বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩০ / ৩০৬ · ১২,৯০১১৩,০০০ / ৩০,৮৩২

১২,৯০১.
কে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নিয়োগ দিয়ে থাকেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট:
- হাইকোর্টের ব্রেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি। 
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। 
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর। 
- বর্তমানে ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে। 
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।

আপীল বিভাগের এখতিয়ার:
সংবিধান আপীল বিভাগকে নিম্নলিখিত এখতিয়ার প্রদান করেছে:

ক) আপীলের এখতিয়ার: সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানী ও তা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকবে। 

খ) আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ: সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন কোন ব্যক্তির হাজিরা বা দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হতে পারে, আপীল বিভাগ সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করতে পারে।

গ) পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা: সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি সাপেক্ষে আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত কোন রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকবে। 

ঘ) উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার

ঙ) সুপ্রীম কোর্টের বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা: সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে প্রত্যেক বিভাগের এবং অধস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারে।

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
সংবিধানের ১০১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, সংবিধান বা যে কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর যেরূপ আদি, আপীল ও অন্য প্রকার এখতিয়ার ও ক্ষমতা অর্পন করা হবে উক্ত বিভাগের সেরূপ এখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকবে।

ক) আদি এখতিয়ার: হাইকোর্ট বিভাগের আদি এখতিয়ার বলতে সেই এখতিয়ারকে বোঝায় যেখানে এটি প্রথম বিচারাদালত হিসেবে একটি মামলা বা মোকদ্দমার শুনানী করতে পারে। 

খ) আপীলের এখতিয়ার: যেকোনো আইন যেকোনো বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগকে এখতিয়ার প্রদান করতে পারে। 

গ) পুনঃনিরীক্ষণের এখতিয়ার: হাইকোর্ট বিভাগ তার অধীনস্ত আদালতের সিদ্ধান্ত পরীক্ষা করতে পারে।

(খ) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৩৯ ধারা হাইকোর্ট বিভাগকে তার অধীনস্ত আদালতের ফৌজদারী বিষয়গুলির পুনঃনিরীক্ষণের এখতিয়ার প্রদান করেছে। 

ঘ) পুনর্বিবেচনার এখতিয়ার: দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১৪ ধারা হাইকোর্ট বিভাগকে পুনর্বিবেচনার এখতিয়ার প্রদান করেছে। 

ঙ) অধস্তন আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের এখতিয়ার: সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন সকল আদালত ও ট্রাইব্যুনালের উপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা থাকবে।

চ) অধস্তন আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর

লয়াজিমা আদালত:
মাননীয় রেজিস্ট্রার মহোদয় লয়াজিমা আদালতের সভাপতিত্ব করেন। এ আদালত মামলাগুলি শুনানীর জন্য প্রস্তুত করার পদ্ধতিগত বিষয় নিয়ে কাজ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) Legislative and Parliamentary Affairs Division, Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs
১২,৯০২.
বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম কী?
  1. ক) BTTB
  2. খ) BTCC
  3. গ) BTCL
  4. ঘ) BTRC
সঠিক উত্তর:
গ) BTCL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) BTCL
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম BTCL.
- BTCL এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Telecommunications Company Limited.
- The Bangladesh Telegraph and Telephone Board Ordinance, 1979 এর বিধান অনুসারে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) গঠিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিটিবিকে বিলুপ্ত করে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীনে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)  গঠন করা হয়। 
 
উৎস: টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 
 
১২,৯০৩.
সরকারি বন্ড কী?
  1. সুরক্ষা পণ্য
  2. আর্থিক পণ্য
  3. সামাজিক পণ্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আর্থিক পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক পণ্য
ব্যাখ্যা
সরকারি বন্ড:
- বন্ড হলো একধরনের আর্থিক পণ্য, যা বিক্রি করে সরকার ও বেসরকারি খাত দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ নিতে পারে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি সোনালী ব্যাংকের অনুকূলে ৯ বছর মেয়াদি এবং আইএফআইসি ব্যাংকের অনুকূলে ৮ বছর মেয়াদি বন্ড ইস্যু করা হয়।
- চলতি ২০২৩–২৪ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে মোট ২০ হাজার কোটি টাকার বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
- সারের ভতুর্কি বাবদ বকেয়া দায় পরিশোধে দুই ব্যাংকের অনুকূলে মোট ৩ হাজার ৩১৬ কোটি টাকার বিশেষ বন্ড ইস্যু করেছে সরকার। 

উৎস: i) ৪ জানুয়ারি, ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
         ii) ৩ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
১২,৯০৪.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী সাক্ষরতার হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৭৪.৪
  2. খ) ৭৪.৭
  3. গ) ৭৫.২
  4. ঘ) ৭৫.৫
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৪.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৪.৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
বাংলাদেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৪ বছর।
এর মধ্যে,
- পুরুষদের হার : ৭৬.৫ বছর
- মহিলাদের হার : ৭২.৩ বছর।
আবার, ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৭ শতাংশ।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।

১২,৯০৫.
মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র লিপিবদ্ধ করেন কে?
  1. এম এ হান্নান
  2. ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
সঠিক উত্তর:
ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন।
- ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন।
- বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং দেশে-বিদেশে সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৯০৬.
'এলাহাবাদ চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ক) লর্ড কার্জন ও শাহ সুজার মধ্যে
  2. খ) রবার্ট ক্লাইভ ও শাহ সুজার মধ্যে
  3. গ) সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও ওয়ারেন হেস্টিংসের মধ্যে
  4. ঘ) দ্বিতীয় শাহ আলম ও রবার্ট ক্লাইভের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় শাহ আলম ও রবার্ট ক্লাইভের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় শাহ আলম ও রবার্ট ক্লাইভের মধ্যে
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি
• ১২ আগস্ট, ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে এলাহাবাদের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• প্রয়াত সম্রাট আলমগীরের পুত্র মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম, বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভের হাতে একটি চুক্তিপত্র তুলে দিয়েছিলেন যা ইতিহাসে এলাহাবাদ চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
• এলাহাবাদ চুক্তি অনুসারে (১৭৬৫) শাহ আলম বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দীউয়ানি প্রদান করেন।
• কোম্পানি কোরা ও এলাহাবাদকে বাদশাহর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মত হয়।    

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১২,৯০৭.
সম্প্রতি মুশফিকুর রহিম টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ব্যক্তিগত কততম ডাবল সেঞ্চুরি করেন?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য়
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি জিম্বাবুয়ের সাথে মুশফিকুর রহিম তাঁর ব্যক্তিগত তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি করেন। তিনি প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন শ্রীলংকার বিপক্ষে ২০০ রান করেছিলেন। পরবর্তীতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন এবং সম্প্রতি ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন।
১২,৯০৮.
১৯৬২ সালের পাকিস্তান সংবিধানে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য জাতীয় পরিষদে আসন বরাদ্ধ ছিল -
  1. ক) ১৫০টি
  2. খ) ৯০টি
  3. গ) ৭৫টি
  4. ঘ) ১২০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৫টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৬২ সালের সংবিধান এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রবর্তন করে। 
- জাতীয় পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ১৫৬ জন (পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ৭৫ জন করে। ৬টি মহিলা আসন সংরক্ষিত ছিল।)
- প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ১৫০ এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫টি । 
- মৌলিক গণতন্ত্রীদের ভোটে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হতেন। জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের কোনো ক্ষমতা ছিল না।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৯০৯.
দেশে বর্তমানে আবাদি জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৮০,২৮,০০০ হেক্টর
  2. ৮০,৮২,০০০ হেক্টর
  3. ৮২,২৮,০০০ হেক্টর
  4. ৮২,৮২,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮০,২৮,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০,২৮,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১২,৯১০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে কোন জেলায়?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে।
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস। এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর 
- ১৪.৮২% রাজশাহী,
- ৮.২৮% সিলেট,
- ৫.৫২% রংপুর ও
- ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

• সংখ্যার দিক দিয়ে-
- চাকমা হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
         ii) প্রথম আলো।

১২,৯১১.
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী দেশ কোনটি?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) ভারত
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল বাংলাদেশের বিবেচনায় খুব হতাশাব্যঞ্জক। অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছিল অখন্ড পাকিস্তান নীতিতে বিশ্বাসী। কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশের সমর্থন ছিল খুবই শক্তিশালী এমনকি মার্কিন প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর ব্যতীত সরকারের অন্যান্য স্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ছিল ব্যাপক সমর্থন। পত্র-পত্রিকা ও প্রচার মাধ্যম এবং জনমনে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন ছিল প্রশ্নাতীত। আমেরিকার বাঙালি মহলও সর্বতোভাবে মুক্তিযুদ্ধে নানা ধরনের সহায়তা করে। এমনকি পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনগুলোতে কর্মরত বাঙালিরা এক পর্যায়ে বাংলাদেশের পক্ষে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সর্বত্র আমেরিকানরা বাঙালিদের বন্ধু অথবা সাহায্য সমিতি প্রতিষ্ঠা করে জনমত গঠন করে ও প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার এবং শরণার্থী কেন্দ্রে বাঙালিদের নানা ধরনের সাহায্য করে। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট নিক্সন ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার সহ মার্কিন প্রশাসনের নীতি নির্ধারক মহল ব্যতীত পাকিস্তানের বর্বর হামলা ও অমানবিক কর্মকান্ডের সমর্থন আমেরিকার কোথাও তেমন দেখা যায়নি। মুক্তিযুদ্ধকালীন পুরো নয় মাস নিক্সন প্রশাসন পাকিস্তানের জন্য নৈতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সমর্থন যুগিয়েছিল।
উৎসঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৯১২.
নিচের কোন দুটি সরিষার জাত?
  1. ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. ঘ) অগ্রদূত ও প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
ব্যাখ্যা
- সোনালি ও কল্যাণীয়া হলো দুটি উন্নত জাতের সরিষার জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সফল
- অগ্রণী
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সোনালিকা ও আকবর : গমের জাত
- অগ্রদূত ও প্রভাতী : বাঁধাকপির জাত
- গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
১২,৯১৩.
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার কোনটি?
  1. কর্ণফুলী রিফাইনারি লিমিটেড
  2. মেঘনা রিফাইনারি লিমিটেড
  3. যমুনা রিফাইনারি লিমিটেড
  4. ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৯১৪.
BRRI কর্তৃক অনুমোদিত ধানের নতুন জাত-
  1. ক) ব্রি-১০৪ ও ব্রি-১০৫
  2. খ) ব্রি-১০৫ ও ব্রি-১০৮
  3. গ) ব্রি-১০৭ ও ব্রি-১০৮
  4. ঘ) ব্রি-১০৫ ও ব্রি-১০৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রি-১০৫ ও ব্রি-১০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রি-১০৫ ও ব্রি-১০৬
ব্যাখ্যা
- ধানের নতুন দুটি জাত সরকারের অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে একটি কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) সম্পন্ন এবং অপরটি রোপা আউশ মৌসুমে অলবণাক্ততা জোয়ার-ভাটা অঞ্চলের উপযোগী।
- নতুন এ দুটি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) ।
- এদুটি জাত বোরো মৌসুমে চাষের উপযোগী। গত ২ মার্চ, ২০২৩ কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে জাতীয় বীজ বোর্ডের ১০৯তম সভায় ব্রি-১০৫ ও ব্রি-১০৬ নামের ওই নতুন দুটি জাত অনুমোদন পায়।
- ফলে ব্রি উদ্ভাবিত সর্বমোট ধানের জাত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৩টি।
- নতুন উদ্ভাবিত জাতের মধ্যে ব্রি ধান১০৫ হল বোরো মৌসুমের একটি কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) সম্পন্ন ডায়াবেটিক ধান। ব্রি ধান-১০৫- এর শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য হলো সবুজ পাতা, খাড়া ডিগ পাতা, মাঝারি লম্বা ও চিকন দানা যার জিআই এর মান ৫৫ দশমিক ০। সুতরাং, কম জিআই হওয়ার কারণে এটি ডায়াবেটিক চাল হিসাবে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করবে বলে আশা করা যায়।
- ব্রি ধান১০৫ এর ধান পাকার পরও এর গাছ সবুজ থাকে। এ জাতের পূর্ণ বয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১০১ সেন্টিমিটার। গড় ফলন হেক্টরে ৭ দশমিক ৬ টন তবে উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে অনুকূল পরিবেশে হেক্টরপ্রতি ৮ দশমিক ৫ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম।
- ব্রি-ধান১০৬ আউশ মৌসুমের অলবণাক্ততা জোয়ারভাটা অঞ্চলের উপযোগী উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত। এ জাতের ডিগ পাতা খাড়া, প্রশস্ত ও লম্বা। পাতার রং গাঢ় সবুজ। এ জাতের গাছের গোড়ায় ও ধানের দানার মাথায় বেগুনি রং বিদ্যমান। এর গড় উচ্চতা ১২৫ সেন্টিমিটার।

উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
১২,৯১৫.
বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ কোনটি?
  1. হরিকেল
  2. গৌড়
  3. পুণ্ড্র
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

প্রাচীন জনপদ: 
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক বা অখণ্ড রাষ্ট্র ছিলো না। সমগ্র বাংলা তখন কতগুলো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত ছিলো। এসব ছোট ছোট অংশ 'জনপদ' নামে পরিচিত।
- প্রাচীন বাংলার জনপদ সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- বঙ্গ, বরেন্দ্র, সমতট, হরিকেল, রাঢ়, চন্দ্রদ্বীপ, তাম্রলিপ্ত, গঙ্গারিডাই, গৌড় প্রভৃতি।
- এগুলোর মধ্যে প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে পুন্ডুই সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- বাংলাদেশে প্রাপ্ত জনপদ গুলোর মধ্যে পুণ্ড্র  এটি প্রাচীনতম।
- বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো এর রাজধানী ছিলো-পুন্ড্রনগর।

উল্লেখ্য,
-  হরিকেল জনপদ বিস্তৃতি ছিল সিলেট, চট্টগ্রাম।
- সমতট জনপদ,কুমিল্লা, নোয়াখালী অংশ।
- গৌড় বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার একটি ঐতিহাসিক স্থান

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।

১২,৯১৬.
 সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল কোথায় শহিদ হয়েছিলেন? 
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জে
  2. যশোরে
  3. রাঙামাটিতে
  4. ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ব্যাখ্যা
সিপাহী মোস্তফা কামাল:
- সেক্টর: ২ নং,
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
- সমাধি স্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ২ নং সেক্টরের অধীন ছিল।
- এ সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্রগুলো হল আকছিনা, আখাউড়া, আসাদনগর, আড়াইবাড়ী, ইব্রাহীমপুর, কালীকচ্ছা, কুল্লাপাথর, চন্দ্রপুর, চারগাছ, চেকপোস্ট সড়ক, ঝগড়ার চর, তারাগণ, তুল্লাপাড়া, দেবগ্রাম, দরুইন, দুর্গারামপুর, দশদোনা, নবীনগর সদর, ফুলবাড়ীয়া, বায়েক, মীরপুর, লতোয়ামুড়া, শাহবাজপুর, হরিয়াবহ এবং ক্ষীরণাল।
- ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার দরুইনে পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে মুখোমুখি লড়াইয়ে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল শহীদ হন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১২,৯১৭.
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে যে আন্দোলন চলছিল সেটি হলো:
  1. ইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন
  2. পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন
  3. প্রেসিডেন্ট ইয়াহহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন
  4. মার্শাল 'ল' পদত্যাগের আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন চলছিল। 

------------------------------ 
• অসহযোগ আন্দোলন:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন।
- এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- এছাড়া আওয়ামী লীগ বিভিন্ন নির্দেশের মাধ্যমে এ আন্দোলন পরিচালনা করে।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সরকার গঠনে আহবান জানানোর পরিবর্তে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান - ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমান এ সিদ্ধান্তকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দেন এবং এর প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন।
----------------- 
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ' নামে অভিহিত হয়েছে।

ভাষণে মূলত ৪ দফা দাবি তোলা হয়।
• মার্শাল ল প্রত্যাহার,
• সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
• রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
• জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৯১৮.
কোন তিনটি জেলা নিয়ে সুন্দরবনের বিস্তৃতি?
  1. ক) বাগেরহাট, খুলনা ও বরগুনা
  2. খ) বরগুনা, বাগেরহাট ও পিরোজপুর
  3. গ) খুলনা, পটুয়াখালী ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ বা ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা বাংলাদেশের অংশে পড়েছে। সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
১২,৯১৯.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৬৮ জন
  2. খ) ৬২ জন
  3. গ) ৫৮ জন
  4. ঘ) ৪২ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৮ জন
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার চারটি ক্যাটাগরিতে ৬৭৬ জন কে বীরত্ব সূচক খেতাব প্রদান করে।
- মোট খেতাবপ্রাপ্ত : ৬৭৬ জন
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭ জন,
- বীরউত্তম : ৬৮ জন,
- বীরবিক্রম : ১৭৫ জন,
- বীরপ্রতীক : ৪২৬ জন।

তবে গত ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০ হাইকোর্ট বঙ্গবন্ধুর চার খুনি বীরত্ব সূচক খেতাব স্থগিতের নির্দেশ দেয়।
এরা হলো:
- শরীফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- মোসলেহ উদ্দিন (বীর প্রতীক)।

বর্তমানে বীরউত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা - ৬৭ জন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সংবাদপত্রের রিপোর্ট।
১২,৯২০.
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডের শিকার হননি কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খালেদ মোশাররফ
  3. এম মনসুর আলী
  4. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা

- খালেদ মোশাররফ ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডের শিকার হননি। 

জেল হত্যা দিবস:
-১৯৭৫ সালের নভেম্বরে সামরিক অভ্যুত্থান, জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড, পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থান—এ রকম একের পর এক ঘটনা ঘটে।
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগের চারজন নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- তাদের এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- কতিপয় সেনা কর্মকর্তা পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে আটক এই চার নেতাকে গুলি করে এবং বেয়নেট দিয়ে বিদ্ধ করে হত্যা করে।

সূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো।

১২,৯২১.
‘Blue Chips’ শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টক মার্কেট
  2. বন্ড মার্কেট
  3. কমোডিটি মার্কেট
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টক মার্কেট
ব্যাখ্যা

Blue Chips:
- 'Blue Chips' শব্দটি শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায় যারা আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক, বাজারে সুনামধন্য এবং স্থিতিশীল।
- Blue Chip হলো শেয়ার বাজারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির শেয়ার।
- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
- অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের সময়ও এদের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে কম ওঠানামা করে। উদাহরণ: Apple, Microsoft, Amazon, Coca-Cola, Google, Johnson & Johnson। বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিলিভারকে Blue Chip বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিটানিকা।

১২,৯২২.
কোন আইন ডিউটোরোনোমিক কোড নামে পরিচিত?
  1. ক) রোমান আইন
  2. খ) হাম্বুরাবী আইন
  3. গ) হিব্রু আইন
  4. ঘ) চৈনিক আইন
সঠিক উত্তর:
গ) হিব্রু আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিব্রু আইন
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতায় তৈরি আইন ডিউটোরোনোমিক কোড নামে পরিচিত। এই আইন ব্যাবলনীয় আইনের অনুকরণে তৈরি। এই আইনে হাম্বুরাবি আইনের প্রভাব বিদ্যমান থাকলেও হিব্রু আইন ছিলো অনেক পরিশুদ্ধ।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১২,৯২৩.
এডিবির সহায়তায় কোন জেলায় দেশে প্রথমবারের মতো গ্রিন ডেটা সেন্টার নির্মিত হবে?
  1. কক্সবাজার
  2. খুলনা
  3. ঢাকায়
  4. চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
গ্রিন ডেটা সেন্টার:
- গ্রিন ডেটা সেন্টার এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে আইটি অবকাঠামোগত এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় যা শক্তি কম খরচ করে এবং পরিবেশের ক্ষতি কম করে।
- দেশে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে গ্রিন ডেটা সেন্টার নির্মাণ করা হবে।
- অত্যাধুনিক এই ডেটা সেন্টারটি চট্টগ্রামের কাছে বিটিসিএল'র মালিকানাধীন একটি স্থানে স্থাপন করা হবে।
- গ্রিন ডেটা সেন্টার তৈরির জন্য বাংলাদেশ ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি দ্বারা প্রকল্পটি চালিত হবে।
- ডেটা সেন্টারটি পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাণিজ্যিক সেবা প্রদান করবে।
- বিটিসিএলের অভ্যন্তরীণ ডেটা স্টোরেজ চাহিদা পুরণ করবে।
- আন্তর্জাতিক মানের ডিজাইন করা এই সেন্টারটি ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে সর্বোচ্চ কার্যক্ষমতা এবং সম্প্রসারণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে।

তথ্যসূত্র - বাসস।
১২,৯২৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফায় কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থা উল্লেখ ছিল না।

• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। 

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১২,৯২৫.
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা -
  1. ২২.২২ কিলোমিটার
  2. ২০০ কিলোমিটার
  3. ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
  4. ৭১৬ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
২২.২২ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২.২২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৯২৬.
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো - 
  1. নিকার
  2. সরকারি কর্ম কমিশন 
  3. একনেক
  4.  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
নিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকার
ব্যাখ্যা

NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো নিকার।
- ১৯৮২ সালের প্রশাসনিক পুনর্গঠন/সংস্কার কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গঠিত একটি স্থায়ী কমিটি।
- ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল এম.এ খানকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১২,৯২৭.
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. যাত্রা
  2. কালো ঘোড়া
  3. রাইফেল রোটি আওরাত
  4. নেকড়ে অরণ্য
সঠিক উত্তর:
নেকড়ে অরণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেকড়ে অরণ্য
ব্যাখ্যা

‘নেকড়ে অরণ্য’
- শওকত ওসমানের রচিত একটি  মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। 

• শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস :
- জাহান্নম হইতে বিদায়,
-  দুই সৈনিক;
- নেকড়ে অরণ্য;
 - জলাংগী;

অন্যদিকে.
- ইমদাদুল হক মিলন রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস: কালো ঘোড়া।
- শওকত আলী রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস: ’যাত্রা’।
- আনোয়ার পাশা রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস: রাইফেল রোটি আওরাত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২,৯২৮.
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানমালায় সার্কভুক্ত কতটি বিদেশী দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান উপস্থিত ছিলো?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাচঁটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
পাচঁটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাচঁটি
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ দশদিনব্যাপী উৎযাপন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
- এসব অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিবসে সার্কভুক্ত বিদেশী পাচঁটি দেশের সরকার/রাষ্ট্র প্রধানরা উপস্থিত ছিলো।
- এরা হলেন:
- মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ (১৭ মার্চ)
- শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে (১৯ মার্চ)
- নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী (২২ মার্চ)
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং (২৪ মার্চ) এবং
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (২৬ মার্চ)।
এছাড়া ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন:
- চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং
- জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা
- কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো
- কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুনসেন
-দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী চুং স্যু-কুয়েন
- ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস
- ওআইসির সেক্রেটারি জেনারেল ড. ইউসেফ আল ওথাইমিন এবং
- ইউনেস্কোর মহাপরিচালক আদ্রে আজুলে।
- দশদিন ব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানমালার থিম হলো “মুজিব চিরন্তন”।
(সূত্র: দৈনিক যুগান্তর)
১২,৯২৯.
ককবরক ভাষা কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের?
  1. চাকমা
  2. রাখাইন
  3. মারামা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীদের: ত্রিপুরা:
- ত্রিপুরা, ত্রিপুরী বা তিপ্রা হচ্ছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি নৃগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে এদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে।
- তিন পার্বত্য জেলা ছাড়াও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী সমতল এলাকার কুমিল্লা, সিলেট, বৃহত্তর চট্টগামের বিভিন্ন উপজেলা, রাজবাড়ি, চাঁদপুর, ফরিদপুর।
- আনুমানিক ৬৫ খ্রিস্টাব্দে সুঁই বংশের সময়কালে পশ্চিম চীনের ইয়াংসি ও হোয়াংহো নদীর উপত্যকা হচ্ছে এদের প্রাচীন আবাসস্থল।
- পরবর্তী সময়ে এই জনগোষ্ঠী ভারতের আসাম হয়ে অত্র অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলে।
- ত্রিপুরা নৃগোষ্ঠীর ভাষার নাম ককবরক।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ত্রিপুরাদের সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
- ত্রিপুরারা সনাতন ধর্মের অনুসারী।
- এদের নববর্ষের উৎসবকে ‘বৈসুক’ বলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৯৩০.
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ কোন জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন?
  1. ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
  2. ময়মনসিংহ
  3. রংপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
ব্যাখ্যা
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ:
- তিনি বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।
- ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে এক সঙ্গীতপরিবারে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁও ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ।
- মাতার নাম সুন্দরী বেগম।
- তাঁর সঙ্গীতগুরু ছিলেন আগরতলা রাজদরবারের সভাসঙ্গীতজ্ঞ তানসেনের কন্যাবংশীয় রবাবী ওস্তাদ কাশিম আলী খাঁ।
- তিনি দেশিয় বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে অর্কেস্ট্রার স্টাইলে একটি যন্ত্রীদল গঠন করে নাম দেন ‘রামপুর স্ট্রিং ব্যান্ড’।
- ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- অতঃপর ভারত সরকার তাঁকে একে একে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমী সম্মান’ (১৯৫২), ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৫৮) ও ‘পদ্মবিভূষণ’ (১৯৭১), বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬১) এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- তিনি ১৯৭২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৯৩১.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর বিক্রম
  3. বীর উত্তম
  4. বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার চারটি ক্যাটাগরিতে ৬৭৬ জন কে বীরত্ব সূচক খেতাব প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব : বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন)
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব : বীরউত্তম (৬৮ জন)
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব : বীর বিক্রম :১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব : বীর প্রতীক (৪২৬ জন)।
- তবে গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধুর চার খুনি বীরত্ব সূচক খেতাব স্থগিতের নির্দেশ দেয়।
এরা হলো:
- শরীফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- মোসলেহ উদ্দিন (বীর প্রতীক)।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক যুগান্তর)
১২,৯৩২.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত ইউ কে চিং কোন সম্প্রদায়ভুক্ত?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মুরং
  3. গ) গারো
  4. ঘ) মারমা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ইউ কে চিং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত ও বান্দরবান জেলার বাসিন্দা।
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি মারা যান।
(সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
১২,৯৩৩.
বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল কে?
  1. এ. এম. আমিন উদ্দিন
  2. মাহবুবে আলম
  3. মো. আসাদুজ্জামান
  4. মাহমুদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মো. আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মো. আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক ও প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- সাধারণত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে সরকার তাকে নিয়োগ দেয়।
- এ পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি হন।
- তাকে যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সহায়তা করেন।

সূত্র- অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১২,৯৩৪.
মন্ত্রী পরিষদের প্রধান কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. চীফ হুইপ
  4. মন্ত্রী পরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• মন্ত্রী পরিষদের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশে সংবিধানের ৫৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- ৫৫। (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,৯৩৫.
সম্প্রতি, রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘স্টেকহোল্ডারস ডায়লগ’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫] 
  1. চট্রগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. সিলেট
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন:
- ২৪ থেকে ২৬ আগস্ট, ২০২৫ কক্সবাজারে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
-এর শিরোনাম ছিল “স্টেকহোল্ডারস ডায়ালগ: টেকঅ্যাওয়ে টু দ্য হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন”।
- সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন বৃদ্ধি করা।
- সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস, জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা, ৪০টিরও বেশি দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং রোহিঙ্গা জনগণ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মীরা।
- এই সম্মেলনকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ৩০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

১২,৯৩৬.
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে ভাষণ দেন? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৭৬তম
  2. ৭৭তম
  3. ৭৮তম
  4. ৭৯তম
সঠিক উত্তর:
৭৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন ১০- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।  
- উক্ত অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং।
- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।

- নিউইয়র্ক স্থায়ীয় সময় ১১টা ২৪ মিনিটে তিনি ভাষণ শুরু করেন।
- প্রায় ৩৮ মিনিট দীর্ঘ ভাষণটি ১২টা ০২ মিনিটে শেষ হয়। 
- ভাষণে কী প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারে তিনি কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন সেগুলো তুলে ধরেন।
- এছাড়া, ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অনতিবিলম্বে বন্ধ এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিশ্ববাসীর সহযোগিতা ও সহায়তা চান তিনি।

তথ্যসূত্র: বাসস। [LINK]
১২,৯৩৭.
প্রথম ভারতীয় শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. লর্ড লিটন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড মিন্টো
  4. উইলিয়াম হান্টার
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম হান্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম হান্টার
ব্যাখ্যা

হান্টার কমিশন সরকারিভাবে ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন (১৮৮২) নামে পরিচিত। এটি ছিল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- ভারত সরকার কর্তৃক গঠিত এ কমিশনের কাজ ছিল ১৮৫৪ সালের উড-এর শিক্ষা প্রস্তাবের সময় থেকে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা।
-স্যার উইলিয়ম উইলসন হান্টারকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিশনের অন্যান্য সদস্যগণ ছিলেন আনন্দমোহন বসু, এ.ডব্লিউ ক্রফট্ (Director of Public Instruction, Bengal), ভূদেব মুখোপাধ্যায়, মহারাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর, কাশীনাথ ত্রিম্বক তীলং এবং স্যার সৈয়দ আহমদ খান।
- অবশ্য সৈয়দ আহমদ খান পরবর্তীসময়ে তাঁর পুত্র সৈয়দ মুহম্মদের পক্ষে নিজের নিযুক্তি প্রত্যাহার করে নেন।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া

১২,৯৩৮.
নিচের মোগল সম্রাটদের মধ্যে কে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন?
  1. আকবর
  2. বাবর
  3. শাহজাহান
  4. হুমায়ুন
সঠিক উত্তর:
বাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর
ব্যাখ্যা
• তুজুক-ই-বাবুরী: 
- তুজুক-ই-বাবুরী ভারতে মুগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরুদ্দীন বাবরের আত্মজীবনী।
- এটি বাবুরনামা বা বাবরের স্মৃতিকথা নামেও পরিচিত।
- মোগল সম্রাটদের মধ্যে বাবর প্রথম আত্মজীবনী লিখেছেন।
- বাবুর এটি তুর্কি ভাষায় রচনা করেন।
- এটি মুগল রাজ কর্মকর্তা বৈরাম খান খান-ই-খানানের পুত্র আবদুর রহিম খান-ই-খানান কর্তৃক ফারসি ভাষায় অনূদিত হয়। 
- ইউরোপীয় পন্ডিতদের সমাদৃত এ গ্রন্থ বিভিন্ন ইউরোপীয় ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৯৩৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষায় দেশে মোট শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪০টি
  2. ৬০টি
  3. ৮০টি
  4. ১০০টি
সঠিক উত্তর:
৮০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০টি
ব্যাখ্যা
বিসিক শিল্পনগরী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• মোট শিল্পনগরীর সংখ্যা: ৮০টি।
- উৎপাদনরত মোট শিল্প ইউনিট: ৪৭৬৯টি (ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ পর্যন্ত)।
- ৮০টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২২ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৩,২৫৯.৭৭ কোটি টাকা।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলোতে মোট ৭৬,৪১০.১৬ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৪৬,২২৯.৩৭ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

দেশের জিডিপিতে শিল্পখাত:
- শিল্প খাত (বৃহৎ): ৩৭.৫৬%,
• খনিজ ও খনন: ১.৭৫%,
• ম্যানুফ্যাকচারিং: ২৪.৯৫%,
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: ১.২১%,
• পানি সরবরাহ: ০.১০%,
• নির্মাণ: ৯.৫৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২,৯৪০.
‘থ্রি জিরো তত্ত্বের’ প্রবক্তা কোন নোবেল বিজয়ী?
  1. নার্গেস মোহাম্মদী
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. নাদিয়া মুরাদ
  4. মারিয়া রেসা
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
থ্রি জিরো তত্ত্ব
- শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য তত্ত্বের জন্য।
- ‘থ্রি জিরো তত্ত্বের’ প্রবক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।
 
উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া আয়োজিত একটি জন-বক্তৃতা অনুষ্ঠানে ভাষণ দেয়াকালে তার ‘তিন শূন্য’, অর্থাৎ শূন্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও শূন্য বেকারত্বের ধারণার ব্যাখ্যা করেছিলেন।

সূত্র- প্রথম আলো ও বিবিসি প্রতিবেদন।  
১২,৯৪১.
বিরোধী দলের কাজ কোনটি?
  1. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  2. গণতন্ত্র রক্ষা
  3. রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৯৪২.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
  1. বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
  2. অর্থনৈতিক মুক্তি
  3. স্বাধীন ভুখন্ড লাভ
  4. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
- ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩ আওয়ামী মুসলিম লীগ ও শেরে বাংলার কৃষক-শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের মূল লক্ষ্য ছিল - প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- যুক্তফ্রন্টর পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

উৎস:-স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৯৪৩.
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি।
এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি ৬৮টি উপজেলায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তিত হয়।
পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি এই আইন সারাদেশে কার্যকর হয়।

(সূত্র: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া)
১২,৯৪৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন?
  1. ৯৪নং অনুচ্ছেদ
  2. ৯৫নং অনুচ্ছেদ
  3. ৯৬নং অনুচ্ছেদ
  4. ৯৭নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৫নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- সংবিধানের ৯৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শপূর্বক অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন আবু সাদাত মো. সায়েম।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
- ১১ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে তাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৯৪৫.
দেশের প্রথম ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট কোথায় নির্মিত হবে?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. গোপালগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট:
- দেশের প্রথম ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট নির্মিত হবে মুন্সিগঞ্জে।
- বর্তমানে মুন্সিগঞ্জে ৪০ একর জমিতে ভ্যাকসিন এবং ওষুধ—উভয় প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

⇒ দেশের একমাত্র ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট প্রকল্প 'এসেনশিয়াল বায়োটেক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার' স্থাপনের কাজ ২০২০ সালে গোপালগঞ্জে শুরু হয়। 
- ৩,১১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল, দেশের নিজস্ব ভ্যাকসিন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করা।
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকার পতন পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গোপালগঞ্জে প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা থেকে সরে আসে।

⇒ এই প্ল্যান্টে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এইচপিভি (হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস), কোভিড-১৯, কলেরা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ইনঅ্যাকটিভেটেড পোলিও (আইপিভি) এবং ডেঙ্গুসহ মোট ১৪ ধরনের টিকা উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
- টিকা ছাড়াও এই প্ল্যান্টে বিভিন্ন থেরাপিউটিকস উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে এরিথ্রোপোয়েটিন (ইপিও) ২,০০০, ৩,০০০ ও ৫,০০০ আইইউ ডোস, ইন্টারফেরন (৪.৫ এমআইইউ), লং-এক্টিং পেগাইলেটেড ইন্টারফেরন এবং ফিলগ্রাস্টিম/জি-সিএসএফ ইনজেকশন ইত্যাদি।
- এছাড়াও অ্যান্টিজেন ও পিসিআর টেস্ট কিট, হিউম্যান ও ভেটেরিনারি র‌্যাপিড টেস্ট কিট এবং পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত ইলাইসা কিটসহ বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক পণ্য উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

উৎস: i) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
ii) সমকাল।
১২,৯৪৬.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয় লাভ করে কোন দলের বিপক্ষে? 
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. কেনিয়া 
  3. পাকিস্তান
  4. আয়ারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয় লাভ করে কেনিয়ার বিপক্ষে। 
- সময়: ১৯৯৮ সালের ১৭ মে,
- স্থান:  ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত একটি ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায।
- জয়:  কেনিয়াকে ১ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ প্রথম জয় পায়। 

• ওয়ানডে ক্রিকেট:

- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে ১৯৯৭ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয়টা পায়।

 উৎস: দৈনিক প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট ২০২০।

১২,৯৪৭.
১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ গঠনের সাথে ‍যুক্ত ছিলেন না কে?
  1. নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
  2. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. আগা খান
  4. নবাব ভিকার-উল মুলক
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় ‘নিখিল ভারত মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে’ ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুসলিম লীগের গঠন প্রক্রিয়ার সাথে নওয়াব ‍সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল ‍মুলক, আগা খান প্রমুখ যুক্ত ছিলেন।
- মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন। তবে মুসলিম লীগ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর হাত ধরে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১২,৯৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে।
  3. ২০১১ সালে।
  4. ২০১৪ সালে।
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে।
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা প্রশ্নে ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে হাইকোর্ট একটি রুলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলসহ পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করেছেন।
- সেই সাথে সংবিধানে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে এনেছেন আদালত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও প্রথম আলো নিউজ।  [লিঙ্ক]
১২,৯৪৯.
২০২২-২৩ অর্থ বছরে জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. সেবা
  2. শিল্প
  3. শিক্ষা
  4. কৃষি
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।

এছাড়াও - 
অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষিখাতে বেশি কর্মসংস্থান হয়।
অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%।
অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%।
অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২,৯৫০.
ময়নামতি বৌদ্ধ বিহারের আনুমানিক নির্মাণকাল কোন শতাব্দীতে?
  1. ৬ষ্ঠ শতাব্দী
  2. ৭ম শতাব্দী
  3. ৮ম শতাব্দী
  4. ৯ম শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
৮ম শতাব্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম শতাব্দী
ব্যাখ্যা

ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার:
- লালমাই ময়নামতি গিরি শ্রেণীর মধ্যবর্তী স্থানে এই বিহারটি অবস্থিত।
- এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫৫০ ফুট।
- চারটি বাহুতে মোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ আছে যাতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসবাস করতেন।
- এর মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বিশাল প্রবেশ দ্বার।
- উম্মুক্ত চত্বরে ক্রশাকৃতির প্রধান মন্দির।
- মূল বিহারটি দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- শালবন বিহার খনন করে অসংখ্য মূল্যবান প্রত্নতত্ত্ব আবিস্কার করা হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে আছে ৮টি তাম্রলিপি, ১৮টি স্বর্ণ ও ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, নানা ধরণের মূর্তি, পোড়ামাটির বিএফলক, সীল ও নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

১২,৯৫১.
কখন ছয় দফা ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৬৫ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
–পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে পূর্ব বংলার জনগণকে মুক্ত করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ৫-৬ ফেব্রুয়ারী লাহোরে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ছয়দফা নিম্নরুপ: 
১. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি
হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম।
২. শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩. দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪. আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে।
৫. দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।
৬. অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী ও ইতিহাস প্রথম পত্র (এইছ এস সি ) বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৯৫২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার (১ বছরের কম) কত?
  1. ২৫ জন 
  2. ২৬ জন 
  3. ২৭ জন 
  4. ২১ জন 
সঠিক উত্তর:
২৭ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ জন 
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫: 
- স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে), ২০২৩ সাল অনুযায়ী,- ১৯.৪ জন।
- গ্রামে – ২০.২ ও শহরে ১৭.০ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে), ২০২৩ সাল অনুযায়ী ৬.১ জন।
- গ্রামে ৬.৪ ও শহরে ৫.২ জন।
- প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজারে) ২৭ জন (১ বছরের কম)। 
- ৫ বছরের কম – প্রতি হাজারে ৩৩ জন;
- চালু কমিউনিটি ক্লিনিক ১৪,২৯৭টি;
- EPI-এর টিকা গ্রহণের হার – ৯৭.৩%.

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১২,৯৫৩.
Nature Index, 2025 অনুযায়ী, গবেষণার মান ও সংখ্যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি? [জুন, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
  2. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
  4. আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
Nature Index, 2025:
- যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল হচ্ছে নেচার (Nature)।
- ইনডেক্সের ২০২৫ তালিকায় গবেষণার মান ও সংখ্যার ভিত্তিতে দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (ICDDRB)।
- এই তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে ২০২৪ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কালের গবেষণাকর্মের উপর ভিত্তি করে।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, সার্বিকভাবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং একাডেমিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
- তালিকায় যথাক্রমে ৩য় এবং ৪র্থ অবস্থানে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ন।

তথ্যসূত্র: নেচার ইনডেক্স, ২০২৫ [LINK]
১২,৯৫৪.
পঞ্চম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. নিশাত মজুমদার
  4. বাবর আলী
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা
- পঞ্চম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন বাবর আলী। 
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয়ের দুদিনের মাথায় চতুর্থ সর্বোচ্চ শৃঙ্গ লোৎসের চূড়ায় পৌঁছেছেন বাবর আলী।
- আর এর মধ্য দিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এক অভিযানে হিমালয়ের দুই শৃঙ্গ জয়ের অনন্য রেকর্ড গড়লেন চট্টগ্রামের এই পর্বতারোহী।
- পর্বতারোহনের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘ডাবল হেডার’। 

উৎস- বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,৯৫৫.
কৃষিক্ষেত্রে অবদান রাখা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচনের জন্য কোন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়?
  1. ক) এফ আই পি
  2. খ) ডি আই পি
  3. গ) এ আই পি
  4. ঘ) সি আই পি
সঠিক উত্তর:
গ) এ আই পি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ আই পি
ব্যাখ্যা
সিআইপির (CIP) আদলে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নীতিমালা ২০১৯ (এআইপি নীতিমালা ২০১৯) অনুযায়ী প্রথমবারের মতো এআইপি (Agricultural Important Person) নির্বাচন করা হবে। তাই এআইপি ২০২০ নির্বাচনের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। (রেফারেন্সঃ কৃষি মন্ত্রণালয়)
১২,৯৫৬.
'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. মুস্তফা মনোয়ার
  2. তারেক মাসুদ
  3. আলমগীর কবীর
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা

মাটির ময়না:
- মাটির ময়না বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশী ফিচার চলচ্চিত্র।
- এটি ২০০২ সালে বাংলাদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পায়।
- 'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে মাসুদের ছেলেবেলার অভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে।
- এই চলচ্চিত্রের মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রোকেয়া প্রাচী, শোয়েব ইসলাম এবং লামিসা আর রিমঝিম। 
- ২০০২ সালের ১৫ মে ৫৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সময় নিউজ, ১৩ এপ্রিল ২০২২।

১২,৯৫৭.
How many people are awarded Ekushey Padak in 2024?
  1. 19
  2. 20
  3. 21
  4. 22
  5. 23
সঠিক উত্তর:
21
উত্তর
সঠিক উত্তর:
21
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৪:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ প্রদান করা হয়।
পদকপ্রাপ্তরা হলেন-
• ভাষা আন্দোলনে মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
• সঙ্গীতে জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব।
• অভিনয়ে ডলি জহুর ও এমএ আলমগীর।
• আবৃতিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।
• নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ।
• চিত্রকলায় শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে কাওসার চৌধুরী।
সমাজসেবায় মো. জিয়াউল হক ও আলহাজ রফিক আহামদ।
• ভাষা ও সাহিত্যে- মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)।
• শিক্ষায় প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু একুশে পদক পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১২,৯৫৮.
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন কে?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. তমিজুদ্দিন খান
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি সদস্যদের বাংলায় বক্তৃতা প্রদান এবং সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ইংরেজিতে প্রদত্ত বক্তৃতায় বাংলাকে অধিকাংশ জাতিগোষ্ঠীর ভাষা হিসেবে উল্লেখ করে ধীরেন্দ্রনাথ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবি তোলেন। এ ছাড়া সরকারি কাগজে বাংলা ভাষা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান তিনি।

- সংসদ সদস্য প্রেমহরি বর্মণ, ভূপেন্দ্র কুমার দত্ত ও শ্রীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তাঁরা পূর্ব পাকিস্তান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন এবং তাঁদের এ সমর্থনের মাধ্যমে মূলত পূর্ব পাকিস্তানের স্বাভাবিক মতামতই প্রতিফলিত হয়েছিল।

- তমিজুদ্দিন খানের নেতৃত্বে পরিষদের সব মুসলমান সদস্য (সবাই মুসলিম লীগের) একযোগে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। খাজা নাজিমুদ্দিন এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বক্তৃতা দেন। তিনি বলেন, ‘পূর্ব বাংলার অধিকাংশ মানুষ চায় রাষ্ট্রভাষা উর্দু হোক।’

- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এ প্রস্তাবকে পাকিস্তানে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন। উর্দুকে লাখো-কোটি মুসলমানের ভাষা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কেবল উর্দুই হতে পারে।’ অনেক বিতর্কের পর সংশোধনীটি ভোটে বাতিল হয়ে যায়। সংসদীয় দলের আপত্তির কারণে অনেক বাঙালি মুসলমান সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উত্থাপিত সংশোধনীটিকে সমর্থন করতে পারেননি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.
iii) NDTV পত্রিকা।

১২,৯৫৯.
শহীদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন?
  1. বাংলা 
  2. ইংরেজি
  3. রাষ্ট্রবিজ্ঞান 
  4. পদার্থবিজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

১২,৯৬০.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?
  1. ক) মহেশখালী
  2. খ) হাতিয়া
  3. গ) সেন্টমার্টিন
  4. ঘ) সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
১২,৯৬১.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কত জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরবিক্রম খেতাব প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৬৮ জন
  2. ১৬৫ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
ব্যাখ্যা
• বীরত্বসূচক খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।

এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ- ৭ জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম- ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম- ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক- ৪২৬ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৯৬২.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় আনুষ্ঠানিক প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি একজন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান (Constitutional Head)।
- সংবিধান অনুযায়ী দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রচলিত থাকায় রাষ্ট্রপতি নাম সর্বস্ব রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তবে সংবিধান অনুযায়ী তিনি দেশের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী। এর ফলে তিনি দেশের সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।

অর্থাৎ, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি -
- আলংকারিক বা আনুষ্ঠানিক প্রধান,
- নামসর্বস্ব রাষ্ট্রপ্রধান, 
- সাংবিধানিক প্রধান, 
- নিয়মতান্ত্রিক প্রধান,

সূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,৯৬৩.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ - পুস্তিকাটি সম্পাদনা করেন -
  1.  আবুল মনসুর আহমদ
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’:
-  ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশিত হয়।
- এই পুস্তিকার নিবন্ধন সমূহের লেখক ছিলেন:
- কাজী মোতাহার হোসেন,
- অধ্যাপক আবুল কাশেম এবং
- আবুল মনসুর আহমদ।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত পুস্তিকা প্রকাশ করে। 
- এই পুস্তিকায় বাংলা ভাষাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা এবং পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ধরা হয়।
- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২,৯৬৪.
২০২৫ সালে কতজন ব্যক্তিকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রবীন্দ্র পুরস্কার:

- বাংলা একাডেমি ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েরছেন ২ জন।
• রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় - ড. অসীম দত্ত।
• রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় - শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৯৬৫.
বর্ণালি ও উত্তরণ কোন ফসলের ভুট্টার জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
- বর্ণালি ও উত্তরণ হলো ভুট্টার দুটো জাত।
- ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- শুভ্রা
- মোহর
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১২,৯৬৬.
'অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ' বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৫১
  2. ৫৩
  3. ৫৪
  4. ৫৫
সঠিক উত্তর:
৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩
ব্যাখ্যা
অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ(৫৩):
৫৩। (১) শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতিকে তাঁহার পদ হইতে অপসারিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে কথিত অসামর্থ্যের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে।
(২) সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে নোটিশ প্রাপ্তিমাত্র স্পীকার সংসদের অধিবেশন আহবান করিবেন এবং একটি চিকিৎসা-পর্ষদ (অতঃপর এই অনুচ্ছেদে "পর্ষদ" বলিয়া অভিহিত) গঠনের প্রস্তাব আহবান করিবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তাব উত্থাপিত ও গৃহীত হইবার পর স্পীকার তৎক্ষণাৎ উক্ত নোটিশের একটি প্রতিলিপি রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণের ব্যবস্থা করিবেন এবং তাঁহার সহিত এই মর্মে স্বাক্ষরযুক্ত অনুরোধ জ্ঞাপন করিবেন যে, অনুরূপ অনুরোধ জ্ঞাপনের তারিখ হইতে দশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি যেন পর্ষদের নিকট পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত হন।
(৩) অপসারণের জন্য প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদানের পর হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইবে না, এবং অনুরূপ মেয়াদের মধ্যে প্রস্তাবটি উত্থাপনের জন্য পুনরায় সংসদ আহবানের প্রয়োজন হইলে স্পীকার সংসদ আহবান করিবেন।
(৪) প্রস্তাবটি বিবেচিত হইবার কালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।
(৫) প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপনের পূর্বে রাষ্ট্রপতি পর্ষদের দ্বারা পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত না হইয়া থাকিলে প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইতে পারিবে এবং সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে তাহা গৃহীত হইলে প্রস্তাবটি গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।
(৬) অপসারণের জন্য প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হইবার পূর্বে রাষ্ট্রপতি পর্ষদের নিকট পরীক্ষিত হইবার জন্য উপস্থিত হইয়া থাকিলে সংসদের নিকট পর্ষদের মতামত পেশ করিবার সুযোগ না দেওয়া পর্যন্ত প্রস্তাবটি ভোটে দেওয়া যাইবে না।
(৭) সংসদ কর্তৃক প্রস্তাবটি ও পর্ষদের রিপোর্ট (যাহা এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুসারে পরীক্ষার সাত দিনের মধ্যে দাখিল করা হইবে এবং অনুরূপভাবে দাখিল না করা হইলে তাহা বিবেচনার প্রয়োজন হইবে না) বিবেচিত হইবার পর সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রস্তাবটি গৃহীত হইলে তাহা গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হইবে।

অন্যদিকে,
- ৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- ৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- ৫৫। মন্ত্রিসভা।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৯৬৭.
ইন্ডিয়া অ্যাক্টের মাধ্যমে কোন কোম্পানির শাসনভার অবসান ঘটে?
  1. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  2. ডাচ ইন্ডিয়া কোম্পানি
  3. ফরাসি ইন্ডিয়া কোম্পানি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
ব্যাখ্যা

ইন্ডিয়া অ্যাক্ট:
- ইন্ডিয়া অ্যাক্ট এর মাধ্যমে ১৮৫৮ ভারতীয় উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটায় এবং এর বদলে সরাসরি ব্রিটিশ সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লবের প্রত্যক্ষ ফল।
- এভাবে বিপ্লবের অব্যবহিত পরেই পার্লামেন্ট ভারতীয় প্রশাসনের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করে।
- ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট পার্লামেন্ট ইন্ডিয়া অ্যাক্ট আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে রাজ শাসন প্রতিষ্ঠা করে।
- এ আইন বোর্ড অব কন্ট্রোল এবং কোর্ট অব ডাইরেক্টর্স-এর দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৯৬৮.
কত জন ব্যক্তিকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ প্রদান করা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:
- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়।

⇒ সমাজ, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান,
- তাসলিমা আখতার,
- রাণী হামিদ,
- শিরিন পারভিন হক।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৯৬৯.
রাজমহলের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫৬০ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫৭২ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৭০ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• রাজমহল ‍যুদ্ধ:
- আকবর বাংলার বিপর্যয়ের সংবাদ পেয়ে খান-ই-জাহানকে সুবেদার নিযুক্ত করেন।
- তাঁকে বাংলার হৃত ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য পাঠানো হয়।
- খান-ই-জাহান ও টোডরমল তেলিয়াগর্হি অধিকার করেন।
- তারপর মোগল বাহিনী রাজমহলের দিকে এগিয়ে যান।
- ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে রাজমহলে মোগল বাহিনীর সাথে তুমুল যুদ্ধে হয় দাউদ কররানির।
- এ যুদ্ধে দাউদ পরাজিত ও বন্দি হন।
- পূর্ববর্তীকালে সন্ধি ভঙ্গের অপরাধে দাউদ খান কে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়।
- এভাবে কররানি শাসনের অবসান ঘটার পাশাপাশি বাংলার একাংশে মোগল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তবে তখনো পূর্ব বাংলায় ঈসা খাঁর নেতৃত্বে বার ভূইয়াদের শাসন চলছিল।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৯৭০.
ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ সচিব
  2. চেয়ারম্যান
  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. মেম্বার
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদ -
- ইউনিয়ন পরিষদের সকল কাজের কেন্দ্রবিন্দু হলেন চেয়ারম্যান।
- তিনি পরিষদের প্রধান নির্বাহী, পরিষদের যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চেয়ারম্যানের অনুমোদন দরকার হয়।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর। মোট ১৩ জন নির্বাচিত প্রতিনিধির সমন্বয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত।
- এরা হলেন:
- ১ জন চেয়ারম্যান
- ৯ জন সাধারণ সদস্য
- ৩ জন নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সদস্য।
- এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদে বেতনভুক্ত একজন সচিব থাকেন।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল ৫ বছর। অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্য ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।[লিংক]

১২,৯৭১.
শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  2. খ) বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে
  3. গ) রাজারবাগ পুলিশ লাইনে
  4. ঘ) ঢাকা সেনানিবাসে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা সেনানিবাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
'শিখা অনির্বাণ' ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত। 'শিখা চিরন্তন' সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত। মুজিবনগরে বাংলাদেশের অস্থায়ী বা প্রথম সরকার গঠন ও শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
১২,৯৭২.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে ছিলেন?
  1. ৬নং সেক্টর
  2. ৭নং সেক্টর
  3. ৮নং সেক্টর
  4. ৯নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২,৯৭৩.
মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ঢাকার কোন এলাকায় অবস্থিত?
  1. ক) সোনারগাঁ
  2. খ) মগবাজার
  3. গ) গুলিস্থান
  4. ঘ) আগারগাঁও
সঠিক উত্তর:
ঘ) আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।
১২,৯৭৪.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুমের শস্য কোনটি?
  1. মিষ্টি কুমড়া
  2. পাট
  3. লাউ
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
লাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাউ
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:

i) রবি মৌসুম: শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়। কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়। ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়। বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম: গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

খরিফ-১ মৌসুম: যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

খরিফ-২ মৌসুম: যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১২,৯৭৫.
কোন সংস্থা থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক ঋণ সহায়তা পায়?
  1. ক) ADB
  2. খ) IDA
  3. গ) IDB
  4. ঘ) IMF
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ International Development Association (IDA) থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ সহায়তা পায়।
- গত বছরে বাংলাদেশ IDA থেকে ২২৩.৭ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা পায় যা IDA এর দ্বিতীয় শীর্ষ ঋণ গ্রহীতা।

উৎসঃ IDA ওয়েবসাইট।

১২,৯৭৬.
ক্যাবিনেট বা মন্ত্রী মিশনে কতজন সদস্য ছিলেন?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৫ জন
  4. ঘ) ৭ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ জন
ব্যাখ্যা
ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনার জন্যে ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ সরকার তৎকালীন ভারত সচিব পেথিক লরেন্স কে প্রধান করে তিন সদস্যের ক্যাবিনেট বা মন্ত্রী মিশন ভারতে পাঠান। এর অপর দুই সদস্য হলেন স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস এবং এ. ভি. আলেকজান্ডার। এই মিশন ভারতকে তিনটি ভাগে ভাগ করে এবং তিন স্তর বিশিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা করে। মুসলিমলীগ শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা মেনে নিলেও কংগ্রেসের অসহযোগিতায় মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা সফল হয়নি। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,৯৭৭.
সোমপুর বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা

সোমপুর বৌদ্ধ বিহার:
- নওগাঁ জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার।
- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সোমপুর বিহার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।
- ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক বুকানন হামিলটন যখন পূর্ব ভারতে জরিপ কাজ পরিচালনা করেন (১৮০৭-১৮১২) তখন তিনি পাহাড়পুরের এই সূতপকে বৌদ্ধ বিহার বলে অনুমান করেন।
- ১৯২৩ সাল থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যমত্ম এর খনন কাজ চলে।
- খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায় যে, এটি সোমপুর বিহার।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল। ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,৯৭৮.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ
  2. খ) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
  3. গ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

১২,৯৭৯.
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো কিভাবে সরকারকে জনস্বার্থের প্রতি সচেতন রাখে?
  1. সংযোগ সাধন করে
  2. নেতৃত্ব দান করে
  3. সমালোচনা করে
  4. ঐক্যবোধ সৃষ্টি করে
সঠিক উত্তর:
সমালোচনা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমালোচনা করে
ব্যাখ্যা
বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৯৮০.
প্রথম শহিদ মিনার কবে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৫১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৬৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৫২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

শহিদ মিনার
• প্রথম শহিদ মিনার:
- নির্মাণ: ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে।
- উদ্যোগ: ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা।
- অবস্থান: বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে।
- প্রথম উদ্বোধন: ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে শহিদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান (অনানুষ্ঠানিক)।
- আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন: ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২, দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন।
- ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ শহিদ মিনার ভেঙে ফেলে। 

• বর্তমান শহিদ মিনার:
- নির্মাণ: ১৯৬৩ সালে।
- নকশা: হামিদুর রহমান। 
- উদ্বোধন: শহীদ আবুল বরকতের মা, হাসিনা বেগম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১২,৯৮১.
সংবিধানের কোন অধ্যায় ’মৌলিক অধিকার’ সম্বলিত?
  1. দ্বিতীয় অধ্যায়
  2. পঞ্চম অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. তৃতীয় অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,৯৮২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম। 
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী।

তথ্যসূত্র - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,৯৮৩.
আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন-
  1. ক) আবুল হাশেম
  2. খ) মাওলানা ভাসানী
  3. গ) শামসুল হক
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুল হক
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ২৩-২৪ শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেন কর্মী সম্মেলনে ৩০০ জন শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি অংশ নিয়ে সর্বসম্মতভাবে 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' নামে নতুন দল গঠন করা হয়৷
মাওলানা ভাসানীকে সভাপতি, শামসুল হককে সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যুগ্ম সম্পাদক করে ৪০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়৷
ঢাকার আরমানিটোলায় ২৪ শে জুন সদ্য গঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয়৷ ১৯৫৫ সালে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে 'আওয়ামী লীগ' নাম ধারণ করে৷
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী]
১২,৯৮৪.
বাংলাদেশে বসবাসরত মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী- 
  1. গারো
  2. মারমা
  3. পাঙন
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো জনগোষ্ঠী:
- গারো জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী নৃগোষ্ঠী।
- এরা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- তবে- ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর- এই জায়গাগুলোতে গারোদের সংখ্যা অন্যান্য এলাকার তুলনায় বেশি।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল ছিল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা বিদ্যমান। 
- এই সমাজে পরিবারের প্রধান হলেন মা।
- গারো সমাজে সম্পত্তির অধিকারীও হচ্ছে মা।
- পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- সন্তানরা মায়ের পদবি গ্রহণ করে।
- প্রথাগত নিয়ম অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী মেয়েরা হয়ে থাকে।
- কিন্তু এই সমাজ ব্যবস্থায় মাত্র একটি নির্বাচিত মেয়ে সম্পত্তির মালিকানা পায়- যাকে গারো ভাষায় ‘নক্না’ বলা হয়।
- সাধারণত পরিবারের কনিষ্ঠ কন্যাকে এই পদে নির্বাচিত করা হয়। 

অন্যদিকে,
- মারমা, পাঙন, চাকমা সমাজে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু আছে।
- এই সমাজগুলোতে পরিবারের নেতৃত্ব ও সম্পত্তির অধিকার মূলত পুরুষদের হাতেই থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ। 

১২,৯৮৫.
আইয়ুব খান কোন রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন?
  1. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  2. কনভেনশন মুসলিম লীগ
  3. নেজামে ইসলাম
  4. ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট
সঠিক উত্তর:
কনভেনশন মুসলিম লীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনভেনশন মুসলিম লীগ
ব্যাখ্যা

আইয়ুব খান:
- ১৯৬২ সালের ৮ই জুন সামরিক আইন স্থগিত করা হলে দলীয় রাজনীতির অধিকার ফিরে আসে। 
- আইয়ুব খান নিজেই কনভেনশন মুসলিম লীগ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- এ সময় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে আইয়ুববিরোধী মোর্চা গঠনের আহ্বান জানান।
- ফলে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নুরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এনডিএফ গঠিত হয়।
- এ ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি। 

১২,৯৮৬.
নিচের কোন দুটি গমের জাত?
  1. মোহর ও শুভ্র
  2. দোয়েল ও বলাকা
  3. গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. সফল ও অগ্রণী
সঠিক উত্তর:
দোয়েল ও বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়েল ও বলাকা
ব্যাখ্যা
গমের জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- আকরব
- কাঞ্চন
- দোয়েল
- বলাকা
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
মোহর ও শুভ্র : ভুট্টার জাত
গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত
সফল ও অগ্রণী : সরিষার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১২,৯৮৭.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. চুকনগর সার্কিট হাউজ 
  2. চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র
  3. তেলিয়াপাড়া চা বাগান
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহরুল হক হল
সঠিক উত্তর:
তেলিয়াপাড়া চা বাগান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেলিয়াপাড়া চা বাগান
ব্যাখ্যা

তেলিয়াপাড়া বাংলোয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক:
- হবিগঞ্জের মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ ৪ এপ্রিল, ১৯৭১: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক
- হবিগঞ্জের মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের অবস্থান ঢাকা-সিলেট সড়ক ও তেলিয়াপাড়া রেলস্টেশন থেকে ২ কিলোমিটার দূরত্বে ভারতীয় সীমান্তের কাছে। ৪ এপ্রিল এই চা বাগানের ম্যানেজারের বাংলোতে বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী উচ্চপদস্থ বাঙালি সামরিক কর্মকর্তারা। ভারতীয় বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন ।
- সভায় বাংলাদেশকে ৪টি অঞ্চলে বিভক্ত করে সেক্টর গঠনের ব্যাপারে প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। এরপর মেজর কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহকে বৃহত্তর সিলেট ও ময়মনসিংহ জেলার পূর্বাঞ্চলের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। মেজর আবু ওসমান চৌধুরীকে দেওয়া হয় সমগ্র কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা, ফরিদপুর জেলা এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়কের উত্তরাংশে যুদ্ধ পরিচালনার ভার।
- বৃহত্তর কুমিল্লা, ঢাকা ও নোয়াখালী অঞ্চলের যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় মেজর খালেদ মোশাররফকে। নোয়াখালী, কুমিল্লার আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় মেজর খালেদ মোশাররফকে। অপরদিকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় মেজর জিয়াউর রহমানকে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.

১২,৯৮৮.
দেউলিয়া কে?
  1. ঋণ গ্রহীতা
  2. ঋণ পরিশোধে অক্ষম
  3. ঋণের জামানতকারী
  4. ঋণ খেলাপী
সঠিক উত্তর:
ঋণ পরিশোধে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ পরিশোধে অক্ষম
ব্যাখ্যা

দেউলিয়া:
- দেউলিয়া হলো ঋণ পরিশোধে অক্ষম। 

- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন পাওনাদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে অক্ষম হয় তখন উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেউলিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সাধারণত: আইনসঙ্গতভাবে আদালত একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেউলিয়া বলে ঘোষণা করতে পারে।
- সাধারণত: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই দুই ধরনের সত্ত্বাকে আইনগতভাবে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়ে থাকে।
- এই দুই ধরনের সত্ত্বার দেউলিয়ত্বের জন্য বিভিন্ন দেশে আলাদা আলাদা আইনের ব্যবস্থা রয়েছে।
- যুক্তরাজ্য সহ বেশ কিছু দেশে ব্যক্তি পর্যায়ের দেউলিয়ত্ত্বের জন্য রয়েছে ইনসল্ভেন্সি অ্যাক্ট (Insolvency Act) Insolvency Act 1986, অপরদিকে প্রাতিষ্ঠানিক দেউলিয়ত্বের জন্য রয়েছে কোম্পানি লিকুইডেশন অ্যাক্ট (Company Liquidation Act) Liquidation।

উৎস: Britannica.

১২,৯৮৯.
১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম কোন পত্রিকা পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার উপর ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
  1. নিউইয়র্ক টাইমস
  2. ডেইলি মেইল
  3. ডেইলি টেলিগ্রাফ
  4. দ্য ইনডিপেনডেন্ট
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যা
❐  ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকা পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার উপর ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
- সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
- তিনি লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল, দ্য সানডে টাইমস, নিউজউইক, বিবিসি টেলিভিশন রেডিও নিউজ, রয়টার প্রভৃতি গণমাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে চালুকৃত প্রথম বেসরকারি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন-এর তিনি যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। 

⇒ দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
- ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় অর্ধশত বিদেশি সাংবাদিককে আটকে ফেলে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। তাদের হোটেল থেকে সরাসরি বিমানে তুলে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় যাতে গণহত্যার কোনো খবর সংগ্রহ করতে না পারে বিশ্ব গণমাধ্যম। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। পাকিস্তানি সামরিক আইন না মেনে তিনি হোটেলে লুকিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর ৩২ ঘণ্টা সময় কাটে হোটেলের লবি, ছাদ, বার, কিচেনের মত জায়গায়। পরে তিনি ঘুরে ঘুরে প্রত্যক্ষ করেন গণহত্যার বাস্তব চিত্র। ২৭ মার্চ কারফিউ উঠে গেলে সায়মন ড্রিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘুরে দেখেন।
- নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম খবর প্রকাশ করেন ৩০ মার্চ ১৯৭১, ডেইলি টেলিগ্রাফে।
- কলকাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতেন লণ্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায়।
- ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর লন্ডনে ফিরে গেলেও ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত জেনে আবার তিনি ঢাকায় আসেন।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনও তিনি ঢাকায় ছিলেন।
- একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই ব্রিটিশ সাংবাদিককে ২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননায় ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।

এছাড়াও,

- এভাবে এস্থনি ম্যাসকারেনহাস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের চাঞ্চল্যকর তথ্য সারা বিশ্বে প্রকাশ করেন।
- বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি পুরোটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে খবর প্রচার করে গেছেন।
- এদিকে দেশে অবরুদ্ধ থেকেও অনেক বাঙালি সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে খবর পাঠিয়েছেন।
- একাত্তরের শহিদ নিজামউদ্দিন ও নাজমুল হক এরকমই দুজন সাংবাদিক।
- এছাড়া আকাশবাণী, বিবিসি, ভোয়া প্রভৃতি বেতারকেন্দ্র আমাদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল।
- আকাশবাণী কলকাতা থেকে প্রতি রাতে প্রচারিত 'সংবাদ পরিক্রমা' খুবই জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের 'বজ্রকণ্ঠ' ও 'চরমপত্রসহ' বিভিন্ন অনুষ্ঠান শ্রোতাদের মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।
iii) সংগ্রামের নোটবুক।
১২,৯৯০.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ধান: তৃতীয়।
- চা: চতুর্থ।
- পাট: দ্বিতীয়।
- আম: সপ্তম।
- ইলিশ: প্রথম।
- মাছ: দ্বিতীয়।
- সবজি: তৃতীয়।
- পেঁয়াজ: তৃতীয়।
- আলু: সপ্তম।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১২,৯৯১.
চট্টগ্রামে নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের কী নামকরণ করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম টানেল
  2. কর্ণফুলী টানেল
  3. আনোয়ারা টানেল
  4. কর্ণফুলী অর্থনৈতিক টানেল
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী টানেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী টানেল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু সেতু ও বঙ্গবন্ধু টানেলের নাম পরিবর্তন: 
- উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী বঙ্গবন্ধু সেতুর নাম বদলে করা হয়েছে যমুনা সেতু।
- এটি দেশের প্রথম বড় সেতু এবং তা টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের মধ্যে যমুনা নদীতে নির্মিত।
- এইচ এম এরশাদের আমলে প্রকল্পটি নেওয়ার সময় এর নাম ছিল যমুনা বহুমুখী সেতু।
- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন প্রথম বিএনপির সরকারের আমলেও একই নাম বহাল থাকে।
- উদ্বোধনের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এটির নাম বঙ্গবন্ধু সেতু করে।
- ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নাম পরিবর্তন করে যমুনা বহুমুখী সেতু ফিরিয়ে আনা হয়।
- ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের সরকার এসে আবার বঙ্গবন্ধু সেতু নামকরণ করে।
- চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের নামকরণ করা হয়েছে কর্ণফুলী টানেল।
- এটির নাম আগে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।
- যমুনা নদীর ওপর নতুন একটি রেলসেতু নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- বিগত সরকার এই সেতুর নাম দিয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু।
- অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটির নামকরণ করা হয়েছে যমুনা রেলসেতু।

উৎস: প্রথম আলো (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
১২,৯৯২.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কোন ইউনিট কাজ করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক ফিনান্স ডিপার্টমেন্ট
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  3. বাংলাদেশ এন্টি মানি লন্ডারিং কমিশন
  4. ফিনান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU):
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) হল মানি লন্ডারিং (ML), সন্ত্রাসে অর্থায়ন (TF) এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার (PF) প্রতিরোধে নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সংস্থা।

প্রধান কার্যক্রম:
- সন্দেহজনক লেনদেন/কার্যক্রম প্রতিবেদন (STRs/SARs) এবং নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (CTRs) বিশ্লেষণ।
- রিপোর্টিং সংস্থা (ROs) এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ।
- বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ।
- রিপোর্টিং সংস্থাগুলোর মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি।
- বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের দায়িত্ব পালন।
- BFIU দেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কাজ করে এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BFIU ওয়েবসাইট
১২,৯৯৩.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার কে ছিলেন?
  1. শাহ আব্দুল হামিদ
  2. মাওলানা আব্দুর রশিদ
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. শাহ মোয়াজ্জেম হোসাইন
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ।
তবে গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১২,৯৯৪.
বাংলাদেশে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রধান কর্তৃপক্ষ হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

• জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট। 

১২,৯৯৫.
১৯৭০ সালের পরিষদের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. আব্দুস সাত্তার
  3. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. বিচারপতি চৌধুরী এটিএম মাসুদ
সঠিক উত্তর:
আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা

১৯৭০ এর নির্বাচন: 
- পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়,
- এর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের বাঙালি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- এই কমিশনের অধীনে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ২৪টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, 
- সমগ্র পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩টি, এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত আসন ছিল ১৬৯টি (৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ)। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৬৯টির মধ্যে ১৬৭টি আসন লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বাকি দুটি আসনে ময়মনসিংহ ও রাঙামাটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হন।

এছাড়াও,
- পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসনে বিজয়ী হয়। তবে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল ন্যাপ (ভাসানী) "ভোটের আগে ভাত চাই" স্লোগান তুলে এই নির্বাচন বর্জন করে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

১২,৯৯৬.
স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজনকে 'বীর উত্তম' উপাধি প্রদান করা হয়?
  1. ৬২ জন
  2. ৬৪ জন
  3. ৬৬ জন
  4. ৬৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানের জন্য বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য  ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ: ৭ জন,
• বীর উত্তম: ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম: ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক: ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
-  ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যাঁদের খেতাব বাতিল হয়েছে তাঁদের মধ্যে একজন হলেন লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫)।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর উত্তম: ৬৭ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
১২,৯৯৭.
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক কি ছিল?
  1. ক) গোলাপ ফুল
  2. খ) নৌকা
  3. গ) হারিকেন
  4. ঘ) ঘড়ি
সঠিক উত্তর:
খ) নৌকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নৌকা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী জোট।
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে।
• নির্বাচনের জোটের প্রতীক ছিল নৌকা।
• ২১ দফা কর্মসূচীর (নির্বাচনী ইশতেহার) ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়।
• যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
১২,৯৯৮.
In 1970 Provincial Council elections were held on -
  1. ক) 7 December, 1970
  2. খ) 17 December, 1970
  3. গ) 7 January, 1971
  4. ঘ) 17 January, 1971
সঠিক উত্তর:
খ) 17 December, 1970
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 17 December, 1970
ব্যাখ্যা
১৯৭০ এর নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ও ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- অবশ্য ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ের ফলে দুর্গত ও উপকূলীয় এলাকায় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।

- আওয়ামী লীগ দলীয় সভায় ১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত এবং একই বছরের ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘নৌকা’ পছন্দ করেন।
- নির্বাচনে মোট ২৪টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি এবং প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ২৯৮টি আসন লাভ করে।
-------------------
উল্লেখ্য,
- সাধারণ নির্বাচন পরিচালনার জন্যে ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশন পাকিস্তানের জন্যে একটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং ১৯৭০ সালে বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি (পৃষ্ঠা - ১৭৫) ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৯৯৯.
ক্যাবিনেট মিশনের সদস্য ছিলো কতজন?
  1. ক) তিনজন
  2. খ) চারজন
  3. গ) পাঁচজন
  4. ঘ) দুইজন
সঠিক উত্তর:
ক) তিনজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তিনজন
ব্যাখ্যা
- ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনার জন্যে ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ সরকার তৎকালীন ভারত সচিব পেথিক লরেন্স কে প্রধান করে তিন সদস্যের ক্যাবিনেট বা মন্ত্রী মিশন ভারতে পাঠায়।
ক্যাবিনেট মিশনের সদস্যবৃন্দরা হলেন:
- পেথিক লরেন্স (মিশন প্রধান)
- স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস (সদস্য)
- এ. ভি. আলেকজান্ডার (সদস্য)।
- এই মিশন ভারতকে তিনটি ভাগে ভাগ করে এবং তিন স্তর বিশিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা পেশ করে। মুসলিমলীগ শেষ পর্যন্ত ক্যাবিনেট মিশন পরিকল্পনা মেনে নিলেও কংগ্রেসের অসহযোগিতায় তা সফল হয়নি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১৩,০০০.
বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে কোন ক্রিকেটার ওয়ানডে ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করেন?
  1. শাহদাত হোসেন রাজীব
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মাশরাফী বিন মর্তুজা
  4. অলোক কাপালী
সঠিক উত্তর:
শাহদাত হোসেন রাজীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহদাত হোসেন রাজীব
ব্যাখ্যা
শাহদাত হোসেন রাজীব:
- বাংলাদেশের পেস বোলার শাহদাত হোসেন রাজীব।
- ২০০৫ সালে লর্ডসে ক্যারিয়ার শুরু করা শাহাদাত হোসেন সবশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ২০১৫ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন শাহাদাত হোসেন।
- ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েন শাহাদাত।

উৎস: ESPNcricinfo.