলিফার অনুগত, আবার অন্যদিকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশ সরকারের অনুগত থাকতে বাধ্য।
- খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও দুই ভাই মাওলানা শওকত আলী এবং মাওলানা মোহাম্মদ আলী।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৬৫৮.
মারমারা গ্রামকে তাদের ভাষায় কী নামে ডাকে?
  1. দিশাম
  2. রোয়া
  3. পুঞ্জি
  4. আদাম
সঠিক উত্তর:
রোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়া
ব্যাখ্যা
মারমা সম্প্রদায় বান্দরবান জেলার বোমাং সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত। মারমারা গ্রামকে তাদের ভাষায় রোয়া এবং গ্রাম প্রধানকে রোয়াজা বলে। এরা নিজেরা গ্রাম প্রধান নির্বাচিত করে। কয়েকটি গ্রাম মিলে একটি মৌজা এবং কয়েকটি মৌজা নিয়ে একটি সার্কেল গঠিত হয়।
কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম’ বা ‘পাড়া’। পাড়া প্রধানকে বলা হয় কার্বারি। কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা। মৌজা প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান।
খাসিয়া প্রথাগত ধারায় তাদের গ্রামকে পুঞ্জি নামে ডাকা হয়। তাদের পুঞ্জিভিত্তিক হেডম্যান প্রথা চালু আছে।
দিশাম হলো সাঁওতালদের গ্রাম।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী]
২,৬৫৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপিতে মোট কয়টি খাত?
  1. ১৬ টি 
  2. ১৯ টি
  3. ১৫ টি
  4. ১৮ টি
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
ব্যাখ্যা
জিডিপি খাত:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

• জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
- কৃষি: ১১.০২%।
- শিল্প: ৩৭.৯৫%।
- সেবা: ৫১.০৮%।

• ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
- কৃষি:৪৫%।
- শিল্প: ১৭%।
- সেবা: ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২,৬৬০.
পুরাতন বর্ষকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে মারমারা কোন উৎসব উদযাপন করে?
  1. ক) কঠিন চীবর দান
  2. খ) ওয়াগ্যই
  3. গ) সাংগ্রাই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সাংগ্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা
মারমাদের উৎসব

মারমারা পুরাতন বর্ষকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে সাংগ্রাই উৎসব উদযাপন করে।
- এ সময় তারা 'পানিখেলা' বা 'জলোৎসব'-এ মেতে উঠে। 
- এই উৎসবে পানিখেলার নির্দিষ্ট স্থানে নৌকা বা বড় পাত্রে পানি রাখা হয়।
- এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই উৎসব বেশ আনন্দ-উদ্দীপনার সাথে উদযাপিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২,৬৬১.
'ইরাটম' কী?
  1. উন্নত জাতের ধান
  2. উন্নত জাতের গম
  3. উন্নত জাতের ভুট্টা
  4. উন্নত জাতের আলু
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
⇒ উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২,৬৬২.
‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. সাভারে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:

- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
২,৬৬৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ কত?
  1. ৪২.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৪.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৬.২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
- এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আজ প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ছিল ৪৪.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। [link]
iii) প্রথম আলো।
২,৬৬৪.
বঙ্গবঙ্গের ফলে গঠিত নতুন প্রদেশ দুটির নাম কী?
  1. পূর্ব বাংলা ও আসাম, পশ্চিম বাংলা
  2. পূর্ববাংলা, আসাম
  3. বিহার, পশ্চিম বাংলা
  4. বিহার, উড়িষ্যা
সঠিক উত্তর:
পূর্ব বাংলা ও আসাম, পশ্চিম বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব বাংলা ও আসাম, পশ্চিম বাংলা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবঙ্গের ফলে গঠিত নতুন প্রদেশ দুটির নাম- পূর্ব বাংলা ও আসাম, পশ্চিম বাংলা।

• বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড় লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
-ভাগ হবার পূর্বে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি।
- বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন অনেক বড় হওয়ার কারণে ১৮৫৩ থেকে ১৯০৩ সাল পর্যন্ত এর সীমানা পুনর্বিন্যাসের অনেক প্রস্তাব ব্রিটিশ সরকারি মহলে উপস্থাপন করা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে ১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন।
- এবং ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়।
-  এই পরিকল্পনায় বর্তমান বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী এবং ভারতের আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ যার রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরপক্ষে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী হয় কোলকাতা।
- হিন্দুদের তীব্র আন্দোলনের মুখে, রাজা পঞ্চম জর্জ ১৯১১ সালে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
২,৬৬৫.
'পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি') এর মতে, দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার -  [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ১৮.৭২ শতাংশ
  2. ২১.৬৭ শতাংশ
  3. ২৫.৩৪ শতাংশ
  4. ২৭.৯৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
২৭.৯৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭.৯৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

দেশে দারিদ্র্যের হার:
- বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি') এর মতে, দেশে দারিদ্র্যের হার ২৭.৯৩ শতাংশ।

⇒ সম্প্রতি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) ‘ইকোনমিক ডায়নামিকস অ্যান্ড মুড অ্যাট হাউসহোল্ড লেবেল ইন মিড ২০২৫’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে এখন দারিদ্র্যের হার ২৭ দশমিক ৯৩ বা প্রায় ২৮ শতাংশ।
- এর মানে হলো, গত তিন বছরের মধ্যে দরিদ্র লোকের সংখ্যা বেড়েছে প্রতি ১০০ জনে ১০ জন। দেশের মোট জনগোষ্ঠীর প্রতি ৪ জনে ১ জন দরিদ্র মানুষ। 
- ২০২২ সালে দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।
- পিপিআরসি জানায়, বর্তমানে দেশের প্রায় ১৮ শতাংশ মানুষ যে কোনো সময় দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, দেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। আর অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।
- সেই হিসাবে পিপিআরসির সমীক্ষায় দেশে দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্য—দুটিই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

২,৬৬৬.
The first Museum in Bangladesh is-
  1. Sonargaon Museum
  2. Barendra Museum
  3. Osmani Museum
  4. National Museum
সঠিক উত্তর:
Barendra Museum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Barendra Museum
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত।
- এই জাদুঘর প্রত্ন সংগ্রহে সমৃদ্ধ।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামন্ডিত শত শত মূর্তি, রাজ্যপালের ভাতুরিয়া লিপি, প্রথম মহিপালের রাজভিটালিপি, দেওপাড়া প্রশস্তি এবং লক্ষণ সেনের বাগবাড়ী প্রশস্তিতে বরেন্দ্রের নিজস্ব শিল্প ঘরানার যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রয়েছে সমৃদ্ধশালী একটি পুঁথি সংগ্রহশালা।
- এছাড়াও রয়েছে প্রায় পনেরো হাজার দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও পত্রিকা সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৬৬৭.
ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন-
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. ফয়েজ আহমেদ
  3. মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. মাহমুদ হাসান
সঠিক উত্তর:
মোয়াজ্জেম হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোয়াজ্জেম হোসেন
ব্যাখ্যা

- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- তাঁর মেয়াদকাল ছিল ২২ অক্টোবর, ১৯৪৮ থেকে ০৮ নভেম্বর, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

উৎসঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।

২,৬৬৮.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি.
  2. ৪৬ মি.
  3. ৪৫.৫ মি.
  4. ৪৫ মি.
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি.
ব্যাখ্যা
• জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট — (৪৫.৭২ মি.) যা প্রায় ৪৬ মিটার।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৬৬৯.
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

২,৬৭০.
সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. শামীম শিকদার
  4. শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক  
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুণ্ডু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ
- সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি ছিলেন নিতুন কুণ্ডু। 
- নিতুন কুণ্ডু (১৯৩৫-২০০৬) একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর ও শিল্পপতি ছিলেন।
- সাবাস বাংলাদেশ হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্য।
-  ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। 
- এই ভাস্কর্যটি স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও ত্যাগের প্রতীক।
- ভাস্কর্যটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের "দুর্মর" কবিতার অংশ খোদাই করা আছে।

অন্যদিকে,
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম স্থাপত্যের স্থপতি হচ্ছে- শামীম শিকদার।
- জাগ্রত চৌরাঙ্গী’র প্রধান ভাস্কর ছিলেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী। 

২,৬৭১.
১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত ভাষা দিবস হিসেবে কোন দিনটি পালন করা হতো?
  1. ১১ ফেব্রুয়ারি
  2. ১১ মার্চ
  3. ১৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ
ব্যাখ্যা
১১ মার্চ: প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস
- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় দখল করে আছে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ।
- ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে ১১ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে পালিত হয়েছিল ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় বক্তব্য প্রদান ও সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব দাখিল করেন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি এটি গণপরিষদে আলোচিত হয়।
- এদিন তমিজুদ্দিন খানের নেতৃত্বে গণপরিষদের মুসলিম লীগের সব মুসলিম সদস্য একযোগে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছাত্র ধর্মঘট ও হরতাল পালিত হয় পূর্ব বাংলার প্রায় সবগুলো জেলা শহরেই। 
- ১১ মার্চের বিক্ষোভ কর্মসূচি, ছাত্র ধর্মঘটের মধ্য দিয়েই পাকিস্তানের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছিল।
- তীব্র আন্দোলনের মুখে খাজা নাজিমুদ্দীন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আসন্ন ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ৮টি বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি সই করতে বাধ্য হন।
- পরে ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রায় প্রতিটি শহরেই ১১ মার্চ 'রাষ্ট্রভাষা দিবস' হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: মার্চ ১৩, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 
২,৬৭২.
কে অপারেশন সার্চলাইট এর নীল নকশা তৈরি করেন?
  1. মো. আলী জিন্নাহ
  2. টিক্কা খান
  3. ভুট্টো
  4. ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ, ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
২,৬৭৩.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. এম মনসুর আলী
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার: 
 - মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। 
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:  
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)।
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৬৭৪.
বাংলাদেশের অর্থনীতি মোট কয়টি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ১৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫টি
ব্যাখ্যা
২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরকে ভিত্তিবছর ধরে বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিতে বৃহৎ তিনটি খাত যথাক্রমে- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।
এ তিনটি বৃহৎ খাতের মধ্যে কৃষিতে দুটি, শিল্পে ৬টি এবং সেবায় ৭টি ছোট খাত রয়েছে।
তাই সার্বিকভাবে ১৫টি খাত নিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি গঠিত।
উল্লেখ্য, পরবর্তী ভিত্তিবছর (২০২১) থেকে অতিরিক্ত ৬টি খাত যুক্ত করা হবে। তখন ২১টি খাতকে গণনা করে জাতীয় আয় নির্ধারণ করা হবে।
উৎসঃ বাজেট বক্তৃতা ২০২০-২০২১ অর্থবছর
২,৬৭৫.
“মাৎস্যন্যায়” বাংলার কোন সময়কাল নির্দেশ করে?
  1. ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
  2. ৫ম-৬ষ্ঠ শতক
  3. ৮ম-১০ম শতক
  4. ৭ম-৮ম শতক
সঠিক উত্তর:
৭ম-৮ম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম-৮ম শতক
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায়:
যখন দণ্ডদানের আইন স্থগিত বা অকার্যকর থাকে তখন এমন অরাজক অবস্থার সৃষ্টি হয় যা মাছের রাজ্য সম্পর্কে প্রচলিত প্রবচনের মধ্যে পরিস্ফুট। অর্থাৎ অপেক্ষাকৃত বড় মাছ ছোটটিকে গ্রাস করে, কারণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অবর্তমানে সবল দুর্বলকে গ্রাস করবেই।

সময়কাল:
বাংলার ৭ম-৮ম শতকের নৈরাজ্যপূর্ণ সময়কে 'মাৎস্যন্যায়' নামে অভিহিত করা হয়।

মাৎস্যন্যায় এবং অরাজকতা:
শশাঙ্কের পর বাংলায় অরাজকতা ও হানাহানির যুগ (৭ম-৮ম শতক) শুরু হয়, যা ইতিহাসে ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে পরিচিত।

গোপালের রাজত্ব:
বাংলার দীর্ঘ সময়ের অরাজকতা ও হানাহানির অবসান ঘটে গোপালের রাজত্বের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, যার ফলে পাল বংশের শাসন শুরু হয় এবং বাংলায় স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।

পাল রাজবংশের শাসন:
প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে, যা অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর ধরে বাংলা ও বিহার অঞ্চলে শাসন প্রতিষ্ঠা করে।

গোপালের উত্থান:
বাংলায় চরম অরাজকতা ও নৈরাজ্যের অবসান ঘটিয়ে গোপাল নামে এক উচ্চবর্ণের ব্যক্তি পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রখ্যাত পাল রাজারা:
ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপালসহ আরও অনেক পাল রাজা বাংলার শাসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৭৬.
আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা দাবি পেশ করা হয় -
  1. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ২৩ জুন, ১৯৬৬
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।

দফাগুলো হলো:
• প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
• দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
• তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
• চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
• পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
• ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ও মূলধারা ’৭১'।
২,৬৭৭.
‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) বাংলা ১২৫০ বঙ্গাব্দে
  2. খ) বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে
  3. গ) ইংরেজি ১৮৫০ সালে
  4. ঘ) ইংরেজি ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা
ইংরেজি ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত। বাংলা ১৩৫০ বঙ্গাব্দে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় এটিকে "পঞ্চাশের মন্বন্তর" বলা হয়।
এ দুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়। এ দুর্ভিক্ষের জন্যে কৃত্রিম সংকটকে দায়ী করা হয়। এ দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়]
২,৬৭৮.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন?
  1. ৪নং সেক্টর
  2. ৫নং সেক্টর
  3. ৬নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে.
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২,৬৭৯.
বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কী ছিল?
  1. মৈত্রী ভবন
  2. বাংলা হাউস
  3. বর্ধমান হাউস
  4. সাহিত্য ভবন
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউস
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি:
​- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
​- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকায় এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
​- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
​- আবু হোসেন সরকার বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
​- ১৯৬০ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমি অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

​উল্লেখ্য,
​- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
​- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মাওলানা আঁকরাম খাঁ।
​- ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়।

​তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

২,৬৮০.
‘সাগরকন্যা’ কোন এলাকার ভৌগােলিক নাম?
  1. ক) টেকনাফ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) পটুয়াখালী
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৬৮১.
'ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ' মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২ নং
  2. ৭ নং
  3. ৮ নং
  4. ১ নং
সঠিক উত্তর:
১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ:
- বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার। 
- যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে।

১। ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর,
- সেক্টর: ৭ নং,
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।

২। সিপাহী হামিদুর রহমান,
- সেক্টর: ৪ নং,
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১।

৩। সিপাহী মোস্তফা কামাল,
- সেক্টর: ২ নং,
- মৃত্যু: এপ্রিল ১৮, ১৯৭১।

৪। মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
- সেক্টর: ১০ নং,
- মৃত্যু: ডিসেম্বর ১০, ১৯৭১।

৫। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান,
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী,
- মৃত্যু: আগস্ট ২০, ১৯৭১।

৬। ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ,
- সেক্টর: ১ নং,
- মৃত্যু: এপ্রিল ৮,১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ১ম শহীদ)।

৭। নূর মোহাম্মদ শেখ,
- সেক্টর: ৮ নং,
- মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২,৬৮২.
ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিশ্বের কয়টি রুটে চলাচল করে?
  1. ৯টি
  2. ১২টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
ইউএস-বাংলার ফ্লাইট
- দেশের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি এখন ৯টি দেশের ১২টি আন্তর্জাতিক রুটে চলছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার ফ্লাইট।

• দেশগুলো হলো–
- আরব আমিরাত,
- ওমান,
- কাতার, 
- চীন,
- মালয়েশিয়া,
- সিঙ্গাপুর,
- থাইল্যান্ড, 
- মালদ্বীপ
- ও ভারত।
• রুটগুলো হলো–
- দুবাই,
- শারজাহ,
- আবুধাবি,
- মাস্কাট,
- দোহা,
- গুয়াংজু,
- সিঙ্গাপুর,
- কুয়ালালামপুর,
- ব্যাংকক,
- চেন্নাই,
- মালে
- ও কলকাতা।
এ ছাড়া জেদ্দা, দিল্লি, লন্ডন ও রোমে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বিমান সংস্থাটির।

সূত্র- সমকাল। 
২,৬৮৩.
গঙ্গারিডাই রাজ্যের অস্তিত্বকালে গ্রিক সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. সেলুকাস
  2. টলেমি
  3. মেগাস্থিনিস
  4. আলেকজান্ডার
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্ডার
ব্যাখ্যা

গঙ্গারিডাই:
- গঙ্গারিডাই প্রথম খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে গ্রিক ও ল্যাটিন লেখায় একটি জনগোষ্ঠী ও একটি দেশের নাম হিসেবে উল্লিখিত।
- গঙ্গারিডাই রাজ্যের অস্তিত্বকালে প্রধান গ্রিক সেনাপতি ছিলেন আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট। আলেকজান্ডার ও তাঁর সৈন্যবাহিনীর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ডিওডোরাস (৬৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ-১৬ খ্রিস্টাব্দ) সিন্ধু পরবর্তী দেশ সম্বন্ধে লিখতে গিয়ে উল্লেখ করেছেন যে, গঙ্গা পেরিয়ে যে অঞ্চল সেখানে ‘প্রাসিয়ই’(Prasioi) ও গঙ্গারিডাই-দের আধিপত্য।
- টলেমি (দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দ) গঙ্গারিডাই-এর অবস্থান সম্পর্কে কিছুটা বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন যে, গঙ্গার পাঁচটি মুখ সংলগ্ন প্রায় সমস্ত এলাকা গঙ্গারিডাইগণ দখল করে রেখেছিল, ‘গাঙ্গে’ (Gange) নগর ছিল এর রাজধানী। 
- প্রাচীন বাংলার বঙ্গ জনপদকে গ্রিক ও ল্যাটিন লেখকদের ‘গঙ্গারিডাই’-এর সমতুল্য গণ্য করা যেতে পারে।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে প্রাপ্ত নিদর্শনের ভিত্তিতে 'ঐতিহ্য অন্বেষণ' নামক সংস্থাটি দাবি করেছে যে, উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলেই হয়তো ইতিহাস বিখ্যাত গঙ্গারিডি বা গঙ্গারিডাই রাজ্য গড়ে উঠেছিল।

অন্যদিকে,
- সেলুকাস: আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর (৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) তাঁর সেনাপতি, যিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সাথে যুদ্ধ করেন।
- টলেমি: আলেকজান্ডারের আরেক সেনাপতি, যিনি মিশরে রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- মেগাস্থিনিস: গ্রিক রাষ্ট্রদূত ও ঐতিহাসিক (চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময়ে পাটলীপুত্রে আসেন), সেনাপতি নন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৮৪.
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি কোন শতকে নদীয়া জয় করেন?
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। 
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়। 
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৬৮৫.
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে রেমিট্যান্স উপার্জনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ষষ্ঠ
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) নবম
সঠিক উত্তর:
খ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয় ২০২২:
- বিশ্বব্যাংকের হিসেবে রেমিট্যান্স উপার্জনে বিশ্বে ৭ম অবস্থানে বাংলাদেশ।

এছাড়াও 
 -রেমিট্যান্স উপার্জনে বিশ্বে প্রথম - ভারত।
- দ্বিতীয় - মেক্সিকো।
- তৃতীয় - চীন।
- চতুর্থ - ফিলিপাইন।
- পঞ্চম - পাকিস্তান।
- ষষ্ঠ - মিশর।
- সপ্তম - বাংলাদেশ।
- অষ্টম - নাইজেরিয়া।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক ও লাইভ এমসিকিউ ডায়নামিক প্যানেল (জুন, ২০২৩)।
২,৬৮৬.
রাজস্ব নীতি বলতে সরকারের কোন সংক্রান্ত নীতিকে বোঝায়?
  1. সরকারের আয়
  2. সরকারের ব্যয়
  3. সরকারের রাজস্ব
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
রাজস্ব নীতি: 
- সরকারি অর্থব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজস্ব নীতি।
- সরকার বিভিন্ন অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে সকল নীতি গ্রহণ করে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রাজস্ব নীতি।
- সংক্ষেপে সরকারের রাজকোষ পরিচালনা নীতি হলো রাজস্ব নীতি।
- রাজস্ব নীতি বলতে সরকারের আয়-ব্যয় এবং রাজস্ব আহরণ সংক্রান্ত নীতিকে বোঝায়।

উৎস: Macroeconomics, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৬৮৭.
কে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) ইউসুফ আলী
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) আমিরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
-  স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৬৮৮.
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
  1. ক) ফজলুর রহমান খান
  2. খ) বব বুই
  3. গ) কন্সটান্টিন ডক্সিয়াডেস
  4. ঘ) লুই আই কান
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই আই কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই আই কান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
এটির স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক লুই আই কান।
জাতীয় সংসদ ভবন ২১৫ একর জমির উপর অবস্থিত। এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে এবং উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি।
এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়)
২,৬৮৯.
১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের সীমানা নির্ধারণী কমিশনের প্রধান কে ছিলেন?
  1. স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
  2. ক্লিমেন্ট এটলি
  3. স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস
  4. লর্ড ওয়েভেল
সঠিক উত্তর:
স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের সীমানা নির্ধারণী কমিশনের প্রধান ছিলেন স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ।
- স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ নেতৃত্বেই ভারত ও পাকিস্তানের বর্তমান সীমানা রেখা (Radcliffe Line) টানা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
• ১৯৪৭ সালের ৩০ জুন পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের সীমানা নির্ধারণের জন্যে বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশনের সদস্য ছিলো পাঁচজন। এরা হলেন-
- সিরিল রেডক্লিফ (চেয়ারম্যান)
- বিচারপতি বিজন কুমার মুখার্জী
- বিচারপতি সি.সি. বিশ্বাস
- বিচারপতি আবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
- বিচারপতি এস.এ. রহমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড।

২,৬৯০.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী মোট বিনিয়োগ জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ক) ৩০.৮২ শতাংশ
  2. খ) ৩১.২৫ শতাংশ
  3. গ) ৩১.৬৮ শতাংশ
  4. ঘ) ৩২.০০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩১.৬৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩১.৬৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,

- দেশজ সঞ্চয় মোট জিডিপির ২১.৫৬ শতাংশ।
- জাতীয় সঞ্চয় মোট জিডিপির ২৫.৪৫ শতাংশ।
- বিনিয়োগ মোট জিডিপির ৩১.৬৮ শতাংশ।
- সরকারি বিনিয়োগ মোট জিডিপির ৭.৬২ শতাংশ।
- বেসরকারি বিনিয়োগ মোট জিডিপির ২৪.০৪ শতাংশ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২]
২,৬৯১.
হুন্ডি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা প্রেরণ করার ক্ষেত্রে কোন চ্যানেল ব্যবহৃত হয়?
  1. সরকারি চ্যানেল
  2. ব্যাংকিং চ্যানেল
  3. বৈধ প্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
  4. অবৈধ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেল
ব্যাখ্যা
হুন্ডি:
- ব্যাংকিং বা অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যতীত অন্য যেকোন উপায়ে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা (বৈদেশিক মুদ্রা) প্রেরণ করাকে হুন্ডি বলে।
- হুন্ডি একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থ লেনদেন পদ্ধতি যা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে প্রচলিত এবং প্রবাসীদের মাঝে খুবই জনপ্রিয়।
- এটি মূলত প্রবাসী আয়ের অর্থ সহজ এবং দ্রুত স্থানান্তরের একটি মাধ্যম। তবে এটি কোনোভাবেই বৈধ কোনো মাধ্যম নয়।
- আর যাঁরা ঘুষ-দুর্নীতি, কর ফাঁকি, চোরাচালান বা অন্য কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জন করেছেন, তাঁরা অর্থ পাচারের জন্য বেছে নেন হুন্ডিকেই।
- সাধারণত ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে এটা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

তথ্যসূত্র: ০৯ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৬৯২.
করোনাকালে কৃষিতে ঘোষিত প্রণোদনার সুদের হার কত?
  1. ক) ৬%
  2. খ) ৪%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৮%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
ব্যাখ্যা

করোনাকালে কৃষিতে ঘোষিত প্রণোদনার সুদের হার ৪%।
- প্রধানমন্ত্রী কৃষি ক্ষেত্রে প্রণোদনা ঘোষণা করেন ১২ এপ্রিল ২০২০ তারিখে।
- কৃষিতে দেয়া প্রণোদনার পরিমাণ ৫০০০ কোটি টাকা। 
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৫৪৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

সূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক এর পরিপত্র।

২,৬৯৩.
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. কুতুবদিয়া
  2. মহেশখালী
  3. সীতাকুন্ড
  4. আনোয়ারা
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান : কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার: দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।

২,৬৯৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজন রাজসাক্ষী ছিল?
  1. ১১ জন
  2. ১৩ জন
  3. ১৭ জন
  4. ১৯ জন
সঠিক উত্তর:
১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৯৫.
KAFCO-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Karnaphuli Agro Fertilizer Company Organization
  2. Karnaphuli Fertilizer Company Limited
  3. Karnafuli Ammonia Fertilizer Corporation
  4. Karnaphuli Agrochemical Fertilizer Corporation
সঠিক উত্তর:
Karnaphuli Fertilizer Company Limited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Karnaphuli Fertilizer Company Limited
ব্যাখ্যা

KAFCO:
- KAFCO- এর পূর্ণরূপ: Karnaphuli Fertilizer Company Limited.

⇒ কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) দেশের সর্ববৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বহুজাতিক যৌথউদ্যোগ প্রকল্প।
- এটি অ্যামোনিয়া/ইউরিয়া সার প্রস্ত্ততের রপ্তানিমুখী কারখানা।
- এটি একটি ১০০% রপ্তানিমুখী আন্তর্জাতিক যৌথ উদ্যোগ কোম্পানি।
- এটি চট্টগ্রামের রাঙ্গাদিয়া, কর্ণফুলী, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর ঠিক পাশে অবস্থিত। 
- বাংলাদেশ, জাপান, ডেনমার্ক এবং নেদারল্যান্ডসের সরকার এবং বেসরকারি খাতের শেয়ারহোল্ডিং এবং সহায়তায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত, কাফকো বাংলাদেশের বৃহত্তম যৌথ উদ্যোগ বিনিয়োগ।
- কাফকো বিশ্বের অনেক দেশে তার পণ্য বাজারজাত করে।
- KAFCO কমপ্লেক্স উচ্চ-গ্রেডের দানাদার ইউরিয়া এবং অ্যানহাইড্রাস অ্যামোনিয়া তৈরি করে।

উল্লেখ্য,
- কাফকোর কর্পোরেট অফিস বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।

উৎস: KAFCO ওয়েবসাইট।

২,৬৯৬.
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি?
  1. ৮ জন
  2. ৯ জন
  3. ১০ জন
  4. ১১ জন
সঠিক উত্তর:
১০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ - কাজী আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (মরণোত্তর)।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ড. মোবারক আহমদ খান।
• চিকিৎসাবিদ্যা - ডাঃ হরিশংকর দাশ।
• সংস্কৃতি - মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
• ক্রীড়া - ফিরোজা খাতুন।
• সমাজসেবা/জনসেবা - অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এস.এম. আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, মার্চ ১৫, ২০২৪।
২,৬৯৭.
'অজন্তার গুহাচিত্র' কোন যুগের সময়কার নিদর্শন? 
  1. গুপ্ত 
  2. মৌর্য 
  3. কুষাণ 
  4. সেন 
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত 
ব্যাখ্যা

অজন্তার গুহাচিত্র:
- ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র আওরঙ্গাবাদ শহর থেকে অজন্তার দূরত্ব প্রায় ১০১ কিলোমিটার। খ্রিষ্টপূর্ব ২০০ সাল থেকে সপ্তম খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে নির্মিত এসব গুহা। মূলত বৌদ্ধ ভিক্ষুরা উপাসনার জন্য নির্জন এ পাহাড়ে খোদাই করে গুহাগুলো তৈরি করেছেন। কেবল গুহা নয়, এসব গুহার ভেতর বৌদ্ধ ভিক্ষুরা নিপুণ হাতে পাথরের পাহাড় কেটে কেটে তৈরি করেছেন বুদ্ধের মূর্তিসহ নানা শিল্পকর্ম; শিল্পের ভাষায় যাকে ‘রিলিফ ওয়ার্ক’ বলে। এ ছাড়া গুহার ছাদ বা সিলিংয়েও অনেক শিল্পকর্ম আছে; যাকে শিল্পের ভাষায় ফ্রেসকো বলে। 
- ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, বৌদ্ধ ভিক্ষু বা সন্ন্যাসীরা উপাসনা বা ধর্মচর্চা ও সংস্কৃতিচর্চার জন্যই অরণ্যঘেরা নির্জন এ অজন্তার পাহাড় খোদাই করে গড়েছেন গুহাগুলো। ছোট-বড় মিলিয়ে গুহা আছে ২৯টি। 

⇒ ভারতীয় শিল্পকলার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে গুপ্ত সম্রাট (খ্রি. ৩২০-৬৭৫) এবং তাঁদের নিকটবর্তী সময়ে। 
- এ সময়কার সৃষ্টিই অজন্তার গুহা। 
-  বিরল গুহা চিত্রের জন্য  অজন্তা ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

২,৬৯৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড আকারে কয়টি ফোর্স গঠিত হয়?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানী (সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে) ব্রিগেড আকারে তিনটি ফোর্স গঠন করেছিলেন।
• ফোর্স ৩টি হলোঃ
- জেড ফোর্স (জিয়াউর রহমান),
- কে ফোর্স (খালেদ মোশারফ) এবং
- এস ফোর্স (কে এম শফিউল্লাহ)।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২,৬৯৯.
বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মহিলা শিক্ষকের হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৭৫.৪৩
  2. খ) ৮৫.২১
  3. গ) ৭২.৪
  4. ঘ) ৬৪.২০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪.২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪.২০
ব্যাখ্যা

বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা শিক্ষকের হার ৬৪.২০%।
- প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা শিক্ষকের নিয়োগ বিধি ৬০% প্রণয়ন করার ফলে ১৯৯১ সালে ২১.৯% থেকে ২০২১ সালে ৬৪.২০% উন্নীত হয়েছে।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

২,৭০০.
নিম্নের কোন সংস্থাটি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে?
  1. ক) UNDP
  2. খ) WHO
  3. গ) UNICEF
  4. ঘ) UNESCO
সঠিক উত্তর:
ঘ) UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) UNESCO
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

উৎস: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।