বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩ / ৩০৬ · ১,২০১১,৩০০ / ৩০,৮৩২

১,২০১.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত SVRS-2020 অনুসারে, দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার (RNI) কত?
  1. ১.১%
  2. ১.২%
  3. ১.৩%
  4. ১.৩৭%
সঠিক উত্তর:
১.৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত SVRS-2020 অনুসারে কয়েকটি সূচক:
১. জাতীয় জনসংখ্যা - ১৬ কোটি ৮২ লক্ষ
- মোট পুরুষ - ৮ কোটি ৪১ লক্ষ (প্রায়)
- মোট নারী - ৮ কোটি ৪০ লক্ষ (প্রায়)
২. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (IGR) - ১.৩৭%
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার (RNI) - ১.৩০%
৩. জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১১৪০/বর্গকি.মি
৪. বিভিন্ন বয়সী শিশু মৃত্যুহার:
- ১ মাস বয়সী : ১৫
- ১ বছর বয়সী : ২১
- ৫ বছর বয়সী : ২৮
১,২০২.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন?
  1. রাষ্ট্রবিজ্ঞান
  2. পদার্থবিজ্ঞান
  3. সমাজকল্যান 
  4. লোক প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলনের পটভূমি:
- ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়।
- তৎকালীন পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের একটি অংশে পরিণত হয়।
- পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে ইতিহাস, ঐতিহ্য, ভাষা, সংস্কৃতি কোনো কিছুরই মিল ছিল না।
- পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) দুইটি ভূখণ্ডকে এক করা হয় শুধু ধর্মের ভিত্তিতে।
- উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এবং একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়।
- পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২০৩.
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ২,৭৬৮ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৯০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮৬৫ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয়:
- বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ টাকা।
- ২৭ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

⇒ দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করেছে।
 
অন্যদিকে,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
১,২০৪.
প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অবস্থান মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল?
  1. গৌড়
  2. রাঢ়
  3. হরিকেল
  4. বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা
গৌড়:
- 'গৌড়' নামটি সুপরিচিত হলেও প্রাচীনকালে ঠিক কোথায় গৌড় জনপদটি গড়ে উঠেছিল তা জানা যায়নি।
- তবে ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২০৫.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধিস্থল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
চাপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধিস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- পিতা আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ছিলেন কৃষক ও শৌখিন গাইয়ে এবং মা সাফিয়া বেগম ছিলেন গৃহিণী।
- পিতার আর্থিক দৈন্যতার কারণে মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সে মামার বাড়ি মুলাদি উপজেলার পাতারচর গ্রামে গমন করেন।
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউস সংলগ্ন নবনির্মিত রাস্তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর' সড়ক নামকরণ করা হয়। 

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,২০৬.
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ শহীদ কে?
  1. সাফকাত সামির
  2. আব্দুল আহাদ
  3. শাহেদ আলম 
  4. রিজভী রহমান
সঠিক উত্তর:
আব্দুল আহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল আহাদ
ব্যাখ্যা

জুলাই আন্দোলনে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।

⇒ ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ। 
- শহীদ হওয়া সবচেয়ে ছোট শিশুর বয়স ৪ বছর। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগে নিজ বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিল সে। পরদিন ২০ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

⇒ আহাদের মতোই বাসায় থেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে আরও তিন শিশু।
- তারা হলো রাজধানীর মিরপুরে সাফকাত সামির (১০), উত্তরায় নাঈমা সুলতানা (১৫) ও নারায়ণগঞ্জে রিয়া গোপ (৬)।

উল্লেখ্য,
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে কমপক্ষে ১৩৩ শিশু শহীদ হয়েছে। তাদের মধ্যে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শ্রমে নিয়োজিত শিশুরাও রয়েছে। এই শিশুদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল ১১৭ জন।

এছাড়াও,
- শিশু বলতে ১৮ বছরের কম বয়সীদের বোঝানো হয়েছে। বাংলাদেশের শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী সবাই শিশু।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেট অনুযায়ী, শহীদের সংখ্যা এখন ৮৩৬ জন।

উৎস: i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) প্রথম আলো।

১,২০৭.
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন বাংলাদেশের কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. কৃষি মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন:
- ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন বা NPO হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি সরকারি সংস্থা।
- NPO এর পূর্ণরূপ: National Productivity Organization.
- এই সংস্থাটি দেশের কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এই সংস্থার মূল কাজ হলো:
• উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, 
• সচেতনতা সৃষ্টি, 
• অবকাঠামো উন্নয়ন এবং
• উৎপাদনশীলতা-বিষয়ক সরকারি নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করা।

উৎস: ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,২০৮.
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মানব সম্পদ খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ____ কোটি টাকা।
  1. ক) ১,২৯,০৫৬
  2. খ) ১,৩১,১৪৩
  3. গ) ১,২৯,৭৮১
  4. ঘ) ১,২৩,১৯০
সঠিক উত্তর:
ক) ১,২৯,০৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১,২৯,০৫৬
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মানব সম্পদ খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১,২৯,০৫৬ কোটি টাকা।
১,২০৯.
ষাট গম্বুজ মসজিদকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

- ষাট গম্বুজ মসজিদকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয় ১৯৮৩ সালে।

ষাট  গম্বুজ মসজিদ -
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ষাট গম্বুজ মসজিদ খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন।
- খান-ই-জাহান ১৫শ শতাব্দীতে ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন।
- মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে  গম্বুজ ১১টি সারিতে মোট ৭৭টি।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- মসজিদের ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে ১০টি মিহরাব আছে। মাঝের মিহরাবটি আকারে বড় এবং কারুকার্যমন্ডিত।
- খান-ই-জাহান এই মসজিদটিকে নামাযের কাজ ছাড়াও দরবার ঘর হিসেবে ব্যবহার করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,২১০.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি
ব্যাখ্যা
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - জাপানে।

[উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১]
১,২১১.
২০২১ সালে কোন বাংলাদেশি ভারত সরকার প্রদত্ত ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
  2. খ) অধ্যাপক এনামুল হক
  3. গ) সানজিদা খাতুন
  4. ঘ) জিয়াউদ্দিন তারিক আলী
সঠিক উত্তর:
গ) সানজিদা খাতুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সানজিদা খাতুন
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালে দুজন বাংলাদেশি ভারত সরকার প্রদত্ত পদ্মশ্রী পুরস্কার লাভ করেন।
এরা হলেন:
- সানজিদা খাতুন (শিল্পকলা)
- লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (জনকল্যাণ)।
২০২০ সালে দুজন বাংলাদেশি পদ্ম সম্মাননা লাভ করেন। এরা হলেন:
- সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (পদ্মভূষণ)
- অধ্যাপক এনামুল হক (পদ্মশ্রী)।
- পদ্ম সম্মাননা হলো ভারত সরকার প্রদত্ত একটি বেসামরিক সম্মাননা যা ১৯৫৪ সালে প্রবর্তিত হয়। পদ্ম সম্মাননা তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হয়।
এগুলো হলো:
- পদ্মবিভূষণ
- পদ্মভূষণ
- পদ্মশ্রী।
(তথ্যসূত্র: পদ্ম অ্যাওয়ার্ডস ওয়েবসাইট)
১,২১২.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে কারাগারে রাজবন্দী অবস্থায় ‘আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থের পান্ডুলিপি রচনা করেন?
  1. ১৯৫২
  2. ১৯৫৩
  3. ১৯৫৪
  4. ১৯৫৫
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর লেখা বইসমূহ:

- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বই কারাগারের রোজনামচা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের নামকরণ করেছেন শেখ রেহানা। এই বইও বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে রচনা করেন।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেলখানার জীবনের ওপর লেখা বইয়ের নাম ‘৩০৫৩ দিন’।
- বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কারা অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনা এবং জননিরাপত্তা বিভাগের তদারকিতে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধুর লেখা তৃতীয় বই আমার দেখা নয়াচীন ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।
- ১৯৫৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে রাজবন্দী হিসেবে বন্দী থাকা অবস্থায় এ বইয়ের লিপিবদ্ধ স্মৃতিকথা গুলো তুলে ধরেছিলেন

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ই আগস্ট ২০২০, দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩০ জুলাই, ২০১৮ ও দৈনিক ইত্তেফাক, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
১,২১৩.
মোগল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট কে ছিলেন?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
  3. শাহ আলম
  4. ফররুখশিয়ার
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা
মোগল সাম্রাজ্যের পতন:

- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোগল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মোগল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- সামগ্রিকভাবে মোগল সাম্রাজ্য পতনের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বহিঃআক্রমন প্রভৃতি বিষয়কে দায়ী করা হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৪.
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য কে?
  1. অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর
  2. অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. অধাপক এমদাদুল হক চৌধুরী
  4. অধ্যাপক মোহিত উল আলম
সঠিক উত্তর:
অধাপক এমদাদুল হক চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধাপক এমদাদুল হক চৌধুরী
ব্যাখ্যা

₻ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ 

- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত।
- দেশের কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়৷ কৃষিবিজ্ঞানের সকল শাখা এর আওতাভূক্ত। 
-কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম উপাচার্য ছিলেন ড. ওসমান গণি। 
- বর্তমান উপাচার্য এমদাদুল হক চৌধুরী।

উৎস:  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১,২১৫.
দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা কত ভাগ সেবাখাতে নিয়োজিত?
  1. ক) ১৫.৯ ভাগ
  2. খ) ৩২.৪ ভাগ
  3. গ) ৩৯ ভাগ
  4. ঘ) ৪০.৬ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৯ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৯ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের শ্রমশক্তি:
- মোট শ্রমশক্তি : ৬.৩৫ কোটি
- পুরুষ শ্রমশক্তি : ৪.৩৫ কোটি
- নারী শ্রমশক্তি : ২.০০ কোটি
বিভিন্ন খাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
- শিল্পখাতে : ২০.৪ ভাগ
- কৃষিখাতে : ৪০.৬ ভাগ
- সেবাখাতে : ৩৯ ভাগ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১,২১৬.
ইস্কান্দার মীর্জাকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেন কে?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. আইয়ুব খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খানের ক্ষমতা দখল: 
- ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক আইন জারি করেন।
- ১৯৫৮ সালের ২৭শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মীর্জাকে উৎখাত ও দেশত্যাগে বাধ্য করে ক্ষমতা দখল করেন।
- তিনি নিজেকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত করে যেসব পদক্ষেপ নেন তা হলো:
১. নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা,
২. পূর্ব ঘোষিত ১৯৫৯ সালে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচন স্থগিত করা,
৩. দুর্নীতি ও চোরাচালান দূর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা ও
৪. রাজনৈতিক দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২১৭.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
  2. মোহাম্মদ হানিফ
  3. মোহাম্মদ সাঈদ খোকন
  4. সাদেক হোসেন খোকা
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ হানিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ হানিফ
ব্যাখ্যা

- প্রথম জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান হিসেবে জনাব মোহাম্মদ হানিফ মেয়র নির্বাচিত হন। 
- ২০০২ সালে জনাব সাদেক হোসেন খোকা এমপি নগরবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত মেয়র হন।
- ২০১৫ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র পদে নির্বাচনে জনাব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন। 

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আর্কাইভ।
১,২১৮.
বাংলাদেশের কোন জেলা আম উৎপাদনে শীর্ষে?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০ অনুযায়ী,
বাংলাদেশের আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রাজশাহী। 
বাংলাদেশের আম উৎপাদনে দ্বিতীয় জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ। 

[উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
১,২১৯.
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. বাগেরহাট
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বেপজা:
- BEPZA এর পুর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রামে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের শিল্প জোন।
- এটির অবস্থান চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায়।
- এটির আয়তন প্রায় ১,১৫০ একর।
- মোট শিল্প প্লটের সংখ্যা ৫৩৯টি।
- সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে আনুমানিক ৫ লক্ষ মানুষের ।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১,২২০.
মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের কোন তারিখ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়েছিলো?
  1. ক) ২৬ মার্চ
  2. খ) ১০ এপ্রিল
  3. গ) ১৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
[সূত্র : বাংলাপিডিয়া ]

১,২২১.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ: ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- অধিনায়ক (প্রথম টেস্টে): নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উল্লেখ্য,  
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

• বিশেষ তথ্যঃ 
-মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
-তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে।

তথ্যসূত্র- ১. ESPNcricinfo.com ও ২. The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

১,২২২.
সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি?
  1. ক) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
  2. খ) মহাহিসাব নিরীক্ষক
  3. গ) নির্বাচন কমিশন
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
ক) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা
সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
⇨ যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
⇨ বাংলাদেশে এ ধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সাংবিধানিক উপায়ে প্রতিষ্ঠিত। যথা:-
১। এটর্নি জেনারেল
২। নির্বাচন কমিশন
৩। মহাহিসাব নিরীক্ষক
৪। সরকারি কর্ম কমিশন

অন্যদিকে,
⇨ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, জীবন বীমা কর্পোরেশন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হলো সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
১,২২৩.
‘গোর’ চলচ্চিত্রটি কোন ভাষায় নির্মিত?
  1. ক) বাংলা
  2. খ) ইংরেজি
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) গারো
সঠিক উত্তর:
খ) ইংরেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইংরেজি
ব্যাখ্যা
- ‘গোর’ হলো বাংলাদেশে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- এটির পরিচালনা ও কাহিনীকার হলেন গাজী রাকায়েত। চলচ্চিত্রটি সরকারি অনুদানে নির্মিত হয়েছে।
- আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ সাদ পরিচালিত ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রের সাথে ‘গোর’ চলচ্চিত্রটিও ৯৪তম অস্কার প্রতিযোগিতার জন্যে বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন পেয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
১,২২৪.
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন কয়টি?
  1. ক) ৪৫
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৭৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আইনসভা আর বামগালদেশের আইন সভার নাম জাতীয় সংসদ। 
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট বিশিষ্ট যার সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জন। 
- এর মধ্যে ৩০০ আসনের সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। 
- বাকি ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। 
- এলাকাভিত্তিক সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যগণ ৩০০ টি আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২২৫.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1.  ৪ 
  2. ১০
  3. ১১
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ: 
- যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে প্রথমে ১০ এপ্রিল ৪টি সামরিক জোনে এবং পরবর্তীকালে জুলাইতে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল যারা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।
- দেশের ছাত্র, যুবক, কৃষক, নারী, রাজনৈতিক দলের কর্মী, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন এই বাহিনীতে।
- আতাউল গণি ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি।
- তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস- এর বাঙালি সদস্য সমন্বয়ে গঠিত সৈন্য ব্যাটেলিয়ান ই পি আর পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে মুক্তি বাহিনীর নিয়মিত বাহিনী গঠন করা হয়। 
- নিয়মিত সেনা ব্যাটেলিয়ান পরে তিনটি বিগ্রেডে পরিণত হয় যথাক্রমে এস ফোর্স, জেড ফোর্স এবং কে ফোর্স।
   
উৎসঃ  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২২৬.
২১ ফেব্রুয়ারির পূর্বে রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতো-
  1. ২৩ ফেব্রুয়ারি
  2. ১১ মার্চ
  3. ১৪ আগস্ট
  4. ২৬ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ
ব্যাখ্যা

প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস:
- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ একটি অবিস্মরণীয় ও যুগান্তকারী দিন।
- ২১ ফেব্রুয়ারির পূর্বে ১১ মার্চই রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতো।
- ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চের ঘটনার পরের বছর (১৯৪৯) প্রথমবারের মতো দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত আন্দোলনের আগপর্যন্ত, অর্থাৎ ১৯৫১ সাল পর্যন্ত, ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
         ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

১,২২৭.
নিচের কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক নন-
  1. ক) অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন
  2. খ) এ কে আজাদ খান
  3. গ) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  4. ঘ) ড.মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড.মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড.মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
ব্যাখ্যা


- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বারডেম) সভাপতি এ কে আজাদ খান এবং অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সবাই জাতীয় অধ্যাপক।
- ড.মুহাম্মদ জাফর ইকবাল শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ছিলেন।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো।

১,২২৮.
Two foreign nationals, among others, who played valiant roles for Bangladesh during the Liberation War of 1971, are -
  1. Andre Marty and William AS Ouderland
  2. Andre Malraux and William AS Ouderland
  3. Marshal Zukuv and Andre Gide
  4. James Hilton and SE Finer
সঠিক উত্তর:
Andre Malraux and William AS Ouderland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Andre Malraux and William AS Ouderland
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে বিদেশি নাগরিকের অবদান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ফরাসী ঔপন্যাসিক Andre Malraux ও অস্ট্রেলিয় নাগরিক William AS Ouderland বিশেষ অবদান রেখেছিলেন।

⇒ আন্দ্রে মালরাক্স:
- আন্দ্রে মালরাক্স বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভিনদেশী এক সহযোদ্ধা।
- ফ্রান্সের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও লেখক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে ফ্রান্সের প্রতিরোধ যোদ্ধা হিসেবেও অংশ নেন।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আন্দ্রে মালরাক্স ফ্রান্সে সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।
- ফ্রান্স সরকারকে উদ্দেশ্য করে তাঁর আকুতি ছিল: আমাকে একটি যুদ্ধ বিমান দাও, আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য শেষ লড়াইটা করতে চাই।
- তাঁর এই আন্দোলন বক্তৃতা, বিবৃতি আন্তর্জাতিক প্রেরণা হয়ে সেসময় বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হলে, ১৯৭৩ সালে তাঁকে বাংলাদেশে এনে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

⇒ উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক, তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ১৯৭০ সালে তিনি বাটা সু কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশে আসেন।
- মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২নং সেক্টরে কাজ করেন।
- তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ, আর্থিক সহায়তা এবং সকল সম্ভাব্য উপায়ে সাহায্য করতেন।
- দেশ স্বাধীন হলে ১৯৭৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরত যান।
- ওই বছরই বাংলাদেশ সরকার তাঁকে চতুর্থ সামরিক খেতাব 'বীরপ্রতীক' প্রদান করে।
- ১৮ মে, ২০০১ সালে তিনি মারা যান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,২২৯.
BIDA এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Bangladesh Investment and Development Agency
  2. খ) Bangladesh Investment Development Authority
  3. গ) Bangladeshi Investor and Developer Association
  4. ঘ) Bangladesh Investor and Developer Authority
সঠিক উত্তর:
খ) Bangladesh Investment Development Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Bangladesh Investment Development Authority
ব্যাখ্যা
- BIDA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Investment Development Authority.
- (BIDA) বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

- BIDA’র চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।

(সূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট)
১,২৩০.
চাকমা সমাজে পাড়ার প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. আদাম
  2. কার্বারি
  3. মৌজা
  4. হেডম্যান
সঠিক উত্তর:
কার্বারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বারি
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক।
- তাদের মুখমণ্ডল গোলাকার, নাক চ্যাপ্টা, চুল সোজা এবং কালো, গায়ের রং ঈষৎ হলদেটে।
- বাংলাদেশের বাইরেও চাকমারা ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচলে বসবাস করে।

সামাজিক জীবন:
- চাকমা সমাজে মূল অংশ পরিবার।
- কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম’ বা ‘পাড়া’।
- পাড়ার প্রধানকে বলা হয় কার্বারি।
- কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- মৌজার প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান।
- কার্বারি ও হেডম্যান মিলে যথাক্রমে পাড়া ও মৌজার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে।
- কয়েকটি মৌজা মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয় এবং এর প্রধান হলেন চাকমা রাজা।
- চাকমা সমাজে রাজার পদটি বংশানুক্রমিক।
- চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। চাকমা পরিবারে পিতাই প্রধান।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১,২৩১.
'আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
সমাজসেবা:
মুসলিম নারীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ, স্বাবলম্বী মনোভাব সৃষ্টি সামাজিক ও রাজনৈতিক টোকার সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বেগম রোকেয়া ১৯১৬ সালে "আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম" বা মুসলিম মহিলা সমিতি নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন।
এ সংস্থার মাধ্যমে তিনি নারী মুক্তি আন্দোলন শুরু করেন।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
১,২৩২.
আজকে (২৩ মার্চ, ২০২৪) বাংলা মাসের কত তারিখ?
  1. ৯ চৈত্র ১৪৩০
  2. ৯ ফাল্গুন ১৪২৯
  3. ১০ চৈত্র ১৪৩০
  4. ১১ চৈত্র ১৪২৯
সঠিক উত্তর:
৯ চৈত্র ১৪৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ চৈত্র ১৪৩০
ব্যাখ্যা
- এই প্রশ্নটির পরিক্ষা যেদিন হয়েছিলো সেদিনের তারিখ জানতে চাওয়া হয়েছে। 
- পরিক্ষার তারিখটি ছিল শনিবার ০৯ই চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২৩শে মার্চ ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ, ১২ রমজান ১৪৪৫ হিজরি।

তথ্যসূত্র: BANGLA DATE TODAY.
১,২৩৩.
রামমোহন রায়কে 'রাজা' উপাধিতে ভূষিত করেন কে?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. রাজা পঞ্চম জর্জ
  3. সম্রাট দ্বিতীয় আকবর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সম্রাট দ্বিতীয় আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট দ্বিতীয় আকবর
ব্যাখ্যা

রাজা রামমোহন রায়: 
- রাজা রামমোহন রায় ছিলেন উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত।
- তিনি রাধানগর গ্রামে এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সংস্কৃত, বাংলা, হিন্দি, ফারসি ও আরবিতে তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল।
- একেশ্বরবাদ প্রচারে তিনি আত্মীয় সভা গঠন করেন এবং ১৮২২ সালে অ্যাংলো-হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- সম্রাট দ্বিতীয় আকবর তাঁকে “রাজা” উপাধি দেন।
- তিনি সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও কৌলীন্য প্রথার বিরোধিতা করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত হয়।
- পরে তাঁর আন্দোলন থেকে ব্রাহ্ম সমাজ গঠিত হয়, ১৮৪৩ সালে “ব্রাহ্মধর্ম” নামে রূপান্তরিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,২৩৪.
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
[সূত্র : বাংলাপিডিয়া ]
১,২৩৫.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে কে?
  1. আইয়ুব খান সরকার
  2. মোনায়েম খান সরকার
  3. জুলফিকার আলী ভুট্টো সরকার
  4. ইয়াহিয়া খান সরকার
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান সরকার
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:

- ১৯৬৮ সালের আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,২৩৬.
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রদান করা হয় কতজন ব্যক্তিকে?
  1. ৬ জন
  2. ৭ জন
  3. ৮ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,২৩৭.
কোন ক্ষেত্রে স্পিকার কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করেন?
  1. সরকারের প্রস্তাব পাশ করানো
  2. যখন কোনো সদস্য অনুপস্থিত থাকে
  3. সংসদীয় অচলাবস্থা দূর করা
  4. শুধুমাত্র বাজেট পাসের সময়
সঠিক উত্তর:
সংসদীয় অচলাবস্থা দূর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদীয় অচলাবস্থা দূর করা
ব্যাখ্যা

→ সংসদীয় অচলাবস্থা দূর করতে স্পিকার কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করেন।

কাস্টিং ভোট:

- জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,২৩৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,২৩৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ 'নির্বাচন কমিশন' গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠন কথা বলা হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।

অন্যদিকে,
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত।
- ১১৯ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ  নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ সম্পর্কিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,২৪০.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নয় কোনটি?
  1. সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
  2. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. সুশাসনের জন্যে নাগরিক
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
- দুর্নীতি দমন কমিশন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নয়।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

- আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সুশাসনের জন্যে নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪১.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে উচ্চমাত্রায় দারিদ্রের হার হবে -
  1. ক) ২০.৫%
  2. খ) ১০.৫%
  3. গ) ১৫.৬%
  4. ঘ) ৭.৪%
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫.৬%
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে উচ্চমাত্রায় দারিদ্রের হার হবে - ১৫.৬%।

- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে নিম্নমাত্রায় দারিদ্রের হার হবে - ৭.৪%।
- বর্তমানে  উচ্চমাত্রায় দারিদ্রের হার - ২০.৫%।
- বর্তমানে নিম্নমাত্রায় দারিদ্রের হার - ১০.৫%।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডায়নামিক প্যানেল।
১,২৪২.
ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে কোন ব্যবস্থার বিধান করা হয়?
  1. একক দলীয় সরকার
  2. জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন
  3. নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার
  4. স্থানীয় সরকার নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী:
-  ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহিত হয়।
- এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়, যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন হিসেবে কাজ করবে এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।

 • সংবিধানে নূতন ২ক পরিচ্ছেদের সন্নিবেশ।
- সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ২য় পরিচ্ছেদের পর নিম্নরূপ নূতন পরিচ্ছেদ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-

"২ক পরিচ্ছেদ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার:

৫৮(খ)। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
(১) সংসদ ভাংগিয়া দেওয়ার পর বা মেয়াদ অবসানের কারণে ভংগ হইবার পর যে তারিখে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কার্যভার গ্রহণ করেন সেই তারিখ হইতে সংসদ গঠিত হওয়ার পর নূতন প্রধানমন্ত্রী তাঁহার পদের কার্যভার গ্রহণ করার তারিখ পর্যন্ত মেয়াদে একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকিবে।
(২) নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার যৌথভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়ী থাকিবেন।
(৩) (১) দফায় উল্লেখিত মেয়াদে প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা,

৫৮ঘ (১) অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সাপেক্ষে, প্রযুক্ত হইবে এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী তৎ-কর্তৃক উহা প্রযুক্ত হইবে। 

উৎস: সংবিধান।

১,২৪৩.
ম্রো জনগোষ্ঠীর মধ্যে অধিকাংশ মানুষ কোন ধর্ম অনুসরণ করে?
  1. হিন্দু
  2. বৌদ্ধ
  3. ইসলাম
  4. খ্রিস্টান
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
ম্রো জনগোষ্ঠী:
- ম্রো পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বপ্রাচীন জাতি এবং বান্দরবান জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতি।
- ম্রোদের আদি নিবাস মায়নামারের আরাকান রাজ্য।
- আনুমানিক ১৪৩০ খ্রিঃ অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৫৯২ বছর আগে ম্রোরা বান্দরবান জেলার লামা, আলীকদম, থানছি ও নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় আশ্রয় নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান। তবে মেয়েরা সামাজিক জীবনে কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- ম্রোরা মূলতঃ প্রকৃতি পূজারী হলেও অধিকাংশই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
- তবে কয়েক বছর আগে ম্রোদের মধ্যে একটা নতুন ধর্ম ‘ক্রামা’ আর্বিভাবের ফলে বর্তমানে ম্রোদের একটি অংশ ক্রামা ধর্মের অনুসারি।

তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১,২৪৪.
সংবিধানে সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী ব্যক্তি কে?
  1. মইন ইউ আহমেদ
  2. সদর উদ্দীন আহমেদ
  3. সৈয়দ শাহ আবু শফি
  4. হাসেম খান
সঠিক উত্তর:
সদর উদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদর উদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধান রচনার সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ-
কে এম আব্দুল রউফ - হস্ত লিখিত মূল সংবিধানের লেখক।
ড. আনিসুজ্জামান - প্রধান ভাষা বিশেষজ্ঞ।
আই গাথরি - রচনা কমিটির বিদেশি বিশেষজ্ঞ। বৃটিশ আইনজীবী।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন - নকশ ও অঙ্গসজ্জার মূল তত্ত্বাবধায়ক।
শিল্পী হাসেম খান - নকশ ও অঙ্গসজ্জার সহযোগী।
সৈয়দ শাহ আবু শফি - সংবিধানে চামড়ার কাজ করেন।
সদর উদ্দীন আহমেদ - সংবিধানে সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, সরকারি তথ্য বাতায়ন।
১,২৪৫.
PPP-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Public-Private Partnership
  2. Private-Public Policy
  3. Personal Purchasing Power
  4. Public Policy Program
সঠিক উত্তর:
Public-Private Partnership
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Public-Private Partnership
ব্যাখ্যা

• PPP-এর পূর্ণরূপ- Public-Private Partnership.

⇒ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (Public-Private Partnership বা PPP) হলো এমন একটি মডেল, যেখানে সরকার এবং বেসরকারি খাত একসঙ্গে কাজ করে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- এটি প্রাথমিকভাবে অবকাঠামো, সেবা প্রদান, এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুনত্ব আনার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৪৬.
'ধনধান্য পুষ্প ভরা' - দেশাত্মবোধক গানটির রচিয়তা কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. ঘ) সুকান্ত ভট্টাচার্য
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
• 'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। 
- গানটি তাঁর 'সাজাহান' নাটকে ছিল। 
- নাটকটি মোগল সম্রাট সাজাহানের জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক।
- 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয় ।
- নাটকটির ১৯০৯ সালে নাটকটি প্রকাশিত হয়।
- সম্রাট সাজাহানকে নিয়ে দ্বিজেন্দ্রলালই সর্বপ্রথম প্রথম নাটক রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,২৪৭.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী নারী মুক্তিযােদ্ধা কতজন?
  1. ক) ৫৭০ জন
  2. খ) ৪৫০ জন
  3. গ) ৩০৭ জন
  4. ঘ) ২০৩ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০৩ জন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ। নারী-পুরুষনির্বিশেষে সবাই–ই সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।

- গত ১৮ নভেম্বর ২০১২ জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ২০৩ জন নারী অংশ নিয়েছিলেন ।
- পরিসংখ্যান অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি ২১ জন নারী ছিলেন দিনাজপুরের ।
- এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫ , যশোর ও গোপালগঞ্জে ৯ , সুনামগঞ্জ ও পঞ্চগড়ে ৮ , সিলেট ও বরিশালে ৭ জন নারী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন ।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ৩ জন।

উৎস: ইনকিলাব রিপোর্ট
১,২৪৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়
  1. তুলা
  2. ভোজ্যতৈল
  3. গম
  4. সার
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একক পণ্য আমদানি:

- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - ভোজ্যতৈল।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,২৪৯.
রোহিতগিরি বাংলাদেশের কোন স্থানের পূর্ব নাম?
  1. ক) পানাম নগর
  2. খ) সোনারগাও
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
গ) ময়নামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়নামতি
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:

- ময়নামতির পূর্ব নাম রোহিতগিরি।
- এটি কুমিল্লা শহরের প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে বাংলাদেশের পূর্ব সীমায় বিচ্ছিন্ন অনুচ্চ পার্বত্য এলাকা।
- এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ নিদর্শনাদি উন্মোচিত হয়েছে।
- মেঘনা বেসিনের ভাটিতে গোমতী নদী তীরস্থ ময়নামতী গ্রাম থেকে লালমাই রেলস্টেশনের নিকটে চান্দিমুরা পর্যন্ত এই ক্ষুদ্র শৈলশ্রেণি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৭ কিলোমিটার বিস্তৃত। 
- এর প্রশস্ততম অংশটি ৪.৫ কিলোমিটার চওড়া এবং সর্বোচ্চ চূড়াটি ৪৫ মিটার উঁচু।
- ১৮৭৫ সালে পাহাড়গুলির মধ্য দিয়ে প্রসারিত পুরানো সড়কটির পুনঃনির্মাণ কালে শ্রমিকরা হঠাৎ কিছু ধ্বংসাবশেষ উদ্ঘাটন করে
- প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল একটি বৌদ্ধ মঠ। 
- খননকৃত প্রত্নস্থান খননকৃত প্রত্নস্থানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শালবন বিহার। এটি শৈলরাজির প্রায় কেন্দ্রে বর্তমান কোটবাড়িস্থ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমির সন্নিকটে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও বাংলাপিডিয়া।
১,২৫০.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. পাবনা
  3. যশোর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট

১,২৫১.
সংবিধান প্রণয়নের সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন-
  1. ক) ড. কামাল হোসেন
  2. খ) আবু সাইদ চৌধুরী
  3. গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) আবু সাইদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবু সাইদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- গণপরিষদের প্রথম ও শেষ অধিবেশন যথাক্রমে ১০ এপ্রিল এবং ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
- গণপরিষদ নেতা- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- সংবিধান প্রণয়নের সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান
১,২৫২.
কোন যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়?
  1. ক) রাজমহলের যুদ্ধ
  2. খ) বন্দিবাসের যুদ্ধ
  3. গ) বক্সারের যুদ্ধ
  4. ঘ) কনৌজের ‍যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) বক্সারের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বক্সারের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
বিহারের বক্সার নামক স্থানে বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনী মেজর মনরো'র নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর নিকট পরাজয় বরণ করে।
এর ফলে বাংলার নামমাত্র টিকে থাকা স্বাধীনতাও পুরোপুরি বিনষ্ট হয়। অন্যদিকে ভারতে ইংরেজদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ আরও সুগম হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৫৩.
বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন কত বর্গ কি.মি.?
  1. ৫,৬৫৫ বর্গ কি.মি.
  2. ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.
  3. ৬,৪৬৬ বর্গ কি.মি.
  4. ৬,৫৫০ বর্গ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ও একক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
১,২৫৪.
মুজিবনগর সরকারের চীফ অব স্টাফ ছিলেন কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. ক্যাপ্টেন (অব.) এম.মুনসুর আলী
  3. কর্নেল (অব.) এম.এ.জি ওসমানী
  4. কর্নেল (অব.) এ. রব
সঠিক উত্তর:
কর্নেল (অব.) এ. রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নেল (অব.) এ. রব
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের আজকের দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়েছিল।
- প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। 
- ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান উপজেলা মুজিবনগর) গ্রামের আমবাগানে এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার কারণে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন মনসুর আলী। 
-  এ. এইচ. এম কামারুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্র এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়।
- খন্দকার মোশতাক আহমেদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।
- কর্নেল (অব.) এম.এ.জি ওসমানী সেনাবাহিনীর প্রধান।
- কর্নেল (অব.) এ. রব  সেনাবাহিনীর উপ - প্রধান (চীফ অব স্টাফ)। 

তথ্য সূত্র-
• ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র’
•  একাত্তরের রণাঙ্গন/ শামসুল হুদা চৌধুরী
•  লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে/ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম
• আত্মকথা ১৯৭১/ নির্মলেন্দু গুণ। 
১,২৫৫.
বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি কোথায় ঘোষনা করেন?
  1. লাহোরে
  2. পাঞ্জাবে
  3. করাচিতে
  4. রাওয়ালপিন্ডিতে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- তিনি লাহোরে এই ঘোষনা দেন।

ছয় দফা কর্মসূচি,
১) লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম।
২) শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩) দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪) আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে ।
৫) দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে। 
৬) অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৬.
বাংলাদেশের কোন উপজাতি মুসলমান?
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. পাঙন
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা

• পাঙন:
- বাংলাদেশের একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি হলো পাঙন।
- এরা বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- এরা সিলেটের মণিপুরী সম্প্রদায়ের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ।

তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,২৫৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. শিল্প খাত
  2. সেবা খাত
  3. কৃষি খাত
  4. বাণিজ্য খাত
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা খাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।

খাতভিত্তিক GDP:
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,২৫৮.
বঙ্গভঙ্গের সময় নবগঠিত ‘পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ’ - এর গভর্ণর নিযুক্ত হন -
  1. স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার
  2. এন্ড্রু ফ্রেজার
  3. লর্ড কার্জন
  4. লর্ড কিংসফোর্ড
সঠিক উত্তর:
এন্ড্রু ফ্রেজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ড্রু ফ্রেজার
ব্যাখ্যা

- বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতীয় উপমহাদেশের বড়লাট বা ভাইসরয় ছিলেন - লর্ড কার্জন।
- বঙ্গভঙ্গের পর নবগঠিত 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন - স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন - এনড্রু ফ্রেজার।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,২৫৯.
সংসদের অধিবেশন পরিচালনার জন্য ন্যূনতম কতজন সদস্য উপস্থিত থাকতে হয়?
  1. ৯০ জন
  2. ৭০ জন
  3. ৫০ জন
  4. ৬০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আইনসভা:

- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- তবে মহিলা সদস্যগণ ইচ্ছা করলে ৩০০ আসনের যে কোনোটিতে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেও নির্বাচিত হতে পারেন।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।
- এর পূর্বেও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- সংসদের একটি অধিবেশন সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
- মোট সদস্য সংখ্যার মধ্যে কমপক্ষে ৬০ জন উপস্থিত থাকলে কোরাম হয় এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায়।
- প্রধানমন্ত্রী সাধারণত সংসদের নেতা
- আসনসংখ্যার দিক দিয়ে নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দলের প্রধান সংসদে বিরোধী দলের নেতাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২৬০.
বাংলাদেশে খরা সহনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫৫
  2. ব্রি ধান ৫২
  3. ব্রি ধান ৬৯
  4. ব্রি ধান ৫১
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত - 
• ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত -
• ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত -
• বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত -
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত -
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,২৬১.
Which Mughal Emperor appointed Islam Khan Chishti as Subadar of Bengal?
  1. Jahangir
  2. Humayun
  3. Akbar
  4. Aurangzeb
সঠিক উত্তর:
Jahangir
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jahangir
ব্যাখ্যা
ইসলাম খান চিশতী:
- মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মোগল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মোগল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬২.
নিচের কোনটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. সুশাসনের জন্য নাগরিক
  2. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  3. সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সুশাসনের জন্য নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

• চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা। এদের কোন বৃহৎ বা জাতীয় লক্ষ্য থাকে না।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা রাজনৈতিক দলের তুলনায় সাধারণত কম হয় এবং অভিন্ন স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে গোষ্ঠীর সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ থাকে।

উল্লেখ্য, 
- আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), সুশাসনের জন্য নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
১,২৬৩.
কততম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযোজন করা হয়?
  1. ক) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. খ) চতুর্দশ সংশোধনী
  3. গ) পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ঘ) ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- ২০১১ সালের ৩রা জুলাই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা সংবিধানের সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযোজন করা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা গৃহিত অন্যান্য বিধানাবলির মধ্যে রয়েছে:
- পঞ্চম তফসিলে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণ সংযোজন
- ষষ্ঠ তফসিলে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা সংযোজন
- বাহাত্তরের মূল সংবিধানের মূলনীতিসমূহ পুনঃস্থাপন
৪ক অনুচ্ছেদ (জাতির পিতার প্রতিকৃতি) সংযোজন
- ২ক অনুচ্ছেদে (রাষ্ট্রধর্ম) সংশোধন প্রভৃতি।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট
১,২৬৪.
বাংলাদেশের ৪র্থ গণভোটে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা-
  1. ৭ কোটি ১৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
  2. ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
  3. ৮ কোটি ১৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
  4. ৮ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
সঠিক উত্তর:
৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট:
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে - ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি যাচাইয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই ভোটের ফলাফল গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথম গেজেটের হিসাব অনুযায়ী 'হ্যাঁ' ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন, 'না' ভোটের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন।
- 'হ্যাঁ' এবং 'না' ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন।এর মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ জন।বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬ জন। 

- সংশোধিত গেজেটের হিসাব অনুযায়ী গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ জন, 'না' ভোটের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১ জন।
- 'হ্যাঁ' এবং 'না' ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন।
- এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১ জন।

উৎস: বণিক বার্তা।

১,২৬৫.
'উরি ব্যাংক' কোন দেশ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. উওর কোরিয়ার
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি। 
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩ট।

বিদেশী ব্যাংক:
- 'উরি ব্যাংক' (Woori Bank) দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো: -
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড।
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড।
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন।
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।
- সিটি ব্যাংক এনএ।
- উরি ব্যাংক।
- হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড।
- ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।
- এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,২৬৬.
একুশের প্রথম কবিতা কোনটি?
  1. ক) মাগো ওরা বলে
  2. খ) অমর একুশে
  3. গ) কোন এক মাকে
  4. ঘ) কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
ব্যাখ্যা
কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী গুলি চালিয়ে হত্যা করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মিছিলরত তরুণদের।
- সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
- মাহবুব উল আলম চৌধুরী অসুস্থ শরীরে রাত জেগে তিনি লিখলেন আগুনঝরা কবিতা: ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে প্রতিবাদ সভায় সে কবিতা পড়লেন তাঁরই সতীর্থ চৌধুরী হারুণ-উর-রশীদ।
- পাকিস্তান সরকার সে কবিতা বাজেয়াপ্ত করে।
- ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ একুশের প্রথম কবিতা।

অন্যদিকে -
- মাগো ওরা বলে কবিতাটি এটি একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে উপজীব্য করে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত। এ কবিতায় কবি দেখিয়েছেন, মায়ের ছেলেরা কী করে মাতৃভাষার মানরক্ষা করতে গিয়ে বুক পেতে দেয়। আর ফিরে আসে লাশ হয়ে।
- অমর একুশে কবিতাটি এটি একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে উপজীব্য করে হাসান হাফিজুর রহমান রচিত।
- অভিশাপ দিচ্ছি কবিতাটি এটি একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে উপজীব্য করে শামসুর রাহমান রচিত।

উৎস: প্রথম আলো, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।

১,২৬৭.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকায় কোন ভাষার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়?
  1. ফারসি
  2. বাংলা
  3. সংস্কৃতি
  4. উর্দু
সঠিক উত্তর:
বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমুদ্দিন মজলিশ মূলত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ।
-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- তমুদ্দিন মজলিসের লক্ষ ছিল, কুসংস্কার দুর করে যুক্তিবাদের উপর সত্য সুন্দর ও মানবীয় মুল্যবোধ ভিত্তিক শিল্প ও সাহিত্যের মাধ্যমের দেশ ও সমাজ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
- তমদ্দুন মজলিশের বাংলা মুখপত্র সাপ্তাহিক সৈনিক প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া।
১,২৬৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১ অনুসারে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন - রাজশাহী বিভাগ (৫,৬৫,৮৬৯ মে.টন)। 
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন - রাজশাহী জেলা (২,৪৫,৯৭২ মে.টন)। 

অন্যদিকে, 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)। 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট  উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)। 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন - সিলেট বিভাগ (৬৮,৪৭৯.৬৯ মে.টন)। 

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১
১,২৬৯.
বাংলাদেশে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল-
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

• গণভোট, ১৯৭৭:
সামরিক শাসনকে বৈধ করার লক্ষ্যে ৩০ মে, ১৯৭৭ বাংলাদেশে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে ৮৭ শতাংশ ভোটার অংশ এবং জিয়াউর রহমানের পক্ষে ৯৯ শতাংশ ভোট পরে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়।

​• গণভোট ১৯৮৫:
প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে ।
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।

​• ​তৃতীয় গণভোট
সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৭০.
The United Nations Committee for Development Policy বাংলাদেশের Least Developed Country নামে রূপান্তরিত হয়ে Middle Income Country তে যাওয়ার জন্য সুপারিশ করে-
  1. ক) ডিসেম্বর ২০১৮
  2. খ) জানুয়ারি ২০১৯
  3. গ) ফেব্রুয়ারি ২০২১
  4. ঘ) ডিসেম্বর ২০২০ 
সঠিক উত্তর:
গ) ফেব্রুয়ারি ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফেব্রুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যা
- স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) ফেব্রুয়ারি ২০২১- এ সুপারিশ করেছে। 
- বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে বের হতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। 

উৎস: প্রথম আলো, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
১,২৭১.
মেজর জেনারেল কে. এম. শফিউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ৩নং
  2. ৪নং
  3. ৯নং
  4. ১১নং
সঠিক উত্তর:
৩নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩নং
ব্যাখ্যা

মেজর জেনারেল কে. এম. শফিউল্লাহ:
- মেজর জেনারেল কে. এম. সফিউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধে ৩ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- কমান্ড: তিনি 'এস' ফোর্সেরও কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন।
- কে এম সফিউল্লাহর জন্ম ১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে।
- তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশী জেনারেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং সাবেক সংসদ সদস্য।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে, তার ব্যাটালিয়ন সহ, তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি অফিসার যিনি ১৯ মার্চ ১৯৭১ সালে বিদ্রোহ করেন এবং ৫৭ বিডিই কমান্ডার-ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছিলেন।
- তিনি সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় সদরদপ্তর ৩ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হন।
- তিনি সরাসরি সক্রিয় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং অন্তত দুটি এই ধরনের যুদ্ধে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে রক্ষা পান।
- সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে তিনি তিনজন ব্রিগেড কমান্ডারের একজন নিযুক্ত হন।
- তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় 'এস-ফোর্স'-এর কমান্ডার ছিলেন।
- কে. এম. সফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে দেশের প্রথম সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন।
- তিনি ১৯৭৫ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

১,২৭২.
দেশের প্রথম মনোরেলু চালু হতে যাচ্ছে কোথায়?
  1. রাজশাহী
  2. সিলেট
  3. চট্টগ্রাম
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

প্রথম মনোরেল প্রকল্প:
- দেশের প্রথম মনোরেল নির্মিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামে।
- ১ জুন, ২০২৫ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে জার্মানি প্রতিষ্ঠান ওরাসকম ও মিশরের প্রতিষ্ঠান আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপের এ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার।
- এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা।
- নগরের যানজট নিরসনে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। 

উল্লেখ্য,
- মনোরেল হলো এমন একটি রেলওয়ে, যেখানে ট্র্যাকটি একটি একক রেল বা বিম দিয়ে তৈরি।
- মনোরেল এক চাকার ট্রেন। এক চাকার ওপরই চলে। দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে মনোরেল স্থাপন ও চালু করা সম্ভব।

উৎস: The Daily Star Bangla.

১,২৭৩.
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ২২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ করেছে কোন সংস্থা?
  1. ক) সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস
  2. খ) চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্ট
  3. গ) ইনস্টিটিউট অব মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. ঘ) ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গ লিঙ্গুইস্টিকস
সঠিক উত্তর:
ক) সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস
ব্যাখ্যা
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ২২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ হয়েছে। এ কাজ করেছে আন্তর্জাতিক সংগঠন সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল) । 
- সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস,অস্ট্রেলিয়া (সিল) ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষার সুরক্ষায় গবেষণার কাজ করে। 
- বিশেষ করে যেসব ভাষা বিপন্ন, সেগুলোর প্রয়োজনমতো বর্ণমালা বা ব্যাকরণ তৈরির কাজও করে প্রতিষ্ঠানটি। 
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণটিকে  World’s Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়ে International Memory of the World Register-এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- যে ২২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ হয়েছে, সেগুলো হলো বম, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি, চাকমা, গারো, হাজং, খাসি, খিয়াং, কোচ, কোল, লুসাই, মাহালে, মেইতে মণিপুরি, ম্রো, মুন্ডা, ওঁরাও কুরুখ, ওঁরাও সাদ্রি, পাহাড়ি, পাংখোয়া, সাঁওতাল, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা ও কোডা।

 উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।
১,২৭৪.
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ শক্তির প্রধান উৎস কী?
  1. ক) খনিজ তৈল
  2. খ) খরস্রোতা নদী
  3. গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৫২ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল।
- আর জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট গ্যাসের ব্যবহারের ৭০ ভাগই বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে ৫৭টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে।
১,২৭৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কয়টি সেক্টর বিভক্ত ছিল?
  1. ক) ৯
  2. খ) ১০
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ১২
সঠিক উত্তর:
গ) ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। এই সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
-  যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর ক্ষেত্রে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. দশম সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- দ্বাদশ সংশোধনী বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- গণভোটে অধিকাংশ জনগণ সংশোধনীর পক্ষে ভোট প্রদান করলে ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর করেন।
- এর আগে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,২৭৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ১৭%
  2. ২২%
  3. ২৬%
  4. ৩২%
সঠিক উত্তর:
১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,২৭৮.
২০২৪ সালে বাংলাদেশের কততম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে?
  1. ৫২তম
  2. ৫৩তম
  3. ৫৪তম
  4. ৫৫তম
সঠিক উত্তর:
৫৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

৫৪তম স্বাধীনতা দিবস:

- ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। 
- সারাদেশে প্রত্যুষে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়।
- বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন।
- দীর্ঘ পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বের মাঝে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তিনি সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
- এরপর ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশের ৫৪তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৭৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, কোন প্রাথমিক পণ্যটি সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়?
  1. সার
  2. তৈলবীজ
  3. গম
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,২৮০.
In Bangladesh, who acts as the administrative head of any ministry?
  1. Minister
  2. Secretary
  3. Director General
  4. Rector
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Secretary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Secretary
ব্যাখ্যা
সচিব:
- সচিব হচ্ছেন মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান।
- তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসন পরিচালনা, শৃঙ্খলা বিধান এবং এর ওপর অর্পিত কার্যাবলি যথাযথভাবে সম্পাদনের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- তিনি মন্ত্রণালয়/বিভাগ, অধিদপ্তর ও অধীনস্থ দপ্তরগুলোতে বিধিবিধানসমূহ যথাযথভাবে অনুসৃত হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণের দায়িত্বও পালন করেন।
- মন্ত্রণালয়ের/বিভাগের কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে অবহিত করার দায়িত্বও সচিবের।
- একজন সচিব সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও অধীনস্থ দপ্তরসহ মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাপর সংস্থার জন্য বরাদ্দকৃত তহবিল ঐসময়ে প্রচলিত বিধি/আইন অনুসারে ব্যয় করা হচ্ছে কিনা তাও তাকে নিশ্চিত করতে হয়।

উল্লেখ্য,
- মন্ত্রণালয়/বিভাগ সচিবালয়ের কার্য নির্বাহের জন্য বাংলাদেশ সচিবালয়ের অংশ হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে গঠিত প্রশাসনিক ইউনিট।
- ১৯৯৬ সালের কার্যবিধিতে সুনির্দিষ্ট সরকারি কার্য সম্পাদনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও সরকার কর্তৃক ঘোষিত কোন স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিটকে বিভাগ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
- বিভাগ বা কতিপয় বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত মন্ত্রককে মন্ত্রণালয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
- সরকারের কার্যাবলি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে বণ্টন করা হয়।
- সরকারি কার্যবণ্টনের দায়িত্ব কেবিনেট বিভাগের ওপর ন্যস্ত।
- প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অধীনে রয়েছে অধিদপ্তর, অধীনস্থ দপ্তর এবং কতিপয় আধা সরকারি সংস্থা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৮১.
ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইটের গণহত্যার মূল দায়িত্ব কার ওপর দেওয়া হয়েছিল?
  1. মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  2. লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
  3. মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
  4. লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজী
  5. ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব আরবাব
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।

১,২৮২.
নিচের কোনটি মাঝারি আকার বিশিষ্ট কলার জাত নয়?
  1. ক) চাঁপা
  2. খ) মর্তমান
  3. গ) অনুপম
  4. ঘ) কাবুলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাবুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাবুলী
ব্যাখ্যা
কাবুলী - মাঝারি আকার বিশিষ্ট কলার জাত নয়।
- এটি খাটো জাতের কলা।
- খাটো জাতের কলা সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার), এগুলো খাটো জাত দলভুক্ত কলা।
- এ সব জাতের গাছ লম্বায় কম হয় এবং কিছুটা ছায়া বা আধা ছায়ায় কলা ফলানো যায়।
- বসতবাড়ির আশ পাশে এ জাতের কলার তুলনামূলক আবাদ  বেশি।
- কেবল মেহের সাগর, রঙিন মেহের সাগর নামক অপর খাটো জাতগুলো বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।
- এ জাতের কলার আকার ও প্রকৃতি অনেকটা সাগর কলার মতো।
- প্রতি কাঁদিতে সাগর কলার চেয়ে  ফলের সংখ্যা ২-৩ গুণ বেশি হয়।
- প্রতি কাঁদিতে ১৭০-২২০টা কলা ধরতে দেখা যায়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১,২৮৩.
শহীদ জিয়াউর রহমান কত তারিখে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?
  1. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ২৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৮ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২৭ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার পর ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস জুগিয়েছিল। 

• মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর কে এম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম) তাঁর [Bangladesh at War, Academic Publishers, Dhaka, 1989] বইয়ের ৪৪-৪৫ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘মেজর জিয়া ২৫ মার্চের রাত্রিতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সদলবলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তার কমান্ডিং অফিসার জানজুয়া ও অন্যদের প্রথমে গ্রেফতার এবং পরে হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন । পরে ২৬ মার্চ তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর মোকাবিলার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান । এতে তিনি নিজেকে রাষ্ট্রপ্রধান রূপে ঘোষণা করেন । ২৭ মার্চ মেজর জিয়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে আরেকটি ঘোষণায় বলেন, বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর সামরিক সর্বাধিনায়করূপে আমি মেজর জিয়া শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি।’

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিক্লাসিফাই করা বাংলাদেশ সংক্রান্ত দলিলপত্রে বলা হয়েছে: On March 27 the clandestine radio announced the formation of a revolutionary army and a provisional government under the leadership of a Major Zia Khan.

• ভারত সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ বিষয়ক ইতিহাস প্রকাশিত হয়েছে ‘ভারত রক্ষক› শিরোনামীয় সাইটে। সেখানে ৯৩ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ‘৮ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়া ২৬ তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তিনি ‹বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের (Temporary Head of Republic) দায়িত্বও গ্রহণ করেছেন।’

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- পাকিস্তান সরকারের প্রচারণার বিরুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রচারযুদ্ধে নেমে মুক্তিযুদ্ধের ‘দ্বিতীয় ফ্রন্ট’ হিসেবে কাজ করে।
- ২২ জুন ১৯৫৪ সালে কালুরঘাট, চট্টগ্রাম থেকে ১ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে সম্প্রচার কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৬২ সালে কেন্দ্রের ট্রান্সমিটারের ক্ষমতা ১০ কিলোওয়াটে উন্নীত করা হয় এবং একই সাথে কালুরঘাট কেন্দ্রকে প্রেরণ কেন্দ্রে রূপান্তর ও আগ্রাবাদে নতুন প্রচার ভবন তৈরি করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে কালুঘাট, চট্টগ্রাম কেন্দ্রটি ১০০ কিলোওয়াটে উন্নীত করা হয়। এ কেন্দ্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ বেতার  চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অনুষ্ঠান এবং ঢাকা ‘ক’ এর  জাতীয় অনুষ্ঠান  ও সংবাদ ৮৭৩ কিলোহার্জে  প্রচারিত হয়।
- উল্লেখ্য, কালুরঘাট প্রেরণ কেন্দ্র ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের মধ্যদিয়ে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র’ নামে খ্যাতি লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ বেতার  কালুরঘাট কেন্দ্রের এ গৌরবময় অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০৬ সালে বাংলাদেশ বেতারকে ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
ii) চট্টগ্রাম জেলা ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
iv) দৈনিক ইনকিলাব।

১,২৮৪.
বাংলার হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. নুসরত শাহ
  4. আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- তিনি সামান্য অবস্থা থেকে নিজ যোগ্যতায় বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- হোসেন শাহ (১৪৯৪-১৫১৯) বাংলার হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি হাবশী সুলতান শামসুদ্দীন মুজাফফর শাহের উজির ছিলেন।
- তিনি সুলতানকে হত্যা করে সিংহাসন অধিকার করেন।
- ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি নেতৃস্থানীয় আমীরদের দ্বারা সুলতান নির্বাচিত হন।
- তিনি 'আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- একারণে আধুনিক ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাপিডিয়া।
১,২৮৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ঠ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাচন
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,২৮৬.
'Agartala Conspiracy Case' was withdrawn on-
  1. 19 June 1968
  2. 11 January 1969
  3. 22 February 1969
  4. 23 March 1969
সঠিক উত্তর:
22 February 1969
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22 February 1969
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করে যে, পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটিত হয়েছে। 
- এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা, সিভিল সার্ভিসের দুইজন বাঙালি কর্মকর্তাসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। 
- ১৮ জানুয়ারি আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে উক্ত মামলার ১নং আসামী বলে ঘোষণা করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুসহ মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- বাঙালিরা এটিকে মিথ্যা মামলা হিসেবে অভিহিত করে এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গণআন্দোলন গড়ে তোলে। 
- আন্দোলন জোরদার হলে সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে নেয় এবং বিনাশর্তে  অভিযুক্তদের মুক্তি দেয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৮৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ -
  1. তুরস্ক
  2. সেনেগাল
  3. আফগানিস্তান
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক:
- পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসার পর থেকে জাতির জনকের নেতৃত্বে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্থাপন এবং ক্রমান্বয়ে তা দৃঢ়তর হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ আমাদের সমর্থন জানালেও আরব দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব, জর্দান, মরক্কো, লিবিয়া পাকিস্তানকে সমর্থন করে গেছে।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি: 
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬, কালের কন্ঠ। [link]
১,২৮৮.
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

• উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো,(Bureau of Non-Formal Education-BNFE)
- ২০০৫ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিলুপ্ত হয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো গঠন করা হয়।
- সবার জন্য শিক্ষা-র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক লক্ষ্য পূরণের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০৬ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে। - এ শিক্ষানীতির সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্যাবলির মধ্যে রয়েছে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সাব-সেক্টর তৈরি, শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিতকরণ এবং চাহিদামূলক, অর্থ উপার্জনোপযোগী ও  যথার্থ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি অংশীদারি এবং সহযোগিতাপূর্ণ কর্মপদ্ধতি তৈরি করা।
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালের মধ্যে দেশে শতভাগ সাক্ষরতা অর্জনের লক্ষ্য ঘোষণা করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো বেশ কয়েকটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৮৯.
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ৮ বর্গ কিলোমিটার
  2. ১১ বর্গ কিলোমিটার
  3. ১৩ বর্গ কিলোমিটার
  4. ১৮ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৮ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ:
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- এটি একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমারের উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।

⇒ সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা। 

উল্লেখ্য,
- কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 
- প্রথম আলো রিপোর্ট অনুয়ায়ী, সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৯০.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকুস) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়—
  1. ক) ১৯৯০ খ্রিঃ
  2. খ) ১৯৯২ খ্রিঃ
  3. গ) ১৯৮৯ খ্রিঃ
  4. ঘ) ১৯৯৩ খ্রিঃ
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯০ খ্রিঃ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯০ খ্রিঃ
ব্যাখ্যা
- ৬ জুন, ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ছাত্র আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এরশাদ বিরোধী রাজনৈতিক তৎপরতা অধিক জোরদার হয়ে ওঠে। 
- ডাকসু নির্বাচনে সরকার বিরোধী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। 
- ফলে এরশাদ বিরোধী ছাত্র আন্দোলন আরো সংগঠিত হওয়ার সুযোগ লাভ করে ।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,২৯১.
শেখ মুজিবুর রহমান ও নদীপাড়ের দৃশ্য আছে কত টাকার নোটে?
  1. ৫০টাকা
  2. ১০০টাকা
  3. ২০০টাকা
  4. ১০০০টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০টাকা
ব্যাখ্যা
₻ ২০০ টাকা মূল্যমান স্মারক ব্যাংক নোটের বৈশিষ্ট্য 
- এই নোট শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং ইউভি কিউরিং বার্নিশযুক্ত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ২০০ টাকা মূল্যমান স্মারক ব্যাংক নোটটির সামনের বাঁ পাশে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে নোটের মূল্যমান ‘৳২০০’ ও ‘২০০’ ডিজাইন হিসেবে মুদ্রিত রয়েছে।
- এ ছাড়া নোটের ওপরের অংশে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবর্ষ ১৯২০-২০২০’, ওপরে ডান দিকে কোনায় ইংরেজিতে মূল্যমান ‘২০০’ ও ডান দিকে নিচে কোনায় বাংলায় মূল্যমান ‘৳২০০’ লেখা রয়েছে।
- নোটের পেছন ভাগে ডান দিকে গ্রামবাংলার বহমান নদী ও নদীর পাড়ের দৃশ্য (নদীর বুকে নৌকা, পাড়ে পাটখেত ও নৌকায় পাট বোঝাইয়ের দৃশ্য)।
- এর বাঁ পাশে বঙ্গবন্ধুর যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রী থাকাকালীন একটি ছবি মুদ্রিত রয়েছে।
- নোটের উপরিভাগে ইংরেজিতে ‘Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Centenary 1920-2020’ এবং নিচে বাঁ দিকে কোনায় ‘Birth Centenary’ লেখা রয়েছে।

উৎস- বাংলাদেশ ব্যাংক।
১,২৯২.
নিচের কোন হাওরটি একটি রামসার সাইট?
  1. ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. খ) হাইল হাওর
  3. গ) ধুপিবিল হাওর
  4. ঘ) শনির হাওর
সঠিক উত্তর:
ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত টাঙ্গুয়ার হাওর দেশের ২য় রামসার সাইট। এটি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত। ২০০০ সালে এটিকে রামসার সাইট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৯২ সালে সুন্দরবন ১ম রামসার সাইট ঘোষিত হয়। এছাড়া সম্প্রতি হাকালুকি হাওর দেশের তৃতীয় রামসার সাইট হতে যাচ্ছে।
(সূত্রঃ সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট ও যুগান্তর)
১,২৯৩.
কোন সংস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার প্রদান করে?
  1. UNDP
  2. SDSN
  3. ECOSOC
  4. WEF
সঠিক উত্তর:
SDSN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SDSN
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক (SDSN) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্প্রতি এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কারে ভূষিত করে।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা ও সবার জন্যে শান্তি-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ গ্রহণের সার্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য বাস্তবভিত্তিক সমাধান জোরদারে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোর লক্ষ্যে ২০১২ সালে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে SDSN প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: SDSN ওয়েবসাইট)
১,২৯৪.
বেগুনের একটি উন্নত জাত -
  1. সোনালিকা
  2. সুমাত্রা
  3. বর্ণালী
  4. মুক্তকেশী
সঠিক উত্তর:
মুক্তকেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তকেশী
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,২৯৫.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিজু উৎসব পালন করে? 
  1. চাকমা 
  2. মারমা 
  3. ত্রিপুরা 
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
চাকমা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা 
ব্যাখ্যা
বিজু উৎসব:
- চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা যে উৎসব করে তাকে বিজু বলে।
- এই উৎসবের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো পুরনো বছরকে বিদায় জানানো এবং নতুন বছরকে সাদরে গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- চৈত্র মাসের শেষ দুই দিন এবং পহেলা বৈশাখ নিয়ে মোট তিন দিন ধরে বিজু উৎসব চলে।
- বিজু উৎসবে তিন দিনের আলাদা নামকরণ হয়েছে।
- প্রথম দিন ফুলবিজু, দ্বিতীয় দিন মূলবিজু এবং তৃতীয় দিন গজ্যাপজ্যা।
• বছরের শেষ অর্থাৎ চৈত্র মাসের ২৯ তারিখে ‘ফুল বিজু’।
• চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩০ তারিখে পালন করা হয় মূলবিজু।
• বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পালন করা হয় গজ্যাপজ্যা (গড়িয়ে পড়ার দিন)।

⇒ উৎসবটিকে চাকমারা বিজু হিসেবে পালন করলেও মারমারা সাংগ্রাই, ত্রিপুরারা বৈসুক নামে পালন করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে উক্ত উৎসবটি বৈসাবি নামে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৯৬.
প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় কোনটিকে?
  1. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. সুশীল সমাজ
  3. বিরোধী দল
  4. সরকারি দল
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,২৯৭.
“বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা…”- গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. খ) সলিল চৌধুরী
  3. গ) গৌরি প্রসন্ন মজুমদার
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
খ) সলিল চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সলিল চৌধুরী
ব্যাখ্যা
“বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা…” – গানটির গীতিকার - সলিল চৌধুরী।

• সলিল চৌধুরী:

- সলিল চৌধুরী একজন ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার এবং গল্পকার।
- তিনি মূলত বাংলা, হিন্দি, এবং মালয়ালম চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন।
- আধুনিক বাংলা গানের সুরস্রষ্টা হিসেবে এবং গণসংগীতের প্রণেতা হিসেবে তিনি একজন স্মরণীয় বাঙালি।
- তার গুণগ্রাহীদের কাছে তিনি সলিলদা বলেই পরিচিত।

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা 
- ধরন: দেশাত্মবোধক গান
- গীতিকার: সলিল চৌধুরী
- সুরকার: অজ্ঞাত
- গেয়েছেন: সমবেত সংগীত
- অ্যালবাম: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান

তথ্যসূত্র: lyrics.khichuri.net
১,২৯৮.
বর্তমানে খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৭১ জন
  2. ৬৭২ জন
  3. ৬৭৩ জন
  4. ৬৭৪ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৯.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়?
  1. ১৫শ শতাব্দীতে
  2. ১৩শ শতাব্দীতে
  3. ১৪শ শতাব্দীতে
  4. ১৭শ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
১৫শ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫শ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
- মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখে ধারণা করা হয় খান-ই-জাহান ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো।
- পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩০০.
বাংলাদেশে VAT চালু হয় কত সালে?
  1. ১ জুলাই, ১৯৮৯
  2. ১ জুলাই, ১৯৯০
  3. ১ জুলাই, ১৯৯১
  4. ১ জুলাই, ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
ব্যাখ্যা
• মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- সরকারি আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর
- তৃতীয় সম্পূরক শুল্ক এবং চতুর্থ আমদানি শুল্ক।

উৎসঃ এনবিআরের ওয়েবসাইট।