বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২৯ / ৩০৬ · ১২,৮০১১২,৯০০ / ৩০,৮৩২

১২,৮০১.
মুজিব নগর সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. এম. মনসুর আলী
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- এস.এ সামাদ ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।
- উপ-সেনাপতি ছিলেন এ.কে খন্দকার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৮০২.
ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন কোন বাংলাদেশী? 
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. জাফর ইকবাল খান
  3. কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল
  4. ড. রোকনুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট: 
- ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল। 
- বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক চপল।
- এছাড়া দুই মেয়াদে ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রথম সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি।
- সভাপতি পদে কাজী রাজীব ২৯-৯ ভোটে হারিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার থমাস হান-কে।

উল্লেখ্য, 
- তৃতীয়বারের মতো ঢাকায় বসেছে এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপের আসর।
- ৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জাতীয় স্টেডিয়ামে উদ্বোধন হয়েছে ২৪তম আসরের। টুর্নামেন্টটির স্থানীয় আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যানও তিনি।
- প্রেসিডেন্ট পদে চপলের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন টানা পাঁচবারের এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট চুং ইউ সান।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১২,৮০৩.
বাংলা একাডেমি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে? 
  1. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. তথ্য মন্ত্রণালয়
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে । 
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গুলো হলো - 
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র
গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়
১২,৮০৪.
গারোদের আদি ধর্মের নাম কী?
  1. অপোকপা
  2. সাংলান
  3. আচিক
  4. সাংসারেক
সঠিক উত্তর:
সাংসারেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংসারেক
ব্যাখ্যা
'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়া শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।
- তবে বর্তমানে গারোরা খ্রিস্টধর্মের অনুসারী হচ্ছে।
- তাদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক বা গারো ভাষা।
- এদের সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। অর্থাৎ পরিবারের প্রধান মাতা।
- গারো নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নাম 'দকবান্দা ও দকসারি' এবং পুরুষরা শার্ট, লুঙ্গি, ধুতি ইত্যাদি পরিধান করে।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮০৫.
‘প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে’ এটি নিচের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ২৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩০ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩১ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৯ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♣ ২৯ নং অনুচ্ছেদ:সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;   
- (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
- (২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।
- (৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
- (ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
- (খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,
- (গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

♠♠ 
- ৩০ নং অনুচ্ছেদ: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ। 
- ৩১ নং অনুচ্ছেদ: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- ৩২ নং অনুচ্ছেদ: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।   

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৮০৬.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন কতটি শাখায় বিভক্ত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ট্যারিফ কমিশন:

- ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুনর্গ©র্ঠত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২,৮০৭.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মোট কতটি ব্রিগেড ফোর্স ছিল?
  1. ৪ টি
  2. ১১ টি
  3. ৩ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

• জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

• কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

• খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।


তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮০৮.
রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতিসমূহ বাংলাদেশের কত নং অনুচ্ছেদে অলোচিত হয়?
  1. ক) ৭-২৫
  2. খ) ৮-২৫
  3. গ) ৭-২২
  4. ঘ) ৮-২২
সঠিক উত্তর:
খ) ৮-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮-২৫
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভাগ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ অনুসারে)

৮. মূলনীতিসমূহ
৯. জাতীয়তাবাদ
১০. সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
১১. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
১২. ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
১৩. মালিকানার নীতি
১৪. কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫. মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬. গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৮. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৮ক. পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
১৯. সুযোগের সমতা
২০. অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
২১. নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
২২. নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
২৩. জাতীয় সংস্কৃতি
২৩ক. উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
২৪. জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি
২৫. আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন

উৎসঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,৮০৯.
বাংলাদেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নাম-
  1. ক) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  2. খ) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি
  3. গ) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বি.এন.পি
  4. ঘ) বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
সঠিক উত্তর:
খ) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি
ব্যাখ্যা
- ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর ৪৪ টি দলকে নিবন্ধন দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তীতে আদালতের আদেশে এবং ইসির শর্ত পালনে ব্যর্থ হওয়ায় পাঁচটি দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। 
- দেশে শতাধিক রাজনৈতিক দল সক্রিয় থাকলেও নিবন্ধিত দল মাত্র ৩৯টি। 
- ইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রথম নিবন্ধিত দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। 
- ২০০৮ সালের ২০ অক্টোবর নিবন্ধন পায় দলটি। 
- নিবন্ধন নম্বর- ১। দলটির নির্বাচনী প্রতীক ‘ছাতা’। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন । 
১২,৮১০.
বাংলাদেশে ব্যাংক নোট নয় কোনটি?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১২,৮১১.
নবম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক কে?
  1. নিগার সুলতানা
  2. স্বর্ণা আক্তার
  3. মারুফা আক্তার
  4. জাহানারা আলম
সঠিক উত্তর:
নিগার সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিগার সুলতানা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নবম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ 

- ৩ অক্টোবর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে ১০ দলের নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১০টি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে।
-  ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা। 
-  ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং স্কটল্যান্ড। 
- মেয়েদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।

বিশ্বকাপের বাংলাদেশ স্কোয়াড

• নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক)
• মারুফা আক্তার;
• দিশা বিশ্বাস;
• সাথী রানী;
• মুর্শিদা খাতুন;
• স্বর্ণা আক্তার;
• রিতু মণি;
• নাহিদা আক্তার;
• সুলতানা খাতুন;
• সুবহানা মুস্তারি;
• ফাহিমা খাতুন;
• জাহানারা আলম;
• দিলারা আক্তার;
• তাজ নেহার;
• রাবেয়া খান।  

সূত্র- বিসিবি ওয়েবসাইট।
১২,৮১২.
১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে কোন অঞ্চলের কোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছিল না?
  1. পশ্চিম পাকিস্তান
  2. সেভেন সিস্টার্স
  3. সিকিম
  4. পূর্ব পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
পূর্ব পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ: 
- ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান জন্ম নিলে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে তাদের মাঝে বৈরিতার সূত্রপাত হয়।
- ভারত ও পাকিস্তান-উভয়ই কাশ্মীরকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করত।
- ১৯৪৭ সালেই তাদের মাঝে কাশ্মীর নিয়ে প্রথম যুদ্ধ বাধে।
- কিন্তু জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে তার অবসান হয়।
- কাশ্মীরকে নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বাধে ১৯৬৫ সালে।
- ৬ই সেপ্টেম্বর পাকিস্তান বাহিনী ভারত আক্রমণ করলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
 -যুদ্ধের শুরু থেকেই ভারতীয় বাহিনী প্রাধান্য দেখিয়ে লাহোরের দিকে এগিয়ে যায়।
- পাকিস্তানিদের এই চরম দুর্দিনে বাঙালি সেনারা অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করে লাহোর রক্ষা করেন।
- এ যুদ্ধের ফলে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুববিরোধী মনোভাব প্রবলভাবে জাগ্রত হয়।
- কারণ যুদ্ধে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, পূর্ব পাকিস্তানের কোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছিল না।
- অরক্ষিত এ অঞ্চল যেকোনো সময় ভারতের আক্রমণের শিকার হতে পারত।
- এমনকি এ সময় প্রশাসনিক দিক থেকে পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে পূর্ব পাকিস্তানের যোগাযোগ একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- বাঙালি সেনারা জীবনবাজি রেখে লাহোর রক্ষা করলেও আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার জন্য কোনো ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেননি।
- পাকিস্তানের শোচনীয় অবস্থার মুখে পাশ্চাত্য শক্তি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের হস্তক্ষেপে ১৭ দিনের মাথায় যুদ্ধ বন্ধ হয়।
- ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি মাসে সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী কোসিগিনের মধ্যস্থতায় তাসখন্দ শহরে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২,৮১৩.
পণ্যের দাম বাড়লে সরবরাহ_________।
  1. কমে
  2. সমান থাকে
  3. বাড়ে
  4. দ্রুত কমে
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
যোগান/সরবরাহের ধারণা (Concept of Supply)
কোন বিক্রেতা বা উৎপাদন প্রতিষ্ঠান কোন নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট দামে তাদের উৎপাদিত পণ্যের যে পরিমাণ বিক্রয় করতে প্রস্তুত থাকে তাকে অর্থনীতিতে যোগান/সরবরাহ (Supply) বলে।

⇒ যোগানের অন্যতম একটি নির্ধারক হচ্ছে, 'দ্রব্যের দাম বাড়লে যোগানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমলে যোগানের পরিমাণ হ্রাস পায়।'

উৎস:
অর্থনীতি ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮১৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১
  2. অনুচ্ছেদ- ১২
  3. অনুচ্ছেদ- ১৩
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১
ব্যাখ্যা

• গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: 
 অনুচ্ছেদ- ১১: প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।
 
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১১। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৩। মালিকানার নীতি;
- অনুচ্ছেদ- ১৪। কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১৫। মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
- অনুচ্ছেদ- ১৬। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
- অনুচ্ছেদ- ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮। জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১২,৮১৫.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ক) সেনেগাল
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ক) সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেনেগাল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
- একইদিন দ্বিতীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভারত।
- তৃতীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম আফ্রিকান/মুসলিম/অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(সূত্রঃ ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট, কালের কণ্ঠ এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)
১২,৮১৬.
২০২৪ সালে দেশে কোন খাতে সর্বাধিক বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে?
  1. ব্যাংকিং খাত
  2. কৃষি ও মৎস্য খাত
  3. পোশাক খাত
  4. টেলিকমিউনিকেশন খাত
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকিং খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকিং খাত
ব্যাখ্যা

বৈদেশিক বিনিয়োগ:
- মূলত বিদেশ থেকে যত বিনিয়োগ আসে এবং সেই সময়ে আগের বিনিয়োগের অর্থ পরিশোধ করার পর বিয়োজন করলে যা অবশিষ্ট থাকে সেটাই নিট বিনিয়োগ।
- ২০২৪ সালে দেশে মোট নেট এফডিআই এসেছে ১.২৭ বিলিয়ন ডলার বা ১২৭ কোটি ডলার।
- এটি ২০২৩ সালের তুলনায় ১৩.২৫ শতাংশ কম।

⇒ ২০২৪ সালে আসা মোট এফডিআইয়ের মধ্যে ৬২২ মিলিয়ন ডলার ছিল রিইনভেস্টেড আর্নিংস।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে ব্যাংকিং খাতে—৪১৬ মিলিয়ন ডলার। 
- এরপর পোশাক খাতে এসেছে ৪০৭ মিলিয়ন ডলার।
- এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১৩ কোটি ৬০ লাখ, কৃষি ও মৎস্য খাতে ৭ কোটি ৫ লাখ এবং ট্রেডিং খাতে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ডলার এফডিআই এসেছে। 
- এর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে চামড়া, কৃষি, মৎস্য ও ট্রেডিং খাতে; কমেছে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ, ফার্মাসিউটিক্যালস ও টেলিকমিউনিকেশন খাতেও গত বছর এফডিআই কমেছে।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link] 
ii) The Business Standard. [link]

১২,৮১৭.
'শিশু স্বর্গ' কি?
  1. ক) ভাস্কর্য
  2. খ) জাদুঘর
  3. গ) চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান
  4. ঘ) হাসপাতাল
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'। এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন। পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে এবং সেখানে শিশু স্বর্গ নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে। এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন। (সূত্রঃ নড়াইল জেলা ওয়েবসাইট এবং বিডিনিউজ২৪)
১২,৮১৮.
'বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল স্বাধীনতার মূল দলিল'- উক্তিটি কে করেছেন?
  1. মার্শাল টিটো
  2. ফিদেল ক্যাস্ট্রো
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. এডওয়ার্ড হীথ
সঠিক উত্তর:
নেলসন ম্যান্ডেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেয়।
- উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।
- এই ভাষণে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।
- ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয়:
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ।
- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা 'We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History' শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে 'World's Documentary Heritage' এর মর্যাদা দিয়ে 'International Memory of the World Register'- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বঙ্গবন্ধুর সেই অমর ভাষণকে  ইউনেস্কো ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- 'বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল স্বাধীনতার মূল দলিল'- উক্তিটি করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।

অন্যদিকে -
- যুগো-স্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটো বঙ্গবন্ধুর ভাষণের তাৎপর্যপূর্ণ দিক তুলে ধরে বলেছিলেন, এই ভাষণের মাধ্যমে শেখ মুজিব প্রমাণ করেছেন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানিদের কোনো রকম বৈধতা নেই। 
- কিউবার অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো বলেছেন, ৭ই মার্চের শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ শুধুমাত্র ভাষণ নয়, এটি একটি অনন্য রণকৌশলের দলিল।
- ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হীথ বলেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে যতদিন পরাধীনতা থেকে মুক্তির জন্য সংগ্রাম থাকবে, ততদিন শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণটি মুক্তিকামী মানুষের মনে অন্যতম প্রেরণা হয়ে থাকবে। 

উৎস: i) সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট।
১২,৮১৯.
RTGS-এর পূর্ণরূপ -
  1. Real Time Gross Standardize
  2. Real Time Gross Settlement
  3. Real Time Gross System
  4. Real Time Gross Service
সঠিক উত্তর:
Real Time Gross Settlement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Real Time Gross Settlement
ব্যাখ্যা
RTGS:
- RTGS-এর পূর্ণরূপ: Real Time Gross Settlement.
- অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৯শে অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করে।
- এটি একটি পেমেন্ট প্রক্রিয়া।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি ইকোসিস্টেমে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি দেশে বৃহৎ মূল্য এবং সময় সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থপ্রদানের তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করে।

উল্লেখ্য,
- একটি ইলেকট্রনিক সিস্টেম হিসাবে, এটি একটি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংকে রিয়েল-টাইমে এবং মোট ভিত্তিতে তহবিল স্থানান্তর নিশ্চিত করে৷
- এখানে রিয়েল-টাইম লেনদেনগুলির জন্য কোন সময়ের প্রয়োজন নেই৷
- লেনদেনগুলি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে নিষ্পত্তি করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১২,৮২০.
ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে ১১দফা ঘোষণা করেন কোন সংগঠন?
  1. ছাত্র ইউনিয়ন
  2. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  3. আওয়ামী লীগ
  4. সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
•১১ দফা:
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ, বিশেষত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মেনন], পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মতিয়া], ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (DUCSU) আট জন ছাত্রনেতা সম্মিলিতভাবে গঠন করেন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
- ৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল মূলতঃ আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে এদেশের ছাত্র- জনতার তীব্র আন্দোলন।
- আসাদ, মতিয়র, সার্জেন্ট জহুরুল হক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডঃ শামসুজ্জোহার মৃত্যু এই আন্দোলনকে প্রাণ দিয়েছিল।
- আর ছাত্র সমাজের ১১ দফা কর্মসূচি বা দাবী এ আন্দোলনকে করে তুলেছিল তীব্র।
- যার ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খান ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন আর পরবর্তী শাসক ইয়াহিয়া খানও ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে বাধ্য হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮২১.
বাংলাদেশে বর্তমানে শহর অঞ্চলে কয় ধরণের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে?
  1. ক) ৩ ধরণের
  2. খ) ৪ ধরণের
  3. গ) ২ ধরণের
  4. ঘ) ৬ ধরণের
সঠিক উত্তর:
গ) ২ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ ধরণের
ব্যাখ্যা
 • বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
গ্রাম অঞ্চলের ৩ ধরনের এবং শহর অঞ্চলে ২ ধরনের

• গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

• শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,৮২২.
ভারত কত তারিখে বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণ:
- নভেম্বর, ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করে।
- প্রায় এক লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা ঢাকা-চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ দেশের অন্যান্য স্থানে হানাদার বাহিনীর উপর তীব্র আঘাত হানতে থাকে।
- নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ হতে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে মুক্তিবাহিনীর অভিযান ব্যাপক ফলপ্রসূ হয়।
- এসময় দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোরের বিস্তীর্ণ এলাকা শত্রুমুক্ত হয়।
- ক্রমান্বয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলও মুক্তিযোদ্ধারা দখল করে নিতে থাকে।
- ফলে পাকিস্তানি বাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে পড়ে।

⇒ বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর হাতে পর্যুদস্ত পাক-বাহিনী ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর আকস্মিকভাবে ভারতের অমৃতসর শ্রীনগরসহ অন্যান্য স্থানে আক্রমণ করলে ৪ ডিসেম্বর ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ভারতের ইন্দিরা গান্ধী সরকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতার জন্য ভারতীয় মিত্রবাহিনী পাঠায়।
- ৬ ডিসেম্বর ভারত স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ভারতীয় মিত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনী একত্রে যৌথ বাহিনী গঠন করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচণ্ড আক্রমণ শুরু করে।
- ভারতীয় বিমান ও নৌ-বাহনীও পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযানে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে যশোর সেনানিবাস, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ যৌথবাহিনীর দখলে আসে।
- ১০ ডিসেম্বর বিমান হামলা বন্ধ রেখে বিদেশীদের ঢাকা ত্যাগের সুযোগ দেওয়া হয়।
- ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে যৌথবাহিনী ভৈরব, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল মুক্ত করে ঢাকার খুব নিকটে চলে আসে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮২৩.
প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
গ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

অন্যদিকে -
- সিলেটের প্রাচীন নাম হরিকেল।
- কুমিল্লা ও নোয়াখালী সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৮২৪.
মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতি ছিলেন কে?
  1. কর্নেল এম এ রব
  2. এ কে খন্দকার
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. কর্নেল এম এ জি ওসমানী
সঠিক উত্তর:
কর্নেল এম এ জি ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নেল এম এ জি ওসমানী
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ জি ওসমানী।

জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী (যিনি এম.এ.জি. ওসমানী নামে পরিচিত) মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৪২ সালে তৎকালীন বৃটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ মেজর ছিলেন তিনি।
- দেশবিভাগের পর ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর ওসমানী যোগ দেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে।
- ১৯৬৭ সালে সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে অবসর নেন তিনি।
- মুক্তিযুদ্ধের ২৫ মার্চ ঢাকাতেই ছিলেন ওসমানী। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ওসমানী সীমান্ত পার হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।
- ১১ এপ্রিল (১৯৭১) প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ভাষণ দেন।
- ঐ ভাষণে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবকাঠামো গঠনের কথা উল্লেখ করে এম. এ. জি. ওসমানীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য যে,
- ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারী ও সরকার গঠন করা হয় এবং পরবর্তীকালে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরেগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার, ওসমানীকে করা হয় মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
- ওসমানী'র নির্দেশনা অনুযায়ী সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

অন্যদিকে,
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন- সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১২,৮২৫.
বেঙ্গল প্যাক্ট স্বাক্ষরিত হয় কখন?
  1. ক) ১৯২০ সালে 
  2. খ) ১৯২১ সালে
  3. গ) ১৯২২ সালে 
  4. ঘ)  ১৯২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ)  ১৯২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ)  ১৯২৩ সালে
ব্যাখ্যা
• বেঙ্গল প্যাক্টঃ
- বেঙ্গল প্যাক্ট একটি চুক্তি যা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক পার্থক্যজনিত সমস্যা সমাধানকল্পে সম্পাদিত হয়েছিল। 
- চুক্তির উদ্যোক্তা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলিমদের সাথে হিন্দুদের রাজনৈতিক অংশীদারত্বের পক্ষপাতী ছিলেন।
- এই চুক্তিতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী‌র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- চুক্তিটি বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির ১৯২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর তারিখের সভায়ও অনুমোদন লাভ করে।
• চুক্তিটির বিভিন্ন শর্ত ছিল নিম্নরূপ:
১. বঙ্গীয়-আইন সভায় প্রতিনিধিত্ব পৃথক নির্বাচক মন্ডলীর মাধ্যমে জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
২. স্থানীয় পরিষদসমূহে প্রতিনিধিত্বের অনুপাত হবে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের শতকরা ৬০ ভাগ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতকরা  ৪০ ভাগ।
৩. সরকারি চাকরির শতকরা পঞ্চান্ন ভাগ পদ পাবে মুসলমান সম্প্রদায় থেকে। যতদিন ঐ অনুপাতে না পৌঁছানো যায়, ততদিন মুসলমানরা পাবে শতকরা আশি ভাগ পদ এবং বাকি শতকরা কুড়ি ভাগ পাবে হিন্দুরা।
৪. কোন সম্প্রদায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ৭৫ শতাংশের সম্মতি ব্যতিরেকে এমন কোন আইন বা সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা যাবে না, যা ঐ সম্প্রদায়ের সঙ্গে স্বার্থের পরিপন্থী।
৫. মসজিদের সামনে বাদ্যসহকারে শোভাযাত্রা করা যাবে না।
৬.  আইন সভায় খাদ্যের প্রয়োজনে গো-জবাই সংক্রান্ত কোন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে না এবং আইন সভার বাইরে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সমঝোতা আনার প্রচেষ্টা চালানো অব্যাহত থাকবে। এমনভাবে গরু জবাই করতে হবে যেন তা হিন্দুদের দৃষ্টিতে পড়ে তা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করে।  ধর্মীয় প্রয়োজনে গরু জবাইয়ের ব্যাপারে কোন হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১২,৮২৬.
সুশীল সমাজের অংশ নয়-
  1. রাজনৈতিক দল
  2. নাগরিক সংগঠন
  3. এনজিও
  4. পেশাজীবী সংগঠন
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

সুশীল সমাজের অংশ নয়- রাজনৈতিক দল।

সুশীল সমাজ:

- সুশীল সমাজের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Civil Society.
- সুশীল সমাজ হলো এমন এক ধরনের গোষ্ঠী, যারা সবসময় জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করে।
- সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ স্বতন্ত্র কোন রাজনীতি করে না, কারণ এরা কোন দলের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না, হোক সরকারি বা বিরোধী কোন দল।
- সুতরাং সুশীল সমাজ হলো এমন এক ধরনের গোষ্ঠী যারা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সংযুক্ত না থেকে সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে।

⇒ সুশীল সমাজ ব্যক্তি ও সরকারের মধ্যে একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- সুশীল সমাজ কখনও কখনও সরকার ও জনগণের মধ্যকার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এরা সাধারণত বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।
- সর্বসাধারণের উন্নতি বিধান, রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য গৃহীত কার্যক্রমে স্বাধীনভাবে অথবা সরকারের সহযোগিতায় সুশীল সমাজ অংশগ্রহণ করে থাকে।
- বলা হয়ে থাকে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা কিংবা প্রভাব যেখানে শেষ সেখানেই সুশীল সমাজের শুরু।

⇒ সুশীল সমাজের রয়েছে চারটি মৌলিক উপাদান -
১. বহুত্ববাদ বা বহুদলীয় গণতন্ত্র বা উদার গণতন্ত্র,
২. জনমত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা,
৩. গোপনীয়তা ও
৪. বৈধতা।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ii) Britannica.

১২,৮২৭.
বাংলাদেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ করা হবে কোথায়?
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন:
- দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- চলতি বছরের ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান অনুষদে গ্রাউন্ড স্টেশনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।
- প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পে ৬০ কোটি টাকার কারিগরি ও যান্ত্রিক সহায়তা দিচ্ছে চীন।
- বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্রবিন্দু ধরে এই স্টেশন চীনের স্যাটেলাইটগুলোর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।
- স্টেশনটি উপকূলীয় এলাকার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হবে।
- এটি দ্রুত নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানায় প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
- এতে দেশের সমুদ্র ও বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থাকে তথ্য, পূর্বাভাস, সতর্কতা ও পরামর্শ দেওয়া সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,৮২৮.
নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্যের বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ২৩
  2. খ) অনুচ্ছেদ ২৪
  3. গ) অনু্চ্ছেদ ২১
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ২২
সঠিক উত্তর:
গ) অনু্চ্ছেদ ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনু্চ্ছেদ ২১
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে "রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি" অংশে নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্যের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
১২,৮২৯.
মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. এ. কে. খন্দকার
  2. কে. এম. শফিউল্লাহ
  3. খালেদ মোশাররফ
  4. এম. এ. জি. ওসমানী
সঠিক উত্তর:
এম. এ. জি. ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. এ. জি. ওসমানী
ব্যাখ্যা
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী:

- জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
- ১৯১৮ সালের ১ নভেম্বর সুনামগঞ্জে তাঁর জন্ম।
- তিনি ১৯৩৪ সালে সিলেট সরকারি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ১৯৩৮ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে দেরাদুনে ব্রিটিশ ভারতীয় সামরিক একাডেমী থেকে সামরিক কোর্স সম্পন্ন করে রাজকীয় বাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেন (অক্টোবর ১৯৪০)।
- ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন।
- ১৯৪৭ সালে সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসার কোর্স সম্পন্ন করার পর ওসমানী লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে নিয়োগের জন্য মনোনীত হন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং পরদিনই লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। সত্তরের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৮৩০.
কাবিখা কর্মসূচি কোন ধরনের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিল্পায়ন
  2. স্বাস্থ্যসেবা
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. শিক্ষা উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,৮৩১.
কোন যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় আফগান শাসনের অবসান ঘটে?
  1. তুকারয়ের যুদ্ধ
  2. সুরজগড়ের যুদ্ধ
  3. রাজমহলের যুদ্ধ
  4. চৌসার যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
রাজমহলের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজমহলের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

আফগান শাসন: 
- বাংলায় আফগান শাসনের অবসান ঘটে ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে রাজমহলের যুদ্ধে। 
- এটি মুগল সেনাপতি খান-ই-জাহান (হোসেন কুলি খান) ও আফগান শাসক দাউদ খান কররানী-এর মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এর আগে ১৫৭৫ সালে তুকারয় যুদ্ধে একবার সন্ধি হলেও, দাউদ সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করে পুনরায় মুগলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
- মুনিম খানের মৃত্যুর পর নতুন মুগল শাসক হোসেন কুলি খান চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেন।
- রাজমহলে সংঘটিত এই যুদ্ধটি ছিল দাউদের জন্য চূড়ান্ত ধাক্কা।
- তিনি পরাজিত হন, বন্দি অবস্থায় পড়েন এবং পরে তাকে হত্যা করা হয়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১২,৮৩২.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে কোন তারিখে? 
  1.  ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ 
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ 
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  4. ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।

• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:

- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে।
- গঠিত হয় ৫১ সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩।
- সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি , যথা: ইংরেজি, ফরাসি, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ২টি: ফিলিস্তিন ও ভ্যাটিকান সিটি।
- বর্তমান মহাসচিব: এন্তোনিও গুতেরেস।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবরে বাংলাদেশ জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

১২,৮৩৩.
দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে অবস্থিত তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- গ্যাসক্ষেত্রটিতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৭.৫৮২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ৩১ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত মোট গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে ৫.০৬৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেলওয়েল কোম্পানি তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৬৮ সাল থেকে ক্ষেত্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড তিতাস ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে।
- তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের মাধ্যমে তিতাস ক্ষেত্রের গ্যাস ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
- তবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি এবং পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট)
১২,৮৩৪.
২০২৪ সালের কৃষিশুমারি অনুযায়ী কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপন্ন হয়েছে?
  1. চট্টগ্রাম বিভাগ
  2. রাজশাহী বিভাগ
  3. খুলনা বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে আউশ ধান উৎপাদনের সামগ্রিক হিসাব ২০২৪ কৃষিশুমারি অনুযায়ী:

- বিভাগ অনুযায়ী:
- সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপাদন হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে (৬,১৭,৬০০ মেট্রিক টন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ (৫,৯৫,৮০১ মেট্রিক টন)।

- জেলা অনুযায়ী:
- সর্বোচ্চ উৎপাদন হয়েছে কুমিল্লা জেলায় (২,৩৪,৮৩৯ মেট্রিক টন),
- দ্বিতীয় অবস্থানে ভোলা জেলা (১,৯০,৭৮৪ মেট্রিক টন)।

- চট্টগ্রাম বিভাগের আউশ ধান চাষের ক্ষেত্রফল: ৫,৪৯,৮৯০ একর।
- কুমিল্লা জেলার আউশ ধান চাষের ক্ষেত্রফল: ১,৯৪,৩৪৬ একর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১২,৮৩৫.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হয় কখন?
  1. ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
  2. ২২ নভেম্বর, ১৯৭১
  3. ২৩ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ২৪ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২১ শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করেছিল।
- পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং ভারতীয় বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যােগ দেয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৮৩৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় কোন সম্মেলনে?
  1. ক) মুজিব-ইন্দিরা সম্মেলন
  2. খ) লাহোর সম্মেলন
  3. গ) কাগমারী সম্মেলন
  4. ঘ) কাশ্মীর সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর সম্মেলন
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৩৭.
নিচের কোনটি স্থানীয় প্রশাসনের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. উপজেলা প্রশাসন
  4. জেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
 ’জেলা পরিষদ’ স্থানীয় প্রশাসনের অন্তর্ভুক্ত নয় কারণ  এটি একটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠান ।

- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
----------------------------------------------
• স্থানীয় প্রশাসন: 
- স্থানীয় শাসন বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ,জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায়। প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি।
- এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ন্ত্রণকে নিম্নস্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়।
- কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য।
- স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য।

• স্থানীয় প্রশাসনগুলো হলো:

• বিভাগীয় প্রশাসন:
বাংলাদেশে আটটি বিভাগ আছে। প্রতিটি বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন বিভাগীয় কমিশনার।

• জেলা প্রশাসন:
- জেলা প্রশাসন মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন।
- তাঁকে কেন্দ্র করে জেলার সকল সরকারি কাজ পরিচালিত হয়।

• উপজেলা প্রশাসন:
- উপজেলার প্রধান প্রশাসক হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
- উপজেলার প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তাঁর অন্যতম দায়িত্ব।
- এছাড়া তিনি উপজেলার সকল উন্নয়নকাজ তদারক করেন ও সরকারি অর্থের ব্যয় তত্ত্বাবধান করেন।
- তিনি উপজেলা উন্নয়ন কমিটির প্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১২,৮৩৮.
তমুদ্দিন মজলিশের মুখপত্র ছিলো-
  1. দৈনিক গণকন্ঠ
  2. সাপ্তাহিক সৈনিক 
  3. সাপ্তাহিক ইত্তেহাদ
  4. সাপ্তাহিক দেশ
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক 
ব্যাখ্যা

 • তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো সাপ্তাহিক 'সৈনিক পত্রিকা'।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী।

১২,৮৩৯.
বর্গীর হাঙ্গামা থকে বাংলাকে রক্ষা করেন কোন নবাব?
  1. ক) নবাব মুর্শিদকুলী খান
  2. খ) নবাব সুজাউদ্দিন খান
  3. গ) নবাব আলীবর্দী খান
  4. ঘ) নবাব সরফরাজ খান
সঠিক উত্তর:
গ) নবাব আলীবর্দী খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নবাব আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা
নবাব আলিবর্দী খানকে তাঁর রাজত্বের বেশির ভাগ সময় মারাঠাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যাপৃত থাকতে হয়। ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর কাল তিনি মারাঠা হানাদারদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন ইতিহাসে মারাঠা আক্রমণের ঘটনাবলী বর্গীর হামলা নামে সুপরিচিত। প্রায় প্রতি বছরই মারাঠা শক্তি বাংলা ও উড়িষ্যায় হামলা চালায়। নবাব আলিবর্দী খান অবিরাম প্রতিরোধ যুদ্ধে আপোষহীনভাবে হানাদারদের বিতাড়িত করে দেশকে রক্ষা করতে সক্ষম হন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৮৪০.
বাংলা একাডেমি প্রদত্ত রবীন্দ্র পুরস্কার-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. ড. তসিকুল ইসলাম রাজা
  2. সুকুমার বড়ুয়া
  3. ইনাম আল হক
  4. ড. আতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
ড. আতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি প্রদত্ত রবীন্দ্র পুরস্কার-২০২১ লাভ করেন ড. আতিউর রহমান।
অন্যদিকে,
- মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার-২০২১ : ইনাম আল হক।
- মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধসাহিত্য পুরস্কার-২০২১ : অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।
- মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার-২০২১ : সুকুমার বড়ূয়া।
- অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার-২০২১ : ফেরদৌসী মজুমদার।
- সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ : ড. তসিকুল ইসলাম রাজা।
- হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান লেখক পুরস্কার-২০২১ : সৌমিত্র চক্রবর্তী।
(তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি)
১২,৮৪১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।
- এতে মোট ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। বাংলাদেশের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের জন্য মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে।
-  ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধাবাহিনী গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে প্রথমে ১০ এপ্রিল ৪টি এবং পরবর্তীকালে ১১ এপ্রিল ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল।
- যারা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল। এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র, যুবক, কৃষক, নারী, রাজনৈতিক দলের কর্মী, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।
- নিয়মিত সেনা ব্যাটেলিয়ান পরে তিনটি বিগ্রেডে পরিণত হয় এবং বিগ্রেড কমান্ডার মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর জিয়াউর রহমান এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর অনুসারে বিগ্রেড তিনটির নামকরণ করা হয় যথাক্রমে এস ফোর্স, জেড  এবং কে ফোর্স।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার  সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

উৎস:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
 
১২,৮৪২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ দেয় কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সুপ্রিমকোর্ট
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৫৬নং অনুচ্ছেদের ২নং দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ দান করে থাকেন।

- ৫৬ (৩)নং দফা অনুযায়ী, যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

- মন্ত্রীসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে।
- মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৮৪৩.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  2. সদস্য, সরকারি কর্মকমিশন
  3. মহাপরিচালক, শিক্ষা অধিদপ্তর
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক, শিক্ষা অধিদপ্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক, শিক্ষা অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদসমূহ:
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী,
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার,
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ,
- সংসদ সদস্য,
- নির্বাচন কমিশনার,
- সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।
• অপরদিকে, সাংবিধানিক পদ নয়:
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান,
- দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান,
- শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ইত্যাদি।

১২,৮৪৪.
কোন উপজাতি নিজেদের আচিক্ মান্দে বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে?
  1. ক) গারো
  2. খ) হাজং
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) রাখাইন
সঠিক উত্তর:
ক) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গারো
ব্যাখ্যা
• গারো:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- গারোরা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে। 
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ।

- এদের সংখ্যা প্রায় দেড় লক্ষ।
- এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে - ময়মনসিংহে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।

- একই উপগোত্রের মধ্যে বিবাহ গারো সমাজে নিষিদ্ধ।
- গারোরা নিজেদের আচিক্ মান্দে (পাহাড়ের মানুষ) বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- গারোদের প্রধান খাদ্য ভাত।
- বর্তমানে গারোদের শতকরা নিরানব্বইজনই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।
- তাদের প্রধান উৎসব- ওয়ানগালা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১২,৮৪৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন কে?
  1. ড. মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী
  2. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. বিচারপতি এস এ রহমান
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌাধুরী।
- ১৯৬৯ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম উপাচার্য নিযুক্ত হন। তবে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগ করে বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের দূত হিসেবে কাজ করেন।
অন্যদিকে,
- ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।
- ড. মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী ১৯৭২-৭৩ সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম উপাচার্য ছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি. জে. হার্টগ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম/উপমহাদেশীয়/বাঙালি উপাচার্য ছিলেন স্যার এ এফ রহমান।
- বিচারপতি এস এ রহমান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বিচারের জন্যে গঠিত ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট)

১২,৮৪৬.
সর্বপ্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় কোন স্থানে?
  1. সোহরাওয়াদী উদ্যানে
  2. রেসকোর্স ময়দানে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. মুজিবনগরে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
 ♦ জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক- পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।
১২,৮৪৭.
নিচের কোনটি GDP-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. দেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকের আয়
  2. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সেবা
  3. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য
  4. বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকের আয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকের আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকের আয়
ব্যাখ্যা

GDP: 
- GDP -এর পুর্ন্রুপ Gross Domestic Product বা মোট দেশজ উৎপাদন। 
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।
- এটি একটি নির্দিষ্ট সময় সাধারণত এক বছরে হিসাব করা হয়;
- পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য ধরা হয়;
- এতে ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা অন্তর্ভুক্ত হয়; এবং
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের উৎপাদন অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশি নাগরিকদের উৎপাদন এখানে আসে না।

উৎস: এস.এস.সি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৮৪৮.
বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন-
  1. আলী মর্দান খলজী
  2.  আলাউদ্দিন খিলজি
  3. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
  4. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন সুলতানি আমল (১৩৩৮ ১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দ):
- দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক বিদ্রোহপ্রবণ বাংলাকে দিল্লির অধীনে রাখার জন্য বাংলাকে তিনটি প্রশাসনিক ইউনিটে ভাগ করেন।
- ইউনিটগুলো হলো:  লাখনৌতি, সাতগাঁও ও সোনারগাঁ।

- ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হয়।
- বাহরাম খানের বর্মরক্ষক ছিলেন 'ফখরা' নামের একজন রাজকর্মচারী।
- প্রভুর মৃত্যুর পর তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং 'ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ' নাম নিয়ে সোনারগাঁয়ের সিংহাসনে বসেন।
- এভাবেই সূচনা হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের।
- দিল্লির সুলতান মুহম্মদ-বিন-তুঘলকের পক্ষে এ সময় বাংলার দিকে দৃষ্টি দেওয়ার সুযোগ ছিল না। 
- তাই সোনারগাঁয়ে স্বাধীনতার সূচনা হলেও ধীরে ধীরে স্বাধীন অংশের সীমা বিস্তৃত হতে থাকে।
- পরবর্তী দুই'শ বছর এ স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারেনি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১২,৮৪৯.
ভাষার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের একজনের নাম উল্লেখ করুন।
  1. ক) ইকবাল
  2. খ) আসাদ
  3. গ) সালাম
  4. ঘ) নুরহোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) সালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সালাম
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে শহীদ হন আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার। আবদুস সালাম ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ই এপ্রিল শহীদ হন। ২২ শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা শহীদদের জন্য শোক মিছিল বের করে। আবারও মিছিলের ওপর পুলিশ ও মিলিটারি লাঠি, গুলি ও বেয়োনেট ব্যবহার করে। এতে শফিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহীদ হন। অনেকে গ্রেফতার হন।
সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১২,৮৫০.
পহেলা বৈশাখ ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কবে পালিত হয়?
  1. ১৪ এপ্রিল
  2. ২১ এপ্রিল
  3. ১৫ জুন
  4. ১৬ জুন
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৪ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
⇒ পহেলা বৈশাখ ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল পালিত হয়।

বাংলা নববর্ষ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা - ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর।
- এই কৃষি কাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট আকবর — ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৮৫১.
বাংলা ১১৭৬ কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) সিপাহী বিদ্রোহ
  2. খ) বঙ্গবঙ্গ
  3. গ) ছিয়াত্তরের মন্বত্বর
  4. ঘ) দেশভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ছিয়াত্তরের মন্বত্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছিয়াত্তরের মন্বত্বর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি ও দ্বৈত শাসনের চূড়ান্ত পরিণাম ছিল বাংলায় ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের ধ্বংসলীলা। একদিকে দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে বাংলার জনজীবনে অরাজকতা নেমে আসে, অন্যদিকে অবাধ লুন্ঠন ও যথেচ্ছভাবে রাজস্ব আদায়ের ফলে গ্রাম্যজীবন ধ্বংস হয়ে যায়। তদুপরি পরপর দু’বছর কৃষির অবনতি ও অনাবৃষ্টির ফলে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে অর্থাৎ ১১৭৬ বঙ্গাব্দে দেশে যে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় তা ইতিহাসে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত। সূত্র- বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৮৫২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুসারে, সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. খুলনা
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
- মোট বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা (৫টি)
এগুলো হল - 
- রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
- বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
- বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১২,৮৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. গ) আবু সাইদ চৌধুরী
  4. ঘ) ড. কামাল হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) আবু সাইদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবু সাইদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
উৎসঃ সহজ ভাষায় বাংলাদেশ সংবিধান : আরিফ খান।
১২,৮৫৪.
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম উপাচার্য কে ছিলেন?
  1. ড. এস ডি চৌধুরী
  2. ড. কাজী ফজলুর রহিম
  3. ড. ওসমান গণি
  4. অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ড. ওসমান গণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. ওসমান গণি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত।
- দেশের কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়৷ কৃষিবিজ্ঞানের সকল শাখা এর আওতাভূক্ত। 
-কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম উপাচার্য ছিলেন — ড. ওসমান গণি। 

উৎস:  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১২,৮৫৫.
উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃক ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয় কবে?
  1. ১৯ জুন, ২০২৫
  2. ২০ জুন, ২০২৫
  3. ২১ জুন, ২০২৫
  4. ২২ জুন, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২২ জুন, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট:
• কততম বাজেট➝ দেশের ৫৪তম বাজেট (অন্তর্বর্তীকালীন সহ ৫৫তম বাজেট)।
• বাজেটের শিরোনাম ➝ 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
• ঘোষণা হয় ➝ ২ জুন, ২০২৫ সাল [টেলিভিশন]।
• বাজেট উত্থাপনকারী➝ ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (বর্তমান অর্থ উপদেষ্টা)।
• উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন ➝ ২২ জুন, ২০২৫।
• বাজেট কার্যকর➝ ১ জুলাই, ২০২৫ সাল।
• বাজেটের আকার➝ মোট ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭০%)।
• বাজেট ঘাটতি➝ ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২%)।
• রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ➝ ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৯%)।
• বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP)➝ ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
• জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের লক্ষ্যমাত্রা➝ ৫.৫ শতাংশ।
• মূল্যস্ফীতির হারের লক্ষ্যমাত্রা➝ ৬.৫ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
১২,৮৫৬.
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের তিনটি ডাবল সেঞ্চুরির ইতিহাস রয়েছে?
  1. ক) সাকিব আল-হাসান
  2. খ) মাশরাফি বিন মর্তুজা
  3. গ) মুশফিকুর রহিম
  4. ঘ) তামিম ইকবাল
সঠিক উত্তর:
গ) মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা
- মুশফিকুর রহিম একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার এবং বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়ক।
- তার জন্ম ৯ জুন, ১৯৮৭ সালে। 
- তাকে টেস্টে সেরা এবং সফল বাংলাদেশ অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তার ব্যাটিং কৌশল এতটাই বহুমুখী যে তিনি টপ অর্ডারে এক থেকে ছয় পর্যন্ত যেকোনো জায়গায় ব্যাট করতে পারেন।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরার তিনি।
- তিনিই প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান যিনি টেস্টে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।
- ২০১৮ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিক কিংবদন্তি উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, কুমার সাঙ্গাকারা এবং মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ছাড়িয়ে প্রথম উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দুটি ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।
- তিনি ২১৯* রানে তার ইনিংস শেষ করেন, যা টেস্ট ক্রিকেটে একজন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ একক স্কোর।
- একই মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মুশফিক বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ৪,০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। 

উৎস: মুশফিকুর রহিম ক্যারিয়ার, রেকর্ড, পুরস্কার, জীবনী এবং আরও, BDCricTime.
১২,৮৫৭.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. মতিঝিল, ঢাকা
  2. শাহবাগ, ঢাকা
  3. আগারগাঁও, ঢাকা
  4. কুর্মিটোলা, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ।
- মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
১২,৮৫৮.
CNG-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Compressed Nitrogen Gas
  2. Compressed Normal Gas
  3. Compressed Natural Gas
  4. Compressed Neon Gas
সঠিক উত্তর:
Compressed Natural Gas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compressed Natural Gas
ব্যাখ্যা

• CNG:
- CNG-এর পূর্ণরূপ হলো: Compressed Natural Gas.
- এটি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি যা পেট্রোল, এলপিজি বা ডিজেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- মূলত এটি উচ্চ চাপে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস, যা প্রধানত মিথেন দিয়ে তৈরি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- CNG পেট্রোল ইঞ্জিনের মতোই স্পার্ক-প্রজ্বলিত অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনে শক্তি জোগায়।
- CNG পোড়ালে পেট্রোল বা ডিজেলের তুলনায় কম বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়, যা পরিবেশের জন্য ভালো।
- গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে বিশেষ সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়, সাধারণত গাড়ির পেছনে রাখা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) ওয়েবসাইট।

১২,৮৫৯.
বাংলাদেশ হরিণ প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চকরিয়া, কক্সবাজার
  2. সাভার, ঢাকা
  3. করমজল, সুন্দরবন
  4. টিলাগড়, সিলেট
সঠিক উত্তর:
চকরিয়া, কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চকরিয়া, কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রসমূহ:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১২,৮৬০.
কোনটি অনুৎপাদনশীল ব্যয়?
  1. শরণার্থীর জন্য ব্যয়
  2. শিক্ষার জন্য ব্যয়
  3. স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়
  4. শিল্প খাতে ব্যয়
সঠিক উত্তর:
শরণার্থীর জন্য ব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরণার্থীর জন্য ব্যয়
ব্যাখ্যা
সরকারি ব্যয়:
- সরকারি ব্যয় বলতে সরকারি ক্রয় ও বিনিয়োগকে বুঝায়।
- যেমন: সরকার জনগনের স্বার্থে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করে, বিনিয়োগ করে, হস্তান্তর করে, জনগনের সামাজিক সুবিধার জন্য পেনশন ভাতা ইত্যাদি প্রদান করে।
- সরকার জনগণের নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।
- অর্থাৎ একটি দেশের জনগনের আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ঐ দেশের সরকার যে ব্যয় করে তাকে সরকারি ব্যয় বলে। 

⇒ উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে সরকারি ব্যয় দুই প্রকার:
• উৎপাদনশীল ব্যয়:
- বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামো যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ইত্যাদি খাতে ব্যয় করে ভবিষ্যতে আয় বৃদ্ধি সম্ভব।
- তাই এগুলো উৎপাদনশীল খাত।

• অনুৎপাদনশীল ব্যয়:
- যেসকল খাতে সরকারি ব্যয় করলে ভবিষ্যাতে আয় বৃদ্ধির কোন সম্ভাবনা থাকে না সেগুলো অনুৎপাদনশীল খাত।
- যেমন- যুদ্ধের ব্যয়, শরনার্থীর জন্য ব্যয় ইত্যাদি। 

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৬১.
সংবিধান সংশোধনে গণভোট বাতিল করা হয় কততম সংশোধনীতে?
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ
  3. চতুর্দশ
  4. পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- বিল উত্থাপন করেন ব্যারি: শফিক আহমদ, ২৫ জুন, ২০১১ সালে।
- বিল সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ৩০ জুন।
- পঞ্চদশ সংশোধনীতে মোট সংশোধনী হয় ৫৫ টি।

পঞ্চদশ সংশোধনীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংশোধন:
- রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানের ৫৮(ক) অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করা হয়।
- সংবিধান সংশোধনে গণভোট বাতিল করা হয়।
- জরুরি অবস্থার মেয়াদকাল অনধিক ১২০ দিইন করা হয়।
- জাতীয় জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহন ১৯(৩) যুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১২,৮৬২.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন -
  1. ক) গাজীপুরের বীর জনতা
  2. খ) যশোরের বীর জনতা
  3. গ) চট্রগ্রামের বীর জনতা
  4. ঘ) নারায়ণগঞ্জের বীর জনতা
সঠিক উত্তর:
ক) গাজীপুরের বীর জনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাজীপুরের বীর জনতা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ
• ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জয়দেবপুর তথা গাজীপুরের বীর জনতা
• যুদ্ধে চারজন শহীদ হন। তারা হলেন হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা ।
• বিদ্রোহ দমনে নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব। 
• এর স্বরণে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় জাগ্রত চৌরঙ্গী নামে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং গাজীপুর জেলা ওয়েবসাইট।
১২,৮৬৩.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য হিসেবে অন্যগুলোর চেয়ে আলাদা?
  1. ক) আগুনের পরশমণি
  2. খ) ১৯৭১
  3. গ) স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা
  4. ঘ) অনিল বাগচীর একদিন
সঠিক উত্তর:
গ) স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

দুইভাবে আলাদা করা যেতে পারে।
১)  'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা' মমতাজ উদ্দিন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক এবং বাকিগুলো উপন্যাস।
২) গ অপশনটি ছাড়া বাকী তিনটির (উপন্যাস) রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২,৮৬৪.
রাষ্ট্রের সকল ধরনের প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে কোন বিভাগ?
  1. শাসন বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. রানৈতিক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগ আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইনকে বাস্তবায়ন করে।
- আইনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের ইচ্ছা প্রকাশ পায়। আর এ আইনকে কার্যকর করে শাসন বিভাগ।
- রাষ্ট্রের সকল ধরনের প্রশাসনিক কার্যাবলি শাসন বিভাগ সম্পাদন করে।
- শাসন বিভাগের দুইটি অংশ রয়েছে। যথা− রাজনৈতিক অংশ এবং অ-রাজনৈতিক অংশ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৬৫.
Recently, how many Intangible Cultural Heritage of UNESCO are there in Bangladesh?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
  5. 6
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
1. বাউলগান (২০০৮),
2. জামদানি বুননশিল্প (২০১৩),
3. মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ,
4. শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭),
5. ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
         ii) UNESCO ওয়েবসাইট।
১২,৮৬৬.
ব্যারাকপুরে প্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করেন কে?
  1. ক) নানা সাহেব
  2. খ) বাজীয়াও
  3. গ) লক্ষ্মী বাঈ
  4. ঘ) মঙ্গল পান্ডে
সঠিক উত্তর:
ঘ) মঙ্গল পান্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মঙ্গল পান্ডে
ব্যাখ্যা
- বিপ্লবের প্রত্যক্ষ কারণ হল চর্বি মিশ্রিত কার্তুজের প্রবর্তন।
- ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে সেনাবাহিনীতে এনফিল্ড রাইফেল নামে এক ধরনের বন্দুকের ব্যবহার শুরু হয়।
- ব্যবহারের পূর্বে এর কার্তুজ দাঁত দিয়ে কাটতে হতো।
- গুজব রটে যে, উক্ত রাইফেলে গরু ও শুকরের চর্বি মিশ্রিত কার্তুজের প্রচলন করে বৃটিশ সরকার হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের ধর্ম নাশ করার ষড়যন্ত্র করছে। ফলে দেশীয় সিপাহীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুর সেনানিবাসে মঙ্গল পান্ডে নামে এক সিপাহী প্রকাশ্যভাবে বিদ্রোহ করে।
- বৃটিশ কর্তৃপক্ষ মঙ্গল পাণ্ডে এবং তার একজন সমর্থককে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করে বিদ্রোহের আগুন নেভাবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
- এরপর মে মাসে বড় আকারের বিদ্রোহ দেখা দেয় মীরাটের সেনা ছাউনিতে। 
- সিপাহীরা সরকারী নির্দেশ অমান্য করে এবং কর্নেল ফিনিসকে গুলি করে হত্যা করার পর প্রকৃত বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৬৭.
নাগরিক সংগঠন 'সুজন' কত সালে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - সুজন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১২,৮৬৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. দিল্লি
  2. কলকাতা
  3. নিউইয়র্ক
  4. লন্ডন
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন কলকাতায় স্থাপিত হয়।

প্রবাসে বাঙালিদের ভূমিকা ও কূটনৈতিক তৎপরতা:

- বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্য মুজিবনগর সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ করে।
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় জাতিসংঘে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে।
- এতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই এপ্রিল মাসে প্রবাসী বাঙালি মহিলাদের একটি প্রতিবাদ মিছিল লন্ডনের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি পেশ করে।
- জুন মাসে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে লন্ডনে মিছিলের আয়োজন করে।
- মিছিল শেষে এই প্রতিবাদকারীগণ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি পেশ করে।

উল্লেখ্য,
⇒ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দুটি মিশন স্থাপন করে।
- কলকাতাতেই প্রথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপিত হয়।
- এছাড়া বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক এবং লন্ডনেও বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করে।
- এসব মিশন বাংলাদেশের পক্ষে মিছিল, সমাবেশ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থন আদায় ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবদান রাখে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১২,৮৬৯.
বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে কোনটি ঘটে?
  1. মুদ্রা সংকোচন
  2. মুদ্রাস্ফীতি
  3. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  4. মুদ্রানীতি
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফীতি
ব্যাখ্যা
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি। এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়।
- পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
অন্যদিকে,
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে ‍মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- ডলারের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রার মান হ্রাস করাকে মুদ্রার অবমূল্যায়ন বলে।
- মুদ্রানীতি হলো ‍মুদ্রার প্রক্ষেপণ যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণয়ন করে থাকে।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও বাংলাদেশ ব্যাংক)
১২,৮৭০.
কে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ নন?
  1. আসাদুজ্জামান
  2. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  3. রফিক উদ্দিন
  4. মতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন
ব্যাখ্যা
রফিক উদ্দিন ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ। মতিউর রহমান মল্লিক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, মুহম্মদ শামসুদ্দোহা, শহীদ আনোয়ারা বেগম, শহীদ রুস্তম উনারা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৮৭১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৪৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  2. ৫৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  3. ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
  4. ৭৩.৫ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। 
- এর মধ্যে পণ্যের রপ্তানি থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। 
- গত অর্থবছরে ২০২৪-২৫ এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
- চলতি অর্থবছরের এই লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ১৬.৫ শতাংশ বেশি। 

উল্লেখ্য,
- সমাপ্ত অর্থবছর ২০২৪-২৫-এ বাংলাদেশ পণ্য খাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৭ শতাংশ এবং পূর্ববর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৮.৫৮ শতাংশ বেশি। 
- সেবা খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়নের বিপরীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১২,৮৭২.
দেশে বর্তমানে সরকারি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা কতটি?
  1. চারটি
  2. পাচঁটি
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
পাচঁটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাচঁটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা পাঁচটি।
এগুলো হলো:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা (১৯৯৮)।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (২০১৬)।
রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (২০১৬)।
সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (২০১৮)।
শেখ হাসিনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা (২০২১)।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ওয়েবসাইট)
১২,৮৭৩.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
১২,৮৭৪.
বাংলাদেশ কত সালে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০৩১ সালে
  3. ২০৩৫ সালে
  4. ২০৪১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০৪১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৪১ সালে
ব্যাখ্যা
LDC:
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না।
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
- ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ ২০৩১ সালে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির অভিঘাতে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা সামাল দিতে এ সময়সীমা দুই বছর বাড়ানো হয়েছে।
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৮৭৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক কি?
  1. ক) পদ্মফুল
  2. খ) শাপলা
  3. গ) পাটপাতা
  4. ঘ) দোয়েল
সঠিক উত্তর:
খ) শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাপলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক হল শাপলা। আবার শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুলও বটে। দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি এবং বাঘ বাংলাদেশের জাতীয় পশু।
১২,৮৭৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কয়টি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম হচ্ছে লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র। 
- বৃত্তের উপর দিকে লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের দু'পাশে দু'টি করে মোট চারটি তারকা। 
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ. এন. সাহা। 

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৮৭৭.
নিচের কোনটি দেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল?
  1. ক) চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  2. খ) ঢাকা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  3. গ) কুমিল্লা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  4. ঘ) আদমজী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অধীনে দেশে বর্তমানে ৮টি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে।
• এগুলো হলো:-
- চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (প্রথম ও বৃহত্তম)
- ঢাকা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (দ্বিতীয়)
- মংলা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, 
- কুমিল্লা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, 
- ঈশ্বরদী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, 
- উত্তরা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (কৃষিভিত্তিক)
- আদমজী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, 
- কর্ণফুলী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (সর্বশেষ)।

তথ্যসূত্র:- BEPZA ওয়েবসাইট।
১২,৮৭৮.
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ কোন শতকে সমতট পরিদর্শন করেছিলেন?
  1. ৭ম শতকে
  2. ৮ম শতকে
  3. ৫ম শতকে
  4. ৬ষ্ঠ শতকে
সঠিক উত্তর:
৭ম শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম শতকে
ব্যাখ্যা
সমতট জনপদ:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন হিউয়েন সাঙ।
- তিনি বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- মেঘনা-পূর্ববতী অঞ্চলই সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- এ অঞ্চলের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই ছিল সম্ভবত প্রাচীন সমতট।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৭৯.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন-
  1. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  3. তমদ্দুন মজলিশ
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা সংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
- সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই আবদুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দুন মজলিস গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুনমজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১২,৮৮০.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ কতটি আসন লাভ করে?
  1. ৯টি
  2. ১১টি
  3. ১৩টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন ও ফলাফল:
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রধানত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন।
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় ৯টি আসন।
- পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস ২৪টি, তফসিল ফেডারেশন ২৭টি, খেলাফতে রব্বানী ২টি, খ্রিস্টান ১টি, বৌদ্ধ ১টি, কম্যুনিস্ট পার্টি ৪টি আসন লাভ করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৮১.
হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন -
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- ২০০০ সালের ২৮ মে মাসে উচ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো নিয়োগ পান নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।
- হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাদেশ সংবিধান।
১২,৮৮২.
বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী বিশ্বজুড়ে ‘জুটম্যান’ নামে পরিচিত?
  1. ড. মোবারক আহমদ খান
  2. ডক্টর আবেদ চৌধুরী
  3. মাকসুদুল আলম
  4. উপরের কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
ড. মোবারক আহমদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মোবারক আহমদ খান
ব্যাখ্যা
ড. মোবারক আহমদ খান:
- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- এটি বাজারে প্রচলিত পলি ব্যাগের মতোই, তবে পচনশীল।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।

উল্লেখ্য,
- ২০ বছর ধরে মোবারক আহমদ খান পাটের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছেন।
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি বিশ্বজুড়ে জুট্ম্যান হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।

উৎস: i) বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন।
ii) প্রথম আলো।
১২,৮৮৩.
নিচের কোনটি অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) পাটজাত পণ্য
  2. খ) চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
  4. ঘ) হস্তশিল্পজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
গ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- হোম টেক্সটাইল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১২,৮৮৪.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাংবিধানিকভাবে কতটি অধ্যাদেশ জারি করে?
  1. ১৩০ অধ্যাদেশ
  2. ১২০ অধ্যাদেশ
  3. ১৩৩ অধ্যাদেশ
  4. ১৪৯ অধ্যাদেশ
সঠিক উত্তর:
১৩৩ অধ্যাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩ অধ্যাদেশ
ব্যাখ্যা

- অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাংবিধানিকভাবে ১৩৩ অধ্যাদেশ অধ্যাদেশ জারি করে।

- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সাংবিধানিকভাবে ১৩৩ অধ্যাদেশ জারি করেছেন। 
- তার প্রত্যেকটিই পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
- সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ উত্থাপন হবে।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে আগামী ১২ মার্চ।
- সংসদ বসা থেকে ৩০ দিনের মধ্যে যে অধ্যাদেশগুলোর আইনি ভিত্তি দেওয়া সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট গঠিত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

উৎস: প্রথম আলো এবং কালেরকণ্ঠ।

১২,৮৮৫.
ভোমরা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. সাতক্ষীরা
  3. শেরপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা

ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।

স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১২,৮৮৬.
ফজলুর রহমান খান (এফআর খান) পেশায় কী ছিলেন? 
  1. স্থপতি
  2. ডাক্তার 
  3. রাজনীতিবিদ
  4. সাহিত্যিক
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
ব্যাখ্যা

এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
-১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
-১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
-১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক 'কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার' মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় 'ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম'।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হৃদরোগে মারা যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২,৮৮৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৩৮(খ) নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৯(ক) নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৪০(খ) নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪১(ক) নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪১(ক) নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১(ক) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:

- অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১৩৮ - সদস্য-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১৩৯ - পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৮৮৮.
‘অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট’ কোন দেশের প্রধান মানব সম্পদ এজেন্সি?
  1. ক) শ্রীলঙ্কা
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
‘অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট’ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মানব সম্পদ এজেন্সি।
এটি ১৯৭৮ সালের সিভিল সার্ভিস কমিশন সংস্কার আইনের মাধ্যমে গঠিত হয়। ১৯৭৮ সালে মার্কিন ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশন তিনটি সংস্থা বিকেন্দ্রীকরণ হলে ‘অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট’ এর সৃষ্টি হয়।
অপর দুটি বিভাগ হলো:
- দ্য মেরিট সিস্টেম প্রোটেকশন বোর্ড
- দ্য ফেডারেল লেবার রিলেশন অথরিটি।
(সূত্র: অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট)
১২,৮৮৯.
মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. অশোক
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. বিক্রমাদিত্য
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ছিলেন ভারতবর্ষের প্রথম বৃহৎ সাম্রাজ্য মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।

চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- তার সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে, মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়, বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিল কৌটিল্য।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৯০.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে স্পিরিট অব সালাম পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার
  3. অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক আজিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার
ব্যাখ্যা

• অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে 'স্পিরিট অব সালাম পুরস্কার' পেয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ডেটা অ্যান্ড সায়েন্সেস, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিন অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার
- নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী আবদুস সালামের জন্মদিনে মাহবুবুল আলম মজুমদারের নাম প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরিটিক্যাল ফিজিকস (আইসিটিপি)।
- বিজ্ঞানসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে ২০১৩-১৪ সাল থেকে স্পিরিট অব সালাম অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হলেও এবারই প্রথম কোনো বাংলাদেশি এই অনন্য সম্মানে ভূষিত হলেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১২,৮৯১.
What was the percentage of people in Pakistan who spoke in Bengali?
  1. 34%
  2. 38%
  3. 46%
  4. 52%
  5. 56%
সঠিক উত্তর:
56%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
56%
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র ভাষা বিতর্ক:
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই এর রাষ্ট্র ভাষা কি হবে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
- পাকিস্তান ছিল একটি বহুভাষী রাষ্ট্র।
- এর মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫৬ ভাগের মাতৃভাষা ছিল বাংলা।
- পক্ষান্তরে মোট জনসংখ্যার শতকরা মাত্র ৬ ভাগ ছিল উর্দুভাষী।
- এ হিসেবে বাংলা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা।
- আর সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা হিসেবে 'বাংলার' রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে মর্যাদা লাভ ছিল স্বাভাবিক।
- কিন্তু পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং উর্দুভাষী বুদ্ধিজীবীগণ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।
- এক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে ঘোষণার দাবি উপেক্ষা করা হয়।

উৎস: ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৯২.
অপারেশন জ্যাকপট কী?
  1. ক) অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান
  2. খ) বঙ্গোপসাগরে মার্কিন সামরিক টাস্কফোর্স
  3. গ) মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান
  4. ঘ) শরনার্থী তহবিল সংগ্রহ ক্যাম্পেইন
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১২,৮৯৩.
মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১২,৮৯৪.
কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) ছয়দফা
  2. খ) এগারো দফা
  3. গ) একুশ দফা
  4. ঘ) উনিশ দফা
সঠিক উত্তর:
ক) ছয়দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছয়দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস পালিত হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১২,৮৯৫.
মুজিব নগর সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. এম. মনসুর আলী
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৮৯৬.
২০২৫ সালে একুশে পদক পাওয়া একমাত্র প্রতিষ্ঠানের নাম কী?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ বেতার
  4. বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

১২,৮৯৭.
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ কয় দফা দাবি ঘোষণা করেন?
  1. চার
  2. ছয়
  3. এগারো
  4. একুশ
সঠিক উত্তর:
এগারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারো
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। 
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম। 
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে। 
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়। 
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৮৯৮.
SPARRSO কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৮
  2. খ) ১৯৭৯
  3. গ) ১৯৮০
  4. ঘ) ১৯৮২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
(সূত্রঃ SPARSO ওয়েবসাইট)
১২,৮৯৯.
১৯৬৫ সালে পাকিস্তনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধীদলের প্রার্থী ছিলেন কে?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) খাজা নাজিমউদ্দিন
  3. গ) আবদুল গাফফার খান
  4. ঘ) ফাতেমা জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফাতেমা জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফাতেমা জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুববিরোধী সবগুলো দলের সমন্বয়ে সম্মিলিত বিরোধী দল বা কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি (কপ) গঠন করা হয়। কপের পক্ষ থেকে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহ কে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করা হয়। তবে রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যবহার ও মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থার কারণে আইয়ুব খান সহজেই এতে জয় লাভ করেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,৯০০.
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি):
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তম হল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
- তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী শরিক দল সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঢাকার রমনা গ্রীনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
- বিএনপি'র দলীয় সংবিধান অনুযায়ী তাদের রাজনীতির মূলনীতি হল- সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র (অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার অর্থে)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।