বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২ / ৩০৬ · ১,১০১১,২০০ / ৩০,৮৩২

১,১০১.
'হাঙর নদী গ্রেনেড' চলচ্চিত্রের পটভূমি কী?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. মুক্তিযুদ্ধ
  3. ঊনসত্তরেরে গণঅভ্যুত্থান
  4. ১৯৪৭-এর দেশভাগ
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
হাঙর নদী গ্রেনেড:
- সেলিনা হোসেনের গল্প অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র হাঙর নদী গ্রেনেড।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এর কাহিনিতে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে একজন মা তার বাক্প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেয় পাকিস্তানি মিলিটারির হাতে।

উল্লেখ্য,
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন।
- তার মধ্যে ভীষণ আলোচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'।
- মুক্তিযুদ্ধের এক আবেগী ও প্রতিবাদী উপন্যাস এটি।
- হলদী গ্রামের এক বয়স্ক নারীর জীবন এই উপন্যাসে মূর্ত হয়ে ওঠে।
- এই নারী তাঁর নিজের ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যেমন উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে নিজের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।
- উপন্যাসে এই মায়ের আত্মসংগ্রাম, দেশের জন্য ত্যাগের অপার মহিমা ভাস্বর হয়ে ওঠে।
- আর উপন্যাসে বর্ণিত গ্রামটিও যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী এক বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো।
১,১০২.
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে জিডিপির প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৮.১৩%
  2. খ) ৮.১৫%
  3. গ) ৮.২০%
  4. ঘ) ৮.২৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৮.২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮.২০%
ব্যাখ্যা
১৩ জুন, ২০১৯ সালে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করেন। এ অর্থবছরে মােট বাজেটের পরিমাণ ৫,২৩,১৯০ কোটি টাকা। এ বছরের বাজেটে জিডিপির প্রক্ষেপিত (অনুমিত) প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৮.২০ শতাংশ।
১,১০৩.
বাংলাদেশের কোন এলাকাকে সম্প্রতি ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. কেরানীগঞ্জ
  2. সাভার
  3. নবাবগঞ্জ
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে জাতীয় মান অতিক্রম করলে কোনো এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়।
- বায়ুদূষণ গুরুতর আকার ধারণ করায় ঢাকা জেলার অন্তর্গত শিল্পঘন সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
- ​সাভারের বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় বার্ষিক নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ অতিক্রম করেছে। 
​- পরিপত্র অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সাভার উপজেলার অন্তর্গত সব ধরনের ইটভাটায় (টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ছাড়া) ইট পোড়ানোসহ ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা সম্পাদন নিষিদ্ধ।
- উন্মুক্ত অবস্থায় কঠিন বর্জ্য পোড়ানো এবং বায়ুদূষণ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে এমন সব ধরনের নতুন শিল্পকারখানার অনুকূলে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান বন্ধ থাকবে।

​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১,১০৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি’ বর্ণিত আছে?
  1. ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৩(ক) নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৩(ক) নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩(ক) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি'র বিষয়টি বর্ণিত আছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৮ক নং: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৫ নং: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১০৫.
উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।” - উক্তিটি কে করেছিলেন?
  1. খাজা নাজিম উদ্দিন
  2. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. নুরুল আমিন
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।

- তিনি ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন,
“উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”।

- উভয় জায়গাতেই তার এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা 'না না' ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা। নবম-দশম শ্রেণি।
১,১০৬.
বাংলাদেশ কবে LDC তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হবে?
  1. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৬ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৬
  4. ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা
LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, ছোট দ্বীপপুঞ্জ, ভূবেষ্টিত দেশ—এসব বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এলডিসিতে তালিকাভুক্ত করে জাতিসংঘ।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ নানা ধরনের যাচাই–বাছাই পেরিয়ে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য সময় নির্ধারণ করেছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট।
১,১০৭.
বাংলাদেশে জিওলজিক্যাল সার্ভে অনুযায়ী সম্প্রতি কোন জেলায় লোহার খনি পাওয়া গেছে?
  1. ফরিদপুর
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি।

উৎস: ১৮ জুন ২০১৯, প্রথম আলো।
১,১০৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, খানার আকার -
  1. ৩.৯৮
  2. ৪.০০
  3. ৪.১৮
  4. ৪.২২
সঠিক উত্তর:
৩.৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯৮
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,১০৯.
NIPORT (নিপোর্ট) কী?
  1. নদী বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. যোগাযোগ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জরুরি সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান
  4. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
• NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা- কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

তথ্যসূত্র:- NIPORT ওয়েবসাইট
১,১১০.
নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:

- অসংখ্য বিনুনি শাখা প্রশাখা সহ গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও মেঘনা এ ৩টি অন্যতম প্রধান ও সুবৃহৎ আন্তর্জাতিক নদীমালা কর্তৃক বাহিত পলিতে গঠিত এ বাংলাদেশ।
- এই বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার ১৯৪৮ সালে ঢাকার গ্রীণরোডে প্রায় ১২ একর জমির উপর “হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী” নামে একটি গবেষণাগার স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে ব্যাপক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে এবং “হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী” প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে পানি সম্পদ সেক্টরে বহুমুখী গবেষণা কার্যক্রম উত্তরোত্তর বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন হতে আলাদা করে সরাসরি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ফরিদপুর জেলা ওয়েবসাইট।
১,১১১.
সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. নওগাঁ
  2. বগুড়া
  3. রাজশাহী
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- অবস্থান: নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুণ্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়) এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
১,১১২.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে সাধারণ আসন সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৬০টি
  2. ১৬২টি
  3. ১৬৭টি
  4. ১৬৯টি
সঠিক উত্তর:
১৬২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬২টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আসন বন্টন:
- আইনগত কাঠামো আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ৩১৩টি নির্ধারণ করা হয়।
- সাধারণ আসন সংখ্যা ৩০০টি এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ১৩টি।
- পূর্ব পাকিস্তানে মোট আসন সংখ্যা ১৬৯টি।
• সাধারণ আসন সংখ্যা ১৬২টি।
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৭টি।
- পশ্চিম পাকিস্তানে মোট আসন সংখ্যা ১৪৪টি।
• সাধারণ আসন সংখ্যা ১৩৮টি।
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৬টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৩.
ন্যাশনাল পে কমিশন - কবে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭১
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে (১৯৭২-৭৫) সরকার দুটি বড় কমিটি নিয়োগ করে, প্রশাসন ও চাকুরি পুনর্গঠন কমিটি ১৯৭২ এবং ন্যাশনাল পে কমিশন ১৯৭২।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১,১১৪.
কতদিন বয়সের ধানের চারা রোপণ করা ভালো?
  1. ৬৫-৭৫ দিন
  2. ৫০-৬৫ দিন
  3. ২৫-৪৫ দিন
  4. ১০-২০ দিন
সঠিক উত্তর:
২৫-৪৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫-৪৫ দিন
ব্যাখ্যা
ধানের চারা তৈরি:
- ধানের চারা তৈরির জন্য সাধারণত চার ধরনের বীজতলা তৈরি করা হয়:
১। শুকনা বীজতলা;
২। ভিজা বীজতলা;
৩। ভাসমান বীজতলা;
৪। দাপোগ বীজতলা।
- জাত ও মৌসুম ভেদে ২৫-৪৫ দিন বয়সের চারা রোপণ করা ভালো।
- চারা তোলার পূর্বে বীজতলাতে পানি সেচ দিয়ে মাটি ভিজিয়ে নেয়া ভালো।
- এতে চারা তুলতে সুবিধা হয়।
- চারা তোলার পর তা ছোট ছোট আঁটি আকারে বেঁধে নিতে হয়।

⇒ চারা রোপণ পদ্ধতি:
- সমান জমিতে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় চারা রোপণ করতে হয়।
- লম্বা রশির সাহায্যে সোজা সারি করে চারা রোপণ করা উত্তম।
- এক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব হবে ২০-২৫ সে.মি. এবং সারিতে গুছি থেকে গুছির দূরত্ব হবে ১৫-২০ সে.মি.।
- প্রতিটি গুছিতে ২-৩টি চারা দিতে হয়।
- দেরিতে রোপণ করলে চারার সংখ্যা বেশি ও ঘন করে লাগাতে হয়।

উল্লেখ্য,
- জমি সমান হলে মুক্ত প্লাবন পদ্ধতিতে এবং ঢালু হলে আইলবদ্ধ মুক্ত প্লাবন পদ্ধতিতে পানি সেচ দিতে হয়।
- দেশী জাতের ধানে পানি সেচ অবশ্যই প্রয়োজন।
- চারা রোপণ করার পর ৬-৭ দিন পর্যন্ত ৩-৫ সে.মি. সেচ দিতে হয়।
- এতে আগাছা দমন হয়।
- এরপর কুশি উৎপাদন পর্যায়ে ২-৩ সে.মি. এবং চারার বয়স ৫০-৬০ দিন হলে ৭-১০ সে.মি. পরিমাণ পানি সেচ দেয়া উত্তম।
- থোড় আসার সময় পানি সেচ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- দানাপুষ্ট হতে শুরু করলে আর সেচ দেয়ার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৫.
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর কাজ নয় কোনটি?
  1. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ
  2. সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ
  3. মানি লন্ডারিং করা
  4. গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং করা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU):
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) হল মানি লন্ডারিং (ML), সন্ত্রাসে অর্থায়ন (TF) এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার (PF) প্রতিরোধে নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সংস্থা।

প্রধান কার্যক্রম:
- সন্দেহজনক লেনদেন/কার্যক্রম প্রতিবেদন (STRs/SARs) এবং নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (CTRs) বিশ্লেষণ।
- রিপোর্টিং সংস্থা (ROs) এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ।
- বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ।
- রিপোর্টিং সংস্থাগুলোর মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি।
- বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের দায়িত্ব পালন।
- BFIU দেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কাজ করে এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BFIU  ওয়েবসাইট
১,১১৬.
'টাকা বন্ড' ছাড়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কোন স্টক এক্সচেঞ্জে?
  1. NSE
  2. Nasdaq
  3. LSE
  4. FSE
সঠিক উত্তর:
LSE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LSE
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাজ্যের লন্ডনে IFC এর সহযোগিতায় লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে (LSE) বাংলা বন্ড ছাড়ার পর এবার টাকা বন্ড ছাড়ার উদ্যোগ নেয় IFC।
- এর উদ্দেশ্য হল বন্ড ছেড়ে টাকা তুলে দেশের বিভিন্ন শিল্পে বিনিয়োগ করা।
-  অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD) এ বন্ড ছাড়ার প্রাথমিক সম্মতি দেয়। 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
১,১১৭.
হামিদুজ্জামান খান কোন ভাস্কর্যের স্থপতি?
  1. ক) সাবাস বাংলাদেশ
  2. খ) জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  3. গ) স্টেপস
  4. ঘ) মিশুক
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেপস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টেপস
ব্যাখ্যা
- হামিদুজ্জামান খান হলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."

Source: Bengal Foundation
১,১১৮.
নিম্নের বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৬
  2. অনুচ্ছেদ ৫৭
  3. অনুচ্ছেদ ৫৮
  4. অনুচ্ছেদ ৫৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৯
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯ এ স্থানীয় শাসন এবং ৬০- এ স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন-
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।
(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক একাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(ক) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

অন্যদিকে, উল্লিখিত অনুচ্ছেদসমূহের বিষয়বস্তু:
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ;
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ;
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১১৯.
প্রাচীন হরিকেল জনপদ কোন কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল?
  1. ঢাকা-ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা-নোয়াখালী
  3. খুলনা-বরিশাল
  4. সিলেট-পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সিলেট-পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট-পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২০.
জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট' প্রদান করে -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ সদস্য
  3. চিফ হুইপ
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয় তখন স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অর্থাৎ কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- স্পিকারের এই ভোটকে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হল 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১২১.
জাতীয় সংসদের কাজ কোনটি ?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ
  3. সরকারের তহবিল নিয়ন্ত্রণ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রক্ষমাতর অধিাকরী।
- এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার মুখপাত্র।
- সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার প্রাধান্য স্বীকৃত।
- আইনসভা সার্বভৌম।
- আইনসভার নিকট শাসন বিভাগ দায়ী না থাকলে তাকে সংসদীয় সরকার বলা যায় না।
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমান সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলীর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
• জাতীয় সংসদের কার্যাবলি:
১. আইন প্রণয়ন;
২. সরকারের তহবিল নিয়ন্ত্রণ;
৩. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ;
৪. বিচার বিভাগ সংক্রান্ত ক্ষমতা;
৫. নির্বাচনী কার্য;
৬. সংবিধান সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, ‍ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
১,১২২.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার -
  1. ১৮.৭%
  2. ১৯.২%
  3. ২০.১%
  4. ২১.৯%
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১,১২৩.
বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন ডিসি
  3. লন্ডন
  4. কলকাতা
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
কূটনৈতিক মিশন:
- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশিরাও দেশের জন্য লড়াই করেছেন।
- নয়াদিল্লি, কলকাতা, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডন বিশ্বের এই ৫টি বড় শহরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কূটনীতিকরা দেশের পক্ষে বিদেশি জনমত গঠনে কাজ করেছিলেন।
- একাত্তরের ওই সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে কূটনীতিকরাও দেশের পক্ষে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলা হয়।
- ওই সময়ে কলকাতার উপ হাইকমিশনার মো. হোসেন আলী এবং তৃতীয় সচিব আনোয়ারুল করিম চৌধুরী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে কলকাতার পাকিস্তান হাইকমিশনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং হাইকমিশনটিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন হিসেবে ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য,
- বিদেশের মাটিতে এভাবেই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তেলন করা হয়।
- এরপর ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় তৃতীয় সচিব কাজী নজরুল ইসলাম, সহকারি প্রেন এটাচে মাকসুদ আলী এবং প্রথম সচিব রফিকুল ইসলাম চৌধুরী পাকিস্তানের চাকড়ি প্রত্যাহার করে বাংলাদেশের পক্ষে যোগ দেন।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,১২৪.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র  প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা।
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একই দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এটা করা হয়।
অর্থ্যাৎ ২৬ মার্চ থেকে এটি বলবৎ হয়।

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

১,১২৫.
নিন্মোক্ত কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সিলেট অঞ্চলে বাস করে না?
  1. মণিপুরী
  2. তঞ্চঙ্গ্যা
  3. খাসিয়া
  4. পাঙন
সঠিক উত্তর:
তঞ্চঙ্গ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তঞ্চঙ্গ্যা
ব্যাখ্যা
- মণিপুরী, খাসিয়া, পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বাস করে।
- তঞ্চঙ্গ্যা সিলেট অঞ্চলে বাস করে না। 

তঞ্চঙ্গ্যা:
- তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার রইস্যাবিলি, বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়ার আশপাশের এলাকায় ও কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার আশপাশের এলাকায়, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে তঞ্চঙ্গ্যা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস।
- তঞ্চঙ্গ্যাদের পেশা মূলত কৃষি।
- এরা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- এদের ভাষায় বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানকে ‘বিষু’ বলা হয়।
- তঞ্চঙ্গ্যা সমাজে পিতার অবর্তমানে পুত্রসন্তানরা সম্পদের মালিকানা পায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,১২৬.
অম্ল মাটিতে কি প্রয়োগ করিলে মাটির অম্লত্ব দূর হয়?
  1. দস্তা
  2. চুন
  3. গন্ধক
  4. ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
চুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুন
ব্যাখ্যা
মাটির অম্লত্ব ব্যবস্থাপনা:
- উদ্ভিদ জন্মানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন মাধ্যম হলো মাটি।
- মাটির অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব যা আমরা মাটির pH দ্বারা প্রকাশ করে।
- বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলের মাটিতে প্রাকৃতিকভাবেই অম্লত্ব বা এসিডিটির পরিমাণ বশী।
- যদি মাটির pH কম হয় তবে অম্লত্বেও পরিমাণ বেশী। আবার মাটির pH বেশী হলে অম্লত্বের পরিমাণ কম।
- কোন মাটির pH ৭.০ এর কম হলে সে মাটি অম্লীয়।
- আবার ৭.০ এর বেশী হলে তা ক্ষারীয়। কোন মাটির pH ৭.০ বা ৭.০ এর কাছাকাছি হলে সে মাটি নিরপেক্ষ। 
- অত্যধিক অম্লীয় মাটিতে জন্মানো ফসলের গুণগত মানও কমে যায়। ক্ষেত্র বিশেষে মানব স্বাস্থ্যের জন্য এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।
- এক্ষেত্রে মাটিতে চুন প্রয়োগ করে মাটির অম্লত্ব হ্রাস করা প্রয়োজন।
- কিন্তু সব অঞ্চলের মাটির জন্য চুন প্রয়োগের মাত্রা এক নয়। যেমন- এটেল মাটির এক একক অম্লত্ব হ্রাস করার জন্য যে পরিমাণ চুনের প্রয়োজন, দোঁআশ বা বেলে দোঁআশ মাটিতে তার চেয়ে কম চুনের প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,১২৭.
সম্প্রতি, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে কোন রোগের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়?
  1. হাম
  2. নিউমোনিয়া
  3. টাইফয়েড
  4. যক্ষ্মা
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে টাইফয়েড রোগের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।
- ১২ অক্টোবর ২০২৫ থেকে প্রথমবারের মতো টাইফয়েডের টিকা দেওয়া শুরু হচ্ছে।
- এক মাসব্যাপী এই কর্মসূচিতে সরকার ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশু-কিশোর-কিশোরীকে বিনা মূল্যে এই টিকা দেবে।
- স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা, আজিমপুর কেন্দ্রে উদ্বোধন হয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) মাধ্যমে দেশে বর্তমানে ১২টি রোগপ্রতিরোধে ১০ ধরনের টিকা দিচ্ছে সরকার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

১,১২৮.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ছিলেন কে?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. শাহ আবদুল হামিদ
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রনয়ণ কমিটি:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে আইন ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়।
- কমিটি প্রথম বৈঠকে করে ১৯৭২ সালে ১৭ এপ্রিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুন কমিটির শেষ বৈঠকে সংবিধানের প্রাথমিক খসড়াটি অনুমোদন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুনের মধ্যে কমিটি বিল আকারে একটি খসড়া শাসনতন্ত্রসহ রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও কমিটির পক্ষে সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২৯.
বাণিজ্য শুল্ক কী?
  1. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর কর
  2. আমদানি ও রপ্তানির ওপর আরোপিত কর
  3. ব্যক্তিগত আয়ের ওপর কর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমদানি ও রপ্তানির ওপর আরোপিত কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমদানি ও রপ্তানির ওপর আরোপিত কর
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য শুল্ক:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক।
- দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।

আবগারি শুল্ক:

- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

আয়কর:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর।
- জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়।
- যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল (Progressive) হারে আয়কর আদায় করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই। 
১,১৩০.
সর্বশেষ মুঘল সম্রাট ছিলেন কে?
  1. শাহ আলম
  2. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর
  3. আওরঙ্গজেব
  4. শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর
ব্যাখ্যা
মুঘল সাম্রাজ্যের পতন:
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- সামগ্রিকভাবে মুঘল সাম্রাজ্য পতনের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বহিঃআক্রমন প্রভৃতি বিষয়কে দায়ী করা হয়।
- পারস্য সম্রাট নাদির শাহ এবং পরবর্তীকালে আফগান রাজা আহমদ শাহ আবদালীর দিল্লি আক্রমণ ও লুণ্ঠনে মুঘল সাম্রাজ্য দুর্দশায় ও পতনুম্মুখ হয়ে পড়ে।
- এমনি মুমূর্ষ অবস্থায় ইংরেজ শক্তির ক্ষমতা দখল করার ফলে মুঘল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটে।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩১.
মুদ্রাস্ফীতি কী?
  1. ক) অর্থের মূল্য কমে আসা
  2. খ) অর্থের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া
  3. গ) অর্থের মূল্য সমান থাকা
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) অর্থের মূল্য কমে আসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অর্থের মূল্য কমে আসা
ব্যাখ্যা
- মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি। অর্থাৎ বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- মুদ্রাস্ফিতির ফলে মুদ্রার মান হ্রাস পায়। পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৩২.
ডেঙ্গুর কয়টি সেরোটাইপ বা ধরন রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গুর কয়টি সেরোটাইপ বা ধরন
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ডেঙ্গুর সংক্রমণ হয় ১৯৬০ সালের দিকে।
- চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গুর (ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪) চারটি ধরন রয়েছে।
- মূলত, কেউ যদি প্রথমবার একটা সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয়, তবে দ্বিতীয়বার সে যখন আবার অন্য একটা সেরোটাইপ দিয়ে আক্রান্ত হয়, তখন তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- সম্প্রতি, দেশে বিগত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ডেঙ্গুর সেরোটাইপ বা ধরন ‘ডেন-২’-এর প্রাধান্য বিস্তার করছে।
- ২০২৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউিট (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু পজিটিভ অর্ধশত (৫০টি) রোগীর নমুনা বিশ্লেষণ করে সেখানে ৭০ শতাংশ (৬৯ দশমিক ২০ শতাংশ) ডেন-২ এর উপস্থিতি পেয়েছে

সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট।
১,১৩৩.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. আহসান হাবীব
  4. আবদুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ। সেই সুর পরিবর্তন করে আলতাফ মাহমুদ পরে এর সুরারোপ করেন। সেটি এখন বলবৎ আছে। 
- ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বলতে বোঝানো হয়েছে যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।

১,১৩৪.
ছোট সোনা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনা মসজিদ:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনা মসজিদ।
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯)
কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে এর অবস্থান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,১৩৫.
আইয়ুব খান নিম্নের কোন ব্যবস্থাটি চালু করেছিলেন?
  1. রাজতন্ত্র
  2. সমাজতন্ত্র
  3. সংসদীয় গণতন্ত্র
  4. মৌলিক গণতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
মৌলিক গণতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা

আইয়ুব খান:
- আইয়ুব খান সামরিক শাসন যাত্রার ২১ দিনের মাথায় ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেন।

⇒ ক্ষমতাদখলের পর আইয়ুব খান কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করেন। ১৯৫৯ সালে 'পোডো' (PODO) এবং 'এবডো' (EBDO) নামক দুটি আদেশ জারি করে রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ ও নির্বাচনে রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেন।

⇒ জেনারেল আইয়ুব ১৯৫৯ সালে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামে নতুন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন। 
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় শাসনকাঠামোকে ৪টি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছিল। ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা ছিল সর্বনিম্ন স্তর এবং এর সদস্যদের বলা হতো ‘মৌলিক গণতন্ত্রী’। ১৯৬৫ সালে পরোক্ষ নির্বাচনব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগে নির্বাচিত ৮০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী এ নির্বাচনে নির্বাচকমণ্ডলী হিসেবে কাজ করেন। এ নির্বাচনে বিরোধীদলীয় জোটের প্রার্থী ফাতেমা জিন্নাহকে পরাজিত করে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

⇒ আইয়ুব খানের আবিষ্কৃত মৌলিক গণতন্ত্রব্যবস্থা দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পায়নি এবং আইয়ুব খানের স্বপ্নও সফল হয়নি। ১৯৬৯ সালে গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আইয়ুব খানের পতন হয় এবং তাঁর পতনের মধ্য দিয়ে মৌলিক গণতন্ত্রব্যবস্থার অবসান ঘটে।
- ২৪ মার্চ ১৯৬৯ ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হন।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

১,১৩৬.
‘অন্ধকুপ হত্যা’ নামক কল্প কাহিনীর জনক কে?
  1. ক) হলওয়েল
  2. খ) ড্রেক
  3. গ) রবার্ট ক্লাইভ
  4. ঘ) ওয়াটসন 
সঠিক উত্তর:
ক) হলওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হলওয়েল
ব্যাখ্যা
• ‘অন্ধকূপ হত্যা’ :
- কথিত আছে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আদেশে ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে ১৮×১৪ চওড়া বিশিষ্ট ছোট কক্ষে রাখা হয়েছিল।
- জুন মাসের প্রচন্ড গরমে এদের মধ্যে  ১২৩ জন শ্বাসবন্ধ হয়ে মারা যায়। বাকী ২৩ জন কোনো রকমে বেঁচে যায়।
- হলওয়েল কর্তৃক প্রচারিত এ কাহিনী ‘অন্ধকূপ হত্যা’ নামে পরিচিত।
- ‘অন্ধক‚প-হত্যা’ কাহিনীর পেছনে কোনো ঐতিহাসিক সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায় না। শুধু নবাবের বিরুদ্ধে ইংরেজদেরকে উত্তেজিত করার জন্য এটি একটি কল্পিত-কাহিনী মাত্র। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৭.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন জেলাকে হাম-রুবেলার ‘রেড জোন' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবন
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ডিসেম্বরে কক্সবাজার জেলাকে শিশু রোগ হাম-রুবেলার ‘রেড জোন' হিসেবে সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয় ।
প্রতি ১০ হাজারে একজন শিশু আক্রান্ত হলে সেই জেলা বা উপজেলাকে সরকারিভাবে ‘রেডজোন’ ঘোষণা করা হয়।
এ সংখ্যা অতিক্রম করায় সরকারিভাবে কক্সবাজার জেলাকে হাম-রুবেলার ‘রেড জোন' ঘোষণা করা হয়।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট
১,১৩৮.
EVM বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন
  2. খ) ইলেক্ট্রিক মেশিন
  3. গ) ইলাস্টিক ভোটিং মেশিন
  4. ঘ) এফেসিয়েন্ট ভোটিং মেশিন
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন
ব্যাখ্যা
- ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম হচ্ছে আধুনিক বিশ্বে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট দেওয়ার একটি ডিজিটাল যন্ত্র।
- এটি একাধারে সঠিকভাবে ভোটগ্রহণ ও দ্রুততার সঙ্গে তা গণনা করতে সক্ষম।
- ১৯৬৪ সালে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের কার্যকরী সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে।
- পরবর্তী সময়ে ২০১০ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে ১৪টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করে ভোট নেওয়া হয়।
- অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ইভিএমের সাহায্যে ভোট নিতে দেখা যায়।
- ভোটকেন্দ্রেই মূলত ইভিএম ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের ব্যালট, কন্ট্রোল, ডিসপ্লে নামের একাধিক ইউনিট থাকে।
- ব্যালট ইউনিটের ওপর প্রতিটি প্রার্থীর নাম ও প্রতীক সাজানো থাকে।
- পাশে থাকে একটি করে সুইচ।
- ভোটার তার পছন্দের প্রতীকের পাশের সুইচ চেপে ভোট দেন।
- প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে থাকে ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিট।

   উৎস:- দৈনিক ইত্তেফাক।
১,১৩৯.
নিচের কোনটি প্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. রাসায়নিক সার
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. কসমেটিক্স
  4. হোম টেক্সটাইল
সঠিক উত্তর:
পাট ও পাটজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
- যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস থেকে অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১,১৪০.
তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র- 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদকমন্ডলির সভাপতি ছিলেন-
  1. শাহেদ আলী
  2. আবদুল গফুর
  3. আবুল কাশেম
  4. আবুল মনসুর আহমদ
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। 
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১,১৪১.
National Citizen Party (NCP)-এর বর্তমান আহ্বায়ক কে?
  1. আখতার হোসেন
  2. নাহিদ ইসলাম
  3. নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারি
  4. হাসনাত আব্দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
নাহিদ ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাহিদ ইসলাম
ব্যাখ্যা

• National Citizen Party (NCP):
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- এটি  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
 - নাহিদ ইসলামকে দলটির  আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- এটি দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল, যা সম্পূর্ণভাবে ছাত্র নেতৃত্বের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- দলটির সৃষ্টি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি সফল পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- দলটির নির্বাচনী প্রতীক - শাপলা কলি।

উৎস: NCP ওয়েবসাইট।

১,১৪২.
'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা'-র স্থপতি -----।
  1. নিতুন কুণ্ডু
  2. শামীম শিকদার
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।

⇒ ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- শামীম শিকদার ২০০০ সালে একুশে পদক অর্জন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৪৩.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. বরিশাল
  3. পটুয়াখালী
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প  বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত। 
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০ এর মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০,০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে। 
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানি শুরু করে। 
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে। 

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,১৪৪.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের মতে উচ্চ কক্ষে মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত হবে কতজন সদস্য?
  1. ১০৫ জন
  2. ১০০ জন
  3. ৩০০ জন
  4. ৩৫০ জন
সঠিক উত্তর:
১০০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ জন
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- উচ্চকক্ষ মোট ১০৫ (একশো পাঁচ) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে;
- এর মধ্যে ১০০ জন সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত হবেন।
- রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation-PR) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের মনোনয়ের জন্য সর্বোচ্চ ১০০ (একশো) জন প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে।
- এই ১০০ (একশো) জন প্রার্থীর মধ্যে কমপক্ষে ৫ জন আইন দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করবে।
- অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে (যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য ও রাজনৈতিক দলের সদস্য নন) প্রার্থী মনোনীত করবেন।
- কোনো রাজনৈতিক দলকে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্বের যোগ্য হতে হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের অন্তত ১% নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও,
- উচ্চকক্ষের স্পিকার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
- উচ্চকক্ষের একজন ডেপুটি স্পিকার থাকবেন যিনি সরকার দলীয় সদস্য ব্যতিত উচ্চকক্ষের অন্য সকল সদস্যের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 

১,১৪৫.
'শিশু স্বর্গ' প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নিতুন কুন্ড
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. জয়নুল আবেদিন
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
শিশু স্বর্গ:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'।
- এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন।
- পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে।
- সেখানে 'শিশু স্বর্গ' নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।

উৎস: নড়াইল জেলা ওয়েবসাইট ও সমকাল।
১,১৪৬.
সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এর ইংরেজি নাম কী?
  1. National Assembly
  2. National Parliament
  3. Parliament
  4. House of the Nation
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

---------------
⇒ Article 65. Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic:
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect.

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১,১৪৭.
E-TIN এর পূর্ণরূপ -
  1. Electronic Trade Identification Number
  2. Electronic Tax Invoice Number
  3. Electronic Taxpayer's Identification Number
  4. Electronic Tax Integration Number
সঠিক উত্তর:
Electronic Taxpayer's Identification Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Taxpayer's Identification Number
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,১৪৮.
Which is the busiest port in Bangladesh and the third in South Asia, serving as a key hub for the country's imports and exports?
  1. Mongla Seaport
  2. Tamabil Land Port
  3. Benapole Land Port
  4. Chittagong Seaport
সঠিক উত্তর:
Chittagong Seaport
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chittagong Seaport
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম বন্দর:

- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- দেশের অধিকাংশ পণ্য আমদানি ও রপ্তানি এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর পূর্বে পর্বত শ্রেণি থেকে উৎপন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে পতিত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- সমুদ্র হতে কয়েক মাইল অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রে নোঙর করার সুবিধাই এ বন্দরের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বঙ্গোপসাগরের বাইরের দিকে বালুচর হতে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে প্রধান ঘাট পর্যন্ত চলমান দূরত্ব হচ্ছে ১৬ কিলোমিটার।

তথ্যসুত্র - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট।
১,১৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "সকল শিশুর জন্য অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা" উল্লেখ করা হয়েছে-
  1. ১৮ অনুচ্ছেদ 
  2. ১৯ অনুচ্ছেদ 
  3. ১৫ অনুচ্ছেদ 
  4. ১৭ অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
১৭ অনুচ্ছেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১১ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
- অনুচ্ছেদ ১২ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ১৩ - মালিকানার নীতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৫ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৫০.
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি 
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি 
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে।
বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি

১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন: ২টি 
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমই ফাউন্ডেশন (Small and Medium Enterprise Foundation-SME Foundation)
- ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমসিআইএফ (Small, Micro and Cottage Industries Foundation-SMCIF)


উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
১,১৫১.
মারমা সমাজের ‘সার্কেল’ প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. কারবারি
  2. হেডম্যান
  3. রাজা
  4. মোড়ল
সঠিক উত্তর:
রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা
ব্যাখ্যা

- মারমাদের প্রশাসনিক সর্বোচ্চ স্তরের প্রধানকে “রাজা” বলা হয়।

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।  
- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- মারমাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, মারমাদের ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা। বর্ণমালার নাম ম্রাইমাজা।
- বাম থেকে ডান দিকে লেখার রীতি অনুসারী বর্ণমালা উপমহাদেশীয় প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি হতে উদ্ভুত।
- মারমা সমাজে তিন স্তরবিশিষ্ট একটি প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে।
- এই কাঠামোর সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বে থাকেন ‘সার্কেল প্রধান’, যাকে ‘রাজা’ বলা হয়।
- সার্কেল প্রধান মূলত একটি বৃহৎ এলাকার (যেমন একটি উপজেলাভিত্তিক অঞ্চল) প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- তার অধীনে মৌজা পর্যায়ে হেডম্যান এবং গ্রাম পর্যায়ে কারবারি কাজ করেন।
- সার্কেল প্রধানের প্রধান দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,১৫২.
বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানার নাম কী?
  1. ডিএপি ফর্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  2. শাহজালাল ফর্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  3. ঘোড়াশাল পলাশ ফর্টিলাইজার পিএলসি
  4. যমুনা ফর্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল পলাশ ফর্টিলাইজার পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল পলাশ ফর্টিলাইজার পিএলসি
ব্যাখ্যা
• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
→ বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানার নাম - ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি।
→ দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ নরসিংদীর ‘ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা’
→ এটি ১২ নভেম্বর, ২০২৩ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 
→ এই সার কারখানা থেকে বছরে উৎপাদন হবে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার।
→ ২০২০ সালের ১০ মার্চ ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। যার দায়িত্ব পায় সিসি সেভেন নামে একটি চীনা এবং জাপানের মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। 
→ নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ১১০ একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
→  প্রতিদিন এখান থেকে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনে সক্ষম দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সার কারখানাটি।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক (১২ নভেম্বর, ২০২৩)।
১,১৫৩.
'গারো' উপজাতিরা কোন ধর্মের অনুসারী?
  1. ক) বৌদ্ধ
  2. খ) খ্রিস্টান
  3. গ) জৈন
  4. ঘ) হিন্দু
সঠিক উত্তর:
খ) খ্রিস্টান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খ্রিস্টান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়াও শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলিবাজার গারো উপজাতি বাস করে।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম সাংসারেক।
- গারোদের প্রধান দেবতা তাতারা রাবুগা।
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান
- গারোদের উৎসব ওয়ানগালা।
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি , ষষ্ঠ শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,১৫৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংসদের অধিবেশনের উল্লেখ করেছে?
  1. ৭২নং অনুচ্ছেদ
  2. ৭৩নং অনুচ্ছেদ
  3. ৭৪নং অনুচ্ছেদ
  4. ৭৫নং অনুচ্ছেদ
  5. ৭৬নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৭২নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।

তথযসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৫৫.
জাতীয় সংসদে ‘ট্রেজারি বেঞ্চ’ বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. সংসদ-কক্ষের সামনের সারির আসন
  2. সংসদ-কক্ষের মাঝামাঝি আসন
  3. সংসদে স্পিকারের আসন
  4. সংসদ-কক্ষের শেষ সারির আসন
সঠিক উত্তর:
সংসদ-কক্ষের সামনের সারির আসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ-কক্ষের সামনের সারির আসন
ব্যাখ্যা
ট্রেজারি বেঞ্চ
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,১৫৬.
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান কততম? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা

বিশ্বের জনবহুল নগর:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল নগর।
- ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫–এ বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা।
- এরপরই ঢাকার অবস্থান।
- ঢাকায় এখন প্রায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ মানুষ বসবাস করছে।
- ২০০০ সালে ঢাকা ছিল বিশ্বের নবম জনবহুল নগর। জনসংখ্যা ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।
- ২৫ বছরের ব্যবধানে ঢাকা তালিকায় দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে। এ সময়ে ঢাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির বার্ষিক হার ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
- প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে, ২০৫০ সালে সবচেয়ে জনবহুল নগরের বৈশ্বিক তালিকায় প্রথম স্থানে উঠে আসবে ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ৩ কোটি ৩৪ লাখ বৈশ্বিক জনসংখ্যা নিয়ে তালিকায় জাপানের টোকিও এখন ৩ নম্বরে।
- টোকিওর পর তালিকায় আছে যথাক্রমে ভারতের নয়াদিল্লি ও চীনের সাংহাই।

তথ্যসূত্র- World Urbanization Prospects 2025, পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,১৫৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার কতটি দফা অর্থ সম্পর্কিত ছিল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালে।
- ছয় দফার ৩টি দফা অর্থ সম্পর্কিত ছিল।

দফা সমূহ:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১,১৫৮.
জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID)-এর সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. বানিজ্যমন্ত্রী
  3. শিল্পমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID):
- দেশব্যাপী ব্যাপক ভিত্তিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) গ্রহণ করে থাকে।
- - এই পরিষদ দেশে বিভিন্ন ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে।
- এ পরিষদের সভাপতি হলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- এবং সহ সভাপতি হলেন মাননীয় শিল্পমন্ত্রী।
 
উৎস: শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। 
১,১৫৯.
কোন বিদেশী বণিকরা চট্টগ্রামের নামকরণ করেন পোর্টো গ্র্যান্ডে?
  1. পর্তুগীজ
  2. ফরাসি
  3. ডাচ
  4. ব্রিটিশ
সঠিক উত্তর:
পর্তুগীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগীজ
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম:
- চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর ও বাণিজ্যিক রাজধানী।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম চট্টগ্রামে আগমন করে।
- পর্তুগিজরা প্রথমে জন দ্য সিলভিরার নেতৃত্বে ১৫১৭ সালে এবং পরে আলফন্সো দ্য মিলোর নেতৃত্বে ১৫২৭ সালে চট্টগ্রাম দখলের ব্যর্থ চেষ্টা করে।
- তারা বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহকে সাহায্য করার বিনিময়ে তার কাছ থেকে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়েরও অধিকার লাভ করে।
- এটিকে পর্তুগিজরা পোর্টো গ্র্যান্ডে নামকরণ করেন।
- জোয়াও ডি ব্যারোস ১৫৫২ সালে 'বাংলা রাজ্যের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং ধনী শহর' হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন।
- সাতগাঁও বন্দরের নামকরণ হয় ‘পোর্টো পেকুইনে’।
- ১৬৬৫-৬৬ সালে বাংলার মুগল সুবাহদার শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম অভিযান করে অতর্কিত আক্রমণে বন্দরটি দখল করে নেন।
- চট্টগ্রাম ১৭৬০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) Britannica.
১,১৬০.
বাংলাদেশে কত সাল পর্যন্ত ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট বজায় থাকবে?
  1. ক) ২০৩০ সাল
  2. খ) ২০৫৭ সাল
  3. গ) ২০৪৫ সাল
  4. ঘ) ২০৫০ সাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০৫০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০৫০ সাল
ব্যাখ্যা

একটি দেশের ৬০ শতাংশ বা তার কাছাকাছি জনসংখ্যা যখন ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী বা কর্মক্ষম থাকে তখন সেই অবস্থাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট বলে। একটি দেশ বা জাতির ইতিহাসে সম্ভবত একবার বা হাজার বছরে একবার জনসংখ্যার এরূপ বিন্যাস দেখা যায়। এই অবস্থা সাধারণত ৩০ বছর স্থায়ী হয়। বাংলাদেশ বর্তমানে এই অবস্থা অতিক্রম করছে। অর্থনীতিবিদদের তে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে জনসংখ্যার এরূপ বিন্যাস বিদ্যমান থাকবে। এই সময়টাকে অর্থনৈতিক উন্নতির টার্নিং পয়েন্ট ধরা হয়। চীন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এই সময়কে কাজে লাগিয়ে নিজেদের উন্নতি করেছে। অন্যদিকে কেনিয়া সহ আফ্রিকান কিছু দেশ এরূপ সুযোগ পেলেওৈ তা কাজে লাগাতে পারেনি।
(সূত্র: ইউএনডিপি)

১,১৬১.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
- ব্যবহারের অধিকার রয়েছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

১,১৬২.
কোন মোঘল সম্রাটের সময়ে ঢাকা প্রথম রাজধানী হয়?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান অনুযায়ী ১৬ জুলাই ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবিতকাল পর্যন্ত এ নাম বজায় ছিলো।
- এর আগে সম্রাট আকবরের আমলে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার প্রাদেশিক রাজধানী ছিলো বিহারের রাজমহল। 
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতীকে রাজমহলের সুবেদার নিযুক্ত করেন।
- তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে রাজধানী রাজমহল থেকে সরিয়ে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা সুবা বাংলার রাজধানী হলেও সুবা বাংলার রাজধানী বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে। 
- শাহ সুজা'র পতনের পর ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- এরপর দীর্ঘকাল পর ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা আবার তার গুরুত্ব ফিরে পায়।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসামও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৬৩.
জাতীয় সংসদে আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ সৃষ্টি করা হলে তার দায়িত্ব হবে -
  1. ক) সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কার্য তদন্ত করা
  2. খ) নিজ দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করা
  3. গ) সংসদের বিল রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপন করা
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল
'ন্যায়পাল' শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Ombudsman'। এর অর্থ হলো প্রতিনিধি বা মুখপাত্র। অর্থাৎ, ন্যায়পাল অন্যের জন্য কথা বলবেন। ন্যায়পাল বা Ombudsman-এর পদ সর্বপ্রথম সৃষ্টি হয় ১৮০৯ সালে, সুইডেনে। ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়পালের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল হলো সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত কমিশনার বা কর্মকর্তা যিনি সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করেন। বছর শেষে ন্যায়পাল তার দায়িত্ব পালন সম্পর্কিত একটি বার্ষিক রিপোর্ট প্রদান করবেন এবং তা সংসদে উপস্থাপন করা হবে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,১৬৪.
BACPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Automated Check Processing System
  2. Bangladesh Automated Clearance Processing System
  3. Bangladesh Automated Character Processing System
  4. Bangladesh Automated Cheque Processing System
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Automated Cheque Processing System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Automated Cheque Processing System
ব্যাখ্যা
BACPS:
- BACPS-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Automated Cheque Processing System.

উল্লেখ্য,
- BACH হচ্ছে বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস, যেখানে দু'ধরণের আন্তঃব্যাংক লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়।
- একটি হচ্ছে বাংলাদেশ অটোমেটেড চেক প্রসেসিং সিস্টেম (BACPS), যার মাধ্যমে ব্যাংকসমূহের ক্লিয়ারিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- অপরটি হচ্ছে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN) যার মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক ইলেকট্রনিক ডেবিট ও ক্রেডিট লেনদেনসমূহ পরিচালিত হয়।

⇒ চেক ক্লিয়ারিং:
- চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য চেকের প্রাপককে নিম্নোক্ত হারে চার্জ পরিশোধ করতে হয়:
• ৫০,০০০ টাকার নিচে চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য কোন চার্জ দিতে হয় না;
• ৫০,০০০ টাকা বা এর বেশি কিন্তু ৫ লক্ষ টাকার নিচে চেক এর জন্য ভ্যাটসহ মোট ১০ টাকা;
• ৫ লক্ষ টাকা বা এর বেশি অংকের চেক Regular Value ক্লিয়ারিং এর জন্য উপস্থাপিত হলে ভ্যাটসহ ২৫ টাকা; ৫ লক্ষ টাকা বা এর বেশি অংকের চেক High Value ক্লিয়ারিংএর জন্য উপস্থাপিত হলে ভ্যাটসহ মোট ৬০ টাকা; • সকল ধরণের G2P অর্থাৎ কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে দেয়া সরকারি চেক, সরকারি পাওনার বিপরীতে কিংবা সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার বিভিন্ন পাওনার বিপরীতে অথবা ইউটিলিটি বিলের বিপরীতে প্রদত্ত চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য কোন চার্জ পরিশোধ করতে হয় না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,১৬৫.
রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মধ্যে সাধারণত কী ধরনের সম্পর্ক থাকে?
  1. আদর্শ ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক
  2. আদর্শ ও নীতিগত সম্পর্ক
  3. আদর্শ ও পারিবারিক সম্পর্ক
  4. আদর্শ ও জাতিগত সম্পর্ক
সঠিক উত্তর:
আদর্শ ও নীতিগত সম্পর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদর্শ ও নীতিগত সম্পর্ক
ব্যাখ্যা

◉ রাজনৈতিক দলের সদস্যরা একসাথে কাজ করে কারণ তাদের আদর্শ ও লক্ষ্য অভিন্ন।

রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য: 
- রাজনৈতিক দল কিছু সংখ্যক মানুষের একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
- রাজনৈতিক দলের সদস্যগণ কম-বেশি একইরূপ আদর্শ ও নীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে একত্রিত হয়।
- রাজনৈতিক দল নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা করে।
- জনমতের দিকে লক্ষ্য রেখে রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন ও প্রচার, নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন এবং জয়লাভের চেষ্টা করে।
- রাজনৈতিক দলগুলো নিজ নিজ দলীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে থাকে।
- রাজনৈতিক দল দলীয় নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করতে চায়।
- বস্তুত সংগঠন, কর্মসূচি ও ক্ষমতালাভ রাজনৈতিক দলের মূল বৈশিষ্ট্য।

সূত্র: পৌরনীতি, এস এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,১৬৬.
'অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন' সংবিধানের কোন তফসিলে বর্ণিত আছে?
  1. ২য়
  2. ৫ম
  3. ৪র্থ
  4. ১ম
সঠিক উত্তর:
১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১৬৭.
মুক্তিযুদ্ধে 'এস' ফোর্সের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. মেজর খালেদ মোশাররফ
  2. মেজর কে. এম সফিউল্লাহ
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার
সঠিক উত্তর:
মেজর কে. এম সফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর কে. এম সফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিবাহিনীকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল।
- ফোর্সের নামকরণ করা হয় ব্রিগেডগুলোর অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।

• ব্রিগেড ফোর্সগুলোর নাম হলো:
- 'কে' ফোর্স, যার অধিনায়ক ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ।
- 'এস' ফোর্স, যার অধিনায়ক ছিলেন মেজর কে. এম সফিউল্লাহ।
-  'জেড' ফোর্স, যার অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।

উল্লেখ্য, 
- সামরিক ও বেসামরিক জনগণকে একত্রিত করে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়।
- মুক্তিবাহিনী দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল: নিয়মিত বাহিনী এবং অনিয়মিত বাহিনী।
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- গণবাহিনীতে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সেক্টরে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।
- নিয়মিত বাহিনীতে ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্র বাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছিল।
- ১৪ এপ্রিল, কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ বাহিনীর হেড কোয়ার্টার কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৬৮.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম কী?
  1. মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. নারায়ণঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল 
  3. মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রামের মীরসরাই, সীতাকুণ্ড এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় প্রায় ৩৩,৮০৫ একরের বেশি জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

• 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই এবং ফেনীর সোনাগাজী এলাকায় দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল এনএসইজেড নির্মাণের কাজ করছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- প্রথম পর্যায়ে আগামী পাঁচ বছরে ১৭ হাজার ৩১৩.৫৮ একর জমির ওপর বিস্তৃত এনএসইজেডের মিরসরাই অঞ্চলের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে দশম বছরের মধ্যে সোনাগাজীর ১১ হাজার ২০.৫ একর এলাকার কাজ করা হবে।
- তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়ে এগারোতম থেকে বিশতম বছরে সম্পন্ন হবে সীতাকুণ্ড অঞ্চলের কাজ।

উৎস: i) বেজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,১৬৯.
মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান কে?
  1. ধর্মপাল
  2. দেবপাল
  3. রামপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায়:
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে।
- এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সময় উত্তর ভারতের আধিপত্য নিয়ে গুর্জর প্রতিহার, রাষ্ট্রকুট ও পালবংশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ধর্মপালের পর রাজা হলেন তাঁর পুত্র দেবপাল।
- তাঁর শাসনামলে পাল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হয়।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে।
- প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
- রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন।
- তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।

উৎম: ইতহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৭০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মূলনীতিসমূহের উল্লেখ রয়েছে?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ৯ম
  4. ঘ) ১১শ
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২য় ভাগে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণিত হয়েছে এবং.২য় ভাগের ৮ম অনুচ্ছেদে ৪ টি মূলনীতির উল্লেখ রয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশ সংবিধান

দ্বিতীয় ভাগ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

মূলনীতিসমূহ
৮৷ (১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

১,১৭১.
পেন্সিল তৈরীতে কোন গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) গরান
  2. খ) নল খাগড়া
  3. গ) ধুন্দল
  4. ঘ) গেওয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ধুন্দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধুন্দল
ব্যাখ্যা
গেওয়া কাঠ থেকে বাক্স ও দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত হয়।
ধুন্দল গাছের কাঠ থেকে পেন্সিল প্রস্তুত করা হয়।
গরান গাছের ছাল থেকে রং প্রস্তুত করা হয়।
১,১৭২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ২০১০
  2. ২০১১
  3. ২০১২
  4. ২০১৫
সঠিক উত্তর:
২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রথম প্রকাশিত হয় — ২০১২ সালে।

• অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম বই 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা।
- এই প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের একটি দল।
- বাংলাদেশে এই বই প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
- এছাড়া ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ভারতে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া থেকে এবং পাকিস্তানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস পাকিস্তান থেকে। এছাড়া পাকিস্তানে উর্দু ভাষাতেও এর অনুবাদ বের হবার কথা রয়েছে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান।
১,১৭৩.
বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ কৃষি গবষেণা ইনস্টিটিউট
  2. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটউট
  3. বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
- বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর মোট ১৮টি।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
- বাংলাদেশ কৃষি গবষেণা ইনস্টিটিউট
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটউট
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
- কৃষি তথ্য সার্ভিস ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র-  কৃষি মন্ত্রনালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়।
১,১৭৪.
How many districts are there in our country?
  1. 66
  2. 60
  3. 64
  4. 19
সঠিক উত্তর:
64
উত্তর
সঠিক উত্তর:
64
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- এই দেশের ভূখণ্ডগত বিস্তৃতি ১৪৭, ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার, যা গ্রীসের চাইতে সামান্য বড়।
- বাংলাদেশ ৮টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল সমন্বয়ে গঠিত, যা বিভাগ নামে পরিচিত। এগুলো হলো বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগ।
- এ সকল বিভাগের অধীনে রয়েছে ৬৪টি জেলা
- এই ৬৪টি জেলাকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৪৯৫টি উপজেলায়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৭৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,১৭৬.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সাম্য
  2. মানবিক মর্যাদা
  3. বহুত্ববাদ
  4. ধর্মনিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় ধর্মনিরপেক্ষতা।

রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮(১) অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি চারটি। যথা: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম - ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে।
- এই চারটি মূলনীতিকে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বা মৌলিক আদর্শ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

• জাতীয়তাবাদ: ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি,(অনুচ্ছেদ ৯)।
• সমাজতন্ত্র: মানুষের উপর মানুষের শোষণ হতে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজ লাভ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হল রাষ্ট্রের লক্ষ্য, (অনুচ্ছেদ ১০)।
• গণতন্ত্র: প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানব সত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, (অনুচ্ছেদ ১১)।
• ধর্মনিরপেক্ষতা: ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হল সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা অবসান, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা না দেওয়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নিপীড়নের অবসান, (অনুচ্ছেদ ১২)।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন বর্তমান সংবিধানে রাষ্ট্রের মূলনীতির পরিবর্তে নতুন মূলনীতি হিসেবে 'সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র'র কথা সুপারিশ করেছে।

উৎস: i) BBC.
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৭৭.
সতীদাহ প্রথা হলো-
  1. ক) বিধবা বিবাহ প্রথা
  2. খ) সহমরণ প্রথা
  3. গ) বহুবিবাহ প্রথা
  4. ঘ) ধর্মান্তর প্রথা
সঠিক উত্তর:
খ) সহমরণ প্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সহমরণ প্রথা
ব্যাখ্যা
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি সহমরণ প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে।
- রাজা রামমোহন রায়সহ আরো কিছু ভারতীয় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,১৭৮.
কার সভাপতিত্বে 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়?
  1. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  2. কাজী গোলাম মাহবুব
  3. অধ্যাপক আবুল কাসেম
  4. অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
• তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।
• ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
• ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
• ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

এছাড়াও,
- ১৯৫২ সালের ৩০শে জানুয়ারি বিকেলে বার লাইব্রেরী হলে ঢাকার ছাত্র, বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিবিদ ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক নিযুক্ত করে একটি সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ গঠন করা হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়। এটিই ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
১,১৭৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) লিখিত দলিল
  2. খ) ন্যায়পাল
  3. গ) সংসদীয় পদ্ধতির সরকার
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
-  ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১. লিখিত দলিল।
২. দুষ্পরিবর্তনীয়।
৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
৪. মৌলিক অধিকার।
৫. এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
৬. প্রজাতন্ত্র।
৭. এক-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
৮. সংসদীয় পদ্ধতির সরকার।
৯. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
১০. ন্যায়পাল।
১১. সাংবিধানিক প্রাধান্য।

উৎস: পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।
১,১৮০.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কে ঘোষণা করেন?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
- তিনি ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলনও গড়ে তোলেন।
- ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ছয়দফার আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮১.
কোন যুগে প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. পাল যুগে
  2. সেন যুগে
  3. গুপ্ত যুগে
  4. মৌর্য যুগে
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত যুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত যুগে
ব্যাখ্যা
নালন্দা মহাবিহার 
- ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা মহাবিহার প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র। এটিকে পৃথিবীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করা হয়।
- ধারণা করা হয় যে, গুপ্ত সম্রাটগণই নালন্দা মহাবিহারের নির্মাতা এবং সম্রাট প্রথম কুমারগুপ্তই সম্ভবত এক্ষেত্রে প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা লাভ করেন।
- হিউয়েন-সাং-এর ভ্রমণের ৩০ বছরের মধ্যে ই-ৎসিঙ (৬৭৫ থেকে ৬৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১০ বছর এখানে শিক্ষাগ্রহণ করেন) সহ কমপক্ষে ১১ জন কোরীয় ও চৈনিক তীর্থযাত্রীসহ বিশিষ্টজনেরা নালন্দা ভ্রমণ করেন বলে জানা যায়।
- বারো শতকের দিকে নালন্দা তার গুরুত্ব হারায়। 

রেফারেন্স: বাংলাপিডিয়া
১,১৮২.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা দেয়ার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- মহিলা আসন সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ: ৫ বছর।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৮৩.
বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়াকে বলা হয়- 
  1. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  2. মুদ্রা সংকোচন
  3. কারেন্সি সোয়াপ
  4. মুদ্রাস্ফিতি
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফিতি
ব্যাখ্যা

- বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে মুদ্রাস্ফিতি বলা হয়।
- মুদ্রাস্ফিতির ফলে বাজারে পণ্যের দাম ‍বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে,
- মুদ্রা সংকোচন হলো উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পাওয়া।
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন মুদ্রার মূল্যমান হ্রাস করা।
- কারেন্সি সোয়াপ হলো দুটি ভিন্ন মুদ্রায় ঋণ ও সুদের অর্থ বিনিময়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও ইনভেস্টোপিডিয়া। 

১,১৮৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় রেশমের চাষ করা হয়?
  1. ক) পাবনা
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রেশম:
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক।
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন (Cocoon) থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৫.
নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৩ লাভ করেন কে?
  1. রণিতা বালা।   
  2. চিকিৎসক হালিদা হানুম আখতার। 
  3. খালেদা একরাম (মরণোত্তর)
  4. কামরুন্নেছা আশরাফ দিনা (মরণোত্তর)
সঠিক উত্তর:
কামরুন্নেছা আশরাফ দিনা (মরণোত্তর)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুন্নেছা আশরাফ দিনা (মরণোত্তর)
ব্যাখ্যা
• বেগম রোকেয়া পদক-২০২৩:
- নারী কল্যাণ সংস্থা ১৯৯১ সাল থেকে রোকেয়া পদক দেওয়া শুরু করে। ১৯৯৬ সাল থেকে সরকারিভাবে ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবসে এই পদক দেওয়া শুরু হয়।
- ২০২৩ সালের পদকপ্রাপ্তরা হলেন -
→ নারী শিক্ষায় - খালেদা একরাম (মরণোত্তর)।    
→ নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় - চিকিৎসক হালিদা হানুম আখতার।    
→ নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে - কামরুন্নেছা আশরাফ দিনা (মরণোত্তর)।
→ পল্লী উন্নয়নে - রণিতা বালা।   
→ নারী জাগরণে উদ্বুদ্ধকরণে - নিশাত মজুমদার।

তথ্যসূত্র: মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,১৮৬.
২৫ মার্চ ১৯৭১-এর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশি সাংবাদিক কে ছিলেন?
  1. মার্ক টালি
  2. এ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাস
  3. সাইমন ড্রিং
  4. মাইকেল লরেন্ট
সঠিক উত্তর:
সাইমন ড্রিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
- সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
- তিনি লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল, দ্য সানডে টাইমস, নিউজউইক, বিবিসি টেলিভিশন রেডিও নিউজ, রয়টার প্রভৃতি গণমাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে চালুকৃত প্রথম বেসরকারি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন-এর তিনি যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। 

⇒ দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চলাইট নামে বাঙালিদের ওপরে সশস্ত্র আক্রমণ ও গণহত্যা, ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ইত্যাদি পটভূমিতে শুরু হয় ৯ মাসব্যাপী বাঙালিদের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, যাতে ৩০ লক্ষ বাঙালিকে জীবনদান ও কয়েক লক্ষ মা-বোনকে সম্ভ্রম বিসর্জন দিতে হয়।

⇒ ২৫শে মার্চ রাতে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পূর্বে শাহবাগস্থ তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২শর মতো বিদেশী সাংবাদিককে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কঠোর প্রহরায় বিশেষ কক্ষে আবদ্ধ করে রাখে। তাঁদের মধ্যে লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার প্রতিনিধি সাইমন ড্রিংও ছিলেন।
- সকলকে পরের দিন প্লেনে তুলে পাঠিয়ে দেয়া হলেও সাইমন ড্রিং ও এসোসিয়েটেড প্রেসের ফটোগ্রাফার মাইকেল লরেন্ট  লুকিয়ে থেকে নিজেদের সাময়িকভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হন।
- ২৭শে মার্চ কিছু সময়ের জন্য কারফিউ তুলে নেয়া হলে তাঁরা দুজন ঢাকা শহরে বেড়িয়ে পড়েন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল (বর্তমান জহুরুল হক হল), জগন্নাথ হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধুর ৩২নং ধানমন্ডির বাস ভবন, রেসকোর্সের কালীবাড়ি মন্দির, পুরনো ঢাকার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাসহ ২৫শে মার্চ রাত থেকে শুরু করে পাকহানাদারদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত ঢাকা নগরীর বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাইমন ড্রিং একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন।
- এটি ৩০শে মার্চ, ১৯৭১ লন্ডন থেকে প্রকাশিত দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'Tanks Crush Revolt in Pakistan 7,000 slaughtered: Homes burned' শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় তিন কলামে সাইমন ড্রিং (তখন বয়স ২৭)-এর ছবিসহ সবিস্তার ছাপা হয়।
- বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ২৫শে মার্চের হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সাংবাদিকের এটিই ছিল প্রথম প্রতিবেদন।
- এটি প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকায় সে রাতে ও পরবর্তী দুদিন পাকবাহিনী কী নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসলীলা চালিয়েছিল, সে সম্বন্ধে বিশ্ববাসী জানতে পারে।

উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।

১,১৮৭.
মুক্তিযুদ্ধে মোট সাব-সেক্টর কয়টি ছিল?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ৫৪ টি
  3. গ) ৬৪ টি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টর ও ৬৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ৬৪ ট সাব-সেক্টর পরবর্তীতে ৬৪ টি জেলা হয়। উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১,১৮৮.
মাওলানা ভাসানী সেতু কোন নদীর উপর অবস্থিত?
  1. ধলেশ্বরী
  2. করতোয়া
  3. তিস্তা
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা

মাওলানা ভাসানী সেতু:
- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’। 
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার ও প্রস্থ ৯.৬০ মিটার।
- মোট ৩০টি পিলার ও ৩১টি স্প্যান।
- সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি। 
- এটি একটি প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার সেতু।
- সেতুটির মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। 

⇒ বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা।
- সেতুটির মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। 

উৎস: প্রথম আলো।

১,১৮৯.
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. শামসুল আলম
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. শামসুল হক
  4. শরিফুল হক
সঠিক উত্তর:
শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুল হক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ:

- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্ম।
- পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ করা হয়।
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং শামসুল হক ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
- ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান দলটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও শোষণমুক্তি এ চারটি মূলনীতির উপর দলটি পরিচালিত হচ্ছে।
- স্বাধীনতার পর থেকে দেশ পুনর্গঠন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দলটি অনবদ্য অবদান রেখেছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯০.
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না' গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আপেল মাহমুদ
  2. খ) আবদুল হাদী
  3. গ) গোবিন্দ হালদার
  4. ঘ) আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
গ) গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা
গোবিন্দ হালদার রচিত কয়েকটি বিখ্যাত গান-
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না।',
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি....',
'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে.....'
১,১৯১.
নিম্নের কোনটি সাংবিধানিক গণভোট ছিল?
  1. ১ম গণভোট
  2. ২য় গণভোট
  3. ৩য় গণভোট
  4. ৪র্থ গনভোট
সঠিক উত্তর:
৩য় গণভোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় গণভোট
ব্যাখ্যা
গণভোট (Referendum):
- আক্ষরিক অর্থে গণভোট বলতে জনগণের কাছে উপস্থাপিত করা (refer to the people)-কে বোঝায়।
- আইনসভার দ্বারা প্রণীত আইনকে ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করার জন্য জনসাধারণের কাছে উপস্থাপিত করাকে বলে গণভোট (Referendum)।
- অর্থাৎ গণভোট হল এমন এক উপায় বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোন একটি আইন চূড়ান্তভাবে গৃহীত হওয়ার আগে জনসাধারণের মতামত নেওয়া হয়।
- সংবিধানে গণভোট (Referendum) সংক্রান্ত কোনো অনুচ্ছেদ নেই।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশেও ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে মোট ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এর মধ্যে ২ বার অনুষ্ঠিত হয় প্রশাসনিক গণভোট এবং ১ বার অনুষ্ঠিত হয় সাংবিধানিক গণভোট।
- ১৯৯১ সালে সাংবিধানিক গণভোট তথা দেশের ৩য় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ গণভোটের বিধান নিয়ে রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান বাদ দেওয়া হয়।
- এ ছাড়া জনমত বা জন- আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৮, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদ অসংশোধনযোগ্য ঘোষণা করা হয়, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোবিরোধী এবং অসংগতিপূর্ণ। তাই পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১-এর ৪৭ ধারার মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল ঘোষণা করা হলো। ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে যুক্ত করা গণভোটের বিধান পুনরুদ্ধার হলো।

উৎস: i) গণভোট আইন, ১৯৯১।
ii) Surendranath Evening College।
১,১৯২.
শরিফ শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শরিফ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. করাচি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূলে ছিল শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট।
- এই কমিশন গঠিত হয়েছিল আইয়ুবের সামরিক শাসন জারির পরপর, ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৮।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরিফ।

উল্লেখ্য,
- কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শরিফ আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে আইয়ুবের শিক্ষক ছিলেন।
- ১৯৬০ সালের প্রথম দিকে শরিফ কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
- তবে সামরিক আইন জারি থাকায় তখন আন্দোলন তেমন জোরদার হতে পারেনি।
- ১৯৬২ সালে সামরিক আইন প্রত্যাহার হওয়ায় শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে।
- আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে ১৪৪ ধারার মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রদেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়।
- এদিন ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে, পুলিশের বাধার মুখেও ছাত্রদের মিছিল এগিয়ে গেলে পুলিশ গুলি চালায়।
- এতে মোস্তফা ও বাবুল নামের দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং পরদিন গুলিবিদ্ধ ওয়াজিউল্লাহ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার শেষ পর্যন্ত শরিফ কমিশন রিপোর্টের বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
১,১৯৩.
শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুরে
  2. মহাস্থানগড়ে
  3. ময়নামতিতে
  4. সোনারগাঁওতে
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়ে
ব্যাখ্যা
শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১৯৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার কয়টি ভাগ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৯৫.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ক) ২২৩টি
  2. খ) ১৫০টি
  3. গ) ২৪০টি
  4. ঘ) ৩০৯টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২২৩টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন:

- যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। 
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১,১৯৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে কোন সিটি কর্পোরেশনে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. বরিশাল
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে - ঢাকা বিভাগ।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে - ময়মনসিংহ বিভাগ।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,১৯৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. অনুচ্ছেদ - ৩২
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৩
  3. অনুচ্ছেদ - ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

৩৫।অনুচ্ছেদ অনুসারে: 

(১) কেউ যদি কোনো অপরাধ করেন, তাহলে সেই অপরাধ সংঘটনের সময় যে আইন কার্যকর ছিল, সে আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে। নতুন কোনো কঠোর শাস্তি তাকে দেওয়া যাবে না।
(২) একবার যদি কাউকে কোনো অপরাধের জন্য বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে তাকে একই অপরাধে আবার বিচার করা বা শাস্তি দেওয়া যাবে না।
(৩) ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে দ্রুত এবং প্রকাশ্যে বিচার পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।
(৪) কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।
(৫) কাউকে নির্যাতন করা যাবে না, নিষ্ঠুর বা অমানবিক শাস্তি দেওয়া যাবে না, কিংবা লজ্জাজনক আচরণ করা যাবে না।
(৬) প্রচলিত আইনে যে শাস্তি বা বিচারপদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তা এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ, 
- অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, 
- অনুচ্ছেদ ৩৪: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

১,১৯৮.
কতটি জেলা নিয়ে ঢাকা বিভাগ গঠিত?
  1. ১২টি
  2. ১৩টি
  3. ১৪টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিভাগ:

- ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ গঠিত হয়।
- ১৮৬৪ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে এটিকে টাউন কমিটিতে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি বিলুপ্ত করে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয় এবং ১৯৮৩ সালে একে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়।
- ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা ১৩টি।
- উপজেলার সংখ্যা ৮৯টি।
- সংসদীয় আসন ৭০টি।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,১৯৯.
তমুদ্দিন মজলিস সংগঠনটি কিসের সাথে জড়িত?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. স্বাধীনতা সংগ্রাম
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. শাসনতন্ত্র আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের পটভূমি:
- ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি হয়। তৎকালীন পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের একটি অংশে পরিণত হয়।
- পাকিস্তান নামক এই নতুন রাষ্ট্রের শাসকগোষ্ঠী প্রথমেই বাঙালিকে শোষণ করার কৌশল হিসেবে বাংলা ভাষার ওপর আঘাত হানে।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
- সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই আবদুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়।
- তমদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- তমুদ্দিন মজলিস সংগঠনটি ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২০০.
কার সময়ে বাংলা প্রদেশকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয়?
  1. ক) লর্ড চেমসফোর্ড
  2. খ) লর্ড কার্জন
  3. গ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. ঘ) লর্ড মিন্টু
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে এবং সহিংস আন্দোলন শুরু করে। ফলে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- এতে করে ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল পুনরায় দুই বাংলা একত্রিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)